ইলম হলো 'আগুন'। এর ব্যবহার জানলে লোহা গালিয়েও আসবাব বানানো যায়। আর ব্যবহার না জানলে তাতে সবকিছু পুড়ে ভস্ম হয়ে যায়।
❤23👍4
Forwarded from Inspire Clips
কাউকে আপনার ভালো লাগে, কাউকে আপনি নিঃশব্দে ভালোবাসেন— কিন্তু কোনো না কোনো কারণে তা আর বলা হয়ে ওঠে না; মানসিক যন্ত্রণার অভিধানে এরচেয়ে নির্মম ট্রমা বোধহয় আর কিছুই নেই।
ভালোবাসা যদি বলা না যায়, সেটা কেবল একতরফা কষ্টই নয় — বরং একধরনের দীর্ঘস্থায়ী মানসিক বেদনা হয়ে যায়। কারণ আপনি জানেন, আপনার অনুভূতি কতটা গভীর, কিন্তু অন্যজন জানেই না।
অথচ সেই মানুষটি হয়তো দিনে দিনে দূরে চলে যাচ্ছে, কিংবা অন্য কারও আপন হয়ে যাচ্ছে — কিন্তু আপনি কিছুই বলতে পারছেন না। করতেও পারছেন না।
এই না বলতে পারার যন্ত্রণাটা ঠিক যেন এমন—
“আকাশে মেঘ জমেছে, কিন্তু বৃষ্টি নামছে না।
মনের ভেতর ঢেউ উঠছে, কিন্তু কেউ শুনছে না।”
এটা এক ধরনের 'emotional suffocation'— শব্দহীন শ্বাসরোধ।
মানুষের মস্তিষ্ক অনেক রকম ব্যথা নিতে পারে, কিন্তু না বলা ভালোবাসার ভার— যা এক ভয়ংকর নিঃশব্দ বিষাদ, সেটা— খুব বেশি মানুষ নিতে পারে না। দিনের পর দিন এই জিনিসটা আপনার মনকে খেয়ে ফেলে। হৃদয়কে চুরচুর করে ফেলে।
তবে আশার কথা হলো— এই ব্যথা মানুষকে অনেক সংবেদনশীল করে তোলে, গভীর মানুষ বানায়।
সাহিত্যে, কবিতায়, জীবনের উপলব্ধিতে এই কষ্ট গভীর একটা দাগ ফেলে যায়। অতঃপর কখনো কখনো সেই দাগ থেকেই কারও কারও জীবন দারুণ কিছু হয়ে ওঠে।
#উপলব্ধি
ভালোবাসা যদি বলা না যায়, সেটা কেবল একতরফা কষ্টই নয় — বরং একধরনের দীর্ঘস্থায়ী মানসিক বেদনা হয়ে যায়। কারণ আপনি জানেন, আপনার অনুভূতি কতটা গভীর, কিন্তু অন্যজন জানেই না।
অথচ সেই মানুষটি হয়তো দিনে দিনে দূরে চলে যাচ্ছে, কিংবা অন্য কারও আপন হয়ে যাচ্ছে — কিন্তু আপনি কিছুই বলতে পারছেন না। করতেও পারছেন না।
এই না বলতে পারার যন্ত্রণাটা ঠিক যেন এমন—
“আকাশে মেঘ জমেছে, কিন্তু বৃষ্টি নামছে না।
মনের ভেতর ঢেউ উঠছে, কিন্তু কেউ শুনছে না।”
এটা এক ধরনের 'emotional suffocation'— শব্দহীন শ্বাসরোধ।
মানুষের মস্তিষ্ক অনেক রকম ব্যথা নিতে পারে, কিন্তু না বলা ভালোবাসার ভার— যা এক ভয়ংকর নিঃশব্দ বিষাদ, সেটা— খুব বেশি মানুষ নিতে পারে না। দিনের পর দিন এই জিনিসটা আপনার মনকে খেয়ে ফেলে। হৃদয়কে চুরচুর করে ফেলে।
তবে আশার কথা হলো— এই ব্যথা মানুষকে অনেক সংবেদনশীল করে তোলে, গভীর মানুষ বানায়।
সাহিত্যে, কবিতায়, জীবনের উপলব্ধিতে এই কষ্ট গভীর একটা দাগ ফেলে যায়। অতঃপর কখনো কখনো সেই দাগ থেকেই কারও কারও জীবন দারুণ কিছু হয়ে ওঠে।
#উপলব্ধি
❤16
সাধারণত কাউকে ভয় পেলে আমরা তার কাছ থেকে পালিয়ে বেড়াই, দূরে দূরে থাকি কিন্তু আল্লাহকে ভয় পাওয়াটা একেবারেই অন্য জিনিস!
এই ভয় যত বেশি প্রকট হয়, আমরা ততোই আল্লাহর কাছাকাছি চলে আসি।
লেখা: আরিফ আজাদ।
এই ভয় যত বেশি প্রকট হয়, আমরা ততোই আল্লাহর কাছাকাছি চলে আসি।
লেখা: আরিফ আজাদ।
❤35🥰4
না-পাওয়ার অভিযোগ নিয়ে গিয়েছিলাম আল্লাহর দরবারে। বলেছিলাম— আমার তো কিছুই নেই, আপনি তো কিছুই দিলেন না!
আল্লাহ চুপচাপ আমার জীবনের দেওয়া তালিকাটা খুলে দেখালেন, বেঁচে থাকা, নিঃশ্বাস নেওয়া, পরিবার, খাবার, আলো, আকাশ, আরও কত কিছু!
আমি থমকে গেলাম। একটাও না-পাওয়ার তালিকা ওনার দেওয়া তালিকার পাশে দাঁড়াতে পারলো না।
মনে হলো, আমি খুব অন্যায় করেছি। চোখ ভিজে উঠলো, মাথা নিচু হয়ে গেলো। চুপচাপ ফিরে এলাম, কিছু বলার সাহস ছিল না। আল্লাহর কাছে সবচেয়ে লজ্জার অনুভবটুকু নিয়ে আমি শুধু ভাবলাম— আমি কত অকৃতজ্ঞ ছিলাম।
আল্লাহ চুপচাপ আমার জীবনের দেওয়া তালিকাটা খুলে দেখালেন, বেঁচে থাকা, নিঃশ্বাস নেওয়া, পরিবার, খাবার, আলো, আকাশ, আরও কত কিছু!
আমি থমকে গেলাম। একটাও না-পাওয়ার তালিকা ওনার দেওয়া তালিকার পাশে দাঁড়াতে পারলো না।
মনে হলো, আমি খুব অন্যায় করেছি। চোখ ভিজে উঠলো, মাথা নিচু হয়ে গেলো। চুপচাপ ফিরে এলাম, কিছু বলার সাহস ছিল না। আল্লাহর কাছে সবচেয়ে লজ্জার অনুভবটুকু নিয়ে আমি শুধু ভাবলাম— আমি কত অকৃতজ্ঞ ছিলাম।
💔31❤9🥰2😢2👍1
গোটা দুনিয়াকে বদলানোর দায়িত্ব আপনার কাঁধে দেওয়া হয়নি৷ আপনার দায়িত্ব খুব ছোট— প্রথমে নিজেকে বদলান, তারপরে পরিবার। এই দুই জায়গাতে সফল হলে আপনার প্রতিবেশির দিকে তাকান। তারপর আপনার আপন সমাজ৷ গোটা দুনিয়া কেনো রসাতলে গেলো— সেটা নিয়ে ভাবতে ভাবতে আমরা নিজেরা যেন রসাতলে না চলে যাই৷
❤33👍9
দিনকে দিন মাদরাসার সংখ্যা বেড়েই চলছে। বাড়ছে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যাও। যথেষ্ট সুখবর, আনন্দের বিষয়— আলহামদুলিল্লাহ।
চারদিকে ফিতনার যে ডামাডোল, সেই লাগামহীন ফিতনা ও বেলেল্লাপনা থেকে বাচতে মানুষ এখন নিজেদের সন্তানগুলোকে বড়ো আশা নিয়ে মাদরাসায় দেয়, কিন্তু সেখানেও যদি বদমায়েশদের উদোম নৃত্য বিরাজমান থাকে, তাহলে মানুষের ভরসা যাবে কোথায়? কাকে ভরসা করবে এই জমিনের ঈমানদার সহজ-সরল মানুষগুলো?
যারা মানুষের এই নীরব ভরসার জায়গাগুলো নষ্ট করে দেয়, এদেরকে কী করা উচিৎ? দুনিয়াতেই কি এদের জীবনকে জাহান্নাম বানিয়ে ছেড়ে দেওয়া উচিত না?
বলছিলাম সম্প্রতি ঘটে যাওয়া টাঙ্গাইলের ভাইফোঁড় একটি মাদরাসার কথা। তা-ও আবার মহিলা মহিলা মাদরাসা।
ইউটিউব স্ক্রলিং করতে করতে টাঙ্গাইলের সেই মাদরাসার একটা ভিডিয়ো সামনে আসলো সন্ধ্যার সময়, যেখানে একজন অভিভাবক অনেক হতাশা আর আক্ষেপ নিয়ে এক জানোয়ারকে চড় থাপ্পড় দিচ্ছে দেখলাম।
ওই জানোয়ারটা ছোট্ট ছোট্ট কিশোরীদের সাথে যা করেছে, তা কোনো সুস্থ মস্তিষ্ক ভাবতে কিংবা কল্পনাও পারবে না।
এমন অভিশপ্ত কুলাঙ্গারদের শরিয়াহ কর্তৃক আরোপিত শাস্তি হাতে হাতে পাইয়ে দেওয়াটাই সর্বোত্তম জবাব হতে পারে।
এসব যেন ঘটে, সেজন্য আমার পরামর্শ হচ্ছে— মোড়ে মোড়ে, দালানে দালানে মন চাইলেই মাদরাসা (কওমি) দেওয়া বন্ধ করা হোক।
আদতে এর পেছনে কোনো মহৎ উদ্দেশ্য মোটেই কার্যকর থাকে না।
বরং এই সুযোগে কিছু ছোটোলোক, ছ্যাঁচড়, খচ্চর, ফকিন্নি, মূর্খ, পার্ভার্ট ও অজাতেরা নিজেদের পেট ও ছ্যাঁটের লোভে ইচ্ছেমত প্রতিষ্ঠান দিয়ে দেয়।
দিয়ে নিজের পাশাপাশি আস্ত একটা কমিউনিটিকে, এমনকি আল্লাহর দ্বীনকেও কাফির-মুরতাদ, মডারেট ও মুনাফিকদের নিকট হাস্যরসে পরিণত করে ফেলে।
শুধু হাস্যরস না, পুরো দ্বীনের শিয়ারকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে ফেলে এসব জাহিল ছ্যাঁচড়রা।
সুতরাং, সুনির্দিষ্ট শর্ত ও নীতিমালা পূর্ণ করা ছাড়া কোনো ধরনের মাদরাসা, অন্তত আবাসিক ও মহিলা মাদরাসা প্রতিষ্ঠার অনুমোদন যেন দেওয়া না হয়।
সুন্দর এবং সুসংহত নীতিমালা করার পরও যদি কোনো পার্ভার্ট কর্তৃক পার্ভার্সন প্রকাশিত হয়, তাহলে তাকে কর্তৃপক্ষ নিজেরা শাস্তি প্রদানের পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগেই যেন আদালতে সোপর্দ করে।
এতে বদমায়েশ আর জানোয়ারদের লালা কম ঝরবে। মানুষের ঈমান, ইজ্জত নিরাপদ হবে।
~রেদওয়ান রাওয়াহা
সংবাদটির লিঙ্ক কমেন্ট বক্সে👇👇
চারদিকে ফিতনার যে ডামাডোল, সেই লাগামহীন ফিতনা ও বেলেল্লাপনা থেকে বাচতে মানুষ এখন নিজেদের সন্তানগুলোকে বড়ো আশা নিয়ে মাদরাসায় দেয়, কিন্তু সেখানেও যদি বদমায়েশদের উদোম নৃত্য বিরাজমান থাকে, তাহলে মানুষের ভরসা যাবে কোথায়? কাকে ভরসা করবে এই জমিনের ঈমানদার সহজ-সরল মানুষগুলো?
যারা মানুষের এই নীরব ভরসার জায়গাগুলো নষ্ট করে দেয়, এদেরকে কী করা উচিৎ? দুনিয়াতেই কি এদের জীবনকে জাহান্নাম বানিয়ে ছেড়ে দেওয়া উচিত না?
বলছিলাম সম্প্রতি ঘটে যাওয়া টাঙ্গাইলের ভাইফোঁড় একটি মাদরাসার কথা। তা-ও আবার মহিলা মহিলা মাদরাসা।
ইউটিউব স্ক্রলিং করতে করতে টাঙ্গাইলের সেই মাদরাসার একটা ভিডিয়ো সামনে আসলো সন্ধ্যার সময়, যেখানে একজন অভিভাবক অনেক হতাশা আর আক্ষেপ নিয়ে এক জানোয়ারকে চড় থাপ্পড় দিচ্ছে দেখলাম।
ওই জানোয়ারটা ছোট্ট ছোট্ট কিশোরীদের সাথে যা করেছে, তা কোনো সুস্থ মস্তিষ্ক ভাবতে কিংবা কল্পনাও পারবে না।
এমন অভিশপ্ত কুলাঙ্গারদের শরিয়াহ কর্তৃক আরোপিত শাস্তি হাতে হাতে পাইয়ে দেওয়াটাই সর্বোত্তম জবাব হতে পারে।
এসব যেন ঘটে, সেজন্য আমার পরামর্শ হচ্ছে— মোড়ে মোড়ে, দালানে দালানে মন চাইলেই মাদরাসা (কওমি) দেওয়া বন্ধ করা হোক।
আদতে এর পেছনে কোনো মহৎ উদ্দেশ্য মোটেই কার্যকর থাকে না।
বরং এই সুযোগে কিছু ছোটোলোক, ছ্যাঁচড়, খচ্চর, ফকিন্নি, মূর্খ, পার্ভার্ট ও অজাতেরা নিজেদের পেট ও ছ্যাঁটের লোভে ইচ্ছেমত প্রতিষ্ঠান দিয়ে দেয়।
দিয়ে নিজের পাশাপাশি আস্ত একটা কমিউনিটিকে, এমনকি আল্লাহর দ্বীনকেও কাফির-মুরতাদ, মডারেট ও মুনাফিকদের নিকট হাস্যরসে পরিণত করে ফেলে।
শুধু হাস্যরস না, পুরো দ্বীনের শিয়ারকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে ফেলে এসব জাহিল ছ্যাঁচড়রা।
সুতরাং, সুনির্দিষ্ট শর্ত ও নীতিমালা পূর্ণ করা ছাড়া কোনো ধরনের মাদরাসা, অন্তত আবাসিক ও মহিলা মাদরাসা প্রতিষ্ঠার অনুমোদন যেন দেওয়া না হয়।
সুন্দর এবং সুসংহত নীতিমালা করার পরও যদি কোনো পার্ভার্ট কর্তৃক পার্ভার্সন প্রকাশিত হয়, তাহলে তাকে কর্তৃপক্ষ নিজেরা শাস্তি প্রদানের পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগেই যেন আদালতে সোপর্দ করে।
এতে বদমায়েশ আর জানোয়ারদের লালা কম ঝরবে। মানুষের ঈমান, ইজ্জত নিরাপদ হবে।
~রেদওয়ান রাওয়াহা
সংবাদটির লিঙ্ক কমেন্ট বক্সে👇👇
❤11😢1💔1
Forwarded from Inspire Clips
শা-লী দুলাভাই, দেবর ভাবীদের ভেতর ইয়ার্কি, ফ্লার্টিং, লুতুপুতু টাইপ সম্পর্ক নরমালাইজ করেছিলো কে? এটা জরুরি ছিলো? sorry to say এই কনসেপ্ট আমার একদম অপছন্দ।
❤13🔥2😢1