দশটি বিষয় এমন আছে যেগুলো অবলম্বন করলে একজন মুমিন দুষ্ট জিনদের অনিষ্ট থেকে মুক্তি পাবে।
১. জিন-শয়*তানের অনিষ্ট থেকে আল্লাহর কাছে বেশি বেশি আশ্রয় প্রার্থনা করা। আল্লাহ তাআলা বলেন—
আর যখনই শয়*তান তোমাদের কোনো প্ররোচনা দেয় সাথে সাথে আল্লাহর কাছে আশ্রয়-প্রার্থনা করো। নিশ্চয়ই তিনি (আশ্রয়-প্রার্থনা) শ্রবণকারী এবং সম্যকজ্ঞাত।
— সূরা ফুসসিলাত, আয়াত : ৩৬
নবিজি ﷺ বলেন, কোথাও যাওয়ার পর যদি কেউ اَعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللّٰهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ এই দুআ পড়ে, যেখানে থেকে প্রস্থান করার পূর্ব পর্যন্ত কোনো কিছুই তার ক্ষতি করতে পারবে না।
— সহিহ মুসলিম : ২৭০৮
২. সকাল-সন্ধ্যা সূরা ফালাক ও সূরা নাস পাঠ করা। — মুসনাদে আহমাদ : ১৭২৯৬; হাদিসটি সহিহ
৩. রাতে ঘুমানোর পূর্বে আয়াতুল কুরসি পাঠ করা। যে ব্যক্তি ঘুমানোর পূর্বে আয়াতুল কুরসি পাঠ করবে, সারা রাত শয়*তান তার কিছুই করতে পারবে না।
— সহিহুল বুখারি : ২৩১১
৪. সূরা বাকারা পাঠ করা। নবিজি ﷺ বলেন, তোমাদের ঘরগুলোকে বিরান কবরস্থান বানিয়ো না। যেই ঘরে সূরা বাকারা পাঠ করা হয়, শয়*তান সেই ঘরের নিকটে যেতে পারে না।
— সহিহ মুসলিম : ৭৮০
৫. সূরা বাকারার শেষের দুই আয়াত পাঠ করা। নবিজি ﷺ বলেন, যে ব্যক্তি রাতে (ঘুমানোর পূর্বে) সূরা বাকারার শেষের দুই আয়াত পাঠ করবে, তা তার জন্যে যথেষ্ট হবে।
— সহিহুল বুখারি : ৫০০৯
আল্লামা বদরুদ্দিন আইনি বলেন, ‘তার জন্য এটাই যথেষ্ট অর্থাৎ এই দুই আয়াতের পাঠকারী সারা রাত মানুষ ও জিনের অনিষ্ট থেকে রেহাই পাবে।’
— উমদাতুল কারি, বদরুদ্দিন আইনি, খণ্ড : ২০, পৃষ্ঠা : ৩০; দারু ইহইয়াইত তুরাসিল আরাবি, বৈরুত।
৬. সূরা মুমিনের প্রথম তিন আয়াত অর্থাৎ حم থেকে اِلَیۡہِ الۡمَصِیۡرُ পর্যন্ত এবং আয়াতুল কুরসি সকাল বেলা পড়লে সন্ধ্যা পর্যন্ত আর সন্ধ্যায় পড়লে সকাল পর্যন্ত সকল প্রকার অনিষ্ট থেকে মুক্ত থাকা যাবে।
— জামিউত তিরমিযি : ২৮৭৯; হাদিসটির সনদ জইফ।
৭. আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি দিনে ১০০ বার لَآ اِلٰهَ اِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهٗ لَا شَرِيْكَ لَهٗ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلٰى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ পড়বে, সে ১০ জন গোলাম আজাদ করার সাওয়াব পাবে। তার জন্য ১০০ নেকি লেখা হবে এবং ১০০ গুনাহ মুছে দেওয়া হবে। আর সেই দিন সন্ধ্যা পর্যন্ত শয়তানের অনিষ্ট থেকে তাকে রক্ষা করা হবে।
— সহিহুল বুখারি : ৩২৯৩; সহিহ মুসলিম : ২৬৯১
৮. হাদিসে বর্ণিত শব্দে ও পদ্ধতিতে বেশি বেশি আল্লাহর জিকির করা। যেমন, সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার বা সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহি সুবহানাল্লাহিল আজিম ইত্যাদি। কারণ যে অন্তর আল্লাহর স্মরণে মগ্ন থাকে, সেই অন্তরে শয়*তান প্রভাব বিস্তার করতে পারে না।
৯. সর্বদা ওজু অবস্থায় থাকা এবং যথা সময়ে সালাত আদায় করা। এমন ব্যক্তির অন্তর সর্বদা পাক পবিত্র ও আল্লাহর স্মরণে মগ্ন থাকে।
১০. বেশি কথা বলা, বেশি খাওয়া, ইচ্ছাকৃতভাবে হারাম কিছু বারবার দেখা এবং সব ধরনের মানুষের সঙ্গ দেওয়া। এই চারটি কাজের মাধ্যমে শয়*তান সাধারণত মানুষকে ধোঁকায় ফেলে। নবিজি ﷺ বলেন, কুদৃষ্টি ইবলিসের বিষাক্ত তীর (যা দিয়ে সে মুমিনের অন্তর ঘায়েল করে)। যে ব্যক্তি আল্লাহর ভয়ে কুদৃষ্টি পরিহার করবে, সে তার হৃদয়ে ঈমানের স্বাদ অনুভব করবে।
— আকামুল মারজান ফি আহকামিল জান, বদরুদ্দিন মুহাম্মাদ ইবনু আবদিল্লাহ আশ-শিবলি : ৯৪-৯৫; দারুল কুতুবিল ইলমিইয়া, বৈরুত। আল-মুজামুল কাবির : ১০৩৬২; মুসনাদুশ শিহাব : ২৯৩; এই হাদিসের সনদে আবদুর রহমান ইবনু ইসহাক নামের একজন বর্ণনাকারী আছেন, যিনি জইফ।
বই : জিনজাতির বিস্ময়কর জগৎ, পৃ. ১৭৯ - ১৮১।
#হিকমাহ
১. জিন-শয়*তানের অনিষ্ট থেকে আল্লাহর কাছে বেশি বেশি আশ্রয় প্রার্থনা করা। আল্লাহ তাআলা বলেন—
আর যখনই শয়*তান তোমাদের কোনো প্ররোচনা দেয় সাথে সাথে আল্লাহর কাছে আশ্রয়-প্রার্থনা করো। নিশ্চয়ই তিনি (আশ্রয়-প্রার্থনা) শ্রবণকারী এবং সম্যকজ্ঞাত।
— সূরা ফুসসিলাত, আয়াত : ৩৬
নবিজি ﷺ বলেন, কোথাও যাওয়ার পর যদি কেউ اَعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللّٰهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ এই দুআ পড়ে, যেখানে থেকে প্রস্থান করার পূর্ব পর্যন্ত কোনো কিছুই তার ক্ষতি করতে পারবে না।
— সহিহ মুসলিম : ২৭০৮
২. সকাল-সন্ধ্যা সূরা ফালাক ও সূরা নাস পাঠ করা। — মুসনাদে আহমাদ : ১৭২৯৬; হাদিসটি সহিহ
৩. রাতে ঘুমানোর পূর্বে আয়াতুল কুরসি পাঠ করা। যে ব্যক্তি ঘুমানোর পূর্বে আয়াতুল কুরসি পাঠ করবে, সারা রাত শয়*তান তার কিছুই করতে পারবে না।
— সহিহুল বুখারি : ২৩১১
৪. সূরা বাকারা পাঠ করা। নবিজি ﷺ বলেন, তোমাদের ঘরগুলোকে বিরান কবরস্থান বানিয়ো না। যেই ঘরে সূরা বাকারা পাঠ করা হয়, শয়*তান সেই ঘরের নিকটে যেতে পারে না।
— সহিহ মুসলিম : ৭৮০
৫. সূরা বাকারার শেষের দুই আয়াত পাঠ করা। নবিজি ﷺ বলেন, যে ব্যক্তি রাতে (ঘুমানোর পূর্বে) সূরা বাকারার শেষের দুই আয়াত পাঠ করবে, তা তার জন্যে যথেষ্ট হবে।
— সহিহুল বুখারি : ৫০০৯
আল্লামা বদরুদ্দিন আইনি বলেন, ‘তার জন্য এটাই যথেষ্ট অর্থাৎ এই দুই আয়াতের পাঠকারী সারা রাত মানুষ ও জিনের অনিষ্ট থেকে রেহাই পাবে।’
— উমদাতুল কারি, বদরুদ্দিন আইনি, খণ্ড : ২০, পৃষ্ঠা : ৩০; দারু ইহইয়াইত তুরাসিল আরাবি, বৈরুত।
৬. সূরা মুমিনের প্রথম তিন আয়াত অর্থাৎ حم থেকে اِلَیۡہِ الۡمَصِیۡرُ পর্যন্ত এবং আয়াতুল কুরসি সকাল বেলা পড়লে সন্ধ্যা পর্যন্ত আর সন্ধ্যায় পড়লে সকাল পর্যন্ত সকল প্রকার অনিষ্ট থেকে মুক্ত থাকা যাবে।
— জামিউত তিরমিযি : ২৮৭৯; হাদিসটির সনদ জইফ।
৭. আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি দিনে ১০০ বার لَآ اِلٰهَ اِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهٗ لَا شَرِيْكَ لَهٗ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلٰى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ পড়বে, সে ১০ জন গোলাম আজাদ করার সাওয়াব পাবে। তার জন্য ১০০ নেকি লেখা হবে এবং ১০০ গুনাহ মুছে দেওয়া হবে। আর সেই দিন সন্ধ্যা পর্যন্ত শয়তানের অনিষ্ট থেকে তাকে রক্ষা করা হবে।
— সহিহুল বুখারি : ৩২৯৩; সহিহ মুসলিম : ২৬৯১
৮. হাদিসে বর্ণিত শব্দে ও পদ্ধতিতে বেশি বেশি আল্লাহর জিকির করা। যেমন, সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার বা সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহি সুবহানাল্লাহিল আজিম ইত্যাদি। কারণ যে অন্তর আল্লাহর স্মরণে মগ্ন থাকে, সেই অন্তরে শয়*তান প্রভাব বিস্তার করতে পারে না।
৯. সর্বদা ওজু অবস্থায় থাকা এবং যথা সময়ে সালাত আদায় করা। এমন ব্যক্তির অন্তর সর্বদা পাক পবিত্র ও আল্লাহর স্মরণে মগ্ন থাকে।
১০. বেশি কথা বলা, বেশি খাওয়া, ইচ্ছাকৃতভাবে হারাম কিছু বারবার দেখা এবং সব ধরনের মানুষের সঙ্গ দেওয়া। এই চারটি কাজের মাধ্যমে শয়*তান সাধারণত মানুষকে ধোঁকায় ফেলে। নবিজি ﷺ বলেন, কুদৃষ্টি ইবলিসের বিষাক্ত তীর (যা দিয়ে সে মুমিনের অন্তর ঘায়েল করে)। যে ব্যক্তি আল্লাহর ভয়ে কুদৃষ্টি পরিহার করবে, সে তার হৃদয়ে ঈমানের স্বাদ অনুভব করবে।
— আকামুল মারজান ফি আহকামিল জান, বদরুদ্দিন মুহাম্মাদ ইবনু আবদিল্লাহ আশ-শিবলি : ৯৪-৯৫; দারুল কুতুবিল ইলমিইয়া, বৈরুত। আল-মুজামুল কাবির : ১০৩৬২; মুসনাদুশ শিহাব : ২৯৩; এই হাদিসের সনদে আবদুর রহমান ইবনু ইসহাক নামের একজন বর্ণনাকারী আছেন, যিনি জইফ।
বই : জিনজাতির বিস্ময়কর জগৎ, পৃ. ১৭৯ - ১৮১।
#হিকমাহ
❤12👍2
অনেক দিন পর যখন পড়তে বসি,
meanwhile :
meanwhile :
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
🤣18😁2❤1
জন্ম, মৃত্যু, বিবাহ সব উপরওয়ালার হাতে। আর আমাদের হাতে শুধু মোবাইল 😊
©️আব্দুল্লাহ
©️আব্দুল্লাহ
🤣20😢4
মা তার বাচ্চাকে বুঝাচ্ছে : যদি তুমি সুরা ইখলাস ১০বার পড়, তা হলে তোমার জন্য জান্নাতে একটি অট্টালিকা নির্মাণ করা হবে।
শিশুটি সূরা ইখলাস পড়তে আরম্ভ করল। মা-ও তার বাচ্চার সাথে পড়তে থাকল।
শিশুটি তার মাকে বলল : মা! তোমার পড়ার প্রয়োজন নেই। আমি তোমাকেও আমার সাথে অট্টালিকায় রাখব।
#সংগৃহিত
শিশুটি সূরা ইখলাস পড়তে আরম্ভ করল। মা-ও তার বাচ্চার সাথে পড়তে থাকল।
শিশুটি তার মাকে বলল : মা! তোমার পড়ার প্রয়োজন নেই। আমি তোমাকেও আমার সাথে অট্টালিকায় রাখব।
#সংগৃহিত
❤34
‘তুমি দৃঢ় চিত্তে তাদের সাথে অবস্থান করো যারা সকাল-সন্ধ্যা তাদের রবকে ডাকে তাঁর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে। এবং দুনিয়ার জীবনের শোভা ও চাকচিক্য কামনায় তুমি তাদের থেকে তোমার দৃষ্টি ফিরিয়ে নিও না।’
[ সুরা আল-কাহফ, ১৮ : ২৮ ]
❤17
- ফজর আদায় করবেন ,কোরআন তেলাওয়াত করবেন, রিযিকের সন্ধানে বের হবেন, রাস্তায় চলার পথে ইস্তেগফার কে বন্ধু বানিয়ে নিবেন, সালাত গুলা সময় মতো আদায় করবেন!
দেরি হলে বাসায় এসে কাজা আদায় করবেন! দিন শেষে আবার কোরআন তেলাওয়াত করবেন, রিপিট..
এমন সুন্দর করে নিজের জীবনটা গুছালে আপনার আবার ডিপ্রেশন আসে কি করে বলুন!?
সব শেষে আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল রাখবেন।
© আব্দুল্লাহ
দেরি হলে বাসায় এসে কাজা আদায় করবেন! দিন শেষে আবার কোরআন তেলাওয়াত করবেন, রিপিট..
এমন সুন্দর করে নিজের জীবনটা গুছালে আপনার আবার ডিপ্রেশন আসে কি করে বলুন!?
সব শেষে আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল রাখবেন।
© আব্দুল্লাহ
❤48
আগামীকাল এসএসসি/দাখিল'২৫ পরীক্ষার রেজাল্ট প্রকাশিত হবে।
সকলের জন্য রইল অবিরাম অন্তহীন ভালোবাসা ও দোয়া। যেন সকলেই তাদের বাবা-মা এবং সমাজের মুখ উজ্জ্বল করতে পারে।
পরীক্ষার রেজাল্ট দেখতে নিম্নোক্ত লিঙ্ক এ ঢুকুন: "Education Board Bangladesh" http://www.educationboardresults.gov.bd/result.php
সকলের জন্য রইল অবিরাম অন্তহীন ভালোবাসা ও দোয়া। যেন সকলেই তাদের বাবা-মা এবং সমাজের মুখ উজ্জ্বল করতে পারে।
পরীক্ষার রেজাল্ট দেখতে নিম্নোক্ত লিঙ্ক এ ঢুকুন: "Education Board Bangladesh" http://www.educationboardresults.gov.bd/result.php
🥰11❤1
আজ এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হবে। যারা ভালো রেজাল্ট করবা, তাদেরকে অভিনন্দন। আর যাদের ফল প্রত্যাশা অনুযায়ী হবে না, তারা মন খারাপ করো না। মানুষের জীবনের পথ অনেক দীর্ঘ। এক জায়গায় ব্যর্থ হলেই জীবনের সবকিছু শেষ হয়ে যায় না।
আল্লাহর উপর ভরসা রেখে সততার সঙ্গে পরিশ্রম করে যেতে থাকো—একদিন শান্তি ও সাফল্য আসবেই।
আল্লাহর উপর ভরসা রেখে সততার সঙ্গে পরিশ্রম করে যেতে থাকো—একদিন শান্তি ও সাফল্য আসবেই।
❤15