অবৈধ সরকারের পদত্যাগ, কেয়ারটেকার সরকারের দাবিতে কেন্দ্রঘোষিত সড়ত, রেল ও নৌপথ অবরোধ কর্মসূচির অংশ হিসেবে কুমিল্লায় সড়ক অবরোধ করে জামায়াতে ইসলামী।
❤19😁1
ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ ভাইয়ের পোস্ট থেকে...
২৮ অক্টোবরের মহাসমাবেশ নিয়ে কিছু অভিজ্ঞতা শেয়ার করব ভাবছিলাম।
সময়ের কারণে করে উঠতে পারিনি। চেষ্টা করছি- তার মধ্যেই ছোট ভাই মাসুদ রানা সাগরের এই লেখাটি আমার দৃষ্টি কেড়েছে। আলহামদুলিল্লাহ....
২৮ অক্টোবর জামায়াতের সমাবেশের যে বিষয় টি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়ে পর্যবেক্ষণ করেছিলাম।
সেটা নিয়ে একটু আলাপ করা যাক।
সমাবেশের সিংহভাগই ছিলো কিশোর-তরুণ। এবং এটা নি:সন্দেহে অনুমেয় এই তরুণদের সকলকে বললেও ভুল হবে না। তারা সকলেই দেশের সবচেয়ে মেধাবি ছাত্ররা।
এখানে আরেকটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। তাদের বয়স ১৬ থেকে ২৩ এর মধ্যে।
আওয়ামিলীগ ক্ষমতায় আছে ১৪ বছর একটানা। এর অর্থ হলো এই ছেলেগুলোর জ্ঞান বুদ্ধি হওয়ার পুরো সময়কালে আওয়ামীলীগ ক্ষমতায়।
জামায়াত-শিবির,ইসলামি রাজনীতি নিয়ে এমন কোন অপপ্রচার, প্রোপাগাণ্ডা,ভয়-ভিতি নেই যা এদেশে ছড়ানো হয়নি।
সোজাসাপটা কথা, জামায়াত শিবির করলে তোমাকে জেলে যেতে হবে, ক্র স ফা য়া র দেওয়া হবে। সরকারি চাকরি হবে না, এদেশে নামে মাত্র নাগরিকত্ব থাকবে ইত্যাদি।
বর্তমান ভোগবাদী, আত্মকেন্দ্রীকতার যুগে এই লক্ষ লক্ষ তরুণ সেগুলোকে উপেক্ষা করে, সমস্ত ভয়-ভিতিকে জয় করে, সকল সুযোগ-সুবিধাকে ত্যাগ করার মানসিকতা নিয়েই ইসলামি রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছে।
গভীরভাবে ভাবুন, তারা বিপদে পড়বে এই কথা বহুদূর। তারা জামায়াত শিবিরের সুদিনে যুক্ত হওয়া জনগোষ্ঠী নয় বরং তাদের কোন ক্লাসমেট এই মূহুর্তে কারাগারে, ক্র স ফা য়ারের শিকারে কবরে অথবা বাড়ি ছাড়া।
এর মানে, তারা ইসলামি রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছে অলরেডি এক সাগর বিপদকে মেনে নিয়ে, সকল দুনিয়াবি সুখকে পরিত্যাগের চিন্তাকে মস্তিষ্কে ধারণ করে।
প্রথমত,এর অর্থ এরা অপ্রতিরোধ্য শক্তি।
এদেশে আগামী সভ্যতা ইসলামের গ্যারান্টি দিচ্ছি। শিবিরের এই ছেলেগুলো শুধুমাত্র জামায়াতের শক্তি নয় এরা মূলত ইসলামি রাজনীতি, সমাজ - সভ্যতার শক্তি।
অল্প কথায় বুঝে নেওয়া যাক,
কোন এক বাজারে ভাল একটি চায়ের দোকান আছে। এখন আপনিও চায়ের দোকান দিতে চান।
এখানে রাজনীতি হলো ওই চায়ের দোকানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা, ধ্বংস করে দেওয়া। এতেই কেবল সে পরাজিত হবে।
আর এখানে সভ্যতা বিল্ডআপ হলো, তার চায়ের চাইতে আপনার চায়ের কোয়ালিটি শতগুণ বাড়িয়ে দেওয়া।
তাহলে সকল জনগণ ভাল মানের চা পান করতে আপনার দোকানে ভিড় জমাবে। গ্রাম্য ডাক্তার বাসায় আসে ভিজিট কম, আর বড় মাপের ডাক্তারের চেম্বারে সিরিয়াল দিতে হয় তাও ভিজিট বেশি।
মানুষ তার প্রয়োজনের তাগিদে যথাযথ ব্যক্তিকে নেতৃত্ব দান করে। এটাই সভ্যতা গড়ে উঠার মূলমন্ত্র।
আর নেতৃত্ব জোরজারি করে কেড়ে নেওয়া এটা রাজনীতি।
তো, অপ্রতিরোধ্য উক্ত তরুণ শক্তি যারা যোগ্য, মেধাবি,সৎ তারা হলো মানুষের চাহিদা পূরণে যথাযথভাবে সক্ষম।
অপরদিকে অন্য ইসলামি দল ব্যতীত, অন্য তরুণেরা মাদকাসক্ত থেকে শুরু করে এহেন কোন অপরাধমূলক কাজ নেই যাতে জড়িত নয়। তারা ভিতর ভিতরে যেমন অযোগ্য তেমনি ধ্বংসের দারপ্রান্তে। এদের অস্ত্র হলো অসুস্থ মস্তিষ্ক ও গায়ের জোর। যা দিয়ে ১৫-২০ নেতৃত্ব, ক্ষমতা দখল করে রাখা যাবে। কিন্তু এই শক্তি একদিন নিশ্চিত বিলীন, নি:চিহ্ন হবেই তাদের অযোগ্যতার কারণে। অযোগ্যতায় অপ্রাসঙ্গিক করে দেয়।
আর এদিকে একটি সুদুরপ্রসারী স্থায়ী সভ্যতা গড়ে তোলার সকল উপাদান জামায়াত-শিবির তথা এদেশের সমগ্র ইসলামি শক্তির মাঝে বিদ্যমান।
তো ইসলামপন্থীরা শুধুমাত্র রাজনীতি করে না তারা সভ্যতাও গড়ে তুলছে। রাজনীতিতে তাদের সাময়িক পরাজয় তাদের জন্য কোন ক্ষতির কারণ নয় বরং সুখবর এই পরাজয় তাদের সভ্যতা বিল্ডআপের নিখুঁত কর্মী সাপ্লাই করছে।
জামায়াত শিবিরের নেতৃত্বে ও অন্য ইসলামি শক্তিগুলোর সহযোগিতায় এদেশে একদিন ইসলামি সভ্যতা কায়েম হবে এটাই বিশ্বাস করি, স্বপ্ন দেখি।
২৮ অক্টোবরের মহাসমাবেশ নিয়ে কিছু অভিজ্ঞতা শেয়ার করব ভাবছিলাম।
সময়ের কারণে করে উঠতে পারিনি। চেষ্টা করছি- তার মধ্যেই ছোট ভাই মাসুদ রানা সাগরের এই লেখাটি আমার দৃষ্টি কেড়েছে। আলহামদুলিল্লাহ....
২৮ অক্টোবর জামায়াতের সমাবেশের যে বিষয় টি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়ে পর্যবেক্ষণ করেছিলাম।
সেটা নিয়ে একটু আলাপ করা যাক।
সমাবেশের সিংহভাগই ছিলো কিশোর-তরুণ। এবং এটা নি:সন্দেহে অনুমেয় এই তরুণদের সকলকে বললেও ভুল হবে না। তারা সকলেই দেশের সবচেয়ে মেধাবি ছাত্ররা।
এখানে আরেকটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। তাদের বয়স ১৬ থেকে ২৩ এর মধ্যে।
আওয়ামিলীগ ক্ষমতায় আছে ১৪ বছর একটানা। এর অর্থ হলো এই ছেলেগুলোর জ্ঞান বুদ্ধি হওয়ার পুরো সময়কালে আওয়ামীলীগ ক্ষমতায়।
জামায়াত-শিবির,ইসলামি রাজনীতি নিয়ে এমন কোন অপপ্রচার, প্রোপাগাণ্ডা,ভয়-ভিতি নেই যা এদেশে ছড়ানো হয়নি।
সোজাসাপটা কথা, জামায়াত শিবির করলে তোমাকে জেলে যেতে হবে, ক্র স ফা য়া র দেওয়া হবে। সরকারি চাকরি হবে না, এদেশে নামে মাত্র নাগরিকত্ব থাকবে ইত্যাদি।
বর্তমান ভোগবাদী, আত্মকেন্দ্রীকতার যুগে এই লক্ষ লক্ষ তরুণ সেগুলোকে উপেক্ষা করে, সমস্ত ভয়-ভিতিকে জয় করে, সকল সুযোগ-সুবিধাকে ত্যাগ করার মানসিকতা নিয়েই ইসলামি রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছে।
গভীরভাবে ভাবুন, তারা বিপদে পড়বে এই কথা বহুদূর। তারা জামায়াত শিবিরের সুদিনে যুক্ত হওয়া জনগোষ্ঠী নয় বরং তাদের কোন ক্লাসমেট এই মূহুর্তে কারাগারে, ক্র স ফা য়ারের শিকারে কবরে অথবা বাড়ি ছাড়া।
এর মানে, তারা ইসলামি রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছে অলরেডি এক সাগর বিপদকে মেনে নিয়ে, সকল দুনিয়াবি সুখকে পরিত্যাগের চিন্তাকে মস্তিষ্কে ধারণ করে।
প্রথমত,এর অর্থ এরা অপ্রতিরোধ্য শক্তি।
এদেশে আগামী সভ্যতা ইসলামের গ্যারান্টি দিচ্ছি। শিবিরের এই ছেলেগুলো শুধুমাত্র জামায়াতের শক্তি নয় এরা মূলত ইসলামি রাজনীতি, সমাজ - সভ্যতার শক্তি।
অল্প কথায় বুঝে নেওয়া যাক,
কোন এক বাজারে ভাল একটি চায়ের দোকান আছে। এখন আপনিও চায়ের দোকান দিতে চান।
এখানে রাজনীতি হলো ওই চায়ের দোকানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা, ধ্বংস করে দেওয়া। এতেই কেবল সে পরাজিত হবে।
আর এখানে সভ্যতা বিল্ডআপ হলো, তার চায়ের চাইতে আপনার চায়ের কোয়ালিটি শতগুণ বাড়িয়ে দেওয়া।
তাহলে সকল জনগণ ভাল মানের চা পান করতে আপনার দোকানে ভিড় জমাবে। গ্রাম্য ডাক্তার বাসায় আসে ভিজিট কম, আর বড় মাপের ডাক্তারের চেম্বারে সিরিয়াল দিতে হয় তাও ভিজিট বেশি।
মানুষ তার প্রয়োজনের তাগিদে যথাযথ ব্যক্তিকে নেতৃত্ব দান করে। এটাই সভ্যতা গড়ে উঠার মূলমন্ত্র।
আর নেতৃত্ব জোরজারি করে কেড়ে নেওয়া এটা রাজনীতি।
তো, অপ্রতিরোধ্য উক্ত তরুণ শক্তি যারা যোগ্য, মেধাবি,সৎ তারা হলো মানুষের চাহিদা পূরণে যথাযথভাবে সক্ষম।
অপরদিকে অন্য ইসলামি দল ব্যতীত, অন্য তরুণেরা মাদকাসক্ত থেকে শুরু করে এহেন কোন অপরাধমূলক কাজ নেই যাতে জড়িত নয়। তারা ভিতর ভিতরে যেমন অযোগ্য তেমনি ধ্বংসের দারপ্রান্তে। এদের অস্ত্র হলো অসুস্থ মস্তিষ্ক ও গায়ের জোর। যা দিয়ে ১৫-২০ নেতৃত্ব, ক্ষমতা দখল করে রাখা যাবে। কিন্তু এই শক্তি একদিন নিশ্চিত বিলীন, নি:চিহ্ন হবেই তাদের অযোগ্যতার কারণে। অযোগ্যতায় অপ্রাসঙ্গিক করে দেয়।
আর এদিকে একটি সুদুরপ্রসারী স্থায়ী সভ্যতা গড়ে তোলার সকল উপাদান জামায়াত-শিবির তথা এদেশের সমগ্র ইসলামি শক্তির মাঝে বিদ্যমান।
তো ইসলামপন্থীরা শুধুমাত্র রাজনীতি করে না তারা সভ্যতাও গড়ে তুলছে। রাজনীতিতে তাদের সাময়িক পরাজয় তাদের জন্য কোন ক্ষতির কারণ নয় বরং সুখবর এই পরাজয় তাদের সভ্যতা বিল্ডআপের নিখুঁত কর্মী সাপ্লাই করছে।
জামায়াত শিবিরের নেতৃত্বে ও অন্য ইসলামি শক্তিগুলোর সহযোগিতায় এদেশে একদিন ইসলামি সভ্যতা কায়েম হবে এটাই বিশ্বাস করি, স্বপ্ন দেখি।
❤16👍1
>>>ব্রেকিং নিউজ<<<
৭২ ঘন্টার অবরোধের প্রথম দিন : কিশোরগঞ্জে বিএনপির মিছিলে গুলি, নিহত ২
৭২ ঘন্টার অবরোধের প্রথম দিন : কিশোরগঞ্জে বিএনপির মিছিলে গুলি, নিহত ২
😢10
রাজশাহী ও নাটোরে সিরিয়াস গুপ্ত হত্যা চলছে। ব্যাপারটা কেউই সিরিয়াসলি নিচ্ছে না। না সরকার, না আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গত ৩ দিনে রাজশাহী ও নাটোরে একই স্টাইলে অজ্ঞাত মাইক্রোবাসে করে এসে ৯ জন মানুষকে বুকে ছুরিকাঘাত করে ফেলে রেখে চলে যায়। ২ জন তো স্পট ডেড৷ বাকিরা জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে আছে।
সবচেয়ে এলার্মিং হচ্ছে, এরা সবাই সরকার বিরোধী মনোভাবাপন্ন কিংবা সরাসরি বিরোধী আন্দোলনের সাথে জড়িত। এর থেকে সহজেই অনুমেয় যে, এই সিরিয়াল কিলিং মিশিং সুপরিকল্পিতভাবেই হচ্ছে। খুব বড় কোনো গ্যাং কিংবা বড় মাপের হর্তাকর্তারা জড়িত আছে।
প্রশাসনও জড়িত থাকতে পারে বলে ধারণা করা যায়, যেহেতু এখন পর্যন্ত প্রশাসন নীরব, উল্টো বলছে, কেউ অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা নিবো। খুবই ডাউটফুল কথা। মানুষ নিরাপত্তা চেয়ে জিডি করবে, কেবল তা দেখে ব্যবস্থা নেয়া পুলিশের কাজ নয়। পুলিশের দায়িত্বই হচ্ছে কেউ চাইবার পূর্বেই জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
নির্বাচনকে সামনে রেখে যে বা যারা বিরোধী মতের নেতাকর্মীদের এই হত্যার মিশনে নামিয়েছে, তারা বুঝে শুনেই করছে। খুব সম্ভবত তাদের টার্গেট, সারাদেশে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়া, প্যানিক তৈরি করা। নির্দ্বিধায় বলা যায় এই মিশন তারা পুরো দেশেই ছড়িয়ে দিবে। ইতিমধ্যে কুমিল্লায়ও হয়েছে। রাজশাহী ও কুমিল্লা কোন রাজনৈতিক দলের বেইজ এরিয়া তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
হতে পারে ভিন্ন কোনো উদ্দেশ্যও থাকতে পারে। কারণ রাজশাহী, বাগমারা তথা উত্তরবঙ্গ থেকে অতীত এমন সব ভয়াবহ বিষয়ের সূত্রপাত হয়েছে। তাই ঘটনা যাই হোক, অতিদ্রুত তা রুখে দেয়ার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর ভূমিকা নেয়ার প্রয়োজন। এবং তা এখনই।
আর তাদের যদি কোনো না কোনোভাবে যোগসাজশ থাকে, তাহলে এটা বাড়তেই থাকবে। এর বিরুদ্ধে আপনার আমাকেই কথা বলতে হবে। রাষ্ট্র আপনার সুরক্ষা দিতে না পারলে, আপনাকে কিংবা অন্যান্য সকল রাজনৈতিক দলগুলোকেই এর বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে।
জানি না, আর কত মায়ের বুক খালি হবে। কখন দেখবেন আপনার আমার সিরিয়াল এসে গেছে এই নরপশুদের হাতে। আল্লাহ রক্ষা করুন সবাইকে। সবাই আওয়াজ তুলুন। পোস্টটি শেয়ার করুন, কপি করুন, সবাইকে সতর্ক করুন। প্যানিক না করে তাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে শক্ত অবস্থান নিন।
সবচেয়ে এলার্মিং হচ্ছে, এরা সবাই সরকার বিরোধী মনোভাবাপন্ন কিংবা সরাসরি বিরোধী আন্দোলনের সাথে জড়িত। এর থেকে সহজেই অনুমেয় যে, এই সিরিয়াল কিলিং মিশিং সুপরিকল্পিতভাবেই হচ্ছে। খুব বড় কোনো গ্যাং কিংবা বড় মাপের হর্তাকর্তারা জড়িত আছে।
প্রশাসনও জড়িত থাকতে পারে বলে ধারণা করা যায়, যেহেতু এখন পর্যন্ত প্রশাসন নীরব, উল্টো বলছে, কেউ অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা নিবো। খুবই ডাউটফুল কথা। মানুষ নিরাপত্তা চেয়ে জিডি করবে, কেবল তা দেখে ব্যবস্থা নেয়া পুলিশের কাজ নয়। পুলিশের দায়িত্বই হচ্ছে কেউ চাইবার পূর্বেই জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
নির্বাচনকে সামনে রেখে যে বা যারা বিরোধী মতের নেতাকর্মীদের এই হত্যার মিশনে নামিয়েছে, তারা বুঝে শুনেই করছে। খুব সম্ভবত তাদের টার্গেট, সারাদেশে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়া, প্যানিক তৈরি করা। নির্দ্বিধায় বলা যায় এই মিশন তারা পুরো দেশেই ছড়িয়ে দিবে। ইতিমধ্যে কুমিল্লায়ও হয়েছে। রাজশাহী ও কুমিল্লা কোন রাজনৈতিক দলের বেইজ এরিয়া তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
হতে পারে ভিন্ন কোনো উদ্দেশ্যও থাকতে পারে। কারণ রাজশাহী, বাগমারা তথা উত্তরবঙ্গ থেকে অতীত এমন সব ভয়াবহ বিষয়ের সূত্রপাত হয়েছে। তাই ঘটনা যাই হোক, অতিদ্রুত তা রুখে দেয়ার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর ভূমিকা নেয়ার প্রয়োজন। এবং তা এখনই।
আর তাদের যদি কোনো না কোনোভাবে যোগসাজশ থাকে, তাহলে এটা বাড়তেই থাকবে। এর বিরুদ্ধে আপনার আমাকেই কথা বলতে হবে। রাষ্ট্র আপনার সুরক্ষা দিতে না পারলে, আপনাকে কিংবা অন্যান্য সকল রাজনৈতিক দলগুলোকেই এর বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে।
জানি না, আর কত মায়ের বুক খালি হবে। কখন দেখবেন আপনার আমার সিরিয়াল এসে গেছে এই নরপশুদের হাতে। আল্লাহ রক্ষা করুন সবাইকে। সবাই আওয়াজ তুলুন। পোস্টটি শেয়ার করুন, কপি করুন, সবাইকে সতর্ক করুন। প্যানিক না করে তাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে শক্ত অবস্থান নিন।
😢7
রঙিন স্বপ্নে বিভোর এ তরুণ ছাত্র সমাজকে, বিবর্তনবাদের ভয়ালো-ধ্বংসাত্মক ছোবল থেকে বাঁচানোর একমাত্র আদর্শিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আমাদের প্রিয় কাফেলা - বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।
হে প্রিয় ছাত্র ভাই,আমি শিবির করি।
আপনি করেন তো?
-আব্দুর রহিম
#KnowShibir
#IAmShibir
হে প্রিয় ছাত্র ভাই,আমি শিবির করি।
আপনি করেন তো?
-আব্দুর রহিম
#KnowShibir
#IAmShibir
❤16