আল্লাহ্ তায়ালা বলেন,এটা তো লেলিহান অগ্নি,যা গায়ের চামড়া খসিয়ে দেবে। (সূরা মাআরিজ-১৫-১৬)
তাদের মাথার ওপর ঢেলে দেওয়া হবে ফুটন্ত গরম পানি,যা দিয়ে তাদের চামড়া ও পেটের ভেতর যা আছে তা বিগলিত করা হবে। (সূরা হজ-১৯-২০)
👉https://t.me/alolpath
তাদের মাথার ওপর ঢেলে দেওয়া হবে ফুটন্ত গরম পানি,যা দিয়ে তাদের চামড়া ও পেটের ভেতর যা আছে তা বিগলিত করা হবে। (সূরা হজ-১৯-২০)
👉https://t.me/alolpath
😢10
''চীন ও আরব হামারা, হিন্দুসতা হামারা, মুসলিম হ্যায় হাম ওয়াতান হ্যায় সারা জাহা হামারা''
‘চীন আমার, আরব আমার, ভারতও আমার নয়কো পর, জগত জোড়া মুসলিম আমি, সারাটি জাহান বেঁধেছি ঘর’
-আল্লামা মোহাম্মদ ইকবাল
(৯ নভেম্বর ১৮৭৭ – ২১ এপ্রিল ১৯৩৮)
👉https://t.me/alolpath
‘চীন আমার, আরব আমার, ভারতও আমার নয়কো পর, জগত জোড়া মুসলিম আমি, সারাটি জাহান বেঁধেছি ঘর’
-আল্লামা মোহাম্মদ ইকবাল
(৯ নভেম্বর ১৮৭৭ – ২১ এপ্রিল ১৯৩৮)
👉https://t.me/alolpath
❤7
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সেক্রেটারিয়েট সদস্য
আবু সালেহ হামজার বাসায় গতকাল রাতে কাটাখালী থানা পুলিশ অভিযান চালায়। তারা আবু সালেহ হামজা ও তার ভাই এবং বাবাকে না পেয়ে উনার অসুস্থ আম্মুকে রাত ১ টার দিকে উঠিয়ে নিয়ে যায়!
আমরা পাকিস্তানি হানাদার দেখিনি, বাংলার হানাদার দেখছি!
👉https://t.me/alolpath
আবু সালেহ হামজার বাসায় গতকাল রাতে কাটাখালী থানা পুলিশ অভিযান চালায়। তারা আবু সালেহ হামজা ও তার ভাই এবং বাবাকে না পেয়ে উনার অসুস্থ আম্মুকে রাত ১ টার দিকে উঠিয়ে নিয়ে যায়!
আমরা পাকিস্তানি হানাদার দেখিনি, বাংলার হানাদার দেখছি!
👉https://t.me/alolpath
Telegram
আলোর পথ
আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল (সা.) প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পূর্ণ বিন্যাস করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।
😢9
রাসূলে পাক (স) এরশাদ করেন : সাত শ্রেনীর মানুষের উপর আল্লাহ অভিশাপ বর্ষন করেন, হাশরের দিন আল্লাহ পাক তাদের দিকে তাকাবেন না, তাদেরকে বলবেন : "তোমরা জাহান্নামীদের সাথে প্রবেশ কর।"
তারা হচ্ছেঃ
(১) সমকামী,
(২) যার সাথে সমকাম করা হয়,
(৩) পশুর সাথে সঙ্গমকারী,
(৪) কোন মহিলা ও তার মেয়েকে একত্রে বিয়েকারী,
(৫) বোনের সাথে ব্যাভিচারী,
(৬) কণ্যার সাথে ব্যাভিচারি,
(৭) হস্ত মৈথুনকারী।
তারা হচ্ছেঃ
(১) সমকামী,
(২) যার সাথে সমকাম করা হয়,
(৩) পশুর সাথে সঙ্গমকারী,
(৪) কোন মহিলা ও তার মেয়েকে একত্রে বিয়েকারী,
(৫) বোনের সাথে ব্যাভিচারী,
(৬) কণ্যার সাথে ব্যাভিচারি,
(৭) হস্ত মৈথুনকারী।
❤7
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
হামাসের জন্য কাবার চত্তরে এক ভাইর দুয়া।
❤17
২০২৭ সালের পর ইস রাইল নামে কোনো রাষ্ট্র থাকবে না
-শাইখ আহমাদ ইয়াসীন রহ.
ফিলিস্তিনি মুক্তিসংগ্রামের আধ্যাত্মিকগুরু, হামাসের প্রতিষ্ঠাতা শাইখ আহমাদ ইয়াসীন রহ.কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল-
প্রশ্নকর্তা: শাইখ, ইসরাইল প্রতিষ্ঠা হয়েছে ১৯৪৮সালে। পঞ্চাশ বছর গত হয়ে গেছে। আপনি ইসরা ইলের ভবিষ্যত কেমন মনে করেন?
শাইখ আহমাদ ইয়াসীন : ইসরাইল প্রতিষ্ঠা হয়েছে জুলম ও ভূমি-ছিনতাইয়ের ওপর ভিত্তি করে। আর যা কিছু জুলম ও জোরজবরদস্তির ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে, তার পরিণতি ধ্বংস ও বরবাদি।
প্রশ্নকর্তা : যদি তাদের টিকে থাকার মতো শক্তি অর্জিত হয়ে যায়, তারপরেও কি ওরা বিলীন হয়ে যেতে পারে?
শাইখ আহমাদ ইয়াসীন : পৃথিবীতে কোনো শক্তিই স্থায়ী নয়। যেমন নবজাতক শিশু হয়, তারপর বালক, তারপর কিশোর, তারপর যুবক হয়, তারপর বৃদ্ধ হয়, তারপর শেষ...। তদ্রুপ রাষ্ট্র এবং সাম্রাজ্যগুলোও। শুরু হতে হতেই একসময় ধ্বংসের কিনারে এসে দাঁড়ায়। কাজেই শক্তির কথা বলে লাভ নেই!
প্রশ্নকর্তা : ইসরাইল এখন কোন পর্যায়ে রয়েছে?
শাইখ আহমেদ ইয়াসীন : ইনশাআল্লাহ, ইসরাইল আগামী শতাব্দীর প্রথম চতুর্থাংশের ভেতরই নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। আরও নির্দিষ্ট করে বললে ২০২৭সালের পর ইসরাইল নামে কোনো রাষ্ট্র পৃথিবীতে থাকবে না।
প্রশ্নকর্তা : এ সন আপনি কীভাবে নির্ধারণ করলেন?
: আমরা কুরআনুল কারীমের প্রতি পূর্ণ ঈমান রাখি। কুরআন বলে সমাজপরিস্থিতি প্রতি চল্লিশ বছরে পরিবর্তিত হতে থাকে। প্রথম চল্লিশে আমরা নাকবায় তথা দেশান্তর ও দুঃখকষ্টে ছিলাম। দ্বিতীয় চল্লিশে আমরা ইন্তিফাদা শুরু করি। ওদের প্রতিরোধ করা এবং ওদের সাথে লড়াই আরম্ভ করি। তৃতীয় চল্লিশে এর অবসান হবে। ইসরাইল নিশ্চিহ্ন হবে এবং আমরা বিজয়ী হবো ইনশাআল্লাহ!
: এটা আপনি কুরআনের কোথা হতে নিলেন...?
: এটা কুরআনী অন্তর্দর্শন।
~অনুবাদ করেছেন মুহাম্মাদ সাইফুদ্দীন গাজী
বিশিষ্ট তরুণ আলিমে দ্বীন ও লেখক
০৭ । ১০ । ২৩
👉https://t.me/alolpath
-শাইখ আহমাদ ইয়াসীন রহ.
ফিলিস্তিনি মুক্তিসংগ্রামের আধ্যাত্মিকগুরু, হামাসের প্রতিষ্ঠাতা শাইখ আহমাদ ইয়াসীন রহ.কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল-
প্রশ্নকর্তা: শাইখ, ইসরাইল প্রতিষ্ঠা হয়েছে ১৯৪৮সালে। পঞ্চাশ বছর গত হয়ে গেছে। আপনি ইসরা ইলের ভবিষ্যত কেমন মনে করেন?
শাইখ আহমাদ ইয়াসীন : ইসরাইল প্রতিষ্ঠা হয়েছে জুলম ও ভূমি-ছিনতাইয়ের ওপর ভিত্তি করে। আর যা কিছু জুলম ও জোরজবরদস্তির ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে, তার পরিণতি ধ্বংস ও বরবাদি।
প্রশ্নকর্তা : যদি তাদের টিকে থাকার মতো শক্তি অর্জিত হয়ে যায়, তারপরেও কি ওরা বিলীন হয়ে যেতে পারে?
শাইখ আহমাদ ইয়াসীন : পৃথিবীতে কোনো শক্তিই স্থায়ী নয়। যেমন নবজাতক শিশু হয়, তারপর বালক, তারপর কিশোর, তারপর যুবক হয়, তারপর বৃদ্ধ হয়, তারপর শেষ...। তদ্রুপ রাষ্ট্র এবং সাম্রাজ্যগুলোও। শুরু হতে হতেই একসময় ধ্বংসের কিনারে এসে দাঁড়ায়। কাজেই শক্তির কথা বলে লাভ নেই!
প্রশ্নকর্তা : ইসরাইল এখন কোন পর্যায়ে রয়েছে?
শাইখ আহমেদ ইয়াসীন : ইনশাআল্লাহ, ইসরাইল আগামী শতাব্দীর প্রথম চতুর্থাংশের ভেতরই নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। আরও নির্দিষ্ট করে বললে ২০২৭সালের পর ইসরাইল নামে কোনো রাষ্ট্র পৃথিবীতে থাকবে না।
প্রশ্নকর্তা : এ সন আপনি কীভাবে নির্ধারণ করলেন?
: আমরা কুরআনুল কারীমের প্রতি পূর্ণ ঈমান রাখি। কুরআন বলে সমাজপরিস্থিতি প্রতি চল্লিশ বছরে পরিবর্তিত হতে থাকে। প্রথম চল্লিশে আমরা নাকবায় তথা দেশান্তর ও দুঃখকষ্টে ছিলাম। দ্বিতীয় চল্লিশে আমরা ইন্তিফাদা শুরু করি। ওদের প্রতিরোধ করা এবং ওদের সাথে লড়াই আরম্ভ করি। তৃতীয় চল্লিশে এর অবসান হবে। ইসরাইল নিশ্চিহ্ন হবে এবং আমরা বিজয়ী হবো ইনশাআল্লাহ!
: এটা আপনি কুরআনের কোথা হতে নিলেন...?
: এটা কুরআনী অন্তর্দর্শন।
~অনুবাদ করেছেন মুহাম্মাদ সাইফুদ্দীন গাজী
বিশিষ্ট তরুণ আলিমে দ্বীন ও লেখক
০৭ । ১০ । ২৩
👉https://t.me/alolpath
❤7👍1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
দেখুন পুলিশ কিভাবে বাসে আগুন লাগায়।
🤬13👎2👍1
Forwarded from Deleted Account
কোন একদিন আমরা সাবাই শুনবো ইনশাআল্লাহ,,,
‘সত্য এসেছে এবং মিথ্যা বিলীন হয়েছে; নিশ্চয় মিথ্যা বিলীয়মান।’
👉https://t.me/alolpath
‘সত্য এসেছে এবং মিথ্যা বিলীন হয়েছে; নিশ্চয় মিথ্যা বিলীয়মান।’
👉https://t.me/alolpath
❤11
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
ফ্যাসিনাদ সরকার পতনের পর লাখো জনতার বিজয়ের স্লোগান হবে -
নারায়ে তাকবির, আল্লাহু আকবার
নারায়ে তাকবির, আল্লাহু আকবার
❤13
ছাত্রশিবির আমাদের বাংলাদেশে কি করেছে- ইসলাম প্রচার
প্রতিদিনই একজন ষাটোর্ধ মুরুব্বিকে দুই ওয়াক্তে মসজিদে আসতে দেখি। ফজর ও এশা। দেখেই বুঝা যায় তিনি স্ট্রোকের রুগী। এক বাহুতে শক্তি নেই। এক হাত গলায় বাধা থাকে আর অন্য হাতে ওয়াকিং স্টিক। হাত-পা চারটিই কাঁপে।
হঠাৎ একদিন উনাকে রাস্তায় পেয়ে আলাপ জোরে দিলাম। ফর্মালিটি শেষে জিজ্ঞাসা করলাম, এই অবস্থায়ও নামাজে আসেন আপনি অনেক অনেক শুকরিয়া। আল্লাহ আপনাকে সহজ করুন। বলেই আমি বাকারা ১৫৫ আয়াত তেলাওয়াত করে আল্লাহ তা'আলার পরীক্ষার কথা বলে স্বান্তনা দিলাম।
একটু অবাক হলাম তখন, যখন তিনি এই আয়াতের শেষাংশ বলে বললেন, আর আল্লাহ খইরা এরপরেও যারা সবর খরে তারার লাগি সুসংবাদ আছে। (সিলেটি ভাষায় বলা কথাটা- আপনারা আয়াত মিলিয়ে নিবেন)
আমি বললাম, চাচা আপনি কি মাদ্রসায় পড়েছেন? তিনি বললেন, জীবনেও না। তবে আমি অনেক কুরআন হাদীস, ও নবীর জীবনি অনেক পড়েছি। তারপর (মুন্তে বা এন্তি) এরকম কিছু বলার চেষ্টা করলে আমি এন্তেখাবে হাসীস ও আর রাহিকুল মাখতুমের নাম বললাম। তিনি দুটোই পড়েছেন বললেন।
আমি আলহামদুলিল্লাহ বলে এবার আমার পরিচয় দিলাম। শেষে বললাম, চাচা আমি জামায়াত করি এই এলাকার দায়িত্বে আছি। তিনি হেসে বললেন, আমিও সাপোর্ট করি। আমরা ৮৬/৮৭ তে এরশাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছি। শিবির আমাকে হাদীস - ইসলামী সাহিত্য পড়িয়েছে। আমি বললাম, চাচা তাহলে আপনিও জামায়াত করেন আলহামদুলিল্লাহ। খুশি হলাম।
আর অভিভূত হলাম নামাজের প্রতি আপনার ইয়াকীন দেখে। তিনি মসজিদে নামাজের সেই হাদীস বললেন, ‘‘আল্লাহর রাসূলকে জামায়াতের কথা জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, যদি তোমার কানে আজানের শব্দ যায় তাহলে অবশ্যই মসজিদে আস্তে হবে তোমাকে। আমি মূলত ছাত্রশিবির এর কাছে এই হাদীস প্রথম শুনেছি।’’
জামায়াতে নামাজ, কুরআন হাদীস শিক্ষা ছাত্রশিবির উনাকে দিয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ।
সালাম বিনিময় করে বিদায় নিয়ে ভাবলাম। সংগঠন মুখে মুখে ইসলামের কথা শুধু বলেনি। মানুষের কাছে প্রচার করে এর বাস্তবায়নও করেছে। সংগঠন ‘ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা’ শুধু বলেনি এই কথাটা জনমনে প্রতিষ্ঠাও করেছে। আলহামদুলিল্লাহ। ছাত্রশিবির - জামায়াতে ইসলামী ইসলাম প্রচারে এক নেয়ামক শক্তি।
এজন্য দাওয়াত দেয়া অনেক গুরুত্বপূর্ণ। একবার ঠিকঠাক দাওয়াত দিলে ৫০ বছর পরে হলেও সেটা কথা বলবে। দাওয়াতই একমাত্র ইসলাম প্রতিষ্ঠার মূল কার্যকরী শক্তি।
-সাইফুল্লাহ মোহাম্মদ তোফায়েল
👉https://t.me/alolpath
প্রতিদিনই একজন ষাটোর্ধ মুরুব্বিকে দুই ওয়াক্তে মসজিদে আসতে দেখি। ফজর ও এশা। দেখেই বুঝা যায় তিনি স্ট্রোকের রুগী। এক বাহুতে শক্তি নেই। এক হাত গলায় বাধা থাকে আর অন্য হাতে ওয়াকিং স্টিক। হাত-পা চারটিই কাঁপে।
হঠাৎ একদিন উনাকে রাস্তায় পেয়ে আলাপ জোরে দিলাম। ফর্মালিটি শেষে জিজ্ঞাসা করলাম, এই অবস্থায়ও নামাজে আসেন আপনি অনেক অনেক শুকরিয়া। আল্লাহ আপনাকে সহজ করুন। বলেই আমি বাকারা ১৫৫ আয়াত তেলাওয়াত করে আল্লাহ তা'আলার পরীক্ষার কথা বলে স্বান্তনা দিলাম।
একটু অবাক হলাম তখন, যখন তিনি এই আয়াতের শেষাংশ বলে বললেন, আর আল্লাহ খইরা এরপরেও যারা সবর খরে তারার লাগি সুসংবাদ আছে। (সিলেটি ভাষায় বলা কথাটা- আপনারা আয়াত মিলিয়ে নিবেন)
আমি বললাম, চাচা আপনি কি মাদ্রসায় পড়েছেন? তিনি বললেন, জীবনেও না। তবে আমি অনেক কুরআন হাদীস, ও নবীর জীবনি অনেক পড়েছি। তারপর (মুন্তে বা এন্তি) এরকম কিছু বলার চেষ্টা করলে আমি এন্তেখাবে হাসীস ও আর রাহিকুল মাখতুমের নাম বললাম। তিনি দুটোই পড়েছেন বললেন।
আমি আলহামদুলিল্লাহ বলে এবার আমার পরিচয় দিলাম। শেষে বললাম, চাচা আমি জামায়াত করি এই এলাকার দায়িত্বে আছি। তিনি হেসে বললেন, আমিও সাপোর্ট করি। আমরা ৮৬/৮৭ তে এরশাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছি। শিবির আমাকে হাদীস - ইসলামী সাহিত্য পড়িয়েছে। আমি বললাম, চাচা তাহলে আপনিও জামায়াত করেন আলহামদুলিল্লাহ। খুশি হলাম।
আর অভিভূত হলাম নামাজের প্রতি আপনার ইয়াকীন দেখে। তিনি মসজিদে নামাজের সেই হাদীস বললেন, ‘‘আল্লাহর রাসূলকে জামায়াতের কথা জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, যদি তোমার কানে আজানের শব্দ যায় তাহলে অবশ্যই মসজিদে আস্তে হবে তোমাকে। আমি মূলত ছাত্রশিবির এর কাছে এই হাদীস প্রথম শুনেছি।’’
জামায়াতে নামাজ, কুরআন হাদীস শিক্ষা ছাত্রশিবির উনাকে দিয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ।
সালাম বিনিময় করে বিদায় নিয়ে ভাবলাম। সংগঠন মুখে মুখে ইসলামের কথা শুধু বলেনি। মানুষের কাছে প্রচার করে এর বাস্তবায়নও করেছে। সংগঠন ‘ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা’ শুধু বলেনি এই কথাটা জনমনে প্রতিষ্ঠাও করেছে। আলহামদুলিল্লাহ। ছাত্রশিবির - জামায়াতে ইসলামী ইসলাম প্রচারে এক নেয়ামক শক্তি।
এজন্য দাওয়াত দেয়া অনেক গুরুত্বপূর্ণ। একবার ঠিকঠাক দাওয়াত দিলে ৫০ বছর পরে হলেও সেটা কথা বলবে। দাওয়াতই একমাত্র ইসলাম প্রতিষ্ঠার মূল কার্যকরী শক্তি।
-সাইফুল্লাহ মোহাম্মদ তোফায়েল
👉https://t.me/alolpath
Telegram
আলোর পথ
আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল (সা.) প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পূর্ণ বিন্যাস করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।
❤11
দেশসেরা প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি নর্থ সাউথে আজকের জুমার নামাজের দৃশ্য।
উল্লেখ্য, ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের প্রথম প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি।
👉https://t.me/alolpath
উল্লেখ্য, ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের প্রথম প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি।
👉https://t.me/alolpath
❤14
*ব্যক্তিত্বকে আকর্ষণীয় ও সুন্দর করতে এই ২০টি নিয়ম মেনে চলুন*
মাওলানা উবায়দুর রহমান খান নদভী
১। আগে সালাম দিন।
২। হাসিমুখে কথা বলুন। দুঃখ কষ্ট চেপে রেখে মুখের হাসি ধরে রাখতে চেষ্টা করবেন।
৩। বেশি শুনবেন, কম বলবেন।
৪। তামাশার ছলেও কখনো মিথ্যা বলবেন না।
৫। ভুল হলে বিনয়ের সাথে ক্ষমা চেয়ে নিন বা দুঃখ প্রকাশ করুন।
৬। অকারণে বেশি হাসি বা ঠাট্টা মশকরা করবেন না।
৭। ধীরে ধীরে বুঝিয়ে কথা বলুন।
৮। আগে অন্যের কথা শুনুন, তারপর নিজে বলুন।
৯। কোনো বিষয়ে তর্কে জড়াবেন না। মনে রাখবেন, তর্কে জিতা নয় বরং তর্কে না জড়ানোই বুদ্ধিমানের কাজ।
১০। কারো কাছে নিজেকে শ্রেষ্ঠ প্রমাণ করার চেষ্টা করবেন না।
১১। ধৈর্য ধরে রাগ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
১২। কেউ ভুল করলে ক্ষমা করুন। অন্যের দোষ ঢেকে রাখুন। মানুষের প্রতি সুধারণা রাখুন।
১৩। ছোট বড়ো সবাইকে প্রাপ্য সম্মান দিন।
১৪। কথা দিয়ে কথা রাখবেন।
১৫। পোশাকে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন, সম্ভব হলে সুবাসিত রাখতে চেষ্টা করবেন।
১৬। পারলে খাওয়ান, জোর করে খাবেন না। অন্যের জিনিসে লোভ করবেন না।
১৭। খাবার সামনে এলে আগে অন্যকে দিন। সুযোগ সুবিধা নিজে না নিয়ে অন্যদের দিয়ে দিন।
১৮। মুখ ও শরীর দুর্গন্ধমুক্ত রাখুন। আপনার যা কিছুই আছে, পরিচ্ছন্ন পরিপাটি রাখুুন।
১৯। চরিত্র ও নৈতিকতা উন্নত রাখুন। নিজের অপারগতার কথা কাউকে জানাবেন না। প্রার্থনায়, সাজদায় পড়ে শুধু আল্লাহকেই বলুন।
২০। আচার ব্যবহারে বিনয়, ভদ্রতা ও নম্রতা বজায় রাখুন।
ইনশাআল্লাহ, ব্যক্তিত্ববান বলে গণ্য হবেন। মানুষের শ্রদ্ধা সম্মান সমীহ ও ভালোবাসা লাভ করবেন।
.
-সংগৃহীত
👉https://t.me/alolpath
মাওলানা উবায়দুর রহমান খান নদভী
১। আগে সালাম দিন।
২। হাসিমুখে কথা বলুন। দুঃখ কষ্ট চেপে রেখে মুখের হাসি ধরে রাখতে চেষ্টা করবেন।
৩। বেশি শুনবেন, কম বলবেন।
৪। তামাশার ছলেও কখনো মিথ্যা বলবেন না।
৫। ভুল হলে বিনয়ের সাথে ক্ষমা চেয়ে নিন বা দুঃখ প্রকাশ করুন।
৬। অকারণে বেশি হাসি বা ঠাট্টা মশকরা করবেন না।
৭। ধীরে ধীরে বুঝিয়ে কথা বলুন।
৮। আগে অন্যের কথা শুনুন, তারপর নিজে বলুন।
৯। কোনো বিষয়ে তর্কে জড়াবেন না। মনে রাখবেন, তর্কে জিতা নয় বরং তর্কে না জড়ানোই বুদ্ধিমানের কাজ।
১০। কারো কাছে নিজেকে শ্রেষ্ঠ প্রমাণ করার চেষ্টা করবেন না।
১১। ধৈর্য ধরে রাগ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
১২। কেউ ভুল করলে ক্ষমা করুন। অন্যের দোষ ঢেকে রাখুন। মানুষের প্রতি সুধারণা রাখুন।
১৩। ছোট বড়ো সবাইকে প্রাপ্য সম্মান দিন।
১৪। কথা দিয়ে কথা রাখবেন।
১৫। পোশাকে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন, সম্ভব হলে সুবাসিত রাখতে চেষ্টা করবেন।
১৬। পারলে খাওয়ান, জোর করে খাবেন না। অন্যের জিনিসে লোভ করবেন না।
১৭। খাবার সামনে এলে আগে অন্যকে দিন। সুযোগ সুবিধা নিজে না নিয়ে অন্যদের দিয়ে দিন।
১৮। মুখ ও শরীর দুর্গন্ধমুক্ত রাখুন। আপনার যা কিছুই আছে, পরিচ্ছন্ন পরিপাটি রাখুুন।
১৯। চরিত্র ও নৈতিকতা উন্নত রাখুন। নিজের অপারগতার কথা কাউকে জানাবেন না। প্রার্থনায়, সাজদায় পড়ে শুধু আল্লাহকেই বলুন।
২০। আচার ব্যবহারে বিনয়, ভদ্রতা ও নম্রতা বজায় রাখুন।
ইনশাআল্লাহ, ব্যক্তিত্ববান বলে গণ্য হবেন। মানুষের শ্রদ্ধা সম্মান সমীহ ও ভালোবাসা লাভ করবেন।
.
-সংগৃহীত
👉https://t.me/alolpath
Telegram
আলোর পথ
আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল (সা.) প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পূর্ণ বিন্যাস করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।
❤6
অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় সন্ত্রাসবাদী অবৈধ রাষ্ট্র ইসরায়েলের চলমান আগ্রাসনে এপর্যন্ত ১১,০৭৮ মাজলুম ফিলিস্তিনি হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে। তন্নধ্যে শুধু শিশুই ৪,৫০৬ জন এবং নারী ৩,২০৭ জন। আহত অন্তত ২৭,৪৯০ জন।
⭕️ গত ২৪ ঘন্টায় ২৬০ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েল, যার মধ্যে ৯৪ জনই শিশু।
⭕️ ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েছে ২,৭০০ এর বেশি, তন্নধ্যে ১,৫০০ জনই শিশু।
⭕️ গণহত্যা চালানো হয়েছে ১,১৩০টি ফিলিস্তিনি পরিবারের ওপর।
⭕️ ইসরায়েলি আগ্রাসনের শিকার ৭০ শতাংশই নারী, শিশু ও বৃদ্ধ।
⭕️ ১৯৮ জন স্বাস্থ্যকর্মী নিহত হয়েছেন এবং বিভিন্নভাবে আঘাতপ্রাপ্ত ও আহত হয়েছেন ১০০ জন।
⭕️ চলমান আগ্রাসনে এপর্যন্ত ৪৬ জন সাংবাদিককে হত্যা করা হয়েছে।
⭕️ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত এবং জ্বালানি সংকটের কারণে ২১টি হাসপাতাল এবং ৪৭টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র সেবার বাইরে চলে গিয়েছে।
⭕️ ইসরায়েল জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ অব্যাহত রাখায় ইনকিউবেটরে থাকা ১৩০র অধিক ফিলিস্তিনি শিশুর জীবন চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
১০ই নভেম্বর ২০২৩
২৬ই রবিউস সানি ১৪৪৫
#GazaGenocide23
#Basherkella
⭕️ গত ২৪ ঘন্টায় ২৬০ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েল, যার মধ্যে ৯৪ জনই শিশু।
⭕️ ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েছে ২,৭০০ এর বেশি, তন্নধ্যে ১,৫০০ জনই শিশু।
⭕️ গণহত্যা চালানো হয়েছে ১,১৩০টি ফিলিস্তিনি পরিবারের ওপর।
⭕️ ইসরায়েলি আগ্রাসনের শিকার ৭০ শতাংশই নারী, শিশু ও বৃদ্ধ।
⭕️ ১৯৮ জন স্বাস্থ্যকর্মী নিহত হয়েছেন এবং বিভিন্নভাবে আঘাতপ্রাপ্ত ও আহত হয়েছেন ১০০ জন।
⭕️ চলমান আগ্রাসনে এপর্যন্ত ৪৬ জন সাংবাদিককে হত্যা করা হয়েছে।
⭕️ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত এবং জ্বালানি সংকটের কারণে ২১টি হাসপাতাল এবং ৪৭টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র সেবার বাইরে চলে গিয়েছে।
⭕️ ইসরায়েল জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ অব্যাহত রাখায় ইনকিউবেটরে থাকা ১৩০র অধিক ফিলিস্তিনি শিশুর জীবন চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
১০ই নভেম্বর ২০২৩
২৬ই রবিউস সানি ১৪৪৫
#GazaGenocide23
#Basherkella
😢9👍1