সাইটোকাইন এবং নিউরোট্রান্সমিটারের মধ্যে অনেক সমতা আছে। জীন ট্রান্সক্রিপশনে "স্পাউজাল ইফেক্ট" বলেও একটি মেকানিজম আছে। যদিও একই পরিবেশে বাস, একই ধরণে খাবার খাওয়া তার ভূমিকাও এখানে রয়েছে। ডিপ কিসিং এর সাথে মনোসুখ এর সমান্তরাল ভূমিকা আছে। মানুষ ছাড়া আরো অন্য কোনো প্রাণী ডিপ কিস প্রাকটিস করে না। কেন তাহলে মানুষ এটা করে? কেন মানুষের মুখ পরিষ্কার রাখতে হয়? কেন মহানবী (সাঃ) বলেছিলেন যে মানুষের খুব কষ্ট না হলে আমি তাদের প্রতি বেলা নামাজের আগে মেছওয়াক করে মুখ পরিষ্কার করতে বলতাম?
(৬)
যদিও ডিপ কিস যৌনতা বা প্রজননের অংশ নয়, তবুও স্বামী-স্ত্রীর শরীরতত্বীয় এবং মানসিক কল্যানে এর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ এবং স্বল্প-উপলব্ধ। তবে একাধিক মানুষের সাথে ডিপ কিস করলে বিভিন্ন রকম অসুখ ছড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে। যারা সারা জীবনে ছয়জন বা ততোধিক মানুষের সাথে ডিপ কিস করেছেন, তাদের মুখে হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস ইনফেশন এবং গলার ক্যান্সার হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে (ডঃ ম-রা গিলিসন, ২০০৯ এবং ২০১২)- এ কারণে সঙ্গীর সংখ্যা কম হতে হবে। স্বামী-স্ত্রী-র মানসিকতা একই রকম হবার ক্ষেত্রে এই ডিপ কিসিং এবং লালা বিনিময় করা বিজ্ঞানসম্মত। ডিপ কিসিং এর মাধ্যমে ফেরোমোন (এ সম্পর্কে অন্য একদিন বিশদভাবে লিখবো) এর ও আদান প্রদান হয়- যা আমাদের প্রজনন এবং প্রজননস্বাস্থ্য সম্পর্কে বার্তা বহন করে। আচ্ছা, মহানবী (সাঃ) তার স্ত্রী যে গ্লাসে পানি খেতেন, তিনি কখনো কখনো সেই গ্লাসের স্ত্রীর মুখের ছাপ লেগে থাকা জায়গায় মুখ রেখে পানি পান করতেন। এটি কি তিনি "ভালো ব্যাকটেরিয়া ট্রান্সফার" করার জন্য করতেন, যাতে তাঁর এবং তাঁর স্ত্রীর মাইক্রোবায়োম একই হয়, একই মানসিকতার হন দুজনে? তিনি চাইলে এই বিষয়টি গোপন রাখতে পারতেন, কিন্তু তিনি কোনো লজ্জা না করে এটি আমাদের কেন জানিয়ে দিয়েছিলেন দেড় হাজার বছর আগে?
তিনি নিশ্চয়ই এমন কাজ করতেন না- যার পিছনে কোনো বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নেই!
(৭)
যে ব্যাকটেরিয়া আপনি দেখেন না, সেই কোটি কোটি ব্যাকটেরিয়া বাস করে আপনাদের শরীরে, অন্ত্রে। তারা পৃথিবী গড়েছে আমাদের শরীরে আমাদের অজান্তে। শুধু আমাদের একজনের অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা-ই সমস্ত পৃথিবীর মানুষের সংখ্যার চেয়ে বেশী! কি করে তারা সেখানে? কি তাদের অভিপ্রায়? কেন তারা ডিপ কিস-এর মাধ্যমে একজনের শরীর থেকে আরেকজনের শরীর যায়? কেন ওরাল সেক্স এ যায় না? ভ্যাজিনাল লাকটোব্যাসিলাস কিন্তু গাট ল্যাকটোব্যাসিলাস থেকে ভিন্ন। ওরাল সেক্সের মাধ্যমের ভ্যাজিনাল লেকটোব্যাসিলাস কিন্তু আমাদের অন্ত্রে বাস করতে পারে না পিএইচ (ক্ষারতা-র ভিন্নতার জন্য)- তাহলে ওরাল সেক্স কি বিজ্ঞানসম্মত, ধর্মসম্মত?
(৮)
নিশ্চয়ই আপনারা এখন ডিপ কিস নিয়ে গবেষণা করবেন, ডিপ কিস প্রাকটিস করবেন।
আপনাদের জন্য কয়েকটা প্রশ্ন করে আজ শেষ করি, এগুলো আপনাদের জন্য উপহার, চিন্তার খোরাক!
আচ্ছা, ভ্যাজাইনাল ফ্লোরা-তে ল্যাকটোব্যাসিলাস কেন থাকে? তারা না থাকলে কি হতো?
আচ্ছা, আপনারা কখনো পার্কিনসন্স রুগীর কোলন ক্যান্সার হতে দেখেছেন? না হলে কেন না?
যারা ডিপ কিসিং প্রাকটিস করেন, তাদের গাট মাইক্রোবায়োম কি ক্যান্সার প্রতিরোধী?
সুখী মানুষদের কি ক্যান্সার কম হয়? বিষাদগ্রস্ত মানুষদের ক্যান্সার কি বেশি হয়?
কারা বেশি বিষাদগ্রস্থ মানুষ: যারা স্রষ্টায় বিশ্বাসী, না যারা অবিশ্বাসী?
وَمِنْ آيَاتِهِ أَنْ خَلَقَ لَكُم مِّنْ أَنفُسِكُمْ أَزْوَاجًا لِّتَسْكُنُوا إِلَيْهَا وَجَعَلَ بَيْنَكُم مَّوَدَّةً وَرَحْمَةً إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَاتٍ لِّقَوْمٍ يَتَفَكَّرُونَ
বাংলা অর্থ: আর এক নিদর্শন এই যে, তিনি তোমাদের জন্যে তোমাদের মধ্য থেকে তোমাদের সংগিনীদের সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে শান্তিতে থাক এবং তিনি তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও দয়া সৃষ্টি করেছেন। নিশ্চয় এতে চিন্তাশীল লোকদের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে। [সূরা রুম: ৩০: ২১ ]
_______________
হামীম ইবনে কাওছার, এমডি, পিএইচডি, এফএসিপি ।
মলিকিউলার মাইক্রোবায়োলজিস্ট । ক্যান্সার ইম্যুনো-বায়োলোজিস্ট ।
মেডিসিন স্পেশালিস্ট । হেমাটোলজিস্ট । মেডিক্যাল অনকোলজিস্ট ।
ক্যানসাস, যুক্তরাষ্ট্র।
(৬)
যদিও ডিপ কিস যৌনতা বা প্রজননের অংশ নয়, তবুও স্বামী-স্ত্রীর শরীরতত্বীয় এবং মানসিক কল্যানে এর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ এবং স্বল্প-উপলব্ধ। তবে একাধিক মানুষের সাথে ডিপ কিস করলে বিভিন্ন রকম অসুখ ছড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে। যারা সারা জীবনে ছয়জন বা ততোধিক মানুষের সাথে ডিপ কিস করেছেন, তাদের মুখে হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস ইনফেশন এবং গলার ক্যান্সার হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে (ডঃ ম-রা গিলিসন, ২০০৯ এবং ২০১২)- এ কারণে সঙ্গীর সংখ্যা কম হতে হবে। স্বামী-স্ত্রী-র মানসিকতা একই রকম হবার ক্ষেত্রে এই ডিপ কিসিং এবং লালা বিনিময় করা বিজ্ঞানসম্মত। ডিপ কিসিং এর মাধ্যমে ফেরোমোন (এ সম্পর্কে অন্য একদিন বিশদভাবে লিখবো) এর ও আদান প্রদান হয়- যা আমাদের প্রজনন এবং প্রজননস্বাস্থ্য সম্পর্কে বার্তা বহন করে। আচ্ছা, মহানবী (সাঃ) তার স্ত্রী যে গ্লাসে পানি খেতেন, তিনি কখনো কখনো সেই গ্লাসের স্ত্রীর মুখের ছাপ লেগে থাকা জায়গায় মুখ রেখে পানি পান করতেন। এটি কি তিনি "ভালো ব্যাকটেরিয়া ট্রান্সফার" করার জন্য করতেন, যাতে তাঁর এবং তাঁর স্ত্রীর মাইক্রোবায়োম একই হয়, একই মানসিকতার হন দুজনে? তিনি চাইলে এই বিষয়টি গোপন রাখতে পারতেন, কিন্তু তিনি কোনো লজ্জা না করে এটি আমাদের কেন জানিয়ে দিয়েছিলেন দেড় হাজার বছর আগে?
তিনি নিশ্চয়ই এমন কাজ করতেন না- যার পিছনে কোনো বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নেই!
(৭)
যে ব্যাকটেরিয়া আপনি দেখেন না, সেই কোটি কোটি ব্যাকটেরিয়া বাস করে আপনাদের শরীরে, অন্ত্রে। তারা পৃথিবী গড়েছে আমাদের শরীরে আমাদের অজান্তে। শুধু আমাদের একজনের অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা-ই সমস্ত পৃথিবীর মানুষের সংখ্যার চেয়ে বেশী! কি করে তারা সেখানে? কি তাদের অভিপ্রায়? কেন তারা ডিপ কিস-এর মাধ্যমে একজনের শরীর থেকে আরেকজনের শরীর যায়? কেন ওরাল সেক্স এ যায় না? ভ্যাজিনাল লাকটোব্যাসিলাস কিন্তু গাট ল্যাকটোব্যাসিলাস থেকে ভিন্ন। ওরাল সেক্সের মাধ্যমের ভ্যাজিনাল লেকটোব্যাসিলাস কিন্তু আমাদের অন্ত্রে বাস করতে পারে না পিএইচ (ক্ষারতা-র ভিন্নতার জন্য)- তাহলে ওরাল সেক্স কি বিজ্ঞানসম্মত, ধর্মসম্মত?
(৮)
নিশ্চয়ই আপনারা এখন ডিপ কিস নিয়ে গবেষণা করবেন, ডিপ কিস প্রাকটিস করবেন।
আপনাদের জন্য কয়েকটা প্রশ্ন করে আজ শেষ করি, এগুলো আপনাদের জন্য উপহার, চিন্তার খোরাক!
আচ্ছা, ভ্যাজাইনাল ফ্লোরা-তে ল্যাকটোব্যাসিলাস কেন থাকে? তারা না থাকলে কি হতো?
আচ্ছা, আপনারা কখনো পার্কিনসন্স রুগীর কোলন ক্যান্সার হতে দেখেছেন? না হলে কেন না?
যারা ডিপ কিসিং প্রাকটিস করেন, তাদের গাট মাইক্রোবায়োম কি ক্যান্সার প্রতিরোধী?
সুখী মানুষদের কি ক্যান্সার কম হয়? বিষাদগ্রস্ত মানুষদের ক্যান্সার কি বেশি হয়?
কারা বেশি বিষাদগ্রস্থ মানুষ: যারা স্রষ্টায় বিশ্বাসী, না যারা অবিশ্বাসী?
وَمِنْ آيَاتِهِ أَنْ خَلَقَ لَكُم مِّنْ أَنفُسِكُمْ أَزْوَاجًا لِّتَسْكُنُوا إِلَيْهَا وَجَعَلَ بَيْنَكُم مَّوَدَّةً وَرَحْمَةً إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَاتٍ لِّقَوْمٍ يَتَفَكَّرُونَ
বাংলা অর্থ: আর এক নিদর্শন এই যে, তিনি তোমাদের জন্যে তোমাদের মধ্য থেকে তোমাদের সংগিনীদের সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে শান্তিতে থাক এবং তিনি তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও দয়া সৃষ্টি করেছেন। নিশ্চয় এতে চিন্তাশীল লোকদের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে। [সূরা রুম: ৩০: ২১ ]
_______________
হামীম ইবনে কাওছার, এমডি, পিএইচডি, এফএসিপি ।
মলিকিউলার মাইক্রোবায়োলজিস্ট । ক্যান্সার ইম্যুনো-বায়োলোজিস্ট ।
মেডিসিন স্পেশালিস্ট । হেমাটোলজিস্ট । মেডিক্যাল অনকোলজিস্ট ।
ক্যানসাস, যুক্তরাষ্ট্র।
প্রশ্ন : শিশুকে বুকের দুধ পান করালে মায়ের দিক থেকে উপকার কী?
উত্তর : মায়ের দিক থেকে উপকারটা অনেক বেশি বলা যায়। প্রথম কথা হলো বাচ্চা জন্ম দেওয়ার পর থেকে আমরা জানি, মায়ের জরায়ুটা বড় থাকে। এখানে পুরো বাচ্চাটা ছিল। বের হওয়ার পর কিন্তু সেটি আস্তে আস্তে স্বাভাবিক অবস্থায় আসতে হবে। এই দুধ পান করলে খুব দ্রুত সুন্দরভাবে এটি স্বাভাবিক অবস্থায় আসে। আমাদের মস্তিষ্কের কিছু জিনিস রয়েছে, যেটা থেকে মস্তিষ্কে এসে দুধটা তৈরি করে। মস্তিষ্ক থেকে ওই হরমোন বেশি তৈরি হয়, সঙ্গে করে অক্সিটোসিন বা অন্যান্য হরমোন জরায়ুর ওপর কাজ করে। এদের সাধারণত দেখা যায়, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয় না। এ ছাড়া মায়ের নিজের যে একটি তৃপ্তি, মানসিক প্রশান্তি, সেটি যেই পরিমাণ সে পাবে, সেটা অনেক।
জরায়ুর ক্যানসার, স্তন ক্যানসার—এগুলো কিন্তু অনেক কমে যাবে। এগুলোর হার একেবারে নিম্ন পর্যায়ে নেমে আসবে যদি কেউ নিয়মিত ব্রেস্ট ফিডিং করান।
~অধ্যাপক ডা. ফাতেমা পারভীন চৌধুরী।
@[100065722590059:2048:IClinic]
উত্তর : মায়ের দিক থেকে উপকারটা অনেক বেশি বলা যায়। প্রথম কথা হলো বাচ্চা জন্ম দেওয়ার পর থেকে আমরা জানি, মায়ের জরায়ুটা বড় থাকে। এখানে পুরো বাচ্চাটা ছিল। বের হওয়ার পর কিন্তু সেটি আস্তে আস্তে স্বাভাবিক অবস্থায় আসতে হবে। এই দুধ পান করলে খুব দ্রুত সুন্দরভাবে এটি স্বাভাবিক অবস্থায় আসে। আমাদের মস্তিষ্কের কিছু জিনিস রয়েছে, যেটা থেকে মস্তিষ্কে এসে দুধটা তৈরি করে। মস্তিষ্ক থেকে ওই হরমোন বেশি তৈরি হয়, সঙ্গে করে অক্সিটোসিন বা অন্যান্য হরমোন জরায়ুর ওপর কাজ করে। এদের সাধারণত দেখা যায়, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয় না। এ ছাড়া মায়ের নিজের যে একটি তৃপ্তি, মানসিক প্রশান্তি, সেটি যেই পরিমাণ সে পাবে, সেটা অনেক।
জরায়ুর ক্যানসার, স্তন ক্যানসার—এগুলো কিন্তু অনেক কমে যাবে। এগুলোর হার একেবারে নিম্ন পর্যায়ে নেমে আসবে যদি কেউ নিয়মিত ব্রেস্ট ফিডিং করান।
~অধ্যাপক ডা. ফাতেমা পারভীন চৌধুরী।
@[100065722590059:2048:IClinic]
সঠিক নিয়মে রক্তচাপ(Blood Pressure) মাপুন:
হঠাৎ যে কোন অবস্থায় রক্তচাপ মাপবেন না।
ধূমপান, মদ্যপানের পর না।
চা,কফি খাবার পর না।
মাপার পূর্বে ৩০ মিনিট বিশ্রাম নেবেন।
মাপার সময় কথা বলবেন না।
মানসিক অশান্তি ও উত্তেজনার সময় না।
রাগান্বিত বা পরিশ্রমের পর না।
প্রস্রাবের চাপ থাকলে না।
দাঁড়িয়ে মাপবেন না।
কাপড়ের উপর দিয়ে মাপলে সঠিক হবে না।
বেশী গরম বা ঠান্ডা জায়গায় না।
Dr Samir Kumar Kundu, NICVD, Dhaka.
বিশেষ দ্রষ্টব্য: যে কোন জরুরী অবস্থায় তখন অবস্থা বুঝে রক্তচাপ মাপতে হবে যেমন স্ট্রোক, হৃদরোগে আক্রান্ত, দৃষ্টি শক্তির সমস্যা, কিডনীর সমস্যা ইত্যাদি।এসব ক্ষেত্রে রোগীর দ্রুত চিকিৎসা শুরু করতে হয়।
নীচের ছবি দেখুন এবং অনুসরণ করুন:
হঠাৎ যে কোন অবস্থায় রক্তচাপ মাপবেন না।
ধূমপান, মদ্যপানের পর না।
চা,কফি খাবার পর না।
মাপার পূর্বে ৩০ মিনিট বিশ্রাম নেবেন।
মাপার সময় কথা বলবেন না।
মানসিক অশান্তি ও উত্তেজনার সময় না।
রাগান্বিত বা পরিশ্রমের পর না।
প্রস্রাবের চাপ থাকলে না।
দাঁড়িয়ে মাপবেন না।
কাপড়ের উপর দিয়ে মাপলে সঠিক হবে না।
বেশী গরম বা ঠান্ডা জায়গায় না।
Dr Samir Kumar Kundu, NICVD, Dhaka.
বিশেষ দ্রষ্টব্য: যে কোন জরুরী অবস্থায় তখন অবস্থা বুঝে রক্তচাপ মাপতে হবে যেমন স্ট্রোক, হৃদরোগে আক্রান্ত, দৃষ্টি শক্তির সমস্যা, কিডনীর সমস্যা ইত্যাদি।এসব ক্ষেত্রে রোগীর দ্রুত চিকিৎসা শুরু করতে হয়।
নীচের ছবি দেখুন এবং অনুসরণ করুন:
👍1
ব্লেড, ক্ষুর বা কাঁচি দ্বারা অবাঞ্ছিত লোম বা পশম পরিস্কার করা পুরুষ ও নারী উভয়ের জন্য জায়েয। অনুরূপভাবে হেয়ার রিমুভার জাতীয় ক্যামিক্যাল দ্বারা পরিস্কার করাতেও শরীয়তের কোন বাধা নেই। তবে পুরুষের জন্য চেঁছে ফেলা এবং মহিলাদের জন্য উপড়িয়ে ফেলা মুস্তাহাব। (কিতাবুল ফিকহ আ’লাল মাযাহিবিল আরবাআ’ ২/৪৫)
‘অস্ত্রোপচার কক্ষে তখন অস্ত্রোপচার চলছিল। অনেকেই ছিলেন। কিন্তু আমি ছিলাম সেখানে সর্বকনিষ্ঠ চিকিৎসক। সেই সময় অস্ত্রোপচার করতে করতে একজন জ্যেষ্ঠ পুরুষ সার্জন ঘামছিলেন। আচমকাই তিনি ঘুরে দাঁড়ালেন এবং আমার বুকে মাথা গুঁজে দিলেন। এরপর তিনি তাঁর ভুরু আমার বুকে ঘষতে লাগলেন। আমি পুরো বরফ হয়ে গেলাম। ভাবলাম, তাঁর মুখ কেন আমার বুকে?
দ্বিতীয়বারও ওই সার্জন এমনটি করলে জুডিথ তাঁকে একটি তোয়ালে দিতে চান। কিন্তু জবাবে ওই চিকিৎসক বলেন, ‘না না, বরং এটা বেশ মজার।’
জুডিথ বলছিলেন, ‘আমার নিজেকে নোংরা লাগছিল। অপমানিত বোধ করছিলাম। আরও বেশি খারাপ লেগেছিল, অন্য সহকর্মীরা কেউ এ নিয়ে কিছু বললেন না।’
জুডিথ এখন যুক্তরাজ্যের একজন অভিজ্ঞ ও মেধাবী কনসালট্যান্ট–সার্জন। কিন্তু ক্যারিয়ারের প্রথম দিকেই তিনি যৌন হয়রানির শিকার হয়েছিলেন। এ নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলা তাঁর জন্য খুবই অস্বস্তিকর ছিল। তারপরও তিনি বিবিসির সঙ্গে কথা বলেছেন।
জুডিথ বলেন, ওই চিকিৎসকের চেয়ে বড় কেউ সেখানে ছিলেন না। কিন্তু তিনি (অসদাচরণকারী) জানতেন, এ ধরনের আচরণে কিছু যাবে–আসবে না। অস্ত্রোপচার কক্ষে জুডিথের সঙ্গে এমনটা হয়েছে। হাসপাতালের বাইরে যৌন হয়রানি ও নির্যাতনের ঘটনা ছিল আরও ব্যাপক।
অ্যানি (ছদ্মনাম) নিজের অভিজ্ঞতা বিবিসির সঙ্গে ভাগ করে নেন। তিনি মনে করেন, ভুক্তভোগীরা মুখ খুললেই পরিবর্তন আসবে। তাঁর সঙ্গে যা হয়েছে, এটিকে তিনি ধর্ষণ বলতে চান না। আবার তাঁর সঙ্গে যা হয়েছে, তা তাঁর সম্মতিতে হয়নি। ঘটনাটি ঘটেছিল একটি সম্মেলনে। সেখানে একই ধরনের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা ছিলেন। অ্যানি ছিলেন একজন ট্রেইনি আর ওই ব্যক্তি ছিলেন কনসালট্যান্ট।
অ্যানি বলেন, ‘তাঁর প্রতি আমার বিশ্বাস ছিল। আর সেই দৃষ্টিতেই আমি তাঁর দিকে তাকিয়েছিলাম। ওই ব্যক্তি এই বিশ্বাসের সুযোগই নিয়েছেন। কারণ, আমি সেখানে কাউকে চিনতাম না। তাই আমি যেখানে উঠেছিলাম, তিনি সেখানে এসেছিলেন। আমি ভাবলাম, তিনি হয়তো আমার সঙ্গে কথা বলতে চান। হঠাৎ তিনি আমাকে জাপটে ধরে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন।
আমার মাথা কাজ করছিল না, জমে যাই। আমি তাঁকে থামাতে পারছিলাম না। আমি এমনটা কোনো দিন কল্পনাও করিনি, এটি একেবারেই অগ্রহণযোগ্য। পরদিন যখন তাঁকে আবার দেখি, আমি কোনোরকমে নিজেকে ধরে রেখেছিলাম।’
অ্যানি আরও বলেন, ‘আমার মনে হয়েছে, এ নিয়ে হইচই করে লাভ হবে না। কারণ, আমার সঙ্গে যা হয়েছে, এটি এখানে গা–সহা বিষয় হয়ে গেছে। কিন্তু এ ঘটনা আমার জীবনে দীর্ঘ প্রভাব রেখে গেছে। প্রথমে ওই ঘটনা আমাকে অসাড় করে দিয়েছিল। পরে এটি আমার জীবনে ভয়ংকর দুঃস্বপ্ন হয়ে আসে। কর্মক্ষেত্রে, এমনকি কোনো রোগীকে প্রস্তুত করতে গেলেও এই স্মৃতি আমার মনে হানা দিত।’
সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসের (এনএইচএস) কর্মীদের ওপর করা এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাজ্যে অস্ত্রোপচার কক্ষে পুরুষ সার্জনদের হাতে নারী সার্জনরা যৌন হয়রানির শিকার হন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ধর্ষণের ঘটনাও ঘটে।
বিবিসি নিউজ এমন হয়রানির শিকার বেশ কয়েকজন নারীর সঙ্গে কথা বলেছে। গবেষকেরা বলেন, জ্যেষ্ঠ পুরুষ সার্জনদের হাতে শিক্ষানবিশ নারী সার্জনদের যৌন হয়রানির একটি ধারা রয়েছে। এনএইচএসের হাসপাতালগুলোয় এখনো এমন হচ্ছে।
ইউনিভার্সিটি অব এক্সেটার, ইউনিভার্সিটি অব সারে, ওয়ার্কিং পার্টি অব সেক্সুয়াল মিসকন্ডাক্ট ইন সার্জারি (ডব্লিউপিএসএমএস) যৌথভাবে এই গবেষণা করেছে। গবেষকেরা এই গবেষণা প্রতিবেদন বিবিসির সঙ্গে শেয়ার করেছেন।
গবেষণা প্রতিবেদনে যৌন হয়রানি, যৌন নির্যাতন ও ধর্ষণকে সার্জারির ‘ওপেন সিক্রেট’ বলে উল্লেখ করা হয়। দ্য রয়্যাল কলেজ অব সার্জনস জানায়, গবেষণায় যেসব তথ্য বেরিয়ে এসেছে, তা ‘সত্যিই বেদনাদায়ক’।
গবেষণায় অংশ নেওয়া নারী সার্জনদের তিন ভাগের প্রায় দুই ভাগই বলেছেন, তাঁদের টার্গেট করে যৌন হয়রানি করা হয়। এক-তৃতীয়াংশ নারী সার্জন জানিয়েছেন, তাঁরা গত পাঁচ বছরে সহকর্মীদের হাতে যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছেন।
গবেষণায় অংশ নেওয়া নারী সার্জনরা জানান, হয়রানির এ ঘটনা প্রকাশ করলে হয়তো তাঁদের ক্যারিয়ার শেষ হয়ে যেতে পারে। এমনকি এটা জানানোর পর এনএইচএস ব্যবস্থা নেবে—এমন আস্থা ছিল না তাঁদের।
সার্জনদের প্রতি আস্থায় নাড়া পড়েছে
এ ধরনের আচরণের পরও চারপাশের সবাই চুপ থাকবেন—এটাই এখানে অকথিতভাবে স্বীকৃত। অস্ত্রোপচার কক্ষে জ্যেষ্ঠ সার্জনদের কাছ থেকে হাতেকলমে প্রশিক্ষণ নেন শিক্ষানবিশ সার্জনরা। গবেষণায় অংশ নেওয়া নারীরা জানিয়েছেন, ভবিষ্যতের ক্যারিয়ারের কথা ভেবে ক্ষমতাশালী ও প্রভাবশালী চিকিৎসকদের বিষয়ে মুখ খোলা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ।
ব্রিটিশ জার্নাল অব সার্জারি এই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। নারী সার্জনরা কিসের মধ্য দিয়ে যান, তা বুঝতে এই প্রতিবেদন প্রথম পদক্ষেপ।
দ্বিতীয়বারও ওই সার্জন এমনটি করলে জুডিথ তাঁকে একটি তোয়ালে দিতে চান। কিন্তু জবাবে ওই চিকিৎসক বলেন, ‘না না, বরং এটা বেশ মজার।’
জুডিথ বলছিলেন, ‘আমার নিজেকে নোংরা লাগছিল। অপমানিত বোধ করছিলাম। আরও বেশি খারাপ লেগেছিল, অন্য সহকর্মীরা কেউ এ নিয়ে কিছু বললেন না।’
জুডিথ এখন যুক্তরাজ্যের একজন অভিজ্ঞ ও মেধাবী কনসালট্যান্ট–সার্জন। কিন্তু ক্যারিয়ারের প্রথম দিকেই তিনি যৌন হয়রানির শিকার হয়েছিলেন। এ নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলা তাঁর জন্য খুবই অস্বস্তিকর ছিল। তারপরও তিনি বিবিসির সঙ্গে কথা বলেছেন।
জুডিথ বলেন, ওই চিকিৎসকের চেয়ে বড় কেউ সেখানে ছিলেন না। কিন্তু তিনি (অসদাচরণকারী) জানতেন, এ ধরনের আচরণে কিছু যাবে–আসবে না। অস্ত্রোপচার কক্ষে জুডিথের সঙ্গে এমনটা হয়েছে। হাসপাতালের বাইরে যৌন হয়রানি ও নির্যাতনের ঘটনা ছিল আরও ব্যাপক।
অ্যানি (ছদ্মনাম) নিজের অভিজ্ঞতা বিবিসির সঙ্গে ভাগ করে নেন। তিনি মনে করেন, ভুক্তভোগীরা মুখ খুললেই পরিবর্তন আসবে। তাঁর সঙ্গে যা হয়েছে, এটিকে তিনি ধর্ষণ বলতে চান না। আবার তাঁর সঙ্গে যা হয়েছে, তা তাঁর সম্মতিতে হয়নি। ঘটনাটি ঘটেছিল একটি সম্মেলনে। সেখানে একই ধরনের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা ছিলেন। অ্যানি ছিলেন একজন ট্রেইনি আর ওই ব্যক্তি ছিলেন কনসালট্যান্ট।
অ্যানি বলেন, ‘তাঁর প্রতি আমার বিশ্বাস ছিল। আর সেই দৃষ্টিতেই আমি তাঁর দিকে তাকিয়েছিলাম। ওই ব্যক্তি এই বিশ্বাসের সুযোগই নিয়েছেন। কারণ, আমি সেখানে কাউকে চিনতাম না। তাই আমি যেখানে উঠেছিলাম, তিনি সেখানে এসেছিলেন। আমি ভাবলাম, তিনি হয়তো আমার সঙ্গে কথা বলতে চান। হঠাৎ তিনি আমাকে জাপটে ধরে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন।
আমার মাথা কাজ করছিল না, জমে যাই। আমি তাঁকে থামাতে পারছিলাম না। আমি এমনটা কোনো দিন কল্পনাও করিনি, এটি একেবারেই অগ্রহণযোগ্য। পরদিন যখন তাঁকে আবার দেখি, আমি কোনোরকমে নিজেকে ধরে রেখেছিলাম।’
অ্যানি আরও বলেন, ‘আমার মনে হয়েছে, এ নিয়ে হইচই করে লাভ হবে না। কারণ, আমার সঙ্গে যা হয়েছে, এটি এখানে গা–সহা বিষয় হয়ে গেছে। কিন্তু এ ঘটনা আমার জীবনে দীর্ঘ প্রভাব রেখে গেছে। প্রথমে ওই ঘটনা আমাকে অসাড় করে দিয়েছিল। পরে এটি আমার জীবনে ভয়ংকর দুঃস্বপ্ন হয়ে আসে। কর্মক্ষেত্রে, এমনকি কোনো রোগীকে প্রস্তুত করতে গেলেও এই স্মৃতি আমার মনে হানা দিত।’
সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসের (এনএইচএস) কর্মীদের ওপর করা এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাজ্যে অস্ত্রোপচার কক্ষে পুরুষ সার্জনদের হাতে নারী সার্জনরা যৌন হয়রানির শিকার হন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ধর্ষণের ঘটনাও ঘটে।
বিবিসি নিউজ এমন হয়রানির শিকার বেশ কয়েকজন নারীর সঙ্গে কথা বলেছে। গবেষকেরা বলেন, জ্যেষ্ঠ পুরুষ সার্জনদের হাতে শিক্ষানবিশ নারী সার্জনদের যৌন হয়রানির একটি ধারা রয়েছে। এনএইচএসের হাসপাতালগুলোয় এখনো এমন হচ্ছে।
ইউনিভার্সিটি অব এক্সেটার, ইউনিভার্সিটি অব সারে, ওয়ার্কিং পার্টি অব সেক্সুয়াল মিসকন্ডাক্ট ইন সার্জারি (ডব্লিউপিএসএমএস) যৌথভাবে এই গবেষণা করেছে। গবেষকেরা এই গবেষণা প্রতিবেদন বিবিসির সঙ্গে শেয়ার করেছেন।
গবেষণা প্রতিবেদনে যৌন হয়রানি, যৌন নির্যাতন ও ধর্ষণকে সার্জারির ‘ওপেন সিক্রেট’ বলে উল্লেখ করা হয়। দ্য রয়্যাল কলেজ অব সার্জনস জানায়, গবেষণায় যেসব তথ্য বেরিয়ে এসেছে, তা ‘সত্যিই বেদনাদায়ক’।
গবেষণায় অংশ নেওয়া নারী সার্জনদের তিন ভাগের প্রায় দুই ভাগই বলেছেন, তাঁদের টার্গেট করে যৌন হয়রানি করা হয়। এক-তৃতীয়াংশ নারী সার্জন জানিয়েছেন, তাঁরা গত পাঁচ বছরে সহকর্মীদের হাতে যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছেন।
গবেষণায় অংশ নেওয়া নারী সার্জনরা জানান, হয়রানির এ ঘটনা প্রকাশ করলে হয়তো তাঁদের ক্যারিয়ার শেষ হয়ে যেতে পারে। এমনকি এটা জানানোর পর এনএইচএস ব্যবস্থা নেবে—এমন আস্থা ছিল না তাঁদের।
সার্জনদের প্রতি আস্থায় নাড়া পড়েছে
এ ধরনের আচরণের পরও চারপাশের সবাই চুপ থাকবেন—এটাই এখানে অকথিতভাবে স্বীকৃত। অস্ত্রোপচার কক্ষে জ্যেষ্ঠ সার্জনদের কাছ থেকে হাতেকলমে প্রশিক্ষণ নেন শিক্ষানবিশ সার্জনরা। গবেষণায় অংশ নেওয়া নারীরা জানিয়েছেন, ভবিষ্যতের ক্যারিয়ারের কথা ভেবে ক্ষমতাশালী ও প্রভাবশালী চিকিৎসকদের বিষয়ে মুখ খোলা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ।
ব্রিটিশ জার্নাল অব সার্জারি এই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। নারী সার্জনরা কিসের মধ্য দিয়ে যান, তা বুঝতে এই প্রতিবেদন প্রথম পদক্ষেপ।
গবেষণায় নিবন্ধিত ১ হাজার ৪৩৪ সার্জন অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে অর্ধেকই নারী। এতে বলা হয়, ৬৩ ভাগ নারী জানিয়েছেন, তাঁরা সহকর্মীদের দ্বারা যৌন হয়রানির টার্গেটে পরিণত হয়েছেন। ৩০ ভাগ নারী জানিয়েছেন, তাঁরা সহকর্মীর হাতে যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন। ১১ ভাগ নারী বলেছেন, ক্যারিয়ারের স্বার্থে তাঁরা বাধ্য হয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেছেন। ৯০ ভাগ নারী এবং ৮১ ভাগ পুরুষ যৌন অসদাচরণ স্বচক্ষে দেখেছেন বলে জরিপে স্বীকার করেন।
গবেষণায় দেখা গেছে, পুরুষেরাও এ ধরনের নানা হয়রানির শিকার হয়েছেন। তাঁদের সংখ্যা প্রায় ২৪ শতাংশ। প্রতিবেদনটির শেষ দিকে বলা হয়, নারী ও পুরুষ সার্জনরা ‘ভিন্ন বাস্তবতায় বাস করেন’।
ভুক্তভোগী নারীরা গবেষকদের বলেছেন, ক্যারিয়ারের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কায় এ বিষয়ে অভিযোগ করার সাহস পাননি তাঁরা। এ ছাড়া অভিযোগ করলেই যে এনএইচএস কোনো ব্যবস্থা নেবে, তাতেও তাঁদের খুব একটা আস্থা ছিল না।
এক্সেটার ইউনিভার্সিটির চিকিৎসক ক্রিস্টোফার বেগেনি বলেন, গবেষণায় উঠে আসা ফলাফল সার্জারি পেশা নিয়ে সাধারণ মানুষের আস্থাকে নাড়িয়ে দিতে পারে।
ইতিমধ্যে ‘ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স’ নামে দ্বিতীয় আরেকটি প্রতিবেদনে স্বাস্থ্যসেবা খাতে যৌন অসদাচরণ ঠেকাতে কী করণীয়, সে সম্পর্কে সুপারিশ করা হয়েছে।
দুটি প্রতিবেদনে বলা হয়, সার্জনদের মধ্যে মাত্র ২৮ শতাংশ নারী। সার্জারিতে অনুক্রম (হিয়ারারকি) খুব গুরুত্বের সঙ্গে মেনে চলা হয়। এতে পুরুষ চিকিৎসকেরা বেশ ক্ষমতাবান থাকেন। এর বাইরে সার্জারি বিভাগে কাজের চাপও অনেক বেশি থাকে।
ইউনিভার্সিটি অব সারের অধ্যাপক ক্যারি নিউল্যান্ড বলেন, এসব কারণে এমন আচরণের পরও পুরুষ চিকিৎসকেরা পার পেয়ে যান। এ কারণে এমন ঘটনা অনিয়ন্ত্রিতভাবে ঘটছে।
এই নারী চিকিৎসক বলেন, জুনিয়র নারী সার্জনরা প্রায়ই পুরুষ সহকর্মীদের হাতে এমন যৌন নির্যাতনের শিকার হন। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ওই পুরুষ সহকর্মী সিনিয়র এবং তাঁদের সুপারভাইজর হয়ে থাকেন। ফলে ভবিষ্যৎ ও ক্যারিয়ারের কথা চিন্তা করে চুপ থাকার একটা সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে।
অত্যন্ত হতাশাব্যঞ্জক
এ গবেষণায় আরেকটি জিনিস সামনে উঠে এসেছে। আর তা হচ্ছে, এনএইচএস ট্রাস্টস, দ্য জেনারেল মেডিকেল কাউন্সিল (চিকিৎসকদের অনুশীলন করার জন্য প্রয়োজনীয় নিবন্ধনের বিষয়টি দেখভাল করে) এবং দ্য রয়্যাল কলেজ অব সার্জনসের (মেডিসিনে বিশেষজ্ঞ) প্রতি আস্থাহীনতা।
ইউনিভার্সিটি অব সারের কনসালট্যান্ট সার্জন ক্যারি নিউল্যান্ডস বলেন, ‘স্বাস্থ্যসেবার কর্মক্ষেত্রকে নিরাপদ করে তুলতে আমাদের তদন্তপ্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তন আনা দরকার, যাতে ভুক্তভোগীরা এসব ঘটনা প্রকাশ করতে সাহসী হয়ে উঠতে পারে।’
ইংল্যান্ডের দ্য রয়্যাল কলেজ অব সার্জনসের প্রেসিডেন্ট টিম মিচেল বিবিসিকে বলেন, গবেষণার ফল খুবই বেদনাদায়ক এবং সার্জিকেল পেশার জন্য খুবই বিব্রতকর। তিনি স্বীকার করেন, ‘হরহামেশা ঘটে থাকা এ ধরনের আচরণ’ আগে কখনো আমলে নেওয়া হয়নি।
মিচেল বলেন, কর্মক্ষেত্রে এ ধরনের আচরণের প্রতি ‘জিরো টলারেন্স’–এর সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে ভুক্তভোগীরা যাতে তাঁদের সমস্যার কথা বলার মতো পরিবেশ পান, সে আস্থা তৈরি করতে হবে।
এনএইচএস ইংল্যান্ডের চিকিৎসক বিন্তা সুলতান বলেন, এই গবেষণা প্রতিবেদন ‘পড়া সত্যি কঠিন’। হাসপাতালগুলোকে ‘সবার জন্য নিরাপদ’ করতে আরও পদক্ষেপের প্রয়োজন ছিল, প্রতিবেদনে তার ‘স্পষ্ট প্রমাণ’ রয়েছে।
জেনারেল মেডিকেল কাউন্সিল গত মাসে চিকিৎসকদের পেশাগত মানদণ্ড হালনাগাদ করেছে। কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী চার্লি ম্যাসি বলেন, রোগী বা চিকিৎসক, কারও প্রতি অগ্রহণযোগ্য যৌন আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়। একই সঙ্গে যুক্তরাজ্যে চিকিৎসার অনুশীলন চালিয়ে যাওয়ার সঙ্গে এটি বেমানান।
*** ফুটনোট: যারা পশ্চিমের আধুনিকতা/ মডার্নিটি, পুঁজিবাদ ও ভোগবাদী চাকচিক্যময় সমাজের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে আমাদের সমাজকেও তাদের মতো করে সাজাতে চান—তারা এইসব মূল্যবোধের হাত ধরে পশ্চিমা সমাজ যে নৈতিক অধ:পতনের মধ্যদিয়ে যাচ্ছে—তার সম্মুখীন হবার প্রস্তুতিও নিতে পারেন।
পশ্চিমে আইন-শৃঙ্ক্ষলার এত কার্যকারিতা থাকা স্বত্তেও যেখানে অহরহ নারীর শ্লীলতাহানির ঘটনা ঘটছে—সেখানে আমাদের দেশের মতো অকার্যকর বিচারব্যবস্থা বজায় থাকার মাঝেই যদি পশ্চিমা মূলবোধগুলোর প্রয়োগ করা হয়—তা যে কতটা ধ্বংসাত্মক হতে পারে—সেটা বেশ সহজেই অনুমেয়। ইতোমধ্যেই আমরা দেশে তার নজির দেখেছি বিভিন্ন ভাবে, বিভিন্ন সময়ে।
*** সম্প্রতি 'প্রথম আলো' পত্রিকায় 'অস্ত্রোপচার কক্ষেও পুরুষ সহকর্মীর কাছে নিরাপদ নন নারী সার্জনরা' শীর্ষক শিরোনামে বিবিসি'র এই প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়।
(মূল প্রতিবেদনের লিংক দেখুন কমেন্টে।)
©সিয়ান
গবেষণায় দেখা গেছে, পুরুষেরাও এ ধরনের নানা হয়রানির শিকার হয়েছেন। তাঁদের সংখ্যা প্রায় ২৪ শতাংশ। প্রতিবেদনটির শেষ দিকে বলা হয়, নারী ও পুরুষ সার্জনরা ‘ভিন্ন বাস্তবতায় বাস করেন’।
ভুক্তভোগী নারীরা গবেষকদের বলেছেন, ক্যারিয়ারের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কায় এ বিষয়ে অভিযোগ করার সাহস পাননি তাঁরা। এ ছাড়া অভিযোগ করলেই যে এনএইচএস কোনো ব্যবস্থা নেবে, তাতেও তাঁদের খুব একটা আস্থা ছিল না।
এক্সেটার ইউনিভার্সিটির চিকিৎসক ক্রিস্টোফার বেগেনি বলেন, গবেষণায় উঠে আসা ফলাফল সার্জারি পেশা নিয়ে সাধারণ মানুষের আস্থাকে নাড়িয়ে দিতে পারে।
ইতিমধ্যে ‘ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স’ নামে দ্বিতীয় আরেকটি প্রতিবেদনে স্বাস্থ্যসেবা খাতে যৌন অসদাচরণ ঠেকাতে কী করণীয়, সে সম্পর্কে সুপারিশ করা হয়েছে।
দুটি প্রতিবেদনে বলা হয়, সার্জনদের মধ্যে মাত্র ২৮ শতাংশ নারী। সার্জারিতে অনুক্রম (হিয়ারারকি) খুব গুরুত্বের সঙ্গে মেনে চলা হয়। এতে পুরুষ চিকিৎসকেরা বেশ ক্ষমতাবান থাকেন। এর বাইরে সার্জারি বিভাগে কাজের চাপও অনেক বেশি থাকে।
ইউনিভার্সিটি অব সারের অধ্যাপক ক্যারি নিউল্যান্ড বলেন, এসব কারণে এমন আচরণের পরও পুরুষ চিকিৎসকেরা পার পেয়ে যান। এ কারণে এমন ঘটনা অনিয়ন্ত্রিতভাবে ঘটছে।
এই নারী চিকিৎসক বলেন, জুনিয়র নারী সার্জনরা প্রায়ই পুরুষ সহকর্মীদের হাতে এমন যৌন নির্যাতনের শিকার হন। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ওই পুরুষ সহকর্মী সিনিয়র এবং তাঁদের সুপারভাইজর হয়ে থাকেন। ফলে ভবিষ্যৎ ও ক্যারিয়ারের কথা চিন্তা করে চুপ থাকার একটা সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে।
অত্যন্ত হতাশাব্যঞ্জক
এ গবেষণায় আরেকটি জিনিস সামনে উঠে এসেছে। আর তা হচ্ছে, এনএইচএস ট্রাস্টস, দ্য জেনারেল মেডিকেল কাউন্সিল (চিকিৎসকদের অনুশীলন করার জন্য প্রয়োজনীয় নিবন্ধনের বিষয়টি দেখভাল করে) এবং দ্য রয়্যাল কলেজ অব সার্জনসের (মেডিসিনে বিশেষজ্ঞ) প্রতি আস্থাহীনতা।
ইউনিভার্সিটি অব সারের কনসালট্যান্ট সার্জন ক্যারি নিউল্যান্ডস বলেন, ‘স্বাস্থ্যসেবার কর্মক্ষেত্রকে নিরাপদ করে তুলতে আমাদের তদন্তপ্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তন আনা দরকার, যাতে ভুক্তভোগীরা এসব ঘটনা প্রকাশ করতে সাহসী হয়ে উঠতে পারে।’
ইংল্যান্ডের দ্য রয়্যাল কলেজ অব সার্জনসের প্রেসিডেন্ট টিম মিচেল বিবিসিকে বলেন, গবেষণার ফল খুবই বেদনাদায়ক এবং সার্জিকেল পেশার জন্য খুবই বিব্রতকর। তিনি স্বীকার করেন, ‘হরহামেশা ঘটে থাকা এ ধরনের আচরণ’ আগে কখনো আমলে নেওয়া হয়নি।
মিচেল বলেন, কর্মক্ষেত্রে এ ধরনের আচরণের প্রতি ‘জিরো টলারেন্স’–এর সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে ভুক্তভোগীরা যাতে তাঁদের সমস্যার কথা বলার মতো পরিবেশ পান, সে আস্থা তৈরি করতে হবে।
এনএইচএস ইংল্যান্ডের চিকিৎসক বিন্তা সুলতান বলেন, এই গবেষণা প্রতিবেদন ‘পড়া সত্যি কঠিন’। হাসপাতালগুলোকে ‘সবার জন্য নিরাপদ’ করতে আরও পদক্ষেপের প্রয়োজন ছিল, প্রতিবেদনে তার ‘স্পষ্ট প্রমাণ’ রয়েছে।
জেনারেল মেডিকেল কাউন্সিল গত মাসে চিকিৎসকদের পেশাগত মানদণ্ড হালনাগাদ করেছে। কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী চার্লি ম্যাসি বলেন, রোগী বা চিকিৎসক, কারও প্রতি অগ্রহণযোগ্য যৌন আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়। একই সঙ্গে যুক্তরাজ্যে চিকিৎসার অনুশীলন চালিয়ে যাওয়ার সঙ্গে এটি বেমানান।
*** ফুটনোট: যারা পশ্চিমের আধুনিকতা/ মডার্নিটি, পুঁজিবাদ ও ভোগবাদী চাকচিক্যময় সমাজের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে আমাদের সমাজকেও তাদের মতো করে সাজাতে চান—তারা এইসব মূল্যবোধের হাত ধরে পশ্চিমা সমাজ যে নৈতিক অধ:পতনের মধ্যদিয়ে যাচ্ছে—তার সম্মুখীন হবার প্রস্তুতিও নিতে পারেন।
পশ্চিমে আইন-শৃঙ্ক্ষলার এত কার্যকারিতা থাকা স্বত্তেও যেখানে অহরহ নারীর শ্লীলতাহানির ঘটনা ঘটছে—সেখানে আমাদের দেশের মতো অকার্যকর বিচারব্যবস্থা বজায় থাকার মাঝেই যদি পশ্চিমা মূলবোধগুলোর প্রয়োগ করা হয়—তা যে কতটা ধ্বংসাত্মক হতে পারে—সেটা বেশ সহজেই অনুমেয়। ইতোমধ্যেই আমরা দেশে তার নজির দেখেছি বিভিন্ন ভাবে, বিভিন্ন সময়ে।
*** সম্প্রতি 'প্রথম আলো' পত্রিকায় 'অস্ত্রোপচার কক্ষেও পুরুষ সহকর্মীর কাছে নিরাপদ নন নারী সার্জনরা' শীর্ষক শিরোনামে বিবিসি'র এই প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়।
(মূল প্রতিবেদনের লিংক দেখুন কমেন্টে।)
©সিয়ান
"বান্দা যখন এমনভাবে
لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ، وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
'আল্লাহ ব্যতীত আর কোনো ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই, রাজত্ব তাঁর-ই, তাঁর-ই সকল প্রশংসা, তিনি সব কিছুর ওপর ক্ষমতাবান'
-
(এই যিকরটি) পড়ে যে তার রূহ এর প্রতি আন্তরিক হয়, তার অন্তর ও জবান একে সত্যায়িত করে,
তখন তার জন্য আসমানের দরজাসমূহ খুলে যায়, যে (এভাবে এই যিকর) পাঠ করেছে আল্লাহ তার দিকে দৃষ্টিপাত করেন।
আর আল্লাহ যেই বান্দার দিকে দৃষ্টিপাত করেন তার চাওয়া পূর্ণ হওয়া নিশ্চিত হয়ে যায়।"
.
~ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
.
.
[ ইমাম নাসাঈ (রাহ.), আস সুনানুল কুবরা, হা: ৯৭৭২, শাইখ আলবানীর (রাহ.) মতে সহিহ- কালিমাতুল ইখলাস, পৃ: ৬১] p: 75
لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ، وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
'আল্লাহ ব্যতীত আর কোনো ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই, রাজত্ব তাঁর-ই, তাঁর-ই সকল প্রশংসা, তিনি সব কিছুর ওপর ক্ষমতাবান'
-
(এই যিকরটি) পড়ে যে তার রূহ এর প্রতি আন্তরিক হয়, তার অন্তর ও জবান একে সত্যায়িত করে,
তখন তার জন্য আসমানের দরজাসমূহ খুলে যায়, যে (এভাবে এই যিকর) পাঠ করেছে আল্লাহ তার দিকে দৃষ্টিপাত করেন।
আর আল্লাহ যেই বান্দার দিকে দৃষ্টিপাত করেন তার চাওয়া পূর্ণ হওয়া নিশ্চিত হয়ে যায়।"
.
~ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
.
.
[ ইমাম নাসাঈ (রাহ.), আস সুনানুল কুবরা, হা: ৯৭৭২, শাইখ আলবানীর (রাহ.) মতে সহিহ- কালিমাতুল ইখলাস, পৃ: ৬১] p: 75
ডেঞ্জারাস AI !!
তারা বানালো নারীদের নগ্ন করার AI,
আলহামদুলিল্লাহ, আমরা বানালাম Porda AI
>>Porda v1 (experimental) windows app (Free and will be Open-sourced)
>>>Women are most precious.
ফিচার,
১) অ্যাপ্লিকেশনটি নারী বা পুরুষ এবং অশ্লীলতা ও নগ্নতা ডিটেক্ট করে রিয়াল-টাইম সরাসরি স্ক্রিনের উপরেই তার আংশিক এবং সম্পূর্ণ অংশ ঢেকে দিবে।
২) শুধু মুসলিম না, নিজ সুবিধামত কাস্টম মডেল ব্যবহার করা করে যে কেউ উপকৃত হতে পারে, কেননা কেউই অশ্লীলতা/নগ্নতা পছন্দ করে না।
৩) GPU ছাড়াই সাধারণ CPU তেই চলবে।
৪) ফেসবুক ইউটিউবসহ যেকোনো উইন্ডোতে কাজ করবে। ফাস্ট এবং অ্যাকুরেট।
৫) ব্লারিং ইফেক্ট ব্যবহার করা যাবে।
৬) একইসাথে একাধিক বস্তু ঢাকতে পারবে।
৭) স্ক্রিনের রেজুলেশনের কারণে অনেক সময় ডিটেকশন রেট ভালো নাও আসতে পারে তখন মাউস ড্রাগ করে উইন্ডোর নির্দিষ্ট অংশ সিলেক্ট করে উইন্ডোকে কয়েক ভাগে ভাগ করা যাবে।
৮) ফুল ডাইনামিক, উইন্ডোর নড়া-চড়া বা ছোট-বড় করাতে অটো অ্যাডজাস্ট করে নিবে।
৯) মাউসের ক্লিক বা স্ক্রলিং এ কোনো প্রভাব পড়বে না।
১০) ছবি বা ভিডিওতে, অনলাইন বা অফলাইনে যেকোনো অবস্থায় কাজ করবে।
১১) স্ট্যাটিক কভার ব্যবহার করে স্ক্রিনের বা নির্দিষ্ট কোনো উইন্ডোর নির্দিষ্ট অংশ (e.g. password, history, logo) ডাইনামিকলি ঢেকে রাখা যাবে যা স্ক্রিন রেকর্ড বা স্ট্রিমিং এর সময় কাজে লাগতে পারে।
সীমাবদ্ধতা,
আমরা বর্তমানে যে টেকনোলজিগুলো ইউজ করি সেগুলো অল্প দিনে হয়নি, অগণিত ফান্ড আর বহু দিন ধরে বহু মানুষ ডেভেলপ করেছে । আর আমি সে সুযোগ পাইনি এবং এটা কেবল শুরু ও এক্সপেরিমেন্টাল, তাই সীমাবদ্ধতা বা বাগ থাকতে পারে এটাই স্বাভাবিক।
১) উইন্ডোজ 10 এর নিচে রান হবে না এবং এটা হয়তবা লো-কনফিগারেশন পিসিতে(ল্যাপটপে) পারফর্মেন্স ভালো নাও দিতে পারে।
২) ডিটেকশনের ক্ষেত্রে ভুল হতে পারে (50%MPA@0.5)। (অর্থাৎ মহিলার পরিবর্তে পুরুষকে অথবা অন্য বস্তুকে ডিটেক্ট করতে পারে। এবং হয়ত স্ক্রিন রেজুলেশনের কারণে অনেক কাঙ্খীত বস্তুকে ডিটেক্ট নাও করতে পারে।) অন্যান্য ইরর বা বাগ থাকতে পারে।
এসব সমস্যা সম্পূর্ণ সমাধান যোগ্য।
পরবর্তীতে,
সমস্যাগুলো সমাধান করা হবে এবং প্রয়োজনীয় সব ফিচার যোগ করা হবে। আরো ফাস্ট করা হবে এবং অ্যাকুরেসি (50%mAP@0.5 থেকে) 90-95% করা হবে। ভিডিও তৈরির জন্য অটো এডিটিং টুল থাকবে। ইনশাআল্লাহ।
যেহেতু এ কনসেপ্টের প্রজেক্ট আগে কেউ করেনি তাই অনেক চ্যালেঞ্জিং ছিল সেইসাথে অন্যদের জন্য ব্যবহার উপযোগী করে তোলা আরো কঠিন শুধুমাত্র আল্লাহর সাহায্যে এতটুকু সম্ভব হয়েছে। কোনো কাজ শুরু হলে শেষ হবে ইনশাআল্লাহ।
এটা এক্সপেরিমেন্টাল যাদের কম্পিউটার আছে টেস্ট করতে পারেন। হয়ত আরো ভালো করা যেতো, কিন্তু আমার একার পক্ষে এতটুকুই সম্ভব ছিল, এর থেকে ভালো করে বানাতে আমার শক্তিশালী হার্ডওয়্যার ও কিছু ভলান্টিয়ার প্রয়োজন। যেহেতু এটা ব্যবসাহীক কিছু না তাই অভিযোগের চেয়ে আমি আপনাদের সাপোর্ট কামনা করছি।
Download Link:
https://itholy.xyz/porda-ai
https://github.com/hijam-git/porda-ai
@Abdullah Ibn
তারা বানালো নারীদের নগ্ন করার AI,
আলহামদুলিল্লাহ, আমরা বানালাম Porda AI
>>Porda v1 (experimental) windows app (Free and will be Open-sourced)
>>>Women are most precious.
ফিচার,
১) অ্যাপ্লিকেশনটি নারী বা পুরুষ এবং অশ্লীলতা ও নগ্নতা ডিটেক্ট করে রিয়াল-টাইম সরাসরি স্ক্রিনের উপরেই তার আংশিক এবং সম্পূর্ণ অংশ ঢেকে দিবে।
২) শুধু মুসলিম না, নিজ সুবিধামত কাস্টম মডেল ব্যবহার করা করে যে কেউ উপকৃত হতে পারে, কেননা কেউই অশ্লীলতা/নগ্নতা পছন্দ করে না।
৩) GPU ছাড়াই সাধারণ CPU তেই চলবে।
৪) ফেসবুক ইউটিউবসহ যেকোনো উইন্ডোতে কাজ করবে। ফাস্ট এবং অ্যাকুরেট।
৫) ব্লারিং ইফেক্ট ব্যবহার করা যাবে।
৬) একইসাথে একাধিক বস্তু ঢাকতে পারবে।
৭) স্ক্রিনের রেজুলেশনের কারণে অনেক সময় ডিটেকশন রেট ভালো নাও আসতে পারে তখন মাউস ড্রাগ করে উইন্ডোর নির্দিষ্ট অংশ সিলেক্ট করে উইন্ডোকে কয়েক ভাগে ভাগ করা যাবে।
৮) ফুল ডাইনামিক, উইন্ডোর নড়া-চড়া বা ছোট-বড় করাতে অটো অ্যাডজাস্ট করে নিবে।
৯) মাউসের ক্লিক বা স্ক্রলিং এ কোনো প্রভাব পড়বে না।
১০) ছবি বা ভিডিওতে, অনলাইন বা অফলাইনে যেকোনো অবস্থায় কাজ করবে।
১১) স্ট্যাটিক কভার ব্যবহার করে স্ক্রিনের বা নির্দিষ্ট কোনো উইন্ডোর নির্দিষ্ট অংশ (e.g. password, history, logo) ডাইনামিকলি ঢেকে রাখা যাবে যা স্ক্রিন রেকর্ড বা স্ট্রিমিং এর সময় কাজে লাগতে পারে।
সীমাবদ্ধতা,
আমরা বর্তমানে যে টেকনোলজিগুলো ইউজ করি সেগুলো অল্প দিনে হয়নি, অগণিত ফান্ড আর বহু দিন ধরে বহু মানুষ ডেভেলপ করেছে । আর আমি সে সুযোগ পাইনি এবং এটা কেবল শুরু ও এক্সপেরিমেন্টাল, তাই সীমাবদ্ধতা বা বাগ থাকতে পারে এটাই স্বাভাবিক।
১) উইন্ডোজ 10 এর নিচে রান হবে না এবং এটা হয়তবা লো-কনফিগারেশন পিসিতে(ল্যাপটপে) পারফর্মেন্স ভালো নাও দিতে পারে।
২) ডিটেকশনের ক্ষেত্রে ভুল হতে পারে (50%MPA@0.5)। (অর্থাৎ মহিলার পরিবর্তে পুরুষকে অথবা অন্য বস্তুকে ডিটেক্ট করতে পারে। এবং হয়ত স্ক্রিন রেজুলেশনের কারণে অনেক কাঙ্খীত বস্তুকে ডিটেক্ট নাও করতে পারে।) অন্যান্য ইরর বা বাগ থাকতে পারে।
এসব সমস্যা সম্পূর্ণ সমাধান যোগ্য।
পরবর্তীতে,
সমস্যাগুলো সমাধান করা হবে এবং প্রয়োজনীয় সব ফিচার যোগ করা হবে। আরো ফাস্ট করা হবে এবং অ্যাকুরেসি (50%mAP@0.5 থেকে) 90-95% করা হবে। ভিডিও তৈরির জন্য অটো এডিটিং টুল থাকবে। ইনশাআল্লাহ।
যেহেতু এ কনসেপ্টের প্রজেক্ট আগে কেউ করেনি তাই অনেক চ্যালেঞ্জিং ছিল সেইসাথে অন্যদের জন্য ব্যবহার উপযোগী করে তোলা আরো কঠিন শুধুমাত্র আল্লাহর সাহায্যে এতটুকু সম্ভব হয়েছে। কোনো কাজ শুরু হলে শেষ হবে ইনশাআল্লাহ।
এটা এক্সপেরিমেন্টাল যাদের কম্পিউটার আছে টেস্ট করতে পারেন। হয়ত আরো ভালো করা যেতো, কিন্তু আমার একার পক্ষে এতটুকুই সম্ভব ছিল, এর থেকে ভালো করে বানাতে আমার শক্তিশালী হার্ডওয়্যার ও কিছু ভলান্টিয়ার প্রয়োজন। যেহেতু এটা ব্যবসাহীক কিছু না তাই অভিযোগের চেয়ে আমি আপনাদের সাপোর্ট কামনা করছি।
Download Link:
https://itholy.xyz/porda-ai
https://github.com/hijam-git/porda-ai
@Abdullah Ibn
অনেকেই দ্বিধা -দন্দে থাকেন কোন শ্রেনীর লাইসেন্স বানাবেন।
পেশাদার নাকি অপেশাদার :
পেশাদার : যারা নিজেকে ড্রাইভার বা পরিবহন সেক্টরে ব্যাবসা বানিজ্য করবেন তাদের জন্য পেশাদার লাইসেন্স এর বিকল্প নেই। ০৫ বছর মেয়াদী পেশাদার লাইসেন্সটি পেতে ডোপটেস্ট দিতে হয় যা সরকার কর্তৃক বাধ্যতামূলক। প্রতিবার রিনিউ বা মেয়াদ বৃদ্ধিকালে প্রাকটিকাল পরীক্ষা ও ডোপটেস্ট রিপোর্ট জমা দিতে হয়।
অপেশাদার : যারা ব্যাক্তিগত পরিবহন চালাবেন এবং যারা ড্রাইভার হিসেবে কোথাও শ্রম দিতে ইচ্ছুক নন তাদের জন্য ১০ বছর মেয়াদী অপেশাদার লাইসেন্সটি কার্যকর। এখানে ডোপটেস্ট দিতে হয় না বা ১০ বছর পর মেয়াদবৃদ্ধি কালে পরীক্ষার প্রয়োজন হয় না।
পেশাদার নাকি অপেশাদার :
পেশাদার : যারা নিজেকে ড্রাইভার বা পরিবহন সেক্টরে ব্যাবসা বানিজ্য করবেন তাদের জন্য পেশাদার লাইসেন্স এর বিকল্প নেই। ০৫ বছর মেয়াদী পেশাদার লাইসেন্সটি পেতে ডোপটেস্ট দিতে হয় যা সরকার কর্তৃক বাধ্যতামূলক। প্রতিবার রিনিউ বা মেয়াদ বৃদ্ধিকালে প্রাকটিকাল পরীক্ষা ও ডোপটেস্ট রিপোর্ট জমা দিতে হয়।
অপেশাদার : যারা ব্যাক্তিগত পরিবহন চালাবেন এবং যারা ড্রাইভার হিসেবে কোথাও শ্রম দিতে ইচ্ছুক নন তাদের জন্য ১০ বছর মেয়াদী অপেশাদার লাইসেন্সটি কার্যকর। এখানে ডোপটেস্ট দিতে হয় না বা ১০ বছর পর মেয়াদবৃদ্ধি কালে পরীক্ষার প্রয়োজন হয় না।