হামাসের ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গ শহর ইসরায়েলের স্থল হামলার সবচেয়ে বড় বাধা,যুক্তরাষ্ট্র মনে করছে, ইসরায়েলি বাহিনী স্থল হামলায় নজিরবিহীন প্রতিরোধের মুখে পড়বে।
প্রায় তিন সপ্তাহ নির্বিচার বিমানহামলা চালানোর পর হামাসের বিরুদ্ধে স্থল হামলা শুরু করেছে ইসরায়েল। তবে, এখনো তা চলছে সীমিত আকারে। বিশ্লেষকদের মতে, স্থল হামলায় ইসরায়েলি সেনাদের জন্য সবচেয়ে বড় বাধা হামাসের ভূগর্ভস্থ সুবিশাল সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্ক। গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলা চালায় হামাস। এতে নিহত হন এক হাজার ৪০০ ইসরায়েলী দখলদার, আহত হন পাঁচ হাজারেরও বেশি। এ ছাড়া, হামাস জিম্মি করে দুই শতাধিক নাগরিককে, যাদের মধ্যে ইসরায়েলি ছাড়াও অন্যান্য দেশের নাগরিক রয়েছেন। মুক্ত হওয়া জিম্মিদের একজন হামাসের সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্ককে মাকড়সার জালের সঙ্গে তুলনা করেছেন। বিশেষজ্ঞরা জানান, ভিয়েতনামের গেরিলা কমিউনিস্ট সংগঠন 'ভিয়েতকং'র সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্কের চেয়ে ১০ গুণ বেশি বিস্তৃত হামাসের নেটওয়ার্ক।
হামাসের প্রতিষ্ঠা ১৯৮৭ সালে। ধারণা করা হয়, নব্বই দশকের মাঝামাঝি থেকে সুড়ঙ্গ তৈরি করছে তারা। এই সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্কের কারণেই ইসরায়েল অধিকৃত পশ্চিম তীরের তুলনায় গাজায় হামাসের অবস্থান শক্তিশালী। ২০০৫ সালে ইসরায়েল গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার করে নিলে সুড়ঙ্গ তৈরি আরও সহজ হয়। ২০০৬ এ নির্বাচনের মাধ্যমে হামাস গাজার ক্ষমতায় আসে। অল্প সময়ের মধ্যেই হামাসের আল-কাসাম ব্রিগেড ৬০০ মিটার সুড়ঙ্গ খুঁড়ে গাজা সীমান্তের কেরেম শালম ঘাঁটি দখল করে নেয়। সুড়ঙ্গের বিষয়ে জানেন এমন সূত্রদের বরাত দিয়ে রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৩৬০ কিলোমিটার দীর্ঘ উপকূলীয় অঞ্চল ও সীমান্তে বিভিন্ন কাজের জন্য সুড়ঙ্গ নির্মাণ করেছে হামাস। হামলা চালানো, প্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহন ও মজুদসহ আরও নানা কাজে ব্যবহার হয় এসব সুড়ঙ্গ। প্রচলিত আছে, ২০০৭ সালে হামাসের সামরিক শাখা তাদের কমান্ডার মোহাম্মদ দেইফকে মিশর থেকে গাজায় নিয়ে আসে এমনই এক সুড়ঙ্গ ব্যবহার করে। অক্টোবরের ৭ তারিখে হামাসের আক্রমণের মাস্টারমাইন্ড ছিলেন দেইফ।
যুক্তরাষ্ট্র মনে করছে, ইসরায়েলি বাহিনী স্থল হামলায় নজিরবিহীন প্রতিরোধের মুখে পড়বে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মার্কিন কর্মকর্তা মনে করেন, মাটির নিচে আটকে রাখা জিম্মিদের ক্ষতি না করে হামাসকে পরাজিত করা সম্ভব হবে না।যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন বলেছেন, ইসরায়েলিদের জন্য হামাসের সুড়ঙ্গে অসংখ্য 'ঘরে বানানো বিস্ফোরক', নানান ফাঁদ এবং একটি ক্লান্তিকর ও কঠিন অভিজ্ঞতা অপেক্ষা করছে। তার মতে, এরচেয়ে ইরাকের মসুল শহরকে আইএসের দখল মুক্ত করতে নয় মাসের অভিযান অনেক সহজ ছিল।
হামাসের সুড়ঙ্গের সুনির্দিষ্ট অবস্থান চিহ্নিত করতে প্রযুক্তির জন্য অনেক অর্থ বিনিয়োগ করেছে ইসরায়েল। এর মধ্যে রয়েছে 'আয়রন ওয়াল' নামের বিশেষ সেনসর। তারপরও সুড়ঙ্গগুলো চিহ্নিত করে বন্ধ করতে সক্ষম হয়নি দেশটি। এ কাজে নিয়োজিত আছে ইসরায়েল সেনাবাহিনীর বিশেষ কমান্ডো ইউনিট 'ইয়াহালোম'। কমব্যাট ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পস শাখার এই দলটি মাটির নিচে সুড়ঙ্গ খুঁজে ধ্বংস করার জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ পেয়েছে। ২০২১ সালের আক্রমণের পর হামাসের নেতা ইয়াহিয়া আল সিনওয়ার বলেছিলেন, 'ইসরায়েল বলছে, তারা নাকি হামাসের সুড়ঙ্গের ১০০ কিলোমিটার জায়গা ধ্বংস করেছে। আমি বলছি, গাজা উপত্যকায় আমাদের সুড়ঙ্গের বিস্তার ৫০০ কিলোমিটারেরও বেশি। কাজেই তারা যদি সত্য বলেও থাকে, তা মোট সুড়ঙ্গের ২০ শতাংশ মাত্র।'
সিনওয়ারের দাবির শক্ত প্রমাণ না পেলেও নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা সেটাকেই সত্য বলে মানছেন। গাজা উপত্যকা মাত্র ৪০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের হলেও সুড়ঙ্গগুলো আরও বহুদূর পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। গাজার আকাশ ও নৌপথের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ইসরায়েলের হাতে। স্থল সীমানার ৭২ কিলোমিটারের মধ্যে ৫৯ কিলোমিটারই ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে। সঙ্গে আছে দক্ষিণে মিশরের সঙ্গে থাকা ১৩ কিলোমিটার সীমানা। হামাস তাদের সুড়ঙ্গ নিয়ে তেমন কোনো তথ্য প্রকাশ করে না। তবে তাদের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া ৮৫ বছর বয়সী জিম্মি ইয়োশেভেদ লিফশিৎজ বলেন, 'এটা মাকড়শার জালের মতো। অসংখ্য সুড়ঙ্গ রয়েছে। আমরা মাটির নিচে বেশ কয়েক কিলোমিটার পথ হেঁটেছি।'
হামাস বিশ্বাস করে, সর্বাধুনিক সামরিক প্রযুক্তি নিয়ে ইসরায়েল অনেক এগিয়ে থাকলেও, সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্কে এগুলো খুব একটা কাজে আসবে না। হামাস চায় ইসরায়েলি সেনারা সুড়ঙ্গে এসে তাদের মোকাবিলা করুক। ইসরায়েলের কাছে অপরিচিত সেই পরিবেশে হামাস বাড়তি সুবিধা পাবে। সম্প্রতি ইসরায়েলের এক মুখপাত্র বলেছেন, 'সুড়ঙ্গগুলো কত কিলোমিটার জুড়ে নির্মাণ করা হয়েছে, তা স্পষ্ট করে বলতে পারছি না, তবে এটা কোনো দিক দিয়েই ছোট নয়।
ইসরায়েলের কমব্যাট ইন্টেলিজেন্স কর্পসের সাবেক কমান্ডার ও মোসাদের সাবেক প্রধান অবসরপ্রাপ্ত বিগ্রেডিয়ার জেনারেল আমনোন সফরিন বলেন, 'সুড়ঙ্গে প্রচুর ফাঁদ থাকবে। হামাসের কাছে থার্মোবারিক বোমা ও অস্ত্র থাকবে। ২০২১ সালে তাদের কাছে এই মারাত্মক অস্ত্র ছিল না।'
তথ্যসূত্র: রয়টার্স
প্রায় তিন সপ্তাহ নির্বিচার বিমানহামলা চালানোর পর হামাসের বিরুদ্ধে স্থল হামলা শুরু করেছে ইসরায়েল। তবে, এখনো তা চলছে সীমিত আকারে। বিশ্লেষকদের মতে, স্থল হামলায় ইসরায়েলি সেনাদের জন্য সবচেয়ে বড় বাধা হামাসের ভূগর্ভস্থ সুবিশাল সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্ক। গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলা চালায় হামাস। এতে নিহত হন এক হাজার ৪০০ ইসরায়েলী দখলদার, আহত হন পাঁচ হাজারেরও বেশি। এ ছাড়া, হামাস জিম্মি করে দুই শতাধিক নাগরিককে, যাদের মধ্যে ইসরায়েলি ছাড়াও অন্যান্য দেশের নাগরিক রয়েছেন। মুক্ত হওয়া জিম্মিদের একজন হামাসের সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্ককে মাকড়সার জালের সঙ্গে তুলনা করেছেন। বিশেষজ্ঞরা জানান, ভিয়েতনামের গেরিলা কমিউনিস্ট সংগঠন 'ভিয়েতকং'র সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্কের চেয়ে ১০ গুণ বেশি বিস্তৃত হামাসের নেটওয়ার্ক।
হামাসের প্রতিষ্ঠা ১৯৮৭ সালে। ধারণা করা হয়, নব্বই দশকের মাঝামাঝি থেকে সুড়ঙ্গ তৈরি করছে তারা। এই সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্কের কারণেই ইসরায়েল অধিকৃত পশ্চিম তীরের তুলনায় গাজায় হামাসের অবস্থান শক্তিশালী। ২০০৫ সালে ইসরায়েল গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার করে নিলে সুড়ঙ্গ তৈরি আরও সহজ হয়। ২০০৬ এ নির্বাচনের মাধ্যমে হামাস গাজার ক্ষমতায় আসে। অল্প সময়ের মধ্যেই হামাসের আল-কাসাম ব্রিগেড ৬০০ মিটার সুড়ঙ্গ খুঁড়ে গাজা সীমান্তের কেরেম শালম ঘাঁটি দখল করে নেয়। সুড়ঙ্গের বিষয়ে জানেন এমন সূত্রদের বরাত দিয়ে রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৩৬০ কিলোমিটার দীর্ঘ উপকূলীয় অঞ্চল ও সীমান্তে বিভিন্ন কাজের জন্য সুড়ঙ্গ নির্মাণ করেছে হামাস। হামলা চালানো, প্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহন ও মজুদসহ আরও নানা কাজে ব্যবহার হয় এসব সুড়ঙ্গ। প্রচলিত আছে, ২০০৭ সালে হামাসের সামরিক শাখা তাদের কমান্ডার মোহাম্মদ দেইফকে মিশর থেকে গাজায় নিয়ে আসে এমনই এক সুড়ঙ্গ ব্যবহার করে। অক্টোবরের ৭ তারিখে হামাসের আক্রমণের মাস্টারমাইন্ড ছিলেন দেইফ।
যুক্তরাষ্ট্র মনে করছে, ইসরায়েলি বাহিনী স্থল হামলায় নজিরবিহীন প্রতিরোধের মুখে পড়বে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মার্কিন কর্মকর্তা মনে করেন, মাটির নিচে আটকে রাখা জিম্মিদের ক্ষতি না করে হামাসকে পরাজিত করা সম্ভব হবে না।যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন বলেছেন, ইসরায়েলিদের জন্য হামাসের সুড়ঙ্গে অসংখ্য 'ঘরে বানানো বিস্ফোরক', নানান ফাঁদ এবং একটি ক্লান্তিকর ও কঠিন অভিজ্ঞতা অপেক্ষা করছে। তার মতে, এরচেয়ে ইরাকের মসুল শহরকে আইএসের দখল মুক্ত করতে নয় মাসের অভিযান অনেক সহজ ছিল।
হামাসের সুড়ঙ্গের সুনির্দিষ্ট অবস্থান চিহ্নিত করতে প্রযুক্তির জন্য অনেক অর্থ বিনিয়োগ করেছে ইসরায়েল। এর মধ্যে রয়েছে 'আয়রন ওয়াল' নামের বিশেষ সেনসর। তারপরও সুড়ঙ্গগুলো চিহ্নিত করে বন্ধ করতে সক্ষম হয়নি দেশটি। এ কাজে নিয়োজিত আছে ইসরায়েল সেনাবাহিনীর বিশেষ কমান্ডো ইউনিট 'ইয়াহালোম'। কমব্যাট ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পস শাখার এই দলটি মাটির নিচে সুড়ঙ্গ খুঁজে ধ্বংস করার জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ পেয়েছে। ২০২১ সালের আক্রমণের পর হামাসের নেতা ইয়াহিয়া আল সিনওয়ার বলেছিলেন, 'ইসরায়েল বলছে, তারা নাকি হামাসের সুড়ঙ্গের ১০০ কিলোমিটার জায়গা ধ্বংস করেছে। আমি বলছি, গাজা উপত্যকায় আমাদের সুড়ঙ্গের বিস্তার ৫০০ কিলোমিটারেরও বেশি। কাজেই তারা যদি সত্য বলেও থাকে, তা মোট সুড়ঙ্গের ২০ শতাংশ মাত্র।'
সিনওয়ারের দাবির শক্ত প্রমাণ না পেলেও নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা সেটাকেই সত্য বলে মানছেন। গাজা উপত্যকা মাত্র ৪০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের হলেও সুড়ঙ্গগুলো আরও বহুদূর পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। গাজার আকাশ ও নৌপথের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ইসরায়েলের হাতে। স্থল সীমানার ৭২ কিলোমিটারের মধ্যে ৫৯ কিলোমিটারই ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে। সঙ্গে আছে দক্ষিণে মিশরের সঙ্গে থাকা ১৩ কিলোমিটার সীমানা। হামাস তাদের সুড়ঙ্গ নিয়ে তেমন কোনো তথ্য প্রকাশ করে না। তবে তাদের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া ৮৫ বছর বয়সী জিম্মি ইয়োশেভেদ লিফশিৎজ বলেন, 'এটা মাকড়শার জালের মতো। অসংখ্য সুড়ঙ্গ রয়েছে। আমরা মাটির নিচে বেশ কয়েক কিলোমিটার পথ হেঁটেছি।'
হামাস বিশ্বাস করে, সর্বাধুনিক সামরিক প্রযুক্তি নিয়ে ইসরায়েল অনেক এগিয়ে থাকলেও, সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্কে এগুলো খুব একটা কাজে আসবে না। হামাস চায় ইসরায়েলি সেনারা সুড়ঙ্গে এসে তাদের মোকাবিলা করুক। ইসরায়েলের কাছে অপরিচিত সেই পরিবেশে হামাস বাড়তি সুবিধা পাবে। সম্প্রতি ইসরায়েলের এক মুখপাত্র বলেছেন, 'সুড়ঙ্গগুলো কত কিলোমিটার জুড়ে নির্মাণ করা হয়েছে, তা স্পষ্ট করে বলতে পারছি না, তবে এটা কোনো দিক দিয়েই ছোট নয়।
ইসরায়েলের কমব্যাট ইন্টেলিজেন্স কর্পসের সাবেক কমান্ডার ও মোসাদের সাবেক প্রধান অবসরপ্রাপ্ত বিগ্রেডিয়ার জেনারেল আমনোন সফরিন বলেন, 'সুড়ঙ্গে প্রচুর ফাঁদ থাকবে। হামাসের কাছে থার্মোবারিক বোমা ও অস্ত্র থাকবে। ২০২১ সালে তাদের কাছে এই মারাত্মক অস্ত্র ছিল না।'
তথ্যসূত্র: রয়টার্স
❤6
রাজশাহীর জনপ্রিয় গাইনোকোলোজিস্ট ডা. ফাতেমা সিদ্দিকা’র নিঃশর্ত মুক্তি চাই।
#FreeFatemaSiddika #Bangladesh #Rajshahi
#FreeFatemaSiddika #Bangladesh #Rajshahi
😢16
আগামীকাল রবিবার চট্টগ্রামে বিএনপির সকাল-সন্ধ্যা হরতালে জামায়াতের সমর্থন
বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য,সাবেক মন্ত্রী জনাব আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে সাজানো মামলায় গ্রেফতার ও রিমান্ডে নেওয়ার প্রতিবাদে আগামীকাল রবিবার (৫ নভেম্বর) চট্টগ্রামে বিএনপির ডাকা সকাল সন্ধ্যা সর্বাত্মক হরতালে পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরী।
#RestoreCaretakerGovt
#StepDownHasina
বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য,সাবেক মন্ত্রী জনাব আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে সাজানো মামলায় গ্রেফতার ও রিমান্ডে নেওয়ার প্রতিবাদে আগামীকাল রবিবার (৫ নভেম্বর) চট্টগ্রামে বিএনপির ডাকা সকাল সন্ধ্যা সর্বাত্মক হরতালে পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরী।
#RestoreCaretakerGovt
#StepDownHasina
❤13
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
কথা ক্লিয়ার?
কোন মুসলমানের পক্ষে ধর্মনিরপেক্ষ হওয়া সম্ভব না।
কোন মুসলমানের পক্ষে ধর্মনিরপেক্ষ হওয়া সম্ভব না।
❤16
রঙিন চশমাটা একদিন খসে পড়বে। পরিসমাপ্তি ঘটবে বাগাড়ম্বর আর ঔদ্ধত্যের। আলো ঝলমলে দিনের মতো সত্যটা উদ্ভাসিত হবে।
❤7
ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন,
চার জিনিস রিযিক আনয়ন করে:
১. রাতের সালাত
২. ফজরের পূর্বে ইস্তিগফার
৩. প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সাদাকাহ
৪. দিনের শুরুতে ও শেষে আল্লাহর যিকির
চার জিনিস রিযিকে বাঁধার সৃষ্টি করে:
১. ফজরের পর ঘুমানো
২. স্বল্প সালাত
৩. অলসতা
৪. খেয়ানত
চার জিনিস শরীরকে ধ্বংস করে:
১. দুশ্চিন্তা
২. দুঃখ
৩. ক্ষুধা
৪. রাত্রিজাগরণ (রাতে দেরি করে ঘুমানো বা না ঘুমানো; অর্থাৎ নিদ্রাহীনতা)
( যাদুল মা'আদ ৪/৩৭৮ )
চার জিনিস রিযিক আনয়ন করে:
১. রাতের সালাত
২. ফজরের পূর্বে ইস্তিগফার
৩. প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সাদাকাহ
৪. দিনের শুরুতে ও শেষে আল্লাহর যিকির
চার জিনিস রিযিকে বাঁধার সৃষ্টি করে:
১. ফজরের পর ঘুমানো
২. স্বল্প সালাত
৩. অলসতা
৪. খেয়ানত
চার জিনিস শরীরকে ধ্বংস করে:
১. দুশ্চিন্তা
২. দুঃখ
৩. ক্ষুধা
৪. রাত্রিজাগরণ (রাতে দেরি করে ঘুমানো বা না ঘুমানো; অর্থাৎ নিদ্রাহীনতা)
( যাদুল মা'আদ ৪/৩৭৮ )
❤12👍2
বাংলাদেশে কি ইসলামের বিজয় সম্ভব?
আমাদের প্রিয় জন্মভূমি বাংলাদেশের শতকরা প্রায় ৯০ ভাগ মানুষ মুসলিম। তারা আল্লাহকে বিশ্বাস করে, রাসূল সা. কে মহব্বত করে এবং কুরআনকে ভক্তি শ্রদ্ধা করে। ইসলামী সরকার নেই বলে তারা খাঁটি মুসলিম হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে না ; কিন্তু তারা ইসলাম বিরোধী নয়। রাসূল সা. এর জন্মভূমির জনগণ ইসলাম বিরোধী ছিল বলে তাঁকে মদিনায় হিজরত করতে হয়। আমাদেরকে হিজরত করতে হবে না।
ইসলাম বিজয়ের জন্য দুটা শর্ত রয়েছে : ১ম শর্ত হচ্ছে - একদল লোক তৈরি করা। ২য় শর্ত হচ্ছে - যে এলাকায় আল্লাহর দ্বীনকে বিজয়ী করার চেষ্টা চলে সেখানকার জনগনও এর পক্ষে থাকা। এর মধ্যে ২য় শর্তটি বাংলাদেশে রয়েছে। জনগণ ইসলামের সমর্থক বলেই ইসলাম বিরোধী দলও জনগণের ভোট পাওয়ার জন্য নির্বাচনের সময় আল্লাহ-রাসূলের দোহাই দেয়। তাই বাংলাদেশে ইসলামের বিজয় পূর্ণ সম্ভাবনা রয়েছে।
ইসলাম বিজয়ের ১ম শর্তটি পূরণ হইলেই এ দেশে ইসলামি সরকার কায়েম হওয়া সম্ভব। আল্লাহ তায়ালা সূরা আন নূরের ৫৫ নং আয়াতে ঘোষণা করেছেন -ইমানদার, সৎ ও যোগ্য একদল লোক তৈরি হলেই তিনি তাদের হাতে খিলাফতের দায়িত্ব তুলে দিবেন।
লোক তৈরির দায়িত্ব তিনি নেননি। লোক তৈরি হলে ইসলামী সরকার কায়েম করার দায়িত্ব তিনি নিয়েছেন। রাসূল সা. এর যুগে লোক তৈরির কাজ সমাধা হওয়ার পর আল্লাহ তাআলা ঐ তৈরিকৃত লোকদের হাতেই ক্ষমতা তুলে দেন।
আমাদের আসল দায়িত্ব হলো ইমান, ইলম ও আমলের দিক দিয়ে পরিপূর্ণ এতো বেশি সংখ্যক লোক তৈরি করা, যাতে আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে ইসলামি সরকার কায়েমের তাওফিক দান করেন। যাদের হাতে ক্ষমতা দিলে ইসলামকে বিজয়ী করতে পারবে, আমাদের এই বাংলাদেশে এমন একদল লোক তৈরি হলেই ইসলামী সরকার কায়েম হতে পারে।
(বই: পরিপূর্ণ জীবনবিধান হিসেবে ইসলামের সহজ পরিচয়,, অধ্যাপক গোলাম আযম)
👉https://t.me/alolpath
আমাদের প্রিয় জন্মভূমি বাংলাদেশের শতকরা প্রায় ৯০ ভাগ মানুষ মুসলিম। তারা আল্লাহকে বিশ্বাস করে, রাসূল সা. কে মহব্বত করে এবং কুরআনকে ভক্তি শ্রদ্ধা করে। ইসলামী সরকার নেই বলে তারা খাঁটি মুসলিম হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে না ; কিন্তু তারা ইসলাম বিরোধী নয়। রাসূল সা. এর জন্মভূমির জনগণ ইসলাম বিরোধী ছিল বলে তাঁকে মদিনায় হিজরত করতে হয়। আমাদেরকে হিজরত করতে হবে না।
ইসলাম বিজয়ের জন্য দুটা শর্ত রয়েছে : ১ম শর্ত হচ্ছে - একদল লোক তৈরি করা। ২য় শর্ত হচ্ছে - যে এলাকায় আল্লাহর দ্বীনকে বিজয়ী করার চেষ্টা চলে সেখানকার জনগনও এর পক্ষে থাকা। এর মধ্যে ২য় শর্তটি বাংলাদেশে রয়েছে। জনগণ ইসলামের সমর্থক বলেই ইসলাম বিরোধী দলও জনগণের ভোট পাওয়ার জন্য নির্বাচনের সময় আল্লাহ-রাসূলের দোহাই দেয়। তাই বাংলাদেশে ইসলামের বিজয় পূর্ণ সম্ভাবনা রয়েছে।
ইসলাম বিজয়ের ১ম শর্তটি পূরণ হইলেই এ দেশে ইসলামি সরকার কায়েম হওয়া সম্ভব। আল্লাহ তায়ালা সূরা আন নূরের ৫৫ নং আয়াতে ঘোষণা করেছেন -ইমানদার, সৎ ও যোগ্য একদল লোক তৈরি হলেই তিনি তাদের হাতে খিলাফতের দায়িত্ব তুলে দিবেন।
লোক তৈরির দায়িত্ব তিনি নেননি। লোক তৈরি হলে ইসলামী সরকার কায়েম করার দায়িত্ব তিনি নিয়েছেন। রাসূল সা. এর যুগে লোক তৈরির কাজ সমাধা হওয়ার পর আল্লাহ তাআলা ঐ তৈরিকৃত লোকদের হাতেই ক্ষমতা তুলে দেন।
আমাদের আসল দায়িত্ব হলো ইমান, ইলম ও আমলের দিক দিয়ে পরিপূর্ণ এতো বেশি সংখ্যক লোক তৈরি করা, যাতে আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে ইসলামি সরকার কায়েমের তাওফিক দান করেন। যাদের হাতে ক্ষমতা দিলে ইসলামকে বিজয়ী করতে পারবে, আমাদের এই বাংলাদেশে এমন একদল লোক তৈরি হলেই ইসলামী সরকার কায়েম হতে পারে।
(বই: পরিপূর্ণ জীবনবিধান হিসেবে ইসলামের সহজ পরিচয়,, অধ্যাপক গোলাম আযম)
👉https://t.me/alolpath
❤13
শপথ নক্ষত্রের, যখন তা অস্তমিত হয়।তোমাদের সঙ্গী বিভ্রান্ত নয়, বিপথগামীও নয়।
(সূরা আন নাজম-১-২)
👉https://t.me/alolpath
(সূরা আন নাজম-১-২)
👉https://t.me/alolpath
Telegram
আলোর পথ
আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল (সা.) প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পূর্ণ বিন্যাস করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।
❤9
ভুলে ভরা জীবনঃ-
★ কবুলিয়াত ও গ্রহণযোগ্যতা দরকার আসমানের উপর,আর আমরা খুঁজি জমিনের উপর!
★ আত্মসম্মানবোধ মানে,গরম গরম কথা বলা নয়, অহংকারপূর্ণ নাকউঁচু স্বভাব নয়,আত্মসম্মানবোধ মানে-যা কিছু আমাকে ছোট করে,লজ্জিত করে,তা থেকে দুরে থাকা।
★ সবচেয়ে বড় ধোঁকাগ্রস্ত সে ব্যক্তি,যে আল্লাহ্ তায়ালার অপছন্দনীয় কাজে লিপ্ত হওয়ার পরও তার কাছে নিজের পছন্দনীয় বিষয়গুলো চায়।
★ মানুষ গোপনে যে পাপ করে সেটার জন্য সে বিপদগামী হয়,অন্যদিকে গোপনে যে আমল করে সেটার কারণে সে সুপথপ্রাপ্ত হয়।
★ তাকে বন্ধু বানিও না,যে তোমার দোষ মনে রাখে,গুন ভুলে যায়।
★ ওহে আদম সন্তান,এমন দুনিয়াদার হয়ো না,যেনো তোমার সন্তুষ্টি-অসন্তুষ্টি দুনিয়াকে ঘিরেই হয়,আর দুনিয়ার জন্য পাগলপারা হয়ে গেলে,আর অবশেষে ক্লান্ত-শ্রান্ত হয়ে গেলে। যদি জান্নাতের আশা রাখো,তবে দুনিয়াকে জাহান্নামের দিকে ছুড়ে মারো। অন্যথায় হে ধোকাগ্রস্থ মানুষ,জান্নাতের আশা ছেড়ে দাও।
👉https://t.me/alolpath
★ কবুলিয়াত ও গ্রহণযোগ্যতা দরকার আসমানের উপর,আর আমরা খুঁজি জমিনের উপর!
★ আত্মসম্মানবোধ মানে,গরম গরম কথা বলা নয়, অহংকারপূর্ণ নাকউঁচু স্বভাব নয়,আত্মসম্মানবোধ মানে-যা কিছু আমাকে ছোট করে,লজ্জিত করে,তা থেকে দুরে থাকা।
★ সবচেয়ে বড় ধোঁকাগ্রস্ত সে ব্যক্তি,যে আল্লাহ্ তায়ালার অপছন্দনীয় কাজে লিপ্ত হওয়ার পরও তার কাছে নিজের পছন্দনীয় বিষয়গুলো চায়।
★ মানুষ গোপনে যে পাপ করে সেটার জন্য সে বিপদগামী হয়,অন্যদিকে গোপনে যে আমল করে সেটার কারণে সে সুপথপ্রাপ্ত হয়।
★ তাকে বন্ধু বানিও না,যে তোমার দোষ মনে রাখে,গুন ভুলে যায়।
★ ওহে আদম সন্তান,এমন দুনিয়াদার হয়ো না,যেনো তোমার সন্তুষ্টি-অসন্তুষ্টি দুনিয়াকে ঘিরেই হয়,আর দুনিয়ার জন্য পাগলপারা হয়ে গেলে,আর অবশেষে ক্লান্ত-শ্রান্ত হয়ে গেলে। যদি জান্নাতের আশা রাখো,তবে দুনিয়াকে জাহান্নামের দিকে ছুড়ে মারো। অন্যথায় হে ধোকাগ্রস্থ মানুষ,জান্নাতের আশা ছেড়ে দাও।
👉https://t.me/alolpath
Telegram
আলোর পথ
আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল (সা.) প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পূর্ণ বিন্যাস করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।
🔥6
সংবিধান অনুযায়ী বর্তমান সরকারের অধীনেই নির্বাচন, ক্ষমতাসীন দলের এই বক্তব্যকে কি সমর্থন করেন ?
Anonymous Poll
7%
হ্যাঁ
89%
না
4%
মন্তব্য নেই