জ্ঞান - Knowledge
2K subscribers
1.27K photos
21 videos
11 files
463 links
🙂🙂🙂
Download Telegram
অনেক সময় সেক্সোলজিস্টরা কাউন্সিলিং করান কিন্তু ওনারা যেহেতু ডাক্তার তাই ওনারা সবাই কাউন্সিলিং এ দক্ষ হবেন এমন কথা বলা সম্ভব না । ওনারা মেডিকেশন বা ওষুধ বিষয়ে অভিজ্ঞ থাকেন এ বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই। তবে শুধু মাত্র ওষুধের উপরে নির্ভরশীল হওয়ার পক্ষে আমি না ।

আজ এ পর্যন্তই লিখছি । আপনাদের কোন প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন । আমি চেষ্টা করব সে সব প্রশ্ন নিয়ে আরও একটি লেখা লিখে ফেলতে ।
(প্লিজ এই পোষ্ট কপি করবেন না )
লেখা-Foring Camelia
সূত্র - Sex Without Stress: A Couple's Guide to Overcoming Disappointment, sexualhealthalliance.com , Contemporary Sex Therapy: Skills in Managing Sexual Problems, Dr. Neha mehata's interview
বেতনের টাকা থেকে অল্প অল্প করে ৪০০০ টাকা জমিয়ে অনেক দিনের শখ, একটা ভালো হাত ঘড়ি কিনলেন। আপনার হাতে ঘড়িটা দেখেই পাশের ডেস্কে বসা সিনিয়র কলিগ বলে উঠলো - এটা কি কিনেছেন, আর ৫ টা হাজার টাকা দিলে তো অমুক ব্রান্ডের ঘড়ি পেতেন।

আপনি প্রতি মাসের বাজার খরচ, শপিং খরচ বাচিয়ে ৬ মাস পরে ২৫০০০ টাকা দিয়ে মালয়েশিয়ান বোর্ডের একটা আলমারি কিনলেন। পাশের বাসার ভাবী এসে একবার দেখেই বললেন, ভাবী এইসব বোর্ড তো ভালো না। আর কয়টা টাকা দিলেতো অমুক ব্রান্ড থেকেই নিতে পারতেন।

আপনি অনেক শখ করে একটা সাইকেল কিনলেন। এটা দিয়ে ভার্সিটি যাবেন, টিউশনে যাবেন, টুকটাক বাজার করবেন। আপনার বন্ধু প্রথম দেখায় বলল, কি বাচ্চাগো মতন সাইকেল কিনছস, এই বয়সে সাইকেল মানায়! এখন কিনবি মোটর সাইকেল।

খুব শখ করে স্টোনের একটা ব্রেসলেট কিনলেন। বান্ধবী দেখেই বলে উঠলো, পাথরের এগুলা কি পড়স! গোল্ডের ব্রেসলেট হলে তোকে যা মানাতো না!

বিলিভ করেন, এগুলা মানুষ না। এগুলার মাথায় ঘিলু তো নেই এমনকি গোবর ও নেই। গোবর কিন্তু খুব উর্বর, যাদের মাথায় গোবর থাকে তা থেকে একদিন কিছু না কিছু, ভালো আসবে তবে এদের থেকে কোনদিনই ভালো কিছু আসবে না। এরা থাকে শুধু আরেকজনকে কিভাবে একটু হেয় করা যায় সেই তালে।

এদের মন খুবই বিষাক্ত। শুধু যে বিভিন্ন বস্তগত জিনিস নিয়ে এরা ইগোটিক আচরন প্রদর্শন করে তাও কিন্তু না। খুব খেয়াল করলে দেখবেন এরা এমনও বলে:

কিরে মটকু, আর কত খাবি। পেট ফেটে গেলেতো আমরাও নোংরা হয়ে যাব

আরে দোস্ত, তোর মাথা তো দেখি সুন্দর স্টেডিয়াম হয়ে গেছে।

ইশরে বান্ধবী, তোর জামাইটা যদি আরেকটু ফর্সা হইতো, তাইলে তোদেরকে যা লাগতো না।

কিরে হাফ ব্যাটারী, তুই রিকশায় উঠস কিভাবে।

বান্ধবী তুই শ্যামলা হইলেও তোর চেহারায় খুব মায়া আছে।

কিরে তোর চুলতো সব আমার দাদার মতন হয়ে গেছে। এই বয়সে কিসের এত টেনশন করিস!

ভাবী আপনাকে দেখলে মনেই হয় না, আপনি ৩ বাচ্চার মা।

ইশরে ভাবী আপনি এখনও কত ইয়ং আর ভাইরে এখনই কেমন বুড়া দেখায়।

এগুলো সব বডি শেমিং। সবগুলোর মূল উদ্দেশ্যে আরেকজনের মনে খোচা দিয়ে তাকে কষ্ট দেওয়া আর নিজে মনে মনে খুশী হওয়া। এই মানুষগুলো থেকে আপনি নিজ দায়িত্বে দূরে থাকবেন, কারন নিজেকে নিজেরই ভালো রাখতে হবে।

বিল্লাল হোসাইন
৭ই সেপ্টেম্বর ২০২৩
বদনজর /হিংসা কতটা ভয়ংকর!

নিজের সাথে ঘটে যাওয়া একটি কেস!
বাচ্চাদের নিয়ে বাহিরে এক জায়গায় সাময়িক সময়ের জন্য বেড়াতে গিয়েছি, সাধারণ কোথাও যাওয়া হয়না।

অনেকে আছেন -বাবা 'মা 'র সামনে কেউ নিজ সন্তানদের প্রশংসা করলে খুব আনন্দিত হন, হ্যাঁ এটা আনন্দিত হবার বিষয় যদি সেই প্রশংসার সাথে উক্ত ব্যক্তি "মাশা আল্লাহ "আলহামদুলিল্লাহ বলে। প্রশংশাকারী ব্যক্তি যদি প্রশংসা করার সময় মাশা আল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ না বলে "যার সামনে প্রশংসা করা হচ্ছে সেই বাবা অথবা মায়ের উচিত তাদেরকে সতর্ক করা বা বলা প্রশংসা করার সময় "মাশা আল্লাহ "আলহামদুলিল্লাহ বলা প্রয়োজন, না হয় সেই প্রশংসা হতে আপনার সন্তানদের জন্য এক কষ্ট দায়ক যন্ত্রণা, খুব কষ্ট দায়ক। যা আপনি কল্পনা করতে পারবেন না।

কয়কে ঘন্টা বেড়ানো শেষে যখনই বাসায় আসি "মেজ ছেলে বলে "আব্বু পেটে ব্যথা "বাচ্চার মাকে জিজ্ঞাসা করি সে কিছু খেয়েছে বেড়াতে যাওয়ার পর? বল্ল প্রয়োজন তুলনা একটু বেশী! যা সচরাচর বাসায় খাবারের চেয়ে বেশী, প্রশ্ন করলাম কেউ প্রশংসা করেছিল? বাচ্চার খাবার এবং কথাবার্তা নিয়ে? তখন কি মাশা আল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ বলেছিল?

উত্তর ছিলো "না

ব্যস বুঝতে আর বাকি নেই! বাচ্চাকে সামনে বসিয়ে প্রায় পনে দুই ঘন্টা রুকইয়াহ করি পাশাপাশি পানি পড়ে সেই পানি পান করাই -এতেই বাচ্চার বমি শুরু হয়।

ছোট ছেলের অবস্থা একি রকম "খাবার খেতে চায়না এবং কান্নাকাটি, জ্বর,

আপনার সামনে যাদি আপনার বাচ্চাদের প্রশংসা করে তবে খেয়াল রাখবেন, যেখানে মাশা আল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ বলার প্রয়োজন, তা বলছে কিনা! অন্যথায় আপনি স্বরন করিয়ে দিন এতে উভয়ের জন্য কল্যানকর হবে, তাছাড়া আপনি আপনার সন্তানদের নিয়ে সাফার করবেন যা অসহনীয় পর্যায়ে চলে যেতে পারে।

এরকম পরিস্থিতি হলে রুকইয়াহ করার পাশাপাশি বাচ্চাদের ডাক্তারের চিকিৎসা ও নিবেন।গত দুই দিন বাচ্চাদের নিয়ে অনেকটাই সাফার করতে হয়েছে "এখন আলহামদুলিল্লাহ "

আল্লাহ সুবহানাহু তা 'আলা প্রত্যকের সন্তান কে সুস্থ রাখুন।
জীবনে চলার পথ হচ্ছে দুইটি।

১. তোমার আশেপাশে যা হচ্ছে হয় তুমি তা মেনে নাও,
২. অথবা সেটাকে পরিবর্তন করার জন্য রুখে দাড়াও ।

মনে রাখবেন- পথ এ দুটিই।

Masood Sayedee
প্রিয়নবী (স.) উম্মতকে বিভিন্ন সময় ও প্রেক্ষাপটে নানারকম দোয়া শিখিয়েছেন। তার মধ্যে একটি দোয়া হলো—ক্ষতিকর কীট-পতঙ্গ বা জীব-জন্তুর অনিষ্ট থেকে পরিত্রাণের দোয়া।

দোয়াটি হলো- أعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ ‘আউযু বি কালিমা-তিল্লাহি তাম্মাতি মিন শাররি মা খালাক। ’ অর্থ- আল্লাহর পূর্ণ কালিমার বিনিময়ে তার সৃষ্টির সব অনিষ্ট থেকে পরিত্রাণ চাচ্ছি। (আবু দাউদ: ৩৮৯৮)

অতএব, মুমিন মুসলমানের উচিত- বর্তমান পরিস্থিতিতে নবীজির শেখানো দোয়াটির মাধ্যমে আল্লাহর নিরাপত্তা কামনা করা। এই দোয়াটি যারা নিয়মিত সকাল-বিকাল আমল করবেন, আল্লাহ তাআলা তাদেরকে বিষাক্ত সাপ-বিচ্ছু, মশাসহ সকল পোকা-মাকড় ও যাবতীয় ক্ষতিকর প্রাণীর ক্ষতি থেকে হেফাজত করবেন ইনশাআল্লাহ।
সাইকোবায়োটিকস এন্ড ডীপ কিস!
________

(১)
বিজ্ঞানের একটি তুলনামূলক নতুন শাখা "সাইকোবায়োটিকস"- আমাদের শরীরে বসবাসরত ব্যাক্টেরিয়া কিভাবে আমাদের মস্তিষ্ককে, আমাদের ভাবনা কে, আমাদের অনুভূতিকে, আমাদের চিন্তা শক্তি কে, আমাদের ব্যক্তিত্ত্বকে, আমাদের সৃজনশীলতাকে নিয়ন্ত্রণ করে- তা গবেষণা হয় এই শাখায়। আমাদের শরীরের জন্য উপকারী ব্যাকটেরিয়াকে বলা হয় "প্রোবায়োটিক" আর এই উপকারী ব্যাকটেরিয়াকে আমাদের শরীরে বাস করতে সহযোগিতা করে "প্রিবায়োটিক"। এখন মনে করা হয় যে আমাদের অন্ত্রে (গাট বা কোলন) যে ব্যাকটেরিয়া থাকে, তারা আমাদের মস্তিষ্ককে নিয়ন্ত্রণ করে, এবং এই নিয়ন্ত্রণ অক্ষ কে বলে "গাট-ব্রেন অক্ষ"!

(২)
আমাদের শরীরে বিভিন্ন জায়গায় ব্যাকটেরিয়া বাস করে, বেশিভাগ ক্ষেত্রেই আমাদের শরীরের প্রয়োজনেই। প্রশ্ন হলো, এই ব্যাকটেরিয়া আসে কোথা থেকে? প্রথম আসে জন্মের সময়, মায়ের বার্থ ক্যানাল থেকে। এরপর আস্তে আস্তে খাবারের মাধ্যমে এবং বাহ্যিক পরিবেশ থেকে। প্রায় তিন বছর বয়সে একটি বাচ্চার অন্ত্রে প্রাপ্তবয়স্কের সমান ব্যাকটেরিয়া বসবাস করা শুরু করে। একজন মানুষের অন্ত্রে প্রায় এক হাজার প্রজাতির, মোট ১০০,০০০,০০০,০০০,০০০. ব্যাকটেরিয়া বাস করে। এদেরকে একসঙ্গে আমরা বলি "গাট মাইক্রোবায়োম"..আমাদের এই মাইক্রোবায়োম অনেকাংশেই নির্ধারণ করে আমাদের ইনেট ইম্যুনিটি, আমাদের এলার্জি, অনেক রকম অটোইমিউন ডিজিজ, এবং আমাদের ব্যক্তিত্ব, চেতনা, প্রতীতি, সৃজনশীলতা, ভাবনা, অনুভূতি এবং মনস্তাত্বিকতা। প্রতিদিন এই ব্যাকটেরিয়া পরিবর্তিত হয়- আমাদের খাবারের কারণে, ঔষধের কারণে, অসুখ-বিসুখের কারণে, পরিবেশের কারণে।

(৩)
কিভাবে গাট মাইক্রোবায়োম আমাদের মস্তিষ্ককে নিয়ন্ত্রণ করে? সাইকোবায়োটিকস-এর শারীরবৃত্বিয় প্রক্রিয়া কি? আমাদের অন্ত্রে যে ব্যাকটেরিয়া থাকে তার বেশিরভাগই মূলত এনেরোবিক এবং বহুলাংশে গ্রাম পজিটিভ। এদের শরীরে লাইপোপলিস্যাকারাইড নেই, যেটি আমাদের ইম্যুন সিস্টেম কে উত্তেজিত করে, প্রো-ইনফ্লামেটরি সাইটোকাইন (ইন্টারলিউকিন, টিউমর নেক্রোসিস ফ্যাক্টর) তৈরি করে। গ্রাম পজিটিভ ব্যাকটেরিয়া এটি করে না। তারা মূলত আমাদের শরীরে ইমিউন মডুলেট করে। আমাদের অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে ল্যাকটোব্যাসিলাস এবং বিফিডোব্যাকটেরিয়া অত্যন্ত উপকারী হিসেবে পরিচিত। এরা আমাদের শরীরে ইনফ্লামেশন দমন করে, তার প্রমান পাওয়া যায় শরীরের রক্তে কম কর্টিসল এর উপস্থিতি দেখে এবং ইনফ্লামেটরি সাইটোকাইন এর মাত্রা দেখে। যাদের শরীরে এই ব্যাকটেরিয়ার পরিমান কমে যায়, তাদের শরীরে ইনফ্লামেশন বেশি হয়, সি-রিএক্টিভ প্রোটিন বাড়ে, সাইটোকাইন বাড়ে। এই সাইটোকাইন ব্লাড-ব্রেইন ব্যারিয়ার দুর্বল করে দিয়ে সাইটোকাইন মস্তিষ্কে প্রবেশ করায় এবং বিভিন্ন নিউরোট্রান্সমিটার নিঃসরণ করে যা আমাদের ব্যবহার, প্রতীতি, মননশীলতা, মেজাজ, ভালোলাগা-খারাপলাগা নিয়ন্ত্রণ করে। এছাড়া এরা ভ্যাগাস নার্ভের উপর-ও নিয়ন্ত্রণ সৃষ্টি করে আমাদের মন কে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

(৪)
বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে একদল বিষণ্ণ মানুষকে ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা করে, আরেকদল বিষণ্ণ মানুষের শরীরে শুধু উপকারী ব্যাকটেরিয়া দিয়ে চিকিৎসা করে দীর্ঘমেয়াদে একই রকম অবসাদ মুক্তি হয়েছে। যাদের শরীরে এই ভালো ব্যাকটেরিয়া থাকে তাদের মস্তিষ্কের কার্যক্রম পরীক্ষার জন্য ফাংশনাল এমআরআই করে দেখা গেছে যে তাদের মস্তিস্ক দুঃখজনক সংবাদে তেমন সাড়া দেয় না। জীবনে তাদের অবসাদগ্রস্থ হবার সম্ভাবনা কম থাকে। তাদের শরীরে সেরোটোনিন, ডোপামিন, এপিনেফ্রিন, কর্টিসল এর পরিমানে অন্যদের তুলনায় ভিন্ন পরিমানে নিঃসৃত হয়। তাদের দুঃখ সহ্য করার ক্ষমতা, প্রতিকূলতা মোকাবেলা করার ক্ষমতা অন্যদের চেয়ে বেশি। এই ব্যাকটেরিয়া তাদের শরীরে এন্টি-ডিপ্রেসেন্টে হিসেবে কাজ করে। তাদের আত্মহত্যার প্রবণতা কম। এক গবেষণায় দেখা গেছে যে মেডিকেল স্টুডেন্ট যারা ভালো ব্যাকটেরিয়া পান করে, তারা মেডিকেলের পরীক্ষার আগে এবং পরে অন্যদের তুলনায় কম স্ট্রেসড থাকে, তাদের শরীরে কম কর্টিসল নিঃসৃত হয়।

(৫)
কোথায় পাবেন এই ভালো ব্যাকটেরিয়া বা প্রোবায়োটিক এবং প্রিবায়োটিক? এগুলো কিনতেই পাওয়া যায়। জন্মের সময় ভ্যাজাইনাল ডেলিভারির বাচ্চার শরীরে এই ব্যাকটেরিয়া বেশি থাকে সিজারিয়ান বাচ্চার চেয়ে। কোনো কোনো গবেষণায় প্রমান হয়েছে (যদিও কিছুটা বিতর্কিত) যে সিজারিয়ান বাচ্চার বিষাদগ্রস্থ হবার সম্ভাবনা বেশি, প্রতিকূলতা মোকাবেলার ক্ষমতা কম, এবং আত্মহত্যার প্রবণতা বেশি। প্রাপ্তবয়স্ক বিবাহিত মানুষের জন্য "ডিপ কিস" বা লালা বিনিময় করা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। প্রতি দশ সেকেন্ড ডিপ কিস করলে গড়ে ৮০,০০০,০০০ মুখের ব্যাকটেরিয়া বিনিময় হয়। যারা দিনে কমপক্ষে তার স্বামী/স্ত্রী-র সাথে গড়ে নয় বার দশ সেকেন্ডের অধিক ডিপ কিস করেন, গাট মাইক্রোবায়োম, ভাবনা চিন্তা, দীর্ঘমেয়াদী মানসিকতা প্রায় একই রকম হয়ে যায়। স্বামী-স্ত্রী যারা নিয়মিত ডিপ কিস করেন তাদের ইমিউন রেস্পন্স, ইনফ্লামেটরি রেসপন্স,
সাইটোকাইন এবং নিউরোট্রান্সমিটারের মধ্যে অনেক সমতা আছে। জীন ট্রান্সক্রিপশনে "স্পাউজাল ইফেক্ট" বলেও একটি মেকানিজম আছে। যদিও একই পরিবেশে বাস, একই ধরণে খাবার খাওয়া তার ভূমিকাও এখানে রয়েছে। ডিপ কিসিং এর সাথে মনোসুখ এর সমান্তরাল ভূমিকা আছে। মানুষ ছাড়া আরো অন্য কোনো প্রাণী ডিপ কিস প্রাকটিস করে না। কেন তাহলে মানুষ এটা করে? কেন মানুষের মুখ পরিষ্কার রাখতে হয়? কেন মহানবী (সাঃ) বলেছিলেন যে মানুষের খুব কষ্ট না হলে আমি তাদের প্রতি বেলা নামাজের আগে মেছওয়াক করে মুখ পরিষ্কার করতে বলতাম?

(৬)
যদিও ডিপ কিস যৌনতা বা প্রজননের অংশ নয়, তবুও স্বামী-স্ত্রীর শরীরতত্বীয় এবং মানসিক কল্যানে এর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ এবং স্বল্প-উপলব্ধ। তবে একাধিক মানুষের সাথে ডিপ কিস করলে বিভিন্ন রকম অসুখ ছড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে। যারা সারা জীবনে ছয়জন বা ততোধিক মানুষের সাথে ডিপ কিস করেছেন, তাদের মুখে হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস ইনফেশন এবং গলার ক্যান্সার হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে (ডঃ ম-রা গিলিসন, ২০০৯ এবং ২০১২)- এ কারণে সঙ্গীর সংখ্যা কম হতে হবে। স্বামী-স্ত্রী-র মানসিকতা একই রকম হবার ক্ষেত্রে এই ডিপ কিসিং এবং লালা বিনিময় করা বিজ্ঞানসম্মত। ডিপ কিসিং এর মাধ্যমে ফেরোমোন (এ সম্পর্কে অন্য একদিন বিশদভাবে লিখবো) এর ও আদান প্রদান হয়- যা আমাদের প্রজনন এবং প্রজননস্বাস্থ্য সম্পর্কে বার্তা বহন করে। আচ্ছা, মহানবী (সাঃ) তার স্ত্রী যে গ্লাসে পানি খেতেন, তিনি কখনো কখনো সেই গ্লাসের স্ত্রীর মুখের ছাপ লেগে থাকা জায়গায় মুখ রেখে পানি পান করতেন। এটি কি তিনি "ভালো ব্যাকটেরিয়া ট্রান্সফার" করার জন্য করতেন, যাতে তাঁর এবং তাঁর স্ত্রীর মাইক্রোবায়োম একই হয়, একই মানসিকতার হন দুজনে? তিনি চাইলে এই বিষয়টি গোপন রাখতে পারতেন, কিন্তু তিনি কোনো লজ্জা না করে এটি আমাদের কেন জানিয়ে দিয়েছিলেন দেড় হাজার বছর আগে?
তিনি নিশ্চয়ই এমন কাজ করতেন না- যার পিছনে কোনো বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নেই!

(৭)
যে ব্যাকটেরিয়া আপনি দেখেন না, সেই কোটি কোটি ব্যাকটেরিয়া বাস করে আপনাদের শরীরে, অন্ত্রে। তারা পৃথিবী গড়েছে আমাদের শরীরে আমাদের অজান্তে। শুধু আমাদের একজনের অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা-ই সমস্ত পৃথিবীর মানুষের সংখ্যার চেয়ে বেশী! কি করে তারা সেখানে? কি তাদের অভিপ্রায়? কেন তারা ডিপ কিস-এর মাধ্যমে একজনের শরীর থেকে আরেকজনের শরীর যায়? কেন ওরাল সেক্স এ যায় না? ভ্যাজিনাল লাকটোব্যাসিলাস কিন্তু গাট ল্যাকটোব্যাসিলাস থেকে ভিন্ন। ওরাল সেক্সের মাধ্যমের ভ্যাজিনাল লেকটোব্যাসিলাস কিন্তু আমাদের অন্ত্রে বাস করতে পারে না পিএইচ (ক্ষারতা-র ভিন্নতার জন্য)- তাহলে ওরাল সেক্স কি বিজ্ঞানসম্মত, ধর্মসম্মত?

(৮)
নিশ্চয়ই আপনারা এখন ডিপ কিস নিয়ে গবেষণা করবেন, ডিপ কিস প্রাকটিস করবেন।
আপনাদের জন্য কয়েকটা প্রশ্ন করে আজ শেষ করি, এগুলো আপনাদের জন্য উপহার, চিন্তার খোরাক!
আচ্ছা, ভ্যাজাইনাল ফ্লোরা-তে ল্যাকটোব্যাসিলাস কেন থাকে? তারা না থাকলে কি হতো?
আচ্ছা, আপনারা কখনো পার্কিনসন্স রুগীর কোলন ক্যান্সার হতে দেখেছেন? না হলে কেন না?
যারা ডিপ কিসিং প্রাকটিস করেন, তাদের গাট মাইক্রোবায়োম কি ক্যান্সার প্রতিরোধী?
সুখী মানুষদের কি ক্যান্সার কম হয়? বিষাদগ্রস্ত মানুষদের ক্যান্সার কি বেশি হয়?
কারা বেশি বিষাদগ্রস্থ মানুষ: যারা স্রষ্টায় বিশ্বাসী, না যারা অবিশ্বাসী?


وَمِنْ آيَاتِهِ أَنْ خَلَقَ لَكُم مِّنْ أَنفُسِكُمْ أَزْوَاجًا لِّتَسْكُنُوا إِلَيْهَا وَجَعَلَ بَيْنَكُم مَّوَدَّةً وَرَحْمَةً إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَاتٍ لِّقَوْمٍ يَتَفَكَّرُونَ

বাংলা অর্থ: আর এক নিদর্শন এই যে, তিনি তোমাদের জন্যে তোমাদের মধ্য থেকে তোমাদের সংগিনীদের সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে শান্তিতে থাক এবং তিনি তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও দয়া সৃষ্টি করেছেন। নিশ্চয় এতে চিন্তাশীল লোকদের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে। [সূরা রুম: ৩০: ২১ ]
_______________

হামীম ইবনে কাওছার, এমডি, পিএইচডি, এফএসিপি ।
মলিকিউলার মাইক্রোবায়োলজিস্ট । ক্যান্সার ইম্যুনো-বায়োলোজিস্ট ।
মেডিসিন স্পেশালিস্ট । হেমাটোলজিস্ট । মেডিক্যাল অনকোলজিস্ট ।
ক্যানসাস, যুক্তরাষ্ট্র।
প্রশ্ন : শিশুকে বুকের দুধ পান করালে মায়ের দিক থেকে উপকার কী?
উত্তর : মায়ের দিক থেকে উপকারটা অনেক বেশি বলা যায়। প্রথম কথা হলো বাচ্চা জন্ম দেওয়ার পর থেকে আমরা জানি, মায়ের জরায়ুটা বড় থাকে। এখানে পুরো বাচ্চাটা ছিল। বের হওয়ার পর কিন্তু সেটি আস্তে আস্তে স্বাভাবিক অবস্থায় আসতে হবে। এই দুধ পান করলে খুব দ্রুত সুন্দরভাবে এটি স্বাভাবিক অবস্থায় আসে। আমাদের মস্তিষ্কের কিছু জিনিস রয়েছে, যেটা থেকে মস্তিষ্কে এসে দুধটা তৈরি করে। মস্তিষ্ক থেকে ওই হরমোন বেশি তৈরি হয়, সঙ্গে করে অক্সিটোসিন বা অন্যান্য হরমোন জরায়ুর ওপর কাজ করে। এদের সাধারণত দেখা যায়, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয় না। এ ছাড়া মায়ের নিজের যে একটি তৃপ্তি, মানসিক প্রশান্তি, সেটি যেই পরিমাণ সে পাবে, সেটা অনেক।
জরায়ুর ক্যানসার, স্তন ক্যানসার—এগুলো কিন্তু অনেক কমে যাবে। এগুলোর হার একেবারে নিম্ন পর্যায়ে নেমে আসবে যদি কেউ নিয়মিত ব্রেস্ট ফিডিং করান।
~অধ্যাপক ডা. ফাতেমা পারভীন চৌধুরী।
@[100065722590059:2048:IClinic]
সঠিক নিয়মে রক্তচাপ(Blood Pressure) মাপুন:
হঠাৎ যে কোন অবস্থায় রক্তচাপ মাপবেন না।
ধূমপান, মদ্যপানের পর না।
চা,কফি খাবার পর না।
মাপার পূর্বে ৩০ মিনিট বিশ্রাম নেবেন।
মাপার সময় কথা বলবেন না।
মানসিক অশান্তি ও উত্তেজনার সময় না।
রাগান্বিত বা পরিশ্রমের পর না।
প্রস্রাবের চাপ থাকলে না।
দাঁড়িয়ে মাপবেন না।
কাপড়ের উপর দিয়ে মাপলে সঠিক হবে না।
বেশী গরম বা ঠান্ডা জায়গায় না।
Dr Samir Kumar Kundu, NICVD, Dhaka.
বিশেষ দ্রষ্টব্য: যে কোন জরুরী অবস্থায় তখন অবস্থা বুঝে রক্তচাপ মাপতে হবে যেমন স্ট্রোক, হৃদরোগে আক্রান্ত, দৃষ্টি শক্তির সমস্যা, কিডনীর সমস্যা ইত্যাদি।এসব ক্ষেত্রে রোগীর দ্রুত চিকিৎসা শুরু করতে হয়।

নীচের ছবি দেখুন এবং অনুসরণ করুন:
👍1