জ্ঞান - Knowledge
2K subscribers
1.27K photos
21 videos
11 files
463 links
🙂🙂🙂
Download Telegram
কোনো বৈধ প্রয়োজনে কোরআন শরিফের আয়াত, হাদিসে বর্ণিত দোয়া, জিকির বা সঠিক অর্থবহ কোনো দোয়া ইত্যাদি সংবলিত তাবিজ ব্যবহার বৈধ।

শর্ত হলো, তাবিজকে সত্তাগত শক্তিতে প্রভাব সৃষ্টিকারী হিসেবে বিশ্বাস করা যাবে না। বরং আল্লাহ তাআলার হুকুমে কাজ হওয়ার আশা রাখবে। তবে শিরকি শব্দ, কুফরি কালাম বা অনর্থক লেখা সম্বলিত তাবিজ ব্যবহার করা বৈধ নয়। (মুসলিম, হাদিস : ২২০০, তাকমিলা : ৪/৩২৬, মুসনাদে আহমদ, হাদিস : ৬৬৯৬, ফাতাওয়ায়ে ফকীহুল মিল্লাত : ১/৬৪৩-৬৪৪)
সম্পর্কে সম্পদ এবং সৌন্দর্য ড্রেসের মত। আপনি খুব দামী পোশাক না পড়েও দেশি নিজের মত করে কমদামি পোশাক পছন্দ আরামের জীবন ব্যক্তিত্ব দিয়ে পার করতে পারেন।

অনেকে আছেন কোটি টাকার ড্রেস পরেন কিন্তু হয়তো একদিন বা দুই দিন আবার এত সম্পত্তির জন্য দুজনের কাছে থাকা এক ঘরে ঘুমানোর জায়গা হয় না। তাই তারা হয়তো হঠাৎ হঠাৎ মিট করেন সিডিউল মিলিয়ে।

এখন দুজন মানুষের, দুইটা জগতের মধ্যে বাস আর মাঝে অনেক স্পেস আর ইগো। যখন জড়িয়ে ধরেন তাদের শরীর ছুয়ে যায় মন থাকে তাদের কর্মক্ষেত্রে বা বিচরণ ক্ষেত্রে।

তাই অনেকেই, যারা একই সম্পর্কে থেকে শরীর ছুয়ে থাকে অবশ্যই তারা একে অন্যের মন ছুতে পারে না।

সহজ ব্যাখা।

দাম্পত্য সম্পর্ক হলো দুজন মানুষের জীবনের গোল যাই হোক দিন শেষে একজন হয়ে যাওয়া, মন এক হয়ে থাকা। না হলে,এই শো-পিস সম্পর্কে গ্লু বা আকর্ষনের কিছু থাকল দাম্পত্যের?

অবশ্যই মন দুই মেরুতে অন্য সম্পর্কের, দুজন মানুষের কাছে থাকবে । মনের গুরুত্ব তারা কখনোই এক সাথে অনুভব করেন না।

দম্পতিদের মাঝে, কিছুটা অভাব থাকা ভালো, যা একজন কে অন্যের সাথে মিলিয়ে দেয়, সম্মান করায়, মায়া দেখায়, ভালবাসায়, যত্ন করায়, অপেক্ষা করায়।। কম বেশি মিলিয়ে ব্যালেন্স করে অনুভব দিয়ে।

মিলন যদি মনস্তাত্ত্বিক এবং শারীরিক, দুইয়ের না হয়। এই সম্পর্কে তো আরও অনেকেই বিক্ষিপ্ত ভাবে মিশে থাকবেই চিন্তায়, স্পর্শে এবং ভালবাসায়।।।

কি বলেন?
ভুল টা আসলে কোথায় তবে? সম্পর্কে যদি দুজনের প্রায়োরিটি ভিন্ন হয়, পারফেক্ট হতে অন্ধ হয়ে যান!

🤍
...
ভালবাসায় বাচুক ভালবাসারা।

হুরায়রা শিশির
ইদানিংকালে অনেকের ফেসবুক একাউন্ট হ্যাকিং ও কম্পিউটার হ্যাকিং এর শিকার হতে দেখছি।

আপনার পরিচিতদের Mention করে বিষয়গুলো অবগত করে দিন। ❤️

বিশেষ করে Social Engineering এর মাধ্যমে এইগুলো করা হচ্ছে। আপনারা সবাই বিষয়গুলো খুবই গুরুত্বের সাথে মেনে চলবেন, কারণ সামনে ইলেকশন; আপনার একাউন্ট কোন ভাবে Compromised হওয়ার পর যদি সেইখান থেকে উল্টো পাল্টা কোন তথ্য পোস্ট করা হয় তখন আপনি বিপদে পড়ার সম্ভাবনা অনেক সৃষ্টি হবে।

১. 2-Step Verification ব্যবহার করবেন। ( ইউটিউব এ How to Use 2-Step Verification in Facebook লিখে সার্চ করলে অসংখ্য ভিডিও পেয়ে যাবেন।)

২. ফেসবুকে কোনরকম Mention Notification আসলে এবং সেখানে যাওয়ার পর যদি দেখেন আপনার একাউন্টে এই এই রিপোর্ট আছে এটা করলে আপনার একাউন্ট ঠিক হয়ে যাবে এবং সেখানে একটা লিংক দেওয়া থাকে, তাহলে এইসব টাইপের পোস্ট এড়িয়ে চলুন। সেই পোস্ট এ Spam রিপোর্ট করে দিন।

৩. কোনরকম লিংক পাঠালে সেটা খুলবেন না। আর যদি খুলেন তাহলে লিংকটা কপি করে অন্য একটা Clean Browser এ এ খুলবেন যেখানে কোন কিছুতে লগইন করা নেই।

৪. কোন ইমেইল আসলে সেটা ভালোভাবে যাচাই-বাছাই করা ছাড়া সেই ইমেইলের মধ্যে থাকা লিংক, Attachment করা ফাইল এ ঢুকবেন না।

৫. আপনার ডিভাইস অপরিচিত কিংবা আশেপাশের কারো হাতে তেমন দিবেন না কারণ OTP নিয়ে আপনার একাউন্ট সহজে Compromised করতে পারে।

৬. আপনার খারাপ ছবি কিংবা ভিডিও ভাইরাল হইছে বলে কোন লিংক দিলে সেখানে প্রবেশ করবেন না। এমন লিংক দেওয়া মেসেজ গুলোতে Spam রিপোর্ট করুন।

উপরের বিষয়গুলো খুবই মনোযোগ দিয়ে সবাই ফলো করবেন এবং পরিচিত সবার মধ্যে বিষয়গুলো ছড়িয়ে দিন যাতে আপনি এবং আপনার আশেপাশের সবাই নিরাপদ থাকে।

©Abdullah Al Jaber
পাত্রী দেখতে গেলে কমপক্ষে ৫ টি বিষয়ে খোঁজ নিবেন:

১. মেয়ের ঘুমের টাইম। কখন কখন ঘুমায়?
২. মেয়ের নিজের কাজকর্ম কে করে দেয়? যেমন তার কাপড়-চোপর কে ধুয়ে দেয়? বিছানা কে ঝেড়ে দেয়? খাবার কে বেড়ে দেয়? ইত্যাদি।
৩. মেয়ে তার মা বাবার কী কী খেদমত করে?
৪. মেয়ের ব্যক্তিগত আমল ও আমলের সময়।
৫. দুলাভাই, চাচাতো, মামাতো, খালাতো, ফুফাতো ভাইদের সাথে কথাবার্তা বলে কিনা? বললে কিভাবে?

পাত্র দেখতে গেলে কমপক্ষে ৭ টি বিষয়ে খোঁজ নিবেন:

১. ছেলে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ কোথায় পড়ে?
২. আয়ের কতটুকু বাড়িতে দেয়?
৩. সংসারের কোন কোন দায়িত্ব পালন করে?
৪. বাসায় মা বাবা কোন কোন ওষুধ সেবন করেন?
৫. বাসায় কখন ফেরে?
৬. ব্যক্তিগত আমল ও আমলের সময়।
৭. পরিবার ও সমাজের গায়রে মাহরাম নারীদের সাথে তার আচরণ কেমন?

(সংগৃহীত)
«সন্তানের সাথে প্রথম সাত বছর খেলাধুলা করো, পরের সাত বছর আদব শিক্ষা দাও, এরপরের সাত বছর সঙ্গে সঙ্গে রাখো, অতঃপর তার দড়ি তার ঘাড়েই অর্পন করো»

~ উমর ইবনুল খত্তাব রদ্বিআল্লাহু আনহু
আপনি যেমন আপনার স্ত্রীকে কাউকে দেখান না।
আপনিও কারও স্ত্রীকে দেখার, সামনে যাওয়ার অধিকার রাখেন না। পর্দা শুধু নারীর বেলায় না। আপনার বেলায়ও।

~আদিব সালেহ হাফি.
যারা বলো শুধু ইউএস কানাডাতে রেসিজম, কিন্তু বাংলাদেশে কোন রেসিজম নাই, তাদের বলছি:

আমি বুয়েটে মাষ্টার্স করার সময়, থিসিস সুপারভাইজার আমাকে সাধারণত তার রুমে ডুকতে দিতো না। আমি উনার সাথে দেখা করতে গেলে, দরজার সামনে দাঁড়িয়ে থাকতাম। স্যার ডেস্ক থেকে দরজা পর্যন্ত হেটে এসে আমার সাথে কথা বলতেন। বিশেষ প্রয়োজন হলে, যেমন কোন কাগজপত্রে সিগনেচার লাগলে, স্যারের ডেস্কে কাগজ রেখে আবার দরজার সামনে দাঁড়িয়ে থাকতাম। ট্রাস্ট মি, মাস্টার্স লাইফে স্যারের রুমে কোনদিন বসি নাই।

আবার একই স্যারের ব্যাচেলর ছাত্র-ছাত্রীদের দেখতাম স্যারের রুমে ডেস্কের সামনে বসে স্যারের সাথে অনেক গল্প করতে।

কারো মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, একই স্যারের দুইরকম ব্যাবহার হবে কেন? আমি সঠিক বলতে পারবো না। তবে লোকমুখে শুনেছি, যারা বুয়েটে আন্ডারগ্রাডে পড়াশুনা করে, তারা বুয়েটিয়ান। আমরা যারা অন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আন্ডারগ্রাড পাশ করে বুয়েটে মাষ্টার্স করেছি, তারা বাইরের ছাত্র-ছাত্রী। সব শিক্ষকই একই রকম তেমনটি নয়। তবে আমি যা লিখেছি, সেখানে একবিন্দু মিথ্যা লিখি নাই।

রেসিজম কি শুধু সাদা-কালো চামড়ার? পাবলিক ভার্সিটির ছেলে-মেয়ে কিম্বা শিক্ষকরা ভাবে, তারা এলিট। বাকি প্রাইভেট ভার্সিটির সবাই গরু-গাধা। আবার বুয়েটের লোকজন ভাবে, রুয়েট-কুয়েট-চুয়েটের লোকজন ছাগল-ভেড়া। NSU-BRAC-AIUB এরা ভাবে অন্যান্য প্রাইভেটের ছেলে-মেয়েরা হাস-মুরগী। চট্টগ্রামের লোকজন ভাবে রাজশাহীর লোকজন ক্ষ্যাত-খামার। আর এভাবেই আমাদের দেশের রেসিজম চলে।

লেখাঃ একেএম নজরুল
মানুষ কি ভাবে চিনবেন এই নিয়ে তিনটা গোল্ডেন রুলস ইসলামেই আছে, তিন দিন একত্রে রাত্রী যাপন করা, তিন দিন একসাথে খাওয়া দাওয়া করা, অথবা তিন দিনের জন্য কোথাও সফরে বের হওয়া।
সফরে বের হলে একেবারে তিনটা জিনিস পূর্নতা পায়। এই তিন অবস্থার মধ্যে আপনি সহজেই একজন মানুষকে বুঝে নিতে পারবেন তার সাথে চলা উচিত কি অনুচিত। যদি আপনি এই তিনটা পদ্ধতীর কোনটাতেই না চিনতে পারেন তাহলে তাকে অল্প পরিমানে টাকা হাওলাদ দিন।
একজন চাকরী প্রত্যাশী বিভিন্ন জায়গায় মেসেজ দেয় চাকরির জন্য। একজন তাকে অফার দেয় স্ট্রিপ চ্যাটে লাইভ করতে। মেয়েটা স্বীকার ও করে নেয়। তার ছবি ও নেয়। অদ্ভুত ব্যাপার হলো সে এই স্ট্রিপ চ্যাট ব্যাপারে জানতো না। এটা যে আসলে লাইভ ক্যামেরার সামনে নিজের জামা খুলার কাজ এটা সে বুঝতেও পারেনাই। :)
এই কাজে তাকে ৩০ হাজার টাকা অফার করা হয়।
যখন এটা সে বুঝতে পারে তখন না করে দেয় এবং ব্লক করে দেয়।
তবে অনেক মেয়েরা আবার এদের ফাদে পরেও যায় আবার অনেক সময় তাদের দিয়ে এরা লাখ টাকা ইনকাম করলেও বিনিময়ে একটাকাও এসব মেয়েদের দেয়না। :(

আমি বুঝিনা কেনো চাকরির পিছনে এখনো মেয়েদের ছুটা লাগে? ছুটলেও বিডিজবসে সিভি দিবেন,লিঙ্কডইন এ Hr দের সিভি ইমেইল করবেন। আপ্নাদের ফেসবুক লাগে কেন?

©