আলোর পথ
10.2K subscribers
2.59K photos
716 videos
35 files
291 links
আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল (সা.) প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পূর্ণ বিন্যাস করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।
Download Telegram
অঙ্কে খারাপ করলে আম্মু রাগ হতো খুব।

ধর্ম, সমাজ বা বাংলাতে খারাপ করলে আম্মুকে আমি কখনও রাগ করতে দেখিনি।

অথচ ম্যাথমেটিক্সে ১ মার্ক কম পাইলেও আম্মুর রাগটা হতো দেখার মতো।

প্রথমেই রেজাল্ট কার্ডটা ছুড়ে ফেলতেন। তারপর আমার কলার ধরে আমাকে তুলে বসাতেন ডাইনিং টেবিলের উপর। তারপর আমাকে দিতেন তার কষ্টের ইয়া বড় ফিরিস্তি।

তোর জন্য আমি কী না করেছি? চাকরি ছেড়েছি, সকাল থেকে রাত পর্যন্ত তোরে আমি পানির জগটা পর্যন্ত ধরতে দিই না। ভোরে উঠে টিফিন বানাইয়া রেডি করে দিই। আবার দুপুরে নিয়ে আসি। এইসব দেখার জন্য?

ক্লাস ফাইভের পরীক্ষায় একশো তুলতে পারিস না, তুই ইঞ্জিনিয়ার হবি কী করে?


আমি চুপচাপ আম্মুর কথা শুনি। আমার অসহ্য লাগে। চিৎকার করে বলতে ইচ্ছা করে, আমি ইঞ্জিনিয়ার হবো না। আমার চিৎকার গলাতেই আটকাতে যায়। আম্মু এখন রেগে আগুন। সেই আগুনে ঘি ঢালার সাহস আমার নাই।

আম্মুর দ্বিতীয় দফার শাসন শুরু হতো নাহিদ ভাইয়া পড়াতে আসার পর।

নাহিদ ভাইয়া চোখ নিচু করে বসে থাকতো। আমার এতো লজ্জা লাগতো যে বলার না। আম্মুর লজ্জা লাগতো না। তিনি এক নাগাড়ে বলেই যেতেন, এতোগুলো টাকা তো বাবা মুখ দেখতে দিই না আমরা। আমাদেরও কষ্টের টাকা। ন্যাশনালের টিচার রেখে রাফি এতো মার্কস পাইলে পাবলিক ইউনিভার্সিটির স্টুডেন্ট রেখে আমার লাভ কী বলো?

নাহিদ ভাই উত্তর দেন না।

আমি বুঝি, উনি নিরুপায়। আমার মতোই।

সেদিন আর পড়ানোটা জমে না। আমরা রোবটের মতো ক্যালকুলেশন করতে থাকি।

লেখাপড়া আমি করি না, এমন না। বাট পরীক্ষার হলে আমার কী যেন হয়ে যায়, আমার অঙ্ক কোনভাবেই মেলে না। এখানে আমার দোষটা কী?

২.
বাবার সাথে আমার দেখা হয় কম।

প্রথম কারণ,
উনি ব্যাংকের কাজে ভয়ঙ্কর ব্যস্ত থাকেন। দ্বিতীয় কারণ, আমি উনাকে ভয় পাই।


একবার বাবা আমাকে গল্পের ছলেই প্রশ্ন করেছিলো, আজ স্কুলে কী শিখলে, বাবা? আমি আমার নতুন শেখা কবিতাটা বাবাকে বলি,

আম্মু বলেন, পড়রে সোনা
আব্বু বলেন, মন দে।
পাঠে আমার মন বসে না
কাঁঠালচাঁপার গন্ধে।

আমার কেবল ইচ্ছে জাগে
নদীর কাছে থাকতে,
বকুল ডালে লুকিয়ে থেকে
পাখির মতো ডাকতে।

সবাই যখন ঘুমিয়ে পড়ে
কর্ণফুলীর কূলটায়,
দুধভরা ওই চাঁদের বাটি
ফেরেশতারা উল্টায়।

তখন কেবল ভাবতে থাকি
কেমন করে উড়ব......

বাবা আমাকে থামিয়ে দেন। বলেন, চাঁদ কোন বাটি না। চাঁদ একটা উপগ্রহ। আর চাঁদ কোন ফেরেশতারা উল্টায় না। তোমাদের স্কুলের বিজ্ঞান কে শেখায়? বলো, ১৪৪ এর বর্গমূল করলে কত হবে?

আমি বলতে পারি না। থেমে যাই।

বাবা আম্মুর সাথে রাগে গজগজ করে। এখন তো চাকরির বাজার খুব খারাপ। এর ম্যাথ এর যদি এই অবস্থা হয়, ভবিষ্যতে কী করবে? তুমি দ্যাখো না কেন কিছু......

সেদিন থেকে বাবাকে আমি খুব ভয় পাই।

কারণ আপনাদের আগেই বলেছি, ম্যাথ জিনিসটা আমার একদমই পছন্দ না।

৩.
টুটুল ছিলো আমার বেস্টফ্রেন্ড।

হ্যা, স্কুলের বেস্টফ্রেন্ড যেমন হয়, অমনই। টুটুল ক্লাসে না আসলে আমিও ক্লাস করি না। আমরা এক বেঞ্চে বসতাম। টিফিন ভাগাভাগি করে খেতাম। একবার স্যার টুটুলকে বের করে দিলো। সাথে সাথে আমিও বের হয়ে গেলাম।

ফাইভের বৃত্তির রেজাল্ট হওয়ার পর আমার খুব মন খারাপ হলো। বৃত্তিটা আমি পাইনি, তাই।

তবে যখন জানলাম বৃত্তিটা পেয়েছে টুটুল, তখন আমার আর কোন খারাপ লাগা ছিলো না। আমি আনন্দে দুইটা ডিগবাজি দিলাম। আম্মুকে এসে খবরটা দিলাম হাসতে হাসতে।

এবং সেই প্রথমবার আম্মু আমার গায়ে হাত তুললো।

রাতে আব্বু এসে বোঝালো, টুটুল কীভাবে আমি বোকা বানিয়েছে। আমাকে পড়তে না দিয়ে নিজে চুপিচুপি পড়েছে। এরপর আব্বু মাথায় শক্ত করে হাত দিয়ে বলেছিলো,
বি ক্যালকুলেটিভ

। মেইক শিওর, তোমারে যেন কেউ ইউজ করতে না পারে। ক্লিয়ার?

আমি মাথা নাড়াই। পরদিন টুটুলকে বাটপার, বেঈমান যত কিছু আছে বলে গালি দিয়েছিলাম। মিষ্টির প্যাকেট ফেলে দিয়ে টুটুল সেই যে কানতে কানতে চলে গেল, আর কখনও আমার সামনে এলো না।

সেই থেকে আমার আর কোন বেস্টফ্রেন্ড হয় নাই কখনও। ভেবেছিলাম আর হবেও না।

ক্যালকুলেশন দিয়ে ফ্রেন্ড বানানো সম্ভব। বেস্টফ্রেন্ড না।

কিন্তু না, ক্লাস নাইনে উঠে আমার বেস্ট ফ্রেন্ড হলো। আরেকটা।

৪.
বাহাদুরের সাথে আমার পরিচয়টা রাস্তায়।

প্রথম প্রথম যখন পিছে পিছে আসতো, ভয় পেয়েছিলাম খুব। ছোটবেলা থেকেই আমি কুত্তা ডরাই কি না!

কিন্তু স্কুল শেষে বের হয়েও যখন দেখলাম মাঠের কোণে বসে আমার জন্য ওয়েট করছে, অদ্ভুত এক ভালো লাগায় ভরে গিয়েছিলো আমার মন। কতদিন পর কেউ আমার জন্য ওয়েট করলো!!

রাস্তার বন্ধুত্বটা দিন দিন গাঢ় হতে লাগলো। কোনদিন পাউরিটি কিনে দিতাম, কোনদিন দিতাম আমার টিফিন বক্সের পুরোটাই। বাহাদুর খেতে খেতে কুই কুই শব্দ করতো। আমি ওর মাথায় হাত রাখতাম।

আমার সাথে স্কুল পর্যন্ত যাওয়া আবার বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে আসা হয়ে দাঁড়াল ওর রোজকার একটা রুটিন।
4💔2
পোলাপাইন আমাকে খেপাত কুকুর বডিগার্ড নিয়ে আসার জন্য। আমার গায়ে লাগতো না একটুও। ভালোবাসা আর মায়া অদ্ভুত একটা জিনিস। একবার জমে গেলে কিছুই আর গায়ে লাগে না।

৫.
বাবার বদলির নোটিশ আসলো বছর খানেক পর।

দুইদিনের মধ্যে আমাদের বাসার সবকিছু ট্রাকে উঠে গেল। জায়গা হলো না শুধু বাহাদুরের। আমি বাবার পা ধরলাম, মায়ের আচল ধরলাম, মাটিতে গড়াগড়ি খাইলাম। লাভ হলো না।

বাহদুরের ছলছল চোখের সামনে দিয়ে চলে গেল আমাদের ট্রাক। বাবা তখন আমাকে বোঝাচ্ছেন,
বি ক্যালকুলেটিভ

। একটা কুত্তাকে এতোদূর নিয়ে গিয়ে লাভটা কী বলো?
ছেলে মানুষ, এতো ইমোশনাল হলে চলে?


৬.
তিথির সাথে আমার সম্পর্কটা যে বাসায় মানবে না, আমি ভালো করেই জানতাম।

বাট আম্মু যে লোক পাঠাইয়া তিথির বাসায় হুমকি দিয়া আসবে, এতোদূর আমি ভাবিনি কখনও।

তিথি অবশ্য শক্ত মেয়ে ছিলো। আমার চোখে চোখ রেখে বলেছিল, আমাকে নিয়ে পালাতে পারবা?

আমি চোখ নামিয়ে নিয়েছিলাম। তিথি আর কখনওই আমার সামনে আসে নাই। ভেবেছিলাম, সহজেই ভুলে যাবো।

বাট পারলাম না। ঘুম উধাও হয়ে গেল। খাওয়া দাওয়া ছেড়ে দিলাম। লেখাপড়াও। এখানে সেখানে ঘুরি। একদিন চেক করার জন্য ইট দিয়ে হাতে বাড়ি দিলাম। একটুও ব্যথা লাগলো না আমার। বুঝলাম, আমার অনুভূতি মরে গেছে।

পরের সপ্তাহে আমাকে ধরে বেঁধে হাসপাতালে ভর্তি করা হলো। বাবা বলে দিলো, ওরে সুস্থ করতে হবে ডাক্তার। আমার একটিমাত্র ছেলে, খুব আদরে মানুষ করেছি।

ডাক্তার আমাকে ঘুম পাড়িয়ে দিলেন।

৭.
বিয়ের তিন বছর পর আমি বাবা হলাম।

বাবা হতে পেরে আমি খুশি। আব্বু আম্মু আরো বেশি খুশি। ততদিনে আমি এমবিএ শেষ করে সিক্স ডিজিট স্যালারিতে তিন বছর পার করে ফেলেছি। কিছুদিনের মধ্যেই সাত ডিজিট হবে বলে অফিসে জোর গুঞ্জন।

এর মধ্যে তরু বললো, দেশের এজুকেশন সিস্টেমের কী অবস্থা, দেখেছ?

আমি মাথা নাড়াই।

ও বলতে থাকে, মাথা নাড়ালে তো হবে না। বাবা হয়েছো, ছেলের ভবিষ্যত নিয়েও তো কিছু ভাবতে হবে। কানাডা না হোক,ইউরোপে মাইগ্রেটের চেষ্টা তো আমরা করতেই পারি? এই দেশে বাচ্চা মানুষ করতে ইচ্ছা করে না আমার।

আমি নিজেও যে ব্যাপারটা নিয়ে ভাবি নি, তা না।

তরুর কথা শোনার পর আরো জোরেশোরে ভাবা শুরু করি।

সবকিছুর ক্যালকুলেশন করি। বাড়ি, গাড়ি, ক্যারিয়ার সুইচ, ডেবিট, ক্রেডিট, পিআর পাইতে কতদিন লাগবে, স্কুলিং সিস্টেম বা ডে কেয়ার সিস্টেম। সেভিংস বা ইনস্যুরেন্স। সবকিছু গুছাইয়া উঠতে বেশ কষ্ট হলেও শেষপর্যন্ত এদিক ওদিক করে ম্যানেজ করে ফেলি।

বাবা বলে
, কবে যাচ্ছি তাহলে?

মা বলে,
কানাডায় নাকি খুব ঠান্ডা?


আমি তারচেয়েও ঠান্ডা কন্ঠে বলি,
আমরা যাচ্ছি। তোমরা যাচ্ছো না।


৮.
এরপর মা বাবা অনেক চিৎকার চেচামেচি করেছে।

আমার কানে আসেনি আর।

তিথিরে ছাড়ার পর থেকে আমি আর মানুষ ছাড়তে ভয় পাই না। আমারে ভয় দেখাইয়া লাভ আছে?

আম্মু বলে,
এইদিন দেখার জন্য তোরে পেটে ধরসিলাম? একলা থাকবো কিভাবে এখানে?


আমি বলি, বাহাদুরও তো একলাই ছিলো, আম্মু!!

বাবা বলে, এই তোরে শিক্ষা দিয়েছি? বাবার প্রতি এতোটুকু ভালোবাসা নাই?

আমি বলি,
ক্যালকুলেশন বাবা।

তোমারে আর মারে নিয়ে গিয়ে আমার লাভটা কী?
বুড়ো মানুষ, কোন কাজ করতে পারবা না, বাইরে চিকিৎসার আর ওষুধের খরচ জানো? এসব করতে গেলে আমি আমার বাচ্চা মানুষ করবো কীভাবে?


আর তুমি আমাকে ক্যালকুলেশন শিখিয়েছো। ভালোবাসা শেখাওনি তো!!

বাবা শেষপর্যন্ত চুপ হয়েছিলো। চুপ হয়নি আম্মু।

আমাদের ফ্লাইটের দিন যত আগাইয়া আসতে থাকে, আম্মু তত পাগলের মতো করতে থাকে। কোনদিন সমাজের দোহাই দেয়, কোনদিন ধর্ম কোনদিন আবার দোহাই দেয় বাঙ্গালী কালচারের।

বোকা মেয়ে!!

বাংলা, ধর্ম আর সমাজ আমি সেই কবেই ছেড়ে এসেছি।


এখন আমি শুধু
ম্যাথমেটিক্স

বুঝি। সারাজীবন ক্যালকুলেশন শিখিয়ে এখন আমার কাছে
সমাজবিজ্ঞান বা ধর্ম আশা

করলে কীভাবে হবে!!

যত্তসব ডিজগাস্টিং ব্যাকডেটেড বুড়ো মানুষের দল!!

লেখা: সেহেরি টেইলস

@alolpath
7😢5💔3
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
“আল্ল-হুম্মা সল্লি ওয়া সাল্লিম ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ💖
(সল্লল্ল-হু আ'লাইহি ওয়াসাল্লাম)”

#JummaMubarak
15
হারামের মাঝে ডুবে থাকে যার চোখ
কীভাবে সে হালালে দিবে মনোযোগ?

আরিফ আজাদ
😢35
পুরান ঢাকার হত্যা*কাণ্ড বাংলাদেশের ইতিহাসের জঘন্যতম হ*ত্যা। এই হ*ত্যার ভিডিও কেউ দেখবেন না, এতটা বি*কৃত মানসিকতার ঘটনা।

বাংলাদেশের মানুষ হিসেবে নিজের প্রতি নিজের ঘৃণা হয়—২০২৫ সালে এসেও এ ধরনের ব*র্বর হ*ত্যা দেখতে হচ্ছে এই বাংলাদেশে। অথচ বছরও পূর্ণ হয়নি, দেশে একটা গণঅভ্যুত্থান হয়ে গেল!
😢22
আপনার??.??
12😢3
অনভিজ্ঞ 😊
🤣22
বিশদ ওই আকাশ পানে চেয়ে
তোমার সহানুভূতি চাই।
মাথা নত করে সিজদায় সদা পড়ি লুটাই।
কতনা নিয়ামাহ তুমি দিয়েছো ভবে,
আশরাফুল মাখলুকাতের নিত্য প্রয়োজনে।
আমি অধম প্রভু গুনাহগার বান্দা তোমার।
তোমারই অনুগ্রহ পাওয়ার আশায়,
মুখ তুলে চেয়ে রই দূর নীলিমায়।
সবুজ অরন্যে, আকাশের নীলিমা জুড়ে
নিরবে, সময়ে অসময়ে হৃদয় চলেছে পুড়ে।
তুমি প্রভু দয়াময়, রহমান ও রহিম
আলোকিত কর তোমার আলোয়,
ছায়া দিও তোমার ছায়াতলে অসীম।

🤲ফরিয়াদ

©️Abdullah
19
🤣17
In Sha Allah 🖤🤎🤍

Waiting for her.


#Halal
🥰204😢1
তারেক রহমান
😢19
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
হালাল বিনোদন 😊
🤣19😁2😢1
Forwarded from নফস(NOFS)
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
আমরা মানুষ হবো কবে.??
😢21
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
সুরা আর-রহমান 🤎
29
Interested 🤎
24
বিবাহের কিছু কাঙ্ক্ষিত কল্যাণ:


*মানবজীবন সংরক্ষণ :
মহান আল্লাহ এরশাদ করেন-
অর্থ: আল্লাহ তোমারদের থেকেই সৃষ্টি করছেন তোমাদের জুড়ি।আর তোমাদের জুড়ি থেকে তোমাদের জন্য সৃষ্টি করছেন পুত্র ও পৌত্রাদি। আর তিনি তোমাদের দান করছেন উত্তম রিজিক। তো তারা কি মিথ্যাকে বিশ্বাস করে আর আল্লাহর নিয়ামতকে করে অস্বীকার।
(সুরা নাহল-৭২)


*চরিত্রের পবিত্রতা রক্ষা :

রাসুলুল্লাহ সাঃ বলেছেন -
যখন আল্লাহর বান্দা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়, তখন তার অর্ধেক ধার্মিকতা পূর্ণ হয়ে যায়। এখন তার কর্তব্য হলো, বাকি অর্ধেকটার ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করা।

রাসুলুল্লাহ সাঃ আরও বলেছেন -
হে যুবসমাজ, তোমাদের উচিত বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়া। দৃষ্টি-রক্ষায় এবং লজ্জাস্থানের সুরক্ষায় এটি অধিক কার্যকর। তবে কারোর বিবাহের সামর্থ্য না থাকলে, সে যেন রোজা রাখে। রোযা তার জন্য প্রতিরোধক হবে।

*মনের স্থিরতা ও প্রশান্তি :

বিবাহব্যবস্থার একটি কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এই যে, এতে মানব মনে স্থিরতা ও প্রশান্তি স্থাপিত হয়। এর কল্যাণেই মানুষ বিশ্বস্ত ও সৎ জীবনসঙ্গিনীর ছায়া লাভ করে। প্রত্যাশিত সন্তানের মায়া লাভ করে।

রাসুলুল্লাহ সাঃ বলেছেন -

পুরো পৃথিবীই ভোগের সামগ্রী। কিন্তু পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বস্তুতি হলো সৎ জীবনসঙ্গিনী।

*জৈবিক চাহিদা পূরণের সঙ্গত পন্থা :

মহান আল্লাহ এরশাদ করেছেন-

হে পুরুষগণ! স্ত্রীগণ তোমাদের জন্য পোশাকতুল্য; তোমরা স্ত্রীদের জন্য পোশাকতুল্য।
(সুরা বাকারাহ-১৮৭)



#Biye
10💔6
ঐতিহাসিক জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ২০২৪ এর স্লোগান -

“তুমি কে অমি কে? রাজাকার রাজাকার” এই স্লোগান সর্বপ্রথম কত তারিখে দেওয়া হয় ?
Anonymous Quiz
55%
১৪ ই জুলাই
15%
১৫ ই জুলাই
21%
১৬ ই জুলাই
9%
১৩ ই জুলাই
16
‘বন্ধু তো সে—যে আপনার সামনে আল্লাহর কথা বলে, আর আপনি যখন থাকেন না, তখন সে আল্লাহকে বলে আপনার কথা’।

#ইংরেজি_থেকে_অনুবাদ
27👍1😁1
: আকাশটা কেমন মলিন হয়ে আছে। এমন হলে কি আর ভালো লাগে?

: আকাশ মলিন হয়ে আছে তাতে তোমার কী? তুমি হাসো। তোমার হাসিতে আকাশও হেসে ওঠবে।

: ভালোবেসে যাকে আশ্রয় দিয়েছিলাম হৃদয়ের মনিকোঠায়, যার ভালোবাসা আমার হৃদয়ের আকাশটাকে ছুয়েছিল। সে আজ আমায় ছেড়ে চলে গেছে দূরে, বহুদূরে। তাকে সবকিছু দিয়ে বিশ্বাস করেছিলাম। কিন্তু সে আমার সাথে বিশ্বাসভঙ্গ করে আমার হৃদয়টাকে খান খান করে ফেলছে। তারপরও কি তুমি হাসতে বলবে?

: হ্যাঁ,তারপরও তুমি হাসবে। যা হয়েছিল তা ভুলে গিয়ে সব ব্যথা বেদনা কবর দিয়ে সে কবরের ওপর দাঁড়িয়েই তুমি হাসবে। মন খুলে হাসবে। কেননা, তুমি যদি হাসতে না পারো বা তার সঙ্গ চাও তাহলে দুঃখ আর বেদনারা তোমাকে গ্রাস করে আজীবন তোমাকে কষ্ট দিবে। তাই কষ্ট ভুলে যেতে প্রাণ খুলে হাসবে।

#Enjoy_Your_Life
💔9
😊
🤣312😁2
অর্থ: তোমরা ওই লোকদের মতো হয়ে যেয়ো না, যারা আল্লাহকে ভুলে গেছে। অতঃপর আল্লাহ তাদেরকে তাদের নিজেদের কথা ভুলিয়ে দিয়েছেন। এরাই হচ্ছে ফাসিক(গুনাহগার)।

(সূরা আল হাশর-১৯)

#Quran01
#Reminder
😢16