গ্রাফিক ডিজাইন শিখে
১০ বছরে ইনকাম ১ কোটি টাকা !
🎯 সফলতার সংজ্ঞা একেকজনের কাছে একেক রকম। আমি ধরে নিচ্ছি যে, আপনি মনে করেন- ১ কোটি টাকা ইনকাম করতে পারলেই আপনি নিজেকে সফল বলবেন !
🏆 টার্গেট ফিলাপ করতে আপনাকে সময় দিতে হবে : ১০ বছর। সাথে সেলফ ইমপ্রুভমেন্ট, সময়, শ্রম ও মেধাকে কাজে লাগানোর জন্য সব সময় প্রস্তুত থাকতে হবে। এটি একটি লাম্বা জার্নি, যারা দুইয়েকটি কোর্স করে, তিন মাস বা ছয় মাসেই লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করতে চায়, এই পোস্টটি তাদের জন্য নয় ।
এখন প্ল্যানিং বলবো-
আপনাকে প্রথম ৫ বছর শুধু শিখতে হবে :
🎨 চমৎকার ডিজাইন করা শিখতে হবে।
📜 মার্কেটপ্লেসের নিয়ম-কানুন শিখতে হবে।
📩 কমার্শিয়াল কমিউনিশন শিখতে হবে।
🚚 ফাস্ট ডেলিভারি প্রসেস শিখতে হবে।
💁 ক্লাইন্ট ম্যানেজ করা শিখতে হবে।
🧺 আরো খুটিনাটি কিছু বিষয় শিখতে হবে।
তবে প্রথম ৫ বছরে আপনি শেখা অবস্থায় যা ইনকাম করবেন, সেগুলো আমরা হিসাবের মধ্যে ধরবো না। কেবল পরবর্তী ৫ বছরের ইনকামই হিসেব করবো। তাহলেও প্ল্যান অনুযায়ী ইনকাম ১ কোটি প্লাস হওয়ার কথা।
⌛ মাঝে আরেকটি কথা বলে নিই,
অনেকের কাছে ১০ বছর, সময়টা অনেক বেশি মনে হতে পারে। আমি বলি- আপনাকে বাস্তবতা বুঝতে হবে, কেবল অলীক চিন্তা করে লাভ নেই।
আশেপাশের সফল ব্যক্তিদের প্রতি খেয়াল করুন, দেখবেন- সফল হতে হতে বেশিরভাগের বয়স ৪০-৫০ পার হয়ে গেছে । সফল হওয়া এতো সহজ না, আমার মনে হয়- ৩মাস বা ৬মাসে সফল হওয়ার কথা শুধু চিন্তা করা সম্ভব, সফল হওয়া সম্ভব না। তাই বড় সময় নিয়ে প্ল্যান করুন। আপনার বয়স যদি এখন ২৫ বছর হয়, তাহলে আগামী ১০ বছর পর আপনার বয়স হবে ৩৫। ৩৫ বছর বয়সেই যদি আপনি সফল হতে পারেন, তাহলে মন্দ কী !
🏷️ আপনার প্রথম কাজ :
আপনার প্রতি ঘণ্টা সময়ের মূল্য কত ? এটা আপনাকে জানতে হবে। তাহলে আগামী ১০ বছরে আপনার টার্গেট পূরণ করা সহজ হবে, ইনশাআল্লাহ।
আমি আপনাকে ৮পৃষ্ঠার একটি PDF লিংক দিচ্ছি। PDF Link : https://shorturl.at/zKUZ6 এটা পড়লে আপনি বুঝতে পারবেন, আপনার প্রতি ঘণ্টা সময়ের মূল্য কত ? বা আপনার সময়ের মূল্য আপনি কীভাবে নির্ধারণ করবেন। স্কিল শেখা ও ইনকাম করার ব্যাপারেও আপনার একটি ক্লিয়ার ধারণা তৈরি হবে এবং এ দুটোর বাস্তবতা আপনি বুঝতে পারবেন, ইনশাআল্লাহ।
📁 PDF এ আমি আমার ব্যক্তিগত প্ল্যানিং শেয়ার করেছি, কারো ভিন্নমত থাকতেই পারে, আমি আশা করছি, PDF টি পড়ার পর কেমন লাগলো জানাবেন, আপনার মূল্যবান মতামত ও পরামর্শ দিবেন।
💖 ধন্যবাদ
🪶 এনামুল হাসান মারুফ
শিক্ষক, গ্রাফিক ডিজাইন মাস্টার কোর্স
( ডিজাইন শেখায় বাংলাদেশের ১ নাম্বার কোর্স )
হেল্প লাইন 🔻
whatsapp : 01873 555 755
Hello : 01767-739928, 01996-768699
কথা বলার সময়- প্রতিদিন সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত। ( অনুগ্রহপূর্বক নির্ধারিত সময়ে যোগাযোগ করুন )
#graphicdesignmastercourse #bestcourse #no.1course #creativecourse #masterclass #income #money #makemoney #investing #business #wealth #success #passiveincome #entrepreneur #millionaire #rich #FinancialFreedomAhead
১০ বছরে ইনকাম ১ কোটি টাকা !
🎯 সফলতার সংজ্ঞা একেকজনের কাছে একেক রকম। আমি ধরে নিচ্ছি যে, আপনি মনে করেন- ১ কোটি টাকা ইনকাম করতে পারলেই আপনি নিজেকে সফল বলবেন !
🏆 টার্গেট ফিলাপ করতে আপনাকে সময় দিতে হবে : ১০ বছর। সাথে সেলফ ইমপ্রুভমেন্ট, সময়, শ্রম ও মেধাকে কাজে লাগানোর জন্য সব সময় প্রস্তুত থাকতে হবে। এটি একটি লাম্বা জার্নি, যারা দুইয়েকটি কোর্স করে, তিন মাস বা ছয় মাসেই লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করতে চায়, এই পোস্টটি তাদের জন্য নয় ।
এখন প্ল্যানিং বলবো-
আপনাকে প্রথম ৫ বছর শুধু শিখতে হবে :
🎨 চমৎকার ডিজাইন করা শিখতে হবে।
📜 মার্কেটপ্লেসের নিয়ম-কানুন শিখতে হবে।
📩 কমার্শিয়াল কমিউনিশন শিখতে হবে।
🚚 ফাস্ট ডেলিভারি প্রসেস শিখতে হবে।
💁 ক্লাইন্ট ম্যানেজ করা শিখতে হবে।
🧺 আরো খুটিনাটি কিছু বিষয় শিখতে হবে।
তবে প্রথম ৫ বছরে আপনি শেখা অবস্থায় যা ইনকাম করবেন, সেগুলো আমরা হিসাবের মধ্যে ধরবো না। কেবল পরবর্তী ৫ বছরের ইনকামই হিসেব করবো। তাহলেও প্ল্যান অনুযায়ী ইনকাম ১ কোটি প্লাস হওয়ার কথা।
⌛ মাঝে আরেকটি কথা বলে নিই,
অনেকের কাছে ১০ বছর, সময়টা অনেক বেশি মনে হতে পারে। আমি বলি- আপনাকে বাস্তবতা বুঝতে হবে, কেবল অলীক চিন্তা করে লাভ নেই।
আশেপাশের সফল ব্যক্তিদের প্রতি খেয়াল করুন, দেখবেন- সফল হতে হতে বেশিরভাগের বয়স ৪০-৫০ পার হয়ে গেছে । সফল হওয়া এতো সহজ না, আমার মনে হয়- ৩মাস বা ৬মাসে সফল হওয়ার কথা শুধু চিন্তা করা সম্ভব, সফল হওয়া সম্ভব না। তাই বড় সময় নিয়ে প্ল্যান করুন। আপনার বয়স যদি এখন ২৫ বছর হয়, তাহলে আগামী ১০ বছর পর আপনার বয়স হবে ৩৫। ৩৫ বছর বয়সেই যদি আপনি সফল হতে পারেন, তাহলে মন্দ কী !
🏷️ আপনার প্রথম কাজ :
আপনার প্রতি ঘণ্টা সময়ের মূল্য কত ? এটা আপনাকে জানতে হবে। তাহলে আগামী ১০ বছরে আপনার টার্গেট পূরণ করা সহজ হবে, ইনশাআল্লাহ।
আমি আপনাকে ৮পৃষ্ঠার একটি PDF লিংক দিচ্ছি। PDF Link : https://shorturl.at/zKUZ6 এটা পড়লে আপনি বুঝতে পারবেন, আপনার প্রতি ঘণ্টা সময়ের মূল্য কত ? বা আপনার সময়ের মূল্য আপনি কীভাবে নির্ধারণ করবেন। স্কিল শেখা ও ইনকাম করার ব্যাপারেও আপনার একটি ক্লিয়ার ধারণা তৈরি হবে এবং এ দুটোর বাস্তবতা আপনি বুঝতে পারবেন, ইনশাআল্লাহ।
📁 PDF এ আমি আমার ব্যক্তিগত প্ল্যানিং শেয়ার করেছি, কারো ভিন্নমত থাকতেই পারে, আমি আশা করছি, PDF টি পড়ার পর কেমন লাগলো জানাবেন, আপনার মূল্যবান মতামত ও পরামর্শ দিবেন।
💖 ধন্যবাদ
🪶 এনামুল হাসান মারুফ
শিক্ষক, গ্রাফিক ডিজাইন মাস্টার কোর্স
( ডিজাইন শেখায় বাংলাদেশের ১ নাম্বার কোর্স )
হেল্প লাইন 🔻
whatsapp : 01873 555 755
Hello : 01767-739928, 01996-768699
কথা বলার সময়- প্রতিদিন সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত। ( অনুগ্রহপূর্বক নির্ধারিত সময়ে যোগাযোগ করুন )
#graphicdesignmastercourse #bestcourse #no.1course #creativecourse #masterclass #income #money #makemoney #investing #business #wealth #success #passiveincome #entrepreneur #millionaire #rich #FinancialFreedomAhead
Google
Our final Winner at Tiny RV Homes!! 2024
❤2👍1
কাপল ভ্লগিং
ভ্লগ জগতের বড় নির্লজ্জ আর আত্মমর্যাদাহীন একটি প্রকার হলো কাপল ভ্লগিং। কাপল ভ্লগিংয়ের মানে হচ্ছে স্বামী-স্ত্রী দুজন মিলে নিজেদের পারিবারিক জীবনযাত্রা, ভ্রমণ, ঘুরে বেড়ানোসহ সকল কিছু নিয়ে কন্টেন্ট তৈরি করা। কিছুদিন আগেও এই টাইপের ভ্লগিংয়ের কোনো অস্তিত্ব ছিল না। কয়েকজন কাপল এই ধরনের ভ্লগিং করে মিডিয়া জগতে ব্যাপকভাবে আলোচনায় আসার পর থেকে এর প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ব্যাপকভাবে বিবাহিত তরুণ-তরুণী এই ধরনের ভ্লগিংয়ের দিকে ঝুঁকছে।
কোনো আত্মমর্যাদাবান পুরুষ ও নারীর পক্ষে কাপল ভ্লগিং করা সম্ভব না। কিন্তু ভ্লগের এই ট্রেন্ড আমাদের অনেকের হায়া, লজ্জা আর আত্মমর্যাদাবোধকে বিকিয়ে দিয়েছে।
দাম্পত্যজীবন একান্তই ব্যক্তিগতভাবে উপভোগ করার একটা জীবন। পারিবারিক এই সম্পর্কের প্রতিটি মুহূর্তই খুবই দামি ও অমূল্য সময়। এই জীবনের চিত্র মানুষকে দেখিয়ে বেড়ানোর নয়। টাকা আর ভাইরাল হওয়ার নেশায় আমরা নিজেদের সিক্রেট লাইফটাকে লক্ষ লক্ষ মানুষের চোখের বাজারে বিক্রি করে দিচ্ছি।নিজেদের ভেতরকার খুনশুটি, রান্নাবান্না, আলিঙ্গন, বিছানায় শয়ন, বাইরে ঘুরে বেড়ানো সকল মুহূর্তকেই আমরা টাকা আর ভিউয়ের বিনিময়ে সস্তা বাজারে বিক্রি করে দিচ্ছি।
নববি যুগ থেকে মুসলিমদের গায়রাত তো এমন ছিল যে, তাদের স্ত্রীকে কোনো পরপুরুষ ঘটনাক্রমে দেখে ফেলবে এটাই তারা কল্পনা করতে পারতেন না। ইচ্ছা করে দেখিয়ে বেড়ানো তো দূরের বিষয়। কয়েক যুগ আগেও মুসলিম সমাজে এই রীতি ছিল না। বিজাতীয় সংস্কৃতির আগ্রাসন আমাদের সমাজের দীনি রক্ষণশীলতাকে বিলুপ্ত করে দিয়েছে।
এটা কীভাবে সম্ভব যে, একজন পুরুষ তার স্ত্রীকে নেটের বাজারে ছেড়ে দিয়ে ইনকামের চিন্তা করবে। এটা কি নিজের স্ত্রীর সৌন্দর্য, দেহ, জীবনাচার ইত্যাদি অনলাইনে বিক্রি করে দেওয়া নয়? আমি আমার স্ত্রীকে স্পর্শ করছি, আলিঙ্গন করছি, চোখে চোখ রেখে ভাব বিনিময় করছি, অন্দরমহলে দৈনন্দিন খুনশুটি করছি, একসাথে দুজন খাবার খাচ্ছি—এই মূল্যবান মুহূর্তগুলো কি বিক্রি করে দেওয়ার মতো, বাজারে ছেড়ে দেওয়ার মতো? কীভাবে একজন পুরুষের পক্ষে সম্ভব নিজের স্ত্রীকে তাবাররুজের মতো ভয়াবহ ও অভিশপ্ত একটি চর্চার দিকে ঠেলে দেওয়া?
আর মেয়ের পক্ষেও বা কীভাবে সম্ভব নিজেকে এভাবে হাজার হাজার মানুষের সামনে প্রদর্শন করে বেড়ানো, নিজের স্বামীর সাথে কাটানো মুহূর্তগুলো নেটের জগতে দেখিয়ে বেড়ানো? তাবাররুজের এর চেয়ে ভয়াবহ আর নিকৃষ্ট চিত্র আর কী হতে পারে! নিজেকে দেখিয়ে বেড়ানো, হাজার হাজার পুরুষের দৃষ্টির বাজারে নিজেকে উন্মুক্ত করে দেওয়া, অ্যাটেনশন পাওয়া, নির্লজ্জ বিনয়বিহীন অ্যাক্টিভিটিসহ তাবাররুজের প্রতিটি বৈশিষ্ট্যই এখানে পূর্ণ মাত্রায় বিদ্যমান।
কোনো মুসলিম নারী-পুরুষ তো দূরের কথা, কোনো আত্মমর্যাদাশীল ও ব্যক্তিত্ববান নারী-পুরুষের পক্ষেও এটা করা সম্ভব না। কিন্তু নৈতিকতা বিবর্জিত আধুনিক ভোগ, পুঁজি আর বিনোদন ভিত্তিক কালচার আমাদের হায়া, গায়রাত, ব্যক্তিত্ব, সুস্থ বোধশক্তি সবকিছুকেই মিটিয়ে দিয়েছে।
বই: সৌন্দর্য প্রদর্শন, ৮১-৮২ পৃষ্ঠা
ভ্লগ জগতের বড় নির্লজ্জ আর আত্মমর্যাদাহীন একটি প্রকার হলো কাপল ভ্লগিং। কাপল ভ্লগিংয়ের মানে হচ্ছে স্বামী-স্ত্রী দুজন মিলে নিজেদের পারিবারিক জীবনযাত্রা, ভ্রমণ, ঘুরে বেড়ানোসহ সকল কিছু নিয়ে কন্টেন্ট তৈরি করা। কিছুদিন আগেও এই টাইপের ভ্লগিংয়ের কোনো অস্তিত্ব ছিল না। কয়েকজন কাপল এই ধরনের ভ্লগিং করে মিডিয়া জগতে ব্যাপকভাবে আলোচনায় আসার পর থেকে এর প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ব্যাপকভাবে বিবাহিত তরুণ-তরুণী এই ধরনের ভ্লগিংয়ের দিকে ঝুঁকছে।
কোনো আত্মমর্যাদাবান পুরুষ ও নারীর পক্ষে কাপল ভ্লগিং করা সম্ভব না। কিন্তু ভ্লগের এই ট্রেন্ড আমাদের অনেকের হায়া, লজ্জা আর আত্মমর্যাদাবোধকে বিকিয়ে দিয়েছে।
দাম্পত্যজীবন একান্তই ব্যক্তিগতভাবে উপভোগ করার একটা জীবন। পারিবারিক এই সম্পর্কের প্রতিটি মুহূর্তই খুবই দামি ও অমূল্য সময়। এই জীবনের চিত্র মানুষকে দেখিয়ে বেড়ানোর নয়। টাকা আর ভাইরাল হওয়ার নেশায় আমরা নিজেদের সিক্রেট লাইফটাকে লক্ষ লক্ষ মানুষের চোখের বাজারে বিক্রি করে দিচ্ছি।নিজেদের ভেতরকার খুনশুটি, রান্নাবান্না, আলিঙ্গন, বিছানায় শয়ন, বাইরে ঘুরে বেড়ানো সকল মুহূর্তকেই আমরা টাকা আর ভিউয়ের বিনিময়ে সস্তা বাজারে বিক্রি করে দিচ্ছি।
নববি যুগ থেকে মুসলিমদের গায়রাত তো এমন ছিল যে, তাদের স্ত্রীকে কোনো পরপুরুষ ঘটনাক্রমে দেখে ফেলবে এটাই তারা কল্পনা করতে পারতেন না। ইচ্ছা করে দেখিয়ে বেড়ানো তো দূরের বিষয়। কয়েক যুগ আগেও মুসলিম সমাজে এই রীতি ছিল না। বিজাতীয় সংস্কৃতির আগ্রাসন আমাদের সমাজের দীনি রক্ষণশীলতাকে বিলুপ্ত করে দিয়েছে।
এটা কীভাবে সম্ভব যে, একজন পুরুষ তার স্ত্রীকে নেটের বাজারে ছেড়ে দিয়ে ইনকামের চিন্তা করবে। এটা কি নিজের স্ত্রীর সৌন্দর্য, দেহ, জীবনাচার ইত্যাদি অনলাইনে বিক্রি করে দেওয়া নয়? আমি আমার স্ত্রীকে স্পর্শ করছি, আলিঙ্গন করছি, চোখে চোখ রেখে ভাব বিনিময় করছি, অন্দরমহলে দৈনন্দিন খুনশুটি করছি, একসাথে দুজন খাবার খাচ্ছি—এই মূল্যবান মুহূর্তগুলো কি বিক্রি করে দেওয়ার মতো, বাজারে ছেড়ে দেওয়ার মতো? কীভাবে একজন পুরুষের পক্ষে সম্ভব নিজের স্ত্রীকে তাবাররুজের মতো ভয়াবহ ও অভিশপ্ত একটি চর্চার দিকে ঠেলে দেওয়া?
আর মেয়ের পক্ষেও বা কীভাবে সম্ভব নিজেকে এভাবে হাজার হাজার মানুষের সামনে প্রদর্শন করে বেড়ানো, নিজের স্বামীর সাথে কাটানো মুহূর্তগুলো নেটের জগতে দেখিয়ে বেড়ানো? তাবাররুজের এর চেয়ে ভয়াবহ আর নিকৃষ্ট চিত্র আর কী হতে পারে! নিজেকে দেখিয়ে বেড়ানো, হাজার হাজার পুরুষের দৃষ্টির বাজারে নিজেকে উন্মুক্ত করে দেওয়া, অ্যাটেনশন পাওয়া, নির্লজ্জ বিনয়বিহীন অ্যাক্টিভিটিসহ তাবাররুজের প্রতিটি বৈশিষ্ট্যই এখানে পূর্ণ মাত্রায় বিদ্যমান।
কোনো মুসলিম নারী-পুরুষ তো দূরের কথা, কোনো আত্মমর্যাদাশীল ও ব্যক্তিত্ববান নারী-পুরুষের পক্ষেও এটা করা সম্ভব না। কিন্তু নৈতিকতা বিবর্জিত আধুনিক ভোগ, পুঁজি আর বিনোদন ভিত্তিক কালচার আমাদের হায়া, গায়রাত, ব্যক্তিত্ব, সুস্থ বোধশক্তি সবকিছুকেই মিটিয়ে দিয়েছে।
বই: সৌন্দর্য প্রদর্শন, ৮১-৮২ পৃষ্ঠা
👍1
প্রশ্ন : সহ/বাস করার শুরুতে, মাঝে ও শেষে কী কী দু'আ পাঠ করতে হয়?
.
উত্তর : স্বামী-স্ত্রী সহ/বাসের পূর্বের দু'আ সহিহ হাদিস দ্বারা সাব্যস্ত হয়েছে। যেমন -
.
“ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যখন তোমাদের কেউ তার স্ত্রী সহ/বাস করতে চায় সে যেন বলে, ﺑِﺴْﻢِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ، ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺟَﻨِّﺒْﻨَﺎ ﺍﻟﺸَّﻴْﻄَﺎﻥَ ، ﻭَﺟَﻨِّﺐْ ﺍﻟﺸَّﻴْﻄَﺎﻥَ ﻣَﺎ ﺭَﺯَﻗْﺘَﻨَﺎ
(বিসমিল্লাহ্! আল্লা-হুম্মা জান্নিবনাশ শায়ত্বানা ও জান্নিবিশ শায়ত্বানা মা রাযাক্বতানা!)
.
অর্থ : আল্লাহর নামে শুরু করছি। হে আল্লাহ, আমাদেরকে শয়/তান হতে বাঁচান এবং আমাদেরকে যদি কোন সন্তান দেন তাকেও শয়/তান হতে বাঁচান।
.
তাহলে এ মিলনে তাদের ভাগ্যে যদি কোন সন্তান হয় তবে শয়/তান কখনো তার ক্ষতি করতে পারবে না।” [বুখারি হা/ ৬৩৮৮ ও মুসলিম হা/ ১৪৩৪]
.
অন্য বর্ণনায় এসেছে, “তাহলে শয়/তান তার কোন ক্ষতি করতে পারবে না এবং তার উপর কর্তৃত্ব চালাতে পারবে না।” [সহীহ বুখারী (ইফা), অধ্যায় : ৪৯/ সৃষ্টির সূচনা, পরিচ্ছেদ : ১৯৯৩. ইব/লিশ ও তার বাহিনীর বর্ণনা]
.
কিন্তু সহবাসের মাঝে বা সহবাসের পর বিশেষ কোনও দু'আ হাদিস দ্বারা সাব্যস্ত হয়নি। তাই নির্দিষ্ট কোনও দু'আ নিয়ম করে পাঠ করা যাবে না। হ্যাঁ, কেউ যদি সহবাসের পর সন্তান লাভের উদ্দেশ্যে মহান আল্লাহর কাছে নিজের মত করে দু'আ করে, আল্লাহর কাছে সন্তান চায় তাহলে তাতে কোনও আপত্তি নাই। তবে নির্দিষ্ট কোনও দু'আ নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে পড়া যাবে না। অন্যথায় তা বিদআ'ত হিসেবে গণ্য হবে। কেননা তা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর হাদিস বা সাহাবিদের আমল দ্বারা সাব্যস্ত হয়নি।
.
~ আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল (হাফি.)
.
উত্তর : স্বামী-স্ত্রী সহ/বাসের পূর্বের দু'আ সহিহ হাদিস দ্বারা সাব্যস্ত হয়েছে। যেমন -
.
“ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যখন তোমাদের কেউ তার স্ত্রী সহ/বাস করতে চায় সে যেন বলে, ﺑِﺴْﻢِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ، ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺟَﻨِّﺒْﻨَﺎ ﺍﻟﺸَّﻴْﻄَﺎﻥَ ، ﻭَﺟَﻨِّﺐْ ﺍﻟﺸَّﻴْﻄَﺎﻥَ ﻣَﺎ ﺭَﺯَﻗْﺘَﻨَﺎ
(বিসমিল্লাহ্! আল্লা-হুম্মা জান্নিবনাশ শায়ত্বানা ও জান্নিবিশ শায়ত্বানা মা রাযাক্বতানা!)
.
অর্থ : আল্লাহর নামে শুরু করছি। হে আল্লাহ, আমাদেরকে শয়/তান হতে বাঁচান এবং আমাদেরকে যদি কোন সন্তান দেন তাকেও শয়/তান হতে বাঁচান।
.
তাহলে এ মিলনে তাদের ভাগ্যে যদি কোন সন্তান হয় তবে শয়/তান কখনো তার ক্ষতি করতে পারবে না।” [বুখারি হা/ ৬৩৮৮ ও মুসলিম হা/ ১৪৩৪]
.
অন্য বর্ণনায় এসেছে, “তাহলে শয়/তান তার কোন ক্ষতি করতে পারবে না এবং তার উপর কর্তৃত্ব চালাতে পারবে না।” [সহীহ বুখারী (ইফা), অধ্যায় : ৪৯/ সৃষ্টির সূচনা, পরিচ্ছেদ : ১৯৯৩. ইব/লিশ ও তার বাহিনীর বর্ণনা]
.
কিন্তু সহবাসের মাঝে বা সহবাসের পর বিশেষ কোনও দু'আ হাদিস দ্বারা সাব্যস্ত হয়নি। তাই নির্দিষ্ট কোনও দু'আ নিয়ম করে পাঠ করা যাবে না। হ্যাঁ, কেউ যদি সহবাসের পর সন্তান লাভের উদ্দেশ্যে মহান আল্লাহর কাছে নিজের মত করে দু'আ করে, আল্লাহর কাছে সন্তান চায় তাহলে তাতে কোনও আপত্তি নাই। তবে নির্দিষ্ট কোনও দু'আ নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে পড়া যাবে না। অন্যথায় তা বিদআ'ত হিসেবে গণ্য হবে। কেননা তা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর হাদিস বা সাহাবিদের আমল দ্বারা সাব্যস্ত হয়নি।
.
~ আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল (হাফি.)
❤2
টেলিগ্রামে আমাদের কয়েকটি উদ্যোগ
----- -----
১। রুকইয়াহ বট
রুকইয়াহ বিষয়ক অনেক প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে এই রোবট। খুব বেশি এডভান্স না হলেও অনেক তথ্যই জানা আছে এর। আপনারা ট্রাই করতে পারেন।
গ্রুপের শুরুর দিকেই রুকইয়াহ বট চালু করা হয়েছিল। কিন্তু মেসেঞ্জার বট প্ল্যাটফর্মগুলোর প্রচুর সীমাবদ্ধতার কারনে বন্ধ হয়ে যায়। পরে ম্যানুয়ালি চালু করলে কিছুদিন পর ফেসবুক বিজনেস ভেরিফিকেশন চেয়ে বসে, ফলে পেজ থেকে এটা বন্ধ হয়ে যায়।
তবে টেলিগ্রামে চালু আছে আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহ চাইলে পরে এটা নিয়ে আরও কাজ করার ফিকির আছে।
লিংক: https://t.me/ruqyahbdbot
২। রুকইয়াহ রিসোর্স চ্যানেল
রুকইয়াহ বিষয়ক অডিও, ভিডিও, পিডিএফ ইত্যাদি রিসোর্সের জন্য স্বতন্ত্র চ্যানেল চালু হয়েছিল গতবছর জুলাইতে। আশা করি এটা অনেকের জন্য উপকারী হবে। টেলিগ্রাম থেকে ফাইলগুলো সরাসরি ডাউনলোড বা প্লে করা যাবে চাইলে।
লিংক: https://t.me/ruqyahsupportbd
৩। টেলিগ্রাম গ্রুপ
এটা আমাদের টেলিগ্রামের গ্রুপ। হঠাৎ কোনো প্রয়োজন হলে বা কোনো ইভেন্টের ডিসকাশনের দরকার হলে এক্টিভ করা হয়। এমনিতে চ্যাটবক্স বন্ধ থাকে।
লিংক: https://t.me/ruqyahbdorg
৪। টেলিগ্রাম চ্যানেল
এটা আমাদের অফিসিয়াল টেলিগ্রাম চ্যানেল। ফেসবুক পেজের মত বিভিন্ন পোস্ট, রিমাইন্ডার, অ্যাপস, অডিও ইত্যাদি শেয়ার করা হয়। এটা খুব বেশি একটিভ না হলেও চালু আছে। চাইলে এটা ফলো করতে পারেন।
লিংক: https://t.me/ruqyahbd
-------
আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া চ্যানেলগুলোর লিংক পাওয়া যাবে এখানে - ruqyahbd.org/networks
----- -----
১। রুকইয়াহ বট
রুকইয়াহ বিষয়ক অনেক প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে এই রোবট। খুব বেশি এডভান্স না হলেও অনেক তথ্যই জানা আছে এর। আপনারা ট্রাই করতে পারেন।
গ্রুপের শুরুর দিকেই রুকইয়াহ বট চালু করা হয়েছিল। কিন্তু মেসেঞ্জার বট প্ল্যাটফর্মগুলোর প্রচুর সীমাবদ্ধতার কারনে বন্ধ হয়ে যায়। পরে ম্যানুয়ালি চালু করলে কিছুদিন পর ফেসবুক বিজনেস ভেরিফিকেশন চেয়ে বসে, ফলে পেজ থেকে এটা বন্ধ হয়ে যায়।
তবে টেলিগ্রামে চালু আছে আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহ চাইলে পরে এটা নিয়ে আরও কাজ করার ফিকির আছে।
লিংক: https://t.me/ruqyahbdbot
২। রুকইয়াহ রিসোর্স চ্যানেল
রুকইয়াহ বিষয়ক অডিও, ভিডিও, পিডিএফ ইত্যাদি রিসোর্সের জন্য স্বতন্ত্র চ্যানেল চালু হয়েছিল গতবছর জুলাইতে। আশা করি এটা অনেকের জন্য উপকারী হবে। টেলিগ্রাম থেকে ফাইলগুলো সরাসরি ডাউনলোড বা প্লে করা যাবে চাইলে।
লিংক: https://t.me/ruqyahsupportbd
৩। টেলিগ্রাম গ্রুপ
এটা আমাদের টেলিগ্রামের গ্রুপ। হঠাৎ কোনো প্রয়োজন হলে বা কোনো ইভেন্টের ডিসকাশনের দরকার হলে এক্টিভ করা হয়। এমনিতে চ্যাটবক্স বন্ধ থাকে।
লিংক: https://t.me/ruqyahbdorg
৪। টেলিগ্রাম চ্যানেল
এটা আমাদের অফিসিয়াল টেলিগ্রাম চ্যানেল। ফেসবুক পেজের মত বিভিন্ন পোস্ট, রিমাইন্ডার, অ্যাপস, অডিও ইত্যাদি শেয়ার করা হয়। এটা খুব বেশি একটিভ না হলেও চালু আছে। চাইলে এটা ফলো করতে পারেন।
লিংক: https://t.me/ruqyahbd
-------
আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া চ্যানেলগুলোর লিংক পাওয়া যাবে এখানে - ruqyahbd.org/networks
Telegram
RuqyahBD Bot
টেলিগ্রামের জন্য Ruqyah Support BD'র বট
😱1
সন্তান হওয়ার পর মা-বাবার ডিভোর্স হলে সন্তানের জীবনে অনেক নেগেটিভ প্রভাব পড়ে।
দুনিয়াতে বন্ধন যেহেতু আছে, বিচ্ছেদও তাই স্বাভাবিক। বিয়ে হচ্ছে। ডিভোর্সও হবে। কিন্তু সে ডিভোর্স যেনো একটা নিরাপরাধ শিশুর জীবন ধ্বংস না করে, সেটা বিবেচনা করাও নৈতিকতা। একটা দায়বোধ।
বেশিরভাগ বিয়ের প্রথম তিন-চার বছর সময়টা খুবই ক্রিটিক্যাল। এই সময়েই বুঝা যায় সম্পর্কটা কতোদূর যাবে। সে সময়ে সম্পর্কটার গভীরতা অনুমান করা যায়।
আর ঠিক সে সময়েই বাচ্চা নিলে অনেক সময় দাম্পত্য জীবন আরো দুর্বিষহ হয়ে যায়।
আমাদের সমাজে একটা ধারণা আছে—বাচ্চা নিয়ে নাও। সব ঠিক হয়ে যাবে। এটা ভুল! বাচ্চা নিলেই সব ঠিক হয়ে যায় না। বরং বহু বাচ্চা বড়ো হয় মা-বাবার ফাইটিং দেখে। মা-বাবার মধ্যে পারস্পরিক প্রেম-ভালোবাসা দেখে বড়ো হয় না। রেসপেক্ট দেখে বড়ো হয় না। এতে বহু শিশু মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। জীবনবোধ সম্পর্কে ভুল ধারণা পায়।
বিয়ের আগে যদি হাজবেন্ড বা ওয়াইফের মধ্যে দীর্ঘদিনের পরিচয়ও থাকে, তারপরও বিয়ের পর বিষয়টা অনেক ভিন্ন।
বিয়ের মধ্য দিয়ে আমরা যুক্ত করি পরিবার। সমাজ। আচার। তৈরি করি পারিবারিক আচার-সংস্কৃতির ফিউশন। রুচির ফিউশন। দায়বোধ। ভবিষ্যতের স্বপ্ন। বিয়ের আগে ও পরের সময়টা—তাই পুরো ভিন্ন দুই জগৎ।
সন্তান নেয়ার আগে মা-বাবা দুজনেরই কমিটমেন্ট দরকার। দুজনের স্নেহ-মমতায় যেনো সন্তান বড়ো হয়, সেই প্রতিজ্ঞাটা দরকার।
…………………..
@Rauful Alam
দুনিয়াতে বন্ধন যেহেতু আছে, বিচ্ছেদও তাই স্বাভাবিক। বিয়ে হচ্ছে। ডিভোর্সও হবে। কিন্তু সে ডিভোর্স যেনো একটা নিরাপরাধ শিশুর জীবন ধ্বংস না করে, সেটা বিবেচনা করাও নৈতিকতা। একটা দায়বোধ।
বেশিরভাগ বিয়ের প্রথম তিন-চার বছর সময়টা খুবই ক্রিটিক্যাল। এই সময়েই বুঝা যায় সম্পর্কটা কতোদূর যাবে। সে সময়ে সম্পর্কটার গভীরতা অনুমান করা যায়।
আর ঠিক সে সময়েই বাচ্চা নিলে অনেক সময় দাম্পত্য জীবন আরো দুর্বিষহ হয়ে যায়।
আমাদের সমাজে একটা ধারণা আছে—বাচ্চা নিয়ে নাও। সব ঠিক হয়ে যাবে। এটা ভুল! বাচ্চা নিলেই সব ঠিক হয়ে যায় না। বরং বহু বাচ্চা বড়ো হয় মা-বাবার ফাইটিং দেখে। মা-বাবার মধ্যে পারস্পরিক প্রেম-ভালোবাসা দেখে বড়ো হয় না। রেসপেক্ট দেখে বড়ো হয় না। এতে বহু শিশু মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। জীবনবোধ সম্পর্কে ভুল ধারণা পায়।
বিয়ের আগে যদি হাজবেন্ড বা ওয়াইফের মধ্যে দীর্ঘদিনের পরিচয়ও থাকে, তারপরও বিয়ের পর বিষয়টা অনেক ভিন্ন।
বিয়ের মধ্য দিয়ে আমরা যুক্ত করি পরিবার। সমাজ। আচার। তৈরি করি পারিবারিক আচার-সংস্কৃতির ফিউশন। রুচির ফিউশন। দায়বোধ। ভবিষ্যতের স্বপ্ন। বিয়ের আগে ও পরের সময়টা—তাই পুরো ভিন্ন দুই জগৎ।
সন্তান নেয়ার আগে মা-বাবা দুজনেরই কমিটমেন্ট দরকার। দুজনের স্নেহ-মমতায় যেনো সন্তান বড়ো হয়, সেই প্রতিজ্ঞাটা দরকার।
…………………..
@Rauful Alam
প্রয়োজনীয় কিছু ইসলামিক এ্যাপ যেগুলো দ্বারা আপনি উপকৃত হবেন :
1/ Al Quran (আল কুরআন)
====================
আল কুরআন (তাফসির এবং শব্দার্থ) সকলের জন্য কুরআন অধ্যায়নের একটি মাধ্যম। এতে আছে আলাদা আলাদা ভাবে প্রতিটি আয়াতের তিলাওয়াত পুনরাবৃত্তিসহ শোনার ব্যবস্থা, তাফসীর ইবনে কাসির, তাজবীদের নির্দেশক, শব্দের বিশ্লেষণ ও অনুবাদ, বুকমার্ক ফিচার, সার্চ ফিচার, একই সাথে বিভিন্ন অনুবাদ পড়ার সুবিধা, পছন্দমত থিম ও ফন্ট এবং আরো অনেক কিছু ।
Google Play Store Download link:
(https://gtaf.org/apps/quran)
2/ হিসনুল মুসলিম (দোআ ও যিকির)
=========================
দোআ ও যিকির (হিসনুল মুসলিম) একটি এন্ড্রয়েড অ্যপ যাতে রয়েছে কুরআন এবং হাদিস থেকে সংকলিত সহীহ দোআ ও যিকির যা নিত্যদিনের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। এতে কোন অ্যাড নেই, বাংলা ফনেটিক দ্বারা সার্চ করা যায় এবং এটি সম্পূর্ণ ফ্রী!!
Google Play Store Download link:
(https://gtaf.org/apps/hisnulbn/)
3/ Dua & Ruqyah
==============
দুআ ও রুক'ইয়া সম্পর্কিত হাদিস ও কুরআনের আয়াত সম্মিলিত একটি এ্যাপস।
Google Play Store Download link:
(https://play.google.com/store/apps/details?id=com.ihadis.dua)
4/ Seerah (সীরাহ)
==============
(এই এ্যাপের সাহায্য নবীজির মাদানী জীবন, মাক্কী জীবন, হিজরত, জিহাদ নবীজির জন্ম, মৃত্যু ইত্যাদি বিষয় জানতে পারবেন। রয়েছে ইংরেজি ও বাংলা ভাষায় ব্যবহার করা যায়)
Learn about the Life of the Prophet Muhammad ﷺ, from the day he ﷺ was born until the day he ﷺ died, Arab’s history prior to him ﷺ, lessons from events, quick summaries, and more
Google Play Store Download link:
(https://play.google.com/store/apps/details?id=org.gtaf.seerah)
5/ Muslims Day
============
সারা বছরের সালাত ও সাহরি-ইফতারের সময় দেখা এবং বিশুদ্ধ ইসলামী জ্ঞানের জন্য ডাউনলোড করুন Muslims Day অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ!
Google Play Store Download link:
(https://play.google.com/store/apps/detailsid=theoaktroop.appoframadan )
6/ islamQA
=========
ইসলাম জিজ্ঞাসা ও জবাব ওয়েবসাইট একটি দাওয়াতি, গবেষণাধর্মী ও শিক্ষামূলক ওয়েবসাইট। এর লক্ষ্য হচ্ছে– ইসলাম সম্পর্কিত প্রশ্নাবলির গবেষণানির্ভর, দলিলভিত্তিক এবং যতদূর সম্ভব বিস্তারিত ও সহজভাষায় উত্তর প্রদান। প্রদত্ত উত্তরগুলোর তত্ত্বাবধান করেন শাইখ মুহাম্মদ সালেহ আল-মুনাজ্জিদ (হাফিযাহুল্লাহ্)।
এ ওয়েবসাইট মুসলিম-অমুসলিম সকল প্রশ্নকারীর ইসলামি শরিয়া সম্পর্কিত কিংবা মনস্তাত্বিক ও সামাজিক যে কোন প্রশ্নকে স্বাগত জানায়।
Google Play Store Download link:
(https://play.google.com/store/apps/details?id=zad.com.islamqa)
7/ আল-হাদিস ( Al Hadith)
===================
এটি একটি হাদিসের এ্যাপ। এখানে প্রায় ২৮০০০+ অধিক হাদিস রয়েছে। হাদিসের সনদ ও মান উল্লেখ করা রয়েছে৷
Google Play Store Download link:
(https://play.google.com/store/apps/details?id=com.ihadis.ihadis)
8/ সালাত
=======
অর্থপূর্ণ নামায (সলাত) অ্যাাপ টি দ্বারা আপনি নামাযের পঠিত সূরা, তসবিহ, দোআ ইত্যাদির অর্থ (প্রতিটি শব্দের অর্থ সহ) শিখতে পারবেন। আর এর দ্বারা আপনি আল্লাহর সামনে দাড়িয়ে কি বলছেন তা বুঝতে পারবেন এবং সলাতে মনোযোগ বাড়বে ইনশাআল্লাহ।
Google Play Store Download link:
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.greentech.salatbn
9/ Bangla Hadith (বাংলা হাদিস)
========================
এই এপে যা যা সংযুক্ত রয়েছে তার সংক্ষিপ্ত বিবরণঃ
⯎ আল কুরআন এবং সাথে বিশুদ্ধ মোট ৫টি বাংলা অনুবাদ আছে যা একই সাথে দেখা সম্ভব অথবা যে কোন একটি বা একাধিক একই সাথে আপনি দেখতে পারবেন ইনশাল্লাহ।
⯎ সর্বমোট হাদিসের গ্রন্থ রয়েছে ২৫ টি (একই গ্রন্থের বিভিন্ন অনুবাদ রয়েছে) এবং এতে ৮৪ হাজারেরও অধিক হাদিস রয়েছে।
⯎ ইসলামী গ্রন্থাবলী অংশে আছে ১৩০টি বই মোট ২০টি বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে এবং নিচে তার তালিকা পেশ করা হল।
Google Play Store Download link:
(https://play.google.com/store/apps/details?id=com.hadithbd.banglahadith)
10/ Quran Mazid
=============
কুরআন মাজীদ (তাফসির এবং শব্দার্থ) সকলের জন্য কুরআন অধ্যায়নের একটি মাধ্যম। এতে আছে আলাদা আলাদা ভাবে প্রতিটি আয়াতের তিলাওয়াত পুনরাবৃত্তিসহ শোনার ব্যবস্থা, তাফসীর ইবনে কাসির, তাজবীদের নির্দেশক, শব্দের বিশ্লেষণ ও অনুবাদ, বুকমার্ক ফিচার, সার্চ ফিচার, একই সাথে বিভিন্ন অনুবাদ পড়ার সুবিধা, পছন্দমত থিম ও ফন্ট এবং আরো অনেক কিছু ।
Google Play Store Download link:
(https://play.google.com/store/apps/details?id=com.ihadis.quran )
1/ Al Quran (আল কুরআন)
====================
আল কুরআন (তাফসির এবং শব্দার্থ) সকলের জন্য কুরআন অধ্যায়নের একটি মাধ্যম। এতে আছে আলাদা আলাদা ভাবে প্রতিটি আয়াতের তিলাওয়াত পুনরাবৃত্তিসহ শোনার ব্যবস্থা, তাফসীর ইবনে কাসির, তাজবীদের নির্দেশক, শব্দের বিশ্লেষণ ও অনুবাদ, বুকমার্ক ফিচার, সার্চ ফিচার, একই সাথে বিভিন্ন অনুবাদ পড়ার সুবিধা, পছন্দমত থিম ও ফন্ট এবং আরো অনেক কিছু ।
Google Play Store Download link:
(https://gtaf.org/apps/quran)
2/ হিসনুল মুসলিম (দোআ ও যিকির)
=========================
দোআ ও যিকির (হিসনুল মুসলিম) একটি এন্ড্রয়েড অ্যপ যাতে রয়েছে কুরআন এবং হাদিস থেকে সংকলিত সহীহ দোআ ও যিকির যা নিত্যদিনের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। এতে কোন অ্যাড নেই, বাংলা ফনেটিক দ্বারা সার্চ করা যায় এবং এটি সম্পূর্ণ ফ্রী!!
Google Play Store Download link:
(https://gtaf.org/apps/hisnulbn/)
3/ Dua & Ruqyah
==============
দুআ ও রুক'ইয়া সম্পর্কিত হাদিস ও কুরআনের আয়াত সম্মিলিত একটি এ্যাপস।
Google Play Store Download link:
(https://play.google.com/store/apps/details?id=com.ihadis.dua)
4/ Seerah (সীরাহ)
==============
(এই এ্যাপের সাহায্য নবীজির মাদানী জীবন, মাক্কী জীবন, হিজরত, জিহাদ নবীজির জন্ম, মৃত্যু ইত্যাদি বিষয় জানতে পারবেন। রয়েছে ইংরেজি ও বাংলা ভাষায় ব্যবহার করা যায়)
Learn about the Life of the Prophet Muhammad ﷺ, from the day he ﷺ was born until the day he ﷺ died, Arab’s history prior to him ﷺ, lessons from events, quick summaries, and more
Google Play Store Download link:
(https://play.google.com/store/apps/details?id=org.gtaf.seerah)
5/ Muslims Day
============
সারা বছরের সালাত ও সাহরি-ইফতারের সময় দেখা এবং বিশুদ্ধ ইসলামী জ্ঞানের জন্য ডাউনলোড করুন Muslims Day অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ!
Google Play Store Download link:
(https://play.google.com/store/apps/detailsid=theoaktroop.appoframadan )
6/ islamQA
=========
ইসলাম জিজ্ঞাসা ও জবাব ওয়েবসাইট একটি দাওয়াতি, গবেষণাধর্মী ও শিক্ষামূলক ওয়েবসাইট। এর লক্ষ্য হচ্ছে– ইসলাম সম্পর্কিত প্রশ্নাবলির গবেষণানির্ভর, দলিলভিত্তিক এবং যতদূর সম্ভব বিস্তারিত ও সহজভাষায় উত্তর প্রদান। প্রদত্ত উত্তরগুলোর তত্ত্বাবধান করেন শাইখ মুহাম্মদ সালেহ আল-মুনাজ্জিদ (হাফিযাহুল্লাহ্)।
এ ওয়েবসাইট মুসলিম-অমুসলিম সকল প্রশ্নকারীর ইসলামি শরিয়া সম্পর্কিত কিংবা মনস্তাত্বিক ও সামাজিক যে কোন প্রশ্নকে স্বাগত জানায়।
Google Play Store Download link:
(https://play.google.com/store/apps/details?id=zad.com.islamqa)
7/ আল-হাদিস ( Al Hadith)
===================
এটি একটি হাদিসের এ্যাপ। এখানে প্রায় ২৮০০০+ অধিক হাদিস রয়েছে। হাদিসের সনদ ও মান উল্লেখ করা রয়েছে৷
Google Play Store Download link:
(https://play.google.com/store/apps/details?id=com.ihadis.ihadis)
8/ সালাত
=======
অর্থপূর্ণ নামায (সলাত) অ্যাাপ টি দ্বারা আপনি নামাযের পঠিত সূরা, তসবিহ, দোআ ইত্যাদির অর্থ (প্রতিটি শব্দের অর্থ সহ) শিখতে পারবেন। আর এর দ্বারা আপনি আল্লাহর সামনে দাড়িয়ে কি বলছেন তা বুঝতে পারবেন এবং সলাতে মনোযোগ বাড়বে ইনশাআল্লাহ।
Google Play Store Download link:
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.greentech.salatbn
9/ Bangla Hadith (বাংলা হাদিস)
========================
এই এপে যা যা সংযুক্ত রয়েছে তার সংক্ষিপ্ত বিবরণঃ
⯎ আল কুরআন এবং সাথে বিশুদ্ধ মোট ৫টি বাংলা অনুবাদ আছে যা একই সাথে দেখা সম্ভব অথবা যে কোন একটি বা একাধিক একই সাথে আপনি দেখতে পারবেন ইনশাল্লাহ।
⯎ সর্বমোট হাদিসের গ্রন্থ রয়েছে ২৫ টি (একই গ্রন্থের বিভিন্ন অনুবাদ রয়েছে) এবং এতে ৮৪ হাজারেরও অধিক হাদিস রয়েছে।
⯎ ইসলামী গ্রন্থাবলী অংশে আছে ১৩০টি বই মোট ২০টি বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে এবং নিচে তার তালিকা পেশ করা হল।
Google Play Store Download link:
(https://play.google.com/store/apps/details?id=com.hadithbd.banglahadith)
10/ Quran Mazid
=============
কুরআন মাজীদ (তাফসির এবং শব্দার্থ) সকলের জন্য কুরআন অধ্যায়নের একটি মাধ্যম। এতে আছে আলাদা আলাদা ভাবে প্রতিটি আয়াতের তিলাওয়াত পুনরাবৃত্তিসহ শোনার ব্যবস্থা, তাফসীর ইবনে কাসির, তাজবীদের নির্দেশক, শব্দের বিশ্লেষণ ও অনুবাদ, বুকমার্ক ফিচার, সার্চ ফিচার, একই সাথে বিভিন্ন অনুবাদ পড়ার সুবিধা, পছন্দমত থিম ও ফন্ট এবং আরো অনেক কিছু ।
Google Play Store Download link:
(https://play.google.com/store/apps/details?id=com.ihadis.quran )
gtaf.org
Al Quran (Tafsir & By Word) | Greentech Apps Foundation
Deepen your Quran understanding with the best Quran app trusted by 15M+ people. From word-by-word meanings, tafsir to recitations, progress tracking, and more await you!
❤1
11/ Deen
========
এই এ্যাপসটিতে কুরআন মাজীদ সহ বিভিন্ন মাসনুন দুআ রয়েছে। এই এ্যাপটি বিভিন্ন ভাষায় ব্যবহার করা যায়।
Play Store Download link:
(https://play.google.com/store/apps/details?id=com.deen)
12/ Muslim Bangla
================
এই এ্যাপসটিতে বিভিন্ন ধরনের মাসআলা, ইসলামিক আর্টিকেল রয়েছে এবং এটার সবচেয়ে যে জন্য বেশি ব্যবহারিত হয় তা হচ্ছে সালাত, সেহরি ও ইফতারের সময়
দেখার জন্য।
Google Play Store Download link:
(https://play.google.com/store/apps/details?id=com.tos.namajtime)
13/ ইসলামী ফিকাহ
==============
ইসলামী বিভিন্ন মাসআলা সম্পর্কিত একটা এ্যাপস। একজন মুসলিমে প্রয়োজনীয় সকল ফিকাহ এই এ্যাপসটিতে পাবেন৷ এটি ইসলামী ফিকাহ বই থেকে তৈরি করা হয়েছে৷
Google Play Store Download link:
[https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami.fiqh.islamic.ebook]
14/ মাসিক আত- তাহরীক
====================
এটি সালাফিদের গ্রন্থ ও ফতোয়া বিষয়ক একটি এ্যাপস।
Google Play Store Download link:
[https://play.google.com/store/apps/details?id=hfb.book.salaturrasool]
15/ Mahfil
=========
এটি ইউটিউবের মতোই। এখানে আপনি ইসলামিক ভিডিও, নাসীদ,ওয়াজ মাহফিল ইত্যাদি পাবেন। এখানে ইউটিউবের মতো অশ্লীলতা নেই। এই এ্যাপসটি আপনার ফোনে থাকা উচিত।
Google Play Store Download link:
[https://play.google.com/store/apps/details?id=com.mahfil.app]
16/ ইসলামবিরোধীদের জবাব
======================
এই এ্যাপসটিতে আপনি নাস্তিক ও ইসলামবিরোধীদের প্রশ্নের জবাব ও খন্ডন পাবেন, কুরআন, সুন্নাহ অনুসারে।
Google Play Store Download link:
[https://play.google.com/store/apps/details?id=response.to.anti.islam]
17/ Daily Islam
============
Google Play Store Download link:
[https://play.google.com/store/apps/details?id=org.dailyislam.android.preview]
এই পোস্টটি শেয়ার দ্বারা আপনি সদকায়ে জারিয়ার সওয়ার পেতে পারেন।
তাই তাহলে অপেক্ষা কেন? আসুন শেয়ার করে সদাকায়ে জারিয়া সওয়ার হাসিল করি।
রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেন
'সৎকাজের পথপ্রদর্শক উক্ত কাজ সম্পাদনকারীর সমতুল্য।'
(তিরমিযি, হাদিস নং- ২৬৭০)
ইবনুল জাওযি বলেছেন:
'মৃত্যুর পরও আমল বন্ধ না হোক— যে এটা অধিক ভালোবাসে তাহলে সে যেন ইলম ছড়িয়ে দেয়।'
(আত-তাযকিরাহ, পৃষ্ঠা : ৫৫)
.
আবদুল্লাহ ইবনুল মোবারাক বলেছেন:
'নবুওয়তের মর্যাদার পরে ইলম ছড়িয়ে দেয়ার চাইতে আর কোনো মর্যাদা আছে বলে আমি জানি না।'
(তাহযিবুল কামাল ফি আসমায়ির রিজাল, ১৬/২০)
পোস্টটি আপনার টাইমলাইন, গ্রুপ, পেইজ ইত্যাদি স্থানে ছড়িয়ে দিয়ে সদকায়ে জারিয়া চালু রাখুন।
========
এই এ্যাপসটিতে কুরআন মাজীদ সহ বিভিন্ন মাসনুন দুআ রয়েছে। এই এ্যাপটি বিভিন্ন ভাষায় ব্যবহার করা যায়।
Play Store Download link:
(https://play.google.com/store/apps/details?id=com.deen)
12/ Muslim Bangla
================
এই এ্যাপসটিতে বিভিন্ন ধরনের মাসআলা, ইসলামিক আর্টিকেল রয়েছে এবং এটার সবচেয়ে যে জন্য বেশি ব্যবহারিত হয় তা হচ্ছে সালাত, সেহরি ও ইফতারের সময়
দেখার জন্য।
Google Play Store Download link:
(https://play.google.com/store/apps/details?id=com.tos.namajtime)
13/ ইসলামী ফিকাহ
==============
ইসলামী বিভিন্ন মাসআলা সম্পর্কিত একটা এ্যাপস। একজন মুসলিমে প্রয়োজনীয় সকল ফিকাহ এই এ্যাপসটিতে পাবেন৷ এটি ইসলামী ফিকাহ বই থেকে তৈরি করা হয়েছে৷
Google Play Store Download link:
[https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami.fiqh.islamic.ebook]
14/ মাসিক আত- তাহরীক
====================
এটি সালাফিদের গ্রন্থ ও ফতোয়া বিষয়ক একটি এ্যাপস।
Google Play Store Download link:
[https://play.google.com/store/apps/details?id=hfb.book.salaturrasool]
15/ Mahfil
=========
এটি ইউটিউবের মতোই। এখানে আপনি ইসলামিক ভিডিও, নাসীদ,ওয়াজ মাহফিল ইত্যাদি পাবেন। এখানে ইউটিউবের মতো অশ্লীলতা নেই। এই এ্যাপসটি আপনার ফোনে থাকা উচিত।
Google Play Store Download link:
[https://play.google.com/store/apps/details?id=com.mahfil.app]
16/ ইসলামবিরোধীদের জবাব
======================
এই এ্যাপসটিতে আপনি নাস্তিক ও ইসলামবিরোধীদের প্রশ্নের জবাব ও খন্ডন পাবেন, কুরআন, সুন্নাহ অনুসারে।
Google Play Store Download link:
[https://play.google.com/store/apps/details?id=response.to.anti.islam]
17/ Daily Islam
============
Google Play Store Download link:
[https://play.google.com/store/apps/details?id=org.dailyislam.android.preview]
এই পোস্টটি শেয়ার দ্বারা আপনি সদকায়ে জারিয়ার সওয়ার পেতে পারেন।
তাই তাহলে অপেক্ষা কেন? আসুন শেয়ার করে সদাকায়ে জারিয়া সওয়ার হাসিল করি।
রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেন
'সৎকাজের পথপ্রদর্শক উক্ত কাজ সম্পাদনকারীর সমতুল্য।'
(তিরমিযি, হাদিস নং- ২৬৭০)
ইবনুল জাওযি বলেছেন:
'মৃত্যুর পরও আমল বন্ধ না হোক— যে এটা অধিক ভালোবাসে তাহলে সে যেন ইলম ছড়িয়ে দেয়।'
(আত-তাযকিরাহ, পৃষ্ঠা : ৫৫)
.
আবদুল্লাহ ইবনুল মোবারাক বলেছেন:
'নবুওয়তের মর্যাদার পরে ইলম ছড়িয়ে দেয়ার চাইতে আর কোনো মর্যাদা আছে বলে আমি জানি না।'
(তাহযিবুল কামাল ফি আসমায়ির রিজাল, ১৬/২০)
পোস্টটি আপনার টাইমলাইন, গ্রুপ, পেইজ ইত্যাদি স্থানে ছড়িয়ে দিয়ে সদকায়ে জারিয়া চালু রাখুন।
Google Play
Deen - Quran, Hadith, Duas - Apps on Google Play
The Islamic app built for the Ummah. No ads. No tracking. No judgment. Just Deen
❤1👍1
Forwarded from জ্ঞান - Knowledge
একজন অশিক্ষিত লোক আঠারোতে বিয়ে করে, উনিশে বাবা হয়, চল্লিশে দাদা হয়, ষাটে হয় পরদাদা, আশি পর্যন্ত গেলে মহাদাদাও হয়ে যেতে পারে
.
আর শিক্ষিত লোক আজকাল বিয়েই করে পয়ত্রিশে, বাপ হয় চল্লিশে, আর তার পোলাপান যখন স্কুলে ঢোকে তখন হঠাৎ একদিন ফট করে হৃদরোগে মারা যায়....
.
এত শিক্ষিত হয়ে লাভটা কি?
- Dr.Sifat Khandoker
.
আর শিক্ষিত লোক আজকাল বিয়েই করে পয়ত্রিশে, বাপ হয় চল্লিশে, আর তার পোলাপান যখন স্কুলে ঢোকে তখন হঠাৎ একদিন ফট করে হৃদরোগে মারা যায়....
.
এত শিক্ষিত হয়ে লাভটা কি?
- Dr.Sifat Khandoker
👍1
প্রথম আলোর এই লেখাটি খুবি প্রয়োজনীয় মনে হলো বলে শেয়ার করলাম....
দুর্মূল্যের এই বাজারে খরচ কমানোর ২৭ উপায়
১. ঘরের খাবার খান।
২. অফিসে লাঞ্চবক্স নিয়ে আসুন।
৩. গণপরিবহন ব্যবহার করুন।
৪. হাঁটুন, হেঁটে অফিসে যান, বাজারে যান।
৫. যখন যে সবজির দাম কম, তখন সেটা খান।
৬. যখন ছাড় চলে, তখন কেনাকাটা করুন। অফ সিজনে কেনাকাটা করুন। যেখানে যে জিনিসের দাম কম, সেটা সেখান থেকেই কিনুন।
৭. ব্র্যান্ড পরিহার করুন। একই রকম দেখতে, একই মানের সেবা দেয়, এমন কিছু আপনি স্থানীয় বাজারেই খুঁজে পাবেন।
৮. রিসাইকেল, আপসাইকেল করুন।
৯. সেকেন্ডহ্যান্ড শপ থেকে কেনাকাটা করুন।
১০. কেনার বদলে ধার করুন। যেমন ধরুন, কোথাও বেড়াতে যাবেন এক দিনের জন্য আর নতুন পোশাক কেনার দরকার কী! দাওয়াত খেতে যাবেন, গয়না না কিনে ধার করে পরুন।
১১. কার্ডে নয়, ক্যাশে পে করুন। খরচ অনেকটাই কমে আসবে।
১২. ঘরে কাপড় ইস্তিরি করুন।
১৩. ফ্রি ওয়াই–ফাই ব্যবহার করুন।
১৪. পানি কিনে খাওয়ার বদলে ফিল্টার ব্যবহার করুন।
১৫. কিছু শাকসবজি চাষ করুন। যেমন ছাদে বা বারান্দায় কাঁচা মরিচ, টমেটো, ধনেপাতা বা অন্যান্য শাকসবজি চাষ করুন।
১৬. ব্যবহৃত জিনিসপত্র ফেলে না দিয়ে ঠিক করে আবার ব্যবহার করুন।
১৭. পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস প্রয়োজনের বাইরে ব্যবহার করবেন না।
১৮. প্রয়োজনীয় কিছু জিনিস বানিয়ে নিন। যেমন কাপড় কিনে পর্দা বানিয়ে নিলে খরচ প্রায় অর্ধেকে নেমে আসবে। ঘরের ল্যাম্পশেড বানিয়ে নিতে পারেন।
১৯. ঘরের অতিরিক্ত জিনিসপত্র বিক্রি করে দিন।
২০. এমন সব অ্যাপ ব্যবহার করুন, যাতে আপনার খরচ কমে। দামের তুলনা করা যায়, এমন অ্যাপ, খাদ্য–পুষ্টিবিষয়ক অ্যাপ, সবচেয়ে কম খরচে বিমানভাড়া বা হোটেল খোঁজার অ্যাপ ইত্যাদি।
২১. খরচ ভাগাভাগি করুন।
২২. সপ্তাহে এক দিন ‘নো স্পেন্ড ডে’ পালন করুন। সেদিন সারা দিন বাসায় থাকুন, বাইরে থেকে হেঁটে আসুন। মূল লক্ষ্য হলো একটি টাকাও খরচ না করে দিনটা পার করা। এভাবে খরচের অভ্যাসে লাগাম টানুন।
২৩. নিজের সঙ্গে সব সময় পানির বোতল বহন করুন।
২৪. ঘরের অতিরিক্ত জায়গা ভাড়া দিন।
২৫. অনলাইনে (হোয়াটসঅ্যাপে) কল করুন।
২৬. মাসের শুরুতেই একবারে মাসের বাজার করে ফেলুন।
২৭. ঘরেই করুন জিম।
@Banti Bhai
দুর্মূল্যের এই বাজারে খরচ কমানোর ২৭ উপায়
১. ঘরের খাবার খান।
২. অফিসে লাঞ্চবক্স নিয়ে আসুন।
৩. গণপরিবহন ব্যবহার করুন।
৪. হাঁটুন, হেঁটে অফিসে যান, বাজারে যান।
৫. যখন যে সবজির দাম কম, তখন সেটা খান।
৬. যখন ছাড় চলে, তখন কেনাকাটা করুন। অফ সিজনে কেনাকাটা করুন। যেখানে যে জিনিসের দাম কম, সেটা সেখান থেকেই কিনুন।
৭. ব্র্যান্ড পরিহার করুন। একই রকম দেখতে, একই মানের সেবা দেয়, এমন কিছু আপনি স্থানীয় বাজারেই খুঁজে পাবেন।
৮. রিসাইকেল, আপসাইকেল করুন।
৯. সেকেন্ডহ্যান্ড শপ থেকে কেনাকাটা করুন।
১০. কেনার বদলে ধার করুন। যেমন ধরুন, কোথাও বেড়াতে যাবেন এক দিনের জন্য আর নতুন পোশাক কেনার দরকার কী! দাওয়াত খেতে যাবেন, গয়না না কিনে ধার করে পরুন।
১১. কার্ডে নয়, ক্যাশে পে করুন। খরচ অনেকটাই কমে আসবে।
১২. ঘরে কাপড় ইস্তিরি করুন।
১৩. ফ্রি ওয়াই–ফাই ব্যবহার করুন।
১৪. পানি কিনে খাওয়ার বদলে ফিল্টার ব্যবহার করুন।
১৫. কিছু শাকসবজি চাষ করুন। যেমন ছাদে বা বারান্দায় কাঁচা মরিচ, টমেটো, ধনেপাতা বা অন্যান্য শাকসবজি চাষ করুন।
১৬. ব্যবহৃত জিনিসপত্র ফেলে না দিয়ে ঠিক করে আবার ব্যবহার করুন।
১৭. পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস প্রয়োজনের বাইরে ব্যবহার করবেন না।
১৮. প্রয়োজনীয় কিছু জিনিস বানিয়ে নিন। যেমন কাপড় কিনে পর্দা বানিয়ে নিলে খরচ প্রায় অর্ধেকে নেমে আসবে। ঘরের ল্যাম্পশেড বানিয়ে নিতে পারেন।
১৯. ঘরের অতিরিক্ত জিনিসপত্র বিক্রি করে দিন।
২০. এমন সব অ্যাপ ব্যবহার করুন, যাতে আপনার খরচ কমে। দামের তুলনা করা যায়, এমন অ্যাপ, খাদ্য–পুষ্টিবিষয়ক অ্যাপ, সবচেয়ে কম খরচে বিমানভাড়া বা হোটেল খোঁজার অ্যাপ ইত্যাদি।
২১. খরচ ভাগাভাগি করুন।
২২. সপ্তাহে এক দিন ‘নো স্পেন্ড ডে’ পালন করুন। সেদিন সারা দিন বাসায় থাকুন, বাইরে থেকে হেঁটে আসুন। মূল লক্ষ্য হলো একটি টাকাও খরচ না করে দিনটা পার করা। এভাবে খরচের অভ্যাসে লাগাম টানুন।
২৩. নিজের সঙ্গে সব সময় পানির বোতল বহন করুন।
২৪. ঘরের অতিরিক্ত জায়গা ভাড়া দিন।
২৫. অনলাইনে (হোয়াটসঅ্যাপে) কল করুন।
২৬. মাসের শুরুতেই একবারে মাসের বাজার করে ফেলুন।
২৭. ঘরেই করুন জিম।
@Banti Bhai
👍4🔥1
আস-সুন্নাহ স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউটে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণের জন্য কিছু সংখ্যক প্রশিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।
✅ পদের নাম:
১. রাজমিস্ত্রী ট্রেইনার (২ জন)
২. রডমিস্ত্রী ট্রেইনার (২ জন)
৩.টাইলস মিস্ত্রী ট্রেইনার (২ জন)
৪. ইলেক্ট্রিক মিস্ত্রী ট্রেইনার (২ জন)
৫.প্লাম্বার ও পাইপ ফিটিং মিস্ত্রী ট্রেইনার (২ জন)
৬. পেইন্টিং ট্রেইনার (২ জন)
৭. ড্রাইভিং ট্রেইনার (২ জন)
✅ কাজের ধরণ: ফুলটাইম, সপ্তাহে ৬ দিন।
✅ কর্মস্থলের ঠিকানা: বাড়ি #, চান্দেরটেক, এ কে এম রহমতুল্লাহ কলেজের পাশে, বাড্ডা, ঢাকা-১২১২।
🟩 দায়িত্ব:
✅রাজমিস্ত্রী, রডমিস্ত্রী, .টাইলস মিস্ত্রী, ইলেক্ট্রিক মিস্ত্রী, প্লাম্বার ও পাইপ ফিটিং মিস্ত্রী এবং ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ দিতে হবে।
✅ প্রশিক্ষণ পরিকল্পনা এবং হ্যান্ডস-অন প্রজেক্ট তৈরি করতে হবে।
🟩 যোগ্যতা:
✅ প্রশিক্ষক হিসেবে ন্যুনতম ৬ মাস থেকে ১ বছরের পূর্ব অভিজ্ঞতা।
✅ রাজমিস্ত্রী, রডমিস্ত্রী, .টাইলস মিস্ত্রী, ইলেক্ট্রিক মিস্ত্রী, প্লাম্বার ও পাইপ ফিটিং মিস্ত্রীর কাজগুলোর স্বচ্ছ তাত্ত্বিক এবং ব্যাবহারিক ধারণা থাকতে হবে।
✅সরকারের NSDA বা SEIP-এর অধীনে উক্ত বিষয়গুলোতে লেভেল ২/৩/৪/৫ এর সনদপ্রাপ্ত হলে অগ্রাধিকার পাবেন।
🟩 বেতন এবং সুযোগ-সুবিধা:
✅ বেতন: ২০,০০০ – ৪০,০০০ (অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে);
✅ বোনাস: ২ টি
✅ মনোরম কাজের পরিবেশ, দুপুরের খাবার, এবং আরও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা।
🟩 আবেদন প্রক্রিয়া: আগ্রহী প্রার্থীরা গুগল ফর্মের মাধ্যমে আবেদন করবেন।
📅 আবেদনের শেষ সময়: ২ নভেম্বর, ২০২৩; বিকাল ৪ টা পর্যন্ত।
🔗 আবেদন করতে এই ফরমটি পূরণ করুন: forms.gle/cukvogJbRVqsKECn9
✆ যোগাযোগ: 09649222255 (সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত)
✅ পদের নাম:
১. রাজমিস্ত্রী ট্রেইনার (২ জন)
২. রডমিস্ত্রী ট্রেইনার (২ জন)
৩.টাইলস মিস্ত্রী ট্রেইনার (২ জন)
৪. ইলেক্ট্রিক মিস্ত্রী ট্রেইনার (২ জন)
৫.প্লাম্বার ও পাইপ ফিটিং মিস্ত্রী ট্রেইনার (২ জন)
৬. পেইন্টিং ট্রেইনার (২ জন)
৭. ড্রাইভিং ট্রেইনার (২ জন)
✅ কাজের ধরণ: ফুলটাইম, সপ্তাহে ৬ দিন।
✅ কর্মস্থলের ঠিকানা: বাড়ি #, চান্দেরটেক, এ কে এম রহমতুল্লাহ কলেজের পাশে, বাড্ডা, ঢাকা-১২১২।
🟩 দায়িত্ব:
✅রাজমিস্ত্রী, রডমিস্ত্রী, .টাইলস মিস্ত্রী, ইলেক্ট্রিক মিস্ত্রী, প্লাম্বার ও পাইপ ফিটিং মিস্ত্রী এবং ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ দিতে হবে।
✅ প্রশিক্ষণ পরিকল্পনা এবং হ্যান্ডস-অন প্রজেক্ট তৈরি করতে হবে।
🟩 যোগ্যতা:
✅ প্রশিক্ষক হিসেবে ন্যুনতম ৬ মাস থেকে ১ বছরের পূর্ব অভিজ্ঞতা।
✅ রাজমিস্ত্রী, রডমিস্ত্রী, .টাইলস মিস্ত্রী, ইলেক্ট্রিক মিস্ত্রী, প্লাম্বার ও পাইপ ফিটিং মিস্ত্রীর কাজগুলোর স্বচ্ছ তাত্ত্বিক এবং ব্যাবহারিক ধারণা থাকতে হবে।
✅সরকারের NSDA বা SEIP-এর অধীনে উক্ত বিষয়গুলোতে লেভেল ২/৩/৪/৫ এর সনদপ্রাপ্ত হলে অগ্রাধিকার পাবেন।
🟩 বেতন এবং সুযোগ-সুবিধা:
✅ বেতন: ২০,০০০ – ৪০,০০০ (অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে);
✅ বোনাস: ২ টি
✅ মনোরম কাজের পরিবেশ, দুপুরের খাবার, এবং আরও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা।
🟩 আবেদন প্রক্রিয়া: আগ্রহী প্রার্থীরা গুগল ফর্মের মাধ্যমে আবেদন করবেন।
📅 আবেদনের শেষ সময়: ২ নভেম্বর, ২০২৩; বিকাল ৪ টা পর্যন্ত।
🔗 আবেদন করতে এই ফরমটি পূরণ করুন: forms.gle/cukvogJbRVqsKECn9
✆ যোগাযোগ: 09649222255 (সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত)
👍2
১) ইস রা য়েলের অধিকাংশ ছাত্র স্নাতকের আগেই বিয়ে করে। মাত্র ২০ বছর বয়সে তারা স্নাতক শেষ করে। মাত্রই একটি ভিডিও প্রতিবেদনে রেফারেন্সসহ এটা দেখলাম। ইস রায়েলিরা ২০ বছর বয়স হওয়ার আগেই বিয়ে করে। জীবনমুখি অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্যই তারা কম বয়সে বিয়ে করে, যাতে তারা অল্প বয়সেই পরিণত হয়ে উঠতে পারে। এই 'যত দ্রুত সম্ভব' বিয়ে সম্ভবত ইসলামও সমর্থন করে।
কিন্তু পৃথিবীর কিছু জাতি 'বিয়ে' বিষয়টাকে বিষাক্ত মনে করে। জাতির নামটা না-ইবা বললাম। তারা দেরিতে বিয়ের পরমর্শ দেয়। কিন্তু বুদ্ধিমান জাতি দ্রুত বিয়ে করে, যেমন ইস রা য়েল।
২) মার্কিনিরা তাদের ইতিহাসে কখনওই কোনো নারীকে তাদের নেতা করে নাই, প্রেসিডেন্ট করে নাই। ইসলাম কি নারী নেতৃত্ব সমর্থন করে? জানি না। তবে তৃতীয় বিশ্বে কিছু জাতির মধ্যে নারী নেতৃত্ব দেখা যায়। জাতির নামটা না-ইবা বললাম।
৩) শুনেছি, মার্কিন পার্লামেন্ট সদস্যরা ধর্মগ্রন্থ ছুঁয়ে শপথ করে। তা ছাড়া তারা ডলারের ওপর লিখে রাখে— উই ট্রাস্ট ওন গড। ইসলামও ধর্মগ্রন্থ ও স্রষ্টায় প্রাধান্য দেয়। আর তৃতীয় বিশ্ব? তৃতীয় বিশ্বের কিছু জাতি চাষাবাদ করে ধর্ম নিরপেক্ষতার। জাতির নামটা না-ইবা বললাম
যারা দ্রুত বিয়ে করতেছে, যারা নারীকে নেতৃত্ব দিচ্ছে না, যারা ধর্মগ্রন্থ ও গডকে প্রাধান্য দিচ্ছে, তাদের হাতেই আজ বিশ্বের ক্ষমতা। ইসলামের বাইরে থেকেও যারা ইসলামি স্টাইলটাকে ফলো করতেছে তাদের হাতেই আজ পুরো বিশ্বের ক্ষমতা ও সম্পদ।
আর যেই জাতি বিয়েকে সমস্যা মনে করে, ধর্মনিরপেক্ষতা ও নারীবাদ আঁকড়ে ধরে, তাদের কী অবস্থা? সেই জাতির অবস্থা তো দেখতেই পাচ্ছি। জাতির নামটা না-ইবা বললাম।
সূত্র: দৈনিক কালবেলা
কিন্তু পৃথিবীর কিছু জাতি 'বিয়ে' বিষয়টাকে বিষাক্ত মনে করে। জাতির নামটা না-ইবা বললাম। তারা দেরিতে বিয়ের পরমর্শ দেয়। কিন্তু বুদ্ধিমান জাতি দ্রুত বিয়ে করে, যেমন ইস রা য়েল।
২) মার্কিনিরা তাদের ইতিহাসে কখনওই কোনো নারীকে তাদের নেতা করে নাই, প্রেসিডেন্ট করে নাই। ইসলাম কি নারী নেতৃত্ব সমর্থন করে? জানি না। তবে তৃতীয় বিশ্বে কিছু জাতির মধ্যে নারী নেতৃত্ব দেখা যায়। জাতির নামটা না-ইবা বললাম।
৩) শুনেছি, মার্কিন পার্লামেন্ট সদস্যরা ধর্মগ্রন্থ ছুঁয়ে শপথ করে। তা ছাড়া তারা ডলারের ওপর লিখে রাখে— উই ট্রাস্ট ওন গড। ইসলামও ধর্মগ্রন্থ ও স্রষ্টায় প্রাধান্য দেয়। আর তৃতীয় বিশ্ব? তৃতীয় বিশ্বের কিছু জাতি চাষাবাদ করে ধর্ম নিরপেক্ষতার। জাতির নামটা না-ইবা বললাম
যারা দ্রুত বিয়ে করতেছে, যারা নারীকে নেতৃত্ব দিচ্ছে না, যারা ধর্মগ্রন্থ ও গডকে প্রাধান্য দিচ্ছে, তাদের হাতেই আজ বিশ্বের ক্ষমতা। ইসলামের বাইরে থেকেও যারা ইসলামি স্টাইলটাকে ফলো করতেছে তাদের হাতেই আজ পুরো বিশ্বের ক্ষমতা ও সম্পদ।
আর যেই জাতি বিয়েকে সমস্যা মনে করে, ধর্মনিরপেক্ষতা ও নারীবাদ আঁকড়ে ধরে, তাদের কী অবস্থা? সেই জাতির অবস্থা তো দেখতেই পাচ্ছি। জাতির নামটা না-ইবা বললাম।
সূত্র: দৈনিক কালবেলা
যারা ব্যাংকের থেকে ঋণ নেন তাদের মাথায় রাখা উচিত ব্যাংক ঋণের টাকা আদায়ের জন্য যে মামলা মোকদ্দমা পরিচালনা করে সেই আইনজীবীর ফিসও ঋণগ্রহীতা থেকে আদায় করে।। ব্যাংক ঋণ নিয়ে ব্যবসা করে ধনী হয়েছে সেই সংখ্যা নগন্য, যারা ধনী হয়েছে অধিকাংশই ব্যাংকের টাকা মেরে দিয়ে ধনী হয়েছে।।
@Adv Salauddin
@Adv Salauddin
স্মার্ট ক্যারিয়ার গড়তে,
কোন কাজটি শিখবেন ?
📢 অনেক দিন যাবত শুনছেন যে, অনেকেই ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা ইনকাম করছে, কেউ গ্রাফিক ডিজাইন শিখছে, কেউ প্রোগ্রামিং শিখছে, একেকজন একেক ধরনের স্কিল শিখে স্মার্ট ক্যারিয়ার গড়ছে। এখন আপনারও ইচ্ছে করছে, আমিও এ ধরণের কিছু একটা শিখবো, এ পর্যন্ত ঠিক আছে।
📝 কিন্তু আপনি কী শিখবেন ? আপনি কি জানেন- কোন সেক্টরে কী ধরণের কাজ রয়েছে ? এই বিষয়গুলো যদি আপনার জানা থাকতো, তাহলে ডিসিশন নিতে সহজ হতো না ! চলুন আমরা জেনে নিই, কোন স্কিলগুলো আমাদেরকে স্মার্ট ক্যারিয়ার গড়তে সহায্য করবে।
1️⃣ Graphics & Design :
এই সেক্টরে লোগো, টিশার্ট, পোস্টার, ক্যালেন্ডার, ডাইরি ইত্যাদির ডিজাইন ও ছবি এডিটিং, ডিজিটাল আর্ট, প্রিন্টিং এবং অন্যান্য ভিজুয়াল এলিমেন্ট নিয়ে কাজ করা হয়।
2️⃣ Programming & Tech :
এই সেক্টরে সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট, ডেটা বেস এপ্লিকেশন তৈরি এবং অন্যান্য প্রযুক্তি সংক্রান্ত কাজ করা হয়।
3️⃣ Digital Marketing :
এই সেক্টরে অনলাইনে প্রোডাক্ট সেল করা ও প্রচার-প্রসার সম্পর্কিত কাজ করা হয়, এগুলো করা হয়- সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং, ইমেল মার্কেটিং, এস.সি.ও এবং অন্যান্য ডিজিটাল প্রচার প্রযুক্তি ব্যবহার করে।
4️⃣ Video & Animation :
এই সেক্টরে ভিডিও এবং অ্যানিমেশন নিয়ে কাজ করা হয়, যেমন- ভিডিও এডিটিং করা, এনিমেশন তৈরি, স্লাইড শো প্রোডাকশন, স্ক্রীনকাস্টিং এবং অন্যান্য মাল্টিমিডিয়া সংক্রান্ত কাজ।
5️⃣ Writing & Translation :
এই সেক্টরে লেখালেখি এবং অনুবাদ নিয়ে কাজ করা হয়, যেমন- আর্টিকেল লেখা, ব্লগ পোস্টিং, কপি রাইটিং, কোন বই বা ম্যাগাজিনের অনুবাদ করে দেওয়া, সংবাদ লেখা এবং অন্যান্য লেখা সংক্রান্ত কাজ।
6️⃣ Music & Audio :
এই সেক্টরে সংগীত এবং অডিও নিয়ে কাজ করা হয়, যেমন মিউজিক প্লেসম্যান্ট, সাউন্ট ইডিটিং এবং সংগীত প্রোডাকশন সম্পর্কিত কাজ।
7️⃣ Business :
এই সেক্টরে বিজনেস প্ল্যানিং ও গ্রোথ নিয়ে কাজ করা হয়, যেমন- বিজনেস ম্যাথড, ক্যাপিটাল, ম্যানেজমেন্ট, বিজনেস এক্টিভিটি, সেলস ইত্যাদি সম্পর্কিত কাজ।
8️⃣ Data :
এই সেক্টরে ডেটা সংগ্রহ ও সাজানো বিষয়ক কাজ করা হয়, যেমন- ডেটা কালেকশন, প্রসেসিং, এনালাইসিস, অরগানাইজ ইত্যাদি। ডেটা আমাদেরকে টার্গেটেড অডিয়েন্সের কাছে পৌঁছে দিতে সাহায্য করে।
9️⃣ Photography :
এই সেক্টরে ছবি তোলা এবং ছবি ইডিটিং নিয়ে কাজ করা হয়, যেমন- ইমেইজ ক্যাপচার, ফটোগ্রাফ রেশিও, লুকস এন্ড বিউটি ইত্যাদি। পার্সোনাল ও প্রফেশনাল স্টাইল এপ্রুভ সম্পর্কিত কাজ।
🔟 AI Services :
এই সেক্টরে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) এর সাহায্যে প্রস্তুতকৃত বিভিন্ন সার্ভিস নিয়ে কাজ করা হয়, যেমন- ডেটা অ্যানালিসিস, ইমেইজ ক্রিয়েশন, আর্টিকেল রাইটিং, কন্টেন্ট ক্রিয়েশন সম্পর্কিত কাজ।
🚨 এই দশটি সেক্টরকে আমি খুব সহজভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি, এগুলোর মধ্যে যেই সেক্টরে আপনার আগ্রহ বেশি, যেই সেক্টরটি আপনার পছন্দ হয়, আপনি সেই সেক্টরে স্কিলড হতে পারেন। নিজে নিজে ইউটিউব দেখে কোন বিষয়ে স্কিলড হওয়ার সিদ্ধান্ত আত্মঘাতি, তাই প্রথমে একজন সঠিক শিক্ষক নির্বাচন করুন।
🕋 আরেকটা কথা, প্রত্যেক সেক্টরে যেমন হালাল কাজ আছে, তেমনই হারাম কাজও আছে। মুসলিম হিসেবে- কাজ করার সময় আপনি হারাম বিষয়গুলোকে অবশ্যই ইগনোর করবেন, কেবল তাহলেই আপনি স্মার্ট ও একটি আদর্শ ক্যারিয়ার গড়তে পারবেন, ইনশাআল্লাহ।
💖 ধন্যবাদ
🪶 এনামুল হাসান মারুফ
শিক্ষক, গ্রাফিক ডিজাইন মাস্টার কোর্স
( ডিজাইন শেখায় বাংলাদেশের ১ নাম্বার কোর্স )
হেল্প লাইন 🔻
whatsapp : 01873 555 755
Hello : 01767-739928, 01996-768699
কথা বলার সময়- প্রতিদিন সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত। ( অনুগ্রহপূর্বক নির্ধারিত সময়ে যোগাযোগ করুন )
#graphicdesignmastercourse #bestcourse #no.1course #creativecourse #masterclass #smartcareer #careerplanning #careeradvice #careergoals #careerchange #careerdevelopment #careermotivation #careertips #careerjourney #careergrowth #dreamjob #worklifebalance
কোন কাজটি শিখবেন ?
📢 অনেক দিন যাবত শুনছেন যে, অনেকেই ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা ইনকাম করছে, কেউ গ্রাফিক ডিজাইন শিখছে, কেউ প্রোগ্রামিং শিখছে, একেকজন একেক ধরনের স্কিল শিখে স্মার্ট ক্যারিয়ার গড়ছে। এখন আপনারও ইচ্ছে করছে, আমিও এ ধরণের কিছু একটা শিখবো, এ পর্যন্ত ঠিক আছে।
📝 কিন্তু আপনি কী শিখবেন ? আপনি কি জানেন- কোন সেক্টরে কী ধরণের কাজ রয়েছে ? এই বিষয়গুলো যদি আপনার জানা থাকতো, তাহলে ডিসিশন নিতে সহজ হতো না ! চলুন আমরা জেনে নিই, কোন স্কিলগুলো আমাদেরকে স্মার্ট ক্যারিয়ার গড়তে সহায্য করবে।
1️⃣ Graphics & Design :
এই সেক্টরে লোগো, টিশার্ট, পোস্টার, ক্যালেন্ডার, ডাইরি ইত্যাদির ডিজাইন ও ছবি এডিটিং, ডিজিটাল আর্ট, প্রিন্টিং এবং অন্যান্য ভিজুয়াল এলিমেন্ট নিয়ে কাজ করা হয়।
2️⃣ Programming & Tech :
এই সেক্টরে সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট, ডেটা বেস এপ্লিকেশন তৈরি এবং অন্যান্য প্রযুক্তি সংক্রান্ত কাজ করা হয়।
3️⃣ Digital Marketing :
এই সেক্টরে অনলাইনে প্রোডাক্ট সেল করা ও প্রচার-প্রসার সম্পর্কিত কাজ করা হয়, এগুলো করা হয়- সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং, ইমেল মার্কেটিং, এস.সি.ও এবং অন্যান্য ডিজিটাল প্রচার প্রযুক্তি ব্যবহার করে।
4️⃣ Video & Animation :
এই সেক্টরে ভিডিও এবং অ্যানিমেশন নিয়ে কাজ করা হয়, যেমন- ভিডিও এডিটিং করা, এনিমেশন তৈরি, স্লাইড শো প্রোডাকশন, স্ক্রীনকাস্টিং এবং অন্যান্য মাল্টিমিডিয়া সংক্রান্ত কাজ।
5️⃣ Writing & Translation :
এই সেক্টরে লেখালেখি এবং অনুবাদ নিয়ে কাজ করা হয়, যেমন- আর্টিকেল লেখা, ব্লগ পোস্টিং, কপি রাইটিং, কোন বই বা ম্যাগাজিনের অনুবাদ করে দেওয়া, সংবাদ লেখা এবং অন্যান্য লেখা সংক্রান্ত কাজ।
6️⃣ Music & Audio :
এই সেক্টরে সংগীত এবং অডিও নিয়ে কাজ করা হয়, যেমন মিউজিক প্লেসম্যান্ট, সাউন্ট ইডিটিং এবং সংগীত প্রোডাকশন সম্পর্কিত কাজ।
7️⃣ Business :
এই সেক্টরে বিজনেস প্ল্যানিং ও গ্রোথ নিয়ে কাজ করা হয়, যেমন- বিজনেস ম্যাথড, ক্যাপিটাল, ম্যানেজমেন্ট, বিজনেস এক্টিভিটি, সেলস ইত্যাদি সম্পর্কিত কাজ।
8️⃣ Data :
এই সেক্টরে ডেটা সংগ্রহ ও সাজানো বিষয়ক কাজ করা হয়, যেমন- ডেটা কালেকশন, প্রসেসিং, এনালাইসিস, অরগানাইজ ইত্যাদি। ডেটা আমাদেরকে টার্গেটেড অডিয়েন্সের কাছে পৌঁছে দিতে সাহায্য করে।
9️⃣ Photography :
এই সেক্টরে ছবি তোলা এবং ছবি ইডিটিং নিয়ে কাজ করা হয়, যেমন- ইমেইজ ক্যাপচার, ফটোগ্রাফ রেশিও, লুকস এন্ড বিউটি ইত্যাদি। পার্সোনাল ও প্রফেশনাল স্টাইল এপ্রুভ সম্পর্কিত কাজ।
🔟 AI Services :
এই সেক্টরে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) এর সাহায্যে প্রস্তুতকৃত বিভিন্ন সার্ভিস নিয়ে কাজ করা হয়, যেমন- ডেটা অ্যানালিসিস, ইমেইজ ক্রিয়েশন, আর্টিকেল রাইটিং, কন্টেন্ট ক্রিয়েশন সম্পর্কিত কাজ।
🚨 এই দশটি সেক্টরকে আমি খুব সহজভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি, এগুলোর মধ্যে যেই সেক্টরে আপনার আগ্রহ বেশি, যেই সেক্টরটি আপনার পছন্দ হয়, আপনি সেই সেক্টরে স্কিলড হতে পারেন। নিজে নিজে ইউটিউব দেখে কোন বিষয়ে স্কিলড হওয়ার সিদ্ধান্ত আত্মঘাতি, তাই প্রথমে একজন সঠিক শিক্ষক নির্বাচন করুন।
🕋 আরেকটা কথা, প্রত্যেক সেক্টরে যেমন হালাল কাজ আছে, তেমনই হারাম কাজও আছে। মুসলিম হিসেবে- কাজ করার সময় আপনি হারাম বিষয়গুলোকে অবশ্যই ইগনোর করবেন, কেবল তাহলেই আপনি স্মার্ট ও একটি আদর্শ ক্যারিয়ার গড়তে পারবেন, ইনশাআল্লাহ।
💖 ধন্যবাদ
🪶 এনামুল হাসান মারুফ
শিক্ষক, গ্রাফিক ডিজাইন মাস্টার কোর্স
( ডিজাইন শেখায় বাংলাদেশের ১ নাম্বার কোর্স )
হেল্প লাইন 🔻
whatsapp : 01873 555 755
Hello : 01767-739928, 01996-768699
কথা বলার সময়- প্রতিদিন সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত। ( অনুগ্রহপূর্বক নির্ধারিত সময়ে যোগাযোগ করুন )
#graphicdesignmastercourse #bestcourse #no.1course #creativecourse #masterclass #smartcareer #careerplanning #careeradvice #careergoals #careerchange #careerdevelopment #careermotivation #careertips #careerjourney #careergrowth #dreamjob #worklifebalance
❤2
সব মেয়েদের পড়া উচিত :
.
১.সবার আগে নিজের ক্যারিয়ার গড়বেন। এই জিনিষে কোনো কম্প্রোমাইজ করবেন না। মইরা গেলে ও না।
.
২.আত্নসম্মান,আত্নমর্যাদা কখনো বিসর্জন দিবেন না। তাতে মরে যেতে হলে যাবেন।
.
৩.চোখ বন্ধ করে পুরুষ কে বিশ্বাস করবেন না।
(গনহারে trust এর কথা বলছি, trustworthy man অবশ্যই আছে) পুরা ফেরেস্তামার্কা স্যার,আব্বুর বন্ধু,মামার বন্ধু, ভাইয়ার বন্ধু, একদম ফ্যামেলি পারসন। এইরকম কারো সাথে কখনো কোথাও একা থাকবেন না।
be careful who you trust, the devil was once an angel.
.
৪.বান্ধবীর বাসায় যেতে হলে আম্মু,আব্বু, ভাইয়া, আপুকে জানিয়ে যান। সেই সাথে আপনার & বান্ধবীর বাসার ফোন নাম্বার দিয়ে যান। যত দ্রুত সম্ভব নিরাপদে বাসায় ফেরার চেস্টা করবেন। রাতে যথাসম্ভব সেখানে না থাকার চেস্টা করবেন। আর থাকলেও বাসার পরিবেশ ভালো করে বুঝে নিবেন।
.
৫.নিজের gut feelings - কে সব সময় প্রাধান্য দিবেন। দেখে কিছুই মনে হয়না,খুব ভালো মানুষ। কিন্তু মন কেন জানি ব্যক্তিটাকে পছন্দ করে না। এমন হলে সেই ব্যক্তি থেকে ১০০ হাত দূরে থাকুন। trusting your 'gut feeling 'is often the best strategy to save yourself.
.
৬.নিজের আবেগ সবসময় নিয়ন্ত্রনে রাখবেন। কারণ অনেক সময় মেয়েরা আবেগের কারণে ও ভিক্টিম হয়।
.
৭.ফ্যামেলিকে সব সময় পাশে রাখবেন। বিশেষ করে আব্বুকে বন্ধু বানান। তার সাথে সব যেন শেয়ার করা যায় এমনভাবে সম্পর্ক করুন। আব্বু-আম্মুর অজান্তে গোপনে কিছুই করবেন না। ভিক্টিম হলে আপনি হবেন। তখন আব্বু -আম্মু স্রেফ বলবেন, মেয়েটা আমাদেরকে জানালো না কেন?
.
৮.কাউকে বিশ্বাস করার আগে ১০০ বার ভাববেন। you read it right. ১০০ বার।
.
৯.নিজেকে ভালবাসুন। বিশ্বাস করুন এটা খুব দরকার। আপনি কালো,শর্ট, মুখে ব্রণ, বিলিভ মি- এগুলো কিচ্ছু না। সৃষ্ঠিকর্তা আপনাকে যেভাবে গড়েছেন আপনি সেভাবেই সুন্দর। আপনার মেধা,ব্যক্তিত্ব দেখে যেন একটা ছেলে দীর্ঘশ্বাস ফেলে নিজেকে যেন ঐ ভাবে গড়ে তুলেন।
.
১০.সব সময় সত্যকে পাশে রাখবেন। মিথ্যা অনেক সহজ,মিথ্যা অনেক আনন্দ দেয়। কিন্ত তা সব সময় ক্ষনিকের জন্য। আর সত্য সব সময়ের জন্য। তা যত কস্টকর ই হোক না কেন।
.
১১.জীবন অস্বাভাবিক সুন্দর। unexpected crisis, unexpected incident এগুলো লাইফের পার্ট। ও আচ্ছা, এমন হইলো। ঠিক আছে। এর পর কি?
--- লাইফের প্রতি এমন attitude রাখলে লাইফ আর সুবিধা করতে পারে না। পেইন দেয়ার আগে ভাবে ওরে আর পেইন দিয়া লাভ নাই।
.
১২.মাটি এখন পায়ের নিচে। একদিন এই মাটি আমার আপনার সাড়ে তিন হাত উপরে থাকবে। আমাদের জন্য একসময় অন্যরা প্রার্থনা করবে। কিন্তু তার আগে নিজের জন্য প্রার্থনা নিজেই যেন করে নিতে পারি।
.
১৩.গাড়ির ড্রাইভার, এপার্টমেন্ট এএ দাড়োয়ান এদের সাথে ভুলেও খারাপ ব্যাবহার করবেন না। এই দুই দলের লোক বিপদে দারুন সাহায্য করে। (বুদ্ধিমানরা ঠিক ই বুঝবে এখানে কি বলিনাই)।
.
১৪.অতীত নিয়ে একদম ভাববেন না। তবে অতীত থেকে শিক্ষা নিবেন। সুন্দর একটা স্মৃতি কি দ্বিতীয় বার সমান আনন্দ দিবে আমাদেরকে? no,never. দ্বিতীয় বারের আনন্দ প্রথম বারের চেয়ে কম অনুভূত হবে। তাহলে অতীত নিয়ে কিসের এতো ভাবনা? বার বার কিসের এতো কান্না? অতীতের ভাবনা বাদ দিন। বর্তমানকে নিয়ে এইভাবে ভাবুন--ইউ উইল বি হ্যাপিয়ার। সুরক্ষিত থাকুক পৃথিবীর প্রতিটি নারী। ভাল থাকি আপনি আমি, ভাল থাকুক আমাদের প্রতিটি পরিবার ।।
Copyright:Collected
.
১.সবার আগে নিজের ক্যারিয়ার গড়বেন। এই জিনিষে কোনো কম্প্রোমাইজ করবেন না। মইরা গেলে ও না।
.
২.আত্নসম্মান,আত্নমর্যাদা কখনো বিসর্জন দিবেন না। তাতে মরে যেতে হলে যাবেন।
.
৩.চোখ বন্ধ করে পুরুষ কে বিশ্বাস করবেন না।
(গনহারে trust এর কথা বলছি, trustworthy man অবশ্যই আছে) পুরা ফেরেস্তামার্কা স্যার,আব্বুর বন্ধু,মামার বন্ধু, ভাইয়ার বন্ধু, একদম ফ্যামেলি পারসন। এইরকম কারো সাথে কখনো কোথাও একা থাকবেন না।
be careful who you trust, the devil was once an angel.
.
৪.বান্ধবীর বাসায় যেতে হলে আম্মু,আব্বু, ভাইয়া, আপুকে জানিয়ে যান। সেই সাথে আপনার & বান্ধবীর বাসার ফোন নাম্বার দিয়ে যান। যত দ্রুত সম্ভব নিরাপদে বাসায় ফেরার চেস্টা করবেন। রাতে যথাসম্ভব সেখানে না থাকার চেস্টা করবেন। আর থাকলেও বাসার পরিবেশ ভালো করে বুঝে নিবেন।
.
৫.নিজের gut feelings - কে সব সময় প্রাধান্য দিবেন। দেখে কিছুই মনে হয়না,খুব ভালো মানুষ। কিন্তু মন কেন জানি ব্যক্তিটাকে পছন্দ করে না। এমন হলে সেই ব্যক্তি থেকে ১০০ হাত দূরে থাকুন। trusting your 'gut feeling 'is often the best strategy to save yourself.
.
৬.নিজের আবেগ সবসময় নিয়ন্ত্রনে রাখবেন। কারণ অনেক সময় মেয়েরা আবেগের কারণে ও ভিক্টিম হয়।
.
৭.ফ্যামেলিকে সব সময় পাশে রাখবেন। বিশেষ করে আব্বুকে বন্ধু বানান। তার সাথে সব যেন শেয়ার করা যায় এমনভাবে সম্পর্ক করুন। আব্বু-আম্মুর অজান্তে গোপনে কিছুই করবেন না। ভিক্টিম হলে আপনি হবেন। তখন আব্বু -আম্মু স্রেফ বলবেন, মেয়েটা আমাদেরকে জানালো না কেন?
.
৮.কাউকে বিশ্বাস করার আগে ১০০ বার ভাববেন। you read it right. ১০০ বার।
.
৯.নিজেকে ভালবাসুন। বিশ্বাস করুন এটা খুব দরকার। আপনি কালো,শর্ট, মুখে ব্রণ, বিলিভ মি- এগুলো কিচ্ছু না। সৃষ্ঠিকর্তা আপনাকে যেভাবে গড়েছেন আপনি সেভাবেই সুন্দর। আপনার মেধা,ব্যক্তিত্ব দেখে যেন একটা ছেলে দীর্ঘশ্বাস ফেলে নিজেকে যেন ঐ ভাবে গড়ে তুলেন।
.
১০.সব সময় সত্যকে পাশে রাখবেন। মিথ্যা অনেক সহজ,মিথ্যা অনেক আনন্দ দেয়। কিন্ত তা সব সময় ক্ষনিকের জন্য। আর সত্য সব সময়ের জন্য। তা যত কস্টকর ই হোক না কেন।
.
১১.জীবন অস্বাভাবিক সুন্দর। unexpected crisis, unexpected incident এগুলো লাইফের পার্ট। ও আচ্ছা, এমন হইলো। ঠিক আছে। এর পর কি?
--- লাইফের প্রতি এমন attitude রাখলে লাইফ আর সুবিধা করতে পারে না। পেইন দেয়ার আগে ভাবে ওরে আর পেইন দিয়া লাভ নাই।
.
১২.মাটি এখন পায়ের নিচে। একদিন এই মাটি আমার আপনার সাড়ে তিন হাত উপরে থাকবে। আমাদের জন্য একসময় অন্যরা প্রার্থনা করবে। কিন্তু তার আগে নিজের জন্য প্রার্থনা নিজেই যেন করে নিতে পারি।
.
১৩.গাড়ির ড্রাইভার, এপার্টমেন্ট এএ দাড়োয়ান এদের সাথে ভুলেও খারাপ ব্যাবহার করবেন না। এই দুই দলের লোক বিপদে দারুন সাহায্য করে। (বুদ্ধিমানরা ঠিক ই বুঝবে এখানে কি বলিনাই)।
.
১৪.অতীত নিয়ে একদম ভাববেন না। তবে অতীত থেকে শিক্ষা নিবেন। সুন্দর একটা স্মৃতি কি দ্বিতীয় বার সমান আনন্দ দিবে আমাদেরকে? no,never. দ্বিতীয় বারের আনন্দ প্রথম বারের চেয়ে কম অনুভূত হবে। তাহলে অতীত নিয়ে কিসের এতো ভাবনা? বার বার কিসের এতো কান্না? অতীতের ভাবনা বাদ দিন। বর্তমানকে নিয়ে এইভাবে ভাবুন--ইউ উইল বি হ্যাপিয়ার। সুরক্ষিত থাকুক পৃথিবীর প্রতিটি নারী। ভাল থাকি আপনি আমি, ভাল থাকুক আমাদের প্রতিটি পরিবার ।।
Copyright:Collected
★আমার শূন্য পকেটে পাশে ছিলো যে নারী।★
প্রথম দেখা IIUC ক্যাম্পাসে। অতঃ পর বালিকা তার পেন্সিল হিল দিয়ে আমার পায়ে পাড়া দিলো। আর সেই পাড়া খেয়ে বালিকাকে নিয়ে চলে আসলাম জার্মানি।
হিলের পাড়া খাওয়ার ৬ মাস পর জানতে পারলাম উনি আমার ক্লাসমেট। সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষার আগের দিন উনি উনার নোটবুক হারিয়ে ফেলেন, যেখানে উনার যাবতীয় নোট ছিলো।উনি ভার্সিটির গ্রুপে হেল্প চেয়ে পোস্ট করেন।, যেহেতু আমি হোস্টেলে থাকি। আমি রাতের ১০ টা বাজে ভার্সিটির সিকিউরিটি গার্ডকে দিয়ে বিল্ডিং এর দরজা খোলাই। প্রত্যেকটা ক্লাসরূমে গিয়ে খোঁজার পর ঐ নোটবুক খুঁজে পেলাম।
নোটবুক খুলে দেখলাম এগুলো সব আমার ক্লাসের পড়ালেখা, আমি ছবিতুলে নিলাম সব। পরদিন সকালে আমি চট্টগ্রাম শহরে ঐ নোটবুক পৌঁছে দিই। সেই সুবাদে বালিকার সাথে পরিচয় হয়।
বালিকার সাথে যখন মন দেওয়া নেওয়া হয়েছে তখন সিদ্ধান্ত নিয়েছি বিয়ে করবো। কিন্তু সে আমার ক্লাসমেট। আমি পড়াশোনা শেষ করবো, জব ধরবো, স্যাটেল হবো, ততদিনে তো ওর বিয়ে হয়ে যাবে।এই সমাজে বিয়েটা সহজ না। কিন্তু, আমি ডিটারমাইন্ড ছিলাম, বিয়ে ওকেই করবো। ওর দিক থেকেও একিই পণ।
আমি প্রথমে বিজনেস করার চেষ্টা করলাম। কারন বিজনেসে দ্রুত নিজেকে স্টাবলিশ করা যাবে। চাকরি অনেক সময় লাগবে। বিজনেসে ফ্যামেলি থেকে সাপোর্ট ছিলো না। আমি তাও চেষ্টা করেছি, কিন্তু খুব একটা সফল হতে পারি নি। এর মধ্যে কোভিড চলে আসলো, ব্যাবসা করার প্ল্যান গেলো ভেস্তে। কি করা যায়? আমি তখন ৫০০০ টাকা স্যালারির একটা জব করতাম। মাদ্রাসার ইংলিশ টিচার ছিলাম। টিউশন করতাম আর আমার টুকটাক সিজনাল বিজনেস ছিলো। কিন্তু টিউশনি আর টুকটাক ব্যাবসা এগুলো তো বলার মত কোন প্রফেশন না। এদিকে উনার জন্য যে পাত্র আসছে তারা সবাই ওয়েল স্যাটেল্ড। কেউ আমেরিকা থাকে, কেউ ডাক্তার, কেউ সরকারি চাকরি করে, কারো চট্টগ্রাম শহরে বাড়ী আছে। আর আমি?
আমি ৫ হাজার টাকা স্যালারির জব করি। আমি অবাক হতাম, আমি কখনো ইনসিকিউর ফিল করি নি। কখনো এটা মাথায় আসে নি, ও কি আমাকে বাদ দিয়ে বিয়ে করে ফেলবে অন্য কোথাও? আমার মত বেকার ছেলের সাথে কেনো থাকবে সে? সে তো চাইলে পারতো তখন একটা ভালো লাইফ চুজ করতে। আমার সাথে অনিশ্চিত জীবনের আশায় কেনো সে বসে থাকবে?
কিন্তু সে এক চুল ও নড়ে নি। আমারা দুজনে অটল ছিলাম। সে একের পর এক ভালো ভালো প্রপোজাল সে রিজেক্ট করে।
আমি আরো ভাবনায় পড়ে গেলাম কি করবো। এর মাঝে কোভিড ,সব রাস্তা বন্ধ হয়ে গেলো। আরো চিন্তা পড়ে গেলাম। এমন কিছু করতে হবে যেনো রাতারাতি সব পাল্টে যায় যেনো সবাই রাজি হয়ে যায়। সবাই যেনো খুশি হয়, সবাই যেনো খুশি থাকে।
অত:পর আমি সিদ্ধান্ত নিলাম স্টুডেন্ট ভিসায় কানাডা চলে যাবো। বাসায় নিজে নিজে IELTS এর প্রিপারেশন নিলাম। কোভিড শেষ হলো। তখনো আমাদের স্ট্রাগল চলছে। বেকার ছেলের কাছে কেউ মেয়ে বিয়ে দিবে না। ফাইনালি জার্মানিতে এপ্লাই করলাম। অফার লেটার আসলো, ভিসা হলো, এবং আমি ,উনি আর আমাদের বাবু জার্মানিতে আজ।
এসব কিছুই হতো না যদি সে অন্য কাউকে বিয়ে করে ফেলতো, যদি সে আস্থা না রাখতো। বেকার ছেলের উপর এভাবে আস্থা কেউ এই যুগে রাখে না। তাও উচ্চশিক্ষিত কোন নারী তো রাখবেই না।
বেশিরভাগ সম্পর্ক এই জায়গায় এসে ভাটা পড়ে।
আমার স্ত্রী আমার উপর আস্থা রেখেছিলো তাই আমি পেরেছি। মনে প্রানে দুজনে চেয়েছিলাম তাই সম্ভব হয়েছে।
এখন, আমি যে জার্মানি এসে অনেক কিছু করে ফেলেছি, অনেক কিছু হয়ে গিয়েছি বিষয়টা এমন ও না। এটা আমার কাছে আহামরি কোন ব্যাপার না। আল্লাহ তায়ালা চাইলে হয়তো একদিন পি আর হবে, সিটিজেনশিপ হবে। আল্লাহতালায়া যদি আমার রিযিক অন্য জায়গায় রাখে তাহলে আমি অন্য জায়গায় চলে যাবো। আপাতত ভালো আছি, আমার স্ত্রীকে একটা সেফ এন্ড স্ট্যান্ডার্ড লাইফ দিতে পারছি। বাংলাদেশে যেটা সে কখনোই পেতো না। আল্লাহ তায়ালা আমায় সুস্থ রাখলে টাকা পয়সার অভাব ও হবে না ইনশা আল্লাহ। আমার অত বেশি ডিমান্ড ও নেই। বাংলাদেশে চাকরি বাকরি, ব্যাবসা বানিজ্য থেকেও ভালো অপশান আমি মনে করি। এক সময় আমি ওকে টাকার জন্য কক্সবাজার নিয়ে যেতে পারি নি। এখন ও দেশ বিদেশ ঘুরে বেড়ায়, ওর নিজের ভিসা কার্ড আছে, ও ইচ্ছে শপিং করতে পারে। যা খুশি কিনতে পারে। একটা নারী তো এসব পেলেই খুশি। আর বেশি কিছু লাগে না। এই সবকিছুই অনিশ্চিত ছিলো, কিন্তু সে আমার উপর আস্থা রেখেছিলো বলে আমি পেরেছি, সে পেরেছে।
এই পৃথিবীতে কেউ বড় হয়ে আসে না। চেষ্টা করতে করতে আস্তে আস্তে বড় হয়।
মরাল অফ দ্যা স্টোরি: নারী চাইলে পুরুষকে গড়তে পারে আবার ধ্বংস ও করে দিতে পারে। আমাকে এইটুকুতে এনেছে আমার স্ত্রী। সে যদি সাপোর্ট না দিতো তাহলে হয়তো আমি এখনো বাংলাদেশে স্ট্রাগল করতাম। আমি আবারো বলছি, আমি মনে করছি না আমি অনেক কিছু করে ফেলেছি। তবে, আমার জন্য অনেককিছু বটে, কারন আমার জন্য এটা বিরাট চ্যালেঞ্জ ছিলো।ব্যার্থ্য হলে হয়তো,সবচেয়ে মূল্যবান জিনিষ হারাতাম।
পুরুষের দরকার একটু সাপোর্ট।
প্রথম দেখা IIUC ক্যাম্পাসে। অতঃ পর বালিকা তার পেন্সিল হিল দিয়ে আমার পায়ে পাড়া দিলো। আর সেই পাড়া খেয়ে বালিকাকে নিয়ে চলে আসলাম জার্মানি।
হিলের পাড়া খাওয়ার ৬ মাস পর জানতে পারলাম উনি আমার ক্লাসমেট। সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষার আগের দিন উনি উনার নোটবুক হারিয়ে ফেলেন, যেখানে উনার যাবতীয় নোট ছিলো।উনি ভার্সিটির গ্রুপে হেল্প চেয়ে পোস্ট করেন।, যেহেতু আমি হোস্টেলে থাকি। আমি রাতের ১০ টা বাজে ভার্সিটির সিকিউরিটি গার্ডকে দিয়ে বিল্ডিং এর দরজা খোলাই। প্রত্যেকটা ক্লাসরূমে গিয়ে খোঁজার পর ঐ নোটবুক খুঁজে পেলাম।
নোটবুক খুলে দেখলাম এগুলো সব আমার ক্লাসের পড়ালেখা, আমি ছবিতুলে নিলাম সব। পরদিন সকালে আমি চট্টগ্রাম শহরে ঐ নোটবুক পৌঁছে দিই। সেই সুবাদে বালিকার সাথে পরিচয় হয়।
বালিকার সাথে যখন মন দেওয়া নেওয়া হয়েছে তখন সিদ্ধান্ত নিয়েছি বিয়ে করবো। কিন্তু সে আমার ক্লাসমেট। আমি পড়াশোনা শেষ করবো, জব ধরবো, স্যাটেল হবো, ততদিনে তো ওর বিয়ে হয়ে যাবে।এই সমাজে বিয়েটা সহজ না। কিন্তু, আমি ডিটারমাইন্ড ছিলাম, বিয়ে ওকেই করবো। ওর দিক থেকেও একিই পণ।
আমি প্রথমে বিজনেস করার চেষ্টা করলাম। কারন বিজনেসে দ্রুত নিজেকে স্টাবলিশ করা যাবে। চাকরি অনেক সময় লাগবে। বিজনেসে ফ্যামেলি থেকে সাপোর্ট ছিলো না। আমি তাও চেষ্টা করেছি, কিন্তু খুব একটা সফল হতে পারি নি। এর মধ্যে কোভিড চলে আসলো, ব্যাবসা করার প্ল্যান গেলো ভেস্তে। কি করা যায়? আমি তখন ৫০০০ টাকা স্যালারির একটা জব করতাম। মাদ্রাসার ইংলিশ টিচার ছিলাম। টিউশন করতাম আর আমার টুকটাক সিজনাল বিজনেস ছিলো। কিন্তু টিউশনি আর টুকটাক ব্যাবসা এগুলো তো বলার মত কোন প্রফেশন না। এদিকে উনার জন্য যে পাত্র আসছে তারা সবাই ওয়েল স্যাটেল্ড। কেউ আমেরিকা থাকে, কেউ ডাক্তার, কেউ সরকারি চাকরি করে, কারো চট্টগ্রাম শহরে বাড়ী আছে। আর আমি?
আমি ৫ হাজার টাকা স্যালারির জব করি। আমি অবাক হতাম, আমি কখনো ইনসিকিউর ফিল করি নি। কখনো এটা মাথায় আসে নি, ও কি আমাকে বাদ দিয়ে বিয়ে করে ফেলবে অন্য কোথাও? আমার মত বেকার ছেলের সাথে কেনো থাকবে সে? সে তো চাইলে পারতো তখন একটা ভালো লাইফ চুজ করতে। আমার সাথে অনিশ্চিত জীবনের আশায় কেনো সে বসে থাকবে?
কিন্তু সে এক চুল ও নড়ে নি। আমারা দুজনে অটল ছিলাম। সে একের পর এক ভালো ভালো প্রপোজাল সে রিজেক্ট করে।
আমি আরো ভাবনায় পড়ে গেলাম কি করবো। এর মাঝে কোভিড ,সব রাস্তা বন্ধ হয়ে গেলো। আরো চিন্তা পড়ে গেলাম। এমন কিছু করতে হবে যেনো রাতারাতি সব পাল্টে যায় যেনো সবাই রাজি হয়ে যায়। সবাই যেনো খুশি হয়, সবাই যেনো খুশি থাকে।
অত:পর আমি সিদ্ধান্ত নিলাম স্টুডেন্ট ভিসায় কানাডা চলে যাবো। বাসায় নিজে নিজে IELTS এর প্রিপারেশন নিলাম। কোভিড শেষ হলো। তখনো আমাদের স্ট্রাগল চলছে। বেকার ছেলের কাছে কেউ মেয়ে বিয়ে দিবে না। ফাইনালি জার্মানিতে এপ্লাই করলাম। অফার লেটার আসলো, ভিসা হলো, এবং আমি ,উনি আর আমাদের বাবু জার্মানিতে আজ।
এসব কিছুই হতো না যদি সে অন্য কাউকে বিয়ে করে ফেলতো, যদি সে আস্থা না রাখতো। বেকার ছেলের উপর এভাবে আস্থা কেউ এই যুগে রাখে না। তাও উচ্চশিক্ষিত কোন নারী তো রাখবেই না।
বেশিরভাগ সম্পর্ক এই জায়গায় এসে ভাটা পড়ে।
আমার স্ত্রী আমার উপর আস্থা রেখেছিলো তাই আমি পেরেছি। মনে প্রানে দুজনে চেয়েছিলাম তাই সম্ভব হয়েছে।
এখন, আমি যে জার্মানি এসে অনেক কিছু করে ফেলেছি, অনেক কিছু হয়ে গিয়েছি বিষয়টা এমন ও না। এটা আমার কাছে আহামরি কোন ব্যাপার না। আল্লাহ তায়ালা চাইলে হয়তো একদিন পি আর হবে, সিটিজেনশিপ হবে। আল্লাহতালায়া যদি আমার রিযিক অন্য জায়গায় রাখে তাহলে আমি অন্য জায়গায় চলে যাবো। আপাতত ভালো আছি, আমার স্ত্রীকে একটা সেফ এন্ড স্ট্যান্ডার্ড লাইফ দিতে পারছি। বাংলাদেশে যেটা সে কখনোই পেতো না। আল্লাহ তায়ালা আমায় সুস্থ রাখলে টাকা পয়সার অভাব ও হবে না ইনশা আল্লাহ। আমার অত বেশি ডিমান্ড ও নেই। বাংলাদেশে চাকরি বাকরি, ব্যাবসা বানিজ্য থেকেও ভালো অপশান আমি মনে করি। এক সময় আমি ওকে টাকার জন্য কক্সবাজার নিয়ে যেতে পারি নি। এখন ও দেশ বিদেশ ঘুরে বেড়ায়, ওর নিজের ভিসা কার্ড আছে, ও ইচ্ছে শপিং করতে পারে। যা খুশি কিনতে পারে। একটা নারী তো এসব পেলেই খুশি। আর বেশি কিছু লাগে না। এই সবকিছুই অনিশ্চিত ছিলো, কিন্তু সে আমার উপর আস্থা রেখেছিলো বলে আমি পেরেছি, সে পেরেছে।
এই পৃথিবীতে কেউ বড় হয়ে আসে না। চেষ্টা করতে করতে আস্তে আস্তে বড় হয়।
মরাল অফ দ্যা স্টোরি: নারী চাইলে পুরুষকে গড়তে পারে আবার ধ্বংস ও করে দিতে পারে। আমাকে এইটুকুতে এনেছে আমার স্ত্রী। সে যদি সাপোর্ট না দিতো তাহলে হয়তো আমি এখনো বাংলাদেশে স্ট্রাগল করতাম। আমি আবারো বলছি, আমি মনে করছি না আমি অনেক কিছু করে ফেলেছি। তবে, আমার জন্য অনেককিছু বটে, কারন আমার জন্য এটা বিরাট চ্যালেঞ্জ ছিলো।ব্যার্থ্য হলে হয়তো,সবচেয়ে মূল্যবান জিনিষ হারাতাম।
পুরুষের দরকার একটু সাপোর্ট।
❤2
আদা পানি
🟩 তৈরি করবেন যেভাবে:
ছোট এক খন্ড আদা ছুলে ধুয়ে নিন। এবার আদা কুচি কুচি করুন। চার কাপ পানি ফুটতে দিন। পানি ফুটে উঠলে আদা কুচি পানিতে দিন। ১০ মিনিট ফোটান। এবার পানিটা ছেঁকে পান করুন। খেতে হবে প্রতিদিন একবার, সকালে খালি পেটে।
🟩উপকারিতা:
⭐ পেটের জন্য উপকারী : খালি পেটে আদা পানি খেলে হজমশক্তি বাড়ে। এই কারণে, এটি বদহজম, কোষ্ঠকাঠিন্য, পেটের ফোলাভাব, বমি, ডায়রিয়া এবং বমি বমি ভাব দূর করতেও খুব কার্যকর। তাছাড়া এটি খারাপ কোলেস্টেরল কমাতেও সাহায্য করে। এর কারণে এটি হৃদরোগ, স্ট্রোকের মতো রোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে এবং হৃৎপিণ্ডকে সুস্থ রাখে।
⭐ প্রদাহের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সহায়ক : শরীরের প্রদাহজনিত সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে আদা পানি। আদায় থাকা প্রদাহ-বিরোধী বৈশিষ্ট্য ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া ও জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়ক। দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহের বিরুদ্ধেও লড়াই করতে আদার পানি খুবই উপকারী।
⭐ ত্বকের জন্য উপকারী: আদা পানি শরীরে জমে থাকা ময়লা ও টক্সিন দূর করতে সাহায্য করে। এছাড়াও, এতে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ফ্রি র্যাডিক্যালের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে, যা ক্যান্সারের মতো মারাত্মক রোগের কারণ হয়। ত্বকের ফুসকুড়ি, ব্রণ এবং বার্ধক্যের লক্ষণ কমাতে সাহায্য করে এই পানি। নিয়মিত আদা পানি পান রক্তকে স্বাভাবিকভাবে বিশুদ্ধ করতে সাহায্য করে, যার প্রভাব সরাসরি ত্বকে দেখা যায়।
⭐ ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী : আপনি যদি খালি পেটে আদা পানি খান তবে এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং রক্তে শর্করার বৃদ্ধি রোধ করে। এ কারণে আদা পানি খাওয়া ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী।
⭐ ওজন কমাতে সাহায্য করে : খালি পেটে আদা পানি খেলে বিপাকক্রিয়া বাড়ে। বিপাকক্রিয়া ঠিক থাকলে সারাদিন স্বাভাবিক কাজ করার সময়ও এটি ক্যালোরি পোড়ায়। যা দ্রুত চর্বি ঝরাতে সাহায্য করে। আদা পানি প্রাকৃতিকভাবে শরীরকে ডিটক্সিফাই করতেও সাহায্য করে।
🟩 তৈরি করবেন যেভাবে:
ছোট এক খন্ড আদা ছুলে ধুয়ে নিন। এবার আদা কুচি কুচি করুন। চার কাপ পানি ফুটতে দিন। পানি ফুটে উঠলে আদা কুচি পানিতে দিন। ১০ মিনিট ফোটান। এবার পানিটা ছেঁকে পান করুন। খেতে হবে প্রতিদিন একবার, সকালে খালি পেটে।
🟩উপকারিতা:
⭐ পেটের জন্য উপকারী : খালি পেটে আদা পানি খেলে হজমশক্তি বাড়ে। এই কারণে, এটি বদহজম, কোষ্ঠকাঠিন্য, পেটের ফোলাভাব, বমি, ডায়রিয়া এবং বমি বমি ভাব দূর করতেও খুব কার্যকর। তাছাড়া এটি খারাপ কোলেস্টেরল কমাতেও সাহায্য করে। এর কারণে এটি হৃদরোগ, স্ট্রোকের মতো রোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে এবং হৃৎপিণ্ডকে সুস্থ রাখে।
⭐ প্রদাহের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সহায়ক : শরীরের প্রদাহজনিত সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে আদা পানি। আদায় থাকা প্রদাহ-বিরোধী বৈশিষ্ট্য ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া ও জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়ক। দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহের বিরুদ্ধেও লড়াই করতে আদার পানি খুবই উপকারী।
⭐ ত্বকের জন্য উপকারী: আদা পানি শরীরে জমে থাকা ময়লা ও টক্সিন দূর করতে সাহায্য করে। এছাড়াও, এতে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ফ্রি র্যাডিক্যালের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে, যা ক্যান্সারের মতো মারাত্মক রোগের কারণ হয়। ত্বকের ফুসকুড়ি, ব্রণ এবং বার্ধক্যের লক্ষণ কমাতে সাহায্য করে এই পানি। নিয়মিত আদা পানি পান রক্তকে স্বাভাবিকভাবে বিশুদ্ধ করতে সাহায্য করে, যার প্রভাব সরাসরি ত্বকে দেখা যায়।
⭐ ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী : আপনি যদি খালি পেটে আদা পানি খান তবে এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং রক্তে শর্করার বৃদ্ধি রোধ করে। এ কারণে আদা পানি খাওয়া ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী।
⭐ ওজন কমাতে সাহায্য করে : খালি পেটে আদা পানি খেলে বিপাকক্রিয়া বাড়ে। বিপাকক্রিয়া ঠিক থাকলে সারাদিন স্বাভাবিক কাজ করার সময়ও এটি ক্যালোরি পোড়ায়। যা দ্রুত চর্বি ঝরাতে সাহায্য করে। আদা পানি প্রাকৃতিকভাবে শরীরকে ডিটক্সিফাই করতেও সাহায্য করে।
❤2👍2
কিছু বিষয় মাথায় রেখে চললেই হবে এতে বেক্তিত্তও বাড়ে।
১- প্রয়োজনের বেশি কথা বলবেন না
২- না যেনে কথা বলবেন না, আইডিয়া করেও কথা বলবেন না
৩- কারো সমালোচনা করবেন না।
৪- রেগেও যাবেন না এবং দূর্বলতা দেখাবেন না।
৫- অযথা সময় বেয় করবেন না।
৬- নম্র ও ভদ্রতা বজায় রাখবেন।
৭- পরিপাটি ও মার্জিত হয়ে চলবেন।
৮- গুছিয়ে কথা বলবেন।
৯- হতাশ হয়ে আওলা জাওলা না করে শান্ত হয়ে সামধান খুজবেন।
১০- শুদ্ধ ও সাবলীল ভাষায় কথা বলবেন।।
১১- কারো কথার মাঝখানে কথা না বলে শুনে তারপর বলুন।
১২- সিনিয়র দেন সালাম ও ছোটদের স্নেহ করুন
১৩- চুলের স্টাইল মার্জিত করুন।
১৪- টিকটিক দেখা বাদ দেন।
১৫- কাজের সময় কাজ, আড্ডা সময় আড্ডা, আর ঘরে থাকার সময় ঘরে থাকুন। ওলটা পালটা সময় মার্কেট বা খেলাধুলা বা আড্ডাতে থাকবেন না।
১৬- স্কুল কলেজ ছুটির সময় আশে পাশে থাকবেন না
১৭- গুনবাচক মানুষদের সাথে চলুন।
১৮- খারাপ মানুষ পরিহার করুন
১৯- ছোট এবং বড়দের সামনে সিগারেট খাওয়া পরিহার করুন।
২০- বেশি বেশি জ্ঞান অর্জন করুন।
ওমর ফারুক।
১- প্রয়োজনের বেশি কথা বলবেন না
২- না যেনে কথা বলবেন না, আইডিয়া করেও কথা বলবেন না
৩- কারো সমালোচনা করবেন না।
৪- রেগেও যাবেন না এবং দূর্বলতা দেখাবেন না।
৫- অযথা সময় বেয় করবেন না।
৬- নম্র ও ভদ্রতা বজায় রাখবেন।
৭- পরিপাটি ও মার্জিত হয়ে চলবেন।
৮- গুছিয়ে কথা বলবেন।
৯- হতাশ হয়ে আওলা জাওলা না করে শান্ত হয়ে সামধান খুজবেন।
১০- শুদ্ধ ও সাবলীল ভাষায় কথা বলবেন।।
১১- কারো কথার মাঝখানে কথা না বলে শুনে তারপর বলুন।
১২- সিনিয়র দেন সালাম ও ছোটদের স্নেহ করুন
১৩- চুলের স্টাইল মার্জিত করুন।
১৪- টিকটিক দেখা বাদ দেন।
১৫- কাজের সময় কাজ, আড্ডা সময় আড্ডা, আর ঘরে থাকার সময় ঘরে থাকুন। ওলটা পালটা সময় মার্কেট বা খেলাধুলা বা আড্ডাতে থাকবেন না।
১৬- স্কুল কলেজ ছুটির সময় আশে পাশে থাকবেন না
১৭- গুনবাচক মানুষদের সাথে চলুন।
১৮- খারাপ মানুষ পরিহার করুন
১৯- ছোট এবং বড়দের সামনে সিগারেট খাওয়া পরিহার করুন।
২০- বেশি বেশি জ্ঞান অর্জন করুন।
ওমর ফারুক।
👍7❤3
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি! নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি!! নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি!!!
একটি কিন্ডারগার্টেন প্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরী ভিত্তিতে শিক্ষক আবশ্যক ৷
প্রতিষ্ঠানের নাম: মর্নিং বার্ড স্কুল
লোকেশন: কলমা, সাভার, ঢাকা
পদের সংখ্যা: ০২
বিষয়: ইংরেজি, বাংলা
সময়: বাংলা ( সকাল ৮:০০-১০:০০)
ইংরেজি ( সকাল ৮:০০-১:০০)
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে
যোগাযোগ: ০১৯৮১৩৩৭৮৪৯
ইমেইল: morningbirdschool@gmail.com
আগ্রহীদেরকে আগামী 02/11/2023 ইং তারিখের মধ্যে জীবন বৃত্তান্তসহ সকল শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ নিয়ে প্রতিষ্ঠানে সশরীরে যোগাযোগ করতে হবে ৷
কলমার আশেপাশের মানুষের আবেদন করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
একটি কিন্ডারগার্টেন প্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরী ভিত্তিতে শিক্ষক আবশ্যক ৷
প্রতিষ্ঠানের নাম: মর্নিং বার্ড স্কুল
লোকেশন: কলমা, সাভার, ঢাকা
পদের সংখ্যা: ০২
বিষয়: ইংরেজি, বাংলা
সময়: বাংলা ( সকাল ৮:০০-১০:০০)
ইংরেজি ( সকাল ৮:০০-১:০০)
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে
যোগাযোগ: ০১৯৮১৩৩৭৮৪৯
ইমেইল: morningbirdschool@gmail.com
আগ্রহীদেরকে আগামী 02/11/2023 ইং তারিখের মধ্যে জীবন বৃত্তান্তসহ সকল শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ নিয়ে প্রতিষ্ঠানে সশরীরে যোগাযোগ করতে হবে ৷
কলমার আশেপাশের মানুষের আবেদন করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
👍1
ঔষধ খেয়ে হায়েয-নেফাস বন্ধ রাখার বিধান
হায়েয-নেফাস কোনো রোগ নয়,বরং প্রাকৃতিক নিয়ম। হায়েয-নেফাস না হওয়াই রোগ। ইচ্ছা করে বন্ধ করলে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয়। তবে এ জাতীয় ঔষধের ব্যবহার করতে নিষেধাজ্ঞা নেই। কিন্তু এটি কোনো উত্তম পন্থাও নয়। কেননা শরীয়ত উক্ত দিনগুলোতে নারীদেরকে ছাড় দিয়েছে—তাদের সহজতার জন্য। তাই বিশেষ ওজর না থাকলে স্বাভাবিক নিয়মে চলাই উচিত।
মুসান্নাফে আবদুর রাযযাকে এসেছে—
أخبرنا عبد الرزاق قال: أخبرنا معمر قال: أخبرنا واصل مولى ابن عيينة، عن رجل، سأل ابن عمر عن امرأة تطاول بها دم الحيضة فأرادت أن تشرب دواء يقطع الدم عنها، فلم ير ابن عمر بأسا، ونعت ابن عمر ماء الأراك ". قال معمر: وسمعت ابن أبي نجيح يسأل عن ذلك فلم ير به بأسا
‘ইবনে উমর রাযি.-কে এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করল, এমন নারী সম্পর্কে যার দীর্ঘ সময় হায়েয চলতে থাকে, অতঃপর উক্ত নারী ইচ্ছা করেছে ঔষুধ সেবন করে হায়েয বন্ধ রাখতে— এমন ওষুধ নারী ব্যবহার করতে পারবে? তিনি বললেন, আমি এতে কোনো অসুবিধা মনে করি না। অতঃপর তিনি বললেন, এক্ষেত্রে আরাকের পানি খুবই উপকারী।’
মা’মার বলেন—আমি ইবনে আবী নুজাইহকে বলতে শুনেছি, এ ব্যাপারে তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, তখন তিনি বলেন—আমি এতে কোনো সমস্যা দেখি না। (মুসান্নাফে আবদুর রাযযাক ১/৩১৮, হাদিস ১২২০) [আরাক হচ্ছে, বেশি পাতা ও ডালপালাযুক্ত একপ্রকার কাঁটাওয়ালা গাছ]
হায়েয-নেফাস শুরু হওয়ার পূর্বেই যদি ঔষুধ সেবন করে বা কোনো পদ্ধতি অবলম্বন করে হায়েয-নেফাস বন্ধ করে দেয় এবং তার আর রক্ত না আসে। তাহলে তাকে পবিত্র হিসেবে ধরা হবে। তখন তাকে নামায-রোযা করে যেতে হবে এবং এ অবস্থায় সে তাওয়াফও করতে পারবে। স্বামীর সাথে সহবাসও করতে পারবে। কিতাবুল মাসায়িলে এসেছে—
دوا کے ذریعہ اگر خون پر بندش کردی گئی تو جب تک خون جاری نہ ہو عورت پاک ہی شمار ہوگی ؛ لیکن اگر ایسا کرنا صحت کے لئے مضر ہو جیسا کہ مشاہدہ ہے تو یہ عمل نہ کیا جائے ۔
ঔষুধ সেবনের মাধ্যমে যদি রক্ত বন্ধ রাখা হয় তাহলে যতক্ষণ পর্যন্ত স্বাভাবিক অবস্থায় থাকবে অর্থাৎ তার মাসিক স্রাব চালু না হবে ততক্ষণ তাকে পবিত্র ধরা হবে। কিন্তু যদি তা স্বাস্থের জন্য ক্ষতিকর হয়-যেমনটা লক্ষ্য করা যায়, তাহলে এরূপ কাজ করা উচিৎ নয়। [কিতাবুল মাসায়িল ১/২২৮]
পক্ষান্তরে হায়েয-নেফাস শুরু হবার পর যদি ওষুধ খেয়ে বন্ধ করে দেয়, তাহলে অন্য মাসে যে কয়দিন হায়েয আসতো, সেই কয়দিন হায়েযের মাঝেই গণ্য হবে। সেই কয়দিন রোযা রাখলেও রোযা হবে না। পরবর্তীতে কাযা করতে হবে। অর্থাৎ মাসিকের রক্ত শুরু হবার পর ঔষুধ খেয়ে বন্ধ করলে—ঋতুবতী নারী পবিত্র বলে গণ্য হবে না। আগের মাসের মতো তাকে অপবিত্রই ধরা হবে। ফলে নামায, রোজা, সহবাস ইত্যাদি কোনো কিছুই বৈধ হবে না। কিতাবুল মাসায়িলে এসেছে—
اگر کسی عورت کو عادت کے موافق حیض آنا شروع ہوا ، پھر اس نے دوا کھا کر اسے درمیان ہی میں روک لیا تو محض خون بند ہونے سے وہ پاک نہ ہوگی ، بلکہ ایام عادت تک وہ ناپاک ہی شمار ہوگی ۔
যদি কোনো মহিলার অভ্যাস অনুযায়ী হায়েয শুরু হয়ে যায় অতঃপর ঔষুধ সেবন করে মাঝপথে তা বন্ধ করে দেয়, তাহলে শুধু রক্ত বন্ধ হওয়ার কারণে সে পবিত্র হবে না, বরং তার অভ্যাসের দিন পর্যন্ত সে অপবিত্র থাকবে। (কিতাবুল মাসায়িল ১/২২৮)
হজ্ব-উমরা ইত্যাদির সফর কালে অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শক্রমে ঔষুধ সেবনের মাধ্যমে হায়েয বন্ধ করা যেতে পারে। যাতে তাওয়াফের কাজে কোনো বিঘ্নতা না ঘটে। তবে এজাতীয় ঔষধ সেবনের কারণে কারও যদি শারীরিক কোনো সমস্যার সম্ভবনা থাকে, তাহলে পরবর্তী জটিলতা এড়ানোর জন্য ব্যবহার না করে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।
[মুসান্নাফে আবদুর রাযযাক, হাদীস ১২১৯, ১২২০, ফাতাওয়ায়ে শামি ১/৩০৮,বাদায়েস সানায়ে ১/৩৯, কিতাবুল ফিকহি আলাল মাযাহিবিল আরবাআ ১/১২৪, মুহীতুল বুরহানী ১/৩৯৯, ফিকহুন নাওয়াযিল ২/৩০৮, খুলাসাতুল ফাতাওয়া ১/২১৩, ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া ১/৩৮, আল-মুগনি ১/৪৫০,জামিউ আহকামিন নিসা ১/১৯৮, কিতাবুল মাসায়িল ১/২২৮]
Khairul Islam 27/10/2023
হানাফী ফিকহ-Hanafi Fiqh
হায়েয-নেফাস কোনো রোগ নয়,বরং প্রাকৃতিক নিয়ম। হায়েয-নেফাস না হওয়াই রোগ। ইচ্ছা করে বন্ধ করলে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয়। তবে এ জাতীয় ঔষধের ব্যবহার করতে নিষেধাজ্ঞা নেই। কিন্তু এটি কোনো উত্তম পন্থাও নয়। কেননা শরীয়ত উক্ত দিনগুলোতে নারীদেরকে ছাড় দিয়েছে—তাদের সহজতার জন্য। তাই বিশেষ ওজর না থাকলে স্বাভাবিক নিয়মে চলাই উচিত।
মুসান্নাফে আবদুর রাযযাকে এসেছে—
أخبرنا عبد الرزاق قال: أخبرنا معمر قال: أخبرنا واصل مولى ابن عيينة، عن رجل، سأل ابن عمر عن امرأة تطاول بها دم الحيضة فأرادت أن تشرب دواء يقطع الدم عنها، فلم ير ابن عمر بأسا، ونعت ابن عمر ماء الأراك ". قال معمر: وسمعت ابن أبي نجيح يسأل عن ذلك فلم ير به بأسا
‘ইবনে উমর রাযি.-কে এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করল, এমন নারী সম্পর্কে যার দীর্ঘ সময় হায়েয চলতে থাকে, অতঃপর উক্ত নারী ইচ্ছা করেছে ঔষুধ সেবন করে হায়েয বন্ধ রাখতে— এমন ওষুধ নারী ব্যবহার করতে পারবে? তিনি বললেন, আমি এতে কোনো অসুবিধা মনে করি না। অতঃপর তিনি বললেন, এক্ষেত্রে আরাকের পানি খুবই উপকারী।’
মা’মার বলেন—আমি ইবনে আবী নুজাইহকে বলতে শুনেছি, এ ব্যাপারে তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, তখন তিনি বলেন—আমি এতে কোনো সমস্যা দেখি না। (মুসান্নাফে আবদুর রাযযাক ১/৩১৮, হাদিস ১২২০) [আরাক হচ্ছে, বেশি পাতা ও ডালপালাযুক্ত একপ্রকার কাঁটাওয়ালা গাছ]
হায়েয-নেফাস শুরু হওয়ার পূর্বেই যদি ঔষুধ সেবন করে বা কোনো পদ্ধতি অবলম্বন করে হায়েয-নেফাস বন্ধ করে দেয় এবং তার আর রক্ত না আসে। তাহলে তাকে পবিত্র হিসেবে ধরা হবে। তখন তাকে নামায-রোযা করে যেতে হবে এবং এ অবস্থায় সে তাওয়াফও করতে পারবে। স্বামীর সাথে সহবাসও করতে পারবে। কিতাবুল মাসায়িলে এসেছে—
دوا کے ذریعہ اگر خون پر بندش کردی گئی تو جب تک خون جاری نہ ہو عورت پاک ہی شمار ہوگی ؛ لیکن اگر ایسا کرنا صحت کے لئے مضر ہو جیسا کہ مشاہدہ ہے تو یہ عمل نہ کیا جائے ۔
ঔষুধ সেবনের মাধ্যমে যদি রক্ত বন্ধ রাখা হয় তাহলে যতক্ষণ পর্যন্ত স্বাভাবিক অবস্থায় থাকবে অর্থাৎ তার মাসিক স্রাব চালু না হবে ততক্ষণ তাকে পবিত্র ধরা হবে। কিন্তু যদি তা স্বাস্থের জন্য ক্ষতিকর হয়-যেমনটা লক্ষ্য করা যায়, তাহলে এরূপ কাজ করা উচিৎ নয়। [কিতাবুল মাসায়িল ১/২২৮]
পক্ষান্তরে হায়েয-নেফাস শুরু হবার পর যদি ওষুধ খেয়ে বন্ধ করে দেয়, তাহলে অন্য মাসে যে কয়দিন হায়েয আসতো, সেই কয়দিন হায়েযের মাঝেই গণ্য হবে। সেই কয়দিন রোযা রাখলেও রোযা হবে না। পরবর্তীতে কাযা করতে হবে। অর্থাৎ মাসিকের রক্ত শুরু হবার পর ঔষুধ খেয়ে বন্ধ করলে—ঋতুবতী নারী পবিত্র বলে গণ্য হবে না। আগের মাসের মতো তাকে অপবিত্রই ধরা হবে। ফলে নামায, রোজা, সহবাস ইত্যাদি কোনো কিছুই বৈধ হবে না। কিতাবুল মাসায়িলে এসেছে—
اگر کسی عورت کو عادت کے موافق حیض آنا شروع ہوا ، پھر اس نے دوا کھا کر اسے درمیان ہی میں روک لیا تو محض خون بند ہونے سے وہ پاک نہ ہوگی ، بلکہ ایام عادت تک وہ ناپاک ہی شمار ہوگی ۔
যদি কোনো মহিলার অভ্যাস অনুযায়ী হায়েয শুরু হয়ে যায় অতঃপর ঔষুধ সেবন করে মাঝপথে তা বন্ধ করে দেয়, তাহলে শুধু রক্ত বন্ধ হওয়ার কারণে সে পবিত্র হবে না, বরং তার অভ্যাসের দিন পর্যন্ত সে অপবিত্র থাকবে। (কিতাবুল মাসায়িল ১/২২৮)
হজ্ব-উমরা ইত্যাদির সফর কালে অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শক্রমে ঔষুধ সেবনের মাধ্যমে হায়েয বন্ধ করা যেতে পারে। যাতে তাওয়াফের কাজে কোনো বিঘ্নতা না ঘটে। তবে এজাতীয় ঔষধ সেবনের কারণে কারও যদি শারীরিক কোনো সমস্যার সম্ভবনা থাকে, তাহলে পরবর্তী জটিলতা এড়ানোর জন্য ব্যবহার না করে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।
[মুসান্নাফে আবদুর রাযযাক, হাদীস ১২১৯, ১২২০, ফাতাওয়ায়ে শামি ১/৩০৮,বাদায়েস সানায়ে ১/৩৯, কিতাবুল ফিকহি আলাল মাযাহিবিল আরবাআ ১/১২৪, মুহীতুল বুরহানী ১/৩৯৯, ফিকহুন নাওয়াযিল ২/৩০৮, খুলাসাতুল ফাতাওয়া ১/২১৩, ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া ১/৩৮, আল-মুগনি ১/৪৫০,জামিউ আহকামিন নিসা ১/১৯৮, কিতাবুল মাসায়িল ১/২২৮]
Khairul Islam 27/10/2023
হানাফী ফিকহ-Hanafi Fiqh
❤1