জ্ঞান - Knowledge
2K subscribers
1.27K photos
21 videos
11 files
463 links
🙂🙂🙂
Download Telegram
অজ্ঞাত প্রশ্ন : আমি একজন কে ভালবাসি। কিন্তু সে আমাকে ভালবাসেনা। মাঝেমাঝে মরতে ইচ্ছা করে। এখন কিভাবে নিজেকে সড়িয়ে নিব??

উত্তর :
আপনি ছেলে অথবা মেয়ে যেই হন ভালোবেসে কষ্ট পাওয়ার কারনটা কি একবার জানতে চেষ্টা করেছেন? করেননি? আচ্ছা তাহলে আমি বলছি।

আপনি যদি ছেলে হনঃ ছেলেরা সাধারনত ছ্যাঁকা খায় তার আর্থিক অবস্থা, এবং অনিশ্চিত ভবিষ্যত অর্থাত বেকারত্বের কারনে।

আপনি যদি মেয়ে হনঃ ছেলে আপনার থেকে অনেক হাই প্রফাইলের।

ছেলে মেয়ে উভয়ের ছ্যাঁকা খাওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলোঃ

1. বাহ্যিক সৌন্দর্য এবং স্মার্টনেস।

যদি আপনি দেখতে সুন্দর এবং স্মার্ট না হন তাহলে ছ্যাঁকা খাওয়ার সম্ভাবনা ৯৯%, যেই ছেলে বা মেয়ে আর্থিক ভাবে সচ্ছল তারা বাকি ১% এর আওতাভুক্ত।

2. তৃতীয়পক্ষঃ

আপনার প্রেমে নতুন কোন ছেলে বা মেয়ে আসার কারনে আপনার বয়ফ্রেন্ড বা গার্লফ্রেন্ড আপনাকে ছ্যাঁকা দিতে পারেন। আচ্ছা কখনো কি সেই তৃতীয় পক্ষের কথা ভেবেছেন? কেন আপনাকে ছেড়ে তাকে বেঁছে নিলো? ভাবেননি?

এখন ভাবুন, খেয়াল করে দেখুন সেই নতুন ছেলে বা মেয়েটি আপনার থেকে সুন্দর বা সুন্দরী, কথা বলা চলাফেরায় আপনার থেকে স্মার্ট। আর্থিক ভাবে আপনার থেকে সচ্ছল অথবা তার ভবিষ্যত রামপাল অর্থাৎ উজ্জল।

কি হলো এখন বুঝতে পারছেন কেন ছ্যাঁকা খেয়েছেন?

এবার আমি আপনাকে নিয়ে কথা বলিঃ

আপনি কে? আপনার যোগ্যতা কি? কেউ কেন আপনাকে ভালোবাসবে?

প্রশ্নের উত্তরগুলো দিতে পারবেন?

ভালোবাসতে কারন লাগেনা কথা সত্য কিন্তু কোন কারন ছাড়া কেউ আপনাকে নোটিস করবেনা। নিজেকে যখন সবার মধ্যে থেকে ভিন্ন ভাবে উপস্থাপন করবেন তখনি কেউ আপনাকে নোটিস করবে। তার জন্য আপনাকে নিজেকে সেভাবে গড়তে হবে। এ বিষয়ে একটু পরে আসছি।

আচ্ছা এখন বুকে হাত দিয়ে সত্যি করে বলেন, আপনি যেই মানুষটাকে ভালোবাসেন, তাকে কেন ভালোবাসেন?

নিশ্চই তার কোন কিছু আপনাকে তার প্রতি আকৃষ্ট করেছে। হতে পারে তার রূপ বা গুন। এমনি এমনি তো তাকে ভালোবাসেননি। যদি তাই হতো তাহলে পাশের বাসার ছেলে বা মেয়ের প্রেমে পড়লেন না কেন। এতো মানুষের ভিড়ে তাকেই ভালোবাসলেন কেন? তাই না?

আমার কথা যদি সঠিক মনে হয় তাহলে এবার ভেবে বলুন সেই ছেলেটি বা মেয়েটি কেন আপনাকে ভালোবাসবে। আপনার মাঝে এমন কি আছে যা হাজার মানুষের ভীড় থেকেও তাকে আপনার প্রতি আকৃষ্ট করবে।

কি হলো আপনার মাঝে এমন বিশেষ কিছু খুঁজে পাচ্ছেন না? তাই তো ছ্যাঁকাটা খেয়ে ব্যাঁকা হলেন।

আচ্ছা আপনার কেন মনে হয় তাকে ছাড়া আপনি বাঁচবেন না?

তার সাথে পরিচয়ের আগেও তো বেঁচে ছিলেন। ভালোভাবেই বেঁচে ছিলেন। তাই না?

ভাই আমি বলি, রোমান্টিক সিনেমা, নাটক, গল্প, উপন্যাস দেখা এবং পড়া কমিয়ে দিন। পারলে বিয়ের আগ পর্যন্ত বন্ধ করে দিন। এসব চিন্তা ধারা আমাদের সাওথ এশিয়ান মস্তিষ্কে এমন ভাবে একটা কথা গেঁথে দিচ্ছে যে, স্পেশাল একজন ছাড়া আমাদের জীবনের কোন মানে হয়না, আমরা অচল। কিছু দিন খারাপ যাবে/ কিছু বছরও, কিন্তু সময় সব ঠিক করে দিবে।

পুচ্চি পুচ্চি বাচ্চাদের দেখি বয়ফ্রেন্ড গার্লফ্রেন্ড নিয়ে ঘুরে। ব্রেকআপ হলে কষ্টের স্টেটাস দেয়, হাত কাটে, সিগারেট খায়, কেউ কেউ দেবদাসকেও হার মানায়। সত্যি করে বলেন তো এসব বাচ্চারা প্রেম ভালোবাসার বুঝেটা কি। কোথা থেকে তারা এসব শিখলো।

আপনি তো যথেষ্ঠ জ্ঞান রাখেন সবকিছু ভেবে চিন্তে ভুল সঠিক বের করার, এটা নিয়ে একটু ভাবুন।

আচ্ছা এবার তাদের কথা বলি যারা কানে হেডফোন গুঁজে “ম্যায় ফির ভি তুঝে চাহুংগা” গানটা শোনেন। কেন ভাই? যেই মানুষটা অন্যকারো জন্য তোমাকে ছেড়ে চলে গেছে তাকে তোমার চাওয়ার দরকার টা কি? কেন চাইবা? কোন অধিকারে চাইবা?

শুধু ভালোবাসা দিয়ে জীবন চলেনা।

তাকে কি জীবন উপহার দিবেন ভেবেছেন একবার?

তার শখ, আল্হাদ, ইচ্ছা পূরণের ক্ষমতা কি আদৌ আছে আপনার?

ভেবে চিন্তে সত্যিটা বলুন।য

কেউ যদি কারো জন্য তোমাকে ছেড়ে যায় তাহলে তাকে তার মতো সুখে থাকতে দাও। তার পিছনে ঘুরঘুর ঘ্যানঘ্যান করে তাকে বিরক্ত করোনা। সে যদি তোমাকে না চায়, তাহলে জোর করে তাকে তোমাকে চাওয়াতে পারবানা। মনে রাখবা, এতো তুমি বা সে কেউ সুখে থাকবেনা। ভালোবাসা তো দূরের কথা সে তোমাকে ঘৃণা করতে শুরু করবে।

এখন আসি শেষ অংশেঃ

আপনি বলবেন, ভাই ডায়লগ তো ভালোই লিখেন, আবেগ এসব মানেনা। কষ্ট হয়। কান্না পায়। তাকে ছাড়া থাকতে পারিনা। আমি কি করবো?

হ্যাঁ এই কথার জবাব হয়তো আমার কাছে আছে।

আপনি কি করবেন, আপনার কি করা উচিত। প্রথমেই চিন্তা করে বের করুন, কেন সে আপনাকে বাদ দিলো?
1) আপনি দেখতে অসুন্দর, নাকি আপনি গরিব, নাকি আপনি আনস্মার্ট, নাকি আপনার ভবিষ্যত নেই। যদি অসুন্দর বা আনস্মার্ট হওয়ার কারনে আপনার প্রিয় মানুষটি চলে যায় তাহলে নিজেকে স্মার্ট করে গড়ে তুলুন। কথা বলা, চলাফেরা, বেশভুষা পরিবর্তন করে স্মার্ট পার্সোনালিটি গড়ে তুলুন। লুক্স ঠিক ঠাক হলে অটোমেটিক কনফিডেন্স বেড়ে যাবে।
2)যদি গরিব বা বেকার হওয়ার কারনে আপনার প্রিয় মানুষটি চলে যায় তবে নিজের ভবিষ্যত গড়ার দিকে মনোযোগ দিন। বাংলা ছবির নায়কের মতো রাতারাতি বড়লোক হতে পারবেন না জানি, বিল গেইটস হতে পারবেন না জানি কিন্তু আগের থেকে বেটার অবস্থায় তো যেতে পারবেন। খুব ভালো না হোক মোটামুটি অবস্থানে তো পৌঁছাতে পারবেন।

3)যদি অন্যকারো জন্য চলে যায় তাহলে নিজেকে তার চেয়ে বেটার পার্সন প্রমাণ করার চেষ্টা করুন। নিজের প্রতি যত্নশীল হন, নিজেকে যোগ্য করে গড়ে তুলুন যাতে সেই মানুষটা একবার হলেও বলে নাহ্ সে মানুষ খারাপ ছিলোনা। অযোগ্য ছিলোনা। সে যেন এটা ভেবে হতাশ হয় যে, একটা সময় আপনি তাকে পছন্দ করতেন। ট্রাস্ট মি, জীবনে আপনি সার্থক। যাতে সে আপনাকে দেখে এটা না বলে যে ভালোই করেছি তাকে ছেড়ে দিয়েছি নাহলে আজ আমার জীবনটা নষ্ট হতো। যদি সে এটা বলে তাহলে আপনি ব্যর্থ। দেবদাস সেজে শুধু পৃথিবীর অক্সিজেন আর খাদ্যই নষ্ট করলেন।।

ভাই জীবনের খারাপ সময়গুলো একাই কাটাতে হয়। জীবনে প্রতিটি মানুষই এমন সময় পার করে, করছে। ইভেন এত কঠিন সত্যগুলি বলা আমিও। এরকম বাজে সময়ের মধ্য দিয়ে আমিও এসেছি। জীবন আগে ভেংগে দিচ্ছে আপনাকে। কারন এই কষ্ট গুলোই সামনের দিনগুলিতে শক্তপোক্ত করে গড়ে তুলবে আপনাকে। কারো এতো সময় নেই যে আপনার জন্য তার সময় নষ্ট করবে। অন্যের কাছে মোটিভেশন না খুঁজে নিজেকে মোটিভেট করুন। আর প্যারাসাইকোলজি গ্রুপ তো আছেই আপনার সব রকম সমস্যার সমাধানে।
তবে _
মনে রাখবেন, আপনি চাইলেই পারেন নিজেকে বদলাতে। Good Luck! 🤞

©
অনেকে কম খরচে একাউন্ট করা নিয়ে জানতে চায়...

১. ব্র্যাক ব্যাংক ইজি সেভিংস একাউন্ট

Ekyc থেকে একাউন্ট ওপেন করা যায়
চার্জ: ১. কার্ড চার্জ ৩৪৫ টাকা ( ডুয়েল কারেন্সি)
২. এসএমএস এলার্ট চার্জ ফ্রী
৩. অ্যাকাউন্ট মেইনটেনেন্স চার্জ নরমাল একাউন্ট চার্জ অনুযায়ী
৪.৫০০০০ হাজার এভারেজ ব্যালান্স রাখলে কার্ড চার্জ ফ্রী
৫. চেক বই ইস্যু করে।

২. ব্র্যাক ব্যাংক হ্যাপি সেভার একাউন্ট

Ekyc থেকে একাউন্ট ওপেন করা যায়
চার্জ: ১. ডেবিট কার্ড ৩৪৫ টাকা ( ডুয়েল কারেন্সি )
২. এসএমএস এলার্ট চার্জ ফ্রী
৩. অ্যাকাউন্ট মেইনটেনেন্স চার্জ ০- ১০০০০ ফ্রী ১০০০০ উপরে ৫০ টাকা থেকে শুরু নরমাল একাউন্ট থেকে কিছুটা কম
৫০০ টাকা হোল্ড থাকবে
চেকবই নাই

৩. ইউসিবি ব্যাংক প্রথম একাউন্ট
Uclick থেকে ওপেন করা যায়
চার্জ: ১. ডেবিট কার্ড চার্জ ২৮৭.৫০ টাকা ( সিঙ্গেল কারেন্সি )
২. এসএমএস এলার্ট চার্জ ১১৭.৫০ টাকা
৩. অ্যাকাউন্ট মেইনটেনেন্স চার্জ প্রথম বছর চার্জ নেই পরের বছর থেকে নরমাল সেভিংস একাউন্ট এর মত চার্জ
প্রতি মাসে ডেবিট ক্রেডিট লিমিট ১ লাখ টাকা
১ লাখ টাকা ডিপোজিট করা যাবে আবার ১ লাখ টাকা উইথড্র করা যাবে
চেকবই নেই

৪. ঢাকা ব্যাংক মুদারাবা ইজি সেভিংস একাউন্ট

অ্যাপ থেকে একাউন্ট ওপেন করা যায়
চার্জ : ১. ডেবিট কার্ড চার্জ ৩৪৫ টাকা ( সিঙ্গেল কারেন্সি )
২. এসএমএস এলার্ট চার্জ ৩৪৫ টাকা
৩. অ্যাকাউন্ট মেইনটেনেন্স চার্জ নরমাল সেভিংস একাউন্ট অনুযায়ী
১ লাখ টাকা উইথড্র ও ডিপোজিট লিমিট প্রতি মাসে
অ্যাকাউন্ট খোলার পর ১০০০ টাকা ডিপোজিট করলে ১ম বার চেকবই ফ্রী

৫. আইএফআইসি সহজ একাউন্ট
Ekyc থেকে একাউন্ট ওপেন করে ট্র্যাকিং নম্বর দেয় ট্র্যাকিং নম্বর নিয়ে যেকোনো শাখা ও উপাশাখা
গেলে একাউন্ট ওপেন হয়ে যাবে
চার্জ : ১. কার্ড চার্জ ৩৪৫ টাকা ( আইএফআইসি বলতেছে যে ২০২৩ মার্চ এর থেকে যে কার্ড ইস্যু হইছে সব কার্ড ডুয়েল কারেন্সি)
২. এসএমএস এলার্ট চার্জ ৫৭.৫০ টাকা
৩. অ্যাকাউন্ট মেইনটেনেন্স চার্জ ফ্রী
৪. চেকবই চার্জ ১৬১ টাকা
আইএফআইসি সম্পর্কে আর কি বলবো তাদের সার্ভিস খারাপ এর পরেও কম চার্জ এর জন্যে এই লিস্টে রাখতে হলো
আমাদের বেশিরভাগই ডিভাইস দ্বারা বেষ্টিত যা রেডিয়েশন উৎপন্ন করে।আমাদের প্রত্যেকের বাসায় এমন গ্যাজেট এবং প্রযুক্তিতে পরিপূর্ণ যা রেডিয়েশন নির্গত করে, যেমন কম্পিউটার, মাইক্রোওয়েভ, টিভি, ফোন এবং ইন্টারনেট রাউটার রেডিয়েশনের সংস্পর্শে আছি।

উদ্ভিদ কিভাবে রেডিয়েশন শোষণ করে?

সব গাছপালা রেডিয়েশন শোষণ করে। আপনার বাড়ি চারপাশে ছড়িয়ে থাকা গাছপালা কার্যকরভাবে EMF (electric and magnetic field) মাত্রা কমাতে পারে এবং বাতাসকে বিশুদ্ধ করতে পারে। তবে কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যে ক্যাকটাস, স্নেক প্ল্যান্ট, এলোভেরা, স্পাইডার প্ল্যান্ট, আরিকা পাম, রাবার প্ল্যান্ট, সূর্যমুখী গাছ, অ্যাসপারাগাস ফার্ন, ইংরেজি আইভি অন্য গাছের তুলনায় বেশি রেডিয়েশন শোষণ করে। তাই আপনার রুমে এইসব গাছ রাখুন।

রেফারেন্স :
https://spinoff.nasa.gov/Spinoff2019/cg_7.html
https://www.scirp.org/journal/paperinformation.aspx?paperid=85374
https://www.ncbi.nlm.nih.gov/pmc/articles/PMC2763764/
https://pubmed.ncbi.nlm.nih.gov/15988134/
কোনো বৈধ প্রয়োজনে কোরআন শরিফের আয়াত, হাদিসে বর্ণিত দোয়া, জিকির বা সঠিক অর্থবহ কোনো দোয়া ইত্যাদি সংবলিত তাবিজ ব্যবহার বৈধ।

শর্ত হলো, তাবিজকে সত্তাগত শক্তিতে প্রভাব সৃষ্টিকারী হিসেবে বিশ্বাস করা যাবে না। বরং আল্লাহ তাআলার হুকুমে কাজ হওয়ার আশা রাখবে। তবে শিরকি শব্দ, কুফরি কালাম বা অনর্থক লেখা সম্বলিত তাবিজ ব্যবহার করা বৈধ নয়। (মুসলিম, হাদিস : ২২০০, তাকমিলা : ৪/৩২৬, মুসনাদে আহমদ, হাদিস : ৬৬৯৬, ফাতাওয়ায়ে ফকীহুল মিল্লাত : ১/৬৪৩-৬৪৪)
সম্পর্কে সম্পদ এবং সৌন্দর্য ড্রেসের মত। আপনি খুব দামী পোশাক না পড়েও দেশি নিজের মত করে কমদামি পোশাক পছন্দ আরামের জীবন ব্যক্তিত্ব দিয়ে পার করতে পারেন।

অনেকে আছেন কোটি টাকার ড্রেস পরেন কিন্তু হয়তো একদিন বা দুই দিন আবার এত সম্পত্তির জন্য দুজনের কাছে থাকা এক ঘরে ঘুমানোর জায়গা হয় না। তাই তারা হয়তো হঠাৎ হঠাৎ মিট করেন সিডিউল মিলিয়ে।

এখন দুজন মানুষের, দুইটা জগতের মধ্যে বাস আর মাঝে অনেক স্পেস আর ইগো। যখন জড়িয়ে ধরেন তাদের শরীর ছুয়ে যায় মন থাকে তাদের কর্মক্ষেত্রে বা বিচরণ ক্ষেত্রে।

তাই অনেকেই, যারা একই সম্পর্কে থেকে শরীর ছুয়ে থাকে অবশ্যই তারা একে অন্যের মন ছুতে পারে না।

সহজ ব্যাখা।

দাম্পত্য সম্পর্ক হলো দুজন মানুষের জীবনের গোল যাই হোক দিন শেষে একজন হয়ে যাওয়া, মন এক হয়ে থাকা। না হলে,এই শো-পিস সম্পর্কে গ্লু বা আকর্ষনের কিছু থাকল দাম্পত্যের?

অবশ্যই মন দুই মেরুতে অন্য সম্পর্কের, দুজন মানুষের কাছে থাকবে । মনের গুরুত্ব তারা কখনোই এক সাথে অনুভব করেন না।

দম্পতিদের মাঝে, কিছুটা অভাব থাকা ভালো, যা একজন কে অন্যের সাথে মিলিয়ে দেয়, সম্মান করায়, মায়া দেখায়, ভালবাসায়, যত্ন করায়, অপেক্ষা করায়।। কম বেশি মিলিয়ে ব্যালেন্স করে অনুভব দিয়ে।

মিলন যদি মনস্তাত্ত্বিক এবং শারীরিক, দুইয়ের না হয়। এই সম্পর্কে তো আরও অনেকেই বিক্ষিপ্ত ভাবে মিশে থাকবেই চিন্তায়, স্পর্শে এবং ভালবাসায়।।।

কি বলেন?
ভুল টা আসলে কোথায় তবে? সম্পর্কে যদি দুজনের প্রায়োরিটি ভিন্ন হয়, পারফেক্ট হতে অন্ধ হয়ে যান!

🤍
...
ভালবাসায় বাচুক ভালবাসারা।

হুরায়রা শিশির
ইদানিংকালে অনেকের ফেসবুক একাউন্ট হ্যাকিং ও কম্পিউটার হ্যাকিং এর শিকার হতে দেখছি।

আপনার পরিচিতদের Mention করে বিষয়গুলো অবগত করে দিন। ❤️

বিশেষ করে Social Engineering এর মাধ্যমে এইগুলো করা হচ্ছে। আপনারা সবাই বিষয়গুলো খুবই গুরুত্বের সাথে মেনে চলবেন, কারণ সামনে ইলেকশন; আপনার একাউন্ট কোন ভাবে Compromised হওয়ার পর যদি সেইখান থেকে উল্টো পাল্টা কোন তথ্য পোস্ট করা হয় তখন আপনি বিপদে পড়ার সম্ভাবনা অনেক সৃষ্টি হবে।

১. 2-Step Verification ব্যবহার করবেন। ( ইউটিউব এ How to Use 2-Step Verification in Facebook লিখে সার্চ করলে অসংখ্য ভিডিও পেয়ে যাবেন।)

২. ফেসবুকে কোনরকম Mention Notification আসলে এবং সেখানে যাওয়ার পর যদি দেখেন আপনার একাউন্টে এই এই রিপোর্ট আছে এটা করলে আপনার একাউন্ট ঠিক হয়ে যাবে এবং সেখানে একটা লিংক দেওয়া থাকে, তাহলে এইসব টাইপের পোস্ট এড়িয়ে চলুন। সেই পোস্ট এ Spam রিপোর্ট করে দিন।

৩. কোনরকম লিংক পাঠালে সেটা খুলবেন না। আর যদি খুলেন তাহলে লিংকটা কপি করে অন্য একটা Clean Browser এ এ খুলবেন যেখানে কোন কিছুতে লগইন করা নেই।

৪. কোন ইমেইল আসলে সেটা ভালোভাবে যাচাই-বাছাই করা ছাড়া সেই ইমেইলের মধ্যে থাকা লিংক, Attachment করা ফাইল এ ঢুকবেন না।

৫. আপনার ডিভাইস অপরিচিত কিংবা আশেপাশের কারো হাতে তেমন দিবেন না কারণ OTP নিয়ে আপনার একাউন্ট সহজে Compromised করতে পারে।

৬. আপনার খারাপ ছবি কিংবা ভিডিও ভাইরাল হইছে বলে কোন লিংক দিলে সেখানে প্রবেশ করবেন না। এমন লিংক দেওয়া মেসেজ গুলোতে Spam রিপোর্ট করুন।

উপরের বিষয়গুলো খুবই মনোযোগ দিয়ে সবাই ফলো করবেন এবং পরিচিত সবার মধ্যে বিষয়গুলো ছড়িয়ে দিন যাতে আপনি এবং আপনার আশেপাশের সবাই নিরাপদ থাকে।

©Abdullah Al Jaber
পাত্রী দেখতে গেলে কমপক্ষে ৫ টি বিষয়ে খোঁজ নিবেন:

১. মেয়ের ঘুমের টাইম। কখন কখন ঘুমায়?
২. মেয়ের নিজের কাজকর্ম কে করে দেয়? যেমন তার কাপড়-চোপর কে ধুয়ে দেয়? বিছানা কে ঝেড়ে দেয়? খাবার কে বেড়ে দেয়? ইত্যাদি।
৩. মেয়ে তার মা বাবার কী কী খেদমত করে?
৪. মেয়ের ব্যক্তিগত আমল ও আমলের সময়।
৫. দুলাভাই, চাচাতো, মামাতো, খালাতো, ফুফাতো ভাইদের সাথে কথাবার্তা বলে কিনা? বললে কিভাবে?

পাত্র দেখতে গেলে কমপক্ষে ৭ টি বিষয়ে খোঁজ নিবেন:

১. ছেলে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ কোথায় পড়ে?
২. আয়ের কতটুকু বাড়িতে দেয়?
৩. সংসারের কোন কোন দায়িত্ব পালন করে?
৪. বাসায় মা বাবা কোন কোন ওষুধ সেবন করেন?
৫. বাসায় কখন ফেরে?
৬. ব্যক্তিগত আমল ও আমলের সময়।
৭. পরিবার ও সমাজের গায়রে মাহরাম নারীদের সাথে তার আচরণ কেমন?

(সংগৃহীত)
«সন্তানের সাথে প্রথম সাত বছর খেলাধুলা করো, পরের সাত বছর আদব শিক্ষা দাও, এরপরের সাত বছর সঙ্গে সঙ্গে রাখো, অতঃপর তার দড়ি তার ঘাড়েই অর্পন করো»

~ উমর ইবনুল খত্তাব রদ্বিআল্লাহু আনহু
আপনি যেমন আপনার স্ত্রীকে কাউকে দেখান না।
আপনিও কারও স্ত্রীকে দেখার, সামনে যাওয়ার অধিকার রাখেন না। পর্দা শুধু নারীর বেলায় না। আপনার বেলায়ও।

~আদিব সালেহ হাফি.
যারা বলো শুধু ইউএস কানাডাতে রেসিজম, কিন্তু বাংলাদেশে কোন রেসিজম নাই, তাদের বলছি:

আমি বুয়েটে মাষ্টার্স করার সময়, থিসিস সুপারভাইজার আমাকে সাধারণত তার রুমে ডুকতে দিতো না। আমি উনার সাথে দেখা করতে গেলে, দরজার সামনে দাঁড়িয়ে থাকতাম। স্যার ডেস্ক থেকে দরজা পর্যন্ত হেটে এসে আমার সাথে কথা বলতেন। বিশেষ প্রয়োজন হলে, যেমন কোন কাগজপত্রে সিগনেচার লাগলে, স্যারের ডেস্কে কাগজ রেখে আবার দরজার সামনে দাঁড়িয়ে থাকতাম। ট্রাস্ট মি, মাস্টার্স লাইফে স্যারের রুমে কোনদিন বসি নাই।

আবার একই স্যারের ব্যাচেলর ছাত্র-ছাত্রীদের দেখতাম স্যারের রুমে ডেস্কের সামনে বসে স্যারের সাথে অনেক গল্প করতে।

কারো মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, একই স্যারের দুইরকম ব্যাবহার হবে কেন? আমি সঠিক বলতে পারবো না। তবে লোকমুখে শুনেছি, যারা বুয়েটে আন্ডারগ্রাডে পড়াশুনা করে, তারা বুয়েটিয়ান। আমরা যারা অন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আন্ডারগ্রাড পাশ করে বুয়েটে মাষ্টার্স করেছি, তারা বাইরের ছাত্র-ছাত্রী। সব শিক্ষকই একই রকম তেমনটি নয়। তবে আমি যা লিখেছি, সেখানে একবিন্দু মিথ্যা লিখি নাই।

রেসিজম কি শুধু সাদা-কালো চামড়ার? পাবলিক ভার্সিটির ছেলে-মেয়ে কিম্বা শিক্ষকরা ভাবে, তারা এলিট। বাকি প্রাইভেট ভার্সিটির সবাই গরু-গাধা। আবার বুয়েটের লোকজন ভাবে, রুয়েট-কুয়েট-চুয়েটের লোকজন ছাগল-ভেড়া। NSU-BRAC-AIUB এরা ভাবে অন্যান্য প্রাইভেটের ছেলে-মেয়েরা হাস-মুরগী। চট্টগ্রামের লোকজন ভাবে রাজশাহীর লোকজন ক্ষ্যাত-খামার। আর এভাবেই আমাদের দেশের রেসিজম চলে।

লেখাঃ একেএম নজরুল