আলোর পথ
সৎ নেতৃত্বের গুরুত্ব: ১. অসৎ লোক এখানে সৎ হতে বাধ্য। ২. সততা, ন্যায়, নীতি, এবং কল্যাণকর কার্যক্রম সুন্দর ও সুচার রূপে বাস্তবায়িত হয়ে সমাজ সুন্দরের পরশে বিকশিত ও প্রস্ফুটিত হয়। ৩. অন্যায়, অনাচার, পাপাচার ,এখানে বিকাশ লাভ করতে পারে না।
অসৎ নেতৃত্বের কুফল:
১. সততা, ন্যায়, নীতি, ও কল্যাণ সমাজ হতে বিদায় নেয়।
২. পাপাচার, অনাচার, অন্যায়, দুর্নীতি, সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে।
৩. সৎ ভাবে চলতে চাইলেও চলা যায় না।
১. সততা, ন্যায়, নীতি, ও কল্যাণ সমাজ হতে বিদায় নেয়।
২. পাপাচার, অনাচার, অন্যায়, দুর্নীতি, সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে।
৩. সৎ ভাবে চলতে চাইলেও চলা যায় না।
😢8
ভবিষ্যদ্বাণীর বাস্তবতাঃ
عن عَوْفَ بْنَ مَالِكٍ، قَالَ أَتَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فِي غَزْوَةِ تَبُوكَ، وَهْوَ فِي قُبَّةٍ مِنْ أَدَمٍ فَقَالَ اعْدُدْ سِتًّا بَيْنَ يَدَىِ السَّاعَةِ، مَوْتِي، ثُمَّ فَتْحُ بَيْتِ الْمَقْدِسِ، ثُمَّ مُوتَانٌ يَأْخُذُ فِيكُمْ كَقُعَاصِ الْغَنَمِ.
আউফ ইবনে মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি তাবুক যুদ্ধে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট আসলাম ৷ তখন তিনি একটি চামড়ার তৈরী তাঁবুতে ছিলেন। তারপর তিনি বললেনঃ কিয়ামতের আগের ছয়টি নিদর্শন গণনা করে রাখো। আমার মৃত্যু, অতঃপর বায়তুল মাকদিস বিজয় ৷ অতঃপর ছাগলের মহামারীর ন্যায় তোমাদের মাঝে ব্যাপক মৃত্যু ঘটবে ৷ (সহিহ বুখারী, হা/৩১৭৬)
ইবনে মাজাহ এর বর্ণনায় রয়েছে—
يَا عَوْفُ احْفَظْ خِلاَلاً سِتًّا بَيْنَ يَدَىِ السَّاعَةِ إِحْدَاهُنَّ مَوْتِي . قَالَ فَوَجَمْتُ عِنْدَهَا وَجْمَةً شَدِيدَةً . فَقَالَ: قُلْ إِحْدَى ثُمَّ فَتْحُ بَيْتِ الْمَقْدِسِ ثُمَّ دَاءٌ يَظْهَرُ فِيكُمْ يَسْتَشْهِدُ اللَّهُ بِهِ ذَرَارِيَّكُمْ وَأَنْفُسَكُمْ وَيُزَكِّي بِهِ أَمْوَالَكُمْ.
হে আওফ! ভেতরে এসো। আমি বললামঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমি কি সম্পূর্ণ প্রবেশ করবো ? তিনি বলেনঃ হ্যাঁ, সম্পূর্ণভাবে এসো ৷ অতঃপর তিনি বললেনঃ হে আওফ! কিয়ামতের পূর্বকার ছয়টি আলামত স্বরণ রাখবে। সেগুলোর একটি হচ্ছে আমার মৃত্যু ৷ আওফ (রাঃ) বলেনঃ আমি একথায় অত্যন্ত মর্মাহত হলাম ৷ তিনি বলেনঃ তুমি বল, প্রথমটি ৷ অতঃপর বাইতুল মাকদিস বিজয় ৷ অতঃপর তোমাদের মধ্যে এক মহামারী ছড়িয়ে পড়বে, যদ্দ্বারা আল্লাহ তোমাদের সন্তান-সন্ততি এবং তোমাদেরকে শাহাদাত নসীব করবেন এবং তোমাদের ধনসম্পদ সমূহ পরিশুদ্ধ করবেন ৷
(ইবনে মাজাহ, হা/৪০৪২, সহীহ)
হাদিসটির বাস্তবতাঃ
** হিজরী ১১ সনের ১২ই রবিউল আওয়াল রোজ সোমবার রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইন্তেকাল করেছেন ৷
** রাসূল (সাঃ)-এর ইন্তেকালের মাত্র পাঁচ বছরের মাথায় ১৫ হিজরি মোতাবেক ৬৩৬ সালে আবু উবায়দাহ ইবনুল জাররাহ (রাঃ) এর নের্তৃত্বে মুসলিম বাহিনী বায়তুল মাকদিস বিজয় করেন ৷
** হাফেজ ইবনে হাজার আসকালানি (রহ) বলেনঃ খলিফাহ উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) এর শাসনামলে হিজরী ১৮ সালে (৬৩৯ খ্রিঃ) বাইতুল মাকদিসের নিকটবর্তী আমওয়াস নামক অঞ্চলে হাদিসে বর্ণিত মহামারী সংঘটিত হয় ৷ (ফাতহুল বারী: ৬/২৭৮)
** মোল্লা আলী ক্বারী (রহ:) বলেনঃ এটা ছিল আমওয়াসের মহামারী এবং ইসলামের প্রথম মহামারী যেখানে মাত্র তিনদিনের ব্যবধানে ৭০ (সত্তর) হাজার মানুষ মারা গিয়েছিল ৷ বাইতুল মাকদিস বিজয়ের পর মুসলিমদের সামরিক ঘাটি ছিল এই আমওয়াস অঞ্চলে ৷ (মিরক্বাতুল মাফাতীহ: ৮/২৪১১)
** ইমাম ইবনে তাইমিয়া (রহ:) বলেনঃ রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর ইন্তেকালের পর উমর ইবনুল খাত্তাব (রা:) এর খেলাফতকালে বাইতুল মাকদিস বিজয় হয় ৷ এরপরই শামের আমওয়াস অঞ্চলে ব্যাপক মহামারী দেখা দেয় ৷ এই মহামারীতে বহু সাহাবী যেমন— মুয়াজ বিন জাবাল, আবু উবাইদা ইবনুল জাররাহ, আব্দুর রহমান ইবনে মুয়াজ, শুরাহবীল ইবনু হাসানাহ, আবু জান্দাল বিন সোহাইল, ফাজল ইবনু আব্বাস সহ অসংখ্য সাহাবী শাহাদাত বরণ করেন ৷
(আল জাওয়াব আস সহীহ: ৬/৮৬)
বিঃদ্রঃ উল্লেখিত হাদীসে ছয়টি বিষয়ের কথা বলা হয়েছে ৷ তন্মধ্যে যেগুলো সুস্পষ্টভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে, আমরা সেগুলোই উল্লেখ করেছি ৷
عن عَوْفَ بْنَ مَالِكٍ، قَالَ أَتَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فِي غَزْوَةِ تَبُوكَ، وَهْوَ فِي قُبَّةٍ مِنْ أَدَمٍ فَقَالَ اعْدُدْ سِتًّا بَيْنَ يَدَىِ السَّاعَةِ، مَوْتِي، ثُمَّ فَتْحُ بَيْتِ الْمَقْدِسِ، ثُمَّ مُوتَانٌ يَأْخُذُ فِيكُمْ كَقُعَاصِ الْغَنَمِ.
আউফ ইবনে মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি তাবুক যুদ্ধে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট আসলাম ৷ তখন তিনি একটি চামড়ার তৈরী তাঁবুতে ছিলেন। তারপর তিনি বললেনঃ কিয়ামতের আগের ছয়টি নিদর্শন গণনা করে রাখো। আমার মৃত্যু, অতঃপর বায়তুল মাকদিস বিজয় ৷ অতঃপর ছাগলের মহামারীর ন্যায় তোমাদের মাঝে ব্যাপক মৃত্যু ঘটবে ৷ (সহিহ বুখারী, হা/৩১৭৬)
ইবনে মাজাহ এর বর্ণনায় রয়েছে—
يَا عَوْفُ احْفَظْ خِلاَلاً سِتًّا بَيْنَ يَدَىِ السَّاعَةِ إِحْدَاهُنَّ مَوْتِي . قَالَ فَوَجَمْتُ عِنْدَهَا وَجْمَةً شَدِيدَةً . فَقَالَ: قُلْ إِحْدَى ثُمَّ فَتْحُ بَيْتِ الْمَقْدِسِ ثُمَّ دَاءٌ يَظْهَرُ فِيكُمْ يَسْتَشْهِدُ اللَّهُ بِهِ ذَرَارِيَّكُمْ وَأَنْفُسَكُمْ وَيُزَكِّي بِهِ أَمْوَالَكُمْ.
হে আওফ! ভেতরে এসো। আমি বললামঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমি কি সম্পূর্ণ প্রবেশ করবো ? তিনি বলেনঃ হ্যাঁ, সম্পূর্ণভাবে এসো ৷ অতঃপর তিনি বললেনঃ হে আওফ! কিয়ামতের পূর্বকার ছয়টি আলামত স্বরণ রাখবে। সেগুলোর একটি হচ্ছে আমার মৃত্যু ৷ আওফ (রাঃ) বলেনঃ আমি একথায় অত্যন্ত মর্মাহত হলাম ৷ তিনি বলেনঃ তুমি বল, প্রথমটি ৷ অতঃপর বাইতুল মাকদিস বিজয় ৷ অতঃপর তোমাদের মধ্যে এক মহামারী ছড়িয়ে পড়বে, যদ্দ্বারা আল্লাহ তোমাদের সন্তান-সন্ততি এবং তোমাদেরকে শাহাদাত নসীব করবেন এবং তোমাদের ধনসম্পদ সমূহ পরিশুদ্ধ করবেন ৷
(ইবনে মাজাহ, হা/৪০৪২, সহীহ)
হাদিসটির বাস্তবতাঃ
** হিজরী ১১ সনের ১২ই রবিউল আওয়াল রোজ সোমবার রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইন্তেকাল করেছেন ৷
** রাসূল (সাঃ)-এর ইন্তেকালের মাত্র পাঁচ বছরের মাথায় ১৫ হিজরি মোতাবেক ৬৩৬ সালে আবু উবায়দাহ ইবনুল জাররাহ (রাঃ) এর নের্তৃত্বে মুসলিম বাহিনী বায়তুল মাকদিস বিজয় করেন ৷
** হাফেজ ইবনে হাজার আসকালানি (রহ) বলেনঃ খলিফাহ উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) এর শাসনামলে হিজরী ১৮ সালে (৬৩৯ খ্রিঃ) বাইতুল মাকদিসের নিকটবর্তী আমওয়াস নামক অঞ্চলে হাদিসে বর্ণিত মহামারী সংঘটিত হয় ৷ (ফাতহুল বারী: ৬/২৭৮)
** মোল্লা আলী ক্বারী (রহ:) বলেনঃ এটা ছিল আমওয়াসের মহামারী এবং ইসলামের প্রথম মহামারী যেখানে মাত্র তিনদিনের ব্যবধানে ৭০ (সত্তর) হাজার মানুষ মারা গিয়েছিল ৷ বাইতুল মাকদিস বিজয়ের পর মুসলিমদের সামরিক ঘাটি ছিল এই আমওয়াস অঞ্চলে ৷ (মিরক্বাতুল মাফাতীহ: ৮/২৪১১)
** ইমাম ইবনে তাইমিয়া (রহ:) বলেনঃ রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর ইন্তেকালের পর উমর ইবনুল খাত্তাব (রা:) এর খেলাফতকালে বাইতুল মাকদিস বিজয় হয় ৷ এরপরই শামের আমওয়াস অঞ্চলে ব্যাপক মহামারী দেখা দেয় ৷ এই মহামারীতে বহু সাহাবী যেমন— মুয়াজ বিন জাবাল, আবু উবাইদা ইবনুল জাররাহ, আব্দুর রহমান ইবনে মুয়াজ, শুরাহবীল ইবনু হাসানাহ, আবু জান্দাল বিন সোহাইল, ফাজল ইবনু আব্বাস সহ অসংখ্য সাহাবী শাহাদাত বরণ করেন ৷
(আল জাওয়াব আস সহীহ: ৬/৮৬)
বিঃদ্রঃ উল্লেখিত হাদীসে ছয়টি বিষয়ের কথা বলা হয়েছে ৷ তন্মধ্যে যেগুলো সুস্পষ্টভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে, আমরা সেগুলোই উল্লেখ করেছি ৷
👍3
ভবিষ্যদ্বাণীর বাস্তবতাঃ
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صِنْفَانِ مِنْ أَهْلِ النَّارِ لَمْ أَرَهُمَا قَوْمٌ مَعَهُمْ سِيَاطٌ كَأَذْنَابِ الْبَقَرِ يَضْرِبُونَ بِهَا النَّاسَ وَنِسَاءٌ كَاسِيَاتٌ عَارِيَاتٌ مُمِيلاَتٌ مَائِلاَتٌ رُءُوسُهُنَّ كَأَسْنِمَةِ الْبُخْتِ الْمَائِلَةِ لاَ يَدْخُلْنَ الْجَنَّةَ وَلاَ يَجِدْنَ رِيحَهَا وَإِنَّ رِيحَهَا لَيُوجَدُ مِنْ مَسِيرَةِ كَذَا وَكَذَا .
আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “দু'শ্রেণীর জাহান্নামী যাদেরকে আমি এখনও পর্যন্ত দেখিনি । তন্মধ্যে একশ্রেণী হচ্ছে যাদের সঙ্গে গরুর লেজের মত চাবুক থাকবে, তদ্দ্বারা তারা মানুষকে অন্যায়ভাবে মারবে ৷ আর একদল স্ত্রী লোক, যারা কাপড় পরিহিত উলঙ্গ, যারা অন্যদের আকর্ষণকারিণী ও আকৃষ্টা, তাদের মাথার চুলের অবস্থা উটের হেলে পড়া কুঁজের মতো। ওরা জান্নাতে যেতে পারবে না, এমনকি তার সুগন্ধিও পাবে না ৷ অথচ এত এত দূর হতে তার সুঘ্রাণ পাওয়া যায়।”
(সহিহ মুসলিম, হা/৫৪৭৫)
হাদিসটির বাস্তবতাঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দুই শ্রেণীর জাহান্নামীর কথা উল্লেখ করেছেন যাদেরকে তিনি জীবদ্দশাই দুনিয়াতে দেখতে পাননি ৷ অর্থাৎ যাদের আগমন উনার জামানায় ঘটেনি ৷ উক্ত দু'শ্রেণীর একশ্রেণী হচ্ছে—পুরুষদের মধ্য হতে ৷ আরেক শ্রেণী হচ্ছে— নারীদের মধ্য হতে ৷
জাহান্নামী পুরুষ কারা? হাদিসের ভাষায় যাদের হাতে গরুর লেজের ন্যায় বেত/চাবুক থাকবে ৷ তদ্দ্বারা মানুষকে অন্যায়ভাবে মারবে, ন্যায়নীতির প্রতি ভ্রুক্ষেপ করবে না, মানুষের প্রতি অবিচার ও জুলুমে লিপ্ত থাকবে, দিনশেষে অসংখ্য মানুষের বদ-দোআ, লানত ও অভিশাপ নিয়ে বাড়ি ফিরবে ৷ এদের বৈশিষ্ট্যের বর্ণনা দিতে গিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ
قال رسول الله ﷺ : يَخرُج رِجَالٌ مِنْ هَذِهِ الْأُمَّةِ فِي آخِرِ الزَّمَانِ؛ مَعَهُم أسياط كَأَنَّهَا أَذْنَابُ الْبَقَرِ، يَغْدُون فِي سَخَطِ اللَّهِ، ويَروحونَ فِي غَضَبه . مُسنَدِ الْإِمَامِ أَحمَدُ ٥/ ٣١٥
“এই উম্মতের শেষ জামানায় একশ্রেণী লোকের আবির্ভাব ঘটবে, যাদের সঙ্গে গরুর লেজের মতো চাবুক থাকবে ৷ তারা আল্লাহর ক্রোধ/অসন্তুষ্টি নিয়ে সকালে বের হবে আর সন্ধ্যায় আল্লাহর গযব/শাস্তি নিয়ে ফিরে আসবে ৷” (মুসনাদ আহমদঃ ৫/৩১৫)
এই বৈশিষ্ট্যের মানুষ কারা?
উত্তর হচ্ছে- রাষ্ট্রের পুলিশ বাহিনী আর পুলিশের বৈশিষ্ট্যবহন করে এমন প্রত্যেক ব্যক্তিই উক্ত হাদিসের মাকসাদ ও উদ্দেশ্য ৷ আগলাবিয়্যাতের (أغلبية) দিক বিবেচনায় হাদিসে পুলিশের কথা এসেছে ৷ কারণ রাষ্ট্রযন্ত্রের পুলিশরাই সাধারণ মানুষের সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থান করে ৷ ফলে তারা ক্ষমতার অপপ্রয়োগ, দূর্নীতি ও মানুষের প্রতি অন্যায় অবিচার করার সুযোগটাও বেশি পায় ৷ সর্বপরি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাদীসের শব্দে পুলিশের নামই উল্লেখ করেছেন—
قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: بَادِرُوْا بِالْمَوْتِ سِتًّا، إمْرَةَ السُّفَهَاءِ، وَكَثْرَةَ الشَّرْطِ... (الحديث)
“ছয়টি জিনিস আসার পূর্বে মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত হও- মূর্খদের নেতৃত্ব গ্রহণ, পুলিশের সংখ্যা বৃদ্ধি ৷” [আহমদ: হা/১৬০৮৩; সহীহুল জামে: হা/২৮১২]
উক্ত হাদিসে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শেষ জামানায় আগত পুলিশ শ্রেণী থেকে মানুষকে সতর্ক থাকার প্রতি ইঙ্গিত দিয়েছেন ৷
জাহান্নামী নারী কারাঃ এই শ্রেণী নারীদের বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি বলেছেনঃ
وَنِسَاءٌ كَاسِيَاتٌ عَارِيَاتٌ مُمِيلاَتٌ مَائِلاَتٌ رُءُوسُهُنَّ كَأَسْنِمَةِ الْبُخْتِ الْمَائِلَةِ
“একদল নারী— যারা কাপড় পরিহিত উলঙ্গ, যারা অন্যদের আকর্ষণকারিণী ও আকৃষ্টা, তাদের মাথার চুলের অবস্থা উটের হেলে পড়া কুঁজের মতো।”
** কাপড় পরিহিত উলঙ্গের ব্যাখ্যাঃ
১. বোরকা পরিহিত, কিন্তু মূখমন্ডল খোলা রাখা ৷ চেহারাকে বলা হয় مجمع الجمال তথা সৌন্দর্যের মূল ৷ তাই হিজাব/বোরকা পড়েও চেহারা খোলা মানে— কাপড় পড়েও উলঙ্গ ৷
২. বোরকা পরিহিত, কিন্তু শর্ট বোরকা ফলে নারীর স্তনদ্বয় ও নিতম্ব বাহিরে ফোকাস করে ৷
৩. বোরকা পরিহিত, কিন্তু শর্ট বোরকা ফলে নারীর শরীর মানুষকে আরোও বেশি আকৃষ্ট করে ৷
৪. বোরকা পরিহিত, কিন্তু কাপড় পাতলা ফলে ভিতরের সবকিছু দেখা যায় ৷
বিঃদ্রঃ উল্লেখিত হাদীসের বাস্তবতা আজ সুস্পষ্ট এবং দিবালোকের ন্যায় প্রমাণিত ৷ বর্তমানে এই অভিশপ্ত চাকরীর প্রতি মানুষেরা খুব লালায়িত ৷ আর নারীরা শর্টকাট বোরকা/হিজাব/কাপড় পড়ার প্রতি খুব উৎসাহিত ৷ কারণ দু'টাই জাহান্নামে যাওয়ার প্রতীকী চিহ্ন৷
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صِنْفَانِ مِنْ أَهْلِ النَّارِ لَمْ أَرَهُمَا قَوْمٌ مَعَهُمْ سِيَاطٌ كَأَذْنَابِ الْبَقَرِ يَضْرِبُونَ بِهَا النَّاسَ وَنِسَاءٌ كَاسِيَاتٌ عَارِيَاتٌ مُمِيلاَتٌ مَائِلاَتٌ رُءُوسُهُنَّ كَأَسْنِمَةِ الْبُخْتِ الْمَائِلَةِ لاَ يَدْخُلْنَ الْجَنَّةَ وَلاَ يَجِدْنَ رِيحَهَا وَإِنَّ رِيحَهَا لَيُوجَدُ مِنْ مَسِيرَةِ كَذَا وَكَذَا .
আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “দু'শ্রেণীর জাহান্নামী যাদেরকে আমি এখনও পর্যন্ত দেখিনি । তন্মধ্যে একশ্রেণী হচ্ছে যাদের সঙ্গে গরুর লেজের মত চাবুক থাকবে, তদ্দ্বারা তারা মানুষকে অন্যায়ভাবে মারবে ৷ আর একদল স্ত্রী লোক, যারা কাপড় পরিহিত উলঙ্গ, যারা অন্যদের আকর্ষণকারিণী ও আকৃষ্টা, তাদের মাথার চুলের অবস্থা উটের হেলে পড়া কুঁজের মতো। ওরা জান্নাতে যেতে পারবে না, এমনকি তার সুগন্ধিও পাবে না ৷ অথচ এত এত দূর হতে তার সুঘ্রাণ পাওয়া যায়।”
(সহিহ মুসলিম, হা/৫৪৭৫)
হাদিসটির বাস্তবতাঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দুই শ্রেণীর জাহান্নামীর কথা উল্লেখ করেছেন যাদেরকে তিনি জীবদ্দশাই দুনিয়াতে দেখতে পাননি ৷ অর্থাৎ যাদের আগমন উনার জামানায় ঘটেনি ৷ উক্ত দু'শ্রেণীর একশ্রেণী হচ্ছে—পুরুষদের মধ্য হতে ৷ আরেক শ্রেণী হচ্ছে— নারীদের মধ্য হতে ৷
জাহান্নামী পুরুষ কারা? হাদিসের ভাষায় যাদের হাতে গরুর লেজের ন্যায় বেত/চাবুক থাকবে ৷ তদ্দ্বারা মানুষকে অন্যায়ভাবে মারবে, ন্যায়নীতির প্রতি ভ্রুক্ষেপ করবে না, মানুষের প্রতি অবিচার ও জুলুমে লিপ্ত থাকবে, দিনশেষে অসংখ্য মানুষের বদ-দোআ, লানত ও অভিশাপ নিয়ে বাড়ি ফিরবে ৷ এদের বৈশিষ্ট্যের বর্ণনা দিতে গিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ
قال رسول الله ﷺ : يَخرُج رِجَالٌ مِنْ هَذِهِ الْأُمَّةِ فِي آخِرِ الزَّمَانِ؛ مَعَهُم أسياط كَأَنَّهَا أَذْنَابُ الْبَقَرِ، يَغْدُون فِي سَخَطِ اللَّهِ، ويَروحونَ فِي غَضَبه . مُسنَدِ الْإِمَامِ أَحمَدُ ٥/ ٣١٥
“এই উম্মতের শেষ জামানায় একশ্রেণী লোকের আবির্ভাব ঘটবে, যাদের সঙ্গে গরুর লেজের মতো চাবুক থাকবে ৷ তারা আল্লাহর ক্রোধ/অসন্তুষ্টি নিয়ে সকালে বের হবে আর সন্ধ্যায় আল্লাহর গযব/শাস্তি নিয়ে ফিরে আসবে ৷” (মুসনাদ আহমদঃ ৫/৩১৫)
এই বৈশিষ্ট্যের মানুষ কারা?
উত্তর হচ্ছে- রাষ্ট্রের পুলিশ বাহিনী আর পুলিশের বৈশিষ্ট্যবহন করে এমন প্রত্যেক ব্যক্তিই উক্ত হাদিসের মাকসাদ ও উদ্দেশ্য ৷ আগলাবিয়্যাতের (أغلبية) দিক বিবেচনায় হাদিসে পুলিশের কথা এসেছে ৷ কারণ রাষ্ট্রযন্ত্রের পুলিশরাই সাধারণ মানুষের সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থান করে ৷ ফলে তারা ক্ষমতার অপপ্রয়োগ, দূর্নীতি ও মানুষের প্রতি অন্যায় অবিচার করার সুযোগটাও বেশি পায় ৷ সর্বপরি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাদীসের শব্দে পুলিশের নামই উল্লেখ করেছেন—
قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: بَادِرُوْا بِالْمَوْتِ سِتًّا، إمْرَةَ السُّفَهَاءِ، وَكَثْرَةَ الشَّرْطِ... (الحديث)
“ছয়টি জিনিস আসার পূর্বে মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত হও- মূর্খদের নেতৃত্ব গ্রহণ, পুলিশের সংখ্যা বৃদ্ধি ৷” [আহমদ: হা/১৬০৮৩; সহীহুল জামে: হা/২৮১২]
উক্ত হাদিসে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শেষ জামানায় আগত পুলিশ শ্রেণী থেকে মানুষকে সতর্ক থাকার প্রতি ইঙ্গিত দিয়েছেন ৷
জাহান্নামী নারী কারাঃ এই শ্রেণী নারীদের বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি বলেছেনঃ
وَنِسَاءٌ كَاسِيَاتٌ عَارِيَاتٌ مُمِيلاَتٌ مَائِلاَتٌ رُءُوسُهُنَّ كَأَسْنِمَةِ الْبُخْتِ الْمَائِلَةِ
“একদল নারী— যারা কাপড় পরিহিত উলঙ্গ, যারা অন্যদের আকর্ষণকারিণী ও আকৃষ্টা, তাদের মাথার চুলের অবস্থা উটের হেলে পড়া কুঁজের মতো।”
** কাপড় পরিহিত উলঙ্গের ব্যাখ্যাঃ
১. বোরকা পরিহিত, কিন্তু মূখমন্ডল খোলা রাখা ৷ চেহারাকে বলা হয় مجمع الجمال তথা সৌন্দর্যের মূল ৷ তাই হিজাব/বোরকা পড়েও চেহারা খোলা মানে— কাপড় পড়েও উলঙ্গ ৷
২. বোরকা পরিহিত, কিন্তু শর্ট বোরকা ফলে নারীর স্তনদ্বয় ও নিতম্ব বাহিরে ফোকাস করে ৷
৩. বোরকা পরিহিত, কিন্তু শর্ট বোরকা ফলে নারীর শরীর মানুষকে আরোও বেশি আকৃষ্ট করে ৷
৪. বোরকা পরিহিত, কিন্তু কাপড় পাতলা ফলে ভিতরের সবকিছু দেখা যায় ৷
বিঃদ্রঃ উল্লেখিত হাদীসের বাস্তবতা আজ সুস্পষ্ট এবং দিবালোকের ন্যায় প্রমাণিত ৷ বর্তমানে এই অভিশপ্ত চাকরীর প্রতি মানুষেরা খুব লালায়িত ৷ আর নারীরা শর্টকাট বোরকা/হিজাব/কাপড় পড়ার প্রতি খুব উৎসাহিত ৷ কারণ দু'টাই জাহান্নামে যাওয়ার প্রতীকী চিহ্ন৷
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
১৯৯৬ সালে তত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের উদ্দেশ্যে তৎকালীন বিএনপি সরকারকে পদত্যাগে বাধ্য করতে যেভাবে আন্দোলন করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।
Associated Press’র এই ফুটেজে দেখা যাচ্ছে বিএনপির অফিসে অগ্নিসংযোগ, ফায়ার সার্ভিসের জরুরী সেবার পরিবহন ভাংচুর, জনসাধারণের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, শিল্প প্রতিষ্ঠানে হামলা সহ, রেললাইন পর্যন্ত উপড়ে ফেলতে দেখা যাচ্ছে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের।
১৫ বছর ক্ষমতায় থাকার পরও আওয়ামী রেজিম নিরপেক্ষ তত্বাবধায়ক সরকারের অধীমে নির্বাচনে অস্বীকার করে, যা তারা নিজেরাই একসময় এভাবে দাবি করেছিলো!
Associated Press’র এই ফুটেজে দেখা যাচ্ছে বিএনপির অফিসে অগ্নিসংযোগ, ফায়ার সার্ভিসের জরুরী সেবার পরিবহন ভাংচুর, জনসাধারণের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, শিল্প প্রতিষ্ঠানে হামলা সহ, রেললাইন পর্যন্ত উপড়ে ফেলতে দেখা যাচ্ছে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের।
১৫ বছর ক্ষমতায় থাকার পরও আওয়ামী রেজিম নিরপেক্ষ তত্বাবধায়ক সরকারের অধীমে নির্বাচনে অস্বীকার করে, যা তারা নিজেরাই একসময় এভাবে দাবি করেছিলো!
👍5🤬3🔥2
পঞ্চগড় জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে মাঝেমধ্যে দেখা যাচ্ছে কাঞ্চনজঙ্ঘা 😍🤘
কি অনুরুপ একটি প্রাকৃতিক দৃশ্য
আলহামদুলিল্লাহ❤❤️
কি অনুরুপ একটি প্রাকৃতিক দৃশ্য
আলহামদুলিল্লাহ❤❤️
❤13
https://www.facebook.com/BJI.Official/"আমরা দেশবাসী এবং গোটা বিশ্ব জগৎকে বলতে চাই- জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য যত কোরবানি আছে, আমরা সব দিতে প্রস্তুত আছি।"
-মাওলানা এটিএম মা'ছুম
ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
#RestoreCaretakerGovt
#FreeJamaatLeaders
#StepDownHasina
-মাওলানা এটিএম মা'ছুম
ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
#RestoreCaretakerGovt
#FreeJamaatLeaders
#StepDownHasina
❤11
হামাসের ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গ শহর ইসরায়েলের স্থল হামলার সবচেয়ে বড় বাধা,যুক্তরাষ্ট্র মনে করছে, ইসরায়েলি বাহিনী স্থল হামলায় নজিরবিহীন প্রতিরোধের মুখে পড়বে।
প্রায় তিন সপ্তাহ নির্বিচার বিমানহামলা চালানোর পর হামাসের বিরুদ্ধে স্থল হামলা শুরু করেছে ইসরায়েল। তবে, এখনো তা চলছে সীমিত আকারে। বিশ্লেষকদের মতে, স্থল হামলায় ইসরায়েলি সেনাদের জন্য সবচেয়ে বড় বাধা হামাসের ভূগর্ভস্থ সুবিশাল সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্ক। গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলা চালায় হামাস। এতে নিহত হন এক হাজার ৪০০ ইসরায়েলী দখলদার, আহত হন পাঁচ হাজারেরও বেশি। এ ছাড়া, হামাস জিম্মি করে দুই শতাধিক নাগরিককে, যাদের মধ্যে ইসরায়েলি ছাড়াও অন্যান্য দেশের নাগরিক রয়েছেন। মুক্ত হওয়া জিম্মিদের একজন হামাসের সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্ককে মাকড়সার জালের সঙ্গে তুলনা করেছেন। বিশেষজ্ঞরা জানান, ভিয়েতনামের গেরিলা কমিউনিস্ট সংগঠন 'ভিয়েতকং'র সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্কের চেয়ে ১০ গুণ বেশি বিস্তৃত হামাসের নেটওয়ার্ক।
হামাসের প্রতিষ্ঠা ১৯৮৭ সালে। ধারণা করা হয়, নব্বই দশকের মাঝামাঝি থেকে সুড়ঙ্গ তৈরি করছে তারা। এই সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্কের কারণেই ইসরায়েল অধিকৃত পশ্চিম তীরের তুলনায় গাজায় হামাসের অবস্থান শক্তিশালী। ২০০৫ সালে ইসরায়েল গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার করে নিলে সুড়ঙ্গ তৈরি আরও সহজ হয়। ২০০৬ এ নির্বাচনের মাধ্যমে হামাস গাজার ক্ষমতায় আসে। অল্প সময়ের মধ্যেই হামাসের আল-কাসাম ব্রিগেড ৬০০ মিটার সুড়ঙ্গ খুঁড়ে গাজা সীমান্তের কেরেম শালম ঘাঁটি দখল করে নেয়। সুড়ঙ্গের বিষয়ে জানেন এমন সূত্রদের বরাত দিয়ে রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৩৬০ কিলোমিটার দীর্ঘ উপকূলীয় অঞ্চল ও সীমান্তে বিভিন্ন কাজের জন্য সুড়ঙ্গ নির্মাণ করেছে হামাস। হামলা চালানো, প্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহন ও মজুদসহ আরও নানা কাজে ব্যবহার হয় এসব সুড়ঙ্গ। প্রচলিত আছে, ২০০৭ সালে হামাসের সামরিক শাখা তাদের কমান্ডার মোহাম্মদ দেইফকে মিশর থেকে গাজায় নিয়ে আসে এমনই এক সুড়ঙ্গ ব্যবহার করে। অক্টোবরের ৭ তারিখে হামাসের আক্রমণের মাস্টারমাইন্ড ছিলেন দেইফ।
যুক্তরাষ্ট্র মনে করছে, ইসরায়েলি বাহিনী স্থল হামলায় নজিরবিহীন প্রতিরোধের মুখে পড়বে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মার্কিন কর্মকর্তা মনে করেন, মাটির নিচে আটকে রাখা জিম্মিদের ক্ষতি না করে হামাসকে পরাজিত করা সম্ভব হবে না।যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন বলেছেন, ইসরায়েলিদের জন্য হামাসের সুড়ঙ্গে অসংখ্য 'ঘরে বানানো বিস্ফোরক', নানান ফাঁদ এবং একটি ক্লান্তিকর ও কঠিন অভিজ্ঞতা অপেক্ষা করছে। তার মতে, এরচেয়ে ইরাকের মসুল শহরকে আইএসের দখল মুক্ত করতে নয় মাসের অভিযান অনেক সহজ ছিল।
হামাসের সুড়ঙ্গের সুনির্দিষ্ট অবস্থান চিহ্নিত করতে প্রযুক্তির জন্য অনেক অর্থ বিনিয়োগ করেছে ইসরায়েল। এর মধ্যে রয়েছে 'আয়রন ওয়াল' নামের বিশেষ সেনসর। তারপরও সুড়ঙ্গগুলো চিহ্নিত করে বন্ধ করতে সক্ষম হয়নি দেশটি। এ কাজে নিয়োজিত আছে ইসরায়েল সেনাবাহিনীর বিশেষ কমান্ডো ইউনিট 'ইয়াহালোম'। কমব্যাট ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পস শাখার এই দলটি মাটির নিচে সুড়ঙ্গ খুঁজে ধ্বংস করার জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ পেয়েছে। ২০২১ সালের আক্রমণের পর হামাসের নেতা ইয়াহিয়া আল সিনওয়ার বলেছিলেন, 'ইসরায়েল বলছে, তারা নাকি হামাসের সুড়ঙ্গের ১০০ কিলোমিটার জায়গা ধ্বংস করেছে। আমি বলছি, গাজা উপত্যকায় আমাদের সুড়ঙ্গের বিস্তার ৫০০ কিলোমিটারেরও বেশি। কাজেই তারা যদি সত্য বলেও থাকে, তা মোট সুড়ঙ্গের ২০ শতাংশ মাত্র।'
সিনওয়ারের দাবির শক্ত প্রমাণ না পেলেও নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা সেটাকেই সত্য বলে মানছেন। গাজা উপত্যকা মাত্র ৪০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের হলেও সুড়ঙ্গগুলো আরও বহুদূর পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। গাজার আকাশ ও নৌপথের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ইসরায়েলের হাতে। স্থল সীমানার ৭২ কিলোমিটারের মধ্যে ৫৯ কিলোমিটারই ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে। সঙ্গে আছে দক্ষিণে মিশরের সঙ্গে থাকা ১৩ কিলোমিটার সীমানা। হামাস তাদের সুড়ঙ্গ নিয়ে তেমন কোনো তথ্য প্রকাশ করে না। তবে তাদের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া ৮৫ বছর বয়সী জিম্মি ইয়োশেভেদ লিফশিৎজ বলেন, 'এটা মাকড়শার জালের মতো। অসংখ্য সুড়ঙ্গ রয়েছে। আমরা মাটির নিচে বেশ কয়েক কিলোমিটার পথ হেঁটেছি।'
হামাস বিশ্বাস করে, সর্বাধুনিক সামরিক প্রযুক্তি নিয়ে ইসরায়েল অনেক এগিয়ে থাকলেও, সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্কে এগুলো খুব একটা কাজে আসবে না। হামাস চায় ইসরায়েলি সেনারা সুড়ঙ্গে এসে তাদের মোকাবিলা করুক। ইসরায়েলের কাছে অপরিচিত সেই পরিবেশে হামাস বাড়তি সুবিধা পাবে। সম্প্রতি ইসরায়েলের এক মুখপাত্র বলেছেন, 'সুড়ঙ্গগুলো কত কিলোমিটার জুড়ে নির্মাণ করা হয়েছে, তা স্পষ্ট করে বলতে পারছি না, তবে এটা কোনো দিক দিয়েই ছোট নয়।
ইসরায়েলের কমব্যাট ইন্টেলিজেন্স কর্পসের সাবেক কমান্ডার ও মোসাদের সাবেক প্রধান অবসরপ্রাপ্ত বিগ্রেডিয়ার জেনারেল আমনোন সফরিন বলেন, 'সুড়ঙ্গে প্রচুর ফাঁদ থাকবে। হামাসের কাছে থার্মোবারিক বোমা ও অস্ত্র থাকবে। ২০২১ সালে তাদের কাছে এই মারাত্মক অস্ত্র ছিল না।'
তথ্যসূত্র: রয়টার্স
প্রায় তিন সপ্তাহ নির্বিচার বিমানহামলা চালানোর পর হামাসের বিরুদ্ধে স্থল হামলা শুরু করেছে ইসরায়েল। তবে, এখনো তা চলছে সীমিত আকারে। বিশ্লেষকদের মতে, স্থল হামলায় ইসরায়েলি সেনাদের জন্য সবচেয়ে বড় বাধা হামাসের ভূগর্ভস্থ সুবিশাল সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্ক। গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলা চালায় হামাস। এতে নিহত হন এক হাজার ৪০০ ইসরায়েলী দখলদার, আহত হন পাঁচ হাজারেরও বেশি। এ ছাড়া, হামাস জিম্মি করে দুই শতাধিক নাগরিককে, যাদের মধ্যে ইসরায়েলি ছাড়াও অন্যান্য দেশের নাগরিক রয়েছেন। মুক্ত হওয়া জিম্মিদের একজন হামাসের সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্ককে মাকড়সার জালের সঙ্গে তুলনা করেছেন। বিশেষজ্ঞরা জানান, ভিয়েতনামের গেরিলা কমিউনিস্ট সংগঠন 'ভিয়েতকং'র সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্কের চেয়ে ১০ গুণ বেশি বিস্তৃত হামাসের নেটওয়ার্ক।
হামাসের প্রতিষ্ঠা ১৯৮৭ সালে। ধারণা করা হয়, নব্বই দশকের মাঝামাঝি থেকে সুড়ঙ্গ তৈরি করছে তারা। এই সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্কের কারণেই ইসরায়েল অধিকৃত পশ্চিম তীরের তুলনায় গাজায় হামাসের অবস্থান শক্তিশালী। ২০০৫ সালে ইসরায়েল গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার করে নিলে সুড়ঙ্গ তৈরি আরও সহজ হয়। ২০০৬ এ নির্বাচনের মাধ্যমে হামাস গাজার ক্ষমতায় আসে। অল্প সময়ের মধ্যেই হামাসের আল-কাসাম ব্রিগেড ৬০০ মিটার সুড়ঙ্গ খুঁড়ে গাজা সীমান্তের কেরেম শালম ঘাঁটি দখল করে নেয়। সুড়ঙ্গের বিষয়ে জানেন এমন সূত্রদের বরাত দিয়ে রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৩৬০ কিলোমিটার দীর্ঘ উপকূলীয় অঞ্চল ও সীমান্তে বিভিন্ন কাজের জন্য সুড়ঙ্গ নির্মাণ করেছে হামাস। হামলা চালানো, প্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহন ও মজুদসহ আরও নানা কাজে ব্যবহার হয় এসব সুড়ঙ্গ। প্রচলিত আছে, ২০০৭ সালে হামাসের সামরিক শাখা তাদের কমান্ডার মোহাম্মদ দেইফকে মিশর থেকে গাজায় নিয়ে আসে এমনই এক সুড়ঙ্গ ব্যবহার করে। অক্টোবরের ৭ তারিখে হামাসের আক্রমণের মাস্টারমাইন্ড ছিলেন দেইফ।
যুক্তরাষ্ট্র মনে করছে, ইসরায়েলি বাহিনী স্থল হামলায় নজিরবিহীন প্রতিরোধের মুখে পড়বে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মার্কিন কর্মকর্তা মনে করেন, মাটির নিচে আটকে রাখা জিম্মিদের ক্ষতি না করে হামাসকে পরাজিত করা সম্ভব হবে না।যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন বলেছেন, ইসরায়েলিদের জন্য হামাসের সুড়ঙ্গে অসংখ্য 'ঘরে বানানো বিস্ফোরক', নানান ফাঁদ এবং একটি ক্লান্তিকর ও কঠিন অভিজ্ঞতা অপেক্ষা করছে। তার মতে, এরচেয়ে ইরাকের মসুল শহরকে আইএসের দখল মুক্ত করতে নয় মাসের অভিযান অনেক সহজ ছিল।
হামাসের সুড়ঙ্গের সুনির্দিষ্ট অবস্থান চিহ্নিত করতে প্রযুক্তির জন্য অনেক অর্থ বিনিয়োগ করেছে ইসরায়েল। এর মধ্যে রয়েছে 'আয়রন ওয়াল' নামের বিশেষ সেনসর। তারপরও সুড়ঙ্গগুলো চিহ্নিত করে বন্ধ করতে সক্ষম হয়নি দেশটি। এ কাজে নিয়োজিত আছে ইসরায়েল সেনাবাহিনীর বিশেষ কমান্ডো ইউনিট 'ইয়াহালোম'। কমব্যাট ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পস শাখার এই দলটি মাটির নিচে সুড়ঙ্গ খুঁজে ধ্বংস করার জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ পেয়েছে। ২০২১ সালের আক্রমণের পর হামাসের নেতা ইয়াহিয়া আল সিনওয়ার বলেছিলেন, 'ইসরায়েল বলছে, তারা নাকি হামাসের সুড়ঙ্গের ১০০ কিলোমিটার জায়গা ধ্বংস করেছে। আমি বলছি, গাজা উপত্যকায় আমাদের সুড়ঙ্গের বিস্তার ৫০০ কিলোমিটারেরও বেশি। কাজেই তারা যদি সত্য বলেও থাকে, তা মোট সুড়ঙ্গের ২০ শতাংশ মাত্র।'
সিনওয়ারের দাবির শক্ত প্রমাণ না পেলেও নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা সেটাকেই সত্য বলে মানছেন। গাজা উপত্যকা মাত্র ৪০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের হলেও সুড়ঙ্গগুলো আরও বহুদূর পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। গাজার আকাশ ও নৌপথের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ইসরায়েলের হাতে। স্থল সীমানার ৭২ কিলোমিটারের মধ্যে ৫৯ কিলোমিটারই ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে। সঙ্গে আছে দক্ষিণে মিশরের সঙ্গে থাকা ১৩ কিলোমিটার সীমানা। হামাস তাদের সুড়ঙ্গ নিয়ে তেমন কোনো তথ্য প্রকাশ করে না। তবে তাদের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া ৮৫ বছর বয়সী জিম্মি ইয়োশেভেদ লিফশিৎজ বলেন, 'এটা মাকড়শার জালের মতো। অসংখ্য সুড়ঙ্গ রয়েছে। আমরা মাটির নিচে বেশ কয়েক কিলোমিটার পথ হেঁটেছি।'
হামাস বিশ্বাস করে, সর্বাধুনিক সামরিক প্রযুক্তি নিয়ে ইসরায়েল অনেক এগিয়ে থাকলেও, সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্কে এগুলো খুব একটা কাজে আসবে না। হামাস চায় ইসরায়েলি সেনারা সুড়ঙ্গে এসে তাদের মোকাবিলা করুক। ইসরায়েলের কাছে অপরিচিত সেই পরিবেশে হামাস বাড়তি সুবিধা পাবে। সম্প্রতি ইসরায়েলের এক মুখপাত্র বলেছেন, 'সুড়ঙ্গগুলো কত কিলোমিটার জুড়ে নির্মাণ করা হয়েছে, তা স্পষ্ট করে বলতে পারছি না, তবে এটা কোনো দিক দিয়েই ছোট নয়।
ইসরায়েলের কমব্যাট ইন্টেলিজেন্স কর্পসের সাবেক কমান্ডার ও মোসাদের সাবেক প্রধান অবসরপ্রাপ্ত বিগ্রেডিয়ার জেনারেল আমনোন সফরিন বলেন, 'সুড়ঙ্গে প্রচুর ফাঁদ থাকবে। হামাসের কাছে থার্মোবারিক বোমা ও অস্ত্র থাকবে। ২০২১ সালে তাদের কাছে এই মারাত্মক অস্ত্র ছিল না।'
তথ্যসূত্র: রয়টার্স
❤6