জ্ঞান - Knowledge
2K subscribers
1.27K photos
21 videos
11 files
463 links
🙂🙂🙂
Download Telegram
অতীত ভুলে লক্ষ্যপাণে এগিয়ে যাওয়াঃ
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=829491038528109&id=100044016622361&mibextid=Nif5oz

গভীরভাবে কথাগুলো নিয়ে ভাবিঃ
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=829309508546262&id=100044016622361&mibextid=Nif5oz

ইবলীসের বাঁচার ৯টি উপকরণ
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=829178795226000&id=100044016622361&mibextid=Nif5oz

দ্বীনের বুঝ পাওয়ার পর, পূণরায় বেদ্বীনি অভ্যাসে জড়িয়ে পড়াঃ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা। দ্বীনের পথে আসার পর এই লেখাটি সত্যিই সকলের (বিশেষ করে ভাইদের) জন্যে অবশ্যপাঠ্য করে নেওয়া জরুরি-
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=828996378577575&id=100044016622361&mibextid=Nif5oz

উস্তায তারেকুজ্জামান হাফিযাহুল্লাহর স্বর্ণাক্ষরে লিখে রাখার মতো কিছু কথাঃ
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=828863671924179&id=100044016622361&mibextid=Nif5oz

https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=828636198613593&id=100044016622361&mibextid=Nif5oz

দান, নামাজে খুশুখুজু ও পিতামাতার সাথে সদ্ব্যবহার বৃদ্ধি করি:
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=828495495294330&id=100044016622361&mibextid=Nif5oz

গান-বাজনার কুপ্রভাবঃ যুবসমাজের অন্যতম ভয়াবহ ব্যাধি
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=828185628658650&id=100044016622361&mibextid=Nif5oz

বদনজর হতে সাবধান, গুরুত্বপূর্ণ রিসোর্স পোস্টের কমেন্টে:
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=828066965337183&id=100044016622361&mibextid=Nif5oz

গান গাওয়া ও শোনার ৭ প্রকারের ক্ষতি:
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=827781275365752&id=100044016622361&mibextid=Nif5oz

একটি গুরুত্বপূর্ণ কথোপকথন (আমাদের ৪ দাবি, কিন্তু আমল তার বিপরীত)
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=827716808705532&id=100044016622361&mibextid=Nif5oz

প্রোডাক্টিভ আমলের কিছু কমেন্ট:
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=827435468733666&id=100044016622361&mibextid=Nif5oz

আল্লাহর সাথে শিরক করার ভয়াবহতা নিয়ে চমৎকার তিলাওয়াত:
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=827261205417759&id=100044016622361&mibextid=Nif5oz

কটুভাষীদের শুকরিয়া আদায়:
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=827211505422729&id=100044016622361&mibextid=Nif5oz

বাচ্চাদের যে কারণে কখনোই একা ছাড়বেন না:
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=826938845449995&id=100044016622361&mibextid=Nif5oz

জাহান্নামের ব্যাপারে দৃষ্টিকোণ:
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=826918718785341&id=100044016622361&mibextid=Nif5oz

প্রশান্ত আত্মা চাওয়ার দুয়া
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=826798202130726&id=100044016622361&mibextid=Nif5oz
পুলিশ কর্তৃক নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হলে আপনার করনীয়:

২০১৪ সালে ঝনি নামে এক যুবক পুলিশ হেফাজতে নির্যাতনের ফলে মারা যায়। গত ৯/৯/২০২০ তারিখে নির্যাতনের সাথে সংশ্লিষ্ট তিনজন সাবেক পুলিশ কর্মকর্তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন সেশন কোর্ট।

নির্যাতন এবং হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইন, ২০১৩ অনুসারে বিচার কাজ শেষ করে আদালত এ রায় প্রদান করেছেন। এই আইন অনুসারে যদি কোন পুলিশ কর্মকর্তা কোন ব্যক্তিকে তার হেফাজতে রেখে শারীরিক বা মানসিকভাবে নির্যাতন করে তাহলে সেই পুলিশ কর্মকর্তা এই আইন অনুসারে দোষী সাব্যস্ত হবে। এই আইনের অধীনে নির্যাতিত ব্যক্তি ছাড়াও যে কোন ব্যক্তি অভিযোগ দায়ের করতে পারবে।এই আইনের অধীনে শুধু কেবল নির্যাতনের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি পাঁচ বছর কারাদণ্ড হতে পারে। কিন্তু আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে থাকা অবস্থায় যদি কোন ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করে তাহলে অভিযুক্ত ব্যক্তির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে।

এই আইনের অধীনে মামলা করতে হলে সরাসরি আদালতে যেতে হবে কোন থানা কিংবা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে মামলা করার কোনো বিধান নেই। আদালতই মামলা দায়েরের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
এই ধরনের মামলার তদন্তভার আদালত পুলিশ এর পরিবর্তে বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।

এই আইনের অধীন দণ্ডনীয় সকল প্রকার অপরাধ জামিন অযোগ্য এবং আপোষের কোনো সুযোগ নেই।
এই আইনের অধীনে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে দণ্ডাদেশ ছাড়াও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির পক্ষে ক্ষতিপূরণের বিধান করা আছে।

২০১৩ সালে এ আইন প্রণয়ন করা হলেও এই আইনের বাস্তব প্রয়োগ খুবই কম তার প্রধান কারণ হলো এই আইন সম্বন্ধে মানুষের অজ্ঞতা এবং আরেকটি কারণ হলো আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বেশিরভাগ লোক অনিচ্ছা প্রকাশ করেন।
সুতরাং ক্ষমতা প্রয়োগের সময় পুলিশ সহ সকল আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে অবশ্যই এই আইনের কথা মাথায় রাখতে হবে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৫ অনুচ্ছেদ নির্যাতন এবং নিষ্ঠুর, অমানবিক, লাঞ্ছনাকর ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে। ২০১৩ সালে এসে এ বিষয়ে আইন হয়েছে কিন্তু এই আইন সম্বন্ধে বেশিরভাগ লোক এমনকি আইন অঙ্গনের লোকও খুব কম জানে।

লেখকঃ মোঃ রোকনুজজামান,
আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।

শেয়ার করে সবাইকে জানার সুযোগ করে দিন।
Android Phone স্পিড বাড়ানোর জন্য যা করতে পারেন...

১.ফোন স্টোরেজ খালি রাখা
২.প্লেস্টোরের বাহিরের এপ্স ইন্সটল না করা।
৩.পর্যাপ্ত র‍্যাম খালি রাখা
৪.Antivirus,ক্লিন,Fast charging,ব্যাটারি ব্যাকাপ এসব হাবিজাবি এপ্স ব্যাবহার না করা।
Some Important Facebook Tricks:
যদিও এটা অনেক আগের।
ফেসবুক এখন অনেক আপডেট হয়েছে।

ফেসবুকে আপনি –

(১) সর্বোচ্চ ৬০০০ গ্রুপের
মেম্বার হতে পারবেন।

(২) সর্বোচ্চ ৫০০০ ফ্রেন্ড
এড করতে পারবেন।

(৩) সর্বোচ্চ ৫০০০ পেজ লাইক
করতে পারবেন।

(৪) একটি ছবিতে সর্বোচ্চ ৫০ জন
ব্যক্তি বা পেজকে ট্যাগ করতে
পারবেন।

(৫) ৫০০০ হাজারের উপরে ফলো করতে পারবেন না।

(৬) ২০জনের অধিক সি ফাস্ট করতে পারবেন না।

(৭) পর পর সর্বোচ্চ ১০০০ জনকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাতে পারবেন।

(৮) সর্বোচ্চ এক হাজার ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট ঝুলিয়ে রাখতে পারবেন।

(৯) লাইক দেয়ার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট
কোন সীমা নেই। তবে প্রতি ৭
মিনিট পরপর এক বারে ৪০ টি করে
লাইক দিলে ব্লক হবেন না।
সারাদিন ধরে করা যাবে।

(১০) ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠানোর
নির্দিষ্ট কোনো সীমা নেই। এটা
নির্ভর করে একসেপ্ট করার
পারসেন্টেজের উপর।
মনে করেন আপনি ৫০০ রিকোয়েস্ট
পাঠালেন। সেই ৫০০ রিকোয়েস্টই
একসেপ্ট হলো, তাহলে কোন সমস্যা
হবে না। আবার ৫০ জনকে
রিকোয়েস্ট পাঠালেন ৫০ জনই
রিজেক্ট করলো। তখন আপনি ব্লক
হবেন। তবে এটা ১০০% হতে হবে
তেমন নয়। বলা যায় ৮০% হলেই হয়।

(১১) আপনি কোন কিছুতে ব্লক হলে
যেমন লাইক,টিউমেন্ট ,মেসেজ,
রিকোয়েস্ট পাঠানো, গ্রুপে
ফ্রেন্ড এড ইত্যাদি ক্ষেত্রে।
সেই ব্লকের মেয়াদ কতদিন বাকি
আছে জানতে Menu>Help & Support>Support Inbox এ ক্লিক করুন।

(১২) কাউকে ক্লোজ ফ্রেন্ড লিস্টে
রাখতে মোবাইল থেকে timeline >
একেবারে নীচে see friend list > close
friend বক্সে টিক দিয়ে done করুন।

(১৩) একটি আইডি থেকে আপনি
আনলিমিটেড পেইজ role/ manage
করতে পারবেন।

(১৪) 60 দিনের আগে নাম চেইন্জ
করতে Setting> General> Name edit >
নীচের দিকে নীল রঙের Learn more >
আবারও নীচে learn more > let us know >
যে নাম দিতে চান বক্সে লিখুন।

1st এবং last name অবশ্যই
লিখতে হবে। middle name না
লিখলেও হবে > Reason forthis change >
Legal Name Change>Choose এ ক্লিক করে
যেকোনো একটি ফটো আপলোড
করে send করে দিন।

৭২ ঘন্টার ভিতর নাম চেঞ্জের
অপশন আসবে। তখন চেন্জ করতে
পারবেন।

(১৫) মোবাইল থেকে পেজের
এডমিন করতে প্রথমে page এ
যান > ডানে more > edit
setting> page roles >
add person to page >
বক্সে নাম সার্চ করে সিলেক্ট করুন >
set as admin >ফেসবুক
পাসওয়ার্ড দিয়ে continue >
অপশন গুলো থেকে যেটা করতে চান
সিলেক্ট করে add এ ক্লিক করুন।

(১৬) পিসি থেকে auto video play অফ
করতে settings & privacy > বাম পাশে নীচে Videos>auto play
videos > default করা আছে off করে দিন।

এটা মোবাইলে ব্রাউজারে
ডেক্সটপ ভিউ দিয়েও করা যায়।

(১৭) আপনার মৃত্যুর পর Real ID বাঁচিয়ে
রাখতে উত্তরাধিকার
সূত্রে কাউকে উইল করতে settings>
security > নীচে legacy contact > নাম
সার্চ করে সিলেক্ট করে দিন।

(১৮) পিসিতে একবারে ১০ টি করে
ট্যাগ রিমুভ করতে timeline > view activity log >বামে নিচে photos > photos of you >
টিক দিয়ে ১০ টি ট্যাগ সিলেক্ট
করুন। ডানে উপরে লক্ষ্য করুন report/
remove tags > I want the photosun tagged > Untag photos এ ক্লিক।

এটা মোবাইলে ব্রাউজারে ডেক্সটপ ভিউ দিয়েও করা যায়।

(১৯) অন্য কারো পিসি বা মোবাইল
থেকে আপনার আইডিতে লগইন
করলেন। কিন্তু লগআউট করতে ভুলে
গেলেন! এক্ষেত্রে অন্য কেউ
আপনার আইডিতে ঢুকে ঝামেলা
করতে পারে।
.
করণীয় হলো Settings > security > active sessions >last accessed এর বক্সে টিক দিয়ে remove selected করে দিন। লগ আউট হয়ে যাবে।

(২০) যে সেটিংগুলো করতে ডেক্সটপ প্রয়োজন সেগুলো মোবাইলে Mozilla, Chrome ব্রাউজার ইনস্টল দিয়ে request desktop site অপশন সিলেক্ট করে করা যায়।

(সংগৃহীত এবং ঈষৎ পরিমার্জিত)
খাল কেটে কুমির আনার মতো, ঘরে বালামুসিবত টেনে আনার অন্যতম উপায় হল, পরিবারের হাসিখুশি ছবি অনলাইনে প্রকাশ করা—বদনজর
না বলতে শেখা কেন জরুরি?
🌿🌿🌿🌿🌿🌿

William Somerset Maugham এর The Luncheon গল্পে একজন উদীয়মান লেখক কিভাবে এক পেটুক মহিলার তোষামদিতে ভুলে বিপুল পরিমাণ অর্থ খুইয়েছিলেন, তার সরস বিবরণ আছে।লেখক বিষয়টি এভাবে বর্ণনা করেছেন,” I was flattered and was too young to have learned to say no to a woman.” আমরা অনেকেই অন্যকে না বলতে পারি না।কোনো কোনো পরিস্থিতিতে না বলা একটি মানসিক দক্ষতা। কিছু টিপস অনুসরণ করে যে কেউ আয়ত্ত এই দক্ষতা অর্জন করতে পারেন।

‘না’ ছোট একটি শব্দ। তবুও না বলা কারো কারো জন্য সত্যিই কঠিন মনে হতে পারে - এমনকি জটিল। আমাদের অনেকের জন্য, না বলাটা ভুল মনে হয়! তাই, যখনই কেউ আপনাকে কিছু করতে বলে, আপনি মনের ইচ্ছার বিরুদ্ধে হয়তো বলে ফেলেন, “হ্যাঁ! অবশ্যই!”

কিন্তু বাস্তবে, আপনি বিপরীত কিছু অনুভব করতে পারেন। হয়তো আপনি অন্য কিছু করতে চেয়েছিলেন। হয়তো আপনার জন্য এটা বলাই ভালো ছিল, “দুঃখিত, আমি এটা পারবো না।” আমরা অনেকেই জানি না, মনের ইচ্ছার বিরুদ্ধে হ্যাঁ বলা মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়।

না বলা সত্যিই একটি দক্ষতা, যা আপনাকে আরো বেশি স্মার্ট করতে পারে। পরিস্থিতির দাবি অনুযায়ী আপনি না বললেই স্বাভাবিক বোধ করবেন। মনের চাপ কমবে।

বিভিন্ন পরিস্থিতিতে না বলার দক্ষতা তৈরি করার জন্য এই লেখাটিতে বেশ কয়েকটি উপায় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

কেন না বলা কঠিন?
☘️☘️☘️☘️☘️☘️☘️

না বলা শুধু আপনার জন্য চ্যালেঞ্জিং নয়, আপনার মতই অনেকেই আছেন, যারা না বলতে পারেন না।সামাজিক মনোবিজ্ঞানী ডক্টর ভেনেসা কে. বোহনস ২০১৬ সালে অন্যদের উপর মানুষের প্রভাব নিয়ে গবেষণা করে লিখেছেন, "অনেক মানুষ প্রায়ই অনুরোধে ঢেঁকি গিলে ফেলেন। এমন কিছু করতে সম্মত হন - যা তারা করতে পছন্দ করেন না। তারা এমন করেন শুধুমাত্র 'না' বলার অস্বস্তি এড়াতে।"
“আমরা সম্পর্ক রক্ষার তাগিদে হয়তো হ্যাঁ বলে দিতে পারি। কারণ আমরা নিজেকে কঠিন হিসেবে দেখাতে চাই না।” বলেছেন ড. এমিলি আনহাল্ট নামে একজন ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট।
ডক্টর নিকোল ওয়াশিংটন নামে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ এবং এলোসিন সাইকিয়াট্রিক সার্ভিসেসের চিফ মেডিকেল অফিসার বলেছেন, “আমরা একজন ভালো বন্ধুকে নিরাশ করতে চাই না বা কারো অনুভূতিতে আঘাত করতে চাই না, এজন্য না বলতে চাই না।”

আরেকটি কারণ আমাদের অতীত অভিজ্ঞতা আমাদেরকে হ্যাঁ বলতে শেখায়। মনোবিজ্ঞানী আনহাল্টের মতে, বড় হওয়ার সময়, আপনি নিজের পক্ষে ওকালতি করতে শেখেননি।

“এটাও সত্যি যে আপনি হ্যাঁ বলেন, কারণ আপনি সাহায্য করতে চান। কিন্তু আপনি ভুলে যান যে আপনি চাইলেই একজনকে সব সময় সাহায্য করতে পারবেন না।” আনহল্ট বলেছেন।

নিকোল ওয়াশিংটন বলেছেন, “আমরা এটা ভেবে উদ্বিগ্ন হই যে, না বলার মাধ্যমে আমরা একটি নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করার বিষয়ে আমাদের অক্ষমতা প্রদর্শন করি।”

কেন না বলা ভালো
☘️☘️☘️☘️☘️☘️☘️

নিজেকে রক্ষা করতে কখনো কখনো ব্যক্তিগত বা পেশাগত পরিস্থিতিতে না বলতে হয়। ওয়াশিংটন বলেন, নিজের যত্নের জন্য না বলাটা জরুরি। তিনি উল্লেখ করেছেন, না বলার কিছু সুবিধা আছে।

🔷 বিশ্রামের সুযোগ পাওয়া যায়। যা আমাদেরকে পুনরুজ্জীবিত করে।
🔷 লক্ষ্যে অবিচল থেকে নিজের কাজে ব্যস্ত থাকা যায়।
🔷প্রিয়জন এবং সহকর্মীদের সাথে সম্পর্কের সীমানা নির্ধারণ করা যায়।
চূড়ান্ত বিচারে, প্রয়োজন বুঝে না বলা আমাদের জীবনকে ব্যাপকভাবে এগিয়ে নেয়, আনহাল্ট বলেন। এটি আমাদেরকে নিজেদের মত করে একটি পরিপূর্ণ, অর্থপূর্ণ জীবন গড়ে তোলার সুযোগ দেয়। সর্বোপরি, আমরা কেবল নিজের উপর ক্ষমতার উপর আস্থা রাখতে পারি।

কখন না বলা দরকার?
☘️☘️☘️☘️☘️☘️☘️

কখনও কখনও, আমরা না বুঝেই হ্যাঁ বলি। কারণ আমরা জানি না আমরা কী চাই। আমাদের নিজেকে জানতে হবে। বুঝতে হবে, কোন জিনিসগুলো মন সায় দিচ্ছে না।

যেভাবেই হোক, কখন প্রত্যাখ্যান করা আপনার পক্ষে সর্বোত্তম তা নিয়ে ভাবা দরকার। কোন পরিস্থিতিতে কীভাবে এগিয়ে যেতে হবে সে সম্পর্কে আপনি ইতিবাচক না হলে নিজেকে এই প্রশ্নগুলি জিজ্ঞাসা করুন:

🔷 হ্যাঁ বলা কি আপনাকে আরও গুরুত্বপূর্ণ কিছুতে ফোকাস করতে বাধা দেবে?
🔷আপনার সম্ভাব্য সিদ্ধান্ত আপনার মূল্যবোধ,বিশ্বাস, এবং লক্ষ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না?
🔷আপনার মূল্যবোধ, বিশ্বাস এবং বর্তমান লক্ষ্যগুলি কী কী?
🔷হ্যাঁ বলা কি আপনাকে আরও ক্লান্ত বা পরিশ্রান্ত করে ফেলবে?
🔷হ্যাঁ বলা কি আপনার মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ভালো হবে? অথবা এটা কি আপনার জন্য খারাপ হবে?
🔷অতীতে, আপনি যখন হ্যাঁ বলেছেন, তারপরে আফসোস করেছেন কি?
🔷যা প্রত্যাখ্যান করা আপনার জন্য ভালো ছিল, অথচ আপনি তা গ্রহণ করেছিলেন কোন পরিস্থিতিতে? আপনি কিভাবে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন?

উপরের প্রশ্নগুলির উত্তর জানা থাকলে আপনি বুঝতে পারবেন কখন এবং কোন পরিস্থিতিতে না বলতে হবে।

কিভাবে "না" বলবেন?
☘️☘️☘️☘️☘️☘️☘️
সত্যি কথা বলতে কি "না" বলাটা খুব সহজ নয়। নিচে কয়েকটি কাল্পনিক পরিস্থিতিতে কীভাবে না বলা যায়, তার কিছু নমুনা বা উদাহরণ দেওয়া হলো।

💥 আপনি সবাইকে সাহায্য করতে চান। না বলা মানেই তো অন্যদের ফিরিয়ে দিলেন, তাই না ?
এমন পরিস্থিতিতে বিনয়ের সাথে বলে ফেলুন, “আমি সত্যিই দুঃখিত, আমার এখন এত কাজ, নিঃশ্বাস ফেলার সময় পাই না। আপনাকে কিভাবে সাহায্য করব, বলুন?”

💥যদি কোনো বয়স্ক মানুষ আপনাকে কোনো অনুরোধ করেন, আপনি হয়তো সম্মানের খাতিরে তাঁকে না বলবেন না। অনেক সময় ভালো না লাগলেও অনুরোধে ঢেকি গিলতে হয়, সত্যি কি না বলুন ?
অনুরোধে ঢেঁকি না গিলে বরং তাঁকে ভদ্রভাবে বলুন, “ইস্! এমন সময়ে আপনি বললেন, আমি অন্য কাজের মধ্যে ডুবে আছি। এটা পরে করলে হয় না ?”

💥আপনি শান্তিপ্রিয় মানুষ।বিবাদ এড়াতে চান। আপনার খেতে ইচ্ছা করছে মুরগি, বউ বলছে, আজকে মাছ রাঁধি। আপনি কি "না " বলবেন ? বউ বড়, না মুরগি?
এমন পরিস্থিতি সত্যিই কঠিন।আপনি মিষ্টি করে বলুন, “তোমার হাতের রান্না খুবই চমৎকার।সেদিনের মুরগির স্বাদ এখনও জিভে লেগে আছে। আজ মুরগি খেলে কেমন হয়।

💥 আপনি চান সবাই আপনাকে পছন্দ করুক। বাসার সবাই বলছে, চলো, পিকনিকে যাই আর আপনি বলবেন, না, আমি ঘরে বসে টেস্ট ক্রিকেট দেখবো। ঠিক যেন গরম দুধে লেবুর রস!
এরকম পরিস্থিতিতে বরং বলতে পারেন, “ খুবই ভালো আইডিয়া।কিন্তু আমার আজ বাইরে যেতে ইচ্ছে করছে না।”

💥 আপনি চান না উদ্ধত বা নাক উঁচু হতে। কেউ যেন না বলে ঐ ভদ্রলোকের দেমাগ বেশি I
ঠিক আছে, ভদ্রতা বজায় রেখে সুন্দরভাবে বলতে পারেন, “ চমৎকার আইডিয়া আপনার, আমি আনন্দের সাথে এটা করতাম, কিন্তু হাতে এত কাজ।” অথবা অন্যভাবেও বলতে পারেন, “এ ব্যাপারে ভেবে দেখি, পরে জানাব আপনাকে।”

💥আপনি ভাবছেন, বস কোন কিছু করতে বললেন, যদি বসকে না বলেন বা তার কথা না মানেন, বেতন বৃদ্ধি বা প্রমোশনের সময় তিনিও নিশ্চয়ই না বলবেন!
এটিও একটি জটিল পরিস্থিতি। এমন পরিস্থিতিতে না পারবেন বসকে খুশি করতে, না পারবেন নিজের আনুগত্য প্রমাণ করতে। বরং বিনয়ের সাথে বলুন, “বস, সত্যি বলতে কি, আমি এ ব্যাপারে একেবারে অনভিজ্ঞ। নিশ্চয় আমি এ বিষয়ে জানার ও শেখার চেষ্টা করবো।”

💥 আপনি একজন নারী।স্বল্প পরিচিত কিংবা অপরিচিত কেউ আপনার মুঠোফোনের নম্বর চাইছেন, আপনি দিতে চান না, এমন পরিস্থিতিতে কৌশল করে বলুন, “আমার স্বামী বা বয়ফ্রেন্ডকে জিজ্ঞেস করব, ও যদি অনুমতি দেয়, আপনাকে জানাবো, ঠিক আছে!”

এই সাতটি উত্তর যদি মনের মতো না হয়, সরাসরি বলবেন, “সত্যি আমি দুঃখিত, আমি এটা পারব না।” ভয় পাবেন না, দেখবেন কিছুই হবে না, কেউ কিছু মনে করবেন না। আর মনে করলেও আপনার কিছু যায় আসে না। বরং এতে বেঁচে যাবে আপনার সময়, অর্থ, এমনকি সম্মান।

সুতরাং মিষ্টি করে ‘না’ বলতে শিখুন।বিশ্বাস করুন, ‘না’ বলতে পারাটা এক ধরনের সাহস! ‘না’ বলা এক ধরণের শিল্পও বটে!

তথ্যসূত্র:

https://psychcentral.com/lib/learning-to-say-no#recap

https://www.wikihow.com/Say-No

https://www.scienceofpeople.com/how-to-say-no/
রুকইয়াহ শোনার নিয়ম।

অজু করে নিয়ত করে চোঁখ বন্ধ করে শুনবেন টানা ব্রেক ছাড়া,পতিক্রিয়া যদি হয় তাহলে বার বার শুনতে থাকবেন প্রয়োজনে সময় বাড়িয়ে নিবেন।
হোস্টেলে থাকা মেয়েদের দেখা যায় সাধারণত একইসাথে সবার পিরিওড শুরু হয়.. কিংবা কাছাকাছি দিনে।
রুমমেট বা সারাক্ষণ একসাথে থাকা বান্ধবীদেরও পিরিওড একসাথে কিংবা কাছাকাছি সময়ে শুরু হয়। তাছাড়া জেলখানায় নারীবন্দি কিংবা আর্মিতে থাকা নারী সেনাদেরও তাই ঘটে।
তাদের পিরিওডের ডেট প্রথম দিকে ভিন্ন ভিন্ন হলেও কয়েক মাস একসাথে থাকার পর ধীরে ধীরে সবার একই বা কাছাকাছি ডেটে চলে আসে। এটাকে "মেন্সট্রুয়াল সিনক্রনি" বলা হয়।
এক্ষেত্রে একই সাথে থাকা মেয়েদের মেন্টাল কানেকশন তাদের সবার শরীরের ফিজিওলজির উপরেও একই প্রভাব ফেলে। আবার ফেরোমেন থিওরি দিয়েও ব্যাখা দেয় অনেকে।
তিব্বতে কিছু বৌদ্ধ ভিক্ষু আছে, যারা মাইনাস তাপমাত্রার মত বরফ পড়া আবহাওয়াতেও দিব্যি পাতলা পোশাক পরে চলাফেরা করে।
কিভাবে তারা এটা করে এখনো রহস্য রয়ে গেছে। তবে হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির একদল গবেষক ধারণা দিয়েছেন, মেডিটেশনের মাধ্যমে তারা ব্রেনের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণকারী অংশকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। অর্থাৎ মন দিয়ে তারা শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
এমনকি, তারা শরীরের মেটাবলিজম প্রক্রিয়াকে ৬০ ভাগ পর্যন্ত নামিয়ে ফেলতে পারে, যেখানে স্বাভাবিক মানুষের ঘুমের ভেতর এটা নামে ১০-১৫ ভাগ।
মানুষের মন জিনিসটা সত্যি অনেক অদ্ভুত ও শক্তিশালী একটি জিনিস।
আপনি হয়তো কারো কথা খুব ভাবছেন মনে মনে। দেখা গেল ঠিক তখনই তার সাথে দেখা হয়ে গেল... কিংবা কাউকে ফোন দিবেন বলে তার নাম্বার ডায়াল করতে যাবেন, ঠিক সেই মুহুর্তেই সে আপনাকে ফোন দিল...
এটা মানুষ-প্রাণীর মাঝেও হতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, এক লোকের পোষা কুকুর ছিল। তিন বাসায় এসেই দরজা খুলে কুকুরকে দেখতে পেতেন। লোকটার বাসায় একটা ক্যামেরা সেট করে দেওয়া হল। আর সেদিন দুপুরে হঠাৎ করে লোকটাকে বাসায় যেতে বলা হল।
দেখা গেল, লোকটা বাসায় যাওয়ার জন্য যেই মাত্র গাড়িতে উঠেছে, বাসার কুকুর দরজার কাছে এসে দাঁড়িয়ে গেছে।
এগুলোকে অনেকে আবার টেলিপ্যাথি হিসেবে আখ্যায়িত করে। এগুলো কমবেশি সব মানুষের জীবনে মাঝেমাঝেই ঘটে।
আসলে, কাছের মানুষদের মাঝে অটোমেটিক্যালি এক ধরনের আত্মিক একটা যোগাযোগ তৈরি হয়।
এই জন্যই সন্তানের বিপদে মা বাবা দুরে থাকলেও টের পায়... স্বামীর কিছু হলে স্ত্রীর মন ছটফট করতে থাকে। এমনকি কাছের বন্ধুর কিছু হলে আরেক বন্ধুও সেটা বুঝতে পারে।
যারা যত মনের দিক থেকে কাছে যেতে পারে, তাদের মধ্যে এই আত্মিক যোগাযোগ তত বেশি তৈরি হয়।
তাই সম্পর্কের ভিত্তি হতে হয় মন নির্ভর, শরীর নির্ভর নয়। যত বেশি দুটো মন কাছাকাছি আসবে, তত বেশি আত্মিক টান তৈরি হবে।
শরীরের সুখ সকলেই দিতে পারলেও মনের সুখ সবাই দিতে পারে না...

---------
Dr.Taraki hasan mehedi
আপনাকে কেউ কল দিলে বন্ধ বললে এই সমস্যা হতে পারে:

1. সিগন্যাল সমস্যা: আপনার বাসা বা কাজের জায়গায় মোবাইল সিগন্যাল সমস্যা থাকতে পারে। অন্য জিপি সিম ব্যবহারকারীর সাথে যোগাযোগ করে দেখুন তারা কি একই সমস্যা করছে।

2. সিম সমস্যা: আপনার সিম কার্ডে সমস্যা হতে পারে। আপনি একটি নতুন সিম নিতে পারেন আপনার নিকটস্থ জিপি সেন্টার থেকে।

3. মোবাইল সমস্যা: আপনার ফোনে অভ্যন্তরীণ সমস্যা হতে পারে যা সিগন্যাল গ্রহণ করতে সমস্যা করছে। একটি অন্য ফোনে সিমটি প্রয়োগ করে দেখতে পারেন সমস্যা তা থেকেও হয় কিনা।

4. সফটওয়্যার সমস্যা: আপনার মোবাইলের সফটওয়্যার অপডেট বা অন্য সফটওয়্যার সমস্যা হতে পারে।

আপনি নিম্নোক্ত পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারেন:

1. আপনার সিম কার্ডটি পুনরায় সেট করুন বা অন্য ফোনে প্রয়োগ করে সমস্যা হয় কিনা তা পরীক্ষা করুন।
2. আপনার মোবাইলটি পুনরায় চালু করুন।
3. আপনি আপনার মোবাইল নেটওয়ার্ক সেটিংস চেক করতে পারেন এবং সেটি 2G/3G/4G অথবা অটো মোডে সেট আছে কিনা তা দেখতে পারেন।
4. আপনি একটি নতুন সিম কার্ড নিতে পারেন এবং সমস্যা সল্ভ হয় কিনা তা দেখতে পারেন।
5. অবশেষে, আপনি জিপি গ্রাহক সেবা সেন্টারে যোগাযোগ করতে পারেন।

এই প্রক্রিয়াগুলি অনুসরণ করে আশা করি আপনি সমস্যা সমাধান করতে পারবেন।
মিলনের উত্তম সময়ঃ-

১.স্ত্রীর মাসিকের চক্রের মাঝের সময়,কেননা এই সময়ে নারীর যৌ-ন হরমোন বেশি থাকে।

২.স্ত্রীর মন মানসিকতা ভালো থাকলে মিল-নে তৃপ্তি সহজে আসবে।

৩.শেষ রাতে মিলনে অ-র্গা-জ-ম সহজ হয়।

৪.নিরিবিলি পরিবেশ বা সময়ে স-হ-বা-স করা ভালো।

৫.অতিরিক্ত ভরা পেট বা খালি পেটে স-হ-বা-স করবেন না,মাঝামাঝি সময়গুলো বেশি ইফেক্টিভ হয়।

#DrSRKhan
বিপদে পরে টাকা চেয়েছেন কারো কাছে, সাথে সাথেই ব্যবস্থা করে দিয়েছে। তারমানে এই নয় যে আপনার জন্য অলস টাকা নিয়ে সে বসে ছিলো।

কেউ আপনার খাবারের বিল আগে দিয়ে দিয়েছে, এর মানে এই নয় যে তার কাছে টাকার পাহাড় আছে।

লোকাল বাসে আপনার ভাড়াটা পরিচিত কেউ দিয়ে দিয়েছে, মানে এই নয় যে তার মানিব্যাগ ভর্তি টাকা আছে। তার টাকার পাহাড় নেই কিন্তু পাহাড়ের চেয়েও উঁচু একটা মন আছে।

কেউ আপনাকে বিনয়ের সাথে 'সরি' বলেছে মানে এই নয় যে সব দোষ তার। কিছু দোষ হয়তো আপনারও ছিল অথবা তার আসলে কোনো দোষই ছিল না, শুধু অহেতুক ঝগড়া করে সম্পর্কটা নষ্ট করতে চায়নি বলেই সে সরিটা নিজেই বলে দিয়েছে। এটা তার দুর্বলতা নয়, এটা তার বিনয়।

কেউ আপনার সব কথা মেনে নিয়েছে মানে এই নয় যে, আপনি সবসময় যৌক্তিক কথা বলেন। বরং আপনাকে সে প্রচন্ড ভালোবাসে অথবা সন্মান করে বলেই আপনার যৌক্তিক অযৌক্তিক সব কথাই সে মেনে নেয়।

যাতে আপনি এতটুকু কষ্ট না পান। কারণ আপনার কষ্ট আপনাকে যতটা না কষ্ট দেয় তার চেয়ে আপনার কষ্ট তার বুকে আঘাত করে বেশি৷ এটাই ভালোবাসা।

সব কথার জবাব সবাই মুখে দেয় না। কেউ কেউ সময়ের হাতে ছেড়ে দেয়। কেউ একটু হেসেই চলে যায়। তার হাসির মানে এই নয় যে আপনার কথা তার ভালো লেগেছে।

মনে রাখবেন - Silence is the best answer of all stupid question & smile is the best reaction in all critical situation.

যার সম্পর্কে আপনি খুব মিথ্যা বাজে কথা বলেছেন তিনি সেসব শুনেও প্রতিবাদ না করে চলে গেছে মানে এই নয় যে, সে আসলেই তাই যা আপনি তার সম্পর্কে বলেছেন। বরং ব্যক্তিটার তার নিজের প্রতি সম্মানটা অনেক বেশি যার কারণে কারো নোংরা কথার জবাব দিয়ে তিনি তর্কে জড়াতে চায়নি।

কেউ আপনাকে ক্ষমা করে দিয়েছে মানে এই নয় যে আপনি খুব ছোট ভুল করেছেন বা কোনো অপরাধই করেননি। বরং এমনও হতে পারে তিনি বিচারটা মহান আল্লাহর হাতেই তুলে দিয়েছেন।

প্রতিশোধ না নেওয়াটাই কখনো কখনো বড় প্রতিশোধ হয়ে যায়।

সংগ্রহঃ চৌধুরী মফিজুর রহমান
মন ভালো করার কার্যকরী কিছু টিপসঃ 👇
বেশি করে পানি পান করুন
সময় নিয়ে ভালো ভাবে গোসল করে নিন
সুন্দর পরিস্কার কাপড় পরিধান করুন
নিজের পছন্দের মানুষের সাথে সময় কাটান
নিজের হাতে গাছ রোপণ করুন
খালি পায়ে মাটিতে হাটুন
মেডিটেশন করতে পারেন
লম্বা দম নিন, আস্তে আস্তে দম ছাড়ুন
অন্যের উপকার করুন
কৃতজ্ঞতা স্বীকার করুন, উপলব্ধি করুন-
👉 জীবন কি কি পেয়েছেন?
👉 কার কার কাছ থেকে উপকার পেয়েছেন?
👉 কি কি বিপদ থেকে রক্ষা পেয়েছেন?
👉 অন্য অনেক মানুষের থেকে আপনি কতটা ভালো আছেন অনুধাবন করুন
(এই চিন্তা গুলো আপনাকে পজেটিভ থিংকিং এর প্রতি আকৃষ্ট করবে)
নামাজ পড়ুন, রুকু, সেজদা লম্বা করুন ( প্রত্যেকের নিজ নিজ ধর্ম অনুযায়ী ধর্মীয়
কাজগুলো করুন)
পথ শিশুদের কে নিয়ে রেস্টুরেন্টে গিয়ে, ওদের মন ভরে কিছু খাবার খাওয়ান, দেখবেন ওদের অকৃত্রিম হাসি দেখে আপনি নিমেষেই অনেক ভালো অনুভব করছেন।
পাখি, বিড়াল কিংবা অন্য কোনো প্রাণীর সাথে কিছু মূহুর্ত তৈরি করুন, ওদের যত্ন নিন, দায়িত্ব নিন, ওদের খেতে দিন। দেখবেন ওদের অকৃত্রিম ভালবাসা আপনার মন ছুয়ে যাবে।
একজন প্রফেশনাল সাইকোলজিস্ট এর সাহায্য নিন/ কনসাল্টেশন নিন।

🔆⁉️ কে কে কোন কোন টিপসের মাধ্যমে উপকার পাচ্ছেন আমাদের জানাতে ভুলবেন না কিন্তু❤️
🌸 ভালো লাগলে শেয়ার করবেন অবশ্যই
জ্বীন যখন ক্যান্সারের কারণ।

কিছু জ্বীন আছে যারা ক্যান্সারের কারণ।
একজন মহিলার ডান স্তনে ক্যান্সার ছিল, এবং ডাক্তাররা সিদ্ধান্ত নেন যে এই অংশটি অপসারণ করা উচিত। বাস্তবেই এটি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে অপসারণ করা হয়েছিল।

তারপর, অল্প সময় পরে, তার বাম স্তনে ব্যথা শুরু হয়। ডাক্তাররা ডাক্তারি পরীক্ষা করে সিদ্ধান্ত নেন যে, এটি ক্যান্সার এবং এই (অবশিষ্ট থাকা )অন্য স্তনের ক্যান্সার অবশ্যই নির্মূল করা উচিত।

তখন তার পরিবার আতঙ্কিত হয়ে পড়ে এবং কোরআনের চিকিৎসার আশ্রয় নেয়। তার কাছে কুরআন তিলাওয়াত করার পর জ্বীন তার মুখে কথা বলে এবং আমাদের বলে যে, সেই তার এই রোগের কারণ ছিল । এমনকি এই পরিকল্পনাও করেছিলো যে, হাঁটুকেও স্তনের মতো এক‌ইভাবে আক্রান্ত করবে।

.

এরপর কুরআন দ্বারা চিকিৎসার মাধ্যমে জ্বিন এই মহিলাকে ছেড়ে বেরিয়ে যায় এবং মহিলার ব্যথাও চলে যায়। পুনরায় তারা পরীক্ষা করে দেখেছেন যে,মহিলা শতভাগ নিরাপদ ও সুস্থ।
মাজমুউল ফাত‌ওয়া (৮/৩৬৪)

- শায়খ আব্দুল আযীয বিন বায রাহিমাহুল্লাহ
من أسباب مرض السرطان والأمراض
هناك من الجن من يكون سبب في مرض السرطان
إمرأة أصيبت بمرض السرطان في ثديها الأيمن وأقرَّ الأطباء ضرورة استئصال هاذا الجزء وبالفعل تم استئصاله بالجراحة ثم بعد قليل عاودها الألم في ثديها الأيسر وبإجراء التحاليل الطبية اقر الأطباء أنه مرض السرطان ولابد من استئصاله هو الآخر ففزع أهلها ولجؤا الي العلاج بالقرآن ،وبعد القراءة عليها نطق الجن علي لسانها وأخبرنا أنه هو الذي سبب لها هاذا المرض وان كان مخططا ان يصيب الركبة بمثل ما أصاب الثديين وبالعلاج القرآني خرج الجن وترك هاذه السيدة وزال الألم عن السيدة وبإعادة التحاليل وجدوا أنها سليمة مئة بالمائة.
📚مجموع فتاوي ومقالات متنوعة لسماحة الشيخ عبدالعزيز بن باز رحمه الله (8/364)
━━━━━━━━━━━━━━
সেক্স কাউন্সিলিং কি ? কখন করা উচিৎ ? কারা করান ?

প্রথমে জেনে নেয়া যাক সেক্স কি ?

- সেক্স হল এমন একটি ক্রিয়া, যা আমাদের শরীরে নির্দিষ্ট হরমোন উৎপন্ন হবার ফলে হয়ে থাকে। একটু সহজ করে বলার চেষ্টা করি ,
আমরা যখন কাউকে দেখে তার প্রতি শারীরিক ভাবে আকর্ষিত হই, কিংবা তাকে নিয়ে রোম্যান্টিক ভাবনা ভাবতে থাকি অথবা কোন ভিডিও, সিনেমা, এক্ট দেখে শারীরিক ভাবে নিজেকে সেই যায়গায় বসাই এবং রোম্যান্টিক ভাবনা ভাবতে থাকি, তখন আমাদের ব্রেইনে সেক্স হরমোন উৎপন্ন হয়। ছেলেদের ক্ষেত্রে, "টেস্টোস্টেরন" এবং মেয়েদের "প্রোজেস্টেরন", "ইস্ট্রোজেন" হরমোন উৎপন্ন হয়।মেয়েদের ক্ষেত্রেও সেক্স ড্রাইভ বাড়াতে টেস্টোস্টেরন কাজ করে।

এর ফলে কি হয় ?
এই হরমোন উৎপন্ন হতে হতে এক সময় আমাদের শরীরে যে রিপ্রোডাক্টিভ সিস্টেম আছে, তা এক্টিভ হয়ে যায়। তখন "পুরুষ অর্গানে" ইরেকশন হয় এবং "নারী অর্গান" উন্মুক্ত হয় এবং এক সময় ডিসচার্জ প্রডিউস হয়। এভাবে এই পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

কেন মানুষ ভেদে এই ক্রিয়া ভিন্ন হয়, কারো কারো ক্ষেত্রে বাধাগ্রস্ত হয় কিংবা ত্রুটিপূর্ণ হয় ?

শারীরিক ত্রুটি বিষয়টি বাদ রেখে শুধু মানসিক বিষয় নিয়ে বলছি ।
যেহেতু সেক্স এর পুরো প্রক্রিয়াটা কেমন হবে তা নির্ভর করে অনুভূতির উপরে আর অনুভূতির উপরে ভিত্তি করেই যেহেতু হরমোন কম কিংবা বেশি প্রডিউস হয়, তাই সেক্স এক্ট করার সময় সেক্স সম্পর্কে যদি কারো প্রচুর ভুল ধারণা থাকে, অজ্ঞতা থাকে, তাহলে তার প্রভাব হরমোন উৎপাদনের উপরে পড়ে। যেমন কারো সেক্স ভীতি থাকলে তার ক্ষেত্রে হয়ত সেক্স হরমোন উৎপন্ন-ই হবে না, কিন্তু খুব ই কম উৎপন্ন হতে পারে। তখন, ছেলেদের ইরেকশনে সমস্যা হতে পারে , মেয়েদের ক্ষেত্রে পেইন হতে পারে, অর্গাজম হয় না ইত্যাদি না না ধরণের সমস্যা তৈরি হয় । সেক্স বিষয়ে বেশির ভাগ সমস্যার কারণ ই হল, এই বিষয়ে জানার অজ্ঞতা কিংবা সঠিক ধারনা না থাকা । সেই সাথে পারিবারিক , সামাজিক , আর্থিক নানা ধরণের প্রেশার মিলে মিশে পুরো বিষয়টাই প্রচণ্ড জগাখিচুড়ি টাইপ বিষয় হয়ে যায় এবং প্রফেশনাল হেল্প না নিয়ে আরও কোন উপায় থাকে না ।

এর চিকিৎসা কি ?

চিকিৎসা ৩ ধরণের হয়ে থাকে ।
১ । মেডিকেশন বা ওষুধ যা শুধুমাত্র সেক্সোলজিস্ট ( এই বিষয়ে অভিজ্ঞ ডাক্তার) দিয়ে থাকেন
২ । সেক্স কাউন্সিলিং
৩ । সাইকো সেক্সূয়াল থেরাপি ( সমস্যার উপর ভিত্তি করে নির্দিষ্ট থেরাপি কিংবা একাধিক থেরাপি করানো)

সেক্স কাউন্সিলিং কি ?

সেক্স কাউন্সিলিং হল খুব ই হালকা কিংবা মাইল্ড স্টেজের চিকিৎসা পদ্ধতি । যদি কারো শারীরিক ত্রুটি না থাকে এবং মানসিক সমস্যাগুলো অতি জটিল না হয়, সেক্ষেত্রে এই কাউন্সিলিং করা হয়। যেমন-
বিয়ের আগে অনেকের ভয় থাকে যে আমার দ্বারা এই এক্ট হবে কিনা , কিংবা কারো কারো ক্ষেত্রে হুট করে আগ্রহ চলে যায় , মাইন্ড ব্লকেজ চলে আসে , আবার সেক্স বিষয়েই অনেক সময় কাঁপলদের মধ্যে নানা ধরণের ইস্যু তৈরি হয় , কিংবা মাষ্টার বেসন করতে গিয়ে পর্ণ এডিক্টেড হয়ে যান অনেকে , কোন কারণে সেক্স ট্রমা হয় কারো কারো , কেউ কেউ ভুল এক্ট করে বিব্রত থাকেন , অনেকে আছেন যাদের সেক্স বিষয়ে নানা ধরণের ডাউট ক্রিয়েট হয় ইত্যাদি ক্ষেত্রে এই কাউন্সিলিং বেশ কাজ দেয় ইত্যাদি ।

আর একটা বিষয়ে কাউন্সিলিং খুব ই ভাল কাজ করে, যাদের সেক্স্যুয়াল এবিউজের হিষ্ট্রি থাকে সেটা ছেলে কিংবা মেয়ে দুজনার ক্ষেত্রেই হতে পারে , তাদের স্বাভাবিক সেক্স লাইফ ফেরাতে, সেক্স কাউন্সিলিং জরুরী । অনেক নারীরা তাদের ফাস্ট নাইটে স্বামী কিংবা প্রেমিকের ভুল আচরণে ফলে ট্রমাটাইজ হয়ে যান এবং সেটা বাড়তে বাড়তে এক সময় ভীতিকর পর্যায়ে চলে যায় । আবার কোন কোন ছেলেরা সেক্স এক্টে তার পার্টনারের বিদ্রূপের স্বীকার হয়ে আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেন, এই ধরণের বিষয়েও কাউন্সিলিং খুব ই উপকারী ।

এই কাউন্সিলিং কিভাবে করা হয় ?

এই কাউন্সিলিং ওয়ান টু ওয়ান কিংবা গ্রুপেও হয়ে থাকে। ওয়ান টু ওয়ান মানে যার সমস্যা তার সাথে বসে আলাপ করা হয়, আর গ্রুপে হলে, সেটা ঐ একি ধরণের সমস্যা নিয়ে একি বয়সীদের সাথে গ্রুপ ডিসকাশনের মাধ্যমে যে ভুল ভ্রান্তিগুলো আছে সেগুলো শুধরানোর চেষ্টা হয়।
তবে গ্রুপ কাউন্সিলিং এর চেয়ে ওয়ান টু ওয়ান কাউন্সিলিং বেশি ইফেক্টিভ কারণ সেখানে নির্দ্বিধায় আলাপ করার সুযোগটা অনেক বেশি থাকে। কাঁপলদেরো ওয়ান টু ওয়ান কাউন্সিলিং করা হয় ।

কারা এই কাউন্সিলিং করান ?

যেহেতু সেক্স কাউন্সিলিং একটা বিশেষ ধরণের কাউন্সিলিং তাই সব সাইকোলজিস্টরা সেক্স কাউন্সিলিং করাতে পারেন না কিংবা করাবার দক্ষতা তাঁদের নেই ।
সেক্স কাউন্সিলিং সাইকোলজিস্টরা করালেও তারা শুধুমাত্র সাইকোলজি ব্যাকগ্রাউন্ডের হলেই হবে না , ওনাদের সেক্স কাউন্সিলিং বিষয়ে আলাদা এক্সপারটিজ মানে লেখা পড়া , কোর্স এবং দীর্ঘদিন কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকতে হয়।
অনেক সময় সেক্সোলজিস্টরা কাউন্সিলিং করান কিন্তু ওনারা যেহেতু ডাক্তার তাই ওনারা সবাই কাউন্সিলিং এ দক্ষ হবেন এমন কথা বলা সম্ভব না । ওনারা মেডিকেশন বা ওষুধ বিষয়ে অভিজ্ঞ থাকেন এ বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই। তবে শুধু মাত্র ওষুধের উপরে নির্ভরশীল হওয়ার পক্ষে আমি না ।

আজ এ পর্যন্তই লিখছি । আপনাদের কোন প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করবেন । আমি চেষ্টা করব সে সব প্রশ্ন নিয়ে আরও একটি লেখা লিখে ফেলতে ।
(প্লিজ এই পোষ্ট কপি করবেন না )
লেখা-Foring Camelia
সূত্র - Sex Without Stress: A Couple's Guide to Overcoming Disappointment, sexualhealthalliance.com , Contemporary Sex Therapy: Skills in Managing Sexual Problems, Dr. Neha mehata's interview