আলোর পথ
10.2K subscribers
2.59K photos
716 videos
35 files
291 links
আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল (সা.) প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পূর্ণ বিন্যাস করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।
Download Telegram
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
ফ্যাসিনাদ সরকার পতনের পর লাখো জনতার বিজয়ের স্লোগান হবে -

নারায়ে তাকবির, আল্লাহু আকবার
13
ছাত্রশিবির আমাদের বাংলাদেশে কি করেছে- ইসলাম প্রচার

প্রতিদিনই একজন ষাটোর্ধ মুরুব্বিকে দুই ওয়াক্তে মসজিদে আসতে দেখি। ফজর ও এশা। দেখেই বুঝা যায় তিনি স্ট্রোকের রুগী। এক বাহুতে শক্তি নেই। এক হাত গলায় বাধা থাকে আর অন্য হাতে ওয়াকিং স্টিক। হাত-পা চারটিই কাঁপে।

হঠাৎ একদিন উনাকে রাস্তায় পেয়ে আলাপ জোরে দিলাম। ফর্মালিটি শেষে জিজ্ঞাসা করলাম, এই অবস্থায়ও নামাজে আসেন আপনি অনেক অনেক শুকরিয়া। আল্লাহ আপনাকে সহজ করুন। বলেই আমি বাকারা ১৫৫ আয়াত তেলাওয়াত করে আল্লাহ তা'আলার পরীক্ষার কথা বলে স্বান্তনা দিলাম।

একটু অবাক হলাম তখন, যখন তিনি এই আয়াতের শেষাংশ বলে বললেন, আর আল্লাহ খইরা এরপরেও যারা সবর খরে তারার লাগি সুসংবাদ আছে। (সিলেটি ভাষায় বলা কথাটা- আপনারা আয়াত মিলিয়ে নিবেন)

আমি বললাম, চাচা আপনি কি মাদ্রসায় পড়েছেন? তিনি বললেন, জীবনেও না। তবে আমি অনেক কুরআন হাদীস, ও নবীর জীবনি অনেক পড়েছি। তারপর (মুন্তে বা এন্তি) এরকম কিছু বলার চেষ্টা করলে আমি এন্তেখাবে হাসীস ও আর রাহিকুল মাখতুমের নাম বললাম। তিনি দুটোই পড়েছেন বললেন।

আমি আলহামদুলিল্লাহ বলে এবার আমার পরিচয় দিলাম। শেষে বললাম, চাচা আমি জামায়াত করি এই এলাকার দায়িত্বে আছি। তিনি হেসে বললেন, আমিও সাপোর্ট করি। আমরা ৮৬/৮৭ তে এরশাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছি। শিবির আমাকে হাদীস - ইসলামী সাহিত্য পড়িয়েছে। আমি বললাম, চাচা তাহলে আপনিও জামায়াত করেন আলহামদুলিল্লাহ। খুশি হলাম।

আর অভিভূত হলাম নামাজের প্রতি আপনার ইয়াকীন দেখে। তিনি মসজিদে নামাজের সেই হাদীস বললেন, ‘‘আল্লাহর রাসূলকে জামায়াতের কথা জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, যদি তোমার কানে আজানের শব্দ যায় তাহলে অবশ্যই মসজিদে আস্তে হবে তোমাকে। আমি মূলত ছাত্রশিবির এর কাছে এই হাদীস প্রথম শুনেছি।’’

জামায়াতে নামাজ, কুরআন হাদীস শিক্ষা ছাত্রশিবির উনাকে দিয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ।
সালাম বিনিময় করে বিদায় নিয়ে ভাবলাম। সংগঠন মুখে মুখে ইসলামের কথা শুধু বলেনি। মানুষের কাছে প্রচার করে এর বাস্তবায়নও করেছে। সংগঠন ‘ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা’ শুধু বলেনি এই কথাটা জনমনে প্রতিষ্ঠাও করেছে। আলহামদুলিল্লাহ। ছাত্রশিবির - জামায়াতে ইসলামী ইসলাম প্রচারে এক নেয়ামক শক্তি।

এজন্য দাওয়াত দেয়া অনেক গুরুত্বপূর্ণ। একবার ঠিকঠাক দাওয়াত দিলে ৫০ বছর পরে হলেও সেটা কথা বলবে। দাওয়াতই একমাত্র ইসলাম প্রতিষ্ঠার মূল কার্যকরী শক্তি।

-সাইফুল্লাহ মোহাম্মদ তোফায়েল

👉https://t.me/alolpath
11
🥰9
দেশসেরা প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি নর্থ সাউথে আজকের জুমার নামাজের দৃশ্য।

উল্লেখ্য, ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের প্রথম প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি।

👉https://t.me/alolpath
14
😢13
আল্লাহ তাদের দলে আমাদের কবুল করে নিন,আমিন
13
*ব্যক্তিত্বকে আকর্ষণীয় ও সুন্দর করতে এই ২০টি নিয়ম মেনে চলুন*

মাওলানা উবায়দুর রহমান খান নদভী

১। আগে সালাম দিন।
২। হাসিমুখে কথা বলুন। দুঃখ কষ্ট চেপে রেখে মুখের হাসি ধরে রাখতে চেষ্টা করবেন।

৩। বেশি শুনবেন, কম বলবেন।
৪। তামাশার ছলেও কখনো মিথ্যা বলবেন না।

৫। ভুল হলে বিনয়ের সাথে ক্ষমা চেয়ে নিন বা দুঃখ প্রকাশ করুন।
৬। অকারণে বেশি হাসি বা ঠাট্টা মশকরা করবেন না।
৭। ধীরে ধীরে বুঝিয়ে কথা বলুন।

৮। আগে অন্যের কথা শুনুন, তারপর নিজে বলুন।
৯। কোনো বিষয়ে তর্কে জড়াবেন না। মনে রাখবেন, তর্কে জিতা নয় বরং তর্কে না জড়ানোই বুদ্ধিমানের কাজ।

১০। কারো কাছে নিজেকে শ্রেষ্ঠ প্রমাণ করার চেষ্টা করবেন না।
১১। ধৈর্য ধরে রাগ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

১২। কেউ ভুল করলে ক্ষমা করুন। অন্যের দোষ ঢেকে রাখুন। মানুষের প্রতি সুধারণা রাখুন।
১৩। ছোট বড়ো সবাইকে প্রাপ্য সম্মান দিন।

১৪। কথা দিয়ে কথা রাখবেন।
১৫। পোশাকে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন, সম্ভব হলে সুবাসিত রাখতে চেষ্টা করবেন।

১৬। পারলে খাওয়ান, জোর করে খাবেন না। অন্যের জিনিসে লোভ করবেন না।
১৭। খাবার সামনে এলে আগে অন্যকে দিন। সুযোগ সুবিধা নিজে না নিয়ে অন্যদের দিয়ে দিন।

১৮। মুখ ও শরীর দুর্গন্ধমুক্ত রাখুন। আপনার যা কিছুই আছে, পরিচ্ছন্ন পরিপাটি রাখুুন।
১৯। চরিত্র ও নৈতিকতা উন্নত রাখুন। নিজের অপারগতার কথা কাউকে জানাবেন না। প্রার্থনায়, সাজদায় পড়ে শুধু আল্লাহকেই বলুন।
২০। আচার ব্যবহারে বিনয়, ভদ্রতা ও নম্রতা বজায় রাখুন।

ইনশাআল্লাহ, ব্যক্তিত্ববান বলে গণ্য হবেন। মানুষের শ্রদ্ধা সম্মান সমীহ ও ভালোবাসা লাভ করবেন।
.
-সংগৃহীত

👉https://t.me/alolpath
6
অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় সন্ত্রাসবাদী অবৈধ রাষ্ট্র ইসরায়েলের চলমান আগ্রাসনে এপর্যন্ত ১১,০৭৮ মাজলুম ফিলিস্তিনি হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে। তন্নধ্যে শুধু শিশুই ৪,৫০৬ জন এবং নারী ৩,২০৭ জন। আহত অন্তত ২৭,৪৯০ জন।

⭕️ গত ২৪ ঘন্টায় ২৬০ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েল, যার মধ্যে ৯৪ জনই শিশু।

⭕️ ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েছে ২,৭০০ এর বেশি, তন্নধ্যে ১,৫০০ জনই শিশু।

⭕️ গণহত্যা চালানো হয়েছে ১,১৩০টি ফিলিস্তিনি পরিবারের ওপর।

⭕️ ইসরায়েলি আগ্রাসনের শিকার ৭০ শতাংশই নারী, শিশু ও বৃদ্ধ।

⭕️ ১৯৮ জন স্বাস্থ্যকর্মী নিহত হয়েছেন এবং বিভিন্নভাবে আঘাতপ্রাপ্ত ও আহত হয়েছেন ১০০ জন।

⭕️ চলমান আগ্রাসনে এপর্যন্ত ৪৬ জন সাংবাদিককে হত্যা করা হয়েছে।

⭕️ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত এবং জ্বালানি সংকটের কারণে ২১টি হাসপাতাল এবং ৪৭টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র সেবার বাইরে চলে গিয়েছে।

⭕️ ইসরায়েল জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ অব্যাহত রাখায় ইনকিউবেটরে থাকা ১৩০র অধিক ফিলিস্তিনি শিশুর জীবন চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

১০ই নভেম্বর ২০২৩
২৬ই রবিউস সানি ১৪৪৫

#GazaGenocide23
#Basherkella
😢9👍1
4_5940431033022287416.pdf
862.9 KB
গুম-খুন-ক্রসফায়ারের পর এবার গুপ্ত হত্যার মিশনে আ'লীগ 😢
😢10
"জালিমরা সবসময় পরাজিত হয়; বিজয়ী হোন মজলুমরা।"

অধ্যাপক মুজিবুর রহমান
ভারপ্রাপ্ত আমীর
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
12👍2
🔥105
সাফল্য + উন্নয়ন
😢12
আমি ধ্বংস করেছি কত জনপদ, যেগুলোর বাসিন্দা ছিল জা*লেম, এসব জনপদ তাদের ঘরের ছাদসহ ধ্বংসমস্তূপে পরিণত হয়েছিল এবং কত কূপ পরিত্যক্ত হয়েছিল ও কত সুদৃঢ় প্রাসাদও।
-সূরা হজ: ৪৫
😢14
"হে মু’মিনগণ! তোমরা ধৈর্য ও সালাতের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা কর, নিশ্চয় আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন।" [সুরা আল-বাক্বারাহ, ১৫৩]
13
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
যে অতীত আজও ভালোবাসায়!!!

👉https://t.me/alolpath
😁9
*নিশ্চয়ই আপনি (মুহাম্মদ-ﷺ) মহান চরিত্রের উপর অধিষ্ঠিত।*
[সূরা ক্বলম, আয়াতঃ ৪]
13
৩০ বছর বয়সে ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন। ৩৬ এ মৃত্যু। ইসলামের বয়স মাত্র ৬। এই ৬ বছরের ব্যবধানে এমন জীবন গঠন করেছিলেন যে -

• তাঁর মৃত্যুতে আল্লাহর আরশ কেঁপে উঠেছিল।

• আসমানের সকল দুয়ার খুলে দেওয়া হয়েছিল।

• তাঁর রূহ আসমানে পৌঁছার পর আসমানীরা আনন্দে মেতেছিলেন।

• তাঁর জানাযায় অংশগ্রহণের জন্য ৭০ হাজার ফেরেশতা যমীনে অবতরণ করেছিলেন।

তিনি ছিলেন সাহাবী সা'দ ইবনে মুআ'য (রা:)।

(দেখুন, বুখারী, ৩৮০৩, মুসলিম ২৪৬৬ ইবনে হিব্বান, ৭০৩৩, ফাজায়িলুস সাহাবা, ১৪৯১ মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বা)


👉https://t.me/alolpath
9
ভবিষ্যদ্বাণীর বাস্তবতাঃ

عن عُقْبَة رضي الله عنه قال سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: لاَ تَزَالُ عِصَابَةٌ مِنْ أُمَّتِي يُقَاتِلُونَ عَلَى أَمْرِ اللَّهِ قَاهِرِينَ لِعَدُوِّهِمْ لاَ يَضُرُّهُمْ مَنْ خَالَفَهُمْ حَتَّى تَأْتِيَهُمُ السَّاعَةُ وَهُمْ عَلَى ذَلِكَ ‏.‏
উকবা (রা:) হতে বর্ণিত, আমি রাসূল ﷺ কে বলতে শুনেছি যে, “আমার উম্মতের একটি দল আল্লাহর বিধানের উপর প্রতিষ্ঠিত থেকে লড়াই করে যাবে ৷ তারা তাদের শক্রদের মুকাবিলায় অত্যন্ত প্রতাপশালী হবে ৷ যারা তাদের বিরোধিতা করবে, তারা তাদের কোন অনিষ্ট করতে পারবে না ৷ এভাবে চলতে চলতে তাদের নিকট কিয়ামত এসে যাবে আর তারা এর উপরই প্রতিষ্ঠিত থাকবে ৷” [সহিহ মুসলিম: হা/৪৮৫১]

দ্বিতীয় হাদিসঃ
عَنْ أَبِي أُمَامَةَ الْبَاهِلِيِّ : أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ : لا تَزَالُ طَائِفَةٌ مِنْ أُمَّتِي ظَاهِرِينَ عَلَى الْحَقِّ لِعَدُوِّهِمْ قَاهِرِينَ ، لا يَضُرُّهُمْ مَنْ خَالَفَهُمْ ، إِلا مَا أَصَابَهُمْ مِنْ لأْوَاءَ ، فَهُمْ كَالإِنَاءِ بَيْنَ الأَكَلَةَ حَتَّى يَأْتِيَهُمْ أَمْرُ اللَّهِ وَهُمْ كَذَلِكَ . قَالُوا : يَا رَسُولَ اللَّهِ ، وَأَيْنَ هُمْ ؟ قَالَ : بِبَيْتِ الْمَقْدِسِ ، وَأَكْنَافِ بَيْتِ الْمَقْدِسِ .
{رواه أحمد في المسند (21730). وابن جرير الطبري في 'تهذيب الآثار' (1059)}

আবু উমামাহ বাহেলি (রাঃ) হতে বর্ণিত, রসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, “আমার উম্মতের একটি দল তাদের শত্রুদেরকে পরাস্তকারী ও হক্বের উপর বিজয়ী হিসেবে থাকবে ৷ যারা তাদের বিরোধীতা করবে তারা কোন ক্ষতি করতে পারবে না ৷ তবে তাদের কাছে (নির্ধারিত) যে বিপর্যয় পৌছবে তা ব্যতীত ৷ তাদের অবস্থা হবে খাবারের মাঝে একটি পাত্রের মত (শত্রু দ্বারা বেষ্টিত) ৷ অবশেষে তাদের কাছে আল্লাহর ফায়সালা (কিয়ামত) চলে আসবে, এমতাবস্থায়ও তারা সেভাবেই থাকবে ৷ সাহাবারা জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! তারা কোথায় থাকবে? তিনি বললেন, বায়তুল মাকদিস ও বায়তুল মাকদিসের আশপাশে ৷” [মুসনাদ আহমদ, হা/২১৭৩০, সনদ দূর্বল; 'তাহযীবুল আছার' লিত-ত্ববারী: হা/১০৫৯, সহীহ]

            হাদিসটির ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণঃ

রাসূল ﷺ বলেছেন: لا تَزَالُ طَائِفَةٌ مِنْ أُمَّتِي ظَاهِرِينَ عَلَى الْحَقِّ অর্থাৎ আমার উম্মতের একটি দল সর্বদা হক্বের উপর বিজয়ী থাকবে ৷ ইবনে তাইমিয়াহ (রহ) বলেন-
هذا الحديث حديث ثابت متواتر من جهة استفاضة ثبوته عند الأئمة، ومخرج في الصحيحين من غير وجه وفي غيرهما.

এই হাদীসটি ইমামদের নিকট প্রমাণের দিক থেকে মুতাওয়াতির সূত্রে সাব্যস্ত ৷ সর্বপরি সহীহাইন ছাড়াও অন্যান্য গ্রন্থে বিভিন্ন সূত্রে বর্ণীত ৷
//
রাসূল ﷺ বলেছেন: لا يَضُرُّهُمْ مَنْ خَالَفَهُمْ অর্থাৎ যারা তাদের বিরোধীতা করবে তারা কোনো ক্ষতি করতে পারবে না ৷ এ প্রসঙ্গে ইমাম ইবনে তাইমিয়া (রহ) বলেনঃ
وهذا الحديث فيه تقرير لكون الأمة سيدخلها افتراق واختلاف في مسائل أصول الدين، ولهذا وصف عليه الصلاة والسلام هذه الطائفة بأنها الفرقة الناجية المنصورة إلى قيام الساعة، وأنهم على أمر الله ورسوله صلى الله عليه وسلم. {شرح حديث الافتراق (1/31)}.

এই হাদীসটি যেখানে স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত রয়েছে যে, এই উম্মাহর বিভক্তি ও অনৈক্যের কারণে দ্বীনের মৌলিক বিষয়েই মতভেদ অনুপ্রবেশ করবে ৷ যে কারণে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এমন বৈশিষ্ট্যের অধিকারী ছোট্ট দলকে কিয়ামত পর্যন্ত ফিরকায়ে নাজিয়া বলে বর্ণনা করেছেন ৷ কেননা তারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের দ্বীনের উপর প্রতিষ্ঠিত ৷
(শারহু হাদীস আল ইফতিরাক: ১/৩১)

সুতরাং উল্লেখিত হাদিস থেকে প্রমাণিত যে, মুমিন মুসলিমরা যখন কাফের মুশরিকদের বিরুদ্ধের যুদ্ধ করবে, তখন মুসলিমদের ভিতর থেকে এক শ্রেণীর মুনাফিকরা মুমিনদের বিরোধিতা করবে ও গোপনে কাফেরদের সহযোগী হিসেবে আবির্ভূত হবে ৷ আর এই দৃশ্যটি রাসূল ﷺ এর জীবদ্দশায় উহুদ যুদ্ধের সময় সর্বপ্রথম দেখা গিয়ে ছিলো ৷ মুনাফিক সর্দার আব্দুল্লাহ ইবনে উবাই ইবনে সালুলের নের্তৃত্বে একদল মুসলিম বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে উহুদ যুদ্ধ থেকে সরে গিয়েছিলো ৷ এভাবেই যুগেযুগে হক্বপন্থীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে মুনাফিকরা ৷ আজও একশ্রেণীর মুনাফিক বিভিন্ন অজুহাতে হক্বপন্থীদর বিরোধীতা করছে আর গোপনে কাফের মুশরিকদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে চলছে ৷ আর এই কাজে সর্বাগ্রে রয়েছে একশ্রেণীর মুনাফিক আলেম যারা জাতির রাহবারের আসনে অধিষ্ঠিত ৷
//
রাসুল ﷺ বলেছেন: إِلا مَا أَصَابَهُمْ مِنْ لأْوَاءَ فَهُمْ كَالإِنَاءِ بَيْنَ الأَكَلَةَ তথা বিরুদ্ধবাদীদের বিরুধীতা সত্বেও তাদের নিকট ততটুকুই দুঃখ-কষ্ট ও মসিবত পৌছবে যতটুকু লিখনিতে ছিলো ৷ তাদের অবস্থা একটি পাত্রের মধ্যে খাবারের মত, সর্বদিক থেকে শত্রু দ্বারা বেষ্টিত ৷ তাদেরকে পেলেই যেনো চিবিয়ে খাবে ৷ আল্লাহু আকবার, রসুলূল্লাহ ﷺ এর বাণী চিরসত্য, গাজাকে নির্মমভাবে


👉 https://t.me/alolpath
6
ঘেরাও করা হয়েছে, গাজাবাসী যেন পাত্রে রাখা খাদ্যের মত, শত্রুরা দূর-দূরান্ত থেকে মাছির মতো ভনভন করে চলে এসেছে ৷ আর মুনাফিকরা নীরব দর্শকের মতো সেই দৃশ্য দেখছে আর গোপনে শত্রুদের সাহায্য করছে ৷
//
রাসূল ﷺ বলেছেন: بِبَيْتِ الْمَقْدِسِ وَأَكْنَافِ بَيْتِ الْمَقْدِسِ অর্থাৎ সাহাবাগণ জিজ্ঞেস করলেন তারা কোথায় থাকবে? এর জবাবে তিনি বললেন: বায়তুল মাকদিস এবং বায়তুল মাকদিসের আশপাশে ৷ এই অংশে নবী মুহাম্মদ ﷺ সম্ভাব্য দু'টি যুদ্ধের ইঙ্গিত দিয়েছেন ৷
(১). بِبَيْتِ الْمَقْدِسِ "বায়তুল মাকদিসে যুদ্ধ" যা নবী ঈসা (আঃ) এর আগমনের পর দাজ্জাল কর্তৃক তিনি বায়তুল মাকদিসের ভিতরে অবরুদ্ধ হবেন ৷ এক পর্যায়ে অবরোধ ভেঙ্গে বেড়িয়ে এসে মাসীহ আত-দাজ্জালকে হত্যা করবেন ৷
(২). وَأَكْنَافِ بَيْتِ الْمَقْدِسِ এবং বায়তুল মাকদিসের আশপাশের অঞ্চলে যুদ্ধ আর গাজা আশপাশেরই অন্তর্ভূক্ত ৷
//
উল্লেখ্য যে, ইসলামের ইতিহাসে বায়তুল মাকদিস ও বায়তুল মাকদিসের আশপাশে বহু যুদ্ধ হয়েছে ৷ দ্বিতীয় খলিফাহ উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) এর জামানায় বায়তুল মাকদিস ও এর পার্শ্বর্বতী অঞ্চল ইসলামী সাম্রাজ্যের অধীনে আসে ৷ সে সময়ও যুদ্ধ হয়েছে এবং পরবর্তীতে সালাহ উদ্দিন আয়্যুবী (রহ) পুনরায় বায়তুল মাকদিস উদ্ধারে যুদ্ধ করেছেন ৷ এছাড়াও ইজরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভের পরও বেশ কয়েকবার যুদ্ধ হয়েছে ৷ এগুলোর প্রতিটি যুদ্ধই বায়তুল মাকদিস ও এর আশপাশের অঞ্চলের যুদ্ধ হিসেবেই পরিচিত ৷ আর বর্তমানেও যুদ্ধ হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও যুদ্ধ হবে ৷ সুতরাং রাসূল ﷺ এর ভবিষ্যদ্বাণী সত্য এবং তা বাস্তবে প্রমাণিত ৷
//
মুহাক্কীক উলামাগণ বলেছেন যে, হাদিসের মাঝে (لا تَزَالُ) শব্দটি সিফাতে দায়েমা (صفة دائمة) নয়, সুতরাং সর্বযুগেই বায়তুল মাকদিসে তায়েফাহ মানসুরার উপস্থিতি আবশ্যক নয়, যেমনটি অনেকে মনে করেন ৷ বরং অধিকাংশ ক্ষেত্রে কিংবা কখনো দেখা দিলেই হাদিসের সত্যতা প্রমাণিত হয়েছে বলে বিবেচিত ৷ সেদিক থেকেও এই হাদিসের বাস্তবতা আরো বেশি প্রমাণিত ৷ (الله أعلم)

👉 https://t.me/alolpath
👍4😢3
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
বিশ্বনবী মুহাম্মদ ﷺ চৌদ্দশত বছর পূর্বেই বলে গেছেন: فَهُمْ كَالإِنَاءِ بَيْنَ الأَكَلةَ অর্থাৎ সেখানকার মুসলিমদের অবস্থা হবে একটি পাত্রের মধ্যে খাবারের মত, যেন খাওয়ার জন্য চতুরদিক থেকে শত্রুরা ছুটে আসছে ৷ প্লেটে রাখা খাবারকে পাঁচ আঙ্গুল দ্বারা যেভাবে শক্তভাবে কচলানোর পর মুখে তুলা হয়, তারপর মুখের ভিতর পুনরায় দু'পাটি দাঁত দ্বারা তা চিবিয়ে চূর্ণ-বিচুর্ণ করার পর পেটে নিক্ষেপ করা হয়! আজকের গাজাবাসীর অবস্থাক সেই খাদ্যের মতোই! গাজাকে সর্বদিক দিয়ে নির্মমভাবে অবরুদ্ধ করা হয়েছে! শত্রু বেষ্টিত অঞ্চলের মধ্যখানে ফেলে চালানো হচ্ছে গণহত্যা! আহত ব্যক্তিরা হাসপাতাল যাওয়ার পর সেখানেও বোম্বিং করা হচ্ছে! কোথাও আশ্রয় নেই! কোথাও নিরাপত্তা নেই, সর্বত্রই চিৎকার, শিশুদের বুকফাটা আর্তনাৎ! প্রতি মূহুর্তেই দীর্ঘ হচ্ছে লাশের সারি! আর লাশের গাড়ি!

https://t.me/alolpath
😢9👍1