ব্যাক্তিত্ব বাড়ানোর কিছু নিয়ম।
০১/ পরিচ্ছন্ন পোশাক পরিধান করা।
০২/ যতটুকু প্রয়োজন ততটুকু কথা বলা।
০৩/ কাউকে হেয় করে কথা না বলা এবং না শোনা।
০৪/ কথা বলতে গেলে যার সাথে কথা বলেন তার চোখে চোখ রেখে কথা বলা। ইতস্তত লাগলে কপালের দিকে তাকাবেন।
০৫/ কাউকে কথা দিলে তা রক্ষা করা।
০৬/ কথা বলার সময় মাথা অথবা শরীর অযথা চুলকানো উচিত না।
০৭/ জোরে কথা না বলা, অট্টহাসি না দেওয়া।
০৮/ কারো সামনে দাঁত ও নাক না ঘুঁটানো।ঘুঁটানো দরকার হলে অবশ্যই ওয়াশরুমে গিয়ে পরিষ্কার করে আসবেন।
০৯/ কারো সাথে কথা বলার সময় পা দোলানো এবং নাকমুখ কোঁচকাবেন না।
১০/ কথা বলার সময় যার সাথে কথা বলছেন তার দিকে পুরো মনোনিবেশ এবং মুখে হালকা হাসি রাখবেন।
১১/হাঁটার সময় শরীর তীরের মতো সোজা রাখবেন,বুক টানটান এবং অবশ্যই ছোট ছোট কদম ফেলবেন।
১২/ পাবলিক স্পিকিং অথবা প্রেজেন্টেশন এর সময় অবশ্যই পকেটে, বুকে হাত রাখবেন না। হাত আপনার কম্ফোর্ট জোনে রাখবেন।
১৩/ মুরুব্বিদের সালাম ও ছোটদের স্নেহ তো অবশ্যই করবেন।
১৪/ এই যুগে মানুষ তার মনোভাব বলতে চায় সুতরাং একজন ধৈর্য্যশীল শ্রোতা হবেন।
১৫/ উপার্জিত টাকার ক্ষেত্রে ৪০-৩০-৩০ রুলস ফলো করবেন। ৪০% ভবিষ্যত সঞ্চয় ,৩০% নিজের জন্য,৩০% পরিবার ও আত্মীয় এর জন্য।
১৬/ কাউকে আপনার ব্যক্তিত্ব নষ্ট করার সুযোগ দিবেন না।কেউ আপনাকে নিয়ে হাসাহাসি করলে গম্ভীরভাবে তার চোখের দিকে তাকাবেন তারপর বলবেন " তুই/আপনি কি ঠিক আছেন??
১৮/ সর্বদা পরিচ্ছন্নতা মেইনটেইন করবেন,দিনে ০২ বার গোসল,পা পরিষ্কার করা,হালকা ব্যয়াম,দাঁত মাজা,প্রচুর পানি খাবেন আর অবশ্যই সুগন্ধি ব্যবহার করবেন।
১৯/ নামাজ/ প্রার্থনা করবেন।
২০/ সোশ্যাল মিডিয়ায় কিংবা ব্যক্তিগত জীবনে শো অফ করবেন না।
এগুলোই আমি মেইনটেইন করি।আর কিছু মনে আসলে পরে জানাবো।
০১/ পরিচ্ছন্ন পোশাক পরিধান করা।
০২/ যতটুকু প্রয়োজন ততটুকু কথা বলা।
০৩/ কাউকে হেয় করে কথা না বলা এবং না শোনা।
০৪/ কথা বলতে গেলে যার সাথে কথা বলেন তার চোখে চোখ রেখে কথা বলা। ইতস্তত লাগলে কপালের দিকে তাকাবেন।
০৫/ কাউকে কথা দিলে তা রক্ষা করা।
০৬/ কথা বলার সময় মাথা অথবা শরীর অযথা চুলকানো উচিত না।
০৭/ জোরে কথা না বলা, অট্টহাসি না দেওয়া।
০৮/ কারো সামনে দাঁত ও নাক না ঘুঁটানো।ঘুঁটানো দরকার হলে অবশ্যই ওয়াশরুমে গিয়ে পরিষ্কার করে আসবেন।
০৯/ কারো সাথে কথা বলার সময় পা দোলানো এবং নাকমুখ কোঁচকাবেন না।
১০/ কথা বলার সময় যার সাথে কথা বলছেন তার দিকে পুরো মনোনিবেশ এবং মুখে হালকা হাসি রাখবেন।
১১/হাঁটার সময় শরীর তীরের মতো সোজা রাখবেন,বুক টানটান এবং অবশ্যই ছোট ছোট কদম ফেলবেন।
১২/ পাবলিক স্পিকিং অথবা প্রেজেন্টেশন এর সময় অবশ্যই পকেটে, বুকে হাত রাখবেন না। হাত আপনার কম্ফোর্ট জোনে রাখবেন।
১৩/ মুরুব্বিদের সালাম ও ছোটদের স্নেহ তো অবশ্যই করবেন।
১৪/ এই যুগে মানুষ তার মনোভাব বলতে চায় সুতরাং একজন ধৈর্য্যশীল শ্রোতা হবেন।
১৫/ উপার্জিত টাকার ক্ষেত্রে ৪০-৩০-৩০ রুলস ফলো করবেন। ৪০% ভবিষ্যত সঞ্চয় ,৩০% নিজের জন্য,৩০% পরিবার ও আত্মীয় এর জন্য।
১৬/ কাউকে আপনার ব্যক্তিত্ব নষ্ট করার সুযোগ দিবেন না।কেউ আপনাকে নিয়ে হাসাহাসি করলে গম্ভীরভাবে তার চোখের দিকে তাকাবেন তারপর বলবেন " তুই/আপনি কি ঠিক আছেন??
১৮/ সর্বদা পরিচ্ছন্নতা মেইনটেইন করবেন,দিনে ০২ বার গোসল,পা পরিষ্কার করা,হালকা ব্যয়াম,দাঁত মাজা,প্রচুর পানি খাবেন আর অবশ্যই সুগন্ধি ব্যবহার করবেন।
১৯/ নামাজ/ প্রার্থনা করবেন।
২০/ সোশ্যাল মিডিয়ায় কিংবা ব্যক্তিগত জীবনে শো অফ করবেন না।
এগুলোই আমি মেইনটেইন করি।আর কিছু মনে আসলে পরে জানাবো।
সাধারণত যাদের মাসিক চক্র ২৮-৩০ দিনে হয় তাদের ক্ষেত্রে মাসিক হওয়ার ১০তম দিন থেকে ২০ তম দিন গুলো বাদে সহবাস করলে কন্সিভ হওয়ার সম্ভাবনা থাকেনা। প্রতিমাসেই শারীরিক অবস্থা ও মাসিক চক্র একই থাকে না তাই সাধারণত ধরা হয় মাসিক শুরুর দিন থেকে আগের ৭ দিন ও মাসিক শুরু প্রথম দিন থেকে যত দিন মাসিক(৩-৭দিন) চলবে ততদিন সহবাস করা নিরাপদ। তবে, মাসিক নিয়মিত না হলে এই পদ্ধতি কার্যকর হবে না। তবে সর্বোপরি এটা বলতেই হয় যে, কনডম ছাড়া সহবাস করা মোটেও নিরাপদ নয়। তাই সহবাসে কনডম ব্যবহার করা উত্তম।
বি:দ্র: মাসিক চলাকালিন সহবাস করা যাবেনা,কেনো না মাসিক চলাকালিন সহবাস হারাম। মাসিক চলাকালিন সহবাস করলে যোনিতে ইনফেকশন হয়। এছাড়াও নানা রোগে আক্রান্ত হতে পারে।
উত্তরটি দিয়েছেন Jahidul Hasan Sir,
বি:দ্র: মাসিক চলাকালিন সহবাস করা যাবেনা,কেনো না মাসিক চলাকালিন সহবাস হারাম। মাসিক চলাকালিন সহবাস করলে যোনিতে ইনফেকশন হয়। এছাড়াও নানা রোগে আক্রান্ত হতে পারে।
উত্তরটি দিয়েছেন Jahidul Hasan Sir,
আপনার যদি কর্পোরেট সেক্টরে জব করার ইচ্ছে থাকে তাহলে একাউন্টিং নিয়ে পড়তে পারেন।
আর যদি গভ জবের ইচ্ছে থাকে তাহলে সহজ একটা বিষয় যেখানে কোনো ম্যাথ থাকবে না এমন বিষয় নিয়ে গ্রাজুয়েশন শেষ করতে পারেন, পাশাপাশি গভ জবের প্রিপারেশন নিতে পারেন।
আরেকটা কথা, আপনি যে বিষয় নিয়েই পড়েন না কেনো একাডেমিক পড়াশোনা আপনার চাকরির বাজারে কোনো কাজে লাগবে না।
যেই বিষয় নিয়েই পড়েন না কেনো, করপোরেট সেক্টর হউক বা গভ. ক্যারিয়ারের জন্য ছাত্রজীবন থেকেই নিজেকে প্রস্তুত করে তোলতে পারলে পড়াশোনা শেষ করে হতাশায় ভুগতে হবে না।
আর যদি গভ জবের ইচ্ছে থাকে তাহলে সহজ একটা বিষয় যেখানে কোনো ম্যাথ থাকবে না এমন বিষয় নিয়ে গ্রাজুয়েশন শেষ করতে পারেন, পাশাপাশি গভ জবের প্রিপারেশন নিতে পারেন।
আরেকটা কথা, আপনি যে বিষয় নিয়েই পড়েন না কেনো একাডেমিক পড়াশোনা আপনার চাকরির বাজারে কোনো কাজে লাগবে না।
যেই বিষয় নিয়েই পড়েন না কেনো, করপোরেট সেক্টর হউক বা গভ. ক্যারিয়ারের জন্য ছাত্রজীবন থেকেই নিজেকে প্রস্তুত করে তোলতে পারলে পড়াশোনা শেষ করে হতাশায় ভুগতে হবে না।
যৌন সমস্যা সমাধানে অ্যালোপ্যাথি ভালো হবে নাকি হোমিওপ্যাথি?
আসসালামু আলাইকুম। অনেক ভাই জানতে চান যে, বিভিন্ন সমস্যা বিশেষত তাদের মাস্টারবেশন, বিকৃত মৈথুন ইত্যাদির কারণে যে যৌন সমস্যাগুলো দেখা দেয় সেগুলো চিকিৎসার জন্য অ্যালোপ্যাথি ভালো হবে নাকি হোমিওপ্যাথি ভালো হবে।
এ ব্যাপারে বলার আগে পরিস্কার করা দরকার যে, আমরা জ্ঞান-বিজ্ঞানের কোন শাখাকেই ছোট বা বড় করে দেখি না। তাই এক্ষেত্রেও নিরপেক্ষ জায়গা থেকে মূল নীতি মেনে বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করবো। ইনশা- আল্লাহ।
যেকোনো রোগের চিকিৎসার সপক্ষে আমরা দুইটা জিনিসকে মূলনীতি হিসেবে গ্রহণ করি। ১. কুরআন ও সুন্নাহ ভিত্তিক, ২. বিজ্ঞান ভিত্তিক।
বিজ্ঞানের মেথোডলজি হলো "ম্যাকানিজম" (কারণ, প্রভাবক, পদ্ধতি)। অর্থাৎ কোন জিনিস কিভাবে কাজ করে বা একটা সমস্যা কীভাবে সমাধান হল সে প্রক্রিয়া জানানো।
যেমন একটি স্থাপনা নির্মানে শ্রমিক ভাইয়েরা জানেন যে, কীভাবে কোথায় কী বসালে কাঠামো দাঁড়াবে। কিন্তু, এই দাঁড়ানোর পেছনের ঘটনা বা মূল ম্যাকানিজম - ম্যাটেরিয়াল এর শক্তিক্ষমতা, ভূমির চাপ ধারণক্ষমতা অনুযায়ী ডিজাইন, আর্কিটেকচারাল পলিসি ইত্যাদি ব্যাপারগুলো জানেন ইঞ্জিনিয়ার ও আর্কিটেক্ট।
বর্তমানে চিকিৎসা ক্ষেত্রে সবচেয়ে বহুল প্রচলিত পদ্ধতি অ্যালোপ্যাথি। এটি তার চিকিৎসার ম্যাকানিজম প্রকাশ করে। অর্থাৎ এর চিকিৎসা গ্রহণ করলে তা কীভাবে দেহে Absorption, Assimilation ও Metabolism হয়, কীভাবে Receptor সেটাকে Receive করে, Process করে, কোন প্রক্রিয়ায় রোগটাকে Heal করে এবং সব শেষে বডি থেকে Excretion হয় - এ সবকিছু।
এ কারণে আমরা এলোপ্যাথি সমর্থন করি।
--
এবার আসি রুকইয়া বিষয়ে।
রুকইয়া কিভাবে কাজ করে বিজ্ঞান তার ব্যাখ্যা দিতে পারেনা। কিভাবে একটা পানি পড়া, দোয়া-দরুদ বা ঝাঁড় ফুক কাজ করে তার বৈজ্ঞানিক কোন ভিত্তি নেই।
কিন্তু কুরআন - সুন্নাহ ও সালাফগনের আমল দ্বারা এটি স্বীকৃত। তাই বিশ্বাসের জায়গা থেকে আমরা এটা সমর্থন করি।
--
হোমিওপ্যাথি, ইউনানী, আয়ূর্বেদিক, হার্বাল, চাইনিজ সহ চিকিৎসার অন্যান্য পদ্ধতিগুলো বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় এগুলো বৃহৎ বা ক্ষুদ্র আকারে প্রচলিত রয়েছে।
আমাদের জানামতে এগুলোর কোনটাই ম্যাকানিজম বা মেথডোলজি বর্ণনা করতে পারে না। আর এসবের সাথে আমাদের "ইসলামিক বিশ্বাস" এর কোন সম্পর্ক নেই।
তবে খুব ভালো করে মনে রাখা দরকার যে, আধুনিক অ্যালোপ্যাথি আসার আগে শত শত বছর ধরে এই সকল চিকিৎসা পদ্ধতিতে কোটি কোটি মানুষ সুস্থ হয়েছেন, আল্লাহর ইচ্ছায়। এখনো অসংখ্য মানুষ অ্যালোপ্যাথি প্রক্রিয়ার বাইরে অন্যান্য চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ হয়ে উঠছেন।
কেবলমাত্র এর পেছনে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা না থাকার কারণে এবং বিশ্বাসগত ভিত্তি না থাকায় আমরা তা উল্লেখ করি না।
অর্থাৎ, আমরা বাকি শাস্ত্র গুলো নিয়ে উৎসাহ বা নিরুৎসাহ কোনটাই করছি না।
সুতরাং সংক্ষেপে বলতে গেলে বলতে হয়-
১. রুকইয়া, ইউনানী সহ মুসলিম চিকিৎসা পদ্ধতি গুলো কুরআন-সুন্নাহ এবং বুযুর্গগনের পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে স্বীকৃত। দক্ষ ও বিজ্ঞদের থেকে পরামর্শ নিয়ে গ্রহণ করতে পারেন।
২. অ্যালোপ্যাথি বিজ্ঞানসম্মত। তাই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ মেনে গ্রহণ করতে পারেন।
৩. অবশিষ্ট চিকিৎসা পদ্ধতি (হোমিওপ্যাথি, আয়ুর্বেদিক, হার্বাল, চাইনিজ ইত্যাদি) বহুল প্রচলিত বিধায় গ্রহণ করতে পারেন। তবে লাভ/ক্ষতির দায়ভার গ্রহণকারীর।
এবার সিদ্ধান্ত আপনাদের।
ধন্যবাদ।
আসসালামু আলাইকুম। অনেক ভাই জানতে চান যে, বিভিন্ন সমস্যা বিশেষত তাদের মাস্টারবেশন, বিকৃত মৈথুন ইত্যাদির কারণে যে যৌন সমস্যাগুলো দেখা দেয় সেগুলো চিকিৎসার জন্য অ্যালোপ্যাথি ভালো হবে নাকি হোমিওপ্যাথি ভালো হবে।
এ ব্যাপারে বলার আগে পরিস্কার করা দরকার যে, আমরা জ্ঞান-বিজ্ঞানের কোন শাখাকেই ছোট বা বড় করে দেখি না। তাই এক্ষেত্রেও নিরপেক্ষ জায়গা থেকে মূল নীতি মেনে বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করবো। ইনশা- আল্লাহ।
যেকোনো রোগের চিকিৎসার সপক্ষে আমরা দুইটা জিনিসকে মূলনীতি হিসেবে গ্রহণ করি। ১. কুরআন ও সুন্নাহ ভিত্তিক, ২. বিজ্ঞান ভিত্তিক।
বিজ্ঞানের মেথোডলজি হলো "ম্যাকানিজম" (কারণ, প্রভাবক, পদ্ধতি)। অর্থাৎ কোন জিনিস কিভাবে কাজ করে বা একটা সমস্যা কীভাবে সমাধান হল সে প্রক্রিয়া জানানো।
যেমন একটি স্থাপনা নির্মানে শ্রমিক ভাইয়েরা জানেন যে, কীভাবে কোথায় কী বসালে কাঠামো দাঁড়াবে। কিন্তু, এই দাঁড়ানোর পেছনের ঘটনা বা মূল ম্যাকানিজম - ম্যাটেরিয়াল এর শক্তিক্ষমতা, ভূমির চাপ ধারণক্ষমতা অনুযায়ী ডিজাইন, আর্কিটেকচারাল পলিসি ইত্যাদি ব্যাপারগুলো জানেন ইঞ্জিনিয়ার ও আর্কিটেক্ট।
বর্তমানে চিকিৎসা ক্ষেত্রে সবচেয়ে বহুল প্রচলিত পদ্ধতি অ্যালোপ্যাথি। এটি তার চিকিৎসার ম্যাকানিজম প্রকাশ করে। অর্থাৎ এর চিকিৎসা গ্রহণ করলে তা কীভাবে দেহে Absorption, Assimilation ও Metabolism হয়, কীভাবে Receptor সেটাকে Receive করে, Process করে, কোন প্রক্রিয়ায় রোগটাকে Heal করে এবং সব শেষে বডি থেকে Excretion হয় - এ সবকিছু।
এ কারণে আমরা এলোপ্যাথি সমর্থন করি।
--
এবার আসি রুকইয়া বিষয়ে।
রুকইয়া কিভাবে কাজ করে বিজ্ঞান তার ব্যাখ্যা দিতে পারেনা। কিভাবে একটা পানি পড়া, দোয়া-দরুদ বা ঝাঁড় ফুক কাজ করে তার বৈজ্ঞানিক কোন ভিত্তি নেই।
কিন্তু কুরআন - সুন্নাহ ও সালাফগনের আমল দ্বারা এটি স্বীকৃত। তাই বিশ্বাসের জায়গা থেকে আমরা এটা সমর্থন করি।
--
হোমিওপ্যাথি, ইউনানী, আয়ূর্বেদিক, হার্বাল, চাইনিজ সহ চিকিৎসার অন্যান্য পদ্ধতিগুলো বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় এগুলো বৃহৎ বা ক্ষুদ্র আকারে প্রচলিত রয়েছে।
আমাদের জানামতে এগুলোর কোনটাই ম্যাকানিজম বা মেথডোলজি বর্ণনা করতে পারে না। আর এসবের সাথে আমাদের "ইসলামিক বিশ্বাস" এর কোন সম্পর্ক নেই।
তবে খুব ভালো করে মনে রাখা দরকার যে, আধুনিক অ্যালোপ্যাথি আসার আগে শত শত বছর ধরে এই সকল চিকিৎসা পদ্ধতিতে কোটি কোটি মানুষ সুস্থ হয়েছেন, আল্লাহর ইচ্ছায়। এখনো অসংখ্য মানুষ অ্যালোপ্যাথি প্রক্রিয়ার বাইরে অন্যান্য চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ হয়ে উঠছেন।
কেবলমাত্র এর পেছনে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা না থাকার কারণে এবং বিশ্বাসগত ভিত্তি না থাকায় আমরা তা উল্লেখ করি না।
অর্থাৎ, আমরা বাকি শাস্ত্র গুলো নিয়ে উৎসাহ বা নিরুৎসাহ কোনটাই করছি না।
সুতরাং সংক্ষেপে বলতে গেলে বলতে হয়-
১. রুকইয়া, ইউনানী সহ মুসলিম চিকিৎসা পদ্ধতি গুলো কুরআন-সুন্নাহ এবং বুযুর্গগনের পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে স্বীকৃত। দক্ষ ও বিজ্ঞদের থেকে পরামর্শ নিয়ে গ্রহণ করতে পারেন।
২. অ্যালোপ্যাথি বিজ্ঞানসম্মত। তাই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ মেনে গ্রহণ করতে পারেন।
৩. অবশিষ্ট চিকিৎসা পদ্ধতি (হোমিওপ্যাথি, আয়ুর্বেদিক, হার্বাল, চাইনিজ ইত্যাদি) বহুল প্রচলিত বিধায় গ্রহণ করতে পারেন। তবে লাভ/ক্ষতির দায়ভার গ্রহণকারীর।
এবার সিদ্ধান্ত আপনাদের।
ধন্যবাদ।
ইস্তিগফার কিভাবে করতে হয়?
এবং ইস্তিগফারের ১৭ টি উপকারিতা।
•
ইস্তিগফার হলো, আল্লাহর নিকট #ক্ষমা প্রার্থনা করা। রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, ❝আল্লাহর ক্বসম! আমি দিনের মধ্যে ৭০ বারেরও অধিক ইস্তিগফার করি (আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই) এবং #তাওবাহ করি।❞ (বুখারী ৫/২৩২৪)
•
ইস্তিগফার কীভাবে করবো?
•
ইস্তিগফার যে কোন শব্দেই করা যায়। এমনকি ❝ইয়া আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করে দিন!❞ - বলে #দুয়া করলেও হবে।
•
তবে #রসূলুল্লাহ (ﷺ) যে বাক্যে ইস্তিগফার করেছেন, সে বাক্যে ক্ষমা চাওয়া নিঃসন্দেহে অতি উত্তম! নিম্নে হাদীসে বর্নিত কিছু ইস্তিগফার দেয়া হলো! মুখস্থ করে নিতে পারেন ইন শা আল্লাহ।
•
১| ﺃﺳﺘﻐﻔﺮ ﺍﻟﻠﻪ (আস্তাগফিরুল্লাহ)। শুধু ❝আস্তাগফিরুল্লাহ❞ বলা।
•
রসূল (ﷺ) নামাজ শেষে ৩ বার আস্তাগফিরুল্লাহ বলতেন।
(মুসনাদে আহমদ- ২২৪০৮)
•
২| ﺃﺳْﺘَﻐْﻔِﺮُ ﺍﻟﻠﻪَ ﺍﻟﻌَﻈِﻴﻢَ ﺍﻟَّﺬِﻱ ﻻَ ﺇﻟَﻪَ ﺇﻻَّ ﻫُﻮَ، ﺍﻟﺤَﻲُّ ﺍﻟﻘَﻴُّﻮﻡُ، ﻭَﺃﺗُﻮﺏُ ﺇﻟَﻴﻪِ
•
রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ❝যে ব্যক্তি এই দু‘আ পাঠ করবে সে #জিহাদের ময়দান হতে পলায়ন করলেও তাকে ক্ষমা করা হবে।❞
(আবু দাঊদ ১৫১৭)
•
৩| ﺭَﺏِّ ﺍﻏْﻔِﺮْ ﻟِﻲ ﻭَﺗُﺐْ ﻋَﻠَﻰَّ ﺇِﻧَّﻚَ ﺃَﻧْﺖَ ﺍﻟﺘَّﻮَّﺍﺏُ ﺍﻟﺮَّﺣِﻴﻢُ
•
রসূলুল্লাহ (ﷺ) মাসজিদে অবস্থানকালে একই বৈঠকে একশো বার এ দু'আ পাঠ করেছেন এবং আমরা তা গণনা করেছি।
(আবু দাঊদ ১৫১৬)
•
৪| ﺃﺳﺘﻐﻔﺮ ﺍﻟﻠﻪ ﻭ ﺃﺗﻮﺏ ﺇﻟﻴﻪ
•
আবু হুরাইরা (রা.) বলেন, ❝আমি রাসূল (ﷺ)-র চাইতে কাউকে অধিক এই ইস্তিগফার বলতে শুনি নি - ❝আস্তাগফিরুল্লাহ ওয়া আতূবু ইলাইহি❞!❞ (নাসায়ী কুবরা ১০২১৫)
•
৫| ﺳُﺒْﺤَﺎﻥَ ﺍﻟﻠﻪِ ﻭَﺑِﺤَﻤْﺪِﻩِ ﺃَﺳْﺘَﻐْﻔِﺮُ ﺍﻟﻠﻪَ ﻭَﺃَﺗُﻮﺏُ ﺇِﻟَﻴْﻪِ
•
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) খুব বেশি বেশি এই দুয়া পড়তেন। এমনকি রাসূল (ﷺ) ইন্তিকালের আগেও এই দুয়াটা অনেকবার করেছেন।
(সহীহ মুসলিম ৪৮৪)
•
তবে, সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ইস্তিগফার হলো, ❝সাইয়িদুল ইস্তিগফার❞।
•
৬| ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺃَﻧْﺖَ ﺭَﺑِّﻲ ﻻَ ﺇِﻟَﻪَ ﺇِﻟَّﺎ ﺃَﻧْﺖَ، ﺧَﻠَﻘْﺘَﻨِﻲ ﻭَﺃَﻧَﺎ ﻋَﺒْﺪُﻙَ، ﻭَﺃَﻧَﺎ ﻋَﻠَﻰ ﻋَﻬْﺪِﻙَ ﻭَﻭَﻋْﺪِﻙَ ﻣَﺎ ﺍﺳْﺘَﻄَﻌْﺖُ، ﺃَﻋُﻮﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦْ ﺷَﺮِّ ﻣَﺎ ﺻَﻨَﻌْﺖُ، ﺃَﺑُﻮﺀُ ﻟَﻚَ ﺑِﻨِﻌْﻤَﺘِﻚَ ﻋَﻠَﻲَّ، ﻭَﺃَﺑُﻮﺀُ ﻟَﻚَ ﺑِﺬَﻧْﺒِﻲ ﻓَﺎﻏْﻔِﺮْ ﻟِﻲ، ﺇِﻧَّﻪُ ﻻَ ﻳَﻐْﻔِﺮُ ﺍﻟﺬُّﻧُﻮﺏَ ﺇِﻟَّﺎ ﺃَﻧْﺖَ
•
যেটি সকালে পড়লে ওই দিন সন্ধ্যার আগে মারা গেলে জান্নাতে যাবে। আর সন্ধ্যায় পড়লে সকাল হওয়ার আগে মারা গেলে জান্নাতে যাবে। (সহীহ বুখারী ৬৩০৬)
•
ইস্তিগফারের ১৭ টি #উপকারিতা।
•
১। অধিক ইস্তিগফারের কারণে প্রচুর বর্ষণ হয়। বাগান ও শস্যে ভালো #ফসল হয়। নদী-নালা থাকে জীবন্ত।
•
২। ইস্তিগফারকারীকে আল্লাহ উত্তম #সন্তান, #সম্পদ ও #জীবিকার দ্বারা সম্মানিত করেন।
•
৩। #দ্বীন পালন সহজ হয়। এবং কর্মজীবন হয় সুখের।
•
৪। #আল্লাহ ও #বান্দার মাঝে যে দূরত্ব আছে, তা ঘুচে যায়।
•
৫। ইস্তিগফারকারীর কাছে #দুনিয়াকে খুব তুচ্ছ করে দেয়া হয়।
•
৬। মানব ও জীন #শয়তান থেকে তাকে #হিফাযত করা হয়।
•
৭। দ্বীন ও #ঈমানের স্বাদ আস্বাদন করা যায়।
•
৮। আল্লাহর #ভালোবাসা অর্জিত হয়।
•
৯। বিচক্ষণতা ও বিশ্বাস #বৃদ্ধি পায়।
•
১০। #দুশ্চিন্তা, পেরেশানি দূর হয়।
•
১১। #বেকারত্ব দূর হয়।
•
১২। আল্লাহ তা'আলার ##নৈকট্য অর্জিত হয়। তার তাওবার কারণে আল্লাহ আনন্দিত হন।
•
১৩। মৃত্যুর সময় ফেরেস্তারা তার জন্য #সুসংবাদ নিয়ে আসে।
•
১৪। হাশরের মাঠে মানুষ যখন প্রচন্ড গরম ও ঘামের মধ্যে থাকবে, তখন ইস্তিগফারকারী থাকবে #আরশের ছায়াতলে।
•
১৫। কিয়ামাতের দিন মানুষ যখন #অস্থির থাকবে, ইস্তিগফারকারী তখন ডানপন্থী #মুত্তাকিনদের দলে থাকবে।
•
১৬। #মন্দ কজ থেকে বেঁচে থাকা যায়।
•
১৭। আরশ বহনকারী #ফেরেশতাগণও তার জন্য দু'আ করেন।
•
(নাযরতুন নাঈম ফি মাকারিমি আখলাকির রাসূলঃ ২/৩০২)
•
আল্লাহ্ আমাদেরকে নিয়মিত ইস্তিগফারের আমাল করার তৌফিক দান করুন। আল্লাহুম্মা #আমীন।
এবং ইস্তিগফারের ১৭ টি উপকারিতা।
•
ইস্তিগফার হলো, আল্লাহর নিকট #ক্ষমা প্রার্থনা করা। রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, ❝আল্লাহর ক্বসম! আমি দিনের মধ্যে ৭০ বারেরও অধিক ইস্তিগফার করি (আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই) এবং #তাওবাহ করি।❞ (বুখারী ৫/২৩২৪)
•
ইস্তিগফার কীভাবে করবো?
•
ইস্তিগফার যে কোন শব্দেই করা যায়। এমনকি ❝ইয়া আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করে দিন!❞ - বলে #দুয়া করলেও হবে।
•
তবে #রসূলুল্লাহ (ﷺ) যে বাক্যে ইস্তিগফার করেছেন, সে বাক্যে ক্ষমা চাওয়া নিঃসন্দেহে অতি উত্তম! নিম্নে হাদীসে বর্নিত কিছু ইস্তিগফার দেয়া হলো! মুখস্থ করে নিতে পারেন ইন শা আল্লাহ।
•
১| ﺃﺳﺘﻐﻔﺮ ﺍﻟﻠﻪ (আস্তাগফিরুল্লাহ)। শুধু ❝আস্তাগফিরুল্লাহ❞ বলা।
•
রসূল (ﷺ) নামাজ শেষে ৩ বার আস্তাগফিরুল্লাহ বলতেন।
(মুসনাদে আহমদ- ২২৪০৮)
•
২| ﺃﺳْﺘَﻐْﻔِﺮُ ﺍﻟﻠﻪَ ﺍﻟﻌَﻈِﻴﻢَ ﺍﻟَّﺬِﻱ ﻻَ ﺇﻟَﻪَ ﺇﻻَّ ﻫُﻮَ، ﺍﻟﺤَﻲُّ ﺍﻟﻘَﻴُّﻮﻡُ، ﻭَﺃﺗُﻮﺏُ ﺇﻟَﻴﻪِ
•
রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ❝যে ব্যক্তি এই দু‘আ পাঠ করবে সে #জিহাদের ময়দান হতে পলায়ন করলেও তাকে ক্ষমা করা হবে।❞
(আবু দাঊদ ১৫১৭)
•
৩| ﺭَﺏِّ ﺍﻏْﻔِﺮْ ﻟِﻲ ﻭَﺗُﺐْ ﻋَﻠَﻰَّ ﺇِﻧَّﻚَ ﺃَﻧْﺖَ ﺍﻟﺘَّﻮَّﺍﺏُ ﺍﻟﺮَّﺣِﻴﻢُ
•
রসূলুল্লাহ (ﷺ) মাসজিদে অবস্থানকালে একই বৈঠকে একশো বার এ দু'আ পাঠ করেছেন এবং আমরা তা গণনা করেছি।
(আবু দাঊদ ১৫১৬)
•
৪| ﺃﺳﺘﻐﻔﺮ ﺍﻟﻠﻪ ﻭ ﺃﺗﻮﺏ ﺇﻟﻴﻪ
•
আবু হুরাইরা (রা.) বলেন, ❝আমি রাসূল (ﷺ)-র চাইতে কাউকে অধিক এই ইস্তিগফার বলতে শুনি নি - ❝আস্তাগফিরুল্লাহ ওয়া আতূবু ইলাইহি❞!❞ (নাসায়ী কুবরা ১০২১৫)
•
৫| ﺳُﺒْﺤَﺎﻥَ ﺍﻟﻠﻪِ ﻭَﺑِﺤَﻤْﺪِﻩِ ﺃَﺳْﺘَﻐْﻔِﺮُ ﺍﻟﻠﻪَ ﻭَﺃَﺗُﻮﺏُ ﺇِﻟَﻴْﻪِ
•
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) খুব বেশি বেশি এই দুয়া পড়তেন। এমনকি রাসূল (ﷺ) ইন্তিকালের আগেও এই দুয়াটা অনেকবার করেছেন।
(সহীহ মুসলিম ৪৮৪)
•
তবে, সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ইস্তিগফার হলো, ❝সাইয়িদুল ইস্তিগফার❞।
•
৬| ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺃَﻧْﺖَ ﺭَﺑِّﻲ ﻻَ ﺇِﻟَﻪَ ﺇِﻟَّﺎ ﺃَﻧْﺖَ، ﺧَﻠَﻘْﺘَﻨِﻲ ﻭَﺃَﻧَﺎ ﻋَﺒْﺪُﻙَ، ﻭَﺃَﻧَﺎ ﻋَﻠَﻰ ﻋَﻬْﺪِﻙَ ﻭَﻭَﻋْﺪِﻙَ ﻣَﺎ ﺍﺳْﺘَﻄَﻌْﺖُ، ﺃَﻋُﻮﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦْ ﺷَﺮِّ ﻣَﺎ ﺻَﻨَﻌْﺖُ، ﺃَﺑُﻮﺀُ ﻟَﻚَ ﺑِﻨِﻌْﻤَﺘِﻚَ ﻋَﻠَﻲَّ، ﻭَﺃَﺑُﻮﺀُ ﻟَﻚَ ﺑِﺬَﻧْﺒِﻲ ﻓَﺎﻏْﻔِﺮْ ﻟِﻲ، ﺇِﻧَّﻪُ ﻻَ ﻳَﻐْﻔِﺮُ ﺍﻟﺬُّﻧُﻮﺏَ ﺇِﻟَّﺎ ﺃَﻧْﺖَ
•
যেটি সকালে পড়লে ওই দিন সন্ধ্যার আগে মারা গেলে জান্নাতে যাবে। আর সন্ধ্যায় পড়লে সকাল হওয়ার আগে মারা গেলে জান্নাতে যাবে। (সহীহ বুখারী ৬৩০৬)
•
ইস্তিগফারের ১৭ টি #উপকারিতা।
•
১। অধিক ইস্তিগফারের কারণে প্রচুর বর্ষণ হয়। বাগান ও শস্যে ভালো #ফসল হয়। নদী-নালা থাকে জীবন্ত।
•
২। ইস্তিগফারকারীকে আল্লাহ উত্তম #সন্তান, #সম্পদ ও #জীবিকার দ্বারা সম্মানিত করেন।
•
৩। #দ্বীন পালন সহজ হয়। এবং কর্মজীবন হয় সুখের।
•
৪। #আল্লাহ ও #বান্দার মাঝে যে দূরত্ব আছে, তা ঘুচে যায়।
•
৫। ইস্তিগফারকারীর কাছে #দুনিয়াকে খুব তুচ্ছ করে দেয়া হয়।
•
৬। মানব ও জীন #শয়তান থেকে তাকে #হিফাযত করা হয়।
•
৭। দ্বীন ও #ঈমানের স্বাদ আস্বাদন করা যায়।
•
৮। আল্লাহর #ভালোবাসা অর্জিত হয়।
•
৯। বিচক্ষণতা ও বিশ্বাস #বৃদ্ধি পায়।
•
১০। #দুশ্চিন্তা, পেরেশানি দূর হয়।
•
১১। #বেকারত্ব দূর হয়।
•
১২। আল্লাহ তা'আলার ##নৈকট্য অর্জিত হয়। তার তাওবার কারণে আল্লাহ আনন্দিত হন।
•
১৩। মৃত্যুর সময় ফেরেস্তারা তার জন্য #সুসংবাদ নিয়ে আসে।
•
১৪। হাশরের মাঠে মানুষ যখন প্রচন্ড গরম ও ঘামের মধ্যে থাকবে, তখন ইস্তিগফারকারী থাকবে #আরশের ছায়াতলে।
•
১৫। কিয়ামাতের দিন মানুষ যখন #অস্থির থাকবে, ইস্তিগফারকারী তখন ডানপন্থী #মুত্তাকিনদের দলে থাকবে।
•
১৬। #মন্দ কজ থেকে বেঁচে থাকা যায়।
•
১৭। আরশ বহনকারী #ফেরেশতাগণও তার জন্য দু'আ করেন।
•
(নাযরতুন নাঈম ফি মাকারিমি আখলাকির রাসূলঃ ২/৩০২)
•
আল্লাহ্ আমাদেরকে নিয়মিত ইস্তিগফারের আমাল করার তৌফিক দান করুন। আল্লাহুম্মা #আমীন।
©জুয়েল হুসাইন
ব্যাংক Student একাউন্ট সম্পর্কে আমার লেখা ৩য় পর্ব। আজ লিখছি South East Bank Limited এর স্টুডেন্ট (নক্ষত্র/18+) একাউন্ট সম্পর্কে, কিছু তথ্য নিম্নে দেয়া হলঃ
১. স্টুডেন্টের বয়স ১৮ - ২৮ বছর পর্যন্ত হলে এই ব্যাংকে স্টুডেন্ট একাউন্ট হিসাব খুলতে পারবেন।
২· প্রাথমিকভাবে কমপক্ষে ২০০ টাকা দিয়ে স্টুডেন্ট একাউন্টের হিসাব খুলতে হবে। এই একাউন্ট জিরো ব্যালান্স করা যায়।
৩. একাউন্ট মেইনটেনেন্স বাবদ অর্ধবার্ষিকী বা বার্ষিকী কোনো চার্জ নেই।
৪. South East ব্যাংকের স্টুডেন্ট একাউন্টে ডুয়েল কারেন্সি কার্ড দেয়। কার্ড ডুয়েল কারেন্সি হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন যদি ভ্যালিড পাসপোর্ট থাকে। কোন চার্জ নেই ডুয়েল কারেন্সি কার্ড ব্যবহার করলে। কার্ড ইস্যু চার্জ ৫৭৫ টাকা ভ্যাটসহ এবং অটো রিনিউ ৫৭৫ টাকা ভ্যাট সহ বার্ষিক ফি।
৫· রেগুলার ডেবিট কার্ড ফ্রী। যেটা দিয়ে শুধুমাত্র এটিএম বুথ থেকে টাকা উত্তোলন করা যাবে। ই-কমার্স ট্রানজেকশন করা যাবে না। অর্ধ বার্ষিকী / বার্ষিকী কার্ড রিনুয়াল ফি নেই। তবে ভিসা ডেবিট কার্ড দিয়ে ই কমার্স ট্রানজেকশন করা যাবে এবং ডলার এন্ডোর্সমেন্ট করে ইন্টারন্যাশনাল লেনদেন করা যাবে। পিন নাম্বার ভুলে গেলে পিন রিসেট চার্জ/কার্ড হারিয়ে গেলে/রিনিউ করলে ৫৭৫ টাকা ভ্যাট সহ।
৬· চেক বই অর্ডার করে নিতে হয়। চেক প্রতি পাতা ৬ টাকা ভ্যাটসহ। মিনিমাম ১০ পাতার চেক অর্ডার করতে হয়।
৭· ইন্টারনেট ব্যাংকিং ফ্রী। কিন্তু ইন্টারনেট ব্যাংকিং দিয়ে ফান্ড ট্রান্সফার করতে হলে বার্ষিক ২৩০ টাকা কাটবে ভ্যাট সহ।
৮. এসএমএস অ্যালার্ট বার্ষিক ১১৫ টাকা ভ্যাট সহ। ১০০ টাকার বেশি ট্রানজেকশন করলে অ্যালার্ট দিবে।
৯. স্বাভাবিকভাবে লেনদেন করতে থাকলে একাউন্ট এর মেয়াদ আজীবন থাকবে।( স্টুডেন্টশিপ না থাকলে একাউন্টে লেনদেন করতে পারবেন কিনা এটা সম্পূর্ণ ব্রাঞ্চের বিষয়)
১০· যেকোনো ব্যাংক একাউন্টে EFT / NPSB এর মাধ্যমে টাকা ট্রান্সফার এবং আপনার একাউন্টে রিসিভ করতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে কিছু চার্জ প্রযোজ্য হতে পারে। তবে চার্জ খুবই কম।
১১. ইনকাম সোর্স এর উপর ভিত্তি করে আপনার ট্রানজেকশন লিমিট নির্ধারিত করবে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। (আমার ব্যক্তিগত ধারণা অনুযায়ী ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত নির্দ্বিধায় লেনদেন করা যাবে প্রতি মাসে)
১১· South East ব্যাংকের এটিএম বুথ থেকে South East ব্যাংকের এটিএম কার্ডের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন ফ্রি। কিন্তু অন্যান্য ব্যাংকের এটিএম বুথ / NPSB / VISA সাপোর্টেড যেকোনো এটিএম বুথ থেকে টাকা উত্তোলন করলে প্রতি ট্রানজেকশনে ১৫ টাকা চার্জ প্রযোজ্য হতে পারে। (চার্জ কম বেশি হতে পারে)
__________________________________________
স্টুডেন্ট ব্যাংক একাউন্ট হিসাব খোলার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ
১. ইন্ট্রোডিউসার (পরিচয়দানকারীঃ) কর্তৃক সত্যায়িত গ্রাহকের ২ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি এবং KYC ফরম এ স্বাক্ষর। ইন্ট্রোডিউসার ঐ ব্যাংকের গ্রাহক হবেন যে ব্যাংকে আপনি একাউন্ট খুলতে চান।
২. স্টুডেন্টের বর্তমান বৈধ স্টুডেন্ট আইডি কার্ড / শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছ থেকে প্রত্যয়নপত্রের ১ কপি ফটোকপি।
৩. স্টুডেন্টের জাতীয় পরিচয়পত্র / পাসপোর্ট / ড্রাইভিং লাইসেন্স / জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র এর ১ কপি ফটোকপি।
৪. স্টুডেন্টের পাসপোর্ট সাইজের রঙ্গিন ছবি ২ কপি ল্যাব প্রিন্ট। ( সর্বোচ্চ ৩ মাসের মধ্যে ছবি তোলা হতে হবে)।
৫. নমিনি এর জাতীয় পরিচয়পত্র / পাসপোর্ট / ড্রাইভিং লাইসেন্স / জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র এর ১ কপি ফটোকপি এবং স্টুডেন্ট (গ্রাহক) কর্তৃক সত্যায়িত নমিনির পাসপোর্ট সাইজ ছবি ১ কপি ল্যাব প্রিন্ট।
৬. বর্তমান ঠিকানা প্রমানের জন্য বিদ্যুৎ বিল / পানির বিল / গ্যাস বিলের ১ কপি ফটোকপি।
৭. স্টুডেন্ট / গ্রাহক ১৮ বছরের নিচে হলে অভিভাবকের মাধ্যমে হিসাব পরিচালনা করতে পারবে।
বিঃদ্রঃ সকল তথ্য South East Bank Limited এর কল সেন্টার এবং ব্যাংক থেকে নেয়া। যদি কোন ভুলত্রুটি হয় ক্ষমাসুলভ দৃষ্টিতে দেখে সংশোধন করে দিবেন। ধন্যবাদ 🙂
আরো তথ্য জানার জন্য South East Bank Limited এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।
ব্যাংক Student একাউন্ট সম্পর্কে আমার লেখা ৩য় পর্ব। আজ লিখছি South East Bank Limited এর স্টুডেন্ট (নক্ষত্র/18+) একাউন্ট সম্পর্কে, কিছু তথ্য নিম্নে দেয়া হলঃ
১. স্টুডেন্টের বয়স ১৮ - ২৮ বছর পর্যন্ত হলে এই ব্যাংকে স্টুডেন্ট একাউন্ট হিসাব খুলতে পারবেন।
২· প্রাথমিকভাবে কমপক্ষে ২০০ টাকা দিয়ে স্টুডেন্ট একাউন্টের হিসাব খুলতে হবে। এই একাউন্ট জিরো ব্যালান্স করা যায়।
৩. একাউন্ট মেইনটেনেন্স বাবদ অর্ধবার্ষিকী বা বার্ষিকী কোনো চার্জ নেই।
৪. South East ব্যাংকের স্টুডেন্ট একাউন্টে ডুয়েল কারেন্সি কার্ড দেয়। কার্ড ডুয়েল কারেন্সি হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন যদি ভ্যালিড পাসপোর্ট থাকে। কোন চার্জ নেই ডুয়েল কারেন্সি কার্ড ব্যবহার করলে। কার্ড ইস্যু চার্জ ৫৭৫ টাকা ভ্যাটসহ এবং অটো রিনিউ ৫৭৫ টাকা ভ্যাট সহ বার্ষিক ফি।
৫· রেগুলার ডেবিট কার্ড ফ্রী। যেটা দিয়ে শুধুমাত্র এটিএম বুথ থেকে টাকা উত্তোলন করা যাবে। ই-কমার্স ট্রানজেকশন করা যাবে না। অর্ধ বার্ষিকী / বার্ষিকী কার্ড রিনুয়াল ফি নেই। তবে ভিসা ডেবিট কার্ড দিয়ে ই কমার্স ট্রানজেকশন করা যাবে এবং ডলার এন্ডোর্সমেন্ট করে ইন্টারন্যাশনাল লেনদেন করা যাবে। পিন নাম্বার ভুলে গেলে পিন রিসেট চার্জ/কার্ড হারিয়ে গেলে/রিনিউ করলে ৫৭৫ টাকা ভ্যাট সহ।
৬· চেক বই অর্ডার করে নিতে হয়। চেক প্রতি পাতা ৬ টাকা ভ্যাটসহ। মিনিমাম ১০ পাতার চেক অর্ডার করতে হয়।
৭· ইন্টারনেট ব্যাংকিং ফ্রী। কিন্তু ইন্টারনেট ব্যাংকিং দিয়ে ফান্ড ট্রান্সফার করতে হলে বার্ষিক ২৩০ টাকা কাটবে ভ্যাট সহ।
৮. এসএমএস অ্যালার্ট বার্ষিক ১১৫ টাকা ভ্যাট সহ। ১০০ টাকার বেশি ট্রানজেকশন করলে অ্যালার্ট দিবে।
৯. স্বাভাবিকভাবে লেনদেন করতে থাকলে একাউন্ট এর মেয়াদ আজীবন থাকবে।( স্টুডেন্টশিপ না থাকলে একাউন্টে লেনদেন করতে পারবেন কিনা এটা সম্পূর্ণ ব্রাঞ্চের বিষয়)
১০· যেকোনো ব্যাংক একাউন্টে EFT / NPSB এর মাধ্যমে টাকা ট্রান্সফার এবং আপনার একাউন্টে রিসিভ করতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে কিছু চার্জ প্রযোজ্য হতে পারে। তবে চার্জ খুবই কম।
১১. ইনকাম সোর্স এর উপর ভিত্তি করে আপনার ট্রানজেকশন লিমিট নির্ধারিত করবে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। (আমার ব্যক্তিগত ধারণা অনুযায়ী ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত নির্দ্বিধায় লেনদেন করা যাবে প্রতি মাসে)
১১· South East ব্যাংকের এটিএম বুথ থেকে South East ব্যাংকের এটিএম কার্ডের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন ফ্রি। কিন্তু অন্যান্য ব্যাংকের এটিএম বুথ / NPSB / VISA সাপোর্টেড যেকোনো এটিএম বুথ থেকে টাকা উত্তোলন করলে প্রতি ট্রানজেকশনে ১৫ টাকা চার্জ প্রযোজ্য হতে পারে। (চার্জ কম বেশি হতে পারে)
__________________________________________
স্টুডেন্ট ব্যাংক একাউন্ট হিসাব খোলার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ
১. ইন্ট্রোডিউসার (পরিচয়দানকারীঃ) কর্তৃক সত্যায়িত গ্রাহকের ২ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি এবং KYC ফরম এ স্বাক্ষর। ইন্ট্রোডিউসার ঐ ব্যাংকের গ্রাহক হবেন যে ব্যাংকে আপনি একাউন্ট খুলতে চান।
২. স্টুডেন্টের বর্তমান বৈধ স্টুডেন্ট আইডি কার্ড / শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছ থেকে প্রত্যয়নপত্রের ১ কপি ফটোকপি।
৩. স্টুডেন্টের জাতীয় পরিচয়পত্র / পাসপোর্ট / ড্রাইভিং লাইসেন্স / জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র এর ১ কপি ফটোকপি।
৪. স্টুডেন্টের পাসপোর্ট সাইজের রঙ্গিন ছবি ২ কপি ল্যাব প্রিন্ট। ( সর্বোচ্চ ৩ মাসের মধ্যে ছবি তোলা হতে হবে)।
৫. নমিনি এর জাতীয় পরিচয়পত্র / পাসপোর্ট / ড্রাইভিং লাইসেন্স / জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র এর ১ কপি ফটোকপি এবং স্টুডেন্ট (গ্রাহক) কর্তৃক সত্যায়িত নমিনির পাসপোর্ট সাইজ ছবি ১ কপি ল্যাব প্রিন্ট।
৬. বর্তমান ঠিকানা প্রমানের জন্য বিদ্যুৎ বিল / পানির বিল / গ্যাস বিলের ১ কপি ফটোকপি।
৭. স্টুডেন্ট / গ্রাহক ১৮ বছরের নিচে হলে অভিভাবকের মাধ্যমে হিসাব পরিচালনা করতে পারবে।
বিঃদ্রঃ সকল তথ্য South East Bank Limited এর কল সেন্টার এবং ব্যাংক থেকে নেয়া। যদি কোন ভুলত্রুটি হয় ক্ষমাসুলভ দৃষ্টিতে দেখে সংশোধন করে দিবেন। ধন্যবাদ 🙂
আরো তথ্য জানার জন্য South East Bank Limited এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।
©জুয়েল হুসাইন
---------------
ব্যাংক Student Account সম্পর্কে আমার লেখা ২য় পর্ব। আজ লিখছি AB Bank Limited এর (মেজর/18+) স্টুডেন্ট একাউন্ট সম্পর্কে, কিছু তথ্য নিম্নে দেয়া হলঃ
-------------
১. স্টুডেন্টের বয়স ১৮ - ২৮ বছর পর্যন্ত হলে এই ব্যাংকে স্টুডেন্ট একাউন্ট খুলতে পারবেন।
২· প্রাথমিকভাবে কমপক্ষে ৫০০ টাকা দিয়ে স্টুডেন্ট একাউন্টের হিসাব খুলতে হবে। এই একাউন্ট জিরো ব্যালান্স করা যায়।
৩. একাউন্ট মেইনটেনেন্স বাবদ অর্ধবার্ষিকী বা বার্ষিকী কোনো চার্জ নেই।
৪· ডেবিট কার্ড ফ্রী। কার্ডের বার্ষিক রিনুয়াল ফি নেই। পিন নাম্বার ভুলে গেলে পিন রিসেট চার্জ ২৬০ টাকা এবং কার্ড হারিয়ে গেলে অথবা রিনিউ করলে ৫৭৫ টাকা ভ্যাট সহ।
৫. AB ব্যাংকের স্টুডেন্ট একাউন্টে ডুয়েল কারেন্সি কার্ড দেয়। একাউন্ট খোলার পর যে ডেবিট কার্ড দিবে সেই ডেবিট কার্ড ডুয়েল কারেন্সি হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন যদি ভ্যালিড পাসপোর্ট থাকে। কোন চার্জ নেই ডুয়েল কারেন্সি কার্ড ব্যবহার করলে।
৬· চেক বই ফ্রী। অর্ডার করে নিতে হয়, চার্জ নেই ।
৭· ইন্টারনেট ব্যাংকিং ফ্রী। বার্ষিক কোন চার্জ নেই।
৮. এসএমএস অ্যালার্ট ফ্রী। যেকোনো পরিমাণ ট্রানজেকশন করলে ট্রানজেকশন অ্যালার্ট দিবে। অর্ধবার্ষিকী / বার্ষিকী কোন চার্জ নেই।
৯. একাউন্ট খোলার সময় যে স্টুডেন্ট ID কার্ড দেয়া হবে সে ID কার্ডের মেয়াদ পর্যন্ত স্টুডেন্ট একাউন্ট থাকবে। ID কার্ডের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গেলে এই স্টুডেন্ট একাউন্ট সাময়িকভাবে বন্ধ হবে। একাউন্টে লেনদেন করতে চাইলে ব্রাঞ্চে গিয়ে স্টুডেন্ট একাউন্টটি জেনারেল সেভিংস অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করে নিতে হবে।
১০· যেকোনো ব্যাংক একাউন্টে EFT / NPSB এর মাধ্যমে টাকা ট্রান্সফার এবং আপনার একাউন্টে রিসিভ করতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে কিছু চার্জ প্রযোজ্য হতে পারে। তবে চার্জ খুবই কম।
১১. ইনকাম সোর্স এর উপর ভিত্তি করে আপনার ট্রানজেকশন লিমিট নির্ধারিত করবে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। (আমার ব্যক্তিগত ধারণা অনুযায়ী ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত নির্দ্বিধায় লেনদেন করা যাবে প্রতি মাসে)
১১· AB ব্যাংকের এটিএম বুথ থেকে AB ব্যাংকের এটিএম কার্ডের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন ফ্রি। কিন্তু অন্যান্য ব্যাংকের এটিএম বুথ / NPSB / VISA সাপোর্টেড যেকোনো এটিএম বুথ থেকে টাকা উত্তোলন করলে প্রতি ট্রানজেকশনে ১৫ টাকা চার্জ চার্জ প্রযোজ্য হতে পারে। (চার্জ কম বেশি হতে পারে)
__________________________________________
স্টুডেন্ট ব্যাংক একাউন্ট হিসাব খোলার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ
১. ইন্ট্রোডিউসার (পরিচয়দানকারীঃ) কর্তৃক সত্যায়িত গ্রাহকের ২ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি এবং KYC ফরম এ স্বাক্ষর। ইন্ট্রোডিউসার ঐ ব্যাংকের গ্রাহক হবেন যে ব্যাংকে আপনি একাউন্ট খুলতে চান।
২. স্টুডেন্টের বর্তমান বৈধ স্টুডেন্ট আইডি কার্ড / শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছ থেকে প্রত্যয়নপত্রের ১ কপি ফটোকপি।
৩. স্টুডেন্টের জাতীয় পরিচয়পত্র / পাসপোর্ট / ড্রাইভিং লাইসেন্স / জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র এর ১ কপি ফটোকপি।
৪. স্টুডেন্টের পাসপোর্ট সাইজের রঙ্গিন ছবি ২ কপি ল্যাব প্রিন্ট। ( সর্বোচ্চ ৩ মাসের মধ্যে ছবি তোলা হতে হবে)।
৫. নমিনি এর জাতীয় পরিচয়পত্র / পাসপোর্ট / ড্রাইভিং লাইসেন্স / জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র এর ১ কপি ফটোকপি এবং স্টুডেন্ট (গ্রাহক) কর্তৃক সত্যায়িত নমিনির পাসপোর্ট সাইজ ছবি ১ কপি ল্যাব প্রিন্ট।
৬. বর্তমান ঠিকানা প্রমানের জন্য বিদ্যুৎ বিল / পানির বিল / গ্যাস বিলের ১ কপি ফটোকপি।
৭. স্টুডেন্ট / গ্রাহক ১৮ বছরের নিচে হলে অভিভাবকের মাধ্যমে হিসাব পরিচালনা করতে পারবে।
বিঃদ্রঃ সকল তথ্য AB Bank Limited এর কল সেন্টার এবং ব্যাংক থেকে নেয়া। যদি কোন ভুলত্রুটি হয় ক্ষমাসুলভ দৃষ্টিতে দেখে সংশোধন করে দিবেন। ধন্যবাদ 🙂
আরো তথ্য জানার জন্য AB Bank Limited এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।
https://abbl.com/বাংলা/স্টুডেন্ট-একাউন্ট/
---------------
ব্যাংক Student Account সম্পর্কে আমার লেখা ২য় পর্ব। আজ লিখছি AB Bank Limited এর (মেজর/18+) স্টুডেন্ট একাউন্ট সম্পর্কে, কিছু তথ্য নিম্নে দেয়া হলঃ
-------------
১. স্টুডেন্টের বয়স ১৮ - ২৮ বছর পর্যন্ত হলে এই ব্যাংকে স্টুডেন্ট একাউন্ট খুলতে পারবেন।
২· প্রাথমিকভাবে কমপক্ষে ৫০০ টাকা দিয়ে স্টুডেন্ট একাউন্টের হিসাব খুলতে হবে। এই একাউন্ট জিরো ব্যালান্স করা যায়।
৩. একাউন্ট মেইনটেনেন্স বাবদ অর্ধবার্ষিকী বা বার্ষিকী কোনো চার্জ নেই।
৪· ডেবিট কার্ড ফ্রী। কার্ডের বার্ষিক রিনুয়াল ফি নেই। পিন নাম্বার ভুলে গেলে পিন রিসেট চার্জ ২৬০ টাকা এবং কার্ড হারিয়ে গেলে অথবা রিনিউ করলে ৫৭৫ টাকা ভ্যাট সহ।
৫. AB ব্যাংকের স্টুডেন্ট একাউন্টে ডুয়েল কারেন্সি কার্ড দেয়। একাউন্ট খোলার পর যে ডেবিট কার্ড দিবে সেই ডেবিট কার্ড ডুয়েল কারেন্সি হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন যদি ভ্যালিড পাসপোর্ট থাকে। কোন চার্জ নেই ডুয়েল কারেন্সি কার্ড ব্যবহার করলে।
৬· চেক বই ফ্রী। অর্ডার করে নিতে হয়, চার্জ নেই ।
৭· ইন্টারনেট ব্যাংকিং ফ্রী। বার্ষিক কোন চার্জ নেই।
৮. এসএমএস অ্যালার্ট ফ্রী। যেকোনো পরিমাণ ট্রানজেকশন করলে ট্রানজেকশন অ্যালার্ট দিবে। অর্ধবার্ষিকী / বার্ষিকী কোন চার্জ নেই।
৯. একাউন্ট খোলার সময় যে স্টুডেন্ট ID কার্ড দেয়া হবে সে ID কার্ডের মেয়াদ পর্যন্ত স্টুডেন্ট একাউন্ট থাকবে। ID কার্ডের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গেলে এই স্টুডেন্ট একাউন্ট সাময়িকভাবে বন্ধ হবে। একাউন্টে লেনদেন করতে চাইলে ব্রাঞ্চে গিয়ে স্টুডেন্ট একাউন্টটি জেনারেল সেভিংস অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করে নিতে হবে।
১০· যেকোনো ব্যাংক একাউন্টে EFT / NPSB এর মাধ্যমে টাকা ট্রান্সফার এবং আপনার একাউন্টে রিসিভ করতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে কিছু চার্জ প্রযোজ্য হতে পারে। তবে চার্জ খুবই কম।
১১. ইনকাম সোর্স এর উপর ভিত্তি করে আপনার ট্রানজেকশন লিমিট নির্ধারিত করবে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। (আমার ব্যক্তিগত ধারণা অনুযায়ী ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত নির্দ্বিধায় লেনদেন করা যাবে প্রতি মাসে)
১১· AB ব্যাংকের এটিএম বুথ থেকে AB ব্যাংকের এটিএম কার্ডের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন ফ্রি। কিন্তু অন্যান্য ব্যাংকের এটিএম বুথ / NPSB / VISA সাপোর্টেড যেকোনো এটিএম বুথ থেকে টাকা উত্তোলন করলে প্রতি ট্রানজেকশনে ১৫ টাকা চার্জ চার্জ প্রযোজ্য হতে পারে। (চার্জ কম বেশি হতে পারে)
__________________________________________
স্টুডেন্ট ব্যাংক একাউন্ট হিসাব খোলার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ
১. ইন্ট্রোডিউসার (পরিচয়দানকারীঃ) কর্তৃক সত্যায়িত গ্রাহকের ২ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি এবং KYC ফরম এ স্বাক্ষর। ইন্ট্রোডিউসার ঐ ব্যাংকের গ্রাহক হবেন যে ব্যাংকে আপনি একাউন্ট খুলতে চান।
২. স্টুডেন্টের বর্তমান বৈধ স্টুডেন্ট আইডি কার্ড / শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছ থেকে প্রত্যয়নপত্রের ১ কপি ফটোকপি।
৩. স্টুডেন্টের জাতীয় পরিচয়পত্র / পাসপোর্ট / ড্রাইভিং লাইসেন্স / জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র এর ১ কপি ফটোকপি।
৪. স্টুডেন্টের পাসপোর্ট সাইজের রঙ্গিন ছবি ২ কপি ল্যাব প্রিন্ট। ( সর্বোচ্চ ৩ মাসের মধ্যে ছবি তোলা হতে হবে)।
৫. নমিনি এর জাতীয় পরিচয়পত্র / পাসপোর্ট / ড্রাইভিং লাইসেন্স / জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র এর ১ কপি ফটোকপি এবং স্টুডেন্ট (গ্রাহক) কর্তৃক সত্যায়িত নমিনির পাসপোর্ট সাইজ ছবি ১ কপি ল্যাব প্রিন্ট।
৬. বর্তমান ঠিকানা প্রমানের জন্য বিদ্যুৎ বিল / পানির বিল / গ্যাস বিলের ১ কপি ফটোকপি।
৭. স্টুডেন্ট / গ্রাহক ১৮ বছরের নিচে হলে অভিভাবকের মাধ্যমে হিসাব পরিচালনা করতে পারবে।
বিঃদ্রঃ সকল তথ্য AB Bank Limited এর কল সেন্টার এবং ব্যাংক থেকে নেয়া। যদি কোন ভুলত্রুটি হয় ক্ষমাসুলভ দৃষ্টিতে দেখে সংশোধন করে দিবেন। ধন্যবাদ 🙂
আরো তথ্য জানার জন্য AB Bank Limited এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।
https://abbl.com/বাংলা/স্টুডেন্ট-একাউন্ট/
Abbl
স্টুডেন্ট একাউন্ট - AB Bank PLC.
স্টুডেন্ট একাউন্ট
©জুয়েল হুসাইন
ব্যাংক Student একাউন্ট সম্পর্কে আমার লেখা ৪র্থ পর্ব। আজ লিখছি City Bank Limited এর স্টুডেন্ট (College Plan/18+) একাউন্ট সম্পর্কে, কিছু তথ্য নিম্নে দেয়া হলঃ
১. স্টুডেন্টের বয়স ১৮ - ২৪ বছর পর্যন্ত হলে এই ব্যাংকে স্টুডেন্ট একাউন্ট হিসাব খুলতে পারবেন।
২· প্রাথমিকভাবে কমপক্ষে ১০০ টাকা দিয়ে স্টুডেন্ট একাউন্টের হিসাব খুলতে হবে। এই একাউন্ট জিরো ব্যালান্স করা যায়।
৩. একাউন্ট মেইনটেনেন্স বাবদ অর্ধবার্ষিকী বা বার্ষিকী কোনো চার্জ নেই।
৪. City ব্যাংকের স্টুডেন্ট একাউন্টে ডুয়েল কারেন্সি কার্ড দেয়। কার্ড ডুয়েল কারেন্সি হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন যদি ভ্যালিড পাসপোর্ট থাকে। কোন চার্জ নেই ডুয়েল কারেন্সি কার্ড ব্যবহার করলে।
৫· যেকোনো ডেবিট কার্ড ইস্যু ফি ৫৭৫ টাকা ভ্যাট সহ। ই-কমার্স ট্রানজেকশন করা যাবে। তবে ভিসা ডেবিট কার্ড দিয়ে ই কমার্স ট্রানজেকশন করা যাবে এবং ডলার এন্ডোর্সমেন্ট করে ইন্টারন্যাশনাল লেনদেন করা যাবে। কার্ডের মেয়াদ ,,, বছর। পিন নাম্বার ভুলে গেলে পিন রিসেট চার্জ/কার্ড হারিয়ে গেলে/বার্ষিক অটো রিনিউ করলে ৫৭৫ টাকা ভ্যাট সহ।
৬· চেক বই অর্ডার করে নিতে হয়। চেক প্রতি পাতা ১৫ টাকা ভ্যাটসহ। মিনিমাম ২৫ পাতার চেক অর্ডার করতে হয়।
৭· ইন্টারনেট ব্যাংকিং ফ্রী। যেটা সিটি টাচ অ্যাপ।
৮. এসএমএস অ্যালার্ট ফি নেই। ১০০ টাকার বেশি ট্রানজেকশন করলে অ্যালার্ট দিবে।
৯. স্বাভাবিকভাবে লেনদেন করতে থাকলে একাউন্ট এর মেয়াদ আজীবন থাকবে।
১০· যেকোনো ব্যাংক একাউন্টে EFT / NPSB এর মাধ্যমে টাকা ট্রান্সফার এবং আপনার একাউন্টে রিসিভ করতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে কিছু চার্জ প্রযোজ্য হতে পারে। তবে চার্জ খুবই কম।
১১. ইনকাম সোর্স এর উপর ভিত্তি করে আপনার ট্রানজেকশন লিমিট নির্ধারিত করবে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। (আমার ব্যক্তিগত ধারণা অনুযায়ী ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত নির্দ্বিধায় লেনদেন করা যাবে প্রতি মাসে)
১১· City ব্যাংকের এটিএম বুথ থেকে City ব্যাংকের এটিএম কার্ডের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন ফ্রি। কিন্তু অন্যান্য ব্যাংকের এটিএম বুথ /Q Cash/ NPSB / VISA সাপোর্টেড যেকোনো এটিএম বুথ থেকে টাকা উত্তোলন করলে প্রতি ট্রানজেকশনে ১৫ টাকা চার্জ প্রযোজ্য হতে পারে। (চার্জ কম বেশি হতে পারে)
__________________________________________
স্টুডেন্ট ব্যাংক একাউন্ট হিসাব খোলার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ
১. ইন্ট্রোডিউসার (পরিচয়দানকারীঃ) কর্তৃক সত্যায়িত গ্রাহকের ২ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি এবং KYC ফরম এ স্বাক্ষর। ইন্ট্রোডিউসার ঐ ব্যাংকের গ্রাহক হবেন যে ব্যাংকে আপনি একাউন্ট খুলতে চান।
২. স্টুডেন্টের বর্তমান বৈধ স্টুডেন্ট আইডি কার্ড / শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছ থেকে প্রত্যয়নপত্রের ১ কপি ফটোকপি।
৩. স্টুডেন্টের জাতীয় পরিচয়পত্র / পাসপোর্ট / ড্রাইভিং লাইসেন্স / জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র এর ১ কপি ফটোকপি।
৪. স্টুডেন্টের পাসপোর্ট সাইজের রঙ্গিন ছবি ২ কপি ল্যাব প্রিন্ট। ( সর্বোচ্চ ৩ মাসের মধ্যে ছবি তোলা হতে হবে)।
৫. নমিনি এর জাতীয় পরিচয়পত্র / পাসপোর্ট / ড্রাইভিং লাইসেন্স / জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র এর ১ কপি ফটোকপি এবং স্টুডেন্ট (গ্রাহক) কর্তৃক সত্যায়িত নমিনির পাসপোর্ট সাইজ ছবি ১ কপি ল্যাব প্রিন্ট।
৬. বর্তমান ঠিকানা প্রমানের জন্য বিদ্যুৎ বিল / পানির বিল / গ্যাস বিলের ১ কপি ফটোকপি।
৭. স্টুডেন্ট / গ্রাহক ১৮ বছরের নিচে হলে অভিভাবকের মাধ্যমে হিসাব পরিচালনা করতে পারবে।
বিঃদ্রঃ সকল তথ্য City Bank Limited এর কল সেন্টার এবং ব্যাংক থেকে নেয়া। যদি কোন ভুলত্রুটি হয় ক্ষমাসুলভ দৃষ্টিতে দেখে সংশোধন করে দিবেন। ধন্যবাদ 🙂
আরো তথ্য জানার জন্য City Bank Limited এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।
ব্যাংক Student একাউন্ট সম্পর্কে আমার লেখা ৪র্থ পর্ব। আজ লিখছি City Bank Limited এর স্টুডেন্ট (College Plan/18+) একাউন্ট সম্পর্কে, কিছু তথ্য নিম্নে দেয়া হলঃ
১. স্টুডেন্টের বয়স ১৮ - ২৪ বছর পর্যন্ত হলে এই ব্যাংকে স্টুডেন্ট একাউন্ট হিসাব খুলতে পারবেন।
২· প্রাথমিকভাবে কমপক্ষে ১০০ টাকা দিয়ে স্টুডেন্ট একাউন্টের হিসাব খুলতে হবে। এই একাউন্ট জিরো ব্যালান্স করা যায়।
৩. একাউন্ট মেইনটেনেন্স বাবদ অর্ধবার্ষিকী বা বার্ষিকী কোনো চার্জ নেই।
৪. City ব্যাংকের স্টুডেন্ট একাউন্টে ডুয়েল কারেন্সি কার্ড দেয়। কার্ড ডুয়েল কারেন্সি হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন যদি ভ্যালিড পাসপোর্ট থাকে। কোন চার্জ নেই ডুয়েল কারেন্সি কার্ড ব্যবহার করলে।
৫· যেকোনো ডেবিট কার্ড ইস্যু ফি ৫৭৫ টাকা ভ্যাট সহ। ই-কমার্স ট্রানজেকশন করা যাবে। তবে ভিসা ডেবিট কার্ড দিয়ে ই কমার্স ট্রানজেকশন করা যাবে এবং ডলার এন্ডোর্সমেন্ট করে ইন্টারন্যাশনাল লেনদেন করা যাবে। কার্ডের মেয়াদ ,,, বছর। পিন নাম্বার ভুলে গেলে পিন রিসেট চার্জ/কার্ড হারিয়ে গেলে/বার্ষিক অটো রিনিউ করলে ৫৭৫ টাকা ভ্যাট সহ।
৬· চেক বই অর্ডার করে নিতে হয়। চেক প্রতি পাতা ১৫ টাকা ভ্যাটসহ। মিনিমাম ২৫ পাতার চেক অর্ডার করতে হয়।
৭· ইন্টারনেট ব্যাংকিং ফ্রী। যেটা সিটি টাচ অ্যাপ।
৮. এসএমএস অ্যালার্ট ফি নেই। ১০০ টাকার বেশি ট্রানজেকশন করলে অ্যালার্ট দিবে।
৯. স্বাভাবিকভাবে লেনদেন করতে থাকলে একাউন্ট এর মেয়াদ আজীবন থাকবে।
১০· যেকোনো ব্যাংক একাউন্টে EFT / NPSB এর মাধ্যমে টাকা ট্রান্সফার এবং আপনার একাউন্টে রিসিভ করতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে কিছু চার্জ প্রযোজ্য হতে পারে। তবে চার্জ খুবই কম।
১১. ইনকাম সোর্স এর উপর ভিত্তি করে আপনার ট্রানজেকশন লিমিট নির্ধারিত করবে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। (আমার ব্যক্তিগত ধারণা অনুযায়ী ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত নির্দ্বিধায় লেনদেন করা যাবে প্রতি মাসে)
১১· City ব্যাংকের এটিএম বুথ থেকে City ব্যাংকের এটিএম কার্ডের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন ফ্রি। কিন্তু অন্যান্য ব্যাংকের এটিএম বুথ /Q Cash/ NPSB / VISA সাপোর্টেড যেকোনো এটিএম বুথ থেকে টাকা উত্তোলন করলে প্রতি ট্রানজেকশনে ১৫ টাকা চার্জ প্রযোজ্য হতে পারে। (চার্জ কম বেশি হতে পারে)
__________________________________________
স্টুডেন্ট ব্যাংক একাউন্ট হিসাব খোলার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ
১. ইন্ট্রোডিউসার (পরিচয়দানকারীঃ) কর্তৃক সত্যায়িত গ্রাহকের ২ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি এবং KYC ফরম এ স্বাক্ষর। ইন্ট্রোডিউসার ঐ ব্যাংকের গ্রাহক হবেন যে ব্যাংকে আপনি একাউন্ট খুলতে চান।
২. স্টুডেন্টের বর্তমান বৈধ স্টুডেন্ট আইডি কার্ড / শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছ থেকে প্রত্যয়নপত্রের ১ কপি ফটোকপি।
৩. স্টুডেন্টের জাতীয় পরিচয়পত্র / পাসপোর্ট / ড্রাইভিং লাইসেন্স / জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র এর ১ কপি ফটোকপি।
৪. স্টুডেন্টের পাসপোর্ট সাইজের রঙ্গিন ছবি ২ কপি ল্যাব প্রিন্ট। ( সর্বোচ্চ ৩ মাসের মধ্যে ছবি তোলা হতে হবে)।
৫. নমিনি এর জাতীয় পরিচয়পত্র / পাসপোর্ট / ড্রাইভিং লাইসেন্স / জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র এর ১ কপি ফটোকপি এবং স্টুডেন্ট (গ্রাহক) কর্তৃক সত্যায়িত নমিনির পাসপোর্ট সাইজ ছবি ১ কপি ল্যাব প্রিন্ট।
৬. বর্তমান ঠিকানা প্রমানের জন্য বিদ্যুৎ বিল / পানির বিল / গ্যাস বিলের ১ কপি ফটোকপি।
৭. স্টুডেন্ট / গ্রাহক ১৮ বছরের নিচে হলে অভিভাবকের মাধ্যমে হিসাব পরিচালনা করতে পারবে।
বিঃদ্রঃ সকল তথ্য City Bank Limited এর কল সেন্টার এবং ব্যাংক থেকে নেয়া। যদি কোন ভুলত্রুটি হয় ক্ষমাসুলভ দৃষ্টিতে দেখে সংশোধন করে দিবেন। ধন্যবাদ 🙂
আরো তথ্য জানার জন্য City Bank Limited এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।
পানির পাঁচটি রূপ
.
১) অমৃত - সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে 600 মিলি পানি পান করা দেহের জন্য অমৃতের মতো।
২) শক্তি - সারাদিন ধরে দুই থেকে আড়াই লিটার পানি পান করা দেহের চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে।
৩) ঔষধ - অসুস্থ অবস্থায় কুসুম গরম পানি পান করার ঔষধ এর মত কাজ করে।
৪) টনিক - খাবার আধাঘন্টা পর পানি পান করা টনিকের মতো কাজ করে।
৫) বিষ - খাবারের সাথে বা খাবার পর পর পানি পান করা বিষের মত কাজ করে। অর্থাৎ দেহে রোগ উৎপাদন করে।
.
পানি পান করার কিছু নিয়ম
★সারাদিন ধরে অল্প অল্প করে পানি পান করুন।
★গোসলের আগে এক গ্লাস পানি পান করা উত্তম
★তৃষ্ণা লাগা মানেই হলো আপনি ডিহাইড্রেট হয়ে গেছেন । শরীর আপনাকে বিপদ সংকেত দিচ্ছে।
★শীতের সময় পানির তৃষ্ণা না লাগলেও পানি পান করতে হবে।
★একসাথে অনেক পানি পান করলে কিডনির উপরে চাপ পড়ে। তাই একসাথে অনেক বেশি পানি পান না করে অল্প অল্প করে পানি পান করতে হবে।
★ রাতে ঘুমের আগে পানি পান থেকে বিরত থাকুন। ( এই নিয়ম তরুণদের জন্য , কারন রাতে ঘুমের আগে পানি পান করার ফলে রাতের একটা সময় প্রস্রাবের থলি প্রসাবে পূর্ণ হয়ে যায় , এর ফলে তরুণদের স্বপ্নদোষ হওয়ার প্রবণতা বেড়ে যায় )
.
বিশেষ দ্রষ্টব্য:
এই নিয়ম পুরাতন আয়ুর্বেদিক বই থেকে সংগ্রহ করা। আগেরকার আয়ুর্বেদিক পণ্ডিতগণ মানুষদের এই নিয়মের পরামর্শ দিতেন। তাই এগুলোর কোনো ব্যাখ্যা আমার কাছে চাইবেন না ।
.
১) অমৃত - সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে 600 মিলি পানি পান করা দেহের জন্য অমৃতের মতো।
২) শক্তি - সারাদিন ধরে দুই থেকে আড়াই লিটার পানি পান করা দেহের চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে।
৩) ঔষধ - অসুস্থ অবস্থায় কুসুম গরম পানি পান করার ঔষধ এর মত কাজ করে।
৪) টনিক - খাবার আধাঘন্টা পর পানি পান করা টনিকের মতো কাজ করে।
৫) বিষ - খাবারের সাথে বা খাবার পর পর পানি পান করা বিষের মত কাজ করে। অর্থাৎ দেহে রোগ উৎপাদন করে।
.
পানি পান করার কিছু নিয়ম
★সারাদিন ধরে অল্প অল্প করে পানি পান করুন।
★গোসলের আগে এক গ্লাস পানি পান করা উত্তম
★তৃষ্ণা লাগা মানেই হলো আপনি ডিহাইড্রেট হয়ে গেছেন । শরীর আপনাকে বিপদ সংকেত দিচ্ছে।
★শীতের সময় পানির তৃষ্ণা না লাগলেও পানি পান করতে হবে।
★একসাথে অনেক পানি পান করলে কিডনির উপরে চাপ পড়ে। তাই একসাথে অনেক বেশি পানি পান না করে অল্প অল্প করে পানি পান করতে হবে।
★ রাতে ঘুমের আগে পানি পান থেকে বিরত থাকুন। ( এই নিয়ম তরুণদের জন্য , কারন রাতে ঘুমের আগে পানি পান করার ফলে রাতের একটা সময় প্রস্রাবের থলি প্রসাবে পূর্ণ হয়ে যায় , এর ফলে তরুণদের স্বপ্নদোষ হওয়ার প্রবণতা বেড়ে যায় )
.
বিশেষ দ্রষ্টব্য:
এই নিয়ম পুরাতন আয়ুর্বেদিক বই থেকে সংগ্রহ করা। আগেরকার আয়ুর্বেদিক পণ্ডিতগণ মানুষদের এই নিয়মের পরামর্শ দিতেন। তাই এগুলোর কোনো ব্যাখ্যা আমার কাছে চাইবেন না ।
©জুয়েল হুসাইন
---------------
Student Account সম্পর্কে আমার লেখা ৩য় পর্ব। আজ লিখছি Trust Bank Limited এর Trust Sohopathi Student একাউন্ট সম্পর্কে, কিছু তথ্য নিম্নে দেয়া হলঃ
---------------------------------------
১. স্টুডেন্টের বয়স ১৮ থেকে সর্বোচ্চ ৩০ বছর পর্যন্ত হলে এই ব্যাংকে স্টুডেন্ট একাউন্ট খুলতে পারবেন।
২. প্রাথমিকভাবে কমপক্ষে ৫০০ টাকা দিয়ে স্টুডেন্ট একাউন্ট খুলতে হবে। এই একাউন্ট জিরো ব্যালান্স করা যাবে।
৩. একাউন্ট মেইনটেনেন্স বাবদ অর্ধবার্ষিকী বা বার্ষিকী কোনো চার্জ নেই।
৪· ডেবিট কার্ড ফ্রী। কার্ডের বার্ষিক রিনুয়াল ফি নেই। পিন নাম্বার ভুলে গেলে পিন রিসেট চার্জ ৫৭.৫০ টাকা ভ্যাট সহ এবং কার্ডের মেয়াদ থাকা কালীন হারিয়ে গেলে রি-ইস্যু করলে ২১৫ টাকা ভ্যাট সহ।
৫. TBL এর স্টুডেন্ট একাউন্ট এ ডুয়েল কারেন্সি কার্ড প্রদান করা হয় না।
৬. চেক বই অর্ডার করে নিতে হয়। চেক প্রতি পাতা ৬ টাকা। মিনিমাম ১০ পাতার চেক অর্ডার করতে হয়।
৭· ইন্টারনেট ব্যাংকিং, ফোন ব্যাঙ্কিং এবং এসএমএস অ্যালার্ট ফ্রী।
৯. TBL স্টুডেন্ট একাউন্টের মেয়াদ সাধারণত ৩০ বছর পর্যন্ত থাকে।
১০· যেকোনো ব্যাংক একাউন্টে BEFTN / NPSB এর মাধ্যমে টাকা ট্রান্সফার এবং আপনার একাউন্টে রিসিভ করতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে কিছু চার্জ প্রযোজ্য হতে পারে। তবে চার্জ খুবই কম।
১১. একাউন্টে ১ লক্ষ এর নিচে লেনদেন করলে কোন চার্জ করা হয় না। ১ লক্ষের অধিক হলে চার্জ দিতে হবে।
১২. ইনকাম সোর্স এর উপর ভিত্তি করে একাউন্ট ট্রানজেকশন লিমিট নির্ধারণ করে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।(আমার ব্যক্তিগত ধারণা অনুযায়ী ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত নির্দ্বিধায় লেনদেন করা যাবে প্রতি মাসে)
১৩. TBL ব্যাংকের এটিএম বুথ থেকে TBL ব্যাংকের যেকোনো এটিএম কার্ডের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন ফ্রি। কিন্তু অন্যান্য ব্যাংকের এটিএম বুথ / NPSB / VISA সাপোর্টেড যেকোনো এটিএম বুথ থেকে টাকা উত্তোলন করলে প্রতি ট্রানজেকশনে ১৫ টাকা চার্জ প্রযোজ্য হতে পারে।(চার্জ কম বেশি হতে পারে)
__________________________________________
স্টুডেন্ট ব্যাংক একাউন্ট হিসাব খোলার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ
১. ইন্ট্রোডিউসার (পরিচয়দানকারীঃ) কর্তৃক সত্যায়িত গ্রাহকের ২ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি এবং KYC ফরম এ স্বাক্ষর। (ইন্ট্রোডিউসার (পরিচয়দানকারীঃ) ঐ ব্যাংকের কোন গ্রাহক হবেন যে ব্যাংকে আপনি একাউন্ট করতে চান।)
২. স্টুডেন্টের বর্তমান বৈধ স্টুডেন্ট আইডি কার্ড / শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছ থেকে প্রত্যয়নপত্রের ১ কপি ফটোকপি।
৩. স্টুডেন্টের জাতীয় পরিচয়পত্র / পাসপোর্ট / ড্রাইভিং লাইসেন্স / জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র এর ১ কপি ফটোকপি।
৪. স্টুডেন্টের পাসপোর্ট সাইজের রঙ্গিন ছবি ২ কপি ল্যাব প্রিন্ট। ( সর্বোচ্চ ৩ মাসের মধ্যে ছবি তোলা হতে হবে)।
৫. নমিনি এর জাতীয় পরিচয়পত্র / পাসপোর্ট / ড্রাইভিং লাইসেন্স / জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র এর ১ কপি ফটোকপি এবং স্টুডেন্ট (গ্রাহক) কর্তৃক সত্যায়িত নমিনির পাসপোর্ট সাইজ ছবি ১ কপি ল্যাব প্রিন্ট।
৬. বর্তমান ঠিকানা প্রমানের জন্য বিদ্যুৎ বিল / পানির বিল / গ্যাস বিলের ১ কপি ফটোকপি।
৭. স্টুডেন্ট / গ্রাহক ১৮ বছরের নিচে হলে অভিভাবকের মাধ্যমে হিসাব পরিচালনা করতে পারবে।
বিঃদ্রঃ সকল তথ্য Trust Bank Limited এর কল সেন্টার এবং ব্যাংক থেকে নেয়া।
যদি কোন ভুলত্রুটি হয় ক্ষমাসুলভ দৃষ্টিতে দেখে সংশোধন করে দিবেন। ধন্যবাদ 🙂
আরো তথ্য জানার জন্য কল করুন+8809612316201 / 16201 এই নাম্বারে অথবা Islami Bank Bangladesh Limited এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।
https://www.tblbd.com/node/110
---------------
Student Account সম্পর্কে আমার লেখা ৩য় পর্ব। আজ লিখছি Trust Bank Limited এর Trust Sohopathi Student একাউন্ট সম্পর্কে, কিছু তথ্য নিম্নে দেয়া হলঃ
---------------------------------------
১. স্টুডেন্টের বয়স ১৮ থেকে সর্বোচ্চ ৩০ বছর পর্যন্ত হলে এই ব্যাংকে স্টুডেন্ট একাউন্ট খুলতে পারবেন।
২. প্রাথমিকভাবে কমপক্ষে ৫০০ টাকা দিয়ে স্টুডেন্ট একাউন্ট খুলতে হবে। এই একাউন্ট জিরো ব্যালান্স করা যাবে।
৩. একাউন্ট মেইনটেনেন্স বাবদ অর্ধবার্ষিকী বা বার্ষিকী কোনো চার্জ নেই।
৪· ডেবিট কার্ড ফ্রী। কার্ডের বার্ষিক রিনুয়াল ফি নেই। পিন নাম্বার ভুলে গেলে পিন রিসেট চার্জ ৫৭.৫০ টাকা ভ্যাট সহ এবং কার্ডের মেয়াদ থাকা কালীন হারিয়ে গেলে রি-ইস্যু করলে ২১৫ টাকা ভ্যাট সহ।
৫. TBL এর স্টুডেন্ট একাউন্ট এ ডুয়েল কারেন্সি কার্ড প্রদান করা হয় না।
৬. চেক বই অর্ডার করে নিতে হয়। চেক প্রতি পাতা ৬ টাকা। মিনিমাম ১০ পাতার চেক অর্ডার করতে হয়।
৭· ইন্টারনেট ব্যাংকিং, ফোন ব্যাঙ্কিং এবং এসএমএস অ্যালার্ট ফ্রী।
৯. TBL স্টুডেন্ট একাউন্টের মেয়াদ সাধারণত ৩০ বছর পর্যন্ত থাকে।
১০· যেকোনো ব্যাংক একাউন্টে BEFTN / NPSB এর মাধ্যমে টাকা ট্রান্সফার এবং আপনার একাউন্টে রিসিভ করতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে কিছু চার্জ প্রযোজ্য হতে পারে। তবে চার্জ খুবই কম।
১১. একাউন্টে ১ লক্ষ এর নিচে লেনদেন করলে কোন চার্জ করা হয় না। ১ লক্ষের অধিক হলে চার্জ দিতে হবে।
১২. ইনকাম সোর্স এর উপর ভিত্তি করে একাউন্ট ট্রানজেকশন লিমিট নির্ধারণ করে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।(আমার ব্যক্তিগত ধারণা অনুযায়ী ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত নির্দ্বিধায় লেনদেন করা যাবে প্রতি মাসে)
১৩. TBL ব্যাংকের এটিএম বুথ থেকে TBL ব্যাংকের যেকোনো এটিএম কার্ডের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন ফ্রি। কিন্তু অন্যান্য ব্যাংকের এটিএম বুথ / NPSB / VISA সাপোর্টেড যেকোনো এটিএম বুথ থেকে টাকা উত্তোলন করলে প্রতি ট্রানজেকশনে ১৫ টাকা চার্জ প্রযোজ্য হতে পারে।(চার্জ কম বেশি হতে পারে)
__________________________________________
স্টুডেন্ট ব্যাংক একাউন্ট হিসাব খোলার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ
১. ইন্ট্রোডিউসার (পরিচয়দানকারীঃ) কর্তৃক সত্যায়িত গ্রাহকের ২ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি এবং KYC ফরম এ স্বাক্ষর। (ইন্ট্রোডিউসার (পরিচয়দানকারীঃ) ঐ ব্যাংকের কোন গ্রাহক হবেন যে ব্যাংকে আপনি একাউন্ট করতে চান।)
২. স্টুডেন্টের বর্তমান বৈধ স্টুডেন্ট আইডি কার্ড / শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছ থেকে প্রত্যয়নপত্রের ১ কপি ফটোকপি।
৩. স্টুডেন্টের জাতীয় পরিচয়পত্র / পাসপোর্ট / ড্রাইভিং লাইসেন্স / জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র এর ১ কপি ফটোকপি।
৪. স্টুডেন্টের পাসপোর্ট সাইজের রঙ্গিন ছবি ২ কপি ল্যাব প্রিন্ট। ( সর্বোচ্চ ৩ মাসের মধ্যে ছবি তোলা হতে হবে)।
৫. নমিনি এর জাতীয় পরিচয়পত্র / পাসপোর্ট / ড্রাইভিং লাইসেন্স / জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র এর ১ কপি ফটোকপি এবং স্টুডেন্ট (গ্রাহক) কর্তৃক সত্যায়িত নমিনির পাসপোর্ট সাইজ ছবি ১ কপি ল্যাব প্রিন্ট।
৬. বর্তমান ঠিকানা প্রমানের জন্য বিদ্যুৎ বিল / পানির বিল / গ্যাস বিলের ১ কপি ফটোকপি।
৭. স্টুডেন্ট / গ্রাহক ১৮ বছরের নিচে হলে অভিভাবকের মাধ্যমে হিসাব পরিচালনা করতে পারবে।
বিঃদ্রঃ সকল তথ্য Trust Bank Limited এর কল সেন্টার এবং ব্যাংক থেকে নেয়া।
যদি কোন ভুলত্রুটি হয় ক্ষমাসুলভ দৃষ্টিতে দেখে সংশোধন করে দিবেন। ধন্যবাদ 🙂
আরো তথ্য জানার জন্য কল করুন+8809612316201 / 16201 এই নাম্বারে অথবা Islami Bank Bangladesh Limited এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।
https://www.tblbd.com/node/110
অনেক গুলো হাদিস এক সাথে
••• স্ত্রীর সাথে মিলনের জন্য কি তাঁর অনুমতি নেয়া প্রয়োজন ?
*** মহানবী সা: বলেছেন “ স্বামী যখন তাঁর স্ত্রীকে দৈহিক প্রয়োজনে আহবান করবে, সে যেনো স্বামীর কাছে অত্যন্ত দ্রুত চলে আসে । এমনকি সে রান্না ঘরে রুটি পাকানোর কাজে ব্যস্ত থাকলেও ।”
সুনানে তিরমিযি ১১৬০
ছহীহুল জামে ৫৩৪
*** মহানবী সা: বলেছেন “ যে স্ত্রী স্বামীর ডাকে সাঁড়া না দেয় এবং স্বামী রাগান্বিত অবস্হায় সারারাত একাকী কাটায়, সে স্ত্রীর উপর ফিরিশ্তারা সকাল পর্যন্ত লা’নত দিতে থাকে ।”
ছহীহুল বোখারি ৫১৯৩
ছহীহ মুসলিম ১৪৩৬
সুনানে আবু দাউদ ২১৪১
নাসাঈ
*** মহানবী সা: বলেছেন “ তিন ব্যক্তির নামাজ তাঁদের মাথা অতিক্রম করেনা অর্থাৎ কবুল হয়না । তন্মধ্যে একজন হলেন অবাধ্য স্ত্রী , যে স্বামীর ডাকে সাঁড়া দেয়না এবং স্বামী রাগান্বিত অবস্হায় ঘুমায় ।”
তাবরানী ১০৮৬
সুনানে তিরমিযি ৩৬০
হাকেম
সিলসিলা ছহীহা ২৮৮
*** মহানবী সা: বলেছেন “ স্বামীর অনুমতি ব্যতিরেকে নফল রোজা রাখা যাবেনা এবং স্বামীর অপছন্দ ব্যক্তিকে ঘরে প্রবেশ করানো যাবেনা ।”
ছহীহুল বোখারি ৫১৯৫
ছহীহ মুসলিম ২৪১৭
দারেমী ১৭২০
সিলসিলা আহাদিসুস ছহীহা ৩৯৫
*** মহানবী সা: বলেছেন “ পরকালে আল্লাহপাক স্বামীর প্রতি অকৃতজ্ঞ স্ত্রীর দিকে তাকাবেন না ।”
নাসাঈ কুবরা ৯১৩৫
বাযযার ২৩৪৯
তাবরানী
হাকেম ২৭৭১
বাইহাক্বী ১৪৪৯৭
সিলসিলাহ ছহীহা ২৮৯
*** মহানবী সা: বলেছেন “ কোন স্ত্রী যদি তাঁর স্বামীর অধিকার সম্পর্কে জানতো, দিনে বা রাতের খাবার শেষ করে স্বামীর পাশে সারাক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতো ।”
ছহীহুল জামে ৫২৫৯
তাবরানী
*** মহানবী সা: বলেছেন “ স্বামীর অবাধ্য স্ত্রীর জন্য জান্নাত হারাম ।”
মুসনাদে আহমদ ১৯০০৩
নাসাঈ
হাকিম
বায়হাক্বী
*** মহানবী সা: বলেছেন “ যে স্ত্রী তাঁর স্বামীকে কষ্ট দেয়, জান্নাতের হুরেরা বলেন “ তোমার স্বামীকে কষ্ট দিওনা । তিনি তোমার কাছে সাময়িক মেহমান মাত্র । তোমাকে ছেড়ে অচিরেই আমাদের কাছে ফিরে আসবে ।”
তিরমিযি ১১৭৪
ইব্নে মাজাহ ২০১৪
*** মা- বাবা সহ সকলের মৃত্যুতে শোক পালন হচ্ছে মাত্র ৩ দিন পর্যন্ত । পক্ষান্তরে স্বামীর মৃত্যুতে শোক পালন করতে হবে ৪ মাস ১০ দিন ।
সূরা আল বাক্বারা ২৩৪
ছহীহুল বোখারি ১২৮০
ছহীহ মুসলিম ৩৮০২
••• স্ত্রীর সাথে মিলনের জন্য কি তাঁর অনুমতি নেয়া প্রয়োজন ?
*** মহানবী সা: বলেছেন “ স্বামী যখন তাঁর স্ত্রীকে দৈহিক প্রয়োজনে আহবান করবে, সে যেনো স্বামীর কাছে অত্যন্ত দ্রুত চলে আসে । এমনকি সে রান্না ঘরে রুটি পাকানোর কাজে ব্যস্ত থাকলেও ।”
সুনানে তিরমিযি ১১৬০
ছহীহুল জামে ৫৩৪
*** মহানবী সা: বলেছেন “ যে স্ত্রী স্বামীর ডাকে সাঁড়া না দেয় এবং স্বামী রাগান্বিত অবস্হায় সারারাত একাকী কাটায়, সে স্ত্রীর উপর ফিরিশ্তারা সকাল পর্যন্ত লা’নত দিতে থাকে ।”
ছহীহুল বোখারি ৫১৯৩
ছহীহ মুসলিম ১৪৩৬
সুনানে আবু দাউদ ২১৪১
নাসাঈ
*** মহানবী সা: বলেছেন “ তিন ব্যক্তির নামাজ তাঁদের মাথা অতিক্রম করেনা অর্থাৎ কবুল হয়না । তন্মধ্যে একজন হলেন অবাধ্য স্ত্রী , যে স্বামীর ডাকে সাঁড়া দেয়না এবং স্বামী রাগান্বিত অবস্হায় ঘুমায় ।”
তাবরানী ১০৮৬
সুনানে তিরমিযি ৩৬০
হাকেম
সিলসিলা ছহীহা ২৮৮
*** মহানবী সা: বলেছেন “ স্বামীর অনুমতি ব্যতিরেকে নফল রোজা রাখা যাবেনা এবং স্বামীর অপছন্দ ব্যক্তিকে ঘরে প্রবেশ করানো যাবেনা ।”
ছহীহুল বোখারি ৫১৯৫
ছহীহ মুসলিম ২৪১৭
দারেমী ১৭২০
সিলসিলা আহাদিসুস ছহীহা ৩৯৫
*** মহানবী সা: বলেছেন “ পরকালে আল্লাহপাক স্বামীর প্রতি অকৃতজ্ঞ স্ত্রীর দিকে তাকাবেন না ।”
নাসাঈ কুবরা ৯১৩৫
বাযযার ২৩৪৯
তাবরানী
হাকেম ২৭৭১
বাইহাক্বী ১৪৪৯৭
সিলসিলাহ ছহীহা ২৮৯
*** মহানবী সা: বলেছেন “ কোন স্ত্রী যদি তাঁর স্বামীর অধিকার সম্পর্কে জানতো, দিনে বা রাতের খাবার শেষ করে স্বামীর পাশে সারাক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতো ।”
ছহীহুল জামে ৫২৫৯
তাবরানী
*** মহানবী সা: বলেছেন “ স্বামীর অবাধ্য স্ত্রীর জন্য জান্নাত হারাম ।”
মুসনাদে আহমদ ১৯০০৩
নাসাঈ
হাকিম
বায়হাক্বী
*** মহানবী সা: বলেছেন “ যে স্ত্রী তাঁর স্বামীকে কষ্ট দেয়, জান্নাতের হুরেরা বলেন “ তোমার স্বামীকে কষ্ট দিওনা । তিনি তোমার কাছে সাময়িক মেহমান মাত্র । তোমাকে ছেড়ে অচিরেই আমাদের কাছে ফিরে আসবে ।”
তিরমিযি ১১৭৪
ইব্নে মাজাহ ২০১৪
*** মা- বাবা সহ সকলের মৃত্যুতে শোক পালন হচ্ছে মাত্র ৩ দিন পর্যন্ত । পক্ষান্তরে স্বামীর মৃত্যুতে শোক পালন করতে হবে ৪ মাস ১০ দিন ।
সূরা আল বাক্বারা ২৩৪
ছহীহুল বোখারি ১২৮০
ছহীহ মুসলিম ৩৮০২
এখন অনেক পরিবার চাই সাধ্যের মধ্যে ভালো মানের গাড়ি কিনতে। তবে, টাকা দিয়ে গাড়ি কেনার আগে কিছু জিনিস অবশ্যই আপনার জানা জরুরী। চলুন জেনে নেয়া যাক সেই ব্যাপারগুলো কী সম্পর্কে।
💰 আপনার বাজেট
বাজেটের ব্যাপারে শুরুতেই একটু সতর্ক থাকতে হবে। গাড়ি কেনার আগে প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র, ভ্যাট-ট্যাক্স আর আনুষঙ্গিক যাবতীয় খরচ মিলিয়ে মোট বাজেট ঠিক করতে হবে। ব্যাংক লোন নিয়ে কিনতে চাইলে ব্যাংকের যাবতীয় খরচও মাথায় রাখতে হবে। এসকল কিছু মাথায় রেখে হিসাব করে দেখতে হবে বাজেট আসলে কত হওয়া দরকার। তারপর যাবতীয় সিদ্ধান্ত নিন আপনার বাজেটকে সামনে রেখে।
📌প্রাথমিক খরচ
গাড়ির মূল্য বাবদ মূল টাকা (যদি এককালীন কিনতে চান)
ডাউন পেমেন্ট (যদি ব্যাংক লোন বা কিস্তিতে কিনতে চান)
লাইসেন্স ও দরকারী কাগজ পত্র
অন্যান্য কাগজপত্র
ইন্স্যুরেন্স কাগজপত্র
📌মাসিক খরচ
গাড়ির কিস্তি
ড্রাইভারের বেতন (যদি ড্রাইভার রাখতে চান)
পার্কিং খরচ
জ্বালানি খরচ
মেইন্টেন্যান্স
ইন্স্যুরেন্স ফি
📌বাৎসরিক খরচ
লাইসেন্স নবায়ন
গাড়ি সম্পর্কিত ট্যাক্স অথবা ভ্যাট
📌গাড়ির ধরন
বাজেট ঠিকঠাক হয়ে গেলে কী ধরনের গাড়ি আপনি কিনতে চান সেটা ঠিক করতে হবে। নতুন গাড়ি নাকি ব্যবহৃত বা সেকেন্ড হ্যান্ড গাড়ি কিনবেন সিদ্ধান্ত নিন। ব্যক্তিগত গাড়ি নাকি পারিবারিক গাড়ি। গঠন কেমন হবে, রঙ কেমন হবে ইত্যাদি। কারণ ব্র্যান্ড ভেদে অনেক সময় ছোট গাড়ি অনেক দামী হয় আবার বড় গাড়িও কম দামে পাওয়া যায়। তাই আগে থেকেই ঠিক করে নেয়া ভালো। কারণ বাজেট মেলানোর একটি ব্যাপার থেকেই যায়।
আবার, আপনি যে উদ্দেশ্যে গাড়ি কিনছেন সেটা পূরণ হবে কিনা। যেমন অনেকে অফিস যাওয়া আসার সুবিধার জন্য গাড়ি কেনেন। অনেকে পারিবারিক কাজের জন্য কেনেন আবার অনেকে শখের বশে কিনে থাকে। কোন উদ্দেশ্যে কিনছেন সেটা জানতে হবে আগে থেকেই।
📌কাস্টমার রিভিউ
কাস্টমার রিভিউ খুব গুরুত্ববহ। আগে যারা গাড়ি কিনেছে তাদের রিভিউগুলো অ্যানালাইসিস করেও অনেকটা ধারণা পাওয়া যাবে। কেনার পর সমস্যা দেখা দেয় কিনা সেটাও লক্ষ্য রাখতে হবে। ইঞ্জিন কেমন সাপোর্ট দিচ্ছে। মাইলেজ কেমন পাচ্ছে। কন্ট্রোল কেমন। এসমস্ত কিছু সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে রিভিউগুলো থেকে।
📌যন্ত্রাংশের সহজলভ্যতা
গাড়ি কিনলেন, কিন্তু কিছুদিন পর দেখলেন একটি ছোট পার্ট নষ্ট হয়ে গেছে এবং হয়তো সেটা খুব একটা পাওয়া যায় না। এই সামান্য কিছুর জন্য আপনার গাড়ি অকেজো হয়ে পড়ে থাকতে পারে। তাই কোন কোম্পানির গাড়ির যন্ত্রাংশ বাজারে খুব সহজেই পাওয়া যাচ্ছে আর ভবিষ্যতেও পাওয়া যাবে সেটা সম্পর্কে জেনে নিন।
📌বিক্রি করলে দাম কেমন
গাড়ি কেনার সময় বিক্রির কথাও ভাবেন অনেক ক্রেতা। কয়েক বছর ব্যবহারের পরে বিক্রি করতে চাইলে কোন গাড়ির দাম কত পাওয়া যেতে পারে, তা চিন্তা করেও অনেক ক্রেতা কোন কোম্পানির গাড়ি কিনবেন, তা ঠিক করেন। পুরোনো গাড়ি বেচাকেনায় বাংলাদেশে টয়োটা গাড়ির বাজারই সবচেয়ে ভালো। কারণ, দেশের বাজারে এই ব্র্যান্ডের গাড়ির যন্ত্রাংশই অধিকতর সহজলভ্য।
💰 আপনার বাজেট
বাজেটের ব্যাপারে শুরুতেই একটু সতর্ক থাকতে হবে। গাড়ি কেনার আগে প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র, ভ্যাট-ট্যাক্স আর আনুষঙ্গিক যাবতীয় খরচ মিলিয়ে মোট বাজেট ঠিক করতে হবে। ব্যাংক লোন নিয়ে কিনতে চাইলে ব্যাংকের যাবতীয় খরচও মাথায় রাখতে হবে। এসকল কিছু মাথায় রেখে হিসাব করে দেখতে হবে বাজেট আসলে কত হওয়া দরকার। তারপর যাবতীয় সিদ্ধান্ত নিন আপনার বাজেটকে সামনে রেখে।
📌প্রাথমিক খরচ
গাড়ির মূল্য বাবদ মূল টাকা (যদি এককালীন কিনতে চান)
ডাউন পেমেন্ট (যদি ব্যাংক লোন বা কিস্তিতে কিনতে চান)
লাইসেন্স ও দরকারী কাগজ পত্র
অন্যান্য কাগজপত্র
ইন্স্যুরেন্স কাগজপত্র
📌মাসিক খরচ
গাড়ির কিস্তি
ড্রাইভারের বেতন (যদি ড্রাইভার রাখতে চান)
পার্কিং খরচ
জ্বালানি খরচ
মেইন্টেন্যান্স
ইন্স্যুরেন্স ফি
📌বাৎসরিক খরচ
লাইসেন্স নবায়ন
গাড়ি সম্পর্কিত ট্যাক্স অথবা ভ্যাট
📌গাড়ির ধরন
বাজেট ঠিকঠাক হয়ে গেলে কী ধরনের গাড়ি আপনি কিনতে চান সেটা ঠিক করতে হবে। নতুন গাড়ি নাকি ব্যবহৃত বা সেকেন্ড হ্যান্ড গাড়ি কিনবেন সিদ্ধান্ত নিন। ব্যক্তিগত গাড়ি নাকি পারিবারিক গাড়ি। গঠন কেমন হবে, রঙ কেমন হবে ইত্যাদি। কারণ ব্র্যান্ড ভেদে অনেক সময় ছোট গাড়ি অনেক দামী হয় আবার বড় গাড়িও কম দামে পাওয়া যায়। তাই আগে থেকেই ঠিক করে নেয়া ভালো। কারণ বাজেট মেলানোর একটি ব্যাপার থেকেই যায়।
আবার, আপনি যে উদ্দেশ্যে গাড়ি কিনছেন সেটা পূরণ হবে কিনা। যেমন অনেকে অফিস যাওয়া আসার সুবিধার জন্য গাড়ি কেনেন। অনেকে পারিবারিক কাজের জন্য কেনেন আবার অনেকে শখের বশে কিনে থাকে। কোন উদ্দেশ্যে কিনছেন সেটা জানতে হবে আগে থেকেই।
📌কাস্টমার রিভিউ
কাস্টমার রিভিউ খুব গুরুত্ববহ। আগে যারা গাড়ি কিনেছে তাদের রিভিউগুলো অ্যানালাইসিস করেও অনেকটা ধারণা পাওয়া যাবে। কেনার পর সমস্যা দেখা দেয় কিনা সেটাও লক্ষ্য রাখতে হবে। ইঞ্জিন কেমন সাপোর্ট দিচ্ছে। মাইলেজ কেমন পাচ্ছে। কন্ট্রোল কেমন। এসমস্ত কিছু সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে রিভিউগুলো থেকে।
📌যন্ত্রাংশের সহজলভ্যতা
গাড়ি কিনলেন, কিন্তু কিছুদিন পর দেখলেন একটি ছোট পার্ট নষ্ট হয়ে গেছে এবং হয়তো সেটা খুব একটা পাওয়া যায় না। এই সামান্য কিছুর জন্য আপনার গাড়ি অকেজো হয়ে পড়ে থাকতে পারে। তাই কোন কোম্পানির গাড়ির যন্ত্রাংশ বাজারে খুব সহজেই পাওয়া যাচ্ছে আর ভবিষ্যতেও পাওয়া যাবে সেটা সম্পর্কে জেনে নিন।
📌বিক্রি করলে দাম কেমন
গাড়ি কেনার সময় বিক্রির কথাও ভাবেন অনেক ক্রেতা। কয়েক বছর ব্যবহারের পরে বিক্রি করতে চাইলে কোন গাড়ির দাম কত পাওয়া যেতে পারে, তা চিন্তা করেও অনেক ক্রেতা কোন কোম্পানির গাড়ি কিনবেন, তা ঠিক করেন। পুরোনো গাড়ি বেচাকেনায় বাংলাদেশে টয়োটা গাড়ির বাজারই সবচেয়ে ভালো। কারণ, দেশের বাজারে এই ব্র্যান্ডের গাড়ির যন্ত্রাংশই অধিকতর সহজলভ্য।
স্ত্রীর বাকি মোহর কিভাবে পরিশোধ করবেন??
আমাদের দেশে মোহর নিয়ে অনেক অনৈসলামিক দর্শন প্রচলিত আছে। আর সেগুলোর অধিকাংশই পুরুষদের ফাঁসানোর জন্য আর কিছু অংশ নারী ঠকানোর জন্য।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে উলটা-পালটা বুঝিয়ে পাত্রের বিয়ের দিন যা দেওয়ার সামর্থ্য থাকে তার কয়েকগুণ অতিরিক্ত নিকাহনামাতে লিখা হয়।
আবার কিছু মানুষ স্ত্রীকে ঠকানোর জন্য শুধু লিখে রাখেন।
যাই হোক, বিয়ের পরে সামর্থ্যবান হলে বা জ্ঞান-বুদ্ধি হলে বা আল্লাহ সঠিক বুঝ দান করলে অনেকেই স্ত্রীকে বাকি মোহর পরিশোধ করে দিতে চান। কিন্তু কিভাবে পরিশোধ করবেন? এখন সম্পর্ক ভালো চলছে, ভালোবাসার সাগরে হাবুডুবু খাচ্ছেন এজন্য এমনি এমনি বিনা ডকুমেন্টে হাতে ধরিয়ে দিলেন কিন্তু পরবর্তীতে বাঁ/শ খাবেন না তার গ্যারান্টি কি? পরবর্তীতে মামলা-মোকদ্দমার হাত থেকে বাঁচার জন্য কি কি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে সেটা নিয়েই আমার লিখা...
বাকি মোহর পরিশোধের প্রমাণ রাখার জন্য আমাদের দেশে কিছু মতবাদ প্রচলিত আছে।
যেমন -
অনেকে বলে ব্যাংক ট্রান্সফার করলেই এনাফ।
আবার ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট/নোটারি পাবলিক এর মাধ্যমে এফিডেভিট করলেই কাহিনী শেষ।
স্ত্রীসহ স্ত্রীর ফ্যামিলির সবার নিকট থেকে স্বীকারোক্তিমূলক ছবি তুলে বা ভিডিও করে রাখতে।
আসলে যত কিছুই করেন কিন্তু কোনোটিই আপনাকে শতভাগ সিকিউরিটি দেয় না। পরবর্তীতে কোনো ঝামেলার জের ধরে স্ত্রী নিকাহনামা দেখিয়ে দেন মোহর মামলা করে দিলে আপনাকে আবার সেই টাকা দিতে হতে পারে। এমন ঘটনাও আমি শুনেছি নিজ কানে। মামলা করে আবার টাকা হাতিয়েছে এফিডেভিট থাকার পরেও। কেননা নিকাহনামায় উসুল না থাকলে সেটা গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ মোহর দেওয়ার নিয়ম বিয়ের দিন। আর নিকাহনামা বিয়ের দিন বা পরে করা হয়।
আর নিকাহনামার 14 নং কলামে মুয়াজ্জল এবং মু'অজ্জল অংশ চেক করুন। মুয়াজ্জল পরিশোধ করতে পারবেন কিন্তু মু'অজ্জল পারবেন না।
মু'অজ্জল বা বিলম্বিত দেন মোহর হচ্ছে, দেন মোহরের যে অংশটুকু স্বামীর মৃত্যুর পর কিংবা স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদ বা তালাকের পর স্ত্রী পেয়ে থাকে। আরও পরিস্কার করে বলা যায় যে, আইন অনুযায়ী কেবলমাত্র দুইটি পরিস্থিতিতে বিলম্বিত মোহর স্ত্রী দাবি করতে পারেন। - স্বামীর মৃত্যু, তালাক
তাহলে স্ত্রীকে বাকি মোহর পরিশোধ করার সবচেয়ে নিরাপদ সমাধান হলো,
আপনার স্ত্রীকে বলুন একটি দেন মোহর মামলা করতে। আর মামলা করতে হবে পারিবারিক আদালতে।
Section 5(c) of The Family Courts Ordinance, 1985
তারপর আপনার স্ত্রীর সাথে মিউচুয়ালি এককালীন অথবা প্রতি মাসে ব্যাংক ট্রান্সফার করতে হবে "মুয়াজ্জল দেন মোহর বাবদ" শব্দগুলো রেফারেন্স দিয়ে। তারপর প্রতি মাসে আদালতে স্টেটমেন্ট জমা দিবেন। তবে স্বর্ণ, বাজারে মূল্য আছে এমন অন্যান্য জিনিস, নগদ টাকাও সরাসরি আদালতে দিতে পারেন - আপনাদের ইচ্ছা। তবে জমি বা অন্য প্রোপার্টি দিলে তার ডকুমেন্টস অবশ্যই দেখাতে হবে।
এভাবে সুস্থ এবং পরিকল্পনা করে আল্লাহর নাম নিয়ে পদক্ষেপ নিলে পরবর্তীতে মামলা-মোকদ্দমার হাত থেকে বেঁচে যেতে পারেন ইনশাআল্লাহ 👌🔥
✍️ কলমে - Mahdin Habib
আমাদের দেশে মোহর নিয়ে অনেক অনৈসলামিক দর্শন প্রচলিত আছে। আর সেগুলোর অধিকাংশই পুরুষদের ফাঁসানোর জন্য আর কিছু অংশ নারী ঠকানোর জন্য।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে উলটা-পালটা বুঝিয়ে পাত্রের বিয়ের দিন যা দেওয়ার সামর্থ্য থাকে তার কয়েকগুণ অতিরিক্ত নিকাহনামাতে লিখা হয়।
আবার কিছু মানুষ স্ত্রীকে ঠকানোর জন্য শুধু লিখে রাখেন।
যাই হোক, বিয়ের পরে সামর্থ্যবান হলে বা জ্ঞান-বুদ্ধি হলে বা আল্লাহ সঠিক বুঝ দান করলে অনেকেই স্ত্রীকে বাকি মোহর পরিশোধ করে দিতে চান। কিন্তু কিভাবে পরিশোধ করবেন? এখন সম্পর্ক ভালো চলছে, ভালোবাসার সাগরে হাবুডুবু খাচ্ছেন এজন্য এমনি এমনি বিনা ডকুমেন্টে হাতে ধরিয়ে দিলেন কিন্তু পরবর্তীতে বাঁ/শ খাবেন না তার গ্যারান্টি কি? পরবর্তীতে মামলা-মোকদ্দমার হাত থেকে বাঁচার জন্য কি কি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে সেটা নিয়েই আমার লিখা...
বাকি মোহর পরিশোধের প্রমাণ রাখার জন্য আমাদের দেশে কিছু মতবাদ প্রচলিত আছে।
যেমন -
অনেকে বলে ব্যাংক ট্রান্সফার করলেই এনাফ।
আবার ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট/নোটারি পাবলিক এর মাধ্যমে এফিডেভিট করলেই কাহিনী শেষ।
স্ত্রীসহ স্ত্রীর ফ্যামিলির সবার নিকট থেকে স্বীকারোক্তিমূলক ছবি তুলে বা ভিডিও করে রাখতে।
আসলে যত কিছুই করেন কিন্তু কোনোটিই আপনাকে শতভাগ সিকিউরিটি দেয় না। পরবর্তীতে কোনো ঝামেলার জের ধরে স্ত্রী নিকাহনামা দেখিয়ে দেন মোহর মামলা করে দিলে আপনাকে আবার সেই টাকা দিতে হতে পারে। এমন ঘটনাও আমি শুনেছি নিজ কানে। মামলা করে আবার টাকা হাতিয়েছে এফিডেভিট থাকার পরেও। কেননা নিকাহনামায় উসুল না থাকলে সেটা গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ মোহর দেওয়ার নিয়ম বিয়ের দিন। আর নিকাহনামা বিয়ের দিন বা পরে করা হয়।
আর নিকাহনামার 14 নং কলামে মুয়াজ্জল এবং মু'অজ্জল অংশ চেক করুন। মুয়াজ্জল পরিশোধ করতে পারবেন কিন্তু মু'অজ্জল পারবেন না।
মু'অজ্জল বা বিলম্বিত দেন মোহর হচ্ছে, দেন মোহরের যে অংশটুকু স্বামীর মৃত্যুর পর কিংবা স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদ বা তালাকের পর স্ত্রী পেয়ে থাকে। আরও পরিস্কার করে বলা যায় যে, আইন অনুযায়ী কেবলমাত্র দুইটি পরিস্থিতিতে বিলম্বিত মোহর স্ত্রী দাবি করতে পারেন। - স্বামীর মৃত্যু, তালাক
তাহলে স্ত্রীকে বাকি মোহর পরিশোধ করার সবচেয়ে নিরাপদ সমাধান হলো,
আপনার স্ত্রীকে বলুন একটি দেন মোহর মামলা করতে। আর মামলা করতে হবে পারিবারিক আদালতে।
Section 5(c) of The Family Courts Ordinance, 1985
তারপর আপনার স্ত্রীর সাথে মিউচুয়ালি এককালীন অথবা প্রতি মাসে ব্যাংক ট্রান্সফার করতে হবে "মুয়াজ্জল দেন মোহর বাবদ" শব্দগুলো রেফারেন্স দিয়ে। তারপর প্রতি মাসে আদালতে স্টেটমেন্ট জমা দিবেন। তবে স্বর্ণ, বাজারে মূল্য আছে এমন অন্যান্য জিনিস, নগদ টাকাও সরাসরি আদালতে দিতে পারেন - আপনাদের ইচ্ছা। তবে জমি বা অন্য প্রোপার্টি দিলে তার ডকুমেন্টস অবশ্যই দেখাতে হবে।
এভাবে সুস্থ এবং পরিকল্পনা করে আল্লাহর নাম নিয়ে পদক্ষেপ নিলে পরবর্তীতে মামলা-মোকদ্দমার হাত থেকে বেঁচে যেতে পারেন ইনশাআল্লাহ 👌🔥
✍️ কলমে - Mahdin Habib
অতিরিক্ত সম্পর্ক মানসিক চাপের কারন তাই আত্মীয়, বন্ধু, প্রতিবেশী, সকলের সাথে সীমিত সম্পর্ক রাখুন। সম্পর্ক যত ব্যাপক হবে আপনি ততটাই পেরেশানির সম্মুখীন হবেন!!
বাংলাদেশ ভূমি আইন অনুযায়ি জমির দলিল মোট ৯ প্রকার। যথাঃ-
(১) সাফ-কবলা দলিল;
(২) দানপত্র দলিল;
(৩) হেবা দলিল;
(৪) হেবা বিল এওয়াজ দলিল;
(৫) এওয়াজ দলিল;
(৬) বন্টন নামা দলিল;
(৭) অছিয়তনামা দলিল;
(৮) উইল দলিল; ও
(৯) নাদাবি দলিল বা মুক্তি নামা দলিল।
১) সাফ-কবলা দলিল
কোন ব্যক্তি তাহার সম্পত্তি অন্যের নিকট বিক্রয় করে যে দলিল সম্পাদন ও রেজিষ্টারী করে দেন তাকে সাফ-কবালা বা বিক্রয় কবলা বা খরিদা কবলা বলা হয়। এই কবলা নির্ধারিত দলিল ষ্ট্যাম্পে লিখার পর দলিল দাতা অর্থাৎ বিক্রেতা সাবরেজিষ্টারী অফিসে উপস্থিত হয়ে দলিল সহি সম্পাদন করে গ্রহিতা অর্থাৎ খরিদ্দারের বরাবরে রেজিষ্টারী করে দিবেন। এই দলিল রেজিষ্টারী হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দলিলের তফছিলে লিখিত অর্থাৎ বিক্রিত ভূমির যাবতীয় স্বত্ব দলিল দাতা হতে বিলুপ্ত হয়ে দলিল গ্রহিতাতে অর্থাৎ খরিদ্দারের উপর অর্পিত হলো। দলিলদাতা ময় ওয়ারিশানক্রমে উক্ত জমি হতে নিঃস্বত্ববান হলেন।
২) দানপত্র দলিল
যে কোন সম্প্রদায়ের যে কোন ব্যক্তি তার সম্পত্তি দান করতে পারেন। এই দানপত্র দলিলে শর্তবিহীন অবস্থায় সকল প্রকার ক্ষমতা প্রদানের দান করতে হবে। স্বত্ব সম্পন্ধে দাতার কোন প্রকার দাবী থাকলে দানপত্র শুদ্ধ হবে না।
৩) হেবা দলিল
মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য এই হেবা অর্থাৎ দানপত্র দলিল, এই দলিল কোনকিছুর বিনিময়ে নয়, কেবলমাত্র সন্তুষ্ট হয়ে এইরূপ দান করা হয়। কিন্তু এই হেবা সর্তবিহীন অবস্থায় দান বিক্রয়, কট রেহান ও রূপান্তর ইত্যাদি সকল ক্ষমতা প্রদানে দান বা হেবা করতে হবে। স্বত্ব সম্বন্ধে দাতার কোনরূপ দাবী থাকলে সেই দান বা হেবা শুদ্ধ হবে না এবং তা যে কোন সময় বাতিলযোগ্য। এরূপ দানপত্রে দাতার কোন স্বার্থ সংরক্ষিত থাকবে না।
৪) হেবা বিল এওয়াজ
এই হেবা বিল এওয়াজ মুসলিম সম্প্রদায়ের একটি দানপত্র দলিল এই দানও সন্তুষ্ট হয়ে করা হয় বটে। কিন্তু ইহা কোন কিছুর বিনিময়ে হয়ে থাকে, যেমন- পবিত্র কোরআন, জায়নামাজ, তছবিহ, মোহরানার টাকা, এমন কি যে কোন জিনিষের বিনিময়েও হতে পারে, যেমন আংটি ইত্যাদি। এই হেবা বিল এওয়াজ দলিল সম্পূর্ণ শর্তবিহীন অবস্থায় গ্রহিতা যাবতীয় হস্তান্তর ও রূপান্তরের সকল প্রকার ক্ষমতার অধিকারী হবে এবং দাতার যাবতীয় স্বত্ব গ্রহিতাতে অর্পিত হবে। দাতার স্বার্থে কোন প্রকার স্বত্ব দাতার জন্য সংরক্ষিত থাকলে দলিল শুদ্ধ হবে না। এই হেবা বিল এওয়াজ অবশ্যই রেজিষ্টারী হতে হবে। এই হেবা বিল এওয়াজ যদি টাকা বিনিময়ে হয় এবং ক্রমিক ওয়ারিশী সূত্রে আগে পরে তিন ধাপের পরের ব্যক্তিকে বা তৃতীয় ব্যক্তিকে হেবা বিল এওয়াজ মুলে দান করে থাকে তা হলে শরীক কর্তৃক জানার তারিখ হতে ৪ মাসের মধ্যে প্রিয়েমশান করতে পারে।
৫) এওয়াজ দলিল
যে কোন সম্প্রদায়ের বা একই সম্প্রদায়ের বা একই বংশের বা কোন ব্যক্তি যে কোন ব্যক্তির সহিত তাহাদের লপ্ত ও সুবিধা মত একের ভূমি অপরকে দিতে পারেন অর্থাৎ পরস্পর এওয়াজ পরিবর্তন সরতে পারেন। এই দলিল অবশ্যই রেজিষ্টারী হতে হবে।
এওয়াজ পরিবর্তন দলিলের একটা ব্যাখ্যা দেওয়া হলো: ক এর জমি খ এর বাড়ীর নিকট এবং খ এর জমি ক এর বাড়ীর নিকট। উভয়ের জমিই উভয়ের বেলপ্ত। কাজেই ক তার জমি খ কে এবং তার জমি ক কে দিয়ে উভয়ে একটি দলিল সম্পাদন করে রেজিষ্টারী করে নিল। একেই এওয়াজ পরিবর্তন দলিল বলে। এই দলিলের কেহ প্রিয়েমশান করতে পারে না।
৬) বন্টনমানা দলিল
শরিকগণের মধ্যে সম্পত্তি ক্রমে নিজ নিজ ছাহাম প্রাপ্ত হয়ে উক্ত ছাহামের বাবদ যে দলিল করতে হয় তাকে বন্টননামা দলিল বলে। একই সম্পত্তিতে মালিক একই বংশের লোককে সাধারণত শরিক বলা হয়। শরিক দুই প্রকারের, যথা- উত্তরাধিকার সূত্রে শরিক ও কোন শরিক হতে খরিদ সূত্রে শরিক। ইংরেজীতে বলা হয় কো-শেয়ারার বাই ইনহেরিটেন্স এন্ড কো-শেয়ারার বাই পারচেজ। বন্টননামা দলিল করবার সময় সকল শরিকগণ দলিলে পক্ষভুক্ত থেকে ও দস্তখত করে বন্টননামা দলিল করতে হবে। কোন একজন শরিক বাদ থাকলে বন্টননামা শুদ্ধ হবেনা। বন্টননামা দলিল রেজিষ্টারী করতে হবে কিন্তু ঘরোয়াভাবে বন্টন করে সকল পক্ষগণ যদি বন্টননামা দলিলে দস্তখত করে থাকেন তা হলেও বন্টননামা কার্যকরী হতে পারে। যদি শরিকগণ আপোষ মতে বন্টন করতে রাজী না হন তাহলে যে কোন শরিক বন্টনের জন্য আদালতে নালিশ করতে পারেন।
৭) অছিয়তনামা দলিল
কোন ব্যক্তি তার সম্পত্তি কাউকে বা তার উত্তরাধিকারীদের মধ্যে অছিয়তকারী ব্যক্তির উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সকলকে না দিয়ে যদি একজনকে বা কোন তৃতীয় ব্যক্তিকে প্রদান করে থাকেন এবং অছিয়তকারীর মৃত্যুর পর যদি তাহার উত্তরাধিকারীগণ দাবী উত্থাপন করেন তাহলে যাকে সম্পত্তি অছিয়ত করা হলো সেই ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির এক তৃতীয়াংশ পাবে এবং অবশিষ্ট দুই তৃতীয়াংশের মালিক উত্তরাধিকারী দের মধ্যে সকলেই হবেন।
৮) উইল দলিল
হিন্দু সম্প্রদায়ের লোক তাদের নিজস্ব সম্পত্তি তাদের আত্মীয়দের মধ্যে যাকে ইচ্ছা উইল করে দিতে পারেন। যিনি উইল করলেন তিনি জীবিত কালে একের অধিক উইল করতে পারেন। কিন্তু সর্বশেষ যে উইল করলেন কেবল ঐটাই কার্যকরী হবে।
(১) সাফ-কবলা দলিল;
(২) দানপত্র দলিল;
(৩) হেবা দলিল;
(৪) হেবা বিল এওয়াজ দলিল;
(৫) এওয়াজ দলিল;
(৬) বন্টন নামা দলিল;
(৭) অছিয়তনামা দলিল;
(৮) উইল দলিল; ও
(৯) নাদাবি দলিল বা মুক্তি নামা দলিল।
১) সাফ-কবলা দলিল
কোন ব্যক্তি তাহার সম্পত্তি অন্যের নিকট বিক্রয় করে যে দলিল সম্পাদন ও রেজিষ্টারী করে দেন তাকে সাফ-কবালা বা বিক্রয় কবলা বা খরিদা কবলা বলা হয়। এই কবলা নির্ধারিত দলিল ষ্ট্যাম্পে লিখার পর দলিল দাতা অর্থাৎ বিক্রেতা সাবরেজিষ্টারী অফিসে উপস্থিত হয়ে দলিল সহি সম্পাদন করে গ্রহিতা অর্থাৎ খরিদ্দারের বরাবরে রেজিষ্টারী করে দিবেন। এই দলিল রেজিষ্টারী হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দলিলের তফছিলে লিখিত অর্থাৎ বিক্রিত ভূমির যাবতীয় স্বত্ব দলিল দাতা হতে বিলুপ্ত হয়ে দলিল গ্রহিতাতে অর্থাৎ খরিদ্দারের উপর অর্পিত হলো। দলিলদাতা ময় ওয়ারিশানক্রমে উক্ত জমি হতে নিঃস্বত্ববান হলেন।
২) দানপত্র দলিল
যে কোন সম্প্রদায়ের যে কোন ব্যক্তি তার সম্পত্তি দান করতে পারেন। এই দানপত্র দলিলে শর্তবিহীন অবস্থায় সকল প্রকার ক্ষমতা প্রদানের দান করতে হবে। স্বত্ব সম্পন্ধে দাতার কোন প্রকার দাবী থাকলে দানপত্র শুদ্ধ হবে না।
৩) হেবা দলিল
মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য এই হেবা অর্থাৎ দানপত্র দলিল, এই দলিল কোনকিছুর বিনিময়ে নয়, কেবলমাত্র সন্তুষ্ট হয়ে এইরূপ দান করা হয়। কিন্তু এই হেবা সর্তবিহীন অবস্থায় দান বিক্রয়, কট রেহান ও রূপান্তর ইত্যাদি সকল ক্ষমতা প্রদানে দান বা হেবা করতে হবে। স্বত্ব সম্বন্ধে দাতার কোনরূপ দাবী থাকলে সেই দান বা হেবা শুদ্ধ হবে না এবং তা যে কোন সময় বাতিলযোগ্য। এরূপ দানপত্রে দাতার কোন স্বার্থ সংরক্ষিত থাকবে না।
৪) হেবা বিল এওয়াজ
এই হেবা বিল এওয়াজ মুসলিম সম্প্রদায়ের একটি দানপত্র দলিল এই দানও সন্তুষ্ট হয়ে করা হয় বটে। কিন্তু ইহা কোন কিছুর বিনিময়ে হয়ে থাকে, যেমন- পবিত্র কোরআন, জায়নামাজ, তছবিহ, মোহরানার টাকা, এমন কি যে কোন জিনিষের বিনিময়েও হতে পারে, যেমন আংটি ইত্যাদি। এই হেবা বিল এওয়াজ দলিল সম্পূর্ণ শর্তবিহীন অবস্থায় গ্রহিতা যাবতীয় হস্তান্তর ও রূপান্তরের সকল প্রকার ক্ষমতার অধিকারী হবে এবং দাতার যাবতীয় স্বত্ব গ্রহিতাতে অর্পিত হবে। দাতার স্বার্থে কোন প্রকার স্বত্ব দাতার জন্য সংরক্ষিত থাকলে দলিল শুদ্ধ হবে না। এই হেবা বিল এওয়াজ অবশ্যই রেজিষ্টারী হতে হবে। এই হেবা বিল এওয়াজ যদি টাকা বিনিময়ে হয় এবং ক্রমিক ওয়ারিশী সূত্রে আগে পরে তিন ধাপের পরের ব্যক্তিকে বা তৃতীয় ব্যক্তিকে হেবা বিল এওয়াজ মুলে দান করে থাকে তা হলে শরীক কর্তৃক জানার তারিখ হতে ৪ মাসের মধ্যে প্রিয়েমশান করতে পারে।
৫) এওয়াজ দলিল
যে কোন সম্প্রদায়ের বা একই সম্প্রদায়ের বা একই বংশের বা কোন ব্যক্তি যে কোন ব্যক্তির সহিত তাহাদের লপ্ত ও সুবিধা মত একের ভূমি অপরকে দিতে পারেন অর্থাৎ পরস্পর এওয়াজ পরিবর্তন সরতে পারেন। এই দলিল অবশ্যই রেজিষ্টারী হতে হবে।
এওয়াজ পরিবর্তন দলিলের একটা ব্যাখ্যা দেওয়া হলো: ক এর জমি খ এর বাড়ীর নিকট এবং খ এর জমি ক এর বাড়ীর নিকট। উভয়ের জমিই উভয়ের বেলপ্ত। কাজেই ক তার জমি খ কে এবং তার জমি ক কে দিয়ে উভয়ে একটি দলিল সম্পাদন করে রেজিষ্টারী করে নিল। একেই এওয়াজ পরিবর্তন দলিল বলে। এই দলিলের কেহ প্রিয়েমশান করতে পারে না।
৬) বন্টনমানা দলিল
শরিকগণের মধ্যে সম্পত্তি ক্রমে নিজ নিজ ছাহাম প্রাপ্ত হয়ে উক্ত ছাহামের বাবদ যে দলিল করতে হয় তাকে বন্টননামা দলিল বলে। একই সম্পত্তিতে মালিক একই বংশের লোককে সাধারণত শরিক বলা হয়। শরিক দুই প্রকারের, যথা- উত্তরাধিকার সূত্রে শরিক ও কোন শরিক হতে খরিদ সূত্রে শরিক। ইংরেজীতে বলা হয় কো-শেয়ারার বাই ইনহেরিটেন্স এন্ড কো-শেয়ারার বাই পারচেজ। বন্টননামা দলিল করবার সময় সকল শরিকগণ দলিলে পক্ষভুক্ত থেকে ও দস্তখত করে বন্টননামা দলিল করতে হবে। কোন একজন শরিক বাদ থাকলে বন্টননামা শুদ্ধ হবেনা। বন্টননামা দলিল রেজিষ্টারী করতে হবে কিন্তু ঘরোয়াভাবে বন্টন করে সকল পক্ষগণ যদি বন্টননামা দলিলে দস্তখত করে থাকেন তা হলেও বন্টননামা কার্যকরী হতে পারে। যদি শরিকগণ আপোষ মতে বন্টন করতে রাজী না হন তাহলে যে কোন শরিক বন্টনের জন্য আদালতে নালিশ করতে পারেন।
৭) অছিয়তনামা দলিল
কোন ব্যক্তি তার সম্পত্তি কাউকে বা তার উত্তরাধিকারীদের মধ্যে অছিয়তকারী ব্যক্তির উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সকলকে না দিয়ে যদি একজনকে বা কোন তৃতীয় ব্যক্তিকে প্রদান করে থাকেন এবং অছিয়তকারীর মৃত্যুর পর যদি তাহার উত্তরাধিকারীগণ দাবী উত্থাপন করেন তাহলে যাকে সম্পত্তি অছিয়ত করা হলো সেই ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির এক তৃতীয়াংশ পাবে এবং অবশিষ্ট দুই তৃতীয়াংশের মালিক উত্তরাধিকারী দের মধ্যে সকলেই হবেন।
৮) উইল দলিল
হিন্দু সম্প্রদায়ের লোক তাদের নিজস্ব সম্পত্তি তাদের আত্মীয়দের মধ্যে যাকে ইচ্ছা উইল করে দিতে পারেন। যিনি উইল করলেন তিনি জীবিত কালে একের অধিক উইল করতে পারেন। কিন্তু সর্বশেষ যে উইল করলেন কেবল ঐটাই কার্যকরী হবে।
৯) নাদাবী দলিল
কোন ব্যক্তি সুনির্দিষ্ট কোন সম্পত্তিতে তার স্বত্ত্বাধিকার নাই মর্মে অথবা স্বত্ত্বাধিকার ত্যাগ করছেন মর্মে দলিল সম্পাদন ও রেজিষ্ট্রি করে দিতে পারেন। এরূপ দলিলকে নাদাবী দলিল বলে।
©
কোন ব্যক্তি সুনির্দিষ্ট কোন সম্পত্তিতে তার স্বত্ত্বাধিকার নাই মর্মে অথবা স্বত্ত্বাধিকার ত্যাগ করছেন মর্মে দলিল সম্পাদন ও রেজিষ্ট্রি করে দিতে পারেন। এরূপ দলিলকে নাদাবী দলিল বলে।
©
বাংলাদেশে বিয়ের যে আয়োজনটা হয়, সেইটা আমার ধারনা, স্যানিটির সমস্ত লেভেল অতিক্রম করে ফেলছে!
পৃথিবীর আর কোন সুস্থ কালচারে এইরকম ভয়ংকর খরুচে লার্জার দেন লাইফ কোন অনুষ্ঠান হয় বলে মনে হয়না!
এই প্রি, পোস্ট, ওয়েডিং মিউজিক ভিডিও,
হলুদ, মেহেদি, ভেন্যু, লাইট, গান, শীল্পি, মেক ওভার, বিদেশ শপিং, কাপড়, গিফট, হাজার হাজার মানুষের মেহমানদারি!
ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ডে যদি বলি,
দরিদ্র একটা দেশে এমন মিলিয়ন ডলারের পারিবারিক আয়োজন রীতিমতো অবিশ্বাসের!
আমাদের পরিবার গুলোর অর্থনৈতিক সক্ষমতা, আমাদের বাবা মাদের আয় এসবের কয়েকশ গুণ বেশি খরচ করা এই বিয়ের আয়োজন গুলো কয়েকদিন পরেই দেখবেন রিপ্লিস বিলিভ ইট অর নটে জায়গা করে নিবে!
একেকটা বিয়ে আসে আর আমাদের মধ্য বিত্ত, নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো হাসি হাসি মুখে বিরাট একটা অর্থনৈতিক যুদ্ধের প্রস্তুতি নেয়!
সঞ্চয়পত্র ভাঙা হয়।
গ্রামের ধানী জমি বিক্রি হয়।
পেনশন উঠানো হয়।
ব্যাঙ্ক খালি করে, জমানো পয়শা উঠিয়ে আনা হয়।
শেষে লাজুক মুখে এদিক ওদিক থেকে টাকা ধার করতে বেরুতে হয়!
রীতিমতো অবিশ্বাস্য একটা অযথা অপব্যায়!
একটা ইনসেইন লেভেলের বোকামি রীতিমতো!
আমার ধারনা ছিলো, বলিউডের নায়কদের চুল কাটা নকল করা, হাটা নকল করে হাটাহাটি করা জেনারেশনটা সম্ভবত নাই হয়ে গেছে।
এখন এই বিয়ে টিয়ে দেখে, মনে হচ্ছে
এই জেনারেশন আরো কয়েক ধাপ আগানো!
এরা আলাদা কালচারের সস্তা টিভি সিরিয়ালের অনুষ্ঠান রি ক্রিয়েট করার মতন কপিক্যাট!
এদের কালচারার এওয়ারনেস নাই
ইকোনমিক্যাল এওয়ারনেসও জিরো!
বিয়ে জিনিসটাতো সরল থাকা লাগবে!
সহজ থাকা লাগবে!
দুইটা এডাল্ট মানুষের নিজের সাধ্য অনুযায়ী,একটা এডাল্ট হুডে প্রবেশের ব্যক্তিগত অনুষ্ঠান হইতে হবে!
তাতে বাবা মারা স্ট্রেস না নিয়ে নিজের সাধ্য মতন কিছু গিফট দিতে পারে,
ঘনিষ্ঠ কিছু মানুষ দোয়া করার জন্য আসতে পারে!
কিন্তু পুরো ব্যাপারটাকে এমন জমিদারি কায়দায় দেখনদারী দিকে নিয়ে যাওয়ার এই ভয়ংকর খরুচে অভ্যাসটা আমরা কি করে আমাদের কালচার বানায়া ফেললাম!
বিয়ে সহজ না হইলে
সোল ফুল না হইলে
ঘরোয়া না হইলে
ক দিন পর, কম বয়সী মানুষরা বিয়ে করার সাহসও তো যোগাড় করতে পারবেনা!
©Imran Kayes
পৃথিবীর আর কোন সুস্থ কালচারে এইরকম ভয়ংকর খরুচে লার্জার দেন লাইফ কোন অনুষ্ঠান হয় বলে মনে হয়না!
এই প্রি, পোস্ট, ওয়েডিং মিউজিক ভিডিও,
হলুদ, মেহেদি, ভেন্যু, লাইট, গান, শীল্পি, মেক ওভার, বিদেশ শপিং, কাপড়, গিফট, হাজার হাজার মানুষের মেহমানদারি!
ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ডে যদি বলি,
দরিদ্র একটা দেশে এমন মিলিয়ন ডলারের পারিবারিক আয়োজন রীতিমতো অবিশ্বাসের!
আমাদের পরিবার গুলোর অর্থনৈতিক সক্ষমতা, আমাদের বাবা মাদের আয় এসবের কয়েকশ গুণ বেশি খরচ করা এই বিয়ের আয়োজন গুলো কয়েকদিন পরেই দেখবেন রিপ্লিস বিলিভ ইট অর নটে জায়গা করে নিবে!
একেকটা বিয়ে আসে আর আমাদের মধ্য বিত্ত, নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো হাসি হাসি মুখে বিরাট একটা অর্থনৈতিক যুদ্ধের প্রস্তুতি নেয়!
সঞ্চয়পত্র ভাঙা হয়।
গ্রামের ধানী জমি বিক্রি হয়।
পেনশন উঠানো হয়।
ব্যাঙ্ক খালি করে, জমানো পয়শা উঠিয়ে আনা হয়।
শেষে লাজুক মুখে এদিক ওদিক থেকে টাকা ধার করতে বেরুতে হয়!
রীতিমতো অবিশ্বাস্য একটা অযথা অপব্যায়!
একটা ইনসেইন লেভেলের বোকামি রীতিমতো!
আমার ধারনা ছিলো, বলিউডের নায়কদের চুল কাটা নকল করা, হাটা নকল করে হাটাহাটি করা জেনারেশনটা সম্ভবত নাই হয়ে গেছে।
এখন এই বিয়ে টিয়ে দেখে, মনে হচ্ছে
এই জেনারেশন আরো কয়েক ধাপ আগানো!
এরা আলাদা কালচারের সস্তা টিভি সিরিয়ালের অনুষ্ঠান রি ক্রিয়েট করার মতন কপিক্যাট!
এদের কালচারার এওয়ারনেস নাই
ইকোনমিক্যাল এওয়ারনেসও জিরো!
বিয়ে জিনিসটাতো সরল থাকা লাগবে!
সহজ থাকা লাগবে!
দুইটা এডাল্ট মানুষের নিজের সাধ্য অনুযায়ী,একটা এডাল্ট হুডে প্রবেশের ব্যক্তিগত অনুষ্ঠান হইতে হবে!
তাতে বাবা মারা স্ট্রেস না নিয়ে নিজের সাধ্য মতন কিছু গিফট দিতে পারে,
ঘনিষ্ঠ কিছু মানুষ দোয়া করার জন্য আসতে পারে!
কিন্তু পুরো ব্যাপারটাকে এমন জমিদারি কায়দায় দেখনদারী দিকে নিয়ে যাওয়ার এই ভয়ংকর খরুচে অভ্যাসটা আমরা কি করে আমাদের কালচার বানায়া ফেললাম!
বিয়ে সহজ না হইলে
সোল ফুল না হইলে
ঘরোয়া না হইলে
ক দিন পর, কম বয়সী মানুষরা বিয়ে করার সাহসও তো যোগাড় করতে পারবেনা!
©Imran Kayes