জ্ঞান - Knowledge
2K subscribers
1.27K photos
21 videos
11 files
463 links
🙂🙂🙂
Download Telegram
যৌনদুর্বলতা, লিঙ্গের উত্থানজনিত সমস্যা , দ্রুতবীর্যপাত এর জন্য নিচের সকল উপকরণ সমপরিমাণে সংগ্রহ করবেন। এবার সবগুলো ব্লেন্ডারে দিয়ে ব্লেন্ড করে ফেলবেন । এবার এরমধ্যে ততটুকু মধু দেবেন যতটুকু মধু দিলে থকথকে সেমিসলিড বা আচারের মতো তৈরি হয়।

এবার এই পুষ্টিকর সাপ্লিমেন্ট প্রতিদিন রাতে এক চা চামচ করে ভাত খাওয়ার পর খাবেন। দুই মাস ।

সবচেয়ে ভালো নিজে তৈরি করতে পারলে। নিজে যদি তৈরি করতে না পারেন তাহলে আমাদের 01712859950 অথবা 01972859950 মোবাইল নাম্বারে ফোন দিয়ে সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে সংগ্রহ করতে পারবেন।

উপাদান :
Almond/ কাগজী বাদামের শাঁস
আখরোটের শাঁস
Hazel Nut-এর শাঁস
পেস্তার শাঁস
তাজা নারকেল
Baloon Vine seeds
পোস্তদানা
খোসা ছাড়ানো তিল
লাল বামন
সাদা বামন
শুঁঠ
পিপুল
আকরকরা
কাবাবচীনী
পেঁয়াজ-বীজ
শালগম-বীজ
আলকুশী-বীজ (শোধন করা)
গাজর-বীজ
দারচিনি
যত্রিক
.
🟩 যারা নিজেরা তৈরি করতে পারবেন না, তারা চাইলে আমাদের কাছ থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন , ১ মাস খাওয়ার উপযোগী সাপ্লিমেন্ট এর দাম কুরিয়ার সার্ভিসের খরচ সহ ১১৭০ টাকা

অর্ডার করার জন্য:
01972859950 নাম্বারে সকাল ১০ টা থেকে রাত ৯ টার মধ্যে ফোন দিয়ে আমার সহকারীর কাছ থেকে সকল তথ্য জেনে নিতে পারবেন এবং আমাদের কাছ থেকে সুন্দরবন কুরিয়ারের মাধ্যমে সংগ্রহ করতে পারবেন।
.
নিচের নাম্বার ছাড়া অন্য কোন নাম্বারে আমাদের সাথে আর্থিক লেনদেন করবেন না ।
.
★ বিকাশ পেমেন্ট: 01712 859950
★ রকেট সেন্ড মানি: 01712 859950 3
★ নগদ সেন্ড মানি : 01712 859950
★ বিকাশ সেন্ড মানি: 01972 859950
.
টাকা পাঠানোর পূর্বে ও পরে অবশ্যই মোবাইল নাম্বারে ফোন করে নিবেন ।
.
.
🟩 কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা:
★ বাদাম ও নারকেল থাকার কারণে কারো হজমে সমস্যা বা আই বি এস অথবা গ্যাসের সমস্যা থাকলে সমস্যা বেড়ে যেতে পারে। তাই আগেই হজমের অথবা আইবিএস অথবা গ্যাসের চিকিৎসা করে তারপর এগুলো খাওয়া যাবে।

★ আলকুশি থাকার কারণে উচ্চ রক্তচাপ থাকলে কারো কারো এই সমস্যাও বেড়ে যেতে পারে। তাই তাদের খাওয়া যাবেনা।

★ মধু থাকার কারণে রক্তে সুগারের পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে তাই ডায়াবেটিস রোগীরা খেতে পারবে না ।
.
🔴 যারা মনে করতেছেন এটা খাবেন আর বিশাল শক্তিশালী, বাঘ ভাল্লুক হয়ে যাবেন, খাবেন আর সাথে সাথে অনেকক্ষণ ইন্টারকোর্স করবেন , তারা দূরে থাকেন। এগুলো কোন কেমিক্যাল না অথবা ওয়ান টাইম না, পুরোটা ন্যাচারাল। তাই রেজাল্টও আসবে খুব আস্তে আস্তে।
ছোট্ট একটি দুআ, কিন্তু সারাদিনের জন্য যথেষ্ট!

بِسْمِ اللَّهِ تَوَكَّلْتُ عَلَى اللَّهِ لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ
অর্থ: আল্লাহর নামে (বের হচ্ছি), আল্লাহর ওপরই আমি নির্ভর করলাম, আল্লাহর সাহায্য ছাড়া (গুনাহ থেকে) বিরত থাকা ও মঙ্গল লাভ করার শক্তি কারো নেই।

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, 'কেউ যখন এই দুআ পড়ে ঘর থেকে বের হয়, তখন ফেরেশতাদের পক্ষ থেকে বলা হয়: “তুমি হেদায়াত পেয়ে গেছ, রক্ষা পেয়ে গেছ এবং নিরাপত্তা লাভ করেছ।”

শয়তান তখন তার কাছ থেকে সরে যায়। আর বলে, ‘এমন ব্যক্তিকে কীই-বা করবে যে হিদায়াত পেয়ে গেছে, রক্ষা করা হয়েছে এবং নিরাপত্তা লাভ করেছে!’
.
[ সুনান আবূ দাউদ ৫০৯৫, তিরমিযী ৩৪২৬ ]

ছবি ডিজাইন: Muslim Inspiration Official 2.0

যুক্ত হোন ‘মুসলিম ইন্সপিরেশন অফিশিয়াল’ কমিউনিটির সাথে। সমস্ত লিংক কমেন্ট সেকশনে..
1
আসসালামু আলাইকুম।
সরকার টেলিকম থেকে বলছি।
আপনার কি লেখাপড়া বন্ধ?
লেখাপড়ার কারণে চাকরীতে প্রমোশন হচ্ছে না?
বিয়ের পর পড়াশোনা করতে চাচ্ছেন?
বাবা-মা মারা যাওয়ায় পড়াশোনা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল?
তাহলে আপনি চাইলে শুধু শুক্রবার ক্লাস করে নিজ
জেলায় লেখাপড়া আবার শুরু করতে পারেন।
প্রতিষ্ঠান: Bangladesh Open University.
কোর্স: এসএসসি, এইচএসসি, ডিগ্রি, অনার্স, এমবিএ, বিবিএ, এলএলবি, এলএলএম, মাস্টার্স (প্রিলি, ফাইনাল), সিএড, বিএড, বিএমএড, সিএসই ইত্যাদি.!!

Help line: 📞 📠 0161 999 3851
সরকার টেলিকম এন্ড কম্পিউটার
Email: sarkartelecom1971@gmail.com
WhataApp Open in 24 Hours
সাথে আছি: Md Sojol Sarkar
👍3
বাবা-মায়েদের সহবাসে সচেতনতা! (সতর্কতামূলক পোস্ট)

শারিরিক মিলন একটি প্রাকৃতিক চাহিদা। বর্তমান সময়ে ১০ বছরের ছেলে মেয়েদের শারিরিক পরিবর্তন হয়ে যায়।তখন থেকেই তাড়া শারারিক মিলন সম্পকে একটু একটু জানতে পারে এবং উত্তেজনা ফিল করে।

বর্তমান সময়ে এক জরিপে দেখা যায় যে, ৯০% ছেলে মেয়ের প্রথম যৌন অনুভুতি তৈরি হয় তাদের পরিবার থেকে। বাবা মা যখন সহবাস করেন তখন প্রাপ্ত বয়স্ক ছেলে মেয়েরা বুঝতে পারেন।

সহবাসের সময় তৃপ্তি জনিত আওয়াজ এবং বাবা মার অসাবধানতার কারনে ছেলে মেয়েরা বুঝে যায় বাবা মা সহবাস করছেন।

তাই বাবা মাকে অবশ্যই সচেতন হতে হবে, ৭ বছরের উপরের ছেলে মেয়েদের আলাদা রুম দিতে হবে।

বাবা মার রুম গুলো একটু দূরে নিতে হবে যাতে তারা অনাকাঙ্ক্ষিত কোন কিছু বুঝতে না পারে ।

সহবাসের সময় বেছে নিতে হবে ছেলে মেয়েদের ঘুমানোর

পরে।

প্রত্যেক মায়ের উচিত ছেলের সামনে পোশাকে সংযত থাকা পর্দা করা।

বড় ছেলে মেয়েদের সামনে ছোট বাচ্চাদের স্তন দান না করা।

মায়ের কাপড় ( পেটিকোট,ব্রা,পেন্টি,পাজামা) নির্দিষ্ট স্থানে রাখা, যাতে ছেলের নজরে না আসে।

ভালো না লাগলে ইগনোর করুন,, বাজে মন্তব্য করবেন না প্লিজ এটি একটি সচেতনতা মূলক পোস্ট।🙏
©️
@followers
👍4
বাংলাদেশের ট্রেন সিট প্রকারভেদ, ধরণ ও মান
বাংলাদেশ সব ট্রেনেই কয়েক ধরণের সিট বা কোচ ক্লাস থাকে। টিকেট কেনার সময় বিশেষ করে অনলাইনে টিকেট কেনার সময় সেখানে সিট ক্লাস পছন্দ করতে গিয়ে অনেকেই বুঝতে পারেন না কোন সিট কেমন ধরণের হয় বা ঐ সিটের বিশেষ কি সুবিধা আছে। আবার অনেকেই হয়তো জানেন না সিট ক্লাস কোডের পূর্ণ রূপ কি বা সেই সিট কেমন বা কি সুবিধা অসুবিধা আছে। তাদের জন্যে আমাদের এই আর্টিকেল। এখানে বাংলাদেশের বিভিন্ন ট্রেনে যে ধরণের সিট বা কোচ ক্লাস টাইপ থাকে তার বিস্তারিত নিচে তুলে ধরা হলো।📕📕

★SHOVAN : পুরো নাম শোভন (Shovan)। নন এসি শোভন ক্লাসের চেয়ার সিট। দেশের সকল মেইল ট্রেন ও কিছু আন্তঃনগর ট্রেনে শোভন সিট থাকে। ট্রেনের সবচেয়ে কম খরচের সিট এবং আরামদায়ক নয় এই সিট।

★S_CHAIR : পুরো নাম শোভন চেয়ার (Shovan Chair)। নন এসি এই সেকেন্ড ক্লাস শোভন চেয়ার সিট প্রায় সব আন্তঃনগর ট্রেনে থাকে। শোভন চেয়ারের ভাড়া শোভন এর চেয়ে বেশী। সিট মোটামুটি আরামদায়ক। শোভন চেয়ার, শোভন এর চেয়ে ভালো সিটের হয়ে থাকে।

★SNIGDHA : পুরো নাম স্নিগ্ধা (Snigdha)। এসি চেয়ার (AC Chair) হিসেবেও পরিচিত। এসি কোচের চেয়ার সিট। দেশের সব আন্তঃনগর ট্রেনে না থাকলেও বেশিরভাগ জনপ্রিয় গন্তব্যের ট্রেনে স্নিগ্ধা কোচ থাকে। সীট শোভন চেয়ারের চেয়ে আরামদায়ক। পুরো কোচ এসি থাকায় ভ্রমণও আরামদায়ক।

আরও পড়ুন : মোবাইলে ট্রেনের টিকেট

★F_CHAIR : পুরো নাম ফার্স্ট ক্লাস চেয়ার (First Class Chair)। নন এসি চেয়ার। শোভন চেয়ার (F_CHAIR) এর চেয়ে আরামদায়ক সিট। সব আন্তঃনগর ট্রেনে এই টাইপ থাকেনা।

★F_BERTH : পুরো নাম ফার্স্ট ক্লাস বার্থ (First Class Berth)। নন এসি কেবিন সিট। রাতের ট্রেনে এই ক্লাস পাওয়া যায়। এখানে ঘুমানোর সুযোগ রয়েছে। দিনের বেলায় এই কোচ ক্লাস F_SEAT ফার্স্ট ক্লাস সিট হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

★F_SEAT : পুরো নাম ফার্স্ট ক্লাস সিট (First Class Seat)। দিনের ট্রেনে নন এসি কেবিন গুলো এই সিট হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এখানে ঘুমানোর সুযোগ নেই, বসে যেতে হবে। মূলত F_BERTH কেবিন গুলোই দিনের বেলা F_SEAT সিট হিসেবে ব্যবহার হয়।

★AC_B : পুরো নাম এসি বার্থ (AC Berth)। এয়ার কন্ডিশনড কেবিন। শুধু রাতের ট্রেনে এই ক্লাস পাওয়া যায়। ২ অথবা ৪ সিটের কেবিন হয়ে থাকে। বাংলাদেশের দূরপাল্লার আন্তঃনগর রাতের ট্রেনে এই কেবিন থাকে। বাংলাদেশের ট্রেন গুলোর মধ্যে সবচেয়ে আরামদায়ক ও বেশী খরচের সিট।

★AC_S : পুরো নাম এসি সিট (AC Seat)। এয়ার কন্ডিশনড সিট। মূলত এসি বার্থ (AC_B) কেবিন গুলো দিনের বেলার যাত্রার সময় এসি সিট হিসেবে ব্যবহার করা হয়।বাংলাদেশের ট্রেন সিট প্রকারভেদ, ধরণ ও মান
বাংলাদেশ সব ট্রেনেই কয়েক ধরণের সিট বা কোচ ক্লাস থাকে। টিকেট কেনার সময় বিশেষ করে অনলাইনে টিকেট কেনার সময় সেখানে সিট ক্লাস পছন্দ করতে গিয়ে অনেকেই বুঝতে পারেন না কোন সিট কেমন ধরণের হয় বা ঐ সিটের বিশেষ কি সুবিধা আছে। আবার অনেকেই হয়তো জানেন না সিট ক্লাস কোডের পূর্ণ রূপ কি বা সেই সিট কেমন বা কি সুবিধা অসুবিধা আছে। তাদের জন্যে আমাদের এই আর্টিকেল। এখানে বাংলাদেশের বিভিন্ন ট্রেনে যে ধরণের সিট বা কোচ ক্লাস টাইপ থাকে তার বিস্তারিত নিচে তুলে ধরা হলো।

★SHOVAN : পুরো নাম শোভন (Shovan)। নন এসি শোভন ক্লাসের চেয়ার সিট। দেশের সকল মেইল ট্রেন ও কিছু আন্তঃনগর ট্রেনে শোভন সিট থাকে। ট্রেনের সবচেয়ে কম খরচের সিট এবং আরামদায়ক নয় এই সিট।

★S_CHAIR : পুরো নাম শোভন চেয়ার (Shovan Chair)। নন এসি এই সেকেন্ড ক্লাস শোভন চেয়ার সিট প্রায় সব আন্তঃনগর ট্রেনে থাকে। শোভন চেয়ারের ভাড়া শোভন এর চেয়ে বেশী। সিট মোটামুটি আরামদায়ক। শোভন চেয়ার, শোভন এর চেয়ে ভালো সিটের হয়ে থাকে।

★SNIGDHA : পুরো নাম স্নিগ্ধা (Snigdha)। এসি চেয়ার (AC Chair) হিসেবেও পরিচিত। এসি কোচের চেয়ার সিট। দেশের সব আন্তঃনগর ট্রেনে না থাকলেও বেশিরভাগ জনপ্রিয় গন্তব্যের ট্রেনে স্নিগ্ধা কোচ থাকে। সীট শোভন চেয়ারের চেয়ে আরামদায়ক। পুরো কোচ এসি থাকায় ভ্রমণও আরামদায়ক।

আরও পড়ুন : মোবাইলে ট্রেনের টিকেট

★F_CHAIR : পুরো নাম ফার্স্ট ক্লাস চেয়ার (First Class Chair)। নন এসি চেয়ার। শোভন চেয়ার (F_CHAIR) এর চেয়ে আরামদায়ক সিট। সব আন্তঃনগর ট্রেনে এই টাইপ থাকেনা।

★F_BERTH : পুরো নাম ফার্স্ট ক্লাস বার্থ (First Class Berth)। নন এসি কেবিন সিট। রাতের ট্রেনে এই ক্লাস পাওয়া যায়। এখানে ঘুমানোর সুযোগ রয়েছে। দিনের বেলায় এই কোচ ক্লাস F_SEAT ফার্স্ট ক্লাস সিট হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

★F_SEAT : পুরো নাম ফার্স্ট ক্লাস সিট (First Class Seat)। দিনের ট্রেনে নন এসি কেবিন গুলো এই সিট হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এখানে ঘুমানোর সুযোগ নেই, বসে যেতে হবে। মূলত F_BERTH কেবিন গুলোই দিনের বেলা F_SEAT সিট হিসেবে ব্যবহার হয়।

★AC_B : পুরো নাম এসি বার্থ (AC Berth)। এয়ার কন্ডিশনড কেবিন। শুধু রাতের ট্রেনে এই ক্লাস পাওয়া যায়। ২ অথবা ৪ সিটের কেবিন হয়ে থাকে। বাংলাদেশের দূরপাল্লার আন্তঃনগর
👍1
উ_স-মা_নি খি-লা_ফ-ত_কা-লে প্রত্যেক বাড়ির দরজায় দুটো কড়া থাকতো। একটি ছোটো, একটি বড়ো।

কোনো নারী দরজায় কড়া নাড়লে ছোটো কড়াটি নাড়তো। এতে আস্তে শব্দ হতো। ভেতরের লোকজন বুঝতে পারতো একজন নারী এসেছে। পরিবারের পুরুষ সদস্য তখন অন্য রুমে চলে যেতো। একজন নারী গিয়ে দরজা খুলে অন্য নারীকে স্বাগত জানাতো।

কোনো পুরুষ আসলে বড়ো কড়াতে নাড়তো। ভেতরের লোকজন বুঝতো একজন পুরুষ আসছে। বাড়ির নারী সদস্যরা অন্য রুমে চলে যেতো৷ একজন পুরুষ গিয়ে দরজা খুলতো।

চিন্তা করা যায়, সেই যুগে একটা বাড়িতে প্রাইভেসির কথা কীভাবে ভাবা হতো!
মেয়েদের কিছু রোগ

১) এন্ড্রমেট্রোসিস 🌼

মেয়েদের জরায়ুর প্রাচীরে এন্ড্রমেট্রিয়াল নামক কোষ থাকে পিরিয়ডের সময় এই কোষ ভেঙে ব্লিডিং হয় কিন্তু কিছু কারণে মেয়েদের এই এন্ড্রোমেটেরিয়াল কোষ জরায়ুর প্রাচীর ছাড়াও অন্যান্য জায়গাতে হতে পারে যার ফলে মাসিকের সময় অনেক রক্তপাত হয়, অনেক ব্যথা হয়।

এই সমস্যা অনেক মেয়েই ধরতে পারে না। তাই অস্বাভাবিক পিরিয়ডের ব্যথা এবং ব্লিডিং দেখা দিলে একজন গাইনী বিশেষকের পরামর্শ নেয়া উচিত।

চিকিৎসা:
Oral contraceptive pill
Progestin
GnRH agonist
Aromatase inhibitor
এসব ক্লাসের ওষুধ ব্যবহার হয়

২) মেনোরেজিয়া বা অতিরিক্ত রক্তপাত ঘটা 🌼

কেউ মেনোরেজিয়ায় (menorrhagia) তে আক্রান্ত কি না, তা জানার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো, পিরিয়ডের সময় প্যাড বা স্যানিটারি ন্যাপকিনটি কতবার পরিবর্তন করতে হয় তা নোট করা।

যদি প্রতি এক বা দুই ঘণ্টায় একাধিকবার প্যাড পরিবর্তনের প্রয়োজন হয় বা পিরিয়ড ১ সপ্তাহের চেয়ে বেশি সময় ধরে থাকে, তবে হয়তো সে মেনোরিয়াজিয়া তে ভুগছে।

এর ফলে মেয়েদের আয়রনের অভাব হতে পারে, ডিপ্রেশন আসতে পারে। Endometrosis, PCOS বা জরায়ুতে টিউমারের কারণে অতিরিক্ত ব্লিডিং হতে পারে।

চিকিৎসা:
ব্যথানাশক NSAIDs,
Combined oral contraceptive pill,
Hormonally based therapy,
Tranexamic acid ব্যবহার হয়

৩) ডিসমেনোরিয়া 🌼

প্রাইমারি ডিসমেনোরিয়া ২৫ বছরের আগে হয়। এটা মাসিক শুরুর সঙ্গে সঙ্গে ব্যথা হয় যা প্রায় ২৪ ঘণ্টা থাকে। ব্যথার তীব্রতা এতই থাকে যে ব্যথার কারণে বমি চলে আসে, ঘেমেনেয়ে একাকার হয়ে যায়।
এসময় মেয়েদের Prostaglandin secretion বেড়ে যায়, জরায়ু সংকুচিত হয়, সেখানে রক্তপ্রবাহ কমে যায় এবং প্রচন্ড ব্যথা হয়।

আর সেকেন্ডারি ডিসমেনোরিয়া হয় জরায়ুর টিউমার, এন্ডোমেট্রোসিসের কারণে।

চিকিৎসা:
প্রাইমারি: Aerobic exercise,
হিট থেরাপি, ওমেগা 3 ফ্যাটি এসডি

NSAIDs- Mefenamic Acid
Hormonal Contraceptive

৪) PMS, PMDD 🌼
মাসিকের সময় মেয়েদের যে হরমোনাল পরিবর্তন আসে তারজন্য মুড চেন্ঞ্জ হয়, অভার সেনসেটিভ লাগে, ডিপ্রেশন, ক্লান্তি এসব এসে ভর করে।

PMDD এর ক্ষেত্রে লক্ষ্মণটা বেশি থাকে। বার বার রেগে যাওয়া, Out of control, anhedonia মানে কোনো কিছুই তাকে খুশি করতে পারে না।

চিকিৎসা:
লাইফ স্টাইলে পরিবর্তন - ভালো ঘুম, এক্সারসাইজ
সোডিয়াম আছে এমন খাবার খাওয়া কমিয়ে দিতে হবে।
ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট খেতে হবে
ব্যথানাশক ওষুধ, এন্টিডিপ্রেসেন্ট এসব ব্যবহার হয়

✍️
Mohammad Hirok
B.Pharm (Professional)
Clear Concept
1
প্রেমের প্রথমে ছেলেরা প্রচুর পাত্তা দেয় আর পরে দেয় না ধরনের একটা অভিযোগ মেয়েদের আছে। আসলে মেয়ে পটানির আগে ছেলের ফাংশন ওটাই, তাই ছেলে এনার্জি আপনার দিকে দেবে। যখন মেয়েরা পটে যাবেন তখন আরো গুরুত্বপূর্ণ ধাপ মেয়েদের জন্য আছে। তখন দেখবেন ছেলে আপনি বাদে বাকি দুনিয়ার দিকে এনার্জি দিচ্ছে, সম্ভবত আগের চেয়েও অ্যাগ্রেসিভলি। কারণ এ কয়দিন আপনাকে পটাতে গিয়ে সে ক্লাসে পরীক্ষায় অফিসে পিছায় গেছে। এখন আপনার, মানে মেয়ের কাজ হল অল্প মনোযোগ নিয়ে বয়ফ্রেন্ডকে বাইরের দুনিয়ায় যুদ্ধে হেল্প করা। তার হেলমেট ঠিক করে দেয়া। তার আর্মোর পরায়ে দেয়া। তার বন্দুকে গুলি ভরে দেয়া। এফোর্ট এবার আপনার দেয়ার পালা যেহেতু পয়লা কয়মাস ছেলেই দিছে।

এই রিয়েল লাইফ যুদ্ধটা সেরে ছেলে যখন ব্যালেন্সে আসবে, তখন দুইজনই ফিফটি ফিফটি এফোর্ট দেবে। কিন্তু এই থার্ড ফেজে আর বেশিরভাগ রিলেশনশিপ যায় না। সেকেন্ড ফেজ অর্থাৎ যেখানে মেয়ে পটে যাওয়ার পর ছেলে আর পাত্তা দেয় নাই বলে মনে হইছে, সেখানে সব এমন ব্যাড়াছ্যাড়া হয়ে যায় যে পরের দশ বছরের সংসার হয় তিক্ত।

তাদেরটাই সুন্দর থাকে যারা পাত্তার হিসাব না করে থার্ড ফেজ পর্যন্ত নিরাপদে এসেছে।

© musa mannan
8🤣2
🔷আপনাদের প্রশ্ন, ডাক্তার এর উত্তর 🤔🤔

🚼আমার বাচ্চার (মেয়ে) বয়স ৩ বছর ১০ মাস।কয়েকদিন আগে চেয়ারে‌‍র সাথে লেগে ওর গোপনা*ঙ্গে ব্যাথা পেয়েছে এতে একটু রক্ত বের হয়েছিল। পরে‌‍ আর কোন সমস্যা হয় নাই তাই বাচ্চাকে ডাক্তারে‌‍র কাছে নেওয়া হয় নাই।
এখন আমার খুব চিন্তা হচ্ছে বাচ্চার কি কোন সমস্যা হবে?
বা ওর ভাৰ্জিনিটি কি নষ্ট হয়ে গেছে?

➡️ এভাবে যদি ভার্জিনিটি নস্ট হতো তাহলে খুঁজে দেখলে বিশ্বের বেশিরভাগ মেয়েরা যারা একটিভ, নৃত্য শিল্পী, স্পোর্টস এর সাথে যুক্ত বা হাইপার একটিভ তাদের ভার্জিনিটি নস্ট হয়ে যেতো। বেশীরভাগ মানুষ এর মনে একটা কুসংস্কার আছে যে হাইমেন ইনট্যাক্ট না থাকলে ভার্জিন থাকেনা। কিন্তু হাইমেন যে কোনো কারণেই ছিঁড়ে যেতে পারে। কোনো আঘাত থেকে, ঘোড়ায় চড়লে, সাইকেল চালালে বা গাছে চড়লে বা জোরে লাফালাফি করলেও হতে পারে। কখনো কখনো কারো হাইমেন জন্ম থেকেই ছেঁড়া থাকতে পারে, কারো ছোট ছোট ছিদ্র যুক্ত হতে পারে। হাইমেন এর অনেক ধরন থাকতে পারে। এগুলো একদম ই স্বাভাবিক। আবার অনেকের এতো শক্ত থাকে পর্দাটা যে মাসিকের সময় ব্লিডিং হতেও সমস্যা হয়। অনেক কিছুই হতে পারে। আপনি মা হয়েই যদি মনে এসব ধারণ করে রাখেন, মেয়েকে কিভাবে সাহস দিয়ে বড় করবেন। ভার্জিনিটির চিন্তা না করে কোনো বড় আঘাত পেয়েছে কিনা সেটা খেয়াল করুন, ইন্টারনাল ব্লিডিং হচ্ছে কিনা সেসব দেখুন। নাহলে আলহামদুলিল্লাহ বলে শুকরিয়া আদায় করুন। একমাত্র সেক্সুয়াল কন্ট্যাক্ট ছাড়া কারো ভার্জিনিটি নস্ট হয়না। একটা পাতলা পর্দা ইনট্যাক্ট থাকা না থাকার সাথে ভার্জিনিটির কোনো সম্পর্ক নাই।

Dr. Tajreen Jahan

Advisor
&
Course Instructor
20 Minute Medical
👍1
আজকের শীতল হাওয়া আর ঝিরিঝিরি বৃষ্টির দিবস এবং রাত—কয়েকভাগে বিভক্ত করা যায়।

১. বিবাহিত—আপনারা মহান। অতি মহান। আপনাদের কোনো তুলনা নাই। কবি আর লেখকদের ভাষায় এমন শীতশুত আর পথ-ভেজানো বৃষ্টির দেখা আপনাদের জন্য‌ই সৃষ্টি। পূর্ণ বছরের সময় এক-দিবসেই প্রেয়সীকে দেওয়ার মুহূর্ত। হাজার বছর বেঁচে থাকার উষ্ণতা পাবে।

২. অবিবাহিত—ওরা মিসকিন! সবকিছু থাকার পর‌ও যেন কিছুই নেই। খিচুড়ি রান্না করতে পারেন এবং আপন কর্মে নিয়োজিত থাকেন। অতিরিক্ত ভাবনার কাজ নেই। ফিকির করুন, নয়তো জিকির। অন্তরে সুকূন মিলবে।

৩. শিক্ষার্থী—আপনার কি কাজ? পড়ুন এবং পড়ুন। তবে আজকের দিনে ভিন্ন কিছু পড়তে পারেন। একাডেমি পড়া বাদে অন্য কিছু।‌ সাথে ঝাল করে মুড়ি মেখে বসতে পারেন। কখনো আবার ফোঁটা ফোঁটা জল হাতে ছুঁয়ে দৌড়ে এসে শীতল হাওয়া অনুভব করতে পারেন। ভিন্নতার স্বাদ পাবেন।

৪. গবেষক—আজকের দিনটি আপনার জন্য‌ই। যেমন শীতল, তেমনি বৃষ্টি। লোকালয়ের ঝোপঝাড় নেই। একেবারেই শান্ত নিরব নিস্তব্ধ সময়। বেশ উপভোগ্য এবং অল্প সময়ে অধিক গবেষণা।

৫. পারিবারিক মানুষ—দিবসের অন্য দিনটি আজকের মতো নয়। এমন আবহাওয়া বছরে কয়েকবার আসে। কখনো আসেই না। পরিবারে সাথে প্রাণভরে সময় দিন। ইচ্ছেরা মরে গেলেও হাসুন। সব্বাইকে নিয়ে একত্রে হাসুন। শান্তি এবং শান্তির দেখা মিলবে।
2👍1
এখন শীত ও ঠান্ডার সিজন , এই সময়ে আমাদের সর্দি, কাশি হওয়ার , ঠান্ডা লাগার প্রবণতা বেড়ে যায় । এই সময় ঠান্ডা কাশি সর্দি থেকে নিরাপদ থাকতে এবং শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে নিম্নের পদ্ধতি ফলো করতে পারি
.
★ চ্যবনপ্রাশ (আয়ুর্বেদিক ওষুধ ) যতটুকু নিবেন তার সমপরিমাণ খাঁটি মধু নিয়ে এই ওষুধের সাথে মিশিয়ে ফেলবেন। প্রতিদিন সকালে 2 চা চামচ ও রাতে দুই চা চামচ খাবেন - একদম টানা তিন মাস।

★ সকালে এক গ্লাস লেবুর শরবত (চিনি বা গুড় ছাড়া) ও রাতে এক গ্লাস লেবুর শরবত পান করবেন। যাদের গ্যাসের সমস্যা আছে তারা খালি পেটে পান করবেন না। অনেকের খাবার পর পান করলেও হাইপার এসিডিটি হয় , তাদের ক্ষেত্রে এটা এভোয়েড করাই ভালো।

★ সকালে ও রাতে 1 কাপ গ্রিন টি + 1 চা-চামচ মধু মিশিয়ে পান করবেন

★ সব সময় কুসুম গরম পানি পান করবেন ও কুসুম গরম পানি দিয়ে গোসল করবেন।

★ সিজনাল দেশি ফল খাবেন।
.
চ্যবনপ্রাশ বাংলাদেশের অনেকগুলো কোম্পানি তৈরি করে এরমধ্যে আমার কাছে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য হল
★ শ্রী কুন্ডেশ্বরী ঔষধালয়
★ হামদর্দ
★ সাধনা ঔষধালয়
এছাড়া আরো অনেকগুলো ভালো কোম্পানির চ্যবনপ্রাশ বাংলাদেশে পাওয়া যায়।
.

এছাড়াও ভারতের বেশ অনেকগুলো ভালো কোম্পানি চ্যবনপ্রাশ তৈরি করে যা বাংলাদেশে পাওয়া যায় , যেমন ডাবর চ্যবনপ্রাশ , সোনা চান্দি চবনপ্রাস । ক্রয় করার সময় দেখতে হবে এই পণ্য খাঁটি কিনা ।
.
.

.
ডা: মোঃ ফাইজুল হক
Gov. Registered Ayurvedic , Unani and Homoeopathic Physician , Ayurved Tirtha
Trained on Cognitive-Behavior Therapy for Depression (DU)
Trained on Therapeutic Counselling
(Department of Clinical Psychology, University of Dhaka)

.
🟩 চেম্বারঃ
বাসা# এ-৩৮/১ , ইসলামপুর , [হাসপাতাল রোড , সরকারি হাসপাতাল এবং খাদ্য গোডাউন মোড়ের মাঝে , আমাবাগান জামে মসজিদের গলী ( চার তলা মসজিদ ) ] , ধামরাই , ঢাকা ।
.
🟩 মোবাইল নাম্বার:
01712 859950
বা, 01972 859950
👍1
মানসিক যেকোনো সমস্যায় সাইকিয়াট্রিস্ট বা সাইকোলজিস্ট যদি ক্লায়েন্টের খুব বেশি শারীরিক সমস্যা না থাকে তাহলে এক্সারসাইজ করার পরামর্শ দেন।অনেকেই ভাবে মন ভালো থাকার সাথে শরীরচর্চার আবার কী সম্পর্ক?
তাহলে জেনে নেই কীভাবে শরীরচর্চা আমাদের মনকে ভালো রাখেঃ

১.এক্সারসাইজ করলে 'এন্ডোরফিন' ও 'সেরোটোনিন' হরমোন নিঃসৃত হয় যা মন ভালো করে।হার্ভার্ড টি.এইচ. চ্যান স্কুল অব পাবলিক হেলথ এর একটি গবেষণা মতে, প্রতিদিন ১৫ মিনিট দৌড়ানো বা ১ ঘন্টা হাঁটা ডিপ্রেশনের সম্ভাবনা ২৬% কমিয়ে দেয়।

২.শরীরচর্চা করলে মানুষের মনোযোগ তার নেতিবাচক চিন্তা থেকে দূরে চলে আসে এবং কিছু সময় নিজের মতো করে কাটানো যায়।

৩.স্ট্রেসের জন্য শরীরে যে বিভিন্ন মাংসপেশিতে টান লাগে, এক্সারসাইজ করলে তা কমে যায় এবং রিল্যাক্সেশনে তা সহায়তা করে।

৪.বিকালের দিকে শরীরচর্চা করলে রাতের ঘুম ভালো হয় যা ইনসোমনিয়ার রোগীদের জন্য অনেক প্রয়োজনীয়।

৫.শরীরচর্চার জন্য মানুষ যখন বাইরে যায় তখন আশেপাশের মানুষের সাথে মেলামেশার সুযোগ হয় যা তার সামাজিক জীবনকে সমুন্নত করে, ফলস্বরূপ মানসিক তৃপ্তি পাওয়া যায়।

৬.শারীরিক ফিটনেস মানুষের মাঝে কনফিডেন্স আনে এবং সর্বোপরি মেজাজ হালকা ও ফুরফুরে করে।

📢 ঘরে বসে কাউন্সিলিং সেবা নিতে আমাদের পেইজে মেসেজ করুন।

#psycure #onlinecounselling #psychology #mentalhealth #workout #physicalhealth #counselling #physicalactivity
শায়খুল ইসলাম মুফতি তকি উসমানি হাফি. লিখেন,

‘আশ্চর্য তামাশার বিষয় এই যে, নারী যখন ঘরে বসে স্বামী-সন্তানের সেবা করে, খাবার রান্না করে, ঘরদোর সাজায় তখন সেটা হয় পশ্চাদপদতা ও মৌলবাদিতা, পক্ষান্তরে এই নারী যখন বিমানবালা হয়ে চারশ পুরুষের জন্য ট্রে সাজিয়ে খাবার সরবরাহ করে, আর তাদের লালসা-দৃষ্টির শিকার হয় তখন সেটা হয় সম্মান ও মর্যাদা!’

(ইছলাহী মাওয়াইয, ১৫৪)
1
# এই জেনারেশনে মানুষের কি হয়েছে? যাকে দেখি ডিপ্রেশনে আছে, দুঃখ কষ্টে আছে, রাতের ঘুম গায়েব, ওভারথিংকিয়ে আসক্তি। এর দুইটা মেজর কারন হচ্ছে লাভ এন্ড মানি।
# এবার মনে করুন একটা ছেলের কাছে না আছে টাকা না আছে ভালোবাসা কিন্তু তার কাছে আছে একটা এডিকশন যেটাকে বলা হয় সোশ্যাল মিডিয়া। সোশ্যাল মিডিয়াতে বেশিরভাগ শো অফ চলে। কেউ গার্লফ্রেন্ড, বয়ফ্রেন্ড নিয়ে ভিডিও দিচ্ছে, কেউ গাড়ি বাড়ি টাকা দেখাচ্ছে। যার কাছে টাকা ভালোবাসা নেই সে প্রতিদিনই এইসব মোবাইলে দেখছে আর নিজেকে ঐ ভিডিওর সাথে রিলেট করে এবং তার কাছে নেই কেন এরজন্য রিগ্রেট করে। এইসব তাড়াতাড়ি পেতে চায়। সোশ্যাল মিডিয়াতে যা দেখছেন সব সত্যি না। এইসব সোশ্যাল লাইফ দেখে নিজের মাথা নষ্ট করবেন না। যা করার লাইফে তা করুন সময় অনেক দামী, *সময়ের সাথে সাথে নিজের বেস্ট ভার্সন তৈরি করুন।*
# নিজের বেস্ট ভার্সন তৈরি করতে ফলো করুন আমার পোস্ট গুলো।
3👍1👎1
পড়তে যেহেতু হচ্ছেই:

আমার কথা হচ্ছে, যদি আমাকে পড়াশোনা করতেই হয়,তাহলে সে ক্ষেত্রে আমরা ভালো করে পড়াশোনা করব। যেহেতু আমাকে পড়াশোনা করতেই হচ্ছে, আমি মেয়ে হই বা পুরুষ হই, যদি জেনারেল লাইনে আপনাকে পড়াশোনা করতেই হয়, সিরিয়াস হোন,খুব ভালোভাবে করুন।
১.
প্রথমত ভার্সিটি কালচার বাদ দিয়ে,ঘাড় গুঁজে ৫-৬ ঘণ্টা লেখাপড়া করুন। ছাত্রজীবনে অযথা সময় নষ্ট করবেন না। ভার্সিটির কালচার বলতে। যে ওপেন কালচার,নারী-পুরুষ ফ্রি-মিক্সিং, এই পার্টি ওই পার্টি, মুক্তমঞ্চ, আড্ডাবাজি, গ্রুপস্টাডি হেনতেন। এই কালচার বাদ দিতে হবে। এমনভাবে পড়বেন, যেন নাজায়েজ জিনিসগুলোর দিকে খেয়ালের সময়টুকু না হয়ে ওঠে।
২.
সিজিপিএ-র সাথে কোনো আপস নেই। সিজিপিএ কখনো কমা যাবে না। এটা হচ্ছে, যদি আপনি পড়তে বাধ্য হন, তখন যদি বাধ্য না হন, তাহলে ছেড়ে দিন । আর বাধ্য হলে, ভালো করে পড়ুন । সিজিপিএ-র সাথে কোনো আপস করবেন না, সর্বোচ্চ সিজিপিএ যেন থাকে। কারণ, আপনি যদি না পড়েন, তাহলে আপনি অন্যান্য ফালতু জিনিসের দিকে মোড় নেবেন।
৩.
সাজেশানের বাইরেও পড়ুন। এমনভাবে পড়বেন, যেন স্যার আপনার থেকে শিখতে পারে। কথার কথা, আপনাকে পলিটিক্যাল সায়েন্স নিয়ে পড়তে হচ্ছে, আপনি গ্রিক নগর-রাষ্ট্র নিয়ে পড়াশোনা করছেন। তো, আপনাকে যে বইটা দেখিয়ে দেবে, শুধু ওইটাই পড়বেন, তা না। বরং আপনি ইন্টারনেটে সার্চ দিয়ে, আরও দশটি ইউটিউবে ভিডিও দেখুন । আরও দশটা আর্টিকেল আপনি খুঁজে বের করে পড়ুন। এবং একটি নোট তৈরি করুন। পরে স্যার যখন জিজ্ঞেস করবেন, বা পরীক্ষায় আসবে, তখন আপনি সেখান থেকে উত্তরটা দেবেন, বা খাতায় লিখবেন।
৪.
ভোগ কমিয়ে প্রোডাক্টিভ হোন। পেশাগত ক্ষেত্রে নিজের ব্যক্তিগত ভোগ কমাবেন। নিজের পেশায় দক্ষ হওয়ার চেষ্টা করুন। ডিগ্রির আশায় না থেকে 'ক্যারিয়ার ক্যাপিটাল’ তৈরি করুন। ভার্সিটির দীর্ঘসূত্রী পড়াশোনার ফাঁকে সাবজেক্ট রিলেটেড ব্যবহারিক স্কিলগুলো শিখে ফেলুন। যেমন যে বিবিএ পড়ছেন, নিচের জিনিসগুলো নিয়ে অফলাইন-অনলাইন কোর্স করে সার্টিফিকেট নিয়ে ফেলুন:
▪️ইংলিশ রাইটিং-স্পোকেন
▪️বেসিক কম্পিউটার
▪️ প্রোগ্রামিং টিম ম্যানেজমেন্ট
▪️কাস্টমার সার্ভিসের মৌলিক নিয়মকানুন
▪️ সেলিংস্কিল
৫.
বিনাবেতনে কোনো প্রতিষ্ঠানের সাথে কিছুদিন কাজ করে সার্টিফিকেট নিয়ে নিন। প্রশিক্ষণের সামান্য সুযোগও লুফে নিন। প্রতি ৬ মাসে আপনার সিভিতে যেন একটা স্কিল যোগ হয়, সেই ব্যবস্থা করুন। চাকরির সেক্টর এখন শুধু ডিগ্রি দিয়ে হয় না,অভিজ্ঞতা চায়। আপনার বন্ধুদের সিভিতে যখন শুধু ডিগ্রিটা থাকবে, তখন আপনার সিভিতে থাকবে ডিগ্রির সাথে বহু অভিজ্ঞতার সনদ। আপনার ক্যারিয়ার ক্যাপিটালে থাকবে বহু প্রশিক্ষণ, কোম্পানির সিস্টেমের সাথে ওঠাবসার স্বীকৃতি।

📝মুমিনের ক্যারিয়ার ভাবনা
✍️ ডা. শামসুল আরেফিন
👍21
কে ৯০% মার্কস পেলো, কে ৩০% ; ওসব দেখে তো শৈশবে বন্ধু বানাতাম না, কিন্তু এখন আমার ৯০% মার্কস পাওয়া বন্ধু আমার থেকে দূরে থাকে। এরই নাম হয়তো, বড় হয়ে যাওয়া।

শৈশবে কতজনের সাথে ঝগড়া করতাম, মারামারি করতাম, কিন্তু হিংসা ছিলো না তখন। এখন একজন আরেকজন কে হিংসা করে, উপরে উঠতে চায়।

১০ টাকা পেলেই খুশি হয়ে যেতাম, উপহার পেতে চাইতাম অনেক, কিন্তু টাকার সন্ধানে হাঁটতাম না। এখন তো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ও এটা শেখায়, টাকা না থাকলে সুখ পাওয়া যায় না।

মা এর কোলে গিয়ে শুয়ে পড়তাম, এদিক সেদিক যেতে হতো না। এখন টাকার জন্য ঘর থেকে বহুদূর, মা-বাবা থেকে বহুদূর। আমার বাবা তো প্রবাসী ছিলেন, মা-বাবা কাউকে মাটি দিতে পারে নি। কী লাভ টাকা দিয়ে?

পরীক্ষা দিয়েছিলাম শৈশবে ও, এক বন্ধু আরেক বন্ধু কে দেখাতাম তখন। কই তখন তো পড়াশোনায় প্রতিযোগিতা ছিলো না।

শৈশবে চাইতাম বড় হয়ে যেতে, বড় হয়ে এখন চাই শৈশবে ফিরে যেতে। সত্যি ই জীবনের চেয়ে বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নেই।

বড় হওয়ার পর বুঝেছি, মানুষ অতটা ভালো নয়, যতটা ভেবেছিলাম। জেনেছি, মানুষ অবস্থান কে ভালোবাসে, অবস্থায় থাকা মানুষটিকে নয়। চিনেছি, আপন মানুষ ও আপনা মানুষকে।

সত্যি ই তো! কতই না সুন্দর ছিলো আমার শৈশব! প্রতিযোগিতা, দ্বন্দ্ব, হিংসা, উঁচুনিচু, ঘৃণা, কিছু ই ছিলো না।

শৈশবে যা ছিলো তা হলো ভালোবাসা, যেটা বড় হওয়ার পর আমি আর খুঁজে পাই নি। 🌸

© সাজনুল সায়েফ
👍2🥰1
"যদি আমরা এখনো দ্বীনি ইলম অর্জনে এগিয়ে না আসি, হয়তো কাল মালাকুল মউত চলে আসবেন, আমাদের দ্বীনের পথে না চলার আফসোস রয়ে যাবেই।", বলছিলেন ১০ম ব্যাচের একজন ত্বলিবা। বাস্তবিক, শেষ বয়সে রবকে খুশি করব ভেবে দিব্যি যৌবন কাটানোর আগে একবার ভাবা উচিৎ, ততদিন কি আদৌ বেচে থাকা নিশ্চিত?

নাহ, সেই নিশ্চয়তা জমিনের কেউ দিতে পারেন না। অথচ জমিনবাসীকে খুশি করার জন্য আমাদের সকল আয়োজন। আসুন না, আর দেরি না করি। যে মহান সত্ত্বার কাছে রোজ হাশরে নিজেকে সমর্পণ করতেই হবে, তার জন্য আজই প্রস্তুতি নেয়া শুরু করি। যার শুরুটা হবে ইলম আহরণ দিয়ে। আর ইলম আহরণে জেনারেল ভাই-বোনদের সহযোগী হতেই আমাদের ৫ বছরের চলমান প্রচেষ্টা।

আলহামদুলিল্লাহ, সেই প্রচেষ্টার ফলস্বরূপ সকল কোর্স ও প্রজেক্ট মিলিয়ে ৭৬ হাজারের বেশি ভাই-বোনের সমাগম হয়েছে আইওএমে। সেই বিশাল কাফেলার একজন জেনারেল ত্বলিবার মূল্যবান রিভিউ উপস্থাপন করা হলো। বোনটির মতো অন্যান্য জেনারেল ভাই-বোন যারা অনলাইন মাদ্রাসা বা কোর্স খুজছেন কিন্তু ক্লাস কেমন হবে, উস্তাদ-উস্তাজারাই বা কেমন হবেন আবার অনলাইনে শেখা সম্ভব কিনা ইত্যাদি নিয়ে নানান দ্বিধায় আছেন, তাদের খানিকটা আশ্বস্ত করতেই রিভিউটি শেয়ার করা হলো।

উল্লেখ্য, আলিমসহ সকল নিয়মিত কোর্সে ভর্তি এখনো চলমান আছে।

🔴আপনিও আইওএমের ক্লাস, উস্তাদ সম্পর্কে আপনার মতামত জানাতে পারেন ইনশা আল্লাহ।
'নেককার স্ত্রী হলো রাজার মাথায় থাকা সোনার তাজের মতো, যা রাজার শানশৌকত বাড়িয়ে দেয়। আর বদকার স্ত্রী হলো বৃদ্ধের পিঠে ভারী বোঝার মতো, যার ভারে বৃদ্ধ কুঁজো হয়ে যায়।'
.
— আব্দুর রহমান ইবনু আবযা (রহ.)
.
সূত্র: মুসান্নাফ ইবনে আবী শায়বাহ, ১৭৪২৮
4
# ইন্টারনেট থেকে আপনাকে একটা হীরা খুঁজে দিবো। আপনি anxiety, stress থাকবে না, এমন জিনিস আপনাকে দিবো আপনি খুশি হয়ে যাবেন। এমন একটা মিউজিক ৩ মিনিট শুনলে anxiety symptoms চলে যাবে।
# Dr. Andrew Hubermen অনেকেই চিনে থাকবেন।
Dr. Andrew Hubermen মতে এটির ইফেক্টিভনেস ৬৫%। এইটুকু ইফেক্টিভনেস anxiety, stress এর জন্য যে মেডিকেশন দেয় সেটার হয়।
যখন আপনার anxiety, stress ফিল হবে ইউটিউবে গিয়ে সার্চ করবেন "**Marconi Union -Weightless**" এই মিউজিকটি শুনবেন। এটা কোন বাইনোরাল বিট না বা সাবলিমিনাল না। আমি এটা প্রথম শুনার পর অনেক রিলেক্স ফিল লেগছিল। অনেকে এটাকে ইন্টারনেটে সোনার হরিণ মনে করে। এমন মাস্টারপিস পোস্ট পেতে সাথেই থাকুন
# লিঙ্ক কমেন্ট সেকশন।
👍81
এইযে আপনারা হেলদি রিলেশন আর টক্সিক রিলেশন ডিফাইন করেন,আচ্ছা আপনারা কি মনে করেন যেই সম্পর্ক গুলারে হেলদি জানেন সেই সম্পর্কটা বারো মাস সুস্থ থাকে?বছরের পর বছর দুইটা মানুষ একসাথে থাকে কিন্তু তাদের মধ্যে কোনো তিক্ততার পিরিয়ড আসেনা?টক্সিক রিলেশন ছাইড়া পালাইতে বলেন,টক্সিক কোনটারে বলে?কোনো সম্পর্ক কি শুরু থেকেই টক্সিক থাকে? মানে শুরুতে হেলদি থাকে,যেই একটু আকটু মিষ্টতা কমে গেলো ওমনি পালায় যাইতে হবে? ইজ ইট লভ?টক্সিক হওয়া রিলেশন টাও শুরুর দিকে সমুদ্রের উথালপাথাল ঢেউ এর মতন হিলার ছিলো,হেলদি ছিলো!
শীতকালে যখন সেই সমুদ্রের ঢেউ থাকেনা তখন আর আপনি সমুদ্রপ্রেমী না?
আপনার আমার মা বাপ যে একটা গোল্ডেন জুবিলী সিলভার জুবিলী কাটায় দিচ্ছে একসাথে,তাদের কাটানো সেই পুরাটা সময় হেলদি না,তাদের মধ্যেও দিন মাস গেছে টক্সিক,হয়তো আর্থিক বা পারিবারিক টানাপোড়েনে সেই পিরিয়ডটা বছর পর্যন্ত গড়াইছিলো।
আপনি আমি জানি না,আর তারাও জানেনা হেলদি কি টক্সিক কি;
শরীরে যতক্ষণ ভাইরাস ব্যাকটেরিয়া না ঢুকে ততক্ষন আপনি হেলদি,কিন্তু ঢুকে গেলেই আপনি অসুস্থ!ছোঁয়াচে রোগ হইলে তো কথাই নাই,আপনি নিজেই তখন টক্সিক!তো অসুস্থ হইলেই কি শরীর ছেড়ে পালাই যান?নাকি অন্য কাউকে দিয়ে দেন শরীরের মালিকানা?
সুস্থ হইতে চেষ্টা করেন,ওষুধ খান,থেরাপি নেন,ভালো ভালো খাবার খান।
সম্পর্কের বেলায় ভিন্ন কেন?সম্পর্ক অসুস্থ হইলে সুস্থ করেন,টক্সিক টক্সিক কইরা অন্যের মাথার মধ্যে টক্সিসিটি পুশ করবেন না আল্লাহর ওয়াস্তে!
লেখা:মুনতাহার হোসেন জুবলী
★মানসিক সমস্যা সমাচার!!
★বাংলাদেশে অন্তত ৩ কোটি মানুষ কোন না কোন মানসিক সমস্যায় ভুগছেন!
আর মানসিক ব্যাধিতে আক্রান্তদের মধ্যে তরুণদের সংখ্যাই বেশি।
কতিপয় কারণকে এজন্য বিবেচনা করা যায়-
(১) অস্থিরতা,
(২) ব্যক্তিজীবনের অনিয়ম,
(৩) বেকারত্ব,,
(৪) বিশৃঙ্খলা,
(৫) নানামুখী চাপ,,
(৬) অপ্রাপ্তি,
(৭) অধিক পাওয়ার লোভ লালসা
(৮) আশা হারিয়ে ফেলা
(৯) পারস্পরিক সম্পর্কে বহুমুখী জটিলতা
(১০) বিচারহীনতা

[ এসব কারণের অনেকগুলোর উৎপত্তি - নিম্নোক্ত বিষয় থেকে… যেগুলোকে ধ্বংসাত্মক কাজ হিসেবে- রাসূলুল্লাহ্ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চিহ্নিত করে সতর্ক করেছিলেন---
মনের খেয়ালখুশি অনুসরণ→ (ব্যক্তিজীবনের অনিয়ম, সকল বিশৃঙ্খলা, বিচারহীনতা!)
লোভ করা→ (অনেককিছু চেয়ে জীবনের বহু অপ্রাপ্তি, আশাহত হওয়া, বেশী পাওয়ার জন্য অস্থিরতা)
অহংকারী হওয়া→ (ইগো দেখাতে যেয়ে সম্পর্কে জটিলতা বৃদ্ধি„
পারস্পরিক সম্পর্কে নানান চাপ,
অল্প যে কোনকিছু তুচ্ছ মনে হয়!)

জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ডা. হেলালুদ্দীন আহমাদ জানিয়েছেন, বাংলাদেশে ১৮.৭ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক এবং ১২.৬ শতাংশ শিশু-কিশোর কোন না কোন মানসিক রোগে ভুগছে।
দেশে প্রতি বছরে গড়ে ১০ হাযারেরও বেশি মানুষ আত্মহত্যা করে থাকে।

Dr. Mohidul Hasan Maruf,
MBBS(RpMC)
FCPS training (Internal Medicine)
Medical officer, Rajshahi Medical College Hospital
👍3