ভবিষ্যদ্বাণীর বাস্তবতাঃ
عَنْ ثَوْبَانَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُوشِكُ الأُمَمُ أَنْ تَدَاعَى عَلَيْكُمْ كَمَا تَدَاعَى الأَكَلَةُ إِلَى قَصْعَتِهَا فَقَالَ قَائِلٌ وَمِنْ قِلَّةٍ نَحْنُ يَوْمَئِذٍ قَالَ بَلْ أَنْتُمْ يَوْمَئِذٍ كَثِيرٌ وَلَكِنَّكُمْ غُثَاءٌ كَغُثَاءِ السَّيْلِ وَلَيَنْزِعَنَّ اللَّهُ مِنْ صُدُورِ عَدُوِّكُمُ الْمَهَابَةَ مِنْكُمْ وَلَيَقْذِفَنَّ اللَّهُ فِي قُلُوبِكُمُ الْوَهَنَ فَقَالَ قَائِلٌ يَا رَسُولَ اللَّهِ وَمَا الْوَهَنُ قَالَ حُبُّ الدُّنْيَا وَكَرَاهِيَةُ الْمَوْتِ .
সাওবান (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ খাদ্য গ্রহণকারীরা যেভাবে খাবারের পাত্রের চতুর্দিকে একত্র হয়, অচিরেই বিজাতিরা তোমাদের বিরুদ্ধে সেভাবেই একত্রিত হবে। এক ব্যক্তি বললো, সেদিন আমাদের সংখ্যা কম হওয়ার কারণে কি এরূপ হবে? তিনি বললেনঃ তোমরা বরং সেদিন সংখ্যাগরিষ্ঠ হবে; কিন্তু তোমরা হবে প্লাবনের স্রোতে ভেসে যাওয়া আবর্জনার মত। আর আল্লাহ তোমাদের শত্রুদের অন্তর হতে তোমাদের পক্ষ হতে আতঙ্ক দূর করে দিবেন, তিনি তোমাদের অন্তরে ভীরুতা ভরে দিবেন। এক ব্যক্তি বললো, হে আল্লাহর রাসূল! ‘আল-ওয়াহন’ কি? তিনি বলেনঃ দুনিয়ার মোহ এবং মৃত্যুকে অপছন্দ করা। (আবু দাউদ, হা/৪২৯৭, সহীহ)
হাদিসটির বাস্তবতাঃ
وقال العباد في شرحه لسنن أبي داود: وهذا الحديث منطبق تماما على هذا الزمان، والمسلمون اليوم عددهم كثير جدا، ولكنهم مشتغلون بالدنيا، وحريصون على الدنيا، وخائفون من الموت، فصاروا يخافون من أعدائهم، وأعداؤهم لا يخافون منهم.
لكن لا يعني هذا أنه ما حصل إلا في هذا الزمان، فقد يكون حصل في الماضي، وكذلك يحصل في المستقبل، لكن المشاهد المعاين اليوم أنه حاصل. اهـ.
আরবের প্রখ্যাত মুহাদ্দিস আব্দুল মুহসিন আল আব্বাদ (হাফি:) সুনানে আবু দাউদের ব্যাখ্যায় বলেছেন: উক্ত হাদিসটি এ সময়ের জন্য সম্পূর্ণ প্রযোজ্য ৷ বর্তমানে মুসলিমরা সংখ্যায় অনেক বেশি কিন্তু তারা দুনিয়া নিয়ে ব্যস্ত, দুনিয়ার প্রতি আগ্রহী এবং মৃত্যুকে ভয় পায় ৷ তাই তারা তাদের শত্রুদের ভয় পায় এবং তাদের শত্রুরা তাদেরকে ভয় পায় না।
কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে, এই হাদিসের বাস্তবতা শুধু এই সময়ে ঘটছে, অতীতেও ঘটে যেতে পারে, আবার ভবিষ্যতেও ঘটতে পারে ৷ তবে এযুগের বাস্তবতার প্রত্যক্ষ দৃষ্টিতে হাদিসের ভাষ্য প্রতিফলিত হয়েছে ৷
খাদ্যের প্লেটে শত্রু সমাগমের স্বরূপঃ
ন্যাটো নিরাপত্তা জোট যা ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয় ৷ এই সামরিক জোটটি পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ও কার্যকর আঞ্চলিক সামরিক জোট ৷ এইজোট সৃষ্টির পর থেকে কার্যত মুসলিম উম্মাহ তেমন কোনো যুদ্ধেই কাফেরদের বিপক্ষে জয়ী হতে পারেনি ৷ যখনই কোনো যুদ্ধের সূত্রপাত হয়েছে তখনই পৃথিবীর নানাপ্রান্ত হতে কাফেররা এই জোটের নের্তৃত্বাধীন ময়দানে সংঘবদ্ধ হয়েছে ৷ যেমন-
আরব-ইজরাইল যুদ্ধ ১৯৪৮ সালঃ
তখন সবেমাত্র ইজরাইল ব্রিটেনের নের্তৃত্বে ফিলিস্তিনে বসতি স্থাপন শুরু করেছে ৷ সেই সময় মিশর, জর্ডান, ইরাক, সিরিয়া, লেবানন ও সৌদি আরব একযোগে ফিলিস্তিনে ইজরাইলের উপর আক্রমণ করে ৷ তখন আরবদের বিপক্ষে ব্রিটেন, ফ্রান্স ও ইজরাইল একসাথে মোকাবেলা করে এবং এতে ইজরাইল বিজয়ী হয় ৷
মিশর-ইজরাইল যুদ্ধ ১৯৫৬ সালঃ
জামাল আবদেল নাসের সুয়েজ খাল জাতীয় করণের পর ১৯৫৬ সালে মিশরের বিরুদ্ধে ব্রিটেন, ফ্রান্স এবং ইসরায়েল ত্রিপক্ষীয় আগ্রাসন শুরু করে ৷
আরব-ইজরাইল যুদ্ধ ১৯৬৭ সালঃ
মিশর, জর্ডান ও সিরিয়া একযোগে ইজরাইলের উপর আক্রমণ করে ৷ এই যুদ্ধেও পশ্চিমের সহায়তায় ইজরাইল বিজয়ী হয় ৷
আরব-ইজরাইল যুদ্ধ ১৯৭৩ সালঃ
আরবদের সরাসরি সহযোগীতায় মিশর ও সিরিয়া অধিকৃত ইজরাইলের সিনাই ও গোলান হাইটসে আক্রমণ শুরু করে ৷ পরিশেষে এ যুদ্ধেও আরবরা পরাজিত হয় ৷
লেবানন-ইজরাইল যুদ্ধ ১৯৭৮, ১৯৮২:
১৯৭৮ ও ১৯৮২ সালে পরপর দুইবার লেবানন ও ইজরাইল সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে
লেবানন-ইজরাইল যুদ্ধ ২০০৬ সালঃ
লেবাননের হিজবুল্লাহর সাথে সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে ইজরাইল ৷ এই যুদ্ধ ৩৪ দিন স্থায়ী হয় ৷
এছাড়াও ২০০৮ ও ২০১৪ সালে গাজায় হামলা করে বসে ইজরাইল ৷
২০২৩ সালে ইজরাইলের উপর আক্রমণ করে বসেছে হামাসের নের্তৃত্বাধীন তুফান আল আকসা ব্রিগেড ৷ চলমান এই যুদ্ধে ইজরাইলের পক্ষে পশ্চিমা জোটের বড় অংশ আমেরিকা, ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি, কানাডা, ইতালি সরাসরি অংশ নিয়েছে ৷
ন্যাটো-আফগান যুদ্ধ ২০০১-২০২১ সালঃ
আমেরিকার নের্তৃত্বে ন্যাটো ও বহুজাতিক বাহিনী আফগানে গণহত্যা চালিয়েছে ৷
ন্যাটো-ইরাক যুদ্ধ ২০০৩-২০১০ সালঃ
আমেরিকার নের্তৃত্বে বহুজাতিক বাহিনী ইরাকে সুদীর্ঘ সময় গণহত্যায় লিপ্ত ছিলো ৷ ইরাকের আনবার, ফালুজা, মসূলে নরকীয় কায়দায় গণহত্যা চালায় এই জোটবাহিনি ৷
সিরিয়ার শিয়া-সুন্নি দ্বন্ধ ২০১১-বর্তমানঃ
বাশাল আল আসাদ, ইরান, হিজবুল্লাহ ও রাশিয়ার নের্তৃত্বে নজিরবিহীন গণহত্যা চলে সিরিয়ায় ৷
https://t.me/alolpath
عَنْ ثَوْبَانَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُوشِكُ الأُمَمُ أَنْ تَدَاعَى عَلَيْكُمْ كَمَا تَدَاعَى الأَكَلَةُ إِلَى قَصْعَتِهَا فَقَالَ قَائِلٌ وَمِنْ قِلَّةٍ نَحْنُ يَوْمَئِذٍ قَالَ بَلْ أَنْتُمْ يَوْمَئِذٍ كَثِيرٌ وَلَكِنَّكُمْ غُثَاءٌ كَغُثَاءِ السَّيْلِ وَلَيَنْزِعَنَّ اللَّهُ مِنْ صُدُورِ عَدُوِّكُمُ الْمَهَابَةَ مِنْكُمْ وَلَيَقْذِفَنَّ اللَّهُ فِي قُلُوبِكُمُ الْوَهَنَ فَقَالَ قَائِلٌ يَا رَسُولَ اللَّهِ وَمَا الْوَهَنُ قَالَ حُبُّ الدُّنْيَا وَكَرَاهِيَةُ الْمَوْتِ .
সাওবান (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ খাদ্য গ্রহণকারীরা যেভাবে খাবারের পাত্রের চতুর্দিকে একত্র হয়, অচিরেই বিজাতিরা তোমাদের বিরুদ্ধে সেভাবেই একত্রিত হবে। এক ব্যক্তি বললো, সেদিন আমাদের সংখ্যা কম হওয়ার কারণে কি এরূপ হবে? তিনি বললেনঃ তোমরা বরং সেদিন সংখ্যাগরিষ্ঠ হবে; কিন্তু তোমরা হবে প্লাবনের স্রোতে ভেসে যাওয়া আবর্জনার মত। আর আল্লাহ তোমাদের শত্রুদের অন্তর হতে তোমাদের পক্ষ হতে আতঙ্ক দূর করে দিবেন, তিনি তোমাদের অন্তরে ভীরুতা ভরে দিবেন। এক ব্যক্তি বললো, হে আল্লাহর রাসূল! ‘আল-ওয়াহন’ কি? তিনি বলেনঃ দুনিয়ার মোহ এবং মৃত্যুকে অপছন্দ করা। (আবু দাউদ, হা/৪২৯৭, সহীহ)
হাদিসটির বাস্তবতাঃ
وقال العباد في شرحه لسنن أبي داود: وهذا الحديث منطبق تماما على هذا الزمان، والمسلمون اليوم عددهم كثير جدا، ولكنهم مشتغلون بالدنيا، وحريصون على الدنيا، وخائفون من الموت، فصاروا يخافون من أعدائهم، وأعداؤهم لا يخافون منهم.
لكن لا يعني هذا أنه ما حصل إلا في هذا الزمان، فقد يكون حصل في الماضي، وكذلك يحصل في المستقبل، لكن المشاهد المعاين اليوم أنه حاصل. اهـ.
আরবের প্রখ্যাত মুহাদ্দিস আব্দুল মুহসিন আল আব্বাদ (হাফি:) সুনানে আবু দাউদের ব্যাখ্যায় বলেছেন: উক্ত হাদিসটি এ সময়ের জন্য সম্পূর্ণ প্রযোজ্য ৷ বর্তমানে মুসলিমরা সংখ্যায় অনেক বেশি কিন্তু তারা দুনিয়া নিয়ে ব্যস্ত, দুনিয়ার প্রতি আগ্রহী এবং মৃত্যুকে ভয় পায় ৷ তাই তারা তাদের শত্রুদের ভয় পায় এবং তাদের শত্রুরা তাদেরকে ভয় পায় না।
কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে, এই হাদিসের বাস্তবতা শুধু এই সময়ে ঘটছে, অতীতেও ঘটে যেতে পারে, আবার ভবিষ্যতেও ঘটতে পারে ৷ তবে এযুগের বাস্তবতার প্রত্যক্ষ দৃষ্টিতে হাদিসের ভাষ্য প্রতিফলিত হয়েছে ৷
খাদ্যের প্লেটে শত্রু সমাগমের স্বরূপঃ
ন্যাটো নিরাপত্তা জোট যা ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয় ৷ এই সামরিক জোটটি পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ও কার্যকর আঞ্চলিক সামরিক জোট ৷ এইজোট সৃষ্টির পর থেকে কার্যত মুসলিম উম্মাহ তেমন কোনো যুদ্ধেই কাফেরদের বিপক্ষে জয়ী হতে পারেনি ৷ যখনই কোনো যুদ্ধের সূত্রপাত হয়েছে তখনই পৃথিবীর নানাপ্রান্ত হতে কাফেররা এই জোটের নের্তৃত্বাধীন ময়দানে সংঘবদ্ধ হয়েছে ৷ যেমন-
আরব-ইজরাইল যুদ্ধ ১৯৪৮ সালঃ
তখন সবেমাত্র ইজরাইল ব্রিটেনের নের্তৃত্বে ফিলিস্তিনে বসতি স্থাপন শুরু করেছে ৷ সেই সময় মিশর, জর্ডান, ইরাক, সিরিয়া, লেবানন ও সৌদি আরব একযোগে ফিলিস্তিনে ইজরাইলের উপর আক্রমণ করে ৷ তখন আরবদের বিপক্ষে ব্রিটেন, ফ্রান্স ও ইজরাইল একসাথে মোকাবেলা করে এবং এতে ইজরাইল বিজয়ী হয় ৷
মিশর-ইজরাইল যুদ্ধ ১৯৫৬ সালঃ
জামাল আবদেল নাসের সুয়েজ খাল জাতীয় করণের পর ১৯৫৬ সালে মিশরের বিরুদ্ধে ব্রিটেন, ফ্রান্স এবং ইসরায়েল ত্রিপক্ষীয় আগ্রাসন শুরু করে ৷
আরব-ইজরাইল যুদ্ধ ১৯৬৭ সালঃ
মিশর, জর্ডান ও সিরিয়া একযোগে ইজরাইলের উপর আক্রমণ করে ৷ এই যুদ্ধেও পশ্চিমের সহায়তায় ইজরাইল বিজয়ী হয় ৷
আরব-ইজরাইল যুদ্ধ ১৯৭৩ সালঃ
আরবদের সরাসরি সহযোগীতায় মিশর ও সিরিয়া অধিকৃত ইজরাইলের সিনাই ও গোলান হাইটসে আক্রমণ শুরু করে ৷ পরিশেষে এ যুদ্ধেও আরবরা পরাজিত হয় ৷
লেবানন-ইজরাইল যুদ্ধ ১৯৭৮, ১৯৮২:
১৯৭৮ ও ১৯৮২ সালে পরপর দুইবার লেবানন ও ইজরাইল সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে
লেবানন-ইজরাইল যুদ্ধ ২০০৬ সালঃ
লেবাননের হিজবুল্লাহর সাথে সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে ইজরাইল ৷ এই যুদ্ধ ৩৪ দিন স্থায়ী হয় ৷
এছাড়াও ২০০৮ ও ২০১৪ সালে গাজায় হামলা করে বসে ইজরাইল ৷
২০২৩ সালে ইজরাইলের উপর আক্রমণ করে বসেছে হামাসের নের্তৃত্বাধীন তুফান আল আকসা ব্রিগেড ৷ চলমান এই যুদ্ধে ইজরাইলের পক্ষে পশ্চিমা জোটের বড় অংশ আমেরিকা, ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি, কানাডা, ইতালি সরাসরি অংশ নিয়েছে ৷
ন্যাটো-আফগান যুদ্ধ ২০০১-২০২১ সালঃ
আমেরিকার নের্তৃত্বে ন্যাটো ও বহুজাতিক বাহিনী আফগানে গণহত্যা চালিয়েছে ৷
ন্যাটো-ইরাক যুদ্ধ ২০০৩-২০১০ সালঃ
আমেরিকার নের্তৃত্বে বহুজাতিক বাহিনী ইরাকে সুদীর্ঘ সময় গণহত্যায় লিপ্ত ছিলো ৷ ইরাকের আনবার, ফালুজা, মসূলে নরকীয় কায়দায় গণহত্যা চালায় এই জোটবাহিনি ৷
সিরিয়ার শিয়া-সুন্নি দ্বন্ধ ২০১১-বর্তমানঃ
বাশাল আল আসাদ, ইরান, হিজবুল্লাহ ও রাশিয়ার নের্তৃত্বে নজিরবিহীন গণহত্যা চলে সিরিয়ায় ৷
https://t.me/alolpath
Telegram
আলোর পথ
আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল (সা.) প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পূর্ণ বিন্যাস করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।
❤3👍1
এছাড়াও লিবিয়া, ইয়ামেন ও সোমালিয়ায় পশ্চিমা জোট যুদ্ধ পরিচালনা করেছে ৷ প্রতিটি যুদ্ধে ন্যাটোর নের্তৃত্বাধীন বহুজাতিক বাহিনী অংশ নিয়েছে ৷ হাদিসের ভাষায়- খাদ্য গ্রহণকারীরা যেভাবে খাবারের পাত্রের চতুর্দিকে একত্র হয়, অচিরেই বিজাতিরা তোমাদের বিরুদ্ধে সেভাবেই একত্রিত হবে। বাস্তবে তাই হচ্ছে, মুসলিমরা বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়া সত্বেও প্রতিটি ক্ষেত্রে নির্যাতিত, নিপীড়িত, বঞ্চিত, লাঞ্ছিত, বিতাড়িত ও নিজেদের ভূমিতেই আজ পরাধীন ও বাচ্যুস্তুত ৷ এগুলো থেকে উত্তরণের উপায় হচ্ছে- সেই তাওহীদ ও ঈমানের পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ হওয়া যেই তাওহীদ ও ঈমানের উপর ভিত্তি করে সাহাবাগণ অর্ধ্ব-পৃথিবী জয় করেছিলো ৷
আর যদি আমরা সেই তাওহীদ ও ঈমান আমল পালনে ব্যর্থ হই! তবে প্রকৃত দ্বীনে প্রত্যাবর্তনের পূর্ব পর্যন্ত এভাবেই লাঞ্ছনা, যিল্লতি ও পরাধীনতার চাদরে আবৃত থাকতে হবে আর কাফেররা মুসলিমদের উপর কর্তৃত্ব করতেই থাকবে ৷ এটাই নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর ভবিষ্যদ্বাণী, তিনি সুস্পষ্টভাবে বলেছেন-
عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ إِذَا تَبَايَعْتُمْ بِالْعِينَةِ وَأَخَذْتُمْ أَذْنَابَ الْبَقَرِ وَرَضِيتُمْ بِالزَّرْعِ وَتَرَكْتُمُ الْجِهَادَ سَلَّطَ اللَّهُ عَلَيْكُمْ ذُلاًّ لاَ يَنْزِعُهُ حَتَّى تَرْجِعُوا إِلَى دِينِكُمْ .
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ যখন তোমরা ঈনা পদ্ধতিতে ব্যবসা করবে, গরুর লেজ আঁকড়ে ধরবে, কৃষিকাজেই সন্তুষ্ট থাকবে এবং জিহাদ ছেড়ে দিবে তখন আল্লাহ তোমাদের উপর লাঞ্ছনা ও অপমান চাপিয়ে দিবেন। তোমরা তোমাদের দ্বীনে ফিরে না আসা পর্যন্ত আল্লাহ তোমাদেরকে এই অপমান থেকে মুক্তি দিবেন না ৷ (আবু দাউদ, হা/৩৪৬২, সহীহ)
আর নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন ও উন্নয়নের জন্য নিজেদেরই চেষ্টা ও জিহাদ করতে হবে ৷ অন্যরা এসে ভাগ্য পরিবর্তন করে দিয়ে যাবে না ৷ এ প্রসঙ্গে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেছেন-
إِنَّ اللّهَ لاَ يُغَيِّرُ مَا بِقَوْمٍ حَتَّى يُغَيِّرُواْ مَا بِأَنْفُسِهِمْ وَإِذَا أَرَادَ اللّهُ بِقَوْمٍ سُوءًا فَلاَ مَرَدَّ لَهُ وَمَا لَهُم مِّن دُونِهِ مِن وَالٍ
আল্লাহ কোন জাতির অবস্থা পরিবর্তন করেন না, যে পর্যন্ত না তারা তাদের নিজেদের অবস্থা পরিবর্তন করে। আল্লাহ যখন কোন জাতির উপর বিপদ চান, তখন তা রদ হওয়ার নয় এবং তিনি ব্যতীত তাদের কোন সাহায্যকারী নেই। (আর রা'দ: ১১)
https://t.me/alolpath
আর যদি আমরা সেই তাওহীদ ও ঈমান আমল পালনে ব্যর্থ হই! তবে প্রকৃত দ্বীনে প্রত্যাবর্তনের পূর্ব পর্যন্ত এভাবেই লাঞ্ছনা, যিল্লতি ও পরাধীনতার চাদরে আবৃত থাকতে হবে আর কাফেররা মুসলিমদের উপর কর্তৃত্ব করতেই থাকবে ৷ এটাই নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর ভবিষ্যদ্বাণী, তিনি সুস্পষ্টভাবে বলেছেন-
عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ إِذَا تَبَايَعْتُمْ بِالْعِينَةِ وَأَخَذْتُمْ أَذْنَابَ الْبَقَرِ وَرَضِيتُمْ بِالزَّرْعِ وَتَرَكْتُمُ الْجِهَادَ سَلَّطَ اللَّهُ عَلَيْكُمْ ذُلاًّ لاَ يَنْزِعُهُ حَتَّى تَرْجِعُوا إِلَى دِينِكُمْ .
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ যখন তোমরা ঈনা পদ্ধতিতে ব্যবসা করবে, গরুর লেজ আঁকড়ে ধরবে, কৃষিকাজেই সন্তুষ্ট থাকবে এবং জিহাদ ছেড়ে দিবে তখন আল্লাহ তোমাদের উপর লাঞ্ছনা ও অপমান চাপিয়ে দিবেন। তোমরা তোমাদের দ্বীনে ফিরে না আসা পর্যন্ত আল্লাহ তোমাদেরকে এই অপমান থেকে মুক্তি দিবেন না ৷ (আবু দাউদ, হা/৩৪৬২, সহীহ)
আর নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন ও উন্নয়নের জন্য নিজেদেরই চেষ্টা ও জিহাদ করতে হবে ৷ অন্যরা এসে ভাগ্য পরিবর্তন করে দিয়ে যাবে না ৷ এ প্রসঙ্গে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেছেন-
إِنَّ اللّهَ لاَ يُغَيِّرُ مَا بِقَوْمٍ حَتَّى يُغَيِّرُواْ مَا بِأَنْفُسِهِمْ وَإِذَا أَرَادَ اللّهُ بِقَوْمٍ سُوءًا فَلاَ مَرَدَّ لَهُ وَمَا لَهُم مِّن دُونِهِ مِن وَالٍ
আল্লাহ কোন জাতির অবস্থা পরিবর্তন করেন না, যে পর্যন্ত না তারা তাদের নিজেদের অবস্থা পরিবর্তন করে। আল্লাহ যখন কোন জাতির উপর বিপদ চান, তখন তা রদ হওয়ার নয় এবং তিনি ব্যতীত তাদের কোন সাহায্যকারী নেই। (আর রা'দ: ১১)
https://t.me/alolpath
Telegram
আলোর পথ
আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল (সা.) প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পূর্ণ বিন্যাস করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
ইনশাআল্লাহ! বাংলাদেশ একদিন খিলাফতের কেন্দ্রবিন্দু হবে!
- মুহতারাম সিরাজুল হক।
আমীর, জামায়াতে ইসলামী পাকিস্তান।
- মুহতারাম সিরাজুল হক।
আমীর, জামায়াতে ইসলামী পাকিস্তান।
❤11
>>>ব্রেকিং<<<
রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মহাসমাবেশ থেকে বিএনপিসহ বিরোধীদলের ডাকা সকল কর্মসূচীতে একাত্মতা ঘোষণা করলো ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ
রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মহাসমাবেশ থেকে বিএনপিসহ বিরোধীদলের ডাকা সকল কর্মসূচীতে একাত্মতা ঘোষণা করলো ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ
❤11
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি হাসিনার অনুগত পুলিশলীগের নূন্যতম দয়া-মায়া না থাকলেও পুলিশের প্রতি বিরোধীদলীয় কর্মীদের সহমর্মিতা এই ভিডিও ফুটেজে স্পষ্ট।
গত ২৮ অক্টোবর, ২০২৩ এ নয়াপল্টনে বিএনপির মহাসমাবেশে হামলা চালিয়ে এক বিএনপি কর্মীকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাচ্ছিল দুই পুলিশ সদস্য। এইসময় পুলিশের এক সদস্য হোঁচট খেয়ে রাস্তায় পড়ে গেলে তাকে টেনে তুলছে আটককৃত ঐ বিরোধী রাজনৈতিক কর্মী।
গত ২৮ অক্টোবর, ২০২৩ এ নয়াপল্টনে বিএনপির মহাসমাবেশে হামলা চালিয়ে এক বিএনপি কর্মীকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাচ্ছিল দুই পুলিশ সদস্য। এইসময় পুলিশের এক সদস্য হোঁচট খেয়ে রাস্তায় পড়ে গেলে তাকে টেনে তুলছে আটককৃত ঐ বিরোধী রাজনৈতিক কর্মী।
❤11
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
এখন দলমত নির্বিশেষে সবাইকে একই কাতারে আসতে হবে : ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ
❤11
আলোর পথ
সৎ নেতৃত্বের গুরুত্ব: ১. অসৎ লোক এখানে সৎ হতে বাধ্য। ২. সততা, ন্যায়, নীতি, এবং কল্যাণকর কার্যক্রম সুন্দর ও সুচার রূপে বাস্তবায়িত হয়ে সমাজ সুন্দরের পরশে বিকশিত ও প্রস্ফুটিত হয়। ৩. অন্যায়, অনাচার, পাপাচার ,এখানে বিকাশ লাভ করতে পারে না।
অসৎ নেতৃত্বের কুফল:
১. সততা, ন্যায়, নীতি, ও কল্যাণ সমাজ হতে বিদায় নেয়।
২. পাপাচার, অনাচার, অন্যায়, দুর্নীতি, সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে।
৩. সৎ ভাবে চলতে চাইলেও চলা যায় না।
১. সততা, ন্যায়, নীতি, ও কল্যাণ সমাজ হতে বিদায় নেয়।
২. পাপাচার, অনাচার, অন্যায়, দুর্নীতি, সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে।
৩. সৎ ভাবে চলতে চাইলেও চলা যায় না।
😢8
