রাজশাহী ও নাটোরে সিরিয়াস গুপ্ত হত্যা চলছে। ব্যাপারটা কেউই সিরিয়াসলি নিচ্ছে না। না সরকার, না আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গত ৩ দিনে রাজশাহী ও নাটোরে একই স্টাইলে অজ্ঞাত মাইক্রোবাসে করে এসে ৯ জন মানুষকে বুকে ছুরিকাঘাত করে ফেলে রেখে চলে যায়। ২ জন তো স্পট ডেড৷ বাকিরা জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে আছে।
সবচেয়ে এলার্মিং হচ্ছে, এরা সবাই সরকার বিরোধী মনোভাবাপন্ন কিংবা সরাসরি বিরোধী আন্দোলনের সাথে জড়িত। এর থেকে সহজেই অনুমেয় যে, এই সিরিয়াল কিলিং মিশিং সুপরিকল্পিতভাবেই হচ্ছে। খুব বড় কোনো গ্যাং কিংবা বড় মাপের হর্তাকর্তারা জড়িত আছে।
প্রশাসনও জড়িত থাকতে পারে বলে ধারণা করা যায়, যেহেতু এখন পর্যন্ত প্রশাসন নীরব, উল্টো বলছে, কেউ অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা নিবো। খুবই ডাউটফুল কথা। মানুষ নিরাপত্তা চেয়ে জিডি করবে, কেবল তা দেখে ব্যবস্থা নেয়া পুলিশের কাজ নয়। পুলিশের দায়িত্বই হচ্ছে কেউ চাইবার পূর্বেই জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
নির্বাচনকে সামনে রেখে যে বা যারা বিরোধী মতের নেতাকর্মীদের এই হত্যার মিশনে নামিয়েছে, তারা বুঝে শুনেই করছে। খুব সম্ভবত তাদের টার্গেট, সারাদেশে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়া, প্যানিক তৈরি করা। নির্দ্বিধায় বলা যায় এই মিশন তারা পুরো দেশেই ছড়িয়ে দিবে। ইতিমধ্যে কুমিল্লায়ও হয়েছে। রাজশাহী ও কুমিল্লা কোন রাজনৈতিক দলের বেইজ এরিয়া তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
হতে পারে ভিন্ন কোনো উদ্দেশ্যও থাকতে পারে। কারণ রাজশাহী, বাগমারা তথা উত্তরবঙ্গ থেকে অতীত এমন সব ভয়াবহ বিষয়ের সূত্রপাত হয়েছে। তাই ঘটনা যাই হোক, অতিদ্রুত তা রুখে দেয়ার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর ভূমিকা নেয়ার প্রয়োজন। এবং তা এখনই।
আর তাদের যদি কোনো না কোনোভাবে যোগসাজশ থাকে, তাহলে এটা বাড়তেই থাকবে। এর বিরুদ্ধে আপনার আমাকেই কথা বলতে হবে। রাষ্ট্র আপনার সুরক্ষা দিতে না পারলে, আপনাকে কিংবা অন্যান্য সকল রাজনৈতিক দলগুলোকেই এর বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে।
জানি না, আর কত মায়ের বুক খালি হবে। কখন দেখবেন আপনার আমার সিরিয়াল এসে গেছে এই নরপশুদের হাতে। আল্লাহ রক্ষা করুন সবাইকে। সবাই আওয়াজ তুলুন। পোস্টটি শেয়ার করুন, কপি করুন, সবাইকে সতর্ক করুন। প্যানিক না করে তাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে শক্ত অবস্থান নিন।
সবচেয়ে এলার্মিং হচ্ছে, এরা সবাই সরকার বিরোধী মনোভাবাপন্ন কিংবা সরাসরি বিরোধী আন্দোলনের সাথে জড়িত। এর থেকে সহজেই অনুমেয় যে, এই সিরিয়াল কিলিং মিশিং সুপরিকল্পিতভাবেই হচ্ছে। খুব বড় কোনো গ্যাং কিংবা বড় মাপের হর্তাকর্তারা জড়িত আছে।
প্রশাসনও জড়িত থাকতে পারে বলে ধারণা করা যায়, যেহেতু এখন পর্যন্ত প্রশাসন নীরব, উল্টো বলছে, কেউ অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা নিবো। খুবই ডাউটফুল কথা। মানুষ নিরাপত্তা চেয়ে জিডি করবে, কেবল তা দেখে ব্যবস্থা নেয়া পুলিশের কাজ নয়। পুলিশের দায়িত্বই হচ্ছে কেউ চাইবার পূর্বেই জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
নির্বাচনকে সামনে রেখে যে বা যারা বিরোধী মতের নেতাকর্মীদের এই হত্যার মিশনে নামিয়েছে, তারা বুঝে শুনেই করছে। খুব সম্ভবত তাদের টার্গেট, সারাদেশে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়া, প্যানিক তৈরি করা। নির্দ্বিধায় বলা যায় এই মিশন তারা পুরো দেশেই ছড়িয়ে দিবে। ইতিমধ্যে কুমিল্লায়ও হয়েছে। রাজশাহী ও কুমিল্লা কোন রাজনৈতিক দলের বেইজ এরিয়া তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
হতে পারে ভিন্ন কোনো উদ্দেশ্যও থাকতে পারে। কারণ রাজশাহী, বাগমারা তথা উত্তরবঙ্গ থেকে অতীত এমন সব ভয়াবহ বিষয়ের সূত্রপাত হয়েছে। তাই ঘটনা যাই হোক, অতিদ্রুত তা রুখে দেয়ার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর ভূমিকা নেয়ার প্রয়োজন। এবং তা এখনই।
আর তাদের যদি কোনো না কোনোভাবে যোগসাজশ থাকে, তাহলে এটা বাড়তেই থাকবে। এর বিরুদ্ধে আপনার আমাকেই কথা বলতে হবে। রাষ্ট্র আপনার সুরক্ষা দিতে না পারলে, আপনাকে কিংবা অন্যান্য সকল রাজনৈতিক দলগুলোকেই এর বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে।
জানি না, আর কত মায়ের বুক খালি হবে। কখন দেখবেন আপনার আমার সিরিয়াল এসে গেছে এই নরপশুদের হাতে। আল্লাহ রক্ষা করুন সবাইকে। সবাই আওয়াজ তুলুন। পোস্টটি শেয়ার করুন, কপি করুন, সবাইকে সতর্ক করুন। প্যানিক না করে তাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে শক্ত অবস্থান নিন।
😢7
রঙিন স্বপ্নে বিভোর এ তরুণ ছাত্র সমাজকে, বিবর্তনবাদের ভয়ালো-ধ্বংসাত্মক ছোবল থেকে বাঁচানোর একমাত্র আদর্শিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আমাদের প্রিয় কাফেলা - বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।
হে প্রিয় ছাত্র ভাই,আমি শিবির করি।
আপনি করেন তো?
-আব্দুর রহিম
#KnowShibir
#IAmShibir
হে প্রিয় ছাত্র ভাই,আমি শিবির করি।
আপনি করেন তো?
-আব্দুর রহিম
#KnowShibir
#IAmShibir
❤16
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
খালাম্মার শুধু পাওয়ার চাই , প্রধানমন্ত্রীত্ব চান না 😁
😁9
ছাত্রশিবির প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য :
পৃথিবীর কোনো বস্তুই এমনিতেই সৃষ্টি হয়নি। সকল সৃষ্টির পিছনে থাকে এক একজন কারিগর। আমাদের পৃথিবী তেমনি এক বিশাল সৃষ্টিকর্ম। যা আল্লাহ তায়ালা সৃষ্টি করেছেন। পৃথিবীর সকল উপকরণ মানুষের কল্যাণে নিয়োজিত রয়েছে। আর মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে একমাত্র ইবাদত করার জন্য। তাই মানুষ যেন সঠিক পদ্ধতিতে ইবাদত করতে পারে সেজন্য তিনি পথ প্রদর্শক হিসেবে নবী-রাসূল পাঠিয়েছেন। যারা নবী-রাসূলকে মেনে নিয়ে সে অনুযায়ী নিজেদের জীবন-যাপন করবে তারাই মুসলিম। শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (স.) এর মাধ্যমে নবুয়াতের সে ধারা সমাপ্ত হয়েছে। আর কোনো নবী-রাসূল পৃথিবীতে আসবেন না। নবী রাসূলদের অনুপস্থিতিতে তাদের রেখে যাওয়া দাওয়াতি কাজের আঞ্জাম দিবে মুসলমানরা। বাংলাদেশের প্রায় সকল লোক মুসলমান। কিন্তু ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা ও তার অনুসৃতি থেকে তারা অনেক দূরে সরে গেছে। বিশেষ করে তরুণ সমাজ। তরুণ সমাজকে ইসলামের রঙে রাঙিয়ে তুলে আগামী দিনে জাতির কাণ্ডারির ভূমিকায় অবতীর্ণ করার মহৎ উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।
~ এসো আলোর পথে
পৃথিবীর কোনো বস্তুই এমনিতেই সৃষ্টি হয়নি। সকল সৃষ্টির পিছনে থাকে এক একজন কারিগর। আমাদের পৃথিবী তেমনি এক বিশাল সৃষ্টিকর্ম। যা আল্লাহ তায়ালা সৃষ্টি করেছেন। পৃথিবীর সকল উপকরণ মানুষের কল্যাণে নিয়োজিত রয়েছে। আর মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে একমাত্র ইবাদত করার জন্য। তাই মানুষ যেন সঠিক পদ্ধতিতে ইবাদত করতে পারে সেজন্য তিনি পথ প্রদর্শক হিসেবে নবী-রাসূল পাঠিয়েছেন। যারা নবী-রাসূলকে মেনে নিয়ে সে অনুযায়ী নিজেদের জীবন-যাপন করবে তারাই মুসলিম। শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (স.) এর মাধ্যমে নবুয়াতের সে ধারা সমাপ্ত হয়েছে। আর কোনো নবী-রাসূল পৃথিবীতে আসবেন না। নবী রাসূলদের অনুপস্থিতিতে তাদের রেখে যাওয়া দাওয়াতি কাজের আঞ্জাম দিবে মুসলমানরা। বাংলাদেশের প্রায় সকল লোক মুসলমান। কিন্তু ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা ও তার অনুসৃতি থেকে তারা অনেক দূরে সরে গেছে। বিশেষ করে তরুণ সমাজ। তরুণ সমাজকে ইসলামের রঙে রাঙিয়ে তুলে আগামী দিনে জাতির কাণ্ডারির ভূমিকায় অবতীর্ণ করার মহৎ উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।
~ এসো আলোর পথে
❤10👍1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
ধর্মের চাইতে যদি তোমার কাছে দল ও নেতা বড় হয়। নিশ্চিত তুমি ফেরআউন, নমরুদ,আবুজাহিলের উত্তরসুরী
এতে কোনো সন্দেহ নাই
-ইমাম তাইমীয়াহ
এতে কোনো সন্দেহ নাই
-ইমাম তাইমীয়াহ
🤬15
বিপদের মূল কারণ: আমাদের ধর্মীয় দুর্যোগাদির স্থায়ী উৎস
একটু গভীরভাবে চিন্তা-ভাবনা করলে বোঝা যাবে যে, একমাত্র আমাদের দুর্বলতার জন্যই অমুসলিম প্রচারকরা মুসলমান সমাজে নিজ ধর্মের প্রচার চালানোর ও তাদেরকে ধর্মান্তরিত করার ধৃষ্টতা দেখিয়ে থাকে। আমাদের মধ্যে যতদিন এসব দুর্বলতা ও ত্রুটি থাকবে ততদিন এ বিপদের ঝুঁকিও থাকবে। আমাদের হতভাগা শ্রবণেন্দ্রীয় নিয়তই এরূপ খবর শুনতে থাকবে যে. আজ অমুক জায়গায় আর্য ও খৃষ্টানদের হামলা হয়েছে, আজ অমুক জায়গায় মুসলমানরা বিধর্মীদের টোপের শিকার হয়েছে। সাময়িকভাবে এসব বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য ভাসাভাসা কতিপয় কর্মপন্থা গ্রহণ করা এবং তারপর নিশ্চিত হয়ে বসে থাকার এ ব্যাধি দূর হবে না। বরং এতে করে কিছুদিন পর এমন অবস্থা হবার আশংকা রয়েছে যে, আমরা এসব খবর শুনতে অভ্যস্ত হয়ে যাব এবং এদিকে মনোযোগ দেয়াই বন্ধ করে দেব। এর যদি কোনো কার্যকর প্রতিকার করতে হয় তবে আমাদের মূল দুর্বলতাগুলোর চিকিৎসায় মনোযোগী হতে হবে এবং তাকে স্থায়ীভাবে নির্মূল করার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। এতে করে আমাদের মধ্য থেকে সেই মূল বস্তুটাই দূর হয়ে যাবে যা দুশমনদেরকে আমাদের উপর হামলা চালানোর উৎসাহ যোগায়। আমার দৃষ্টিতে আমাদের এ দুর্বলতা তিন রকমের এবং এগুলোই সমস্ত অকল্যাণের মূল উৎস।
(১) অজ্ঞতা:
প্রথমতঃ মুসলমানদের একটি বিরাট অংশ অজ্ঞ ও মূর্খ। বিশেষতঃ ইসলামের ব্যাপারে তাদের অজুহাত এমন পর্যায়ে যে, অনেকে কলেমা পড়াও জানে না। সত্যি বলতে কি, মুসলমান পরিবারে জন্মেও অনেকে নামের মুসলমানও নেই। এজন্য এ ধরনের লোকদেরকে শত্রুরা সহজেই ইসলাম থেকে বিচ্যুৎ করতে সক্ষম।
(২) দারিদ্র:
দ্বিতীয়তঃ মুসলমানরা সীমাতিরিক্ত দরিদ্র। অজ্ঞতা ও দারিদ্র একাকার হয়ে তাদেরকে বিত্তশালী অমুসলিম প্রচারকদের আক্রমনের সহজ শিকার বানিয়ে দেয়।
(৩) ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অপ্রতুলতা:
তৃতীয়তঃ মুসলমানদের নিজস্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অপ্রতুলতা হেতু তাদের ছোট ছোট ছেলেমেয়েদেরকে মিশনারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে হয়। সেখানে তাদের সরল মনের উপর শিশুকাল থেকেই খৃষ্টবাদের ছাপ পড়তে আরম্ভ করে। পরবর্তীকালে এ ছাপই গোপন কিংবা প্রকাশ্য ধর্মান্তরিত হওয়ার সহায়ক হয়।
এই হলো আমাদের ধর্মীয় বিভ্রান্তির স্থায়ী উৎস।–[এটা ১৯২৫ সালের পর্যবেক্ষণের ফল। সতর্ক বিচার-বিবেচনায় দেখা যাবে, এ যুগেও কম-বেশী এগুরোই মুসলমানদের ধর্মীয় অনগ্রসরতা ও বিভ্রান্তির মূল উৎস।-অনুবাদক] এ বিভ্রান্তির কারণ এতো অধিক সংখ্যক যে, তা গুণে শেষ করা যায় না এবং এখানে তার বিস্তারিত আলোচনাও সম্ভব নয়। তবে মোটামুটিভাবে বলা যায়, এর মধ্যে কয়েকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও মৌলিক জিনিস হলো নিম্নরূপঃ
মুসলমানদের পরাধীনতা, আলেম সমাজের উদাসীনতা, মুসলিম সমাজে অনৈসলামী রসম-রেওয়াজের প্রচলন, বিশ্ব মুসলিম শক্তির বহুধা বিচ্ছিন্নতা এবং টাকা-পয়সার শক্তি সম্পর্কে মুসলমানদের মধ্যে বাস্তব অনুভূতির অভাব –যা তাদের দারিদ্র বৃদ্ধির প্রধান অন্যতম কারণ।
বই: ইসলামে শক্তির উৎস
লেখক: সাইয়েদ আবুল আ'লা মওদূদী
একটু গভীরভাবে চিন্তা-ভাবনা করলে বোঝা যাবে যে, একমাত্র আমাদের দুর্বলতার জন্যই অমুসলিম প্রচারকরা মুসলমান সমাজে নিজ ধর্মের প্রচার চালানোর ও তাদেরকে ধর্মান্তরিত করার ধৃষ্টতা দেখিয়ে থাকে। আমাদের মধ্যে যতদিন এসব দুর্বলতা ও ত্রুটি থাকবে ততদিন এ বিপদের ঝুঁকিও থাকবে। আমাদের হতভাগা শ্রবণেন্দ্রীয় নিয়তই এরূপ খবর শুনতে থাকবে যে. আজ অমুক জায়গায় আর্য ও খৃষ্টানদের হামলা হয়েছে, আজ অমুক জায়গায় মুসলমানরা বিধর্মীদের টোপের শিকার হয়েছে। সাময়িকভাবে এসব বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য ভাসাভাসা কতিপয় কর্মপন্থা গ্রহণ করা এবং তারপর নিশ্চিত হয়ে বসে থাকার এ ব্যাধি দূর হবে না। বরং এতে করে কিছুদিন পর এমন অবস্থা হবার আশংকা রয়েছে যে, আমরা এসব খবর শুনতে অভ্যস্ত হয়ে যাব এবং এদিকে মনোযোগ দেয়াই বন্ধ করে দেব। এর যদি কোনো কার্যকর প্রতিকার করতে হয় তবে আমাদের মূল দুর্বলতাগুলোর চিকিৎসায় মনোযোগী হতে হবে এবং তাকে স্থায়ীভাবে নির্মূল করার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। এতে করে আমাদের মধ্য থেকে সেই মূল বস্তুটাই দূর হয়ে যাবে যা দুশমনদেরকে আমাদের উপর হামলা চালানোর উৎসাহ যোগায়। আমার দৃষ্টিতে আমাদের এ দুর্বলতা তিন রকমের এবং এগুলোই সমস্ত অকল্যাণের মূল উৎস।
(১) অজ্ঞতা:
প্রথমতঃ মুসলমানদের একটি বিরাট অংশ অজ্ঞ ও মূর্খ। বিশেষতঃ ইসলামের ব্যাপারে তাদের অজুহাত এমন পর্যায়ে যে, অনেকে কলেমা পড়াও জানে না। সত্যি বলতে কি, মুসলমান পরিবারে জন্মেও অনেকে নামের মুসলমানও নেই। এজন্য এ ধরনের লোকদেরকে শত্রুরা সহজেই ইসলাম থেকে বিচ্যুৎ করতে সক্ষম।
(২) দারিদ্র:
দ্বিতীয়তঃ মুসলমানরা সীমাতিরিক্ত দরিদ্র। অজ্ঞতা ও দারিদ্র একাকার হয়ে তাদেরকে বিত্তশালী অমুসলিম প্রচারকদের আক্রমনের সহজ শিকার বানিয়ে দেয়।
(৩) ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অপ্রতুলতা:
তৃতীয়তঃ মুসলমানদের নিজস্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অপ্রতুলতা হেতু তাদের ছোট ছোট ছেলেমেয়েদেরকে মিশনারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে হয়। সেখানে তাদের সরল মনের উপর শিশুকাল থেকেই খৃষ্টবাদের ছাপ পড়তে আরম্ভ করে। পরবর্তীকালে এ ছাপই গোপন কিংবা প্রকাশ্য ধর্মান্তরিত হওয়ার সহায়ক হয়।
এই হলো আমাদের ধর্মীয় বিভ্রান্তির স্থায়ী উৎস।–[এটা ১৯২৫ সালের পর্যবেক্ষণের ফল। সতর্ক বিচার-বিবেচনায় দেখা যাবে, এ যুগেও কম-বেশী এগুরোই মুসলমানদের ধর্মীয় অনগ্রসরতা ও বিভ্রান্তির মূল উৎস।-অনুবাদক] এ বিভ্রান্তির কারণ এতো অধিক সংখ্যক যে, তা গুণে শেষ করা যায় না এবং এখানে তার বিস্তারিত আলোচনাও সম্ভব নয়। তবে মোটামুটিভাবে বলা যায়, এর মধ্যে কয়েকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও মৌলিক জিনিস হলো নিম্নরূপঃ
মুসলমানদের পরাধীনতা, আলেম সমাজের উদাসীনতা, মুসলিম সমাজে অনৈসলামী রসম-রেওয়াজের প্রচলন, বিশ্ব মুসলিম শক্তির বহুধা বিচ্ছিন্নতা এবং টাকা-পয়সার শক্তি সম্পর্কে মুসলমানদের মধ্যে বাস্তব অনুভূতির অভাব –যা তাদের দারিদ্র বৃদ্ধির প্রধান অন্যতম কারণ।
বই: ইসলামে শক্তির উৎস
লেখক: সাইয়েদ আবুল আ'লা মওদূদী
❤6👍1
কেউই নিরপেক্ষ নয়।
হয় তিনি ফ্যা*সিবাদ-বিরোধী আন্দোলনে ভূমিকা পালন করছেন। অথবা চুপ থেকে পরোক্ষভাবে ফ্যা*সিবাদকেই পুষ্ট করছেন।
হয় তিনি ফ্যা*সিবাদ-বিরোধী আন্দোলনে ভূমিকা পালন করছেন। অথবা চুপ থেকে পরোক্ষভাবে ফ্যা*সিবাদকেই পুষ্ট করছেন।
❤8