আলোর পথ
10.1K subscribers
2.59K photos
716 videos
35 files
291 links
আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল (সা.) প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পূর্ণ বিন্যাস করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।
Download Telegram
Channel photo updated
>>>ব্রেকিং<<<
রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মহাসমাবেশ থেকে বিএনপিসহ বিরোধীদলের ডাকা সকল কর্মসূচীতে একাত্মতা ঘোষণা করলো ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ
11
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি হাসিনার অনুগত পুলিশলীগের নূন্যতম দয়া-মায়া না থাকলেও পুলিশের প্রতি বিরোধীদলীয় কর্মীদের সহমর্মিতা এই ভিডিও ফুটেজে স্পষ্ট।

গত ২৮ অক্টোবর, ২০২৩ এ নয়াপল্টনে বিএনপির মহাসমাবেশে হামলা চালিয়ে এক বিএনপি কর্মীকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাচ্ছিল দুই পুলিশ সদস্য। এইসময় পুলিশের এক সদস্য হোঁচট খেয়ে রাস্তায় পড়ে গেলে তাকে টেনে তুলছে আটককৃত ঐ বিরোধী রাজনৈতিক কর্মী।
11
উগ্র সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র বলে কথা!
9
ভয়কে পেছনে ফেলে ছুটে চলেছে দেখ শহীদ মালেকের কাফেলা
কোনো তস্করের সাধ্য নেই এই পবিত্র ভূমির দিকে হাত বাড়ায়।
এখন সমস্বরে বলে ওঠো হে পল্টন-

“ রক্ত-পাথারে ভেসেছি কত জীবনের কথা ভাবিনি
এসেছে ঝড়-ঝঞ্ঝা বজ্র বৃষ্টি তবুও আমরা থামিনি।”

না, এ কাফেলা থামতে জানে না কখনো।

— কবি মোশাররফ হোসেন খান
10
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
এখন দলমত নির্বিশেষে সবাইকে একই কাতারে আসতে হবে : ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ
11
জনৈক লীগ ভাইয়া,
"টাইম ম্যাগাজিন যেহেতু ইংরেজিতে লিখছে, ভালো কিছুই লিখছে"🤗
😁6
আলোর পথ
সৎ নেতৃত্বের গুরুত্ব: ১. অসৎ লোক এখানে সৎ হতে বাধ্য। ২. সততা, ন্যায়, নীতি, এবং কল্যাণকর কার্যক্রম সুন্দর ও সুচার রূপে বাস্তবায়িত হয়ে সমাজ সুন্দরের পরশে বিকশিত ও প্রস্ফুটিত হয়। ৩. অন্যায়, অনাচার, পাপাচার ,এখানে বিকাশ লাভ করতে পারে না।
অসৎ নেতৃত্বের কুফল:
১. সততা, ন্যায়, নীতি, ও কল্যাণ সমাজ হতে বিদায় নেয়।
২. পাপাচার, অনাচার, অন্যায়, দুর্নীতি, সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে।
৩. সৎ ভাবে চলতে চাইলেও চলা যায় না।
😢8
🔥7
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
সবাই মুনাজাত ধরেন
😁13
জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ : রাজশাহীর প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. ফাতেমা সিদ্দিকা আটক।
🤬12😢3
সামনের দিনের কর্মসূচি আরও কঠিন হবে স্পষ্টই বোঝা যাচ্ছে
8👍1
10👍1
ভবিষ্যদ্বাণীর বাস্তবতাঃ

عن عَوْفَ بْنَ مَالِكٍ، قَالَ أَتَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فِي غَزْوَةِ تَبُوكَ، وَهْوَ فِي قُبَّةٍ مِنْ أَدَمٍ فَقَالَ ‏اعْدُدْ سِتًّا بَيْنَ يَدَىِ السَّاعَةِ، مَوْتِي، ثُمَّ فَتْحُ بَيْتِ الْمَقْدِسِ، ثُمَّ مُوتَانٌ يَأْخُذُ فِيكُمْ كَقُعَاصِ الْغَنَمِ.
আউফ ইবনে মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি তাবুক যুদ্ধে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট আসলাম ৷ তখন তিনি একটি চামড়ার তৈরী তাঁবুতে ছিলেন। তারপর তিনি বললেনঃ কিয়ামতের আগের ছয়টি নিদর্শন গণনা করে রাখো। আমার মৃত্যু, অতঃপর বায়তুল মাকদিস বিজয় ৷ অতঃপর ছাগলের মহামারীর ন্যায় তোমাদের মাঝে ব্যাপক মৃত্যু ঘটবে ৷ (সহিহ বুখারী, হা/৩১৭৬)

ইবনে মাজাহ এর বর্ণনায় রয়েছে—
يَا عَوْفُ احْفَظْ خِلاَلاً سِتًّا بَيْنَ يَدَىِ السَّاعَةِ إِحْدَاهُنَّ مَوْتِي ‏.‏ قَالَ فَوَجَمْتُ عِنْدَهَا وَجْمَةً شَدِيدَةً ‏.‏ فَقَالَ: قُلْ إِحْدَى ثُمَّ فَتْحُ بَيْتِ الْمَقْدِسِ ثُمَّ دَاءٌ يَظْهَرُ فِيكُمْ يَسْتَشْهِدُ اللَّهُ بِهِ ذَرَارِيَّكُمْ وَأَنْفُسَكُمْ وَيُزَكِّي بِهِ أَمْوَالَكُمْ.

হে আওফ! ভেতরে এসো। আমি বললামঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমি কি সম্পূর্ণ প্রবেশ করবো ? তিনি বলেনঃ হ্যাঁ, সম্পূর্ণভাবে এসো ৷ অতঃপর তিনি বললেনঃ হে আওফ! কিয়ামতের পূর্বকার ছয়টি আলামত স্বরণ রাখবে। সেগুলোর একটি হচ্ছে আমার মৃত্যু ৷ আওফ (রাঃ) বলেনঃ আমি একথায় অত্যন্ত মর্মাহত হলাম ৷ তিনি বলেনঃ তুমি বল, প্রথমটি ৷ অতঃপর বাইতুল মাকদিস বিজয় ৷ অতঃপর তোমাদের মধ্যে এক মহামারী ছড়িয়ে পড়বে, যদ্দ্বারা আল্লাহ তোমাদের সন্তান-সন্ততি এবং তোমাদেরকে শাহাদাত নসীব করবেন এবং তোমাদের ধনসম্পদ সমূহ পরিশুদ্ধ করবেন ৷
(ইবনে মাজাহ, হা/৪০৪২, সহীহ)

                       হাদিসটির বাস্তবতাঃ
** হিজরী ১১ সনের ১২ই রবিউল আওয়াল রোজ সোমবার রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইন্তেকাল করেছেন ৷

** রাসূল (সাঃ)-এর ইন্তেকালের মাত্র পাঁচ বছরের মাথায় ১৫ হিজরি মোতাবেক ৬৩৬ সালে আবু উবায়দাহ ইবনুল জাররাহ (রাঃ) এর নের্তৃত্বে মুসলিম বাহিনী বায়তুল মাকদিস বিজয় করেন ৷

** হাফেজ ইবনে হাজার আসকালানি (রহ) বলেনঃ খলিফাহ উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) এর শাসনামলে হিজরী ১৮ সালে (৬৩৯ খ্রিঃ) বাইতুল মাকদিসের নিকটবর্তী আমওয়াস নামক অঞ্চলে হাদিসে বর্ণিত মহামারী সংঘটিত হয় ৷ (ফাতহুল বারী: ৬/২৭৮)

** মোল্লা আলী ক্বারী (রহ:) বলেনঃ এটা ছিল আমওয়াসের মহামারী এবং ইসলামের প্রথম মহামারী যেখানে মাত্র তিনদিনের ব্যবধানে ৭০ (সত্তর) হাজার মানুষ মারা গিয়েছিল ৷ বাইতুল মাকদিস বিজয়ের পর মুসলিমদের সামরিক ঘাটি ছিল এই আমওয়াস অঞ্চলে ৷ (মিরক্বাতুল মাফাতীহ: ৮/২৪১১)

** ইমাম ইবনে তাইমিয়া (রহ:) বলেনঃ রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর ইন্তেকালের পর উমর ইবনুল খাত্তাব (রা:) এর খেলাফতকালে বাইতুল মাকদিস বিজয় হয় ৷ এরপরই শামের আমওয়াস অঞ্চলে ব্যাপক মহামারী দেখা দেয় ৷ এই মহামারীতে বহু সাহাবী যেমন— মুয়াজ বিন জাবাল, আবু উবাইদা ইবনুল জাররাহ, আব্দুর রহমান ইবনে মুয়াজ, শুরাহবীল ইবনু হাসানাহ, আবু জান্দাল বিন সোহাইল, ফাজল ইবনু আব্বাস সহ অসংখ্য সাহাবী শাহাদাত বরণ করেন ৷
(আল জাওয়াব আস সহীহ: ৬/৮৬)

বিঃদ্রঃ উল্লেখিত হাদীসে ছয়টি বিষয়ের কথা বলা হয়েছে ৷ তন্মধ্যে যেগুলো সুস্পষ্টভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে, আমরা সেগুলোই উল্লেখ করেছি ৷
👍3
ভবিষ্যদ্বাণীর বাস্তবতাঃ

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏صِنْفَانِ مِنْ أَهْلِ النَّارِ لَمْ أَرَهُمَا قَوْمٌ مَعَهُمْ سِيَاطٌ كَأَذْنَابِ الْبَقَرِ يَضْرِبُونَ بِهَا النَّاسَ وَنِسَاءٌ كَاسِيَاتٌ عَارِيَاتٌ مُمِيلاَتٌ مَائِلاَتٌ رُءُوسُهُنَّ كَأَسْنِمَةِ الْبُخْتِ الْمَائِلَةِ لاَ يَدْخُلْنَ الْجَنَّةَ وَلاَ يَجِدْنَ رِيحَهَا وَإِنَّ رِيحَهَا لَيُوجَدُ مِنْ مَسِيرَةِ كَذَا وَكَذَا ‏.‏
আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “দু'শ্রেণীর জাহান্নামী যাদেরকে আমি এখনও পর্যন্ত দেখিনি । তন্মধ্যে একশ্রেণী হচ্ছে যাদের সঙ্গে গরুর লেজের মত চাবুক থাকবে, তদ্দ্বারা তারা মানুষকে অন্যায়ভাবে মারবে ৷ আর একদল স্ত্রী লোক, যারা কাপড় পরিহিত উলঙ্গ, যারা অন্যদের আকর্ষণকারিণী ও আকৃষ্টা, তাদের মাথার চুলের অবস্থা উটের হেলে পড়া কুঁজের মতো। ওরা জান্নাতে যেতে পারবে না, এমনকি তার সুগন্ধিও পাবে না ৷ অথচ এত এত দূর হতে তার সুঘ্রাণ পাওয়া যায়।”
(সহিহ মুসলিম, হা/৫৪৭৫)

                     হাদিসটির বাস্তবতাঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দুই শ্রেণীর জাহান্নামীর কথা উল্লেখ করেছেন যাদেরকে তিনি জীবদ্দশাই দুনিয়াতে দেখতে পাননি ৷ অর্থাৎ যাদের আগমন উনার জামানায় ঘটেনি ৷ উক্ত দু'শ্রেণীর একশ্রেণী হচ্ছে—পুরুষদের মধ্য হতে ৷ আরেক শ্রেণী হচ্ছে— নারীদের মধ্য হতে ৷

জাহান্নামী পুরুষ কারা? হাদিসের ভাষায় যাদের হাতে গরুর লেজের ন্যায় বেত/চাবুক থাকবে ৷ তদ্দ্বারা মানুষকে অন্যায়ভাবে মারবে, ন্যায়নীতির প্রতি ভ্রুক্ষেপ করবে না, মানুষের প্রতি অবিচার ও জুলুমে লিপ্ত থাকবে, দিনশেষে অসংখ্য মানুষের বদ-দোআ, লানত ও অভিশাপ নিয়ে বাড়ি ফিরবে ৷ এদের বৈশিষ্ট্যের বর্ণনা দিতে গিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ

‏قال رسول الله ﷺ : يَخرُج رِجَالٌ مِنْ هَذِهِ الْأُمَّةِ فِي آخِرِ الزَّمَانِ؛ مَعَهُم أسياط كَأَنَّهَا أَذْنَابُ الْبَقَرِ، يَغْدُون فِي سَخَطِ اللَّهِ، ويَروحونَ فِي غَضَبه . مُسنَدِ الْإِمَامِ أَحمَدُ ٥/ ٣١٥
“এই উম্মতের শেষ জামানায় একশ্রেণী লোকের আবির্ভাব ঘটবে, যাদের সঙ্গে গরুর লেজের মতো চাবুক থাকবে ৷ তারা আল্লাহর ক্রোধ/অসন্তুষ্টি নিয়ে সকালে বের হবে আর সন্ধ্যায় আল্লাহর গযব/শাস্তি নিয়ে ফিরে আসবে ৷” (মুসনাদ আহমদঃ ৫/৩১৫)

এই বৈশিষ্ট্যের মানুষ কারা?
উত্তর হচ্ছে- রাষ্ট্রের পুলিশ বাহিনী আর পুলিশের বৈশিষ্ট্যবহন করে এমন প্রত্যেক ব্যক্তিই উক্ত হাদিসের মাকসাদ ও উদ্দেশ্য ৷ আগলাবিয়্যাতের (أغلبية) দিক বিবেচনায় হাদিসে পুলিশের কথা এসেছে ৷ কারণ রাষ্ট্রযন্ত্রের পুলিশরাই সাধারণ মানুষের সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থান করে ৷ ফলে তারা ক্ষমতার অপপ্রয়োগ, দূর্নীতি ও মানুষের প্রতি অন্যায় অবিচার করার সুযোগটাও বেশি পায় ৷ সর্বপরি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাদীসের শব্দে পুলিশের নামই উল্লেখ করেছেন—
‏قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: بَادِرُوْا بِالْمَوْتِ سِتًّا، إمْرَةَ السُّفَهَاءِ، وَكَثْرَةَ الشَّرْطِ... (الحديث)

“ছয়টি জিনিস আসার পূর্বে মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত হও- মূর্খদের নেতৃত্ব গ্রহণ, পুলিশের সংখ্যা বৃদ্ধি ৷” [আহমদ: হা/১৬০৮৩; সহীহুল জামে: হা/২৮১২]

উক্ত হাদিসে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শেষ জামানায় আগত পুলিশ শ্রেণী থেকে মানুষকে সতর্ক থাকার প্রতি ইঙ্গিত দিয়েছেন ৷

জাহান্নামী নারী কারাঃ এই শ্রেণী নারীদের বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি বলেছেনঃ
وَنِسَاءٌ كَاسِيَاتٌ عَارِيَاتٌ مُمِيلاَتٌ مَائِلاَتٌ رُءُوسُهُنَّ كَأَسْنِمَةِ الْبُخْتِ الْمَائِلَةِ
“একদল নারী— যারা কাপড় পরিহিত উলঙ্গ, যারা অন্যদের আকর্ষণকারিণী ও আকৃষ্টা, তাদের মাথার চুলের অবস্থা উটের হেলে পড়া কুঁজের মতো।”

** কাপড় পরিহিত উলঙ্গের ব্যাখ্যাঃ
১. বোরকা পরিহিত, কিন্তু মূখমন্ডল খোলা রাখা ৷ চেহারাকে বলা হয় مجمع الجمال তথা সৌন্দর্যের মূল ৷ তাই হিজাব/বোরকা পড়েও চেহারা খোলা মানে— কাপড় পড়েও উলঙ্গ ৷
২. বোরকা পরিহিত, কিন্তু শর্ট বোরকা ফলে নারীর স্তনদ্বয় ও নিতম্ব বাহিরে ফোকাস করে ৷
৩. বোরকা পরিহিত, কিন্তু শর্ট বোরকা ফলে নারীর শরীর মানুষকে আরোও বেশি আকৃষ্ট করে ৷
৪. বোরকা পরিহিত, কিন্তু কাপড় পাতলা ফলে ভিতরের সবকিছু দেখা যায় ৷


বিঃদ্রঃ উল্লেখিত হাদীসের বাস্তবতা আজ সুস্পষ্ট এবং দিবালোকের ন্যায় প্রমাণিত ৷ বর্তমানে এই অভিশপ্ত চাকরীর প্রতি মানুষেরা খুব লালায়িত ৷ আর নারীরা শর্টকাট বোরকা/হিজাব/কাপড় পড়ার প্রতি খুব উৎসাহিত ৷ কারণ দু'টাই জাহান্নামে যাওয়ার প্রতীকী চিহ্ন৷
জালিম সরকারের পতন ছাড়া চলমান আন্দোলন থামবে না
-অধ্যাপক মুজিবুর রহমান
🥰161
15