ফিলিস্তিনি কবি, লেখক ও সাহিত্যের অধ্যাপক রিফাত আল আরির ইসরাইলি হামলায় সপরিবারে নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) দক্ষিণ গাজায় ইসরাইলি বাহিনী বিমান হামলা চালালে তিনি, তার এক ভাই, এক বোন ও তার চার সন্তানসহ পরিবারের মোট ৭ জন নিহত হয়।
ড. আল আরির গাজার ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ব সাহিত্য, তুলনামূলক সাহিত্য, শেক্সপিয়র ও সৃজনশীল লেখার একজন অধ্যাপক ছিলেন। তিনি সেখানে ২০০৭ সাল থেকে শিক্ষকতা করছিলেন। তিনি ‘উই আর নট নাম্বারস’ নামে একটি অলাভজনক সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের অন্যতম ছিলেন। সংস্থাটি ফিলিস্তিনের স্বার্থে ফিলিস্তিনি লেখক ও চিন্তাবিদদের একটি নতুন প্রজন্ম গড়ে তুলতে নিবেদিত ছিল।
এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারেও বেশি জনপ্রিয় ছিলেন আল আরির। ‘’ https://twitter.com/itranslate123
নামের অ্যাকাউন্টে উপত্যকার জনগণের বিরুদ্ধে ইসরাইলি বাহিনীর চলমান নৃশংসতা, সেই সাথে মার্কিন প্রশাসনের ভূমিকাসহ গাজার পরিস্থিতি তুলে ধরতেন তিনি।
ড. আল আরির গাজার ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ব সাহিত্য, তুলনামূলক সাহিত্য, শেক্সপিয়র ও সৃজনশীল লেখার একজন অধ্যাপক ছিলেন। তিনি সেখানে ২০০৭ সাল থেকে শিক্ষকতা করছিলেন। তিনি ‘উই আর নট নাম্বারস’ নামে একটি অলাভজনক সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের অন্যতম ছিলেন। সংস্থাটি ফিলিস্তিনের স্বার্থে ফিলিস্তিনি লেখক ও চিন্তাবিদদের একটি নতুন প্রজন্ম গড়ে তুলতে নিবেদিত ছিল।
এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারেও বেশি জনপ্রিয় ছিলেন আল আরির। ‘’ https://twitter.com/itranslate123
নামের অ্যাকাউন্টে উপত্যকার জনগণের বিরুদ্ধে ইসরাইলি বাহিনীর চলমান নৃশংসতা, সেই সাথে মার্কিন প্রশাসনের ভূমিকাসহ গাজার পরিস্থিতি তুলে ধরতেন তিনি।
😢15
ফিলিস্তিন বিষয়ে হুরমতে আকসা কনফারেন্স, পাকিস্তানে শাইখুল ইসলাম মুফতী তাকী উসমানী হাফিযাহুল্লাহ'র ভাষণ
মাসনুন খুতবার পর,
হযরাতে উলামায়ে কেরাম, জাতির নেতৃবর্গ ও উপস্থিত শ্রোতামণ্ডলী! আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি তাআলা ওয়াবারাকাতুহ্!
আমরা এ মুহূর্তে এমন এক বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে ও শুনতে একত্রিত হয়েছি, যদি বলি তা অতিরঞ্জন হবে না, এটি পাকিস্তানের বাইশ কোটি মানুষের হৃদয়ের স্পন্দন। আর তা হলো- ফি]লিস্তিন সমস্যা। ইতিপূর্বে অনেক উৎসাহ-উদ্দীপক জোরালো বক্তৃতা হয়ে গেছে। অনেক বিষয়ে মতামতও ব্যক্ত করা হয়েছে এবং প্রস্তাবনাও পেশ করা হয়েছে। আমি সেগুলোর পুনরাবৃত্তি না করে কয়েকটি সূক্ষ্মবিষয়ের প্রতি আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই।
প্রথমকথা হলো, আলহামদুলিল্লাহ, সবাই একবাক্যে স্বীকার করেছেন, ইস]রাইল গা[জ্জার বাসিন্দাদের সাথে সে বর্বরতা ও হিংস্রতার প্রদর্শনী করছে, তারা মানবতার সকল মূল্যবোধকে পদদলিত করে চলেছে। এতে প্রমাণিত হয়েছে এই নিকৃষ্ট নাপাক দুশমনের কাছে ন্যূনতম মানবতাবোধও অবশিষ্ট নেই। সকলেই যার নিন্দা করেছে।
কিন্তু কতক বিষয়ে ভুল বুঝাবুঝি ও বিভ্রান্তির সৃষ্টি হচ্ছে, আমি আপনাদের সামনে তা সংক্ষেপে নিরসন করতে চাই।
সারাবিশ্ব ও বিভিন্ন সংস্থার পক্ষ হতে, এমনকি মুসলিম রাষ্ট্রসংঘ ওআইসির পক্ষ হতে ফিলি]স্তিনের চলমান সংকটে যে প্রস্তাব পেশ করা হয়েছে, তা হলো যুদ্ধবিরতি তা যুদ্ধবন্ধের প্রস্তাব। যুদ্ধবন্ধের অর্থ হলো ইস]রাইলকেও এ যুদ্ধ থেকে বিরত রাখতে হবে এবং হা]মাসকেও যুদ্ধ থেকে বিরত রাখতে হবে। যুদ্ধবন্ধের সাধারণ অর্থ এটাই।
কিন্তু প্রকৃত প্রস্তাব হলো, আমাদের দাবি গা[জ্জার ওপর ইস]রাইলের বোম্বিং বন্ধ করতে হবে, হা]মাসের স্বাধীনতা যুদ্ধ বন্ধ নয়। হামা[সের জানবাজ ও লড়াকু মুজা]হিদরা তাদের জন্মগত অধিকার ও ইসলামের ভিত্তিতে ফিলি]স্তিনের পূর্ণভূমিকে ইসরা]ইলের দখলদারিত্ব থেকে মুক্ত করতে নেমেছে। এ যুদ্ধ থামিয়ে দেওয়ার যুদ্ধ নয়। এ যুদ্ধ অমিমাংসিত শেষ করার যুদ্ধ নয়। এটি ততদিন অব্যহত থাকতে হবে এবং থাকা উচিত, যতদিন না পূর্ণ ফিলি]স্তিনভূমি ইসরা]ইলের কব্জা থেকে মুক্ত হবে।
এ কারণে আমাদের প্রস্তাব যুদ্ধবন্ধের নয়। যদি ইস]রাইল সাধারণ নাগরিকদের ওপর বোম্বিং করার পরিবর্তে খোলাখুলি যুদ্ধের ময়দানে হামা]সের মোকাবেলা করতে চায়, তা হলে মোকাবেলা করুক। লড়াই চলতে থাকবে। যতক্ষণ পর্যন্ত ওদের একটি ট্যাঙ্কও অবশিষ্ট থাকবে, ততদিন হামা]সের প্রতিরোধযুদ্ধ চলতে থাকবে।
এজন্য অনুভূতিসম্পন্ন যেকোনো মানুষ ও সচেতন যেকোনো মুসলমানের দাবি যুদ্ধবন্ধের পরিবর্তে ইস]রাইলের একতরফা বোমাহামলার বন্ধের হওয়া উচিত। ইস]রাইল তার পরাজয় আড়াল করার জন্য নিজের বিপর্যয়ের প্রতিশোধ নিরীহ শিশু নারী ও সাধারণ নাগরিকদের কাছ থেকে নিচ্ছে। এই যুদ্ধাপরাধের বন্ধের দাবী ওঠা উচিত, যুদ্ধবন্ধের নয়। এ যুদ্ধ ইনশাআল্লাহ বিজয় অর্জিত হওয়া পর্যন্ত অব্যহত থাকবে।
দ্বিতীয় যে কথা আরজ করতে চাই তা হলো, বারবার সরকারগুলোর পক্ষ হতে এবং অনেক শান্তিপ্রিয় লোকদের পক্ষ হতে ভুল বুঝাবুঝির কারণে ফিলি]স্তিনে দু'রাষ্ট্র সমাধান প্রস্তাব করা হয়। অর্থাৎ সেখানে দুই রাষ্ট্র কায়েম হওয়াকে সমাধান মনে করা হয়। একটি ইস]রাইল রাষ্ট্র, অপরটি ফি]লিস্তিন রাষ্ট্র। এটা সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর প্রস্তাব, আমরা তা সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করছি। আমরা প্রথমদিন থেকেই ইস]রাইল প্রতিষ্ঠার ঘোর বিরোধী। আমাদের পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা সেই প্রথমদিনই ইস]রাইলকে পশ্চিমা অপশক্তির জার[জ সন্তান আখ্যা দিয়েছিল। আমরা এখনো সেই বিশ্বাসে অটল আছি। কাজেই ইসরা]ইলের অধিকৃত অঞ্চল ইসরা]ইলের, এবং গা[জ্জা ও পশ্চিমতীর মুসলমানদের, এ প্রস্তাব কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। কাজেই দু রাষ্ট্র সমাধান এর দাবি থেকে বিরত থাকা উচিত।
তৃতীয় কথা, সারাবিশ্বে এমনকি পশ্চিমাপ্রোপাগাণ্ডায় প্রভাবিত মুসলমান হুকুমতগুলোতেও এক চরম বিভ্রান্তি বিরাজ রয়েছে। আর তা হলো, পশ্চিমা দেশগুলো, বিশেষকরে আমে]রিকার এক চক্রান্ত হলো, যখনই কোনো জাতি দখদারিত্বের বিরুদ্ধে যুদ্ধজি]হাদের জন্য দাঁড়ায়, তখনই তাদেরকে সন্ত্রাসী টেরোরিস্ট আখ্যা দিয়ে সারা দুনিয়ায় তাদের দুর্নাম করা হয়। এই নীতিতেই তারা আমাদের কাশ]মীরের স্বাধীনতাকামী মুজা]হিদীনকে সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়েছে এবং দিয়ে যাচ্ছে। একটি দীর্ঘসময় পর্যন্ত আফ[গানি]স্তানের তালি]বানকেও টেররিষ্ট বলা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত তারা নতজানু হয়ে একটেবিলে বসে আল্লাহর মেহেরবানীতে তালি]বানদের স্বীকৃতি দিতে বাধ্য হয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত তালি]বান বিজয় লাভ করেছে। এই অভিন্ন
মাসনুন খুতবার পর,
হযরাতে উলামায়ে কেরাম, জাতির নেতৃবর্গ ও উপস্থিত শ্রোতামণ্ডলী! আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি তাআলা ওয়াবারাকাতুহ্!
আমরা এ মুহূর্তে এমন এক বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে ও শুনতে একত্রিত হয়েছি, যদি বলি তা অতিরঞ্জন হবে না, এটি পাকিস্তানের বাইশ কোটি মানুষের হৃদয়ের স্পন্দন। আর তা হলো- ফি]লিস্তিন সমস্যা। ইতিপূর্বে অনেক উৎসাহ-উদ্দীপক জোরালো বক্তৃতা হয়ে গেছে। অনেক বিষয়ে মতামতও ব্যক্ত করা হয়েছে এবং প্রস্তাবনাও পেশ করা হয়েছে। আমি সেগুলোর পুনরাবৃত্তি না করে কয়েকটি সূক্ষ্মবিষয়ের প্রতি আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই।
প্রথমকথা হলো, আলহামদুলিল্লাহ, সবাই একবাক্যে স্বীকার করেছেন, ইস]রাইল গা[জ্জার বাসিন্দাদের সাথে সে বর্বরতা ও হিংস্রতার প্রদর্শনী করছে, তারা মানবতার সকল মূল্যবোধকে পদদলিত করে চলেছে। এতে প্রমাণিত হয়েছে এই নিকৃষ্ট নাপাক দুশমনের কাছে ন্যূনতম মানবতাবোধও অবশিষ্ট নেই। সকলেই যার নিন্দা করেছে।
কিন্তু কতক বিষয়ে ভুল বুঝাবুঝি ও বিভ্রান্তির সৃষ্টি হচ্ছে, আমি আপনাদের সামনে তা সংক্ষেপে নিরসন করতে চাই।
সারাবিশ্ব ও বিভিন্ন সংস্থার পক্ষ হতে, এমনকি মুসলিম রাষ্ট্রসংঘ ওআইসির পক্ষ হতে ফিলি]স্তিনের চলমান সংকটে যে প্রস্তাব পেশ করা হয়েছে, তা হলো যুদ্ধবিরতি তা যুদ্ধবন্ধের প্রস্তাব। যুদ্ধবন্ধের অর্থ হলো ইস]রাইলকেও এ যুদ্ধ থেকে বিরত রাখতে হবে এবং হা]মাসকেও যুদ্ধ থেকে বিরত রাখতে হবে। যুদ্ধবন্ধের সাধারণ অর্থ এটাই।
কিন্তু প্রকৃত প্রস্তাব হলো, আমাদের দাবি গা[জ্জার ওপর ইস]রাইলের বোম্বিং বন্ধ করতে হবে, হা]মাসের স্বাধীনতা যুদ্ধ বন্ধ নয়। হামা[সের জানবাজ ও লড়াকু মুজা]হিদরা তাদের জন্মগত অধিকার ও ইসলামের ভিত্তিতে ফিলি]স্তিনের পূর্ণভূমিকে ইসরা]ইলের দখলদারিত্ব থেকে মুক্ত করতে নেমেছে। এ যুদ্ধ থামিয়ে দেওয়ার যুদ্ধ নয়। এ যুদ্ধ অমিমাংসিত শেষ করার যুদ্ধ নয়। এটি ততদিন অব্যহত থাকতে হবে এবং থাকা উচিত, যতদিন না পূর্ণ ফিলি]স্তিনভূমি ইসরা]ইলের কব্জা থেকে মুক্ত হবে।
এ কারণে আমাদের প্রস্তাব যুদ্ধবন্ধের নয়। যদি ইস]রাইল সাধারণ নাগরিকদের ওপর বোম্বিং করার পরিবর্তে খোলাখুলি যুদ্ধের ময়দানে হামা]সের মোকাবেলা করতে চায়, তা হলে মোকাবেলা করুক। লড়াই চলতে থাকবে। যতক্ষণ পর্যন্ত ওদের একটি ট্যাঙ্কও অবশিষ্ট থাকবে, ততদিন হামা]সের প্রতিরোধযুদ্ধ চলতে থাকবে।
এজন্য অনুভূতিসম্পন্ন যেকোনো মানুষ ও সচেতন যেকোনো মুসলমানের দাবি যুদ্ধবন্ধের পরিবর্তে ইস]রাইলের একতরফা বোমাহামলার বন্ধের হওয়া উচিত। ইস]রাইল তার পরাজয় আড়াল করার জন্য নিজের বিপর্যয়ের প্রতিশোধ নিরীহ শিশু নারী ও সাধারণ নাগরিকদের কাছ থেকে নিচ্ছে। এই যুদ্ধাপরাধের বন্ধের দাবী ওঠা উচিত, যুদ্ধবন্ধের নয়। এ যুদ্ধ ইনশাআল্লাহ বিজয় অর্জিত হওয়া পর্যন্ত অব্যহত থাকবে।
দ্বিতীয় যে কথা আরজ করতে চাই তা হলো, বারবার সরকারগুলোর পক্ষ হতে এবং অনেক শান্তিপ্রিয় লোকদের পক্ষ হতে ভুল বুঝাবুঝির কারণে ফিলি]স্তিনে দু'রাষ্ট্র সমাধান প্রস্তাব করা হয়। অর্থাৎ সেখানে দুই রাষ্ট্র কায়েম হওয়াকে সমাধান মনে করা হয়। একটি ইস]রাইল রাষ্ট্র, অপরটি ফি]লিস্তিন রাষ্ট্র। এটা সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর প্রস্তাব, আমরা তা সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করছি। আমরা প্রথমদিন থেকেই ইস]রাইল প্রতিষ্ঠার ঘোর বিরোধী। আমাদের পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা সেই প্রথমদিনই ইস]রাইলকে পশ্চিমা অপশক্তির জার[জ সন্তান আখ্যা দিয়েছিল। আমরা এখনো সেই বিশ্বাসে অটল আছি। কাজেই ইসরা]ইলের অধিকৃত অঞ্চল ইসরা]ইলের, এবং গা[জ্জা ও পশ্চিমতীর মুসলমানদের, এ প্রস্তাব কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। কাজেই দু রাষ্ট্র সমাধান এর দাবি থেকে বিরত থাকা উচিত।
তৃতীয় কথা, সারাবিশ্বে এমনকি পশ্চিমাপ্রোপাগাণ্ডায় প্রভাবিত মুসলমান হুকুমতগুলোতেও এক চরম বিভ্রান্তি বিরাজ রয়েছে। আর তা হলো, পশ্চিমা দেশগুলো, বিশেষকরে আমে]রিকার এক চক্রান্ত হলো, যখনই কোনো জাতি দখদারিত্বের বিরুদ্ধে যুদ্ধজি]হাদের জন্য দাঁড়ায়, তখনই তাদেরকে সন্ত্রাসী টেরোরিস্ট আখ্যা দিয়ে সারা দুনিয়ায় তাদের দুর্নাম করা হয়। এই নীতিতেই তারা আমাদের কাশ]মীরের স্বাধীনতাকামী মুজা]হিদীনকে সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়েছে এবং দিয়ে যাচ্ছে। একটি দীর্ঘসময় পর্যন্ত আফ[গানি]স্তানের তালি]বানকেও টেররিষ্ট বলা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত তারা নতজানু হয়ে একটেবিলে বসে আল্লাহর মেহেরবানীতে তালি]বানদের স্বীকৃতি দিতে বাধ্য হয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত তালি]বান বিজয় লাভ করেছে। এই অভিন্ন
নীতি তারা ফিলি]স্তিনেও প্রয়োগ করেছে।
হা]মাস একটি রাজনৈতিক শক্তি। এটা নিছক যুদ্ধবাজ গোষ্ঠী নয়। আমার আক্ষেপ লাগে, মিডিয়ায় ওদেরকে 'যুদ্ধকামী গোষ্ঠী' আখ্যা দেওয়া হয়। অথচ এরা সকলে মুজা]হিদ, পবিত্র জিহা]দে রত। একটু আগে জনাব ইসমাইল হা]নিয়া বলেছেন, এদের অধিকাংশই হাফিজে কুরআন। অন্যরাও কুরআনের অনেক সূরা মুখস্ত জানে। তিনি আরও বলেছেন, হামা]সের সদস্যদেরকে বিশেষায়িত তারবিয়াত করা হয়। হামা]সে ভর্তি হওয়ার পূর্বে তাদেরকে বিশেষ তরবিয়াতের নানা ধাপ অতিক্রম করতে হয়, তারপর হামা]সে দাখিল করা হয়। এরা সবাই প্রকৃত মুজা]হিদ, যারা আত্মরক্ষায় লড়াই করছে।
একারণে পশ্চিমারা ওদেরকে সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়েছে। প্রকৃত প্রস্তাবে সন্ত্রাসী হলো ইস]রাইল, যারা পঁচাত্তর বছর থেকে নির্বিচারে গণহত্যা চালিয়ে আসছে। কাজেই হা]মাস একটি জনবিচ্ছিন্ন সংগঠন, এরা ফিলি]স্তিনের প্রতিনিধিত্ব করে না, এ জাতিয় বিভ্রান্তিকর কথা প্রচার থেকে বিরত থাকা উচিত। হামা]স পুরো ফিলি]স্তিনের মুখপাত্র।
চতুর্থ কথা হলো, ইতিপূর্বে অনেক উলামায়ে কেরাম ও নেতৃবৃন্দ বলেছেন এবং আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন যে, মুসলমানদের ওপর এহেন জুলম ও নির্বিচার হত্যা সত্ত্বেও, যেখানে মাসুম শিশু নারীর রক্তাক্ত বিভৎস ও ভয়ার্ত চেহারা সহ্য করার মত নয়, এতদসত্ত্বেও মুসলিম সরকারগুলোর পক্ষ হতে আশানুরূপ পদক্ষেপ লক্ষ করা যায়নি। কেবল মৌখিক নিন্দাবিবৃতি ও সামান্য ত্রাণসামগ্রি পাঠানো ছাড়া তেমন কোনো কার্যকরি পদক্ষেপ দেখা যায়নি। আমরা সরকারগুলোর ত্রাণতৎপরতার কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
কিন্তু আফসোসের বিষয় হলো আমাদের শাসকগোষ্ঠীর যেই সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত ছিল, তা এখনো তারা করতে পারেনি। জনাব ইসমাইল হা]নিয়া সাহেবও আক্ষেপ করে সেই কথাই বলেছেন- "আমরা চাই না, আপনারা আমাদের পক্ষে সেখানে হামলা করুন। আমরা চাই আপনারা গা]জ্জাবাসীকে যথাসাধ্য সাহায্য করুন এবং এতে কোনোরূপ ত্রুটি করা হতে বিরত থাকুন।"
আমি এ প্রেক্ষিতে আপনাদের সম্মুখে শরীয়তের বিধান অবহিত করতে চাই। শরীয়তের বিধান হলো, মুসলমানদের কোনো ভূখণ্ডের ওপর যখন অন্য কেউ দখলদারিত্ব কায়েম করে নেয়, কিংবা কোনো কা]ফির শাসক চেপে বসে, তখন মুসলমানদের ওপর জি]হাদ করা ফরজ হয়ে যায়। এই জি]হাদ প্রথমে সে ভূখন্ডের মুসলমানদের ওপর ফরজ হয়, তারপর তৎপার্শ্ববর্তী মুসলিমদের ওপর ফরজ। এভাবে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য মুসলিমদের ওপর নিজ নিজ শক্তি স্বামর্থানুসারে জিহা]দ ফরজ হয়ে যায়।
আমি একজন তালিবে ইলম হিসাবে আরজ করতে চাই, বিশ্বের সমস্ত মুসলমানদের ওপর এ অর্থে জি]হাদ ফরজ যে, তারা নিজ নিজ সামর্থানুসারে সাধ্যমত হা]মাস ও গা]জ্জাবাসীকে সাহায্য সহযোগিতা করবে।
আমি আপনাদের সম্মুখে কুরআনুল কারীমের দুটি আয়াত পড়ে শোনাব। আমি মনে করি, আয়াত দুটি আজকের এ সম্মেলনের পয়গাম ও বার্তা হওয়া উচিত, বিশ্বের সমগ্র মুসলমানদের প্রতি।
প্রথম আয়াত, সূরা নিসায় আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন :
وَ مَا لَکُمۡ لَا تُقَاتِلُوۡنَ فِیۡ سَبِیۡلِ اللّٰہِ وَ الۡمُسۡتَضۡعَفِیۡنَ مِنَ الرِّجَالِ وَ النِّسَآءِ وَ الۡوِلۡدَانِ الَّذِیۡنَ یَقُوۡلُوۡنَ رَبَّنَاۤ اَخۡرِجۡنَا مِنۡ ہٰذِہِ الۡقَرۡیَۃِ الظَّالِمِ اَہۡلُہَا ۚ وَ اجۡعَلۡ لَّنَا مِنۡ لَّدُنۡکَ وَلِیًّا ۚۙ وَّ اجۡعَلۡ لَّنَا مِنۡ لَّدُنۡکَ نَصِیۡرًا ﴿ؕ۷۵﴾
اَلَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا یُقَاتِلُوۡنَ فِیۡ سَبِیۡلِ اللّٰہِ ۚ وَ الَّذِیۡنَ کَفَرُوۡا یُقَاتِلُوۡنَ فِیۡ سَبِیۡلِ الطَّاغُوۡتِ فَقَاتِلُوۡۤا اَوۡلِیَآءَ الشَّیۡطٰنِ ۚ اِنَّ کَیۡدَ الشَّیۡطٰنِ کَانَ ضَعِیۡفًا ﴿٪۷۶﴾
আল্লাহ তাআলা সকল মুসলিমদের লক্ষ করে বলছেন, তোমাদের কি হয়ে গেল যে, তোমরা যুদ্ধ করবে না আল্লাহর পথে এবং অসহায় নরনারী এবং শিশুদের জন্য, যারা এ বলে দুআ করছে, ‘হে আমাদের রব! এ জনপদ, যার অধিবাসীরা যালিম, সেখান থেকে আমাদেরকে বের করে নিন। আর আমাদের জন্য আপনার পক্ষ থেকে কাউকে অভিভাবকরূপে পাঠান এবং আপনার পক্ষ থেকে কাউকে আমাদের সহায়করূপে প্রেরণ করুন।’
যারা মুমিন তারা আল্লাহর পথে যুদ্ধ করে, আর যারা কফের তারা তা]গূতের পথে যুদ্ধ করে। কাজেই তোমরা শয়তানের বন্ধুদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কর; শয়তানের কৌশল অবশ্যই দুর্বল। (সূরা নিসা : ৭৫-৭৬)
আল্লাহ তাআলা নারী শিশু ও দুর্বল পুরুষদের দোহাই দিয়ে বলছেন, তোমাদের কী হলো যে, তোমরা এদেরকে উদ্ধার করার জন্য জিহাদ করছো না?
হা]মাস একটি রাজনৈতিক শক্তি। এটা নিছক যুদ্ধবাজ গোষ্ঠী নয়। আমার আক্ষেপ লাগে, মিডিয়ায় ওদেরকে 'যুদ্ধকামী গোষ্ঠী' আখ্যা দেওয়া হয়। অথচ এরা সকলে মুজা]হিদ, পবিত্র জিহা]দে রত। একটু আগে জনাব ইসমাইল হা]নিয়া বলেছেন, এদের অধিকাংশই হাফিজে কুরআন। অন্যরাও কুরআনের অনেক সূরা মুখস্ত জানে। তিনি আরও বলেছেন, হামা]সের সদস্যদেরকে বিশেষায়িত তারবিয়াত করা হয়। হামা]সে ভর্তি হওয়ার পূর্বে তাদেরকে বিশেষ তরবিয়াতের নানা ধাপ অতিক্রম করতে হয়, তারপর হামা]সে দাখিল করা হয়। এরা সবাই প্রকৃত মুজা]হিদ, যারা আত্মরক্ষায় লড়াই করছে।
একারণে পশ্চিমারা ওদেরকে সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়েছে। প্রকৃত প্রস্তাবে সন্ত্রাসী হলো ইস]রাইল, যারা পঁচাত্তর বছর থেকে নির্বিচারে গণহত্যা চালিয়ে আসছে। কাজেই হা]মাস একটি জনবিচ্ছিন্ন সংগঠন, এরা ফিলি]স্তিনের প্রতিনিধিত্ব করে না, এ জাতিয় বিভ্রান্তিকর কথা প্রচার থেকে বিরত থাকা উচিত। হামা]স পুরো ফিলি]স্তিনের মুখপাত্র।
চতুর্থ কথা হলো, ইতিপূর্বে অনেক উলামায়ে কেরাম ও নেতৃবৃন্দ বলেছেন এবং আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন যে, মুসলমানদের ওপর এহেন জুলম ও নির্বিচার হত্যা সত্ত্বেও, যেখানে মাসুম শিশু নারীর রক্তাক্ত বিভৎস ও ভয়ার্ত চেহারা সহ্য করার মত নয়, এতদসত্ত্বেও মুসলিম সরকারগুলোর পক্ষ হতে আশানুরূপ পদক্ষেপ লক্ষ করা যায়নি। কেবল মৌখিক নিন্দাবিবৃতি ও সামান্য ত্রাণসামগ্রি পাঠানো ছাড়া তেমন কোনো কার্যকরি পদক্ষেপ দেখা যায়নি। আমরা সরকারগুলোর ত্রাণতৎপরতার কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
কিন্তু আফসোসের বিষয় হলো আমাদের শাসকগোষ্ঠীর যেই সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত ছিল, তা এখনো তারা করতে পারেনি। জনাব ইসমাইল হা]নিয়া সাহেবও আক্ষেপ করে সেই কথাই বলেছেন- "আমরা চাই না, আপনারা আমাদের পক্ষে সেখানে হামলা করুন। আমরা চাই আপনারা গা]জ্জাবাসীকে যথাসাধ্য সাহায্য করুন এবং এতে কোনোরূপ ত্রুটি করা হতে বিরত থাকুন।"
আমি এ প্রেক্ষিতে আপনাদের সম্মুখে শরীয়তের বিধান অবহিত করতে চাই। শরীয়তের বিধান হলো, মুসলমানদের কোনো ভূখণ্ডের ওপর যখন অন্য কেউ দখলদারিত্ব কায়েম করে নেয়, কিংবা কোনো কা]ফির শাসক চেপে বসে, তখন মুসলমানদের ওপর জি]হাদ করা ফরজ হয়ে যায়। এই জি]হাদ প্রথমে সে ভূখন্ডের মুসলমানদের ওপর ফরজ হয়, তারপর তৎপার্শ্ববর্তী মুসলিমদের ওপর ফরজ। এভাবে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য মুসলিমদের ওপর নিজ নিজ শক্তি স্বামর্থানুসারে জিহা]দ ফরজ হয়ে যায়।
আমি একজন তালিবে ইলম হিসাবে আরজ করতে চাই, বিশ্বের সমস্ত মুসলমানদের ওপর এ অর্থে জি]হাদ ফরজ যে, তারা নিজ নিজ সামর্থানুসারে সাধ্যমত হা]মাস ও গা]জ্জাবাসীকে সাহায্য সহযোগিতা করবে।
আমি আপনাদের সম্মুখে কুরআনুল কারীমের দুটি আয়াত পড়ে শোনাব। আমি মনে করি, আয়াত দুটি আজকের এ সম্মেলনের পয়গাম ও বার্তা হওয়া উচিত, বিশ্বের সমগ্র মুসলমানদের প্রতি।
প্রথম আয়াত, সূরা নিসায় আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন :
وَ مَا لَکُمۡ لَا تُقَاتِلُوۡنَ فِیۡ سَبِیۡلِ اللّٰہِ وَ الۡمُسۡتَضۡعَفِیۡنَ مِنَ الرِّجَالِ وَ النِّسَآءِ وَ الۡوِلۡدَانِ الَّذِیۡنَ یَقُوۡلُوۡنَ رَبَّنَاۤ اَخۡرِجۡنَا مِنۡ ہٰذِہِ الۡقَرۡیَۃِ الظَّالِمِ اَہۡلُہَا ۚ وَ اجۡعَلۡ لَّنَا مِنۡ لَّدُنۡکَ وَلِیًّا ۚۙ وَّ اجۡعَلۡ لَّنَا مِنۡ لَّدُنۡکَ نَصِیۡرًا ﴿ؕ۷۵﴾
اَلَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا یُقَاتِلُوۡنَ فِیۡ سَبِیۡلِ اللّٰہِ ۚ وَ الَّذِیۡنَ کَفَرُوۡا یُقَاتِلُوۡنَ فِیۡ سَبِیۡلِ الطَّاغُوۡتِ فَقَاتِلُوۡۤا اَوۡلِیَآءَ الشَّیۡطٰنِ ۚ اِنَّ کَیۡدَ الشَّیۡطٰنِ کَانَ ضَعِیۡفًا ﴿٪۷۶﴾
আল্লাহ তাআলা সকল মুসলিমদের লক্ষ করে বলছেন, তোমাদের কি হয়ে গেল যে, তোমরা যুদ্ধ করবে না আল্লাহর পথে এবং অসহায় নরনারী এবং শিশুদের জন্য, যারা এ বলে দুআ করছে, ‘হে আমাদের রব! এ জনপদ, যার অধিবাসীরা যালিম, সেখান থেকে আমাদেরকে বের করে নিন। আর আমাদের জন্য আপনার পক্ষ থেকে কাউকে অভিভাবকরূপে পাঠান এবং আপনার পক্ষ থেকে কাউকে আমাদের সহায়করূপে প্রেরণ করুন।’
যারা মুমিন তারা আল্লাহর পথে যুদ্ধ করে, আর যারা কফের তারা তা]গূতের পথে যুদ্ধ করে। কাজেই তোমরা শয়তানের বন্ধুদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কর; শয়তানের কৌশল অবশ্যই দুর্বল। (সূরা নিসা : ৭৫-৭৬)
আল্লাহ তাআলা নারী শিশু ও দুর্বল পুরুষদের দোহাই দিয়ে বলছেন, তোমাদের কী হলো যে, তোমরা এদেরকে উদ্ধার করার জন্য জিহাদ করছো না?
দ্বিতীয় আয়াত হলো, সূরা তাওবায় আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন :
قُلۡ اِنۡ کَانَ اٰبَآؤُکُمۡ وَ اَبۡنَآؤُکُمۡ وَ اِخۡوَانُکُمۡ وَ اَزۡوَاجُکُمۡ وَ عَشِیۡرَتُکُمۡ وَ اَمۡوَالُۨ اقۡتَرَفۡتُمُوۡہَا وَ تِجَارَۃٌ تَخۡشَوۡنَ کَسَادَہَا وَ مَسٰکِنُ تَرۡضَوۡنَہَاۤ اَحَبَّ اِلَیۡکُمۡ مِّنَ اللّٰہِ وَ رَسُوۡلِہٖ وَ جِہَادٍ فِیۡ سَبِیۡلِہٖ فَتَرَبَّصُوۡا حَتّٰی یَاۡتِیَ اللّٰہُ بِاَمۡرِہٖ ؕ وَ اللّٰہُ لَا یَہۡدِی الۡقَوۡمَ الۡفٰسِقِیۡنَ ﴿٪۲۴﴾
আল্লাহ তাআলা নবীজি সা.কে লক্ষ্য করে বলেন, আপনি সবাইকে বলে দিন, ‘যদি তোমাদের নিকট তোমাদের পিতৃবর্গ, তোমাদের সন্তানেরা, তোমাদের ভ্রাতাগণ, তোমাদের স্ত্রীগণ, তোমাদের আপনগোষ্ঠী, তোমাদের অর্জিত সম্পদ, তোমাদের ব্যবসা-বাণিজ্য যার মন্দা পড়ার আশংকা কর এবং তোমাদের বাসস্থান যা তোমরা ভালবাস, আল্লাহ্, তাঁর রাসূল এবং তাঁর (আল্লাহ্র) পথে জি]হাদ করার চেয়ে বেশি প্রিয় হয়, তবে অপেক্ষা কর আল্লাহ্ তাঁর নির্দেশ নিয়ে আসা পর্যন্ত।’ আর আল্লাহ্ ফাসিক সম্প্রদায়কে হেদায়াত দেনা না। (সূরা তাওবা : ২৪)
শেষ কথা।
আমি অত্যন্ত বিনয়ের সাথে আরজ করতে চাই। আমাদের এ সম্মেলনে মুসলিম শাসকদের বেশ সমালোচনা হয়েছে। এর বেশিভাগই যথার্থ ছিল। তানকীদ ও সমালোচনা নিশ্চয় আমাদের অধিকার। আমরা অবশ্যই একথার আদিষ্ট, যে বিষয়টিকে আমরা হক মনে করবো, তা শাসকশ্রেণীর কাছে পৌঁছে দেব।
তবে বিষয়টি 'মুখাসামাত' তথা ঝগড়াবিতর্কের আবহে নয়, বরং 'মুফাহামাত' তথা তাদের বোঝানো ও নসীহতের আবহে হওয়া উচিত। কারণ, আমাদের দীন সকল মুসলিমের জন্য নসীহত তথা কল্যাণকামিতার আদেশ করেছে। "আননুসহু লিকুল্লি মুসলিম" এর মধ্যে "আননুসহু লি উলিল আমর"ও আহলে ইলমের দায়িত্ব।
সেসূত্রে আমি বলতে চাই, আমি আমার অন্তরকে ভালোভাবে যাচাই করে, আল্লাহর দিকে রুজু করে এবং তাঁর কাছে দুআ ও ইস্তিখারা করে আমি বুঝতে সক্ষম হয়েছি-
ইতিহাসে কিছু মুহূর্ত এমন আসে, যদি সে মুহূর্তে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে ভুল করা হয়, তাহলে শত শত বছর সেভুলের মাশুল গুণতে হয়। প্রসিদ্ধ উক্তি আছে-
لمحوں نے خطا کی ہے، صدیوں نے سزا پائی ۔
"মুহূর্ত করেছে ভুল, শতবর্ষ গুণেছে মাশুল।"
ইতিহাসে এমন মুহূর্ত আসে, যখন হিম্মত ও সাহসিকতার সাথে পদক্ষেপ নিয়ে এবং ত্যাগ ও কুরবানীর সর্বোচ্চ পারাকাষ্ঠা দেখিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হয়। যদি সেই সঠিক সিদ্ধান্ত যথাসময়ে নেওয়া না-হয়, তখন শত শত বছর তার ক্ষতি ও গ্লানির বোঝা টানতে হয়। আমি মনে করি, এখন ইতিহাসের সেই যুগসন্ধি অতিক্রম করছে।
আপনারা সকলে অবগত, যা অস্বীকার করার উপায় নেই, সমগ্র ইসলামী বিশ্ব, মরক্কো থেকে ইন্দোনেশিয়া পর্যন্ত সমগ্র মুসলিমবিশ্ব পশ্চিমা দাসবৃত্তির শিকার। কেউ কি অস্বীকার করতে পারবে যে, আমরা গোলামী জীবনযাপন করছি? সর্বক্ষেত্রেই চলছে এ গোলামী- অর্থনীতি, সমরনীতি রাজনীতি সর্বক্ষেত্রে। এ গোলামীর শেষ কোথায়? অথচ মরক্কো থেকে ইন্দোনেশিয়া পর্যন্ত সমগ্র মুসলিম দুনিয়াকে আল্লাহ তাআলা যে প্রাকৃতিক সম্পদসমৃদ্ধি দান করেছেন, তা আরও কাউকে দেননি। মুসলিম উম্মাহ পৃথিবীর কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত। তাদের হাতে সেসব বিস্তৃত মরুঅঞ্চল রয়েছে, যদ্দ্বারা তারা সমগ্র দুনিয়া নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। ... সুয়েজ খাল তাদের হাতে। এডেন উপসাগর তাদের হাতে। দুনিয়ার সবচেয়ে বেশি তরল সোনা তথা তেলসম্পদ তাদের হাতে। ... তারপরেও কেন তাদেরকে গোলামির জীবন কাটাতে হবে? এর কারণ কি?
কারণ একটিই, যা নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়ানাল্লাম বলে গেছেন। তিনি বলেছেন : মুসলমান অধিক হওয়ার পরেও খড়কুটার মত ভেসে যাবে। কারণ, তারা জীবনকে বেশি ভালোবাসবে, মৃত্যুকে ভয় করবে এবং জি]হাদ ফী সাবিলিল্লাহ'কে পরিত্যাগ করবে।
আজ আমাদের সুরতহাল সেটাই জানান দিচ্ছে।
আজ হা]মাসের বীর মুজা]হিদরা আমাদের জন্য মুক্তির মহাসুযোগ এনে দিয়েছে, পরাধীনকার শৃঙ্খল ভেঙে স্বাধীনতার, পশ্চিমের জোঁয়াল কাঁধ থেকে ছুড়ে ফেলার। হা]মাস সেসুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। যদি সমগ্র মুসলিম দুনিয়া ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাদের সঙ্গ দেয় এবং তাদের জন্য আত্মরক্ষার যৌথ পলিসি গ্রহণ করে, আমি ইয়াকীনের সাথে বলতে পারি আমে]রিকা বৃ]টেনও পশ্চিমাশক্তি কিছুই করতে পারবে না। কারণ, খোদায়ী আমে]রিকার নয়, খোদায়ী আমে]রিকার হাতে নেই। খোদায়ী আল্লাহরই হাতে। সুপার পাওয়ার আমে]রিকা নয়, সুপ্রিম পাওয়ার আল্লাহই।
কাজেই যদি আমরা সিদ্ধান্ত নিতে পারি, আমাদেরকে পেটে পাথর বাঁধার প্রয়োজন পড়লে পাথর বাঁধব, যেকোনো ত্যাগ ও কুরবানীর প্রয়োজন পড়ে, তা দেব। গুলির সামনে বুক চিতিয়ে দাঁড়াব। কামানের সামনে দাঁড়াব, তা হলে আমে]রিকা বা দুনিয়ার কোনো শক্তি নেই আমাদের পরাজিত করতে পারে। আল্লাহ তাআলা
قُلۡ اِنۡ کَانَ اٰبَآؤُکُمۡ وَ اَبۡنَآؤُکُمۡ وَ اِخۡوَانُکُمۡ وَ اَزۡوَاجُکُمۡ وَ عَشِیۡرَتُکُمۡ وَ اَمۡوَالُۨ اقۡتَرَفۡتُمُوۡہَا وَ تِجَارَۃٌ تَخۡشَوۡنَ کَسَادَہَا وَ مَسٰکِنُ تَرۡضَوۡنَہَاۤ اَحَبَّ اِلَیۡکُمۡ مِّنَ اللّٰہِ وَ رَسُوۡلِہٖ وَ جِہَادٍ فِیۡ سَبِیۡلِہٖ فَتَرَبَّصُوۡا حَتّٰی یَاۡتِیَ اللّٰہُ بِاَمۡرِہٖ ؕ وَ اللّٰہُ لَا یَہۡدِی الۡقَوۡمَ الۡفٰسِقِیۡنَ ﴿٪۲۴﴾
আল্লাহ তাআলা নবীজি সা.কে লক্ষ্য করে বলেন, আপনি সবাইকে বলে দিন, ‘যদি তোমাদের নিকট তোমাদের পিতৃবর্গ, তোমাদের সন্তানেরা, তোমাদের ভ্রাতাগণ, তোমাদের স্ত্রীগণ, তোমাদের আপনগোষ্ঠী, তোমাদের অর্জিত সম্পদ, তোমাদের ব্যবসা-বাণিজ্য যার মন্দা পড়ার আশংকা কর এবং তোমাদের বাসস্থান যা তোমরা ভালবাস, আল্লাহ্, তাঁর রাসূল এবং তাঁর (আল্লাহ্র) পথে জি]হাদ করার চেয়ে বেশি প্রিয় হয়, তবে অপেক্ষা কর আল্লাহ্ তাঁর নির্দেশ নিয়ে আসা পর্যন্ত।’ আর আল্লাহ্ ফাসিক সম্প্রদায়কে হেদায়াত দেনা না। (সূরা তাওবা : ২৪)
শেষ কথা।
আমি অত্যন্ত বিনয়ের সাথে আরজ করতে চাই। আমাদের এ সম্মেলনে মুসলিম শাসকদের বেশ সমালোচনা হয়েছে। এর বেশিভাগই যথার্থ ছিল। তানকীদ ও সমালোচনা নিশ্চয় আমাদের অধিকার। আমরা অবশ্যই একথার আদিষ্ট, যে বিষয়টিকে আমরা হক মনে করবো, তা শাসকশ্রেণীর কাছে পৌঁছে দেব।
তবে বিষয়টি 'মুখাসামাত' তথা ঝগড়াবিতর্কের আবহে নয়, বরং 'মুফাহামাত' তথা তাদের বোঝানো ও নসীহতের আবহে হওয়া উচিত। কারণ, আমাদের দীন সকল মুসলিমের জন্য নসীহত তথা কল্যাণকামিতার আদেশ করেছে। "আননুসহু লিকুল্লি মুসলিম" এর মধ্যে "আননুসহু লি উলিল আমর"ও আহলে ইলমের দায়িত্ব।
সেসূত্রে আমি বলতে চাই, আমি আমার অন্তরকে ভালোভাবে যাচাই করে, আল্লাহর দিকে রুজু করে এবং তাঁর কাছে দুআ ও ইস্তিখারা করে আমি বুঝতে সক্ষম হয়েছি-
ইতিহাসে কিছু মুহূর্ত এমন আসে, যদি সে মুহূর্তে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে ভুল করা হয়, তাহলে শত শত বছর সেভুলের মাশুল গুণতে হয়। প্রসিদ্ধ উক্তি আছে-
لمحوں نے خطا کی ہے، صدیوں نے سزا پائی ۔
"মুহূর্ত করেছে ভুল, শতবর্ষ গুণেছে মাশুল।"
ইতিহাসে এমন মুহূর্ত আসে, যখন হিম্মত ও সাহসিকতার সাথে পদক্ষেপ নিয়ে এবং ত্যাগ ও কুরবানীর সর্বোচ্চ পারাকাষ্ঠা দেখিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হয়। যদি সেই সঠিক সিদ্ধান্ত যথাসময়ে নেওয়া না-হয়, তখন শত শত বছর তার ক্ষতি ও গ্লানির বোঝা টানতে হয়। আমি মনে করি, এখন ইতিহাসের সেই যুগসন্ধি অতিক্রম করছে।
আপনারা সকলে অবগত, যা অস্বীকার করার উপায় নেই, সমগ্র ইসলামী বিশ্ব, মরক্কো থেকে ইন্দোনেশিয়া পর্যন্ত সমগ্র মুসলিমবিশ্ব পশ্চিমা দাসবৃত্তির শিকার। কেউ কি অস্বীকার করতে পারবে যে, আমরা গোলামী জীবনযাপন করছি? সর্বক্ষেত্রেই চলছে এ গোলামী- অর্থনীতি, সমরনীতি রাজনীতি সর্বক্ষেত্রে। এ গোলামীর শেষ কোথায়? অথচ মরক্কো থেকে ইন্দোনেশিয়া পর্যন্ত সমগ্র মুসলিম দুনিয়াকে আল্লাহ তাআলা যে প্রাকৃতিক সম্পদসমৃদ্ধি দান করেছেন, তা আরও কাউকে দেননি। মুসলিম উম্মাহ পৃথিবীর কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত। তাদের হাতে সেসব বিস্তৃত মরুঅঞ্চল রয়েছে, যদ্দ্বারা তারা সমগ্র দুনিয়া নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। ... সুয়েজ খাল তাদের হাতে। এডেন উপসাগর তাদের হাতে। দুনিয়ার সবচেয়ে বেশি তরল সোনা তথা তেলসম্পদ তাদের হাতে। ... তারপরেও কেন তাদেরকে গোলামির জীবন কাটাতে হবে? এর কারণ কি?
কারণ একটিই, যা নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়ানাল্লাম বলে গেছেন। তিনি বলেছেন : মুসলমান অধিক হওয়ার পরেও খড়কুটার মত ভেসে যাবে। কারণ, তারা জীবনকে বেশি ভালোবাসবে, মৃত্যুকে ভয় করবে এবং জি]হাদ ফী সাবিলিল্লাহ'কে পরিত্যাগ করবে।
আজ আমাদের সুরতহাল সেটাই জানান দিচ্ছে।
আজ হা]মাসের বীর মুজা]হিদরা আমাদের জন্য মুক্তির মহাসুযোগ এনে দিয়েছে, পরাধীনকার শৃঙ্খল ভেঙে স্বাধীনতার, পশ্চিমের জোঁয়াল কাঁধ থেকে ছুড়ে ফেলার। হা]মাস সেসুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। যদি সমগ্র মুসলিম দুনিয়া ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাদের সঙ্গ দেয় এবং তাদের জন্য আত্মরক্ষার যৌথ পলিসি গ্রহণ করে, আমি ইয়াকীনের সাথে বলতে পারি আমে]রিকা বৃ]টেনও পশ্চিমাশক্তি কিছুই করতে পারবে না। কারণ, খোদায়ী আমে]রিকার নয়, খোদায়ী আমে]রিকার হাতে নেই। খোদায়ী আল্লাহরই হাতে। সুপার পাওয়ার আমে]রিকা নয়, সুপ্রিম পাওয়ার আল্লাহই।
কাজেই যদি আমরা সিদ্ধান্ত নিতে পারি, আমাদেরকে পেটে পাথর বাঁধার প্রয়োজন পড়লে পাথর বাঁধব, যেকোনো ত্যাগ ও কুরবানীর প্রয়োজন পড়ে, তা দেব। গুলির সামনে বুক চিতিয়ে দাঁড়াব। কামানের সামনে দাঁড়াব, তা হলে আমে]রিকা বা দুনিয়ার কোনো শক্তি নেই আমাদের পরাজিত করতে পারে। আল্লাহ তাআলা
এই হাকীকত ও বাস্তবতা বোঝার তাওফীক দান করুন। আমীন! আল্লাহ তাআলা এই বাস্তবতা বুঝে নিজেদের দাসবৃত্তির কাল শেষ করার তাওফীক দান করুন। আমীন!!
وآخر دعوانا أن الحمد لله رب العالمين.
তরজমা : মুহাম্মাদ সাইফুদ্দীন গাজী
দারুল হিকমাহ
০৭।১২।২৩
وآخر دعوانا أن الحمد لله رب العالمين.
তরজমা : মুহাম্মাদ সাইফুদ্দীন গাজী
দারুল হিকমাহ
০৭।১২।২৩
❤4
কারাগারে অবর্ণনীয় নির্যাতন ও চিকিৎসায় অবহেলার কারণে শাইখ সালমান আল-আওদাহ তার অর্ধেক স্মৃতিশক্তি ও শ্রবণশক্তি হারিয়েছেন।
সৌদি আরব ও কাতারের মধ্যকার সম্পর্কের টানাপোড়নে পুনর্মিলন কামনায় দুআ করে একটি টুইট করার কারণে শাইখ সালমান আল-আওদাহ কে আটক করে তিন বছরের বেশি সময় ধরে নির্জন কারাবাসে রাখা হয়েছিলো।
Follow : https://t.me/alolpath
সৌদি আরব ও কাতারের মধ্যকার সম্পর্কের টানাপোড়নে পুনর্মিলন কামনায় দুআ করে একটি টুইট করার কারণে শাইখ সালমান আল-আওদাহ কে আটক করে তিন বছরের বেশি সময় ধরে নির্জন কারাবাসে রাখা হয়েছিলো।
Follow : https://t.me/alolpath
😢11
ঘন দুর্যোগ পথে দুর্ভোগ
তবু চল তবু চল
পাহাড় বনানী পেরিয়ে সেনানী
ভাঙ মিথ্যার জগদ্দল ॥
তবু চল তবু চল
পাহাড় বনানী পেরিয়ে সেনানী
ভাঙ মিথ্যার জগদ্দল ॥
❤13
দু'দিন আগে, একটি ইসলামী দলের সিনিয়র নেতা মিডিয়াতে বলে বসলেন-জামায়াতের আকিদা ঠিক নাই! জামায়াতের নিবন্ধন নাই!! আরো হেন...তেন...
এসব দ্বীন ঈমানের খোলসধারী চিহৃিত ব্যক্তিদের বাদ দিয়ে ঈমানদার দেশ প্রেমিক ব্যক্তিদের নিয়ে ফ্য*সি*বা*দের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।
তাই শুধু প্রকৃত সরকার বিরোধী দলগুলোর উপর নির্ভর না করে নিজেরাও দেশের চলমান চরম বাস্তব ইস্যুকে নিজের ইস্যু হিসাবে গ্রহন করে সরকার বিরোধী নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনকে জোরদার করতে হবে।
নচেৎ সামনে দেশ যে বিভিষিকাময় পরিস্থিতির দিকে যাচ্ছে আপনি আমি কেউ এর থেকে রেহাই পাওয়ার সুযোগ থাকবেনা।
সময়ের এক ফোঁড় অসমের দশ ফোঁড়!!
এসব দ্বীন ঈমানের খোলসধারী চিহৃিত ব্যক্তিদের বাদ দিয়ে ঈমানদার দেশ প্রেমিক ব্যক্তিদের নিয়ে ফ্য*সি*বা*দের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।
আর এই লড়াই শুধু জামায়াত-বিএনপির ইস্যু নয়। বাংলাদেশী সবার ইস্যু।
তাই শুধু প্রকৃত সরকার বিরোধী দলগুলোর উপর নির্ভর না করে নিজেরাও দেশের চলমান চরম বাস্তব ইস্যুকে নিজের ইস্যু হিসাবে গ্রহন করে সরকার বিরোধী নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনকে জোরদার করতে হবে।
নচেৎ সামনে দেশ যে বিভিষিকাময় পরিস্থিতির দিকে যাচ্ছে আপনি আমি কেউ এর থেকে রেহাই পাওয়ার সুযোগ থাকবেনা।
সময়ের এক ফোঁড় অসমের দশ ফোঁড়!!
❤13
গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব আটকে দিল যুক্তরাষ্ট্র
ফিলিস্তিনের গাজায় যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে উত্থাপিত প্রস্তাবে ভেটো দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ফলে গাজায় বহুলপ্রত্যাশিত যুদ্ধবিরতি এখন হচ্ছে না। নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবটি নিরাপত্তা পরিষদে তোলা হয়।
এ পরিষদের অস্থায়ী সদস্য সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রস্তাবটি উত্থাপন করে। ১৫ সদস্যের নিরাপত্তা পরিষদে প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয় ১৩টি দেশ। তবে ভোটদানে বিরত থাকে যুক্তরাজ্য। শেষ পর্যন্ত ভেটো ক্ষমতাধর যুক্তরাষ্ট্র বিপক্ষে ভোট দিলে প্রস্তাবটি আটকে যায়।
নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী পাঁচ সদস্যের ভেটো (আমি মানি না) ক্ষমতা রয়েছে। এদের কোনো একটি দেশ প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দিলে তা পাস করা যায় না।
ফিলিস্তিনের গাজায় যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে উত্থাপিত প্রস্তাবে ভেটো দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ফলে গাজায় বহুলপ্রত্যাশিত যুদ্ধবিরতি এখন হচ্ছে না। নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবটি নিরাপত্তা পরিষদে তোলা হয়।
এ পরিষদের অস্থায়ী সদস্য সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রস্তাবটি উত্থাপন করে। ১৫ সদস্যের নিরাপত্তা পরিষদে প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয় ১৩টি দেশ। তবে ভোটদানে বিরত থাকে যুক্তরাজ্য। শেষ পর্যন্ত ভেটো ক্ষমতাধর যুক্তরাষ্ট্র বিপক্ষে ভোট দিলে প্রস্তাবটি আটকে যায়।
নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী পাঁচ সদস্যের ভেটো (আমি মানি না) ক্ষমতা রয়েছে। এদের কোনো একটি দেশ প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দিলে তা পাস করা যায় না।
👍10👎3
"বন্ধু দুই ধরণের হয়:
১) যে বন্ধু বিপদের সময় আপনাকে রক্ষা করে,
২) আপনার সমৃদ্ধির সময়কার বন্ধু।
.
কাজেই বিপদের সময়কার বন্ধুর বন্ধুত্ব রক্ষা করুন। আর নিরাপত্তার সময়কার বন্ধুকে দূর করে দিন। কেননা এরা হচ্ছে সবচাইতে বড় শত্রু।"
.
~ ইমাম ইবন হিব্বান আল বুসতী [রাহ.]
.
.
[ রাউদ্বাতুল উকালা, পৃ: ২০১, দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ, বৈরুত] p: 306
১) যে বন্ধু বিপদের সময় আপনাকে রক্ষা করে,
২) আপনার সমৃদ্ধির সময়কার বন্ধু।
.
কাজেই বিপদের সময়কার বন্ধুর বন্ধুত্ব রক্ষা করুন। আর নিরাপত্তার সময়কার বন্ধুকে দূর করে দিন। কেননা এরা হচ্ছে সবচাইতে বড় শত্রু।"
.
~ ইমাম ইবন হিব্বান আল বুসতী [রাহ.]
.
.
[ রাউদ্বাতুল উকালা, পৃ: ২০১, দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ, বৈরুত] p: 306
❤10
সালাম ফেরাতেই শুনলাম একজনের মৃত্যুর নিউজ। ভেসে আসছে পাশের মসজিদের মাইক থেকে।
এমন একটা সময়, যখন পুরো এলাকা শুনশান। ঘুমিয়ে আছে প্রায় সব কটা মানুষ। "ঘুমের চেয়ে সালাত উত্তম"- মুয়াজ্জিনের এ সতর্কবাণী তাদেরকে জাগাতে পারেনি।
মালাকুল মাউত এসে যাকে নিয়ে গেলেন, তাকে দেওয়া হয়নি আড়মোড় ভাঙার মত সময়, পান নি দুই রাকাত সালাত পড়ে তাওবার সময়টাও। এ ডাকে সাড়া দিতেই হলো।
আর কোনোদিন মুয়াজ্জিন তাকে সতর্ক করবে না।
আর কোনোদিন কোরআনের বাণী তার কাজে আসবে না।
আর কোনো ইমাম তাকে আহ্বান করবে না আল্লাহর পথে।
মুয়াজ্জিনের আহ্বান উপেক্ষা করা মানুষগুলো শোনেনি মৃত্যুর ফেরেশতার আগমণের কথা, সেই লোকটার মৃত্যুর কথা যে কিছু সময় পরেই মুখোমুখি হবে মুনকার-নাকিরের। মুয়াজ্জিনের ডাক তারা উপেক্ষা করলেও তিনি পারেননি আযরাইলের ডাক উপেক্ষা করতে। তারাও পারবে না।
মানুষ ঘুমিয়ে আছে। মৃত্যুতে তারা জেগে উঠবে।
এমন একটা সময়, যখন পুরো এলাকা শুনশান। ঘুমিয়ে আছে প্রায় সব কটা মানুষ। "ঘুমের চেয়ে সালাত উত্তম"- মুয়াজ্জিনের এ সতর্কবাণী তাদেরকে জাগাতে পারেনি।
মালাকুল মাউত এসে যাকে নিয়ে গেলেন, তাকে দেওয়া হয়নি আড়মোড় ভাঙার মত সময়, পান নি দুই রাকাত সালাত পড়ে তাওবার সময়টাও। এ ডাকে সাড়া দিতেই হলো।
আর কোনোদিন মুয়াজ্জিন তাকে সতর্ক করবে না।
আর কোনোদিন কোরআনের বাণী তার কাজে আসবে না।
আর কোনো ইমাম তাকে আহ্বান করবে না আল্লাহর পথে।
মুয়াজ্জিনের আহ্বান উপেক্ষা করা মানুষগুলো শোনেনি মৃত্যুর ফেরেশতার আগমণের কথা, সেই লোকটার মৃত্যুর কথা যে কিছু সময় পরেই মুখোমুখি হবে মুনকার-নাকিরের। মুয়াজ্জিনের ডাক তারা উপেক্ষা করলেও তিনি পারেননি আযরাইলের ডাক উপেক্ষা করতে। তারাও পারবে না।
মানুষ ঘুমিয়ে আছে। মৃত্যুতে তারা জেগে উঠবে।
😢8👍1
চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী স্কুল চট্টগ্রাম মুসলিম হাইস্কুল প্রতিষ্ঠার শুরু থেকে আজ পর্যন্ত শুধু মাত্র মুসলিম শিক্ষার্থীরাই ভর্তির সুযোগ পেত এবং ভর্তি হতে পারতো!
বিংশ শতাব্দীর প্রথম দশকে তৎকালীন দানবীর হাজি মুহাম্মাদ মহসীন তার সম্পদ থেকে মহসিন তহবিল গঠন করার উদ্যোগ নেয়। শুরুতে তিনি একটি দাতব্য তহবিল এবং পরবর্তীতে মহসিন তহবিল নামে একটি তহবিল গঠন করেন। উপমহাদেশে মুসলিম শিক্ষার প্রসারের জন্য চট্টগ্রাম মহসীনিয়া মাদ্রাসা নামে একটি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। পরবর্তীতে মহসীনিয়া মাদ্রাসা পরিবর্তিত হয়ে মহসিন উচ্চ বিদ্যালয় এবং গভর্নমেন্ট হাজি মোহাম্মদ মহসিন কলেজ নামে দুটি প্রতিষ্ঠানে পরণিত হয়। ইতোমধ্যে মুসলিম ছাত্রদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে মুসলিম নেতাদের অধীনে এবং মহসিন মাদ্রাসার প্রধান তত্ত্বাবধানে ইঙ্গ-ফার্সি বিভাগ চালু করা হয়। ১৯০৯ সালে উক্ত মাদ্রাসা বিভাগ হতে বিদ্যালয়টি স্থানান্তর করা হয়।
১৯১৬ সালে বিদ্যালয়টি বর্তমান স্থানে স্থানান্তর করে গভর্নমেন্ট মুসলিম হাই ইংলিশ স্কুল নামকরণ করা হয়। যে প্রতিষ্ঠানের জন্মই মুসলিম ছাত্রদের জন্য, সেখানে এতদিন পরে অন্য ধর্মাবলম্বীর শিক্ষার্থী ভর্তির প্রশ্ন কেন আসবে?
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কুদৃষ্টি থেকে আল্লাহ এই বিদ্যালয়টিকে হেফাজত করুক।
বিংশ শতাব্দীর প্রথম দশকে তৎকালীন দানবীর হাজি মুহাম্মাদ মহসীন তার সম্পদ থেকে মহসিন তহবিল গঠন করার উদ্যোগ নেয়। শুরুতে তিনি একটি দাতব্য তহবিল এবং পরবর্তীতে মহসিন তহবিল নামে একটি তহবিল গঠন করেন। উপমহাদেশে মুসলিম শিক্ষার প্রসারের জন্য চট্টগ্রাম মহসীনিয়া মাদ্রাসা নামে একটি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। পরবর্তীতে মহসীনিয়া মাদ্রাসা পরিবর্তিত হয়ে মহসিন উচ্চ বিদ্যালয় এবং গভর্নমেন্ট হাজি মোহাম্মদ মহসিন কলেজ নামে দুটি প্রতিষ্ঠানে পরণিত হয়। ইতোমধ্যে মুসলিম ছাত্রদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে মুসলিম নেতাদের অধীনে এবং মহসিন মাদ্রাসার প্রধান তত্ত্বাবধানে ইঙ্গ-ফার্সি বিভাগ চালু করা হয়। ১৯০৯ সালে উক্ত মাদ্রাসা বিভাগ হতে বিদ্যালয়টি স্থানান্তর করা হয়।
১৯১৬ সালে বিদ্যালয়টি বর্তমান স্থানে স্থানান্তর করে গভর্নমেন্ট মুসলিম হাই ইংলিশ স্কুল নামকরণ করা হয়। যে প্রতিষ্ঠানের জন্মই মুসলিম ছাত্রদের জন্য, সেখানে এতদিন পরে অন্য ধর্মাবলম্বীর শিক্ষার্থী ভর্তির প্রশ্ন কেন আসবে?
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কুদৃষ্টি থেকে আল্লাহ এই বিদ্যালয়টিকে হেফাজত করুক।
❤11
বিশ্বব্যাপী ধর্মঘটের ডাক-
2023 সালের 11 ডিসেম্বর সোমবার (আগামীকাল) গাজার জন্য বিশ্বব্যাপী ধর্মঘটে অংশ নেবেন?
1. কিছু কিনবেন না (নগদ বা অনলাইন)
2. আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করবেন না এবং কোনো লেনদেন করবেন না
3. আপনার ঘর ছেড়ে যাবেন না
4. আপনার Facebook এবং Instagram অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় করুন
5. #StrikeForGaza হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে টুইট করুন
চলো!! পরিবার এবং আশপাশের সবাইকে উৎসাহিত করি!!
Now it's time to do something!!
Let's all do it together!!
can we?!
Ing sha Allah,,,
যতটা সম্ভব শেয়ার করি এবং পোস্ট করি (ইংশাআল্লাহ)
2023 সালের 11 ডিসেম্বর সোমবার (আগামীকাল) গাজার জন্য বিশ্বব্যাপী ধর্মঘটে অংশ নেবেন?
1. কিছু কিনবেন না (নগদ বা অনলাইন)
2. আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করবেন না এবং কোনো লেনদেন করবেন না
3. আপনার ঘর ছেড়ে যাবেন না
4. আপনার Facebook এবং Instagram অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় করুন
5. #StrikeForGaza হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে টুইট করুন
চলো!! পরিবার এবং আশপাশের সবাইকে উৎসাহিত করি!!
Now it's time to do something!!
Let's all do it together!!
can we?!
Ing sha Allah,,,
যতটা সম্ভব শেয়ার করি এবং পোস্ট করি (ইংশাআল্লাহ)
❤18
[সূরা বনী-ইসরাঈল, আয়াত ১৮]
مَنْ كَانَ يُرِيْدُ الْعَاجِلَةَ عَجَّلْنَا لَهٗ فِيْهَا مَا نَشَآءُ لِمَنْ نُّرِيْدُ ثُمَّ جَعَلْنَا لَهٗ جَهَنَّمَ ۚ يَصْلٰىهَا مَذْمُوْمًا مَّدْحُوْرًا
“যে দুনিয়া চায় আমি সেখানে তাকে দ্রুত দিয়ে দেই, যা আমি চাই, যার জন্য চাই। তারপর তার জন্য নির্ধারণ করি জাহান্নাম, সেখানে সে প্রবেশ করবে নিন্দিত, বিতাড়িত অবস্থায়।”
مَنْ كَانَ يُرِيْدُ الْعَاجِلَةَ عَجَّلْنَا لَهٗ فِيْهَا مَا نَشَآءُ لِمَنْ نُّرِيْدُ ثُمَّ جَعَلْنَا لَهٗ جَهَنَّمَ ۚ يَصْلٰىهَا مَذْمُوْمًا مَّدْحُوْرًا
“যে দুনিয়া চায় আমি সেখানে তাকে দ্রুত দিয়ে দেই, যা আমি চাই, যার জন্য চাই। তারপর তার জন্য নির্ধারণ করি জাহান্নাম, সেখানে সে প্রবেশ করবে নিন্দিত, বিতাড়িত অবস্থায়।”
❤14