⛔ যদি কেউ AI বা ফটোশপ দিয়ে আপনার ছবি এডিট করে nude ছবি তৈরি করে তাহলে আপনি https://stopncii.org/ এই এড্রেসে গিয়ে আসল ছবি আর এই এডিটেড ছবি জমা দিবেন, তাহলেই তারা ইন্টারনেট এর যত জায়গায় এই এডিটেড ছবি আছে তা সরিয়ে দিবে। এর জন্য আপনার কারো সাথে সরাসরি কথা ও বলা লাগবে না। নিজের পরিচয় ও গোপন থাকবে।
যদি কেউ আপনার ছবি এরকম ভাইরাল করে ব্যপারটি তাৎক্ষণিক সাইবার নিরাপত্তা দল কে জানান, তারা কেইস করে দিলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্হা নিতে পারবে।
ধন্যবাদ
কৃতজ্ঞতাঃ মৃধা অনু
যদি কেউ আপনার ছবি এরকম ভাইরাল করে ব্যপারটি তাৎক্ষণিক সাইবার নিরাপত্তা দল কে জানান, তারা কেইস করে দিলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্হা নিতে পারবে।
ধন্যবাদ
কৃতজ্ঞতাঃ মৃধা অনু
🔰আমরা সবাই অনেক সুন্দর"আলহামদুলিল্লাহ্" কিন্তুু যাদের কোন না কোন কারনে চেহারার সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে গেছে তাদের জন্য আমল টি দেয়া হলো⬇️
1️⃣প্রথম কথা হলো,"আপনার সৌন্দর্য আপনার স্বামীর জন্য আর "মহান-আল্লাহুর"কাছে শুকরিরা আদায় করার জন্য,"তাই সুধু স্বামীর কাছেই সৌন্দর্য
প্রকাশ করার নিয়তে ও "মহান-আল্লাহুর"কাছে শুকরিয়া আদায় করার জন্য আমল টি করবেন।
2️⃣সুতরাং,"অবশ্যই পর্দা করতে চলতে হবে।
3️⃣পাচঁ ওয়াক্ত সালাত আদায় করতে হবে।
4️⃣পুরপুরি ইসলামে প্রবেশ করতে হবে।আর⬇️
📖اَللّٰہُ نُوۡرُ السَّمٰوٰتِ وَ الۡاَرۡضِ ؕ
🌷আল্লা-হুনূরুছ ছামা-ওয়া-তি ওয়াল
আর্দ(সুরা-নূর-আয়াত-৩৫)
🔹প্রত্যকে নামাজের পড় এই পবিত্র আয়াত বেশি বেশি পরে দুই হাতে ফু দিয়ে চেহারা মাসেহ করবেন।
🔸পানিতেও ফু দিয়ে রাখবেন পানিটি খাবেন ও গোছল করবেন আর চেহারা ধুবেন,"চেহারায়"মহান-আল্লাহুর"পবিত্র নূর প্রকাশ পাবে(ইনশাআল্লাহ)
🚫বাহিরে সৌন্দর্য প্রকাশ করার জন্য এই আমল করলে"মহান-আল্লাহুর" লানত ছাড়া আর কিছুই পাবেন না❌
1️⃣প্রথম কথা হলো,"আপনার সৌন্দর্য আপনার স্বামীর জন্য আর "মহান-আল্লাহুর"কাছে শুকরিরা আদায় করার জন্য,"তাই সুধু স্বামীর কাছেই সৌন্দর্য
প্রকাশ করার নিয়তে ও "মহান-আল্লাহুর"কাছে শুকরিয়া আদায় করার জন্য আমল টি করবেন।
2️⃣সুতরাং,"অবশ্যই পর্দা করতে চলতে হবে।
3️⃣পাচঁ ওয়াক্ত সালাত আদায় করতে হবে।
4️⃣পুরপুরি ইসলামে প্রবেশ করতে হবে।আর⬇️
📖اَللّٰہُ نُوۡرُ السَّمٰوٰتِ وَ الۡاَرۡضِ ؕ
🌷আল্লা-হুনূরুছ ছামা-ওয়া-তি ওয়াল
আর্দ(সুরা-নূর-আয়াত-৩৫)
🔹প্রত্যকে নামাজের পড় এই পবিত্র আয়াত বেশি বেশি পরে দুই হাতে ফু দিয়ে চেহারা মাসেহ করবেন।
🔸পানিতেও ফু দিয়ে রাখবেন পানিটি খাবেন ও গোছল করবেন আর চেহারা ধুবেন,"চেহারায়"মহান-আল্লাহুর"পবিত্র নূর প্রকাশ পাবে(ইনশাআল্লাহ)
🚫বাহিরে সৌন্দর্য প্রকাশ করার জন্য এই আমল করলে"মহান-আল্লাহুর" লানত ছাড়া আর কিছুই পাবেন না❌
ত্বকের যত্নে কিছু ভুল যা আমরা অনেকেই না বুঝে করে থাকিঃ
✔️১) ত্বকে টুথপেষ্টের ব্যবহারঃ
অনেকে একনি বা পিম্পলের উপর না বুঝেই ইউটিউবের ভিডিও ফলো করে সাদা টুথপেষ্ট ব্যবহার করে থাকে।প্রকৃতপক্ষে এটি কোনো প্রকারের উপকার বয়ে আনেনা স্কিনের জন্য। টুথপেষ্ট একটি ড্রাইং এজেন্ট এটি আপনার একনি ব্রেকআউটকে আরো খারাপ পর্যায় নিয়ে যেতে পারে।🍁
✔️২)ত্বকের সব সমস্যা সমাধানে নারিকেল তেলের ব্যবহারঃ
অনেকে কোকোনাট ওয়েল সানস্ক্রিন এর পরিবর্তে বা চোখের ক্রিম হিসাবে ব্যবহার করে থাকে।যা সম্পূর্ণ ভুল।কারন কোকোনাট ওয়েলে এমন কোনো উপদান নেয় যা সূর্যের UVA বা UVA রশ্মিকে প্রতিহত করবে।বরং কোকোনাট ওয়েল একটি কমিডোজেনিক প্রোডাক্ট যা আপনার লোমকূপকে clog করে দিতে পারে এবং এর ফলে একনি, ব্ল্যাকহেড,ওয়াইটহেড এর মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।🍁
✔️৩)ত্বকে সরাসরি লেবু ব্যবহার করাঃ
বাসায় তৈরি যেকোনো ফেইস প্যাক ব্যবহারের ক্ষেত্রে অনেক সময় লেবু ব্যবহার করে থাকি কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে আমরা ন্যাচারাল ব্লিচ হিসেবে ত্বকে সরাসরি লেবু ব্যবহার করে থাকি। আর এখানেই আমাদের ভুলটা হয়ে থাকে। লেবুতে আছে সাইট্রিক এসিড যা কোনোভাবেই সরাসরি ত্বকে প্রয়োগ করা উচিৎ নয়। এতে ত্বক জ্বালাপোড়া বা র্যাশের সমস্যা দেখা দিতে পারে, এছাড়া লেবু ব্যবহারের পর সূর্যের সংস্পর্শে গেলে তা থেকে ত্বক পুড়েও যেতে পারে। ত্বকের স্বাভাবিক কোলাজেন নষ্ট হয়ে ত্বকের বলিরেখা দেখা দিবে।🍁
✔️৪)নিয়মিত ত্বকে এক্সফলিয়েট না করাঃ
এক্সফলিয়েট করার মাধ্যমে ত্বকের মৃতকোষ,অতিরিক্ত সিবাম এসব দূর হয়।যা ব্ল্যাকহেড ও একনি সমস্যা হতে মুক্তি দেয় এবং এক্সফলিয়েট করার ফলে সহজে স্কিন কেয়ার প্রোডাক্ট ত্বকে absorb হয়।তাই সপ্তাহে ২ বার করে স্কিন এক্সফলিয়েট ত্বকের জন্য উপকারী।তবে প্রতিদিন এক্সফলিয়েট করা হতে বিরত থাকুন।🍁
✔️৫) ফেইসে ব্যবহার কৃত ক্রিম চোখের নিচে ও ব্যবহারঃ
আমদের চোখের নিচের চামড়া ফেইসের অন্য অংশের চমড়ার তুলনায় অনেক পাতলা হয়ে থাকে এবং খুব সহজেই ময়েশ্চার ছেড়ে দেয়।তাই চোখের জন্য আলাদা ক্রিম ব্যবহার করুন যেটা লাইট ওয়েট এবং সহজে absorb হয়।🍁
✔️৬)বারবার ফেইসে হাত দেওয়া
বারবার ফেইসে হাত দেওয়া অন্যতম একটি কারন ফেইসের বিভিন্ন সমস্যার।আমাদের হাতে অনেক ধরণের ব্যাকটেরিয়া থাকে যা ফেইসে বিভিন্ন সমস্যার সৃষ্টি করে।🍁
✔️৭)ত্বকের যত্ন নিতে গিয়ে তাড়াতাড়ি ফল পাওয়ার জন্য বার বার প্রোডাক্ট বদল করা একেবারেই ঠিক নয়। কারণ যে কোনও জিনিসই কাজ করতে সময় নেয়।🍁
এমন পোস্ট আরো পেতে চাইলে কমেন্ট করুন। 🥰
✔️১) ত্বকে টুথপেষ্টের ব্যবহারঃ
অনেকে একনি বা পিম্পলের উপর না বুঝেই ইউটিউবের ভিডিও ফলো করে সাদা টুথপেষ্ট ব্যবহার করে থাকে।প্রকৃতপক্ষে এটি কোনো প্রকারের উপকার বয়ে আনেনা স্কিনের জন্য। টুথপেষ্ট একটি ড্রাইং এজেন্ট এটি আপনার একনি ব্রেকআউটকে আরো খারাপ পর্যায় নিয়ে যেতে পারে।🍁
✔️২)ত্বকের সব সমস্যা সমাধানে নারিকেল তেলের ব্যবহারঃ
অনেকে কোকোনাট ওয়েল সানস্ক্রিন এর পরিবর্তে বা চোখের ক্রিম হিসাবে ব্যবহার করে থাকে।যা সম্পূর্ণ ভুল।কারন কোকোনাট ওয়েলে এমন কোনো উপদান নেয় যা সূর্যের UVA বা UVA রশ্মিকে প্রতিহত করবে।বরং কোকোনাট ওয়েল একটি কমিডোজেনিক প্রোডাক্ট যা আপনার লোমকূপকে clog করে দিতে পারে এবং এর ফলে একনি, ব্ল্যাকহেড,ওয়াইটহেড এর মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।🍁
✔️৩)ত্বকে সরাসরি লেবু ব্যবহার করাঃ
বাসায় তৈরি যেকোনো ফেইস প্যাক ব্যবহারের ক্ষেত্রে অনেক সময় লেবু ব্যবহার করে থাকি কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে আমরা ন্যাচারাল ব্লিচ হিসেবে ত্বকে সরাসরি লেবু ব্যবহার করে থাকি। আর এখানেই আমাদের ভুলটা হয়ে থাকে। লেবুতে আছে সাইট্রিক এসিড যা কোনোভাবেই সরাসরি ত্বকে প্রয়োগ করা উচিৎ নয়। এতে ত্বক জ্বালাপোড়া বা র্যাশের সমস্যা দেখা দিতে পারে, এছাড়া লেবু ব্যবহারের পর সূর্যের সংস্পর্শে গেলে তা থেকে ত্বক পুড়েও যেতে পারে। ত্বকের স্বাভাবিক কোলাজেন নষ্ট হয়ে ত্বকের বলিরেখা দেখা দিবে।🍁
✔️৪)নিয়মিত ত্বকে এক্সফলিয়েট না করাঃ
এক্সফলিয়েট করার মাধ্যমে ত্বকের মৃতকোষ,অতিরিক্ত সিবাম এসব দূর হয়।যা ব্ল্যাকহেড ও একনি সমস্যা হতে মুক্তি দেয় এবং এক্সফলিয়েট করার ফলে সহজে স্কিন কেয়ার প্রোডাক্ট ত্বকে absorb হয়।তাই সপ্তাহে ২ বার করে স্কিন এক্সফলিয়েট ত্বকের জন্য উপকারী।তবে প্রতিদিন এক্সফলিয়েট করা হতে বিরত থাকুন।🍁
✔️৫) ফেইসে ব্যবহার কৃত ক্রিম চোখের নিচে ও ব্যবহারঃ
আমদের চোখের নিচের চামড়া ফেইসের অন্য অংশের চমড়ার তুলনায় অনেক পাতলা হয়ে থাকে এবং খুব সহজেই ময়েশ্চার ছেড়ে দেয়।তাই চোখের জন্য আলাদা ক্রিম ব্যবহার করুন যেটা লাইট ওয়েট এবং সহজে absorb হয়।🍁
✔️৬)বারবার ফেইসে হাত দেওয়া
বারবার ফেইসে হাত দেওয়া অন্যতম একটি কারন ফেইসের বিভিন্ন সমস্যার।আমাদের হাতে অনেক ধরণের ব্যাকটেরিয়া থাকে যা ফেইসে বিভিন্ন সমস্যার সৃষ্টি করে।🍁
✔️৭)ত্বকের যত্ন নিতে গিয়ে তাড়াতাড়ি ফল পাওয়ার জন্য বার বার প্রোডাক্ট বদল করা একেবারেই ঠিক নয়। কারণ যে কোনও জিনিসই কাজ করতে সময় নেয়।🍁
এমন পোস্ট আরো পেতে চাইলে কমেন্ট করুন। 🥰
শুনলে অবাক হবেন, পৃথিবীর সবচে ক্ষমতাবান মানুষ হয়েও নেপোলিয়ন বোনাপার্ট তীব্র ভালোবাসার বিনিময়ে ভালোবাসা ফেরত পান নাই।
বরং পেয়েছিলেন অবহেলা আর নির্লিপ্ত প্রতারণা।
নেপোলিয়ান যে মেয়েরে পৃথিবীর পুরো সাম্রাজ্য দিয়ে দিতে চাইসিলো, সেই মেয়ে নেপোলিয়ানের জন্য বড় একটা চিঠিও লেখে নাই।
নেপোলিয়ান এই মেয়ের জন্য বিরাট বিরাট চিঠি লিখতো। এমনকি যুদ্ধের সময় ছবি রেখে দিতো পকেটে। সময়ে অসময়ে চুমু খাইতো সেই ছবিতে।
এতো ক্ষমতাধর একজন মানুষ, অথচ বৌ এর কাছে যাইয়া অসহায়ের মতো বলতো, আরেকটু বড় চিঠি লিখতে, যাতে এতো দ্রুত শেষ হয়ে না যায়।
বাট জোসেফাইন বোনাপার্ট কোনদিনও সেই বড় চিঠি লেখে নাই। অথচ এরে বিয়ে করার জন্য নেপোলিয়ন পরিবারের বিরুদ্ধে গেসে। হ্যান্ডসাম একজন মানুষ হয়ে বয়সে বড়, বিধবা এবং দুই বাচ্চার মারে সে বিয়ে করসিলো, পাগলের মতো ভালোবাসছিলো।
অথচ নেপোলিয়ন মিশরে থাকা অবস্থায় সেই জোসেফাইন নেপোলিয়নের সাথে চিট করে বসে। সেনাপতির সাথে অ্যাফেয়ারে জড়াইয়া পড়ে।
ফারেনহাইট ৪৫১ বইতে একটা লাইন ছিলো এমন, It was a pleasure to burn.
যদিও ভিন্ন কনটেক্সট, তারপরেও এই লাইনটা পড়ার সাথে সাথে ভালোবাসার কথা মাথায় আসতে বাধ্য। এই পৃথিবীতে ভালোবাসার যে বড় আনন্দ কিছু নাই, ভালোবাসার চে কষ্টেরও সম্ভবত কিছু নাই।
ভালোবাসার সবচে বড় ব্লাইন্ড স্পট হলো, আপনি কাকে ভালোবাসবেন বা বাসবেন না, সেইটা আপনার হাতে। কিন্তু আপনাকে কে ভালোবাসবে বা বাসবে না, ঐটা আপনার হাতে থাকবে না।
ভালোবাসাই এই পৃথিবীর এমন এক ব্যবসা, যেখানে আপনার সকল ইমোশনাল ইনভেস্টমেন্ট বিফলে যাবে জাইনাও আপনি ওখানে ঢালতেই থাকবেন, ঢালতেই থাকবেন।
ভালোবাসাই পৃথিবীর একমাত্র খেলা, যে খেলাতে নিশ্চিত হার জাইনাও মাঠ থেকে উঠতে ইচ্ছা করে না। বরং নির্লজ্জের মতো আরেকটু খেইলা যাইতে ইচ্ছা করে।
আফ্রিকান একটা প্রোভার্ব বলতেসে, ভালোবাসা এমন এক অত্যাচারী শাসক, যে শাসকের হাত থেকে কেউ রক্ষা পায় না।
ভালোবাসা নিয়ে এরচে সত্যি কথা আমি আর একটাও শুনি নাই, বিশ্বাস করেন।
লেখাঃ সাদিকুর রহমান খান
বরং পেয়েছিলেন অবহেলা আর নির্লিপ্ত প্রতারণা।
নেপোলিয়ান যে মেয়েরে পৃথিবীর পুরো সাম্রাজ্য দিয়ে দিতে চাইসিলো, সেই মেয়ে নেপোলিয়ানের জন্য বড় একটা চিঠিও লেখে নাই।
নেপোলিয়ান এই মেয়ের জন্য বিরাট বিরাট চিঠি লিখতো। এমনকি যুদ্ধের সময় ছবি রেখে দিতো পকেটে। সময়ে অসময়ে চুমু খাইতো সেই ছবিতে।
এতো ক্ষমতাধর একজন মানুষ, অথচ বৌ এর কাছে যাইয়া অসহায়ের মতো বলতো, আরেকটু বড় চিঠি লিখতে, যাতে এতো দ্রুত শেষ হয়ে না যায়।
বাট জোসেফাইন বোনাপার্ট কোনদিনও সেই বড় চিঠি লেখে নাই। অথচ এরে বিয়ে করার জন্য নেপোলিয়ন পরিবারের বিরুদ্ধে গেসে। হ্যান্ডসাম একজন মানুষ হয়ে বয়সে বড়, বিধবা এবং দুই বাচ্চার মারে সে বিয়ে করসিলো, পাগলের মতো ভালোবাসছিলো।
অথচ নেপোলিয়ন মিশরে থাকা অবস্থায় সেই জোসেফাইন নেপোলিয়নের সাথে চিট করে বসে। সেনাপতির সাথে অ্যাফেয়ারে জড়াইয়া পড়ে।
ফারেনহাইট ৪৫১ বইতে একটা লাইন ছিলো এমন, It was a pleasure to burn.
যদিও ভিন্ন কনটেক্সট, তারপরেও এই লাইনটা পড়ার সাথে সাথে ভালোবাসার কথা মাথায় আসতে বাধ্য। এই পৃথিবীতে ভালোবাসার যে বড় আনন্দ কিছু নাই, ভালোবাসার চে কষ্টেরও সম্ভবত কিছু নাই।
ভালোবাসার সবচে বড় ব্লাইন্ড স্পট হলো, আপনি কাকে ভালোবাসবেন বা বাসবেন না, সেইটা আপনার হাতে। কিন্তু আপনাকে কে ভালোবাসবে বা বাসবে না, ঐটা আপনার হাতে থাকবে না।
ভালোবাসাই এই পৃথিবীর এমন এক ব্যবসা, যেখানে আপনার সকল ইমোশনাল ইনভেস্টমেন্ট বিফলে যাবে জাইনাও আপনি ওখানে ঢালতেই থাকবেন, ঢালতেই থাকবেন।
ভালোবাসাই পৃথিবীর একমাত্র খেলা, যে খেলাতে নিশ্চিত হার জাইনাও মাঠ থেকে উঠতে ইচ্ছা করে না। বরং নির্লজ্জের মতো আরেকটু খেইলা যাইতে ইচ্ছা করে।
আফ্রিকান একটা প্রোভার্ব বলতেসে, ভালোবাসা এমন এক অত্যাচারী শাসক, যে শাসকের হাত থেকে কেউ রক্ষা পায় না।
ভালোবাসা নিয়ে এরচে সত্যি কথা আমি আর একটাও শুনি নাই, বিশ্বাস করেন।
লেখাঃ সাদিকুর রহমান খান
চোখ ভালো রাখার ৫ টি সহজ উপায়
১। ভালো খাবার খান
ভাল চোখের স্বাস্থ্য আপনার প্লেটের খাবার দিয়ে শুরু হয়। ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, লুটেইন, জিঙ্ক এবং ভিটামিন সি এবং ই-এর মতো পুষ্টি ম্যাকুলার ডিজেনারেশন এবং ছানি পড়ার মতো বয়স-সম্পর্কিত দৃষ্টি সমস্যা দূর করতে সাহায্য করতে পারে। সেগুলি পেতে, আপনার প্লেটটি পূরণ করুন: সবুজ শাক-সবজি যেমন পালং শাক, তৈলাক্ত মাছ,ডিম, বাদাম, মটরশুটি, এবং অন্যান্য প্রোটিন উৎস কমলা এবং অন্যান্য সাইট্রাস ফল বা জুস দ্বারা।
২। ধুমপান ত্যাগ কর
ধুমপান আপনাকে ছানি, আপনার অপটিক নার্ভের ক্ষতি, এবং ম্যাকুলার অবক্ষয়, অন্যান্য অনেক চিকিৎসা সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি করে তোলে।
৩। সানগ্লাস পরুন
সানগ্লাস সূর্যের অতিবেগুনী (UV) রশ্মি থেকে আপনার চোখকে রক্ষা করতে সাহায্য করবে। অত্যধিক UV এক্সপোজার আপনার ছানি এবং ম্যাকুলার অবক্ষয়ের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়। এমন সানগ্লাস বেছে নিন যা 99% থেকে 100% UVA এবং UVB রশ্মিকে ব্লক করে।
৪। নিরাপত্তা চশমা ব্যবহার করুন
আপনি যদি চাকরিতে বা বাড়িতে বিপজ্জনক কাজ করে থাকেন, তাহলে নিরাপত্তা চশমা বা প্রতিরক্ষামূলক চশমা পরুন।
৫। কম্পিউটার স্ক্রীন থেকে সাবধানে থাকুন
একটি কম্পিউটার বা ফোনের স্ক্রিনের দিকে বেশিক্ষণ তাকিয়ে থাকার কারণে হতে পারে: ঝাপসা দৃষ্টি,দূরত্বে ফোকাস করতে সমস্যা,শুকনো চোখ,মাথাব্যথা,ঘাড়, পিঠ ও কাঁধে ব্যথা।
ডাঃ মোঃ ফেরদৌস রায়হান
সহকারী অধ্যাপক,( অর্থোপেডিক সার্জারী)।
শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বরিশাল।
১। ভালো খাবার খান
ভাল চোখের স্বাস্থ্য আপনার প্লেটের খাবার দিয়ে শুরু হয়। ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, লুটেইন, জিঙ্ক এবং ভিটামিন সি এবং ই-এর মতো পুষ্টি ম্যাকুলার ডিজেনারেশন এবং ছানি পড়ার মতো বয়স-সম্পর্কিত দৃষ্টি সমস্যা দূর করতে সাহায্য করতে পারে। সেগুলি পেতে, আপনার প্লেটটি পূরণ করুন: সবুজ শাক-সবজি যেমন পালং শাক, তৈলাক্ত মাছ,ডিম, বাদাম, মটরশুটি, এবং অন্যান্য প্রোটিন উৎস কমলা এবং অন্যান্য সাইট্রাস ফল বা জুস দ্বারা।
২। ধুমপান ত্যাগ কর
ধুমপান আপনাকে ছানি, আপনার অপটিক নার্ভের ক্ষতি, এবং ম্যাকুলার অবক্ষয়, অন্যান্য অনেক চিকিৎসা সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি করে তোলে।
৩। সানগ্লাস পরুন
সানগ্লাস সূর্যের অতিবেগুনী (UV) রশ্মি থেকে আপনার চোখকে রক্ষা করতে সাহায্য করবে। অত্যধিক UV এক্সপোজার আপনার ছানি এবং ম্যাকুলার অবক্ষয়ের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়। এমন সানগ্লাস বেছে নিন যা 99% থেকে 100% UVA এবং UVB রশ্মিকে ব্লক করে।
৪। নিরাপত্তা চশমা ব্যবহার করুন
আপনি যদি চাকরিতে বা বাড়িতে বিপজ্জনক কাজ করে থাকেন, তাহলে নিরাপত্তা চশমা বা প্রতিরক্ষামূলক চশমা পরুন।
৫। কম্পিউটার স্ক্রীন থেকে সাবধানে থাকুন
একটি কম্পিউটার বা ফোনের স্ক্রিনের দিকে বেশিক্ষণ তাকিয়ে থাকার কারণে হতে পারে: ঝাপসা দৃষ্টি,দূরত্বে ফোকাস করতে সমস্যা,শুকনো চোখ,মাথাব্যথা,ঘাড়, পিঠ ও কাঁধে ব্যথা।
ডাঃ মোঃ ফেরদৌস রায়হান
সহকারী অধ্যাপক,( অর্থোপেডিক সার্জারী)।
শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বরিশাল।
ডেঙ্গু নিয়ে এখন আমরা সবাই চিন্তিত। কিভাবে আমরা নিজেদের ও নিজেদের পরিবারকে ডেঙ্গু থেকে রক্ষা করব এই চিন্তা বেড়েই চলেছে সবার মধ্যে। তাই আপনাদের বিশ্বস্ত খাস ফুড নিয়ে এল ডেঙ্গু থেকে রক্ষা পাওয়ার প্রাকৃতিক সমাধান।
ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকায় ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে। সাধারণ মানুষ এখন ডেঙ্গু মশা নিয়ে অনেক বেশি শংকিত। মশা তাড়াতে অনেকেই ব্যবহার করছেন মশারি, কয়েল, স্প্রে বা রাসায়নিক ক্রিম। এগুলো ব্যবহার করেও অনেক সময় মশা তাড়ানো যায় না। আবার মশার কয়েল বা রাসায়নিক ক্রিম শিশুদের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এমনকি শরীর ও ত্বকের জন্যও অনেক বেশি ক্ষতির কারণ।
গবেষণা বলছে, নিমের তেলে রয়েছে এ্যাজাডিরাচটিন নামক উপাদান, যা বহু ধরনের মশাকেই তাড়িয়ে দিতে পারে। শুধু তাই নয়, এর কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও নেই। মশার কামড় থেকে বাঁচতে নিমের তেল ও নারিকেল তেল সমপরিমাণ মিশিয়ে শরীরের উন্মুক্ত স্থানের চামড়ায় লাগিয়ে রাখলে সকল ধরনের মশার কামড় থেকে মিলবে মুক্তি।
©Khas Food
ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকায় ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে। সাধারণ মানুষ এখন ডেঙ্গু মশা নিয়ে অনেক বেশি শংকিত। মশা তাড়াতে অনেকেই ব্যবহার করছেন মশারি, কয়েল, স্প্রে বা রাসায়নিক ক্রিম। এগুলো ব্যবহার করেও অনেক সময় মশা তাড়ানো যায় না। আবার মশার কয়েল বা রাসায়নিক ক্রিম শিশুদের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এমনকি শরীর ও ত্বকের জন্যও অনেক বেশি ক্ষতির কারণ।
গবেষণা বলছে, নিমের তেলে রয়েছে এ্যাজাডিরাচটিন নামক উপাদান, যা বহু ধরনের মশাকেই তাড়িয়ে দিতে পারে। শুধু তাই নয়, এর কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও নেই। মশার কামড় থেকে বাঁচতে নিমের তেল ও নারিকেল তেল সমপরিমাণ মিশিয়ে শরীরের উন্মুক্ত স্থানের চামড়ায় লাগিয়ে রাখলে সকল ধরনের মশার কামড় থেকে মিলবে মুক্তি।
©Khas Food
#চুলের_যত্নঃ
▪️প্রতিদিন চাল ধুয়ে যে পানিটুকু আপনি ফেলে দেন, সেই পানিতেই নিতে পারেন আপনার চুলের যত্ন। অবাক হচ্ছেন? অবাক হলেও সত্যি যে এই চাল ধােয়া পানিই চুল সুন্দর রাখতে সাহায্য করে।
▪️ব্যাবহারবিধিঃ
হেয়ার মাস্ক হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন চাল ধােয়া পানি বা রাইস ওয়াটার। সেজন্য প্রথমে ভালাে করে শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে নিন। তারপর চাল ধােয়া পানি ভালাে করে চুলে ঢালতে থাকুন, হালকা হাতে মাসাজ করুন। এবার ১০ মিনিট মতাে মাথায় রেখে দিন এই মাস্ক। এরপর ভালাে করে পরিষ্কার পানিতে চুল ধুয়ে নিন। সপ্তাহে তিনবার করে এটি অ্যাপ্লাই করতে পারেন এতে চুল বাড়বে তাড়াতাড়ি আর শাইনি ও হবে!
▪️ডায়রিয়ারও পথ্য চালধােয়া পানি। এক গ্লাস পনিতে সামান্য লবণ মিশিয়ে তা খেয়ে নিন।
▪️দেখলেন তাে কতটা উপকারী এই ফেলে দেয়া পানি? এখন থেকে চালধােয়া পানি ফেলে না দিয়ে কাজে লাগান। তাতে অনেক উপকার পাবেন।
সানজিদা তাসনীম
খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞান বিভাগ।
সাবেক সমন্বয়কঃ 20 Minute Medical
▪️প্রতিদিন চাল ধুয়ে যে পানিটুকু আপনি ফেলে দেন, সেই পানিতেই নিতে পারেন আপনার চুলের যত্ন। অবাক হচ্ছেন? অবাক হলেও সত্যি যে এই চাল ধােয়া পানিই চুল সুন্দর রাখতে সাহায্য করে।
▪️ব্যাবহারবিধিঃ
হেয়ার মাস্ক হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন চাল ধােয়া পানি বা রাইস ওয়াটার। সেজন্য প্রথমে ভালাে করে শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে নিন। তারপর চাল ধােয়া পানি ভালাে করে চুলে ঢালতে থাকুন, হালকা হাতে মাসাজ করুন। এবার ১০ মিনিট মতাে মাথায় রেখে দিন এই মাস্ক। এরপর ভালাে করে পরিষ্কার পানিতে চুল ধুয়ে নিন। সপ্তাহে তিনবার করে এটি অ্যাপ্লাই করতে পারেন এতে চুল বাড়বে তাড়াতাড়ি আর শাইনি ও হবে!
▪️ডায়রিয়ারও পথ্য চালধােয়া পানি। এক গ্লাস পনিতে সামান্য লবণ মিশিয়ে তা খেয়ে নিন।
▪️দেখলেন তাে কতটা উপকারী এই ফেলে দেয়া পানি? এখন থেকে চালধােয়া পানি ফেলে না দিয়ে কাজে লাগান। তাতে অনেক উপকার পাবেন।
সানজিদা তাসনীম
খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞান বিভাগ।
সাবেক সমন্বয়কঃ 20 Minute Medical
অতীত ভুলে লক্ষ্যপাণে এগিয়ে যাওয়াঃ
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=829491038528109&id=100044016622361&mibextid=Nif5oz
গভীরভাবে কথাগুলো নিয়ে ভাবিঃ
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=829309508546262&id=100044016622361&mibextid=Nif5oz
ইবলীসের বাঁচার ৯টি উপকরণ
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=829178795226000&id=100044016622361&mibextid=Nif5oz
দ্বীনের বুঝ পাওয়ার পর, পূণরায় বেদ্বীনি অভ্যাসে জড়িয়ে পড়াঃ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা। দ্বীনের পথে আসার পর এই লেখাটি সত্যিই সকলের (বিশেষ করে ভাইদের) জন্যে অবশ্যপাঠ্য করে নেওয়া জরুরি-
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=828996378577575&id=100044016622361&mibextid=Nif5oz
উস্তায তারেকুজ্জামান হাফিযাহুল্লাহর স্বর্ণাক্ষরে লিখে রাখার মতো কিছু কথাঃ
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=828863671924179&id=100044016622361&mibextid=Nif5oz
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=828636198613593&id=100044016622361&mibextid=Nif5oz
দান, নামাজে খুশুখুজু ও পিতামাতার সাথে সদ্ব্যবহার বৃদ্ধি করি:
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=828495495294330&id=100044016622361&mibextid=Nif5oz
গান-বাজনার কুপ্রভাবঃ যুবসমাজের অন্যতম ভয়াবহ ব্যাধি
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=828185628658650&id=100044016622361&mibextid=Nif5oz
বদনজর হতে সাবধান, গুরুত্বপূর্ণ রিসোর্স পোস্টের কমেন্টে:
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=828066965337183&id=100044016622361&mibextid=Nif5oz
গান গাওয়া ও শোনার ৭ প্রকারের ক্ষতি:
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=827781275365752&id=100044016622361&mibextid=Nif5oz
একটি গুরুত্বপূর্ণ কথোপকথন (আমাদের ৪ দাবি, কিন্তু আমল তার বিপরীত)
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=827716808705532&id=100044016622361&mibextid=Nif5oz
প্রোডাক্টিভ আমলের কিছু কমেন্ট:
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=827435468733666&id=100044016622361&mibextid=Nif5oz
আল্লাহর সাথে শিরক করার ভয়াবহতা নিয়ে চমৎকার তিলাওয়াত:
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=827261205417759&id=100044016622361&mibextid=Nif5oz
কটুভাষীদের শুকরিয়া আদায়:
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=827211505422729&id=100044016622361&mibextid=Nif5oz
বাচ্চাদের যে কারণে কখনোই একা ছাড়বেন না:
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=826938845449995&id=100044016622361&mibextid=Nif5oz
জাহান্নামের ব্যাপারে দৃষ্টিকোণ:
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=826918718785341&id=100044016622361&mibextid=Nif5oz
প্রশান্ত আত্মা চাওয়ার দুয়া
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=826798202130726&id=100044016622361&mibextid=Nif5oz
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=829491038528109&id=100044016622361&mibextid=Nif5oz
গভীরভাবে কথাগুলো নিয়ে ভাবিঃ
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=829309508546262&id=100044016622361&mibextid=Nif5oz
ইবলীসের বাঁচার ৯টি উপকরণ
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=829178795226000&id=100044016622361&mibextid=Nif5oz
দ্বীনের বুঝ পাওয়ার পর, পূণরায় বেদ্বীনি অভ্যাসে জড়িয়ে পড়াঃ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা। দ্বীনের পথে আসার পর এই লেখাটি সত্যিই সকলের (বিশেষ করে ভাইদের) জন্যে অবশ্যপাঠ্য করে নেওয়া জরুরি-
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=828996378577575&id=100044016622361&mibextid=Nif5oz
উস্তায তারেকুজ্জামান হাফিযাহুল্লাহর স্বর্ণাক্ষরে লিখে রাখার মতো কিছু কথাঃ
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=828863671924179&id=100044016622361&mibextid=Nif5oz
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=828636198613593&id=100044016622361&mibextid=Nif5oz
দান, নামাজে খুশুখুজু ও পিতামাতার সাথে সদ্ব্যবহার বৃদ্ধি করি:
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=828495495294330&id=100044016622361&mibextid=Nif5oz
গান-বাজনার কুপ্রভাবঃ যুবসমাজের অন্যতম ভয়াবহ ব্যাধি
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=828185628658650&id=100044016622361&mibextid=Nif5oz
বদনজর হতে সাবধান, গুরুত্বপূর্ণ রিসোর্স পোস্টের কমেন্টে:
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=828066965337183&id=100044016622361&mibextid=Nif5oz
গান গাওয়া ও শোনার ৭ প্রকারের ক্ষতি:
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=827781275365752&id=100044016622361&mibextid=Nif5oz
একটি গুরুত্বপূর্ণ কথোপকথন (আমাদের ৪ দাবি, কিন্তু আমল তার বিপরীত)
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=827716808705532&id=100044016622361&mibextid=Nif5oz
প্রোডাক্টিভ আমলের কিছু কমেন্ট:
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=827435468733666&id=100044016622361&mibextid=Nif5oz
আল্লাহর সাথে শিরক করার ভয়াবহতা নিয়ে চমৎকার তিলাওয়াত:
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=827261205417759&id=100044016622361&mibextid=Nif5oz
কটুভাষীদের শুকরিয়া আদায়:
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=827211505422729&id=100044016622361&mibextid=Nif5oz
বাচ্চাদের যে কারণে কখনোই একা ছাড়বেন না:
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=826938845449995&id=100044016622361&mibextid=Nif5oz
জাহান্নামের ব্যাপারে দৃষ্টিকোণ:
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=826918718785341&id=100044016622361&mibextid=Nif5oz
প্রশান্ত আত্মা চাওয়ার দুয়া
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=826798202130726&id=100044016622361&mibextid=Nif5oz
Facebook
Log in to Facebook
Log in to Facebook to start sharing and connecting with your friends, family and people you know.
পুলিশ কর্তৃক নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হলে আপনার করনীয়:
২০১৪ সালে ঝনি নামে এক যুবক পুলিশ হেফাজতে নির্যাতনের ফলে মারা যায়। গত ৯/৯/২০২০ তারিখে নির্যাতনের সাথে সংশ্লিষ্ট তিনজন সাবেক পুলিশ কর্মকর্তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন সেশন কোর্ট।
নির্যাতন এবং হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইন, ২০১৩ অনুসারে বিচার কাজ শেষ করে আদালত এ রায় প্রদান করেছেন। এই আইন অনুসারে যদি কোন পুলিশ কর্মকর্তা কোন ব্যক্তিকে তার হেফাজতে রেখে শারীরিক বা মানসিকভাবে নির্যাতন করে তাহলে সেই পুলিশ কর্মকর্তা এই আইন অনুসারে দোষী সাব্যস্ত হবে। এই আইনের অধীনে নির্যাতিত ব্যক্তি ছাড়াও যে কোন ব্যক্তি অভিযোগ দায়ের করতে পারবে।এই আইনের অধীনে শুধু কেবল নির্যাতনের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি পাঁচ বছর কারাদণ্ড হতে পারে। কিন্তু আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে থাকা অবস্থায় যদি কোন ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করে তাহলে অভিযুক্ত ব্যক্তির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে।
এই আইনের অধীনে মামলা করতে হলে সরাসরি আদালতে যেতে হবে কোন থানা কিংবা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে মামলা করার কোনো বিধান নেই। আদালতই মামলা দায়েরের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
এই ধরনের মামলার তদন্তভার আদালত পুলিশ এর পরিবর্তে বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।
এই আইনের অধীন দণ্ডনীয় সকল প্রকার অপরাধ জামিন অযোগ্য এবং আপোষের কোনো সুযোগ নেই।
এই আইনের অধীনে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে দণ্ডাদেশ ছাড়াও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির পক্ষে ক্ষতিপূরণের বিধান করা আছে।
২০১৩ সালে এ আইন প্রণয়ন করা হলেও এই আইনের বাস্তব প্রয়োগ খুবই কম তার প্রধান কারণ হলো এই আইন সম্বন্ধে মানুষের অজ্ঞতা এবং আরেকটি কারণ হলো আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বেশিরভাগ লোক অনিচ্ছা প্রকাশ করেন।
সুতরাং ক্ষমতা প্রয়োগের সময় পুলিশ সহ সকল আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে অবশ্যই এই আইনের কথা মাথায় রাখতে হবে।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৫ অনুচ্ছেদ নির্যাতন এবং নিষ্ঠুর, অমানবিক, লাঞ্ছনাকর ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে। ২০১৩ সালে এসে এ বিষয়ে আইন হয়েছে কিন্তু এই আইন সম্বন্ধে বেশিরভাগ লোক এমনকি আইন অঙ্গনের লোকও খুব কম জানে।
লেখকঃ মোঃ রোকনুজজামান,
আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
শেয়ার করে সবাইকে জানার সুযোগ করে দিন।
২০১৪ সালে ঝনি নামে এক যুবক পুলিশ হেফাজতে নির্যাতনের ফলে মারা যায়। গত ৯/৯/২০২০ তারিখে নির্যাতনের সাথে সংশ্লিষ্ট তিনজন সাবেক পুলিশ কর্মকর্তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন সেশন কোর্ট।
নির্যাতন এবং হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইন, ২০১৩ অনুসারে বিচার কাজ শেষ করে আদালত এ রায় প্রদান করেছেন। এই আইন অনুসারে যদি কোন পুলিশ কর্মকর্তা কোন ব্যক্তিকে তার হেফাজতে রেখে শারীরিক বা মানসিকভাবে নির্যাতন করে তাহলে সেই পুলিশ কর্মকর্তা এই আইন অনুসারে দোষী সাব্যস্ত হবে। এই আইনের অধীনে নির্যাতিত ব্যক্তি ছাড়াও যে কোন ব্যক্তি অভিযোগ দায়ের করতে পারবে।এই আইনের অধীনে শুধু কেবল নির্যাতনের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি পাঁচ বছর কারাদণ্ড হতে পারে। কিন্তু আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে থাকা অবস্থায় যদি কোন ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করে তাহলে অভিযুক্ত ব্যক্তির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে।
এই আইনের অধীনে মামলা করতে হলে সরাসরি আদালতে যেতে হবে কোন থানা কিংবা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে মামলা করার কোনো বিধান নেই। আদালতই মামলা দায়েরের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
এই ধরনের মামলার তদন্তভার আদালত পুলিশ এর পরিবর্তে বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।
এই আইনের অধীন দণ্ডনীয় সকল প্রকার অপরাধ জামিন অযোগ্য এবং আপোষের কোনো সুযোগ নেই।
এই আইনের অধীনে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে দণ্ডাদেশ ছাড়াও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির পক্ষে ক্ষতিপূরণের বিধান করা আছে।
২০১৩ সালে এ আইন প্রণয়ন করা হলেও এই আইনের বাস্তব প্রয়োগ খুবই কম তার প্রধান কারণ হলো এই আইন সম্বন্ধে মানুষের অজ্ঞতা এবং আরেকটি কারণ হলো আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বেশিরভাগ লোক অনিচ্ছা প্রকাশ করেন।
সুতরাং ক্ষমতা প্রয়োগের সময় পুলিশ সহ সকল আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে অবশ্যই এই আইনের কথা মাথায় রাখতে হবে।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৫ অনুচ্ছেদ নির্যাতন এবং নিষ্ঠুর, অমানবিক, লাঞ্ছনাকর ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে। ২০১৩ সালে এসে এ বিষয়ে আইন হয়েছে কিন্তু এই আইন সম্বন্ধে বেশিরভাগ লোক এমনকি আইন অঙ্গনের লোকও খুব কম জানে।
লেখকঃ মোঃ রোকনুজজামান,
আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
শেয়ার করে সবাইকে জানার সুযোগ করে দিন।
Android Phone স্পিড বাড়ানোর জন্য যা করতে পারেন...
১.ফোন স্টোরেজ খালি রাখা
২.প্লেস্টোরের বাহিরের এপ্স ইন্সটল না করা।
৩.পর্যাপ্ত র্যাম খালি রাখা
৪.Antivirus,ক্লিন,Fast charging,ব্যাটারি ব্যাকাপ এসব হাবিজাবি এপ্স ব্যাবহার না করা।
১.ফোন স্টোরেজ খালি রাখা
২.প্লেস্টোরের বাহিরের এপ্স ইন্সটল না করা।
৩.পর্যাপ্ত র্যাম খালি রাখা
৪.Antivirus,ক্লিন,Fast charging,ব্যাটারি ব্যাকাপ এসব হাবিজাবি এপ্স ব্যাবহার না করা।
Some Important Facebook Tricks:
যদিও এটা অনেক আগের।
ফেসবুক এখন অনেক আপডেট হয়েছে।
ফেসবুকে আপনি –
(১) সর্বোচ্চ ৬০০০ গ্রুপের
মেম্বার হতে পারবেন।
(২) সর্বোচ্চ ৫০০০ ফ্রেন্ড
এড করতে পারবেন।
(৩) সর্বোচ্চ ৫০০০ পেজ লাইক
করতে পারবেন।
(৪) একটি ছবিতে সর্বোচ্চ ৫০ জন
ব্যক্তি বা পেজকে ট্যাগ করতে
পারবেন।
(৫) ৫০০০ হাজারের উপরে ফলো করতে পারবেন না।
(৬) ২০জনের অধিক সি ফাস্ট করতে পারবেন না।
(৭) পর পর সর্বোচ্চ ১০০০ জনকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাতে পারবেন।
(৮) সর্বোচ্চ এক হাজার ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট ঝুলিয়ে রাখতে পারবেন।
(৯) লাইক দেয়ার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট
কোন সীমা নেই। তবে প্রতি ৭
মিনিট পরপর এক বারে ৪০ টি করে
লাইক দিলে ব্লক হবেন না।
সারাদিন ধরে করা যাবে।
(১০) ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠানোর
নির্দিষ্ট কোনো সীমা নেই। এটা
নির্ভর করে একসেপ্ট করার
পারসেন্টেজের উপর।
মনে করেন আপনি ৫০০ রিকোয়েস্ট
পাঠালেন। সেই ৫০০ রিকোয়েস্টই
একসেপ্ট হলো, তাহলে কোন সমস্যা
হবে না। আবার ৫০ জনকে
রিকোয়েস্ট পাঠালেন ৫০ জনই
রিজেক্ট করলো। তখন আপনি ব্লক
হবেন। তবে এটা ১০০% হতে হবে
তেমন নয়। বলা যায় ৮০% হলেই হয়।
(১১) আপনি কোন কিছুতে ব্লক হলে
যেমন লাইক,টিউমেন্ট ,মেসেজ,
রিকোয়েস্ট পাঠানো, গ্রুপে
ফ্রেন্ড এড ইত্যাদি ক্ষেত্রে।
সেই ব্লকের মেয়াদ কতদিন বাকি
আছে জানতে Menu>Help & Support>Support Inbox এ ক্লিক করুন।
(১২) কাউকে ক্লোজ ফ্রেন্ড লিস্টে
রাখতে মোবাইল থেকে timeline >
একেবারে নীচে see friend list > close
friend বক্সে টিক দিয়ে done করুন।
(১৩) একটি আইডি থেকে আপনি
আনলিমিটেড পেইজ role/ manage
করতে পারবেন।
(১৪) 60 দিনের আগে নাম চেইন্জ
করতে Setting> General> Name edit >
নীচের দিকে নীল রঙের Learn more >
আবারও নীচে learn more > let us know >
যে নাম দিতে চান বক্সে লিখুন।
1st এবং last name অবশ্যই
লিখতে হবে। middle name না
লিখলেও হবে > Reason forthis change >
Legal Name Change>Choose এ ক্লিক করে
যেকোনো একটি ফটো আপলোড
করে send করে দিন।
৭২ ঘন্টার ভিতর নাম চেঞ্জের
অপশন আসবে। তখন চেন্জ করতে
পারবেন।
(১৫) মোবাইল থেকে পেজের
এডমিন করতে প্রথমে page এ
যান > ডানে more > edit
setting> page roles >
add person to page >
বক্সে নাম সার্চ করে সিলেক্ট করুন >
set as admin >ফেসবুক
পাসওয়ার্ড দিয়ে continue >
অপশন গুলো থেকে যেটা করতে চান
সিলেক্ট করে add এ ক্লিক করুন।
(১৬) পিসি থেকে auto video play অফ
করতে settings & privacy > বাম পাশে নীচে Videos>auto play
videos > default করা আছে off করে দিন।
এটা মোবাইলে ব্রাউজারে
ডেক্সটপ ভিউ দিয়েও করা যায়।
(১৭) আপনার মৃত্যুর পর Real ID বাঁচিয়ে
রাখতে উত্তরাধিকার
সূত্রে কাউকে উইল করতে settings>
security > নীচে legacy contact > নাম
সার্চ করে সিলেক্ট করে দিন।
(১৮) পিসিতে একবারে ১০ টি করে
ট্যাগ রিমুভ করতে timeline > view activity log >বামে নিচে photos > photos of you >
টিক দিয়ে ১০ টি ট্যাগ সিলেক্ট
করুন। ডানে উপরে লক্ষ্য করুন report/
remove tags > I want the photosun tagged > Untag photos এ ক্লিক।
এটা মোবাইলে ব্রাউজারে ডেক্সটপ ভিউ দিয়েও করা যায়।
(১৯) অন্য কারো পিসি বা মোবাইল
থেকে আপনার আইডিতে লগইন
করলেন। কিন্তু লগআউট করতে ভুলে
গেলেন! এক্ষেত্রে অন্য কেউ
আপনার আইডিতে ঢুকে ঝামেলা
করতে পারে।
.
করণীয় হলো Settings > security > active sessions >last accessed এর বক্সে টিক দিয়ে remove selected করে দিন। লগ আউট হয়ে যাবে।
(২০) যে সেটিংগুলো করতে ডেক্সটপ প্রয়োজন সেগুলো মোবাইলে Mozilla, Chrome ব্রাউজার ইনস্টল দিয়ে request desktop site অপশন সিলেক্ট করে করা যায়।
(সংগৃহীত এবং ঈষৎ পরিমার্জিত)
যদিও এটা অনেক আগের।
ফেসবুক এখন অনেক আপডেট হয়েছে।
ফেসবুকে আপনি –
(১) সর্বোচ্চ ৬০০০ গ্রুপের
মেম্বার হতে পারবেন।
(২) সর্বোচ্চ ৫০০০ ফ্রেন্ড
এড করতে পারবেন।
(৩) সর্বোচ্চ ৫০০০ পেজ লাইক
করতে পারবেন।
(৪) একটি ছবিতে সর্বোচ্চ ৫০ জন
ব্যক্তি বা পেজকে ট্যাগ করতে
পারবেন।
(৫) ৫০০০ হাজারের উপরে ফলো করতে পারবেন না।
(৬) ২০জনের অধিক সি ফাস্ট করতে পারবেন না।
(৭) পর পর সর্বোচ্চ ১০০০ জনকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাতে পারবেন।
(৮) সর্বোচ্চ এক হাজার ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট ঝুলিয়ে রাখতে পারবেন।
(৯) লাইক দেয়ার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট
কোন সীমা নেই। তবে প্রতি ৭
মিনিট পরপর এক বারে ৪০ টি করে
লাইক দিলে ব্লক হবেন না।
সারাদিন ধরে করা যাবে।
(১০) ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠানোর
নির্দিষ্ট কোনো সীমা নেই। এটা
নির্ভর করে একসেপ্ট করার
পারসেন্টেজের উপর।
মনে করেন আপনি ৫০০ রিকোয়েস্ট
পাঠালেন। সেই ৫০০ রিকোয়েস্টই
একসেপ্ট হলো, তাহলে কোন সমস্যা
হবে না। আবার ৫০ জনকে
রিকোয়েস্ট পাঠালেন ৫০ জনই
রিজেক্ট করলো। তখন আপনি ব্লক
হবেন। তবে এটা ১০০% হতে হবে
তেমন নয়। বলা যায় ৮০% হলেই হয়।
(১১) আপনি কোন কিছুতে ব্লক হলে
যেমন লাইক,টিউমেন্ট ,মেসেজ,
রিকোয়েস্ট পাঠানো, গ্রুপে
ফ্রেন্ড এড ইত্যাদি ক্ষেত্রে।
সেই ব্লকের মেয়াদ কতদিন বাকি
আছে জানতে Menu>Help & Support>Support Inbox এ ক্লিক করুন।
(১২) কাউকে ক্লোজ ফ্রেন্ড লিস্টে
রাখতে মোবাইল থেকে timeline >
একেবারে নীচে see friend list > close
friend বক্সে টিক দিয়ে done করুন।
(১৩) একটি আইডি থেকে আপনি
আনলিমিটেড পেইজ role/ manage
করতে পারবেন।
(১৪) 60 দিনের আগে নাম চেইন্জ
করতে Setting> General> Name edit >
নীচের দিকে নীল রঙের Learn more >
আবারও নীচে learn more > let us know >
যে নাম দিতে চান বক্সে লিখুন।
1st এবং last name অবশ্যই
লিখতে হবে। middle name না
লিখলেও হবে > Reason forthis change >
Legal Name Change>Choose এ ক্লিক করে
যেকোনো একটি ফটো আপলোড
করে send করে দিন।
৭২ ঘন্টার ভিতর নাম চেঞ্জের
অপশন আসবে। তখন চেন্জ করতে
পারবেন।
(১৫) মোবাইল থেকে পেজের
এডমিন করতে প্রথমে page এ
যান > ডানে more > edit
setting> page roles >
add person to page >
বক্সে নাম সার্চ করে সিলেক্ট করুন >
set as admin >ফেসবুক
পাসওয়ার্ড দিয়ে continue >
অপশন গুলো থেকে যেটা করতে চান
সিলেক্ট করে add এ ক্লিক করুন।
(১৬) পিসি থেকে auto video play অফ
করতে settings & privacy > বাম পাশে নীচে Videos>auto play
videos > default করা আছে off করে দিন।
এটা মোবাইলে ব্রাউজারে
ডেক্সটপ ভিউ দিয়েও করা যায়।
(১৭) আপনার মৃত্যুর পর Real ID বাঁচিয়ে
রাখতে উত্তরাধিকার
সূত্রে কাউকে উইল করতে settings>
security > নীচে legacy contact > নাম
সার্চ করে সিলেক্ট করে দিন।
(১৮) পিসিতে একবারে ১০ টি করে
ট্যাগ রিমুভ করতে timeline > view activity log >বামে নিচে photos > photos of you >
টিক দিয়ে ১০ টি ট্যাগ সিলেক্ট
করুন। ডানে উপরে লক্ষ্য করুন report/
remove tags > I want the photosun tagged > Untag photos এ ক্লিক।
এটা মোবাইলে ব্রাউজারে ডেক্সটপ ভিউ দিয়েও করা যায়।
(১৯) অন্য কারো পিসি বা মোবাইল
থেকে আপনার আইডিতে লগইন
করলেন। কিন্তু লগআউট করতে ভুলে
গেলেন! এক্ষেত্রে অন্য কেউ
আপনার আইডিতে ঢুকে ঝামেলা
করতে পারে।
.
করণীয় হলো Settings > security > active sessions >last accessed এর বক্সে টিক দিয়ে remove selected করে দিন। লগ আউট হয়ে যাবে।
(২০) যে সেটিংগুলো করতে ডেক্সটপ প্রয়োজন সেগুলো মোবাইলে Mozilla, Chrome ব্রাউজার ইনস্টল দিয়ে request desktop site অপশন সিলেক্ট করে করা যায়।
(সংগৃহীত এবং ঈষৎ পরিমার্জিত)
খাল কেটে কুমির আনার মতো, ঘরে বালামুসিবত টেনে আনার অন্যতম উপায় হল, পরিবারের হাসিখুশি ছবি অনলাইনে প্রকাশ করা—বদনজর
না বলতে শেখা কেন জরুরি?
🌿🌿🌿🌿🌿🌿
William Somerset Maugham এর The Luncheon গল্পে একজন উদীয়মান লেখক কিভাবে এক পেটুক মহিলার তোষামদিতে ভুলে বিপুল পরিমাণ অর্থ খুইয়েছিলেন, তার সরস বিবরণ আছে।লেখক বিষয়টি এভাবে বর্ণনা করেছেন,” I was flattered and was too young to have learned to say no to a woman.” আমরা অনেকেই অন্যকে না বলতে পারি না।কোনো কোনো পরিস্থিতিতে না বলা একটি মানসিক দক্ষতা। কিছু টিপস অনুসরণ করে যে কেউ আয়ত্ত এই দক্ষতা অর্জন করতে পারেন।
‘না’ ছোট একটি শব্দ। তবুও না বলা কারো কারো জন্য সত্যিই কঠিন মনে হতে পারে - এমনকি জটিল। আমাদের অনেকের জন্য, না বলাটা ভুল মনে হয়! তাই, যখনই কেউ আপনাকে কিছু করতে বলে, আপনি মনের ইচ্ছার বিরুদ্ধে হয়তো বলে ফেলেন, “হ্যাঁ! অবশ্যই!”
কিন্তু বাস্তবে, আপনি বিপরীত কিছু অনুভব করতে পারেন। হয়তো আপনি অন্য কিছু করতে চেয়েছিলেন। হয়তো আপনার জন্য এটা বলাই ভালো ছিল, “দুঃখিত, আমি এটা পারবো না।” আমরা অনেকেই জানি না, মনের ইচ্ছার বিরুদ্ধে হ্যাঁ বলা মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়।
না বলা সত্যিই একটি দক্ষতা, যা আপনাকে আরো বেশি স্মার্ট করতে পারে। পরিস্থিতির দাবি অনুযায়ী আপনি না বললেই স্বাভাবিক বোধ করবেন। মনের চাপ কমবে।
বিভিন্ন পরিস্থিতিতে না বলার দক্ষতা তৈরি করার জন্য এই লেখাটিতে বেশ কয়েকটি উপায় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
কেন না বলা কঠিন?
☘️☘️☘️☘️☘️☘️☘️
না বলা শুধু আপনার জন্য চ্যালেঞ্জিং নয়, আপনার মতই অনেকেই আছেন, যারা না বলতে পারেন না।সামাজিক মনোবিজ্ঞানী ডক্টর ভেনেসা কে. বোহনস ২০১৬ সালে অন্যদের উপর মানুষের প্রভাব নিয়ে গবেষণা করে লিখেছেন, "অনেক মানুষ প্রায়ই অনুরোধে ঢেঁকি গিলে ফেলেন। এমন কিছু করতে সম্মত হন - যা তারা করতে পছন্দ করেন না। তারা এমন করেন শুধুমাত্র 'না' বলার অস্বস্তি এড়াতে।"
“আমরা সম্পর্ক রক্ষার তাগিদে হয়তো হ্যাঁ বলে দিতে পারি। কারণ আমরা নিজেকে কঠিন হিসেবে দেখাতে চাই না।” বলেছেন ড. এমিলি আনহাল্ট নামে একজন ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট।
ডক্টর নিকোল ওয়াশিংটন নামে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ এবং এলোসিন সাইকিয়াট্রিক সার্ভিসেসের চিফ মেডিকেল অফিসার বলেছেন, “আমরা একজন ভালো বন্ধুকে নিরাশ করতে চাই না বা কারো অনুভূতিতে আঘাত করতে চাই না, এজন্য না বলতে চাই না।”
আরেকটি কারণ আমাদের অতীত অভিজ্ঞতা আমাদেরকে হ্যাঁ বলতে শেখায়। মনোবিজ্ঞানী আনহাল্টের মতে, বড় হওয়ার সময়, আপনি নিজের পক্ষে ওকালতি করতে শেখেননি।
“এটাও সত্যি যে আপনি হ্যাঁ বলেন, কারণ আপনি সাহায্য করতে চান। কিন্তু আপনি ভুলে যান যে আপনি চাইলেই একজনকে সব সময় সাহায্য করতে পারবেন না।” আনহল্ট বলেছেন।
নিকোল ওয়াশিংটন বলেছেন, “আমরা এটা ভেবে উদ্বিগ্ন হই যে, না বলার মাধ্যমে আমরা একটি নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করার বিষয়ে আমাদের অক্ষমতা প্রদর্শন করি।”
কেন না বলা ভালো
☘️☘️☘️☘️☘️☘️☘️
নিজেকে রক্ষা করতে কখনো কখনো ব্যক্তিগত বা পেশাগত পরিস্থিতিতে না বলতে হয়। ওয়াশিংটন বলেন, নিজের যত্নের জন্য না বলাটা জরুরি। তিনি উল্লেখ করেছেন, না বলার কিছু সুবিধা আছে।
🔷 বিশ্রামের সুযোগ পাওয়া যায়। যা আমাদেরকে পুনরুজ্জীবিত করে।
🔷 লক্ষ্যে অবিচল থেকে নিজের কাজে ব্যস্ত থাকা যায়।
🔷প্রিয়জন এবং সহকর্মীদের সাথে সম্পর্কের সীমানা নির্ধারণ করা যায়।
চূড়ান্ত বিচারে, প্রয়োজন বুঝে না বলা আমাদের জীবনকে ব্যাপকভাবে এগিয়ে নেয়, আনহাল্ট বলেন। এটি আমাদেরকে নিজেদের মত করে একটি পরিপূর্ণ, অর্থপূর্ণ জীবন গড়ে তোলার সুযোগ দেয়। সর্বোপরি, আমরা কেবল নিজের উপর ক্ষমতার উপর আস্থা রাখতে পারি।
কখন না বলা দরকার?
☘️☘️☘️☘️☘️☘️☘️
কখনও কখনও, আমরা না বুঝেই হ্যাঁ বলি। কারণ আমরা জানি না আমরা কী চাই। আমাদের নিজেকে জানতে হবে। বুঝতে হবে, কোন জিনিসগুলো মন সায় দিচ্ছে না।
যেভাবেই হোক, কখন প্রত্যাখ্যান করা আপনার পক্ষে সর্বোত্তম তা নিয়ে ভাবা দরকার। কোন পরিস্থিতিতে কীভাবে এগিয়ে যেতে হবে সে সম্পর্কে আপনি ইতিবাচক না হলে নিজেকে এই প্রশ্নগুলি জিজ্ঞাসা করুন:
🔷 হ্যাঁ বলা কি আপনাকে আরও গুরুত্বপূর্ণ কিছুতে ফোকাস করতে বাধা দেবে?
🔷আপনার সম্ভাব্য সিদ্ধান্ত আপনার মূল্যবোধ,বিশ্বাস, এবং লক্ষ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না?
🔷আপনার মূল্যবোধ, বিশ্বাস এবং বর্তমান লক্ষ্যগুলি কী কী?
🔷হ্যাঁ বলা কি আপনাকে আরও ক্লান্ত বা পরিশ্রান্ত করে ফেলবে?
🔷হ্যাঁ বলা কি আপনার মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ভালো হবে? অথবা এটা কি আপনার জন্য খারাপ হবে?
🔷অতীতে, আপনি যখন হ্যাঁ বলেছেন, তারপরে আফসোস করেছেন কি?
🔷যা প্রত্যাখ্যান করা আপনার জন্য ভালো ছিল, অথচ আপনি তা গ্রহণ করেছিলেন কোন পরিস্থিতিতে? আপনি কিভাবে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন?
উপরের প্রশ্নগুলির উত্তর জানা থাকলে আপনি বুঝতে পারবেন কখন এবং কোন পরিস্থিতিতে না বলতে হবে।
কিভাবে "না" বলবেন?
☘️☘️☘️☘️☘️☘️☘️
🌿🌿🌿🌿🌿🌿
William Somerset Maugham এর The Luncheon গল্পে একজন উদীয়মান লেখক কিভাবে এক পেটুক মহিলার তোষামদিতে ভুলে বিপুল পরিমাণ অর্থ খুইয়েছিলেন, তার সরস বিবরণ আছে।লেখক বিষয়টি এভাবে বর্ণনা করেছেন,” I was flattered and was too young to have learned to say no to a woman.” আমরা অনেকেই অন্যকে না বলতে পারি না।কোনো কোনো পরিস্থিতিতে না বলা একটি মানসিক দক্ষতা। কিছু টিপস অনুসরণ করে যে কেউ আয়ত্ত এই দক্ষতা অর্জন করতে পারেন।
‘না’ ছোট একটি শব্দ। তবুও না বলা কারো কারো জন্য সত্যিই কঠিন মনে হতে পারে - এমনকি জটিল। আমাদের অনেকের জন্য, না বলাটা ভুল মনে হয়! তাই, যখনই কেউ আপনাকে কিছু করতে বলে, আপনি মনের ইচ্ছার বিরুদ্ধে হয়তো বলে ফেলেন, “হ্যাঁ! অবশ্যই!”
কিন্তু বাস্তবে, আপনি বিপরীত কিছু অনুভব করতে পারেন। হয়তো আপনি অন্য কিছু করতে চেয়েছিলেন। হয়তো আপনার জন্য এটা বলাই ভালো ছিল, “দুঃখিত, আমি এটা পারবো না।” আমরা অনেকেই জানি না, মনের ইচ্ছার বিরুদ্ধে হ্যাঁ বলা মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়।
না বলা সত্যিই একটি দক্ষতা, যা আপনাকে আরো বেশি স্মার্ট করতে পারে। পরিস্থিতির দাবি অনুযায়ী আপনি না বললেই স্বাভাবিক বোধ করবেন। মনের চাপ কমবে।
বিভিন্ন পরিস্থিতিতে না বলার দক্ষতা তৈরি করার জন্য এই লেখাটিতে বেশ কয়েকটি উপায় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
কেন না বলা কঠিন?
☘️☘️☘️☘️☘️☘️☘️
না বলা শুধু আপনার জন্য চ্যালেঞ্জিং নয়, আপনার মতই অনেকেই আছেন, যারা না বলতে পারেন না।সামাজিক মনোবিজ্ঞানী ডক্টর ভেনেসা কে. বোহনস ২০১৬ সালে অন্যদের উপর মানুষের প্রভাব নিয়ে গবেষণা করে লিখেছেন, "অনেক মানুষ প্রায়ই অনুরোধে ঢেঁকি গিলে ফেলেন। এমন কিছু করতে সম্মত হন - যা তারা করতে পছন্দ করেন না। তারা এমন করেন শুধুমাত্র 'না' বলার অস্বস্তি এড়াতে।"
“আমরা সম্পর্ক রক্ষার তাগিদে হয়তো হ্যাঁ বলে দিতে পারি। কারণ আমরা নিজেকে কঠিন হিসেবে দেখাতে চাই না।” বলেছেন ড. এমিলি আনহাল্ট নামে একজন ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট।
ডক্টর নিকোল ওয়াশিংটন নামে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ এবং এলোসিন সাইকিয়াট্রিক সার্ভিসেসের চিফ মেডিকেল অফিসার বলেছেন, “আমরা একজন ভালো বন্ধুকে নিরাশ করতে চাই না বা কারো অনুভূতিতে আঘাত করতে চাই না, এজন্য না বলতে চাই না।”
আরেকটি কারণ আমাদের অতীত অভিজ্ঞতা আমাদেরকে হ্যাঁ বলতে শেখায়। মনোবিজ্ঞানী আনহাল্টের মতে, বড় হওয়ার সময়, আপনি নিজের পক্ষে ওকালতি করতে শেখেননি।
“এটাও সত্যি যে আপনি হ্যাঁ বলেন, কারণ আপনি সাহায্য করতে চান। কিন্তু আপনি ভুলে যান যে আপনি চাইলেই একজনকে সব সময় সাহায্য করতে পারবেন না।” আনহল্ট বলেছেন।
নিকোল ওয়াশিংটন বলেছেন, “আমরা এটা ভেবে উদ্বিগ্ন হই যে, না বলার মাধ্যমে আমরা একটি নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করার বিষয়ে আমাদের অক্ষমতা প্রদর্শন করি।”
কেন না বলা ভালো
☘️☘️☘️☘️☘️☘️☘️
নিজেকে রক্ষা করতে কখনো কখনো ব্যক্তিগত বা পেশাগত পরিস্থিতিতে না বলতে হয়। ওয়াশিংটন বলেন, নিজের যত্নের জন্য না বলাটা জরুরি। তিনি উল্লেখ করেছেন, না বলার কিছু সুবিধা আছে।
🔷 বিশ্রামের সুযোগ পাওয়া যায়। যা আমাদেরকে পুনরুজ্জীবিত করে।
🔷 লক্ষ্যে অবিচল থেকে নিজের কাজে ব্যস্ত থাকা যায়।
🔷প্রিয়জন এবং সহকর্মীদের সাথে সম্পর্কের সীমানা নির্ধারণ করা যায়।
চূড়ান্ত বিচারে, প্রয়োজন বুঝে না বলা আমাদের জীবনকে ব্যাপকভাবে এগিয়ে নেয়, আনহাল্ট বলেন। এটি আমাদেরকে নিজেদের মত করে একটি পরিপূর্ণ, অর্থপূর্ণ জীবন গড়ে তোলার সুযোগ দেয়। সর্বোপরি, আমরা কেবল নিজের উপর ক্ষমতার উপর আস্থা রাখতে পারি।
কখন না বলা দরকার?
☘️☘️☘️☘️☘️☘️☘️
কখনও কখনও, আমরা না বুঝেই হ্যাঁ বলি। কারণ আমরা জানি না আমরা কী চাই। আমাদের নিজেকে জানতে হবে। বুঝতে হবে, কোন জিনিসগুলো মন সায় দিচ্ছে না।
যেভাবেই হোক, কখন প্রত্যাখ্যান করা আপনার পক্ষে সর্বোত্তম তা নিয়ে ভাবা দরকার। কোন পরিস্থিতিতে কীভাবে এগিয়ে যেতে হবে সে সম্পর্কে আপনি ইতিবাচক না হলে নিজেকে এই প্রশ্নগুলি জিজ্ঞাসা করুন:
🔷 হ্যাঁ বলা কি আপনাকে আরও গুরুত্বপূর্ণ কিছুতে ফোকাস করতে বাধা দেবে?
🔷আপনার সম্ভাব্য সিদ্ধান্ত আপনার মূল্যবোধ,বিশ্বাস, এবং লক্ষ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না?
🔷আপনার মূল্যবোধ, বিশ্বাস এবং বর্তমান লক্ষ্যগুলি কী কী?
🔷হ্যাঁ বলা কি আপনাকে আরও ক্লান্ত বা পরিশ্রান্ত করে ফেলবে?
🔷হ্যাঁ বলা কি আপনার মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ভালো হবে? অথবা এটা কি আপনার জন্য খারাপ হবে?
🔷অতীতে, আপনি যখন হ্যাঁ বলেছেন, তারপরে আফসোস করেছেন কি?
🔷যা প্রত্যাখ্যান করা আপনার জন্য ভালো ছিল, অথচ আপনি তা গ্রহণ করেছিলেন কোন পরিস্থিতিতে? আপনি কিভাবে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন?
উপরের প্রশ্নগুলির উত্তর জানা থাকলে আপনি বুঝতে পারবেন কখন এবং কোন পরিস্থিতিতে না বলতে হবে।
কিভাবে "না" বলবেন?
☘️☘️☘️☘️☘️☘️☘️
সত্যি কথা বলতে কি "না" বলাটা খুব সহজ নয়। নিচে কয়েকটি কাল্পনিক পরিস্থিতিতে কীভাবে না বলা যায়, তার কিছু নমুনা বা উদাহরণ দেওয়া হলো।
💥 আপনি সবাইকে সাহায্য করতে চান। না বলা মানেই তো অন্যদের ফিরিয়ে দিলেন, তাই না ?
এমন পরিস্থিতিতে বিনয়ের সাথে বলে ফেলুন, “আমি সত্যিই দুঃখিত, আমার এখন এত কাজ, নিঃশ্বাস ফেলার সময় পাই না। আপনাকে কিভাবে সাহায্য করব, বলুন?”
💥যদি কোনো বয়স্ক মানুষ আপনাকে কোনো অনুরোধ করেন, আপনি হয়তো সম্মানের খাতিরে তাঁকে না বলবেন না। অনেক সময় ভালো না লাগলেও অনুরোধে ঢেকি গিলতে হয়, সত্যি কি না বলুন ?
অনুরোধে ঢেঁকি না গিলে বরং তাঁকে ভদ্রভাবে বলুন, “ইস্! এমন সময়ে আপনি বললেন, আমি অন্য কাজের মধ্যে ডুবে আছি। এটা পরে করলে হয় না ?”
💥আপনি শান্তিপ্রিয় মানুষ।বিবাদ এড়াতে চান। আপনার খেতে ইচ্ছা করছে মুরগি, বউ বলছে, আজকে মাছ রাঁধি। আপনি কি "না " বলবেন ? বউ বড়, না মুরগি?
এমন পরিস্থিতি সত্যিই কঠিন।আপনি মিষ্টি করে বলুন, “তোমার হাতের রান্না খুবই চমৎকার।সেদিনের মুরগির স্বাদ এখনও জিভে লেগে আছে। আজ মুরগি খেলে কেমন হয়।
💥 আপনি চান সবাই আপনাকে পছন্দ করুক। বাসার সবাই বলছে, চলো, পিকনিকে যাই আর আপনি বলবেন, না, আমি ঘরে বসে টেস্ট ক্রিকেট দেখবো। ঠিক যেন গরম দুধে লেবুর রস!
এরকম পরিস্থিতিতে বরং বলতে পারেন, “ খুবই ভালো আইডিয়া।কিন্তু আমার আজ বাইরে যেতে ইচ্ছে করছে না।”
💥 আপনি চান না উদ্ধত বা নাক উঁচু হতে। কেউ যেন না বলে ঐ ভদ্রলোকের দেমাগ বেশি I
ঠিক আছে, ভদ্রতা বজায় রেখে সুন্দরভাবে বলতে পারেন, “ চমৎকার আইডিয়া আপনার, আমি আনন্দের সাথে এটা করতাম, কিন্তু হাতে এত কাজ।” অথবা অন্যভাবেও বলতে পারেন, “এ ব্যাপারে ভেবে দেখি, পরে জানাব আপনাকে।”
💥আপনি ভাবছেন, বস কোন কিছু করতে বললেন, যদি বসকে না বলেন বা তার কথা না মানেন, বেতন বৃদ্ধি বা প্রমোশনের সময় তিনিও নিশ্চয়ই না বলবেন!
এটিও একটি জটিল পরিস্থিতি। এমন পরিস্থিতিতে না পারবেন বসকে খুশি করতে, না পারবেন নিজের আনুগত্য প্রমাণ করতে। বরং বিনয়ের সাথে বলুন, “বস, সত্যি বলতে কি, আমি এ ব্যাপারে একেবারে অনভিজ্ঞ। নিশ্চয় আমি এ বিষয়ে জানার ও শেখার চেষ্টা করবো।”
💥 আপনি একজন নারী।স্বল্প পরিচিত কিংবা অপরিচিত কেউ আপনার মুঠোফোনের নম্বর চাইছেন, আপনি দিতে চান না, এমন পরিস্থিতিতে কৌশল করে বলুন, “আমার স্বামী বা বয়ফ্রেন্ডকে জিজ্ঞেস করব, ও যদি অনুমতি দেয়, আপনাকে জানাবো, ঠিক আছে!”
এই সাতটি উত্তর যদি মনের মতো না হয়, সরাসরি বলবেন, “সত্যি আমি দুঃখিত, আমি এটা পারব না।” ভয় পাবেন না, দেখবেন কিছুই হবে না, কেউ কিছু মনে করবেন না। আর মনে করলেও আপনার কিছু যায় আসে না। বরং এতে বেঁচে যাবে আপনার সময়, অর্থ, এমনকি সম্মান।
সুতরাং মিষ্টি করে ‘না’ বলতে শিখুন।বিশ্বাস করুন, ‘না’ বলতে পারাটা এক ধরনের সাহস! ‘না’ বলা এক ধরণের শিল্পও বটে!
তথ্যসূত্র:
https://psychcentral.com/lib/learning-to-say-no#recap
https://www.wikihow.com/Say-No
https://www.scienceofpeople.com/how-to-say-no/
💥 আপনি সবাইকে সাহায্য করতে চান। না বলা মানেই তো অন্যদের ফিরিয়ে দিলেন, তাই না ?
এমন পরিস্থিতিতে বিনয়ের সাথে বলে ফেলুন, “আমি সত্যিই দুঃখিত, আমার এখন এত কাজ, নিঃশ্বাস ফেলার সময় পাই না। আপনাকে কিভাবে সাহায্য করব, বলুন?”
💥যদি কোনো বয়স্ক মানুষ আপনাকে কোনো অনুরোধ করেন, আপনি হয়তো সম্মানের খাতিরে তাঁকে না বলবেন না। অনেক সময় ভালো না লাগলেও অনুরোধে ঢেকি গিলতে হয়, সত্যি কি না বলুন ?
অনুরোধে ঢেঁকি না গিলে বরং তাঁকে ভদ্রভাবে বলুন, “ইস্! এমন সময়ে আপনি বললেন, আমি অন্য কাজের মধ্যে ডুবে আছি। এটা পরে করলে হয় না ?”
💥আপনি শান্তিপ্রিয় মানুষ।বিবাদ এড়াতে চান। আপনার খেতে ইচ্ছা করছে মুরগি, বউ বলছে, আজকে মাছ রাঁধি। আপনি কি "না " বলবেন ? বউ বড়, না মুরগি?
এমন পরিস্থিতি সত্যিই কঠিন।আপনি মিষ্টি করে বলুন, “তোমার হাতের রান্না খুবই চমৎকার।সেদিনের মুরগির স্বাদ এখনও জিভে লেগে আছে। আজ মুরগি খেলে কেমন হয়।
💥 আপনি চান সবাই আপনাকে পছন্দ করুক। বাসার সবাই বলছে, চলো, পিকনিকে যাই আর আপনি বলবেন, না, আমি ঘরে বসে টেস্ট ক্রিকেট দেখবো। ঠিক যেন গরম দুধে লেবুর রস!
এরকম পরিস্থিতিতে বরং বলতে পারেন, “ খুবই ভালো আইডিয়া।কিন্তু আমার আজ বাইরে যেতে ইচ্ছে করছে না।”
💥 আপনি চান না উদ্ধত বা নাক উঁচু হতে। কেউ যেন না বলে ঐ ভদ্রলোকের দেমাগ বেশি I
ঠিক আছে, ভদ্রতা বজায় রেখে সুন্দরভাবে বলতে পারেন, “ চমৎকার আইডিয়া আপনার, আমি আনন্দের সাথে এটা করতাম, কিন্তু হাতে এত কাজ।” অথবা অন্যভাবেও বলতে পারেন, “এ ব্যাপারে ভেবে দেখি, পরে জানাব আপনাকে।”
💥আপনি ভাবছেন, বস কোন কিছু করতে বললেন, যদি বসকে না বলেন বা তার কথা না মানেন, বেতন বৃদ্ধি বা প্রমোশনের সময় তিনিও নিশ্চয়ই না বলবেন!
এটিও একটি জটিল পরিস্থিতি। এমন পরিস্থিতিতে না পারবেন বসকে খুশি করতে, না পারবেন নিজের আনুগত্য প্রমাণ করতে। বরং বিনয়ের সাথে বলুন, “বস, সত্যি বলতে কি, আমি এ ব্যাপারে একেবারে অনভিজ্ঞ। নিশ্চয় আমি এ বিষয়ে জানার ও শেখার চেষ্টা করবো।”
💥 আপনি একজন নারী।স্বল্প পরিচিত কিংবা অপরিচিত কেউ আপনার মুঠোফোনের নম্বর চাইছেন, আপনি দিতে চান না, এমন পরিস্থিতিতে কৌশল করে বলুন, “আমার স্বামী বা বয়ফ্রেন্ডকে জিজ্ঞেস করব, ও যদি অনুমতি দেয়, আপনাকে জানাবো, ঠিক আছে!”
এই সাতটি উত্তর যদি মনের মতো না হয়, সরাসরি বলবেন, “সত্যি আমি দুঃখিত, আমি এটা পারব না।” ভয় পাবেন না, দেখবেন কিছুই হবে না, কেউ কিছু মনে করবেন না। আর মনে করলেও আপনার কিছু যায় আসে না। বরং এতে বেঁচে যাবে আপনার সময়, অর্থ, এমনকি সম্মান।
সুতরাং মিষ্টি করে ‘না’ বলতে শিখুন।বিশ্বাস করুন, ‘না’ বলতে পারাটা এক ধরনের সাহস! ‘না’ বলা এক ধরণের শিল্পও বটে!
তথ্যসূত্র:
https://psychcentral.com/lib/learning-to-say-no#recap
https://www.wikihow.com/Say-No
https://www.scienceofpeople.com/how-to-say-no/
Psych Central
How and When to Say No
We've heard of the "year of yes," now it's time to learn the right time and way to say no to maintain self-care and give room for mental wellness.
রুকইয়াহ শোনার নিয়ম।
অজু করে নিয়ত করে চোঁখ বন্ধ করে শুনবেন টানা ব্রেক ছাড়া,পতিক্রিয়া যদি হয় তাহলে বার বার শুনতে থাকবেন প্রয়োজনে সময় বাড়িয়ে নিবেন।
অজু করে নিয়ত করে চোঁখ বন্ধ করে শুনবেন টানা ব্রেক ছাড়া,পতিক্রিয়া যদি হয় তাহলে বার বার শুনতে থাকবেন প্রয়োজনে সময় বাড়িয়ে নিবেন।