This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
নির্বাচনে জেতার ফর্মুলা:
"১০ টা হুন্ডা
২০ টা গুন্ডা
নির্বাচন ঠান্ডা"
"১০ টা হুন্ডা
২০ টা গুন্ডা
নির্বাচন ঠান্ডা"
😁21
ইসলামি সরকার মানে সৎ ও যোগ্য লোকের শাসন
সৎ লোক বা ভালো মানুষ কাকে বলে? যে লোক গোপনেও খারাপ কাজ করে না, সেই সৎ লোক। সাধারণত মানুষ আইনের ভয়ে, পুলিশের ভয়ে ও লোক লজ্জার ভয়ে মন্দ কাজ থেকে বিরত থাকে। কিন্তু ধরা পড়বে না বলে মনে করলে সুযোগ পেলেই মহাঅন্যায় করতেও পরোয়া করে না।
প্রত্যেক মানুষেরই বিবেক আছে। কোনটা ভালো ও কোনটা মন্দ, তা বিবেকের বিরুদ্ধেই চলে। নাফসের তাড়না ও দুনিয়ার লোভে তারা বিবেকের ধার ধরে না।
সৎ লোক তারাই যারা বিবেকের বিরুদ্ধে চলে না তারা দুনিয়ার লোভকে ত্যাগ করার ক্ষমতা রাখে। এ ক্ষমতা তাদেরই থাকে যারা আল্লাহকে ও আখিরাতের শাস্তিকে ভয় করে। এরই নাম ইমান। ইমান ছাড়া সততার গুণ সৃষ্টি হয় না। রাজনৈতিক দলগুলো যদি ইমানদার ও সৎ লোক তৈরি করে এবং সৎ ও যোগ্য লোকদের এমপি বানায়, আর সরকার যদি সৎ ও যোগ্য লোকদের সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ করে, তবেই ইসলামি সরকার কায়েম হতে পারে।
যেসব রাজনৈতিক দল ইসলামি সরকার কায়েম করতে চায়, তারা ইমানদার ও সৎ লোকদেরকে দলভুক্ত তাদেরকে যোগ্য হিসেবে গড়ে তোলে এবং যোগ্য লোকদেরকে দলে শামিল করে তাদেরকে ইমানদার ও সৎ বানানোর চেষ্টা করে। এভাবে চেষ্টা না করলে সৎ ও যোগ্য লোকের শাসন আপনা আপনি কায়েম হতে পারে না। সরকার যতবারই বদল হোক, সৎ ও যোগ্য লোকের শাসন ছাড়া জনগণের কপাল বদলাবে না।
-অধ্যাপক গোলাম আযম
👉https://t.me/alolpath
সৎ লোক বা ভালো মানুষ কাকে বলে? যে লোক গোপনেও খারাপ কাজ করে না, সেই সৎ লোক। সাধারণত মানুষ আইনের ভয়ে, পুলিশের ভয়ে ও লোক লজ্জার ভয়ে মন্দ কাজ থেকে বিরত থাকে। কিন্তু ধরা পড়বে না বলে মনে করলে সুযোগ পেলেই মহাঅন্যায় করতেও পরোয়া করে না।
প্রত্যেক মানুষেরই বিবেক আছে। কোনটা ভালো ও কোনটা মন্দ, তা বিবেকের বিরুদ্ধেই চলে। নাফসের তাড়না ও দুনিয়ার লোভে তারা বিবেকের ধার ধরে না।
সৎ লোক তারাই যারা বিবেকের বিরুদ্ধে চলে না তারা দুনিয়ার লোভকে ত্যাগ করার ক্ষমতা রাখে। এ ক্ষমতা তাদেরই থাকে যারা আল্লাহকে ও আখিরাতের শাস্তিকে ভয় করে। এরই নাম ইমান। ইমান ছাড়া সততার গুণ সৃষ্টি হয় না। রাজনৈতিক দলগুলো যদি ইমানদার ও সৎ লোক তৈরি করে এবং সৎ ও যোগ্য লোকদের এমপি বানায়, আর সরকার যদি সৎ ও যোগ্য লোকদের সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ করে, তবেই ইসলামি সরকার কায়েম হতে পারে।
যেসব রাজনৈতিক দল ইসলামি সরকার কায়েম করতে চায়, তারা ইমানদার ও সৎ লোকদেরকে দলভুক্ত তাদেরকে যোগ্য হিসেবে গড়ে তোলে এবং যোগ্য লোকদেরকে দলে শামিল করে তাদেরকে ইমানদার ও সৎ বানানোর চেষ্টা করে। এভাবে চেষ্টা না করলে সৎ ও যোগ্য লোকের শাসন আপনা আপনি কায়েম হতে পারে না। সরকার যতবারই বদল হোক, সৎ ও যোগ্য লোকের শাসন ছাড়া জনগণের কপাল বদলাবে না।
-অধ্যাপক গোলাম আযম
👉https://t.me/alolpath
Telegram
আলোর পথ
আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল (সা.) প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পূর্ণ বিন্যাস করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।
❤8
এক কৃপণ আর এক ধনী ব্যক্তির গল্প :
ধনী ব্যক্তিকে রক্ত লাগে তিন ব্যাগ। সবখানে খোঁজা-খুঁজি করেও কোথাও রক্ত পেলেন না। পরে তখন এক কৃপণ লোকের সাথে তার রক্ত মিলে গেল। ধনী ব্যক্তি কৃপণ লোককে বলল আপনার রক্তের সাথে আমার রক্তের মিল রয়েছে তাই আমাকে তিন ব্যাগ রক্ত দেন। কৃপণ ব্যক্তি বলল আমি গত তিনদিন থেকে না খেয়ে আছি তাই আমি কাউকে রক্ত দিব না। ধনী ব্যক্তি কিছু বলল না তার সাথে তিনজন লোক ছিল তারা জোর করে তার কাছ থেকে তিন ব্যাগ রক্ত নিল। রক্ত নেওয়ার পরে তাকে তিনলক্ষ টাকা দিল। টাকা পাওয়ার পরে কৃপণ ব্যক্তি বলল আরো এক ব্যাগ রক্ত নেন। ধনী ব্যক্তি বলল না, যখন লাগবে তখন আপনাকে ফোন করে জানাবো। কৃপণ ব্যক্তি বলল আচ্ছা জানাইয়েন। একমাস পরে ধনী ব্যক্তি আবার ফোন দিয়ে বলল আমার আজকে এইখানে রক্ত লাগবে যথা সময়ের পূর্বে আসিয়েন। কৃপণ ব্যক্তি যথা সময়ে আসলেন। তার কাছ থেকে একব্যাগ রক্ত নিলেন। রক্ত নেওয়ার পরে ধনী ব্যক্তির পকেটে ছিল দুই টাকার নোট পাঁচ টা। তার মধ্যে তিনটা নোটই ছিড়া ছিল। পরে তখন কৃপন ব্যাক্তিকে দশটাকা দিলেন। কৃপণ ব্যক্তি টাকা পাওয়ার পরে দেখল ১০ টাকা তার মধ্যে ৬ টাকায় নষ্ট। কৃপণের মাথা নষ্ট হয়ে গেল তখন সে বলল, গত বার এক ব্যাগ রক্তের বিনিময়ে এক লক্ষ টাকা দিলেন কিন্তুক এবার মাত্র ১০ টাকা দিলেন। ধনী ব্যাক্তি বলল,, তোর রক্ত নেওয়ার আগে আমিও ধনী ছিলাম কিন্তুক তোর রক্ত নেওয়ার পরে আমিও কৃপণ হয়ে গেছি।।।
একটু লেখার চেষ্টা দোয়া করিয়েন ভবিষ্যতে যেন আরো ভালো কিছু লিখতে পারি ইনশাআল্লাহ ।
👉https://t.me/alolpath
ধনী ব্যক্তিকে রক্ত লাগে তিন ব্যাগ। সবখানে খোঁজা-খুঁজি করেও কোথাও রক্ত পেলেন না। পরে তখন এক কৃপণ লোকের সাথে তার রক্ত মিলে গেল। ধনী ব্যক্তি কৃপণ লোককে বলল আপনার রক্তের সাথে আমার রক্তের মিল রয়েছে তাই আমাকে তিন ব্যাগ রক্ত দেন। কৃপণ ব্যক্তি বলল আমি গত তিনদিন থেকে না খেয়ে আছি তাই আমি কাউকে রক্ত দিব না। ধনী ব্যক্তি কিছু বলল না তার সাথে তিনজন লোক ছিল তারা জোর করে তার কাছ থেকে তিন ব্যাগ রক্ত নিল। রক্ত নেওয়ার পরে তাকে তিনলক্ষ টাকা দিল। টাকা পাওয়ার পরে কৃপণ ব্যক্তি বলল আরো এক ব্যাগ রক্ত নেন। ধনী ব্যক্তি বলল না, যখন লাগবে তখন আপনাকে ফোন করে জানাবো। কৃপণ ব্যক্তি বলল আচ্ছা জানাইয়েন। একমাস পরে ধনী ব্যক্তি আবার ফোন দিয়ে বলল আমার আজকে এইখানে রক্ত লাগবে যথা সময়ের পূর্বে আসিয়েন। কৃপণ ব্যক্তি যথা সময়ে আসলেন। তার কাছ থেকে একব্যাগ রক্ত নিলেন। রক্ত নেওয়ার পরে ধনী ব্যক্তির পকেটে ছিল দুই টাকার নোট পাঁচ টা। তার মধ্যে তিনটা নোটই ছিড়া ছিল। পরে তখন কৃপন ব্যাক্তিকে দশটাকা দিলেন। কৃপণ ব্যক্তি টাকা পাওয়ার পরে দেখল ১০ টাকা তার মধ্যে ৬ টাকায় নষ্ট। কৃপণের মাথা নষ্ট হয়ে গেল তখন সে বলল, গত বার এক ব্যাগ রক্তের বিনিময়ে এক লক্ষ টাকা দিলেন কিন্তুক এবার মাত্র ১০ টাকা দিলেন। ধনী ব্যাক্তি বলল,, তোর রক্ত নেওয়ার আগে আমিও ধনী ছিলাম কিন্তুক তোর রক্ত নেওয়ার পরে আমিও কৃপণ হয়ে গেছি।।।
একটু লেখার চেষ্টা দোয়া করিয়েন ভবিষ্যতে যেন আরো ভালো কিছু লিখতে পারি ইনশাআল্লাহ ।
👉https://t.me/alolpath
😁8👍2
"নিজেকে ভালো দ্বীনদার মনে করা শয়তানের অন্যতম চক্রন্ত। সাথে সাথে যদি নিজেকে অন্য কোনো মুসলমানের চেয়ে বেশি দ্বীনদার মনে করা হয় তাহলে ধ্বংসের ষোলোকলা পূর্ণ হয়।"
- ড.খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রহ.)
[এহ্ইয়াউস সুনান, ৬২৫ পৃ.]
- ড.খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রহ.)
[এহ্ইয়াউস সুনান, ৬২৫ পৃ.]
❤11😢1
তোমাকে জাগতেই হবে, হে তরুণ!
-রাজিবুর রহমান
স্বাধীন দেশের জনগণ আজ ফ্যাসিবাদের হাতে বন্দি। বন্দি এদেশের রাজনীতি, অর্থনীতি, মানবাধিকার এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা। গণতন্ত্রের আলোকবর্তিকাগুলো নিজস্ব জৌলুস হারিয়ে আজ ম্রিয়মাণ। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সমাজ কিংবা রাজনৈতিক অঙ্গনে সৃষ্টিশীলতার চর্চা আজ ক্ষমতাসীন দল ও তাদের লেজুড়বৃত্তিক পেটোয়া বাহিনী, হেলমেট বাহিনীর হিংস্র ও নির্লজ্জ থাবায় রক্তাক্ত। জাতির ওপর জেঁকে বসেছে ইসলাম ও মানবতার শত্রু এক জগদ্দল পাথর, যারা নিজেদের ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখার জন্য দেশের স্বার্থ বিকিয়ে দিতে একটুও দ্বিধাবোধ করছে না।
https://tinyurl.com/2p88m6px
-রাজিবুর রহমান
স্বাধীন দেশের জনগণ আজ ফ্যাসিবাদের হাতে বন্দি। বন্দি এদেশের রাজনীতি, অর্থনীতি, মানবাধিকার এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা। গণতন্ত্রের আলোকবর্তিকাগুলো নিজস্ব জৌলুস হারিয়ে আজ ম্রিয়মাণ। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সমাজ কিংবা রাজনৈতিক অঙ্গনে সৃষ্টিশীলতার চর্চা আজ ক্ষমতাসীন দল ও তাদের লেজুড়বৃত্তিক পেটোয়া বাহিনী, হেলমেট বাহিনীর হিংস্র ও নির্লজ্জ থাবায় রক্তাক্ত। জাতির ওপর জেঁকে বসেছে ইসলাম ও মানবতার শত্রু এক জগদ্দল পাথর, যারা নিজেদের ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখার জন্য দেশের স্বার্থ বিকিয়ে দিতে একটুও দ্বিধাবোধ করছে না।
https://tinyurl.com/2p88m6px
❤16
দুনিয়া জুড়ে অরাজকতা সৃষ্টির নেপথ্যে ইয়াহুদিদের কতিপয় আক্বিদা-বিশ্বাসঃ
তাওরাতের মতোই ইয়াহুদীদের ধর্মীয় গ্রন্থ হচ্ছে তালমুদ। ধর্ম ও শিষ্টাচার শেখার জন্য কিতাবটি রচনা করা হয়। তাদের কাছে তাওরাতের চেয়েও অধিক পবিত্র ও গ্রহণযোগ্য কিতাব হলো তালমুদ। বর্তমানে পৃথিবীতে যত ইয়াহুদী আছে তাদের সিংহভাগ জনসংখ্যা হলো ফারিসী (অর্থোডক্স) মতবাদের ৷ ইয়াহুদীদের অনেকগুলো দল ও শ্রেণী রয়েছে ৷ তন্মধ্যে ফারিসী দলের অনুসারী বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে বেশি। যারা যমিনে ফাসাদ সৃষ্টির দিক থেকে সবচেয়ে ভয়ংকর। প্রথম ও দ্বিতীয় শতাব্দীতে তারা তালমুদ ধর্মগ্রন্থ রচনা করে এবং এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে এসেছে বলে প্রচার করে ৷
তালমুদে বর্ণিত ইয়াহুদিদের বিশ্রী নীতিঃ
এক. ইয়াহুদীদের মতে, তাদের রুহ আল্লাহর একটি অংশ। তারা আল্লাহর কাছে ফেরেশতাদের চেয়ে সম্মানিত। যদি কেউ কোন ইয়াহুদীকে আঘাত করে তাহলে সে আল্লাহর ইজ্জতে আঘাত করল
দুই. অন্য সকল জাতির সম্পদ ও জানের উপর তাদের কর্তৃত্ব রয়েছে ৷ কারণ, প্রকৃতপক্ষে পৃথিবীতে যা কিছু আছে সব ইয়াহুদীদের সম্পদ ৷ তাই কেউ যদি তার সম্পদ ইয়াহুদীদেরকে ফেরত দেয় তবে তার উপর কোনো তিরস্কার নেই ৷
তিন. তাদের খেদমতের জন্য সকল মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে ৷ অর্থাৎ এই জগতে ইয়াহুদিরা মুনিব আর বাকী সবাই তাদের খাদেম-গোলাম ৷
চার. কোন ইয়াহুদী যদি কামপ্রবৃত্তি দমনে অপারগ হয় তবে অন্যকেউ তাতে জড়িত হতে পারবে ৷
পাঁচ. জান্নাত একমাত্র ইয়াহুদীদের ৷ তারা ব্যতিত কেউ জান্নাতে প্রবেশ করবে না ৷
ছয়. ইয়াহুদীদের রুহ ছাড়া বাকী যত রুহ আছে সব শয়তানী রুহ ৷ তারা পশুদের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ৷ তারা কুকুর ও শুকরের মতই ৷ তাদেরকে সৃষ্টি করা হয়েছে একমাত্র ইয়াহুদীদের সেবা করার জন্য ৷
সাত. কোনো ইয়াহুদী ছাড়া অন্য কারো উপর দয়া ও ইহসান করা কোন ইয়াহুদীর জন্য বৈধ নয় এবং ইয়াহুদি ব্যতীত কারো উপকার করা যাবে না ৷ এমনকি কেউ যদি গর্তেও পড়ে যায়, তাকে না উঠিয়ে তার উপর গর্ত বন্ধ করে দিতে হবে ৷
আট. কারো সম্পদ হারিয়ে গেলে তা ফেরত দেওয়া যাবে না, একমাত্র ইয়াহুদীর সম্পদ ব্যতীত ৷
নয়. সূদ ছাড়া কাউকে ঋণ দেওয়া যাবে না ইয়াহুদী ব্যতীত ৷ তাদের দাবী, আল্লাহ তাদেরকে এমনটি করতে আদেশ করেছেন
দশ. ইয়াহুদী ছাড়া অন্য যে কোন ছেলে বা মেয়ের সাথে যেনা করা বৈধ, এতে কোন শাস্তি নেই ৷
এগারো. চাইলে ইয়াহুদী ছাড়া অন্য যে কোন ভাল মানুষকে হত্যা করা যাবে ৷
বারো. ইয়াহুদী ছাড়া বাকি সবাই জাহান্নামে যাবে আর জাহান্নাম হলো জান্নাতের ষাট গুণ বড় ৷
তেরো. মারইয়াম (আঃ) ব্যভিচারীণী, নবী ঈসা (আঃ) অবৈধ সন্তান ৷ নাউযুবিল্লাহ...
তথ্যসূত্রঃ
১. আল কানযুল মারসূদ ফি কাওয়াঈদিত তালমুদ: ৫৫-৫৭,
২. দিরাসাতুল আদয়ান ইয়াহুদী- নাসরানী: ১২২-১২৩,
৩. আল মুখতাছার ফিল আদয়ান ওয়াল ফিরাক: ৮৮ পৃঃ, ড. ঈসা আস সা'দী
৪. ফাযহুদ তালমুদ: ১৩১,
৫. কুনুযুদ তালমুদ: ১৬-১৯,
চ্যানেল লিংক👇 আপনাকে স্বাগতম
👉 https://t.me/alolpath
তাওরাতের মতোই ইয়াহুদীদের ধর্মীয় গ্রন্থ হচ্ছে তালমুদ। ধর্ম ও শিষ্টাচার শেখার জন্য কিতাবটি রচনা করা হয়। তাদের কাছে তাওরাতের চেয়েও অধিক পবিত্র ও গ্রহণযোগ্য কিতাব হলো তালমুদ। বর্তমানে পৃথিবীতে যত ইয়াহুদী আছে তাদের সিংহভাগ জনসংখ্যা হলো ফারিসী (অর্থোডক্স) মতবাদের ৷ ইয়াহুদীদের অনেকগুলো দল ও শ্রেণী রয়েছে ৷ তন্মধ্যে ফারিসী দলের অনুসারী বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে বেশি। যারা যমিনে ফাসাদ সৃষ্টির দিক থেকে সবচেয়ে ভয়ংকর। প্রথম ও দ্বিতীয় শতাব্দীতে তারা তালমুদ ধর্মগ্রন্থ রচনা করে এবং এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে এসেছে বলে প্রচার করে ৷
তালমুদে বর্ণিত ইয়াহুদিদের বিশ্রী নীতিঃ
এক. ইয়াহুদীদের মতে, তাদের রুহ আল্লাহর একটি অংশ। তারা আল্লাহর কাছে ফেরেশতাদের চেয়ে সম্মানিত। যদি কেউ কোন ইয়াহুদীকে আঘাত করে তাহলে সে আল্লাহর ইজ্জতে আঘাত করল
দুই. অন্য সকল জাতির সম্পদ ও জানের উপর তাদের কর্তৃত্ব রয়েছে ৷ কারণ, প্রকৃতপক্ষে পৃথিবীতে যা কিছু আছে সব ইয়াহুদীদের সম্পদ ৷ তাই কেউ যদি তার সম্পদ ইয়াহুদীদেরকে ফেরত দেয় তবে তার উপর কোনো তিরস্কার নেই ৷
তিন. তাদের খেদমতের জন্য সকল মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে ৷ অর্থাৎ এই জগতে ইয়াহুদিরা মুনিব আর বাকী সবাই তাদের খাদেম-গোলাম ৷
চার. কোন ইয়াহুদী যদি কামপ্রবৃত্তি দমনে অপারগ হয় তবে অন্যকেউ তাতে জড়িত হতে পারবে ৷
পাঁচ. জান্নাত একমাত্র ইয়াহুদীদের ৷ তারা ব্যতিত কেউ জান্নাতে প্রবেশ করবে না ৷
ছয়. ইয়াহুদীদের রুহ ছাড়া বাকী যত রুহ আছে সব শয়তানী রুহ ৷ তারা পশুদের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ৷ তারা কুকুর ও শুকরের মতই ৷ তাদেরকে সৃষ্টি করা হয়েছে একমাত্র ইয়াহুদীদের সেবা করার জন্য ৷
সাত. কোনো ইয়াহুদী ছাড়া অন্য কারো উপর দয়া ও ইহসান করা কোন ইয়াহুদীর জন্য বৈধ নয় এবং ইয়াহুদি ব্যতীত কারো উপকার করা যাবে না ৷ এমনকি কেউ যদি গর্তেও পড়ে যায়, তাকে না উঠিয়ে তার উপর গর্ত বন্ধ করে দিতে হবে ৷
আট. কারো সম্পদ হারিয়ে গেলে তা ফেরত দেওয়া যাবে না, একমাত্র ইয়াহুদীর সম্পদ ব্যতীত ৷
নয়. সূদ ছাড়া কাউকে ঋণ দেওয়া যাবে না ইয়াহুদী ব্যতীত ৷ তাদের দাবী, আল্লাহ তাদেরকে এমনটি করতে আদেশ করেছেন
দশ. ইয়াহুদী ছাড়া অন্য যে কোন ছেলে বা মেয়ের সাথে যেনা করা বৈধ, এতে কোন শাস্তি নেই ৷
এগারো. চাইলে ইয়াহুদী ছাড়া অন্য যে কোন ভাল মানুষকে হত্যা করা যাবে ৷
বারো. ইয়াহুদী ছাড়া বাকি সবাই জাহান্নামে যাবে আর জাহান্নাম হলো জান্নাতের ষাট গুণ বড় ৷
তেরো. মারইয়াম (আঃ) ব্যভিচারীণী, নবী ঈসা (আঃ) অবৈধ সন্তান ৷ নাউযুবিল্লাহ...
তথ্যসূত্রঃ
১. আল কানযুল মারসূদ ফি কাওয়াঈদিত তালমুদ: ৫৫-৫৭,
২. দিরাসাতুল আদয়ান ইয়াহুদী- নাসরানী: ১২২-১২৩,
৩. আল মুখতাছার ফিল আদয়ান ওয়াল ফিরাক: ৮৮ পৃঃ, ড. ঈসা আস সা'দী
৪. ফাযহুদ তালমুদ: ১৩১,
৫. কুনুযুদ তালমুদ: ১৬-১৯,
চ্যানেল লিংক👇 আপনাকে স্বাগতম
👉 https://t.me/alolpath
Telegram
আলোর পথ
আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল (সা.) প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পূর্ণ বিন্যাস করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।
❤4
নারীদের ঘরে থাকতেই উদ্বুদ্ধ করছে চীনের ক্ষমতাসীন দল। পুরোনো প্রথায় ফিরে যেতেই আহ্বান তাদের। সমস্যা থেকে উত্তরণ ও ধীর হয়ে পড়া অর্থনীতির পুনরুদ্ধারে এই পথই দেখছেন চীনের নেতারা। গত সোমবার চীনের কমিউনিস্ট পার্টির নারী সম্মেলনের সমাপনীতে দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংসহ অন্য নেতারা নারীদের এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন। তবে সরকারের এমন সিদ্ধান্তে শঙ্কিত দেশটির নারীরা।
তথ্যসূত্র: নিউইয়র্ক টাইমসের বরাত দিয়ে দৈনিক যুগান্তর।
অথচ ইসলাম সেই সাড়ে চৌদ্দশত বছর পূর্বেই আমাদেরকে ঘোষণা করেছে, নির্দেশনা দিয়েছে— قَرۡنَ فِیۡ بُیُوۡتِکُنَّ وَ لَا تَبَرَّجۡنَ تَبَرُّجَ الۡجَاهِلِیَّۃِ الۡاُوۡلٰی
অর্থাৎ, আর তোমরা নিজ গৃহে অবস্থান করো এবং প্রাক-জাহেলি যুগের মত সৌন্দর্য প্রদর্শন করো না। (সূরা আহজাব:৩৩)।
মানে কুরআনের নির্দেশই হচ্ছে নারীরা ঘরে অবস্থান করবে। নারীদের প্রথম এবং প্রধান কর্মক্ষেত্র হচ্ছে ঘর। কিন্তু ইবলিশ তাদেরকে বুঝিয়েছে— নাহ, তোমাদেরকেও পুরুষের সাথে প্রতিযোগিতায় নামতে হবে, তোমাদেরকেও বাহিরে গিয়ে পুরুষের মতো হাড়ভাঙা খাটুনি খেটে উপার্জন করে মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে। অদেখা তোমাকে দুনিয়াকে দেখিয়ে নাচতে হবে। হাজারো পুরুষকে তোমাদের রূপ-রঙ-যৌবন দেখিয়ে বেড়াতে হবে। এভাবেই তোমার সম্মান স্বাধীনতা ও মর্যাদা নিশ্চিত হবে।
এখন কেউ কেউ মুখস্থ প্রশ্ন করা শুরু করবে— নারীরা কি বাহিরে বের হতে পারবে না? পড়াশোনা করবে না?
উত্তর হলো নারীরা অবশ্যই প্রয়োজনে খাতিরে বাইরে যেতে পারে। প্রয়োজনীয় জ্ঞানার্জন করতে পারে। শুধু পারবেই না, বরং প্রয়োজনীয় ইলম অর্জন করা ফরজও।
যাই হোক, এগুলো অনেক পুরনো প্রশ্ন। আলিমরা এগুলোর সমাধান বহুকাল আগেই দিয়ে এসেছেন।
এছাড়া পুরুষও যে কেবল বাইরেই থাকবে, বিষয়টা এমন নয়। পুরুষও প্রয়োজনের খাতিরে ঘরে থাকতে পারে। তাই আপনাকে আগে প্রায়োরিটি ঠিক করতে হবে। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা যেভাবে তাঁর সৃষ্টিকে ডিজাইন করেছে, সেটাকে সেভাবেই প্রয়োগ করতে হবে। না হয় ক্ষতি উভয় জগতেই হবে। আজ বা কাল, সবাই সেই ক্ষতি উপলব্ধিও করতে পারবে...
তথ্যসূত্র: নিউইয়র্ক টাইমসের বরাত দিয়ে দৈনিক যুগান্তর।
অথচ ইসলাম সেই সাড়ে চৌদ্দশত বছর পূর্বেই আমাদেরকে ঘোষণা করেছে, নির্দেশনা দিয়েছে— قَرۡنَ فِیۡ بُیُوۡتِکُنَّ وَ لَا تَبَرَّجۡنَ تَبَرُّجَ الۡجَاهِلِیَّۃِ الۡاُوۡلٰی
অর্থাৎ, আর তোমরা নিজ গৃহে অবস্থান করো এবং প্রাক-জাহেলি যুগের মত সৌন্দর্য প্রদর্শন করো না। (সূরা আহজাব:৩৩)।
মানে কুরআনের নির্দেশই হচ্ছে নারীরা ঘরে অবস্থান করবে। নারীদের প্রথম এবং প্রধান কর্মক্ষেত্র হচ্ছে ঘর। কিন্তু ইবলিশ তাদেরকে বুঝিয়েছে— নাহ, তোমাদেরকেও পুরুষের সাথে প্রতিযোগিতায় নামতে হবে, তোমাদেরকেও বাহিরে গিয়ে পুরুষের মতো হাড়ভাঙা খাটুনি খেটে উপার্জন করে মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে। অদেখা তোমাকে দুনিয়াকে দেখিয়ে নাচতে হবে। হাজারো পুরুষকে তোমাদের রূপ-রঙ-যৌবন দেখিয়ে বেড়াতে হবে। এভাবেই তোমার সম্মান স্বাধীনতা ও মর্যাদা নিশ্চিত হবে।
এখন কেউ কেউ মুখস্থ প্রশ্ন করা শুরু করবে— নারীরা কি বাহিরে বের হতে পারবে না? পড়াশোনা করবে না?
উত্তর হলো নারীরা অবশ্যই প্রয়োজনে খাতিরে বাইরে যেতে পারে। প্রয়োজনীয় জ্ঞানার্জন করতে পারে। শুধু পারবেই না, বরং প্রয়োজনীয় ইলম অর্জন করা ফরজও।
যাই হোক, এগুলো অনেক পুরনো প্রশ্ন। আলিমরা এগুলোর সমাধান বহুকাল আগেই দিয়ে এসেছেন।
এছাড়া পুরুষও যে কেবল বাইরেই থাকবে, বিষয়টা এমন নয়। পুরুষও প্রয়োজনের খাতিরে ঘরে থাকতে পারে। তাই আপনাকে আগে প্রায়োরিটি ঠিক করতে হবে। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা যেভাবে তাঁর সৃষ্টিকে ডিজাইন করেছে, সেটাকে সেভাবেই প্রয়োগ করতে হবে। না হয় ক্ষতি উভয় জগতেই হবে। আজ বা কাল, সবাই সেই ক্ষতি উপলব্ধিও করতে পারবে...
❤6
শিবির সেক্রেটারি জেনারেলের দাবি;
“ইসলামী ছাত্রশিবিরকে প্রত্যেকটি ক্যাম্পাসে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে হবে”
👉https://t.me/alolpath
“ইসলামী ছাত্রশিবিরকে প্রত্যেকটি ক্যাম্পাসে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে হবে”
👉https://t.me/alolpath
❤13
আল্লাহ্ তায়ালা বলেন,এটা তো লেলিহান অগ্নি,যা গায়ের চামড়া খসিয়ে দেবে। (সূরা মাআরিজ-১৫-১৬)
তাদের মাথার ওপর ঢেলে দেওয়া হবে ফুটন্ত গরম পানি,যা দিয়ে তাদের চামড়া ও পেটের ভেতর যা আছে তা বিগলিত করা হবে। (সূরা হজ-১৯-২০)
👉https://t.me/alolpath
তাদের মাথার ওপর ঢেলে দেওয়া হবে ফুটন্ত গরম পানি,যা দিয়ে তাদের চামড়া ও পেটের ভেতর যা আছে তা বিগলিত করা হবে। (সূরা হজ-১৯-২০)
👉https://t.me/alolpath
😢10
''চীন ও আরব হামারা, হিন্দুসতা হামারা, মুসলিম হ্যায় হাম ওয়াতান হ্যায় সারা জাহা হামারা''
‘চীন আমার, আরব আমার, ভারতও আমার নয়কো পর, জগত জোড়া মুসলিম আমি, সারাটি জাহান বেঁধেছি ঘর’
-আল্লামা মোহাম্মদ ইকবাল
(৯ নভেম্বর ১৮৭৭ – ২১ এপ্রিল ১৯৩৮)
👉https://t.me/alolpath
‘চীন আমার, আরব আমার, ভারতও আমার নয়কো পর, জগত জোড়া মুসলিম আমি, সারাটি জাহান বেঁধেছি ঘর’
-আল্লামা মোহাম্মদ ইকবাল
(৯ নভেম্বর ১৮৭৭ – ২১ এপ্রিল ১৯৩৮)
👉https://t.me/alolpath
❤7
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সেক্রেটারিয়েট সদস্য
আবু সালেহ হামজার বাসায় গতকাল রাতে কাটাখালী থানা পুলিশ অভিযান চালায়। তারা আবু সালেহ হামজা ও তার ভাই এবং বাবাকে না পেয়ে উনার অসুস্থ আম্মুকে রাত ১ টার দিকে উঠিয়ে নিয়ে যায়!
আমরা পাকিস্তানি হানাদার দেখিনি, বাংলার হানাদার দেখছি!
👉https://t.me/alolpath
আবু সালেহ হামজার বাসায় গতকাল রাতে কাটাখালী থানা পুলিশ অভিযান চালায়। তারা আবু সালেহ হামজা ও তার ভাই এবং বাবাকে না পেয়ে উনার অসুস্থ আম্মুকে রাত ১ টার দিকে উঠিয়ে নিয়ে যায়!
আমরা পাকিস্তানি হানাদার দেখিনি, বাংলার হানাদার দেখছি!
👉https://t.me/alolpath
Telegram
আলোর পথ
আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল (সা.) প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পূর্ণ বিন্যাস করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।
😢9
রাসূলে পাক (স) এরশাদ করেন : সাত শ্রেনীর মানুষের উপর আল্লাহ অভিশাপ বর্ষন করেন, হাশরের দিন আল্লাহ পাক তাদের দিকে তাকাবেন না, তাদেরকে বলবেন : "তোমরা জাহান্নামীদের সাথে প্রবেশ কর।"
তারা হচ্ছেঃ
(১) সমকামী,
(২) যার সাথে সমকাম করা হয়,
(৩) পশুর সাথে সঙ্গমকারী,
(৪) কোন মহিলা ও তার মেয়েকে একত্রে বিয়েকারী,
(৫) বোনের সাথে ব্যাভিচারী,
(৬) কণ্যার সাথে ব্যাভিচারি,
(৭) হস্ত মৈথুনকারী।
তারা হচ্ছেঃ
(১) সমকামী,
(২) যার সাথে সমকাম করা হয়,
(৩) পশুর সাথে সঙ্গমকারী,
(৪) কোন মহিলা ও তার মেয়েকে একত্রে বিয়েকারী,
(৫) বোনের সাথে ব্যাভিচারী,
(৬) কণ্যার সাথে ব্যাভিচারি,
(৭) হস্ত মৈথুনকারী।
❤7
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
হামাসের জন্য কাবার চত্তরে এক ভাইর দুয়া।
❤17