দুনিয়া জুড়ে অরাজকতা সৃষ্টির নেপথ্যে ইয়াহুদিদের কতিপয় আক্বিদা-বিশ্বাসঃ
তাওরাতের মতোই ইয়াহুদীদের ধর্মীয় গ্রন্থ হচ্ছে তালমুদ। ধর্ম ও শিষ্টাচার শেখার জন্য কিতাবটি রচনা করা হয়। তাদের কাছে তাওরাতের চেয়েও অধিক পবিত্র ও গ্রহণযোগ্য কিতাব হলো তালমুদ। বর্তমানে পৃথিবীতে যত ইয়াহুদী আছে তাদের সিংহভাগ জনসংখ্যা হলো ফারিসী (অর্থোডক্স) মতবাদের ৷ ইয়াহুদীদের অনেকগুলো দল ও শ্রেণী রয়েছে ৷ তন্মধ্যে ফারিসী দলের অনুসারী বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে বেশি। যারা যমিনে ফাসাদ সৃষ্টির দিক থেকে সবচেয়ে ভয়ংকর। প্রথম ও দ্বিতীয় শতাব্দীতে তারা তালমুদ ধর্মগ্রন্থ রচনা করে এবং এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে এসেছে বলে প্রচার করে ৷
তালমুদে বর্ণিত ইয়াহুদিদের বিশ্রী নীতিঃ
এক. ইয়াহুদীদের মতে, তাদের রুহ আল্লাহর একটি অংশ। তারা আল্লাহর কাছে ফেরেশতাদের চেয়ে সম্মানিত। যদি কেউ কোন ইয়াহুদীকে আঘাত করে তাহলে সে আল্লাহর ইজ্জতে আঘাত করল
দুই. অন্য সকল জাতির সম্পদ ও জানের উপর তাদের কর্তৃত্ব রয়েছে ৷ কারণ, প্রকৃতপক্ষে পৃথিবীতে যা কিছু আছে সব ইয়াহুদীদের সম্পদ ৷ তাই কেউ যদি তার সম্পদ ইয়াহুদীদেরকে ফেরত দেয় তবে তার উপর কোনো তিরস্কার নেই ৷
তিন. তাদের খেদমতের জন্য সকল মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে ৷ অর্থাৎ এই জগতে ইয়াহুদিরা মুনিব আর বাকী সবাই তাদের খাদেম-গোলাম ৷
চার. কোন ইয়াহুদী যদি কামপ্রবৃত্তি দমনে অপারগ হয় তবে অন্যকেউ তাতে জড়িত হতে পারবে ৷
পাঁচ. জান্নাত একমাত্র ইয়াহুদীদের ৷ তারা ব্যতিত কেউ জান্নাতে প্রবেশ করবে না ৷
ছয়. ইয়াহুদীদের রুহ ছাড়া বাকী যত রুহ আছে সব শয়তানী রুহ ৷ তারা পশুদের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ৷ তারা কুকুর ও শুকরের মতই ৷ তাদেরকে সৃষ্টি করা হয়েছে একমাত্র ইয়াহুদীদের সেবা করার জন্য ৷
সাত. কোনো ইয়াহুদী ছাড়া অন্য কারো উপর দয়া ও ইহসান করা কোন ইয়াহুদীর জন্য বৈধ নয় এবং ইয়াহুদি ব্যতীত কারো উপকার করা যাবে না ৷ এমনকি কেউ যদি গর্তেও পড়ে যায়, তাকে না উঠিয়ে তার উপর গর্ত বন্ধ করে দিতে হবে ৷
আট. কারো সম্পদ হারিয়ে গেলে তা ফেরত দেওয়া যাবে না, একমাত্র ইয়াহুদীর সম্পদ ব্যতীত ৷
নয়. সূদ ছাড়া কাউকে ঋণ দেওয়া যাবে না ইয়াহুদী ব্যতীত ৷ তাদের দাবী, আল্লাহ তাদেরকে এমনটি করতে আদেশ করেছেন
দশ. ইয়াহুদী ছাড়া অন্য যে কোন ছেলে বা মেয়ের সাথে যেনা করা বৈধ, এতে কোন শাস্তি নেই ৷
এগারো. চাইলে ইয়াহুদী ছাড়া অন্য যে কোন ভাল মানুষকে হত্যা করা যাবে ৷
বারো. ইয়াহুদী ছাড়া বাকি সবাই জাহান্নামে যাবে আর জাহান্নাম হলো জান্নাতের ষাট গুণ বড় ৷
তেরো. মারইয়াম (আঃ) ব্যভিচারীণী, নবী ঈসা (আঃ) অবৈধ সন্তান ৷ নাউযুবিল্লাহ...
তথ্যসূত্রঃ
১. আল কানযুল মারসূদ ফি কাওয়াঈদিত তালমুদ: ৫৫-৫৭,
২. দিরাসাতুল আদয়ান ইয়াহুদী- নাসরানী: ১২২-১২৩,
৩. আল মুখতাছার ফিল আদয়ান ওয়াল ফিরাক: ৮৮ পৃঃ, ড. ঈসা আস সা'দী
৪. ফাযহুদ তালমুদ: ১৩১,
৫. কুনুযুদ তালমুদ: ১৬-১৯,
চ্যানেল লিংক👇 আপনাকে স্বাগতম
👉 https://t.me/alolpath
তাওরাতের মতোই ইয়াহুদীদের ধর্মীয় গ্রন্থ হচ্ছে তালমুদ। ধর্ম ও শিষ্টাচার শেখার জন্য কিতাবটি রচনা করা হয়। তাদের কাছে তাওরাতের চেয়েও অধিক পবিত্র ও গ্রহণযোগ্য কিতাব হলো তালমুদ। বর্তমানে পৃথিবীতে যত ইয়াহুদী আছে তাদের সিংহভাগ জনসংখ্যা হলো ফারিসী (অর্থোডক্স) মতবাদের ৷ ইয়াহুদীদের অনেকগুলো দল ও শ্রেণী রয়েছে ৷ তন্মধ্যে ফারিসী দলের অনুসারী বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে বেশি। যারা যমিনে ফাসাদ সৃষ্টির দিক থেকে সবচেয়ে ভয়ংকর। প্রথম ও দ্বিতীয় শতাব্দীতে তারা তালমুদ ধর্মগ্রন্থ রচনা করে এবং এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে এসেছে বলে প্রচার করে ৷
তালমুদে বর্ণিত ইয়াহুদিদের বিশ্রী নীতিঃ
এক. ইয়াহুদীদের মতে, তাদের রুহ আল্লাহর একটি অংশ। তারা আল্লাহর কাছে ফেরেশতাদের চেয়ে সম্মানিত। যদি কেউ কোন ইয়াহুদীকে আঘাত করে তাহলে সে আল্লাহর ইজ্জতে আঘাত করল
দুই. অন্য সকল জাতির সম্পদ ও জানের উপর তাদের কর্তৃত্ব রয়েছে ৷ কারণ, প্রকৃতপক্ষে পৃথিবীতে যা কিছু আছে সব ইয়াহুদীদের সম্পদ ৷ তাই কেউ যদি তার সম্পদ ইয়াহুদীদেরকে ফেরত দেয় তবে তার উপর কোনো তিরস্কার নেই ৷
তিন. তাদের খেদমতের জন্য সকল মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে ৷ অর্থাৎ এই জগতে ইয়াহুদিরা মুনিব আর বাকী সবাই তাদের খাদেম-গোলাম ৷
চার. কোন ইয়াহুদী যদি কামপ্রবৃত্তি দমনে অপারগ হয় তবে অন্যকেউ তাতে জড়িত হতে পারবে ৷
পাঁচ. জান্নাত একমাত্র ইয়াহুদীদের ৷ তারা ব্যতিত কেউ জান্নাতে প্রবেশ করবে না ৷
ছয়. ইয়াহুদীদের রুহ ছাড়া বাকী যত রুহ আছে সব শয়তানী রুহ ৷ তারা পশুদের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ৷ তারা কুকুর ও শুকরের মতই ৷ তাদেরকে সৃষ্টি করা হয়েছে একমাত্র ইয়াহুদীদের সেবা করার জন্য ৷
সাত. কোনো ইয়াহুদী ছাড়া অন্য কারো উপর দয়া ও ইহসান করা কোন ইয়াহুদীর জন্য বৈধ নয় এবং ইয়াহুদি ব্যতীত কারো উপকার করা যাবে না ৷ এমনকি কেউ যদি গর্তেও পড়ে যায়, তাকে না উঠিয়ে তার উপর গর্ত বন্ধ করে দিতে হবে ৷
আট. কারো সম্পদ হারিয়ে গেলে তা ফেরত দেওয়া যাবে না, একমাত্র ইয়াহুদীর সম্পদ ব্যতীত ৷
নয়. সূদ ছাড়া কাউকে ঋণ দেওয়া যাবে না ইয়াহুদী ব্যতীত ৷ তাদের দাবী, আল্লাহ তাদেরকে এমনটি করতে আদেশ করেছেন
দশ. ইয়াহুদী ছাড়া অন্য যে কোন ছেলে বা মেয়ের সাথে যেনা করা বৈধ, এতে কোন শাস্তি নেই ৷
এগারো. চাইলে ইয়াহুদী ছাড়া অন্য যে কোন ভাল মানুষকে হত্যা করা যাবে ৷
বারো. ইয়াহুদী ছাড়া বাকি সবাই জাহান্নামে যাবে আর জাহান্নাম হলো জান্নাতের ষাট গুণ বড় ৷
তেরো. মারইয়াম (আঃ) ব্যভিচারীণী, নবী ঈসা (আঃ) অবৈধ সন্তান ৷ নাউযুবিল্লাহ...
তথ্যসূত্রঃ
১. আল কানযুল মারসূদ ফি কাওয়াঈদিত তালমুদ: ৫৫-৫৭,
২. দিরাসাতুল আদয়ান ইয়াহুদী- নাসরানী: ১২২-১২৩,
৩. আল মুখতাছার ফিল আদয়ান ওয়াল ফিরাক: ৮৮ পৃঃ, ড. ঈসা আস সা'দী
৪. ফাযহুদ তালমুদ: ১৩১,
৫. কুনুযুদ তালমুদ: ১৬-১৯,
চ্যানেল লিংক👇 আপনাকে স্বাগতম
👉 https://t.me/alolpath
Telegram
আলোর পথ
আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল (সা.) প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পূর্ণ বিন্যাস করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।
❤4
নারীদের ঘরে থাকতেই উদ্বুদ্ধ করছে চীনের ক্ষমতাসীন দল। পুরোনো প্রথায় ফিরে যেতেই আহ্বান তাদের। সমস্যা থেকে উত্তরণ ও ধীর হয়ে পড়া অর্থনীতির পুনরুদ্ধারে এই পথই দেখছেন চীনের নেতারা। গত সোমবার চীনের কমিউনিস্ট পার্টির নারী সম্মেলনের সমাপনীতে দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংসহ অন্য নেতারা নারীদের এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন। তবে সরকারের এমন সিদ্ধান্তে শঙ্কিত দেশটির নারীরা।
তথ্যসূত্র: নিউইয়র্ক টাইমসের বরাত দিয়ে দৈনিক যুগান্তর।
অথচ ইসলাম সেই সাড়ে চৌদ্দশত বছর পূর্বেই আমাদেরকে ঘোষণা করেছে, নির্দেশনা দিয়েছে— قَرۡنَ فِیۡ بُیُوۡتِکُنَّ وَ لَا تَبَرَّجۡنَ تَبَرُّجَ الۡجَاهِلِیَّۃِ الۡاُوۡلٰی
অর্থাৎ, আর তোমরা নিজ গৃহে অবস্থান করো এবং প্রাক-জাহেলি যুগের মত সৌন্দর্য প্রদর্শন করো না। (সূরা আহজাব:৩৩)।
মানে কুরআনের নির্দেশই হচ্ছে নারীরা ঘরে অবস্থান করবে। নারীদের প্রথম এবং প্রধান কর্মক্ষেত্র হচ্ছে ঘর। কিন্তু ইবলিশ তাদেরকে বুঝিয়েছে— নাহ, তোমাদেরকেও পুরুষের সাথে প্রতিযোগিতায় নামতে হবে, তোমাদেরকেও বাহিরে গিয়ে পুরুষের মতো হাড়ভাঙা খাটুনি খেটে উপার্জন করে মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে। অদেখা তোমাকে দুনিয়াকে দেখিয়ে নাচতে হবে। হাজারো পুরুষকে তোমাদের রূপ-রঙ-যৌবন দেখিয়ে বেড়াতে হবে। এভাবেই তোমার সম্মান স্বাধীনতা ও মর্যাদা নিশ্চিত হবে।
এখন কেউ কেউ মুখস্থ প্রশ্ন করা শুরু করবে— নারীরা কি বাহিরে বের হতে পারবে না? পড়াশোনা করবে না?
উত্তর হলো নারীরা অবশ্যই প্রয়োজনে খাতিরে বাইরে যেতে পারে। প্রয়োজনীয় জ্ঞানার্জন করতে পারে। শুধু পারবেই না, বরং প্রয়োজনীয় ইলম অর্জন করা ফরজও।
যাই হোক, এগুলো অনেক পুরনো প্রশ্ন। আলিমরা এগুলোর সমাধান বহুকাল আগেই দিয়ে এসেছেন।
এছাড়া পুরুষও যে কেবল বাইরেই থাকবে, বিষয়টা এমন নয়। পুরুষও প্রয়োজনের খাতিরে ঘরে থাকতে পারে। তাই আপনাকে আগে প্রায়োরিটি ঠিক করতে হবে। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা যেভাবে তাঁর সৃষ্টিকে ডিজাইন করেছে, সেটাকে সেভাবেই প্রয়োগ করতে হবে। না হয় ক্ষতি উভয় জগতেই হবে। আজ বা কাল, সবাই সেই ক্ষতি উপলব্ধিও করতে পারবে...
তথ্যসূত্র: নিউইয়র্ক টাইমসের বরাত দিয়ে দৈনিক যুগান্তর।
অথচ ইসলাম সেই সাড়ে চৌদ্দশত বছর পূর্বেই আমাদেরকে ঘোষণা করেছে, নির্দেশনা দিয়েছে— قَرۡنَ فِیۡ بُیُوۡتِکُنَّ وَ لَا تَبَرَّجۡنَ تَبَرُّجَ الۡجَاهِلِیَّۃِ الۡاُوۡلٰی
অর্থাৎ, আর তোমরা নিজ গৃহে অবস্থান করো এবং প্রাক-জাহেলি যুগের মত সৌন্দর্য প্রদর্শন করো না। (সূরা আহজাব:৩৩)।
মানে কুরআনের নির্দেশই হচ্ছে নারীরা ঘরে অবস্থান করবে। নারীদের প্রথম এবং প্রধান কর্মক্ষেত্র হচ্ছে ঘর। কিন্তু ইবলিশ তাদেরকে বুঝিয়েছে— নাহ, তোমাদেরকেও পুরুষের সাথে প্রতিযোগিতায় নামতে হবে, তোমাদেরকেও বাহিরে গিয়ে পুরুষের মতো হাড়ভাঙা খাটুনি খেটে উপার্জন করে মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে। অদেখা তোমাকে দুনিয়াকে দেখিয়ে নাচতে হবে। হাজারো পুরুষকে তোমাদের রূপ-রঙ-যৌবন দেখিয়ে বেড়াতে হবে। এভাবেই তোমার সম্মান স্বাধীনতা ও মর্যাদা নিশ্চিত হবে।
এখন কেউ কেউ মুখস্থ প্রশ্ন করা শুরু করবে— নারীরা কি বাহিরে বের হতে পারবে না? পড়াশোনা করবে না?
উত্তর হলো নারীরা অবশ্যই প্রয়োজনে খাতিরে বাইরে যেতে পারে। প্রয়োজনীয় জ্ঞানার্জন করতে পারে। শুধু পারবেই না, বরং প্রয়োজনীয় ইলম অর্জন করা ফরজও।
যাই হোক, এগুলো অনেক পুরনো প্রশ্ন। আলিমরা এগুলোর সমাধান বহুকাল আগেই দিয়ে এসেছেন।
এছাড়া পুরুষও যে কেবল বাইরেই থাকবে, বিষয়টা এমন নয়। পুরুষও প্রয়োজনের খাতিরে ঘরে থাকতে পারে। তাই আপনাকে আগে প্রায়োরিটি ঠিক করতে হবে। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা যেভাবে তাঁর সৃষ্টিকে ডিজাইন করেছে, সেটাকে সেভাবেই প্রয়োগ করতে হবে। না হয় ক্ষতি উভয় জগতেই হবে। আজ বা কাল, সবাই সেই ক্ষতি উপলব্ধিও করতে পারবে...
❤6
শিবির সেক্রেটারি জেনারেলের দাবি;
“ইসলামী ছাত্রশিবিরকে প্রত্যেকটি ক্যাম্পাসে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে হবে”
👉https://t.me/alolpath
“ইসলামী ছাত্রশিবিরকে প্রত্যেকটি ক্যাম্পাসে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে হবে”
👉https://t.me/alolpath
❤13
আল্লাহ্ তায়ালা বলেন,এটা তো লেলিহান অগ্নি,যা গায়ের চামড়া খসিয়ে দেবে। (সূরা মাআরিজ-১৫-১৬)
তাদের মাথার ওপর ঢেলে দেওয়া হবে ফুটন্ত গরম পানি,যা দিয়ে তাদের চামড়া ও পেটের ভেতর যা আছে তা বিগলিত করা হবে। (সূরা হজ-১৯-২০)
👉https://t.me/alolpath
তাদের মাথার ওপর ঢেলে দেওয়া হবে ফুটন্ত গরম পানি,যা দিয়ে তাদের চামড়া ও পেটের ভেতর যা আছে তা বিগলিত করা হবে। (সূরা হজ-১৯-২০)
👉https://t.me/alolpath
😢10
''চীন ও আরব হামারা, হিন্দুসতা হামারা, মুসলিম হ্যায় হাম ওয়াতান হ্যায় সারা জাহা হামারা''
‘চীন আমার, আরব আমার, ভারতও আমার নয়কো পর, জগত জোড়া মুসলিম আমি, সারাটি জাহান বেঁধেছি ঘর’
-আল্লামা মোহাম্মদ ইকবাল
(৯ নভেম্বর ১৮৭৭ – ২১ এপ্রিল ১৯৩৮)
👉https://t.me/alolpath
‘চীন আমার, আরব আমার, ভারতও আমার নয়কো পর, জগত জোড়া মুসলিম আমি, সারাটি জাহান বেঁধেছি ঘর’
-আল্লামা মোহাম্মদ ইকবাল
(৯ নভেম্বর ১৮৭৭ – ২১ এপ্রিল ১৯৩৮)
👉https://t.me/alolpath
❤7
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সেক্রেটারিয়েট সদস্য
আবু সালেহ হামজার বাসায় গতকাল রাতে কাটাখালী থানা পুলিশ অভিযান চালায়। তারা আবু সালেহ হামজা ও তার ভাই এবং বাবাকে না পেয়ে উনার অসুস্থ আম্মুকে রাত ১ টার দিকে উঠিয়ে নিয়ে যায়!
আমরা পাকিস্তানি হানাদার দেখিনি, বাংলার হানাদার দেখছি!
👉https://t.me/alolpath
আবু সালেহ হামজার বাসায় গতকাল রাতে কাটাখালী থানা পুলিশ অভিযান চালায়। তারা আবু সালেহ হামজা ও তার ভাই এবং বাবাকে না পেয়ে উনার অসুস্থ আম্মুকে রাত ১ টার দিকে উঠিয়ে নিয়ে যায়!
আমরা পাকিস্তানি হানাদার দেখিনি, বাংলার হানাদার দেখছি!
👉https://t.me/alolpath
Telegram
আলোর পথ
আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল (সা.) প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পূর্ণ বিন্যাস করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।
😢9
রাসূলে পাক (স) এরশাদ করেন : সাত শ্রেনীর মানুষের উপর আল্লাহ অভিশাপ বর্ষন করেন, হাশরের দিন আল্লাহ পাক তাদের দিকে তাকাবেন না, তাদেরকে বলবেন : "তোমরা জাহান্নামীদের সাথে প্রবেশ কর।"
তারা হচ্ছেঃ
(১) সমকামী,
(২) যার সাথে সমকাম করা হয়,
(৩) পশুর সাথে সঙ্গমকারী,
(৪) কোন মহিলা ও তার মেয়েকে একত্রে বিয়েকারী,
(৫) বোনের সাথে ব্যাভিচারী,
(৬) কণ্যার সাথে ব্যাভিচারি,
(৭) হস্ত মৈথুনকারী।
তারা হচ্ছেঃ
(১) সমকামী,
(২) যার সাথে সমকাম করা হয়,
(৩) পশুর সাথে সঙ্গমকারী,
(৪) কোন মহিলা ও তার মেয়েকে একত্রে বিয়েকারী,
(৫) বোনের সাথে ব্যাভিচারী,
(৬) কণ্যার সাথে ব্যাভিচারি,
(৭) হস্ত মৈথুনকারী।
❤7
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
হামাসের জন্য কাবার চত্তরে এক ভাইর দুয়া।
❤17
২০২৭ সালের পর ইস রাইল নামে কোনো রাষ্ট্র থাকবে না
-শাইখ আহমাদ ইয়াসীন রহ.
ফিলিস্তিনি মুক্তিসংগ্রামের আধ্যাত্মিকগুরু, হামাসের প্রতিষ্ঠাতা শাইখ আহমাদ ইয়াসীন রহ.কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল-
প্রশ্নকর্তা: শাইখ, ইসরাইল প্রতিষ্ঠা হয়েছে ১৯৪৮সালে। পঞ্চাশ বছর গত হয়ে গেছে। আপনি ইসরা ইলের ভবিষ্যত কেমন মনে করেন?
শাইখ আহমাদ ইয়াসীন : ইসরাইল প্রতিষ্ঠা হয়েছে জুলম ও ভূমি-ছিনতাইয়ের ওপর ভিত্তি করে। আর যা কিছু জুলম ও জোরজবরদস্তির ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে, তার পরিণতি ধ্বংস ও বরবাদি।
প্রশ্নকর্তা : যদি তাদের টিকে থাকার মতো শক্তি অর্জিত হয়ে যায়, তারপরেও কি ওরা বিলীন হয়ে যেতে পারে?
শাইখ আহমাদ ইয়াসীন : পৃথিবীতে কোনো শক্তিই স্থায়ী নয়। যেমন নবজাতক শিশু হয়, তারপর বালক, তারপর কিশোর, তারপর যুবক হয়, তারপর বৃদ্ধ হয়, তারপর শেষ...। তদ্রুপ রাষ্ট্র এবং সাম্রাজ্যগুলোও। শুরু হতে হতেই একসময় ধ্বংসের কিনারে এসে দাঁড়ায়। কাজেই শক্তির কথা বলে লাভ নেই!
প্রশ্নকর্তা : ইসরাইল এখন কোন পর্যায়ে রয়েছে?
শাইখ আহমেদ ইয়াসীন : ইনশাআল্লাহ, ইসরাইল আগামী শতাব্দীর প্রথম চতুর্থাংশের ভেতরই নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। আরও নির্দিষ্ট করে বললে ২০২৭সালের পর ইসরাইল নামে কোনো রাষ্ট্র পৃথিবীতে থাকবে না।
প্রশ্নকর্তা : এ সন আপনি কীভাবে নির্ধারণ করলেন?
: আমরা কুরআনুল কারীমের প্রতি পূর্ণ ঈমান রাখি। কুরআন বলে সমাজপরিস্থিতি প্রতি চল্লিশ বছরে পরিবর্তিত হতে থাকে। প্রথম চল্লিশে আমরা নাকবায় তথা দেশান্তর ও দুঃখকষ্টে ছিলাম। দ্বিতীয় চল্লিশে আমরা ইন্তিফাদা শুরু করি। ওদের প্রতিরোধ করা এবং ওদের সাথে লড়াই আরম্ভ করি। তৃতীয় চল্লিশে এর অবসান হবে। ইসরাইল নিশ্চিহ্ন হবে এবং আমরা বিজয়ী হবো ইনশাআল্লাহ!
: এটা আপনি কুরআনের কোথা হতে নিলেন...?
: এটা কুরআনী অন্তর্দর্শন।
~অনুবাদ করেছেন মুহাম্মাদ সাইফুদ্দীন গাজী
বিশিষ্ট তরুণ আলিমে দ্বীন ও লেখক
০৭ । ১০ । ২৩
👉https://t.me/alolpath
-শাইখ আহমাদ ইয়াসীন রহ.
ফিলিস্তিনি মুক্তিসংগ্রামের আধ্যাত্মিকগুরু, হামাসের প্রতিষ্ঠাতা শাইখ আহমাদ ইয়াসীন রহ.কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল-
প্রশ্নকর্তা: শাইখ, ইসরাইল প্রতিষ্ঠা হয়েছে ১৯৪৮সালে। পঞ্চাশ বছর গত হয়ে গেছে। আপনি ইসরা ইলের ভবিষ্যত কেমন মনে করেন?
শাইখ আহমাদ ইয়াসীন : ইসরাইল প্রতিষ্ঠা হয়েছে জুলম ও ভূমি-ছিনতাইয়ের ওপর ভিত্তি করে। আর যা কিছু জুলম ও জোরজবরদস্তির ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে, তার পরিণতি ধ্বংস ও বরবাদি।
প্রশ্নকর্তা : যদি তাদের টিকে থাকার মতো শক্তি অর্জিত হয়ে যায়, তারপরেও কি ওরা বিলীন হয়ে যেতে পারে?
শাইখ আহমাদ ইয়াসীন : পৃথিবীতে কোনো শক্তিই স্থায়ী নয়। যেমন নবজাতক শিশু হয়, তারপর বালক, তারপর কিশোর, তারপর যুবক হয়, তারপর বৃদ্ধ হয়, তারপর শেষ...। তদ্রুপ রাষ্ট্র এবং সাম্রাজ্যগুলোও। শুরু হতে হতেই একসময় ধ্বংসের কিনারে এসে দাঁড়ায়। কাজেই শক্তির কথা বলে লাভ নেই!
প্রশ্নকর্তা : ইসরাইল এখন কোন পর্যায়ে রয়েছে?
শাইখ আহমেদ ইয়াসীন : ইনশাআল্লাহ, ইসরাইল আগামী শতাব্দীর প্রথম চতুর্থাংশের ভেতরই নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। আরও নির্দিষ্ট করে বললে ২০২৭সালের পর ইসরাইল নামে কোনো রাষ্ট্র পৃথিবীতে থাকবে না।
প্রশ্নকর্তা : এ সন আপনি কীভাবে নির্ধারণ করলেন?
: আমরা কুরআনুল কারীমের প্রতি পূর্ণ ঈমান রাখি। কুরআন বলে সমাজপরিস্থিতি প্রতি চল্লিশ বছরে পরিবর্তিত হতে থাকে। প্রথম চল্লিশে আমরা নাকবায় তথা দেশান্তর ও দুঃখকষ্টে ছিলাম। দ্বিতীয় চল্লিশে আমরা ইন্তিফাদা শুরু করি। ওদের প্রতিরোধ করা এবং ওদের সাথে লড়াই আরম্ভ করি। তৃতীয় চল্লিশে এর অবসান হবে। ইসরাইল নিশ্চিহ্ন হবে এবং আমরা বিজয়ী হবো ইনশাআল্লাহ!
: এটা আপনি কুরআনের কোথা হতে নিলেন...?
: এটা কুরআনী অন্তর্দর্শন।
~অনুবাদ করেছেন মুহাম্মাদ সাইফুদ্দীন গাজী
বিশিষ্ট তরুণ আলিমে দ্বীন ও লেখক
০৭ । ১০ । ২৩
👉https://t.me/alolpath
❤7👍1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
দেখুন পুলিশ কিভাবে বাসে আগুন লাগায়।
🤬13👎2👍1
Forwarded from Deleted Account
কোন একদিন আমরা সাবাই শুনবো ইনশাআল্লাহ,,,
‘সত্য এসেছে এবং মিথ্যা বিলীন হয়েছে; নিশ্চয় মিথ্যা বিলীয়মান।’
👉https://t.me/alolpath
‘সত্য এসেছে এবং মিথ্যা বিলীন হয়েছে; নিশ্চয় মিথ্যা বিলীয়মান।’
👉https://t.me/alolpath
❤11
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
ফ্যাসিনাদ সরকার পতনের পর লাখো জনতার বিজয়ের স্লোগান হবে -
নারায়ে তাকবির, আল্লাহু আকবার
নারায়ে তাকবির, আল্লাহু আকবার
❤13
ছাত্রশিবির আমাদের বাংলাদেশে কি করেছে- ইসলাম প্রচার
প্রতিদিনই একজন ষাটোর্ধ মুরুব্বিকে দুই ওয়াক্তে মসজিদে আসতে দেখি। ফজর ও এশা। দেখেই বুঝা যায় তিনি স্ট্রোকের রুগী। এক বাহুতে শক্তি নেই। এক হাত গলায় বাধা থাকে আর অন্য হাতে ওয়াকিং স্টিক। হাত-পা চারটিই কাঁপে।
হঠাৎ একদিন উনাকে রাস্তায় পেয়ে আলাপ জোরে দিলাম। ফর্মালিটি শেষে জিজ্ঞাসা করলাম, এই অবস্থায়ও নামাজে আসেন আপনি অনেক অনেক শুকরিয়া। আল্লাহ আপনাকে সহজ করুন। বলেই আমি বাকারা ১৫৫ আয়াত তেলাওয়াত করে আল্লাহ তা'আলার পরীক্ষার কথা বলে স্বান্তনা দিলাম।
একটু অবাক হলাম তখন, যখন তিনি এই আয়াতের শেষাংশ বলে বললেন, আর আল্লাহ খইরা এরপরেও যারা সবর খরে তারার লাগি সুসংবাদ আছে। (সিলেটি ভাষায় বলা কথাটা- আপনারা আয়াত মিলিয়ে নিবেন)
আমি বললাম, চাচা আপনি কি মাদ্রসায় পড়েছেন? তিনি বললেন, জীবনেও না। তবে আমি অনেক কুরআন হাদীস, ও নবীর জীবনি অনেক পড়েছি। তারপর (মুন্তে বা এন্তি) এরকম কিছু বলার চেষ্টা করলে আমি এন্তেখাবে হাসীস ও আর রাহিকুল মাখতুমের নাম বললাম। তিনি দুটোই পড়েছেন বললেন।
আমি আলহামদুলিল্লাহ বলে এবার আমার পরিচয় দিলাম। শেষে বললাম, চাচা আমি জামায়াত করি এই এলাকার দায়িত্বে আছি। তিনি হেসে বললেন, আমিও সাপোর্ট করি। আমরা ৮৬/৮৭ তে এরশাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছি। শিবির আমাকে হাদীস - ইসলামী সাহিত্য পড়িয়েছে। আমি বললাম, চাচা তাহলে আপনিও জামায়াত করেন আলহামদুলিল্লাহ। খুশি হলাম।
আর অভিভূত হলাম নামাজের প্রতি আপনার ইয়াকীন দেখে। তিনি মসজিদে নামাজের সেই হাদীস বললেন, ‘‘আল্লাহর রাসূলকে জামায়াতের কথা জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, যদি তোমার কানে আজানের শব্দ যায় তাহলে অবশ্যই মসজিদে আস্তে হবে তোমাকে। আমি মূলত ছাত্রশিবির এর কাছে এই হাদীস প্রথম শুনেছি।’’
জামায়াতে নামাজ, কুরআন হাদীস শিক্ষা ছাত্রশিবির উনাকে দিয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ।
সালাম বিনিময় করে বিদায় নিয়ে ভাবলাম। সংগঠন মুখে মুখে ইসলামের কথা শুধু বলেনি। মানুষের কাছে প্রচার করে এর বাস্তবায়নও করেছে। সংগঠন ‘ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা’ শুধু বলেনি এই কথাটা জনমনে প্রতিষ্ঠাও করেছে। আলহামদুলিল্লাহ। ছাত্রশিবির - জামায়াতে ইসলামী ইসলাম প্রচারে এক নেয়ামক শক্তি।
এজন্য দাওয়াত দেয়া অনেক গুরুত্বপূর্ণ। একবার ঠিকঠাক দাওয়াত দিলে ৫০ বছর পরে হলেও সেটা কথা বলবে। দাওয়াতই একমাত্র ইসলাম প্রতিষ্ঠার মূল কার্যকরী শক্তি।
-সাইফুল্লাহ মোহাম্মদ তোফায়েল
👉https://t.me/alolpath
প্রতিদিনই একজন ষাটোর্ধ মুরুব্বিকে দুই ওয়াক্তে মসজিদে আসতে দেখি। ফজর ও এশা। দেখেই বুঝা যায় তিনি স্ট্রোকের রুগী। এক বাহুতে শক্তি নেই। এক হাত গলায় বাধা থাকে আর অন্য হাতে ওয়াকিং স্টিক। হাত-পা চারটিই কাঁপে।
হঠাৎ একদিন উনাকে রাস্তায় পেয়ে আলাপ জোরে দিলাম। ফর্মালিটি শেষে জিজ্ঞাসা করলাম, এই অবস্থায়ও নামাজে আসেন আপনি অনেক অনেক শুকরিয়া। আল্লাহ আপনাকে সহজ করুন। বলেই আমি বাকারা ১৫৫ আয়াত তেলাওয়াত করে আল্লাহ তা'আলার পরীক্ষার কথা বলে স্বান্তনা দিলাম।
একটু অবাক হলাম তখন, যখন তিনি এই আয়াতের শেষাংশ বলে বললেন, আর আল্লাহ খইরা এরপরেও যারা সবর খরে তারার লাগি সুসংবাদ আছে। (সিলেটি ভাষায় বলা কথাটা- আপনারা আয়াত মিলিয়ে নিবেন)
আমি বললাম, চাচা আপনি কি মাদ্রসায় পড়েছেন? তিনি বললেন, জীবনেও না। তবে আমি অনেক কুরআন হাদীস, ও নবীর জীবনি অনেক পড়েছি। তারপর (মুন্তে বা এন্তি) এরকম কিছু বলার চেষ্টা করলে আমি এন্তেখাবে হাসীস ও আর রাহিকুল মাখতুমের নাম বললাম। তিনি দুটোই পড়েছেন বললেন।
আমি আলহামদুলিল্লাহ বলে এবার আমার পরিচয় দিলাম। শেষে বললাম, চাচা আমি জামায়াত করি এই এলাকার দায়িত্বে আছি। তিনি হেসে বললেন, আমিও সাপোর্ট করি। আমরা ৮৬/৮৭ তে এরশাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছি। শিবির আমাকে হাদীস - ইসলামী সাহিত্য পড়িয়েছে। আমি বললাম, চাচা তাহলে আপনিও জামায়াত করেন আলহামদুলিল্লাহ। খুশি হলাম।
আর অভিভূত হলাম নামাজের প্রতি আপনার ইয়াকীন দেখে। তিনি মসজিদে নামাজের সেই হাদীস বললেন, ‘‘আল্লাহর রাসূলকে জামায়াতের কথা জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, যদি তোমার কানে আজানের শব্দ যায় তাহলে অবশ্যই মসজিদে আস্তে হবে তোমাকে। আমি মূলত ছাত্রশিবির এর কাছে এই হাদীস প্রথম শুনেছি।’’
জামায়াতে নামাজ, কুরআন হাদীস শিক্ষা ছাত্রশিবির উনাকে দিয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ।
সালাম বিনিময় করে বিদায় নিয়ে ভাবলাম। সংগঠন মুখে মুখে ইসলামের কথা শুধু বলেনি। মানুষের কাছে প্রচার করে এর বাস্তবায়নও করেছে। সংগঠন ‘ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা’ শুধু বলেনি এই কথাটা জনমনে প্রতিষ্ঠাও করেছে। আলহামদুলিল্লাহ। ছাত্রশিবির - জামায়াতে ইসলামী ইসলাম প্রচারে এক নেয়ামক শক্তি।
এজন্য দাওয়াত দেয়া অনেক গুরুত্বপূর্ণ। একবার ঠিকঠাক দাওয়াত দিলে ৫০ বছর পরে হলেও সেটা কথা বলবে। দাওয়াতই একমাত্র ইসলাম প্রতিষ্ঠার মূল কার্যকরী শক্তি।
-সাইফুল্লাহ মোহাম্মদ তোফায়েল
👉https://t.me/alolpath
Telegram
আলোর পথ
আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল (সা.) প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পূর্ণ বিন্যাস করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।
❤11
দেশসেরা প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি নর্থ সাউথে আজকের জুমার নামাজের দৃশ্য।
উল্লেখ্য, ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের প্রথম প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি।
👉https://t.me/alolpath
উল্লেখ্য, ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের প্রথম প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি।
👉https://t.me/alolpath
❤14