This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
এই ১০/১২ বছরের জীবনে কী এমন দুঃখ ছিল যে, এই বাচ্চা ছেলেটা আ ত্ম হ ত্যা করলো?😢
ঝালকাঠি এনএস কামিল মাদরাসার ৮ম শ্রেণীর ছাত্র—মুহাম্মাদ মুয়াজ।💔
২১-০৩-২০২৪
ভিডিওটি মাদরাসার সিসিটিভি ক্যামেরা থেকে ধারণকৃত....!!
ঝালকাঠি এনএস কামিল মাদরাসার ৮ম শ্রেণীর ছাত্র—মুহাম্মাদ মুয়াজ।💔
২১-০৩-২০২৪
ভিডিওটি মাদরাসার সিসিটিভি ক্যামেরা থেকে ধারণকৃত....!!
😢29
ব্যক্তির খাবার খাওয়ার উদ্দেশ্য হবে স্বাদ ভোগ করা নয়, বরং ইলম অর্জন ও আমল করার শক্তি অর্জন করা। সে মনে মনে চাইবে যদি সে খাবার না খেয়েও চলতে পারত, (না খেয়েও) তার ইলম-আমলের শক্তি অটুট থাকত।
~ ইমাম গাযালী (রাহিমাহুল্লাহ)
[মীযানুল আমাল]
~ ইমাম গাযালী (রাহিমাহুল্লাহ)
[মীযানুল আমাল]
❤15
আমি যদি আমার রবের অবাধ্য হই তাহলে আমি ভয় করি মহা দিনের শাস্তির।
.
সূরা যুমার, আয়াত ১৩
.
সূরা যুমার, আয়াত ১৩
❤5👍1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
ইন শা আল্লাহ ✊ ভাইরা আপনারা প্রস্তুত তো?
আপনার ভূমিতে শুরু হওয়া তো সময়ের অপেক্ষা!
আপনার ভূমিতে শুরু হওয়া তো সময়ের অপেক্ষা!
🥰20👍1
আলোর পথ
Photo
বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন (১৮৮০-১৯৩২)। বাঙালি শিক্ষিত সমাজে ‘মুসলিম নারীজাগরণের অগ্রদূত’ হিসেবে যাকে ইতোমধ্যেই প্রতিষ্ঠিত করে ফেলা হয়েছে। বিংশ শতাব্দীর প্রথম দশক থেকে আরম্ভ করে ১৯৩২ সালে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত যার অধিকাংশ লেখা শিক্ষিত মুসলিম-অমুসলিমদের মাঝে বেশ আলোচিত-সমালোচিত ছিল। এমনকি একশো বছর পেরিয়ে আজও যিনি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে প্রাসঙ্গিক। প্রতিটি স্কুল-মাদ্রাসায় ছোট ছোট কোমলমতি শিশুদের পাঠ্যবইতে তাকে মহান মহীয়সী হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়।
বেগম রোকেয়া যে তিনটি কারণে সবচেয়ে বেশী আলোচিত ব্যক্তিত্ব, সেগুলো হল-
1. ‘নারী অধিকার’ প্রতিষ্ঠায় তার লেখনী।
2. সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গার্লস স্কুল প্রতিষ্ঠা, তথা নারীশিক্ষার পক্ষে তার সামাজিক প্রচেষ্টা।
3. তার সাহিত্য কর্ম।
ব্রিটিশ উপনিবেশ আমলে তাদের অনুগত শিক্ষিত সমাজের অধিকাংশ সদস্য (মুসলিম, অমুসলিম দুই সম্প্রদায়ই) বেগম রোকেয়ার সাহিত্য কর্ম, নারী জাগরণের আহ্বানের প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থন জানায়। তার প্রতি অতীত ও বর্তমান এলিট ক্লাসের সম্মানের আতিশয্যে ভ্রম হয়, বেগম রোকেয়া ছিলেন মুসলিম নারীদের রক্ষার জন্য আসমান থেকে নাযিল হওয়া ‘ঐশী দূত’, যার জীবনের একমাত্র লক্ষ্য ছিল মুসলিম নারীদেরকে ইসলাম ও মুসলিম সমাজের যুলুমের বেড়াজাল থেকে রক্ষা করা। তবে, বেগম রোকেয়ার সামগ্রিক সাহিত্য পড়লে ধারণা হয়, ইসলামের কওল বা বক্তব্য, পুরুষ ও আলিমদের সঙ্গে তার নারীশিক্ষার প্রসারের ব্যাপারে বেশ মতপার্থক্য ছিল। তাই, ইসলাম, পুরুষ ও আলিমদের প্রতি বেশ চাপা একটা ক্ষোভও রোকেয়ার লেখনীতে বেশ স্পষ্ট।
যাক সে কথা। বেগম রোকেয়ার সাহিত্য, নারীদের অবস্থার ‘উন্নয়নে’ তার চেষ্টা, উপনিবেশের অধীনে থাকা তৎকালীন বাঙালি সমাজ থেকে শুরু করে আজ অব্ধি স্বাধীন বাংলাদেশের অসংখ্য নারীদের জীবনে তার ‘সামাজিক’ কর্মকাণ্ডের প্রভাব সম্পর্কে আলোচনা করার আগে বেগম রোকেয়া সম্পর্কে বিশেষ উল্লেখযোগ্য তথ্যগুলো আমাদের জেনে রাখা প্রয়োজন। তাহলে তৎকালীন সমাজ কিংবা এক শতাব্দী পর এসে আজকেও বেগম রোকেয়ার প্রাসঙ্গিকতা কতটুকু—সেটা বুঝতে আমাদের জন্য সহজ হবে।
উনবিংশ শতাব্দীর শেষার্ধে (১৮৮০ সাল) রংপুরের এক ধনাঢ্য মুসলিম বাবা-মায়ের ঘরে বেগম রোকেয়ার জন্ম। তার পিতার নাম জহীরুদ্দিন মোহাম্মদ আবু আলী হায়দার সাবের (মৃত্যু ১৯১৮)। তিনি ছিলেন ব্রিটিশদের অধীনস্থ একজন জমিদার। সিপাহি বিপ্লবের সময় জমিদার আলী সাবের ইংরেজ অথবা আইরিশ এক নারীকে বিয়ে করেন , যদিও তখন তার ঘরে স্ত্রী-সন্তান ছিল। আলী সাবের তার বড় দুই ছেলেকে কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজে পড়াশোনা করান।
রোকেয়ার বড়ভাই মোহাম্মদ ইবরাহিম ১৮৮৫ সালে সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ থেকে বিএ পাস করেন। ওই বছরই কলকাতায় বড় বোন করিমুন্নেসার বাড়িতে থাকতে বেগম রোকেয়া সেখানে ইউরোপিয়ান গভর্নেসের কাছেও কিছুদিন পড়াশোনা করেন। প্রাথমিক জীবনে বড় দুই ভাই, বোন করিমুন্নেসা এবং মেম গভর্নেসের কাছে রোকেয়ার শিক্ষার সূচনা ঘটে।
১৮৯৮ সালে বেগম রোকেয়ার বিয়ে হয় খানবাহাদুর সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেনের (১৮৫৮-১৯০৯) সঙ্গে। অনেকেই মনে করেন, বেগম রোকেয়ার নারীদের ব্যাপারে চিন্তাভাবনার বিপ্লব সাখাওয়াত হোসেনের হাতেই হয়েছে। এখানে কিছু কথা জানিয়ে রাখা প্রয়োজন। বেগম রোকেয়ার সঙ্গে বিয়ের আগে সাখাওয়াত হোসেন ১৮৮৫ সালে বিলেতে পড়াশোনা করতে যান। সেখানেই তিনি পশ্চিমা নারীদের সাথে মুসলিম নারীদের পর্দা ও অন্যান্য রীতিনীতির পার্থক্য স্বচক্ষে দেখতে পান। ওই সময় ব্রিটেনে নারীদের ভোটাধিকার ও অন্যান্য অধিকারর দাবীতে দীর্ঘ আন্দোলন চলমান ছিল। এসব কিছুই তিনি প্রত্যক্ষ করে দেশে ফিরে আসেন।
বিয়ের পর সাখাওয়াত হোসেন বেগম রোকেয়াকে যত্নের সঙ্গে ইংরেজি শেখান। বিহারের ভাগলপুরের সাখাওয়াত ছিলেন উর্দুভাষী, বাংলায় তার দখল অতটা ছিল না। এভাবেই করিমুন্নেসার কাছে বাংলা, ভাই ও স্বামীর কাছে ইংরেজির শিক্ষা পান তিনি। ফলে একই সঙ্গে বাংলা, উর্দু, ফার্সি, আরবি ও ইংরেজি ভাষায় তার দক্ষতা আসে। সে সময়ে মুসলিমরা সাম্রাজ্যবাদী ব্রিটিশদের ইংরেজি ভাষাশিক্ষাকে নিন্দনীয় মনে করতো। তাই, রোকেয়ার পাঁচ ভাষা শিক্ষার এ সুযোগকে বেশ দুর্লভই বলা চলে।
বেগম রোকেয়া নিয়মিত ইংরেজি পত্রিকা ও বই পড়তেন। এসব সম্ভবত তার স্বামীর বদৌলতে তার হাতে পৌঁছুত। গ্যালিলিও, নিউটন, John Howard Payne, Marie Corelli সহ অতীত ও তৎকালীন অনেক জনপ্রিয়, অজনপ্রিয় ব্যক্তি ও সাহিত্যিকের কর্ম, সাহিত্যের সঙ্গেই তার পরিচয় ছিল। তার লেখায় বিজ্ঞানের তৎকালীন অনেক জটিল বিষয়েও লেখা পাওয়া যায়। যাতে বোঝা যায়, রোকেয়ার ইংরেজি পড়ার সীমা নিতান্ত কম ছিল না। বেগম রোকেয়ার অনেক প্রবন্ধের সঙ্গে পশ্চিমা অনেক সাহিত্যিকের মূলভাবের সাদৃশ্যও দেখা যায় । তাই এ কথা বলা ভুল হবে না যে, নারীমুক্তির যে আদর্শ তিনি তার লেখনীতে তুলে ধরেছেন, সে আদর্শের পরিচয় তিনি মূলত পশ্চিমা লেখকদের কাছ থেকেই লাভ করেন ।
বেগম রোকেয়া যে তিনটি কারণে সবচেয়ে বেশী আলোচিত ব্যক্তিত্ব, সেগুলো হল-
1. ‘নারী অধিকার’ প্রতিষ্ঠায় তার লেখনী।
2. সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গার্লস স্কুল প্রতিষ্ঠা, তথা নারীশিক্ষার পক্ষে তার সামাজিক প্রচেষ্টা।
3. তার সাহিত্য কর্ম।
ব্রিটিশ উপনিবেশ আমলে তাদের অনুগত শিক্ষিত সমাজের অধিকাংশ সদস্য (মুসলিম, অমুসলিম দুই সম্প্রদায়ই) বেগম রোকেয়ার সাহিত্য কর্ম, নারী জাগরণের আহ্বানের প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থন জানায়। তার প্রতি অতীত ও বর্তমান এলিট ক্লাসের সম্মানের আতিশয্যে ভ্রম হয়, বেগম রোকেয়া ছিলেন মুসলিম নারীদের রক্ষার জন্য আসমান থেকে নাযিল হওয়া ‘ঐশী দূত’, যার জীবনের একমাত্র লক্ষ্য ছিল মুসলিম নারীদেরকে ইসলাম ও মুসলিম সমাজের যুলুমের বেড়াজাল থেকে রক্ষা করা। তবে, বেগম রোকেয়ার সামগ্রিক সাহিত্য পড়লে ধারণা হয়, ইসলামের কওল বা বক্তব্য, পুরুষ ও আলিমদের সঙ্গে তার নারীশিক্ষার প্রসারের ব্যাপারে বেশ মতপার্থক্য ছিল। তাই, ইসলাম, পুরুষ ও আলিমদের প্রতি বেশ চাপা একটা ক্ষোভও রোকেয়ার লেখনীতে বেশ স্পষ্ট।
যাক সে কথা। বেগম রোকেয়ার সাহিত্য, নারীদের অবস্থার ‘উন্নয়নে’ তার চেষ্টা, উপনিবেশের অধীনে থাকা তৎকালীন বাঙালি সমাজ থেকে শুরু করে আজ অব্ধি স্বাধীন বাংলাদেশের অসংখ্য নারীদের জীবনে তার ‘সামাজিক’ কর্মকাণ্ডের প্রভাব সম্পর্কে আলোচনা করার আগে বেগম রোকেয়া সম্পর্কে বিশেষ উল্লেখযোগ্য তথ্যগুলো আমাদের জেনে রাখা প্রয়োজন। তাহলে তৎকালীন সমাজ কিংবা এক শতাব্দী পর এসে আজকেও বেগম রোকেয়ার প্রাসঙ্গিকতা কতটুকু—সেটা বুঝতে আমাদের জন্য সহজ হবে।
উনবিংশ শতাব্দীর শেষার্ধে (১৮৮০ সাল) রংপুরের এক ধনাঢ্য মুসলিম বাবা-মায়ের ঘরে বেগম রোকেয়ার জন্ম। তার পিতার নাম জহীরুদ্দিন মোহাম্মদ আবু আলী হায়দার সাবের (মৃত্যু ১৯১৮)। তিনি ছিলেন ব্রিটিশদের অধীনস্থ একজন জমিদার। সিপাহি বিপ্লবের সময় জমিদার আলী সাবের ইংরেজ অথবা আইরিশ এক নারীকে বিয়ে করেন , যদিও তখন তার ঘরে স্ত্রী-সন্তান ছিল। আলী সাবের তার বড় দুই ছেলেকে কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজে পড়াশোনা করান।
রোকেয়ার বড়ভাই মোহাম্মদ ইবরাহিম ১৮৮৫ সালে সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ থেকে বিএ পাস করেন। ওই বছরই কলকাতায় বড় বোন করিমুন্নেসার বাড়িতে থাকতে বেগম রোকেয়া সেখানে ইউরোপিয়ান গভর্নেসের কাছেও কিছুদিন পড়াশোনা করেন। প্রাথমিক জীবনে বড় দুই ভাই, বোন করিমুন্নেসা এবং মেম গভর্নেসের কাছে রোকেয়ার শিক্ষার সূচনা ঘটে।
১৮৯৮ সালে বেগম রোকেয়ার বিয়ে হয় খানবাহাদুর সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেনের (১৮৫৮-১৯০৯) সঙ্গে। অনেকেই মনে করেন, বেগম রোকেয়ার নারীদের ব্যাপারে চিন্তাভাবনার বিপ্লব সাখাওয়াত হোসেনের হাতেই হয়েছে। এখানে কিছু কথা জানিয়ে রাখা প্রয়োজন। বেগম রোকেয়ার সঙ্গে বিয়ের আগে সাখাওয়াত হোসেন ১৮৮৫ সালে বিলেতে পড়াশোনা করতে যান। সেখানেই তিনি পশ্চিমা নারীদের সাথে মুসলিম নারীদের পর্দা ও অন্যান্য রীতিনীতির পার্থক্য স্বচক্ষে দেখতে পান। ওই সময় ব্রিটেনে নারীদের ভোটাধিকার ও অন্যান্য অধিকারর দাবীতে দীর্ঘ আন্দোলন চলমান ছিল। এসব কিছুই তিনি প্রত্যক্ষ করে দেশে ফিরে আসেন।
বিয়ের পর সাখাওয়াত হোসেন বেগম রোকেয়াকে যত্নের সঙ্গে ইংরেজি শেখান। বিহারের ভাগলপুরের সাখাওয়াত ছিলেন উর্দুভাষী, বাংলায় তার দখল অতটা ছিল না। এভাবেই করিমুন্নেসার কাছে বাংলা, ভাই ও স্বামীর কাছে ইংরেজির শিক্ষা পান তিনি। ফলে একই সঙ্গে বাংলা, উর্দু, ফার্সি, আরবি ও ইংরেজি ভাষায় তার দক্ষতা আসে। সে সময়ে মুসলিমরা সাম্রাজ্যবাদী ব্রিটিশদের ইংরেজি ভাষাশিক্ষাকে নিন্দনীয় মনে করতো। তাই, রোকেয়ার পাঁচ ভাষা শিক্ষার এ সুযোগকে বেশ দুর্লভই বলা চলে।
বেগম রোকেয়া নিয়মিত ইংরেজি পত্রিকা ও বই পড়তেন। এসব সম্ভবত তার স্বামীর বদৌলতে তার হাতে পৌঁছুত। গ্যালিলিও, নিউটন, John Howard Payne, Marie Corelli সহ অতীত ও তৎকালীন অনেক জনপ্রিয়, অজনপ্রিয় ব্যক্তি ও সাহিত্যিকের কর্ম, সাহিত্যের সঙ্গেই তার পরিচয় ছিল। তার লেখায় বিজ্ঞানের তৎকালীন অনেক জটিল বিষয়েও লেখা পাওয়া যায়। যাতে বোঝা যায়, রোকেয়ার ইংরেজি পড়ার সীমা নিতান্ত কম ছিল না। বেগম রোকেয়ার অনেক প্রবন্ধের সঙ্গে পশ্চিমা অনেক সাহিত্যিকের মূলভাবের সাদৃশ্যও দেখা যায় । তাই এ কথা বলা ভুল হবে না যে, নারীমুক্তির যে আদর্শ তিনি তার লেখনীতে তুলে ধরেছেন, সে আদর্শের পরিচয় তিনি মূলত পশ্চিমা লেখকদের কাছ থেকেই লাভ করেন ।
👍2
আলোর পথ
Photo
বেগম রোকেয়া দুজন সন্তান জন্মদান করেছিলেন, দুজনই শৈশবে মৃত্যুবরণ করে। তাই আমৃত্যু তিনি নিঃসন্তান হিসেবেই জীবনযাপন করেন। ১৯০৯ সালে রোকেয়ার স্বামী সাখাওয়াত হোসেন মারা যান। পাঁচ মাস পর রোকেয়া পাঁচজন ছাত্রী নিয়ে বিহারের ভাগলপুরে ‘সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গার্লস স্কুল’ প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে পারিবারিক সমস্যার কারণে ভাগলপুর ছেড়ে ১৯১১ সালে কলকাতায় একই নামে আবারো স্কুল প্রতিষ্ঠিত করা হয়। বেগম রোকেয়ার জীবদ্দশায় বাংলা ভাষাভাষী ছাত্রীর অভাবে স্কুলে বাংলা ভাষায় শিক্ষাদান চালু করা সম্ভব হয়নি। শুরুতে শুধু উর্দু এবং পরবর্তীতে ১৯১৭ সালে ইংরেজি ভাষায় পাঠদান আরম্ভ হয় ।
১৯৩২ সালে বেগম রোকেয়া কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন। এ সময়ের মধ্যে তিনি মতিচূর ১ম ও ২য় খণ্ড, পদ্মরাগ ও অবরোধ-বাসিনী—এ চারটি বই ছাড়াও অনেক প্রবন্ধ ও অন্যান্য লেখা লিখেছেন। যেগুলোর উল্লেখযোগ্য একটা অংশই তৎকালীন জনপ্রিয় সব পত্রিকায় ছাপা হয়।.
১৯৩২ সালে বেগম রোকেয়া কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন। এ সময়ের মধ্যে তিনি মতিচূর ১ম ও ২য় খণ্ড, পদ্মরাগ ও অবরোধ-বাসিনী—এ চারটি বই ছাড়াও অনেক প্রবন্ধ ও অন্যান্য লেখা লিখেছেন। যেগুলোর উল্লেখযোগ্য একটা অংশই তৎকালীন জনপ্রিয় সব পত্রিকায় ছাপা হয়।.
❤5
আজ ২৩ মার্চ। ১৯৬০ সালে আজকের এই দিনে ইন্তেকাল করেন বিংশ শতাব্দির আলোকবর্তিকা বদিউজ্জামান সাঈদ নুরসী রহ.। তাঁর সেরা কীর্তি ছিল রিসালা-ই-নূর।
রিসালা-ই-নূর তুরস্কের মুসলিম জাতিকে পথ দেখায়। কমিউনিজম ও জাতীয়তাবাদ থেকে কিছুটা হলেও রক্ষা করে। একসময়ের ইসলামী রাষ্ট্রের কেন্দ্রবিন্দু থেকে ইসলাম হারিয়ে যেতে বসেছিল। বদিউজ্জামান সাঈদ নুরসী তাঁর প্রচেষ্টার মাধ্যমে তা ঠেকিয়ে দিয়েছেন।
মহান রাব্বুল আলামীন তাঁকে দুনিয়া ও আখিরাতে সম্মানিত করুন।
রিসালা-ই-নূর তুরস্কের মুসলিম জাতিকে পথ দেখায়। কমিউনিজম ও জাতীয়তাবাদ থেকে কিছুটা হলেও রক্ষা করে। একসময়ের ইসলামী রাষ্ট্রের কেন্দ্রবিন্দু থেকে ইসলাম হারিয়ে যেতে বসেছিল। বদিউজ্জামান সাঈদ নুরসী তাঁর প্রচেষ্টার মাধ্যমে তা ঠেকিয়ে দিয়েছেন।
মহান রাব্বুল আলামীন তাঁকে দুনিয়া ও আখিরাতে সম্মানিত করুন।
❤19👍2
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
"দাওয়াতে দ্বীন প্রতিদিন"
মাঠে-ঘাটে, পথে-প্রান্তরে, স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে, মসজিদে-মক্তবে, বাসে-লঞ্চে, প্লেনে-ট্রেনে, সমতল থেকে পাহাড়ে, পূর্ব থেকে পশ্চিমে, আদি থেকে অন্তে দ্বীনের দাওয়াত ছড়িয়ে পড়ুক সবখানে।
আর সেই দাওয়াত চলুক প্রতিক্ষণে, প্রতিমূহুর্তে, প্রতিবেলায়, প্রতিদিনে।
#দাওয়াতে_দ্বীন_প্রতিদিন
মাঠে-ঘাটে, পথে-প্রান্তরে, স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে, মসজিদে-মক্তবে, বাসে-লঞ্চে, প্লেনে-ট্রেনে, সমতল থেকে পাহাড়ে, পূর্ব থেকে পশ্চিমে, আদি থেকে অন্তে দ্বীনের দাওয়াত ছড়িয়ে পড়ুক সবখানে।
আর সেই দাওয়াত চলুক প্রতিক্ষণে, প্রতিমূহুর্তে, প্রতিবেলায়, প্রতিদিনে।
#দাওয়াতে_দ্বীন_প্রতিদিন
❤12
আমাদের বড় ভুল,
আমরা ইসলামকে চিনি হুজুর দিয়া!
আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী (র)
আমরা ইসলামকে চিনি হুজুর দিয়া!
প্রয়োজন ছিল,হুজুরকে চিনবো ইসলাম দিয়া।
আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী (র)
❤19👍1
‘যে আল্লাহকে ভয় করে, তিনি তার পাপসমূহ মোচন করবেন এবং তাকে বড় পুরস্কার দেবেন।’
[ সুরা আত-তালাক, ৬৫ : ৫ ]
[ সুরা আত-তালাক, ৬৫ : ৫ ]
❤20
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
জাহিদুর ইসলাম
সেক্রেটারী জেনারেল
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির
আলোর পথ
সেক্রেটারী জেনারেল
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির
আলোর পথ
❤17👍2😢2
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
জাহিদুর ইসলাম
সেক্রেটারী জেনারেল
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির
আলোর পথ
সেক্রেটারী জেনারেল
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির
আলোর পথ
😢5👍3
ঘাবড়াবেন না
মুরতাদ-কুফফারদের বৈষয়িক শক্তি অনেক সময় আমাদের অন্তর কে প্রভাবিত করে।চোখ কে বিস্ফোরিত করে। আমাদের কে ঘাবড়ে দেয়।আমরা ভাবতে থাকি এত শক্তি ওদের! তবে আমাদের স্মরণ থাকা দরকার, আল্লাহ তায়ালা এ সকল শক্তির স্রষ্টা।
ওদের শক্তি-সামর্থ্য আমাদের মধ্যে ভীতির সঞ্চার করে।তবে ভুলে গেলে চলবে না,
والله احق ان تخشاه
ভয় করার ক্ষেত্রে আল্লাহই বেশি উপযুক্ত।
অর্থাৎ সত্যিকার অর্থে যদি কাউকে ভয় করতে হয় তাহলে সেটা হলেন আমাদের মহান প্রভু একমাত্র আল্লাহ তায়ালা।
আমরা তাদের যেসব জিনিস কে ভয় করি যেমন তাদের অস্ত্র,টেকনোলজি,মেধা, অর্থ-সম্পদ ইত্যাদি। আচ্ছা তাদেরকে এগুলো কে দিয়েছে? বা তাদেরকেই কে সৃষ্টি করেছে? ওরাও এটা অস্বীকার করবে না যে,ওদেরকে সৃষ্টি করা হয়েছে এবং ওদের শক্তি-সামর্থ্য কোন একজন দিয়েছেন। আর তিনি হলেন আমাদের একমাত্র সত্য ইলাহ, আল্লাহ তায়ালা।
এখন ভাবার বিষয়, ওদের সমস্ত কিছু যদি আল্লাহ পাকেরই দেয়া হয়ে থাকে আর আমরা যদি সেই একই আল্লাহর সৈনিক হয়ে থাকি তাহলে তাদের সেই সামান্য শক্তি-সামর্থ্য কে ভয় করা কি আমাদের জন্য শোভা পায়? তাদের কোন টেকনোলজি বা অন্য কোন শক্তি কি আমাদের কাজের গতি কমিয়ে দিতে পারে? অবশ্যই না।
তাই আমরা ঘাবড়াবো না কুফফারদের শক্তি-সামর্থ্য আর শৌর্যবীর্য দেখে।কারণ এগুলো মাকঁড়সার জালের চেয়ে বেশি কিছু নয়।আর শেষ হাসি বিইযনিল্লাহ মুমিনরাই হাসবে।
তবে মুমিনরা আল্লাহ পাকের বিধানের প্রতি সদা সজাগ।তাই কুফফারদের শক্তির কোন ভীতি তার মধ্যে না থাকলেও সে থাকে সদা তৎপর ও সতর্ক।কারণ এ বিষয়ে সে আদিষ্ট। যেন তার অগোচরে কোন অপশক্তি তার কোন ক্ষতি না করে বসে।আল্লাহ পাক মুমিনদেরকে ভালোবাসেন এবং সঠিক পথে পরিচালিত করেন।
মুরতাদ-কুফফারদের বৈষয়িক শক্তি অনেক সময় আমাদের অন্তর কে প্রভাবিত করে।চোখ কে বিস্ফোরিত করে। আমাদের কে ঘাবড়ে দেয়।আমরা ভাবতে থাকি এত শক্তি ওদের! তবে আমাদের স্মরণ থাকা দরকার, আল্লাহ তায়ালা এ সকল শক্তির স্রষ্টা।
ওদের শক্তি-সামর্থ্য আমাদের মধ্যে ভীতির সঞ্চার করে।তবে ভুলে গেলে চলবে না,
والله احق ان تخشاه
ভয় করার ক্ষেত্রে আল্লাহই বেশি উপযুক্ত।
অর্থাৎ সত্যিকার অর্থে যদি কাউকে ভয় করতে হয় তাহলে সেটা হলেন আমাদের মহান প্রভু একমাত্র আল্লাহ তায়ালা।
আমরা তাদের যেসব জিনিস কে ভয় করি যেমন তাদের অস্ত্র,টেকনোলজি,মেধা, অর্থ-সম্পদ ইত্যাদি। আচ্ছা তাদেরকে এগুলো কে দিয়েছে? বা তাদেরকেই কে সৃষ্টি করেছে? ওরাও এটা অস্বীকার করবে না যে,ওদেরকে সৃষ্টি করা হয়েছে এবং ওদের শক্তি-সামর্থ্য কোন একজন দিয়েছেন। আর তিনি হলেন আমাদের একমাত্র সত্য ইলাহ, আল্লাহ তায়ালা।
এখন ভাবার বিষয়, ওদের সমস্ত কিছু যদি আল্লাহ পাকেরই দেয়া হয়ে থাকে আর আমরা যদি সেই একই আল্লাহর সৈনিক হয়ে থাকি তাহলে তাদের সেই সামান্য শক্তি-সামর্থ্য কে ভয় করা কি আমাদের জন্য শোভা পায়? তাদের কোন টেকনোলজি বা অন্য কোন শক্তি কি আমাদের কাজের গতি কমিয়ে দিতে পারে? অবশ্যই না।
তাই আমরা ঘাবড়াবো না কুফফারদের শক্তি-সামর্থ্য আর শৌর্যবীর্য দেখে।কারণ এগুলো মাকঁড়সার জালের চেয়ে বেশি কিছু নয়।আর শেষ হাসি বিইযনিল্লাহ মুমিনরাই হাসবে।
তবে মুমিনরা আল্লাহ পাকের বিধানের প্রতি সদা সজাগ।তাই কুফফারদের শক্তির কোন ভীতি তার মধ্যে না থাকলেও সে থাকে সদা তৎপর ও সতর্ক।কারণ এ বিষয়ে সে আদিষ্ট। যেন তার অগোচরে কোন অপশক্তি তার কোন ক্ষতি না করে বসে।আল্লাহ পাক মুমিনদেরকে ভালোবাসেন এবং সঠিক পথে পরিচালিত করেন।
❤9👍1
ঘুম পেয়েছে জাদুর চোখে, হট্টগোলের নেই সময়,
ছোট্ট ছানা যায় চলে যায়, এই পৃথিবীর অনেক ভয়।
রাক্ষসেরা নেয় কেড়ে সব রঙ-ফড়িংয়ের খেলনা,
অবুঝ ছানার রক্তে সাজে দোল দুলুনির দোলনা।
পুতুল জামা, পুতুল জুতো রইলো পড়ে কার্নিশে,
ছোট্টখানি পেটের ক্ষুধা, তাও মেটেনি কার দোষে!
ঘুম পেয়েছে সোনার চোখে, ফুলচাদরে মুড়িয়ে নাও,
শীতলপাটি হারিয়ে গেছে, মাটির আদর জড়িয়ে দাও।
পুতুল শোকে মায়ের কন্ঠে বিড়বিড় ওঠে আনমনে,
জাদুর পাখি, সবুজ পাখি, উড়ছো নাকি আসমানে?
কার আসে যায়? বিশ্বজুড়ে বাজছে ঠিকই আনন্দ!
পুতুল সোনা হাসবে যেদিন, উল্টে যাবে বসন্ত।
ঘুম ভুলেছে মায়ের দু'চোখ, ভাল্লাগে না সূর্যোদয়,
অবোধ ছানা যায় বলে যায়, এই পৃথিবী আমার নয়।
_
এই পৃথিবী আমার নয়
ছোট্ট ছানা যায় চলে যায়, এই পৃথিবীর অনেক ভয়।
রাক্ষসেরা নেয় কেড়ে সব রঙ-ফড়িংয়ের খেলনা,
অবুঝ ছানার রক্তে সাজে দোল দুলুনির দোলনা।
পুতুল জামা, পুতুল জুতো রইলো পড়ে কার্নিশে,
ছোট্টখানি পেটের ক্ষুধা, তাও মেটেনি কার দোষে!
ঘুম পেয়েছে সোনার চোখে, ফুলচাদরে মুড়িয়ে নাও,
শীতলপাটি হারিয়ে গেছে, মাটির আদর জড়িয়ে দাও।
পুতুল শোকে মায়ের কন্ঠে বিড়বিড় ওঠে আনমনে,
জাদুর পাখি, সবুজ পাখি, উড়ছো নাকি আসমানে?
কার আসে যায়? বিশ্বজুড়ে বাজছে ঠিকই আনন্দ!
পুতুল সোনা হাসবে যেদিন, উল্টে যাবে বসন্ত।
ঘুম ভুলেছে মায়ের দু'চোখ, ভাল্লাগে না সূর্যোদয়,
অবোধ ছানা যায় বলে যায়, এই পৃথিবী আমার নয়।
_
এই পৃথিবী আমার নয়
👍9😢5
হিন্দু ভাইয়েরা মন খারাপ করবেন
না.! :আমি just জানতে চাই
:যদি পারেন উত্তর দিবেন.
:1st- শিব ৬০,০০০ বিবাহ করেছিল সে
মারা যাবার পর তার লিঙ্গকে পূজা করা হয় কেন❓
:
একজন শিষ্টাচার হিন্দু কোন যুক্তিকতায়
তার স্ত্রী_দুধ দিয়ে শিবের গোপন_অঙ্গ
ধৌত করে কেন.❓
:
এটা কি কোন সৃষ্টিকর্তার বৈশিষ্ট্য.❓
এমন কুরুচি পূর্ন আদেশ সৃষ্টিকর্তা দিতে
পারেন.❗
-
2nd- শিব তার নিজের ছেলে গনেশকে
চিনতে পারেনি কেন.❓
চিনতে না পারার জন্য ছেলের
গর্দান_কেটে ফেলেছিলেন.!
:
তাহলে তিনি তার সৃষ্টিকে কি করে
চিনবেন.?
:
ভুলে যাওয়া কি সৃষ্টিকর্তার
বৈশিষ্ট্য.❓
_
3rd- দেবদাসীর ও যোগিনীর মত
পতিতা চরিত্রের সাথে ভগবান ও ব্রাহ্মনগন কি অশ্লীলকর্মে লিপ্ত হন.❓
:
যদি তারা প্রকৃতার্থে ভগবান হয়ে
থাকেন❓
_
4th- অশ্লীল ভঙ্গিমায় উলঙ্গ_নারী ,,,
মুখে দাতেঁ রক্ত ও হাতে রক্তাক্ত তলোয়ার.!
কি করে সৃষ্টিকর্তা হতে পারে.❓
উদাহরন-
দূর্গা.❗
_
5th- কৃষ্ণা যদি সৃষ্টিকর্তা হয়। তবে
সে কেন তার মামীর সাথে
অবৈধ_সম্পর্ক রাখলো...❓
:
তবে কি সৃষ্টিকর্তা মানুষের সাথে
এমন অবৈধ কর্মে লিপ্ত হয় যা তারা নিজেরাই আইনের
বর্হিভূত.❓
_
6th- কিভাবে রাম সৃষ্টিকর্তা হতে
পারে.❓
কারন,,,
সে প্রয়োজনে খাবার খেয়েছে, ঘুম
গেছে,
অনেক বিয়ে করেছে, দৈহিক তারনায়,
রাম
নিজের স্ত্রীকে সন্দেহ করেছে.!
এসব কি সৃষ্টিকতার কর্ম হতে পারে ❓
_
7th- যদি রাম সৃষ্টিকর্তাই হন তবে কেন
তিনি হনুমানের সাহায্য চাইবেন.❓
:
তাহলে কি সৃষ্টিকর্তার ক্ষমতার কমতি
আছে.❓
:
_
8th- রাম হনুমানের দু’ভাইকে কেন
অকারনে খুন করলেন.❓
:
যেখানে রামের সাথে তাদের কোন
শত্রুতা ছিল না ❓
:
সৃষ্টিকর্তা হয়ে অপরাধ করা কি সম্ভব.❓
_
9th- রাবন যদি শয়তান হয়ে একদিনে
লঙ্কায় পৌছাঁতে পারে.❗
তবে রাম সৃষ্টিকর্তা হয়ে কেন ১২ বছর লাগলো.❓
:
তাও আবার হনুমানের সাহায্যে❗
শয়তানের শক্তি সৃষ্টির্কতা হতে কি
করে বেশি হওয়া সম্ভব❓
_
10th- কৃষ্ণা একজন সৃষ্টিকর্তা হয়ে কি
ভাবে নারীদের স্নানরত_দৃশ্য উপভোগ করেন.❓
:ও তাদের পোষাক_ লুকিয়ে রেখে
দেন❓
11th- গরু হিন্দুদের মা, গরুর পেট থেকে
তো গরুর_বাচ্চা হয়.!
কিন্তু
মানুষের_বাচ্চা তো হয় না.❓
:
তাহলে গরু কি করে মানুষের মা হয়❓
12th- আপনি যাকে বানিয়েছেন সে
বড় নাকি আপনাকে
যে বানিয়েছে সে বড় ❓
উদাহরনঃ
মুর্তি
:
একটু বিবেক দিয়ে চিন্তা করুন কে সত্য।
©️
না.! :আমি just জানতে চাই
:যদি পারেন উত্তর দিবেন.
:1st- শিব ৬০,০০০ বিবাহ করেছিল সে
মারা যাবার পর তার লিঙ্গকে পূজা করা হয় কেন❓
:
একজন শিষ্টাচার হিন্দু কোন যুক্তিকতায়
তার স্ত্রী_দুধ দিয়ে শিবের গোপন_অঙ্গ
ধৌত করে কেন.❓
:
এটা কি কোন সৃষ্টিকর্তার বৈশিষ্ট্য.❓
এমন কুরুচি পূর্ন আদেশ সৃষ্টিকর্তা দিতে
পারেন.❗
-
2nd- শিব তার নিজের ছেলে গনেশকে
চিনতে পারেনি কেন.❓
চিনতে না পারার জন্য ছেলের
গর্দান_কেটে ফেলেছিলেন.!
:
তাহলে তিনি তার সৃষ্টিকে কি করে
চিনবেন.?
:
ভুলে যাওয়া কি সৃষ্টিকর্তার
বৈশিষ্ট্য.❓
_
3rd- দেবদাসীর ও যোগিনীর মত
পতিতা চরিত্রের সাথে ভগবান ও ব্রাহ্মনগন কি অশ্লীলকর্মে লিপ্ত হন.❓
:
যদি তারা প্রকৃতার্থে ভগবান হয়ে
থাকেন❓
_
4th- অশ্লীল ভঙ্গিমায় উলঙ্গ_নারী ,,,
মুখে দাতেঁ রক্ত ও হাতে রক্তাক্ত তলোয়ার.!
কি করে সৃষ্টিকর্তা হতে পারে.❓
উদাহরন-
দূর্গা.❗
_
5th- কৃষ্ণা যদি সৃষ্টিকর্তা হয়। তবে
সে কেন তার মামীর সাথে
অবৈধ_সম্পর্ক রাখলো...❓
:
তবে কি সৃষ্টিকর্তা মানুষের সাথে
এমন অবৈধ কর্মে লিপ্ত হয় যা তারা নিজেরাই আইনের
বর্হিভূত.❓
_
6th- কিভাবে রাম সৃষ্টিকর্তা হতে
পারে.❓
কারন,,,
সে প্রয়োজনে খাবার খেয়েছে, ঘুম
গেছে,
অনেক বিয়ে করেছে, দৈহিক তারনায়,
রাম
নিজের স্ত্রীকে সন্দেহ করেছে.!
এসব কি সৃষ্টিকতার কর্ম হতে পারে ❓
_
7th- যদি রাম সৃষ্টিকর্তাই হন তবে কেন
তিনি হনুমানের সাহায্য চাইবেন.❓
:
তাহলে কি সৃষ্টিকর্তার ক্ষমতার কমতি
আছে.❓
:
_
8th- রাম হনুমানের দু’ভাইকে কেন
অকারনে খুন করলেন.❓
:
যেখানে রামের সাথে তাদের কোন
শত্রুতা ছিল না ❓
:
সৃষ্টিকর্তা হয়ে অপরাধ করা কি সম্ভব.❓
_
9th- রাবন যদি শয়তান হয়ে একদিনে
লঙ্কায় পৌছাঁতে পারে.❗
তবে রাম সৃষ্টিকর্তা হয়ে কেন ১২ বছর লাগলো.❓
:
তাও আবার হনুমানের সাহায্যে❗
শয়তানের শক্তি সৃষ্টির্কতা হতে কি
করে বেশি হওয়া সম্ভব❓
_
10th- কৃষ্ণা একজন সৃষ্টিকর্তা হয়ে কি
ভাবে নারীদের স্নানরত_দৃশ্য উপভোগ করেন.❓
:ও তাদের পোষাক_ লুকিয়ে রেখে
দেন❓
11th- গরু হিন্দুদের মা, গরুর পেট থেকে
তো গরুর_বাচ্চা হয়.!
কিন্তু
মানুষের_বাচ্চা তো হয় না.❓
:
তাহলে গরু কি করে মানুষের মা হয়❓
12th- আপনি যাকে বানিয়েছেন সে
বড় নাকি আপনাকে
যে বানিয়েছে সে বড় ❓
উদাহরনঃ
মুর্তি
:
একটু বিবেক দিয়ে চিন্তা করুন কে সত্য।
©️
👍20😁1