খ্রিষ্টীয় ক্যালেন্ডারের পাতায় ২০৫০ সাল। উপমহাদেশের ভূ-গোলকে একটি বড়ো সড়ো পরিবর্তন ঘটে গেছে। নয়াদিল্লিস্থ কেন্দ্রীয় সরকারের সচিবালয় নর্থ ব্লকের একটি হলরুমে মাথায় হাত দিয়ে বসে আছেন দেশটির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। সর্বনাশ হয়ে গেছে তাদের। চতুর্থ জনবহুল রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ হাতছাড়া হয়ে গেছে। বাংলাদেশের মানচিত্রে যুক্ত হয়েছে নতুন পাঁচটি বিভাগ– বর্ধমান, মালদহ, জলপাইগুড়ি, প্রেসিডেন্সি এবং মেদিনীপুর। বিভাগগুলোর অন্তর্ভুক্ত নতুন তেইশ জেলা যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশের সঙ্গে। প্রধানমন্ত্রী কিছুক্ষণ পরপর কপাল চাপড়াচ্ছেন। তার চোখের নিচে কালি।
বাংলাদেশে নতুন যুক্ত হওয়া জেলাগুলোর নাম সুন্দর– আলিপুরদুয়ার, বাঁকুড়া, বীরভূম, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, দার্জিলিং, হুগলি, হাওড়া, জলপাইগুড়ি, ঝাড়গ্রাম, কালিম্পং, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, নদীয়া, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগণা, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া এবং কলকাতা। দুই বঙ্গ মিলিয়ে প্রায় আড়াই লক্ষ বর্গকিলোমিটারের এক সুবিশাল দেশে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ। জনসংখ্যা চল্লিশ কোটির কাছাকাছি গিয়ে পৌঁছেছে। রাজধানী ঢাকাতে আছে বটে, তবে কলকাতা অগুরুত্বপূর্ণ হয়ে পড়েনি।
দুঃসংবাদ এ পর্যন্ত হলেও নয়াদিল্লির নেতারা হয়তো সহ্য করতে পারতেন। তারও চেয়ে বড়ো দুঃসংবাদ হলো– সেভেন সিস্টার্স তথা উত্তরপূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্য আলাদা হয়ে নতুন এক স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়েছে। নবগঠিত রাষ্ট্রের এই রাজ্যগুলো হলো– অরুণাচল, মেঘালয়, মিজোরাম, মনিপুর, ত্রিপুরা, আসাম, নাগাল্যান্ড। চিকেন'স নেক বা মুরগির গলাই মূলত এই সাতটি রাজ্যের স্বাধীন হবার নেপথ্য কারণ। জায়গাটিকে শিলিগুড়ি করিডোরও বলা হয়। মাত্র ২০-২২ কিলোমিটারের একটি ছোটো করিডোর একশ বছর ধরে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করে রেখেছিল সাত বোনকে।
তারা চেয়েছিল রংপুর বিভাগ দখল করে নিতে। লোভে হয়েছে পাপ, পাপে হয়েছে মৃ ত্যু। এই বিভাগের আটটি জেলার ওপর চোখ পড়েছিল। শাস্তি হিসেবে এখন তাদের আটটি রাজ্য হাতছাড়া। সাতটি মিলে একটি স্বাধীন দেশে পরিণত হয়েছে। অন্য রাজ্যটি যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশের সঙ্গে। নবগঠিত রাষ্ট্রটির সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হরিহর আত্মার; এক থালায় ভাত খায়। নয়াদিল্লির মর্সিয়া ক্রন্দন থামছে না। এই সবকিছুর পেছনে নেপথ্য গেম খেলেছে চীন এবং পাকিস্তানও। ঢাকা এবং আসামের মতো আজ ইসলামাবাদ এবং বেইজিংও ক্রুর হাসি হাসছে। যে হাসির অর্থ– 'কি বাছাধন! কেমন লাগে?'
'পুনরেখা'
বাংলাদেশে নতুন যুক্ত হওয়া জেলাগুলোর নাম সুন্দর– আলিপুরদুয়ার, বাঁকুড়া, বীরভূম, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, দার্জিলিং, হুগলি, হাওড়া, জলপাইগুড়ি, ঝাড়গ্রাম, কালিম্পং, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, নদীয়া, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগণা, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া এবং কলকাতা। দুই বঙ্গ মিলিয়ে প্রায় আড়াই লক্ষ বর্গকিলোমিটারের এক সুবিশাল দেশে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ। জনসংখ্যা চল্লিশ কোটির কাছাকাছি গিয়ে পৌঁছেছে। রাজধানী ঢাকাতে আছে বটে, তবে কলকাতা অগুরুত্বপূর্ণ হয়ে পড়েনি।
দুঃসংবাদ এ পর্যন্ত হলেও নয়াদিল্লির নেতারা হয়তো সহ্য করতে পারতেন। তারও চেয়ে বড়ো দুঃসংবাদ হলো– সেভেন সিস্টার্স তথা উত্তরপূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্য আলাদা হয়ে নতুন এক স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়েছে। নবগঠিত রাষ্ট্রের এই রাজ্যগুলো হলো– অরুণাচল, মেঘালয়, মিজোরাম, মনিপুর, ত্রিপুরা, আসাম, নাগাল্যান্ড। চিকেন'স নেক বা মুরগির গলাই মূলত এই সাতটি রাজ্যের স্বাধীন হবার নেপথ্য কারণ। জায়গাটিকে শিলিগুড়ি করিডোরও বলা হয়। মাত্র ২০-২২ কিলোমিটারের একটি ছোটো করিডোর একশ বছর ধরে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করে রেখেছিল সাত বোনকে।
তারা চেয়েছিল রংপুর বিভাগ দখল করে নিতে। লোভে হয়েছে পাপ, পাপে হয়েছে মৃ ত্যু। এই বিভাগের আটটি জেলার ওপর চোখ পড়েছিল। শাস্তি হিসেবে এখন তাদের আটটি রাজ্য হাতছাড়া। সাতটি মিলে একটি স্বাধীন দেশে পরিণত হয়েছে। অন্য রাজ্যটি যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশের সঙ্গে। নবগঠিত রাষ্ট্রটির সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হরিহর আত্মার; এক থালায় ভাত খায়। নয়াদিল্লির মর্সিয়া ক্রন্দন থামছে না। এই সবকিছুর পেছনে নেপথ্য গেম খেলেছে চীন এবং পাকিস্তানও। ঢাকা এবং আসামের মতো আজ ইসলামাবাদ এবং বেইজিংও ক্রুর হাসি হাসছে। যে হাসির অর্থ– 'কি বাছাধন! কেমন লাগে?'
'পুনরেখা'
❤16👍1
এইচএসসি, আলিম ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬-এ অংশগ্রহণকারী সকল পরীক্ষার্থীর জন্য আন্তরিক দু'আ ও শুভকামনা
#HSCAlimExam
#AlolPath
#HSCAlimExam
#AlolPath
❤19
ধমকাইয়া বেশি দিন চুপ রাখা যায় না,
পেশি শক্তি দেখাইয়া ধমকাইয়া রাখা যায় না।
সত্যের পথে মানুষকে ডাকো তোমার পরাজয় হবে না,
তবে পেশি শক্তি যারা দেখায় তাদের শক্তি বেশি দিন চলে না
পেশি শক্তি দেখাইয়া ধমকাইয়া রাখা যায় না।
সত্যের পথে মানুষকে ডাকো তোমার পরাজয় হবে না,
তবে পেশি শক্তি যারা দেখায় তাদের শক্তি বেশি দিন চলে না
❤26
Forwarded from Inspire Clips
কত মানুষই তো বাঁচতে চায়।
তারা জীবনের অসংখ্য রঙ, স্বপ্ন আর প্রিয় মানুষগুলোর মায়াকে ফেলে বিদায় নিতে চায় না।
কিন্তু....
কিন্তু!
কিন্তু পৃথিবী সব সময় সবার প্রতি সমানভাবে দয়ালু হয় না।
কারো কারো জীবনে বিষাদের ছায়া এতটাই গভীর হয়ে ওঠে, এতটাই যে, তখন প্রতিটি নিঃশ্বাসই যেন হয়ে ওঠে এক একটি বিশ্বযুদ্ধ!
প্রতিটি সকাল নতুন এক লড়াই, প্রতিটি রাত অবসন্ন এক আত্মসমর্পণের প্রহর।
তারা মৃত্যুকে ভালো না বাসলেও, অসহনীয় যন্ত্রণার ভারে ক্লান্ত হয়ে পড়ে।
কখনো কখনো তাদের জীবনে বিষাদের ভার এতটাই তীব্র হয়ে ওঠে, এতটাই অসহনীয় হয়ে ওঠে যে, তখন সবর করে বেঁচে থাকার শক্তিটুকুও আর তাদের মধ্যে অবশিষ্ট থাকে না।
তাদের ছেড়ে দেওয়া প্রতিটি কার্বন ডাই-অক্সাইড যেন একেকটি পারমাণবিক বিস্ফোরণ, আর টেনে নেওয়া প্রতিটি অক্সিজেন যেন বুকের গভীরে নেমে আসা একেকটি আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত।
এই অসহনীয় যুদ্ধ কয়জনই বা চালিয়ে যেতে পারে?
এই দারুণ দুঃসহ লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত টিকে থাকার শক্তি কজনেরই-বা থাকে?
যন্ত্রণার বহ্নিশিখা বইবার শক্তি যাদের থাকে না, যাদের কাঁধ এত ভার বহন করার মতো শক্ত নয়, তাদের জীবনেই বা কেন নেমে আসে সবচেয়ে ভারী ভারী পরীক্ষাগুলো?
তাদের জন্যই বা কেন বারংবার যন্ত্রণার জটিল আগ্নেয়গিরির লাভাগুলো উদগীরণ হতে থাকে?
দিন শেষে সম্ভবত এটাই সত্যিই যে, যন্ত্রণার বহ্নিশিখা বইবার শক্তি যাদের থাকে না, অধিকাংশ সময় তাদের ভাগ্যেই সবচেয়ে দহনময় জীবনের পথরেখা আকা থাকে।
দহনের নদী পাড়ি দিতে দিতে তারপর একসময় তারা হারিয়ে যায় ঠিকই, তবে রয়ে যায় শুধু তাদের না-বলা যন্ত্রণার প্রতিধ্বনি।
#জীবনযন্ত্রণা-০১
তারা জীবনের অসংখ্য রঙ, স্বপ্ন আর প্রিয় মানুষগুলোর মায়াকে ফেলে বিদায় নিতে চায় না।
কিন্তু....
কিন্তু!
কিন্তু পৃথিবী সব সময় সবার প্রতি সমানভাবে দয়ালু হয় না।
কারো কারো জীবনে বিষাদের ছায়া এতটাই গভীর হয়ে ওঠে, এতটাই যে, তখন প্রতিটি নিঃশ্বাসই যেন হয়ে ওঠে এক একটি বিশ্বযুদ্ধ!
প্রতিটি সকাল নতুন এক লড়াই, প্রতিটি রাত অবসন্ন এক আত্মসমর্পণের প্রহর।
তারা মৃত্যুকে ভালো না বাসলেও, অসহনীয় যন্ত্রণার ভারে ক্লান্ত হয়ে পড়ে।
কখনো কখনো তাদের জীবনে বিষাদের ভার এতটাই তীব্র হয়ে ওঠে, এতটাই অসহনীয় হয়ে ওঠে যে, তখন সবর করে বেঁচে থাকার শক্তিটুকুও আর তাদের মধ্যে অবশিষ্ট থাকে না।
তাদের ছেড়ে দেওয়া প্রতিটি কার্বন ডাই-অক্সাইড যেন একেকটি পারমাণবিক বিস্ফোরণ, আর টেনে নেওয়া প্রতিটি অক্সিজেন যেন বুকের গভীরে নেমে আসা একেকটি আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত।
এই অসহনীয় যুদ্ধ কয়জনই বা চালিয়ে যেতে পারে?
এই দারুণ দুঃসহ লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত টিকে থাকার শক্তি কজনেরই-বা থাকে?
যন্ত্রণার বহ্নিশিখা বইবার শক্তি যাদের থাকে না, যাদের কাঁধ এত ভার বহন করার মতো শক্ত নয়, তাদের জীবনেই বা কেন নেমে আসে সবচেয়ে ভারী ভারী পরীক্ষাগুলো?
তাদের জন্যই বা কেন বারংবার যন্ত্রণার জটিল আগ্নেয়গিরির লাভাগুলো উদগীরণ হতে থাকে?
দিন শেষে সম্ভবত এটাই সত্যিই যে, যন্ত্রণার বহ্নিশিখা বইবার শক্তি যাদের থাকে না, অধিকাংশ সময় তাদের ভাগ্যেই সবচেয়ে দহনময় জীবনের পথরেখা আকা থাকে।
দহনের নদী পাড়ি দিতে দিতে তারপর একসময় তারা হারিয়ে যায় ঠিকই, তবে রয়ে যায় শুধু তাদের না-বলা যন্ত্রণার প্রতিধ্বনি।
#জীবনযন্ত্রণা-০১
😢15❤5
যখনই কোনো ভালো কাজের নিয়ত করেন, ফেরেশতারা সাথে সাথে সেটার সওয়াব আপনার আমলনামায় লিখে ফেলে। সেই ভালো কাজ করতে পারলেন কী না সেই অপেক্ষায় থাকে না।
কিন্তু, যখন কোনো খারাপ কাজের চিন্তা মাথায় আসে, ফেরেশতারা ততক্ষণ অবধি সেই খারাপ কাজের গুনাহ আপনার আমলনামায় লিখে না, যতক্ষণ না আপনি সেই খারাপ কাজটায় লিপ্ত হচ্ছেন।
কতো দয়াময় আপনার রব, ভাবুন!
কিন্তু, যখন কোনো খারাপ কাজের চিন্তা মাথায় আসে, ফেরেশতারা ততক্ষণ অবধি সেই খারাপ কাজের গুনাহ আপনার আমলনামায় লিখে না, যতক্ষণ না আপনি সেই খারাপ কাজটায় লিপ্ত হচ্ছেন।
কতো দয়াময় আপনার রব, ভাবুন!
❤37❤🔥1
Forwarded from Inspire
Fact: স্ত্রী পরকীয়া করছে।
Women: স্বামীর সমস্যা আছে, ঠিক মতো কেয়ার করলে এরকম হতো না। সে সংসারের মধ্যে কী করে কে জানে!
Fact: স্বামী পরকীয়া করে সরে যেতে চায় অথবা ২য় বিয়ে করে দুইজনকে নিয়ে থাকতে চায়।
women: সব পুরুষের চরিত্র একই, লম্পট একেকটা!
Fact: স্ত্রীর পরকীয়ায় স্বামীর শাসন কিংবা সংসার টিকাতে জোরাজোরি।
Women: যে যেতে চায় তাকে ধরে রাখার কী আছে! উত্তম পুরুষের কাজ হলো তাকে মুক্ত করে দিয়ে মহানুভবতা দেখানো।
Fact: স্বামী পরকীয়া/২য় বিয়ে করায় স্ত্রী নু** কেটে দিছে।
Women: একদম ঠিক্কাছে, কর এবার পরকীয়া!
Fact: স্বামীকে স্ত্রী ছেড়ে চলে যেতে চায়।
Women: হয়তো ঘরের মধ্যে নির্যতন আর সইতে পারছে না বা মনমানসিকতার মিল হচ্ছে না।
Fact: স্ত্রীকে স্বামী ছেড়ে চলে যেতে চায়।
Women: পুরুষকে বিশ্বাস করা টাফ, হয়তো নতুন কাউকে ধরেছে এখন ঘরের বউ ভালো লাগবে কেনো!
কী, বক্তব্যগুলো চেনা মনে হয় না? মনে হয় না মেয়েরা কখনো, কোনোভাবেই কোনো অপরাধ করতে পারে না? তারা শুধুই পরিস্থিতির স্বীকার হয়ে করে, কিংবা পুরুষ তাদের বাধ্য করে?
অথচ মেয়েরা প্রতারণাও করে। বিশ্বাসঘাতকতা করে। ম্যান্টালি এবিউজ করে। নতুন নতুন অপশন খোঁজে। ধর্ম কিংবা পরিবারের অজুহাতে চিট করে।
অথচ দিনশেষে সব দোষ ছেলেদের ঘাড়েই আসে।
Women: স্বামীর সমস্যা আছে, ঠিক মতো কেয়ার করলে এরকম হতো না। সে সংসারের মধ্যে কী করে কে জানে!
Fact: স্বামী পরকীয়া করে সরে যেতে চায় অথবা ২য় বিয়ে করে দুইজনকে নিয়ে থাকতে চায়।
women: সব পুরুষের চরিত্র একই, লম্পট একেকটা!
Fact: স্ত্রীর পরকীয়ায় স্বামীর শাসন কিংবা সংসার টিকাতে জোরাজোরি।
Women: যে যেতে চায় তাকে ধরে রাখার কী আছে! উত্তম পুরুষের কাজ হলো তাকে মুক্ত করে দিয়ে মহানুভবতা দেখানো।
Fact: স্বামী পরকীয়া/২য় বিয়ে করায় স্ত্রী নু** কেটে দিছে।
Women: একদম ঠিক্কাছে, কর এবার পরকীয়া!
Fact: স্বামীকে স্ত্রী ছেড়ে চলে যেতে চায়।
Women: হয়তো ঘরের মধ্যে নির্যতন আর সইতে পারছে না বা মনমানসিকতার মিল হচ্ছে না।
Fact: স্ত্রীকে স্বামী ছেড়ে চলে যেতে চায়।
Women: পুরুষকে বিশ্বাস করা টাফ, হয়তো নতুন কাউকে ধরেছে এখন ঘরের বউ ভালো লাগবে কেনো!
কী, বক্তব্যগুলো চেনা মনে হয় না? মনে হয় না মেয়েরা কখনো, কোনোভাবেই কোনো অপরাধ করতে পারে না? তারা শুধুই পরিস্থিতির স্বীকার হয়ে করে, কিংবা পুরুষ তাদের বাধ্য করে?
অথচ মেয়েরা প্রতারণাও করে। বিশ্বাসঘাতকতা করে। ম্যান্টালি এবিউজ করে। নতুন নতুন অপশন খোঁজে। ধর্ম কিংবা পরিবারের অজুহাতে চিট করে।
অথচ দিনশেষে সব দোষ ছেলেদের ঘাড়েই আসে।
😢16❤2👍1
আপনাকে কি করে ভালো না বেসে থাকতে পারি, ইয়া রাসূলাল্লাহ? আপনি তো আমাকে না দেখেও ভালোবেসেছিলেন সেই ১৪০০ বছর আগে। অশ্রুসিক্ত নয়নে ভাই বলে সম্বোধন করেছিলেন। আসন্ন সে বিভীষিকাময় দিনে আমার জন্য পেরেশান হয়ে উম্মাতি উম্মাতি বলে কাঁদবেন। মাকামে মাহমুদে সিজদায় লুটিয়ে পড়ে আমার মুক্তির জন্য আকুতি জানাবেন। কি করে আপনাকে ভালো না বাসি, ইয়া রাসূলাল্লাহ?
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।🩵
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।🩵
❤34🥰4😢3
ঘটক: একটা ছেলে আছে, চাকরি করে। বেতন ভালোই, ৬০,০০০+। সম্ভ্রান্ত পরিবারের ছেলে। তাদের ভালো নাম-ডাক আছে। সম্পত্তিও আছে। দেখতেও সুন্দর। বয়স ৩২ বছর। আপনার মেয়ের জন্য চলবে?
পাত্রীর বাবা: আরে না, আমার মেয়ের আর কী বয়স। ৩২ বছর বেশি হয়ে যায়। আরেকটু কমের মধ্যে দেখো।
ঘটক: আরেকটা ছেলে আছে। ইতালি থাকে। ১০ বছর আগে পানিপথে (অবৈধ পথে) ইতালি গিয়েছিল। এখন ভালোই পজিশনে আছে। দেখতে এতটা সুন্দর না। শুনছি ছেলে ভালো। বয়সটা ৩৯। চলবে?
পাত্রীর বাবা: কথা বলো। আমরা দেখি, তারাও দেখুক। কথা বললেই তো হয়ে যায় না। মাত-কথা বনলে না-হয় আমরা আগালাম।
ঘটক: স্যার, ছেলে কী করে জানতে চাইলেন না যে?
পাত্রীর বাবা: যা-ই করুক, ইতালি থাকে, নিশ্চয়ই ভালো কিছু করে। এগুলো জেনে তো কাম নেই।
ঘটক: স্যার, ছেলের বয়স ৩৯ কিন্তু!
পাত্রীর বাবা: বয়স তো একটা সংখ্যা মাত্র। আমরা ভালো একটা পরিবার খুঁজছি। শান্তশিষ্ট, ভদ্র এবং সুন্দর মনের একটা ছেলে খুঁজছি। তুমি আলাপ আগাও। এতকিছু দেখলে মেয়ে বিয়ে দেওন যাইব?
ঘটক: আচ্ছা, স্যার
#collected
পাত্রীর বাবা: আরে না, আমার মেয়ের আর কী বয়স। ৩২ বছর বেশি হয়ে যায়। আরেকটু কমের মধ্যে দেখো।
ঘটক: আরেকটা ছেলে আছে। ইতালি থাকে। ১০ বছর আগে পানিপথে (অবৈধ পথে) ইতালি গিয়েছিল। এখন ভালোই পজিশনে আছে। দেখতে এতটা সুন্দর না। শুনছি ছেলে ভালো। বয়সটা ৩৯। চলবে?
পাত্রীর বাবা: কথা বলো। আমরা দেখি, তারাও দেখুক। কথা বললেই তো হয়ে যায় না। মাত-কথা বনলে না-হয় আমরা আগালাম।
ঘটক: স্যার, ছেলে কী করে জানতে চাইলেন না যে?
পাত্রীর বাবা: যা-ই করুক, ইতালি থাকে, নিশ্চয়ই ভালো কিছু করে। এগুলো জেনে তো কাম নেই।
ঘটক: স্যার, ছেলের বয়স ৩৯ কিন্তু!
পাত্রীর বাবা: বয়স তো একটা সংখ্যা মাত্র। আমরা ভালো একটা পরিবার খুঁজছি। শান্তশিষ্ট, ভদ্র এবং সুন্দর মনের একটা ছেলে খুঁজছি। তুমি আলাপ আগাও। এতকিছু দেখলে মেয়ে বিয়ে দেওন যাইব?
ঘটক: আচ্ছা, স্যার
#collected
🤣31❤3
আজ ঐতিহাসিক ৭ই অক্টোবর। তুফানুল আকসার তৃতীয় বছর। এই তুফান মসজিদুল আকসা বিজয়ের মাধ্যমেই শেষ হবে ইন শা আল্লাহ।
❤18
চিঠি লিখুন মন খুলে, চিঠি পড়তে অনেক ভালো লাগে। তাই সবাই চিঠি পাঠান আমাকে 😊
ধন্যবাদ
https://chithi.me/ChitimeA
ধন্যবাদ
https://chithi.me/ChitimeA
Chithi.me
@ChitimeA: Send me anonymous letters!
Send @ChitimeA an anonymous letter on Chithi.me. Let's go back a few decades and write with handwritten styles!
❤7
২০২৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে পারে পবিত্র রমজান: গালফ নিউজ
আলহামদুলিল্লাহ
আলহামদুলিল্লাহ
❤18