আমি ইসলামী আন্দোলন করি ক্যারিয়ারের জন্য এবং আমি ক্যারিয়ার গঠন করি ইসলামী আন্দোলনের জন্য।
❤20👍1
আপনার মৃত্যু অবশ্যই কোন না কোন সালাতের ওয়াক্তের পরেই হব!
হয়তো ফজরের পর বা যোহরের পর অথবা আসরের পর কিংবা মাগরিবের পর নতুবা এশার পর।
অতএব, সিদ্ধান্ত নিন — বেনামাজী হিসেবে দুনিয়া ছেড়ে যাবেন নাকি নামাজের সাথে?
হয়তো ফজরের পর বা যোহরের পর অথবা আসরের পর কিংবা মাগরিবের পর নতুবা এশার পর।
অতএব, সিদ্ধান্ত নিন — বেনামাজী হিসেবে দুনিয়া ছেড়ে যাবেন নাকি নামাজের সাথে?
😢11
রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)বলেছেন:মুমিনের জীবনে যত বড় বিপদ আসে,প্রতিটি বিপদের বিনিময়ে আল্লাহ তা'আলা তার গুনাহ মাফ করেন।এমনকি কাঁটা ফুটলেও।
[বুখারীঃ-৫৬৪০]
"সুবহানাল্লাহ"
[বুখারীঃ-৫৬৪০]
"সুবহানাল্লাহ"
❤11
“প্রতিটা মানুষই পরীক্ষার মধ্যে আছে। হয় নেয়ামতের পরীক্ষা—যেটা দিয়ে যাচাই করা হচ্ছে ব্যক্তি কতটা কৃতজ্ঞ, অথবা দুঃখ-দুর্দশার পরীক্ষা—যেটা দিয়ে যাচাই করা হচ্ছে ব্যক্তি কতটা ধৈর্যশীল।”
— বিশর্ বিন আল-হারিছ (রহ.)
[শুআবুল ঈমান, ৪১৭২]
— বিশর্ বিন আল-হারিছ (রহ.)
[শুআবুল ঈমান, ৪১৭২]
❤6
ফিলিস্তিনি কবি, লেখক ও সাহিত্যের অধ্যাপক রিফাত আল আরির ইসরাইলি হামলায় সপরিবারে নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) দক্ষিণ গাজায় ইসরাইলি বাহিনী বিমান হামলা চালালে তিনি, তার এক ভাই, এক বোন ও তার চার সন্তানসহ পরিবারের মোট ৭ জন নিহত হয়।
ড. আল আরির গাজার ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ব সাহিত্য, তুলনামূলক সাহিত্য, শেক্সপিয়র ও সৃজনশীল লেখার একজন অধ্যাপক ছিলেন। তিনি সেখানে ২০০৭ সাল থেকে শিক্ষকতা করছিলেন। তিনি ‘উই আর নট নাম্বারস’ নামে একটি অলাভজনক সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের অন্যতম ছিলেন। সংস্থাটি ফিলিস্তিনের স্বার্থে ফিলিস্তিনি লেখক ও চিন্তাবিদদের একটি নতুন প্রজন্ম গড়ে তুলতে নিবেদিত ছিল।
এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারেও বেশি জনপ্রিয় ছিলেন আল আরির। ‘’ https://twitter.com/itranslate123
নামের অ্যাকাউন্টে উপত্যকার জনগণের বিরুদ্ধে ইসরাইলি বাহিনীর চলমান নৃশংসতা, সেই সাথে মার্কিন প্রশাসনের ভূমিকাসহ গাজার পরিস্থিতি তুলে ধরতেন তিনি।
ড. আল আরির গাজার ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ব সাহিত্য, তুলনামূলক সাহিত্য, শেক্সপিয়র ও সৃজনশীল লেখার একজন অধ্যাপক ছিলেন। তিনি সেখানে ২০০৭ সাল থেকে শিক্ষকতা করছিলেন। তিনি ‘উই আর নট নাম্বারস’ নামে একটি অলাভজনক সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের অন্যতম ছিলেন। সংস্থাটি ফিলিস্তিনের স্বার্থে ফিলিস্তিনি লেখক ও চিন্তাবিদদের একটি নতুন প্রজন্ম গড়ে তুলতে নিবেদিত ছিল।
এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারেও বেশি জনপ্রিয় ছিলেন আল আরির। ‘’ https://twitter.com/itranslate123
নামের অ্যাকাউন্টে উপত্যকার জনগণের বিরুদ্ধে ইসরাইলি বাহিনীর চলমান নৃশংসতা, সেই সাথে মার্কিন প্রশাসনের ভূমিকাসহ গাজার পরিস্থিতি তুলে ধরতেন তিনি।
😢15