আমি ইসলামী আন্দোলন করি ক্যারিয়ারের জন্য এবং আমি ক্যারিয়ার গঠন করি ইসলামী আন্দোলনের জন্য।
❤20👍1
আপনার মৃত্যু অবশ্যই কোন না কোন সালাতের ওয়াক্তের পরেই হব!
হয়তো ফজরের পর বা যোহরের পর অথবা আসরের পর কিংবা মাগরিবের পর নতুবা এশার পর।
অতএব, সিদ্ধান্ত নিন — বেনামাজী হিসেবে দুনিয়া ছেড়ে যাবেন নাকি নামাজের সাথে?
হয়তো ফজরের পর বা যোহরের পর অথবা আসরের পর কিংবা মাগরিবের পর নতুবা এশার পর।
অতএব, সিদ্ধান্ত নিন — বেনামাজী হিসেবে দুনিয়া ছেড়ে যাবেন নাকি নামাজের সাথে?
😢11
রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)বলেছেন:মুমিনের জীবনে যত বড় বিপদ আসে,প্রতিটি বিপদের বিনিময়ে আল্লাহ তা'আলা তার গুনাহ মাফ করেন।এমনকি কাঁটা ফুটলেও।
[বুখারীঃ-৫৬৪০]
"সুবহানাল্লাহ"
[বুখারীঃ-৫৬৪০]
"সুবহানাল্লাহ"
❤11
“প্রতিটা মানুষই পরীক্ষার মধ্যে আছে। হয় নেয়ামতের পরীক্ষা—যেটা দিয়ে যাচাই করা হচ্ছে ব্যক্তি কতটা কৃতজ্ঞ, অথবা দুঃখ-দুর্দশার পরীক্ষা—যেটা দিয়ে যাচাই করা হচ্ছে ব্যক্তি কতটা ধৈর্যশীল।”
— বিশর্ বিন আল-হারিছ (রহ.)
[শুআবুল ঈমান, ৪১৭২]
— বিশর্ বিন আল-হারিছ (রহ.)
[শুআবুল ঈমান, ৪১৭২]
❤6
ফিলিস্তিনি কবি, লেখক ও সাহিত্যের অধ্যাপক রিফাত আল আরির ইসরাইলি হামলায় সপরিবারে নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) দক্ষিণ গাজায় ইসরাইলি বাহিনী বিমান হামলা চালালে তিনি, তার এক ভাই, এক বোন ও তার চার সন্তানসহ পরিবারের মোট ৭ জন নিহত হয়।
ড. আল আরির গাজার ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ব সাহিত্য, তুলনামূলক সাহিত্য, শেক্সপিয়র ও সৃজনশীল লেখার একজন অধ্যাপক ছিলেন। তিনি সেখানে ২০০৭ সাল থেকে শিক্ষকতা করছিলেন। তিনি ‘উই আর নট নাম্বারস’ নামে একটি অলাভজনক সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের অন্যতম ছিলেন। সংস্থাটি ফিলিস্তিনের স্বার্থে ফিলিস্তিনি লেখক ও চিন্তাবিদদের একটি নতুন প্রজন্ম গড়ে তুলতে নিবেদিত ছিল।
এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারেও বেশি জনপ্রিয় ছিলেন আল আরির। ‘’ https://twitter.com/itranslate123
নামের অ্যাকাউন্টে উপত্যকার জনগণের বিরুদ্ধে ইসরাইলি বাহিনীর চলমান নৃশংসতা, সেই সাথে মার্কিন প্রশাসনের ভূমিকাসহ গাজার পরিস্থিতি তুলে ধরতেন তিনি।
ড. আল আরির গাজার ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ব সাহিত্য, তুলনামূলক সাহিত্য, শেক্সপিয়র ও সৃজনশীল লেখার একজন অধ্যাপক ছিলেন। তিনি সেখানে ২০০৭ সাল থেকে শিক্ষকতা করছিলেন। তিনি ‘উই আর নট নাম্বারস’ নামে একটি অলাভজনক সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের অন্যতম ছিলেন। সংস্থাটি ফিলিস্তিনের স্বার্থে ফিলিস্তিনি লেখক ও চিন্তাবিদদের একটি নতুন প্রজন্ম গড়ে তুলতে নিবেদিত ছিল।
এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারেও বেশি জনপ্রিয় ছিলেন আল আরির। ‘’ https://twitter.com/itranslate123
নামের অ্যাকাউন্টে উপত্যকার জনগণের বিরুদ্ধে ইসরাইলি বাহিনীর চলমান নৃশংসতা, সেই সাথে মার্কিন প্রশাসনের ভূমিকাসহ গাজার পরিস্থিতি তুলে ধরতেন তিনি।
😢15
ফিলিস্তিন বিষয়ে হুরমতে আকসা কনফারেন্স, পাকিস্তানে শাইখুল ইসলাম মুফতী তাকী উসমানী হাফিযাহুল্লাহ'র ভাষণ
মাসনুন খুতবার পর,
হযরাতে উলামায়ে কেরাম, জাতির নেতৃবর্গ ও উপস্থিত শ্রোতামণ্ডলী! আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি তাআলা ওয়াবারাকাতুহ্!
আমরা এ মুহূর্তে এমন এক বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে ও শুনতে একত্রিত হয়েছি, যদি বলি তা অতিরঞ্জন হবে না, এটি পাকিস্তানের বাইশ কোটি মানুষের হৃদয়ের স্পন্দন। আর তা হলো- ফি]লিস্তিন সমস্যা। ইতিপূর্বে অনেক উৎসাহ-উদ্দীপক জোরালো বক্তৃতা হয়ে গেছে। অনেক বিষয়ে মতামতও ব্যক্ত করা হয়েছে এবং প্রস্তাবনাও পেশ করা হয়েছে। আমি সেগুলোর পুনরাবৃত্তি না করে কয়েকটি সূক্ষ্মবিষয়ের প্রতি আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই।
প্রথমকথা হলো, আলহামদুলিল্লাহ, সবাই একবাক্যে স্বীকার করেছেন, ইস]রাইল গা[জ্জার বাসিন্দাদের সাথে সে বর্বরতা ও হিংস্রতার প্রদর্শনী করছে, তারা মানবতার সকল মূল্যবোধকে পদদলিত করে চলেছে। এতে প্রমাণিত হয়েছে এই নিকৃষ্ট নাপাক দুশমনের কাছে ন্যূনতম মানবতাবোধও অবশিষ্ট নেই। সকলেই যার নিন্দা করেছে।
কিন্তু কতক বিষয়ে ভুল বুঝাবুঝি ও বিভ্রান্তির সৃষ্টি হচ্ছে, আমি আপনাদের সামনে তা সংক্ষেপে নিরসন করতে চাই।
সারাবিশ্ব ও বিভিন্ন সংস্থার পক্ষ হতে, এমনকি মুসলিম রাষ্ট্রসংঘ ওআইসির পক্ষ হতে ফিলি]স্তিনের চলমান সংকটে যে প্রস্তাব পেশ করা হয়েছে, তা হলো যুদ্ধবিরতি তা যুদ্ধবন্ধের প্রস্তাব। যুদ্ধবন্ধের অর্থ হলো ইস]রাইলকেও এ যুদ্ধ থেকে বিরত রাখতে হবে এবং হা]মাসকেও যুদ্ধ থেকে বিরত রাখতে হবে। যুদ্ধবন্ধের সাধারণ অর্থ এটাই।
কিন্তু প্রকৃত প্রস্তাব হলো, আমাদের দাবি গা[জ্জার ওপর ইস]রাইলের বোম্বিং বন্ধ করতে হবে, হা]মাসের স্বাধীনতা যুদ্ধ বন্ধ নয়। হামা[সের জানবাজ ও লড়াকু মুজা]হিদরা তাদের জন্মগত অধিকার ও ইসলামের ভিত্তিতে ফিলি]স্তিনের পূর্ণভূমিকে ইসরা]ইলের দখলদারিত্ব থেকে মুক্ত করতে নেমেছে। এ যুদ্ধ থামিয়ে দেওয়ার যুদ্ধ নয়। এ যুদ্ধ অমিমাংসিত শেষ করার যুদ্ধ নয়। এটি ততদিন অব্যহত থাকতে হবে এবং থাকা উচিত, যতদিন না পূর্ণ ফিলি]স্তিনভূমি ইসরা]ইলের কব্জা থেকে মুক্ত হবে।
এ কারণে আমাদের প্রস্তাব যুদ্ধবন্ধের নয়। যদি ইস]রাইল সাধারণ নাগরিকদের ওপর বোম্বিং করার পরিবর্তে খোলাখুলি যুদ্ধের ময়দানে হামা]সের মোকাবেলা করতে চায়, তা হলে মোকাবেলা করুক। লড়াই চলতে থাকবে। যতক্ষণ পর্যন্ত ওদের একটি ট্যাঙ্কও অবশিষ্ট থাকবে, ততদিন হামা]সের প্রতিরোধযুদ্ধ চলতে থাকবে।
এজন্য অনুভূতিসম্পন্ন যেকোনো মানুষ ও সচেতন যেকোনো মুসলমানের দাবি যুদ্ধবন্ধের পরিবর্তে ইস]রাইলের একতরফা বোমাহামলার বন্ধের হওয়া উচিত। ইস]রাইল তার পরাজয় আড়াল করার জন্য নিজের বিপর্যয়ের প্রতিশোধ নিরীহ শিশু নারী ও সাধারণ নাগরিকদের কাছ থেকে নিচ্ছে। এই যুদ্ধাপরাধের বন্ধের দাবী ওঠা উচিত, যুদ্ধবন্ধের নয়। এ যুদ্ধ ইনশাআল্লাহ বিজয় অর্জিত হওয়া পর্যন্ত অব্যহত থাকবে।
দ্বিতীয় যে কথা আরজ করতে চাই তা হলো, বারবার সরকারগুলোর পক্ষ হতে এবং অনেক শান্তিপ্রিয় লোকদের পক্ষ হতে ভুল বুঝাবুঝির কারণে ফিলি]স্তিনে দু'রাষ্ট্র সমাধান প্রস্তাব করা হয়। অর্থাৎ সেখানে দুই রাষ্ট্র কায়েম হওয়াকে সমাধান মনে করা হয়। একটি ইস]রাইল রাষ্ট্র, অপরটি ফি]লিস্তিন রাষ্ট্র। এটা সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর প্রস্তাব, আমরা তা সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করছি। আমরা প্রথমদিন থেকেই ইস]রাইল প্রতিষ্ঠার ঘোর বিরোধী। আমাদের পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা সেই প্রথমদিনই ইস]রাইলকে পশ্চিমা অপশক্তির জার[জ সন্তান আখ্যা দিয়েছিল। আমরা এখনো সেই বিশ্বাসে অটল আছি। কাজেই ইসরা]ইলের অধিকৃত অঞ্চল ইসরা]ইলের, এবং গা[জ্জা ও পশ্চিমতীর মুসলমানদের, এ প্রস্তাব কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। কাজেই দু রাষ্ট্র সমাধান এর দাবি থেকে বিরত থাকা উচিত।
তৃতীয় কথা, সারাবিশ্বে এমনকি পশ্চিমাপ্রোপাগাণ্ডায় প্রভাবিত মুসলমান হুকুমতগুলোতেও এক চরম বিভ্রান্তি বিরাজ রয়েছে। আর তা হলো, পশ্চিমা দেশগুলো, বিশেষকরে আমে]রিকার এক চক্রান্ত হলো, যখনই কোনো জাতি দখদারিত্বের বিরুদ্ধে যুদ্ধজি]হাদের জন্য দাঁড়ায়, তখনই তাদেরকে সন্ত্রাসী টেরোরিস্ট আখ্যা দিয়ে সারা দুনিয়ায় তাদের দুর্নাম করা হয়। এই নীতিতেই তারা আমাদের কাশ]মীরের স্বাধীনতাকামী মুজা]হিদীনকে সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়েছে এবং দিয়ে যাচ্ছে। একটি দীর্ঘসময় পর্যন্ত আফ[গানি]স্তানের তালি]বানকেও টেররিষ্ট বলা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত তারা নতজানু হয়ে একটেবিলে বসে আল্লাহর মেহেরবানীতে তালি]বানদের স্বীকৃতি দিতে বাধ্য হয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত তালি]বান বিজয় লাভ করেছে। এই অভিন্ন
মাসনুন খুতবার পর,
হযরাতে উলামায়ে কেরাম, জাতির নেতৃবর্গ ও উপস্থিত শ্রোতামণ্ডলী! আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি তাআলা ওয়াবারাকাতুহ্!
আমরা এ মুহূর্তে এমন এক বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে ও শুনতে একত্রিত হয়েছি, যদি বলি তা অতিরঞ্জন হবে না, এটি পাকিস্তানের বাইশ কোটি মানুষের হৃদয়ের স্পন্দন। আর তা হলো- ফি]লিস্তিন সমস্যা। ইতিপূর্বে অনেক উৎসাহ-উদ্দীপক জোরালো বক্তৃতা হয়ে গেছে। অনেক বিষয়ে মতামতও ব্যক্ত করা হয়েছে এবং প্রস্তাবনাও পেশ করা হয়েছে। আমি সেগুলোর পুনরাবৃত্তি না করে কয়েকটি সূক্ষ্মবিষয়ের প্রতি আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই।
প্রথমকথা হলো, আলহামদুলিল্লাহ, সবাই একবাক্যে স্বীকার করেছেন, ইস]রাইল গা[জ্জার বাসিন্দাদের সাথে সে বর্বরতা ও হিংস্রতার প্রদর্শনী করছে, তারা মানবতার সকল মূল্যবোধকে পদদলিত করে চলেছে। এতে প্রমাণিত হয়েছে এই নিকৃষ্ট নাপাক দুশমনের কাছে ন্যূনতম মানবতাবোধও অবশিষ্ট নেই। সকলেই যার নিন্দা করেছে।
কিন্তু কতক বিষয়ে ভুল বুঝাবুঝি ও বিভ্রান্তির সৃষ্টি হচ্ছে, আমি আপনাদের সামনে তা সংক্ষেপে নিরসন করতে চাই।
সারাবিশ্ব ও বিভিন্ন সংস্থার পক্ষ হতে, এমনকি মুসলিম রাষ্ট্রসংঘ ওআইসির পক্ষ হতে ফিলি]স্তিনের চলমান সংকটে যে প্রস্তাব পেশ করা হয়েছে, তা হলো যুদ্ধবিরতি তা যুদ্ধবন্ধের প্রস্তাব। যুদ্ধবন্ধের অর্থ হলো ইস]রাইলকেও এ যুদ্ধ থেকে বিরত রাখতে হবে এবং হা]মাসকেও যুদ্ধ থেকে বিরত রাখতে হবে। যুদ্ধবন্ধের সাধারণ অর্থ এটাই।
কিন্তু প্রকৃত প্রস্তাব হলো, আমাদের দাবি গা[জ্জার ওপর ইস]রাইলের বোম্বিং বন্ধ করতে হবে, হা]মাসের স্বাধীনতা যুদ্ধ বন্ধ নয়। হামা[সের জানবাজ ও লড়াকু মুজা]হিদরা তাদের জন্মগত অধিকার ও ইসলামের ভিত্তিতে ফিলি]স্তিনের পূর্ণভূমিকে ইসরা]ইলের দখলদারিত্ব থেকে মুক্ত করতে নেমেছে। এ যুদ্ধ থামিয়ে দেওয়ার যুদ্ধ নয়। এ যুদ্ধ অমিমাংসিত শেষ করার যুদ্ধ নয়। এটি ততদিন অব্যহত থাকতে হবে এবং থাকা উচিত, যতদিন না পূর্ণ ফিলি]স্তিনভূমি ইসরা]ইলের কব্জা থেকে মুক্ত হবে।
এ কারণে আমাদের প্রস্তাব যুদ্ধবন্ধের নয়। যদি ইস]রাইল সাধারণ নাগরিকদের ওপর বোম্বিং করার পরিবর্তে খোলাখুলি যুদ্ধের ময়দানে হামা]সের মোকাবেলা করতে চায়, তা হলে মোকাবেলা করুক। লড়াই চলতে থাকবে। যতক্ষণ পর্যন্ত ওদের একটি ট্যাঙ্কও অবশিষ্ট থাকবে, ততদিন হামা]সের প্রতিরোধযুদ্ধ চলতে থাকবে।
এজন্য অনুভূতিসম্পন্ন যেকোনো মানুষ ও সচেতন যেকোনো মুসলমানের দাবি যুদ্ধবন্ধের পরিবর্তে ইস]রাইলের একতরফা বোমাহামলার বন্ধের হওয়া উচিত। ইস]রাইল তার পরাজয় আড়াল করার জন্য নিজের বিপর্যয়ের প্রতিশোধ নিরীহ শিশু নারী ও সাধারণ নাগরিকদের কাছ থেকে নিচ্ছে। এই যুদ্ধাপরাধের বন্ধের দাবী ওঠা উচিত, যুদ্ধবন্ধের নয়। এ যুদ্ধ ইনশাআল্লাহ বিজয় অর্জিত হওয়া পর্যন্ত অব্যহত থাকবে।
দ্বিতীয় যে কথা আরজ করতে চাই তা হলো, বারবার সরকারগুলোর পক্ষ হতে এবং অনেক শান্তিপ্রিয় লোকদের পক্ষ হতে ভুল বুঝাবুঝির কারণে ফিলি]স্তিনে দু'রাষ্ট্র সমাধান প্রস্তাব করা হয়। অর্থাৎ সেখানে দুই রাষ্ট্র কায়েম হওয়াকে সমাধান মনে করা হয়। একটি ইস]রাইল রাষ্ট্র, অপরটি ফি]লিস্তিন রাষ্ট্র। এটা সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর প্রস্তাব, আমরা তা সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করছি। আমরা প্রথমদিন থেকেই ইস]রাইল প্রতিষ্ঠার ঘোর বিরোধী। আমাদের পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা সেই প্রথমদিনই ইস]রাইলকে পশ্চিমা অপশক্তির জার[জ সন্তান আখ্যা দিয়েছিল। আমরা এখনো সেই বিশ্বাসে অটল আছি। কাজেই ইসরা]ইলের অধিকৃত অঞ্চল ইসরা]ইলের, এবং গা[জ্জা ও পশ্চিমতীর মুসলমানদের, এ প্রস্তাব কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। কাজেই দু রাষ্ট্র সমাধান এর দাবি থেকে বিরত থাকা উচিত।
তৃতীয় কথা, সারাবিশ্বে এমনকি পশ্চিমাপ্রোপাগাণ্ডায় প্রভাবিত মুসলমান হুকুমতগুলোতেও এক চরম বিভ্রান্তি বিরাজ রয়েছে। আর তা হলো, পশ্চিমা দেশগুলো, বিশেষকরে আমে]রিকার এক চক্রান্ত হলো, যখনই কোনো জাতি দখদারিত্বের বিরুদ্ধে যুদ্ধজি]হাদের জন্য দাঁড়ায়, তখনই তাদেরকে সন্ত্রাসী টেরোরিস্ট আখ্যা দিয়ে সারা দুনিয়ায় তাদের দুর্নাম করা হয়। এই নীতিতেই তারা আমাদের কাশ]মীরের স্বাধীনতাকামী মুজা]হিদীনকে সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়েছে এবং দিয়ে যাচ্ছে। একটি দীর্ঘসময় পর্যন্ত আফ[গানি]স্তানের তালি]বানকেও টেররিষ্ট বলা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত তারা নতজানু হয়ে একটেবিলে বসে আল্লাহর মেহেরবানীতে তালি]বানদের স্বীকৃতি দিতে বাধ্য হয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত তালি]বান বিজয় লাভ করেছে। এই অভিন্ন
নীতি তারা ফিলি]স্তিনেও প্রয়োগ করেছে।
হা]মাস একটি রাজনৈতিক শক্তি। এটা নিছক যুদ্ধবাজ গোষ্ঠী নয়। আমার আক্ষেপ লাগে, মিডিয়ায় ওদেরকে 'যুদ্ধকামী গোষ্ঠী' আখ্যা দেওয়া হয়। অথচ এরা সকলে মুজা]হিদ, পবিত্র জিহা]দে রত। একটু আগে জনাব ইসমাইল হা]নিয়া বলেছেন, এদের অধিকাংশই হাফিজে কুরআন। অন্যরাও কুরআনের অনেক সূরা মুখস্ত জানে। তিনি আরও বলেছেন, হামা]সের সদস্যদেরকে বিশেষায়িত তারবিয়াত করা হয়। হামা]সে ভর্তি হওয়ার পূর্বে তাদেরকে বিশেষ তরবিয়াতের নানা ধাপ অতিক্রম করতে হয়, তারপর হামা]সে দাখিল করা হয়। এরা সবাই প্রকৃত মুজা]হিদ, যারা আত্মরক্ষায় লড়াই করছে।
একারণে পশ্চিমারা ওদেরকে সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়েছে। প্রকৃত প্রস্তাবে সন্ত্রাসী হলো ইস]রাইল, যারা পঁচাত্তর বছর থেকে নির্বিচারে গণহত্যা চালিয়ে আসছে। কাজেই হা]মাস একটি জনবিচ্ছিন্ন সংগঠন, এরা ফিলি]স্তিনের প্রতিনিধিত্ব করে না, এ জাতিয় বিভ্রান্তিকর কথা প্রচার থেকে বিরত থাকা উচিত। হামা]স পুরো ফিলি]স্তিনের মুখপাত্র।
চতুর্থ কথা হলো, ইতিপূর্বে অনেক উলামায়ে কেরাম ও নেতৃবৃন্দ বলেছেন এবং আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন যে, মুসলমানদের ওপর এহেন জুলম ও নির্বিচার হত্যা সত্ত্বেও, যেখানে মাসুম শিশু নারীর রক্তাক্ত বিভৎস ও ভয়ার্ত চেহারা সহ্য করার মত নয়, এতদসত্ত্বেও মুসলিম সরকারগুলোর পক্ষ হতে আশানুরূপ পদক্ষেপ লক্ষ করা যায়নি। কেবল মৌখিক নিন্দাবিবৃতি ও সামান্য ত্রাণসামগ্রি পাঠানো ছাড়া তেমন কোনো কার্যকরি পদক্ষেপ দেখা যায়নি। আমরা সরকারগুলোর ত্রাণতৎপরতার কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
কিন্তু আফসোসের বিষয় হলো আমাদের শাসকগোষ্ঠীর যেই সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত ছিল, তা এখনো তারা করতে পারেনি। জনাব ইসমাইল হা]নিয়া সাহেবও আক্ষেপ করে সেই কথাই বলেছেন- "আমরা চাই না, আপনারা আমাদের পক্ষে সেখানে হামলা করুন। আমরা চাই আপনারা গা]জ্জাবাসীকে যথাসাধ্য সাহায্য করুন এবং এতে কোনোরূপ ত্রুটি করা হতে বিরত থাকুন।"
আমি এ প্রেক্ষিতে আপনাদের সম্মুখে শরীয়তের বিধান অবহিত করতে চাই। শরীয়তের বিধান হলো, মুসলমানদের কোনো ভূখণ্ডের ওপর যখন অন্য কেউ দখলদারিত্ব কায়েম করে নেয়, কিংবা কোনো কা]ফির শাসক চেপে বসে, তখন মুসলমানদের ওপর জি]হাদ করা ফরজ হয়ে যায়। এই জি]হাদ প্রথমে সে ভূখন্ডের মুসলমানদের ওপর ফরজ হয়, তারপর তৎপার্শ্ববর্তী মুসলিমদের ওপর ফরজ। এভাবে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য মুসলিমদের ওপর নিজ নিজ শক্তি স্বামর্থানুসারে জিহা]দ ফরজ হয়ে যায়।
আমি একজন তালিবে ইলম হিসাবে আরজ করতে চাই, বিশ্বের সমস্ত মুসলমানদের ওপর এ অর্থে জি]হাদ ফরজ যে, তারা নিজ নিজ সামর্থানুসারে সাধ্যমত হা]মাস ও গা]জ্জাবাসীকে সাহায্য সহযোগিতা করবে।
আমি আপনাদের সম্মুখে কুরআনুল কারীমের দুটি আয়াত পড়ে শোনাব। আমি মনে করি, আয়াত দুটি আজকের এ সম্মেলনের পয়গাম ও বার্তা হওয়া উচিত, বিশ্বের সমগ্র মুসলমানদের প্রতি।
প্রথম আয়াত, সূরা নিসায় আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন :
وَ مَا لَکُمۡ لَا تُقَاتِلُوۡنَ فِیۡ سَبِیۡلِ اللّٰہِ وَ الۡمُسۡتَضۡعَفِیۡنَ مِنَ الرِّجَالِ وَ النِّسَآءِ وَ الۡوِلۡدَانِ الَّذِیۡنَ یَقُوۡلُوۡنَ رَبَّنَاۤ اَخۡرِجۡنَا مِنۡ ہٰذِہِ الۡقَرۡیَۃِ الظَّالِمِ اَہۡلُہَا ۚ وَ اجۡعَلۡ لَّنَا مِنۡ لَّدُنۡکَ وَلِیًّا ۚۙ وَّ اجۡعَلۡ لَّنَا مِنۡ لَّدُنۡکَ نَصِیۡرًا ﴿ؕ۷۵﴾
اَلَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا یُقَاتِلُوۡنَ فِیۡ سَبِیۡلِ اللّٰہِ ۚ وَ الَّذِیۡنَ کَفَرُوۡا یُقَاتِلُوۡنَ فِیۡ سَبِیۡلِ الطَّاغُوۡتِ فَقَاتِلُوۡۤا اَوۡلِیَآءَ الشَّیۡطٰنِ ۚ اِنَّ کَیۡدَ الشَّیۡطٰنِ کَانَ ضَعِیۡفًا ﴿٪۷۶﴾
আল্লাহ তাআলা সকল মুসলিমদের লক্ষ করে বলছেন, তোমাদের কি হয়ে গেল যে, তোমরা যুদ্ধ করবে না আল্লাহর পথে এবং অসহায় নরনারী এবং শিশুদের জন্য, যারা এ বলে দুআ করছে, ‘হে আমাদের রব! এ জনপদ, যার অধিবাসীরা যালিম, সেখান থেকে আমাদেরকে বের করে নিন। আর আমাদের জন্য আপনার পক্ষ থেকে কাউকে অভিভাবকরূপে পাঠান এবং আপনার পক্ষ থেকে কাউকে আমাদের সহায়করূপে প্রেরণ করুন।’
যারা মুমিন তারা আল্লাহর পথে যুদ্ধ করে, আর যারা কফের তারা তা]গূতের পথে যুদ্ধ করে। কাজেই তোমরা শয়তানের বন্ধুদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কর; শয়তানের কৌশল অবশ্যই দুর্বল। (সূরা নিসা : ৭৫-৭৬)
আল্লাহ তাআলা নারী শিশু ও দুর্বল পুরুষদের দোহাই দিয়ে বলছেন, তোমাদের কী হলো যে, তোমরা এদেরকে উদ্ধার করার জন্য জিহাদ করছো না?
হা]মাস একটি রাজনৈতিক শক্তি। এটা নিছক যুদ্ধবাজ গোষ্ঠী নয়। আমার আক্ষেপ লাগে, মিডিয়ায় ওদেরকে 'যুদ্ধকামী গোষ্ঠী' আখ্যা দেওয়া হয়। অথচ এরা সকলে মুজা]হিদ, পবিত্র জিহা]দে রত। একটু আগে জনাব ইসমাইল হা]নিয়া বলেছেন, এদের অধিকাংশই হাফিজে কুরআন। অন্যরাও কুরআনের অনেক সূরা মুখস্ত জানে। তিনি আরও বলেছেন, হামা]সের সদস্যদেরকে বিশেষায়িত তারবিয়াত করা হয়। হামা]সে ভর্তি হওয়ার পূর্বে তাদেরকে বিশেষ তরবিয়াতের নানা ধাপ অতিক্রম করতে হয়, তারপর হামা]সে দাখিল করা হয়। এরা সবাই প্রকৃত মুজা]হিদ, যারা আত্মরক্ষায় লড়াই করছে।
একারণে পশ্চিমারা ওদেরকে সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়েছে। প্রকৃত প্রস্তাবে সন্ত্রাসী হলো ইস]রাইল, যারা পঁচাত্তর বছর থেকে নির্বিচারে গণহত্যা চালিয়ে আসছে। কাজেই হা]মাস একটি জনবিচ্ছিন্ন সংগঠন, এরা ফিলি]স্তিনের প্রতিনিধিত্ব করে না, এ জাতিয় বিভ্রান্তিকর কথা প্রচার থেকে বিরত থাকা উচিত। হামা]স পুরো ফিলি]স্তিনের মুখপাত্র।
চতুর্থ কথা হলো, ইতিপূর্বে অনেক উলামায়ে কেরাম ও নেতৃবৃন্দ বলেছেন এবং আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন যে, মুসলমানদের ওপর এহেন জুলম ও নির্বিচার হত্যা সত্ত্বেও, যেখানে মাসুম শিশু নারীর রক্তাক্ত বিভৎস ও ভয়ার্ত চেহারা সহ্য করার মত নয়, এতদসত্ত্বেও মুসলিম সরকারগুলোর পক্ষ হতে আশানুরূপ পদক্ষেপ লক্ষ করা যায়নি। কেবল মৌখিক নিন্দাবিবৃতি ও সামান্য ত্রাণসামগ্রি পাঠানো ছাড়া তেমন কোনো কার্যকরি পদক্ষেপ দেখা যায়নি। আমরা সরকারগুলোর ত্রাণতৎপরতার কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
কিন্তু আফসোসের বিষয় হলো আমাদের শাসকগোষ্ঠীর যেই সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত ছিল, তা এখনো তারা করতে পারেনি। জনাব ইসমাইল হা]নিয়া সাহেবও আক্ষেপ করে সেই কথাই বলেছেন- "আমরা চাই না, আপনারা আমাদের পক্ষে সেখানে হামলা করুন। আমরা চাই আপনারা গা]জ্জাবাসীকে যথাসাধ্য সাহায্য করুন এবং এতে কোনোরূপ ত্রুটি করা হতে বিরত থাকুন।"
আমি এ প্রেক্ষিতে আপনাদের সম্মুখে শরীয়তের বিধান অবহিত করতে চাই। শরীয়তের বিধান হলো, মুসলমানদের কোনো ভূখণ্ডের ওপর যখন অন্য কেউ দখলদারিত্ব কায়েম করে নেয়, কিংবা কোনো কা]ফির শাসক চেপে বসে, তখন মুসলমানদের ওপর জি]হাদ করা ফরজ হয়ে যায়। এই জি]হাদ প্রথমে সে ভূখন্ডের মুসলমানদের ওপর ফরজ হয়, তারপর তৎপার্শ্ববর্তী মুসলিমদের ওপর ফরজ। এভাবে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য মুসলিমদের ওপর নিজ নিজ শক্তি স্বামর্থানুসারে জিহা]দ ফরজ হয়ে যায়।
আমি একজন তালিবে ইলম হিসাবে আরজ করতে চাই, বিশ্বের সমস্ত মুসলমানদের ওপর এ অর্থে জি]হাদ ফরজ যে, তারা নিজ নিজ সামর্থানুসারে সাধ্যমত হা]মাস ও গা]জ্জাবাসীকে সাহায্য সহযোগিতা করবে।
আমি আপনাদের সম্মুখে কুরআনুল কারীমের দুটি আয়াত পড়ে শোনাব। আমি মনে করি, আয়াত দুটি আজকের এ সম্মেলনের পয়গাম ও বার্তা হওয়া উচিত, বিশ্বের সমগ্র মুসলমানদের প্রতি।
প্রথম আয়াত, সূরা নিসায় আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন :
وَ مَا لَکُمۡ لَا تُقَاتِلُوۡنَ فِیۡ سَبِیۡلِ اللّٰہِ وَ الۡمُسۡتَضۡعَفِیۡنَ مِنَ الرِّجَالِ وَ النِّسَآءِ وَ الۡوِلۡدَانِ الَّذِیۡنَ یَقُوۡلُوۡنَ رَبَّنَاۤ اَخۡرِجۡنَا مِنۡ ہٰذِہِ الۡقَرۡیَۃِ الظَّالِمِ اَہۡلُہَا ۚ وَ اجۡعَلۡ لَّنَا مِنۡ لَّدُنۡکَ وَلِیًّا ۚۙ وَّ اجۡعَلۡ لَّنَا مِنۡ لَّدُنۡکَ نَصِیۡرًا ﴿ؕ۷۵﴾
اَلَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا یُقَاتِلُوۡنَ فِیۡ سَبِیۡلِ اللّٰہِ ۚ وَ الَّذِیۡنَ کَفَرُوۡا یُقَاتِلُوۡنَ فِیۡ سَبِیۡلِ الطَّاغُوۡتِ فَقَاتِلُوۡۤا اَوۡلِیَآءَ الشَّیۡطٰنِ ۚ اِنَّ کَیۡدَ الشَّیۡطٰنِ کَانَ ضَعِیۡفًا ﴿٪۷۶﴾
আল্লাহ তাআলা সকল মুসলিমদের লক্ষ করে বলছেন, তোমাদের কি হয়ে গেল যে, তোমরা যুদ্ধ করবে না আল্লাহর পথে এবং অসহায় নরনারী এবং শিশুদের জন্য, যারা এ বলে দুআ করছে, ‘হে আমাদের রব! এ জনপদ, যার অধিবাসীরা যালিম, সেখান থেকে আমাদেরকে বের করে নিন। আর আমাদের জন্য আপনার পক্ষ থেকে কাউকে অভিভাবকরূপে পাঠান এবং আপনার পক্ষ থেকে কাউকে আমাদের সহায়করূপে প্রেরণ করুন।’
যারা মুমিন তারা আল্লাহর পথে যুদ্ধ করে, আর যারা কফের তারা তা]গূতের পথে যুদ্ধ করে। কাজেই তোমরা শয়তানের বন্ধুদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কর; শয়তানের কৌশল অবশ্যই দুর্বল। (সূরা নিসা : ৭৫-৭৬)
আল্লাহ তাআলা নারী শিশু ও দুর্বল পুরুষদের দোহাই দিয়ে বলছেন, তোমাদের কী হলো যে, তোমরা এদেরকে উদ্ধার করার জন্য জিহাদ করছো না?