“তোমার কাছে যদি অর্থ না থাকে, ক্ষমা করো; তোমার হৃদয়ে যদি প্রশান্তি না থাকে, তাও সাদকাহ দাও—একটি দোয়া, একটি হাসি, একটি ভালো ব্যবহার।” দান শুধু টাকায় নয়, চরিত্রেও হয়।
Abdullah
Abdullah
❤33
আগামী কাল থেকে শুরু হতে যাওয়া আলিম ও H S C পরিক্ষার্থীদের সকলের জন্য দোয়া রইল।🤲
আল্লাহ আপনাদেরকে ঠান্ডা মাথায় পরীক্ষা দেওয়ার এবং মা-বাবার মুখ উজ্জ্বল করার তাওফিক দান করুক ❤️
অগ্রীম ফুলেল শুভেচ্ছা 🌷🌸🌹🌺
আব্দুল্লাহ
রাবি
আল্লাহ আপনাদেরকে ঠান্ডা মাথায় পরীক্ষা দেওয়ার এবং মা-বাবার মুখ উজ্জ্বল করার তাওফিক দান করুক ❤️
অগ্রীম ফুলেল শুভেচ্ছা 🌷🌸🌹🌺
আব্দুল্লাহ
রাবি
🥰30❤7😢1
আপনি ৫০০০ ঘন্টা স্যোশাল মিডিয়া ব্রাউজ করে কোন বিষয়ে স্পেসিফিক জ্ঞান অর্জন করতে পারবেন না (সচরাচর আমরা যেভাবে স্যোশাল মিডিয়া ব্যবহার করি)।
কিন্তু আপনি ৩-৫ দিনে একই বিষয়ে ৩টা বই পড়লে, একটা সুনির্দিষ্ট বিষয়ে আপনার আত্মবিশ্বাস অর্জন হয় এমন জ্ঞান লাভ করতে পারবেন।
Now it's up to you how you choose to spend or waste your time.
Abdullah Hil Baki
কিন্তু আপনি ৩-৫ দিনে একই বিষয়ে ৩টা বই পড়লে, একটা সুনির্দিষ্ট বিষয়ে আপনার আত্মবিশ্বাস অর্জন হয় এমন জ্ঞান লাভ করতে পারবেন।
Now it's up to you how you choose to spend or waste your time.
Abdullah Hil Baki
❤28👍3
মন হলো উন্মাদ ঘোড়ার মতো। লাগাম সামান্য ঢিল দিলেই আপনাকে উল্টে ফেলে দেবে। হারাম কামনা বাসনাগুলো আপনার ভেতরটা বিষিয়ে দিচ্ছে। জীবনকে নষ্ট করে দিচ্ছে।
বেলা ফুরাবার আগেই মনকে বাগে আনুন এবং শুধরে নিন। তবে আজ লাগাম আপনার হাতে এলে নিশ্চিন্ত হয়ে যাবেন না।
বহু দৃঢ়চেতা মানুষই ফেঁসে গেছে প্রবৃত্তির জালে। বহু সচেতন মানুষ ভেসে গেছে অধঃপতনের জোয়ারে। কাজেই সাবধান!
.
— ইমাম ইবনুল জাওযী রাহিমাহুল্লাহ
বেলা ফুরাবার আগেই মনকে বাগে আনুন এবং শুধরে নিন। তবে আজ লাগাম আপনার হাতে এলে নিশ্চিন্ত হয়ে যাবেন না।
বহু দৃঢ়চেতা মানুষই ফেঁসে গেছে প্রবৃত্তির জালে। বহু সচেতন মানুষ ভেসে গেছে অধঃপতনের জোয়ারে। কাজেই সাবধান!
.
— ইমাম ইবনুল জাওযী রাহিমাহুল্লাহ
👍18💔11❤5
বেলি ফুলের শুভ্রতার মতো সুন্দর আমার আম্মা।
তিমির রাতে,নিস্তব্ধতার অহংকার যখন চারিদিকে ছড়ায় পরে,একলা আম্মা আমার জায়নামাজে বসে পরে,"মাবুদ! ছেলেটারে দাও মানুষের মতো মানুষ করে "!সবসময় হাসতে দেখি না আম্মারে! হাসলে দেখি , আটটা জান্নাতই দেখা যায় আম্মার মুখে! আম্মার কান্না দেখে ইচ্ছে হয়, আসমান, জমিন সব কিছু খেয়ে নেই! এখনই শুষে নেই সব লবণ! সেবার ১০৪ ডিগ্রি জ্বরে, আম্মা হয়ে গেল জলপট্টি আমার, সারারাত নির্ঘুম, প্রসন্নহীনতায় কাটল তার! সরলা মা আমার, গায়ে পরেনা একটু গহনাও ! পরে শুধু একটা আদিম নাকফুল! আমার যখন অনেক টাকা হবে, এলিজাবেথের কোহিনুর দিয়ে বাঁধিয়ে দিব আম্মার নাকফুলটা!
লেখা: দর্পন।
তিমির রাতে,নিস্তব্ধতার অহংকার যখন চারিদিকে ছড়ায় পরে,একলা আম্মা আমার জায়নামাজে বসে পরে,"মাবুদ! ছেলেটারে দাও মানুষের মতো মানুষ করে "!সবসময় হাসতে দেখি না আম্মারে! হাসলে দেখি , আটটা জান্নাতই দেখা যায় আম্মার মুখে! আম্মার কান্না দেখে ইচ্ছে হয়, আসমান, জমিন সব কিছু খেয়ে নেই! এখনই শুষে নেই সব লবণ! সেবার ১০৪ ডিগ্রি জ্বরে, আম্মা হয়ে গেল জলপট্টি আমার, সারারাত নির্ঘুম, প্রসন্নহীনতায় কাটল তার! সরলা মা আমার, গায়ে পরেনা একটু গহনাও ! পরে শুধু একটা আদিম নাকফুল! আমার যখন অনেক টাকা হবে, এলিজাবেথের কোহিনুর দিয়ে বাঁধিয়ে দিব আম্মার নাকফুলটা!
লেখা: দর্পন।
❤41❤🔥4
অন্তরে মরিচা পড়ে দুইভাবে:
১. গাফিলতির মাধ্যমে
২. গুনাহের মাধ্যমে
আর এই মরিচা দূর করার পদ্ধতিও দুইটি:
১. ইস্তিগফার করার মাধ্যমে
২. আল্লাহ তায়ালার জিকিরের মাধ্যমে
[ আল ওয়াবিলুস সায়্যিব - ১০৬ ]
❤45👍3
জুলাইয়ের কতো স্মৃতি যে বুকে তরতাজা হয়ে আছে, কতো স্মৃতি মনে পড়লে যে ডুকরে কেঁদে উঠি তা লিখে বোঝানো অসম্ভব।
তিনটে ঘটনা খুব মনে পড়ে—
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কতিপয় শিক্ষক জুলাইয়ের সেই মর্মান্তিক দিনগুলোতেও শিরদাঁড়া শক্ত করে প্রতিবাদ জারি রেখেছিলেন৷ একদিন এমনই একটা প্রতিবাদী আয়োজনে, প্রফেসর গোলাম রাব্বানী স্যার নবারুন ভট্টাচার্যের একটি কবিতা আবৃত্তি করেন—
‘যে পিতা সন্তানের লাশ সনাক্ত করতে ভয় পায়,
আমি তাকে ঘৃণা করি।
যে ভাই এখনও নির্লজ্জ্ব স্বাভাবিক হয়ে আছে,
আমি তাকে ঘৃণা করি।
যে শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, কবি ও কেরানী
প্রকাশ্য পথে এই হত্যার প্রতিশোধ চায় না—
আমি তাকে ঘৃণা করি’।
এই কবিতাটা আবৃত্তি করতে করতে স্যার কেঁদে ফেলেছিলেন। কতোবার যে সেই ভিডিও আমাকেও কাঁদালো!
.
সম্ভবত ঠাকুরগাঁওয়ের ভিডিও ছিল সেটা৷ কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েরা রাস্তায় বসে প্রতিবাদ করছে৷ পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে আটকে রেখেছে তাদের৷ একটা মেয়ে কী সুতীব্র গলায় পুলিশের সামনে স্লোগান দিচ্ছিল—
‘কে এসেছে কে এসেছে?’
সবাই গলা ফাঁটানো চিৎকারে বলে উঠলো—‘পুলিশ এসেছে, পুলিশ এসেছে’।
মেয়েটা আবার বলল, ‘কী করছে কী করছে?’
সম্মিলিত কন্ঠে মেয়েরা বলে উঠলো, ‘স্বৈরাচারের পা চাটছে’।
কী শক্তিশালী মুহূর্ত ছিল সেটা!
.
একজন যুবককে হাতে হ্যাণ্ডক্যাপ পরিয়ে প্রিজন ভ্যান থেকে নামিয়ে আদালতে নিয়ে যাচ্ছিল পুলিশ৷ যুবকের পাশে তার মা৷ কী অদ্ভুত, মায়ের চোখেমুখে একফোঁটা ভয়ের রেশ নেই৷ তিনি দুহাত উঁচিয়ে ছেলেকে সাহস দিয়ে যেন বললেন, ‘বিজয় আমাদের হবেই বাবা৷ ভয় পাস না’।
.
তিনটে ঘটনা খুব মনে পড়ে—
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কতিপয় শিক্ষক জুলাইয়ের সেই মর্মান্তিক দিনগুলোতেও শিরদাঁড়া শক্ত করে প্রতিবাদ জারি রেখেছিলেন৷ একদিন এমনই একটা প্রতিবাদী আয়োজনে, প্রফেসর গোলাম রাব্বানী স্যার নবারুন ভট্টাচার্যের একটি কবিতা আবৃত্তি করেন—
‘যে পিতা সন্তানের লাশ সনাক্ত করতে ভয় পায়,
আমি তাকে ঘৃণা করি।
যে ভাই এখনও নির্লজ্জ্ব স্বাভাবিক হয়ে আছে,
আমি তাকে ঘৃণা করি।
যে শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, কবি ও কেরানী
প্রকাশ্য পথে এই হত্যার প্রতিশোধ চায় না—
আমি তাকে ঘৃণা করি’।
এই কবিতাটা আবৃত্তি করতে করতে স্যার কেঁদে ফেলেছিলেন। কতোবার যে সেই ভিডিও আমাকেও কাঁদালো!
.
সম্ভবত ঠাকুরগাঁওয়ের ভিডিও ছিল সেটা৷ কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েরা রাস্তায় বসে প্রতিবাদ করছে৷ পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে আটকে রেখেছে তাদের৷ একটা মেয়ে কী সুতীব্র গলায় পুলিশের সামনে স্লোগান দিচ্ছিল—
‘কে এসেছে কে এসেছে?’
সবাই গলা ফাঁটানো চিৎকারে বলে উঠলো—‘পুলিশ এসেছে, পুলিশ এসেছে’।
মেয়েটা আবার বলল, ‘কী করছে কী করছে?’
সম্মিলিত কন্ঠে মেয়েরা বলে উঠলো, ‘স্বৈরাচারের পা চাটছে’।
কী শক্তিশালী মুহূর্ত ছিল সেটা!
.
একজন যুবককে হাতে হ্যাণ্ডক্যাপ পরিয়ে প্রিজন ভ্যান থেকে নামিয়ে আদালতে নিয়ে যাচ্ছিল পুলিশ৷ যুবকের পাশে তার মা৷ কী অদ্ভুত, মায়ের চোখেমুখে একফোঁটা ভয়ের রেশ নেই৷ তিনি দুহাত উঁচিয়ে ছেলেকে সাহস দিয়ে যেন বললেন, ‘বিজয় আমাদের হবেই বাবা৷ ভয় পাস না’।
.
আহা জুলাই! কতো বেদনাঘন অতল স্মৃতির ফোয়ারা তুমি 💔
💔17
দশটি বিষয় এমন আছে যেগুলো অবলম্বন করলে একজন মুমিন দুষ্ট জিনদের অনিষ্ট থেকে মুক্তি পাবে।
১. জিন-শয়*তানের অনিষ্ট থেকে আল্লাহর কাছে বেশি বেশি আশ্রয় প্রার্থনা করা। আল্লাহ তাআলা বলেন—
আর যখনই শয়*তান তোমাদের কোনো প্ররোচনা দেয় সাথে সাথে আল্লাহর কাছে আশ্রয়-প্রার্থনা করো। নিশ্চয়ই তিনি (আশ্রয়-প্রার্থনা) শ্রবণকারী এবং সম্যকজ্ঞাত।
— সূরা ফুসসিলাত, আয়াত : ৩৬
নবিজি ﷺ বলেন, কোথাও যাওয়ার পর যদি কেউ اَعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللّٰهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ এই দুআ পড়ে, যেখানে থেকে প্রস্থান করার পূর্ব পর্যন্ত কোনো কিছুই তার ক্ষতি করতে পারবে না।
— সহিহ মুসলিম : ২৭০৮
২. সকাল-সন্ধ্যা সূরা ফালাক ও সূরা নাস পাঠ করা। — মুসনাদে আহমাদ : ১৭২৯৬; হাদিসটি সহিহ
৩. রাতে ঘুমানোর পূর্বে আয়াতুল কুরসি পাঠ করা। যে ব্যক্তি ঘুমানোর পূর্বে আয়াতুল কুরসি পাঠ করবে, সারা রাত শয়*তান তার কিছুই করতে পারবে না।
— সহিহুল বুখারি : ২৩১১
৪. সূরা বাকারা পাঠ করা। নবিজি ﷺ বলেন, তোমাদের ঘরগুলোকে বিরান কবরস্থান বানিয়ো না। যেই ঘরে সূরা বাকারা পাঠ করা হয়, শয়*তান সেই ঘরের নিকটে যেতে পারে না।
— সহিহ মুসলিম : ৭৮০
৫. সূরা বাকারার শেষের দুই আয়াত পাঠ করা। নবিজি ﷺ বলেন, যে ব্যক্তি রাতে (ঘুমানোর পূর্বে) সূরা বাকারার শেষের দুই আয়াত পাঠ করবে, তা তার জন্যে যথেষ্ট হবে।
— সহিহুল বুখারি : ৫০০৯
আল্লামা বদরুদ্দিন আইনি বলেন, ‘তার জন্য এটাই যথেষ্ট অর্থাৎ এই দুই আয়াতের পাঠকারী সারা রাত মানুষ ও জিনের অনিষ্ট থেকে রেহাই পাবে।’
— উমদাতুল কারি, বদরুদ্দিন আইনি, খণ্ড : ২০, পৃষ্ঠা : ৩০; দারু ইহইয়াইত তুরাসিল আরাবি, বৈরুত।
৬. সূরা মুমিনের প্রথম তিন আয়াত অর্থাৎ حم থেকে اِلَیۡہِ الۡمَصِیۡرُ পর্যন্ত এবং আয়াতুল কুরসি সকাল বেলা পড়লে সন্ধ্যা পর্যন্ত আর সন্ধ্যায় পড়লে সকাল পর্যন্ত সকল প্রকার অনিষ্ট থেকে মুক্ত থাকা যাবে।
— জামিউত তিরমিযি : ২৮৭৯; হাদিসটির সনদ জইফ।
৭. আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি দিনে ১০০ বার لَآ اِلٰهَ اِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهٗ لَا شَرِيْكَ لَهٗ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلٰى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ পড়বে, সে ১০ জন গোলাম আজাদ করার সাওয়াব পাবে। তার জন্য ১০০ নেকি লেখা হবে এবং ১০০ গুনাহ মুছে দেওয়া হবে। আর সেই দিন সন্ধ্যা পর্যন্ত শয়তানের অনিষ্ট থেকে তাকে রক্ষা করা হবে।
— সহিহুল বুখারি : ৩২৯৩; সহিহ মুসলিম : ২৬৯১
৮. হাদিসে বর্ণিত শব্দে ও পদ্ধতিতে বেশি বেশি আল্লাহর জিকির করা। যেমন, সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার বা সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহি সুবহানাল্লাহিল আজিম ইত্যাদি। কারণ যে অন্তর আল্লাহর স্মরণে মগ্ন থাকে, সেই অন্তরে শয়*তান প্রভাব বিস্তার করতে পারে না।
৯. সর্বদা ওজু অবস্থায় থাকা এবং যথা সময়ে সালাত আদায় করা। এমন ব্যক্তির অন্তর সর্বদা পাক পবিত্র ও আল্লাহর স্মরণে মগ্ন থাকে।
১০. বেশি কথা বলা, বেশি খাওয়া, ইচ্ছাকৃতভাবে হারাম কিছু বারবার দেখা এবং সব ধরনের মানুষের সঙ্গ দেওয়া। এই চারটি কাজের মাধ্যমে শয়*তান সাধারণত মানুষকে ধোঁকায় ফেলে। নবিজি ﷺ বলেন, কুদৃষ্টি ইবলিসের বিষাক্ত তীর (যা দিয়ে সে মুমিনের অন্তর ঘায়েল করে)। যে ব্যক্তি আল্লাহর ভয়ে কুদৃষ্টি পরিহার করবে, সে তার হৃদয়ে ঈমানের স্বাদ অনুভব করবে।
— আকামুল মারজান ফি আহকামিল জান, বদরুদ্দিন মুহাম্মাদ ইবনু আবদিল্লাহ আশ-শিবলি : ৯৪-৯৫; দারুল কুতুবিল ইলমিইয়া, বৈরুত। আল-মুজামুল কাবির : ১০৩৬২; মুসনাদুশ শিহাব : ২৯৩; এই হাদিসের সনদে আবদুর রহমান ইবনু ইসহাক নামের একজন বর্ণনাকারী আছেন, যিনি জইফ।
বই : জিনজাতির বিস্ময়কর জগৎ, পৃ. ১৭৯ - ১৮১।
#হিকমাহ
১. জিন-শয়*তানের অনিষ্ট থেকে আল্লাহর কাছে বেশি বেশি আশ্রয় প্রার্থনা করা। আল্লাহ তাআলা বলেন—
আর যখনই শয়*তান তোমাদের কোনো প্ররোচনা দেয় সাথে সাথে আল্লাহর কাছে আশ্রয়-প্রার্থনা করো। নিশ্চয়ই তিনি (আশ্রয়-প্রার্থনা) শ্রবণকারী এবং সম্যকজ্ঞাত।
— সূরা ফুসসিলাত, আয়াত : ৩৬
নবিজি ﷺ বলেন, কোথাও যাওয়ার পর যদি কেউ اَعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللّٰهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ এই দুআ পড়ে, যেখানে থেকে প্রস্থান করার পূর্ব পর্যন্ত কোনো কিছুই তার ক্ষতি করতে পারবে না।
— সহিহ মুসলিম : ২৭০৮
২. সকাল-সন্ধ্যা সূরা ফালাক ও সূরা নাস পাঠ করা। — মুসনাদে আহমাদ : ১৭২৯৬; হাদিসটি সহিহ
৩. রাতে ঘুমানোর পূর্বে আয়াতুল কুরসি পাঠ করা। যে ব্যক্তি ঘুমানোর পূর্বে আয়াতুল কুরসি পাঠ করবে, সারা রাত শয়*তান তার কিছুই করতে পারবে না।
— সহিহুল বুখারি : ২৩১১
৪. সূরা বাকারা পাঠ করা। নবিজি ﷺ বলেন, তোমাদের ঘরগুলোকে বিরান কবরস্থান বানিয়ো না। যেই ঘরে সূরা বাকারা পাঠ করা হয়, শয়*তান সেই ঘরের নিকটে যেতে পারে না।
— সহিহ মুসলিম : ৭৮০
৫. সূরা বাকারার শেষের দুই আয়াত পাঠ করা। নবিজি ﷺ বলেন, যে ব্যক্তি রাতে (ঘুমানোর পূর্বে) সূরা বাকারার শেষের দুই আয়াত পাঠ করবে, তা তার জন্যে যথেষ্ট হবে।
— সহিহুল বুখারি : ৫০০৯
আল্লামা বদরুদ্দিন আইনি বলেন, ‘তার জন্য এটাই যথেষ্ট অর্থাৎ এই দুই আয়াতের পাঠকারী সারা রাত মানুষ ও জিনের অনিষ্ট থেকে রেহাই পাবে।’
— উমদাতুল কারি, বদরুদ্দিন আইনি, খণ্ড : ২০, পৃষ্ঠা : ৩০; দারু ইহইয়াইত তুরাসিল আরাবি, বৈরুত।
৬. সূরা মুমিনের প্রথম তিন আয়াত অর্থাৎ حم থেকে اِلَیۡہِ الۡمَصِیۡرُ পর্যন্ত এবং আয়াতুল কুরসি সকাল বেলা পড়লে সন্ধ্যা পর্যন্ত আর সন্ধ্যায় পড়লে সকাল পর্যন্ত সকল প্রকার অনিষ্ট থেকে মুক্ত থাকা যাবে।
— জামিউত তিরমিযি : ২৮৭৯; হাদিসটির সনদ জইফ।
৭. আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি দিনে ১০০ বার لَآ اِلٰهَ اِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهٗ لَا شَرِيْكَ لَهٗ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلٰى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ পড়বে, সে ১০ জন গোলাম আজাদ করার সাওয়াব পাবে। তার জন্য ১০০ নেকি লেখা হবে এবং ১০০ গুনাহ মুছে দেওয়া হবে। আর সেই দিন সন্ধ্যা পর্যন্ত শয়তানের অনিষ্ট থেকে তাকে রক্ষা করা হবে।
— সহিহুল বুখারি : ৩২৯৩; সহিহ মুসলিম : ২৬৯১
৮. হাদিসে বর্ণিত শব্দে ও পদ্ধতিতে বেশি বেশি আল্লাহর জিকির করা। যেমন, সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার বা সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহি সুবহানাল্লাহিল আজিম ইত্যাদি। কারণ যে অন্তর আল্লাহর স্মরণে মগ্ন থাকে, সেই অন্তরে শয়*তান প্রভাব বিস্তার করতে পারে না।
৯. সর্বদা ওজু অবস্থায় থাকা এবং যথা সময়ে সালাত আদায় করা। এমন ব্যক্তির অন্তর সর্বদা পাক পবিত্র ও আল্লাহর স্মরণে মগ্ন থাকে।
১০. বেশি কথা বলা, বেশি খাওয়া, ইচ্ছাকৃতভাবে হারাম কিছু বারবার দেখা এবং সব ধরনের মানুষের সঙ্গ দেওয়া। এই চারটি কাজের মাধ্যমে শয়*তান সাধারণত মানুষকে ধোঁকায় ফেলে। নবিজি ﷺ বলেন, কুদৃষ্টি ইবলিসের বিষাক্ত তীর (যা দিয়ে সে মুমিনের অন্তর ঘায়েল করে)। যে ব্যক্তি আল্লাহর ভয়ে কুদৃষ্টি পরিহার করবে, সে তার হৃদয়ে ঈমানের স্বাদ অনুভব করবে।
— আকামুল মারজান ফি আহকামিল জান, বদরুদ্দিন মুহাম্মাদ ইবনু আবদিল্লাহ আশ-শিবলি : ৯৪-৯৫; দারুল কুতুবিল ইলমিইয়া, বৈরুত। আল-মুজামুল কাবির : ১০৩৬২; মুসনাদুশ শিহাব : ২৯৩; এই হাদিসের সনদে আবদুর রহমান ইবনু ইসহাক নামের একজন বর্ণনাকারী আছেন, যিনি জইফ।
বই : জিনজাতির বিস্ময়কর জগৎ, পৃ. ১৭৯ - ১৮১।
#হিকমাহ
❤12👍2
অনেক দিন পর যখন পড়তে বসি,
meanwhile :
meanwhile :
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
🤣18😁2❤1