এই ব্লুপ্রিন্টে আমরা ৬টা ধাপে একটা হাই সেলিং ডিজিটাল প্রোডাক্ট বিক্রি করে ক্যাশ জেনারেট করবো —
প্রথম ধাপঃ মোবাইল কিংবা কম্পিউটার - যেকোনো ডিভাইস দিয়ে ক্যানভা টেম্পলেট তৈরি করুন!
ভালো সেল হয়, এমন ৫ ধরনের ক্যানভা টেমপ্লেট হচ্ছেঃ
Wall Calendar template
Graph template
Magazine template
Planner template
Social Media Video template
এই ৫ ধরনের টেমপ্লেট থেকে যেকোনো ১টা তৈরি করা শিখুন! মোবাইল দিয়েও পুরো কাজটা করা যায়!
ধরে নিলাম, আপনি ম্যাগাজিন টেম্পলেট তৈরি করতে জানেন!
একসাথে ৩০টা হাই কোয়ালিটি ম্যাগাজিন টেম্পলেট তৈরি করুন! সেগুলোকে একটা ফাইল করুন! জিপ করুন! তারপর গুগল ড্রাইভে আপলোড করুন!
Congratulations!
সেল করার জন্য - আপনার প্রোডাক্ট তৈরি 🏆
দ্বিতীয় ধাপঃ প্রফেশনাল এবং অপ্টিমাইজড ইন্সটাগ্রাম বিজনেস প্রোফাইল করুন!
ঠিকভাবে অপ্টিমাইজড না হলে কিন্তু ক্রেতা হারানোর চান্স অন্তত ৫% থেকেই যাবে 🌏
তৃতীয় ধাপঃ ক্যানভা দিয়েই, আপনার ইন্সটাগ্রাম বিজনেস পেইজের জন্য একসাথে ৫০টা হাই কোয়ালিটি গ্রাফিক্যাল কন্টেন্ট তৈরি করুন!
নিজে তৈরি করতে না চাইলে বিভিন্ন কন্টেন্ট অ্যাজেন্সি থেকেও অল্প দামে কিনে নিতে পারেন 🖼️
চতুর্থ ধাপঃ প্রত্যেকটা গ্র্যাফিক্যাল কন্টেন্টকে এসইও অপ্টিমাইজ করে ইন্সটাগ্রাম বিজনেস প্রোফাইলে পোস্ট করুন!
একসাথে নয়, প্রত্যেকদিন ২/৩ টা পোস্ট করুন! একটা দিনও কন্টেন্ট আপলোড - মিস করা যাবে না! এটাকে কনসিসটেন্সি বলে!
প্রত্যেকটা সোশ্যাল মিডিয়া অ্যালগরিদম এই কনসিসটেন্সিকে প্রেফার করে! আপনি যদি কনসিসটেন্ট থাকতে পারেন, আপনার কন্টেন্ট রিচ করবেই! আজকে হোক বা কালকে 💹
পঞ্চম ধাপঃ ৫০টা কন্টেন্ট পোস্ট করা হয়ে গেলে আপনার প্রোডাক্টের গ্র্যাফিক্যাল সেলস কপি তৈরি করুন!
প্রোডাক্ট রিলেটেড ২ টা হাই কোয়ালিট সেলস কপি লিখে মাত্র ১০০০ টাকার দুটো অ্যাড রান করুন!
একটা অ্যাডের সফলতা কিন্তু নির্ভর করে দুটো জিনিসের উপর; অ্যাডকপি এবং অডিয়েন্স টার্গেটিং!
অ্যাড কপিটা ঠিকঠাক লিখে ফেলতে পারলেই, মাসিক ১০ ডলার বাজেটের দুটো অ্যাড থেকে আপনি অন্তত ১০টা কাস্টোমার পেয়ে যাবেন! ৩০টা ম্যাগাজিন টেমপ্লেটস বান্ডেল যদি ৩০০ টাকাতেও বিক্রি করেন, তারপরেও আপনার অন্তত তিনগুণ প্রফিট থাকছে 💯
এবার শেষ ধাপে, সেই প্রফিট থেকে অর্ধেকটা দিয়ে আবারো অ্যাড রান করুন! এই প্রসেসটা রিপিট করতে থাকুন, ক্লায়েন্ট পেতে থাকবেন! প্রফিটও করতে থাকবেন 💸
মনে রাখবেন, লং টাইমে প্রফিট বাড়াতে চাইলে - অ্যাঙ্গেজমেন্ট অ্যাড রান করুন! কনভার্সেশন বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দিন!
আর শর্ট টাইমে প্রফিট বাড়াতে চাইলে, সেলস কপি লিখে সেলস অ্যাড রান করুন, অ্যাঙ্গেজমেণ্টের দিকে মনোযোগ না দিয়ে!
💰💰💰
ডিজিটাল প্রোডাক্ট তৈরির শর্টকাট টেকনিক শিখুন! মাত্র দুই দিন ঠিকভাবে সময় দিয়ে ৫টা ডিজিটাল প্রোডাক্ট তৈরি করা যায়!
কোনো খরচ ছাড়াই কিন্তু ডিজিটাল প্রোডাক্ট তৈরি করা সম্ভব, যদি আপনি শিখে ফেলতে পারেন!
এই হিসেব কিন্তু, একেবারেই মিনিমাম!
রিপোস্ট ♻️
প্রথম ধাপঃ মোবাইল কিংবা কম্পিউটার - যেকোনো ডিভাইস দিয়ে ক্যানভা টেম্পলেট তৈরি করুন!
ভালো সেল হয়, এমন ৫ ধরনের ক্যানভা টেমপ্লেট হচ্ছেঃ
Wall Calendar template
Graph template
Magazine template
Planner template
Social Media Video template
এই ৫ ধরনের টেমপ্লেট থেকে যেকোনো ১টা তৈরি করা শিখুন! মোবাইল দিয়েও পুরো কাজটা করা যায়!
ধরে নিলাম, আপনি ম্যাগাজিন টেম্পলেট তৈরি করতে জানেন!
একসাথে ৩০টা হাই কোয়ালিটি ম্যাগাজিন টেম্পলেট তৈরি করুন! সেগুলোকে একটা ফাইল করুন! জিপ করুন! তারপর গুগল ড্রাইভে আপলোড করুন!
Congratulations!
সেল করার জন্য - আপনার প্রোডাক্ট তৈরি 🏆
দ্বিতীয় ধাপঃ প্রফেশনাল এবং অপ্টিমাইজড ইন্সটাগ্রাম বিজনেস প্রোফাইল করুন!
ঠিকভাবে অপ্টিমাইজড না হলে কিন্তু ক্রেতা হারানোর চান্স অন্তত ৫% থেকেই যাবে 🌏
তৃতীয় ধাপঃ ক্যানভা দিয়েই, আপনার ইন্সটাগ্রাম বিজনেস পেইজের জন্য একসাথে ৫০টা হাই কোয়ালিটি গ্রাফিক্যাল কন্টেন্ট তৈরি করুন!
নিজে তৈরি করতে না চাইলে বিভিন্ন কন্টেন্ট অ্যাজেন্সি থেকেও অল্প দামে কিনে নিতে পারেন 🖼️
চতুর্থ ধাপঃ প্রত্যেকটা গ্র্যাফিক্যাল কন্টেন্টকে এসইও অপ্টিমাইজ করে ইন্সটাগ্রাম বিজনেস প্রোফাইলে পোস্ট করুন!
একসাথে নয়, প্রত্যেকদিন ২/৩ টা পোস্ট করুন! একটা দিনও কন্টেন্ট আপলোড - মিস করা যাবে না! এটাকে কনসিসটেন্সি বলে!
প্রত্যেকটা সোশ্যাল মিডিয়া অ্যালগরিদম এই কনসিসটেন্সিকে প্রেফার করে! আপনি যদি কনসিসটেন্ট থাকতে পারেন, আপনার কন্টেন্ট রিচ করবেই! আজকে হোক বা কালকে 💹
পঞ্চম ধাপঃ ৫০টা কন্টেন্ট পোস্ট করা হয়ে গেলে আপনার প্রোডাক্টের গ্র্যাফিক্যাল সেলস কপি তৈরি করুন!
প্রোডাক্ট রিলেটেড ২ টা হাই কোয়ালিট সেলস কপি লিখে মাত্র ১০০০ টাকার দুটো অ্যাড রান করুন!
একটা অ্যাডের সফলতা কিন্তু নির্ভর করে দুটো জিনিসের উপর; অ্যাডকপি এবং অডিয়েন্স টার্গেটিং!
অ্যাড কপিটা ঠিকঠাক লিখে ফেলতে পারলেই, মাসিক ১০ ডলার বাজেটের দুটো অ্যাড থেকে আপনি অন্তত ১০টা কাস্টোমার পেয়ে যাবেন! ৩০টা ম্যাগাজিন টেমপ্লেটস বান্ডেল যদি ৩০০ টাকাতেও বিক্রি করেন, তারপরেও আপনার অন্তত তিনগুণ প্রফিট থাকছে 💯
এবার শেষ ধাপে, সেই প্রফিট থেকে অর্ধেকটা দিয়ে আবারো অ্যাড রান করুন! এই প্রসেসটা রিপিট করতে থাকুন, ক্লায়েন্ট পেতে থাকবেন! প্রফিটও করতে থাকবেন 💸
মনে রাখবেন, লং টাইমে প্রফিট বাড়াতে চাইলে - অ্যাঙ্গেজমেন্ট অ্যাড রান করুন! কনভার্সেশন বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দিন!
আর শর্ট টাইমে প্রফিট বাড়াতে চাইলে, সেলস কপি লিখে সেলস অ্যাড রান করুন, অ্যাঙ্গেজমেণ্টের দিকে মনোযোগ না দিয়ে!
💰💰💰
ডিজিটাল প্রোডাক্ট তৈরির শর্টকাট টেকনিক শিখুন! মাত্র দুই দিন ঠিকভাবে সময় দিয়ে ৫টা ডিজিটাল প্রোডাক্ট তৈরি করা যায়!
কোনো খরচ ছাড়াই কিন্তু ডিজিটাল প্রোডাক্ট তৈরি করা সম্ভব, যদি আপনি শিখে ফেলতে পারেন!
এই হিসেব কিন্তু, একেবারেই মিনিমাম!
রিপোস্ট ♻️
❤1👍1
⭕ চিকিৎসকরা অপারেশনে কেন সবুজ পোশাক পরেন⁉️
☞অপারেশনের সময় আমরা দেখে থাকি চিকিৎসকরা সবুজ পোশাক পড়ে থাকেন। অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে, এত রং থাকতে কেন সবুজ রঙের পোশাক পরেন চিকিৎসকরা।
সাদা পোশাকের উপর সবুজ রঙের অ্যাপ্রন। সাথে গলায় স্টেথোস্কোপ, মাথায় মেডিক্যাল ক্যাপ, নাক-মুখ ঢাকা মাস্কে, হাতে গ্লাভস।
☞বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই অপারেশন থিয়েটারের ভিতর চিকিৎসকরা সবুজ পোশাকের ব্যবহার করেন। মাথার টুপি, মাস্কের রংও সবুজ হয়। ওটি-র দেওয়াল, রোগীর শয্যায় ব্যবহৃত চাদর সবই সবুজ রঙের।
অনেকে ভেবে থাকেন সবুজ রং চোখের জন্য উপকারী। তবে কেবল চোখের আরামের জন্যই নয়, এই রং বাছাই এর নেপথ্যে রয়েছে আরও কিছু বৈজ্ঞানিক কারণ।
☞বিশেষজ্ঞদের মতে, অপারেশন থিয়েটার মানেই সারাক্ষণ রক্ত নিয়ে কাজ। এক একটি অপারেশনের সময়সীমাও কম নয়। এতক্ষণ একটানা লাল রক্ত দেখতে দেখতে চিকিৎসক-নার্সদের চোখ ধাঁধিয়ে যায়, সব জায়গাতেই লালচে দাগ দেখেন।
লাল রংয়ের ফলে দৃষ্টি বিভ্রমে অপারেশন করতে অসুবিধা হয়। তখন চারপাশের সবুজ রং ও পোশাকের সবুজ তাদের চোখকে আরাম দেয়। এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিলেন চক্ষু বিশেষজ্ঞ হিমাদ্রী দত্ত।
☞তাঁর মতে, মানুষের চোখের কোনও কোষ প্রধানত তিন প্রকার রঙের হয়, লাল, সবুজ ও নীল। এই ধরনের কোষের সংখ্যা ৬০-৭০ লাখ। যার মধ্যে ৪৫ শতাংশই সবুজ রঙের। তাই মানুষের চোখ সবুজ রঙে আরাম পায়। লাল কোষের সংখ্যা সবচেয়ে কম থাকায় একটানা লাল রং সমস্যা তৈরি করে চোখে।
-শিফা হেলথ ©
#drabmmasud #operations #hospital
@followers
Dr. ABM Masudur Rahman ❤️
☞অপারেশনের সময় আমরা দেখে থাকি চিকিৎসকরা সবুজ পোশাক পড়ে থাকেন। অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে, এত রং থাকতে কেন সবুজ রঙের পোশাক পরেন চিকিৎসকরা।
সাদা পোশাকের উপর সবুজ রঙের অ্যাপ্রন। সাথে গলায় স্টেথোস্কোপ, মাথায় মেডিক্যাল ক্যাপ, নাক-মুখ ঢাকা মাস্কে, হাতে গ্লাভস।
☞বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই অপারেশন থিয়েটারের ভিতর চিকিৎসকরা সবুজ পোশাকের ব্যবহার করেন। মাথার টুপি, মাস্কের রংও সবুজ হয়। ওটি-র দেওয়াল, রোগীর শয্যায় ব্যবহৃত চাদর সবই সবুজ রঙের।
অনেকে ভেবে থাকেন সবুজ রং চোখের জন্য উপকারী। তবে কেবল চোখের আরামের জন্যই নয়, এই রং বাছাই এর নেপথ্যে রয়েছে আরও কিছু বৈজ্ঞানিক কারণ।
☞বিশেষজ্ঞদের মতে, অপারেশন থিয়েটার মানেই সারাক্ষণ রক্ত নিয়ে কাজ। এক একটি অপারেশনের সময়সীমাও কম নয়। এতক্ষণ একটানা লাল রক্ত দেখতে দেখতে চিকিৎসক-নার্সদের চোখ ধাঁধিয়ে যায়, সব জায়গাতেই লালচে দাগ দেখেন।
লাল রংয়ের ফলে দৃষ্টি বিভ্রমে অপারেশন করতে অসুবিধা হয়। তখন চারপাশের সবুজ রং ও পোশাকের সবুজ তাদের চোখকে আরাম দেয়। এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিলেন চক্ষু বিশেষজ্ঞ হিমাদ্রী দত্ত।
☞তাঁর মতে, মানুষের চোখের কোনও কোষ প্রধানত তিন প্রকার রঙের হয়, লাল, সবুজ ও নীল। এই ধরনের কোষের সংখ্যা ৬০-৭০ লাখ। যার মধ্যে ৪৫ শতাংশই সবুজ রঙের। তাই মানুষের চোখ সবুজ রঙে আরাম পায়। লাল কোষের সংখ্যা সবচেয়ে কম থাকায় একটানা লাল রং সমস্যা তৈরি করে চোখে।
-শিফা হেলথ ©
#drabmmasud #operations #hospital
@followers
Dr. ABM Masudur Rahman ❤️
❤1
"Thyroid Disorder - Part 1"
বর্তমানে থাইরয়েডিজম বা থাইরয়েড সম্পর্কিত অসুস্থতার সাথে কম বেশি আমরা সকলেই পরিচিত । আমাদের দেশে বেশ কয়েক বছর আগে থাইরয়েডিজম থেকেই গলগন্ড (ঘ্যাগ) নামক রোগের বা অসুস্থতার প্রাদুর্ভাব ছিল অত্যধিক। বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ১৯৮৫ সালে খাবার লবণে আয়োডিন মিশ্রণের প্রকল্প হাতে নেয়া হয় ।এরপর ধীরে ধীরে এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা কমতে থাকে ।বর্তমানে আয়োডিন মিশ্রিত লবণ বাজারজাত করা বাধ্যতামূলক ।
*️⃣*️⃣মানুষের গলার কেন্দ্রের ঠিক নিচে অবস্থিত প্রজাপতি আকৃতির ছোট গ্রন্থি হল থাইরয়েড ; যা শরীরের এন্ডোক্রাইন সিস্টেমের (অভ্যন্তরীণ ক্রিয়া-কলাপের সমন্বয়) অন্যতম প্রধান অংশ । এটি T³ ( triiodothyronine ) ও T⁴ ( thyroxine /থাইরক্সিন) উৎপন্ন করে ।এই হরমোন গুলো সাধারণত কোষের শক্তি বিপাক ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করে।
*️⃣*️⃣থাইরয়েড হরমোন :
1)এটা শরীরের মেটাবলিক রেট বাড়ায়
2)সব কোষে অক্সিজেন সরবরাহ করতে সাহায্য করে । ফলে এটা দেহের তাপমাত্রা কম-বেশিতে ভূমিকা পালন করে।
3) কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ফ্যাট মেটাবলিজমে এ হরমোন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
4) শরীরের হাড় গঠনে গুরুত্বপূর্ণ (বাচ্চাদের )
5)শিশুদের এ হরমোন কম থাকলে ব্রেইন ডেভেলপমেন্ট ঠিকভাবে হয় না ।(low IQ)
6)মহিলাদের পিরিয়ড সাইকেলে সমস্যা হতে পারে ।
থাইরয়েড থেকে অত্যধিক হরমোন ও অপর্যাপ্ত হরমোন নিঃসরণ হলে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয় । যেমন: দুর্বলতা, ক্লান্তি , ওজন হ্রাস, ওজন বৃদ্ধি, চুল পড়া, ত্বকের রুক্ষতা , পিরিয়ডে সমস্যা ,ঘুমের সমস্যা ,অনেক ঘেমে যাওয়া, কলেস্টেরল বৃদ্ধি ইত্যাদি।
কোন ব্যক্তির শরীরে থাইরয়েড হরমোনের পরিমাণ কেমন তা জানার জন্য ডাক্তাররা কিছু টেস্ট করিয়ে থাকেন । অন্যতম কমন টেস্ট হলো :
1) TSH (Thyroid Stimulating Hormone)
2) free T4
এছাড়াও ডাক্তার আরো কিছু টেস্ট করিয়ে নিতে পারেন ।যেমন:
1) free T3
2) calcitonin
3) thyroglubulin
4) thyroid antibodies
TSH থাইরয়েডকে থাইরয়েড হরমোন নিঃসরণে স্টিমুলেট করে । ফলে ,TSH এর পরিমাণ বেশি মানে রক্তে থাইরয়েড হরমোন কম নিঃসরণ হয় । আর TSH এর পরিমাণ কম মানে রক্তের থাইরয়েড হরমোন বেশি নিঃসরণ হয় ।
তাই ব্যক্তির রক্তে TSH এর পরিমাণ বেশি হলে হাইপো থাইরয়েডিজম এবং TSH এর পরিমাণ কম হলে হাইপার থাইরয়েডিজম হয়ে থাকে ।
*️⃣থাইরয়েডিজম দুই প্রকারের হয়ে থাকে ।
হাইপার থাইরয়েডিজম ও
হাইপোথাইরয়েডিজম ।
রওনক জাহান ( RJ Troyee )
কন্টেন্ট রাইটার ও ইন্টার্ন এইচ.আর,
20 Minute Medical
পড়া শেষে Done লিখুন , থাইরয়েডিজম এর পরবর্তী পার্টগুলোর লিংক দেয়া হবে , যাতে খাদ্য ব্যবস্থাপনাসহ নির্দেশনা রয়েছে ।
বর্তমানে থাইরয়েডিজম বা থাইরয়েড সম্পর্কিত অসুস্থতার সাথে কম বেশি আমরা সকলেই পরিচিত । আমাদের দেশে বেশ কয়েক বছর আগে থাইরয়েডিজম থেকেই গলগন্ড (ঘ্যাগ) নামক রোগের বা অসুস্থতার প্রাদুর্ভাব ছিল অত্যধিক। বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ১৯৮৫ সালে খাবার লবণে আয়োডিন মিশ্রণের প্রকল্প হাতে নেয়া হয় ।এরপর ধীরে ধীরে এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা কমতে থাকে ।বর্তমানে আয়োডিন মিশ্রিত লবণ বাজারজাত করা বাধ্যতামূলক ।
*️⃣*️⃣মানুষের গলার কেন্দ্রের ঠিক নিচে অবস্থিত প্রজাপতি আকৃতির ছোট গ্রন্থি হল থাইরয়েড ; যা শরীরের এন্ডোক্রাইন সিস্টেমের (অভ্যন্তরীণ ক্রিয়া-কলাপের সমন্বয়) অন্যতম প্রধান অংশ । এটি T³ ( triiodothyronine ) ও T⁴ ( thyroxine /থাইরক্সিন) উৎপন্ন করে ।এই হরমোন গুলো সাধারণত কোষের শক্তি বিপাক ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করে।
*️⃣*️⃣থাইরয়েড হরমোন :
1)এটা শরীরের মেটাবলিক রেট বাড়ায়
2)সব কোষে অক্সিজেন সরবরাহ করতে সাহায্য করে । ফলে এটা দেহের তাপমাত্রা কম-বেশিতে ভূমিকা পালন করে।
3) কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ফ্যাট মেটাবলিজমে এ হরমোন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
4) শরীরের হাড় গঠনে গুরুত্বপূর্ণ (বাচ্চাদের )
5)শিশুদের এ হরমোন কম থাকলে ব্রেইন ডেভেলপমেন্ট ঠিকভাবে হয় না ।(low IQ)
6)মহিলাদের পিরিয়ড সাইকেলে সমস্যা হতে পারে ।
থাইরয়েড থেকে অত্যধিক হরমোন ও অপর্যাপ্ত হরমোন নিঃসরণ হলে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয় । যেমন: দুর্বলতা, ক্লান্তি , ওজন হ্রাস, ওজন বৃদ্ধি, চুল পড়া, ত্বকের রুক্ষতা , পিরিয়ডে সমস্যা ,ঘুমের সমস্যা ,অনেক ঘেমে যাওয়া, কলেস্টেরল বৃদ্ধি ইত্যাদি।
কোন ব্যক্তির শরীরে থাইরয়েড হরমোনের পরিমাণ কেমন তা জানার জন্য ডাক্তাররা কিছু টেস্ট করিয়ে থাকেন । অন্যতম কমন টেস্ট হলো :
1) TSH (Thyroid Stimulating Hormone)
2) free T4
এছাড়াও ডাক্তার আরো কিছু টেস্ট করিয়ে নিতে পারেন ।যেমন:
1) free T3
2) calcitonin
3) thyroglubulin
4) thyroid antibodies
TSH থাইরয়েডকে থাইরয়েড হরমোন নিঃসরণে স্টিমুলেট করে । ফলে ,TSH এর পরিমাণ বেশি মানে রক্তে থাইরয়েড হরমোন কম নিঃসরণ হয় । আর TSH এর পরিমাণ কম মানে রক্তের থাইরয়েড হরমোন বেশি নিঃসরণ হয় ।
তাই ব্যক্তির রক্তে TSH এর পরিমাণ বেশি হলে হাইপো থাইরয়েডিজম এবং TSH এর পরিমাণ কম হলে হাইপার থাইরয়েডিজম হয়ে থাকে ।
*️⃣থাইরয়েডিজম দুই প্রকারের হয়ে থাকে ।
হাইপার থাইরয়েডিজম ও
হাইপোথাইরয়েডিজম ।
রওনক জাহান ( RJ Troyee )
কন্টেন্ট রাইটার ও ইন্টার্ন এইচ.আর,
20 Minute Medical
পড়া শেষে Done লিখুন , থাইরয়েডিজম এর পরবর্তী পার্টগুলোর লিংক দেয়া হবে , যাতে খাদ্য ব্যবস্থাপনাসহ নির্দেশনা রয়েছে ।
❤1
"Thyroid Disease - part 2"
✳️হাইপার থাইরয়েডিজম :
হাইপার থাইরয়েডিজম হলো এমন একটি শারীরবৃত্তি অবস্থা যখন দেহের থাইরয়েড গ্রন্থি অতিরিক্ত থাইরক্সিন হরমোন উৎপাদন করে উৎপাদন করে ।
এই অবস্থাকে ওভারঅ্যাকটিভ থাইরয়েডও বলা হয়। হাইপারথাইরয়েডিজম শরীরের মেটাবলিজমকে ত্বরান্বিত করে।
যখন থাইরয়েড খুব বেশি পরিমাণে T³,T⁴ বা উভয়ই তৈরি করে তখন শরীরে সিস্টেমের গতি বেড়ে যায় । ফলে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা সৃষ্টি হয় ।
➡️কারণ :
হাইপার থাইরয়েডিজম হওয়ার বিভিন্ন কারণ রয়েছে ।যেমন: গ্রেভস ডিজিজ , অটো ইমিউন সিস্টেম, অতিরিক্ত আয়োডিন , থাইরয়েডাইটিস বা থাইরয়েড এর প্রদাহ , থাইরয়েড নোডুলস ,বিষাক্ত থাইরয়েড নোডুলস বা বিষাক্ত অ্যাডনোমা ,ডিম্বাশয় বা অন্ডকোষের টিউমার ইত্যাদি ।
******(থাইরোটক্সিকোসিস এবং হাইপারথাইরয়েডিজম অনেক ক্ষেত্রে একই রকম মনে হলেও এরা ভিন্ন । থাইরোটক্সিকোসিস বিস্তৃত বিষয় ;এর বিভিন্ন রূপের মধ্যে অন্যতম রূপ হল হাইপারথাইরয়েডিজম ।)
➡️লক্ষণ:
ওজন গ্রাস
চুল পরা
দ্রুত হৃদ স্পন্দন/ বুক ধরফর করা
নার্ভাসনেস বা অস্থিরতা
খিটখিটে মেজাজ
হাইপার অ্যাক্টিভিটি বা অতিরিক্ত কার্যকলাপ
ক্লান্তি বোধ
ঘুমাতে সমস্যা
হাত পা কাঁপুনি
পেশি দুর্বলতা
গরম বেশি লাগা
অতিরিক্ত ঘাম হওয়া
চোখ বড় হওয়া (eye disease)
ঘন ঘন মলত্যাগ ইত্যাদি।
⏩রক্ত পরীক্ষা করে TSH এর পরিমাণ কম আসলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী মেডিসিন খেতে হবে । তবে এর পরিমাণ বা মাত্রা এর উপর নির্ভর করে ঔষধ এবং খাদ্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত ।হাইপার থাইরয়েডিজমে যে সমস্ত খাবার গ্রহণ করতে হবে :
1)কম আয়োডিনযুক্ত খাবার
2)আয়োডিন মুক্ত লবণ
3)ডি-ক্যাফিনেটেড কফি বা চা
4)ডিমের সাদা অংশ
5)তাজা বা টিনজাত ফল
6)লবণবিহীন বাদাম
7)ঘরে তৈরি রুটি বা লবণবিহীন রুটি বা ডিম ছাড়া রুটি
8)আয়োডিন মুক্ত লবণ দিয়ে পপকর্ণ
9) ওর্টস
10)আলু
11) মধু
12)ব্রকলি
13)ফুলকপি
* এড়িয়ে যেতে হবে:
🚫 সামুদ্রিক খাদ্য
🚫অতিরিক্ত লবণযুক্ত খাদ্য
🚫 কাঁকড়া
🚫চিংড়ি
🚫পনির
➡️➡️( অর্থাৎ আয়োডিন আছে এমন খাবার)
রওনক জাহান ( RJ Troyee )
কন্টেন্ট রাইটার ও ইন্টার্ন এইচ.আর,
20 Minute Medical
পড়া শেষে Done লিখুন , থাইরয়েডিজম এর পরবর্তী পার্টগুলোর লিংক দেয়া হবে , যাতে খাদ্য ব্যবস্থাপনাসহ নির্দেশনা রয়েছে ।
✳️হাইপার থাইরয়েডিজম :
হাইপার থাইরয়েডিজম হলো এমন একটি শারীরবৃত্তি অবস্থা যখন দেহের থাইরয়েড গ্রন্থি অতিরিক্ত থাইরক্সিন হরমোন উৎপাদন করে উৎপাদন করে ।
এই অবস্থাকে ওভারঅ্যাকটিভ থাইরয়েডও বলা হয়। হাইপারথাইরয়েডিজম শরীরের মেটাবলিজমকে ত্বরান্বিত করে।
যখন থাইরয়েড খুব বেশি পরিমাণে T³,T⁴ বা উভয়ই তৈরি করে তখন শরীরে সিস্টেমের গতি বেড়ে যায় । ফলে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা সৃষ্টি হয় ।
➡️কারণ :
হাইপার থাইরয়েডিজম হওয়ার বিভিন্ন কারণ রয়েছে ।যেমন: গ্রেভস ডিজিজ , অটো ইমিউন সিস্টেম, অতিরিক্ত আয়োডিন , থাইরয়েডাইটিস বা থাইরয়েড এর প্রদাহ , থাইরয়েড নোডুলস ,বিষাক্ত থাইরয়েড নোডুলস বা বিষাক্ত অ্যাডনোমা ,ডিম্বাশয় বা অন্ডকোষের টিউমার ইত্যাদি ।
******(থাইরোটক্সিকোসিস এবং হাইপারথাইরয়েডিজম অনেক ক্ষেত্রে একই রকম মনে হলেও এরা ভিন্ন । থাইরোটক্সিকোসিস বিস্তৃত বিষয় ;এর বিভিন্ন রূপের মধ্যে অন্যতম রূপ হল হাইপারথাইরয়েডিজম ।)
➡️লক্ষণ:
ওজন গ্রাস
চুল পরা
দ্রুত হৃদ স্পন্দন/ বুক ধরফর করা
নার্ভাসনেস বা অস্থিরতা
খিটখিটে মেজাজ
হাইপার অ্যাক্টিভিটি বা অতিরিক্ত কার্যকলাপ
ক্লান্তি বোধ
ঘুমাতে সমস্যা
হাত পা কাঁপুনি
পেশি দুর্বলতা
গরম বেশি লাগা
অতিরিক্ত ঘাম হওয়া
চোখ বড় হওয়া (eye disease)
ঘন ঘন মলত্যাগ ইত্যাদি।
⏩রক্ত পরীক্ষা করে TSH এর পরিমাণ কম আসলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী মেডিসিন খেতে হবে । তবে এর পরিমাণ বা মাত্রা এর উপর নির্ভর করে ঔষধ এবং খাদ্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত ।হাইপার থাইরয়েডিজমে যে সমস্ত খাবার গ্রহণ করতে হবে :
1)কম আয়োডিনযুক্ত খাবার
2)আয়োডিন মুক্ত লবণ
3)ডি-ক্যাফিনেটেড কফি বা চা
4)ডিমের সাদা অংশ
5)তাজা বা টিনজাত ফল
6)লবণবিহীন বাদাম
7)ঘরে তৈরি রুটি বা লবণবিহীন রুটি বা ডিম ছাড়া রুটি
8)আয়োডিন মুক্ত লবণ দিয়ে পপকর্ণ
9) ওর্টস
10)আলু
11) মধু
12)ব্রকলি
13)ফুলকপি
* এড়িয়ে যেতে হবে:
🚫 সামুদ্রিক খাদ্য
🚫অতিরিক্ত লবণযুক্ত খাদ্য
🚫 কাঁকড়া
🚫চিংড়ি
🚫পনির
➡️➡️( অর্থাৎ আয়োডিন আছে এমন খাবার)
রওনক জাহান ( RJ Troyee )
কন্টেন্ট রাইটার ও ইন্টার্ন এইচ.আর,
20 Minute Medical
পড়া শেষে Done লিখুন , থাইরয়েডিজম এর পরবর্তী পার্টগুলোর লিংক দেয়া হবে , যাতে খাদ্য ব্যবস্থাপনাসহ নির্দেশনা রয়েছে ।
❤1
🌿 যে ব্যক্তি সকালে নিচের দু'আ চারবার পাঠ করবে আল্লাহ তাকে জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্ত করবেন।
🌻 সকালে চারবার
اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَصْبَحْتُ أُشْهِدُكَ، وَأُشْهِدُ حَمَلَةَ عَرْشِكَ، وَمَلَاىِٕكَتَكَ، وَجَمِيْعَ خَلْقِكَ، أَنَّكَ أَنْتَ اللّٰهُ لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ وَحْدَكَ لَا شَرِيْكَ لَكَ، وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُكَ وَرَسُوْلُكَ
হে আল্লাহ, আমি সকালে উপনীত হয়েছি। আপনাকে আমি সাক্ষী রাখছি, আরও সাক্ষী রাখছি আপনার আরশ বহনকারীদেরকে, আপনার ফেরেশতাগণকে ও আপনার সকল সৃষ্টিকে যে নিশ্চয় আপনিই আল্লাহ, একমাত্র আপনি ছাড়া আর কোন হক ইলাহ নেই, আপনার কোনো শরীক নেই; আর মুহাম্মাদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপনার বান্দা ও রাসূল।
🌻 বিকালে চারবার
اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَمْسَيْتُ أُشْهِدُكَ، وَأُشْهِدُ حَمَلَةَ عَرْشِكَ، وَمَلَاىِٕكَتَكَ، وَجَمِيْعَ خَلْقِكَ، أَنَّكَ أَنْتَ اللّٰهُ لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ وَحْدَكَ لَا شَرِيْكَ لَكَ، وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُكَ وَرَسُوْلُكَ
হে আল্লাহ, আমি বিকালে উপনীত হয়েছি। আপনাকে আমি সাক্ষী রাখছি, আরও সাক্ষী রাখছি আপনার আরশ বহনকারীদেরকে, আপনার ফেরেশতাগণকে ও আপনার সকল সৃষ্টিকে যে নিশ্চয় আপনিই আল্লাহ, একমাত্র আপনি ছাড়া আর কোন হক ইলাহ নেই, আপনার কোনো শরীক নেই; আর মুহাম্মাদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপনার বান্দা ও রাসূল।
🤲 আমরা প্রতিনিয়ত আমালের নিয়ত করি, আল্লাহ সহজ করে দেন এবং এর ফজিলত দান করেন। আমিন।
♥️ সকাল বিকাল/ সন্ধ্যার যিকির।
🚦 মাসনুন দু'আ আমালের সময় রবের উপর পূর্ন আস্থা সহ অর্থের দিকে মনযোগ দিয়ে আমল করাই উচিৎ -অন্যথায় দু'আ কবুল না হওয়ার সম্ভাবনায় বেশি, যদিও আমলের সওয়াব পেয়ে যাবে।
🔗
#দুরুদ #কুরআন #আয়াত #হাদিস #সুরক্ষা #আমল #সকাল #বিকাল #সন্ধ্যা #সকাল_বিকালের_যিকির #যিকির #Assalamalaikum #রাসুল #রাসূল #দুয়া #islamic #আল্লাহ #islamicreminders #islamicpost #islamicquotes #Muslims #muslimah #muslimcommunity #MuslimUmmah #religion #safety
💐
🌻 সকালে চারবার
اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَصْبَحْتُ أُشْهِدُكَ، وَأُشْهِدُ حَمَلَةَ عَرْشِكَ، وَمَلَاىِٕكَتَكَ، وَجَمِيْعَ خَلْقِكَ، أَنَّكَ أَنْتَ اللّٰهُ لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ وَحْدَكَ لَا شَرِيْكَ لَكَ، وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُكَ وَرَسُوْلُكَ
হে আল্লাহ, আমি সকালে উপনীত হয়েছি। আপনাকে আমি সাক্ষী রাখছি, আরও সাক্ষী রাখছি আপনার আরশ বহনকারীদেরকে, আপনার ফেরেশতাগণকে ও আপনার সকল সৃষ্টিকে যে নিশ্চয় আপনিই আল্লাহ, একমাত্র আপনি ছাড়া আর কোন হক ইলাহ নেই, আপনার কোনো শরীক নেই; আর মুহাম্মাদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপনার বান্দা ও রাসূল।
🌻 বিকালে চারবার
اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَمْسَيْتُ أُشْهِدُكَ، وَأُشْهِدُ حَمَلَةَ عَرْشِكَ، وَمَلَاىِٕكَتَكَ، وَجَمِيْعَ خَلْقِكَ، أَنَّكَ أَنْتَ اللّٰهُ لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ وَحْدَكَ لَا شَرِيْكَ لَكَ، وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُكَ وَرَسُوْلُكَ
হে আল্লাহ, আমি বিকালে উপনীত হয়েছি। আপনাকে আমি সাক্ষী রাখছি, আরও সাক্ষী রাখছি আপনার আরশ বহনকারীদেরকে, আপনার ফেরেশতাগণকে ও আপনার সকল সৃষ্টিকে যে নিশ্চয় আপনিই আল্লাহ, একমাত্র আপনি ছাড়া আর কোন হক ইলাহ নেই, আপনার কোনো শরীক নেই; আর মুহাম্মাদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপনার বান্দা ও রাসূল।
🤲 আমরা প্রতিনিয়ত আমালের নিয়ত করি, আল্লাহ সহজ করে দেন এবং এর ফজিলত দান করেন। আমিন।
♥️ সকাল বিকাল/ সন্ধ্যার যিকির।
🚦 মাসনুন দু'আ আমালের সময় রবের উপর পূর্ন আস্থা সহ অর্থের দিকে মনযোগ দিয়ে আমল করাই উচিৎ -অন্যথায় দু'আ কবুল না হওয়ার সম্ভাবনায় বেশি, যদিও আমলের সওয়াব পেয়ে যাবে।
🔗
#দুরুদ #কুরআন #আয়াত #হাদিস #সুরক্ষা #আমল #সকাল #বিকাল #সন্ধ্যা #সকাল_বিকালের_যিকির #যিকির #Assalamalaikum #রাসুল #রাসূল #দুয়া #islamic #আল্লাহ #islamicreminders #islamicpost #islamicquotes #Muslims #muslimah #muslimcommunity #MuslimUmmah #religion #safety
💐
❤1
যখন ফিতনা সৃষ্টি হয়, তখন সুন্নাহ আঁকড়ে ধরুন। চুপ করে থাকা আবশ্যক করে নিন। যেটা আপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়, সেটাতে জড়ানো থেকে বিরত থাকুন। আর যেটা আপনার কাছে অস্পষ্ট ঠেকে— তা আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের দিকে সোপর্দ করুন। থামুন, অপেক্ষা করুন এবং বলুন, ‘আল্লাহ তাআলাই সবচেয়ে ভালো জানেন’।
ইমাম জাহাবি রাহিমাহুল্লাহ, সিয়ারু আলামিন নুবালা: ২০/১৪১)
ইমাম জাহাবি রাহিমাহুল্লাহ, সিয়ারু আলামিন নুবালা: ২০/১৪১)
❤2
নিম্নবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্তদের জন্য বাড়ি নির্মাণের জন্য কিছু পরামর্শ
* পরিবারের সকলের সাথে বসে পরামর্শ নিন।
* পরবর্তী ২০ বছরে বাড়িতে কে কে থাকতে পারে সেটা মাথায় নিয়ে রুমের সংখ্যা নির্ধারণ করুন।
* আপনার সর্বোচ্চ বাজেট নির্ধারণ করুন। নগদ অর্থ হাতে কত আছে তার উপর ঠিক করুন বাড়ি কেমন হবে।
* স্বপ্ন, আবেগ এবং বাস্তবতা ভিন্ন। মনে রাখবেন, সব চাওয়া পৃথিবীতে পাওয়া হয়না।
* ১৫ লক্ষ টাকা হাতে আছে, সেই টাকার ভিতর ডিজাইন করুন। অমুক জায়গা থেকে টাকা পেতে পারেন, তখন সব হয়ে যাবে। এমন সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসুন। যদি টাকা না পান তাহলে? আর যদি টাকা পেয়েই যান তাহলে সেই অপশন রেখে ইঞ্জিনিয়ার ও আর্কিটেক্টকে ডিজাইন করতে বলুন।
* মুখস্থ বিদ্যায় ফাউন্ডেশন করবেন না। আপনার বাজেট অনুযায়ী ইঞ্জিনিয়ার ফাউন্ডেশন নির্ধারণ করবে। বাজেট আছে ২ লক্ষ টাকার কিংবা ইহজনমে আপনার ৪ তলার ফাউন্ডেশনের সামর্থ্য নেই, তাহলে অযথা মজবুত করতে গিয়ে বাড়তি ফাউন্ডেশনের টাকা অপচয় করবেন না।
* আপনার সার্বিক পরিকল্পনা ইঞ্জিনিয়ার ও আর্কিটেক্ট এর সাথে শেয়ার করুন। তাদেরকে বলুন আপনার বাজেটের ভিতর ডিজাইন করতে।
* লক্ষ কোটি টাকার বাড়ির বানাতে ইঞ্জিনিয়ার ও আর্কিটেক্ট এর জন্য কিছু বরাদ্দ রাখুন। আপনার নিজের ও মিস্ত্রির দেয়া ডিজাইনে বাড়ি করতে গিয়ে ক্ষতি ডেকে আনবেন না।
* আপনি, মিস্ত্রি, ঠিকাদার কেউ তো আধুনিক স্থাপত্য, নকশা, আলো বাতাস চলাচল, ফ্লোর প্লান, ইন্টেরিয়র ও স্ট্রাকচারাল বিষয়ে পড়াশোনা করেননি। আপনারা শুধুমাত্র মতামত দিতে পারেন, সিদ্ধান্ত নয়।
* ইউটিউব বা ইন্টারনেট থেকে ছবি বা ডিজাইন নিয়ে বাড়ি নির্মাণের পরিকল্পনা বাদ দিন। এসব মাধ্যম থেকে যদি কিছু পছন্দ হয় তা ইঞ্জিনিয়ার ও আর্কিটেক্ট এর কাছে মন খুলে বলুন। তিনি আপনার চাওয়াকে প্রাধান্য দিবেন। সস্তার ৩ অবস্থা হয়। "১৫০০ টাকায় বাড়ির ডিজাইন করা হয়" এমন বিজ্ঞাপন দেখে ভিড় জমাবেন না। যিনি অভিজ্ঞ তিনি এতো সস্তায় ডিজাইন করে দিবেন না।
* নিজের সামর্থ্য মাথায় রাখুন।
* বাজার যাচাই করে অভিজ্ঞ ব্যক্তির পরামর্শ নিয়ে মালামাল কিনুন।
* মালামাল কিনে কোথায় রাখবেন তা আগেই ঠিক করুন।
* ইট কিনে সাজিয়ে রাখুন, বালি ঢেকে রাখুন, রড মাচান করে রাখুন।
* দাম বাড়বে এমন কথায় ঝাপিয়ে পড়ে মালামাল কিনে কৃত্তিম সংকট তৈরি করবেন না। দাম কমতেও তো পারে!
* প্রয়োজনের অতিরিক্ত মালামাল কিনে নষ্ট ও অপচয় রোধ করুন।
* খুচরা খোয়া না কিনে পিকেট ইট কিনে ভাংগিয়ে নিন।
* কলাম, বীম, ছাদে কয়টা রড ও কত মিলিমিটার রড ব্যবহার করবেন, কলামের মাটি কত ফুট গভীর হবে সেইসব সিদ্ধান্ত আপনার, ঠিকাদারের বা মিস্ত্রির নয়। এটার দায়িত্ব ইঞ্জিনিয়ারের।
* আগে মাথা গোজার ঠাঁই ঠিক করুন, তারপর চাকচিক্য।
* সামর্থ্য না থাকলে ইটের গায়ে পয়েন্টিং করুন। পছন্দ নাহলে পরে তো প্লাস্টার ও রঙ করার সুযোগ আছেই।
* ইটের গাথুনিতে ৮/১০ মিলিমিটার রড ব্যবহার করুন, এতে মসলার অপচয় রোধ হবে।
* ১০" ইটের গাথুনির কাজে Rat Trap দেয়াল গাথুনি দিতে পারেন। এতে ইট কম লাগে, অধিক মজবুত, গরম কম অনুভূত হবে। (ছবিতে দিয়েছি, তাছাড়া ইন্টারনেট ঘাটুন)।
* অনেক মিস্ত্রি অনেক কাজে পারদর্শী নয় কিংবা তার খাটুনি বেশি হয়, এজন্য অনেক মিস্ত্রি এসব আধুনিক কাজে ভুলভাল পরামর্শ দিতে পারে আপনাকে। আমরা বাস্তবে এসব প্রয়োগ না করে নিশ্চয়ই পাবলিক প্লেসে এসে ভুলভাল পরামর্শ দিচ্ছিনা।
* একজন ইঞ্জিনিয়ার ও আর্কিটেক্ট সবসময় চেষ্টা করে আধুনিক অনেক কিছু রপ্ত করে ডিজাইন করতে, যা আপনার কাছে এখনো অজানা। আপনি, মিস্ত্রি বা ঠিকাদার নিশ্চয়ই এটা নিয়ে কাজ করেননি?। ঠিকাদার ও মিস্ত্রি অভিজ্ঞ হলেও ডিজাইন ও স্ট্রাকচারাল বিষয় তার পেশা নয়।
* আপনি তো আর রঙের মিস্ত্রি দিয়ে প্লাস্টারের কাজ করাবেন না, তাই না? সেকারনে যার যে কাজ তাকেই সেই কাজে নিয়োগ করুন।
* ১/২ তলার বাড়ির জন্য নিজে সময় দিন। ঠিকাদার নিয়োগ করে অর্থের অপচয় রোধ করুন। প্রয়োজন মনে করলে সাইট ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগ করুন।
* যতই পরিচিত হোক না কেন, মিস্ত্রি বা ঠিকাদারের সাথে লিখিত চুক্তি করুন। চুক্তিতে এটা অবশ্যই করুন "ডিজাইনের বাইরের কাজের মালামাল ও পারিশ্রমিকের যাবতীয় খরচ ও ক্ষতিপূরণ মিস্ত্রি বা ঠিকাদার নিজে বহন করবে।"
* কিউরিং, সিমেন্ট বালির অনুপাত, মাখানো মসলা কত সময়ের মধ্যে ব্যবহার করতে হয়, কখন প্লাস্টার ও রঙ করতে হয়, কিভাবে রঙ করতে হবে ইত্যাদি বিষয় নিয়ে ইন্টারনেট ঘাটুন। ডিজাইন নিয়ে নয়।
* একটা বাড়ি নির্মাণ করতে যদি ১০০ টা আইটেম লাগে, তাহলে সঠিক পরিকল্পনা করে প্রতি আইটেমেই কিছু কিছু করে টাকা বাঁচাতে পারলেই লাভ আপনার। দিন শেষে বেশ টাকা বাঁচাতে পারবেন।
* এবার আপনি মাথা খাটান, তাহলে আরো কিছু আপনার মাথা থেকে বের হবে।
* খরচ কমানোর আরো অনেক টেকনিক্যাল বিষয় আছে, যা এভাবে লিখে পরামর্শ দেয়াটা আসলে সম্ভব নয়।
কালেক্টেড পোস্ট
✅বিল্ডিং ডিজাইন ও নির্মাণের যেকোন প্রয়োজনেঃ-
Engr Md. Harunur Rashid
Chairman & Founder
Rashid Engineering & Architects Limited
Mobile: +88 01775341927(
* পরিবারের সকলের সাথে বসে পরামর্শ নিন।
* পরবর্তী ২০ বছরে বাড়িতে কে কে থাকতে পারে সেটা মাথায় নিয়ে রুমের সংখ্যা নির্ধারণ করুন।
* আপনার সর্বোচ্চ বাজেট নির্ধারণ করুন। নগদ অর্থ হাতে কত আছে তার উপর ঠিক করুন বাড়ি কেমন হবে।
* স্বপ্ন, আবেগ এবং বাস্তবতা ভিন্ন। মনে রাখবেন, সব চাওয়া পৃথিবীতে পাওয়া হয়না।
* ১৫ লক্ষ টাকা হাতে আছে, সেই টাকার ভিতর ডিজাইন করুন। অমুক জায়গা থেকে টাকা পেতে পারেন, তখন সব হয়ে যাবে। এমন সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসুন। যদি টাকা না পান তাহলে? আর যদি টাকা পেয়েই যান তাহলে সেই অপশন রেখে ইঞ্জিনিয়ার ও আর্কিটেক্টকে ডিজাইন করতে বলুন।
* মুখস্থ বিদ্যায় ফাউন্ডেশন করবেন না। আপনার বাজেট অনুযায়ী ইঞ্জিনিয়ার ফাউন্ডেশন নির্ধারণ করবে। বাজেট আছে ২ লক্ষ টাকার কিংবা ইহজনমে আপনার ৪ তলার ফাউন্ডেশনের সামর্থ্য নেই, তাহলে অযথা মজবুত করতে গিয়ে বাড়তি ফাউন্ডেশনের টাকা অপচয় করবেন না।
* আপনার সার্বিক পরিকল্পনা ইঞ্জিনিয়ার ও আর্কিটেক্ট এর সাথে শেয়ার করুন। তাদেরকে বলুন আপনার বাজেটের ভিতর ডিজাইন করতে।
* লক্ষ কোটি টাকার বাড়ির বানাতে ইঞ্জিনিয়ার ও আর্কিটেক্ট এর জন্য কিছু বরাদ্দ রাখুন। আপনার নিজের ও মিস্ত্রির দেয়া ডিজাইনে বাড়ি করতে গিয়ে ক্ষতি ডেকে আনবেন না।
* আপনি, মিস্ত্রি, ঠিকাদার কেউ তো আধুনিক স্থাপত্য, নকশা, আলো বাতাস চলাচল, ফ্লোর প্লান, ইন্টেরিয়র ও স্ট্রাকচারাল বিষয়ে পড়াশোনা করেননি। আপনারা শুধুমাত্র মতামত দিতে পারেন, সিদ্ধান্ত নয়।
* ইউটিউব বা ইন্টারনেট থেকে ছবি বা ডিজাইন নিয়ে বাড়ি নির্মাণের পরিকল্পনা বাদ দিন। এসব মাধ্যম থেকে যদি কিছু পছন্দ হয় তা ইঞ্জিনিয়ার ও আর্কিটেক্ট এর কাছে মন খুলে বলুন। তিনি আপনার চাওয়াকে প্রাধান্য দিবেন। সস্তার ৩ অবস্থা হয়। "১৫০০ টাকায় বাড়ির ডিজাইন করা হয়" এমন বিজ্ঞাপন দেখে ভিড় জমাবেন না। যিনি অভিজ্ঞ তিনি এতো সস্তায় ডিজাইন করে দিবেন না।
* নিজের সামর্থ্য মাথায় রাখুন।
* বাজার যাচাই করে অভিজ্ঞ ব্যক্তির পরামর্শ নিয়ে মালামাল কিনুন।
* মালামাল কিনে কোথায় রাখবেন তা আগেই ঠিক করুন।
* ইট কিনে সাজিয়ে রাখুন, বালি ঢেকে রাখুন, রড মাচান করে রাখুন।
* দাম বাড়বে এমন কথায় ঝাপিয়ে পড়ে মালামাল কিনে কৃত্তিম সংকট তৈরি করবেন না। দাম কমতেও তো পারে!
* প্রয়োজনের অতিরিক্ত মালামাল কিনে নষ্ট ও অপচয় রোধ করুন।
* খুচরা খোয়া না কিনে পিকেট ইট কিনে ভাংগিয়ে নিন।
* কলাম, বীম, ছাদে কয়টা রড ও কত মিলিমিটার রড ব্যবহার করবেন, কলামের মাটি কত ফুট গভীর হবে সেইসব সিদ্ধান্ত আপনার, ঠিকাদারের বা মিস্ত্রির নয়। এটার দায়িত্ব ইঞ্জিনিয়ারের।
* আগে মাথা গোজার ঠাঁই ঠিক করুন, তারপর চাকচিক্য।
* সামর্থ্য না থাকলে ইটের গায়ে পয়েন্টিং করুন। পছন্দ নাহলে পরে তো প্লাস্টার ও রঙ করার সুযোগ আছেই।
* ইটের গাথুনিতে ৮/১০ মিলিমিটার রড ব্যবহার করুন, এতে মসলার অপচয় রোধ হবে।
* ১০" ইটের গাথুনির কাজে Rat Trap দেয়াল গাথুনি দিতে পারেন। এতে ইট কম লাগে, অধিক মজবুত, গরম কম অনুভূত হবে। (ছবিতে দিয়েছি, তাছাড়া ইন্টারনেট ঘাটুন)।
* অনেক মিস্ত্রি অনেক কাজে পারদর্শী নয় কিংবা তার খাটুনি বেশি হয়, এজন্য অনেক মিস্ত্রি এসব আধুনিক কাজে ভুলভাল পরামর্শ দিতে পারে আপনাকে। আমরা বাস্তবে এসব প্রয়োগ না করে নিশ্চয়ই পাবলিক প্লেসে এসে ভুলভাল পরামর্শ দিচ্ছিনা।
* একজন ইঞ্জিনিয়ার ও আর্কিটেক্ট সবসময় চেষ্টা করে আধুনিক অনেক কিছু রপ্ত করে ডিজাইন করতে, যা আপনার কাছে এখনো অজানা। আপনি, মিস্ত্রি বা ঠিকাদার নিশ্চয়ই এটা নিয়ে কাজ করেননি?। ঠিকাদার ও মিস্ত্রি অভিজ্ঞ হলেও ডিজাইন ও স্ট্রাকচারাল বিষয় তার পেশা নয়।
* আপনি তো আর রঙের মিস্ত্রি দিয়ে প্লাস্টারের কাজ করাবেন না, তাই না? সেকারনে যার যে কাজ তাকেই সেই কাজে নিয়োগ করুন।
* ১/২ তলার বাড়ির জন্য নিজে সময় দিন। ঠিকাদার নিয়োগ করে অর্থের অপচয় রোধ করুন। প্রয়োজন মনে করলে সাইট ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগ করুন।
* যতই পরিচিত হোক না কেন, মিস্ত্রি বা ঠিকাদারের সাথে লিখিত চুক্তি করুন। চুক্তিতে এটা অবশ্যই করুন "ডিজাইনের বাইরের কাজের মালামাল ও পারিশ্রমিকের যাবতীয় খরচ ও ক্ষতিপূরণ মিস্ত্রি বা ঠিকাদার নিজে বহন করবে।"
* কিউরিং, সিমেন্ট বালির অনুপাত, মাখানো মসলা কত সময়ের মধ্যে ব্যবহার করতে হয়, কখন প্লাস্টার ও রঙ করতে হয়, কিভাবে রঙ করতে হবে ইত্যাদি বিষয় নিয়ে ইন্টারনেট ঘাটুন। ডিজাইন নিয়ে নয়।
* একটা বাড়ি নির্মাণ করতে যদি ১০০ টা আইটেম লাগে, তাহলে সঠিক পরিকল্পনা করে প্রতি আইটেমেই কিছু কিছু করে টাকা বাঁচাতে পারলেই লাভ আপনার। দিন শেষে বেশ টাকা বাঁচাতে পারবেন।
* এবার আপনি মাথা খাটান, তাহলে আরো কিছু আপনার মাথা থেকে বের হবে।
* খরচ কমানোর আরো অনেক টেকনিক্যাল বিষয় আছে, যা এভাবে লিখে পরামর্শ দেয়াটা আসলে সম্ভব নয়।
কালেক্টেড পোস্ট
✅বিল্ডিং ডিজাইন ও নির্মাণের যেকোন প্রয়োজনেঃ-
Engr Md. Harunur Rashid
Chairman & Founder
Rashid Engineering & Architects Limited
Mobile: +88 01775341927(
👍3❤1
তোমার বাবা মারা গিয়েছেন, অথচ তুমি বেপর্দায় চলাফেরা করো??
তার মানে তোমার বাবা দাইয়্যুস অবস্থায় মারা গিয়েছেন!!
কে জান্নাতি আর কে জাহান্নামী তা কেবল আল্লাহু সুবহানাহু ওয়া তায়ালা জানেন। তবে হাদীসের ভাষ্যমতে,
"দাইয়্যুস কখনোই জান্নাতে প্রবেশ করবে না!
(নাসায়ী: ২৫৬২, মিশকাত: ৩৬৫৫)
দাইয়্যুস শুধু বাবা না; স্বামী, ভাই এমনকি ছেলেও হয়। "যে তার পরিবারের সদস্যদের (স্ত্রী, কন্যা,মা-বোন) বেপর্দা চলাফেরা, অশ্লীলতাকে স্বাভাবিক ভাবে নেয় এবং বাঁধা না দিয়ে মৌনতা অবলম্বন করে সেই দাইয়্যুস!©
Courtesy: ইবাদাহ - 𝙸𝚋𝚊𝚍𝚊𝚑?
তার মানে তোমার বাবা দাইয়্যুস অবস্থায় মারা গিয়েছেন!!
কে জান্নাতি আর কে জাহান্নামী তা কেবল আল্লাহু সুবহানাহু ওয়া তায়ালা জানেন। তবে হাদীসের ভাষ্যমতে,
"দাইয়্যুস কখনোই জান্নাতে প্রবেশ করবে না!
(নাসায়ী: ২৫৬২, মিশকাত: ৩৬৫৫)
দাইয়্যুস শুধু বাবা না; স্বামী, ভাই এমনকি ছেলেও হয়। "যে তার পরিবারের সদস্যদের (স্ত্রী, কন্যা,মা-বোন) বেপর্দা চলাফেরা, অশ্লীলতাকে স্বাভাবিক ভাবে নেয় এবং বাঁধা না দিয়ে মৌনতা অবলম্বন করে সেই দাইয়্যুস!©
Courtesy: ইবাদাহ - 𝙸𝚋𝚊𝚍𝚊𝚑?
❤1
🌿 আল্লাহর রাসূল মুহাম্মাদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সকালে ও বিকালে এই দু'আ আমল করতেনঃ
🌻 সকালে
اَللّٰهُمَّ بِكَ أَصْبَحْنَا، وَبِكَ أَمْسَيْنَا، وَبِكَ نَحْيَا، وَبِكَ نَمُوْتُ وَإِلَيْكَ النُّشُوْرُ
অর্থঃ
হে আল্লাহ, আমরা আপনার জন্য সকালে উপনীত হয়েছি এবং আপনারই জন্য আমরা বিকালে উপনীত হয়েছি। আর আপনার দ্বারা আমরা জীবিত থাকি, আপনার দ্বারাই আমরা মারা যাব; আর আপনার দিকেই উত্থিত হব।
🌻 বিকালে
اَللّٰهُمَّ بِكَ أَمْسَيْنَا، وَبِكَ أَصْبَحْنَا، وَبِكَ نَحْيَا، وَبِكَ نَمُوْتُ، وَإِلَيْكَ الْمَصِيْرُ
অর্থঃ
হে আল্লাহ, আমরা আপনার জন্য বিকালে উপনীত হয়েছি এবং আপনারই জন্য আমরা সকালে উপনীত হয়েছি। আর আপনার দ্বারা আমরা জীবিত থাকি, আপনার দ্বারাই আমরা মারা যাব;আর আপনার দিকেই প্রত্যাবর্তিত হব।
🤲 আমরা প্রতিনিয়ত আমালের নিয়ত করি, আল্লাহ সহজ করে দেন এবং এর ফজিলত দান করেন। আমিন।
♥️ সকাল বিকাল/ সন্ধ্যার যিকির।
🚦 মাসনুন দু'আ আমালের সময় রবের উপর পূর্ন আস্থা সহ অর্থের দিকে মনযোগ দিয়ে আমল করাই উচিৎ -অন্যথায় দু'আ কবুল না হওয়ার সম্ভাবনায় বেশি, যদিও আমলের সওয়াব পেয়ে যাবে।
🔗
#দুরুদ #কুরআন #আয়াত #হাদিস #সুরক্ষা #আমল #সকাল #বিকাল #সন্ধ্যা #সকাল_বিকালের_যিকির #যিকির #Assalamalaikum #রাসুল #রাসূল #দুয়া #islamic #আল্লাহ #islamicreminders #islamicpost #islamicquotes #Muslims #muslimah #muslimcommunity #MuslimUmmah #religion #safety
💐
🌻 সকালে
اَللّٰهُمَّ بِكَ أَصْبَحْنَا، وَبِكَ أَمْسَيْنَا، وَبِكَ نَحْيَا، وَبِكَ نَمُوْتُ وَإِلَيْكَ النُّشُوْرُ
অর্থঃ
হে আল্লাহ, আমরা আপনার জন্য সকালে উপনীত হয়েছি এবং আপনারই জন্য আমরা বিকালে উপনীত হয়েছি। আর আপনার দ্বারা আমরা জীবিত থাকি, আপনার দ্বারাই আমরা মারা যাব; আর আপনার দিকেই উত্থিত হব।
🌻 বিকালে
اَللّٰهُمَّ بِكَ أَمْسَيْنَا، وَبِكَ أَصْبَحْنَا، وَبِكَ نَحْيَا، وَبِكَ نَمُوْتُ، وَإِلَيْكَ الْمَصِيْرُ
অর্থঃ
হে আল্লাহ, আমরা আপনার জন্য বিকালে উপনীত হয়েছি এবং আপনারই জন্য আমরা সকালে উপনীত হয়েছি। আর আপনার দ্বারা আমরা জীবিত থাকি, আপনার দ্বারাই আমরা মারা যাব;আর আপনার দিকেই প্রত্যাবর্তিত হব।
🤲 আমরা প্রতিনিয়ত আমালের নিয়ত করি, আল্লাহ সহজ করে দেন এবং এর ফজিলত দান করেন। আমিন।
♥️ সকাল বিকাল/ সন্ধ্যার যিকির।
🚦 মাসনুন দু'আ আমালের সময় রবের উপর পূর্ন আস্থা সহ অর্থের দিকে মনযোগ দিয়ে আমল করাই উচিৎ -অন্যথায় দু'আ কবুল না হওয়ার সম্ভাবনায় বেশি, যদিও আমলের সওয়াব পেয়ে যাবে।
🔗
#দুরুদ #কুরআন #আয়াত #হাদিস #সুরক্ষা #আমল #সকাল #বিকাল #সন্ধ্যা #সকাল_বিকালের_যিকির #যিকির #Assalamalaikum #রাসুল #রাসূল #দুয়া #islamic #আল্লাহ #islamicreminders #islamicpost #islamicquotes #Muslims #muslimah #muslimcommunity #MuslimUmmah #religion #safety
💐
❤1
ট্যাক্স রিটার্ন জমা দিতে কি কি ডকুমেন্ট লাগে :
ব্যক্তিগত তথ্য :
1. ই-টিন সার্টিফিকেট ফটোকপি
2. জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি
3. পাসপোর্ট সাইজ ফটো এক কপি।
চাকরির তথ্য :
1. বেতন বিবরনী (অফিস কর্তৃক) (০১/০৭/২০২২ থেকে ৩০/০৬/২০২৩)
2. ব্যাংক হিসাব বিবরনী (০১/০৭/২০২২ থেকে ৩০/০৬/২০২৩)
3. উৎসে কর কর্তন সার্টিফিকেট
4. প্রভিডেন্ট ফান্ড সার্টিফিকেট (যদি থাকে)
গৃহ সম্পত্তি হতে আয় থাকলে:
1. বাড়ী ভাড়ার প্রাপ্ত রশিদ
2. বাড়ী ভাড়ার চুক্তিপত্র
3. বাড়ী ভাড়ার টাকা ব্যাংকে নিয়ে থাকলে ব্যাংক বিবরনী
4. হোল্ডিং ট্যাক্স ও ভূমি কর/খাজনা
ব্যবসায়ের তথ্য:
1. ট্রেড লাইসেন্স
2. বার্ষিক ক্রয়-বিক্রয় ও আয় বিবরনী
3. সম্পদ ও দ্বায় বিবরনী
4. ব্যাংক হিসাব বিবরনী (০১/০৭/২০২২ থেকে ৩০/০৬/২০২৩)
বিনিয়োগের তথ্য:
1. ডিপিএস (যদি থাকে)
2. ইন্সুরেন্স সার্টিফিকেট (যদি থাকে).
3. শেয়ার মার্কেট বিনিয়োগ (যদি থাকে)
4. সঞ্চয় পত্র সার্টিফিকেট (যদি থাকে)
ব্যক্তিগত তথ্য :
1. ই-টিন সার্টিফিকেট ফটোকপি
2. জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি
3. পাসপোর্ট সাইজ ফটো এক কপি।
চাকরির তথ্য :
1. বেতন বিবরনী (অফিস কর্তৃক) (০১/০৭/২০২২ থেকে ৩০/০৬/২০২৩)
2. ব্যাংক হিসাব বিবরনী (০১/০৭/২০২২ থেকে ৩০/০৬/২০২৩)
3. উৎসে কর কর্তন সার্টিফিকেট
4. প্রভিডেন্ট ফান্ড সার্টিফিকেট (যদি থাকে)
গৃহ সম্পত্তি হতে আয় থাকলে:
1. বাড়ী ভাড়ার প্রাপ্ত রশিদ
2. বাড়ী ভাড়ার চুক্তিপত্র
3. বাড়ী ভাড়ার টাকা ব্যাংকে নিয়ে থাকলে ব্যাংক বিবরনী
4. হোল্ডিং ট্যাক্স ও ভূমি কর/খাজনা
ব্যবসায়ের তথ্য:
1. ট্রেড লাইসেন্স
2. বার্ষিক ক্রয়-বিক্রয় ও আয় বিবরনী
3. সম্পদ ও দ্বায় বিবরনী
4. ব্যাংক হিসাব বিবরনী (০১/০৭/২০২২ থেকে ৩০/০৬/২০২৩)
বিনিয়োগের তথ্য:
1. ডিপিএস (যদি থাকে)
2. ইন্সুরেন্স সার্টিফিকেট (যদি থাকে).
3. শেয়ার মার্কেট বিনিয়োগ (যদি থাকে)
4. সঞ্চয় পত্র সার্টিফিকেট (যদি থাকে)
❤2
ট্যাক্স রিটার্ন জমা দিতে কি কি ডকুমেন্ট লাগে :
ব্যক্তিগত তথ্য :
1. ই-টিন সার্টিফিকেট ফটোকপি
2. জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি
3. পাসপোর্ট সাইজ ফটো এক কপি।
চাকরির তথ্য :
1. বেতন বিবরনী (অফিস কর্তৃক) (০১/০৭/২০২২ থেকে ৩০/০৬/২০২৩)
2. ব্যাংক হিসাব বিবরনী (০১/০৭/২০২২ থেকে ৩০/০৬/২০২৩)
3. উৎসে কর কর্তন সার্টিফিকেট
4. প্রভিডেন্ট ফান্ড সার্টিফিকেট (যদি থাকে)
গৃহ সম্পত্তি হতে আয় থাকলে:
1. বাড়ী ভাড়ার প্রাপ্ত রশিদ
2. বাড়ী ভাড়ার চুক্তিপত্র
3. বাড়ী ভাড়ার টাকা ব্যাংকে নিয়ে থাকলে ব্যাংক বিবরনী
4. হোল্ডিং ট্যাক্স ও ভূমি কর/খাজনা
ব্যবসায়ের তথ্য:
1. ট্রেড লাইসেন্স
2. বার্ষিক ক্রয়-বিক্রয় ও আয় বিবরনী
3. সম্পদ ও দ্বায় বিবরনী
4. ব্যাংক হিসাব বিবরনী (০১/০৭/২০২২ থেকে ৩০/০৬/২০২৩)
বিনিয়োগের তথ্য:
1. ডিপিএস (যদি থাকে)
2. ইন্সুরেন্স সার্টিফিকেট (যদি থাকে).
3. শেয়ার মার্কেট বিনিয়োগ (যদি থাকে)
4. সঞ্চয় পত্র সার্টিফিকেট (যদি থাকে)
@FMA
ব্যক্তিগত তথ্য :
1. ই-টিন সার্টিফিকেট ফটোকপি
2. জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি
3. পাসপোর্ট সাইজ ফটো এক কপি।
চাকরির তথ্য :
1. বেতন বিবরনী (অফিস কর্তৃক) (০১/০৭/২০২২ থেকে ৩০/০৬/২০২৩)
2. ব্যাংক হিসাব বিবরনী (০১/০৭/২০২২ থেকে ৩০/০৬/২০২৩)
3. উৎসে কর কর্তন সার্টিফিকেট
4. প্রভিডেন্ট ফান্ড সার্টিফিকেট (যদি থাকে)
গৃহ সম্পত্তি হতে আয় থাকলে:
1. বাড়ী ভাড়ার প্রাপ্ত রশিদ
2. বাড়ী ভাড়ার চুক্তিপত্র
3. বাড়ী ভাড়ার টাকা ব্যাংকে নিয়ে থাকলে ব্যাংক বিবরনী
4. হোল্ডিং ট্যাক্স ও ভূমি কর/খাজনা
ব্যবসায়ের তথ্য:
1. ট্রেড লাইসেন্স
2. বার্ষিক ক্রয়-বিক্রয় ও আয় বিবরনী
3. সম্পদ ও দ্বায় বিবরনী
4. ব্যাংক হিসাব বিবরনী (০১/০৭/২০২২ থেকে ৩০/০৬/২০২৩)
বিনিয়োগের তথ্য:
1. ডিপিএস (যদি থাকে)
2. ইন্সুরেন্স সার্টিফিকেট (যদি থাকে).
3. শেয়ার মার্কেট বিনিয়োগ (যদি থাকে)
4. সঞ্চয় পত্র সার্টিফিকেট (যদি থাকে)
@FMA
❤1
“তোমরা টাকা নেবার আগে টাকার উৎস খতিয়ে দেখো। কোথা থেকে টাকাটা এলো, যাচাই করে নাও। আর হালাল কামাতে গিয়ে তোমাকে যদি জামাতের শেষ কাতারেও দাঁড়াতে হয়, তাতেও সমস্যা নেই।”
— সুফিয়ান সাওরি (রহ.)
[হিলইয়াতুল আউলিয়া, ৭/৮]
— সুফিয়ান সাওরি (রহ.)
[হিলইয়াতুল আউলিয়া, ৭/৮]
❤3👍1