রবের অবাধ্যতার মাঝে যে আনন্দ খুঁজে পায়, জাহান্নামও তাকে একদিন নিজের আনন্দের জন্য খুঁজে নিবে।
©️ আরিফ আজাদ
💔17❤2
মানুষের চাহিদা পূরণের দুইটি পথ আছে।
নিজের চাহিদা পূরণ হলেও অপরের হৃদয়ে আঘাত রেখে যাওয়া।
নিজের চাহিদা পূরণ করা, অথচ অপরের মনে কোনো দাগ না দেওয়া।
যে মানুষ দ্বিতীয় পথ বেছে নিতে পারে, তার তৃপ্তি হয় গভীরতর। কারণ অন্যকে কষ্ট না দিয়ে পাওয়া আনন্দ সবসময়ই প্রথম পথের আনন্দের চেয়ে নির্মল ও দীর্ঘস্থায়ী।
প্রথম পথ—
নিজের চাহিদা পূরণ হলেও অপরের হৃদয়ে আঘাত রেখে যাওয়া।
দ্বিতীয় পথ—
নিজের চাহিদা পূরণ করা, অথচ অপরের মনে কোনো দাগ না দেওয়া।
যে মানুষ দ্বিতীয় পথ বেছে নিতে পারে, তার তৃপ্তি হয় গভীরতর। কারণ অন্যকে কষ্ট না দিয়ে পাওয়া আনন্দ সবসময়ই প্রথম পথের আনন্দের চেয়ে নির্মল ও দীর্ঘস্থায়ী।
লিখা: সংগৃহীত
❤30
নিরব থাকার ফজিলত:
ইসলামের শিক্ষা অনুযায়ী, নিরবতা বা কম কথা বলা অনেক মূল্যবান গুণ হিসেবে বিবেচিত। একটি হাদিসে উল্লেখ করা হয়েছে:
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন,
"যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখে, সে যেন উত্তম কথা বলে অথবা চুপ থাকে।"
(বুখারি, হাদিস: ৬০১৮; মুসলিম, হাদিস: ৪৭)
নিরব থাকার মাহাত্ম্য কেন ইবাদতের চেয়ে উত্তম হতে পারে:
১. অপ্রয়োজনীয় কথা ও পাপ থেকে বাঁচা: কম কথা বললে গুনাহর সম্ভাবনা কমে যায়, যেমন মিথ্যা বলা, গীবত করা বা অন্যকে কষ্ট দেওয়া।
২. মনের প্রশান্তি বৃদ্ধি: নিরবতা মানুষের মনকে শান্ত রাখতে সাহায্য করে এবং অহেতুক ঝগড়া-বিবাদ থেকে রক্ষা করে।
৩. আত্মনিয়ন্ত্রণ ও তাকওয়া অর্জন: নিরবতা ব্যক্তিকে আত্মনিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে, যা আল্লাহর কাছে খুবই প্রিয়।
৪. উপদেশ গ্রহণের সুযোগ: চুপ থাকলে শোনা যায় বেশি, যা জ্ঞানার্জনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
নবী করিম (সা.) এর আরেকটি বাণী:
"মানুষের পাপের মধ্যে অধিকাংশ পাপ তার জিহ্বার কারণে হয়।"
(তিরমিজি, হাদিস: ২৪১২)
অতএব, নিরবতা একজন ব্যক্তির জন্য অত্যন্ত উপকারী এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হতে পারে
লিখা; সংগৃহীত
ইসলামের শিক্ষা অনুযায়ী, নিরবতা বা কম কথা বলা অনেক মূল্যবান গুণ হিসেবে বিবেচিত। একটি হাদিসে উল্লেখ করা হয়েছে:
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন,
"যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখে, সে যেন উত্তম কথা বলে অথবা চুপ থাকে।"
(বুখারি, হাদিস: ৬০১৮; মুসলিম, হাদিস: ৪৭)
নিরব থাকার মাহাত্ম্য কেন ইবাদতের চেয়ে উত্তম হতে পারে:
১. অপ্রয়োজনীয় কথা ও পাপ থেকে বাঁচা: কম কথা বললে গুনাহর সম্ভাবনা কমে যায়, যেমন মিথ্যা বলা, গীবত করা বা অন্যকে কষ্ট দেওয়া।
২. মনের প্রশান্তি বৃদ্ধি: নিরবতা মানুষের মনকে শান্ত রাখতে সাহায্য করে এবং অহেতুক ঝগড়া-বিবাদ থেকে রক্ষা করে।
৩. আত্মনিয়ন্ত্রণ ও তাকওয়া অর্জন: নিরবতা ব্যক্তিকে আত্মনিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে, যা আল্লাহর কাছে খুবই প্রিয়।
৪. উপদেশ গ্রহণের সুযোগ: চুপ থাকলে শোনা যায় বেশি, যা জ্ঞানার্জনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
নবী করিম (সা.) এর আরেকটি বাণী:
"মানুষের পাপের মধ্যে অধিকাংশ পাপ তার জিহ্বার কারণে হয়।"
(তিরমিজি, হাদিস: ২৪১২)
অতএব, নিরবতা একজন ব্যক্তির জন্য অত্যন্ত উপকারী এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হতে পারে
লিখা; সংগৃহীত
❤34
এই জেনারেশনে ভালো ছেলে-মেয়ে পাওয়া খুব কঠিন। খুব!
ভীষণ বিশ্বস্ত মনে হয়— এমন কারও সাথেও খুবই জঘন্যভাবে হেরে যেতে পারেন!
আল্লাহর একান্ত দয়া ছাড়া উপায় নেই। আসলেই নেই। বেশি বেশি আল্লাহর কাছে চাওয়া এবং সূরা ফুরকান-৭৪ নাম্বার আয়াত পড়ে রব্বুল আলামিনের কাছে কান্নাকাটি করে দু'আ করা ছাড়া ভিন্ন কোনো পথ আপাতত দেখছি না।
ফটোকার্ডটা দেখুন— হাজবেন্ড থাকার পরেও বয়ফ্রেন্ডের সাথে ফিজিক্যাল ইন্টেমিসির মাধ্যমে গর্ভবতী হলো।
অথচ হাজবেন্ড জানাবেও না সন্তানটি কার!
আল্লাহুম্মাগফিরলি!
ভীষণ বিশ্বস্ত মনে হয়— এমন কারও সাথেও খুবই জঘন্যভাবে হেরে যেতে পারেন!
আল্লাহর একান্ত দয়া ছাড়া উপায় নেই। আসলেই নেই। বেশি বেশি আল্লাহর কাছে চাওয়া এবং সূরা ফুরকান-৭৪ নাম্বার আয়াত পড়ে রব্বুল আলামিনের কাছে কান্নাকাটি করে দু'আ করা ছাড়া ভিন্ন কোনো পথ আপাতত দেখছি না।
ফটোকার্ডটা দেখুন— হাজবেন্ড থাকার পরেও বয়ফ্রেন্ডের সাথে ফিজিক্যাল ইন্টেমিসির মাধ্যমে গর্ভবতী হলো।
অথচ হাজবেন্ড জানাবেও না সন্তানটি কার!
আল্লাহুম্মাগফিরলি!
💔18👍8😢7❤2
❤16
যখন তুমি দেখবে তোমার হৃদয় কুরআন থেকে দূরে যাচ্ছে, ইবাদতে অলসতা আসছে, আর গুনাহের প্রতি আগ্রহ বেড়ে যাচ্ছে জেনে রেখো, আল্লাহ তোমার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। এখন তোমার কর্তব্য হলো
~ইবনুল কাইয়্যিম (রহিমাহুল্লাহ)
তাওবা করা, কান্না করা, আর নিজের নফসের সাথে জিহাদ করা।
~ইবনুল কাইয়্যিম (রহিমাহুল্লাহ)
💔49😢5👍4
প্রাচীন রোমে যখন রোমান সেনাবাহিনী যুদ্ধজয় করে ফিরত, তখন একদল লোক বিজয়ী সৈন্যদের কানে কানে বলতো— Memento Mori। অর্থাৎ— ‘মনে রেখো, একদিন কিন্তু তুমিও মরবে।’
‘আমরা অমর’— যুদ্ধজয়ের ফলে রোমান সৈন্যবাহিনীর মনে যেন এ ধারণা বদ্ধমূল হয়ে না যায় সে কারণে এই ব্যবস্থা। যাতে তাদের পা মাটিতে থাকে, অহংকার আর অহমিকায় তারা যেন জীবনের পরম সত্য ‘মৃত্যু’কে ভুলে না যায়।
‘আমরা অমর’— যুদ্ধজয়ের ফলে রোমান সৈন্যবাহিনীর মনে যেন এ ধারণা বদ্ধমূল হয়ে না যায় সে কারণে এই ব্যবস্থা। যাতে তাদের পা মাটিতে থাকে, অহংকার আর অহমিকায় তারা যেন জীবনের পরম সত্য ‘মৃত্যু’কে ভুলে না যায়।
❤27👍1
একদিন এমন এক জুমুয়াহবারে, এরকম একটা ঝাঁকুনি দিয়ে ধ্বংস হয়ে যাবে সব। সুরা যিলযালে তো আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা সেই দৃশ্যের ভয়াবহতা বলেই রেখেছেন।
যারা উঁচু দালানকোঠা থেকে এই ভূমিকম্প অনুভব করেছেন, তারা ভালো টের পেয়েছেন এই কম্পন।
সেই দিন আসন্ন। অবশ্যই আসবে। ঠিক এমনই কোনো এক জুমুয়াহবারে।
যারা উঁচু দালানকোঠা থেকে এই ভূমিকম্প অনুভব করেছেন, তারা ভালো টের পেয়েছেন এই কম্পন।
সেই দিন আসন্ন। অবশ্যই আসবে। ঠিক এমনই কোনো এক জুমুয়াহবারে।
😢12❤3
ভেবে দেখেছেন কি? আজ ভূমিকম্পের তীব্রতা আরো ভয়াবহ হলে খুব কম সংখ্যক মানুষের শেষ আমল হতো ফজরের নামাজ। সেই লিস্টে আপনি থাকতেন তো? উত্তর
হলে, শুধরে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে এখনো। এই কম্পনে টের না পেলেও, চূড়ান্ত কম্পন কিন্তু ঠিকই টের পাইয়ে দিবে। তাই আসুন, সময় থাকতে নিজেদের শুধরে নিই।
''তোমরা কি নিশ্চিত হয়ে গেছো যে, যিনি আসমানে রয়েছেন তিনি তোমাদেরকেসহ এ জমিনকে ধ্বসিয়ে দেবেন না, অতঃপর আকস্মিকভাবে তা থর থর করে কাঁপতে থাকবে?'' [সূরা আল-মুলক : ১৬]
'না'
হলে, শুধরে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে এখনো। এই কম্পনে টের না পেলেও, চূড়ান্ত কম্পন কিন্তু ঠিকই টের পাইয়ে দিবে। তাই আসুন, সময় থাকতে নিজেদের শুধরে নিই।
''তোমরা কি নিশ্চিত হয়ে গেছো যে, যিনি আসমানে রয়েছেন তিনি তোমাদেরকেসহ এ জমিনকে ধ্বসিয়ে দেবেন না, অতঃপর আকস্মিকভাবে তা থর থর করে কাঁপতে থাকবে?'' [সূরা আল-মুলক : ১৬]
😢18❤1
ঢাকায় খুব বড়ো কোনো ভূমিকম্পের আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। একই স্থানে কাছাকাছি সময়ে বারংবার ভূমিকম্প ভয়ানক কিছুর আভাস দেয়, এমনটিই বলছেন তারা। যদি সত্যি সত্যিই এমনটি ঘটে, তাহলে ঢাকা একদম মাটির সঙ্গে মিশে যাবে। গোরস্থানে পরিণত হবে এই নগরী। কারণ এই শহরের ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলার প্রস্তুতি নেই বললেই চলে। আহতদের চিকিৎসা সেবা দেওয়ার জন্য হাসপাতালও হয়তো অবশিষ্ট থাকবে না।
গতকাল ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূকম্পন ঢাকা এবং এর পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলোকে রীতিমতো কাঁপিয়ে দিয়ে গিয়েছিল। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ঢাকা থেকে ১৩ কিলোমিটার পূর্বে নরসিংদীর মাধবদী উপজেলা। এতে দুই শিশুসহ ১০ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এরপর আজ শনিবার সকাল ১০টা ৩৬ মিনিটে ৩ দশমিক ৩ মাত্রার ভূকম্পন অনুভূত হয়। এর উৎপত্তিস্থল ছিল নরসিংদীর পলাশ উপজেলা। সন্ধ্যা ৬টা ৬ মিনিটে রাজধানীর বাড্ডায় ৩ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছে।
সাড়ে ৩১ ঘন্টায় তিন তিনটি ভূমিকম্প ভয়াবহ কিছুরই পূর্বাভাস। শুক্রবারের ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পটির পর বিশেষজ্ঞরা স্বভাবতই আফটার শকের সম্ভাব্যতা জানতেন। ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক হুমায়ূন আখতার বলছেন– আফটার শক হতে হতে বড়ো ভূমিকম্প হতে পারে এবং সেটা খুব নিকটবর্তী সময়ে। যেহেতু ঘোড়াশাল থেকে শুরু হয়েছে, গবেষকদের আশঙ্কা– বড়ো শকটা সেখান থেকেই আসতে পারে।
তাহলে ঢাকার মানুষদের করণীয় কি? আমার মনে হয়– মৃত্যুর প্রস্তুতি নিয়ে রাখাটাই এখন আমাদের একমাত্র নিয়তি। এখানকার কোনো বিল্ডিংয়েরই ব্যাংকক শহরের মতো শক্তিশালী সুরক্ষা বলয় নেই। পুরো শহরটাই গড়ে উঠেছে অপরিকল্পিতভাবে। হায়াত-মউতের বাগডোর নিঃসন্দেহে আল্লাহর হাতে। কিন্তু আমাদের উটের রশি না বাঁধা তথা প্রস্তুতিহীনতার দায় কাকে দেওয়া যায়? বিশেষজ্ঞরা যদি ভুল না হন, তাহলে ভয়াবহ সময়টি ঘনিয়ে আসছে। আসুন প্রস্তুত হই!
'ভূমিকম্প প্রসঙ্গ'/ লাবিব আহসান
গতকাল ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূকম্পন ঢাকা এবং এর পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলোকে রীতিমতো কাঁপিয়ে দিয়ে গিয়েছিল। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ঢাকা থেকে ১৩ কিলোমিটার পূর্বে নরসিংদীর মাধবদী উপজেলা। এতে দুই শিশুসহ ১০ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এরপর আজ শনিবার সকাল ১০টা ৩৬ মিনিটে ৩ দশমিক ৩ মাত্রার ভূকম্পন অনুভূত হয়। এর উৎপত্তিস্থল ছিল নরসিংদীর পলাশ উপজেলা। সন্ধ্যা ৬টা ৬ মিনিটে রাজধানীর বাড্ডায় ৩ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছে।
সাড়ে ৩১ ঘন্টায় তিন তিনটি ভূমিকম্প ভয়াবহ কিছুরই পূর্বাভাস। শুক্রবারের ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পটির পর বিশেষজ্ঞরা স্বভাবতই আফটার শকের সম্ভাব্যতা জানতেন। ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক হুমায়ূন আখতার বলছেন– আফটার শক হতে হতে বড়ো ভূমিকম্প হতে পারে এবং সেটা খুব নিকটবর্তী সময়ে। যেহেতু ঘোড়াশাল থেকে শুরু হয়েছে, গবেষকদের আশঙ্কা– বড়ো শকটা সেখান থেকেই আসতে পারে।
তাহলে ঢাকার মানুষদের করণীয় কি? আমার মনে হয়– মৃত্যুর প্রস্তুতি নিয়ে রাখাটাই এখন আমাদের একমাত্র নিয়তি। এখানকার কোনো বিল্ডিংয়েরই ব্যাংকক শহরের মতো শক্তিশালী সুরক্ষা বলয় নেই। পুরো শহরটাই গড়ে উঠেছে অপরিকল্পিতভাবে। হায়াত-মউতের বাগডোর নিঃসন্দেহে আল্লাহর হাতে। কিন্তু আমাদের উটের রশি না বাঁধা তথা প্রস্তুতিহীনতার দায় কাকে দেওয়া যায়? বিশেষজ্ঞরা যদি ভুল না হন, তাহলে ভয়াবহ সময়টি ঘনিয়ে আসছে। আসুন প্রস্তুত হই!
'ভূমিকম্প প্রসঙ্গ'/ লাবিব আহসান
💔8❤3😢2