A ONE CLASSES
345 subscribers
1.47K photos
1 video
485 files
133 links
let's crack it
Download Telegram
*☑️ ভারতের প্রধান পর্বত গিরিপথ*

*রাজ্য/অঞ্চল — পাস*

*➥মহারাষ্ট্র*
গোরানঘাট পাস
থালঘাট পাস
বোরঘাট পাস

*➥জম্মু ও কাশ্মীর*
বানিহাল পাস
পীর পাঞ্জাল পাস
বরজিল পাস
অখিল পাস

*➥সিকিম*
নাথু লা পাস
জেলেপ লা পাস

*➥লাদাখ*
কারাকোরাম পাস
জোজি লা পাস
চ্যাং লা (চ্যাং লা পাস)
খারদুং লা পাস
থাং লা পাস
বড়লাচা পাস
ইমিস নালা পাস

*➥অরুণাচল প্রদেশ*
বোমডিলা পাস
ইয়াংইয়াং পাস
লিখাপানি পাস
ডিফু পাস

*➥কেরল*
পালঘাট পাস/পালক্কাদ গ্যাপ
শেনকোটা পাস

*➥হিমাচল প্রদেশ*
রোহতাং পাস
শিপকি লা পাস

*➥উত্তরাখণ্ড*
মানা পাস
নীতি পাস
লিপুলেখ পাস

*➥নাগাল্যান্ড*
পাংসাউ পাস

*➥মণিপুর*
তুলু পাস
✪ গুপ্ত শাসন ব্যবস্থা-
⬤ দুই ভাগে বিভক্ত—কেন্দ্রীয় শাসন ও প্রাদেশিক শাসন।

✪ কেন্দ্রীয় শাসন-
⬤ শীর্ষে ছিলেন সম্রাট।
⬤ রাজপদ ছিল বংশানুক্রমিক।
⬤ ঈশ্বরের সমকক্ষ হিসাবে বিবেচিত হতেন।
⬤ আমলাতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা প্রচলিত ছিল।

✪ প্রাদেশিক শাসন-
⬤ প্রাদেশিক শাসন ব্যবস্থার বৃহত্তম প্রশাসনিক একক ছিল ভুক্তি।
⬤ পরবর্তী একক হল প্রদেশ বা বিষয়, যার দায়িত্বে থাকতেন বিষয়পতি (বর্তমান জেলার সমতুল্য)
⬤ তার পরে ছিল বীথি।
⬤ সর্বনিম্ন একক ছিল গ্রাম (শাসনভার থাকত গ্রামিকের হাতে)।

✪ কর ব্যবস্থা-
⬤ রাষ্ট্রীয় আয়ের মূল উৎস ছিল ভূমি রাজস্ব।
⬤ উৎপন্ন ফসলের ১/৬ অংশ (বলি কর) রাষ্ট্রকে প্রদান করতে হতো।
⬤ গুপ্ত সাম্রাজ্যের কর ব্যবস্থায় ভূমি কর ও পণ্যের উপর কর অন্তর্ভুক্ত ছিল; এই কর জনকল্যাণ এবং সামরিক বাহিনীর জন্য তহবিল সরবরাহে ব্যবহৃত হতো।

✪ ভূমি কর
⬤ উদ্রান্স : জমির উপর কর।
⬤ উপরিকর : জমির মালিক না থাকা কৃষকদের উপর কর।
⬤ ভাগ : ফুল, ফল ও কাঠের উপহারের মতো জিনিসের উপর কর।
⬤ ধন্য : পশ্চিম ভারতে কৃষিবিদদের উপর কর।
⬤ হালিকাকর : মধ্য ভারতে কৃষিবিদদের উপর কর

✪ পণ্যের উপর কর-
⬤ হিরণ্য : নগদ কর।
⬤ শুল্ক : ব্যবসায়ীদের দ্বারা প্রদত্ত একটি বাণিজ্যিক কর।
⬤ ভাত-ভূত কর : আত্মা ও বাতাসের জন্য।
⬤ আচার-অনুষ্ঠান বজায় রাখার উপর কর।

✪ অন্যান্য কর-
⬤ দশপরাধ : চুরি, খুন ও ব্যভিচারসহ দশটি অপরাধের জন্য জরিমানা।
⬤ আদেয় : একটি কর যার অর্থ “যা সমর্পণ করতে হবে”।

✪ গুপ্ত যুগে জমিগুলিকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যেত-
⬤ ক্ষেত্র : চাষযোগ্য জমি।
⬤ খিলা : চাষের অযোগ্য বা পতিত জমি।
⬤ অপ্রহত : জঙ্গল বা বনভূমি।
⬤ গোপত সারা : চারণভূমি।
⬤ বাস্তি : বাসযোগ্য জমি।
⬤ অগ্রহারা : ধর্মীয় ও শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে ব্রাহ্মণদের দেওয়া জমি।
⬤ ব্রহ্মদেয় : ব্যক্তিগত ব্যবহার ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ব্রাহ্মণদের দেওয়া জমি।

✪ সমাজ ব্যবস্থা-
⬤ হিউয়েন সাঙ-এর বিবরণ থেকে জানা যায়, ব্রাহ্মণের স্থান ছিল শীর্ষে।
⬤ অস্পৃশ্যতার প্রচলন ছিল।
⬤ সীমিত সতীদাহ প্রথা প্রচলিত ছিল।
⬤ বাল্যবিবাহ ও বহুবিবাহ প্রচলিত ছিল।
⬤ নারীদের সম্পত্তির উপর অধিকার বজায় ছিল।

✪ অর্থনীতি-
⬤ কৃষি ছিল অর্থনীতির মূল ভিত্তি।
⬤ জমি ছিল রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ও হস্তান্তরযোগ্য।
⬤ গুরুত্বপূর্ণ ফসল: পেঁয়াজ, রসুন, ধান, গম, আখ, তুলো, সুপারি ও সর্ষে।
⬤ বিভিন্ন ধরনের শিল্পের বিকাশ ঘটেছিল, যার অন্যতম ছিল বস্ত্রশিল্প (বারানসী বিখ্যাত)।
⬤ ধনী ও প্রভাবশালী বণিকদের বলা হতো শ্রেষ্ঠী।
⬤ বণিকদের সংগঠনগুলো গিল্ড নামে পরিচিত ছিল।
⬤ উল্লেখযোগ্য বন্দর ছিল তাম্রলিপ্ত বন্দর।

✪ ধর্মীয় জীবন-
⬤ ব্রাহ্মণ ধর্মের পুনর্জাগরণের যুগ।
⬤ শিব, গণেশ ও বিষ্ণু প্রভৃতি দেবতার উপাসনা করা হতো।

✪ গুপ্ত যুগে বিভিন্ন কর্মচারী ও তাদের পদ-

✪ সামরিক কর্মকর্তা-
⬤ মহাবলাধিকরণ : সেনাপতি এবং একজন মন্ত্রী।
⬤ মহাসেনপতি : সামরিক বিভাগের প্রধান।
⬤ মহাডণ্ডনায়ক : একজন সেনাপতি ও বিচারমন্ত্রী।
⬤ পিলুপতি : হাতিবাহিনীর প্রধান।
⬤ অশ্বপতি : অশ্ববাহিনীর প্রধান।
⬤ নরপতি : পদাতিক বাহিনীর প্রধান।

✪ বেসামরিক কর্মকর্তা-
⬤ মন্ত্রী : প্রধানমন্ত্রী ও বেসামরিক প্রশাসনের প্রধান।
⬤ সর্বাধ্যক্ষ : কেন্দ্রীয় প্রশাসনের সাধারণ সুপারিনটেনডেন্ট।
⬤ বিনয়স্থিতিস্থাপক : ধর্মীয় বিষয়ক প্রধান।

✪ বিচারিক কর্মকর্তা-
⬤ দণ্ডপশিক : পুলিশ বিভাগের সুপারিনটেনডেন্ট।
⬤ মহাপ্রতিহার : প্রাসাদের রক্ষীদের প্রধান ও রাজপ্রাসাদের প্রধান অশ্বারোহী।

✪ সাহিত্য ও বিজ্ঞান-
⬤ সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্যের সুবর্ণযুগ।
⬤ দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের রাজত্বকাল সম্পর্কে তথ্য মেলে বিশাখদত্তের দেবীচন্দ্রগুপ্তম থেকে।

✪ উল্লেখযোগ্য লেখক ও গ্রন্থ-
⬤ দণ্ডীন – দশকুমারচরিত
⬤ কালিদাস – মালবিকাগ্নিমিত্রম, অভিজ্ঞানশকুন্তলম
⬤ হরিষেন – প্রয়াগ প্রশস্তি
⬤ বিষ্ণু শর্মা – হিতোপদেশ, পঞ্চতন্ত্র
⬤ আর্যভট্ট – সূর্যসিদ্ধান্ত, আর্যভট্টীয়
⬤ বরাহমিহির – বৃহৎসংহিতা, পঞ্চসিদ্ধান্তিকা
⬤ বাত্স্যায়ন – ন্যায়ভাষ্য, কামসূত্র
⬤ ব্যাস – ব্যাসভাষ্য
⬤ বিশাখদত্ত – দেবীচন্দ্রগুপ্তম, মুদ্রারাক্ষস
⬤ কামন্দক – নীতিসার
⬤ বুদ্ধঘোষ – বিশুদ্ধিমার্গ

✪ শিল্প ও স্থাপত্য-
⬤ দুটি প্রধান ভাস্কর্য কেন্দ্র ছিল—মথুরা ও সারনাথ।
⬤ মুম্বাইয়ের কাছে অবস্থিত এলিফ্যান্টা গুহা।
⬤ পাথর কেটে অজন্তা, ইলোরা ও উদয়গিরি গুহা নির্মিত হয়েছিল।
⬤ অজন্তার গুহাচিত্রে বুদ্ধের জীবনী, বোধিসত্ত্ব ও জাতকের গল্প চিত্রিত।
⬤ এই যুগকে ভারতের মন্দির স্থাপত্যের প্রারম্ভকাল বলা হয়।
⬤ সারনাথের বৌদ্ধ মূর্তি নির্মিত হয়েছিল চুনারের বেলে পাথর দিয়ে।
⬤ অন্যান্য উল্লেখযোগ্য স্থাপত্য নিদর্শন: আইহোলের দুর্গামন্দির, সাঁচির বিষ্ণুমন্দির, দেওঘরের দশাবতার মন্দির।
✪ পতন-
⬤ অর্থনৈতিক মন্দা।
⬤ বহিঃশত্রু আক্রমণ।
⬤ রাজবংশের অভ্যন্তরীণ দুর্বলতা।
⬤ প্রাদেশিক শাসকদের স্বাধীনতার বিদ্রোহ।
⬤ অভিজাত শ্রেণির বিলাসিতা।
⬤ স্থায়ী সৈন্যবাহিনীর অভাব।
ঝাড়খন্ড টেট 2026 | সম্পূর্ণ নিয়মকানুন দেখে নিন এক নজরে | সিলেবাস বাংলা এবং ইংরেজি ভার্সনে দেওয়া হল | 👇👇
সংগৃহীত