জ্ঞান - Knowledge
2K subscribers
1.27K photos
21 videos
11 files
463 links
🙂🙂🙂
Download Telegram
স্ত্রী আপনার সংসারের সবুজ বৃক্ষ, তার যত্ন নিন।তাকে আপনার মেজাজের উত্তাপে বিবর্ণ করবেননা।তাকে ভালবাসুন।কাপুরুষের মত তার সাথে যুদ্ধে লিপ্ত না হয়ে,ভালবাসা আর সহমর্মিতা দিয়ে সংসার সামলানোর গুণ অর্জন করুন।আপনার স্ত্রীকে আপনার সেবা করতে বাধ্য করবেননা,আপনাকে ভালবাসতে বাধ্য করবেন।দেখবেন খেদমত অনায়াসে পেয়ে যাবেন।
ইনশাআল্লাহ।
7
যারা সহ-শিক্ষা কিংবা ফিতনার পরিবেশ থেকে বের হতে চান, নারীদের মূল ক্যারিয়ার—সন্তান পরিবারকে সাহাবীগণের মতো গড়ে তুলতে চান, শুধু তাদের জন্য!

প্রকৃতপক্ষে‌ই শিক্ষিত হতে চাইলে দ্বীনি ইলম অন্বেষণ করুন, না হলে সন্তানকে উত্তমভাবে নার্সিং করবেন কিভাবে!

• অন্তত এগুলো জানার চেষ্টা করুন/শিখুন—
১. ফরজ ইলম (মৌলিক আকিদাহ, ফরজ ইবাদাত ও দায়-দায়িত্ব এবং হালাল-হারামের ইলম),
২. সুন্নাতি লাইফস্টাইল সম্পর্কিত ইলম,
৩. সাহাবীগণের জীবনী,
৪. বড় বড় মুসলিম মনীষীগণের জীবনী, বিশেষ করে কিভাবে তারা বেড়ে উঠছে, কিভাবে তাদেরকে নার্সিং করা হয়েছে,
৫. শিশুদের সাইকোলজি ও মুসলিম পুরুষের সাইকোলজি,
৬. পরিবারের নিউট্রিশন, ফিটনেস, স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য জরুরি ইনফো সমূহ,
৭. রব্বায়াতুল বাইত (বাড়ির রানী) হিসেবে দায়িত্ব ও করণীয় সমূহ,
৮. এবং সাংসারিক দক্ষতা-কাজকর্ম (রান্না, সেলাই ইত্যাদি)

iOT-এর যুগে এগুলো শেখার উপায় নেই বললে, সে আসলেই অতিমাত্রায় ব্যাক-ডেটে-ড!

এর বিপরীতে প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থায় ডক্টরেট থাকলেও আমরা তাকে জা_হি_ল/মূ-★র্খ‌-ই গণ্য করবো, সার্টিফাইড মূ_★র্খ।
সাইট লঞ্চের বিস্তারিত আপডেট এই টেলিগ্রাম চ্যানেলে আলোচনা হচ্ছে

🔗 t.me/Halal_Jobs
ঝাল লাগলে পানি নয়, লিকুইড দুধ খাবেন । দুধের মধ্যে casein বলে একধরনের প্রোটিন আছে । এটি মরিচের ঝাল কমিয়ে দেয় । মরিচের ঝাল হয় capsaicin উপাদানটির কারণে । দুধের casein উপাদানটি জিব্বায় স্বাদের রিসেপ্টরের উপর একটি আবরণ তৈরি করে । এতে মরিচের ঝালের উপাদান capsaicin তখন জিব্বায় লেগে থাকা দুধের casein উপাদানটির দ্বারা নিষ্ক্রিয় হয়ে যায় । আর তাতে ঝাল কম মনে হয় তখন ।

- ডা. অপূর্ব চৌধুরী
Being a ব্যাডা মানুষ isn’t so easy, প্রিয় মহিলার জন্য ব্যাডা মানুষ তার জানালার পাশের সিট স্যাক্রিফাইস করে দেয়, রাস্তায় হাঁটার সময় যানবাহনের সাইডে ব্যাডা মানুষ থাকে, রিকশাতে উঠলে সেইফ জোনে ব্যাডারা তার প্রিয় মহিলাকেই রাখে।
বাবা, ভাই, স্বামী সবাই ব্যাডা মানুষ। একজন মহিলার জীবনে এই ব্যাডা মানুষেরা না থাকলে জীবন অর্থহীন হয়ে যেতো। ব্যাডাদের প্রতি বিদ্বেষ রেখে নারীর সুন্দর জীবনের বিলাসিতা করা পাপ।
I have huge respect for men no matter how much I suffer.
লেখা:সুমি আক্তার
7
মেয়েদের বিয়ের বয়স! (সুস্থ ম/-স্তি-/ষ্কে মন দিয়ে পড়ুন প্লিজ!)

বাংলাদেশের মিডল ক্লাস আর হাই সোসাইটির মেয়েদের এখন লেইট ম্যারেজ হচ্ছে! সোজা বাংলায় বললে বিয়ে হচ্ছে না! একজন পুরুষ যখন সাতাশ আঠাশ বা ত্রিশে বিয়ে করতে মনস্থ হচ্ছে, সেই বয়সেও মেয়েদের বিয়ে হওয়া টাফ হচ্ছে!

এর কারণ একটাই! স্যোশাল প্রোপা-গান্ডা... এখন বিয়ে দেবনা/করবনা/লেখাপড়া শেষ হোক/কিছু করে নিজের পায়ে দাঁড়াক!

এসব করতে করতে এখন আঠারো/বিশের নারীদের জন্য বিয়ের প্রস্তাব আসাটাই বন্ধ হয়ে গেছে বলা চলে! সবাই ধরেই নেয়, সবে ইন্টার দিল! হয়তো এখন কি আর বিয়ে করবে বা দিবে পরিবার?

অনার্স, মাস্টার্স, ডাক্তারি, ইঞ্জিনিয়ারিং, হেন-তেন না পড়ালে বা পড়ার শেষ পর্যায়ে না থাকলে বিয়েতো দেবেনা! আর ঐ বয়স হওয়া পর্যন্ত নারীটির দেহের চাহিদা, মনের চাহিদা সব খট-খটে হয়ে যায়।

আর বিয়ে যেসব নারীদের জন্য প/নে/রো, ষো-ল, স-তে-রো, বা বিশ বছরে শারিরীক চাহিদার ক্ষেত্রে অবশ্যই ফরজ (ফিকাহ বা শরীয়ত অনুযায়ী ও যদি বলি) হয়ে পড়েছে, তারা চরম বিপাকে পড়ে! স্বাভাবিক তাড়নায় যদি অন্য দিকে চলে যায়, সমাজ তার চ-রি-ত্র নিয়ে কথা বলবে! কিন্তু সহজে বিয়ে হবেনা!

কারণ, কালচারে মিশে গেছে পঁচিশ বছরেও মেয়েরা আজকাল "বাচ্চা মানুষ" থাকে।

ও তো ছোট! এত তাড়াতাড়ি কিসের বিয়ে?
সাথে সাথে মেয়েগুলো ও আহ্লাদী কন্ঠে বলে, "এত তাড়াতাড়ি বিয়ে করবনা..."

আমি বলি, এত না-ট-ক করার কি আছে? মনে হয়, তোমাদের বিয়ে করার জন্য লা-ই-ন লেগে আছে? যাকে পছন্দ, তাকে তোমরা বরমাল্য দিবা? আসল বাস্তবতা হল, যতই জা-ত, বংশ, রূ-প, গু-ণ থাকনা কেন, এখন মেয়েদের জন্য বিয়ের প্রস্তাবই আসছেনা! আসলেও খুবই কম। অভিভাবকদের নাক সিঁটকানো স্বভাব দায়ী এজন্য, ঐ যে..."এখন বিয়ে দেবনা!"

তাদের মেয়েরা বিশাল বড় বড় পো-স্টে আসীন হবে, তারপর বিয়ে করবে! বাহ্! কেন সকল নারীকে বিশাল সব পোস্টে জব করতেই হবে?! ইস-লাম কি নারীদের অর্থনৈতিক দায় দায়িত্ব দিয়ে রেখেছে?

তাহলে নিজের ঘাড়ে অত প্রে-সা-র নেয়া কেন? যারা স্পেশাল মেধাসম্পন্ন তাদের কথা আলাদা। তারা করুক....কিন্তু এলেবেলে যেনতেন সবাই এই ক্যারিয়ারের পিছে ঘুরার ফলাফল : বিয়ে হচ্ছে না আজকাল নারীদের সঠিক বয়সে!.

মেয়েদের যৌ-ব-নে-র আবেগ স্বাভাবিকভাবেই ত্রিশের পর শেষ হতে শুরু করে। তখন গিয়ে তারা প্রতিষ্ঠিত হয়ে বিয়ে করে। তারপর ফিলিংলেস হৃদয় ও বদনে (তনু মনে) স্বামী সংসার করতে থাকে। একসময় বি-র-ক্ত হয়ে ডি/ভো/র্সে গড়ায়! আবেগের বয়সে, সঙ্গীকে আবিস্কারের বয়সে বিয়ে না করলে এমনটাইতো হওয়ার কথা! শিথিল আবেগ দিয়ে মহা-প্রেম, অমর প্রেম সম্ভব?

যায়হোক, শেষবয়সে কন্যাদায়গ্রস্ত পিতাদের আহা-জারি বাংলাদেশে এখন দেখার মত! ভেতরে ভেতরে নিঃশেষ হচ্ছে বহু মেয়ে, যাদের এখনো বিয়ে হয়নি! দেখা যায়, তার ছোট অনেকের বিয়ে হয়ে যাচ্ছে, তার হচ্ছে না! শহরে এ বাস্তবতা প্রকট আকার ধারণ করেছে!

আরেকটা বিষয়, বিশ বাইশ বছরের শিশু ও বেশি হলে কিশোরী (!)দের মায়েরা, তাদের মেয়েদের কোন দিকেই সাং-সারিক ও সামা-জিকতায় পরিপক্ক করে তুলেননা! ফলাফল তারা পরবর্তী সংসার জীবনে এডজাস্ট করতে পারেনা!

পরিশেষে, "যে যুগ হয়েছে বাসী...
সে যুগে নারীরা ছিল রাণী হয়ে,
এখন হয়েছে দা/সী!" (স্বরচিত পংক্তি)

প্লিজ, ব্রে-ইন-টা হাতে নিয়ে একটু চিন্তা করুন সবাই! সময়ের কাজ সময়ে করান। দুপুরের ভাত বর্জন করে রাতে খেতে থাকলে গ্যা/স্ট্রি/ক তো অনিবার্য!

~ শাহেদা নাঈম!
২০২৪ চলে আসছে। সবাইকে প্রস্তুতি নিতে হবে সামনের দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে।স্কীল ছাড়া দুনিয়াতে কেউ এখন টিকতে পারবেন না। দুনিয়া এখন অনেক নিষ্ঠুর। যত স্কীল হবেন, ততই আপনার জন্য অনেক অনেক ইনকামের পথ খোলা থাকবে।
আপনি সারভাইভ করতে পারবেন। ২০২৪ এর শুরু থেকে স্কীল হওয়ার জন্য প্রস্তুতিত নিন আজই।
4
নারী ও পুরুষ দুজনের শরীরই নশ্বর।
অর্থাৎ দিনে দিনে সব শেষ হয়ে যাচ্ছে ভিতর থেকে ।
তবুও এই শরীর পরস্পরকে চায় আনন্দের জন্য। মিলনের এই স্পৃহা কখনো শেষ হয়ে যায় না।
তবে মিলন -
সৃষ্টির লক্ষ্যে হওয়া উচিত।
নারী পুরুষের দৈহিক মিলনের মধ্যে
তিনটা ক্রাইটেরিয়া রয়েছে।
প্রথমত:
বিনোদন যেটা শারীরিক।
দ্বিতীয়তঃ
উৎপাদন ।
যেটা পরবর্তী জেনারেশন সৃষ্টি করার জন্য।
তৃতীয়তঃ
সাধন !
অর্থাৎ এই পৃথিবীতে টিকে থাকতে হলে,
যে সাধনার প্রয়োজন মানুষের ,
তার জন্য একটা স্টেশন বলা চলে নারী।
সেটা পুরুষের স্টেশন।
আর পুরুষ
-নারীর স্টেশন।
তবুও নারী পুরুষ নফসের কারাগারে
বন্দি বলেই,
প্রতিনিয়ত পরস্পরের শরীরকে চায়
উদ্দাম হয়ে।
মনের চাঁদকে পূর্ন করার জন্য যে চাহাত এই নফসের মধ্যে রয়েছে,
পৃথিবীতে শরীর নিয়ে জীবিত থাকতে
যে অতৃপ্ত বাসনা রয়েছে ,
তা- কোন দিনও ফুরাবে না।

@Panna Chowdhury
বর্তমান দুনিয়ায় লিগ্যালি ভালো এমাউন্টের টাকা ইনকামের জন্য একজন মানুষের যেসব স্কিলে দক্ষ হওয়া উচিত বলে আমি মনে করি, সেগুলো হলো:

* প্রযুক্তিগত দক্ষতা: বর্তমান বিশ্বে প্রযুক্তির প্রভাব ব্যাপক। তাই প্রযুক্তিগত দক্ষতা থাকলে ভালো চাকরি বা ব্যবসা করার সুযোগ অনেক বেশি। প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জনের জন্য বিভিন্ন ধরনের কোর্স করা যেতে পারে, যেমন:
* কম্পিউটার সায়েন্স
* আইটি
* ডেটা সায়েন্স
* সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং
* অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট
* ওয়েব ডেভেলপমেন্ট
* মেশিন লার্নিং
* আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স

* বৈজ্ঞানিক দক্ষতা: বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় দক্ষতা অর্জন করলেও ভালো চাকরি বা ব্যবসা করার সুযোগ রয়েছে। যেমন:
* মেডিসিন
* ইঞ্জিনিয়ারিং
* কৃষি
* রসায়ন
* পদার্থবিদ্যা
* গণিত

* বাণিজ্যিক দক্ষতা: বাণিজ্যিক দক্ষতা থাকলে ব্যবসা করার সুযোগ অনেক বেশি। বাণিজ্যিক দক্ষতা অর্জনের জন্য বিভিন্ন ধরনের কোর্স করা যেতে পারে, যেমন:
* মার্কেটিং
* বিপণন
* হিসাববিজ্ঞান
* ব্যবস্থাপনা
* অর্থনীতি

* ভাষাগত দক্ষতা: বর্তমান বিশ্বে আন্তর্জাতিক যোগাযোগের জন্য ভাষাগত দক্ষতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই একাধিক ভাষা জানলে ভালো চাকরি বা ব্যবসা করার সুযোগ অনেক বেশি।

* ক্রিয়েটিভ দক্ষতা: ক্রিয়েটিভ দক্ষতা থাকলে বিভিন্ন ধরনের শিল্প ও সাহিত্যে ভালো করার সুযোগ রয়েছে। যেমন:
* সঙ্গীত
* চিত্রকলা
* সাহিত্য
* চলচ্চিত্র
* থিয়েটার

* সমাজিক দক্ষতা: সমাজিক দক্ষতা থাকলে বিভিন্ন ধরনের সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের সুযোগ রয়েছে। যেমন:
* নেতৃত্ব
* যোগাযোগ
* সমস্যা সমাধান
* দলগত কাজ

উল্লেখ্য, এই স্কিলগুলোর মধ্যে যেকোনো একটি বা একাধিক স্কিল অর্জন করলেও ভালো চাকরি বা ব্যবসা করার সুযোগ রয়েছে। তবে, স্কিল অর্জনের পাশাপাশি সেই স্কিলগুলোকে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা অর্জন করাও জরুরি।

এছাড়াও, বর্তমানে কিছু নতুন ট্রেন্ড রয়েছে যেগুলোর মাধ্যমে ভালো এমাউন্টের টাকা ইনকাম করা সম্ভব। যেমন:

* ব্লগিং ও ইউটিউবিং: এই দুটি মাধ্যমে নিজের দক্ষতা বা জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে ভালো পরিমাণে আয় করা সম্ভব।
* ফ্রিল্যান্সিং: ফ্রিল্যান্সিংয়ে বিভিন্ন ধরনের কাজের জন্য নিয়মিত চাহিদা রয়েছে। তাই, ফ্রিল্যান্সিংয়ে দক্ষতা অর্জন করলে ভালো আয় করা সম্ভব।
* ক্রিপ্টোকারেন্সি: ক্রিপ্টোকারেন্সি বর্তমানে একটি জনপ্রিয় বিনিয়োগ মাধ্যম। তাই, ক্রিপ্টোকারেন্সি সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করলে ভালো লাভবান হওয়া সম্ভব।

উপসংহারে বলতে পারি, বর্তমান বিশ্বে ভালো এমাউন্টের টাকা ইনকাম করার জন্য বিভিন্ন ধরনের সুযোগ রয়েছে। তাই, নিজের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে সেই সুযোগগুলো কাজে লাগানো সম্ভব।
3
// বেশ কয়েকবছর আগে, উত্তরা কেন্দ্রীয় জামে মাসজিদের খতিব শাইখ রফিকুল ইসলাম সাহেবের কাছে শুনেছিলাম প্রতি শুক্রবার উনার মাসজিদের দানবাক্স থেকে গড়ে আয় হয় দুই থেকে আড়াই লক্ষ টাকা।

ঢাকার সব বড় বড় মাসজিদগুলির মোটামুটি একই অবস্থা। বাংগালি মুসলমানেরা সারা সপ্তাহ সলাত আদায় করুক আর না করুক তারা শুক্রবারে জুম'আ পড়ে এবং দানবাক্সে দশ টাকা হলেও দান করে। এখন মাসজিদ কমিটিগুলি এত টাকা কি করবে?

ঠাকুরগাঁও এ গিয়েছিলাম একটা কাজে সেখানে দেখলাম মাসজিদের বারান্দার দেওয়ালের রং করা প্লাস্টার তুলে ফেলা হচ্ছে টাইলস লাগানোর জন্য। ইশ! এই টাকা গুলি যদি কোন দরিদ্র কোন এলাকার মাসজিদ নির্মাণের পেছনে ব্যয় করা যেত! ইমাম, মুয়াজ্জিন, খতিবদের যথাসময়ে বেতন দেওয়া যেত। দ্বীনের প্রচারের জন্য খরচ করা হতো। কতই না উত্তম হতো!

খ্রিস্টান মিশোনারিজদের ধর্ম প্রচারের আয়ের একটা বড় খাত হচ্ছে গীর্জা। বিদেশে তো পরিবার ভেংগে যাচ্ছে। মৃত্যুর পর মাটি দেওয়ার জন্য ছেলেমেয়েরা খরচ করতে চায়না। তাই বিদেশীরা কোন না কোন চার্চ বা গীর্জায় নিজেদের নিবন্ধন করে রাখে। চার্চের সাথে চুক্তি থাকে তাদের আয়ের এক চতুর্থাংশ প্রতিমাসে চার্চে দান করতে হবে, তাহলে মৃত্যুর পর চার্চ থেকে খ্রিস্টান রীতি অনুযায়ী শেষকৃত্যের আয়োজন করা হবে।

এখন চার্চের এত পয়সা তারা কোথায় খরচ করবে! তখন সেগুলি দিয়ে তারা থার্ড ওয়াল্ড কান্ট্রিতে ধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে খরচ করে। খুব অর্গানাইজ ওয়েতে। কোন একটা গ্রাম প্রথমে তারা বেছে নেয়। তারপর সেই গ্রামের বিশাল এলাকা জুড়ে জমি কেনে। এতে প্রভাব বিস্তার করা সহজ হয়।

তারপর সেই জমিতে প্রায় বিনামূল্যে সেবাদানের জন্য হাসপাতাল বানায়। স্কুল খোলে। গ্রামের বাচ্চাদের পড়ায়। রিসোর্ট তৈরী করে নাম দেয় সৎ সংগো কুঠি। দরিদ্র মানুষকে টার্গেট করে সেই কুঠিতে নিয়ে এসে আদর আপ্যায়ন করে। যিশুর মহানুভবতার গল্প শোনায়।

একপর্যায়ে স্কুলের ব্যবসা জমে গেলে সেখান থেকেও বিপুল পরিমাণে আয় করে। দিনাজপুরের একটা স্কুলের নাম বলছিনা, বছরের শুরুতে শুধু কেজি আর নার্সারির বাচ্চা ভর্তির সেশন ফি আদায় করে কোটি টাকার উপরে। তাও ভর্তি হওয়ার জন্য মাত্র ৩ দিন সময় দেয়। মুসলমানের বাচ্চারা ভোরবেলা থেকে অপেক্ষা করে লাইন ধরে ভর্তি হয়। //
- Ariful Huq

যারা মাসজিদ কমিটিতে আছেন তাদের কাছে অনুরোধ - মানুষের দানের টাকা অপচয় না করে
১/ ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম এবং খতিবদের সম্মানজনক সম্মানী দিন।
২/ গ্রামে গঞ্জে ইসলাম প্রচারে কাজে লাগান।
5👍1
আস-সুন্নাহ স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউটের এবারের আয়োজন ‘স্মার্ট টেইলারিং এবং ফ্যাশন ডিজাইন ব্যাচ-২)’। এই কোর্সে শেখানো হবে— টেইলারিং, টাই-ডাই, ব্লক-বাটিক, হ্যান্ড এম্ব্রয়ডারি ও ক্র্যাফটিং, ফ্যাশন ডিজাইন (বেসিক), বিজনেস ডেভেলপমেন্ট (বেসিক)এবং মৌলিক দীনি জ্ঞান।

🟩 কোর্স সংক্রান্ত জ্ঞাতব্য:

ভর্তি ফি: ৫ হাজার টাকা (অবশ্যই পরিশোধ করতে হবে)।

প্রশিক্ষণ ফি: ৩০ হাজার টাকা (যাকাতের হকদারদের আর্থিক অবস্থা বিবেচনা করে সর্বোচ্চ ৮০ শতাংশ পর্যন্ত স্কলারশিপের ব্যবস্থা রয়েছে।)

আবাসন ও খাবার: ২৫ হাজার টাকা (যাকাতের হকদারদের জন্য উন্নত মানের আবাসন ও খাবার ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ফ্রি।

📆 কোর্সের মেয়াদকাল: ৩ মাস।

কোর্সটি সম্পূর্ণ আবাসিক।

🔗 বিস্তারিত জানতে ও আবেদন ফরম ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন:
docdro.id/AVRj9UN
📍 আবেদনপত্র প্রেরণের ঠিকানা:
আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন
প্লট- ৭০, রোড ৩, ব্লক-সি, আফতাবনগর, ঢাকা-১২১২
(সুন্দরবন কুরিয়ারে হোম ডেলিভারি হিসেবে পাঠাতে হবে।)

✆ 01958277605 ( পুরুষ)
✆ 01409979956 ( মহিলা)
+8809649222255
Forwarded from Somoynews.tv (Somoy Media Ltd)
দেশে বাড়তে শুরু করেছে এ প্রতারণার জাল। যেকারণে প্রায়ই বোকা হচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীরা। তারা বলছেন, ভুয়া বার্তা পাঠানোর পাশাপাশি...

বিস্তারিত : https://www.somoynews.tv/news/2023-12-26/1VzvYFV8
Mature audience only

আমাদের সমাজে মেয়েদের ভার্জিনিটি নিয়ে খুব মিস্কনসেপশন রয়েছে । আজ ৫ টি বুলেট পয়েন্টের মাধ্যমে খুব স্বল্প ভাবে এগুলা সায়েন্টিফিক ভাবে DEBUNK করবো ।

যেহেতু আমাদের সমাজে ভার্জিন মনে ভ্যা*জাইনার ইলাস্টিসিটি এবং হাইমেন/সতীচ্ছেদ এর উপর । তাহলে ~

১) গবেষণায় দেখা গিয়েছে পৃথিবীর অনেক নারী একাধিক পুরুষের সাথে ইন্টিমেট হবার পরেও তাদের হইমেন ছিঁড়ে যায় নাই আবার অনেকের জন্মগত ভাবেই এটা নাই ।

২) কারো ঢিলা হলেই সে যে ভার্জিন না তা আরেক মিস কনসেপশন । রিসার্চ অনুয়ায়ী টিন এজ এর মেয়েদের ও এমন ঢিলা হতে পারে ।

৩) ভ্যাজাইনা মেকানিকাল স্প্রিং এর মত । এটা দিয়ে অনেক কিছু প্রবেশ করে এমনকি বাচ্চা বের হয়েও ঢিলা হয়েগেলেও আবার আগের অবস্থানে ফিরে আসে একটি নির্দিষ্ট সময় পর । এইভাবে ৬-৭ বাচ্চার মা ও তো ভার্জিন হতে পারে ভাই।

৪) এক নারী ১০০ পুরুষের সাথেও মিলিত হলেও "সেলফ ভার্জিন প্রসেস " এর মাধ্যমে ন্যাচারালি ভ্যাজাইনার ইলাস্টিক প্রকৃতির জন্য আবার সে ভার্জিন হতে পারে।

৫) ক্যাগেল এক্সারসাইজ এর মাধ্যমে নিয়মিত ব্যায়াম করলে ইলাস্টিসিটি আগের মত ফিরিয়ে আনা যায় ।

সায়েন্টিফিক ভাবে এইটা অসম্ভব এই হিস্টোরি বের করা । এই অঙ্গ এমন কোনো রেকর্ড রাখেনা । ভার্জিনিটির ডেফিনেশন নেই কোনো । এটা একটা গুজব । আপনার যেই বন্ধু এসব নিয়ে মজা নিবে তাদের এই পোস্ট পড়ে শিক্ষা নিয়ে যেতে বলবেন ।
👍1
একটি বিশেষ সতর্কতা মূলক পোষ্ট।

বাঁচতে হলে জানতে হবে। মিনিকেট চালের ভাত গরমকালেও অনেকক্ষণ ভালো থাকে! আহারে! কত ভালো চাল! তাইনা?

আসুন জেনে নিই আসলেই কি আমরা ভালো চাল খাচ্ছি?নাকি আবর্জনা?

মিনিকেট নামে কোন ধান চাষ হয়না বাংলাদেশে।
তাহলে, এই চাল বাজারে আসে কোথা থেকে- এই প্রশ্নের উত্তর খুব সহজ, মিনিকেট চাল তৈরী হয় কারখানায়।

🌾দেশী জাতের ধান (মোটা চালের) চালকলে আসার পর শুরু হয় তেলেসমাতি। প্রথমে ধানের খোসা ছাড়ান হয়। খোসা ছাড়ানোর পর চালের অকৃত্রিম/ন্যাচারাল রঙে কিছুটা খয়েরি/বাদামি আভা থাকে। এরপর কেমিক্যাল ও হোয়াইটনার মেশিনের মাধ্যমে চালের খয়েরি/বাদামি আভার আবরণটিকে আলাদা করা হয়। এই আবরণটি বাদ দেওয়ার পর চাল কিছুটা সরু ও সাদা হয়। এখানেই শেষ নয়, পলিশার মেশিনের মাধ্যমে পলিশ করলেই হয়ে গেল মিনিকেট চাল।

🗣️এবার প্রশ্নের তীর তাক করে কেউ বলতেই পারেন- মোটা চালকে এতোভাবে প্রসেস করে মিনিকেট বানালে তো চাল ব্যবসায়ীর ক্ষতি।
এবার ক্ষতির হিসেবটা করা যাক- ১০০০কেজি মোটা চাল প্রসেস করে মিনিকেট বানালে সাধারণত চাল পাওয়া যায় ৯৩৩কেজি, সাদা খুদ ২৬.৫ কেজি, কালো খুদ ১৪কেজি, মরা চাল ৪.৫ কেজি, ময়লা ০.৭৫ কেজি এবং পলিশ ২৭ কেজি। যোগ করলে দেখা যায় এক হাজার কেজি চাল প্রসেস করার পর পাওয়া যাচ্ছে প্রায় ৬কেজি বেশী।
এই ছয় কেজি হচ্ছে জলীয় বাষ্প ও পানি। রাইস ব্রান তেল কারখানাগুলো পলিশ কিনে নেয়, সাদা খুদ বাজারে চালের অর্ধেক দামে বিক্রি হয়। কালো খুদ আর মরা চাল পশুখাদ্য হিসেবে বিক্রি হয়। ভাবছেন চাল প্রসেসের খরচ কত? ১০০০কেজি মোটা চাল প্রসেস করে মিনিকেট বানাতে খরচ হয় মাত্র ৯০০টাকা হতে ১৫০০টাকা। অর্থাৎ কেজিপ্রতি ৯০পয়সা থেকে দেড় টাকা।

🤔মোটা চাল প্রসেস করে মিনিকেট বানিয়ে বিক্রেতা একটু বেশী লাভ করলে ক্রেতার ক্ষতি কি?
ছোট ক্ষতি হচ্ছে ক্রেতা চিকন চালের দামে মোটা চাল কিনছেন, অর্থাৎ কেজিতে ১৫থেকে ২০টাকা পর্যন্ত ঠকছেন। বড় ক্ষতি হলো কেজিতে ১৫ থেকে ২০টাকা বেশী দিয়ে মিনিকেট চাল নয়, ক্রেতা কিনছেন মোটা চালের আবর্জনা। কারণ, প্রসেস করার মাধ্যমে চালের উপরি আবরণ (bran অর্থাৎ pericarp, seed coat, aleurone layer, embryo) বা পুষ্টিকর অংশ বাদ দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, চালের সর্বমোট ৮৫ ভাগ ভিটামিন B3 থাকে pericarp–এ, প্রোটিন আর ফ্যাট থাকে Aleurone layer -এ, খনিজের ৫১ ভাগ ও মোট আঁশের ৮০ ভাগ থাকে bran –এ, ভিটামিন B1 ও ভিটামিন E থাকে embryo -তে। চালের সব পুষ্টিকর উপাদান তেলের মিলে বিক্রির জন্য প্রসেস করে আলাদা করার পর চাল আর চাল থাকেনা, হয়ে যায় চালের আবর্জনা।

মিনিকেট চাল নামে চালের আবর্জনাকে যতোটা ক্ষতিকর মনে করছেন বাস্তবে আরও বেশী ক্ষতিকর। মোটা চালকে মিনিকেটে রূপান্তর করার বিভিন্ন পর্যায়ে সোডিয়াম হাইড্রোক্লোরাইড, সোডিয়াম হাইড্রোক্লোরাইড + টুথপেস্ট +এরারুটের মিশ্রণ, সোয়াবিন তেল, ফিটকারি, বরিক পাউডার ব্যবহার করা হয়। প্রতি মৌসুমেই বের হয় নিত্য নতুন কৌশল।

মিনিকেট চালে কখনো পোকা ধরেনা। কারণ পোকাও জানে এই চাল খাওয়ার যোগ্য নয়, এতে পুষ্টিগুণ নেই।
অথচ দেখতে সুন্দর এই অখাদ্যকে আমি আপনি আমাদের পরিবার কে নিশ্চিন্তে খাওয়াচ্ছি এবং নিজেরাও খাচ্ছি!
কিন্তু কেন!?😕

শুধু চাল নয়, এমন আরও হাজারো অখাদ্য, আবর্জনা আমরা প্রতিনিয়ত খেয়ে যাচ্ছি জেনে- না জেনে আর তার ফলাফল স্বরূপ ভুগতে হচ্ছে কঠিন কঠিন রোগে সেই সাথে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রেখে যাচ্ছি এক ভয়াবহ অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও জীবনব্যবস্থা!
হিসেব টা মেলানো খুবই সহজ, বাড়িতে কোনো মুরব্বী থাকলে একটু জেনে নিতে হবে আগেকার দিনে তারা কেমন খাবার খেয়ে জীবন যাপন করেছে আর তাদের রোগ বালাই কেমন ছিলো এবং তাদের চিকিৎসা-ই বা কেমন ছিলো।
আজকের দিনে আমরা হাজারো নিত্য নতুন রোগে আক্রান্ত হচ্ছি আর নিত্য নতুন ঔষধ সেবন করে চলেছি যা একটা রোগকে ঠিক করে আরো শত রোগের জন্ম দিচ্ছে আমাদের শরীরে। এ যেনো এক চোরাবালির মধ্যে ডুবে আছি আমরা।

"সুস্বাস্থ্য যেমন
সকল সুখের মূল,
ঠিক তেমন
স্বাস্থ্যকর খাবার সুস্বাস্থের মূল।"

(সংগৃহীত)
রিপোস্ট
👍2
সবচেয়ে কম খরচে যেভাবে ফ্লাইট টিকিট কাটবেন ✈️

একটা লম্বা ট্রানজিট নেওয়ার কারণে আমি ১০০০ ডলারের উপরে সেভ করেছি আমার এই ফ্লাইটে কিন্তু.... একটু ভয় লাগছিল

Flying from Dhaka to Vancouver, via Kuala Lumpur (Malaysia) and Manila (Phillipines).

ঢাকা এয়ারপোর্টে টিকিট নেওয়ার সময় একজন লোক আন্দাজে বলে বসলো আপনার কিন্তু মালয়েশিয়ার ভিতরে লাগেজ কালেক্ট করতে হবে (একদমই ভুল ইনফরমেশন)

আপনি যে সময় সিঙ্গুলার টিকিট কাটবেন একটা সিঙ্গুলার ওয়েবসাইটে যেগুলো Reliable (like Student Universe), তখন এয়ারলাইন্স গুলা কোড শেয়ারিং করে (Code Sharing)

Code Sharing এর মানে হলো দুইটা এর প্লেন কোম্পানির মধ্যে একটা এগ্রিমেন্ট আছে -- আমার ক্ষেত্রে সেই দুইটা প্লেন হল Malaysia Airlines এবং Phillipine Airlines ✈️

অথেন্টিক ইনফরমেশন এর খোঁজে আমি মালয়েশিয়াতে নেমেই একজন ইমিগ্রেশন অফিসার এর সাথে কথা বললাম এবং তিনি আমাকে বললেন এয়ার লাইন্স এর সাথে কথা বলতে কারন আমার মালেশিয়ার ভিসা নেই। এয়ারলাইন্সের লোক আমাকে assure করল যে আপনার Luggage Tag এ ফাইনাল ডেস্টিনেশন (Vancouver) এর নাম দেওয়া আছে, এবং সেই কারণে অবশ্যই আপনি লাগেজটি ফাইনাল ডেস্টিনেশনে পাবেনই।

এত অথেন্টিক ইনফরমেশন পাওয়ার পরও বাংলাদেশের সেই লোকের কথা শুনে আমার মনে একটু টেনশন ছিলই।

একটা লম্বা অপেক্ষার পর সকালবেলা আমি Phillipine Airlines এর কাছ থেকে আমার টিকিট এবং আমার লাগেজের আপডেট পেলাম -- যে আমি অবশ্যই কানাডায় ফেরত পাব ইনশাআল্লাহ 😊

তাই আমার প্লেনের গেটে যাওয়ার আগেই আমি এই লেখাটা লিখলাম যেন দেশের আরও মানুষ নিজে নিজেকে টিকিট কাটতে পারার সাহস পায় 😊

বেশিরভাগ পরিচিত বন্ধুরা এবং আত্মীয়-স্বজনরা আমরা মধ্যবিত্ত পরিবারের --- তাই আমরা রিস্ক নিতে অনেক ভয় পাই, এবং রিস্ক নেওয়ার সময় যদি একটু এদিক সেদিক হয়, তাহলে আমাদের প্রায়ই শুনতে হয় যে "কেন এটা করলা?", "না করলেই তো হইত" ইত্যাদি 🤔

কিন্তু একটু সাহস নিয়ে বুঝে বুঝে যদি আমরা নিজেদের ফ্লাইট, নিজেদের ভিসা, নিজেরাই করতাম তাহলে 1000 ডলারের উপরে বাঁচানো সম্ভব যেটা Open Market এ শোয়া এক লাখ টাকারও বেশি (1,15,000 Bangladeshi Taka) 💰

আপনারা যদি এই লেখাটা পছন্দ করে থাকেন তাহলে নিচে অবশ্যই জানাবেন -- কিভাবে সবচেয়ে Affordable ফ্লাইট খুঁজে বের করবেন, সবচেয়ে কম খরচে কিভাবে ট্রাভেল করবেন, কিভাবে বিদেশি এয়ারপোর্টগুলোতে Business Class সার্ভিস (Lounge) নিতে পারবেন সহজেই -- এইসব তথ্য আপনাদের সাথে আস্তে আস্তে শেয়ার করব ❤️
#Domperidone হতে পারে দাম্পত্য জীবনের শত্রু😊😊

সামান্য বমির ভাব, খাবারে অরুচি। গেলেন ফার্মেসীতে। ব্যাস ফার্মেসী ওয়ালা ধরিয়ে দিলেন আপনার হাতে বমি, গ্যাস ও অরুচির মহাঔষধ Omidon 😒😒 বা ডমপিরিডন গ্রুপের কিছু।

আমাদের দেহে ( নারী পুরুষ উভয়ই) Prolactin নামের একটি হরমোন যেটা নিঃসৃত হয় পিটুইটারি গ্ল্যান্ড থেকে। যদি এর মাত্রা বেশি হয়ে যায় তখন এটি GnRH এর কাজকে ব্যাহত করে ফলশ্রুতিতে FSH & LH কম নিঃসৃত হয়।

FSH কমে গেলে ওভারিয়ান ফলিকল পরিপূর্ণ ভাবে তৈরি হতে পারে না যার ফলে ওভুলেশন হয় না । সৃষ্টি করে বন্ধ্যাত্ব।

অতিরিক্ত মাত্রায় PROLACTIN বেড়ে গেলে এটা ESTROGEN এবং TESTOSTERONE এর মাত্রা কমায় দিয়ে একটা পুরুষকে তার পুরুষালি বৈশিষ্ট্য এবং একটা মেয়েকে তার মেয়েলি বৈশিষ্ট্য কমিয়ে দিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত সমস্যা তৈরি করে।

এই Omidon বা Domperidone দেহে প্রোলাক্যাটিন লেভেল বাড়িয়ে দেয়।

ইভেন ম্যামারী গ্ল্যান্ড থেকে ব্রেস্ট মিল্ক ও সিক্রেইশন করে 🙃🙃

( অবিবাহিত মেয়েদের বুকে দুধ চলে আসে, যা নিয়া পরিবারে অনেক ঝামেলায় পড়তে হয় মেয়েদের)

in female:-

1.Vaginal dryness (estrogen is important for vaginal lubrication)
2.Anovulatory cycle (low FSH)
3.Ireegular menstruation ( Low estrogen)
4.Production of milk while in non pregnancy (excess stimulation on brest tissue)

in male:-

1.Erectyle dysfunction (low testosterone)
2.Reduce muscle mass & body hair

বমি বমি ভাব হলেই মুড়ির মতো মটিগাট/অমিডন/ডিফ্ল্যাক্স এগুলা না খেয়ে ডাক্তারের পরামর্শ মতো মেডিসিন সেবন করুন।

Dr. HM Rukon
(সাবেক হেলথ কন্টেন্ট রাইটার: 20 Minute Medical )

মনোবিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞ চিকিত্সক থেকে ফ্রিতে মানসিক স্বাস্থ্য ও শারীরিক স্বাস্থ্যবিষয়ক আর্টিকেল, ভিডিও কন্টেন্ট, ফ্রি লাইভ ক্লাস ইত্যাদি পেতে আমাদের অন্যান্য প্ল্যাটফর্ম গুলো ফলো করতে পারেন,

Fb Group লিংকঃ https://www.facebook.com/groups/20minutemedical/?ref=share

instagram: লিংক https://www.instagram.com/20_minute_medical/ ,,

Youtube লিংকঃ https://www.youtube.com/c/20MinuteMedical/featured ,

Linkedin লিংকঃ https://www.linkedin.com/in/2o-minute-medical-6143b421b/ ,
লুকস ম্যাক্সিং এর প্রথম স্টেপ হচ্ছে বডি ফ্যাট পার্সেন্টেজ ১০-১২% এ আনা ।
কম বডি ফ্যাট পার্সেন্টেজ ইন্ডিকেট করে পুরুষ কতটা সেক্সুয়ালী ম্যাচিউর এবং শক্তিশালী ।
বডি ফ্যাট পার্সেন্টেজ কমাতে হলে

- কাটিং ডায়েট প্ল্যান অনুসরন করুন
- এক্সারসাইজ এ প্রগ্রেসিভ ওভারলোড নেন এবং reps বাড়িয়ে মারুন ।
- কার্ডিও বাড়িয়ে করেন
- ফাইবার খান প্রচুর গরুর মতন
- ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল করুন

হতে পারে আপনি সবচেয়ে সুন্দর পুরুষ কিন্তু আপনার এই সৌন্দর্য ঢেকে আছে আজাইরা ফ্যাট এর জন্য ।
2
ঠিক কীভাবে বুঝালে বা কোন ভাষায় লিখলে আপনি কথাটির গুরুত্ব বুঝবেনে আমার জানা নেই । সোজা সাপটা ভাষায় শুধু এতটুকু বলি— দাম্পত্য জীবনে একে অপরের প্রতি সহানুভূতিশীল হয়ে সংসারটাকে টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করুন ।

বিশ্বাস করুন, আমরা এখন যে সময়টা পার করছি— এই সময়ে এসে একজন ভালো মানুষ খুঁজে পাওয়া সত্যিকারার্থেই দুষ্কর । অতএব যার হাতটি ধরেছেন, মানুষটি ভালো হলে আমরণ তার হাতটি শক্ত করে ধরে থাকুন । তার হক আদায়ের ব্যাপারে গুরুত্ব দিন । মনে রাখবেন— উভয় উভয়ের প্রতি সহনশীল হওয়া ছাড়া সম্পর্ক কোনদিন টিকিয়ে রাখা যায় না । শয়তানকে জায়গা দিবেন না প্লিজ! যেদিন থেকে “কবুল” বলে বিয়ে করেছেন— শয়তানও কিন্তু ঠিক সেদিন ও সেই মুহুর্ত থেকেই আপনাদের পিছনে লেগে আছে— বিচ্ছেদ ঘটানোর জন্য ।

আপনাদেরকে দেখানো গেলে হয়তো বিশ্বাস করতেন যে, দৈনিক কত ডজন ম্যাসেজ আসে— দাম্পত্য সম্পর্ক ঠিক করার জন্য রুক‌ইয়াহ পরামর্শ চেয়ে। স্বামী-স্ত্রীর ভেঙ্গে যাওয়া সম্পর্ক ঠিক করার জন্য একেকজন ফোনে আমল বা রুক‌ইয়াহ পরামর্শ চেয়ে কী পরিমাণ যে অনুনয়-বিনয় আর কান্না করেন— আপনি শুনলে ঠিক থাকতে পারবেন না।

এখন হয়তো শয়তানের ধোকায় পড়ে ভাবছেন ওর মতো স্ত্রী/স্বামী চলে গেলে আমার কিছু আসবে যাবে না। কিন্তু সত্যিকারার্থে যেদিন সে চলে যাবে, সেদিন তাকে ফিরে পাওয়ার জন্য আপনি সবকিছু বিসর্জন দিতে চাইবেন—কিন্তু হয়তোবা অনেক দেরি হয়ে যাবে— তাকে আর ফিরে পাবেন না ।

আমি এমন‌ও স্ত্রী সম্পর্কে জানি— যে একটা সময় কথায় কথায় স্বামীর অবাধ্য হয়েছে । শত বুঝানোর পরেও তার টনক নড়েনি । এখন স্বামী যখন তাকে ছেড়ে দেয়ার ফাইনাল নোটিশ পাঠিয়েছে, তখন মাত্র তার হুশ ফিরেছে । কিন্তু ততক্ষণে বেশ দেরি হয়ে গিয়েছে। সে এখন এতটুকুতেও রাজি যে, তাকে কোনো ভরণ পোশন দিতে হবে না । শুধুমাত্র নামে তার স্ত্রী হিসেবে থাকতে চায়, তাকে আরেকটি বিয়েরও অনুমতি দিতে চায়— তবুও কোনভাবেই সে সম্পর্ক আর জোড়া লাগছে না । সম্পর্কে তিক্ততা, অসম্মান ও অবাধ্যতা চলে আসলে তা কোনোভাবেই টিকানো যায় না ।

আমি এমনও স্বামীকে চিনি, যিনি ঢাকার অনেক বড় ব্যবসায়ী । বহুতল ভবনের মালিক । ব্যবসা আর মিটিংই ছিলো তার জীবনের সব । স্ত্রীর সাথে কাটানোর মতো তার হাতে একদমই কোন সময় ছিলো না । অথচ এখন ব্যবসা বাণিজ্য সব বন্ধ করে স্ত্রীর পিছে ঘুরঘুর করছে— তাকে ফিরিয়ে আনার জন্য— কিন্তু ততক্ষণে আসলে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে ।

প্রিয় ভাই ও বোন! নিজের দোষে সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পরে বিচ্ছেদের যাদু, অমুক যাদু, তমুক যাদু আর রুক‌ইয়াহর পিছনে ঘুরে লাভ নেই ।
যাদুর মাধ্যমে বিচ্ছেদ ঘটানো যায় এটাও যেমন সত্যি, পাশাপাশি এটাও সত্য যে, দুনিয়াতে সব কিছুই যাদুর কারণে হয় না, নিজের দোষেও অনেক কিছুই হয়ে থাকে ।

তবে হ্যাঁ, প্রত্যেক দম্পতির কাছে করজোড় অনুরোধ থাকবে, নিজেরা আলোচনা সাপেক্ষ বিবাহ বিচ্ছেদ করতে চাইলেও অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ রাক্বীর কাছে গিয়ে বিচ্ছেদের যাদু কিনা চেক করে নিয়ে এরপরে ইস্তেখারা নামাজ আদায় করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিবেন ।

> বিচ্ছেদের যাদু সম্পর্কে জানতে কমেন্টে দেয়া লিংকটিতে ভিজিট করুন । এছাড়াও সূরা বাকারা ২নং আয়াতের তাফসির দেখতে পারেন ।

পরামর্শ— যাদের দাম্পত্য জীবনে সম্পর্কের টানাপোড়েন চলছে তারা উভয়ে নিজেদের মধ্যে মহব্বত বৃদ্ধির জন্য আল্লাহ পাকের কাছে দোয়া করা উচিত । পাশাপাশি কিছু আমলও করা ‍উচিত । যেন এই টানাপোড়েনকে শয়তান চক্রান্ত করে বিচ্ছেদ পর্যন্ত পৌঁছাতে না পারে ।

আর যাদের দাম্পত্য সম্পর্ক আল্লাহর রহমতে ভালো চলছে, তারাও মাঝেমধ্যে নিজেদের বোঝাপড়া ও মহব্বত অটল রাখার নিমিত্তে এই সংক্রান্ত কিছু আমল করলে ভালো । আমলের লিংক কমেন্টের ঘরে ।
❝মা নামাজি, পর্দানশীন না হলে, আদর্শ সন্তান তৈরী হবে না!❞

— ড. মাওলানা সাইয়্যেদ আবু নোমান (হাফি.)