This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
যারা ভোট চুরির স্বপ্ন দেখছেন, তারা বাসা থেকে বিদায় নিয়ে আসবেন।
—শিবির সেক্রেটারী
—শিবির সেক্রেটারী
❤28😁6🤣1
১২ তারিখ সারাদিন,
১১ দলীয় ঐক্যজোটে ভোট দিন।
আর হ্যাঁ গণভোটে অবশ্যই হ্যাঁ।
আপনার নির্বাচনি এলাকার ভিডিও /ছবি পাঠাতে পারেন আমাদের চ্যানেলে,,,,
t.me/alolpath?direct
১১ দলীয় ঐক্যজোটে ভোট দিন।
আর হ্যাঁ গণভোটে অবশ্যই হ্যাঁ।
আপনার নির্বাচনি এলাকার ভিডিও /ছবি পাঠাতে পারেন আমাদের চ্যানেলে,,,,
t.me/alolpath?direct
❤19👍1
হুট করে কাটাকাটি বেড়ে গেল। এবং সেই কাটাকাটি শুধু ধানের শীষের প্রার্থীর বেলাতেই।
একটা সুন্দর নির্বাচনকে কলঙ্কিত করল বিএনপি
একটা সুন্দর নির্বাচনকে কলঙ্কিত করল বিএনপি
😢9
আলহামদুলিল্লাহ।
সম্মানিত আমীরে জামায়াত বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন।
ঢাকা-১৫ আসনের ফলাফল আপডেট:
মোট কেন্দ্র: ১২৭
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ১২৭
মোট ভোট: ৩৪৪৩০৮
কাস্টিং ভোট: ১৪৪৫৬৫ ( ৪২℅)
দাঁড়িপাল্লা: ৮২৬৪৫
ধানের শীষ: ৬১৯২০
দাঁড়িপাল্লা ২০৭২৫ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী।
সম্মানিত আমীরে জামায়াত বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন।
ঢাকা-১৫ আসনের ফলাফল আপডেট:
মোট কেন্দ্র: ১২৭
প্রাপ্ত কেন্দ্র: ১২৭
মোট ভোট: ৩৪৪৩০৮
কাস্টিং ভোট: ১৪৪৫৬৫ ( ৪২℅)
দাঁড়িপাল্লা: ৮২৬৪৫
ধানের শীষ: ৬১৯২০
দাঁড়িপাল্লা ২০৭২৫ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী।
❤21
সবাই ঢাকা-১৭ আসনের দিকে নজর দিন। এখানে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ইঞ্জিনিয়ারিং ঠেকিয়ে দেওয়া গেলে সারাদেশে বিএনপির ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং ঠেকানো যাবে। এখনো ৫৫টি কেন্দ্রের রেজাল্ট ঘোষণা বাকী। অথচ, তাবৎ মিডিয়া নির্লজ্জভাবে তারেক রহমানকে বিজয়ী ঘোষণা করে বসে আছে। আগামী একঘণ্টায় ঢাকা-১৭ তে গণপ্রতিরোধ না হলে আজকের রাতই নিরাপদ বাংলাদেশের শেষ রাত।
😢22
তুমি মনে করছো তোমার গুনাহর জন্য তোমাকে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে না কিন্তু বাস্তবে তোমাকে বঞ্চিত করা হয়েছে– কিয়ামুল লাইল থেকে, কুরআনের সাথে তোমার প্রতিদিনের সম্পর্ক থেকে। তোমাকে বঞ্চিত করা হয়েছে সুন্নত নামাজ থেকে, আর আল্লাহর যিকির থেকে তোমার জিহ্বা ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। তোমার হৃদয়ে একের পর এক সিল পড়ছে— যা তুমি বুঝতেও পারছো না।
তুমি ভাবছো, দুনিয়াবি কোনো কষ্ট বা পরীক্ষা না আসায় তোমার ওপর কোনো শাস্তি নেই কিন্তু আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার চেয়ে আর বড় কোনো বিপদ হতে পারে?
~সংগৃহিত
তুমি ভাবছো, দুনিয়াবি কোনো কষ্ট বা পরীক্ষা না আসায় তোমার ওপর কোনো শাস্তি নেই কিন্তু আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার চেয়ে আর বড় কোনো বিপদ হতে পারে?
~সংগৃহিত
😢17❤4
রাজনৈতিক প্রাসঙ্গিক এটাই লাষ্ট পোস্ট Sorry 😔 😔
ডাক্তার শফিক কেন ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং মেনে নিল ?
পিরোজপুর-২ তে দেলোয়ার হোসেন সাইদির ছেলেকে মাত্র ৭০ ভোটে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে। খুলনাতে মিয়া গোলাম পরোয়ারকে মাত্র ২০০০ ভোটে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে। জামাত ৫০০০ এর কম ভোটে হেরেছে এমন আসনের সংখ্যা ৫৩ টি। মূলত এই ৫৩ টি আসনে কারচুপি করে হারানো হয়েছে জামাতকে। জামাত প্রকৃত পক্ষে ১৩৫ টি আসনে জিতেছে। কিন্তু ডিপ স্টেট সংখ্যা কমিয়ে ৭০-৮০ টি দিতে চাচ্ছে।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে ডাক্তার শফিক কি করছেন?
ডাক্তার শফিকুর রহমান আমেরিকার রেড লাইন অতিক্রম করে ক্ষমতা গ্রহণের ঝুকি নিতে চাচ্ছেন না। কারণ ইসলামিস্টরা যখন আমেরিকার দেওয়া রেড লাইন অতিক্রম করে, তখন তার পরিণতি কি হতে পারে তা মিশর , তিউনেশিয়া দেখে প্রমাণিত। এছাড়া জামাত ১৭ বছর অনেক জুলুমের মধ্য দিয়ে গিয়েছে। কর্মীরা কেবল মুক্ত বাতাসে শ্বাস নিতে শুরু করেছে। সংগঠনের বিকাশের জন্য সময় দরকার, মুক্ত পরিবেশ দরকার।
তাই ডাক্তার শফিকুর রহমান ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং মেনে নিয়েছে। এটা অনেক বড় ত্যাগ। আমরা যারা অনলাইন এক্টিভিস্ট আছি তারা ব্লেম দিচ্ছি যে জামাত কেন আন্দোলন করছে না। আন্দোলন করে কি হবে? মিডিয়া, সেনাবাহিনী, আমেরিকা, ভারত সবাই এক পক্ষে। এই বিশাল শক্তি জামাতকে দমন করে দিবে। এছাড়া জামাত এতটা জনপ্রিয় দল না যে সাধারণ জনতা রাস্তায় নেমে আসবে। জামাত যে ভোট পেয়েছে, এই ভোটারের বড় অংশই জামাতের আদর্শকে ধারণ করে না।
তাই জামাত সময় নিতে চাচ্ছে। রাজনীতি তো একদিনের জন্য না। জামাতের আপাতত লক্ষ্য হল সিটি নির্বাচন। জামাত তৃণমূলে সংগঠন শক্তিশালী করার দিকে মনোযোগ দিবে। তাই ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং মেনে নিচ্ছে। ডাক্তার শফিক অহেতুক শক্তি খরচ করার লোক না। তিনি ২০১৮ সালে দায়িত্ব নেবার পরে লীগের বিরুদ্ধে কোন আন্দোলনে গিয়ে শক্তি খরচ করেন নাই। একবারে চূড়ান্ত আন্দোলনে শক্তি খরচ করেছেন।
এটাই একজন বিচক্ষণ জেনারেলের কাজ। আপাতত ডিপ স্টেট যতটুকু আগাতে দিয়েছে, ততটুকুতেই জামাত তার অবস্থান সংহত করতে চাইছে।
[সংগৃহীত]
ডাক্তার শফিক কেন ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং মেনে নিল ?
পিরোজপুর-২ তে দেলোয়ার হোসেন সাইদির ছেলেকে মাত্র ৭০ ভোটে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে। খুলনাতে মিয়া গোলাম পরোয়ারকে মাত্র ২০০০ ভোটে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে। জামাত ৫০০০ এর কম ভোটে হেরেছে এমন আসনের সংখ্যা ৫৩ টি। মূলত এই ৫৩ টি আসনে কারচুপি করে হারানো হয়েছে জামাতকে। জামাত প্রকৃত পক্ষে ১৩৫ টি আসনে জিতেছে। কিন্তু ডিপ স্টেট সংখ্যা কমিয়ে ৭০-৮০ টি দিতে চাচ্ছে।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে ডাক্তার শফিক কি করছেন?
ডাক্তার শফিকুর রহমান আমেরিকার রেড লাইন অতিক্রম করে ক্ষমতা গ্রহণের ঝুকি নিতে চাচ্ছেন না। কারণ ইসলামিস্টরা যখন আমেরিকার দেওয়া রেড লাইন অতিক্রম করে, তখন তার পরিণতি কি হতে পারে তা মিশর , তিউনেশিয়া দেখে প্রমাণিত। এছাড়া জামাত ১৭ বছর অনেক জুলুমের মধ্য দিয়ে গিয়েছে। কর্মীরা কেবল মুক্ত বাতাসে শ্বাস নিতে শুরু করেছে। সংগঠনের বিকাশের জন্য সময় দরকার, মুক্ত পরিবেশ দরকার।
তাই ডাক্তার শফিকুর রহমান ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং মেনে নিয়েছে। এটা অনেক বড় ত্যাগ। আমরা যারা অনলাইন এক্টিভিস্ট আছি তারা ব্লেম দিচ্ছি যে জামাত কেন আন্দোলন করছে না। আন্দোলন করে কি হবে? মিডিয়া, সেনাবাহিনী, আমেরিকা, ভারত সবাই এক পক্ষে। এই বিশাল শক্তি জামাতকে দমন করে দিবে। এছাড়া জামাত এতটা জনপ্রিয় দল না যে সাধারণ জনতা রাস্তায় নেমে আসবে। জামাত যে ভোট পেয়েছে, এই ভোটারের বড় অংশই জামাতের আদর্শকে ধারণ করে না।
তাই জামাত সময় নিতে চাচ্ছে। রাজনীতি তো একদিনের জন্য না। জামাতের আপাতত লক্ষ্য হল সিটি নির্বাচন। জামাত তৃণমূলে সংগঠন শক্তিশালী করার দিকে মনোযোগ দিবে। তাই ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং মেনে নিচ্ছে। ডাক্তার শফিক অহেতুক শক্তি খরচ করার লোক না। তিনি ২০১৮ সালে দায়িত্ব নেবার পরে লীগের বিরুদ্ধে কোন আন্দোলনে গিয়ে শক্তি খরচ করেন নাই। একবারে চূড়ান্ত আন্দোলনে শক্তি খরচ করেছেন।
এটাই একজন বিচক্ষণ জেনারেলের কাজ। আপাতত ডিপ স্টেট যতটুকু আগাতে দিয়েছে, ততটুকুতেই জামাত তার অবস্থান সংহত করতে চাইছে।
[সংগৃহীত]
❤24👍2😢2🔥1