জ্ঞান - Knowledge
2K subscribers
1.27K photos
21 videos
11 files
463 links
🙂🙂🙂
Download Telegram
যারা বলো শুধু ইউএস কানাডাতে রেসিজম, কিন্তু বাংলাদেশে কোন রেসিজম নাই, তাদের বলছি:

আমি বুয়েটে মাষ্টার্স করার সময়, থিসিস সুপারভাইজার আমাকে সাধারণত তার রুমে ডুকতে দিতো না। আমি উনার সাথে দেখা করতে গেলে, দরজার সামনে দাঁড়িয়ে থাকতাম। স্যার ডেস্ক থেকে দরজা পর্যন্ত হেটে এসে আমার সাথে কথা বলতেন। বিশেষ প্রয়োজন হলে, যেমন কোন কাগজপত্রে সিগনেচার লাগলে, স্যারের ডেস্কে কাগজ রেখে আবার দরজার সামনে দাঁড়িয়ে থাকতাম। ট্রাস্ট মি, মাস্টার্স লাইফে স্যারের রুমে কোনদিন বসি নাই।

আবার একই স্যারের ব্যাচেলর ছাত্র-ছাত্রীদের দেখতাম স্যারের রুমে ডেস্কের সামনে বসে স্যারের সাথে অনেক গল্প করতে।

কারো মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, একই স্যারের দুইরকম ব্যাবহার হবে কেন? আমি সঠিক বলতে পারবো না। তবে লোকমুখে শুনেছি, যারা বুয়েটে আন্ডারগ্রাডে পড়াশুনা করে, তারা বুয়েটিয়ান। আমরা যারা অন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আন্ডারগ্রাড পাশ করে বুয়েটে মাষ্টার্স করেছি, তারা বাইরের ছাত্র-ছাত্রী। সব শিক্ষকই একই রকম তেমনটি নয়। তবে আমি যা লিখেছি, সেখানে একবিন্দু মিথ্যা লিখি নাই।

রেসিজম কি শুধু সাদা-কালো চামড়ার? পাবলিক ভার্সিটির ছেলে-মেয়ে কিম্বা শিক্ষকরা ভাবে, তারা এলিট। বাকি প্রাইভেট ভার্সিটির সবাই গরু-গাধা। আবার বুয়েটের লোকজন ভাবে, রুয়েট-কুয়েট-চুয়েটের লোকজন ছাগল-ভেড়া। NSU-BRAC-AIUB এরা ভাবে অন্যান্য প্রাইভেটের ছেলে-মেয়েরা হাস-মুরগী। চট্টগ্রামের লোকজন ভাবে রাজশাহীর লোকজন ক্ষ্যাত-খামার। আর এভাবেই আমাদের দেশের রেসিজম চলে।

লেখাঃ একেএম নজরুল
মানুষ কি ভাবে চিনবেন এই নিয়ে তিনটা গোল্ডেন রুলস ইসলামেই আছে, তিন দিন একত্রে রাত্রী যাপন করা, তিন দিন একসাথে খাওয়া দাওয়া করা, অথবা তিন দিনের জন্য কোথাও সফরে বের হওয়া।
সফরে বের হলে একেবারে তিনটা জিনিস পূর্নতা পায়। এই তিন অবস্থার মধ্যে আপনি সহজেই একজন মানুষকে বুঝে নিতে পারবেন তার সাথে চলা উচিত কি অনুচিত। যদি আপনি এই তিনটা পদ্ধতীর কোনটাতেই না চিনতে পারেন তাহলে তাকে অল্প পরিমানে টাকা হাওলাদ দিন।
একজন চাকরী প্রত্যাশী বিভিন্ন জায়গায় মেসেজ দেয় চাকরির জন্য। একজন তাকে অফার দেয় স্ট্রিপ চ্যাটে লাইভ করতে। মেয়েটা স্বীকার ও করে নেয়। তার ছবি ও নেয়। অদ্ভুত ব্যাপার হলো সে এই স্ট্রিপ চ্যাট ব্যাপারে জানতো না। এটা যে আসলে লাইভ ক্যামেরার সামনে নিজের জামা খুলার কাজ এটা সে বুঝতেও পারেনাই। :)
এই কাজে তাকে ৩০ হাজার টাকা অফার করা হয়।
যখন এটা সে বুঝতে পারে তখন না করে দেয় এবং ব্লক করে দেয়।
তবে অনেক মেয়েরা আবার এদের ফাদে পরেও যায় আবার অনেক সময় তাদের দিয়ে এরা লাখ টাকা ইনকাম করলেও বিনিময়ে একটাকাও এসব মেয়েদের দেয়না। :(

আমি বুঝিনা কেনো চাকরির পিছনে এখনো মেয়েদের ছুটা লাগে? ছুটলেও বিডিজবসে সিভি দিবেন,লিঙ্কডইন এ Hr দের সিভি ইমেইল করবেন। আপ্নাদের ফেসবুক লাগে কেন?

©
১৪৩টি বিজনেস আইডিয়া, বেছে নিন আপনার স্বপ্নের উদ্যোগ

1. প্যাকেটজাত পণ্য
2. মোবাইল এন্ড কম্পিউটার পার্স
3. অর্গানিক খাদ্য সরবরাহ। মাছ মাংস থেকে শুরু করে শাক সবজি ফলমূল, স্থানীয় উৎপাদিত পন্য শহুরে সরবারহ করা যেতে পারে ।
4. অনলাইনে বই বিক্রি
5. একটার সাথে আর একটার সেইন কানেকশান
6. বৃষ্টির পানি সংগ্রহ ও রিফাইন করে সেল
7. বোতল রিসাইকেলিং
8. ফরমালিন মুক্ত খাবার উৎপাদন থেকে শুরু করে পৌঁছে দেয়া
9. আবর্জনা দিয়ে বিদ্যুৎ, গ্যাস তৈরী করা
10. Cosmetics
11. Handcraft
12. বিভিন্ন জেলার বিখ্যাত খাবার
13. চা বাগানে কি কি বিজনেস সার্ভিস দেয়া যায়...
14. Export and Import
15. ঘি
16. মসলা জাতীয় গাছের চাষ
17. চকবাজার থেকে প্রডাক্টস কিনে
18. মাছ একোরিয়ামে
19. ইট
20. তাঁতের পোশাক শিল্প
21. ফুল
22. হোম মেড বিভিন্ন খাবারের আইটেম
23. অনলাইন ট্রেনিং সেন্টার: আইটি
24. চট্টগ্রাম পাহারী অন্চল থেকে হলুদ, মরিচ, পেয়াজ নিয়ে এসে ঢাকাতে বিক্রি করা,
25. ফ্রেস জুস
26. গিফট আইটেম
27. বিনোদন পার্ক
28. বাচ্চাদের যত আইটেম
29. অটো কার ওয়াশ
30. ইন্টরিয়র ডিজাইন
31. গ্যারেজ
32. কাগজের বাক্স, শপিং ব্যাগ ডিজাইন ও তৈরি
33. পার্লার
34. কুরিয়ার বিজনেস
35. গহনা
36. সিরামিক টাইলস
37. ফার্নিচার
38. দেশি মুরগীর খামার
39. প্লাস্টিক থেকে সুতা
40. ওয়ান টাইম প্লেট ও গ্লাস তৈরি
41. ট্রাভেল এবং ট্যুরিজম ব্যবসা
42. ডিটারজেন্ট
43. এলোব্যারা ও মাশরুম চাষ
44. ফুড কার্ট
45. এগ্রো ফার্ম
46. মসল্লার চাষ
47. সবজি রপ্তানি
48. ফল রপ্তানি
49. মাছ রপ্তানি
50. লাইভ ফিস
51. নিজ জেলায় ডাক্তার এপায়ন্টমেন্ট এপস
52. নিজ জেলায় অনলাইনে পণ্য বিক্রি
53. ককংক্রিটের ব্যবসা
54. ফুলের চাষ
55. তাত নিয়ে কাজ
56. হোম মেড খাবার নিয়ে কাজ
57. আইস্ক্রিম তৈরি
58. হাসের খামার
59. মুরগীর খামার
60. কবুতরের খামার
61. বায়োগ্যাস
62. কয়েলের ব্যবসা
63. মোমবাতি তৈরি
64. গিফট আইটেম সেল
65. বেবী খেলনা ইম্পোর্ট করা
66. নিজ জেলায় ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট
67. স্যানেটারি ন্যাপকিন
68. কসমেটিক্স ইম্পোর্ট
69. নিজ থানায় বাচ্চাদের আইটেম নিয়ে দোকান
70. ডেইরি ফার্ম
71. জুয়েলারি ব্যবসা
72. কার ওয়াশ
73. লন্ড্রি অনলাইন সার্ভিস
74. ইন্টরিয়ার ডিজাইন
75. ইলিশ মাছের বিভিন্ন আইটেম নিয়ে খাবারের দোকান
76. নন ওভেন টিস্যু ব্যাগ তৈরি
77. কাগজের ব্যাগ তৈরি
78. কাগজের প্যাকেট তৈরি
79. প্রিন্টিং ব্যবসা
80. স্টক লটের ব্যবসা
81. আধুনিক ফার্মেসী
82. গুড়া মসল্লার ব্যবসা
83. ফার্নিচার তৈরি
84. ফার্নিচার হোলসেল
85. চিড়ার ফ্যাক্টরি
86. মুড়ির ফ্যাক্টরি
87. সিরামিক টাইলস এর দোকান
88. সিরামিক সামগ্রী
89. বিশুদ্ধ পানি সাপ্লাই ব্যবসা
90. ঠিকাদারি ব্যবসা
91. ম্যান পাওয়ার সাপ্লাই
92. বিভিন্ন ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং
93. চা পাতার ব্যবসা
94. ঘরে তৈরি খাবারের ব্যবসা
95. কফি শপ
96. ফাস্ট ফুড
97. লেদার নিয়ে কাজ করা
98. নিজ জেলায় বিভিন্ন পণ্য হোলসেল দেওয়া
99. ড্রাগন চাষ
100. খেজুর চাষ
101. নারিকেল চাষ
102. কাকড়া চাষ ও রপ্তানি করা
103. ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি
104. ভ্রাম্যমাণ রেস্টুরেন্ট
105. চকলেটের দোকান
106. চকলেট ইম্পোর্ট করা
107. বেকারি ব্যবসা
108. পুরাতন ঐতিহ্যবাহী খাবারের ব্যবসা
109. বিল্ডিং তৈরির বিভিন্ন সরজামাদি সাপ্লাই দেওয়া
110. শোপিস তৈরির ব্যবসা
111. নিজ এলাকায় আইটি ফার্ম
112. অনলাইনে রেল, এয়ার ও বাসের টিকেট ব্যবসা
113. স্পোর্টস আইটেমের দোকান
114. স্কুল ব্যাগের ব্যবসা
115. আধা রসুনের পেষ্ট তৈরি
116. পটেটো চিপস তৈরি
117. ডেলিভারি ম্যান বা সিকিউরিটি বয় সার্ভিস
118. এপসের মাধ্যমে ক্লিনার ও কাজের বুয়া সার্ভিস
119. ডিম উৎপাদনে মুরগির খামার
120. চেইন শপের ব্যবসা
121. মৌমাছি পালন
122. সেলুন ব্যবসা
123. একুরিয়াম শপ
124. খাতা বানানোর কারাখানা
125. মানি ব্যাগ তৈরি
126. ডে-কেয়ার সার্ভিস
127. বাঁশ ও বেতের তৈরি সামগ্রী
128. ঝিনুক থেকে চুন
129. বিভিন্ন ফলের বীজ সংগ্রহ ও বিক্রি
130. সবজির বীজ সংগ্রহ ও বিক্রি
131. জিম আইটেম সেল
132. জিমনিসিয়াম দেওয়া নিজ এলাকায়
133. পার্লার ব্যবসা
134. জি আই পাইপ তৈরি
135. মিনি সুগার মিল
136. আটা, ময়দা ও সুজির মিল
137. সয়াবিন রিফাইন
138. শতরঞ্জি, শাল, ব্যাগ, ফ্লোরম্যাটসহ বিভিন্ন পাটজাত পণ্য
139. শার্ট, প্যান্ট, পাঞ্জাবি, স্যুটের কাপড়
140. শর্ষের তেল,
141. পেপার মিল,
142. ইটভাটা
143. ঠিকাদারি ব্যবসা

আপনার কোনটা?

ও ১৪টি অনলাইন বিজনেস আইডিয়া:
ব্যবসা? পুঁজি লাগবে না? না, এই অনলাইনের যুগে একটি কম্পিউটার আর ইন্টারনেট কানেকশন থাকেন পুঁজি ছাড়াই আজ থেকেই আপনি ব্যবসায় নামতে পারেন। আসুন দেখে নেওয়া যাক এমন ১৪টি অনলাইন বিজনেস আইডিয়া।
০১. এসইও কনসালটেন্ট : আপনি কি সার্চ ইঞ্জিনের বিষয়ে অভিজ্ঞ? মানে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সম্পর্কে জানেন; কিন্তু কোথাও কাজ করার সুযোগ পাচ্ছেন না। প্রতিষ্ঠানের আশায় বসে না থেকে অনলাইনেই শুরু করুন এসইও সম্পর্কে পরামর্শ দেওয়া। অনেক প্রতিষ্ঠান পাবেন যারা আপনার পরামর্শ নেওয়ার জন্য বসে আছে। বিভিন্ন ফ্রিল্যান্স সাইটে এমন কাজ পাবেন। না হলে সোজা গুগল সার্চ দিন।

০২. বিজনেস প্রশিক্ষণ : আপনার ব্যবসা সম্পর্কে ভাল ধারণা থাকতেই পারে। কিন্তু পয়সার অভাবে নিজের স্বপ্ন অনুযায়ী একটি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করতে পারছেন না। আপনার এই অভিজ্ঞতা বসে বসে নষ্ট করার কোন মানে নেই।
অনলাইনে এমন অনেককে পাবেন যারা নতুন ব্যবসা শুরু করতে চাইছে। লিংকডইনে যান, সেখানে আপনি ব্যবসা সংক্রান্ত আর্টক্যাল লিখতে পারবেন। এর দ্বারা সেখানে আপনি অনেক ক্লায়েন্ট পাবেন। তাদের সদুপদেশ দিয়ে নিজের মেধা এবং অভিজ্ঞতা ঝালিয়ে নিতে পারবেন। সেই সঙ্গে টু-পাইস ইনকাম তো আছেই।

০৩. স্পেশালাইজড রিটেইলার : বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশেও অনলাইনে পণ্য কেনাবেচা বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এখন দেশের সব বড় শহরগুলোতেই স্পেশালাইজড শপ বা সুপারশপ আছে। এদের মধ্যে অনেক ছোট বড় প্রতিষ্ঠান আছে যারা অনলাইনে নিজেদের প্রতিষ্ঠানের প্রচার এবং বিজনেস শুরু করতে ইচ্ছুক। সেই সব প্রতিষ্ঠানের কোন একটির সঙ্গে চুক্তি করে আপনি তাদের পণ্যসম্ভার দিয়ে একটি অনলাইন শপ চালু করে ফেলতে পারেন। ঘরে বসে হয়ে যান রিটেইলার শপার।

০৪. সোশ্যাল মিডিয়া পরামর্শক : তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে সোশ্যাল সাইটগুলো চরম উত্কর্ষ অর্জন করেছে। জীবনের সব সমস্যার সমাধান যেন হয়ে উঠছে ফেসবুকের মত মাধ্যমগুলো। নিত্য নতুন ফিচারের পাশাপাশি বাড়ছে সোশ্যাল সাইট হ্যাক করে বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজে ব্যবহার করার মত ঘটনা। আপনার যদি সোশ্যাল সাইটগুলোর ব্যবহারবিধি, নিরাপত্তাসহ ফ্রেন্ড-ফলোয়ার বৃদ্ধির বিভিন্ন ট্রিকস জানা থাকে হবে আপনি হয়ে যেতে পারেন সোশ্যাল মিডিয়া কনসাল্টেন্ট। এমনটা করলে অনেক ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাজ পেতে পারেন।

০৫. ওয়েব ডিজাইন : বর্তমান সময়ের সবচেয়ে আলোচিত বিজনেস এটা। এখন একটি ছোটখাট প্রতিষ্ঠানও চিন্তা করে তাদের একটা ওয়েবসাইট থাকা দরকার। আপনার যদি ওয়েব ডিজাইন জানা থাকে তবে বসে থাকার কোন মানে নেই। ফ্রিল্যান্স সাইটগুলোতে নিজের পোর্টফোলিও পোস্ট করুন। একটি নমুনা ওয়েবসাইটের লিংক দিয়ে রাখুন। বাজারদর বিবেচনা করে সাশ্রয়ী পারিশ্রমিক ঘোষণা করুন। আপনাকে আর ঠেকায় কে?

০৬. আবেদনপত্র/কভার লেটার লেখা : আশ্চর্যজনক হলেও সত্য যে অনেক শিক্ষিত মানুষ সুন্দর করে একটি চাকরির আবেদনপত্র লিখতে জানে না। কিন্তু চাকরিক্ষেত্রে একটি সুন্দর গ্রহণযোগ্য আবেদনপত্র কিংবা কভার লেটার অন্যদের সঙ্গে পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। আপনার এই বিষয়ে অভিজ্ঞতা থাকলে লিংকডইন কিংবা সোশ্যাল সাইটগুলোয় এই বিষয়ে ক্লায়েন্ট খুঁজতে পারেন। ক্লায়েন্ট যে পাবেন এতে কোন সন্দেহ নেই।

০৭. টাস্ক ম্যানেজার/সহকারী : আপনার যদি ভাল অর্গানাইজিং দক্ষতা থাকে তবে আপনি এই ব্যবসার উপযুক্ত। আপনি কি অনলাইনের বিভিন্ন সমস্যার দ্রুত সমাধান দিতে পারেন? তবে আপনার এই দক্ষতা একজন ব্যাক্তিগত সহকারী কিংবা অনলাইন টাস্ক ম্যানেজার হিসেবে কাজে লাগাতে পারেন। TaskRabbit কিংবা Zirtual এর মত কোম্পানীগুলো টাকার বিনিময়ে আপনার মত মানুষকেই খুঁজে থাকে। এসব সাইটে আপনি ডাটা রিসার্চ, ভার্চুয়াল অ্যাসিস্টেন্ট সহ বিভিন্ন কাজে সহকারীর দায়িত্ব পালন করতে পারেন।

০৮. প্রফেশনাল ফ্রিল্যন্সার : ফ্রিল্যান্সিং বলতে সাধারণত অবসর সময়ের কাজকেই আমরা বুঝে থাকি। কিন্তু সময়ের পাশাপাশি ধারণাও পাল্টে গেছে। এখন প্রচুর বেকার তরুণ-তরুণী ফ্রিল্যান্সিংকে মূল পেশা হিসেবে গ্রহণ করছেন। আপনি চাইলে পার্টটাইম কাজও করতে পারেন। বেকার বসে না থেকে আজই যুক্ত হোন ফ্রিল্যান্সিং সাইটগুলোতে।

০৯. অনলাইন মার্কেটিং : আপনি যদি আমাজানের মত সাইটগুলোতে পণ্যের রিভিউ লেখায় অভ্যস্ত থাকেন তবে এখনই তা বন্ধ করুন। কারণ বিনামূল্যে কেন আপনি কোন পণ্যের মার্কেটিং করবেন? ওয়ার্ড অব মাউথ-এর মত অনেক কোম্পানী আছে যারা নিজেদের প্রোডাক্ট অনলাইনে প্রমোট করার জন্য আপনাকে পয়সা দেবে। আপনার যদি প্রচুর ফলোয়ার সমৃদ্ধ সাইট কিংবা সোশ্যাল অ্যাকাউন্ট থাকে তবে তো সোনায় সোহাগা। আজই লেগে যান কাজে।

১০. ই-বুক লেখক : আপনার লেখালেখির হাত, ভাষার দক্ষতা এবং টাইপিং স্পীড যদি ভাল থাকে তবে আপনি অনায়াসে একজন ই-বুক রাইটার হতে পারেন। এটি অনেক সহজ একটা কাজ। ই-বুকের চাহিদা এত পরিমাণে বাড়ছে যে ই-বুক রাইটার খুঁজতে পাবলিকেশন্সগুলো হুমড়ি খেয়ে পড়ছে। অনলাইনে এমন গ্রাহক খুঁজে নিতে পারেন সহজেই।
১১. প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান : অনেক ছোটখাট কোম্পানী আছে যাদের কোন আইটি স্পেশালিস্ট নেই। তাদের প্রযুক্তিগত কোন সমস্যা হলে বাইরের লোক ডাকতে হয়। আপনি এই সুযোগটা কাজে লাগিয়ে অনলাইনে বসেই শুরু করতে পারেন প্রযুক্তগত পরামর্শ প্রদান। সমস্যা হলে তারা আপনাকে জানাবে এবং আপনি ঘরে বসেই সমাধান দিয়ে দেবেন। আর কী চাই?

১২. ভার্চুয়াল চালান : শুনতে অদ্ভুত লাগলেও এই কাজটি আপনি নিজেই অহরহ করে থাকেন ব্যাংক কিংবা কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে। আপনার একটি নিজস্ব ওয়েবসাইট থাকলে সেখানে গুগল চেকআউটের মত ট্রানজেকশন হ্যান্ডল করতে পারেন। বিভিন্ন ব্র্যান্ড তাদের অনলাইন চালানসমূহ অর্গানাইজ করার জন্য আপনাকে খুঁজে নেবে। আপনি তাদের সাইট থেকে পণ্যের ছবি বিবরণ কপি করে নিজের ওয়েবসাইটে আনুন। তারপর নির্দিষ্ট আর্থিক চুক্তির বিনিময়ে নেমে পড়ুন পণ্য বিক্রয়ে।

১৩. হস্তশিল্প বিক্রেতা : অটোমেটিক মেশিনের যুগে হস্তশিল্পের কদর মোটেই কমেনি। বরং প্রচারের অভাবে এই প্রাচীণ শিল্প মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারছে না। আপনি এমন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হতে পারেন। তাদের পণ্য আপনি অনলাইনে বিক্রি করবেন। গ্রাহকের কাছ থেকে নির্দিষ্ট সার্ভিস চার্জ নিয়ে আপনি কুরিয়ারের মাধ্যমে পণ্য পৌঁছে দিতে পারেন তাদের কাছে।

১৪. অ্যাপ ডেভলপার : স্মার্টফোনের যুগে অ্যাপের ছড়াছড়ি। মানুষ এখন কম্পিউটারে বসে সাইট ব্রাউজ করার চাইতে স্মার্টফোন অ্যাপেই কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। তাই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এখন অ্যাপ ডেভলপিংয়ে আগ্রহী। আপনি যদি কোডিং সম্পর্কে ভাল জেনে থাকেন তবে লেগে পড়ুন অ্যাপ ডেভলপিংয়ে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করতে পারেন। এছাড়া বিভিন্ন সফওয়্যার ডেভলপার কোম্পানীও অনলাইনে ডেভলপার চায়। প্রথমে নিজে একটি আকর্ষণীয় অ্যাপ তৈরি করে নমুনা হিসেবে দেখান এবং যৌক্তিক পারিশ্রমিক দাবি করুন। আপনার কাজ পাওয়া নিশ্চিত।

#Entrepreneurship #উদ্যোক্তা
#Nijer_Bolar_Moto_Ekta_Golpo_Foundation
#নিজের_বলার_মতো_একটা_গল্প_ফাউন্ডেশন
এই প্রজন্মের অনেকেই জানেনা

একসময় ২৫ পয়সা মিনিটে কথা বলা যেত।

১০ টাকার মিনিট কার্ডে ৪০ মিনিট কথা বলা যেত।

রাত ১২ থেকে সকাল ৯ টা পর্যন্ত অপারেটরগুলোতে ২৫ পয়সা মিনিট ছিল।

মাইজোন নামে সারাদেশে ৮৩% ছাড়ে ২৫ পয়সা কলচার্য ছিল দিনের প্রায় সময়।

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসগুলোর ভিতরে ২৫ পয়সা মিনিটে কথা বলা যেত।

রাত ১২ টার পর শুরু প্রথম মিনিটের দাম দিয়ে সারারাত কথা বলা যেত।

বাংলালিংক এ রাত ১২ থেকে সকাল ৯ টা পর্যন্ত ফ্রী ইন্টারনেট ব্যবহার করা যেত।

বাংলালিংক একটেল ওয়ারিদ আসার আগে যখন প্রতিযোগিতা ছিলনা, পল্লী ফোন নামে জিপি ও সিটিসেলে কল রিসিভ করলেও টাকা কেটে নিত মিনিট প্রতি।

সিটিসেল থেকে কাউকে ফোন দিলে, কল ঢুকলেই মিনিট উঠা শুরু করতো।

পালস ছিলনা, এক সেকেন্ড মানে পুরো মিনিটের টাকা কেটে নিত।

ডিজুস সিম থাকলেই ফ্রি বালাম হাবিবের কনসার্ট দেখা যেত।

FNF করে নির্দিষ্ট নাম্বারে সর্বনিম্ন রেটে কথা যেত।

সিমের ব্যালেন্স মেয়াদ শেষ হলে ইনকামিং বন্ধ হয়ে যেত।

দোকানে ৩০০ টাকা কার্ড দিয়ে মেয়াদ বাড়িয়ে আবার কমিশন নিয়ে দোকানদার টাকা ট্রান্সফার করে নিত।

বাটন ফোনে ২০০ এমবি দিয়ে ৩০ দিন ইন্টারনেট ব্যবহার করা যেত।

জটিল ডট কম/ফিউশন বিডি নামক ওয়েবসাইট থেকে একটা গান ডাউনলোড দিয়ে নিজেকে আইন্সটাইন নিউটন মতো করতো।

গ্রাম এলাকায় ২০০০ সালের দিলে বাড়িতে নিজ খরচে টাওয়ার বাসাতো যারা ফোন ব্যবহার করতো।

৩/৪ টা বড় বাজার মিলে একটা রিচার্যের দোকান ছিল, এমনও হয়েছে টাকা দিলে ১/ ২ পর রিচার্য করে দিত

কপি
পুরুষদের মনোযৌন সমস্যাঃ ১৮+
( প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য মনোযৌন বিষয়ক লেখা )
.
🟩 সমস্যা ১ঃ
☑️যৌন আকাঙ্ক্ষার অভাব (Impaired Sexual Interest)
.
☑️লক্ষনঃ
এখানে পুরুষদের মধ্যে যৌন উত্তেজনা আসে এবং যৌন সুখ লাভ করেন কিন্তু তাদের যৌন কাজের প্রতি আগ্রহ তীব্রভাবে কমে যায়। নিজের মধ্যে যৌন আগ্রহ কমে যাওয়ার কারণে সঙ্গীর সব ধরনের যৌন আবেদন বা আচরণ তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করে এবং পুরুষ নিজ উদ্যোগী হয়ে কখনো সঙ্গীর সঙ্গে যৌনতায় লিপ্ত হয় না। কিছু কিছু পুরুষ সঙ্গীর সঙ্গে যৌনতায় আগ্রহ না পেলেও হস্তমৈথুন করে যৌন সুখানুভূতি লাভ করে।
.
অনেক নারী অভিযোগ করে থাকেন যে তাদের স্বামী তাদের সঙ্গে যৌন মিলন না করলেও তাদের সামনেই হস্তমৈথুন করে। একজন নারী এ ধরনের আচরণ কখনো মেনে নিতে পারে না এবং এতে করে তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ শুরু হয় যেটা অন্যান্য ছোট খাট বিষয় দিয়ে প্রকাশিত হয়।
.

স্বামী স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহ, ঝগড়াঝাঁটি, বিষন্নতা, সঙ্গীর প্রতি সন্দেহবাতিকতা ইত্যাদি কারণে এ সমস্যা দেখা দিতে পারে।
.
🟩 সমস্যা ২ঃ
☑️ইরেক্টাইল ডিসফাংশন (Erectile Dysfunction)
(লিঙ্গ ঠিকভাবে শক্ত না হওয়া)
.
☑️লক্ষনঃ
DSM- 5 (Diagnostic and Statistical Manual for mental disorders) এর মতে, সঙ্গীর সঙ্গে যৌনসহবাস করার জন্য বা যোনিপথে লিঙ্গ প্রবেশ করানোর জন্য লিঙ্গ প্রয়োজনীয় পরিমান শক্ত হয় না। যৌন আদর করার পরও তাদের লিঙ্গ শক্ত হয় না, অথবা হলেও যোনিতে লিঙ্গ প্রবেশ করানোর সময় লিঙ্গটা নেতিয়ে বা নিস্তেজ হয়ে পড়ে। এতে করে লিঙ্গ যোনিতে ঢুকে না। অথবা ঢুকাতে পারলেও বীর্য বের (Ejaculate) হওয়ার আগেই লিঙ্গ নিস্তেজ হয়ে যায়। ফলাফল, সঙ্গীকে চূড়ান্ত যৌন সুখ দিতে পারে না। ৭ থেকে ১৮ শতাংশ পুরুষদের মধ্যে জীবনে কোনো না কোনো সময়ে এ সমস্যা দেখা দিতে পারে।
এটাকেই মূলত পুরুষত্বহীনতা বলা হয়।
.

শৈশব নির্যাতন অথবা যৌন আঘাত, দীর্ঘ মেয়াদি চাপ, সঙ্গীকে যৌনসুখ না দিতে পারার অপরাধবোধ, বিষন্নতা, দাম্পত্য কলহ ইত্যাদি কারণে ইরেক্টাইল ডিসফাংশন হতে পারে।
.
🟩 সমস্যা ৩ঃ
☑️দ্রুত বীর্যপাত (Premature Ejaculation)
.
☑️লক্ষনঃ
মাস্টার অ্যান্ড জনশন, সেক্স থেরাপিস্ট (১৯৭১) এর মতে, পুরুষদের মধ্যে এটা খুবই কমন সমস্যা। এখানে যৌন আদরের কারণে পুরুষদের লিঙ্গ উত্থিত হয় কিন্তু যৌন সহবাসের নিমিত্তে নারীর যোনিপথে লিঙ্গ প্রবেশ করানোর পরপরই বীর্য বের হয়ে যায়। সময়ের হিসেবে বললে ১ মিনিটের ও কম সময়ের মধ্যে বীর্যপাত হয়ে যায়। যদিও যৌনসঙ্গমের নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা নাই তবুও যদি দ্রুত বীর্যপাত হয়ে যায় তাহলে সঙ্গীর মনে হতে পারে যৌনসুখের সময়টা খুবই ক্ষনস্থায়ী ছিল বা পরিপূর্ণ/চূড়ান্ত সুখ লাভ করতে পারেনি।
.
এরকম দ্রুত বীর্যপাত নারী এবং পুরুষ দুজনের জন্যই চরম লজ্জাকর ও হতাশাজনক হতে পারে। ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ পুরুষের জীবনের কোনো না কোনো সময়ে এ সমস্যা হতে পারে। তবে DSM-5 অনুযায়ী কারো মধ্যে এ সমস্যাটা ৬ মাস ধরে থাকলে ডাক্তার অথবা চিকিৎসা মনোবিজ্ঞানীদের শরণাপন্ন হওয়া দরকার।
.

যদি এ সমস্যার সঠিক কারণ এখনো অজানা তবুও মানসিক চাপ, বিষন্নতা, দুশ্চিন্তা, সঙ্গীকে সুখি করতে না পারার জন্য দোষী, নিজের শরীরের ইমেজ নিয়ে আত্মবিশ্বাসের অভাব, যৌন সহবাসের সময় সম্পর্কে ভুল ধারণা ইত্যাদি কারণে এ সমস্যা দেখা দিতে পারে।
.
🟩 সমস্যা ৪ঃ
☑️বিলম্বিত বীর্যপাত (Retarded Ejaculation)
.
☑️লক্ষনঃ
এটা পুরুষের এমন একটি সমস্যা যেখানে দীর্ঘক্ষণ যৌনসঙ্গম করার ফলেও বীর্যপাত করতে পারে না বা বীর্যপাত হয় না। এমনকি ২৫/৩০ মিনিট পরেও বীর্যপাত হয় না। এতে করে পুরুষ কখনও ক্লাইমেক্স বা চরমপুলক লাভ করে না। ওদিকে সঙ্গীর অর্গাজম হয়ে যায় (শারীরিক স্বাভাবিক অবস্থা)। কিন্তু পুরুষের বীর্যপাত না হওয়ায় বা খুবই দেরিতে হওয়ার কারণে নারী সঙ্গীর অবস্থা তখন ভয়াবহ হয়ে যায়। এ অবস্থা যদি কোনো পুরুষের মধ্যে ৬ মাসের বেশি সময় ধরে থাকে তাহলে মনোবৈজ্ঞানিক চিকিৎসা জরুরি।
.
এটাকে বিলম্বিত অর্গাজম বলা হয়। এ সমস্যার কারণে অনেক নারী বিবাহবিচ্ছেদ ঘটায়। কিন্তু এটার চিকিৎসা করলে সুফল পাওয়া যায়।
.
🟩 সমস্যা ৫ঃ
☑️যৌন বিতৃষ্ণা বা বিরাগ (Sexual Aversion)
.
☑️লক্ষণ:
এখানে পুরুষের মধ্যে যৌন কাজের প্রতি মারাত্মক অনীহা চলে আসে। যৌন কাজের বা যৌন সঙ্গমের প্রতি অনীহা ঘৃণা, অপমান, লজ্জা এবং আত্মসম্মানের সঙ্গে জড়িত থাকে। এ বিতৃষ্ণা বা অনীহা যে কোনো স্পেসিফিক কাজ যেমন ওরাল সেক্স অথবা যৌনিতে লিঙ্গ ঢুকানো নিয়ে হতে পারে, এটা হতে পারে বীর্যের গন্ধ, চুমু দেয়ার সময় লালার গন্ধের প্রতি। এটা হতে পারে সঙ্গীর যৌন অঙ্গ যেমন স্তন বা যোনির প্রতি। এটা হতে পারে যৌন সঙ্গম করার সময় সঙ্গীর বিভিন্ন শব্দের প্রতি।
.
যৌন বিরাগ পুরো যৌন কাজের প্রতিও হতে পারে। আবার হতে পারে নির্দিষ্ট একটা কাজের প্রতি। যেমন কোনো পুরুষ হয়তোবা শুধু যৌন সঙ্গম করতে পছন্দ করে, কিন্তু যৌন আদর যেমন- চুমু দেয়া, স্তন ঘর্ষণ করা, যোনিতে চুমু দেয়া ইত্যাদি পছন্দ করে না। অনেক নারী অভিযোগ করে থাকেন তাদের সঙ্গী কোনোরকম শারীরিক অন্য আদর ছাড়া লিঙ্গ যোনিতে প্রবেশ করিয়ে দেন।
.
কোনো পুরুষের মধ্যে এ সমস্যা থাকলে সেটা তাদের সঙ্গীর সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্কটা খারাপ করে দিতে পারে। তাদের ভালো যৌন সম্পর্ক হয়ে উঠে না। সম্পর্কটা তখন একটা অভ্যাসে পরিণত হয়। এ অবস্থা যদি কারও মধ্যে ৬ মাস চলতে থাকে এবং এজন্য যদি তাদের বৈবাহিক সম্পর্কে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পেলে তাহলে এটা যৌন বিপর্যয় ডিসঅর্ডার।
.
.
🟩 চিকিৎসা:

আমাদের দেশে যেহেতু যৌন সমস্যা বা যৌনরোগ নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয় না, তাই অনেকেই অপচিকিৎসার ফাঁদে পড়ে। লোভনীয় ও আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন, ১০০% গ্যারান্টি , এক ফাইল যথেষ্ট , ২৪ ঘণ্টায় সমাধানের নিশ্চয়তা ইত্যাদির লোভে অনেকেই প্রতারিত হন।
.
অনেকেই পাশের ফার্মেসির বন্ধু থেকে ওষুধ নিয়ে সেবন করেন। এসব ওষুধ দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব অনেক।যার কারণে যৌন জীবন পুরোটাই শেষ হয়ে যেতে পারে।
.
তাই কারো মধ্যে উপরোক্ত যৌন সমস্যাগুলো দেখা দিলে সরাসরি ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া দরকার।
.
যদি সমস্যা দীর্ঘদিনের হয় তাহলে চিকিৎসকের কাছে কাছে প্রথমে স্বামী গেলেও চিকিৎসার ধাপে ধাপে স্ত্রীকেও স্বামীর সাথে যেতে হতে পারে। এ ক্ষেত্রে রোগীর ধৈর্য ধরে চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হয় ।
.
বলা হয়ে থাকে স্বামী-স্ত্রীর মাঝে যতই সমস্যা থাকুক, মতের অমিল থাকুক, চাওয়া পাওয়া না মিলুক, কিন্তু দিন শেষে তাদের মধ্যে চমৎকার একটা রোমান্টিক যৌন-সম্পর্ক বাকি সব সমস্যাকে গৌণ করে দিতে পারে। যৌন সম্পর্ক শুধুই শারীরিক নয়, মানসিকও।
.
.
.
ডা: মোঃ ফাইজুল হক
২১ বছরের অভিজ্ঞ, সরকারি রেজিস্ট্রেশন প্রাপ্ত হোমিওপ্যাথিক, আয়ুর্বেদিক এবং ইউনানী চিকিৎসক, শিক্ষক ও লেখক । আয়ুর্বেদ তীর্থ ।
Trained on Cognitive-Behavior Therapy for Depression (DU)
Trained on Therapeutic Counselling
(Department of Clinical Psychology, University of Dhaka)
.
☑️চেম্বারঃ
বাসা# এ-৩৮/১ , ইসলামপুর , [হাসপাতাল রোড , সরকারি হাসপাতাল এবং খাদ্য গোডাউন মোড়ের মাঝে , আমাবাগান জামে মসজিদের গলী ( চার তলা মসজিদ ) ] , ধামরাই , ঢাকা ।
.
☑️মোবাইল নাম্বার:
01712 859950
বা, 01972 859950
এ ব্যপারে তো স্পষ্ট হাদিসই রয়েছে।

উম্মুল মোমেনীন হযরত উম্মে সালামা রাঃ বলেন, আবু তালহার স্ত্রী উম্মে সুলাইম রাঃ রাসুল সাঃ রাসুল সাঃ এর নিকট এসে আরজ করলেন, ইয়া রাসুল সাঃ! আল্লাহতাআলা সত্যের বিষয়ে নিঃসংকোচ তো আমার জিজ্ঞেসা হচ্ছে, কোন নারীর স্বপ্নদোষ হলে কি তার উপর গোসল ফরজ হয়? উত্তরে রাসুল বললেন হ্যাঁ। যদি সে পানি ( ভেজা) দেখতে পায়।
(সহীহ বুখারী - ১/ ৪২)।
এই হাদিস থেকে আমরা বুঝতে
পারি-

১. স্বপ্নদোষ হলে ছেলেে মেয়ে উভয়ের উপরেই গোসল ফরজ।
২. ছেলেদের মত মেয়েদেেও স্বপ্নদোষ হয়।
যদি কেউ AI বা ফটোশপ দিয়ে আপনার ছবি এডিট করে nude ছবি তৈরি করে তাহলে আপনি https://stopncii.org/ এই এড্রেসে গিয়ে আসল ছবি আর এই এডিটেড ছবি জমা দিবেন, তাহলেই তারা ইন্টারনেট এর যত জায়গায় এই এডিটেড ছবি আছে তা সরিয়ে দিবে। এর জন্য আপনার কারো সাথে সরাসরি কথা ও বলা লাগবে না। নিজের পরিচয় ও গোপন থাকবে।

যদি কেউ আপনার ছবি এরকম ভাইরাল করে ব্যপারটি তাৎক্ষণিক সাইবার নিরাপত্তা দল কে জানান, তারা কেইস করে দিলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্হা নিতে পারবে।

ধন্যবাদ

কৃতজ্ঞতাঃ মৃধা অনু
🔰আমরা সবাই অনেক সুন্দর"আলহামদুলিল্লাহ্‌" কিন্তুু যাদের কোন না কোন কারনে চেহারার সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে গেছে তাদের জন্য আমল টি দেয়া হলো⬇️

1️⃣প্রথম কথা হলো,"আপনার সৌন্দর্য আপনার স্বামীর জন্য আর "মহান-আল্লাহুর"কাছে শুকরিরা আদায় করার জন্য,"তাই সুধু স্বামীর কাছেই সৌন্দর্য
প্রকাশ করার নিয়তে ও "মহান-আল্লাহুর"কাছে শুকরিয়া আদায় করার জন্য আমল টি করবেন।

2️⃣সুতরাং,"অবশ্যই পর্দা করতে চলতে হবে।

3️⃣পাচঁ ওয়াক্ত সালাত আদায় করতে হবে।

4️⃣পুরপুরি ইসলামে প্রবেশ করতে হবে।আর⬇️

📖اَللّٰہُ نُوۡرُ السَّمٰوٰتِ وَ الۡاَرۡضِ ؕ
🌷আল্লা-হুনূরুছ ছামা-ওয়া-তি ওয়াল
আর্দ(সুরা-নূর-আয়াত-৩৫)

🔹প্রত্যকে নামাজের পড় এই পবিত্র আয়াত বেশি বেশি পরে দুই হাতে ফু দিয়ে চেহারা মাসেহ করবেন।

🔸পানিতেও ফু দিয়ে রাখবেন পানিটি খাবেন ও গোছল করবেন আর চেহারা ধুবেন,"চেহারায়"মহান-আল্লাহুর"পবিত্র নূর প্রকাশ পাবে(ইনশাআল্লাহ)

🚫বাহিরে সৌন্দর্য প্রকাশ করার জন্য এই আমল করলে"মহান-আল্লাহুর" লানত ছাড়া আর কিছুই পাবেন না
ত্বকের যত্নে কিছু ভুল যা আমরা অনেকেই না বুঝে করে থাকিঃ

✔️১) ত্বকে টুথপেষ্টের ব্যবহারঃ

অনেকে একনি বা পিম্পলের উপর না বুঝেই ইউটিউবের ভিডিও ফলো করে সাদা টুথপেষ্ট ব্যবহার করে থাকে।প্রকৃতপক্ষে এটি কোনো প্রকারের উপকার বয়ে আনেনা স্কিনের জন্য। টুথপেষ্ট একটি ড্রাইং এজেন্ট এটি আপনার একনি ব্রেকআউটকে আরো খারাপ পর্যায় নিয়ে যেতে পারে।🍁

✔️২)ত্বকের সব সমস্যা সমাধানে নারিকেল তেলের ব্যবহারঃ

অনেকে কোকোনাট ওয়েল সানস্ক্রিন এর পরিবর্তে বা চোখের ক্রিম হিসাবে ব্যবহার করে থাকে।যা সম্পূর্ণ ভুল।কারন কোকোনাট ওয়েলে এমন কোনো উপদান নেয় যা সূর্যের UVA বা UVA রশ্মিকে প্রতিহত করবে।বরং কোকোনাট ওয়েল একটি কমিডোজেনিক প্রোডাক্ট যা আপনার লোমকূপকে clog করে দিতে পারে এবং এর ফলে একনি, ব্ল্যাকহেড,ওয়াইটহেড এর মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।🍁

✔️৩)ত্বকে সরাসরি লেবু ব্যবহার করাঃ

বাসায় তৈরি যেকোনো ফেইস প্যাক ব্যবহারের ক্ষেত্রে অনেক সময় লেবু ব্যবহার করে থাকি কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে আমরা ন্যাচারাল ব্লিচ হিসেবে ত্বকে সরাসরি লেবু ব্যবহার করে থাকি। আর এখানেই আমাদের ভুলটা হয়ে থাকে। লেবুতে আছে সাইট্রিক এসিড যা কোনোভাবেই সরাসরি ত্বকে প্রয়োগ করা উচিৎ নয়। এতে ত্বক জ্বালাপোড়া বা র‍্যাশের সমস্যা দেখা দিতে পারে, এছাড়া লেবু ব্যবহারের পর সূর্যের সংস্পর্শে গেলে তা থেকে ত্বক পুড়েও যেতে পারে। ত্বকের স্বাভাবিক কোলাজেন নষ্ট হয়ে ত্বকের বলিরেখা দেখা দিবে।🍁

✔️৪)নিয়মিত ত্বকে এক্সফলিয়েট না করাঃ

এক্সফলিয়েট করার মাধ্যমে ত্বকের মৃতকোষ,অতিরিক্ত সিবাম এসব দূর হয়।যা ব্ল্যাকহেড ও একনি সমস্যা হতে মুক্তি দেয় এবং এক্সফলিয়েট করার ফলে সহজে স্কিন কেয়ার প্রোডাক্ট ত্বকে absorb হয়।তাই সপ্তাহে ২ বার করে স্কিন এক্সফলিয়েট ত্বকের জন্য উপকারী।তবে প্রতিদিন এক্সফলিয়েট করা হতে বিরত থাকুন।🍁

✔️৫) ফেইসে ব্যবহার কৃত ক্রিম চোখের নিচে ও ব্যবহারঃ

আমদের চোখের নিচের চামড়া ফেইসের অন্য অংশের চমড়ার তুলনায় অনেক পাতলা হয়ে থাকে এবং খুব সহজেই ময়েশ্চার ছেড়ে দেয়।তাই চোখের জন্য আলাদা ক্রিম ব্যবহার করুন যেটা লাইট ওয়েট এবং সহজে absorb হয়।🍁

✔️৬)বারবার ফেইসে হাত দেওয়া

বারবার ফেইসে হাত দেওয়া অন্যতম একটি কারন ফেইসের বিভিন্ন সমস্যার।আমাদের হাতে অনেক ধরণের ব্যাকটেরিয়া থাকে যা ফেইসে বিভিন্ন সমস্যার সৃষ্টি করে।🍁

✔️৭)ত্বকের যত্ন নিতে গিয়ে তাড়াতাড়ি ফল পাওয়ার জন্য বার বার প্রোডাক্ট বদল করা একেবারেই ঠিক নয়। কারণ যে কোনও জিনিসই কাজ করতে সময় নেয়।🍁

এমন পোস্ট আরো পেতে চাইলে কমেন্ট করুন। 🥰
শুনলে অবাক হবেন, পৃথিবীর সবচে ক্ষমতাবান মানুষ হয়েও নেপোলিয়ন বোনাপার্ট তীব্র ভালোবাসার বিনিময়ে ভালোবাসা ফেরত পান নাই।

বরং পেয়েছিলেন অবহেলা আর নির্লিপ্ত প্রতারণা।

নেপোলিয়ান যে মেয়েরে পৃথিবীর পুরো সাম্রাজ্য দিয়ে দিতে চাইসিলো, সেই মেয়ে নেপোলিয়ানের জন্য বড় একটা চিঠিও লেখে নাই।

নেপোলিয়ান এই মেয়ের জন্য বিরাট বিরাট চিঠি লিখতো। এমনকি যুদ্ধের সময় ছবি রেখে দিতো পকেটে। সময়ে অসময়ে চুমু খাইতো সেই ছবিতে।

এতো ক্ষমতাধর একজন মানুষ, অথচ বৌ এর কাছে যাইয়া অসহায়ের মতো বলতো, আরেকটু বড় চিঠি লিখতে, যাতে এতো দ্রুত শেষ হয়ে না যায়।

বাট জোসেফাইন বোনাপার্ট কোনদিনও সেই বড় চিঠি লেখে নাই। অথচ এরে বিয়ে করার জন্য নেপোলিয়ন পরিবারের বিরুদ্ধে গেসে। হ্যান্ডসাম একজন মানুষ হয়ে বয়সে বড়, বিধবা এবং দুই বাচ্চার মারে সে বিয়ে করসিলো, পাগলের মতো ভালোবাসছিলো।

অথচ নেপোলিয়ন মিশরে থাকা অবস্থায় সেই জোসেফাইন নেপোলিয়নের সাথে চিট করে বসে। সেনাপতির সাথে অ্যাফেয়ারে জড়াইয়া পড়ে।

ফারেনহাইট ৪৫১ বইতে একটা লাইন ছিলো এমন, It was a pleasure to burn.

যদিও ভিন্ন কনটেক্সট, তারপরেও এই লাইনটা পড়ার সাথে সাথে ভালোবাসার কথা মাথায় আসতে বাধ্য। এই পৃথিবীতে ভালোবাসার যে বড় আনন্দ কিছু নাই, ভালোবাসার চে কষ্টেরও সম্ভবত কিছু নাই।

ভালোবাসার সবচে বড় ব্লাইন্ড স্পট হলো, আপনি কাকে ভালোবাসবেন বা বাসবেন না, সেইটা আপনার হাতে। কিন্তু আপনাকে কে ভালোবাসবে বা বাসবে না, ঐটা আপনার হাতে থাকবে না।

ভালোবাসাই এই পৃথিবীর এমন এক ব্যবসা, যেখানে আপনার সকল ইমোশনাল ইনভেস্টমেন্ট বিফলে যাবে জাইনাও আপনি ওখানে ঢালতেই থাকবেন, ঢালতেই থাকবেন।

ভালোবাসাই পৃথিবীর একমাত্র খেলা, যে খেলাতে নিশ্চিত হার জাইনাও মাঠ থেকে উঠতে ইচ্ছা করে না। বরং নির্লজ্জের মতো আরেকটু খেইলা যাইতে ইচ্ছা করে।

আফ্রিকান একটা প্রোভার্ব বলতেসে, ভালোবাসা এমন এক অত্যাচারী শাসক, যে শাসকের হাত থেকে কেউ রক্ষা পায় না।

ভালোবাসা নিয়ে এরচে সত্যি কথা আমি আর একটাও শুনি নাই, বিশ্বাস করেন।

লেখাঃ সাদিকুর রহমান খান
চোখ ভালো রাখার ৫ টি সহজ উপায়

১। ভালো খাবার খান

ভাল চোখের স্বাস্থ্য আপনার প্লেটের খাবার দিয়ে শুরু হয়। ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, লুটেইন, জিঙ্ক এবং ভিটামিন সি এবং ই-এর মতো পুষ্টি ম্যাকুলার ডিজেনারেশন এবং ছানি পড়ার মতো বয়স-সম্পর্কিত দৃষ্টি সমস্যা দূর করতে সাহায্য করতে পারে। সেগুলি পেতে, আপনার প্লেটটি পূরণ করুন: সবুজ শাক-সবজি যেমন পালং শাক, তৈলাক্ত মাছ,ডিম, বাদাম, মটরশুটি, এবং অন্যান্য প্রোটিন উৎস কমলা এবং অন্যান্য সাইট্রাস ফল বা জুস দ্বারা।

২। ধুমপান ত্যাগ কর

ধুমপান আপনাকে ছানি, আপনার অপটিক নার্ভের ক্ষতি, এবং ম্যাকুলার অবক্ষয়, অন্যান্য অনেক চিকিৎসা সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি করে তোলে।

৩। সানগ্লাস পরুন

সানগ্লাস সূর্যের অতিবেগুনী (UV) রশ্মি থেকে আপনার চোখকে রক্ষা করতে সাহায্য করবে। অত্যধিক UV এক্সপোজার আপনার ছানি এবং ম্যাকুলার অবক্ষয়ের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়। এমন সানগ্লাস বেছে নিন যা 99% থেকে 100% UVA এবং UVB রশ্মিকে ব্লক করে।

৪। নিরাপত্তা চশমা ব্যবহার করুন

আপনি যদি চাকরিতে বা বাড়িতে বিপজ্জনক কাজ করে থাকেন, তাহলে নিরাপত্তা চশমা বা প্রতিরক্ষামূলক চশমা পরুন।

৫। কম্পিউটার স্ক্রীন থেকে সাবধানে থাকুন

একটি কম্পিউটার বা ফোনের স্ক্রিনের দিকে বেশিক্ষণ তাকিয়ে থাকার কারণে হতে পারে: ঝাপসা দৃষ্টি,দূরত্বে ফোকাস করতে সমস্যা,শুকনো চোখ,মাথাব্যথা,ঘাড়, পিঠ ও কাঁধে ব্যথা।

ডাঃ মোঃ ফেরদৌস রায়হান
সহকারী অধ্যাপক,( অর্থোপেডিক সার্জারী)।
শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বরিশাল।