জ্ঞান - Knowledge
2K subscribers
1.27K photos
21 videos
11 files
463 links
🙂🙂🙂
Download Telegram
কিছু বিষয় মাথায় রেখে চললেই হবে এতে বেক্তিত্তও বাড়ে।

১- প্রয়োজনের বেশি কথা বলবেন না
২- না যেনে কথা বলবেন না, আইডিয়া করেও কথা বলবেন না
৩- কারো সমালোচনা করবেন না।
৪- রেগেও যাবেন না এবং দূর্বলতা দেখাবেন না।
৫- অযথা সময় বেয় করবেন না।
৬- নম্র ও ভদ্রতা বজায় রাখবেন।
৭- পরিপাটি ও মার্জিত হয়ে চলবেন।
৮- গুছিয়ে কথা বলবেন।
৯- হতাশ হয়ে আওলা জাওলা না করে শান্ত হয়ে সামধান খুজবেন।
১০- শুদ্ধ ও সাবলীল ভাষায় কথা বলবেন।।
১১- কারো কথার মাঝখানে কথা না বলে শুনে তারপর বলুন।
১২- সিনিয়র দেন সালাম ও ছোটদের স্নেহ করুন
১৩- চুলের স্টাইল মার্জিত করুন।
১৪- টিকটিক দেখা বাদ দেন।
১৫- কাজের সময় কাজ, আড্ডা সময় আড্ডা, আর ঘরে থাকার সময় ঘরে থাকুন। ওলটা পালটা সময় মার্কেট বা খেলাধুলা বা আড্ডাতে থাকবেন না।
১৬- স্কুল কলেজ ছুটির সময় আশে পাশে থাকবেন না
১৭- গুনবাচক মানুষদের সাথে চলুন।
১৮- খারাপ মানুষ পরিহার করুন
১৯- ছোট এবং বড়দের সামনে সিগারেট খাওয়া পরিহার করুন।
২০- বেশি বেশি জ্ঞান অর্জন করুন।

ওমর ফারুক।
👍73
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি! নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি!! নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি!!!

একটি কিন্ডারগার্টেন প্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরী ভিত্তিতে শিক্ষক আবশ্যক ৷

প্রতিষ্ঠানের নাম: মর্নিং বার্ড স্কুল
লোকেশন: কলমা, সাভার, ঢাকা
পদের সংখ্যা: ০২

বিষয়: ইংরেজি, বাংলা

সময়: বাংলা ( সকাল ৮:০০-১০:০০)
ইংরেজি ( সকাল ৮:০০-১:০০)

বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

যোগাযোগ: ০১৯৮১৩৩৭৮৪৯
ইমেইল: morningbirdschool@gmail.com

আগ্রহীদেরকে আগামী 02/11/2023 ইং তারিখের মধ্যে জীবন বৃত্তান্তসহ সকল শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ নিয়ে প্রতিষ্ঠানে সশরীরে যোগাযোগ করতে হবে ৷

কলমার আশেপাশের মানুষের আবেদন করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
👍1
ঔষধ খেয়ে হায়েয-নেফাস বন্ধ রাখার বিধান

হায়েয-নেফাস কোনো রোগ নয়,বরং প্রাকৃতিক নিয়ম। হায়েয-নেফাস না হওয়াই রোগ। ইচ্ছা করে বন্ধ করলে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয়। তবে এ জাতীয় ঔষধের ব্যবহার করতে নিষেধাজ্ঞা নেই। কিন্তু এটি কোনো উত্তম পন্থাও নয়। কেননা শরীয়ত উক্ত দিনগুলোতে নারীদেরকে ছাড় দিয়েছে—তাদের সহজতার জন্য। তাই বিশেষ ওজর না থাকলে স্বাভাবিক নিয়মে চলাই উচিত।

মুসান্নাফে আবদুর রাযযাকে এসেছে—

أخبرنا عبد الرزاق قال: أخبرنا معمر قال: أخبرنا واصل مولى ابن عيينة، عن رجل، سأل ابن عمر عن امرأة تطاول بها دم الحيضة فأرادت أن تشرب دواء يقطع الدم عنها، فلم ير ابن عمر بأسا، ونعت ابن عمر ماء الأراك ". قال معمر: وسمعت ابن أبي نجيح يسأل عن ذلك فلم ير به بأسا

‘ইবনে উমর রাযি.-কে এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করল, এমন নারী সম্পর্কে যার দীর্ঘ সময় হায়েয চলতে থাকে, অতঃপর উক্ত নারী ইচ্ছা করেছে ঔষুধ সেবন করে হায়েয বন্ধ রাখতে— এমন ওষুধ নারী ব্যবহার করতে পারবে? তিনি বললেন, আমি এতে কোনো অসুবিধা মনে করি না। অতঃপর তিনি বললেন, এক্ষেত্রে আরাকের পানি খুবই উপকারী।’

মা’মার বলেন—আমি ইবনে আবী নুজাইহকে বলতে শুনেছি, এ ব্যাপারে তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, তখন তিনি বলেন—আমি এতে কোনো সমস্যা দেখি না। (মুসান্নাফে আবদুর রাযযাক ১/৩১৮, হাদিস ১২২০) [আরাক হচ্ছে, বেশি পাতা ও ডালপালাযুক্ত একপ্রকার কাঁটাওয়ালা গাছ]

হায়েয-নেফাস শুরু হওয়ার পূর্বেই যদি ঔষুধ সেবন করে বা কোনো পদ্ধতি অবলম্বন করে হায়েয-নেফাস বন্ধ করে দেয় এবং তার আর রক্ত না আসে। তাহলে তাকে পবিত্র হিসেবে ধরা হবে। তখন তাকে নামায-রোযা করে যেতে হবে এবং এ অবস্থায় সে তাওয়াফও করতে পারবে। স্বামীর সাথে সহবাসও করতে পারবে। কিতাবুল মাসায়িলে এসেছে—

دوا کے ذریعہ اگر خون پر بندش کردی گئی تو جب تک خون جاری نہ ہو عورت پاک ہی شمار ہوگی ؛ لیکن اگر ایسا کرنا صحت کے لئے مضر ہو جیسا کہ مشاہدہ ہے تو یہ عمل نہ کیا جائے ۔

ঔষুধ সেবনের মাধ্যমে যদি রক্ত বন্ধ রাখা হয় তাহলে যতক্ষণ পর্যন্ত স্বাভাবিক অবস্থায় থাকবে অর্থাৎ তার মাসিক স্রাব চালু না হবে ততক্ষণ তাকে পবিত্র ধরা হবে। কিন্তু যদি তা স্বাস্থের জন্য ক্ষতিকর হয়-যেমনটা লক্ষ্য করা যায়, তাহলে এরূপ কাজ করা উচিৎ নয়। [কিতাবুল মাসায়িল ১/২২৮]

পক্ষান্তরে হায়েয-নেফাস শুরু হবার পর যদি ওষুধ খেয়ে বন্ধ করে দেয়, তাহলে অন্য মাসে যে কয়দিন হায়েয আসতো, সেই কয়দিন হায়েযের মাঝেই গণ্য হবে। সেই কয়দিন রোযা রাখলেও রোযা হবে না। পরবর্তীতে কাযা করতে হবে। অর্থাৎ মাসিকের রক্ত শুরু হবার পর ঔষুধ খেয়ে বন্ধ করলে—ঋতুবতী নারী পবিত্র বলে গণ্য হবে না। আগের মাসের মতো তাকে অপবিত্রই ধরা হবে। ফলে নামায, রোজা, সহবাস ইত্যাদি কোনো কিছুই বৈধ হবে না। কিতাবুল মাসায়িলে এসেছে—

اگر کسی عورت کو عادت کے موافق حیض آنا شروع ہوا ، پھر اس نے دوا کھا کر اسے درمیان ہی میں روک لیا تو محض خون بند ہونے سے وہ پاک نہ ہوگی ، بلکہ ایام عادت تک وہ ناپاک ہی شمار ہوگی ۔

যদি কোনো মহিলার অভ্যাস অনুযায়ী হায়েয শুরু হয়ে যায় অতঃপর ঔষুধ সেবন করে মাঝপথে তা বন্ধ করে দেয়, তাহলে শুধু রক্ত ​​বন্ধ হওয়ার কারণে সে পবিত্র হবে না, বরং তার অভ্যাসের দিন পর্যন্ত সে অপবিত্র থাকবে। (কিতাবুল মাসায়িল ১/২২৮)

হজ্ব-উমরা ইত্যাদির সফর কালে অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শক্রমে ঔষুধ সেবনের মাধ্যমে হায়েয বন্ধ করা যেতে পারে। যাতে তাওয়াফের কাজে কোনো বিঘ্নতা না ঘটে। তবে এজাতীয় ঔষধ সেবনের কারণে কারও যদি শারীরিক কোনো সমস্যার সম্ভবনা থাকে, তাহলে পরবর্তী জটিলতা এড়ানোর জন্য ব্যবহার না করে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।

[মুসান্নাফে আবদুর রাযযাক, হাদীস ১২১৯, ১২২০, ফাতাওয়ায়ে শামি ১/৩০৮,বাদায়েস সানায়ে ১/৩৯, কিতাবুল ফিকহি আলাল মাযাহিবিল আরবাআ ১/১২৪, মুহীতুল বুরহানী ১/৩৯৯, ফিকহুন নাওয়াযিল ২/৩০৮, খুলাসাতুল ফাতাওয়া ১/২১৩, ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া ১/৩৮, আল-মুগনি ১/৪৫০,জামিউ আহকামিন নিসা ১/১৯৮, কিতাবুল মাসায়িল ১/২২৮]

Khairul Islam 27/10/2023
হানাফী ফিকহ-Hanafi Fiqh
1
চারপাশে পোস্ট গরুর মাংসের দাম কম কেন।

অনেকে বলছেন মানুষ কিনতে পারছে না তাই দাম কম ইত‍্যাদি।
মূলত গত ছয়-আটমাস যাবত বাংলাদেশের ক্ষুদ্র থেকে গৃহপর্যায়ের খামারীদের কোমড় ভেঙ্গে দিয়েছে যে রোগ তা হচ্ছে লাম্পি।এতোদিন অনেক খামারীরা চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ করার চেষ্টা করেছিলেন।
কিন্তু বাংলাদেশে এ রোগের এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো চিকিৎসা পদ্ধতি আমাদের ডাক্তাররা জানেন না,সরকারিভাবে ভ‍্যাক্সিন বা চিকিৎসা পদ্ধতির উন্নয়নে কোনো পদক্ষেপ ও নেই।ফলে দেদারসে গরু মারা যাচ্ছে।
তাই কোনো এলাকার কিছু অংশে লাম্পি হলেই সেখানকার দরিদ্র এবং ক্ষুদ্র খামারীরা গরু মারা যাওয়ার ভয়ে যা মূল‍্য পাচ্ছেন তাতেই বিক্রি করে দিচ্ছেন।মূলত তারা বড় ক্ষতি থেকে বাঁচতে ছোট ক্ষতি কে বেছে নিয়েছেন।

লাম্পি আক্রান্ত গরুর মাংস আর সাধারণ মাংসে তেমন তফাত থাকে না তবে আক্রানত গরুর কলিজা এবং ফুসফুস আক্রান্ত হওয়ায় এমন দানা দানা হয়ে যায়।

মূলত এর কারণেই দাম কমেছে তবে এটা যে বাংলাদেশের দরিদ্র এবং ক্ষুদ্র খামারীদের কতটুকু ক্ষতিগ্রস্ত করছে তার প্রভাব মানুষ কয়েকবছর পরে বুঝতে পারবে।
2😢1
কিভাবে বুঝবেন আপনি Assekshuulyaal

১) আপনি খুবই কম একদম রেয়ারলি বিপরীত লিঙ্গের প্রতি সেক্সুয়াল এট্রাকশন ফিল করেন।

২) আপনার খুব কম ইচ্ছা হয় অথবা একদমই ইচ্ছা হয়না এসবে৷

৩) আপনার নিজেকে প্লেজার দিতে ইচ্ছা হয়না। যেমন: মাস্টারবেশন।

৪) আপনি বোরিং ফিল করেন যখন কেও এসব রিলেটেড কথা বলে।

৫) আপনি ইমোশনাল / ক্লোজ রিলেশন প্রেফার করেন তবে Without Seggs.

আপনি চাইলেই এসেক্সুয়াল বউ কে রেখে আরেকটা বিয়ে করতে পারেন৷ আর ছেলে এসেক্সুয়াল ও প্রচুর আছে। আমার বন্ধুই এমন। তবে আমার বন্ধুর জিএফ সব জেনেও পাশে আছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ডাজেন্ট ম্যাটার ভালোবাসার মানুষ পাশে থাকলেই হয়। :)
1👍1
জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি
বিয়ের কমপক্ষে দেড় বছর পরেই বাচ্চা নিবেন,
মানুষ আগে চিনবেন, সংসারের উপযুক্ত কিনা,নয়তো,বাচ্চা হওয়ার পর আর চাইলেই
বিচ্ছেদ কঠিন হয়ে যায়।

@FMA
1👍1
আমার আব্বা আমাদের ছোটবেলা থেকে বলতেন, ❝মেয়েদের দে/ব/র আর দুলা-ভাই হলো দো★জ★খে★র দরজা!❞

~ জনৈক বোন!
👍5
স্বপ্নদোষ হলো একজন নারী-পুরুষের ঘুমের মধ্যে বীর্যপাতের অভিজ্ঞতা।

এটাকে ‘ভেজাস্বপ্ন’ও বলা হয়। ১৩ থেকে ১৯ বছর বয়সী ছেলে-মেয়েদের প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার প্রাথমিক বছরগুলোতে স্বপ্নদোষ খুব সাধারণ। তবে বয়ঃসন্ধিকালের পরে যেকোনো সময় স্বপ্নদোষ হতে পারে। এটার সাথে যৌন উত্তেজক স্বপ্নের সম্পর্ক থাকতে পারে, আবার নাও পারে।

আবার পুরুষদের উত্থান ছাড়াই স্বপ্নদোষ ঘটতে পারে। ঘুম থেকে জাগার সময় কিংবা সাধারণ ঘুমের মধ্যে যে স্বপ্নদোষ হয়, তাকে কখনো কখনো ‘সেক্স ড্রিম’ বলে। মহিলাদের ঘুমের মধ্যে চরম পুলক লাভের অভিজ্ঞতা ঘটতে পারে। পুরুষদের বেলায় স্বপ্নদোষ হয়েছে কিনা তা কাপড়ে লেগে থাকা প্রমান থেকে সহজেই অনুমান করা সম্ভব হলেও নারীদের বেলায় অনুমান তুলনামূলক জটিল,

কারণ স্বপ্ন দোষের ফলে নারীর যোনিপথ থেকে নির্গত বীর্যরস কাপড়ে লাগার আগেই গঠনগত কারনে যোনিতেই শুকিয়ে যায়।

কিছু নারী-পুরুষ কেবল একটা নির্দিষ্ট বয়সে এ ধরনের স্বপ্ন দেখেন, পক্ষান্তরে অন্যদের বেলায় বয়ঃসন্ধিকালের পর থেকেই সারাজীবন এ ধরনের স্বপ্ন দেখার অভিজ্ঞতা বাস্তব প্রমানিত।

ঘন ঘন স্বপ্নদোষের সাথে ঘনঘন হস্তমৈথুন করার সুনিশ্চিত সম্পর্ক নেই। বিশ্বখ্যাত যৌন গবেষক আলফ্রেড কিনসে গবেষনায় দেখেছেন, ‘ঘনঘন হস্তমৈথুন এবং ঘনঘন যৌন উত্তেজক স্বপ্নের মধ্যে কিছুটা সম্পর্ক থাকতে পারে।

সাধারণভাবে যেসব নারী-পুরুষের ঘনঘন স্বপ্নদোষ হয়, তারা কম হস্তমৈথুন করেন। এদের অনেকে গর্বিত হন এই ভেবে যে, তাদের ঘনঘন স্বপ্নদোষ হয়, এ কারণে তারা হস্তমৈথুন করেন না। অথচ এদের বেলায় উল্টোটা সত্যি।

প্রাপ্ত বয়স্ক নারী-পুরুষের স্বপ্নদোষের মাত্রা বেড়ে যায় যদি তিনি টেস্টোসটেরনসমৃদ্ধ খাবার/ওষুধ গ্রহণ করেন। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, কিছুসংখ্যক নারী-পুরুষের দেহে টেস্টোসটেরনের মাত্রা বৃদ্ধির ফলে তাদের স্বপ্নদোষের মাত্রাও মারাত্মকভাবে বেড়ে গেছে।

১৭ শতাংশ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯০ শতাংশে।
অনেকে স্বপ্নদোষ হওয়া মারাত্মক রোগ বলে মনে করেন। তাদের ধারণা, যৌবনে এটা একটা প্রধান যৌন সম্পর্কিত রোগ।

কেউ কেউ নানা ধরনের চিকিৎসা করিয়ে থাকেন, এমনকি স্বপ্নদোষ ও হস্তমৈথুনের জন্য প্রচলিত ব্যয়বহুল চিকিৎসা করান। এদের অজ্ঞতার সুযোগ নেন অনেকে। স্বপ্নদোষকে ভয়াবহ রোগ হিসেবে অভিহিত করে রোগীর মনে আতঙ্ক সৃষ্টি করেন।

#মূলকথা_হলো_স্বপ্নদোষ_কোনো_রোগ_নয়_অতিরিক্ত_হলে_বিয়ে_করে_ফেলুন।

স্বপ্নদোষ থেকে বাঁচার উপায়:-

- পর্ন মুভি-ভিডিও ক্লিপ দেখা থেকে বিরত থাকুন।
- বিবাহিত নারী-পুরুষ যাদের স্বামী-স্ত্রী প্রবাসে থাকেন তারা যৌন চিন্তা বাদ দিয়ে পরিবার-সমাজ নিয়ে পজেটিভ চিন্তা করুন।
- রাস্তা-ঘাটে চলার সময় পুরুষগন দৃষ্টি সংযত রাখুন এবং নারীগণ সাবলীল পোষাক পরিধান করুন, যাতে আপনার শরীরের বিশেষ দৃশ্য পুরুষের যৌন উত্তেজনার কারণ না হয়।
- ঘুমাতে যাওয়ার আগে এমন পোষাক পরিধান করুন যা আপনাকে যৌন সুড়সুড়ি দিবেনা।
-মুসলিম হলে সবসময় ওযু করে নিজেকে পবিত্র ও পরিচ্ছন্ন রাখুন।

- ঘুমাতে যাওয়ার আগে প্রস্রাব করে নিন। যদিও এটি স্বপ্নদোষের চিকিৎসা নয়। তবে এটি স্বপ্নদোষের চাপ কমাতে শরিরকে সাহায্য করে।
- ঘুমাতে যাওয়ার আগে এককাপ ঋষি পাতা (sage leaves- Google এ search করে দেকতে পারেন। হয়ত এটি আপনার অঞ্চলে ভিন্ন নামে পরিচিত) এর চা পান করলে অতিরিক্ত হস্থমৈথুন জনিত স্বপ্নদোষ থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

- অশ্বগন্ধা স্বপ্নদোষে সৃষ্ট সমস্যার উপকরণ সহ সর্বোপরি যৌন স্বাস্থ্য শুদ্ধি হরমোন ব্যালেন্স এবং হস্থমৈথুন এর ফলে দুর্বল হয়ে যাওয়া পেশি শক্তি ফিরে পাওয়া ও ছোট খাটো ইঞ্জুরি সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে।
- ঘুমানোর আগে অতিরিক্ত পানি পান করবেন না। যদি সামান্য পরিমাণ প্রস্রাবের লক্ষণও থাকে বিছানায় যাওয়ার আগে প্রস্রাব করে নিন।

- রাতে খাবার পর পরই ঘুমাতে যাবেন না। কিছুক্ষণ হাটা হাটি করুন।
- প্রতিদিন সামান্য করে হলেও পুদিনা পাতা অথবা মিছরি খাবার অভ্যাস করুন।

-মুসলিমদের জন্য পবিত্র কোরানের ৩০ নাম্বার পারার ” সুরা তারিক” পরে শয়ন করুন। হালকা জিকির এবং অন্যান্য দোয়া পরে ঘুমাতে গেলে আল্লাহর রহমতে স্বপ্নদোষ থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

আমরা মেডিকেল টিম আপনাদের পাশে আছি আমাদের নতুন Fb গ্রুপে 👉 20 Minute Medical (2) তাই এখনই যুক্ত হয়ে জান নতুন গ্রুপে প্লিজ।

পুরোতন গ্রুপটির কার্যক্রম বন্ধ আছে টেকনিক্যাল সমস্যার কারণে!

পড়াশেষে Done লি*খুন।

ধন্যবাদ!

#Admin
👍61
“আমার জন্য একজন মুসলিমের গোপন অঙ্গ দেখা, কিংবা নিজের গোপন অঙ্গ দেখানোর চাইতে সহজ হচ্ছে—আমি মরব আবার জীবিত হবো, তারপর আবার মরব আবার জীবিত হবো, তারপর আবার মরব আবার জীবিত হবো।”
.
— সালমান ফার্সি (রাদ্বি.)

সূত্র: যুহদ, ইমাম আহমাদ, পৃঃ ১৯২
.
পাঠক, একবার ভাবুন। সে যুগে ইন্টারনেট ছিল না, প্রিন্ট মিডিয়া ছিল না, পর্ন ছিল না, আজকের যুগের মতো বেহায়াপনা, বেপর্দায় চলা, অশ্লীলতার ছড়াছড়ি ছিল না, তারপরও তাঁরা চোখের হেফাজতের ব্যাপারে কত সচেতন ছিলেন!
👍1
🌴সকলের জানা উচিত!!!

০১. আপনার পাকস্থলী কখন ভীত; যখন আপনি সকালে ব্রেকফাস্ট করছেন না।

০২. আপনার কিডনি কখন আতঙ্কিত; যখন আপনি ২৪ ঘন্টায় ১০ গ্লাস পানি পান করতে ব্যর্থ হচ্ছেন।

০৩. আপনার গলব্লাডার ভীত; যখন আপনি রাত ১১টার মধ্যে ঘুমাতে এবং সূর্যোদয়ের সাথে সাথে বিছানা ছাড়তে ব্যর্থ হচ্ছেন।

০৪. আপনার ক্ষুদ্রান্ত্র আতঙ্কিত; যখন আপনি ঠান্ডা এবং বাসী খাবার খাচ্ছেন।

০৫. বৃহদান্ত্র আতঙ্কিত; যখন আপনি ভাজা-পোড়া এবং ঝাল মশলাযুক্ত খাবার বেশি খাচ্ছেন।

০৬. ফুসফুস তখন ভীত; যখন আপনি ধোঁয়া, ধুলা এবং বিড়ি ও সিগারেটের বিষাক্ত আবহাওয়ায় থাকছেন।

০৭. লিভার ভীত; যখন আপনি অতিরিক্ত ভাজা, জাঙ্কফুড এবং ফাস্টফুড খাচ্ছেন।

০৮. হৃদপিন্ড ভীত; যখন আপনি বেশি লবণ এবং কোলেস্টরলযুক্ত খাবার খাচ্ছেন।

০৯. প্যানক্রিয়াস আতঙ্কিত; যখন আপনি সহজলভ্য এবং সুস্বাদু বলে প্রচুর মিষ্টিজাত খাবার খাচ্ছেন।

১০. আপনার চোখ আতঙ্কিত; যখন আপনি অন্ধকারে মোবাইলের আলো এবং কম্পিউটার স্ক্রীনের আলোয় কাজ করছেন।

১১. আপনার মস্তিষ্ক ভীত; যখন আপনি নেতিবাচক চিন্তাকে প্রশ্রয় দেয়া শুরু করেছেন।

সুতরাং আপনার শরীরের অঙ্গ প্রতঙ্গসমূহের যত্ন নিন।

অনিবার্য কারণে নভেম্বর ১ তারিখ থেকে 20MM এর Fb গ্রুপের কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। আমাদের সকল কার্যক্রম নতুন গ্রুপ 👉 20 Minute Medical (2) চলছে পুরোদমে!

নতুন গ্রুপে যুক্ত হওয়ার জন্য সবাইকে আহবান করা হচ্ছে..
👍5😢1
"তোমার মৃত্যুর কারনে বাজারঘাট বন্ধ থাকবে না৷ (দুনিয়াতে) তোমার অবস্থান খুবই নগণ্য৷ সুতরাং নিজেকে চেনো।"

[হাইয়াতুল আওলিয়া, ৩/২৩২]
5
হাসান (রহিমাহুল্লাহ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন,

إِنَّ الْعَبْدَ لَيُذْنِبُ الذَّنْبَ فَيُدْخِلُهُ اللهُ بِهِ الْجَنَّةَ
“বান্দা পাপ করবে, আর আল্লাহ তাকে এর বদৌলতে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন।” সাহাবিগণ (রদিয়াল্লাহু আনহু) বললেন, ‘হে আল্লাহ’র রাসূল! পাপ কেমন করে তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবে?” নবি (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন,

يَكُونُ نُصْبَ عَيْنِهِ فَارًا تَائِبًا حَتَّى يُدْخِلَهُ ذَنْبُهُ الْجَنَّةَ
উক্ত পাপ (সারাক্ষণ) তার চোখের সামনে ভেসে বেড়াবে; ফলে সে (অনুরূপ পাপ থেকে) পালিয়ে বেড়াবে এবং তার জন্য তাওবা (অনুশোচনা) করতে থাকবে; শেষ পর্যন্ত ঐ পাপই তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবে।”

মাজমাউয যাওয়াইদ ১০/১৯৯
বই: কিতাবুয যুহুদ গ্রন্থের অনুবাদ (রাসুলের চোখে দুনিয়া) পৃষ্ঠা : ১০০
Deen of Ummah
2👍2
Forwarded from Sirah (সীরাহ) (Junaid Ahmed)
জীবনের শেষ ধাপে একটা আফসোসই হবে, ইশ দুনিয়ার জন্য যেভাবে জানকোরবান করেছিলাম, আখেরাতের জন্য তার ছিঁটেফোঁটাও যদি করতাম!

আতিক উল্লাহ হাফিঃ
😢1
ছেলে-মেয়ে দেখতে গেলে কমপক্ষে ৫ টি বিষয়ে খোঁজ নিবেন। যথা-

মেয়ে দেখার ক্ষেত্রে-

১. মেয়ের ঘুমের টাইম। কখন কখন ঘুমায়?

২. মেয়ের নিজের কাজকর্ম কে করে দেয়? যেমন তার কাপর-চোপর কে ধুয়ে দেয়? বিছানা কে ঝেড়ে দেয়। খানা কে বেড়ে দেয়? ইত্যাদি।

৩. মেয়ে তার মা বাবার কী কী খেদমত করে?

৪. মেয়ের ব্যক্তিগত আমল ও আমলের সময়।

৫. দুলাভাই, চাচাতো, মামাতো, খালাতো, ফুফাতো ভাইদের সাথে কথাবার্তা বলে কিনা? বললে কিভাবে?

তখন সেখানে উপস্থিত এক বৃদ্ধ বললেন, মেয়ের জন্য ছেলে দেখতে গেলে কী দেখব?

বললাম,এক্ষেত্রে কমপক্ষে ৭ টি বিষয়ে খোঁজ নিবেন। যথা-

১. ছেলে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ কোথায় পড়ে?

২. আয়ের কতটুকু বাড়িতে দেয়?

৩. সংসারের কোন কোন দায়িত্ব পালন করে?

৪. বাসায় মা বাবা কোন কোন ওষুধ সেবন করেন?

৫. বাসায় কখন ফেরে?

৬. ব্যক্তিগত আমল ও আমলের সময়।

৭. পরিবার ও সমাজের গায়রে মাহরাম নারীদের সাথে তার আচরণ কেমন?
.
লিখা: আহমাদ ইউসুফ শরীফ (হাফি.)

(নোট: অনেকেই বিয়ের কথাবার্তা আগানোর ক্ষেত্রে কেমন প্রশ্ন করা উচিৎ বলে জিজ্ঞাসা করে থাকেন, আশা করি তাদের ক্ষেত্রে কাজে আসবে।)
2👍2
'সকালে খাবেন রাজপুত্রের মতো, দুপুরে রাজার মতো আর রাতে ভিখারির মতো'
👍4👌1
#যৌনদুর্বলতা, #লিঙ্গের উত্থানজনিত সমস্যা , #দ্রুতবীর্যপাত এর জন্য নিচের সকল উপকরণ সমপরিমাণে সংগ্রহ করবেন। এবার সবগুলো ব্লেন্ডারে দিয়ে ব্লেন্ড করে ফেলবেন । এবার এরমধ্যে ততটুকু মধু দেবেন যতটুকু মধু দিলে থকথকে সেমিসলিড বা আচারের মতো তৈরি হয়।

এবার এই পুষ্টিকর সাপ্লিমেন্ট প্রতিদিন রাতে এক চা চামচ করে ভাত খাওয়ার পর খাবেন। দুই মাস ।

সবচেয়ে ভালো নিজে তৈরি করতে পারলে। নিজে যদি তৈরি করতে না পারেন তাহলে আমাদের 01712859950 অথবা 01972859950 মোবাইল নাম্বারে ফোন দিয়ে সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে সংগ্রহ করতে পারবেন।

উপাদান :
Almond/ কাগজী বাদামের শাঁস
আখরোটের শাঁস
Hazel Nut-এর শাঁস
পেস্তার শাঁস
তাজা নারকেল
Baloon Vine seeds
পোস্তদানা
খোসা ছাড়ানো তিল
লাল বামন
সাদা বামন
শুঁঠ
পিপুল
আকরকরা
কাবাবচীনী
পেঁয়াজ-বীজ
শালগম-বীজ
আলকুশী-বীজ (শোধন করা)
গাজর-বীজ
দারচিনি
যত্রিক
.
বিশেষ দ্রষ্টব্য:
নিচের নাম্বার ছাড়া অন্য কোন নাম্বারে আমাদের সাথে আর্থিক লেনদেন করবেন না ।
.
★ বিকাশ পেমেন্ট: 01712 859950
★ রকেট সেন্ড মানি: 01712 859950 3
★ নগদ সেন্ড মানি : 01712 859950
★ বিকাশ সেন্ড মানি: 01972 859950
.
টাকা পাঠানোর পূর্বে ও পরে অবশ্যই মোবাইল নাম্বারে ফোন করে নিবেন ।