জ্ঞান - Knowledge
2K subscribers
1.27K photos
21 videos
11 files
463 links
🙂🙂🙂
Download Telegram
আমরা যখন পর্ণোগ্রাফির কথা বলি তখন মানুষ আসলে একান্ত গোপন কিছু ভিডিওকে বুঝে। কিন্তু টিকটক, রিলস এসব ভিডিওতে যেভাবে নারীদেহের সফট প্রদর্শনী হয়, সেটা পর্ণোগ্রাফির চেয়েও মারাত্মক। নিয়মিত যখন কেউ এটা দেখছে তখন সে অন্য নারীদেরকে পণ্য হিসেবেই দেখবে। সে নারীর অস্তিত্বকে কেবল আকর্ষনীয় ও ব্যবহারযোগ্য বডি হিসেবেই চিন্তা করবে। মাতৃত্ব, সম্মান, ভালবাসা, নৈতিকতার চিন্তা তার মাথায় আসবে না। সেখানে কেবলই আকর্ষণ, রোমান্স এবং যৌনতার কথাই কল্পনা করবে।

যারা এসব ভিডিও দেখে তারা কোনভাবেই এক নারীতে সন্তুষ্ট থাকতে পারবে না। সে পরিপাটি ও প্রদর্শনীমূলক আকর্ষণীয় দেহ দেখতে দেখতে স্ত্রীর প্রতি বিতৃষ্ণ হয়ে উঠবে। বিভিন্ন নারীর স্বাদ সে কামনা করবে।

এমনকি মাহরাম নারীদের প্রতিও তার কল্পনা ঐ দেহ প্রদর্শনীর জায়গায় চলে যাবে। তাদের নিয়েও তার ভিতর মন্দ চিন্তা ও খাহেশাত জাগ্রত হতে থাকবে। আমাদের পরিবার ও সমাজে গোপনে গোপনে এরকম প্রবণতা দিন দিন বৃদ্ধিই পাচ্ছে।

কিন্তু দেখা গেছে পর্ণোগ্রাফির কথা শুনলে আমরা যতটা কপালে ভাজ আসা নেতিবাচক ধারণা রাখি, ফেসবুক রিলস আর টিকটকের আসক্তির ক্ষেত্রে এই নেতিবাচকতাটা আমাদের ভিতর আসে না৷ অথচ ফলাফল ও প্রভাবের দিক থেকে এগুলো আরো ভয়াবহ। এরচেয়ে পরিতাপের বিষয় আর কি হতে পারে যে, একদম ভাত খাওয়া শেখা বাচ্চাকাল থেকেই এসব দেখে দেখে আমাদের একটা প্রজন্ম বেড়ে উঠছে। আমরা কিভাবে আশা রাখতে পারি এই প্রজন্ম চারিত্রিক পবিত্রতার বন্ধনে আবদ্ধ থাকবে!

Iftekhar Sifat
👍3
লম্বা নারীরা সেক্সচুয়ালি অসন্তুষ্ট ও বহুগামী হয়, আর খাটো নারীরা সেক্সি?

আমাকে অনেকে প্রশ্ন করেছেন, আপনি কোন ধরনের নারী পছন্দ করেন? আমি উত্তর দিয়েছিলাম, খাটো নারী। এটা শুনে লম্বা নারীরা মন খারাপ করবেন না প্লিজ। প্রিন্সেস ম্যারি নামক ইংল্যান্ডের একজন রাণী ছিল। সে অসংখ্য পুরুষের সাথে সেক্স করেছিল কিন্তু কোনো পুরুষই তাকে সুখী করতে পারেনি। একসময় তিনি ফ্রান্সের রাজা দ্বিতীয় ফিলিপের সাথেও সেক্স করেন কিন্তু কেউই তার অনন্ত যৌনতার আগুন নেভাতে পারছিল না। অদ্ভুত ব্যাপার হলো, এজন্য তিনি বাংলাদেশের নারীবাদীদের মতো নিজেকে সেক্সি অথবা হট প্রমাণ করার চেষ্টা করেননি। তিনি তার এ সমস্যাটির কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে ২৪০ জন নারীর যোনি পর্যবেক্ষণ করেছিলেন।

তিনি আবিষ্কার করেছিলেন, যে সকল নারীর যোনির মুখ থেকে তাদের ক্লাইটোরিসের দূরত্ব এক ইঞ্চি থেকে কম, কেবল তারাই পেনিট্রেশনের মাধ্যমে অর্গ্যাজমে রিচ করতে পারে। আর যে সকল নারীর যোনিমুখ থেকে তাদের ক্লাইটোরিসের দূরত্ব এক ইঞ্চির কাছাকাছি অথবা দেড় ইঞ্চি, তারা চিরকাল ক্ষুধার্তই থেকে যায়!

পৃথিবীর কোনো পুরুষের পক্ষে একা পেনিট্রেশনের মাধ্যমে তার যৌনতার আগুন নেভানো সম্ভব নয়, এটি আগ্নেগিরির মতো দাউ দাউ করে জ্বলতেই থাকবে। কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে, এই সকল নারীরা বিশাল যৌন ক্ষমতার অধিকারী, তারা সেক্সের বিলগেটস!

হুমায়ুন আজাদ তার একটি প্রবন্ধে যাদৃচ্ছিকভাবে , নারীকে অনন্ত আগুনের অধিকারী অথবা সেক্সি প্রমাণ করতে চেয়েছিলেন, এটা সঠিক নয়। একজন নারী অনেক বেশি সেক্স চাইলে, এটা তাকে সেক্সি প্রমাণ করে না, এটা প্রমাণ করে যে সে ক্রায়সিসে আছে, তার ট্রিটমেন্ট প্রয়োজন ( সবক্ষেত্রে নয় )!

এমোরি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিহেভিয়রাল নিউরো-এন্ড্রোক্রোনোলজির প্রফেসর কিম ওলান যৌন সহবাসের শরীরবিদ্যা সম্পর্কে একটি গবেষণা পরিচালনা করেছিলেন। ক্লাইটোরাল-ভ্যাজাইনাল ডিস্টেন্সের ওপর পরিচালিত প্রিন্সেস ম্যারি বোনাপার্টের গবেষণাপত্র দেখে তিনি স্তব্ধ হয়ে যান। কিম ওলান আবিষ্কার করেছিলেন, ইন্টারকোর্সের সময় কোন ধরনের নারী অর্গ্যাজম অর্জন করবে, এই প্রসঙ্গে প্রিন্সেস ম্যারির গবেষণা সঠিক ছিল। তিনি বলেন, যে সকল নারীর যোনি মুখ থেকে ক্লাইটোরিসের দূরত্ব একটি বৃদ্ধাঙ্গগুলের প্রস্থের সমান বা এক ইঞ্চির থেকে কম, তারাই কেবল পেনিট্রেশনের মাধ্যমে অর্গ্যাজমে পৌঁছাতে পারে অথবা তারা জ্বলন্ত একটি আগ্নেয়গিরির মতো চিরকাল পুড়তে থাকে!

কিন্তু প্রিন্সেস ম্যারির গবেষণায় একটি টুইস্ট ছিল। তিনি আবিষ্কার করেছিলেন, যোনি ও ক্লাইটোরাল দূরত্বের সাথে নারীর শারীরীক উচ্চতার একটি সম্পর্ক আছে। যে সকল নারীর উচ্চতা ৫ ফুট থেকে কম, তাদের যোনি মুখ থেকে ক্লাইটোরিসের দূরত্ব এক ইঞ্চি থেকে কম হয়ে থাকে। আর যে সকল নারীর উচ্চতা ৬ ফুটের কাছাকাছি, তাদের যোনিমুখ থেকে ক্লাইটোরিসের দূরত্ব এক ইঞ্চি থেকে দেড় ইঞ্চি পর্যন্ত হয়ে থাকে।

এখান থেকে প্রমাণিত হয় যে, লম্বা নারীদের সহবাসের সময় পেনিট্রেশনের মাধ্যমে অর্গ্যাজমে রিচ করতে সমস্যা হয়। তারা জীবনে যত পুরুষই পরিবর্তন করুক না কেন, তাতে কিছুই আসে যায় না, তাদের যৌনতার আগুন পেনিট্রেশন দিয়ে নেভানো সম্ভব না, তাদের জন্য আলাদা সাপ্লিমেন্ট লাগবে, তাদের যোনিতে মুখ ও ভাইব্রেটর ব্যবহার করতে হবে।

সোশ্যাল মিডিয়া ও বিউটি ইন্ডাস্ট্রি এতদিন আমাদের কাছে একটি মিসকনসেপশন প্রচার করে এসেছিল যে, লম্বা নারীরাই সুন্দরী ও সেক্সি। কিন্তু আমাদের আধুনিক গবেষণা আমাদের বলছে, লম্বা নারী সম্পর্কে মিডিয়ার প্রচারিত এই স্টেরিওটাইপ ভুল। আপনি যদি কম সময়ে কোনো নারীকে ইফেক্টিভ অর্গ্যাজম দিতে চান, তবে আপনার প্রয়োজন খাটো নারী।

এই গবেষণা আমাদের কাছে আরও একটি প্রশ্ন উপস্থাপন করে, লম্বা নারীরাই কী সবচেয়ে বেশি পুরুষ বিদ্বেষী ও বহুগামী? এই প্রশ্নের উত্তর আমি জানি না।

তবে খুব সম্ভবত উচ্চতাসম্পন্ন নারীরা সেক্সচুয়ালি অসন্তুষ্ট এবং তাদের মধ্যে বহুগামিতার ফ্রিকোয়েন্সি বেশি। এছাড়া বিজ্ঞানীরা এটাও স্বীকার করেছেন যে, সকল ক্ষেত্রে পৃথিবীর সকল লম্বা নারীর ক্লাইটোরাল দূরত্ব এক ইঞ্চির বেশি হবে, এটা সঠিক নয়। এটি একটি সাধারণ প্যাটার্ন কিন্তু প্রকৃতিতে বৈচিত্র‍্যতা অসংখ্য!

( আমার লেখা "এক্স-ইউনিভার্স" বইটি না পড়ে কেউ এ আর্টিকেলগুলো থেকে ডিসিশন নেবেন না, বিপদ আছে! প্রি-অর্ডার করুন এখান থেকে- Hyperspace: The Dimension Hoppers)

Reference:

Bonk: The Curious Coupling of Science and Sex Paperback – April 6, 2009
1👍1🔥1
কাফাহ বা কুফু (আরবি: الكفاءة; আল-কাফ'আ৷ অর্থঃ দক্ষতা বা যোগ্যতা) হল ইসলামে বিয়ের ব্যাপারে ইসলামী আইনশাস্ত্রের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত একটি শব্দ, যার আরবি ভাষায় আক্ষরিক অর্থ, দক্ষতা বা সমতা, সমান, সাদৃশ্য, সমকক্ষ, সমতুল্য ইত্যাদি।[১][২][৩] বিয়ের ক্ষেত্রে বর-কনের রুচি, চাহিদা, বংশ, যোগ্যতা সব কিছু সমান সমান বা কাছাকাছি হওয়াকে ইসলামী পরিভাষায় কুফু বলে।[৪] অতএব, একে একটি সম্ভাব্য স্বামী এবং তার সম্ভাব্য স্ত্রীর মধ্যে সামঞ্জস্য বা সমতা হিসাবে সংজ্ঞায়িত করা হয় যা মেনে চলতে হবে।[৩] এই সামঞ্জস্য ধর্ম, সামাজিক মর্যাদা, নৈতিকতা, ধার্মিকতা, সম্পদ, বংশ বা রীতিনীতির অন্তর্ভুক্ত একাধিক কারণের উপর নির্ভরশীল।[৫] সাধারণত ধর্মীয় নৈতিকতাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হলেও আলেমগণ কনের তুলনায় বরের সার্বিক অবস্থানকে কাছাকাছি কিন্তু তুলনামুলক উত্তম হওয়া সুবিধাজনক বলে পরামর্শ দেন, এবং বরের অবস্থান যেন কনের অবস্থান থেকে নীচু না হয় সে ব্যাপারে লক্ষ রাখতে বলেন।
"বুয়েট থেকে পাশ করছি প্রায় ছয় মাস হতে চললো।

এই ছয় মাসে নানান রকমের মানুষের সাথে মিশে আমার উপলব্ধি হলো কোথাও কেউ সুখে নাই।

যার চাকরী আছে সে বলতেছে, চাকরি করা পেইন, প্রতিদিন এক জায়গায় যাওয়া বোরিং। যার চাকরি নাই সে বলতেছে চাকরি ছাড়া ঝামেলায় আছে অনেক।
যে বিসিএস এডমিন সে বলতেছে, পাওয়ার কোম্পানীতে বেতন ভালো। যে পাওয়ার কোম্পানীতে আছে, সে বলতেছে এডমিনদের সেই ক্ষমতা আছে হাতে।

যে ইন্ড্রাস্টিয়াল চাকরি করতেছে, সে বলতেছে টিচিং প্রফেশান ভালো বেশি। অল্প পরিশ্রমে বেশি টাকা। যে টিচার সে বলতেছে, কেন শুরুতে ইন্ড্রাস্টিতে ঢুকলাম না, এতদিনে লাখ টাকা বেতন হতো।

যে বিদেশে আছে সে বলতেছে, দেশে একটা সরকারী চাকরি করে আরামে থাকতে পারতাম, হুদাই আসছি বিদেশে।

যে দেশে আছে, সে বলতেছে বন্ধুরা সব বিদেশে মজা করতেছে, আর আমি পেইন খাচ্ছি দেশে। কী বিগাড় রে ভাই। আসল সুখ কই আছে তাইলে?"

"প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা তোমাদের মোহাচ্ছন্ন রাখে, কবরে যাবার আগ পর্যন্ত।"

- (সূরা তাকাসুরঃ১,২)

-আনিক চৌধুরী
👍6
এই ব্লুপ্রিন্টে আমরা ৬টা ধাপে একটা হাই সেলিং ডিজিটাল প্রোডাক্ট বিক্রি করে ক্যাশ জেনারেট করবো —

প্রথম ধাপঃ মোবাইল কিংবা কম্পিউটার - যেকোনো ডিভাইস দিয়ে ক্যানভা টেম্পলেট তৈরি করুন!

ভালো সেল হয়, এমন ৫ ধরনের ক্যানভা টেমপ্লেট হচ্ছেঃ
Wall Calendar template
Graph template
Magazine template
Planner template
Social Media Video template

এই ৫ ধরনের টেমপ্লেট থেকে যেকোনো ১টা তৈরি করা শিখুন! মোবাইল দিয়েও পুরো কাজটা করা যায়!

ধরে নিলাম, আপনি ম্যাগাজিন টেম্পলেট তৈরি করতে জানেন!

একসাথে ৩০টা হাই কোয়ালিটি ম্যাগাজিন টেম্পলেট তৈরি করুন! সেগুলোকে একটা ফাইল করুন! জিপ করুন! তারপর গুগল ড্রাইভে আপলোড করুন!

Congratulations!

সেল করার জন্য - আপনার প্রোডাক্ট তৈরি 🏆

দ্বিতীয় ধাপঃ প্রফেশনাল এবং অপ্টিমাইজড ইন্সটাগ্রাম বিজনেস প্রোফাইল করুন!

ঠিকভাবে অপ্টিমাইজড না হলে কিন্তু ক্রেতা হারানোর চান্স অন্তত ৫% থেকেই যাবে 🌏

তৃতীয় ধাপঃ ক্যানভা দিয়েই, আপনার ইন্সটাগ্রাম বিজনেস পেইজের জন্য একসাথে ৫০টা হাই কোয়ালিটি গ্রাফিক্যাল কন্টেন্ট তৈরি করুন!

নিজে তৈরি করতে না চাইলে বিভিন্ন কন্টেন্ট অ্যাজেন্সি থেকেও অল্প দামে কিনে নিতে পারেন 🖼️

চতুর্থ ধাপঃ প্রত্যেকটা গ্র্যাফিক্যাল কন্টেন্টকে এসইও অপ্টিমাইজ করে ইন্সটাগ্রাম বিজনেস প্রোফাইলে পোস্ট করুন!

একসাথে নয়, প্রত্যেকদিন ২/৩ টা পোস্ট করুন! একটা দিনও কন্টেন্ট আপলোড - মিস করা যাবে না! এটাকে কনসিসটেন্সি বলে!

প্রত্যেকটা সোশ্যাল মিডিয়া অ্যালগরিদম এই কনসিসটেন্সিকে প্রেফার করে! আপনি যদি কনসিসটেন্ট থাকতে পারেন, আপনার কন্টেন্ট রিচ করবেই! আজকে হোক বা কালকে 💹

পঞ্চম ধাপঃ ৫০টা কন্টেন্ট পোস্ট করা হয়ে গেলে আপনার প্রোডাক্টের গ্র্যাফিক্যাল সেলস কপি তৈরি করুন!

প্রোডাক্ট রিলেটেড ২ টা হাই কোয়ালিট সেলস কপি লিখে মাত্র ১০০০ টাকার দুটো অ্যাড রান করুন!

একটা অ্যাডের সফলতা কিন্তু নির্ভর করে দুটো জিনিসের উপর; অ্যাডকপি এবং অডিয়েন্স টার্গেটিং!

অ্যাড কপিটা ঠিকঠাক লিখে ফেলতে পারলেই, মাসিক ১০ ডলার বাজেটের দুটো অ্যাড থেকে আপনি অন্তত ১০টা কাস্টোমার পেয়ে যাবেন! ৩০টা ম্যাগাজিন টেমপ্লেটস বান্ডেল যদি ৩০০ টাকাতেও বিক্রি করেন, তারপরেও আপনার অন্তত তিনগুণ প্রফিট থাকছে 💯

এবার শেষ ধাপে, সেই প্রফিট থেকে অর্ধেকটা দিয়ে আবারো অ্যাড রান করুন! এই প্রসেসটা রিপিট করতে থাকুন, ক্লায়েন্ট পেতে থাকবেন! প্রফিটও করতে থাকবেন 💸

মনে রাখবেন, লং টাইমে প্রফিট বাড়াতে চাইলে - অ্যাঙ্গেজমেন্ট অ্যাড রান করুন! কনভার্সেশন বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দিন!

আর শর্ট টাইমে প্রফিট বাড়াতে চাইলে, সেলস কপি লিখে সেলস অ্যাড রান করুন, অ্যাঙ্গেজমেণ্টের দিকে মনোযোগ না দিয়ে!

💰💰💰

ডিজিটাল প্রোডাক্ট তৈরির শর্টকাট টেকনিক শিখুন! মাত্র দুই দিন ঠিকভাবে সময় দিয়ে ৫টা ডিজিটাল প্রোডাক্ট তৈরি করা যায়!

কোনো খরচ ছাড়াই কিন্তু ডিজিটাল প্রোডাক্ট তৈরি করা সম্ভব, যদি আপনি শিখে ফেলতে পারেন!

এই হিসেব কিন্তু, একেবারেই মিনিমাম!

রিপোস্ট ♻️
1👍1
চিকিৎসকরা অপারেশনে কেন সবুজ পোশাক পরেন⁉️

☞অপারেশনের সময় আমরা দেখে থাকি চিকিৎসকরা সবুজ পোশাক পড়ে থাকেন। অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে, এত রং থাকতে কেন সবুজ রঙের পোশাক পরেন চিকিৎসকরা।

সাদা পোশাকের উপর সবুজ রঙের অ্যাপ্রন। সাথে গলায় স্টেথোস্কোপ, মাথায় মেডিক্যাল ক্যাপ, নাক-মুখ ঢাকা মাস্কে, হাতে গ্লাভস।

☞বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই অপারেশন থিয়েটারের ভিতর চিকিৎসকরা সবুজ পোশাকের ব্যবহার করেন। মাথার টুপি, মাস্কের রংও সবুজ হয়। ওটি-র দেওয়াল, রোগীর শয্যায় ব্যবহৃত চাদর সবই সবুজ রঙের।

অনেকে ভেবে থাকেন সবুজ রং চোখের জন্য উপকারী। তবে কেবল চোখের আরামের জন্যই নয়, এই রং বাছাই এর নেপথ্যে রয়েছে আরও কিছু বৈজ্ঞানিক কারণ।

☞বিশেষজ্ঞদের মতে, অপারেশন থিয়েটার মানেই সারাক্ষণ রক্ত নিয়ে কাজ। এক একটি অপারেশনের সময়সীমাও কম নয়। এতক্ষণ একটানা লাল রক্ত দেখতে দেখতে চিকিৎসক-নার্সদের চোখ ধাঁধিয়ে যায়, সব জায়গাতেই লালচে দাগ দেখেন।

লাল রংয়ের ফলে দৃষ্টি বিভ্রমে অপারেশন করতে অসুবিধা হয়। তখন চারপাশের সবুজ রং ও পোশাকের সবুজ তাদের চোখকে আরাম দেয়। এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিলেন চক্ষু বিশেষজ্ঞ হিমাদ্রী দত্ত।

☞তাঁর মতে, মানুষের চোখের কোনও কোষ প্রধানত তিন প্রকার রঙের হয়, লাল, সবুজ ও নীল। এই ধরনের কোষের সংখ্যা ৬০-৭০ লাখ। যার মধ্যে ৪৫ শতাংশই সবুজ রঙের। তাই মানুষের চোখ সবুজ রঙে আরাম পায়। লাল কোষের সংখ্যা সবচেয়ে কম থাকায় একটানা লাল রং সমস্যা তৈরি করে চোখে।
-শিফা হেলথ ©
#drabmmasud #operations #hospital
@followers
Dr. ABM Masudur Rahman ❤️
1
"Thyroid Disorder - Part 1"

বর্তমানে থাইরয়েডিজম বা থাইরয়েড সম্পর্কিত অসুস্থতার সাথে কম বেশি আমরা সকলেই পরিচিত । আমাদের দেশে বেশ কয়েক বছর আগে থাইরয়েডিজম থেকেই গলগন্ড (ঘ্যাগ) নামক রোগের বা অসুস্থতার প্রাদুর্ভাব ছিল অত্যধিক। বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ১৯৮৫ সালে খাবার লবণে আয়োডিন মিশ্রণের প্রকল্প হাতে নেয়া হয় ।এরপর ধীরে ধীরে এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা কমতে থাকে ।বর্তমানে আয়োডিন মিশ্রিত লবণ বাজারজাত করা বাধ্যতামূলক ।

*️⃣*️⃣মানুষের গলার কেন্দ্রের ঠিক নিচে অবস্থিত প্রজাপতি আকৃতির ছোট গ্রন্থি হল থাইরয়েড ; যা শরীরের এন্ডোক্রাইন সিস্টেমের (অভ্যন্তরীণ ক্রিয়া-কলাপের সমন্বয়) অন্যতম প্রধান অংশ । এটি T³ ( triiodothyronine ) ও T⁴ ( thyroxine /থাইরক্সিন) উৎপন্ন করে ।এই হরমোন গুলো সাধারণত কোষের শক্তি বিপাক ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করে।

*️⃣*️⃣থাইরয়েড হরমোন :
1)এটা শরীরের মেটাবলিক রেট বাড়ায়
2)সব কোষে অক্সিজেন সরবরাহ করতে সাহায্য করে । ফলে এটা দেহের তাপমাত্রা কম-বেশিতে ভূমিকা পালন করে।
3) কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ফ্যাট মেটাবলিজমে এ হরমোন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
4) শরীরের হাড় গঠনে গুরুত্বপূর্ণ (বাচ্চাদের )
5)শিশুদের এ হরমোন কম থাকলে ব্রেইন ডেভেলপমেন্ট ঠিকভাবে হয় না ।(low IQ)
6)মহিলাদের পিরিয়ড সাইকেলে সমস্যা হতে পারে ।

থাইরয়েড থেকে অত্যধিক হরমোন ও অপর্যাপ্ত হরমোন নিঃসরণ হলে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয় । যেমন: দুর্বলতা, ক্লান্তি , ওজন হ্রাস, ওজন বৃদ্ধি, চুল পড়া, ত্বকের রুক্ষতা , পিরিয়ডে সমস্যা ,ঘুমের সমস্যা ,অনেক ঘেমে যাওয়া, কলেস্টেরল বৃদ্ধি ইত্যাদি।

কোন ব্যক্তির শরীরে থাইরয়েড হরমোনের পরিমাণ কেমন তা জানার জন্য ডাক্তাররা কিছু টেস্ট করিয়ে থাকেন । অন্যতম কমন টেস্ট হলো :
1) TSH (Thyroid Stimulating Hormone)
2) free T4

এছাড়াও ডাক্তার আরো কিছু টেস্ট করিয়ে নিতে পারেন ।যেমন:
1) free T3
2) calcitonin
3) thyroglubulin
4) thyroid antibodies

TSH থাইরয়েডকে থাইরয়েড হরমোন নিঃসরণে স্টিমুলেট করে । ফলে ,TSH এর পরিমাণ বেশি মানে রক্তে থাইরয়েড হরমোন কম নিঃসরণ হয় । আর TSH এর পরিমাণ কম মানে রক্তের থাইরয়েড হরমোন বেশি নিঃসরণ হয় ।

তাই ব্যক্তির রক্তে TSH এর পরিমাণ বেশি হলে হাইপো থাইরয়েডিজম এবং TSH এর পরিমাণ কম হলে হাইপার থাইরয়েডিজম হয়ে থাকে ।

*️⃣থাইরয়েডিজম দুই প্রকারের হয়ে থাকে ।
হাইপার থাইরয়েডিজম ও
হাইপোথাইরয়েডিজম ।

রওনক জাহান ( RJ Troyee )
কন্টেন্ট রাইটার ও ইন্টার্ন এইচ.আর,
20 Minute Medical

পড়া শেষে Done লিখুন , থাইরয়েডিজম এর পরবর্তী পার্টগুলোর লিংক দেয়া হবে , যাতে খাদ্য ব্যবস্থাপনাসহ নির্দেশনা রয়েছে ।
1
"Thyroid Disease - part 2"

✳️হাইপার থাইরয়েডিজম :
হাইপার থাইরয়েডিজম হলো এমন একটি শারীরবৃত্তি অবস্থা যখন দেহের থাইরয়েড গ্রন্থি অতিরিক্ত থাইরক্সিন হরমোন উৎপাদন করে উৎপাদন করে ।
এই অবস্থাকে ওভারঅ্যাকটিভ থাইরয়েডও বলা হয়। হাইপারথাইরয়েডিজম শরীরের মেটাবলিজমকে ত্বরান্বিত করে।
যখন থাইরয়েড খুব বেশি পরিমাণে T³,T⁴ বা উভয়ই তৈরি করে তখন শরীরে সিস্টেমের গতি বেড়ে যায় । ফলে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা সৃষ্টি হয় ।

➡️কারণ :
হাইপার থাইরয়েডিজম হওয়ার বিভিন্ন কারণ রয়েছে ।যেমন: গ্রেভস ডিজিজ , অটো ইমিউন সিস্টেম, অতিরিক্ত আয়োডিন , থাইরয়েডাইটিস বা থাইরয়েড এর প্রদাহ , থাইরয়েড নোডুলস ,বিষাক্ত থাইরয়েড নোডুলস বা বিষাক্ত অ্যাডনোমা ,ডিম্বাশয় বা অন্ডকোষের টিউমার ইত্যাদি ।

******(থাইরোটক্সিকোসিস এবং হাইপারথাইরয়েডিজম অনেক ক্ষেত্রে একই রকম মনে হলেও এরা ভিন্ন । থাইরোটক্সিকোসিস বিস্তৃত বিষয় ;এর বিভিন্ন রূপের মধ্যে অন্যতম রূপ হল হাইপারথাইরয়েডিজম ।)

➡️লক্ষণ:
ওজন গ্রাস
চুল পরা
দ্রুত হৃদ স্পন্দন/ বুক ধরফর করা
নার্ভাসনেস বা অস্থিরতা
খিটখিটে মেজাজ
হাইপার অ্যাক্টিভিটি বা অতিরিক্ত কার্যকলাপ
ক্লান্তি বোধ
ঘুমাতে সমস্যা
হাত পা কাঁপুনি
পেশি দুর্বলতা
গরম বেশি লাগা
অতিরিক্ত ঘাম হওয়া
চোখ বড় হওয়া (eye disease)
ঘন ঘন মলত্যাগ ইত্যাদি।

রক্ত পরীক্ষা করে TSH এর পরিমাণ কম আসলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী মেডিসিন খেতে হবে । তবে এর পরিমাণ বা মাত্রা এর উপর নির্ভর করে ঔষধ এবং খাদ্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত ।হাইপার থাইরয়েডিজমে যে সমস্ত খাবার গ্রহণ করতে হবে :
1)কম আয়োডিনযুক্ত খাবার
2)আয়োডিন মুক্ত লবণ
3)ডি-ক্যাফিনেটেড কফি বা চা
4)ডিমের সাদা অংশ
5)তাজা বা টিনজাত ফল
6)লবণবিহীন বাদাম
7)ঘরে তৈরি রুটি বা লবণবিহীন রুটি বা ডিম ছাড়া রুটি
8)আয়োডিন মুক্ত লবণ দিয়ে পপকর্ণ
9) ওর্টস
10)আলু
11) মধু
12)ব্রকলি
13)ফুলকপি

* এড়িয়ে যেতে হবে:
🚫 সামুদ্রিক খাদ্য
🚫অতিরিক্ত লবণযুক্ত খাদ্য
🚫 কাঁকড়া
🚫চিংড়ি
🚫পনির
➡️➡️( অর্থাৎ আয়োডিন আছে এমন খাবার)

রওনক জাহান ( RJ Troyee )
কন্টেন্ট রাইটার ও ইন্টার্ন এইচ.আর,
20 Minute Medical

পড়া শেষে Done লিখুন , থাইরয়েডিজম এর পরবর্তী পার্টগুলোর লিংক দেয়া হবে , যাতে খাদ্য ব্যবস্থাপনাসহ নির্দেশনা রয়েছে ।
1
🌿 যে ব্যক্তি সকালে নিচের দু'আ চারবার পাঠ করবে আল্লাহ তাকে জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্ত করবেন।

🌻 সকালে চারবার

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَصْبَحْتُ أُشْهِدُكَ، وَأُشْهِدُ حَمَلَةَ عَرْشِكَ، وَمَلَاىِٕكَتَكَ، وَجَمِيْعَ خَلْقِكَ، أَنَّكَ أَنْتَ اللّٰهُ لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ وَحْدَكَ لَا شَرِيْكَ لَكَ، وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُكَ وَرَسُوْلُكَ

হে আল্লাহ, আমি সকালে উপনীত হয়েছি। আপনাকে আমি সাক্ষী রাখছি, আরও সাক্ষী রাখছি আপনার আরশ বহনকারীদেরকে, আপনার ফেরেশতাগণকে ও আপনার সকল সৃষ্টিকে যে নিশ্চয় আপনিই আল্লাহ, একমাত্র আপনি ছাড়া আর কোন হক ইলাহ নেই, আপনার কোনো শরীক নেই; আর মুহাম্মাদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপনার বান্দা ও রাসূল।

🌻 বিকালে চারবার

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَمْسَيْتُ أُشْهِدُكَ، وَأُشْهِدُ حَمَلَةَ عَرْشِكَ، وَمَلَاىِٕكَتَكَ، وَجَمِيْعَ خَلْقِكَ، أَنَّكَ أَنْتَ اللّٰهُ لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ وَحْدَكَ لَا شَرِيْكَ لَكَ، وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُكَ وَرَسُوْلُكَ

হে আল্লাহ, আমি বিকালে উপনীত হয়েছি। আপনাকে আমি সাক্ষী রাখছি, আরও সাক্ষী রাখছি আপনার আরশ বহনকারীদেরকে, আপনার ফেরেশতাগণকে ও আপনার সকল সৃষ্টিকে যে নিশ্চয় আপনিই আল্লাহ, একমাত্র আপনি ছাড়া আর কোন হক ইলাহ নেই, আপনার কোনো শরীক নেই; আর মুহাম্মাদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপনার বান্দা ও রাসূল।

🤲 আমরা প্রতিনিয়ত আমালের নিয়ত করি, আল্লাহ সহজ করে দেন এবং এর ফজিলত দান করেন। আমিন।

♥️ সকাল বিকাল/ সন্ধ্যার যিকির।
🚦 মাসনুন দু'আ আমালের সময় রবের উপর পূর্ন আস্থা সহ অর্থের দিকে মনযোগ দিয়ে আমল করাই উচিৎ -অন্যথায় দু'আ কবুল না হওয়ার সম্ভাবনায় বেশি, যদিও আমলের সওয়াব পেয়ে যাবে।

🔗
#দুরুদ #কুরআন #আয়াত #হাদিস #সুরক্ষা #আমল #সকাল #বিকাল #সন্ধ্যা #সকাল_বিকালের_যিকির #যিকির #Assalamalaikum #রাসুল #রাসূল #দুয়া #islamic #আল্লাহ #islamicreminders #islamicpost #islamicquotes #Muslims #muslimah #muslimcommunity #MuslimUmmah #religion #safety
💐
1
যখন ফিতনা সৃষ্টি হয়, তখন সুন্নাহ আঁকড়ে ধরুন। চুপ করে থাকা আবশ্যক করে নিন। যেটা আপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়, সেটাতে জড়ানো থেকে বিরত থাকুন। আর যেটা আপনার কাছে অস্পষ্ট ঠেকে— তা আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের দিকে সোপর্দ করুন। থামুন, অপেক্ষা করুন এবং বলুন, ‘আল্লাহ তাআলাই সবচেয়ে ভালো জানেন’।

ইমাম জাহাবি রাহিমাহুল্লাহ, সিয়ারু আলামিন নুবালা: ২০/১৪১)
2
নিম্নবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্তদের জন্য বাড়ি নির্মাণের জন্য কিছু পরামর্শ
* পরিবারের সকলের সাথে বসে পরামর্শ নিন।
* পরবর্তী ২০ বছরে বাড়িতে কে কে থাকতে পারে সেটা মাথায় নিয়ে রুমের সংখ্যা নির্ধারণ করুন।
* আপনার সর্বোচ্চ বাজেট নির্ধারণ করুন। নগদ অর্থ হাতে কত আছে তার উপর ঠিক করুন বাড়ি কেমন হবে।
* স্বপ্ন, আবেগ এবং বাস্তবতা ভিন্ন। মনে রাখবেন, সব চাওয়া পৃথিবীতে পাওয়া হয়না।
* ১৫ লক্ষ টাকা হাতে আছে, সেই টাকার ভিতর ডিজাইন করুন। অমুক জায়গা থেকে টাকা পেতে পারেন, তখন সব হয়ে যাবে। এমন সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসুন। যদি টাকা না পান তাহলে? আর যদি টাকা পেয়েই যান তাহলে সেই অপশন রেখে ইঞ্জিনিয়ার ও আর্কিটেক্টকে ডিজাইন করতে বলুন।
* মুখস্থ বিদ্যায় ফাউন্ডেশন করবেন না। আপনার বাজেট অনুযায়ী ইঞ্জিনিয়ার ফাউন্ডেশন নির্ধারণ করবে। বাজেট আছে ২ লক্ষ টাকার কিংবা ইহজনমে আপনার ৪ তলার ফাউন্ডেশনের সামর্থ্য নেই, তাহলে অযথা মজবুত করতে গিয়ে বাড়তি ফাউন্ডেশনের টাকা অপচয় করবেন না।
* আপনার সার্বিক পরিকল্পনা ইঞ্জিনিয়ার ও আর্কিটেক্ট এর সাথে শেয়ার করুন। তাদেরকে বলুন আপনার বাজেটের ভিতর ডিজাইন করতে।
* লক্ষ কোটি টাকার বাড়ির বানাতে ইঞ্জিনিয়ার ও আর্কিটেক্ট এর জন্য কিছু বরাদ্দ রাখুন। আপনার নিজের ও মিস্ত্রির দেয়া ডিজাইনে বাড়ি করতে গিয়ে ক্ষতি ডেকে আনবেন না।
* আপনি, মিস্ত্রি, ঠিকাদার কেউ তো আধুনিক স্থাপত্য, নকশা, আলো বাতাস চলাচল, ফ্লোর প্লান, ইন্টেরিয়র ও স্ট্রাকচারাল বিষয়ে পড়াশোনা করেননি। আপনারা শুধুমাত্র মতামত দিতে পারেন, সিদ্ধান্ত নয়।
* ইউটিউব বা ইন্টারনেট থেকে ছবি বা ডিজাইন নিয়ে বাড়ি নির্মাণের পরিকল্পনা বাদ দিন। এসব মাধ্যম থেকে যদি কিছু পছন্দ হয় তা ইঞ্জিনিয়ার ও আর্কিটেক্ট এর কাছে মন খুলে বলুন। তিনি আপনার চাওয়াকে প্রাধান্য দিবেন। সস্তার ৩ অবস্থা হয়। "১৫০০ টাকায় বাড়ির ডিজাইন করা হয়" এমন বিজ্ঞাপন দেখে ভিড় জমাবেন না। যিনি অভিজ্ঞ তিনি এতো সস্তায় ডিজাইন করে দিবেন না।
* নিজের সামর্থ্য মাথায় রাখুন।
* বাজার যাচাই করে অভিজ্ঞ ব্যক্তির পরামর্শ নিয়ে মালামাল কিনুন।
* মালামাল কিনে কোথায় রাখবেন তা আগেই ঠিক করুন।
* ইট কিনে সাজিয়ে রাখুন, বালি ঢেকে রাখুন, রড মাচান করে রাখুন।
* দাম বাড়বে এমন কথায় ঝাপিয়ে পড়ে মালামাল কিনে কৃত্তিম সংকট তৈরি করবেন না। দাম কমতেও তো পারে!
* প্রয়োজনের অতিরিক্ত মালামাল কিনে নষ্ট ও অপচয় রোধ করুন।
* খুচরা খোয়া না কিনে পিকেট ইট কিনে ভাংগিয়ে নিন।
* কলাম, বীম, ছাদে কয়টা রড ও কত মিলিমিটার রড ব্যবহার করবেন, কলামের মাটি কত ফুট গভীর হবে সেইসব সিদ্ধান্ত আপনার, ঠিকাদারের বা মিস্ত্রির নয়। এটার দায়িত্ব ইঞ্জিনিয়ারের।
* আগে মাথা গোজার ঠাঁই ঠিক করুন, তারপর চাকচিক্য।
* সামর্থ্য না থাকলে ইটের গায়ে পয়েন্টিং করুন। পছন্দ নাহলে পরে তো প্লাস্টার ও রঙ করার সুযোগ আছেই।
* ইটের গাথুনিতে ৮/১০ মিলিমিটার রড ব্যবহার করুন, এতে মসলার অপচয় রোধ হবে।
* ১০" ইটের গাথুনির কাজে Rat Trap দেয়াল গাথুনি দিতে পারেন। এতে ইট কম লাগে, অধিক মজবুত, গরম কম অনুভূত হবে। (ছবিতে দিয়েছি, তাছাড়া ইন্টারনেট ঘাটুন)।
* অনেক মিস্ত্রি অনেক কাজে পারদর্শী নয় কিংবা তার খাটুনি বেশি হয়, এজন্য অনেক মিস্ত্রি এসব আধুনিক কাজে ভুলভাল পরামর্শ দিতে পারে আপনাকে। আমরা বাস্তবে এসব প্রয়োগ না করে নিশ্চয়ই পাবলিক প্লেসে এসে ভুলভাল পরামর্শ দিচ্ছিনা।
* একজন ইঞ্জিনিয়ার ও আর্কিটেক্ট সবসময় চেষ্টা করে আধুনিক অনেক কিছু রপ্ত করে ডিজাইন করতে, যা আপনার কাছে এখনো অজানা। আপনি, মিস্ত্রি বা ঠিকাদার নিশ্চয়ই এটা নিয়ে কাজ করেননি?। ঠিকাদার ও মিস্ত্রি অভিজ্ঞ হলেও ডিজাইন ও স্ট্রাকচারাল বিষয় তার পেশা নয়।
* আপনি তো আর রঙের মিস্ত্রি দিয়ে প্লাস্টারের কাজ করাবেন না, তাই না? সেকারনে যার যে কাজ তাকেই সেই কাজে নিয়োগ করুন।
* ১/২ তলার বাড়ির জন্য নিজে সময় দিন। ঠিকাদার নিয়োগ করে অর্থের অপচয় রোধ করুন। প্রয়োজন মনে করলে সাইট ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগ করুন।
* যতই পরিচিত হোক না কেন, মিস্ত্রি বা ঠিকাদারের সাথে লিখিত চুক্তি করুন। চুক্তিতে এটা অবশ্যই করুন "ডিজাইনের বাইরের কাজের মালামাল ও পারিশ্রমিকের যাবতীয় খরচ ও ক্ষতিপূরণ মিস্ত্রি বা ঠিকাদার নিজে বহন করবে।"
* কিউরিং, সিমেন্ট বালির অনুপাত, মাখানো মসলা কত সময়ের মধ্যে ব্যবহার করতে হয়, কখন প্লাস্টার ও রঙ করতে হয়, কিভাবে রঙ করতে হবে ইত্যাদি বিষয় নিয়ে ইন্টারনেট ঘাটুন। ডিজাইন নিয়ে নয়।
* একটা বাড়ি নির্মাণ করতে যদি ১০০ টা আইটেম লাগে, তাহলে সঠিক পরিকল্পনা করে প্রতি আইটেমেই কিছু কিছু করে টাকা বাঁচাতে পারলেই লাভ আপনার। দিন শেষে বেশ টাকা বাঁচাতে পারবেন।
* এবার আপনি মাথা খাটান, তাহলে আরো কিছু আপনার মাথা থেকে বের হবে।
* খরচ কমানোর আরো অনেক টেকনিক্যাল বিষয় আছে, যা এভাবে লিখে পরামর্শ দেয়াটা আসলে সম্ভব নয়।

কালেক্টেড পোস্ট
বিল্ডিং ডিজাইন ও নির্মাণের যেকোন প্রয়োজনেঃ-
Engr Md. Harunur Rashid
Chairman & Founder
Rashid Engineering & Architects Limited
Mobile: +88 01775341927(
👍31