জ্ঞান - Knowledge
2K subscribers
1.27K photos
21 videos
11 files
463 links
🙂🙂🙂
Download Telegram
বিপরীত লিঙ্গের কারোর সাথে ফ্রেন্ডশিপ করা যে উচিত না সেই নিয়ে পারসোনাল এক্সপেরিয়েন্স শেয়ার করি। উল্লেখ্য যাদের বিপরীত লিঙ্গের ফ্রেন্ড আছে তাদের কে খারাপ বলছি না, ফ্রেন্ডশিপ ভেঙে ফেলতেও বলছি না,আমার পোস্টটা দেয়ার উদ্দেশ্য জাস্ট একটা সতর্কবার্তা যে, আপনি সাফ মনে কথা বলবেন কিন্তু অপরজন এর মন সব সময় সাফ থাকবেনা
আমি মেয়ে, কখনো ছেলে ফ্রেন্ড ছিল না,এখন অনার্স এ উঠে দুই একজন ছেলে ক্লাসমেট এর সাথে দরকারে কথা হয় তাও টেক্সট এ,সামনাসামনি কথা হয়না বললেই চলে, এর বাইরে কিছু না। তো একজনকে সেদিন একটা স্ক্রিনশট দেই যেখানে আমার ভিপিএন অন ছিল। ও সেটা দেখে আমাকে বলে ভিপিএন অন কেন,মেয়ে বড় হয়ে গেছে। কোন বাজে বিষয়টা মিন করে বলেছে সেটা বোঝাই যাচ্ছে, তখন আমি কিছু কথা শুনায় দেয়ার পর ব্লক করে দেই।পিন্টারেস্ট অ্যাপটার জন্য আমি ভিপিএন ইউজ করি তাছাড়া নেট সিকিউরিটি এর জন্য ও ভিপিএন লাগে। কিন্তু সে সেই বাজে কথাটাই মিন করলো। তাছাড়া আমার অন্য মেয়ে ফ্রেন্ডদের থেকে শুনেছি তাদের কিছু ছেলে ফ্রেন্ড গা এ পড়া টাইপ,হুট হাট আপত্তিকর টপিকে কথা বলে,গা এ হাত দেয়। বিষয়টা দাড়ালো যে, ছেলেদের সাথে ফ্রি মিক্সিং করলে অনেক বিষয়ে নিজেকেই খুব আপত্তিকর অবস্থায় পড়তে হবে।সব ছেলেই যে মেয়ে ফ্রেন্ডদের থেকে সুযোগ নেয় সেটা বলছিনা,ভালো ছেলে অবশ্যই আছে। কিন্তু কে ভালো কে খারাপ সেটা বুঝার উপায় নেই আগে থেকে।কোন একটা ঘটনা ঘটে গেলে নিজের ক্ষতি, আপনার ফ্রেন্ড আপনার পাশে দাঁড়াবে,ধরুন ফাজলামির ছলে সে আপনার প্রাইভেট জায়গায় হাত দিয়ে বলল সরি দোস্ত ভুলে লেগে গেছে,এই টাচ টা তো রিভার্স করে মুছানো সম্ভব না কিন্তু আপনি সেনসিটিভ হলে হয়তো সারাজীবন টাচটা নিয়ে আফসোস করবেন।ভার্সিটি লাইফে অনেকেই ভিন্ন শহরে থেকে ছেলে ফ্রেন্ডদের সাথে ঘুরতে যায়,আপনি তো ফ্রেন্ড মনে করেই যাবেন কিন্তু ফ্রেন্ড এর সাথে গিয়ে রেইপড হওয়ার ঘটনাও কিন্তু শোনা যায়।নিজের সম্মান রক্ষার্থে প্রতিরোধ হিসেবে যতটা সম্ভব ফ্রি মিক্সিং অফ করাই ভালো,দরকারে কথা বললেও দূরত্ব রেখে বলা উচিত। । হয়তো আমার সেই ফ্রেন্ডটা হুট করে বলে ফেলেছে যেহুতু মেয়েদের তুলনায় ছেলেরা এইসব টপিক ডিসকাস করে বেশি।সে এর আগে এমন কিছু কখনো বলেনি, ছেলেদের মাথায় এই সব বিষয় একটু বেশি ঘুরে জন্য অনেকে মুখ ফসকেও বলে ফেলে। অনেকে ফ্রি মিক্সিং এর আড্ডায় অনেক সেনসিটিভ টপিক নিয়ে ওপেনলি কথা বলে,আধুনিক যুগ হিসেবে এটাকে নরমালাইজ ও করা হয় কিন্তু পারসোনালি এইসব টপিক একটা মেয়েকে বলা আমার জঘন্য ফিল হয়। অনেক ছেলেই এই বাউন্ডারিটা বোঝেনা যে মেয়ে ফ্রেন্ড থাকলেও তাদের সাথে একটা লাইন এর বাইরে থেকে কথা বলা উচিত। হুটহাট তারা একটা কিছু বলে দেয় বা করে দেয় কিন্তু মেয়ে হিসেবে বিব্রত হতে হয় নিজেকেই।

সমস্যায় আছেন?
সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না?
সঠিক সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত পেতে ইনবক্সে জানাতে পারেন👉 অভিদা কে।
লোগো বা ট্রেডমার্ক রেজিস্ট্রেশন কেনো এত গুরুত্তপূর্ণ

১. আরেকজন আপনার মত ট্রেডমার্ক ব্যবহার করে নিম্নমানের পণ্য বা সেবা বাজারজাত করতে পারে, ফলে আপনার ব্যবসার সুনামের/গুডউইলের ক্ষতি হবে।
২. লোগো রেজিস্ট্রেশন করলে আরেকজন নকল করার সাহস পাবে না।
৩. প্রথমে যে লোগো বা ট্রেডমার্কের রেজিস্ট্রেশন এর জন্য দরখাস্ত জমা দিবে তারটা রেজিস্ট্রেশন হবে,
৪. এরপরে যে একই লোগো জমা দিবে, তারটা দরখাস্ত বাতিল হয়ে যাবে। অর্থাৎ সে রেজিস্ট্রেশন পাবে না।

লোগো বা ট্রেডমার্ক দরখাস্ত কেন বাতিল হয়ে যায়?
১. অন্যের সাথে লোগো বা ট্রেডমার্ক মিল থাকলে দরখাস্ত বাতিল হয়ে যাবে।
২. গুণবাচক শব্দ রেজিস্ট্রেশন হবে না।
৩. জায়গার নাম, দেশের নাম, মানুষের নাম, মসজিদের নাম, পবিত্র জায়গার নাম, ধর্মের নাম, পদের নাম ইত্যাদি।

লোগো বা ট্রেডমার্ক বিক্রয়যোগ্য।

তাহলে বুঝা যাচ্ছে যে আপনি অনেক পরিশ্রম এবং অনেক পরিশ্রমের বিনিময়ে আপনার পণ্যের বা সেবার ভালো গুডউইল বা আপনার পন্যের সেবার ব্র্যান্ড ভ্যালু তৈরীর পর, আপনার ট্রেডমার্ক রেজিস্ট্রেশন অজ্ঞতার কারণে আরেকজন আপনার লোগো, আপনার অজ্ঞাতসারে প্রথমে দরখাস্ত জমা দিয়ে আপনার লোগো রেজিস্ট্রেশন করে নিতে পারে। তখন আপনি আর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন না।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: ট্রেডমার্ক রেজিস্ট্রেশন এর জন্য ট্রেড লাইসেন্স করা জরুরি নয় বা টিন সার্টিফিকেট বা ভ্যাট সার্টিফিকেট জরুরী নয়।
তাই আর নয় দেরি এখনই আপনি প্রস্তুতি নিয়ে নেন লোগো বা ট্রেডমার্ক রেজিস্ট্রেশনের জন্য।

লেখক: আলাউদ্দিন
মানুষ কেন রাতে ঘুমায়
ডা. অপূর্ব চৌধুরী

পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষ রাতে ঘুমায় । অল্প কিছু মানুষ কাজের কারণে রাত জেগে থাকে, দিনে ঘুমায় । কিন্তু মানুষ কেন রাতে ঘুমায় । রাতে অন্ধকার নামে বলে ঘুম আসে, নাকি আলোতে আমাদের ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে বলে দিনে না ঘুমিয়ে রাতে ঘুমায় ।

মানুষের শরীরে একটা জৈবিক ঘড়ি আছে । নাম সিরকাডিয়ান রিদম । দেয়াল ঘড়ির মতোই এর আছে ২৪ ঘন্টার একটি চক্র । শরীরের বিভিন্ন কাজ এই ঘড়ির কাঁটা অনুযায়ী একটা ছন্দে চলে । কাজের এই সময়গুলো কখন শুরু হবে এবং কখন শেষ হবে, তার একটি তালিকা দেহ ঘড়িটি রপ্ত করে নেয় । তবে কাজের এই সময়গুলো সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হয় পরিবেশ দিয়ে । কখন নিজেদের চারপাশে আলো থাকে এবং কখন থাকে না, এই অবস্থাটি শরীরের কাজগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করে ।

দেহ ঘড়িটির মধ্যে বিভিন্ন কাজের কতগুলো চক্র আছে । এদের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ চক্র হলো জেগে থাকা এবং ঘুমানো । সংক্ষেপে বলা যায় ঘুম-জাগরণ চক্র ।

মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাসে থাকা একটি অংশের নাম SCN । সুপ্রা কায়াজমাটিক নিউক্লিয়াস । এই অংশটি ঘুম-জাগরণ চক্রটিকে চালায় ।

আমাদের ঘুম আনায় একটি রাসায়নিক উপাদান । নাম :মেলাটনিন । আবার আমরা জেগে থাকি আরেকটি উপাদানের কারণে । নাম : কর্টিসল । চোখে আলো এসে পড়লে চোখ সে আলোর রেষ মস্তিষ্কে পৌঁছে দেয় । তখন SCN অংশটি অ্যাডরেনাল গ্রন্থিকে সংকেত পাঠিয়ে কর্টিসল হরমোনটির উৎপাদন বাড়িয়ে দেয় । এতে আমরা জেগে থাকি । আবার আলো কমে গেলে, অন্ধকার নেমে এলে, চোখ সেই অন্ধকারের বার্তা বা আলোর অনুপস্থিতিটি মস্তিষ্ককে জানিয়ে দেয় । SCN অংশটি তখন পিনিয়াল গ্রন্থিকে সংকেত পাঠিয়ে মেলাটোনিন হরমোনের উৎপাদন বাড়িয়ে দেয় ।

অন্ধকার নেমে এলে মস্তিষ্কের হাইপোথেলামাসে থাকা SCN অংশটি পীনিয়াল গ্রন্থিকে উদ্দীপ্ত করে প্রথমে । এতে রক্তে মেলাটোনিন উৎপাদন বেড়ে যায় । মেলাটোনিন তখন M1 এবং M2 বলে মেলাটোনিন রিসেপ্টরের সাথে যুক্ত হয়ে G প্রোটিনকে সক্রিয় করে । এরপর G প্রোটিন কোষের ভেতরে সিগনাল পাঠায় । তাতে কোষের ভেতর বিভিন্ন এনজাইমের কাজ বেড়ে যায় । এনজাইম গুলো তখন ডোপামিন নামক আরেকটি হরমোনের উৎপাদন কমিয়ে দেয় । ডোপামিনের কাজ আমাদের মুড চাঙ্গা করা । তারমানে মেলাটোনিন বেড়ে গেলে ডোপামিন উৎপাদন কমে গিয়ে শরীরকে শিথিল, রিলাক্স করে দেয় । তাতে ঘুমের আবেশ দেখা দেয় এবং আস্তে আস্তে ঘুম আসতে থাকে ।

এমন করে আলো থাকে বলে শরীরে একটি হরমোন বেড়ে গিয়ে আমাদের জাগিয়ে রাখে । আবার অন্ধকার হলে শরীরে আরেকটি হরমোন বেশি থাকে বলে সেটি আমাদের ঘুম পাড়িয়ে রাখে । আর ঠিক এই কারণে রাতে অন্ধকার নামে বলে আমরা সহজে ঘুমিয়ে পড়ি ।

- Dr. Opurbo Chowdhury
2
বরাবরের মত অবিবাহিতদের কাছে 'বিয়ে' একটি স্বপ্ন মাখা শব্দ। পাশাপাশি তাদেরই একাংশ বিয়ে হচ্ছে না দেখে ভীষণ চিন্তা আর ডিপ্রেশনে ব্যস্ত। এই সুযোগ টাই শয়তান কাজে লাগিয়ে অগোচরে আপনাকে দিয়েই আপনার জীবন করে দিচ্ছে দুর্বিষহ।

প্রিয় অবিবাহিত বোনেরা বিয়ের আগের সময়টা গনিমতের মত কাজে লাগাতে হবে। সময় নষ্ট করাও এক প্রকার গুনাহ। এখন এ গুনাহ থেকে বেচে থাকা অতিব জরুরি। আল্লাহ সবচেয়ে ভাল জানেন আপনার জন্য কি কল্যানকর। আমাদের স্থুল দৃষ্টিতে মনে হতে পারে কল্যানকর সব জিনিস এখনই পেলে ভাল, কিন্তু না আল্লাহ হলেন আলিমুল গায়েব,সূক্ষ্মাতি সূক্ষ্ণ দ্রষ্টা তিনি আল হাকিম তিনিই সবচেয়ে ভাল জানেন বিয়েটা কখন আপনার জন্য সবচেয়ে কল্যানকর।তিনি তখনই দিবেন।
আমাদের উচিত আল্লাহর উপর ভরসা করা এবং ইত্বকানের সাথে কাজ করে যাওয়া।

বিয়ের আগে করনীয় :
সর্ব প্রথম আল্লাহর সাথে সম্পর্ক সুন্দর করা। আল্লাহ সাথে বান্দার সম্পর্ক কিছু টা ডিভাইসের সাথে WiFi কানেকশনের মত। যতক্ষণ কানেকশন আছে আপনি সহজেই ইন্টারনেট বা ভাচুয়াল দুনিয়ায় দাপিয়ে বেড়াবেন। কানেকশন নেই মানে ইরোর হঠ্যাৎ ই সব বন্ধ ।

আল্লাহ তালা তার ইবাদতের জন্য বান্দাদের বাছাই করেন।কারো জন্য নফল সালাত পড়া সহজ,তো কারো জন্য রোজা রাখা।কেউ সাদকা করার তৌফিক পায় তো কেউ হজ্জ। সংসার, স্বামী, সন্তান লালনপালনও ইবাদত। প্রতিটিই আল্লাহ নিকটবর্তী হবার দরজা। আপনার জন্য একটা ইবাদতের দরজা সাময়িক বন্ধ থাকতে পারে কিন্তু ভেবে দেখেন বহু ইবাদতের দরজা এখনও খোলা।

মহান আল্লাহ মানুষের মাঝে রুহ ফুকে দিয়েছেন এবং এই রুহ (আত্না) এর এক মাত্র খোরাক হলো আল্লাহর যিকির তার স্মরণ। রুহকে তার খোরাক থেকে বঞ্চিত করলে পৃথিবীর সর্ব সুখ এনে দিলেও কি নেই কি নেই নামক শূন্যতায় সব সুখ নিমেষেই মরিচিকা

আল্লাহ সব মানুষের অন্তরের মালিক। তিনিই অন্তরের মাঝে প্রতিবন্ধক হয়ে যান। আল্লাহর সাথে সম্পর্ক সুন্দর না করে তার কোন সৃষ্টির অন্তরের রানী হওয়া অসম্ভব।

রাসুলুল্লাহ সাঃ হযরত খাদিজা (রা) কে অনেক ভালবাসতেন এমনকি সায়েদা খাদিজা (রা) এর মৃত্যুর পরও ভালবাসায় কোন কমতি ছিল না। এতে আয়েশা (রা) পযর্ন্ত ও ঈর্ষাকাতর ছিলেন।
রাসুলুল্লাহ সাঃ বলেছেন" খাদিজার প্রতি ভালোবাসা আমাকে আল্লাহর পক্ষ থেকে দান করা হয়েছে"। সুবহানাল্লাহ! কি অনুপম স্বর্গীয় ভালবাসা। এ ভালবাসা সব নারীর জীবনেই পরম আরাধ্য।

প্রিয় অবিবাহিত পাঠিকা, জেগে উঠুন, সময়কে কাজে লাগান। ভাল মুসলিমাহ হতে এক ধাপ আগে বাড়ুন। গুনাহ থেকে বাচুন। নেক আমল বাড়িয়ে দিন সাথে প্রচুর দুআ । আল্লাহর কাছে প্রিয় হয়ে উঠুন।আল্লাহর ওলী হবার চেষ্টা করুন। আল্লাহ বিপুল দাতা,তিনি চাইলে ধারণাতীত কল্যানকর স্বামী দিবেন,আপনার জন্য তার অন্তরেও অকৃত্রিম ভালবাসা নাজিল করবেন।
আল্লাহর জন্য সবই সহজ।

[ইয়াসীনঃ আয়াত নং ৮২]

إِنَّمَآ أَمْرُهُۥٓ إِذَآ أَرَادَ شَيْـًٔا أَن يَقُولَ لَهُۥ كُن فَيَكُونُ

অর্থঃ তিনি যখন কোন কিছু করতে ইচ্ছা করেন, তখন তাকে কেবল বলে দেন, ‘হও’ তখনই তা হয়ে যায়।

চলবে ইনশাআল্লাহ।

#IMC
2
বেতনের বেলায় "আলোচনা সাপেক্ষে" কেন?

আপনার কেমন লোক দরকার, তা টু দ্য পয়েন্টে উল্লেখ করছেন।
অমুক পাশ, তমুক অভিজ্ঞতা, কতখানি স্মার্ট হইতে হবে, লম্বা-চওড়ায় কতটা হইলে ভালো হয়, কতক্ষণ ডিউটি... ইত্যাদি প্রভৃতি সব আগেই বলে দিচ্ছেন। চাকরির বিজ্ঞাপনে।
বেতনের বেলায় "আলোচনা সাপেক্ষে" কেন?
এটা কেন আগেই বলে দিতে পারেন না?
আপনার কেমন লোক দরকার তা আগেই পরিস্কার বলে দিচ্ছেন যাতে অপ্রয়োজনীয় কেউ আপনাকে নক না করে।
তাহলে বেতন না বললে আপনার ওখানে আবেদন করা এবং শশরীরে হাজির হওয়াটাও কারো কাছে অর্থহীন হয়ে যেতে পারে।
এতো আয়োজন করে যাওয়ার পর, চাকরির জন্য উপযুক্ত নির্বাচিত হওয়ার পর আপনার প্রস্তাবিত বেতনের অঙ্ক শুনে আপনার গালে আমার ঠাস করে চড় মারতে ইচ্ছেও হতে পারে।
কারণ, আগেই বেতন কত তা উল্লেখ না করে আপনি আমার সময় নষ্ট করেছেন।
সুতরাং "বেতন আলোচনা সাপেক্ষে" —— এই ধাপ্পাবাজি বন্ধ হোক।😡
আপনার কেমন লোক দরকার তা যেমন পই পই করে উল্লেখ করছেন, তেমনি উপযুক্ত কর্মীকে কত বেতন দিবেন, তা স্পষ্ট করে জানিয়ে দিন। আগেভাগেই।😡
আলোচনা সাপেক্ষে এটাই যৌক্তিক। এবং এটাই হওয়া উচিৎ। নিয়োগে যখন কোনো ব্যাক্তি উচ্চ শিক্ষিত হয় কিন্তু ফ্রেশার এমন ব্যাক্তির ক্ষেত্রে কোনো আলোচনা হয়না।আলোচনা হয় অভিজ্ঞ ব্যাক্তিদের ক্ষেত্রে। ধরুন আপনি HR। আপনি একজন সুইং লাইন সুপারভাইজার নিয়োগ দিচ্ছেন। এখানে ৩ পদের লোক আসবে।
ক) অভিজ্ঞতা আছে সেবং যা আছে তাই নিয়েই কাজ করবে।
খ) অভিজ্ঞতা আছে এবং সে এমন কিছু টেকনিক যানে যা ১০ টা মেশিন দ্বারা দ্রুত প্রডাকশন বের করতে পারে।
গ) অভিজ্ঞতা আছে এবং সে কম অপারেটর দিয়ে বেশি মেশিনে কাজও করবে + টাইমলি প্রডাকশনও দেবে

এবার আপনি বলুন, আপনি যদি গ টাইটেরিয়ার মানুষ হন আর আমি যদি সেলারি উল্লেখ করি ২০ হাজার কিন্তু আপনি ৩০ হাজারের যোগ্য তাহলে আপনি কি এপ্লাই করবেন? HR সব সময় যোগ্যতা সম্পন্ন ব্যাক্তির সাথে নেগোসিয়েশনে আসতে চাই। HR যদি দেখে আপনি গ কেটাগরির তাহলে আপনার পজিশনের জন্য যে বাজেট রাখা আছে তারও উপরে উঠতে পারে। তাহলে HR যদি ৩০ লিখেই দিতো আর আপনি সার্কুলার দেখে ভাবলেন - ওহ এতো আমার যোগ্যতা অনুযায়ী সেলারি।এটাতেই জয়েন করি, তাহলে কি এরচেয়ে অধিক দাবি করতে পারবেন? আপনি ত দেখেই এসেছেন, দাবি করবেন কিভাবে!!! ইন্টারভিউ বোর্ডে পারফরম্যান্স এর উপরেও আপনি কনফিডেন্ট হয়ে সেলারি বাজেটের ডাবল চাইতে পারেন। এই কারনে ই নেগোসিয়েশন কথাটি উল্লেখ থাকে৷

কোনো ডিপার্টমেন্ট বা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে জানতে চাইলে সেই ডিপার্ট্মেন্টের কারোর সাথে লম্বা কনভার্সেশানে যান। দেখবেন উত্তর পেয়ে যাবেন কেনো কি জন্য কেমন হয় 🙃

যাইহোক, এত আবেগপ্রবণ হওয়ার কিছুনাই। আপনি যোগ্যতা বিক্রি করতেছেন কোম্পানির কাছে। যোগ্যতা থাকলে নেগোসিয়েশন সবাই ই করে। এবং এটাই নিয়ম। যারা মোটামুটি পারে বা ফ্রেশার তারাই ফিক্সড জানতে চায়
‘যখন অবৈধ উপায়ে সম্পদ অর্জিত হবে। কাউকে বিশ্বাস করে সম্পদ গচ্ছিত রাখলে তা আত্মসাৎ করা হবে। জাকাতকে মনে করা হবে জরিমানা হিসেবে। ধর্মীয় শিক্ষা ছাড়া বিদ্যা অর্জন করা হবে। পুরুষ তার স্ত্রীর বাধ্যগত হয়ে মায়ের সঙ্গে বিরূপ আচরণ করবে। বন্ধুকে কাছে টেনে নিয়ে বাবাকে দূরে সরিয়ে দেবে। মসজিদে শোরগোল (কথাবার্তা) হবে। সবচেয়ে দুর্বল ব্যক্তি সমাজের শাসক হবে। সে সময় তোমরা অপেক্ষা করো—রক্তিম বর্ণের ঝড়ের, ভূকম্পনের, ভূমিধসের, লিঙ্গ পরিবর্তন, পাথর বৃষ্টির এবং সুতো ছেঁড়া (তাসবিহ) দানার ন্যায় একটির পর একটি নিদর্শনগুলোর জন্য।’ (তিরমিজি, ১৪৪৭)
মাস্টারবেশন বা হস্তমৈথুন আসলেই কি এক ধরনের অসুখ ?

মাস্টারবেশন কি পরবর্তীতে বন্ধ্যাত্ব, বিকলাঙ্গ শিশুর জন্মদান, পুরুষত্বহীনতা বা যৌন ক্ষমতা, অকালে বুড়িয়ে যাওয়া ইত্যাদি ঘটাতে পারে ?
.
যদি আপনার আশেপাশের ১০০ জন লোকের মতামত জানতে চাওয়া হয় তাহলে দেখবেন অধিকাংশই মন্তব্যগুলোর সাথে সম্পূর্ণ একমত পোষণ করে থাকেন। যারা নিরব তারাও এর জন্য মাস্টারবেশন কে অংশত দায়ী মনে করে থাকেন। আবার অনেকে মাস্টারবেশন শব্দটার সাথে অতিরিক্ত পরিভাষা জুড়ে দিয়ে উত্তর দিয়ে থাকেন ।
.
অথচ আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে এসব অনুমানের সবটাই ভ্রান্ত আর ভিত্তিহীন । শুধুমাত্র মনে রাখতে হয় অতিরিক্ত সবটাই খারাপ।
.
ইসলাম ধর্মে মাস্টারবেশন বা হস্তমৈথুন হারাম, তাই সকলের উচিত মাস্টারবেশন থেকে বিরত থাকা।
.
🟩এতদিন যারা মাস্টারবেশন করেছেন তারা আজ থেকে দুটি কাজ করবেন
.
★ ১) মাস্টারবেশন ছেড়ে দিবেন ও আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইবেন। আল্লাহ ক্ষমাকারী কে বা তওবাকারীকে ক্ষমা করে দেন। শয়তানের ধোকায় যদি একান্ত করে ফেলেন এর জন্য প্রয়োজনে আবার ক্ষমা চাইবেন ও বিরত থাকার চেষ্টা করবেন।
.
★ ২) মাস্টারবেশনের ফলে আপনার যৌন জীবনের কোনো সমস্যা তৈরি করবে না। এর জন্য আপনার কোন ডাক্তারের কাছে যেতে হবে না। জাস্ট মাথার মধ্যে রাখবেন যে , আধুনিক মেডিকেল সাইন্স এটাকে রোগ বলে না। আপনি মাস্টারবেশন ধর্মীয় কারণে বাদ দিয়ে পুষ্টিকর খাবার খেলে ও টেনশন মুক্ত থাকলে কোন সমস্যা হবেনা।
8👍2
রাস্তায় দেখলাম বড় একটা পোস্টারে লেখা
" আপনি কি বিয়ে করতে ভয় পাচ্ছেন ?"
.
.
ঠিক ধরেছেন আজকে এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব।
তরুণদের মধ্যে এই বিষয়টি দেখা যায় " বিয়ে করতে ভয় পাওয়া" ।

আমার কাছে যে সকল পেশেন্ট আসে , তাদের মধ্যে সেক্সুয়াল প্রবলেমের রোগী বেশি ।

এর মধ্যে অনেক তরুণরা প্রশ্ন করে
- ডাক্তার আমি কি বিয়ে করার পর আমার স্ত্রীকে পরিতৃপ্ত করতে পারব ?
- আমার দ্বারা স্ত্রী সুখী হবে ? ইত্যাদি।
বলা যায় এগুলো বেশিরভাগ তরুণদের কমন প্রশ্ন।
.
আপনাদের একটা অদ্ভুত তথ্য জানাই, আমাদের কাছে যে সকল তরুণরা রোগী হিসেবে আসেন তাদের মধ্যে প্রায় ৯০ শতাংশ তরুণ দের আসলে কোন যৌন সমস্যা নেই। যদিও এরা তাদের যৌন সমস্যা নিয়েই আমাদের কাছে আসে। এরা আসলে সাইকোসেক্সুয়াল ডিসফাংশনে ভোগে ।
.
স্বাভাবিকভাবে দেখা যাবে তার যদি কোন পরীক্ষা করা হয় তাহলে সকল রিপোর্ট ভাল আসবে। তবুও তারা তাদের শারীরিক সমস্যা নিয়ে আমাদের কাছে আসে।

যতদিন ওষুধ খাওয়ানো হয় ততদিন তারা বলে যে আমি এখন ভালই আছি কিন্তু ওষুধ শেষ তো আগের অবস্থা শুরু হয় । তার মানে হচ্ছে এখানে রোগীর আত্মবিশ্বাসের অভাব।

অনেক সময় রোগী সাইকোলজিক্যালি ওষুধের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে।

আপনি যদি একটা ভিটামিন ক্যাপসুল দিয়ে থাকে বলেন এটা বিদেশ থেকে আমদানি করা একটা সেক্সের অনেক পাওয়ারফুল ওষুধ, রাতে খাবারের পর খাবেন খুব ভালো রেজাল্ট আসবে।দেখবেন পরেরদিন তারা এসে আপনাকে ধন্যবাদ জানাবে । হ্যাঁ খুব ভাল ওষুধ ছিল খুব ভালো কাজ করেছে, অথচ সে খেয়েছে কি সিম্পল একটা ভিটামিন ক্যাপসুল।এর অর্থ হচ্ছে, ওষুধের প্রতি নির্ভরশীল হয়ে যাওয়া , এটা মানসিক।

রোগীর কাছে ওষুধ থাকলে সে মনে করে আর টেনশন নাই আমার কাছে এখন ওষুধ আছে , আর ওষুধ না থাকলে তার মধ্যে টেনশন কাজ করে , আজকে ওষুধ নাই আজকে আমি আর পারব না।
.
যাহোক , এই যে বিয়ে করতে ভয় পাওয়া এটা কিন্তু এই ধরনের একটা ভীতি থেকে আসে।

নিজেকে মনে করে অক্ষম, স্ত্রীকে সুখী রাখতে পারব কিনা, পরিতৃপ্ত করতে পারব কিনা এসব প্রশ্ন মাথার মধ্যে সারাদিন ঘুরতে থাকে। কারণ সে রাস্তার পাশে অথবা বন্ধুদের কাছ থেকে জেনেছে বিভিন্ন ধরনের ভুল যৌনশিক্ষা'। স্ত্রীদের যৌন বিষয় নিয়ে তার মধ্যে আছে ভুল জ্ঞান ।যদিও শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করলে এসব রোগীদের কোনো অস্বাভাবিকতা পাওয়া যায় না।
.
দেখবেন অনেকে উপরে উঠতে ভয় পায়, কেউ আছে রাতে ভয় পায়, কেউ আছে কুকুর দেখলে ভয় পায়, কেউ একা রুমে বা কক্ষে থাকতে ভয় পায় এগুলো কিন্তু সব মানসিক সমস্যা , বিয়ে করতে ভয় পাওয়া এমন এক ধরনের ফোবিয়া।

তরুণদের মধ্যে বিয়ে করতে ভয় পাওয়ার প্রধান কারণ হচ্ছে তারা নিজেকে অক্ষম মনে করে। অক্ষম মনে করার কারণ সঠিক যৌন জ্ঞানের অভাব। অর্থাৎ সুস্থ মানুষগুলো শুধুমাত্র সঠিক যৌন শিক্ষার অভাবে নিজেকে অসুস্থ মনে করে।
.
তরুণদের মধ্যে নিজেকে অক্ষম ভাবার জন্য কয়েকটি কারণ আছে , এগুলো হচ্ছে
★ হস্তমৈথুন সম্পর্কে মেডিকেল বিষয়ক তথ্য ভুল জানা ।
★ উত্তেজক কোনো কিছু মনে করলে লিঙ্গের মাথায় লালার মত চলে আসে , এ বিষয়ে ভুল তথ্য জানা।
★ স্বপ্নদোষ সম্পর্কে ভুল তথ্য জানা ।
★ পায়খানার সময় কোথ দিয়ে পায়খানা করলে লিঙ্গ দিয়ে বীর্য এর মত বের হওয়া , এ বিষয়ে ভুল তথ্য জানান।
★ যৌনতা ও যৌনশিক্ষা বিষয়ক ভুল তথ্য জানা।
★ লিংগের আকার আকৃতি সম্পর্কে ভুল তথ্য জানা ।
★ বীর্য সম্পর্কে ভুল তথ্য জানা।
★ পুরুষ ও মহিলাদের যৌন অঙ্গ বিষয়ক ভুল তথ্য এবং যৌনতা বিষয়ক ভুল তথ্য।

এমন প্রচুর ভুল তথ্য সে জানে এবং নিজেকে রোগী মনে করে। কিছু ডাক্তার রোগীদের সঠিক তথ্য না দিয়ে রোগীকে ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইলিং করে ওষুধ বিক্রি করে। বর্তমানে অনলাইনে এমন প্রতারক অনেক।

তাই যৌন সুস্থতার জন্য সঠিক যৌন শিক্ষার বিকল্প নেই।
এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পড়তে পারেন আমার লেখা যৌন শিক্ষা বিষয়ক দুটি বই।

আলো যেমন অন্ধকার কে দূর করে দেয় তেমনি যৌন বিষয়ক জ্ঞান আপনার যৌনতার অজ্ঞতাকে দূর করে দেবে।

যৌন রোগ ও যৌন সমস্যা কেন হয়, প্রতিরোধের উপায়, যৌন সমস্যার ঘরোয়া টিপস , বিয়ের আগে ও বিয়ের পরে পুরুষ ও নারীর করণীয় , যৌনস্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য কি কি খেতে হবে ও কি কি করতে হবে , লিঙ্গের সঠিক সাইজ , স্বপ্নদোষ, উত্তেজনা হলে লিঙ্গের মাথায় পানি আসা, প্রসাবের সাথে কোথ দিলে বীর্যের মত তরল আঠালো পদার্থ বের হওয়া, বীর্যের গুণগত বাড়ানোর উপায় .....

এমন যৌন রিলেটেড অনেকগুলো বিষয় ও প্রশ্নের উত্তর সহ যৌনতার বিস্তারিত জানার জন্য আমার লেখা দুইটি বই পড়তে পারেন।
.
বইয়ের নাম:
১) বয়সন্ধিকালের যৌনশিক্ষা
২) বড়দের যৌন শিক্ষা
.
বই দুইটি সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে সংগ্রহ করতে পারবেন ।

দুটি বইয়ের দাম ২০০ টাকা । অতিরিক্ত কোন কুরিয়ার চার্জ দিতে হবে না ।
.
বই দুটি সংগ্রহ করার জন্য , নিচের নাম্বারে ২০০ টাকা পাঠিয়ে দিন।
👉 বিকাশ পেমেন্ট: 01712 859950
👉 রকেট
18+ প্রশ্ন - উত্তর
.
প্রশ্ন: মাসে ৩/৪ বার বা কম মাস্টারবেশন /হস্তমৈথুন করলেও ক্ষতি হয় কেনো ?
.
উত্তর:
সহজে একটা কথা বলি, আমরা চলি ও আমাদের চালায় আমাদের ব্রেন। আমরা সুস্থ থাকব কি অসুস্থ হব এ বিষয়ে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ব্রেইন নিয়ন্ত্রণ করে। ( সব ক্ষেত্রে না )
.
আমাদের মনকে তিন ভাগে ভাগ করতে পারি
১) চেতন অবস্থা
২) অচেতন অবস্থা
৩) অবচেতন অবস্থা।
.
আপনি আমার এই পোস্ট করছেন তার অর্থ আপনি চেতন অবস্থায় আছেন।
.
আপনি যদি ঘুমিয়ে যান অথবা অজ্ঞান হয়ে যান তাহলে আপনি অচেতন অবস্থায় থাকবেন।
.
এছাড়া মাঝামাঝি একটা অবস্থায় আছে যেটাকে আমরা বলি অবচেতন মন, এই অবচেতন মন আমাদের সকল বিষয় প্রোগ্রাম করে রাখে। ঠিক কম্পিউটারের মত।
.
একটা কম্পিউটারে অপারেটিং সিস্টেম দেওয়া থাকে,তারপর আপনি আপনার ইচ্ছামত যে কোন প্রোগ্রাম কে ইন্সটল করে ব্যবহার করতে পারেন। আপনি যে প্রোগ্রাম ইন্সটল করবেন এগুলো হচ্ছে সফটওয়্যার।
.
সফটওয়্যার যেমন পজিটিভ আছে, নেগেটিভ ও আছে , পজিটিভ সফটওয়্যার হলো যা আমাদের ভালো কাজে লাগে। যেমন এমএস ওয়ার্ড, ফটোশপ ইত্যাদি। আর নেগেটিভ সফটওয়্যার হচ্ছে ভাইরাস। এই ভাইরাস একটা কম্পিউটার কে শেষ করে।যদিও এই ভাইরাসটি ধরা যায়না দেখা যায় না ছোঁয়া যায় না, অথচ এই ভাইরাস দেখা যায় ধরা যায় ছোঁয়া যায় এমন একটা ফিজিক্যাল বস্তু কম্পিউটারের যন্ত্রাংশকে ক্ষতিগ্রস্ত করে ফেলতে পারে।
.
তেমনি কম্পিউটারের মত আমাদের অবচেতন মনে দুইভাবে প্রোগ্রাম হয় তথ্যগুলো।
১) ইতিবাচক প্রোগ্রাম
২) নেতিবাচক প্রোগ্রাম।
.
অর্থাৎ কেউ যদি বলে যে তুমি জীবনে অনেক বড় হবে , বা কোন মোটিভেশনাল কথা শুনে তখন তার মধ্যে উদ্দীপনা শুরু হয় সে উজ্জীবিত হয়। আর যদি একটা মানুষকে একটা নেগেটিভ কথা বলা হয় তখন ঐ মানুষটা ঐ নেগেটিভ কথা দ্বারা প্রভাবিত হয় ।
.
এটা হচ্ছে প্রমাণিত সত্যি কথা।
.
এখন, যে মানুষটা মাস্টারবেশন করে ফেলেছে, করা হয়ে গেছে, অতীত হয়ে গেছে। মানুষটা আর মাস্টারবেশন করতে চাচ্ছেনা ধর্মীয় নিষেধের কারনে।
.
এখন যদি কেউ এই মানুষটার সামনে বলে যে মাস্টারবেশন করলে এই রোগ হবে, ওই রোগ হবে, যৌন অক্ষমতা তৈরি হবে ......... ইত্যাদি ইত্যাদি, তাহলে ওই মানুষটা ভয় পেয়ে যাবে এবং তার অবচেতন মনে একটা নেগেটিভ প্রোগ্রাম তৈরি হবে।
.
কারণ সে তো অলরেডি মাস্টারবেশন করে ফেলছে এবং সে চিন্তা করবে যে সে অনেক বড় ভুল করে ফেলছে। এর ফলে সে অসুস্থ হয়ে যাবে।
.
আর এটা সত্যি হিসেবে যত বেশি সে মনে করবে তত বেশি অসুস্থ হবে। এই অসুস্থতা শারীরিক কারণে না , তার মানসিক নেগেটিভ প্রোগ্রামের কারণে। এর ফলে সত্যি সত্যি মানুষটা অসুস্থ্য হোয়ে যাবে ।
আশা করি বুঝেছেন।
.
( ইসলাম ধর্মে হস্তমৈথুন হারাম ,তাই এই অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে )
1
প্রসাবে জ্বালাপোড়ার জন্য ঘরোয়া চিকিৎসা:

□ উপকরণ:
পেঁপে পাতা এবং কাঁচা পেঁপে

□ পদ্ধতি:
এক কাপ তাজা পাতা টুকরো এবং একটি মাঝারি সাইজের দেশি কাঁচা পেঁপে নিয়ে চার গ্লাস (১ লিটার) পানিতে ১৫ মিনিট সিদ্ধ করুন। সেকে নিয়ে পানি পান করতে হবে।

□ খাওয়ার নিয়ম:

বয়স্কঃ ১ কাপ দিনে ৩ বার খাবে ।
(৭-১২ বৎসর) আধা কাপ, দিনে ৩ বার খাবে ।

□ সতর্কতা:
তিন দিনের মধ্যে উপকারিতা না বুঝলে নিকটস্থ সরকারি হাসপাতালে সরাসরি দেখা করবেন।

Ref: Healing Wonders of Herbs
Author: Herminia de Guzman - Ladion
নিজে তৈরি করুন: প্রফেটিক ফুড :
.
🟩 কি?

সহি হাদিস অনুসারে কালোজিরা ঔষধ হিসেবে কাজ করে । মধু সম্পর্কে পবিত্র কুরআনে আল্লাহর একটা সূরা নাযিল করেছেন । সূরা নাহল। আল্লাহ বলেছেন মধুর মধ্যে শেফা/রোগ মুক্তি রয়েছে ।
.
★ উপকরণ:
১) মধু
২) কালো জিরা বাটা /পেস্ট
.
🟩 উপকার কি:

★ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য
★ ঠান্ডা, কাশি থেকে বেঁচে থাকার জন্য
★ শারীরিক , মানসিক দুর্বলতা দূর করার জন্য
★ সন্তান প্রসব হয়েছে এমন মায়েদের বুকের দুধ বৃদ্ধির জন্য
★ নির্দিষ্ট কিছু রোগ ছাড়া অন্য সকল রোগের ক্ষেত্রে প্রফিটিক মেডিসিন হিসেবে।
★ যারা রুকইয়া করেন , তারা সাপ্লিমেন্ট হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।
.
🟩 তৈরি করার প্রক্রিয়া:
সবগুলো সম পরিমাণে নিয়ে ব্লেন্ডারে দিয়ে জাস্ট একসাথে মিশিয়ে দিন । পেস্টের মত হয়ে যাবে । তৈরিকৃত এই পেস্ট কাচের পাত্রে ফ্রিজের নরমালে রেখে দিবেন। শীতের দিনে বা ঠান্ডা আবহাওয়ায় ফ্রিজে না রেখে বাহিরেও রাখতে পারেন । মধু নিজে একটা প্রিজারভেটিভ হওয়ার কারণে কিছুদিন ভালো থাকবে।
.
🟩 খাবার নিয়ম:
আধা চা চামচ করে সকালে ও রাতে আচারের মত চিবিয়ে খেতে পারেন অথবা এক কাপ গ্রীন টি এর মধ্যে আধা চা চামচ মিশিয়ে সকাল-বিকাল খেতে পারেন। খালি পেটে অথবা ভরাপেট নাই যে কেউ খেতে পারবে। তবে অনেক ক্ষেত্রে খালি পেটে খেলে হাইপার এসিডিটি হতে পারে ।
.
🟩 কারা কারা এটা খেতে পারবেন না:
১) মধু থাকার কারণে যাদের ডায়াবেটিস আছে তারা খাবেন না ।
২) যাদের হাইপার এসিডিটি বা পেটের আলসার আছে তারা খাবেন না ।
৩) গর্ভবতী মায়েরা খাবেন না
৪) বাচ্চাদের ক্ষেত্রে ইউনানী/আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে
৫) যাদের প্রলেক্টিন হরমোনের পরিমাণ বেশি তারা খাবেন না।
.
.
🔴 লেখাটি শেয়ার করুন এর ফলে অন্যরা এই উপকারী তথ্যটি জানতে পারবেন।
👍3
যৌনদুর্বলতা, লিঙ্গের উত্থানজনিত সমস্যা , দ্রুতবীর্যপাত এর জন্য নিচের সকল উপকরণ সমপরিমাণে সংগ্রহ করবেন। এবার সবগুলো ব্লেন্ডারে দিয়ে ব্লেন্ড করে ফেলবেন । এবার এরমধ্যে ততটুকু মধু দেবেন যতটুকু মধু দিলে থকথকে সেমিসলিড বা আচারের মতো তৈরি হয়।

এবার এই পুষ্টিকর সাপ্লিমেন্ট প্রতিদিন রাতে এক চা চামচ করে ভাত খাওয়ার পর খাবেন। দুই মাস ।

সবচেয়ে ভালো নিজে তৈরি করতে পারলে। নিজে যদি তৈরি করতে না পারেন তাহলে আমাদের 01712859950 অথবা 01972859950 মোবাইল নাম্বারে ফোন দিয়ে সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে সংগ্রহ করতে পারবেন।

উপাদান :
Almond/ কাগজী বাদামের শাঁস
আখরোটের শাঁস
Hazel Nut-এর শাঁস
পেস্তার শাঁস
তাজা নারকেল
Baloon Vine seeds
পোস্তদানা
খোসা ছাড়ানো তিল
লাল বামন
সাদা বামন
শুঁঠ
পিপুল
আকরকরা
কাবাবচীনী
পেঁয়াজ-বীজ
শালগম-বীজ
আলকুশী-বীজ (শোধন করা)
গাজর-বীজ
দারচিনি
যত্রিক
.
🟩 যারা নিজেরা তৈরি করতে পারবেন না, তারা চাইলে আমাদের কাছ থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন , ১ মাস খাওয়ার উপযোগী সাপ্লিমেন্ট এর দাম কুরিয়ার সার্ভিসের খরচ সহ ১১৭০ টাকা

অর্ডার করার জন্য:
01972859950 নাম্বারে সকাল ১০ টা থেকে রাত ৯ টার মধ্যে ফোন দিয়ে আমার সহকারীর কাছ থেকে সকল তথ্য জেনে নিতে পারবেন এবং আমাদের কাছ থেকে সুন্দরবন কুরিয়ারের মাধ্যমে সংগ্রহ করতে পারবেন।
.
নিচের নাম্বার ছাড়া অন্য কোন নাম্বারে আমাদের সাথে আর্থিক লেনদেন করবেন না ।
.
★ বিকাশ পেমেন্ট: 01712 859950
★ রকেট সেন্ড মানি: 01712 859950 3
★ নগদ সেন্ড মানি : 01712 859950
★ বিকাশ সেন্ড মানি: 01972 859950
.
টাকা পাঠানোর পূর্বে ও পরে অবশ্যই মোবাইল নাম্বারে ফোন করে নিবেন ।
.
.
🟩 কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা:
★ বাদাম ও নারকেল থাকার কারণে কারো হজমে সমস্যা বা আই বি এস অথবা গ্যাসের সমস্যা থাকলে সমস্যা বেড়ে যেতে পারে। তাই আগেই হজমের অথবা আইবিএস অথবা গ্যাসের চিকিৎসা করে তারপর এগুলো খাওয়া যাবে।

★ আলকুশি থাকার কারণে উচ্চ রক্তচাপ থাকলে কারো কারো এই সমস্যাও বেড়ে যেতে পারে। তাই তাদের খাওয়া যাবেনা।

★ মধু থাকার কারণে রক্তে সুগারের পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে তাই ডায়াবেটিস রোগীরা খেতে পারবে না ।
.
🔴 যারা মনে করতেছেন এটা খাবেন আর বিশাল শক্তিশালী, বাঘ ভাল্লুক হয়ে যাবেন, খাবেন আর সাথে সাথে অনেকক্ষণ ইন্টারকোর্স করবেন , তারা দূরে থাকেন। এগুলো কোন কেমিক্যাল না অথবা ওয়ান টাইম না, পুরোটা ন্যাচারাল। তাই রেজাল্টও আসবে খুব আস্তে আস্তে।
ছোট্ট একটি দুআ, কিন্তু সারাদিনের জন্য যথেষ্ট!

بِسْمِ اللَّهِ تَوَكَّلْتُ عَلَى اللَّهِ لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ
অর্থ: আল্লাহর নামে (বের হচ্ছি), আল্লাহর ওপরই আমি নির্ভর করলাম, আল্লাহর সাহায্য ছাড়া (গুনাহ থেকে) বিরত থাকা ও মঙ্গল লাভ করার শক্তি কারো নেই।

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, 'কেউ যখন এই দুআ পড়ে ঘর থেকে বের হয়, তখন ফেরেশতাদের পক্ষ থেকে বলা হয়: “তুমি হেদায়াত পেয়ে গেছ, রক্ষা পেয়ে গেছ এবং নিরাপত্তা লাভ করেছ।”

শয়তান তখন তার কাছ থেকে সরে যায়। আর বলে, ‘এমন ব্যক্তিকে কীই-বা করবে যে হিদায়াত পেয়ে গেছে, রক্ষা করা হয়েছে এবং নিরাপত্তা লাভ করেছে!’
.
[ সুনান আবূ দাউদ ৫০৯৫, তিরমিযী ৩৪২৬ ]

ছবি ডিজাইন: Muslim Inspiration Official 2.0

যুক্ত হোন ‘মুসলিম ইন্সপিরেশন অফিশিয়াল’ কমিউনিটির সাথে। সমস্ত লিংক কমেন্ট সেকশনে..
1
আসসালামু আলাইকুম।
সরকার টেলিকম থেকে বলছি।
আপনার কি লেখাপড়া বন্ধ?
লেখাপড়ার কারণে চাকরীতে প্রমোশন হচ্ছে না?
বিয়ের পর পড়াশোনা করতে চাচ্ছেন?
বাবা-মা মারা যাওয়ায় পড়াশোনা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল?
তাহলে আপনি চাইলে শুধু শুক্রবার ক্লাস করে নিজ
জেলায় লেখাপড়া আবার শুরু করতে পারেন।
প্রতিষ্ঠান: Bangladesh Open University.
কোর্স: এসএসসি, এইচএসসি, ডিগ্রি, অনার্স, এমবিএ, বিবিএ, এলএলবি, এলএলএম, মাস্টার্স (প্রিলি, ফাইনাল), সিএড, বিএড, বিএমএড, সিএসই ইত্যাদি.!!

Help line: 📞 📠 0161 999 3851
সরকার টেলিকম এন্ড কম্পিউটার
Email: sarkartelecom1971@gmail.com
WhataApp Open in 24 Hours
সাথে আছি: Md Sojol Sarkar
👍3
বাবা-মায়েদের সহবাসে সচেতনতা! (সতর্কতামূলক পোস্ট)

শারিরিক মিলন একটি প্রাকৃতিক চাহিদা। বর্তমান সময়ে ১০ বছরের ছেলে মেয়েদের শারিরিক পরিবর্তন হয়ে যায়।তখন থেকেই তাড়া শারারিক মিলন সম্পকে একটু একটু জানতে পারে এবং উত্তেজনা ফিল করে।

বর্তমান সময়ে এক জরিপে দেখা যায় যে, ৯০% ছেলে মেয়ের প্রথম যৌন অনুভুতি তৈরি হয় তাদের পরিবার থেকে। বাবা মা যখন সহবাস করেন তখন প্রাপ্ত বয়স্ক ছেলে মেয়েরা বুঝতে পারেন।

সহবাসের সময় তৃপ্তি জনিত আওয়াজ এবং বাবা মার অসাবধানতার কারনে ছেলে মেয়েরা বুঝে যায় বাবা মা সহবাস করছেন।

তাই বাবা মাকে অবশ্যই সচেতন হতে হবে, ৭ বছরের উপরের ছেলে মেয়েদের আলাদা রুম দিতে হবে।

বাবা মার রুম গুলো একটু দূরে নিতে হবে যাতে তারা অনাকাঙ্ক্ষিত কোন কিছু বুঝতে না পারে ।

সহবাসের সময় বেছে নিতে হবে ছেলে মেয়েদের ঘুমানোর

পরে।

প্রত্যেক মায়ের উচিত ছেলের সামনে পোশাকে সংযত থাকা পর্দা করা।

বড় ছেলে মেয়েদের সামনে ছোট বাচ্চাদের স্তন দান না করা।

মায়ের কাপড় ( পেটিকোট,ব্রা,পেন্টি,পাজামা) নির্দিষ্ট স্থানে রাখা, যাতে ছেলের নজরে না আসে।

ভালো না লাগলে ইগনোর করুন,, বাজে মন্তব্য করবেন না প্লিজ এটি একটি সচেতনতা মূলক পোস্ট।🙏
©️
@followers
👍4
বাংলাদেশের ট্রেন সিট প্রকারভেদ, ধরণ ও মান
বাংলাদেশ সব ট্রেনেই কয়েক ধরণের সিট বা কোচ ক্লাস থাকে। টিকেট কেনার সময় বিশেষ করে অনলাইনে টিকেট কেনার সময় সেখানে সিট ক্লাস পছন্দ করতে গিয়ে অনেকেই বুঝতে পারেন না কোন সিট কেমন ধরণের হয় বা ঐ সিটের বিশেষ কি সুবিধা আছে। আবার অনেকেই হয়তো জানেন না সিট ক্লাস কোডের পূর্ণ রূপ কি বা সেই সিট কেমন বা কি সুবিধা অসুবিধা আছে। তাদের জন্যে আমাদের এই আর্টিকেল। এখানে বাংলাদেশের বিভিন্ন ট্রেনে যে ধরণের সিট বা কোচ ক্লাস টাইপ থাকে তার বিস্তারিত নিচে তুলে ধরা হলো।📕📕

★SHOVAN : পুরো নাম শোভন (Shovan)। নন এসি শোভন ক্লাসের চেয়ার সিট। দেশের সকল মেইল ট্রেন ও কিছু আন্তঃনগর ট্রেনে শোভন সিট থাকে। ট্রেনের সবচেয়ে কম খরচের সিট এবং আরামদায়ক নয় এই সিট।

★S_CHAIR : পুরো নাম শোভন চেয়ার (Shovan Chair)। নন এসি এই সেকেন্ড ক্লাস শোভন চেয়ার সিট প্রায় সব আন্তঃনগর ট্রেনে থাকে। শোভন চেয়ারের ভাড়া শোভন এর চেয়ে বেশী। সিট মোটামুটি আরামদায়ক। শোভন চেয়ার, শোভন এর চেয়ে ভালো সিটের হয়ে থাকে।

★SNIGDHA : পুরো নাম স্নিগ্ধা (Snigdha)। এসি চেয়ার (AC Chair) হিসেবেও পরিচিত। এসি কোচের চেয়ার সিট। দেশের সব আন্তঃনগর ট্রেনে না থাকলেও বেশিরভাগ জনপ্রিয় গন্তব্যের ট্রেনে স্নিগ্ধা কোচ থাকে। সীট শোভন চেয়ারের চেয়ে আরামদায়ক। পুরো কোচ এসি থাকায় ভ্রমণও আরামদায়ক।

আরও পড়ুন : মোবাইলে ট্রেনের টিকেট

★F_CHAIR : পুরো নাম ফার্স্ট ক্লাস চেয়ার (First Class Chair)। নন এসি চেয়ার। শোভন চেয়ার (F_CHAIR) এর চেয়ে আরামদায়ক সিট। সব আন্তঃনগর ট্রেনে এই টাইপ থাকেনা।

★F_BERTH : পুরো নাম ফার্স্ট ক্লাস বার্থ (First Class Berth)। নন এসি কেবিন সিট। রাতের ট্রেনে এই ক্লাস পাওয়া যায়। এখানে ঘুমানোর সুযোগ রয়েছে। দিনের বেলায় এই কোচ ক্লাস F_SEAT ফার্স্ট ক্লাস সিট হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

★F_SEAT : পুরো নাম ফার্স্ট ক্লাস সিট (First Class Seat)। দিনের ট্রেনে নন এসি কেবিন গুলো এই সিট হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এখানে ঘুমানোর সুযোগ নেই, বসে যেতে হবে। মূলত F_BERTH কেবিন গুলোই দিনের বেলা F_SEAT সিট হিসেবে ব্যবহার হয়।

★AC_B : পুরো নাম এসি বার্থ (AC Berth)। এয়ার কন্ডিশনড কেবিন। শুধু রাতের ট্রেনে এই ক্লাস পাওয়া যায়। ২ অথবা ৪ সিটের কেবিন হয়ে থাকে। বাংলাদেশের দূরপাল্লার আন্তঃনগর রাতের ট্রেনে এই কেবিন থাকে। বাংলাদেশের ট্রেন গুলোর মধ্যে সবচেয়ে আরামদায়ক ও বেশী খরচের সিট।

★AC_S : পুরো নাম এসি সিট (AC Seat)। এয়ার কন্ডিশনড সিট। মূলত এসি বার্থ (AC_B) কেবিন গুলো দিনের বেলার যাত্রার সময় এসি সিট হিসেবে ব্যবহার করা হয়।বাংলাদেশের ট্রেন সিট প্রকারভেদ, ধরণ ও মান
বাংলাদেশ সব ট্রেনেই কয়েক ধরণের সিট বা কোচ ক্লাস থাকে। টিকেট কেনার সময় বিশেষ করে অনলাইনে টিকেট কেনার সময় সেখানে সিট ক্লাস পছন্দ করতে গিয়ে অনেকেই বুঝতে পারেন না কোন সিট কেমন ধরণের হয় বা ঐ সিটের বিশেষ কি সুবিধা আছে। আবার অনেকেই হয়তো জানেন না সিট ক্লাস কোডের পূর্ণ রূপ কি বা সেই সিট কেমন বা কি সুবিধা অসুবিধা আছে। তাদের জন্যে আমাদের এই আর্টিকেল। এখানে বাংলাদেশের বিভিন্ন ট্রেনে যে ধরণের সিট বা কোচ ক্লাস টাইপ থাকে তার বিস্তারিত নিচে তুলে ধরা হলো।

★SHOVAN : পুরো নাম শোভন (Shovan)। নন এসি শোভন ক্লাসের চেয়ার সিট। দেশের সকল মেইল ট্রেন ও কিছু আন্তঃনগর ট্রেনে শোভন সিট থাকে। ট্রেনের সবচেয়ে কম খরচের সিট এবং আরামদায়ক নয় এই সিট।

★S_CHAIR : পুরো নাম শোভন চেয়ার (Shovan Chair)। নন এসি এই সেকেন্ড ক্লাস শোভন চেয়ার সিট প্রায় সব আন্তঃনগর ট্রেনে থাকে। শোভন চেয়ারের ভাড়া শোভন এর চেয়ে বেশী। সিট মোটামুটি আরামদায়ক। শোভন চেয়ার, শোভন এর চেয়ে ভালো সিটের হয়ে থাকে।

★SNIGDHA : পুরো নাম স্নিগ্ধা (Snigdha)। এসি চেয়ার (AC Chair) হিসেবেও পরিচিত। এসি কোচের চেয়ার সিট। দেশের সব আন্তঃনগর ট্রেনে না থাকলেও বেশিরভাগ জনপ্রিয় গন্তব্যের ট্রেনে স্নিগ্ধা কোচ থাকে। সীট শোভন চেয়ারের চেয়ে আরামদায়ক। পুরো কোচ এসি থাকায় ভ্রমণও আরামদায়ক।

আরও পড়ুন : মোবাইলে ট্রেনের টিকেট

★F_CHAIR : পুরো নাম ফার্স্ট ক্লাস চেয়ার (First Class Chair)। নন এসি চেয়ার। শোভন চেয়ার (F_CHAIR) এর চেয়ে আরামদায়ক সিট। সব আন্তঃনগর ট্রেনে এই টাইপ থাকেনা।

★F_BERTH : পুরো নাম ফার্স্ট ক্লাস বার্থ (First Class Berth)। নন এসি কেবিন সিট। রাতের ট্রেনে এই ক্লাস পাওয়া যায়। এখানে ঘুমানোর সুযোগ রয়েছে। দিনের বেলায় এই কোচ ক্লাস F_SEAT ফার্স্ট ক্লাস সিট হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

★F_SEAT : পুরো নাম ফার্স্ট ক্লাস সিট (First Class Seat)। দিনের ট্রেনে নন এসি কেবিন গুলো এই সিট হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এখানে ঘুমানোর সুযোগ নেই, বসে যেতে হবে। মূলত F_BERTH কেবিন গুলোই দিনের বেলা F_SEAT সিট হিসেবে ব্যবহার হয়।

★AC_B : পুরো নাম এসি বার্থ (AC Berth)। এয়ার কন্ডিশনড কেবিন। শুধু রাতের ট্রেনে এই ক্লাস পাওয়া যায়। ২ অথবা ৪ সিটের কেবিন হয়ে থাকে। বাংলাদেশের দূরপাল্লার আন্তঃনগর
👍1
উ_স-মা_নি খি-লা_ফ-ত_কা-লে প্রত্যেক বাড়ির দরজায় দুটো কড়া থাকতো। একটি ছোটো, একটি বড়ো।

কোনো নারী দরজায় কড়া নাড়লে ছোটো কড়াটি নাড়তো। এতে আস্তে শব্দ হতো। ভেতরের লোকজন বুঝতে পারতো একজন নারী এসেছে। পরিবারের পুরুষ সদস্য তখন অন্য রুমে চলে যেতো। একজন নারী গিয়ে দরজা খুলে অন্য নারীকে স্বাগত জানাতো।

কোনো পুরুষ আসলে বড়ো কড়াতে নাড়তো। ভেতরের লোকজন বুঝতো একজন পুরুষ আসছে। বাড়ির নারী সদস্যরা অন্য রুমে চলে যেতো৷ একজন পুরুষ গিয়ে দরজা খুলতো।

চিন্তা করা যায়, সেই যুগে একটা বাড়িতে প্রাইভেসির কথা কীভাবে ভাবা হতো!
মেয়েদের কিছু রোগ

১) এন্ড্রমেট্রোসিস 🌼

মেয়েদের জরায়ুর প্রাচীরে এন্ড্রমেট্রিয়াল নামক কোষ থাকে পিরিয়ডের সময় এই কোষ ভেঙে ব্লিডিং হয় কিন্তু কিছু কারণে মেয়েদের এই এন্ড্রোমেটেরিয়াল কোষ জরায়ুর প্রাচীর ছাড়াও অন্যান্য জায়গাতে হতে পারে যার ফলে মাসিকের সময় অনেক রক্তপাত হয়, অনেক ব্যথা হয়।

এই সমস্যা অনেক মেয়েই ধরতে পারে না। তাই অস্বাভাবিক পিরিয়ডের ব্যথা এবং ব্লিডিং দেখা দিলে একজন গাইনী বিশেষকের পরামর্শ নেয়া উচিত।

চিকিৎসা:
Oral contraceptive pill
Progestin
GnRH agonist
Aromatase inhibitor
এসব ক্লাসের ওষুধ ব্যবহার হয়

২) মেনোরেজিয়া বা অতিরিক্ত রক্তপাত ঘটা 🌼

কেউ মেনোরেজিয়ায় (menorrhagia) তে আক্রান্ত কি না, তা জানার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো, পিরিয়ডের সময় প্যাড বা স্যানিটারি ন্যাপকিনটি কতবার পরিবর্তন করতে হয় তা নোট করা।

যদি প্রতি এক বা দুই ঘণ্টায় একাধিকবার প্যাড পরিবর্তনের প্রয়োজন হয় বা পিরিয়ড ১ সপ্তাহের চেয়ে বেশি সময় ধরে থাকে, তবে হয়তো সে মেনোরিয়াজিয়া তে ভুগছে।

এর ফলে মেয়েদের আয়রনের অভাব হতে পারে, ডিপ্রেশন আসতে পারে। Endometrosis, PCOS বা জরায়ুতে টিউমারের কারণে অতিরিক্ত ব্লিডিং হতে পারে।

চিকিৎসা:
ব্যথানাশক NSAIDs,
Combined oral contraceptive pill,
Hormonally based therapy,
Tranexamic acid ব্যবহার হয়

৩) ডিসমেনোরিয়া 🌼

প্রাইমারি ডিসমেনোরিয়া ২৫ বছরের আগে হয়। এটা মাসিক শুরুর সঙ্গে সঙ্গে ব্যথা হয় যা প্রায় ২৪ ঘণ্টা থাকে। ব্যথার তীব্রতা এতই থাকে যে ব্যথার কারণে বমি চলে আসে, ঘেমেনেয়ে একাকার হয়ে যায়।
এসময় মেয়েদের Prostaglandin secretion বেড়ে যায়, জরায়ু সংকুচিত হয়, সেখানে রক্তপ্রবাহ কমে যায় এবং প্রচন্ড ব্যথা হয়।

আর সেকেন্ডারি ডিসমেনোরিয়া হয় জরায়ুর টিউমার, এন্ডোমেট্রোসিসের কারণে।

চিকিৎসা:
প্রাইমারি: Aerobic exercise,
হিট থেরাপি, ওমেগা 3 ফ্যাটি এসডি

NSAIDs- Mefenamic Acid
Hormonal Contraceptive

৪) PMS, PMDD 🌼
মাসিকের সময় মেয়েদের যে হরমোনাল পরিবর্তন আসে তারজন্য মুড চেন্ঞ্জ হয়, অভার সেনসেটিভ লাগে, ডিপ্রেশন, ক্লান্তি এসব এসে ভর করে।

PMDD এর ক্ষেত্রে লক্ষ্মণটা বেশি থাকে। বার বার রেগে যাওয়া, Out of control, anhedonia মানে কোনো কিছুই তাকে খুশি করতে পারে না।

চিকিৎসা:
লাইফ স্টাইলে পরিবর্তন - ভালো ঘুম, এক্সারসাইজ
সোডিয়াম আছে এমন খাবার খাওয়া কমিয়ে দিতে হবে।
ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট খেতে হবে
ব্যথানাশক ওষুধ, এন্টিডিপ্রেসেন্ট এসব ব্যবহার হয়

✍️
Mohammad Hirok
B.Pharm (Professional)
Clear Concept
1
প্রেমের প্রথমে ছেলেরা প্রচুর পাত্তা দেয় আর পরে দেয় না ধরনের একটা অভিযোগ মেয়েদের আছে। আসলে মেয়ে পটানির আগে ছেলের ফাংশন ওটাই, তাই ছেলে এনার্জি আপনার দিকে দেবে। যখন মেয়েরা পটে যাবেন তখন আরো গুরুত্বপূর্ণ ধাপ মেয়েদের জন্য আছে। তখন দেখবেন ছেলে আপনি বাদে বাকি দুনিয়ার দিকে এনার্জি দিচ্ছে, সম্ভবত আগের চেয়েও অ্যাগ্রেসিভলি। কারণ এ কয়দিন আপনাকে পটাতে গিয়ে সে ক্লাসে পরীক্ষায় অফিসে পিছায় গেছে। এখন আপনার, মানে মেয়ের কাজ হল অল্প মনোযোগ নিয়ে বয়ফ্রেন্ডকে বাইরের দুনিয়ায় যুদ্ধে হেল্প করা। তার হেলমেট ঠিক করে দেয়া। তার আর্মোর পরায়ে দেয়া। তার বন্দুকে গুলি ভরে দেয়া। এফোর্ট এবার আপনার দেয়ার পালা যেহেতু পয়লা কয়মাস ছেলেই দিছে।

এই রিয়েল লাইফ যুদ্ধটা সেরে ছেলে যখন ব্যালেন্সে আসবে, তখন দুইজনই ফিফটি ফিফটি এফোর্ট দেবে। কিন্তু এই থার্ড ফেজে আর বেশিরভাগ রিলেশনশিপ যায় না। সেকেন্ড ফেজ অর্থাৎ যেখানে মেয়ে পটে যাওয়ার পর ছেলে আর পাত্তা দেয় নাই বলে মনে হইছে, সেখানে সব এমন ব্যাড়াছ্যাড়া হয়ে যায় যে পরের দশ বছরের সংসার হয় তিক্ত।

তাদেরটাই সুন্দর থাকে যারা পাত্তার হিসাব না করে থার্ড ফেজ পর্যন্ত নিরাপদে এসেছে।

© musa mannan
8🤣2