IMG_20231029_131606_769.jpg
362.9 KB
সারাদেশে সকাল-সন্ধ্যা শান্তিপূর্ণ হরতালের সমর্থনে সিলেট নগরীতে বিক্ষোভ মিছিল করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সিলেট মহানগরী।
#RestoreCaretakerGovt
#StepDownHasina
#Hortal
#RestoreCaretakerGovt
#StepDownHasina
#Hortal
❤10
"আমরা ২৮ অক্টোবরে (২০০৬) জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীদের ওপর পরিচালিত নৃশংস হত্যাকান্ডের প্রতিশোধ নিতে চাই; এই প্রতিশোধ - হত্যার বদলে হত্যা নয়; বরং আল্লাহর আইন ও সৎ লোকের শাসন কায়েমের মধ্য দিয়ে আমরা নিবই নিব, ইনশা-আল্লাহ।"
- অধ্যাপক মুজিবুর রহমান
ভারপ্রাপ্ত আমীর, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
- অধ্যাপক মুজিবুর রহমান
ভারপ্রাপ্ত আমীর, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
❤10
বগুড়ায় কয়েক দফায় বিভিন্ন স্পটে সংঘর্ষ হয়েছে। ব্যাপক পিঠাপিঠি চলছে। শহরে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। ছবি সাবেক জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আল রাজি জুয়েল।
এখন পর্যন্ত বাঘোপাড়া, বগুড়া সাতমাথা, নবাববাড়ি রোড ও নিশ্চিন্তপুরে কয়েক দফা পুলিশ-আওয়ামীলীগের সাথে বিএনপির সংঘর্ষ হয়েছে। এই জুয়েলের নেতৃত্বে ২০১৩ সালে হামলা করে আমাদের রুহানি ভাই কে শহীদ করেন। ফাটাও লীগ, বাচাও দেশ।
এখন পর্যন্ত বাঘোপাড়া, বগুড়া সাতমাথা, নবাববাড়ি রোড ও নিশ্চিন্তপুরে কয়েক দফা পুলিশ-আওয়ামীলীগের সাথে বিএনপির সংঘর্ষ হয়েছে। এই জুয়েলের নেতৃত্বে ২০১৩ সালে হামলা করে আমাদের রুহানি ভাই কে শহীদ করেন। ফাটাও লীগ, বাচাও দেশ।
👍10❤2🔥1
সারা দেশে শান্তিপূর্ণভাবে হরতাল পালিত হচ্ছে
জনগণ হরতাল বাস্তবায়ন করছে, এতে প্রমাণিত হয় এই ফ্যাসিবাদী হাসিনাকে কেউই চায় না।
#StepDownHasina
#29October
জনগণ হরতাল বাস্তবায়ন করছে, এতে প্রমাণিত হয় এই ফ্যাসিবাদী হাসিনাকে কেউই চায় না।
#StepDownHasina
#29October
❤9
"ইখলাস ও দায়িত্বশীলতার উদাহরণ"
" মোস্তফা শওকত ইমরান ভাই ছাত্র সংঘের সাথীদের জন্য আপাদমস্তক ইখলাসের উদাহরণ ছিলেন। তার সাথে দুয়েকটি ঘটনা এখনও স্মৃতিতে আছে। এর একটি— ১৯৭১ সালের জানুয়ারিতে যখন দ্বিতীয় দফায় আমাকে কেন্দ্রীয় সভাপতির দায়িত্ব অর্পণ করা হলো, তখন আমার সমস্যা তিনি কিছুটা বুঝতে পেরেছিলেন। রাত বারোটার দিকে ওষুধ নিয়ে আমার রুমে চলে আসলেন। যেহেতু উনি ডাক্তার ছিলেন, জানতেন যে আমি মানসিকভাবে পেরেশান থাকলে আমার ঘুম হয় না। তিনি সম্মেলন কেন্দ্রের ইনচার্জ ছিলেন। কিন্তু সমস্ত দায়িত্ব পূরণ করার পরও নিজে আরাম করলেন না। আমার খেয়াল না রেখে নিজে ঘুমানোর প্রস্তুতি নেননি।
বিভিন্ন সম্মেলন বা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোর দায়িত্ব যাদের উপর অর্পিত হতো— শহীদ আব্দুল মালেক, শহীদ শাহ জামাল, শহীদ শওকত ইমরানকে দেখেছি, কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য দিনরাত কাজ করতেন তারা। এত দায়িত্ব আঞ্জাম দিয়েও মেজাজের উপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ছিল তাদের। সব কাজ নিজে এগিয়ে এসে করতেন। শাহ জামাল ভাই মেঝেতে বসে বসে কাজ করিয়ে নিতেন। কিন্তু আব্দুল মালেক ও শওকত ইমরান সম্মেলন কেন্দ্রের ইনচার্জ কিংবা সম্মেলনের সভাপতি হয়েও ছোট ছোট কাজ নিজে করে ফেলতেন।"
~শহীদ মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী
অনুবাদ : শুকরান সাবিত
#Our_Vision
#Our_Mission
#Our_Movement
#As_Silm
" মোস্তফা শওকত ইমরান ভাই ছাত্র সংঘের সাথীদের জন্য আপাদমস্তক ইখলাসের উদাহরণ ছিলেন। তার সাথে দুয়েকটি ঘটনা এখনও স্মৃতিতে আছে। এর একটি— ১৯৭১ সালের জানুয়ারিতে যখন দ্বিতীয় দফায় আমাকে কেন্দ্রীয় সভাপতির দায়িত্ব অর্পণ করা হলো, তখন আমার সমস্যা তিনি কিছুটা বুঝতে পেরেছিলেন। রাত বারোটার দিকে ওষুধ নিয়ে আমার রুমে চলে আসলেন। যেহেতু উনি ডাক্তার ছিলেন, জানতেন যে আমি মানসিকভাবে পেরেশান থাকলে আমার ঘুম হয় না। তিনি সম্মেলন কেন্দ্রের ইনচার্জ ছিলেন। কিন্তু সমস্ত দায়িত্ব পূরণ করার পরও নিজে আরাম করলেন না। আমার খেয়াল না রেখে নিজে ঘুমানোর প্রস্তুতি নেননি।
বিভিন্ন সম্মেলন বা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোর দায়িত্ব যাদের উপর অর্পিত হতো— শহীদ আব্দুল মালেক, শহীদ শাহ জামাল, শহীদ শওকত ইমরানকে দেখেছি, কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য দিনরাত কাজ করতেন তারা। এত দায়িত্ব আঞ্জাম দিয়েও মেজাজের উপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ছিল তাদের। সব কাজ নিজে এগিয়ে এসে করতেন। শাহ জামাল ভাই মেঝেতে বসে বসে কাজ করিয়ে নিতেন। কিন্তু আব্দুল মালেক ও শওকত ইমরান সম্মেলন কেন্দ্রের ইনচার্জ কিংবা সম্মেলনের সভাপতি হয়েও ছোট ছোট কাজ নিজে করে ফেলতেন।"
~শহীদ মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী
অনুবাদ : শুকরান সাবিত
#Our_Vision
#Our_Mission
#Our_Movement
#As_Silm
❤8
এক ব্যক্তি ইব্রাহীম বিন আদহাম (র) কে বললেন,
তিনি রাতে তাহাজ্জুদ পড়তে উঠতে পারেন না।
তিনি তাহাজ্জুদ পড়তে চান।
ইব্রাহীম বললেন,
“ তুমি দিনে গুনাহ করো,তাই রাতে তাহাজ্জুদ পড়তে পারো না।
রাতে তাহাজ্জুদে দাঁড়ানো মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি সম্মান - যা গুনাহগারদের দেয়া হয় না। ”
বিখ্যাত তাবেঈন ‘ সুফিয়ান আস সাওরি রাহিমাহুল্লাহ ’ বলেন,
তিনি একবার টানা ৫ মাস তাহাজ্জুদ পড়তে পারেননি।
কারণ তিনি বলেছেন - তিনি গুনাহ করেছেন।
সুবহানাল্লাহ!
অথচ সুফিয়ান আস সাওরি রাহিমাহুল্লাহ ছিলেন উনার যুগের একজন শ্রেষ্ঠ বুযুর্গ!
এক ব্যক্তি হাসান আল বসরি রাহিমাহুল্লাহ
এর কাছে এসে বলল,
আমার ভাল ঘুম হয়, ভাল বিশ্রাম হয়, আমার কোন অসুস্থতা নেই।
কিন্তু এতো প্রস্তুতির পরও আমি শেষ রাতে ক্বিয়ামের জন্য দাঁড়াতে পারি না।
হাসান রাহিমাহুল্লাহ বললেন,
“ তোমার গুনাহ তোমাকে শৃঙ্খলিত করে রেখেছে।
তোমার দিনের গুনাহ , তোমাকে রাতের ক্বিয়াম থেকে বিরত রাখে।
দিনের গুনাহর ফলে একজন মুসলিম রাতের ক্বিয়ামের সম্মান থেকে বঞ্চিত হয়। ”
আবু জাফর রাহিমাহুল্লাহ বলেন,
" আমি আহমাদ ইবন ইয়াহিয়ার রাহিমাহুল্লাহ এর কাছে গেলাম এবং দেখলাম তিনি কাঁদছেন।
আমি কান্নার কারণ জিজ্ঞাসা করলাম।
আহমাদ বললেন,
- আমি তাহাজ্জুদ মিস করেছি।
আবু জাফর বললেন,
- ঠিক আছে।
আল্লাহ আপনাকে বিশ্রাম দিতে চেয়েছেন।
আবু জাফর বললেন,
- আমি যতই উনাকে সান্ত্বনা দিতে লাগলাম,তিনি ততই কাঁদতে লাগলেন।
আহমাদ বললেন,
- এটি আমার গুনাহের কারণেই হয়েছে।
ক্বিয়াম হল - আল্লাহর আহবানে সাড়া দেয়া।
আল্লাহর ডাকে আমরা কীভাবে সাড়া না দিয়ে থাকতে পারি?
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা সবাইকে তাওফিক দান করুন।
তিনি রাতে তাহাজ্জুদ পড়তে উঠতে পারেন না।
তিনি তাহাজ্জুদ পড়তে চান।
ইব্রাহীম বললেন,
“ তুমি দিনে গুনাহ করো,তাই রাতে তাহাজ্জুদ পড়তে পারো না।
রাতে তাহাজ্জুদে দাঁড়ানো মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি সম্মান - যা গুনাহগারদের দেয়া হয় না। ”
বিখ্যাত তাবেঈন ‘ সুফিয়ান আস সাওরি রাহিমাহুল্লাহ ’ বলেন,
তিনি একবার টানা ৫ মাস তাহাজ্জুদ পড়তে পারেননি।
কারণ তিনি বলেছেন - তিনি গুনাহ করেছেন।
সুবহানাল্লাহ!
অথচ সুফিয়ান আস সাওরি রাহিমাহুল্লাহ ছিলেন উনার যুগের একজন শ্রেষ্ঠ বুযুর্গ!
এক ব্যক্তি হাসান আল বসরি রাহিমাহুল্লাহ
এর কাছে এসে বলল,
আমার ভাল ঘুম হয়, ভাল বিশ্রাম হয়, আমার কোন অসুস্থতা নেই।
কিন্তু এতো প্রস্তুতির পরও আমি শেষ রাতে ক্বিয়ামের জন্য দাঁড়াতে পারি না।
হাসান রাহিমাহুল্লাহ বললেন,
“ তোমার গুনাহ তোমাকে শৃঙ্খলিত করে রেখেছে।
তোমার দিনের গুনাহ , তোমাকে রাতের ক্বিয়াম থেকে বিরত রাখে।
দিনের গুনাহর ফলে একজন মুসলিম রাতের ক্বিয়ামের সম্মান থেকে বঞ্চিত হয়। ”
আবু জাফর রাহিমাহুল্লাহ বলেন,
" আমি আহমাদ ইবন ইয়াহিয়ার রাহিমাহুল্লাহ এর কাছে গেলাম এবং দেখলাম তিনি কাঁদছেন।
আমি কান্নার কারণ জিজ্ঞাসা করলাম।
আহমাদ বললেন,
- আমি তাহাজ্জুদ মিস করেছি।
আবু জাফর বললেন,
- ঠিক আছে।
আল্লাহ আপনাকে বিশ্রাম দিতে চেয়েছেন।
আবু জাফর বললেন,
- আমি যতই উনাকে সান্ত্বনা দিতে লাগলাম,তিনি ততই কাঁদতে লাগলেন।
আহমাদ বললেন,
- এটি আমার গুনাহের কারণেই হয়েছে।
ক্বিয়াম হল - আল্লাহর আহবানে সাড়া দেয়া।
আল্লাহর ডাকে আমরা কীভাবে সাড়া না দিয়ে থাকতে পারি?
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা সবাইকে তাওফিক দান করুন।
❤10👍1