প্রশ্ন: জনৈক বক্তা বলেছেন, “নারীকে শুধু স্বামীর সেবা-সম্মান ও বাচ্চা প্রসবের জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে।” এ কথা কি সঠিক?
উত্তর:
আমার জানামতে কুরআন-সুন্নাহয় এমন কোনও বক্তব্য নেই। এটি বক্তার নিজস্ব মতামত মাত্র। আর মানুষের মতামত ভুল-শুদ্ধ উভয়টি হওয়ার সম্ভাবনা রাখে। কোনও মানুষই ভুল-ত্রুটির ঊর্ধ্বে নয়। আমাদের কর্তব্য, সঠিকটা গ্রহণ করা এবং ভুলটা প্রত্যাখ্যান করা।
বাস্তবে উপরোক্ত কথাটি কুরআন-সুন্নাহ পরিপন্থী। হ্যাঁ, নারীর বিয়ে হলে স্বামীর হক আদায় করবে, বৈধ কাজে তার আনুগত্য করবে, যথাসাধ্য তার সেবা-শুশ্রূষা করবে এবং হালাল মিলনের মাধ্যমে সন্তান গ্রহণ করবে। এগুলো নারীদের অন্যতম দায়িত্ব। কিন্তু এগুলোই তাদেরকে সৃষ্টির একমাত্র উদ্দেশ্য নয়। বরং সঠিক কথা হল, আল্লাহ তাআলা সকল মানুষ ও জিনকে সৃষ্টি করেছেন কেবল তার ইবাদত করার উদ্দেশ্যে; অন্য কোনো উদ্দেশ্যে নয়। আল্লাহ তাআলা বলেন,
مَا خَلَقْتُ الْجِنَّ وَالْإِنسَ إِلَّا لِيَعْبُدُونِ
“আমার এবাদত করার জন্যই আমি মানব ও জিন জাতি সৃষ্টি করেছি।" [সূরা যারিয়াত: ৫৬]
আর বিয়ে-শাদি, দাম্পত্য, পরিবার গঠন ইত্যাদি ইসলামি শরিয়তের একটি অংশ মাত্র। কেউ যদি চারিত্রিক পবিত্রতা অর্জন এবং সন্তান গ্রহণের মাধ্যমে আল্লাহর জমিনকে আবাদ করার উদ্দেশ্যে বিয়ে করে তাহলে এতে সে সওয়াব অর্জন করবে ইনশাআল্লাহ।
কিন্তু কোনও নারী যদি জীবনেও বিয়ে না করে অথবা বিয়ে করার পর বিশেষ কোনও কারণে সন্তান গ্রহণ থেকে বিরত থাকে কিন্তু তাওহীদ ও সুন্নাহ ভিত্তিক আমল করে তাহলেও সে আখিরাতে মুক্তি পাবে ইনশাআল্লাহ। কিন্তু বিনা কারণে বিয়ে না করার ফলে যদি সে পাপাচারে লিপ্ত হয় অথবা বিনা দরকারে স্থায়ীভাবে সন্তান গ্রহণ থেকে বিরত থাকে তাহলে গুনাহগার হবে। সে জন্য তওবা করা জরুরি। কিন্তু বিয়ের চেষ্টা থাকার পরও কোনও কারণে বিয়ে করতে না পারলেও অথবা সন্তান-সন্ততি না হলে সে গুনাহ থেকে রক্ষা পাবে ইনশাআল্লাহ।
সুতরাং এখান থেকে প্রমাণিত হয়, উপরোক্ত বক্তব্য সঠিক নয়।
তবে বর্তমানে বহু নারী যেভাবে স্বামী, সংসার ও পরিবার ছেড়ে পুরুষদের সাথে পাল্লা দিয়ে হালাল-হারামের তোয়াক্কা না করে চাকরি-বাকরি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থ উপার্জনে নেমে পড়েছে তা অবশ্যই শরিয়ত সম্মত নয়। অবশ্য শরিয়ত নির্দেশিত পন্থায় পূর্ণ পর্দা রক্ষা করে এবং ফেতনা থেকে দূরে থেকে কতিপয় শর্ত সাপেক্ষে তাদের চাকরি, ব্যবসা-বাণিজ্য অর্থ উপার্জন করা অবৈধ নয়। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর যুগেও নারীরা ব্যবসা-বাণিজ্য করেছেন। (এ বিষয়ে অচিরেই আলাদা পোস্ট দেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ।)
পরিশেষে বলব, আলেমদের কথাবার্তা ও ভাষা প্রয়োগে আরও সংযত ও সচেতন হওয়া উচিত। যেন তাদের কোনও কথার ফাঁক দিয়ে অমুসলিম, নাস্তিক ও ইসলাম বিদ্বেষীরা ইসলাম সম্পর্কে কটূক্তি করার সুযোগ না পায়।আল্লাহ হেফাজত করুন। আমিন।
-আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
#abdullahilhadi
উত্তর:
আমার জানামতে কুরআন-সুন্নাহয় এমন কোনও বক্তব্য নেই। এটি বক্তার নিজস্ব মতামত মাত্র। আর মানুষের মতামত ভুল-শুদ্ধ উভয়টি হওয়ার সম্ভাবনা রাখে। কোনও মানুষই ভুল-ত্রুটির ঊর্ধ্বে নয়। আমাদের কর্তব্য, সঠিকটা গ্রহণ করা এবং ভুলটা প্রত্যাখ্যান করা।
বাস্তবে উপরোক্ত কথাটি কুরআন-সুন্নাহ পরিপন্থী। হ্যাঁ, নারীর বিয়ে হলে স্বামীর হক আদায় করবে, বৈধ কাজে তার আনুগত্য করবে, যথাসাধ্য তার সেবা-শুশ্রূষা করবে এবং হালাল মিলনের মাধ্যমে সন্তান গ্রহণ করবে। এগুলো নারীদের অন্যতম দায়িত্ব। কিন্তু এগুলোই তাদেরকে সৃষ্টির একমাত্র উদ্দেশ্য নয়। বরং সঠিক কথা হল, আল্লাহ তাআলা সকল মানুষ ও জিনকে সৃষ্টি করেছেন কেবল তার ইবাদত করার উদ্দেশ্যে; অন্য কোনো উদ্দেশ্যে নয়। আল্লাহ তাআলা বলেন,
مَا خَلَقْتُ الْجِنَّ وَالْإِنسَ إِلَّا لِيَعْبُدُونِ
“আমার এবাদত করার জন্যই আমি মানব ও জিন জাতি সৃষ্টি করেছি।" [সূরা যারিয়াত: ৫৬]
আর বিয়ে-শাদি, দাম্পত্য, পরিবার গঠন ইত্যাদি ইসলামি শরিয়তের একটি অংশ মাত্র। কেউ যদি চারিত্রিক পবিত্রতা অর্জন এবং সন্তান গ্রহণের মাধ্যমে আল্লাহর জমিনকে আবাদ করার উদ্দেশ্যে বিয়ে করে তাহলে এতে সে সওয়াব অর্জন করবে ইনশাআল্লাহ।
কিন্তু কোনও নারী যদি জীবনেও বিয়ে না করে অথবা বিয়ে করার পর বিশেষ কোনও কারণে সন্তান গ্রহণ থেকে বিরত থাকে কিন্তু তাওহীদ ও সুন্নাহ ভিত্তিক আমল করে তাহলেও সে আখিরাতে মুক্তি পাবে ইনশাআল্লাহ। কিন্তু বিনা কারণে বিয়ে না করার ফলে যদি সে পাপাচারে লিপ্ত হয় অথবা বিনা দরকারে স্থায়ীভাবে সন্তান গ্রহণ থেকে বিরত থাকে তাহলে গুনাহগার হবে। সে জন্য তওবা করা জরুরি। কিন্তু বিয়ের চেষ্টা থাকার পরও কোনও কারণে বিয়ে করতে না পারলেও অথবা সন্তান-সন্ততি না হলে সে গুনাহ থেকে রক্ষা পাবে ইনশাআল্লাহ।
সুতরাং এখান থেকে প্রমাণিত হয়, উপরোক্ত বক্তব্য সঠিক নয়।
তবে বর্তমানে বহু নারী যেভাবে স্বামী, সংসার ও পরিবার ছেড়ে পুরুষদের সাথে পাল্লা দিয়ে হালাল-হারামের তোয়াক্কা না করে চাকরি-বাকরি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থ উপার্জনে নেমে পড়েছে তা অবশ্যই শরিয়ত সম্মত নয়। অবশ্য শরিয়ত নির্দেশিত পন্থায় পূর্ণ পর্দা রক্ষা করে এবং ফেতনা থেকে দূরে থেকে কতিপয় শর্ত সাপেক্ষে তাদের চাকরি, ব্যবসা-বাণিজ্য অর্থ উপার্জন করা অবৈধ নয়। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর যুগেও নারীরা ব্যবসা-বাণিজ্য করেছেন। (এ বিষয়ে অচিরেই আলাদা পোস্ট দেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ।)
পরিশেষে বলব, আলেমদের কথাবার্তা ও ভাষা প্রয়োগে আরও সংযত ও সচেতন হওয়া উচিত। যেন তাদের কোনও কথার ফাঁক দিয়ে অমুসলিম, নাস্তিক ও ইসলাম বিদ্বেষীরা ইসলাম সম্পর্কে কটূক্তি করার সুযোগ না পায়।আল্লাহ হেফাজত করুন। আমিন।
-আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
#abdullahilhadi
কাঁচা লবন খাবেন না মানে বাড়তি লবন খাবেন না৷
এমনিতে তরকারিতে যে লবন খাই সেটাতো বাদ দিতে পারবোনা।
টেবিলে যে লবন থাকে, ভাত খাবার সময় ছিটিয়ে নেই বা শসা,পেয়ার খাবার সময় যে লবনটা বাড়তি হিসেবে নেই সেটাকে বাদ দিতে পারলে কিছু লবন তো বাদ দেওয়া হলো। এভাবে বাড়তি লবন যেটা খাওয়া হয় সেটার পরিমান কিন্তু বেশিই হয়। তাই বলা হয় কাঁচা লবন খাবেননা বা বাড়তি লবন খাবেন না৷
কিন্তু আমরা ধরে নেই যে লবনটা কাঁচা বলেই হয়ত সমস্যা। তাই অনেকে লবন ভেজে খায়। আসলে তা নয়।
পরিমিত লবন খাওয়া উচিত। একেবারেই খাবেননা তাও বলছিনা। আমরা প্রতিদিনের রান্না খাবারে যে লবন দেই তাই যথেষ্ট। উপরন্তু আমরা ফলমূল ও অন্যান্য খাবার থেকেও লবন পাই।
লবনকে আমরা ডাক্তারি ভাষায় বলি মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টস। এখানে মাইক্রো বলা হয়েছে- কারণ এটি খুব অল্প পরিমানে লাগে।
প্রতিদিন কতটুকু লবন আমাদের প্রয়োজন?
বয়স(১-৩) বছর – ২ গ্রাম/দিন
বয়স(৪-৬) বছর – ৩ গ্রাম/দিন
বয়স(৭-১০) বছর – ৫ গ্রাম /দিন
বয়স (১১ বছর – প্রাপ্তবয়স্ক)- ৫ গ্রাম/দিন বা ১ চা চামচের একটু কম।
১বছরের কম বয়সী বাচ্চাদের ১ গ্রাম/দিন হলেই যথেষ্ট।
ছয় মাসের কম বয়সী বাচ্চাদের মায়ের বুকের দুধের মাধ্যমেই লবণের চাহিদা পূরণ হয়ে যায়। তাই এই সময়ে লবন দেওয়ার প্রয়োজন নেই।
ডা. মো. গুলজার হোসেন
সহকারি অধ্যাপক
হেমাটোলজি বিভাগ
(রক্তরোগ ও রক্তক্যান্সার বিশেষজ্ঞ)
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়।
এমনিতে তরকারিতে যে লবন খাই সেটাতো বাদ দিতে পারবোনা।
টেবিলে যে লবন থাকে, ভাত খাবার সময় ছিটিয়ে নেই বা শসা,পেয়ার খাবার সময় যে লবনটা বাড়তি হিসেবে নেই সেটাকে বাদ দিতে পারলে কিছু লবন তো বাদ দেওয়া হলো। এভাবে বাড়তি লবন যেটা খাওয়া হয় সেটার পরিমান কিন্তু বেশিই হয়। তাই বলা হয় কাঁচা লবন খাবেননা বা বাড়তি লবন খাবেন না৷
কিন্তু আমরা ধরে নেই যে লবনটা কাঁচা বলেই হয়ত সমস্যা। তাই অনেকে লবন ভেজে খায়। আসলে তা নয়।
পরিমিত লবন খাওয়া উচিত। একেবারেই খাবেননা তাও বলছিনা। আমরা প্রতিদিনের রান্না খাবারে যে লবন দেই তাই যথেষ্ট। উপরন্তু আমরা ফলমূল ও অন্যান্য খাবার থেকেও লবন পাই।
লবনকে আমরা ডাক্তারি ভাষায় বলি মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টস। এখানে মাইক্রো বলা হয়েছে- কারণ এটি খুব অল্প পরিমানে লাগে।
প্রতিদিন কতটুকু লবন আমাদের প্রয়োজন?
বয়স(১-৩) বছর – ২ গ্রাম/দিন
বয়স(৪-৬) বছর – ৩ গ্রাম/দিন
বয়স(৭-১০) বছর – ৫ গ্রাম /দিন
বয়স (১১ বছর – প্রাপ্তবয়স্ক)- ৫ গ্রাম/দিন বা ১ চা চামচের একটু কম।
১বছরের কম বয়সী বাচ্চাদের ১ গ্রাম/দিন হলেই যথেষ্ট।
ছয় মাসের কম বয়সী বাচ্চাদের মায়ের বুকের দুধের মাধ্যমেই লবণের চাহিদা পূরণ হয়ে যায়। তাই এই সময়ে লবন দেওয়ার প্রয়োজন নেই।
ডা. মো. গুলজার হোসেন
সহকারি অধ্যাপক
হেমাটোলজি বিভাগ
(রক্তরোগ ও রক্তক্যান্সার বিশেষজ্ঞ)
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়।
• কাপল ভ্লগিং •
ভ্লগ জগতের বড় নি/র্ল/জ্জ আর আত্ম-মর্যাদাহীন একটি প্রকার হলো কাপল ভ্লগিং। কাপল ভ্লগিংয়ের মানে হচ্ছে স্বামী-স্ত্রী দু'জন মিলে নিজেদের পারিবারিক জীবনযাত্রা, ভ্রমণ, ঘুরে বেড়ানোসহ সকল কিছু নিয়ে কন্টেন্ট তৈরি করা। কিছুদিন আগেও এই টাইপের ভ্লগিংয়ের কোনো অস্তিত্ব ছিল না। কয়েকজন কাপল এই ধরনের ভ্লগিং করে মিডিয়া জগতে ব্যাপকভাবে আলোচনায় আসার পর থেকে এর প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ব্যাপকভাবে বিবাহিত তরুণ-তরুণী এই ধরনের ভ্লগিংয়ের দিকে ঝুঁকছে।
কোনো আত্ম-মর্যাদাবান পুরুষ ও নারীর পক্ষে কাপল ভ্লগিং করা সম্ভব না। কিন্তু ভ্লগের এই ট্রেন্ড আমাদের অনেকের হায়া, লজ্জা আর আত্ম-মর্যাদাবোধকে বিকিয়ে দিয়েছে। দাম্পত্যজীবন একান্তই ব্যক্তিগতভাবে উপভোগ করার একটা জীবন। পারিবারিক এই সম্পর্কের প্রতিটি মুহূর্তই খুবই দামি ও অমূল্য সময়। এই জীবনের চিত্র মানুষকে দেখিয়ে বেড়ানোর নয়। টাকা আর ভাইরাল হওয়ার নে/শা/য় আমরা নিজেদের সিক্রেট লাইফটাকে লক্ষ লক্ষ মানুষের চোখের বাজারে বিক্রি করে দিচ্ছি। নিজেদের ভেতরকার খু/ন/সু/টি, রান্না-বান্না, আ-লি-ঙ্গ-ন, বিছানায় শয়ন, বাইরে ঘুরে বেড়ানো সকল মুহূর্তকেই আমরা টাকা আর ভিউয়ের বিনিময়ে সস্তা বাজারে বিক্রি করে দিচ্ছি।
নববি যুগ থেকে মুসলিমদের গায়রাত তো এমন ছিল যে, তাদের স্ত্রীকে কোনো পরপুরুষ ঘটনাক্রমে দেখে ফেলবে এটাই তারা কল্পনা করতে পারতেন না। ইচ্ছা করে দেখিয়ে বেড়ানো তো দূরের বিষয়। কয়েক যুগ আগেও মুসলিম সমাজে এই রীতি ছিল না। বি-জা-তী-য় সংস্কৃতির আগ্রাসন আমাদের সমাজের দীনি রক্ষণশীলতাকে বিলুপ্ত করে দিয়েছে।
এটা কীভাবে সম্ভব যে, একজন পুরুষ তার স্ত্রীকে নেটের বাজারে ছেড়ে দিয়ে ইনকামের চিন্তা করবে। এটা কি নিজের স্ত্রীর সৌন্দর্য, দেহ, জীবনাচার ইত্যাদি অনলাইনে বিক্রি করে দেওয়া নয়? আমি আমার স্ত্রীকে স্পর্শ করছি, আলিঙ্গন করছি, চোখে চোখ রেখে ভাব বিনিময় করছি, অন্দরমহলে দৈনন্দিন খু-ন-সুটি করছি, একসাথে দু'জন খাবার খাচ্ছি—এই মূল্যবান মুহূর্তগুলো কি বিক্রি করে দেওয়ার মতো, বাজারে ছেড়ে দেওয়ার মতো? কীভাবে একজন পুরুষের পক্ষে সম্ভব নিজের স্ত্রীকে তাবাররুজের মতো ভয়া/বহ ও অ/ভি-শ/প্ত একটি চর্চার দিকে ঠেলে দেওয়া?
আর মেয়ের পক্ষেও বা কীভাবে সম্ভব নিজেকে এভাবে হাজার হাজার মানুষের সামনে প্রদর্শন করে বেড়ানো, নিজের স্বামীর সাথে কাটানো মুহূর্তগুলো নেটের জগতে দেখিয়ে বেড়ানো? তাবাররুজের এর চেয়ে ভয়া/বহ আর নি/*কৃ*/ষ্ট চিত্র আর কী হতে পারে! নিজেকে দেখিয়ে বেড়ানো, হাজার হাজার পুরুষের দৃষ্টির বাজারে নিজেকে উন্মুক্ত করে দেওয়া, অ্যাটেনশন পাওয়া, নি-র্ল-জ্জ বিনয়বিহীন অ্যাক্টিভিটিসহ তাবাররুজের প্রতিটি বৈশিষ্ট্যই এখানে পূর্ণ মাত্রায় বিদ্যমান।
কোনো মুসলিম নারী-পুরুষ তো দূরের কথা, কোনো আত্মমর্যাদাশীল ও ব্যক্তিত্ববান নারী-পুরুষের পক্ষেও এটা করা সম্ভব না। কিন্তু নৈতিকতা বিবর্জিত আধুনিক ভো/গ, পুঁ/জি আর বিনোদন ভিত্তিক কালচার আমাদের হা-য়া, গায়-রাত, ব্যক্তিত্ব, সুস্থ বোধশক্তি সবকিছুকেই মিটিয়ে দিয়েছে।
বই : সৌন্দর্য প্রদর্শন [৮১-৮২ পৃষ্ঠা]
ভ্লগ জগতের বড় নি/র্ল/জ্জ আর আত্ম-মর্যাদাহীন একটি প্রকার হলো কাপল ভ্লগিং। কাপল ভ্লগিংয়ের মানে হচ্ছে স্বামী-স্ত্রী দু'জন মিলে নিজেদের পারিবারিক জীবনযাত্রা, ভ্রমণ, ঘুরে বেড়ানোসহ সকল কিছু নিয়ে কন্টেন্ট তৈরি করা। কিছুদিন আগেও এই টাইপের ভ্লগিংয়ের কোনো অস্তিত্ব ছিল না। কয়েকজন কাপল এই ধরনের ভ্লগিং করে মিডিয়া জগতে ব্যাপকভাবে আলোচনায় আসার পর থেকে এর প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ব্যাপকভাবে বিবাহিত তরুণ-তরুণী এই ধরনের ভ্লগিংয়ের দিকে ঝুঁকছে।
কোনো আত্ম-মর্যাদাবান পুরুষ ও নারীর পক্ষে কাপল ভ্লগিং করা সম্ভব না। কিন্তু ভ্লগের এই ট্রেন্ড আমাদের অনেকের হায়া, লজ্জা আর আত্ম-মর্যাদাবোধকে বিকিয়ে দিয়েছে। দাম্পত্যজীবন একান্তই ব্যক্তিগতভাবে উপভোগ করার একটা জীবন। পারিবারিক এই সম্পর্কের প্রতিটি মুহূর্তই খুবই দামি ও অমূল্য সময়। এই জীবনের চিত্র মানুষকে দেখিয়ে বেড়ানোর নয়। টাকা আর ভাইরাল হওয়ার নে/শা/য় আমরা নিজেদের সিক্রেট লাইফটাকে লক্ষ লক্ষ মানুষের চোখের বাজারে বিক্রি করে দিচ্ছি। নিজেদের ভেতরকার খু/ন/সু/টি, রান্না-বান্না, আ-লি-ঙ্গ-ন, বিছানায় শয়ন, বাইরে ঘুরে বেড়ানো সকল মুহূর্তকেই আমরা টাকা আর ভিউয়ের বিনিময়ে সস্তা বাজারে বিক্রি করে দিচ্ছি।
নববি যুগ থেকে মুসলিমদের গায়রাত তো এমন ছিল যে, তাদের স্ত্রীকে কোনো পরপুরুষ ঘটনাক্রমে দেখে ফেলবে এটাই তারা কল্পনা করতে পারতেন না। ইচ্ছা করে দেখিয়ে বেড়ানো তো দূরের বিষয়। কয়েক যুগ আগেও মুসলিম সমাজে এই রীতি ছিল না। বি-জা-তী-য় সংস্কৃতির আগ্রাসন আমাদের সমাজের দীনি রক্ষণশীলতাকে বিলুপ্ত করে দিয়েছে।
এটা কীভাবে সম্ভব যে, একজন পুরুষ তার স্ত্রীকে নেটের বাজারে ছেড়ে দিয়ে ইনকামের চিন্তা করবে। এটা কি নিজের স্ত্রীর সৌন্দর্য, দেহ, জীবনাচার ইত্যাদি অনলাইনে বিক্রি করে দেওয়া নয়? আমি আমার স্ত্রীকে স্পর্শ করছি, আলিঙ্গন করছি, চোখে চোখ রেখে ভাব বিনিময় করছি, অন্দরমহলে দৈনন্দিন খু-ন-সুটি করছি, একসাথে দু'জন খাবার খাচ্ছি—এই মূল্যবান মুহূর্তগুলো কি বিক্রি করে দেওয়ার মতো, বাজারে ছেড়ে দেওয়ার মতো? কীভাবে একজন পুরুষের পক্ষে সম্ভব নিজের স্ত্রীকে তাবাররুজের মতো ভয়া/বহ ও অ/ভি-শ/প্ত একটি চর্চার দিকে ঠেলে দেওয়া?
আর মেয়ের পক্ষেও বা কীভাবে সম্ভব নিজেকে এভাবে হাজার হাজার মানুষের সামনে প্রদর্শন করে বেড়ানো, নিজের স্বামীর সাথে কাটানো মুহূর্তগুলো নেটের জগতে দেখিয়ে বেড়ানো? তাবাররুজের এর চেয়ে ভয়া/বহ আর নি/*কৃ*/ষ্ট চিত্র আর কী হতে পারে! নিজেকে দেখিয়ে বেড়ানো, হাজার হাজার পুরুষের দৃষ্টির বাজারে নিজেকে উন্মুক্ত করে দেওয়া, অ্যাটেনশন পাওয়া, নি-র্ল-জ্জ বিনয়বিহীন অ্যাক্টিভিটিসহ তাবাররুজের প্রতিটি বৈশিষ্ট্যই এখানে পূর্ণ মাত্রায় বিদ্যমান।
কোনো মুসলিম নারী-পুরুষ তো দূরের কথা, কোনো আত্মমর্যাদাশীল ও ব্যক্তিত্ববান নারী-পুরুষের পক্ষেও এটা করা সম্ভব না। কিন্তু নৈতিকতা বিবর্জিত আধুনিক ভো/গ, পুঁ/জি আর বিনোদন ভিত্তিক কালচার আমাদের হা-য়া, গায়-রাত, ব্যক্তিত্ব, সুস্থ বোধশক্তি সবকিছুকেই মিটিয়ে দিয়েছে।
বই : সৌন্দর্য প্রদর্শন [৮১-৮২ পৃষ্ঠা]
আমরা যখন পর্ণোগ্রাফির কথা বলি তখন মানুষ আসলে একান্ত গোপন কিছু ভিডিওকে বুঝে। কিন্তু টিকটক, রিলস এসব ভিডিওতে যেভাবে নারীদেহের সফট প্রদর্শনী হয়, সেটা পর্ণোগ্রাফির চেয়েও মারাত্মক। নিয়মিত যখন কেউ এটা দেখছে তখন সে অন্য নারীদেরকে পণ্য হিসেবেই দেখবে। সে নারীর অস্তিত্বকে কেবল আকর্ষনীয় ও ব্যবহারযোগ্য বডি হিসেবেই চিন্তা করবে। মাতৃত্ব, সম্মান, ভালবাসা, নৈতিকতার চিন্তা তার মাথায় আসবে না। সেখানে কেবলই আকর্ষণ, রোমান্স এবং যৌনতার কথাই কল্পনা করবে।
যারা এসব ভিডিও দেখে তারা কোনভাবেই এক নারীতে সন্তুষ্ট থাকতে পারবে না। সে পরিপাটি ও প্রদর্শনীমূলক আকর্ষণীয় দেহ দেখতে দেখতে স্ত্রীর প্রতি বিতৃষ্ণ হয়ে উঠবে। বিভিন্ন নারীর স্বাদ সে কামনা করবে।
এমনকি মাহরাম নারীদের প্রতিও তার কল্পনা ঐ দেহ প্রদর্শনীর জায়গায় চলে যাবে। তাদের নিয়েও তার ভিতর মন্দ চিন্তা ও খাহেশাত জাগ্রত হতে থাকবে। আমাদের পরিবার ও সমাজে গোপনে গোপনে এরকম প্রবণতা দিন দিন বৃদ্ধিই পাচ্ছে।
কিন্তু দেখা গেছে পর্ণোগ্রাফির কথা শুনলে আমরা যতটা কপালে ভাজ আসা নেতিবাচক ধারণা রাখি, ফেসবুক রিলস আর টিকটকের আসক্তির ক্ষেত্রে এই নেতিবাচকতাটা আমাদের ভিতর আসে না৷ অথচ ফলাফল ও প্রভাবের দিক থেকে এগুলো আরো ভয়াবহ। এরচেয়ে পরিতাপের বিষয় আর কি হতে পারে যে, একদম ভাত খাওয়া শেখা বাচ্চাকাল থেকেই এসব দেখে দেখে আমাদের একটা প্রজন্ম বেড়ে উঠছে। আমরা কিভাবে আশা রাখতে পারি এই প্রজন্ম চারিত্রিক পবিত্রতার বন্ধনে আবদ্ধ থাকবে!
Iftekhar Sifat
যারা এসব ভিডিও দেখে তারা কোনভাবেই এক নারীতে সন্তুষ্ট থাকতে পারবে না। সে পরিপাটি ও প্রদর্শনীমূলক আকর্ষণীয় দেহ দেখতে দেখতে স্ত্রীর প্রতি বিতৃষ্ণ হয়ে উঠবে। বিভিন্ন নারীর স্বাদ সে কামনা করবে।
এমনকি মাহরাম নারীদের প্রতিও তার কল্পনা ঐ দেহ প্রদর্শনীর জায়গায় চলে যাবে। তাদের নিয়েও তার ভিতর মন্দ চিন্তা ও খাহেশাত জাগ্রত হতে থাকবে। আমাদের পরিবার ও সমাজে গোপনে গোপনে এরকম প্রবণতা দিন দিন বৃদ্ধিই পাচ্ছে।
কিন্তু দেখা গেছে পর্ণোগ্রাফির কথা শুনলে আমরা যতটা কপালে ভাজ আসা নেতিবাচক ধারণা রাখি, ফেসবুক রিলস আর টিকটকের আসক্তির ক্ষেত্রে এই নেতিবাচকতাটা আমাদের ভিতর আসে না৷ অথচ ফলাফল ও প্রভাবের দিক থেকে এগুলো আরো ভয়াবহ। এরচেয়ে পরিতাপের বিষয় আর কি হতে পারে যে, একদম ভাত খাওয়া শেখা বাচ্চাকাল থেকেই এসব দেখে দেখে আমাদের একটা প্রজন্ম বেড়ে উঠছে। আমরা কিভাবে আশা রাখতে পারি এই প্রজন্ম চারিত্রিক পবিত্রতার বন্ধনে আবদ্ধ থাকবে!
Iftekhar Sifat
👍3
লম্বা নারীরা সেক্সচুয়ালি অসন্তুষ্ট ও বহুগামী হয়, আর খাটো নারীরা সেক্সি?
আমাকে অনেকে প্রশ্ন করেছেন, আপনি কোন ধরনের নারী পছন্দ করেন? আমি উত্তর দিয়েছিলাম, খাটো নারী। এটা শুনে লম্বা নারীরা মন খারাপ করবেন না প্লিজ। প্রিন্সেস ম্যারি নামক ইংল্যান্ডের একজন রাণী ছিল। সে অসংখ্য পুরুষের সাথে সেক্স করেছিল কিন্তু কোনো পুরুষই তাকে সুখী করতে পারেনি। একসময় তিনি ফ্রান্সের রাজা দ্বিতীয় ফিলিপের সাথেও সেক্স করেন কিন্তু কেউই তার অনন্ত যৌনতার আগুন নেভাতে পারছিল না। অদ্ভুত ব্যাপার হলো, এজন্য তিনি বাংলাদেশের নারীবাদীদের মতো নিজেকে সেক্সি অথবা হট প্রমাণ করার চেষ্টা করেননি। তিনি তার এ সমস্যাটির কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে ২৪০ জন নারীর যোনি পর্যবেক্ষণ করেছিলেন।
তিনি আবিষ্কার করেছিলেন, যে সকল নারীর যোনির মুখ থেকে তাদের ক্লাইটোরিসের দূরত্ব এক ইঞ্চি থেকে কম, কেবল তারাই পেনিট্রেশনের মাধ্যমে অর্গ্যাজমে রিচ করতে পারে। আর যে সকল নারীর যোনিমুখ থেকে তাদের ক্লাইটোরিসের দূরত্ব এক ইঞ্চির কাছাকাছি অথবা দেড় ইঞ্চি, তারা চিরকাল ক্ষুধার্তই থেকে যায়!
পৃথিবীর কোনো পুরুষের পক্ষে একা পেনিট্রেশনের মাধ্যমে তার যৌনতার আগুন নেভানো সম্ভব নয়, এটি আগ্নেগিরির মতো দাউ দাউ করে জ্বলতেই থাকবে। কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে, এই সকল নারীরা বিশাল যৌন ক্ষমতার অধিকারী, তারা সেক্সের বিলগেটস!
হুমায়ুন আজাদ তার একটি প্রবন্ধে যাদৃচ্ছিকভাবে , নারীকে অনন্ত আগুনের অধিকারী অথবা সেক্সি প্রমাণ করতে চেয়েছিলেন, এটা সঠিক নয়। একজন নারী অনেক বেশি সেক্স চাইলে, এটা তাকে সেক্সি প্রমাণ করে না, এটা প্রমাণ করে যে সে ক্রায়সিসে আছে, তার ট্রিটমেন্ট প্রয়োজন ( সবক্ষেত্রে নয় )!
এমোরি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিহেভিয়রাল নিউরো-এন্ড্রোক্রোনোলজির প্রফেসর কিম ওলান যৌন সহবাসের শরীরবিদ্যা সম্পর্কে একটি গবেষণা পরিচালনা করেছিলেন। ক্লাইটোরাল-ভ্যাজাইনাল ডিস্টেন্সের ওপর পরিচালিত প্রিন্সেস ম্যারি বোনাপার্টের গবেষণাপত্র দেখে তিনি স্তব্ধ হয়ে যান। কিম ওলান আবিষ্কার করেছিলেন, ইন্টারকোর্সের সময় কোন ধরনের নারী অর্গ্যাজম অর্জন করবে, এই প্রসঙ্গে প্রিন্সেস ম্যারির গবেষণা সঠিক ছিল। তিনি বলেন, যে সকল নারীর যোনি মুখ থেকে ক্লাইটোরিসের দূরত্ব একটি বৃদ্ধাঙ্গগুলের প্রস্থের সমান বা এক ইঞ্চির থেকে কম, তারাই কেবল পেনিট্রেশনের মাধ্যমে অর্গ্যাজমে পৌঁছাতে পারে অথবা তারা জ্বলন্ত একটি আগ্নেয়গিরির মতো চিরকাল পুড়তে থাকে!
কিন্তু প্রিন্সেস ম্যারির গবেষণায় একটি টুইস্ট ছিল। তিনি আবিষ্কার করেছিলেন, যোনি ও ক্লাইটোরাল দূরত্বের সাথে নারীর শারীরীক উচ্চতার একটি সম্পর্ক আছে। যে সকল নারীর উচ্চতা ৫ ফুট থেকে কম, তাদের যোনি মুখ থেকে ক্লাইটোরিসের দূরত্ব এক ইঞ্চি থেকে কম হয়ে থাকে। আর যে সকল নারীর উচ্চতা ৬ ফুটের কাছাকাছি, তাদের যোনিমুখ থেকে ক্লাইটোরিসের দূরত্ব এক ইঞ্চি থেকে দেড় ইঞ্চি পর্যন্ত হয়ে থাকে।
এখান থেকে প্রমাণিত হয় যে, লম্বা নারীদের সহবাসের সময় পেনিট্রেশনের মাধ্যমে অর্গ্যাজমে রিচ করতে সমস্যা হয়। তারা জীবনে যত পুরুষই পরিবর্তন করুক না কেন, তাতে কিছুই আসে যায় না, তাদের যৌনতার আগুন পেনিট্রেশন দিয়ে নেভানো সম্ভব না, তাদের জন্য আলাদা সাপ্লিমেন্ট লাগবে, তাদের যোনিতে মুখ ও ভাইব্রেটর ব্যবহার করতে হবে।
সোশ্যাল মিডিয়া ও বিউটি ইন্ডাস্ট্রি এতদিন আমাদের কাছে একটি মিসকনসেপশন প্রচার করে এসেছিল যে, লম্বা নারীরাই সুন্দরী ও সেক্সি। কিন্তু আমাদের আধুনিক গবেষণা আমাদের বলছে, লম্বা নারী সম্পর্কে মিডিয়ার প্রচারিত এই স্টেরিওটাইপ ভুল। আপনি যদি কম সময়ে কোনো নারীকে ইফেক্টিভ অর্গ্যাজম দিতে চান, তবে আপনার প্রয়োজন খাটো নারী।
এই গবেষণা আমাদের কাছে আরও একটি প্রশ্ন উপস্থাপন করে, লম্বা নারীরাই কী সবচেয়ে বেশি পুরুষ বিদ্বেষী ও বহুগামী? এই প্রশ্নের উত্তর আমি জানি না।
তবে খুব সম্ভবত উচ্চতাসম্পন্ন নারীরা সেক্সচুয়ালি অসন্তুষ্ট এবং তাদের মধ্যে বহুগামিতার ফ্রিকোয়েন্সি বেশি। এছাড়া বিজ্ঞানীরা এটাও স্বীকার করেছেন যে, সকল ক্ষেত্রে পৃথিবীর সকল লম্বা নারীর ক্লাইটোরাল দূরত্ব এক ইঞ্চির বেশি হবে, এটা সঠিক নয়। এটি একটি সাধারণ প্যাটার্ন কিন্তু প্রকৃতিতে বৈচিত্র্যতা অসংখ্য!
( আমার লেখা "এক্স-ইউনিভার্স" বইটি না পড়ে কেউ এ আর্টিকেলগুলো থেকে ডিসিশন নেবেন না, বিপদ আছে! প্রি-অর্ডার করুন এখান থেকে- Hyperspace: The Dimension Hoppers)
Reference:
Bonk: The Curious Coupling of Science and Sex Paperback – April 6, 2009
আমাকে অনেকে প্রশ্ন করেছেন, আপনি কোন ধরনের নারী পছন্দ করেন? আমি উত্তর দিয়েছিলাম, খাটো নারী। এটা শুনে লম্বা নারীরা মন খারাপ করবেন না প্লিজ। প্রিন্সেস ম্যারি নামক ইংল্যান্ডের একজন রাণী ছিল। সে অসংখ্য পুরুষের সাথে সেক্স করেছিল কিন্তু কোনো পুরুষই তাকে সুখী করতে পারেনি। একসময় তিনি ফ্রান্সের রাজা দ্বিতীয় ফিলিপের সাথেও সেক্স করেন কিন্তু কেউই তার অনন্ত যৌনতার আগুন নেভাতে পারছিল না। অদ্ভুত ব্যাপার হলো, এজন্য তিনি বাংলাদেশের নারীবাদীদের মতো নিজেকে সেক্সি অথবা হট প্রমাণ করার চেষ্টা করেননি। তিনি তার এ সমস্যাটির কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে ২৪০ জন নারীর যোনি পর্যবেক্ষণ করেছিলেন।
তিনি আবিষ্কার করেছিলেন, যে সকল নারীর যোনির মুখ থেকে তাদের ক্লাইটোরিসের দূরত্ব এক ইঞ্চি থেকে কম, কেবল তারাই পেনিট্রেশনের মাধ্যমে অর্গ্যাজমে রিচ করতে পারে। আর যে সকল নারীর যোনিমুখ থেকে তাদের ক্লাইটোরিসের দূরত্ব এক ইঞ্চির কাছাকাছি অথবা দেড় ইঞ্চি, তারা চিরকাল ক্ষুধার্তই থেকে যায়!
পৃথিবীর কোনো পুরুষের পক্ষে একা পেনিট্রেশনের মাধ্যমে তার যৌনতার আগুন নেভানো সম্ভব নয়, এটি আগ্নেগিরির মতো দাউ দাউ করে জ্বলতেই থাকবে। কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে, এই সকল নারীরা বিশাল যৌন ক্ষমতার অধিকারী, তারা সেক্সের বিলগেটস!
হুমায়ুন আজাদ তার একটি প্রবন্ধে যাদৃচ্ছিকভাবে , নারীকে অনন্ত আগুনের অধিকারী অথবা সেক্সি প্রমাণ করতে চেয়েছিলেন, এটা সঠিক নয়। একজন নারী অনেক বেশি সেক্স চাইলে, এটা তাকে সেক্সি প্রমাণ করে না, এটা প্রমাণ করে যে সে ক্রায়সিসে আছে, তার ট্রিটমেন্ট প্রয়োজন ( সবক্ষেত্রে নয় )!
এমোরি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিহেভিয়রাল নিউরো-এন্ড্রোক্রোনোলজির প্রফেসর কিম ওলান যৌন সহবাসের শরীরবিদ্যা সম্পর্কে একটি গবেষণা পরিচালনা করেছিলেন। ক্লাইটোরাল-ভ্যাজাইনাল ডিস্টেন্সের ওপর পরিচালিত প্রিন্সেস ম্যারি বোনাপার্টের গবেষণাপত্র দেখে তিনি স্তব্ধ হয়ে যান। কিম ওলান আবিষ্কার করেছিলেন, ইন্টারকোর্সের সময় কোন ধরনের নারী অর্গ্যাজম অর্জন করবে, এই প্রসঙ্গে প্রিন্সেস ম্যারির গবেষণা সঠিক ছিল। তিনি বলেন, যে সকল নারীর যোনি মুখ থেকে ক্লাইটোরিসের দূরত্ব একটি বৃদ্ধাঙ্গগুলের প্রস্থের সমান বা এক ইঞ্চির থেকে কম, তারাই কেবল পেনিট্রেশনের মাধ্যমে অর্গ্যাজমে পৌঁছাতে পারে অথবা তারা জ্বলন্ত একটি আগ্নেয়গিরির মতো চিরকাল পুড়তে থাকে!
কিন্তু প্রিন্সেস ম্যারির গবেষণায় একটি টুইস্ট ছিল। তিনি আবিষ্কার করেছিলেন, যোনি ও ক্লাইটোরাল দূরত্বের সাথে নারীর শারীরীক উচ্চতার একটি সম্পর্ক আছে। যে সকল নারীর উচ্চতা ৫ ফুট থেকে কম, তাদের যোনি মুখ থেকে ক্লাইটোরিসের দূরত্ব এক ইঞ্চি থেকে কম হয়ে থাকে। আর যে সকল নারীর উচ্চতা ৬ ফুটের কাছাকাছি, তাদের যোনিমুখ থেকে ক্লাইটোরিসের দূরত্ব এক ইঞ্চি থেকে দেড় ইঞ্চি পর্যন্ত হয়ে থাকে।
এখান থেকে প্রমাণিত হয় যে, লম্বা নারীদের সহবাসের সময় পেনিট্রেশনের মাধ্যমে অর্গ্যাজমে রিচ করতে সমস্যা হয়। তারা জীবনে যত পুরুষই পরিবর্তন করুক না কেন, তাতে কিছুই আসে যায় না, তাদের যৌনতার আগুন পেনিট্রেশন দিয়ে নেভানো সম্ভব না, তাদের জন্য আলাদা সাপ্লিমেন্ট লাগবে, তাদের যোনিতে মুখ ও ভাইব্রেটর ব্যবহার করতে হবে।
সোশ্যাল মিডিয়া ও বিউটি ইন্ডাস্ট্রি এতদিন আমাদের কাছে একটি মিসকনসেপশন প্রচার করে এসেছিল যে, লম্বা নারীরাই সুন্দরী ও সেক্সি। কিন্তু আমাদের আধুনিক গবেষণা আমাদের বলছে, লম্বা নারী সম্পর্কে মিডিয়ার প্রচারিত এই স্টেরিওটাইপ ভুল। আপনি যদি কম সময়ে কোনো নারীকে ইফেক্টিভ অর্গ্যাজম দিতে চান, তবে আপনার প্রয়োজন খাটো নারী।
এই গবেষণা আমাদের কাছে আরও একটি প্রশ্ন উপস্থাপন করে, লম্বা নারীরাই কী সবচেয়ে বেশি পুরুষ বিদ্বেষী ও বহুগামী? এই প্রশ্নের উত্তর আমি জানি না।
তবে খুব সম্ভবত উচ্চতাসম্পন্ন নারীরা সেক্সচুয়ালি অসন্তুষ্ট এবং তাদের মধ্যে বহুগামিতার ফ্রিকোয়েন্সি বেশি। এছাড়া বিজ্ঞানীরা এটাও স্বীকার করেছেন যে, সকল ক্ষেত্রে পৃথিবীর সকল লম্বা নারীর ক্লাইটোরাল দূরত্ব এক ইঞ্চির বেশি হবে, এটা সঠিক নয়। এটি একটি সাধারণ প্যাটার্ন কিন্তু প্রকৃতিতে বৈচিত্র্যতা অসংখ্য!
( আমার লেখা "এক্স-ইউনিভার্স" বইটি না পড়ে কেউ এ আর্টিকেলগুলো থেকে ডিসিশন নেবেন না, বিপদ আছে! প্রি-অর্ডার করুন এখান থেকে- Hyperspace: The Dimension Hoppers)
Reference:
Bonk: The Curious Coupling of Science and Sex Paperback – April 6, 2009
❤1👍1🔥1
কাফাহ বা কুফু (আরবি: الكفاءة; আল-কাফ'আ৷ অর্থঃ দক্ষতা বা যোগ্যতা) হল ইসলামে বিয়ের ব্যাপারে ইসলামী আইনশাস্ত্রের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত একটি শব্দ, যার আরবি ভাষায় আক্ষরিক অর্থ, দক্ষতা বা সমতা, সমান, সাদৃশ্য, সমকক্ষ, সমতুল্য ইত্যাদি।[১][২][৩] বিয়ের ক্ষেত্রে বর-কনের রুচি, চাহিদা, বংশ, যোগ্যতা সব কিছু সমান সমান বা কাছাকাছি হওয়াকে ইসলামী পরিভাষায় কুফু বলে।[৪] অতএব, একে একটি সম্ভাব্য স্বামী এবং তার সম্ভাব্য স্ত্রীর মধ্যে সামঞ্জস্য বা সমতা হিসাবে সংজ্ঞায়িত করা হয় যা মেনে চলতে হবে।[৩] এই সামঞ্জস্য ধর্ম, সামাজিক মর্যাদা, নৈতিকতা, ধার্মিকতা, সম্পদ, বংশ বা রীতিনীতির অন্তর্ভুক্ত একাধিক কারণের উপর নির্ভরশীল।[৫] সাধারণত ধর্মীয় নৈতিকতাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হলেও আলেমগণ কনের তুলনায় বরের সার্বিক অবস্থানকে কাছাকাছি কিন্তু তুলনামুলক উত্তম হওয়া সুবিধাজনক বলে পরামর্শ দেন, এবং বরের অবস্থান যেন কনের অবস্থান থেকে নীচু না হয় সে ব্যাপারে লক্ষ রাখতে বলেন।
"বুয়েট থেকে পাশ করছি প্রায় ছয় মাস হতে চললো।
এই ছয় মাসে নানান রকমের মানুষের সাথে মিশে আমার উপলব্ধি হলো কোথাও কেউ সুখে নাই।
যার চাকরী আছে সে বলতেছে, চাকরি করা পেইন, প্রতিদিন এক জায়গায় যাওয়া বোরিং। যার চাকরি নাই সে বলতেছে চাকরি ছাড়া ঝামেলায় আছে অনেক।
যে বিসিএস এডমিন সে বলতেছে, পাওয়ার কোম্পানীতে বেতন ভালো। যে পাওয়ার কোম্পানীতে আছে, সে বলতেছে এডমিনদের সেই ক্ষমতা আছে হাতে।
যে ইন্ড্রাস্টিয়াল চাকরি করতেছে, সে বলতেছে টিচিং প্রফেশান ভালো বেশি। অল্প পরিশ্রমে বেশি টাকা। যে টিচার সে বলতেছে, কেন শুরুতে ইন্ড্রাস্টিতে ঢুকলাম না, এতদিনে লাখ টাকা বেতন হতো।
যে বিদেশে আছে সে বলতেছে, দেশে একটা সরকারী চাকরি করে আরামে থাকতে পারতাম, হুদাই আসছি বিদেশে।
যে দেশে আছে, সে বলতেছে বন্ধুরা সব বিদেশে মজা করতেছে, আর আমি পেইন খাচ্ছি দেশে। কী বিগাড় রে ভাই। আসল সুখ কই আছে তাইলে?"
"প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা তোমাদের মোহাচ্ছন্ন রাখে, কবরে যাবার আগ পর্যন্ত।"
- (সূরা তাকাসুরঃ১,২)
-আনিক চৌধুরী
এই ছয় মাসে নানান রকমের মানুষের সাথে মিশে আমার উপলব্ধি হলো কোথাও কেউ সুখে নাই।
যার চাকরী আছে সে বলতেছে, চাকরি করা পেইন, প্রতিদিন এক জায়গায় যাওয়া বোরিং। যার চাকরি নাই সে বলতেছে চাকরি ছাড়া ঝামেলায় আছে অনেক।
যে বিসিএস এডমিন সে বলতেছে, পাওয়ার কোম্পানীতে বেতন ভালো। যে পাওয়ার কোম্পানীতে আছে, সে বলতেছে এডমিনদের সেই ক্ষমতা আছে হাতে।
যে ইন্ড্রাস্টিয়াল চাকরি করতেছে, সে বলতেছে টিচিং প্রফেশান ভালো বেশি। অল্প পরিশ্রমে বেশি টাকা। যে টিচার সে বলতেছে, কেন শুরুতে ইন্ড্রাস্টিতে ঢুকলাম না, এতদিনে লাখ টাকা বেতন হতো।
যে বিদেশে আছে সে বলতেছে, দেশে একটা সরকারী চাকরি করে আরামে থাকতে পারতাম, হুদাই আসছি বিদেশে।
যে দেশে আছে, সে বলতেছে বন্ধুরা সব বিদেশে মজা করতেছে, আর আমি পেইন খাচ্ছি দেশে। কী বিগাড় রে ভাই। আসল সুখ কই আছে তাইলে?"
"প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা তোমাদের মোহাচ্ছন্ন রাখে, কবরে যাবার আগ পর্যন্ত।"
- (সূরা তাকাসুরঃ১,২)
-আনিক চৌধুরী
👍6
এই ব্লুপ্রিন্টে আমরা ৬টা ধাপে একটা হাই সেলিং ডিজিটাল প্রোডাক্ট বিক্রি করে ক্যাশ জেনারেট করবো —
প্রথম ধাপঃ মোবাইল কিংবা কম্পিউটার - যেকোনো ডিভাইস দিয়ে ক্যানভা টেম্পলেট তৈরি করুন!
ভালো সেল হয়, এমন ৫ ধরনের ক্যানভা টেমপ্লেট হচ্ছেঃ
Wall Calendar template
Graph template
Magazine template
Planner template
Social Media Video template
এই ৫ ধরনের টেমপ্লেট থেকে যেকোনো ১টা তৈরি করা শিখুন! মোবাইল দিয়েও পুরো কাজটা করা যায়!
ধরে নিলাম, আপনি ম্যাগাজিন টেম্পলেট তৈরি করতে জানেন!
একসাথে ৩০টা হাই কোয়ালিটি ম্যাগাজিন টেম্পলেট তৈরি করুন! সেগুলোকে একটা ফাইল করুন! জিপ করুন! তারপর গুগল ড্রাইভে আপলোড করুন!
Congratulations!
সেল করার জন্য - আপনার প্রোডাক্ট তৈরি 🏆
দ্বিতীয় ধাপঃ প্রফেশনাল এবং অপ্টিমাইজড ইন্সটাগ্রাম বিজনেস প্রোফাইল করুন!
ঠিকভাবে অপ্টিমাইজড না হলে কিন্তু ক্রেতা হারানোর চান্স অন্তত ৫% থেকেই যাবে 🌏
তৃতীয় ধাপঃ ক্যানভা দিয়েই, আপনার ইন্সটাগ্রাম বিজনেস পেইজের জন্য একসাথে ৫০টা হাই কোয়ালিটি গ্রাফিক্যাল কন্টেন্ট তৈরি করুন!
নিজে তৈরি করতে না চাইলে বিভিন্ন কন্টেন্ট অ্যাজেন্সি থেকেও অল্প দামে কিনে নিতে পারেন 🖼️
চতুর্থ ধাপঃ প্রত্যেকটা গ্র্যাফিক্যাল কন্টেন্টকে এসইও অপ্টিমাইজ করে ইন্সটাগ্রাম বিজনেস প্রোফাইলে পোস্ট করুন!
একসাথে নয়, প্রত্যেকদিন ২/৩ টা পোস্ট করুন! একটা দিনও কন্টেন্ট আপলোড - মিস করা যাবে না! এটাকে কনসিসটেন্সি বলে!
প্রত্যেকটা সোশ্যাল মিডিয়া অ্যালগরিদম এই কনসিসটেন্সিকে প্রেফার করে! আপনি যদি কনসিসটেন্ট থাকতে পারেন, আপনার কন্টেন্ট রিচ করবেই! আজকে হোক বা কালকে 💹
পঞ্চম ধাপঃ ৫০টা কন্টেন্ট পোস্ট করা হয়ে গেলে আপনার প্রোডাক্টের গ্র্যাফিক্যাল সেলস কপি তৈরি করুন!
প্রোডাক্ট রিলেটেড ২ টা হাই কোয়ালিট সেলস কপি লিখে মাত্র ১০০০ টাকার দুটো অ্যাড রান করুন!
একটা অ্যাডের সফলতা কিন্তু নির্ভর করে দুটো জিনিসের উপর; অ্যাডকপি এবং অডিয়েন্স টার্গেটিং!
অ্যাড কপিটা ঠিকঠাক লিখে ফেলতে পারলেই, মাসিক ১০ ডলার বাজেটের দুটো অ্যাড থেকে আপনি অন্তত ১০টা কাস্টোমার পেয়ে যাবেন! ৩০টা ম্যাগাজিন টেমপ্লেটস বান্ডেল যদি ৩০০ টাকাতেও বিক্রি করেন, তারপরেও আপনার অন্তত তিনগুণ প্রফিট থাকছে 💯
এবার শেষ ধাপে, সেই প্রফিট থেকে অর্ধেকটা দিয়ে আবারো অ্যাড রান করুন! এই প্রসেসটা রিপিট করতে থাকুন, ক্লায়েন্ট পেতে থাকবেন! প্রফিটও করতে থাকবেন 💸
মনে রাখবেন, লং টাইমে প্রফিট বাড়াতে চাইলে - অ্যাঙ্গেজমেন্ট অ্যাড রান করুন! কনভার্সেশন বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দিন!
আর শর্ট টাইমে প্রফিট বাড়াতে চাইলে, সেলস কপি লিখে সেলস অ্যাড রান করুন, অ্যাঙ্গেজমেণ্টের দিকে মনোযোগ না দিয়ে!
💰💰💰
ডিজিটাল প্রোডাক্ট তৈরির শর্টকাট টেকনিক শিখুন! মাত্র দুই দিন ঠিকভাবে সময় দিয়ে ৫টা ডিজিটাল প্রোডাক্ট তৈরি করা যায়!
কোনো খরচ ছাড়াই কিন্তু ডিজিটাল প্রোডাক্ট তৈরি করা সম্ভব, যদি আপনি শিখে ফেলতে পারেন!
এই হিসেব কিন্তু, একেবারেই মিনিমাম!
রিপোস্ট ♻️
প্রথম ধাপঃ মোবাইল কিংবা কম্পিউটার - যেকোনো ডিভাইস দিয়ে ক্যানভা টেম্পলেট তৈরি করুন!
ভালো সেল হয়, এমন ৫ ধরনের ক্যানভা টেমপ্লেট হচ্ছেঃ
Wall Calendar template
Graph template
Magazine template
Planner template
Social Media Video template
এই ৫ ধরনের টেমপ্লেট থেকে যেকোনো ১টা তৈরি করা শিখুন! মোবাইল দিয়েও পুরো কাজটা করা যায়!
ধরে নিলাম, আপনি ম্যাগাজিন টেম্পলেট তৈরি করতে জানেন!
একসাথে ৩০টা হাই কোয়ালিটি ম্যাগাজিন টেম্পলেট তৈরি করুন! সেগুলোকে একটা ফাইল করুন! জিপ করুন! তারপর গুগল ড্রাইভে আপলোড করুন!
Congratulations!
সেল করার জন্য - আপনার প্রোডাক্ট তৈরি 🏆
দ্বিতীয় ধাপঃ প্রফেশনাল এবং অপ্টিমাইজড ইন্সটাগ্রাম বিজনেস প্রোফাইল করুন!
ঠিকভাবে অপ্টিমাইজড না হলে কিন্তু ক্রেতা হারানোর চান্স অন্তত ৫% থেকেই যাবে 🌏
তৃতীয় ধাপঃ ক্যানভা দিয়েই, আপনার ইন্সটাগ্রাম বিজনেস পেইজের জন্য একসাথে ৫০টা হাই কোয়ালিটি গ্রাফিক্যাল কন্টেন্ট তৈরি করুন!
নিজে তৈরি করতে না চাইলে বিভিন্ন কন্টেন্ট অ্যাজেন্সি থেকেও অল্প দামে কিনে নিতে পারেন 🖼️
চতুর্থ ধাপঃ প্রত্যেকটা গ্র্যাফিক্যাল কন্টেন্টকে এসইও অপ্টিমাইজ করে ইন্সটাগ্রাম বিজনেস প্রোফাইলে পোস্ট করুন!
একসাথে নয়, প্রত্যেকদিন ২/৩ টা পোস্ট করুন! একটা দিনও কন্টেন্ট আপলোড - মিস করা যাবে না! এটাকে কনসিসটেন্সি বলে!
প্রত্যেকটা সোশ্যাল মিডিয়া অ্যালগরিদম এই কনসিসটেন্সিকে প্রেফার করে! আপনি যদি কনসিসটেন্ট থাকতে পারেন, আপনার কন্টেন্ট রিচ করবেই! আজকে হোক বা কালকে 💹
পঞ্চম ধাপঃ ৫০টা কন্টেন্ট পোস্ট করা হয়ে গেলে আপনার প্রোডাক্টের গ্র্যাফিক্যাল সেলস কপি তৈরি করুন!
প্রোডাক্ট রিলেটেড ২ টা হাই কোয়ালিট সেলস কপি লিখে মাত্র ১০০০ টাকার দুটো অ্যাড রান করুন!
একটা অ্যাডের সফলতা কিন্তু নির্ভর করে দুটো জিনিসের উপর; অ্যাডকপি এবং অডিয়েন্স টার্গেটিং!
অ্যাড কপিটা ঠিকঠাক লিখে ফেলতে পারলেই, মাসিক ১০ ডলার বাজেটের দুটো অ্যাড থেকে আপনি অন্তত ১০টা কাস্টোমার পেয়ে যাবেন! ৩০টা ম্যাগাজিন টেমপ্লেটস বান্ডেল যদি ৩০০ টাকাতেও বিক্রি করেন, তারপরেও আপনার অন্তত তিনগুণ প্রফিট থাকছে 💯
এবার শেষ ধাপে, সেই প্রফিট থেকে অর্ধেকটা দিয়ে আবারো অ্যাড রান করুন! এই প্রসেসটা রিপিট করতে থাকুন, ক্লায়েন্ট পেতে থাকবেন! প্রফিটও করতে থাকবেন 💸
মনে রাখবেন, লং টাইমে প্রফিট বাড়াতে চাইলে - অ্যাঙ্গেজমেন্ট অ্যাড রান করুন! কনভার্সেশন বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দিন!
আর শর্ট টাইমে প্রফিট বাড়াতে চাইলে, সেলস কপি লিখে সেলস অ্যাড রান করুন, অ্যাঙ্গেজমেণ্টের দিকে মনোযোগ না দিয়ে!
💰💰💰
ডিজিটাল প্রোডাক্ট তৈরির শর্টকাট টেকনিক শিখুন! মাত্র দুই দিন ঠিকভাবে সময় দিয়ে ৫টা ডিজিটাল প্রোডাক্ট তৈরি করা যায়!
কোনো খরচ ছাড়াই কিন্তু ডিজিটাল প্রোডাক্ট তৈরি করা সম্ভব, যদি আপনি শিখে ফেলতে পারেন!
এই হিসেব কিন্তু, একেবারেই মিনিমাম!
রিপোস্ট ♻️
❤1👍1
⭕ চিকিৎসকরা অপারেশনে কেন সবুজ পোশাক পরেন⁉️
☞অপারেশনের সময় আমরা দেখে থাকি চিকিৎসকরা সবুজ পোশাক পড়ে থাকেন। অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে, এত রং থাকতে কেন সবুজ রঙের পোশাক পরেন চিকিৎসকরা।
সাদা পোশাকের উপর সবুজ রঙের অ্যাপ্রন। সাথে গলায় স্টেথোস্কোপ, মাথায় মেডিক্যাল ক্যাপ, নাক-মুখ ঢাকা মাস্কে, হাতে গ্লাভস।
☞বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই অপারেশন থিয়েটারের ভিতর চিকিৎসকরা সবুজ পোশাকের ব্যবহার করেন। মাথার টুপি, মাস্কের রংও সবুজ হয়। ওটি-র দেওয়াল, রোগীর শয্যায় ব্যবহৃত চাদর সবই সবুজ রঙের।
অনেকে ভেবে থাকেন সবুজ রং চোখের জন্য উপকারী। তবে কেবল চোখের আরামের জন্যই নয়, এই রং বাছাই এর নেপথ্যে রয়েছে আরও কিছু বৈজ্ঞানিক কারণ।
☞বিশেষজ্ঞদের মতে, অপারেশন থিয়েটার মানেই সারাক্ষণ রক্ত নিয়ে কাজ। এক একটি অপারেশনের সময়সীমাও কম নয়। এতক্ষণ একটানা লাল রক্ত দেখতে দেখতে চিকিৎসক-নার্সদের চোখ ধাঁধিয়ে যায়, সব জায়গাতেই লালচে দাগ দেখেন।
লাল রংয়ের ফলে দৃষ্টি বিভ্রমে অপারেশন করতে অসুবিধা হয়। তখন চারপাশের সবুজ রং ও পোশাকের সবুজ তাদের চোখকে আরাম দেয়। এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিলেন চক্ষু বিশেষজ্ঞ হিমাদ্রী দত্ত।
☞তাঁর মতে, মানুষের চোখের কোনও কোষ প্রধানত তিন প্রকার রঙের হয়, লাল, সবুজ ও নীল। এই ধরনের কোষের সংখ্যা ৬০-৭০ লাখ। যার মধ্যে ৪৫ শতাংশই সবুজ রঙের। তাই মানুষের চোখ সবুজ রঙে আরাম পায়। লাল কোষের সংখ্যা সবচেয়ে কম থাকায় একটানা লাল রং সমস্যা তৈরি করে চোখে।
-শিফা হেলথ ©
#drabmmasud #operations #hospital
@followers
Dr. ABM Masudur Rahman ❤️
☞অপারেশনের সময় আমরা দেখে থাকি চিকিৎসকরা সবুজ পোশাক পড়ে থাকেন। অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে, এত রং থাকতে কেন সবুজ রঙের পোশাক পরেন চিকিৎসকরা।
সাদা পোশাকের উপর সবুজ রঙের অ্যাপ্রন। সাথে গলায় স্টেথোস্কোপ, মাথায় মেডিক্যাল ক্যাপ, নাক-মুখ ঢাকা মাস্কে, হাতে গ্লাভস।
☞বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই অপারেশন থিয়েটারের ভিতর চিকিৎসকরা সবুজ পোশাকের ব্যবহার করেন। মাথার টুপি, মাস্কের রংও সবুজ হয়। ওটি-র দেওয়াল, রোগীর শয্যায় ব্যবহৃত চাদর সবই সবুজ রঙের।
অনেকে ভেবে থাকেন সবুজ রং চোখের জন্য উপকারী। তবে কেবল চোখের আরামের জন্যই নয়, এই রং বাছাই এর নেপথ্যে রয়েছে আরও কিছু বৈজ্ঞানিক কারণ।
☞বিশেষজ্ঞদের মতে, অপারেশন থিয়েটার মানেই সারাক্ষণ রক্ত নিয়ে কাজ। এক একটি অপারেশনের সময়সীমাও কম নয়। এতক্ষণ একটানা লাল রক্ত দেখতে দেখতে চিকিৎসক-নার্সদের চোখ ধাঁধিয়ে যায়, সব জায়গাতেই লালচে দাগ দেখেন।
লাল রংয়ের ফলে দৃষ্টি বিভ্রমে অপারেশন করতে অসুবিধা হয়। তখন চারপাশের সবুজ রং ও পোশাকের সবুজ তাদের চোখকে আরাম দেয়। এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিলেন চক্ষু বিশেষজ্ঞ হিমাদ্রী দত্ত।
☞তাঁর মতে, মানুষের চোখের কোনও কোষ প্রধানত তিন প্রকার রঙের হয়, লাল, সবুজ ও নীল। এই ধরনের কোষের সংখ্যা ৬০-৭০ লাখ। যার মধ্যে ৪৫ শতাংশই সবুজ রঙের। তাই মানুষের চোখ সবুজ রঙে আরাম পায়। লাল কোষের সংখ্যা সবচেয়ে কম থাকায় একটানা লাল রং সমস্যা তৈরি করে চোখে।
-শিফা হেলথ ©
#drabmmasud #operations #hospital
@followers
Dr. ABM Masudur Rahman ❤️
❤1
"Thyroid Disorder - Part 1"
বর্তমানে থাইরয়েডিজম বা থাইরয়েড সম্পর্কিত অসুস্থতার সাথে কম বেশি আমরা সকলেই পরিচিত । আমাদের দেশে বেশ কয়েক বছর আগে থাইরয়েডিজম থেকেই গলগন্ড (ঘ্যাগ) নামক রোগের বা অসুস্থতার প্রাদুর্ভাব ছিল অত্যধিক। বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ১৯৮৫ সালে খাবার লবণে আয়োডিন মিশ্রণের প্রকল্প হাতে নেয়া হয় ।এরপর ধীরে ধীরে এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা কমতে থাকে ।বর্তমানে আয়োডিন মিশ্রিত লবণ বাজারজাত করা বাধ্যতামূলক ।
*️⃣*️⃣মানুষের গলার কেন্দ্রের ঠিক নিচে অবস্থিত প্রজাপতি আকৃতির ছোট গ্রন্থি হল থাইরয়েড ; যা শরীরের এন্ডোক্রাইন সিস্টেমের (অভ্যন্তরীণ ক্রিয়া-কলাপের সমন্বয়) অন্যতম প্রধান অংশ । এটি T³ ( triiodothyronine ) ও T⁴ ( thyroxine /থাইরক্সিন) উৎপন্ন করে ।এই হরমোন গুলো সাধারণত কোষের শক্তি বিপাক ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করে।
*️⃣*️⃣থাইরয়েড হরমোন :
1)এটা শরীরের মেটাবলিক রেট বাড়ায়
2)সব কোষে অক্সিজেন সরবরাহ করতে সাহায্য করে । ফলে এটা দেহের তাপমাত্রা কম-বেশিতে ভূমিকা পালন করে।
3) কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ফ্যাট মেটাবলিজমে এ হরমোন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
4) শরীরের হাড় গঠনে গুরুত্বপূর্ণ (বাচ্চাদের )
5)শিশুদের এ হরমোন কম থাকলে ব্রেইন ডেভেলপমেন্ট ঠিকভাবে হয় না ।(low IQ)
6)মহিলাদের পিরিয়ড সাইকেলে সমস্যা হতে পারে ।
থাইরয়েড থেকে অত্যধিক হরমোন ও অপর্যাপ্ত হরমোন নিঃসরণ হলে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয় । যেমন: দুর্বলতা, ক্লান্তি , ওজন হ্রাস, ওজন বৃদ্ধি, চুল পড়া, ত্বকের রুক্ষতা , পিরিয়ডে সমস্যা ,ঘুমের সমস্যা ,অনেক ঘেমে যাওয়া, কলেস্টেরল বৃদ্ধি ইত্যাদি।
কোন ব্যক্তির শরীরে থাইরয়েড হরমোনের পরিমাণ কেমন তা জানার জন্য ডাক্তাররা কিছু টেস্ট করিয়ে থাকেন । অন্যতম কমন টেস্ট হলো :
1) TSH (Thyroid Stimulating Hormone)
2) free T4
এছাড়াও ডাক্তার আরো কিছু টেস্ট করিয়ে নিতে পারেন ।যেমন:
1) free T3
2) calcitonin
3) thyroglubulin
4) thyroid antibodies
TSH থাইরয়েডকে থাইরয়েড হরমোন নিঃসরণে স্টিমুলেট করে । ফলে ,TSH এর পরিমাণ বেশি মানে রক্তে থাইরয়েড হরমোন কম নিঃসরণ হয় । আর TSH এর পরিমাণ কম মানে রক্তের থাইরয়েড হরমোন বেশি নিঃসরণ হয় ।
তাই ব্যক্তির রক্তে TSH এর পরিমাণ বেশি হলে হাইপো থাইরয়েডিজম এবং TSH এর পরিমাণ কম হলে হাইপার থাইরয়েডিজম হয়ে থাকে ।
*️⃣থাইরয়েডিজম দুই প্রকারের হয়ে থাকে ।
হাইপার থাইরয়েডিজম ও
হাইপোথাইরয়েডিজম ।
রওনক জাহান ( RJ Troyee )
কন্টেন্ট রাইটার ও ইন্টার্ন এইচ.আর,
20 Minute Medical
পড়া শেষে Done লিখুন , থাইরয়েডিজম এর পরবর্তী পার্টগুলোর লিংক দেয়া হবে , যাতে খাদ্য ব্যবস্থাপনাসহ নির্দেশনা রয়েছে ।
বর্তমানে থাইরয়েডিজম বা থাইরয়েড সম্পর্কিত অসুস্থতার সাথে কম বেশি আমরা সকলেই পরিচিত । আমাদের দেশে বেশ কয়েক বছর আগে থাইরয়েডিজম থেকেই গলগন্ড (ঘ্যাগ) নামক রোগের বা অসুস্থতার প্রাদুর্ভাব ছিল অত্যধিক। বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ১৯৮৫ সালে খাবার লবণে আয়োডিন মিশ্রণের প্রকল্প হাতে নেয়া হয় ।এরপর ধীরে ধীরে এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা কমতে থাকে ।বর্তমানে আয়োডিন মিশ্রিত লবণ বাজারজাত করা বাধ্যতামূলক ।
*️⃣*️⃣মানুষের গলার কেন্দ্রের ঠিক নিচে অবস্থিত প্রজাপতি আকৃতির ছোট গ্রন্থি হল থাইরয়েড ; যা শরীরের এন্ডোক্রাইন সিস্টেমের (অভ্যন্তরীণ ক্রিয়া-কলাপের সমন্বয়) অন্যতম প্রধান অংশ । এটি T³ ( triiodothyronine ) ও T⁴ ( thyroxine /থাইরক্সিন) উৎপন্ন করে ।এই হরমোন গুলো সাধারণত কোষের শক্তি বিপাক ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করে।
*️⃣*️⃣থাইরয়েড হরমোন :
1)এটা শরীরের মেটাবলিক রেট বাড়ায়
2)সব কোষে অক্সিজেন সরবরাহ করতে সাহায্য করে । ফলে এটা দেহের তাপমাত্রা কম-বেশিতে ভূমিকা পালন করে।
3) কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ফ্যাট মেটাবলিজমে এ হরমোন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
4) শরীরের হাড় গঠনে গুরুত্বপূর্ণ (বাচ্চাদের )
5)শিশুদের এ হরমোন কম থাকলে ব্রেইন ডেভেলপমেন্ট ঠিকভাবে হয় না ।(low IQ)
6)মহিলাদের পিরিয়ড সাইকেলে সমস্যা হতে পারে ।
থাইরয়েড থেকে অত্যধিক হরমোন ও অপর্যাপ্ত হরমোন নিঃসরণ হলে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয় । যেমন: দুর্বলতা, ক্লান্তি , ওজন হ্রাস, ওজন বৃদ্ধি, চুল পড়া, ত্বকের রুক্ষতা , পিরিয়ডে সমস্যা ,ঘুমের সমস্যা ,অনেক ঘেমে যাওয়া, কলেস্টেরল বৃদ্ধি ইত্যাদি।
কোন ব্যক্তির শরীরে থাইরয়েড হরমোনের পরিমাণ কেমন তা জানার জন্য ডাক্তাররা কিছু টেস্ট করিয়ে থাকেন । অন্যতম কমন টেস্ট হলো :
1) TSH (Thyroid Stimulating Hormone)
2) free T4
এছাড়াও ডাক্তার আরো কিছু টেস্ট করিয়ে নিতে পারেন ।যেমন:
1) free T3
2) calcitonin
3) thyroglubulin
4) thyroid antibodies
TSH থাইরয়েডকে থাইরয়েড হরমোন নিঃসরণে স্টিমুলেট করে । ফলে ,TSH এর পরিমাণ বেশি মানে রক্তে থাইরয়েড হরমোন কম নিঃসরণ হয় । আর TSH এর পরিমাণ কম মানে রক্তের থাইরয়েড হরমোন বেশি নিঃসরণ হয় ।
তাই ব্যক্তির রক্তে TSH এর পরিমাণ বেশি হলে হাইপো থাইরয়েডিজম এবং TSH এর পরিমাণ কম হলে হাইপার থাইরয়েডিজম হয়ে থাকে ।
*️⃣থাইরয়েডিজম দুই প্রকারের হয়ে থাকে ।
হাইপার থাইরয়েডিজম ও
হাইপোথাইরয়েডিজম ।
রওনক জাহান ( RJ Troyee )
কন্টেন্ট রাইটার ও ইন্টার্ন এইচ.আর,
20 Minute Medical
পড়া শেষে Done লিখুন , থাইরয়েডিজম এর পরবর্তী পার্টগুলোর লিংক দেয়া হবে , যাতে খাদ্য ব্যবস্থাপনাসহ নির্দেশনা রয়েছে ।
❤1
"Thyroid Disease - part 2"
✳️হাইপার থাইরয়েডিজম :
হাইপার থাইরয়েডিজম হলো এমন একটি শারীরবৃত্তি অবস্থা যখন দেহের থাইরয়েড গ্রন্থি অতিরিক্ত থাইরক্সিন হরমোন উৎপাদন করে উৎপাদন করে ।
এই অবস্থাকে ওভারঅ্যাকটিভ থাইরয়েডও বলা হয়। হাইপারথাইরয়েডিজম শরীরের মেটাবলিজমকে ত্বরান্বিত করে।
যখন থাইরয়েড খুব বেশি পরিমাণে T³,T⁴ বা উভয়ই তৈরি করে তখন শরীরে সিস্টেমের গতি বেড়ে যায় । ফলে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা সৃষ্টি হয় ।
➡️কারণ :
হাইপার থাইরয়েডিজম হওয়ার বিভিন্ন কারণ রয়েছে ।যেমন: গ্রেভস ডিজিজ , অটো ইমিউন সিস্টেম, অতিরিক্ত আয়োডিন , থাইরয়েডাইটিস বা থাইরয়েড এর প্রদাহ , থাইরয়েড নোডুলস ,বিষাক্ত থাইরয়েড নোডুলস বা বিষাক্ত অ্যাডনোমা ,ডিম্বাশয় বা অন্ডকোষের টিউমার ইত্যাদি ।
******(থাইরোটক্সিকোসিস এবং হাইপারথাইরয়েডিজম অনেক ক্ষেত্রে একই রকম মনে হলেও এরা ভিন্ন । থাইরোটক্সিকোসিস বিস্তৃত বিষয় ;এর বিভিন্ন রূপের মধ্যে অন্যতম রূপ হল হাইপারথাইরয়েডিজম ।)
➡️লক্ষণ:
ওজন গ্রাস
চুল পরা
দ্রুত হৃদ স্পন্দন/ বুক ধরফর করা
নার্ভাসনেস বা অস্থিরতা
খিটখিটে মেজাজ
হাইপার অ্যাক্টিভিটি বা অতিরিক্ত কার্যকলাপ
ক্লান্তি বোধ
ঘুমাতে সমস্যা
হাত পা কাঁপুনি
পেশি দুর্বলতা
গরম বেশি লাগা
অতিরিক্ত ঘাম হওয়া
চোখ বড় হওয়া (eye disease)
ঘন ঘন মলত্যাগ ইত্যাদি।
⏩রক্ত পরীক্ষা করে TSH এর পরিমাণ কম আসলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী মেডিসিন খেতে হবে । তবে এর পরিমাণ বা মাত্রা এর উপর নির্ভর করে ঔষধ এবং খাদ্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত ।হাইপার থাইরয়েডিজমে যে সমস্ত খাবার গ্রহণ করতে হবে :
1)কম আয়োডিনযুক্ত খাবার
2)আয়োডিন মুক্ত লবণ
3)ডি-ক্যাফিনেটেড কফি বা চা
4)ডিমের সাদা অংশ
5)তাজা বা টিনজাত ফল
6)লবণবিহীন বাদাম
7)ঘরে তৈরি রুটি বা লবণবিহীন রুটি বা ডিম ছাড়া রুটি
8)আয়োডিন মুক্ত লবণ দিয়ে পপকর্ণ
9) ওর্টস
10)আলু
11) মধু
12)ব্রকলি
13)ফুলকপি
* এড়িয়ে যেতে হবে:
🚫 সামুদ্রিক খাদ্য
🚫অতিরিক্ত লবণযুক্ত খাদ্য
🚫 কাঁকড়া
🚫চিংড়ি
🚫পনির
➡️➡️( অর্থাৎ আয়োডিন আছে এমন খাবার)
রওনক জাহান ( RJ Troyee )
কন্টেন্ট রাইটার ও ইন্টার্ন এইচ.আর,
20 Minute Medical
পড়া শেষে Done লিখুন , থাইরয়েডিজম এর পরবর্তী পার্টগুলোর লিংক দেয়া হবে , যাতে খাদ্য ব্যবস্থাপনাসহ নির্দেশনা রয়েছে ।
✳️হাইপার থাইরয়েডিজম :
হাইপার থাইরয়েডিজম হলো এমন একটি শারীরবৃত্তি অবস্থা যখন দেহের থাইরয়েড গ্রন্থি অতিরিক্ত থাইরক্সিন হরমোন উৎপাদন করে উৎপাদন করে ।
এই অবস্থাকে ওভারঅ্যাকটিভ থাইরয়েডও বলা হয়। হাইপারথাইরয়েডিজম শরীরের মেটাবলিজমকে ত্বরান্বিত করে।
যখন থাইরয়েড খুব বেশি পরিমাণে T³,T⁴ বা উভয়ই তৈরি করে তখন শরীরে সিস্টেমের গতি বেড়ে যায় । ফলে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা সৃষ্টি হয় ।
➡️কারণ :
হাইপার থাইরয়েডিজম হওয়ার বিভিন্ন কারণ রয়েছে ।যেমন: গ্রেভস ডিজিজ , অটো ইমিউন সিস্টেম, অতিরিক্ত আয়োডিন , থাইরয়েডাইটিস বা থাইরয়েড এর প্রদাহ , থাইরয়েড নোডুলস ,বিষাক্ত থাইরয়েড নোডুলস বা বিষাক্ত অ্যাডনোমা ,ডিম্বাশয় বা অন্ডকোষের টিউমার ইত্যাদি ।
******(থাইরোটক্সিকোসিস এবং হাইপারথাইরয়েডিজম অনেক ক্ষেত্রে একই রকম মনে হলেও এরা ভিন্ন । থাইরোটক্সিকোসিস বিস্তৃত বিষয় ;এর বিভিন্ন রূপের মধ্যে অন্যতম রূপ হল হাইপারথাইরয়েডিজম ।)
➡️লক্ষণ:
ওজন গ্রাস
চুল পরা
দ্রুত হৃদ স্পন্দন/ বুক ধরফর করা
নার্ভাসনেস বা অস্থিরতা
খিটখিটে মেজাজ
হাইপার অ্যাক্টিভিটি বা অতিরিক্ত কার্যকলাপ
ক্লান্তি বোধ
ঘুমাতে সমস্যা
হাত পা কাঁপুনি
পেশি দুর্বলতা
গরম বেশি লাগা
অতিরিক্ত ঘাম হওয়া
চোখ বড় হওয়া (eye disease)
ঘন ঘন মলত্যাগ ইত্যাদি।
⏩রক্ত পরীক্ষা করে TSH এর পরিমাণ কম আসলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী মেডিসিন খেতে হবে । তবে এর পরিমাণ বা মাত্রা এর উপর নির্ভর করে ঔষধ এবং খাদ্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত ।হাইপার থাইরয়েডিজমে যে সমস্ত খাবার গ্রহণ করতে হবে :
1)কম আয়োডিনযুক্ত খাবার
2)আয়োডিন মুক্ত লবণ
3)ডি-ক্যাফিনেটেড কফি বা চা
4)ডিমের সাদা অংশ
5)তাজা বা টিনজাত ফল
6)লবণবিহীন বাদাম
7)ঘরে তৈরি রুটি বা লবণবিহীন রুটি বা ডিম ছাড়া রুটি
8)আয়োডিন মুক্ত লবণ দিয়ে পপকর্ণ
9) ওর্টস
10)আলু
11) মধু
12)ব্রকলি
13)ফুলকপি
* এড়িয়ে যেতে হবে:
🚫 সামুদ্রিক খাদ্য
🚫অতিরিক্ত লবণযুক্ত খাদ্য
🚫 কাঁকড়া
🚫চিংড়ি
🚫পনির
➡️➡️( অর্থাৎ আয়োডিন আছে এমন খাবার)
রওনক জাহান ( RJ Troyee )
কন্টেন্ট রাইটার ও ইন্টার্ন এইচ.আর,
20 Minute Medical
পড়া শেষে Done লিখুন , থাইরয়েডিজম এর পরবর্তী পার্টগুলোর লিংক দেয়া হবে , যাতে খাদ্য ব্যবস্থাপনাসহ নির্দেশনা রয়েছে ।
❤1