যখন তুমি দেখবে তোমার হৃদয় কুরআন থেকে দূরে যাচ্ছে, ইবাদতে অলসতা আসছে, আর গুনাহের প্রতি আগ্রহ বেড়ে যাচ্ছে জেনে রেখো, আল্লাহ তোমার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। এখন তোমার কর্তব্য হলো
~ইবনুল কাইয়্যিম (রহিমাহুল্লাহ)
তাওবা করা, কান্না করা, আর নিজের নফসের সাথে জিহাদ করা।
~ইবনুল কাইয়্যিম (রহিমাহুল্লাহ)
💔49😢5👍4
প্রাচীন রোমে যখন রোমান সেনাবাহিনী যুদ্ধজয় করে ফিরত, তখন একদল লোক বিজয়ী সৈন্যদের কানে কানে বলতো— Memento Mori। অর্থাৎ— ‘মনে রেখো, একদিন কিন্তু তুমিও মরবে।’
‘আমরা অমর’— যুদ্ধজয়ের ফলে রোমান সৈন্যবাহিনীর মনে যেন এ ধারণা বদ্ধমূল হয়ে না যায় সে কারণে এই ব্যবস্থা। যাতে তাদের পা মাটিতে থাকে, অহংকার আর অহমিকায় তারা যেন জীবনের পরম সত্য ‘মৃত্যু’কে ভুলে না যায়।
‘আমরা অমর’— যুদ্ধজয়ের ফলে রোমান সৈন্যবাহিনীর মনে যেন এ ধারণা বদ্ধমূল হয়ে না যায় সে কারণে এই ব্যবস্থা। যাতে তাদের পা মাটিতে থাকে, অহংকার আর অহমিকায় তারা যেন জীবনের পরম সত্য ‘মৃত্যু’কে ভুলে না যায়।
❤27👍1
একদিন এমন এক জুমুয়াহবারে, এরকম একটা ঝাঁকুনি দিয়ে ধ্বংস হয়ে যাবে সব। সুরা যিলযালে তো আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা সেই দৃশ্যের ভয়াবহতা বলেই রেখেছেন।
যারা উঁচু দালানকোঠা থেকে এই ভূমিকম্প অনুভব করেছেন, তারা ভালো টের পেয়েছেন এই কম্পন।
সেই দিন আসন্ন। অবশ্যই আসবে। ঠিক এমনই কোনো এক জুমুয়াহবারে।
যারা উঁচু দালানকোঠা থেকে এই ভূমিকম্প অনুভব করেছেন, তারা ভালো টের পেয়েছেন এই কম্পন।
সেই দিন আসন্ন। অবশ্যই আসবে। ঠিক এমনই কোনো এক জুমুয়াহবারে।
😢12❤3
ভেবে দেখেছেন কি? আজ ভূমিকম্পের তীব্রতা আরো ভয়াবহ হলে খুব কম সংখ্যক মানুষের শেষ আমল হতো ফজরের নামাজ। সেই লিস্টে আপনি থাকতেন তো? উত্তর
হলে, শুধরে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে এখনো। এই কম্পনে টের না পেলেও, চূড়ান্ত কম্পন কিন্তু ঠিকই টের পাইয়ে দিবে। তাই আসুন, সময় থাকতে নিজেদের শুধরে নিই।
''তোমরা কি নিশ্চিত হয়ে গেছো যে, যিনি আসমানে রয়েছেন তিনি তোমাদেরকেসহ এ জমিনকে ধ্বসিয়ে দেবেন না, অতঃপর আকস্মিকভাবে তা থর থর করে কাঁপতে থাকবে?'' [সূরা আল-মুলক : ১৬]
'না'
হলে, শুধরে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে এখনো। এই কম্পনে টের না পেলেও, চূড়ান্ত কম্পন কিন্তু ঠিকই টের পাইয়ে দিবে। তাই আসুন, সময় থাকতে নিজেদের শুধরে নিই।
''তোমরা কি নিশ্চিত হয়ে গেছো যে, যিনি আসমানে রয়েছেন তিনি তোমাদেরকেসহ এ জমিনকে ধ্বসিয়ে দেবেন না, অতঃপর আকস্মিকভাবে তা থর থর করে কাঁপতে থাকবে?'' [সূরা আল-মুলক : ১৬]
😢18❤1
ঢাকায় খুব বড়ো কোনো ভূমিকম্পের আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। একই স্থানে কাছাকাছি সময়ে বারংবার ভূমিকম্প ভয়ানক কিছুর আভাস দেয়, এমনটিই বলছেন তারা। যদি সত্যি সত্যিই এমনটি ঘটে, তাহলে ঢাকা একদম মাটির সঙ্গে মিশে যাবে। গোরস্থানে পরিণত হবে এই নগরী। কারণ এই শহরের ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলার প্রস্তুতি নেই বললেই চলে। আহতদের চিকিৎসা সেবা দেওয়ার জন্য হাসপাতালও হয়তো অবশিষ্ট থাকবে না।
গতকাল ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূকম্পন ঢাকা এবং এর পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলোকে রীতিমতো কাঁপিয়ে দিয়ে গিয়েছিল। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ঢাকা থেকে ১৩ কিলোমিটার পূর্বে নরসিংদীর মাধবদী উপজেলা। এতে দুই শিশুসহ ১০ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এরপর আজ শনিবার সকাল ১০টা ৩৬ মিনিটে ৩ দশমিক ৩ মাত্রার ভূকম্পন অনুভূত হয়। এর উৎপত্তিস্থল ছিল নরসিংদীর পলাশ উপজেলা। সন্ধ্যা ৬টা ৬ মিনিটে রাজধানীর বাড্ডায় ৩ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছে।
সাড়ে ৩১ ঘন্টায় তিন তিনটি ভূমিকম্প ভয়াবহ কিছুরই পূর্বাভাস। শুক্রবারের ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পটির পর বিশেষজ্ঞরা স্বভাবতই আফটার শকের সম্ভাব্যতা জানতেন। ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক হুমায়ূন আখতার বলছেন– আফটার শক হতে হতে বড়ো ভূমিকম্প হতে পারে এবং সেটা খুব নিকটবর্তী সময়ে। যেহেতু ঘোড়াশাল থেকে শুরু হয়েছে, গবেষকদের আশঙ্কা– বড়ো শকটা সেখান থেকেই আসতে পারে।
তাহলে ঢাকার মানুষদের করণীয় কি? আমার মনে হয়– মৃত্যুর প্রস্তুতি নিয়ে রাখাটাই এখন আমাদের একমাত্র নিয়তি। এখানকার কোনো বিল্ডিংয়েরই ব্যাংকক শহরের মতো শক্তিশালী সুরক্ষা বলয় নেই। পুরো শহরটাই গড়ে উঠেছে অপরিকল্পিতভাবে। হায়াত-মউতের বাগডোর নিঃসন্দেহে আল্লাহর হাতে। কিন্তু আমাদের উটের রশি না বাঁধা তথা প্রস্তুতিহীনতার দায় কাকে দেওয়া যায়? বিশেষজ্ঞরা যদি ভুল না হন, তাহলে ভয়াবহ সময়টি ঘনিয়ে আসছে। আসুন প্রস্তুত হই!
'ভূমিকম্প প্রসঙ্গ'/ লাবিব আহসান
গতকাল ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূকম্পন ঢাকা এবং এর পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলোকে রীতিমতো কাঁপিয়ে দিয়ে গিয়েছিল। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ঢাকা থেকে ১৩ কিলোমিটার পূর্বে নরসিংদীর মাধবদী উপজেলা। এতে দুই শিশুসহ ১০ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এরপর আজ শনিবার সকাল ১০টা ৩৬ মিনিটে ৩ দশমিক ৩ মাত্রার ভূকম্পন অনুভূত হয়। এর উৎপত্তিস্থল ছিল নরসিংদীর পলাশ উপজেলা। সন্ধ্যা ৬টা ৬ মিনিটে রাজধানীর বাড্ডায় ৩ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছে।
সাড়ে ৩১ ঘন্টায় তিন তিনটি ভূমিকম্প ভয়াবহ কিছুরই পূর্বাভাস। শুক্রবারের ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পটির পর বিশেষজ্ঞরা স্বভাবতই আফটার শকের সম্ভাব্যতা জানতেন। ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক হুমায়ূন আখতার বলছেন– আফটার শক হতে হতে বড়ো ভূমিকম্প হতে পারে এবং সেটা খুব নিকটবর্তী সময়ে। যেহেতু ঘোড়াশাল থেকে শুরু হয়েছে, গবেষকদের আশঙ্কা– বড়ো শকটা সেখান থেকেই আসতে পারে।
তাহলে ঢাকার মানুষদের করণীয় কি? আমার মনে হয়– মৃত্যুর প্রস্তুতি নিয়ে রাখাটাই এখন আমাদের একমাত্র নিয়তি। এখানকার কোনো বিল্ডিংয়েরই ব্যাংকক শহরের মতো শক্তিশালী সুরক্ষা বলয় নেই। পুরো শহরটাই গড়ে উঠেছে অপরিকল্পিতভাবে। হায়াত-মউতের বাগডোর নিঃসন্দেহে আল্লাহর হাতে। কিন্তু আমাদের উটের রশি না বাঁধা তথা প্রস্তুতিহীনতার দায় কাকে দেওয়া যায়? বিশেষজ্ঞরা যদি ভুল না হন, তাহলে ভয়াবহ সময়টি ঘনিয়ে আসছে। আসুন প্রস্তুত হই!
'ভূমিকম্প প্রসঙ্গ'/ লাবিব আহসান
💔8❤3😢2
হল গুলো অনিরাপদ।
শহরগুলো ঝুঁকিপূর্ণ।
বাঁচতে হলে নিরাপদ স্থান খুঁজতে হবে।
নিরাপদ স্থানের খোঁজ ঠিক কেন করি আমরা?
বাঁচতে?
নাকি পালাতে, মৃত্যু থেকে!
মৃত্যু থেকে কি পালানো যায়?
চাইলেই কি পালিয়ে বাঁচতে পারা যায়?
কোথায় গেলে ঠিক মৃত্যু এড়ানো যাবে, আরও অনেকদিন বেঁচে থাকা যাবে?
মৃত্যুই জীবনের অনিবার্য পরিণতি। কিন্তু, মৃত্যুতেও তো জীবন শেষ নয়; অবস্থান্তর মাত্র!
এরপর?
শহরগুলো ঝুঁকিপূর্ণ।
বাঁচতে হলে নিরাপদ স্থান খুঁজতে হবে।
নিরাপদ স্থানের খোঁজ ঠিক কেন করি আমরা?
বাঁচতে?
নাকি পালাতে, মৃত্যু থেকে!
মৃত্যু থেকে কি পালানো যায়?
চাইলেই কি পালিয়ে বাঁচতে পারা যায়?
কোথায় গেলে ঠিক মৃত্যু এড়ানো যাবে, আরও অনেকদিন বেঁচে থাকা যাবে?
মৃত্যুই জীবনের অনিবার্য পরিণতি। কিন্তু, মৃত্যুতেও তো জীবন শেষ নয়; অবস্থান্তর মাত্র!
এরপর?
😢15
মধুপুরে যে প্লেট আছে ওইটা মধুপুর গড় দিয়ে প্রায় ১০০ কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত।
প্লেটটা একবার ঘর্ষণ হলে ৬.৫+ মাত্রার ভূমিকম্প হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
ভূমিকম্পর উৎপত্তি যদি একবার মধুপুর থেকে হয় তাহলে ঢাকার ৬৫ শতাংশ বিল্ডিং ধসে পড়বে (রাজউক)
এমনকি বর্ষা বা আষাঢ় মাসে উৎপত্তি হলে যমুনার পানি টাঙ্গাইল ঢুকে যাবে বলেও জানিয়েছেন। এটা একবার উৎপত্তি হলে ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, ঢাকাই হবে এই প্লেটের টার্গেট এরিয়া।
২০০৯ সালে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচীর তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে, মধুপুর ফল্ট বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি সক্রিয় ভূমিকম্প বলয়গুলোর মধ্যে অন্যতম...
প্লেটটা একবার ঘর্ষণ হলে ৬.৫+ মাত্রার ভূমিকম্প হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
ভূমিকম্পর উৎপত্তি যদি একবার মধুপুর থেকে হয় তাহলে ঢাকার ৬৫ শতাংশ বিল্ডিং ধসে পড়বে (রাজউক)
এমনকি বর্ষা বা আষাঢ় মাসে উৎপত্তি হলে যমুনার পানি টাঙ্গাইল ঢুকে যাবে বলেও জানিয়েছেন। এটা একবার উৎপত্তি হলে ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, ঢাকাই হবে এই প্লেটের টার্গেট এরিয়া।
২০০৯ সালে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচীর তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে, মধুপুর ফল্ট বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি সক্রিয় ভূমিকম্প বলয়গুলোর মধ্যে অন্যতম...
😢16❤2
শীত শুরু হয়েছে৷ দিনগুলো ছোট হয়ে এসেছে, রাতগুলো দীর্ঘ হয়েছে আগের তুলনায়।
শীত ঋতুটাকে আল্লাহর রাসুল সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মুমিনের বসন্তকাল বলে উল্লেখ করেছিলেন। কারণ—
শীতকালে দিনগুলো তুলনামূলক ছোট হওয়ায় সিয়াম রাখা সহজ হয়৷ ক্লান্তি আর কষ্ট লাগে না।
শীতকালে রাতগুলো তুলনামূলক দীর্ঘ হওয়ায় পর্যাপ্ত ঘুমিয়ে, শেষ রাতে কিয়ামুল লাইলের জন্য জাগা সহজ হয়৷ পর্যাপ্ত ঘুমাতে পারার কারণে ঘুম থেকে কোনো ক্লান্তি শরীরে ভর করে না।
শীত তো উপস্থিত৷ রাখছেন তো আপনার প্রস্তুতি?
শীত ঋতুটাকে আল্লাহর রাসুল সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মুমিনের বসন্তকাল বলে উল্লেখ করেছিলেন। কারণ—
শীতকালে দিনগুলো তুলনামূলক ছোট হওয়ায় সিয়াম রাখা সহজ হয়৷ ক্লান্তি আর কষ্ট লাগে না।
শীতকালে রাতগুলো তুলনামূলক দীর্ঘ হওয়ায় পর্যাপ্ত ঘুমিয়ে, শেষ রাতে কিয়ামুল লাইলের জন্য জাগা সহজ হয়৷ পর্যাপ্ত ঘুমাতে পারার কারণে ঘুম থেকে কোনো ক্লান্তি শরীরে ভর করে না।
শীত তো উপস্থিত৷ রাখছেন তো আপনার প্রস্তুতি?
❤17
মানুষের জীবনে অনেক সময়। ভালো কিছু নিয়ে পার না করলে খারাপ এসে সেই স্থান নেয়। অনেক ভালো কাজের ভিড়ে খারাপ কিছু করার সময়ই হয় না- অথবা উল্টোটা। দিন শেষে হয়ত অনেক ভালো, নয়ত অনেক খারাপ জমা হয় খাতায়।
সময় কিসে পার করছি, সেটা নিয়ে সচেতন হওয়াটা তাই অনেক জরুরি!
Please, Boost Our Channel :
click here
সময় কিসে পার করছি, সেটা নিয়ে সচেতন হওয়াটা তাই অনেক জরুরি!
Please, Boost Our Channel :
click here
💔11👍3
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
রাসুল সাঃ এর ভবিষ্যৎ বানী সম্পর্কে যা বললেন-
এটিএম আজহারুল ইসলাম
🥰16❤6👍1
তাদের জন্য আছে স্থায়ী জান্নাত যার নিম্নদেশে ঝর্ণাধারা প্রবাহিত। সেখানে তাদেরকে অলংকৃত করা হবে স্বর্ণ কংকণে। সূক্ষ্ম ও গাঢ় রেশমের সবুজ পোশাক তারা পরিধান করবে। তারা গদি লাগানো উচ্চাসনে হেলান দিয়ে বসবে।
কতই না উত্তম পুরস্কার!
কতই না উত্তম আশ্রয়স্থল!
.
- সুরা কাহফ, আয়াত ৩১
কতই না উত্তম পুরস্কার!
কতই না উত্তম আশ্রয়স্থল!
.
- সুরা কাহফ, আয়াত ৩১
❤22👍1
Forwarded from Inspire Clips
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
Mizanur Rahman Azhari❤️🩹
❤27