জ্ঞান - Knowledge
2K subscribers
1.27K photos
21 videos
11 files
463 links
🙂🙂🙂
Download Telegram
👍1🤣1
মোছাম্মত / মোসাম্মৎ শব্দের আভিধানিক অর্থ— নামযুক্ত, নামীয়, অভিহিত, আখ্যায়িত, নির্ধারিত, নির্দিষ্ট। বাংলাদেশে মহিলাদের নামের পূর্বে মুসম্মৎ, মোসাম্মৎ, মুসম্মৎ ব্যবহার করা হয়।শব্দগুলো আরবি ‘মুসাম্মত’ থেকে উদ্ভূত। যার কাছাকাছি উচ্চারণ— মুসম্মৎ, মোসাম্মৎ, মোসম্মৎ। আরবি مُسَمَّى মুসাম্মা (পুংলিঙ্গ), مُسَمَّىاة মুসাম্মাহ (স্ত্রীলিঙ্গ) শব্দদ্বয়ের অর্থ "নাম রাখা হয়েছে এমন।" ইংরেজি ভাষায় যাকে বলা হয়— Named।
শুবাচি মোহাম্মদ মিফতাহুল ইসলাম তালহা লিখেছেন, “মোসাম্মাত আত তাসমিয়াহ ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য (মাসদার) থেকে গঠিত কর্মবাচক বিশেষ্যের (মাফউল) এক বচন, স্ত্রীলিঙ্গ (ওয়াহিদ মুআন্নাস) এর রূপ (সিগাহ)। অর্থ হলো— নাম রাখা হয়েছে এমন একজন মহিলা। সে হিসেবে কারও নাম যদি মোসাম্মৎ রাবেয় বেগম হয়, আরবিতে তার অর্থ হবে— মেয়েটির নাম রাবেয়া বেগম রাখা হলো।

মুসম্মৎ, মোসাম্মৎ, মোসম্মৎ আরবি শব্দের অবিকল উচ্চারণ নয়, কাছাকাছি উচ্চারণ। এক ভাষার শব্দের অন্য ভাষায় অবিকল উচ্চারণ প্রায়শ অসম্ভব। এমন দাবি করাও হাস্যকর। বিশেষ করে আরবি ভাষার সঙ্গে বাংলার সামঞ্জস্য খোঁজা সমীচীন নয়। বাংলার সঙ্গে আরবির উৎস ও ব্যুৎপত্তিগত তফাত অনেক প্রবল।

বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত আরবি ফারসি উর্দু শব্দের অভিধান অনুযায়ী মুসম্মৎ, মুসাম্মৎ, মসম্মৎ প্রভৃতি শব্দের অর্থ— মুসলমান মহিলাদের নামের পূর্বে ব্যবহৃত উপাধি, শ্রীযুক্ত, শ্রীমতি প্রভৃতি। বাংলা একাডেমি ব্যবহারিক (ব্যাবহারিক) বাংলা অভিধান [পরিমার্জিত সংস্করণ ডিসেম্বর ২০০০-এর অষ্টাদশ পুনর্মুদ্রণ: মাঘ ১৪২১/জানুয়ারি ২০১৫] অনুযায়ী শব্দটির প্রমিত বানান 'মুসম্মৎ' এবং অপ্রমিত বানান 'মোসাম্মাৎ' ও 'মোসম্মৎ'।

আরবি থেকে আগত মুসম্মৎ মোসাম্মাৎ বা মোসম্মৎ শব্দের উৎস-অর্থ যাই হোক না কেন, বাংলায় শব্দটি এখন একটি নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য, রূপ, প্রয়োগ, স্বভাব, ব্যাবহারিক স্থিরতা ও অর্থ ধারণ করেছে। এখন এই বাংলা শব্দটিকে আরবির চরিত্রে বিশ্লষণ করা সংগত নয়। বাংলায় সংস্কৃতের মতো আরবি ব্যাকরণ চলে না। এটি এখন বাংলা শব্দ এবং এর অর্থ— মুসলমান মহিলাদের নামের পূর্বে ব্যবহৃত উপাধি, শ্রীযুক্ত, শ্রীমতি প্রভৃতি।

সুতরাং নামের পূর্বে ‘মুহাম্মদ’ 'মুসাম্মাদ' ব্যবহার করা জায়েজ আছে। কিন্তু এটা ব্যবহার করা সুন্নাত বা মুস্তাহাব নয়।

নামের আগে ‘মুহাম্মদ’ 'মুসাম্মদ' লেখার প্রচলনটা শুধু উপমহাদেশেই রয়েছে।

ইংরেজ আমলে হিন্দুরা ব্যাপক আকারে তাদের নামের পূর্বে ‘শ্রী’ ব্যবহার করতো। তখন অনেক মুসলমান না বুঝেই হিন্দুদের মত নিজের নামের আগে ‘শ্রী’ লিখা শুরু করে।

তখনকার উলামায়ে কেরাম নিজেদের স্বাতন্ত্র্যতা ধরে রাখতে নামের পূর্বে ‘মুহাম্মদ’ যুক্ত করার উৎসাহ দিতেন বলেই জনশ্রুতি আছে।

তবে বর্তমানে এর তেমন কোন জরুরত না থাকলেও নামের পূর্বে উম্মতে মুহাম্মদীর চিহ্ন হিসেবে ব্যবহার করাতে কোন সমস্যা নেই। বাকি সুন্নাত বা মুস্তাহাব মনে করা যাবে না।

والله اعلم بالصواب
1👍1
এমন মেয়ের প্রেমে পড়ো না
যে বই পড়ে, যে মেয়ে গভীরভাবে অনুভব
করে, আর যে মেয়ে লেখে।

কখনও
শিক্ষিত, মোহিনী, ভ্রমাত্মক ,
পাগলাটে মেয়ের প্রেমে পড়ো না।

এমন মেয়ের প্রেমে পড়ো না
যে ভাবতে পারে, যে জানে সে কি
জানে এবং উড়তে জানে;
যে মেয়ে নিজের সম্পর্কে নিশ্চিত।

এমন মেয়ের প্রেমে পড়ো না
যে প্রেমের সময় হাসে বা কাঁদে,
জানে কীভাবে আত্মাকে পরিণত করতে হয়
শরীরে; সে মেয়েকে ছেড়ে দাও যে বিপজ্জনকভাবে কবিতা ভালোবাসে,
অথবা একটি পেইন্টিং-এর ধ্যানে
ঘন্টার পর ঘন্টা সময় কাটায়
এবং যে সঙ্গীত ছাড়া বাঁচতে
পারে না।...

এমন মেয়ের প্রেমে পড়ো না
যে তার শরীরের গঠন ও মুখের আদল
ছাড়াই সুন্দর।

এমন মেয়ের প্রেমে পড়ো না
যে তীব্র, মনোরম,
স্বচ্ছ এবং অপ্রাসঙ্গিক।

এমন কোনও মেয়ের
প্রেমে পড়ো না।

কারণ যখন তুমি এমন একটি
মেয়ের প্রেমে পড়বে,
তুমি তার সঙ্গে থাকো
বা নাই থাকো, সে তোমাকে ভালোবাসুক
বা নাই ভালোবাসুক, এমন মেয়ের কাছ থেকে
তুমি কখনওই ফিরতে পারবে না।

মূল: মার্তা রিবেরা গাররিদো
অনুবাদ: গৌতম মিত্র

ছবি: William Oliver (British, 1804-1853).
3
বিজ্ঞজনেরা বলেন,
তিনটি বিষয় নিয়ে বেশী চিন্তা করবে না:

(১) অভাব নিয়ে চিন্তা করবে না। তাহলে তোমার দুশ্চিন্তা ও দুর্দশা বেড়ে যাবে, অন্তরে লোভ তৈরি হবে।
.
(২) নিজের ওপর হওয়া যুলুম নিয়ে বেশি ভাববে না। তাহলে তোমার অন্তর কঠোর হয়ে যাবে, হিংসা-বিদ্বেষ বেড়ে যাবে, ক্রোধ দীর্ঘস্থায়ী হবে।
.
(৩) দুনিয়ায় দীর্ঘদিন বেঁচে থাকার আশা করবে না। তাহলে জীবন নষ্ট হয়ে যাবে; আজ নয় কাল নেক আমল করবো—এই চিন্তায় থাকতে থাকতে মৃত্যুর ফেরেশতা এসে যাবে।

[ তানবীহুল গাফেলীন, পৃ: ৫৭২ ]
3
---মেয়েদের হরমোন ব্যালেন্স থাকার প্রয়োজনীয়তা ও খাদ্য ব্যবস্থাপনা---

🟩খাদ্য ব্যবস্থাপনা:
যেকোনো রোগ বিশেষ করে হরমোনাল কোনো রোগে রোগীর রিপোর্ট না দেখে কোনো পরামর্শ দেওয়া যায় না। কারন কারও যদি টেস্টটোরেন বেড়ে যার তার খাবার এরকম হবে আবার কমে গেলে অন্যরকম। তাই আপনারা নিজের রিপোর্ট নিয়ে একজন পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিবেন। আজ এখানে কিছু সাধারন গাইডলাইন হিসেবে কি খাবেন বলা হচ্ছে:

বাদাম- কাঠবাদাম, কাজুবাদাম, আখরোট
ফ্যাটি ফিশ- কাতল, রুই, বোয়াল, ইলিশ ইত্যাদি
সবজি- ব্রকলি, বাধাকপি, ফুলকপি
সিডস- চিয়া সিডস, মিষ্টিকুমড়োর বিচি
মিষ্টি আলু
কাচা হলুদ

🟩খাদ্যের পাশাপাশি প্রয়োজন সঠিক জীবন পরিচালনা, যার জন্য আপনাকে প্রতিদিন-
রাত ১১টায় ঘুমাতে হবে
সপ্তাহে ৩-৪দিন ব্যায়াম বা ইয়োগা করতে হবে
স্ট্রেস কমাতে হবে
কোনো ভিটামিনের ঘাটতি থাকলে খাবার ও সাপ্লিমেন্ট নিতে হবে।

হরমোন কম বা বেশি হলে কি ধরনের সমস্যা হতে পারে তা নিয়ে বিস্তারিত কমেন্টে,,,

Learn With 20 Minute Medical
2
স্বামীর মোহরানা ধার্য করবে কে?

মোহর আল্লাহর বিধান হলেও সেটি ধার্য করার কর্তব্য দায়িত্বশীল বর কনে কিংবা তাদের অভিভাবকদের। আমাদের সমাজে সাধারণত উভয়পক্ষের মুরব্বিরাই সেটি নির্ধারণ করে থাকে।

এ ক্ষেত্রে মুরব্বিরা বর-কনে উভয়ের নিকটাত্মীয় মা-বাবা-ভাইবোন ও ভাবী, খালা, ফুফুকে প্রদত্ত মোহরের সাথে তুলনা করে সার্বিক অবস্থা বিবেচনায় এটি ধার্য করে থাকে।

মোহরের সুনির্দিষ্ট কিংবা সর্বোচ্চ কোনো পরিমাণ নেই।

প্রিয় বোন আমার!
তোমাকে তোমার স্বামীর মোহরানা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতে এসেছি। পাত্র পক্ষের কাছে কত টাকা মোহরানা ধার্য করবো তুমি বলো...।

ভাইয়া : তাঁকে জিজ্ঞেস করবেন, সে আমাকে বিয়ের দিনে কত টাকা মোহরানা হইলে সম্পূর্ণ পরিশোধ করতে পারবে, সেটাই আমার জন্য মোহরানা ধার্য করবে।

অবাক! আশ্চার্য বিষয় তো!
কি বলো তুমি, সে যদি বলে আমি দশ হাজার টাকা এক সাথে পরিশোধ করতে পারবো। তখন কি হবে?

ভাইয়া : আপনি আমাকে বিক্রি করে দিচ্ছো না তো?
আমি আপনার নিরাপদ আশ্রয়স্থল থেকে আরেকটা নিরাপদ আশ্রয়স্থলে যাচ্ছি। আমাকে সেখানে মৃত্যু পর্যন্ত অবস্থান করতে হবে।

আর আপনি কেন ভয় পাচ্ছেন। বিয়ের পর আমাকে ডিভোর্স দিলে মাত্র দশ হাজার টাকা দিয়ে আমি কি করবো?

মনে রাখবেন- মেয়েদের বাবার বাড়ির পরেই দ্বিতীয় আশ্রয়স্থল স্বামীর ঘর, সেই আশ্রয়স্থলে যেতে যদি প্রথমেই আমার মনের ভিতরে এ ধরনের মনোভাব ঘটে তবে আমার সেখানে না যাওয়াই উচিত।

শুধু তাই নয়, মোহরানা সম্পূর্ণ নিয়ে আমি একজন হালাল স্ত্রীর হিসেবে আমার সুখের সংসার গড়তে চাই। যেখানে আল্লাহর রহমতে সব সময় বর্ষিত হবে।

ভাইয়া আপনি তাঁকে ভরসা করতে পারছেন না বলেই আপনার আপত্তি মনে হচ্ছে। তাই যদি হয় আপনি আমাকে সেখানে বিয়ে দিতে চাচ্ছেন?

আমার মোহরানার লক্ষ্য কোটি টাকার দরকার নেই। আমাকে একটি দ্বীনদার,
ঈমানদার,
নিষ্ঠাবান এবং
সত্যবাদী ছেলের হাতে তুলে দিন,
যে কিনা হীরার খনির চেয়ে অনেক দামি।

সত্য বিশ্বাস নিয়ে সংসার ঘটন করে বাকী জীবন-যাপন করবো। বিশ্বাস স্থাপন সেই দিন থেকেই মজবুত হওয়া চাই। সত্য, নিষ্ঠাবান ও কর্মঠ মানুষটাকে জানা-শোনা থাকলেই হলো।

সেও বলবে আমি আপনার বোনকে পেয়ে ধন্য। আল্লাহর কাছে অশেষ শুকরিয়া।
আল্লাহ আমাকে এরকম দ্বীনদার একজন জীবনসঙ্গী দেওয়ার জন্য।

যদি পারস্পরিক ঠিকঠাক হওয়ার পরও বড় অঙ্ক মোহরের জন্য বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি করা হয় অথবা কোনো ধরনের তিক্ততার জন্ম নেয় তাহলে এটি কোনো পক্ষের জন্যই মঙ্গলজনক নয়।

তা ছাড়া যেকোনো একদেশদর্শিতা, একরোখা মনোভাব ও অযাচিত হস্তক্ষেপ অনাকাক্সিক্ষত পরিস্থিতির অবতারণা করে না- সেটা বলা যায় না।

সে জন্য নিঃসঙ্গতা কিংবা হারামের পথ ছেড়ে কেউ হালাল পথে আসতে চাইলে সবার সহযোগিতা করা ধর্মীয় দায়িত্ব। বিয়েকে যত বেশি সহজ করা যায় ততই সমাজের কল্যাণ।

বিয়েতে কঠিন অবস্থা সৃষ্টি করা সঠিক নয়। পরস্পর পছন্দ হওয়ার পর সহজ উপায়ে বিয়ে সম্পাদন করা উচিত।

লোক দেখানো ও ঐতিহ্যের দোহাই দিয়ে দেনমোহরের ব্যাপারে অস্বাভাবিক কিছু ধার্য করা ইসলাম সমর্থন করে না।

ইসলামী শরিয়তে যৌতুক নেয়া যেমনি বৈধ নয়, তেমনি বরপক্ষকেও বেশি চাপাচাপি করা যুক্তিসঙ্গত নয়।
👍3
ইমাম হাফিজ ইবনুল কাইয়িম রাহিমাহুল্লাহ বলেন-
তিনটা জিনিস শরীরকে অসুস্থ করে⁉️

(১) কথা বেশি বলা।
(২) অধিক নিদ্রা ও বিশ্রাম।
(৩) অতিরিক্ত পানাহার করা।

চারটা জিনিস শরীরকে ধ্বংস করে⁉️

(১) দুঃশ্চিন্তা ও পেরেশানি,
(২) দুঃখ ও হতাশা,
(৩) ক্ষুধা
(৪) অনর্থক অধিক রাত্রি পর্যন্ত জেগে থাকা।

চারটা জিনিস চেহারাকে মলিন করে এবং আনন্দ ও সম্মান কেড়ে নেয়⁉️

(১) মিথ্যা,
(২) ঔদ্ধত্য ও অহংকার,
(৩) ইলমি বিষয় ছাড়া অতিরিক্ত প্রশ্ন করা
(৪) লজ্জাহীনতা ও অশ্লীলতা।

চারটা জিনিস আনন্দ ও সম্মান ফিরিয়ে আনে⁉️

(১) তাক্বওয়া,
(২) সত্যবাদীতা,
(৩) দানশীলতা এবং
(৪) আত্মসম্মান রক্ষা

চারটা জিনিস রিযক বৃদ্ধি করে⁉️

(১) রাত জেগে তাহাজ্জুদের সালাত আদায় করা,
(২) সূর্যোদয়ের পূর্বে অধিক পরিমানে আল্লাহর যিকর করা,
(৩) নিয়মিত দান করা এবং
(৪) দিনের শুরু ও শেষে আল্লাহর যিকির করা।

চারটা জিনিস রিযক কমিয়ে দেয়⁉️

(১) (ফজরের পরে) সকাল বেলা ঘুমিয়ে থাকা,
(২) সালাতে ত্রুটি বা কম করা,
(৩) অলসতা এবং
(৪) প্রতারণা ও বিশ্বাসঘাতকতা।

[যাদ আল-মায়াদ; চিকিৎসা অধ্যায়ঃ ৪/৩৭৮]
👍3
১ 'হতাশ' হয়ে যাওয়ার সময় গুলাতে 'মেন্টাল সাপোর্ট' দেওয়ার মতো ফ্রেন্ড যার আছে, সে মানুষ লাকি!
২. সারাদিন,সারারাত ধরে ননস্টপ 'বকবক' শুনার মতো ফ্রেন্ড যার আছে,সে লাকি!
৩. কল দিয়ে 'কান্না' করার মতো ফ্রেন্ড যার আছে, সে লাকি!
৪.বিপদে আপদে চাইলেই পাওয়া যায়,এমন ফ্রেন্ড যার আছে,সে লাকি!
৫. ইচ্ছেমতো বিরক্ত করার মতো ফ্রেন্ড যার আছে,সে লাকি!
৬. ভুল টা কে ভুল, ঠিক টা কে ঠিক বলার মতো,'অনুপ্রেরনা' দেওয়ার মতো ফ্রেন্ড যার আছে, সে লাকি!
৭. 'মন বুঝার' মতো ফ্রেন্ড যার আছে,সে লাকি!
আমাদের অনেকের ই কোন 'ফ্রেন্ড' নাই! আপনার 'ফ্রেন্ড' টা কে আগলে রাখুন! ভালো রাখুন! ❤️

@oviDa
3👍2
আপনারা প্রত্যেক পোস্টে আপনাদের পছন্দ অনুযায়ী রিয়েকশন দিলে পোস্ট করতে অনুপ্রাণিত হবো।
👍5🔥1
নারীদের বে-পর্দা, ফ্রি-মিক্সিং ও বহির্মুখীর যেই প্রবণতা, সেটাকে থামাতে হল সর্বপ্রথম পুরুষদের পুরু-ষত্বকে ঠিক করতে হবে। একজন পুরুষের পুরু-ষত্বের গুরুত্বপূর্ণ দুটি বৈশিষ্ট্য হল, দায়িত্বশীলতা (ক্বাওয়ামাহ) ও আত্মমর্যাদাবোধ (গায়রাত)।

অধিকাংশ নারীদের বে-পর্দা ও ক্যারিয়ারমুখীতার পিছনে পুরুষ জাতি কোন না কোনভাবে দা-য়ী। ব্যতিক্রম তো অবশ্যই আছে। কিন্তু বাংলাদেশের বাস্তবতায় প্রথম চিত্রের সংখ্যাই বেশি। হয়ত পুরুষরা তাদের দায়িত্বে অবহেলা করছে কিংবা সে তার গায়রাতকে বিসর্জন দিয়েছে।

দায়িত্বশীলতায় অবহেলা :

দায়িত্বশীলতার জায়গায় অবহেলা ও ত্রুটি বিভিন্নভাবে হতে পারে। হয়তো –

১। সে নারীর ভরণপোষণ করছে না।
২। ভরণপোষণ করলেও তাকে নিয়মিত রোজগারের খোঁ/টা দেয়।
৩। ভাত-কাপড় দিয়েই ক্ষান্ত থাকা, তার হাতে খরচের জন্য মাঝে মাঝেই খুচরা টাকা না দেয়া৷ সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও কোন প্রয়োজনে টাকা চাইলে সেটা নিয়ে জেরা করা কিংবা অতি টালবাহানা করা।
৪। তার সাংসারিক কাজ ও দায়িত্বকে ছোট করে দেখা।
৫। তার জন্য দ্বীন শিক্ষার ব্যবস্থা না করা।
৬। সামাজিক বা রাষ্ট্রীয়ভাবে নারীদের কাফালত বা দায়িত্বগ্রহণের ব্যবস্থাপনা দাঁড় করাতে না পারা।

আত্মমর্যাদা বা গায়রাত বিসর্জন দেয়া :

গায়রাতহীনতাও বিভিন্নভাবে হতে পারে। হয়তো –

১। সে নিজেই দায়্যুসের মত হয়ে অধিনস্থ মেয়েদের বে-পর্দা, ফ্রি মিক্সিং ও ক্যারিয়ারের দিকে ঠেলে দিয়েছে।
২। সে নিজেই নিজের বউ ও কন্যাকে জব করতে বলপ্রয়োগ করেছে।
৩। সে নিজেই নারীদের বে-পর্দা, ফ্রি-মিক্সিং, ক্যারিয়ারমুখীতা ইত্যাদি বিষয়কে উৎযাপন করে।

৩ নাম্বার পয়েন্টটাতে কয়েক লাইন যোগ করে বলি। লজ্জাশীলতা যেমন নারীদের অমূল্য গুণ, তেমন গায়রাতও পুরুষদের জন্য তার পুরুষত্বের অবিচ্ছেদ্য বৈশিষ্ট্য। এটাও তার গায়রাতের দাবি যে, সে নিজেও ফ্রি-মিক্সিংয়ে জড়াবে না, নারীদের বে-পর্দার সাথে সাই দিবে না, স্বীকৃতি দিবে না।

আমাদের ছেলেরা কি এরকম কোন জনমত দেখাতে পেরেছে যে, তারা চায় না নারীরা ফ্রি-মিক্সিংয়ে আসুক, বে-পর্দা চলাফেরা করুক। নাকি ছেলেদের অধিকাংশই ব্যাপারটাকে উৎযাপন করে। বরং তারাও নারীদের সাথে মিশে। তারা কি নারীদের এ/ড়ি/য়ে চলার শিক্ষাটা সালাফদের থেকে গ্রহণ করতে পেরেছে?

কথাগুলো দায়িত্বের জায়গা থেকে লেখা। নতুবা মূল মাসআলা তো এটাই যে, নারীরা গৃহ/স্থলে অবস্থানের ব্যাপারে আদিষ্ট, আর পুরুষরা বাইরে খাটা-খাটনির ব্যাপারে আদিষ্ট। এটা হল মূল স্রোত। প্রয়োজন, অপারগতা এসব ব্যতিক্রম সুরত তো আছেই।

মূলত শরীয়তের মূল বিধানের সাথে একমত থাকলে নারী-পুরুষ বিভাজিত হয়ে একে অপরকে দোষারোপ করে লাভ নেই। আসল কথা হল, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সমাজের সকলেই আমরা দ্বীন থেকে দূরে সরে গেছি। আমরা আল্লাহ প্রদত্ত রোল যথাযথভাবে প্লে করছি না। সংশোধনের বার্তা সবাইকেই গ্রহণ করতে হবে।

~ ইফতেখার সিফাত
👍41
ভালো ঘুমের জন‍্য লক্ষ টাকার বিছানা লাগে না। ভালো ঘুমের জন‍্য লাগে ক্লান্ত শরীর। প্রশান্ত মন।

আমরা দামি বিছানা কেনার জন‍্য ব‍্যাস্ত হই। কিন্তু শরীর ক্লান্ত করি না। মনকে প্রশান্ত করার চেষ্টা করি না।

ক্ষুধা থাকলে যা খাবেন তাই তৃপ্তি লাগবে। ক্ষুধা না থাকলে অমৃতও ভালো লাগবে না। সুতরাং দামী খাবারের দিকে ফোকাস না করে ক্ষুধা নিয়ে হেলদি খাবার খান। তৃপ্তি পাবেন।

সারা দুনিয়ায় অশান্তি থাকলেও নিজের ঘরে যদি শান্তি থাকে, তাহলে দেখবেন আপনার মনেও শান্তি। কিন্তু ঘরে যদি অশান্তি থাকে, সারা দুনিয়াতে শান্তি থাকলেও আপনার শান্তি হবে না।

নিজের ঘরে শান্তির পরিবেশ তৈরি করতে হবে। পারিবারিক বন্ধন তৈরি করতে হবে। ঘরে শান্তি থাকলে মন প্রশান্ত থাকবে।

টাকা উপার্জন করতে গিয়ে জীবনকে ক্ষয় করলেই হবে না। প্রয়োজন নিজের জন্য সময়। পরিবারের জন্য কেয়ার। ভালোবাসা। টাকার পিছু ছুটতে ছুটতে আমরা পরিবারকে ভুলতে বসেছি।

সময় বুঝে কাজ করুন। পরিশ্রম করুন উপার্জনের জন‍্য। জীবনের জন‍্য কষ্ট করুন। ক্ষুধা নিয়ে খান। ক্লান্তি নিয়ে ঘুমান। পরিবারের সাথে বন্ধন তৈরি করুন।

দেখবেন, আপনাকে আলাদা করে সুখের জন‍্য ছুটতে হবে না।
………………………..
@RAUFUL ALAM
👍9
#জরুরী_নিয়োগ

১/ পদঃ রেডিওগ্রাফার(এক্স-রে): ২ জন (ছেলে/মেয়ে)
অভিজ্ঞতাঃ ১ বছর
বেতনঃ আলোচনা সাপেক্ষে
ডিউটিঃ শিফটিং (৮ ঘন্টা)

২/ পদঃ রিসিপশনিষ্টঃ ২ জন (ছেলে/মেয়ে)
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ এইচএসসি পাশ
অভিজ্ঞতাঃ ৬ মাস , এবং কম্পিউটার জানা বাধ্যতামুলক।
ডিউটিঃ শিফটিং
বেতনঃ আলোচনা সাপেক্ষে

৩/ পদঃ ওয়ার্ডবয়ঃ ৩ জন (ছেলে)
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ ৫ম শ্রেনী পাশ
ডিউটিঃ শিফটিং
বেতনঃ আলোচনা সাপেক্ষে

৪/ পদ: ওটি খালা (অপারেশন থিয়েটারের জন্য খালা)
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ প্রয়োজন নাই
অভিজ্ঞতাঃ অপারেশন থিয়েটারে কাজ করার।
ডিউটিঃ শিফটিং
বেতনঃ আলোচনা সাপেক্ষে

(কাগজপত্র নিয়ে সরাসরি যোগাযোগ করুন, মেসেজে নক দিবেন না। ফোনে অযথা প্রশ্ন থেকে বিরত থাকবেন, চাকুরীর প্রয়োজন হলে যোগাযোগ করবেন।অন্যথায় এড়িয়ে যাবেন।)

#যোগাযোগঃ
মেডিলিংক হাসপাতাল প্রাঃ লিঃ
মধ্যবাড্ডা (লিংক রোড), বাড্ডা,ঢাকা-১২১২
ফোনঃ ০১৪০৭-০০০ ৯১৮(মার্কেটিং ম্যানেজার)
০১৪০৭-০০০ ৯১৯ (এ্যাস: মার্কেটিং ম্যানেজার)
০১৪০৭-০০০ ৯১২ (হাসপাতাল)
❒ যারা ফজরে এখনো অনিয়মিত তারা একটু মনোযোগ সহকারে পড়ে দেখি কী হারাচ্ছি আসলেঃ

ফজরের নামাজের ১০টি ফজিলত
১.নবী (ﷺ) বলেছেনঃ ”মুনাফিকদের জন্য ফজর ও ‘ইশার নামাজ অপেক্ষা অধিক ভারী নামাজ আর নেই। এ দু’ নামাজের কী ফযীলত, তা যদি তারা জানতো, তবে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও তারা উপস্থিত হতো। রসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেন, আমি ইচ্ছে করেছিলাম যে, মুয়াজ্জিনকে ইক্বামাত দিতে বলি এবং কাউকে লোকদের ইমামত করতে বলি, আর আমি নিজে একটি আগুনের মশাল নিয়ে গিয়ে অতঃপর যারা নামাজে আসেনি, তাদের উপর আগুন ধরিয়ে দেই”।(সহিহ বুখারী, ৬৫৭)

২.রাসূল (ﷺ) বলেন, “যে ব্যক্তি ফজরের নামাজ আদায় করে, সে ব্যক্তি ঐ দিন আল্লাহর জিম্মায় চলে যায়।অর্থাৎ স্বয়ং আল্লাহ তালা ঐ ব্যক্তির দায়িত্ব নেন।
(সহিহ মুসলিম,তিরমিজি–২১৮৪)

৩.রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ” যে ব্যক্তি ফজরের নামাজ আদায় করবে,আল্লাহর ফেরেশতাগন আল্লাহর কাছে ঐ ব্যক্তিকে ভালো মানুষ হিসেবে সাক্ষী দিবে।
(বুখারী-মুসলিম)

৪. রাসূল (ﷺ) বলেছেন,”যে ব্যক্তি ফজরের সালাত জামাতের সাথে আদায় করে,আল্লাহতালা তার আমলে দাঁড়িয়ে সারারাত নফল নামাজ আদায়ের সওয়াব দিয়ে দেন!
(সহিহ মুসলিম-১০৯৬)

৫. রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ” যে ব্যক্তি ভোরে হেঁটে হেঁটে ফজরের নামাজ আদায়ের জন্য মসজিদে প্রবেশ করবে,আল্লাহতালা কিয়ামতের দিন তার জন্য পরিপূর্ণ আলো দান করবেন।
(আবু দাউদ ৪৯৪)

৬.যে ব্যক্তি ফজরের নামাজ আদায় করবে, আল্লাহ তাকে জান্নাতের সবচেয়ে বড় নিয়ামত দান করবেন।অথাৎ সে আল্লাহর দিদার লাভ করবে, এবং জান্নাতি ঐ ব্যক্তি আল্লাহকে পূর্নিমার রাতের আকাশের চাঁদের মত দেখবে।(বুখারী-৫৭৩)

৭.যে নিয়মিত ফজরের নামাজ আদায় করবে,সে কখোনোই জাহান্নামে প্রবেশ করবেনা।
(সহিহ মুসলিম ৬৩৪)

৮.ফজরের নামাজ আদায়কারী,রাসূল (ﷺ) এর বরকতের দোয়া লাভ করবেন।
(সুনানে আবু দাউদ,মুসনাদে আহমাদ)

৯.ফজরের দু রাকাত সুন্নত নামাজ, দুনিয়া ও তার মাঝে যা কিছু আছে তারচেয়ে উত্তম।
(জামে তিরমিজি – ৪১৬)

১০. ফজরের নামাজ আদায়ের ফলে ব্যক্তির মন ফুরফুরে,প্রফুল্ল হয়ে যায়।
(সহিহ বুখারী, সহিহ মুসলিম)

আল্লাহ আমাদের সকলকে জামাতের সহিত ৫ ওয়াক্ত সালাত আদায় করার তৌফিক দান করুক। আমিন🤲
👍1
দেহভঙ্গি রাখলে ঠিক
সাস্থ্য থাকবে ফিট।
সঠিক দেহভঙ্গি উপকার সমূহ:
১)ফুসফুসের অক্সিজেন গ্রহণ ক্ষমতা বেড়ে যায়।
২)হজম শক্তি বাড়ে।
৩)লম্বা হতে সাহায্য করে
৪)মাথা ব্যাথা এবং মাইগ্রেন কমে যায়।
৫)ঘুম ভালো হয়।
৬)স্মার্ট দেখায়।
৭)কোমর ব্যাথা কমে যায়।
৮)ওজন কমাতে সাহায্য করে।
৯)মনোযোগ বাড়ে।
১০)আত্নবিশ্বাস বাড়ে।
সঠিক দেহভঙ্গি সম্পর্কে জানতে এবং সঠিক দেহভঙ্গি চর্চা করতে পরামর্শ নিন একজন বিশেষজ্ঞ ফিজিওথেরাপিস্ট এর।
ধন্যবাদ সবাইকে। #posture #mayfairwellnessclinic #physiotherapy
1
সেলফ ডায়াগনোসিস অ্যাপ
নিজে নিজে জিন, জাদু ও বদনজরের সমস্যা যাচাইয়ের সহজ উপায় নিয়ে অনেকদিন আমরা চিন্তাভাবনা করছিলাম। আগেও একবার ট্রায়াল দেয়া হয়েছে, তবে রিলিজ করিনি। এইবার মনে হচ্ছে কাজটা অনেক ম্যাচিউর হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ।
এই প্রোগ্রামটা রাফায়েল হাসান ভাইয়ের করা কাজ, আল্লাহ উনাকে উত্তম জাযা দিক।
-------
লিংকঃ https://ruqyahbd.netlify.app/
-------
এটা পরিক্ষামুলক রিলিজ, আর লজিক বেজড যেহেতু, পুরাপুরি একুরেট না-ও হতে পারে।
যদি আপনাদের কোনো উলটাপালটা এন্সার দিচ্ছে মনে হয়, তাহলে পুরা রেজাল্ট পেজের স্ক্রিনশটটা এই কমেন্টে দিলে মেরামতের চেষ্টা করা যাবে। আর আগামীতে আশা করি এটা আরও পূর্ণাঙ্গ, একুরেট এবং মজবুত একটা প্রোগ্রাম হবে ইনশাআল্লাহ।
👍41
কিছু পুরুষের কাছে স্ত্রীরা শুধু তাদের সেক্স পার্টনার ছাড়া আর কিছুই না। স্ত্রীর অসুস্থতা, মন খারাপ কিংবা জীবনের আলাদা কোনো ঝড় বয়ে যাওয়ার গল্প সেসব স্বামীরা কখনো জানতেই পারেনা। কারন তারা কোনোদিন জানতে চেষ্টাই করেন না তার সহধর্মিণী আসলেই কি সংসারে ভালো আছে!
এমন পুরুষেরা কখনো স্ত্রীদের কাছের মানুষ হয়ে উঠতে পারেনা। কাছের মানুষ হতে পারেনা বলেই স্ত্রীর ব্লাউজের বোতাম খুলবার সময় স্ত্রী তাতে প্রেম খুঁজে না পেয়ে খুঁজে পায় স্বামী নামক ব্যাক্তির মাঝে একপ্রকার ধর্ষণের ছায়া।
অথচ স্ত্রীরা চেয়েছিলো প্রেমিকা হতে, চেয়েছিলো তারা অফিস থেকে ফেরার পথে বুক পকেটে একটু প্রেম নিয়ে আসুক। স্ত্রীরা আরও চেয়েছিলো স্বামীরা প্রেমিক হোক, প্রেমিক হয়ে ঘামে ভেজা শার্ট নিয়ে বাসায় ফিরেই অপেক্ষাকে জড়িয়ে ধরে কপালে চুমু আঁকুক🌸
©তানহা খান।
4