জ্ঞান - Knowledge
2K subscribers
1.27K photos
21 videos
11 files
463 links
🙂🙂🙂
Download Telegram
©জুয়েল হুসাইন
---------------
Student Account সম্পর্কে আমার লেখা ৩য় পর্ব। আজ লিখছি Trust Bank Limited এর Trust Sohopathi Student একাউন্ট সম্পর্কে, কিছু তথ্য নিম্নে দেয়া হলঃ
---------------------------------------

১. স্টুডেন্টের বয়স ১৮ থেকে সর্বোচ্চ ৩০ বছর পর্যন্ত হলে এই ব্যাংকে স্টুডেন্ট একাউন্ট খুলতে পারবেন।

২. প্রাথমিকভাবে কমপক্ষে ৫০০ টাকা দিয়ে স্টুডেন্ট একাউন্ট খুলতে হবে। এই একাউন্ট জিরো ব্যালান্স করা যাবে।

৩. একাউন্ট মেইনটেনেন্স বাবদ অর্ধবার্ষিকী বা বার্ষিকী কোনো চার্জ নেই।

৪· ডেবিট কার্ড ফ্রী। কার্ডের বার্ষিক রিনুয়াল ফি নেই। পিন নাম্বার ভুলে গেলে পিন রিসেট চার্জ ৫৭.৫০ টাকা ভ্যাট সহ এবং কার্ডের মেয়াদ থাকা কালীন হারিয়ে গেলে রি-ইস্যু করলে ২১৫ টাকা ভ্যাট সহ।

৫. TBL এর স্টুডেন্ট একাউন্ট এ ডুয়েল কারেন্সি কার্ড প্রদান করা হয় না।

৬. চেক বই অর্ডার করে নিতে হয়। চেক প্রতি পাতা ৬ টাকা। মিনিমাম ১০ পাতার চেক অর্ডার করতে হয়।

৭· ইন্টারনেট ব্যাংকিং, ফোন ব্যাঙ্কিং এবং এসএমএস অ্যালার্ট ফ্রী।

৯. TBL স্টুডেন্ট একাউন্টের মেয়াদ সাধারণত ৩০ বছর পর্যন্ত থাকে।

১০· যেকোনো ব্যাংক একাউন্টে BEFTN / NPSB এর মাধ্যমে টাকা ট্রান্সফার এবং আপনার একাউন্টে রিসিভ করতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে কিছু চার্জ প্রযোজ্য হতে পারে। তবে চার্জ খুবই কম।

১১. একাউন্টে ১ লক্ষ এর নিচে লেনদেন করলে কোন চার্জ করা হয় না। ১ লক্ষের অধিক হলে চার্জ দিতে হবে।

১২. ইনকাম সোর্স এর উপর ভিত্তি করে একাউন্ট ট্রানজেকশন লিমিট নির্ধারণ করে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।(আমার ব্যক্তিগত ধারণা অনুযায়ী ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত নির্দ্বিধায় লেনদেন করা যাবে প্রতি মাসে)

১৩. TBL ব্যাংকের এটিএম বুথ থেকে TBL ব্যাংকের যেকোনো এটিএম কার্ডের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন ফ্রি। কিন্তু অন্যান্য ব্যাংকের এটিএম বুথ / NPSB / VISA সাপোর্টেড যেকোনো এটিএম বুথ থেকে টাকা উত্তোলন করলে প্রতি ট্রানজেকশনে ১৫ টাকা চার্জ প্রযোজ্য হতে পারে।(চার্জ কম বেশি হতে পারে)
__________________________________________
স্টুডেন্ট ব্যাংক একাউন্ট হিসাব খোলার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ

১. ইন্ট্রোডিউসার (পরিচয়দানকারীঃ) কর্তৃক সত্যায়িত গ্রাহকের ২ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি এবং KYC ফরম এ স্বাক্ষর। (ইন্ট্রোডিউসার (পরিচয়দানকারীঃ) ঐ ব্যাংকের কোন গ্রাহক হবেন যে ব্যাংকে আপনি একাউন্ট করতে চান।)
২. স্টুডেন্টের বর্তমান বৈধ স্টুডেন্ট আইডি কার্ড / শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছ থেকে প্রত্যয়নপত্রের ১ কপি ফটোকপি।
৩. স্টুডেন্টের জাতীয় পরিচয়পত্র / পাসপোর্ট / ড্রাইভিং লাইসেন্স / জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র এর ১ কপি ফটোকপি।
৪. স্টুডেন্টের পাসপোর্ট সাইজের রঙ্গিন ছবি ২ কপি ল্যাব প্রিন্ট। ( সর্বোচ্চ ৩ মাসের মধ্যে ছবি তোলা হতে হবে)।
৫. নমিনি এর জাতীয় পরিচয়পত্র / পাসপোর্ট / ড্রাইভিং লাইসেন্স / জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র এর ১ কপি ফটোকপি এবং স্টুডেন্ট (গ্রাহক) কর্তৃক সত্যায়িত নমিনির পাসপোর্ট সাইজ ছবি ১ কপি ল্যাব প্রিন্ট।
৬. বর্তমান ঠিকানা প্রমানের জন্য বিদ্যুৎ বিল / পানির বিল / গ্যাস বিলের ১ কপি ফটোকপি।
৭. স্টুডেন্ট / গ্রাহক ১৮ বছরের নিচে হলে অভিভাবকের মাধ্যমে হিসাব পরিচালনা করতে পারবে।


বিঃদ্রঃ সকল তথ্য Trust Bank Limited এর কল সেন্টার এবং ব্যাংক থেকে নেয়া।
যদি কোন ভুলত্রুটি হয় ক্ষমাসুলভ দৃষ্টিতে দেখে সংশোধন করে দিবেন। ধন্যবাদ 🙂

আরো তথ্য জানার জন্য কল করুন+8809612316201 / 16201 এই নাম্বারে অথবা Islami Bank Bangladesh Limited এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।
https://www.tblbd.com/node/110
অনেক গুলো হাদিস এক সাথে

••• স্ত্রীর সাথে মিলনের জন্য কি তাঁর অনুমতি নেয়া প্রয়োজন ?

*** মহানবী সা: বলেছেন “ স্বামী যখন তাঁর স্ত্রীকে দৈহিক প্রয়োজনে আহবান করবে, সে যেনো স্বামীর কাছে অত্যন্ত দ্রুত চলে আসে । এমনকি সে রান্না ঘরে রুটি পাকানোর কাজে ব্যস্ত থাকলেও ।”

সুনানে তিরমিযি ১১৬০
ছহীহুল জামে ৫৩৪

*** মহানবী সা: বলেছেন “ যে স্ত্রী স্বামীর ডাকে সাঁড়া না দেয় এবং স্বামী রাগান্বিত অবস্হায় সারারাত একাকী কাটায়, সে স্ত্রীর উপর ফিরিশ্তারা সকাল পর্যন্ত লা’নত দিতে থাকে ।”

ছহীহুল বোখারি ৫১৯৩
ছহীহ মুসলিম ১৪৩৬
সুনানে আবু দাউদ ২১৪১
নাসাঈ

*** মহানবী সা: বলেছেন “ তিন ব্যক্তির নামাজ তাঁদের মাথা অতিক্রম করেনা অর্থাৎ কবুল হয়না । তন্মধ্যে একজন হলেন অবাধ্য স্ত্রী , যে স্বামীর ডাকে সাঁড়া দেয়না এবং স্বামী রাগান্বিত অবস্হায় ঘুমায় ।”

তাবরানী ১০৮৬
সুনানে তিরমিযি ৩৬০
হাকেম
সিলসিলা ছহীহা ২৮৮

*** মহানবী সা: বলেছেন “ স্বামীর অনুমতি ব্যতিরেকে নফল রোজা রাখা যাবেনা এবং স্বামীর অপছন্দ ব্যক্তিকে ঘরে প্রবেশ করানো যাবেনা ।”

ছহীহুল বোখারি ৫১৯৫
ছহীহ মুসলিম ২৪১৭
দারেমী ১৭২০
সিলসিলা আহাদিসুস ছহীহা ৩৯৫

*** মহানবী সা: বলেছেন “ পরকালে আল্লাহপাক স্বামীর প্রতি অকৃতজ্ঞ স্ত্রীর দিকে তাকাবেন না ।”

নাসাঈ কুবরা ৯১৩৫
বাযযার ২৩৪৯
তাবরানী
হাকেম ২৭৭১
বাইহাক্বী ১৪৪৯৭
সিলসিলাহ ছহীহা ২৮৯

*** মহানবী সা: বলেছেন “ কোন স্ত্রী যদি তাঁর স্বামীর অধিকার সম্পর্কে জানতো, দিনে বা রাতের খাবার শেষ করে স্বামীর পাশে সারাক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতো ।”

ছহীহুল জামে ৫২৫৯
তাবরানী

*** মহানবী সা: বলেছেন “ স্বামীর অবাধ্য স্ত্রীর জন্য জান্নাত হারাম ।”

মুসনাদে আহমদ ১৯০০৩
নাসাঈ
হাকিম
বায়হাক্বী

*** মহানবী সা: বলেছেন “ যে স্ত্রী তাঁর স্বামীকে কষ্ট দেয়, জান্নাতের হুরেরা বলেন “ তোমার স্বামীকে কষ্ট দিওনা । তিনি তোমার কাছে সাময়িক মেহমান মাত্র । তোমাকে ছেড়ে অচিরেই আমাদের কাছে ফিরে আসবে ।”

তিরমিযি ১১৭৪
ইব্নে মাজাহ ২০১৪

*** মা- বাবা সহ সকলের মৃত্যুতে শোক পালন হচ্ছে মাত্র ৩ দিন পর্যন্ত । পক্ষান্তরে স্বামীর মৃত্যুতে শোক পালন করতে হবে ৪ মাস ১০ দিন ।

সূরা আল বাক্বারা ২৩৪
ছহীহুল বোখারি ১২৮০
ছহীহ মুসলিম ৩৮০২
এখন অনেক পরিবার চাই সাধ্যের মধ্যে ভালো মানের গাড়ি কিনতে। তবে, টাকা দিয়ে গাড়ি কেনার আগে কিছু জিনিস অবশ্যই আপনার জানা জরুরী। চলুন জেনে নেয়া যাক সেই ব্যাপারগুলো কী সম্পর্কে।

💰 আপনার বাজেট
বাজেটের ব্যাপারে শুরুতেই একটু সতর্ক থাকতে হবে। গাড়ি কেনার আগে প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র, ভ্যাট-ট্যাক্স আর আনুষঙ্গিক যাবতীয় খরচ মিলিয়ে মোট বাজেট ঠিক করতে হবে। ব্যাংক লোন নিয়ে কিনতে চাইলে ব্যাংকের যাবতীয় খরচও মাথায় রাখতে হবে। এসকল কিছু মাথায় রেখে হিসাব করে দেখতে হবে বাজেট আসলে কত হওয়া দরকার। তারপর যাবতীয় সিদ্ধান্ত নিন আপনার বাজেটকে সামনে রেখে।

📌প্রাথমিক খরচ

গাড়ির মূল্য বাবদ মূল টাকা (যদি এককালীন কিনতে চান)
ডাউন পেমেন্ট (যদি ব্যাংক লোন বা কিস্তিতে কিনতে চান)
লাইসেন্স ও দরকারী কাগজ পত্র
অন্যান্য কাগজপত্র
ইন্স্যুরেন্স কাগজপত্র
📌মাসিক খরচ

গাড়ির কিস্তি
ড্রাইভারের বেতন (যদি ড্রাইভার রাখতে চান)
পার্কিং খরচ
জ্বালানি খরচ
মেইন্টেন্যান্স
ইন্স্যুরেন্স ফি
📌বাৎসরিক খরচ

লাইসেন্স নবায়ন
গাড়ি সম্পর্কিত ট্যাক্স অথবা ভ্যাট

📌গাড়ির ধরন

বাজেট ঠিকঠাক হয়ে গেলে কী ধরনের গাড়ি আপনি কিনতে চান সেটা ঠিক করতে হবে। নতুন গাড়ি নাকি ব্যবহৃত বা সেকেন্ড হ্যান্ড গাড়ি কিনবেন সিদ্ধান্ত নিন। ব্যক্তিগত গাড়ি নাকি পারিবারিক গাড়ি। গঠন কেমন হবে, রঙ কেমন হবে ইত্যাদি। কারণ ব্র্যান্ড ভেদে অনেক সময় ছোট গাড়ি অনেক দামী হয় আবার বড় গাড়িও কম দামে পাওয়া যায়। তাই আগে থেকেই ঠিক করে নেয়া ভালো। কারণ বাজেট মেলানোর একটি ব্যাপার থেকেই যায়।

আবার, আপনি যে উদ্দেশ্যে গাড়ি কিনছেন সেটা পূরণ হবে কিনা। যেমন অনেকে অফিস যাওয়া আসার সুবিধার জন্য গাড়ি কেনেন। অনেকে পারিবারিক কাজের জন্য কেনেন আবার অনেকে শখের বশে কিনে থাকে। কোন উদ্দেশ্যে কিনছেন সেটা জানতে হবে আগে থেকেই।

📌কাস্টমার রিভিউ
কাস্টমার রিভিউ খুব গুরুত্ববহ। আগে যারা গাড়ি কিনেছে তাদের রিভিউগুলো অ্যানালাইসিস করেও অনেকটা ধারণা পাওয়া যাবে। কেনার পর সমস্যা দেখা দেয় কিনা সেটাও লক্ষ্য রাখতে হবে। ইঞ্জিন কেমন সাপোর্ট দিচ্ছে। মাইলেজ কেমন পাচ্ছে। কন্ট্রোল কেমন। এসমস্ত কিছু সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে রিভিউগুলো থেকে।

📌যন্ত্রাংশের সহজলভ্যতা

গাড়ি কিনলেন, কিন্তু কিছুদিন পর দেখলেন একটি ছোট পার্ট নষ্ট হয়ে গেছে এবং হয়তো সেটা খুব একটা পাওয়া যায় না। এই সামান্য কিছুর জন্য আপনার গাড়ি অকেজো হয়ে পড়ে থাকতে পারে। তাই কোন কোম্পানির গাড়ির যন্ত্রাংশ বাজারে খুব সহজেই পাওয়া যাচ্ছে আর ভবিষ্যতেও পাওয়া যাবে সেটা সম্পর্কে জেনে নিন।

📌বিক্রি করলে দাম কেমন

গাড়ি কেনার সময় বিক্রির কথাও ভাবেন অনেক ক্রেতা। কয়েক বছর ব্যবহারের পরে বিক্রি করতে চাইলে কোন গাড়ির দাম কত পাওয়া যেতে পারে, তা চিন্তা করেও অনেক ক্রেতা কোন কোম্পানির গাড়ি কিনবেন, তা ঠিক করেন। পুরোনো গাড়ি বেচাকেনায় বাংলাদেশে টয়োটা গাড়ির বাজারই সবচেয়ে ভালো। কারণ, দেশের বাজারে এই ব্র্যান্ডের গাড়ির যন্ত্রাংশই অধিকতর সহজলভ্য।
স্ত্রীর বাকি মোহর কিভাবে পরিশোধ করবেন??

আমাদের দেশে মোহর নিয়ে অনেক অনৈসলামিক দর্শন প্রচলিত আছে। আর সেগুলোর অধিকাংশই পুরুষদের ফাঁসানোর জন্য আর কিছু অংশ নারী ঠকানোর জন্য।

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে উলটা-পালটা বুঝিয়ে পাত্রের বিয়ের দিন যা দেওয়ার সামর্থ্য থাকে তার কয়েকগুণ অতিরিক্ত নিকাহনামাতে লিখা হয়।
আবার কিছু মানুষ স্ত্রীকে ঠকানোর জন্য শুধু লিখে রাখেন।

যাই হোক, বিয়ের পরে সামর্থ্যবান হলে বা জ্ঞান-বুদ্ধি হলে বা আল্লাহ সঠিক বুঝ দান করলে অনেকেই স্ত্রীকে বাকি মোহর পরিশোধ করে দিতে চান। কিন্তু কিভাবে পরিশোধ করবেন? এখন সম্পর্ক ভালো চলছে, ভালোবাসার সাগরে হাবুডুবু খাচ্ছেন এজন্য এমনি এমনি বিনা ডকুমেন্টে হাতে ধরিয়ে দিলেন কিন্তু পরবর্তীতে বাঁ/শ খাবেন না তার গ্যারান্টি কি? পরবর্তীতে মামলা-মোকদ্দমার হাত থেকে বাঁচার জন্য কি কি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে সেটা নিয়েই আমার লিখা...

বাকি মোহর পরিশোধের প্রমাণ রাখার জন্য আমাদের দেশে কিছু মতবাদ প্রচলিত আছে।
যেমন -
অনেকে বলে ব্যাংক ট্রান্সফার করলেই এনাফ।

আবার ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট/নোটারি পাবলিক এর মাধ্যমে এফিডেভিট করলেই কাহিনী শেষ।

স্ত্রীসহ স্ত্রীর ফ্যামিলির সবার নিকট থেকে স্বীকারোক্তিমূলক ছবি তুলে বা ভিডিও করে রাখতে।

আসলে যত কিছুই করেন কিন্তু কোনোটিই আপনাকে শতভাগ সিকিউরিটি দেয় না। পরবর্তীতে কোনো ঝামেলার জের ধরে স্ত্রী নিকাহনামা দেখিয়ে দেন মোহর মামলা করে দিলে আপনাকে আবার সেই টাকা দিতে হতে পারে। এমন ঘটনাও আমি শুনেছি নিজ কানে। মামলা করে আবার টাকা হাতিয়েছে এফিডেভিট থাকার পরেও। কেননা নিকাহনামায় উসুল না থাকলে সেটা গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ মোহর দেওয়ার নিয়ম বিয়ের দিন। আর নিকাহনামা বিয়ের দিন বা পরে করা হয়।

আর নিকাহনামার 14 নং কলামে মুয়াজ্জল এবং মু'অজ্জল অংশ চেক করুন। মুয়াজ্জল পরিশোধ করতে পারবেন কিন্তু মু'অজ্জল পারবেন না।

মু'অজ্জল বা বিলম্বিত দেন মোহর হচ্ছে, দেন মোহরের যে অংশটুকু স্বামীর মৃত্যুর পর কিংবা স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদ বা তালাকের পর স্ত্রী পেয়ে থাকে। আরও পরিস্কার করে বলা যায় যে, আইন অনুযায়ী কেবলমাত্র দুইটি পরিস্থিতিতে বিলম্বিত মোহর স্ত্রী দাবি করতে পারেন। - স্বামীর মৃত্যু, তালাক

তাহলে স্ত্রীকে বাকি মোহর পরিশোধ করার সবচেয়ে নিরাপদ সমাধান হলো,
আপনার স্ত্রীকে বলুন একটি দেন মোহর মামলা করতে। আর মামলা করতে হবে পারিবারিক আদালতে।
Section 5(c) of The Family Courts Ordinance, 1985

তারপর আপনার স্ত্রীর সাথে মিউচুয়ালি এককালীন অথবা প্রতি মাসে ব্যাংক ট্রান্সফার করতে হবে "মুয়াজ্জল দেন মোহর বাবদ" শব্দগুলো রেফারেন্স দিয়ে। তারপর প্রতি মাসে আদালতে স্টেটমেন্ট জমা দিবেন। তবে স্বর্ণ, বাজারে মূল্য আছে এমন অন্যান্য জিনিস, নগদ টাকাও সরাসরি আদালতে দিতে পারেন - আপনাদের ইচ্ছা। তবে জমি বা অন্য প্রোপার্টি দিলে তার ডকুমেন্টস অবশ্যই দেখাতে হবে।

এভাবে সুস্থ এবং পরিকল্পনা করে আল্লাহর নাম নিয়ে পদক্ষেপ নিলে পরবর্তীতে মামলা-মোকদ্দমার হাত থেকে বেঁচে যেতে পারেন ইনশাআল্লাহ 👌🔥

✍️ কলমে - Mahdin Habib
অতিরিক্ত সম্পর্ক মানসিক চাপের কারন তাই আত্মীয়, বন্ধু, প্রতিবেশী, সকলের সাথে সীমিত সম্পর্ক রাখুন। সম্পর্ক যত ব্যাপক হবে আপনি ততটাই পেরেশানির সম্মুখীন হবেন!!
বাংলাদেশ ভূমি আইন অনুযায়ি জমির দলিল মোট ৯ প্রকার। যথাঃ-
(১) সাফ-কবলা দলিল;
(২) দানপত্র দলিল;
(৩) হেবা দলিল;
(৪) হেবা বিল এওয়াজ দলিল;
(৫) এওয়াজ দলিল;
(৬) বন্টন নামা দলিল;
(৭) অছিয়তনামা দলিল;
(৮) উইল দলিল; ও
(৯) নাদাবি দলিল বা মুক্তি নামা দলিল।

১) সাফ-কবলা দলিল
কোন ব্যক্তি তাহার সম্পত্তি অন্যের নিকট বিক্রয় করে যে দলিল সম্পাদন ও রেজিষ্টারী করে দেন তাকে সাফ-কবালা বা বিক্রয় কবলা বা খরিদা কবলা বলা হয়। এই কবলা নির্ধারিত দলিল ষ্ট্যাম্পে লিখার পর দলিল দাতা অর্থাৎ বিক্রেতা সাবরেজিষ্টারী অফিসে উপস্থিত হয়ে দলিল সহি সম্পাদন করে গ্রহিতা অর্থাৎ খরিদ্দারের বরাবরে রেজিষ্টারী করে দিবেন। এই দলিল রেজিষ্টারী হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দলিলের তফছিলে লিখিত অর্থাৎ বিক্রিত ভূমির যাবতীয় স্বত্ব দলিল দাতা হতে বিলুপ্ত হয়ে দলিল গ্রহিতাতে অর্থাৎ খরিদ্দারের উপর অর্পিত হলো। দলিলদাতা ময় ওয়ারিশানক্রমে উক্ত জমি হতে নিঃস্বত্ববান হলেন।

২) দানপত্র দলিল
যে কোন সম্প্রদায়ের যে কোন ব্যক্তি তার সম্পত্তি দান করতে পারেন। এই দানপত্র দলিলে শর্তবিহীন অবস্থায় সকল প্রকার ক্ষমতা প্রদানের দান করতে হবে। স্বত্ব সম্পন্ধে দাতার কোন প্রকার দাবী থাকলে দানপত্র শুদ্ধ হবে না।

৩) হেবা দলিল
মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য এই হেবা অর্থাৎ দানপত্র দলিল, এই দলিল কোনকিছুর বিনিময়ে নয়, কেবলমাত্র সন্তুষ্ট হয়ে এইরূপ দান করা হয়। কিন্তু এই হেবা সর্তবিহীন অবস্থায় দান বিক্রয়, কট রেহান ও রূপান্তর ইত্যাদি সকল ক্ষমতা প্রদানে দান বা হেবা করতে হবে। স্বত্ব সম্বন্ধে দাতার কোনরূপ দাবী থাকলে সেই দান বা হেবা শুদ্ধ হবে না এবং তা যে কোন সময় বাতিলযোগ্য। এরূপ দানপত্রে দাতার কোন স্বার্থ সংরক্ষিত থাকবে না।

৪) হেবা বিল এওয়াজ
এই হেবা বিল এওয়াজ মুসলিম সম্প্রদায়ের একটি দানপত্র দলিল এই দানও সন্তুষ্ট হয়ে করা হয় বটে। কিন্তু ইহা কোন কিছুর বিনিময়ে হয়ে থাকে, যেমন- পবিত্র কোরআন, জায়নামাজ, তছবিহ, মোহরানার টাকা, এমন কি যে কোন জিনিষের বিনিময়েও হতে পারে, যেমন আংটি ইত্যাদি। এই হেবা বিল এওয়াজ দলিল সম্পূর্ণ শর্তবিহীন অবস্থায় গ্রহিতা যাবতীয় হস্তান্তর ও রূপান্তরের সকল প্রকার ক্ষমতার অধিকারী হবে এবং দাতার যাবতীয় স্বত্ব গ্রহিতাতে অর্পিত হবে। দাতার স্বার্থে কোন প্রকার স্বত্ব দাতার জন্য সংরক্ষিত থাকলে দলিল শুদ্ধ হবে না। এই হেবা বিল এওয়াজ অবশ্যই রেজিষ্টারী হতে হবে। এই হেবা বিল এওয়াজ যদি টাকা বিনিময়ে হয় এবং ক্রমিক ওয়ারিশী সূত্রে আগে পরে তিন ধাপের পরের ব্যক্তিকে বা তৃতীয় ব্যক্তিকে হেবা বিল এওয়াজ মুলে দান করে থাকে তা হলে শরীক কর্তৃক জানার তারিখ হতে ৪ মাসের মধ্যে প্রিয়েমশান করতে পারে।

৫) এওয়াজ দলিল
যে কোন সম্প্রদায়ের বা একই সম্প্রদায়ের বা একই বংশের বা কোন ব্যক্তি যে কোন ব্যক্তির সহিত তাহাদের লপ্ত ও সুবিধা মত একের ভূমি অপরকে দিতে পারেন অর্থাৎ পরস্পর এওয়াজ পরিবর্তন সরতে পারেন। এই দলিল অবশ্যই রেজিষ্টারী হতে হবে।
এওয়াজ পরিবর্তন দলিলের একটা ব্যাখ্যা দেওয়া হলো: ক এর জমি খ এর বাড়ীর নিকট এবং খ এর জমি ক এর বাড়ীর নিকট। উভয়ের জমিই উভয়ের বেলপ্ত। কাজেই ক তার জমি খ কে এবং তার জমি ক কে দিয়ে উভয়ে একটি দলিল সম্পাদন করে রেজিষ্টারী করে নিল। একেই এওয়াজ পরিবর্তন দলিল বলে। এই দলিলের কেহ প্রিয়েমশান করতে পারে না।

৬) বন্টনমানা দলিল
শরিকগণের মধ্যে সম্পত্তি ক্রমে নিজ নিজ ছাহাম প্রাপ্ত হয়ে উক্ত ছাহামের বাবদ যে দলিল করতে হয় তাকে বন্টননামা দলিল বলে। একই সম্পত্তিতে মালিক একই বংশের লোককে সাধারণত শরিক বলা হয়। শরিক দুই প্রকারের, যথা- উত্তরাধিকার সূত্রে শরিক ও কোন শরিক হতে খরিদ সূত্রে শরিক। ইংরেজীতে বলা হয় কো-শেয়ারার বাই ইনহেরিটেন্স এন্ড কো-শেয়ারার বাই পারচেজ। বন্টননামা দলিল করবার সময় সকল শরিকগণ দলিলে পক্ষভুক্ত থেকে ও দস্তখত করে বন্টননামা দলিল করতে হবে। কোন একজন শরিক বাদ থাকলে বন্টননামা শুদ্ধ হবেনা। বন্টননামা দলিল রেজিষ্টারী করতে হবে কিন্তু ঘরোয়াভাবে বন্টন করে সকল পক্ষগণ যদি বন্টননামা দলিলে দস্তখত করে থাকেন তা হলেও বন্টননামা কার্যকরী হতে পারে। যদি শরিকগণ আপোষ মতে বন্টন করতে রাজী না হন তাহলে যে কোন শরিক বন্টনের জন্য আদালতে নালিশ করতে পারেন।

৭) অছিয়তনামা দলিল
কোন ব্যক্তি তার সম্পত্তি কাউকে বা তার উত্তরাধিকারীদের মধ্যে অছিয়তকারী ব্যক্তির উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সকলকে না দিয়ে যদি একজনকে বা কোন তৃতীয় ব্যক্তিকে প্রদান করে থাকেন এবং অছিয়তকারীর মৃত্যুর পর যদি তাহার উত্তরাধিকারীগণ দাবী উত্থাপন করেন তাহলে যাকে সম্পত্তি অছিয়ত করা হলো সেই ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির এক তৃতীয়াংশ পাবে এবং অবশিষ্ট দুই তৃতীয়াংশের মালিক উত্তরাধিকারী দের মধ্যে সকলেই হবেন।

৮) উইল দলিল
হিন্দু সম্প্রদায়ের লোক তাদের নিজস্ব সম্পত্তি তাদের আত্মীয়দের মধ্যে যাকে ইচ্ছা উইল করে দিতে পারেন। যিনি উইল করলেন তিনি জীবিত কালে একের অধিক উইল করতে পারেন। কিন্তু সর্বশেষ যে উইল করলেন কেবল ঐটাই কার্যকরী হবে।
৯) নাদাবী দলিল
কোন ব্যক্তি সুনির্দিষ্ট কোন সম্পত্তিতে তার স্বত্ত্বাধিকার নাই মর্মে অথবা স্বত্ত্বাধিকার ত্যাগ করছেন মর্মে দলিল সম্পাদন ও রেজিষ্ট্রি করে দিতে পারেন। এরূপ দলিলকে নাদাবী দলিল বলে।

©
বাংলাদেশে বিয়ের যে আয়োজনটা হয়, সেইটা আমার ধারনা, স্যানিটির সমস্ত লেভেল অতিক্রম করে ফেলছে!

পৃথিবীর আর কোন সুস্থ কালচারে এইরকম ভয়ংকর খরুচে লার্জার দেন লাইফ কোন অনুষ্ঠান হয় বলে মনে হয়না!

এই প্রি, পোস্ট, ওয়েডিং মিউজিক ভিডিও,
হলুদ, মেহেদি, ভেন্যু, লাইট, গান, শীল্পি, মেক ওভার, বিদেশ শপিং, কাপড়, গিফট, হাজার হাজার মানুষের মেহমানদারি!

ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ডে যদি বলি,
দরিদ্র একটা দেশে এমন মিলিয়ন ডলারের পারিবারিক আয়োজন রীতিমতো অবিশ্বাসের!

আমাদের পরিবার গুলোর অর্থনৈতিক সক্ষমতা, আমাদের বাবা মাদের আয় এসবের কয়েকশ গুণ বেশি খরচ করা এই বিয়ের আয়োজন গুলো কয়েকদিন পরেই দেখবেন রিপ্লিস বিলিভ ইট অর নটে জায়গা করে নিবে!

একেকটা বিয়ে আসে আর আমাদের মধ্য বিত্ত, নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো হাসি হাসি মুখে বিরাট একটা অর্থনৈতিক যুদ্ধের প্রস্তুতি নেয়!

সঞ্চয়পত্র ভাঙা হয়।
গ্রামের ধানী জমি বিক্রি হয়।
পেনশন উঠানো হয়।
ব্যাঙ্ক খালি করে, জমানো পয়শা উঠিয়ে আনা হয়।
শেষে লাজুক মুখে এদিক ওদিক থেকে টাকা ধার করতে বেরুতে হয়!

রীতিমতো অবিশ্বাস্য একটা অযথা অপব্যায়!
একটা ইনসেইন লেভেলের বোকামি রীতিমতো!

আমার ধারনা ছিলো, বলিউডের নায়কদের চুল কাটা নকল করা, হাটা নকল করে হাটাহাটি করা জেনারেশনটা সম্ভবত নাই হয়ে গেছে।

এখন এই বিয়ে টিয়ে দেখে, মনে হচ্ছে
এই জেনারেশন আরো কয়েক ধাপ আগানো!

এরা আলাদা কালচারের সস্তা টিভি সিরিয়ালের অনুষ্ঠান রি ক্রিয়েট করার মতন কপিক্যাট!

এদের কালচারার এওয়ারনেস নাই
ইকোনমিক্যাল এওয়ারনেসও জিরো!

বিয়ে জিনিসটাতো সরল থাকা লাগবে!
সহজ থাকা লাগবে!

দুইটা এডাল্ট মানুষের নিজের সাধ্য অনুযায়ী,একটা এডাল্ট হুডে প্রবেশের ব্যক্তিগত অনুষ্ঠান হইতে হবে!

তাতে বাবা মারা স্ট্রেস না নিয়ে নিজের সাধ্য মতন কিছু গিফট দিতে পারে,
ঘনিষ্ঠ কিছু মানুষ দোয়া করার জন্য আসতে পারে!

কিন্তু পুরো ব্যাপারটাকে এমন জমিদারি কায়দায় দেখনদারী দিকে নিয়ে যাওয়ার এই ভয়ংকর খরুচে অভ্যাসটা আমরা কি করে আমাদের কালচার বানায়া ফেললাম!

বিয়ে সহজ না হইলে
সোল ফুল না হইলে
ঘরোয়া না হইলে

ক দিন পর, কম বয়সী মানুষরা বিয়ে করার সাহসও তো যোগাড় করতে পারবেনা!

©Imran Kayes
এখন পর্যন্ত কয়েকটা ব্যাংক স্টুডেন্ট একাউন্ট স্টিল ফ্রী আছে
সেই ব্যাংকগুলো হলো

1. Brac bank agami saver
Age limit: 18-25 year
Facilities: 1. Debit card free 25 year porjonto ( Duel currency)
2. Sms alert free
3. Account maintenance free
Ekyc থেকে এই একাউন্ট ওপেন করা যায়

ডকুমেন্ট: Account holder nid 1 copy , pp size pic 1 copy , nominee nid 1 copy , pp size pic 1 copy , utility copy , Vaild student id 1 copy.

2. Midland bank college saver
Age limit: 18-28 year

Facilities:1. Debit card free ( single currency)
2. Sms alert free
3. Account maintenance free
4. Bangladesh all atm booth withdrawal free
ব্রাঞ্চ থেকে একাউন্ট ওপেন করতে হয়
ডকুমেন্ট: Account holder nid 1 copy , pp size photo 2 copy , vaild student id 1 copy , nominee nid 1 copy , pp size photo 1 copy , utility copy.

3. Islami bank Mudaraba
Age limit: 18-30 year
Facilities: 1. Debit card free ( single currency)
2. Sms alert free
3. Account maintenance free
সেলফিন থেকে একাউন্ট ওপেন করা যায়
ডকুমেন্ট: Account holder nid 1 copy , pp size photo 2 copy , vaild student id 1 copy , nominee nid 1 copy, pp size photo 1 copy, utility copy.

4. Premier bank Genius account
Age limit: 6- 25 year
Facilities: 1. Debit Card free ( single currency) Mastercard
2. Sms alert free ( ব্রাঞ্চ বলে চার্জ নাই কল সেন্টার বলে চার্জ আছে ২৩০ টাকা )
3. Account maintenance free
ব্রাঞ্চ থেকে একাউন্ট ওপেন করতে হয়
ডকুমেন্ট : Account holder nid 1 copy , pp size photo 2 copy, vaild student id 1 copy , nominee nid 1 copy, pp size photo 1 copy, utility copy.

5. Social islami bank
Age limit 18-28 year
Facilities: 1. Debit card free ( single currency )
2. Sms alert free
3. Account maintenance free
ব্রাঞ্চ থেকে একাউন্ট ওপেন করতে হয়
ডকুমেন্ট: Account holder nid 1 copy , pp size photo 2 copy , vaild student id 1 copy , nominee nid 1 copy , pp size photo 1 copy , utility copy .

6. Trust bank Youth account, age limit 18- 30
1. Debit card free
2. Sms alert charge ( প্রতি এসএমএস ২.৩০ ) 3.Account maintenance free, ডকুমেন্ট: উপরের একাউন্ট গুলোতে যা যা লাগছে।
১. আপনার শিশুকে কারো কোলে বসতে দিবেন না। এমনকি তার চাচার কোলেও না।

২. সন্তানের বয়স দু’বছরের বেশী হলেই তার সামনে আর আপনি কাপড়চোপড় পাল্টাবেন না।

৩. প্রাপ্ত বয়স্ক কেউ আপনার শিশুকে উদ্দেশ্য করে বলছে: ‘আমার বৌ’, ‘আমার স্বামী’- এটা অ্যালাউ করবেন না।

৪. আপনার শিশু যখন বলছে সে খেলতে যাচ্ছে, কোন্ ধরণের খেলা সে খেলছে সেদিকে লক্ষ্য রাখুন, উঠতি বয়সি বাচ্চাদের মধ্যে অ্যাবিউজিং প্রবণতা পাওয়া যাচ্ছে।

৫. স্বাচ্ছন্দবোধ করছে না এমন কারো সাথে কোথাও যেতে আপনার শিশুকে জোরাজুরি করবেন না। পাশাপাশি লক্ষ্য রাখুন, আপনার শিশু বিশেষ কোন প্রাপ্ত বয়স্কের ভক্ত হয়ে উঠেছে কিনা।

৬. দারুণ প্রাণচ্ছল কোন শিশু হঠাৎ নির্জিব হয়ে গেলে, তাকে প্রশ্ন করুণ। তার মনের অবস্থাটা পড়তে চেষ্টা করুণ।

৭. বয়:সন্ধি পেরোচ্ছে এমন বাচ্চাকে যৌনমূল্যবোধ সম্পর্কে শিক্ষা দিন। আপনি যদি এ কাজ না করেন, তবে সমাজ তাকে ভুল টা শিখিয়ে দেবে।

৮. কোন ছবি, কার্টুন ইত্যাদি বাচ্চাদের জন্য আনলে আগে তা নিজে দেখুন। কোন বই সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে তবেই তা কোমলমতি সন্তানের হাতে দিন।

৯. আপনি নিশ্চিত হন যে আপনি প্যারেন্টাল কন্ট্রোল অপশন অ্যাক্টিভেট করে রেখেছেন কেবল নেটওয়ার্কে, বিশেষ করে সেই সমস্ত নেটওয়ার্কে যেখানে আপনার শিশু প্রায়শই ভিজিট করে।

১০. তিন বছর বয়স হয়েছে এমন সন্তানকে তাদের ব্যক্তিগত গোপন স্থানসমূহ কিভাবে পরিস্কারপরিচ্ছন্ন রাখতে হয় তা শেখান। সতর্ক করে দিন যেন সেসব এলাকা কেউ স্পর্শ করতে না পারে- নিষিদ্ধদের মধ্যে আপনিও আছেন (মনে রাখবেন চ্যারিটি বিগিনস অ্যাট হোম এ্যান্ড উইথ ইউ)।

১১. কালো তালিকাভুক্ত করুণ সেই সব বই, গান, মুভি, পরিবার বা ব্যক্তিকে- আপনি মনে করেন যে বা যা আপনার শিশুর মনের সৌন্দর্য নষ্ট করতে পারে।

১২. আপনার শিশুকে ভিড়ের বাইরে গিয়ে দাড়ানোর মূল্যবোধ শেখান।

১৩. আপনার শিশু যদি কারো সম্পর্কে অভিযোগ করে তবে দয়া করে বিষয়টি নিয়ে মুখ বুজে থাকবেন না।
পার্ফেক্ট পুরুষেরা স্ত্রীর যে 5 টি গুণ পছন্দ করে? বিজ্ঞানের আলোকে!

1) যে মেয়ের ভয়েস নরম সফট লওয়ার তাকে বেশী পছন্দ করে। যে মেয়ে চিল্লায়া কথা বলে এইসব মেয়ে পুরুষ এর অপছন্দ। এবং এদের পুরুষেরা ছেরে দেয়।

2) বডি ম্যাটার্স। অতিরিক্ত স্কিনি টাইপ মেয়েদের পুরুষেরা লং টার্ম রিলেশনের জন্য চ্যুজ করেনা। পুরুষ মেইনলি দুইটাইপ রিলেশনের জন্য নারীদের সাথে সম্পর্ক করে। লং আর শর্ট। তাই স্কিনি মেয়েরা খুব বেশী রিলেশনশিপে সফল হয় না। এর মূল কারণ তাদের স্তনের,নিতম্বের আকার যাতে পুরুষ সাবকন্সিয়াসলি মনে করে এই মেয়ে তার বাচ্চা ধারণে পার্ফেক্ট না৷ তাই মেয়েদের উচিত নিজের ফিগার কে এট্রাক্টিভ করা যাতে পুরুষ ম্যাটিং এ আগ্রহী হয়৷ মানুষ মেটিং করার জন্যই এই পর্যন্ত টিকে আছে। বহু প্রাণী বিলুপ্ত হয়েছে ম্যাটিং, খাওয়া দাওয়া না করা এসব এর জন্য। ভুলে গেলে চলবেনা আমরাও প্রাণী।

3) similarity পছন্দ করে পুরুষ৷ নারীর মুখ যতো পুরুষের মুখের সাথে মিলবে চ্যান্স বেড়ে যাবে তাদের সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী হবার৷ একটা সময় বহু আগে পুরুষ প্রচুর পরিমানে নারীদের ধ**ণ করতো৷ তাদের মধ্যে পরিবার সৃষ্টি হওয়ার বিষত ছিলোনা। একটা সময় পর পর যখন তাদের বাচ্চা হয় তখন আস্তে আস্তে পুরুষ তার নিজের সিমিলারিটি খুজে পায় বাচ্চার মধ্যে এরপর বাচ্চার জন্য মায়া শুরু করে আর সৃষ্টি করে পরিবার৷ এই ধারা এখনো আছে৷ তাই সিমিলার ফেইস এর কাওকে চ্যুজ করুন।

4) Fertility cues : বিবর্তনীয় মনোবিজ্ঞান বলে Waist থেকে Hip Ratio খুজে পুরুষ Unconsciously শুধু মাত্র Fertility cues এর জন্য।

5) সোস্যাল স্ট্যাটাস : এটাও গুরুত্বপূর্ণ মেয়েদের৷ আপনি নিজে মেট্রিক পাশ হয়ে কখনোই টায়ার ১/২ এর ডাক্তার / ইঞ্জিনিয়ার স্বামী চায়তে পারবেন না৷ আগের যুগে বয়সের ব্যাপার টা ছিলো কিন্তু এখন আর এইটা নেই৷ এইটাও বিবর্তিত হয়ে গেছে। পুরুষ মানুষ ও এখন স্ট্যাটাস খুজে।

[ এই পোস্ট টি লেখকের নিজস্ব মতামত না৷ ইভোলিউশন থিওরি এবং সায়েন্টিফিক রিসার্চ এর আলোকে৷ কেও লেখক কে গালি দিবেন না তার হার্টে প্রব্লেম :( ]
সবচেয়ে সহজ উপায়ে ইন্সটেন্টলি আপনার ওভারথিংকিং এবং এংজাইটি বন্ধ করুন। এই এক্সারসাইজ আপনি যোকোন জায়গায় করতে পারবেন।

ধাপ - ১
প্রথমে আপনার সামনে একটা স্ট্রেইট পয়েন্ট ডিসাইড করে নিবেন। স্ট্রেইট পয়েন্টের দিক তাকিয়ে থাকবেন আই মুভিং না করে। চোখের পাতা বন্ধ করতে পারবেন কিন্তু আই মুভিং যেন না হয়। সাথে সাথে দেখবেন আপনার থট বন্ধ হয়ে গেছে ৭০/৮০%।

এই সিম্পল টেকনিকটি আই মুভমেন্ট সায়েন্স থেকে এসেছে আপনার মেমোরি, থটকে এক্স্যাস করার জন্য আই মুভিং করা লাগে। যখন আপনি আই মুভিং করা বন্ধ করে দেন তখন আপনার ব্রেইন থট আনতে ডিফিকাল্ট হয়।

এভিডেন্স : https://dana.org/article/the-eyes-are-windows-into-the-brain/
https://www.sciencedirect.com/topics/biochemistry-genetics-and-molecular-biology/eye-movement-control
পাঁচ বয়সের পাঁচ ভাবনা
ডা. অপূর্ব চৌধুরী
লন্ডন, ইংল্যান্ড

জন্মের একবছর বয়সে শিশু মন শুধু ভাবতে পারে । কিন্তু কী ভাবতে পারে ? সে ভাবতে পারে যে - সে ভাবছে; এর বাহিরে সে আর কিছুই ভাবতে পারে না ৷

পাঁচ বছর বয়সের বাচ্চাটি ভাবতে পারে - সে কী ভাবছে এবং তার সামনে অন্যরা কী ভাবছে । এই দুই ভাবনার সমন্বয়ে তার মন বাড়ে, ভাবনা বাড়ে । তাই তখন আদেশ-নিষেধ অনুযায়ী কাজ ঠিক করতে পারে, কিন্তু সিদ্ধান্ত নিতে পারে না ৷

পনেরো বছর বয়সের কিশোর-কিশোরীদের মনে তিনটি ভাবনার সমন্বয় থাকে : নিজের ভাবনা, সামনে থাকা অন্যজনের ভাবনা এবং দুই ভাবনা মিলে সিদ্ধান্ত নেওয়ার নিজের তৃতীয় ভাবনা ৷

পঁচিশের তরুণ-তরুণীদের ভাবনার চার পর্যায় : নিজের ভাবনা, অন্যের ভাবনা, অন্যের ভাবনার আলোকে নিজের ভাবনার বিনির্মাণ এবং সেই বিনির্মানের আলোকে অনেকগুলো অন্যের ভাবনার প্রতিক্রিয়া বুঝে সিদ্ধান্ত দেবার-নেবার-পুনর্বিবেচনার ভাবনা ৷

পঞ্চাশের বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের থাকে পাঁচ স্তর গভীরতা : নিজের ভাবনা, অপরের ভাবনা, অন্যের আলোকে নিজের ভাবনার বিনির্মান, বিনির্মানের প্রভাবে চারপাশের বড় সংখ্যক মানুষের উপর প্রভাবের ভাবনা, সেই আলোকে জনগোষ্ঠীর প্রেক্ষাপটে বৃহৎ মানবিক বোধের গভীর ভাবনা ৷

© Opurbo Chowdhury
‘শিক্ষক পিতার মতো’ কখনোই নয়৷ ‘বাবার মতো’, ‘মায়ের মতো’, ‘ভাইয়ের মতো’, ‘বোনের মতো’ বলে দুনিয়ায় কিছু হয় না৷ হয় সে আপনার বাবা, ভাই, স্বামী, সন্তান, শ্বশুর, দাদা, নানা, চাচা অথবা—নন মাহরাম তথা পরপুরুষ যার সামনে পর্দা অত্যাবশ্যক।

হয় সে আপনার মা, বোন, স্ত্রী, কন্যা, শ্বাশুড়ি, দাদী, নানী, খালা অথবা—নন মাহরাম তথা বেগানা নারী যার থেকে দৃষ্টিকে অবনমিত রাখা ফরয।

এর মাঝামাঝি কিচ্ছু নেই, যা আছে সব শয়তানি।

© আরিফ আজাদ
এই বাস্তবতা সবসময় আপনার মাথায় সেইভ করে রাখবেন। Brutal Truths
১)ডক্টর কখনোই আপনাকে হেল্থি রাখবে না।
২)টিচার কখনোই আপনার স্মার্ট বানাবে না।
৩)মেন্টর কখনোই আপনাকে রিচ বানায় না।
৪)জীম ট্রেইনার আপনাকে কখনোই ফিট বা বডি বানাবে না।
৫)নিউট্রিশনিস্ট আপনাকে কখনো স্লিম বানাবে না।
দিন শেষে, এই সবগুলো রেসপনসেবলিটি আপনাকেই নিতে হবে। আপনার খুদা লাগলে আপনাকে কেউ খাওয়া দিবে না। Nobody is here to help you