অনলাইনে যাদেরকে আমরা একসময় বাম আদর্শের বলে জানতাম তারা এখন "বসন্তের কোকিল" হিসেবে বিএনপির শুভাকাঙ্খী বনে গেছে। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকজন হলো, ইসলামকে মনগড়াভাবে কমিউনিজম দিয়ে ইন্টারপ্রেট করা পারভেজ আলম, বাকি বিল্লাহ, মাহবুব মোর্শেদ, মারুফ মল্লিক, সালাউদ্দিন শুভ্র। এরা আগে ছিল বাম আদর্শের লোক এরমধ্যে বাকি বিল্লাহ এখনো সিপিবি'র সাথে জড়িত। আর বাকিরাও ছাত্রজীবনে সবাই বাম রাজনীতি করে আসছে। এদের প্রত্যেকেরই একটা কমন রোগ আছে সেটা হলো সবকিছুতেই এদেশের ইসলামপন্থী সংগঠন জামায়াত কে নেতিবাচক ভাবে উপস্থাপন করা।
যেমন ধরেন, আজকে বিএনপির উপর পুলিশ এভাবে হামলে পড়লো তারা এই পুলিশি হামলার প্রতিবাদ না করে সুকৌশলে পুরো বিষয়টিকে জামায়াতের প্রলেপ দিয়ে ঢেকে দিতে চায়ছে। তাদের ভাষ্য হলো, জামায়াত নাকি আ.লীগের সাথে আতাঁত করছে। তাই তারা কোনপ্রকার বাঁধার সম্মুখীন হয়নি। অথচ সব মিডিয়ায় গত কয়েকদিন ধরেই আমরা দেখে আসছি কিভাবে পুলিশ কর্মকর্তারা জামায়াত নিয়ে আক্রমণাত্মক বক্তব্য দিয়েছে। এছাড়াও জামায়াতের অনেকেই গ্রেপ্তার ও হামলার শিকার হয়েছে আজকে। আবার কাল বিএনপির সাথে মিলিয়ে একইদিনে হরতালের ডাকও দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। গত ১৪ বছর ধরেই এভাবে আন্দোলন সংগ্রাম করতে গিয়ে জামায়াত-শিবিরের শত শত নেতাকর্মী শহীদ হয়েছে, আহত হয়েছে, আটক হয়েছে। তাও নাকি এখনো এরা আতাঁতের গন্ধ খোঁজে!
অবশ্য গত দিনগুলোতে জামায়াতের এই সীমাহীন ত্যাগগুলো তাদের চোখে পরবেনা। এদের মূল উদ্দেশ্য নিয়ে আসলে সবাই সন্দিহান। এরা কি আসলেই বিএনপির শুভাকাঙ্খী নাকি সরকারের এজেন্ট হিসেবে কাজ করছে বিরোধী দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক দুরত্ব সৃষ্টি করতে? ও হ্যাঁ, এটাও সত্য এরা আবার প্রচণ্ড সরকার বিরোধী হওয়ার ভান ধরে। কিন্তু আজপর্যন্ত এত লেখক-এক্টিভিস্ট এই স্বৈরাচারের রোষানলে পড়লেও এদেরকে কখনো কোনসময়ই এই স্বৈরাচার আওয়ামী সরকারের রোষানলে পড়তে দেখা যায়নি।
যেমন ধরেন, আজকে বিএনপির উপর পুলিশ এভাবে হামলে পড়লো তারা এই পুলিশি হামলার প্রতিবাদ না করে সুকৌশলে পুরো বিষয়টিকে জামায়াতের প্রলেপ দিয়ে ঢেকে দিতে চায়ছে। তাদের ভাষ্য হলো, জামায়াত নাকি আ.লীগের সাথে আতাঁত করছে। তাই তারা কোনপ্রকার বাঁধার সম্মুখীন হয়নি। অথচ সব মিডিয়ায় গত কয়েকদিন ধরেই আমরা দেখে আসছি কিভাবে পুলিশ কর্মকর্তারা জামায়াত নিয়ে আক্রমণাত্মক বক্তব্য দিয়েছে। এছাড়াও জামায়াতের অনেকেই গ্রেপ্তার ও হামলার শিকার হয়েছে আজকে। আবার কাল বিএনপির সাথে মিলিয়ে একইদিনে হরতালের ডাকও দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। গত ১৪ বছর ধরেই এভাবে আন্দোলন সংগ্রাম করতে গিয়ে জামায়াত-শিবিরের শত শত নেতাকর্মী শহীদ হয়েছে, আহত হয়েছে, আটক হয়েছে। তাও নাকি এখনো এরা আতাঁতের গন্ধ খোঁজে!
অবশ্য গত দিনগুলোতে জামায়াতের এই সীমাহীন ত্যাগগুলো তাদের চোখে পরবেনা। এদের মূল উদ্দেশ্য নিয়ে আসলে সবাই সন্দিহান। এরা কি আসলেই বিএনপির শুভাকাঙ্খী নাকি সরকারের এজেন্ট হিসেবে কাজ করছে বিরোধী দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক দুরত্ব সৃষ্টি করতে? ও হ্যাঁ, এটাও সত্য এরা আবার প্রচণ্ড সরকার বিরোধী হওয়ার ভান ধরে। কিন্তু আজপর্যন্ত এত লেখক-এক্টিভিস্ট এই স্বৈরাচারের রোষানলে পড়লেও এদেরকে কখনো কোনসময়ই এই স্বৈরাচার আওয়ামী সরকারের রোষানলে পড়তে দেখা যায়নি।
👍9❤1
মানুষ কি মনে করে যে, ‘আমরা বিশ্বাস করি’ এ কথা বললেই ওদেরকে পরীক্ষা না করে ছেড়ে দেওয়া হবে? [আমি অবশ্যই এদের পূর্ববর্তীদেরকেও পরীক্ষা করেছিলাম; সুতরাং আল্লাহ অবশ্যই জেনে নেবেন, কারা সত্যবাদী ও কারা মিথ্যাবাদী।
সূরা আনকাবুত-(২-৩)
সূরা আনকাবুত-(২-৩)
❤12
সূরা আল কাহাফ কেনো নাযিল হয়েছিলো জানেন?
রাসূলুল্লাহ সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নবুয়তকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে মুশরিকরা আহলে কিতাবদের কাছ থেকে তিনটা প্রশ্ন ধার করে আনে। আহলে কিতাবরা বলে দিয়েছিলো—সত্যিকার নবি না হলে এই প্রশ্নগুলোর উত্তর দেওয়া কখনোই সম্ভব হবে না।
মুশরিকরা নবিজী সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কখনোই সত্য নবি মনে করতো না৷ তাদের ধারণা ছিলো এই প্রশ্নগুলোর উত্তর মুহাম্মাদ সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনোই দিতে পারবেন না এবং তিনি যে আল্লাহর নবি নন, সেটা সকলের সামনে প্রমাণ হয়ে যাবে।
প্রশ্ন তিনটা ছিলো—
১. গুহার সেই বালকদের ঘটনাটা কী? কী ঘটেছিলো তাদের ভাগ্যে?
২. সেই ধর্ম অন্তপ্রাণ রাজা কে যাকে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা পূর্ব এবং পশ্চিমের গোটা রাজত্ব দান করেছিলেন?
৩. রুহ কী?
আমরা জানি—মুশরিকদের উত্থাপিত এই প্রশ্নগুলোর জবাব দিয়ে সূরা আল কাহাফ সহ আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা জিবরাইল আলাইহিস সালামকে নবিজী সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে পাঠান।
এখানে আমার চিন্তাটা একটু অন্য জায়গায়৷ যদিও ষড়যন্ত্র আর কূটচালের অংশ, তবুও মুশরিকরা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার কাছে জানতে চেয়েছিলো কেবল তিনটা ঘটনা৷ কিন্তু সূরা আল কাহাফে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা কি শুধু তিনটা ঘটনাই জানিয়েছেন?
মুশরিকদের উত্থাপিত তিনটা প্রশ্নের জবাব তো দিয়েছেনই, সাথে বাড়তি করে সূরা আল কাহাফে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা আমাদেরকে আরো দুটো বাড়তি ঘটনা জানিয়েছেন।
১. সেই দুই বাগানের মালিকের ঘটনা যে অঢেল সম্পদের মালিক হওয়ার পর আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলাকে ভুলে গেলো এবং ধ্বংস হলো।
২. মুসা আলাইহিস সালাম এবং খিযির আলাইহিস সালামের ঘটনা।
এই বাড়তি দুই ঘটনার কথা কিন্তু মুশরিকরা জানতে চায়নি, তথাপি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা অনুগ্রহ করে জানিয়েছেন আমাদের।
হোক না তারা আল্লাহর দ্বীনের অকল্যাণ কামনা করেই প্রশ্নগুলোর জবাব চেয়েছে, কিন্তু উত্তর দানের বেলায় আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা কিন্তু তাঁর স্বভাবসুলভ বদান্যতা ঠিক ঠিক ধরে রেখেছেন৷ তারা জানতে চাইলো তিনটে ঘটনা, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা জানালেন পাঁচটা।
মুশরিকদের চাওয়ার বিপরীতেই যদি আপনার রব বাড়তি দিতে পারেন, বাড়তি জানাতে পারেন, হাজার গুনাহ করলেও আমরা তো তাঁরই গুনাহগার বান্দা, আমরা তো তাঁকেই দিনশেষে সিজদাহ করি। আমরা যদি তাঁর কাছে কোনোকিছু চাই, তিনি কতোগুণ বেশি করে আমাদের দিতে পারেন ভাবুন তো...
রাসূলুল্লাহ সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নবুয়তকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে মুশরিকরা আহলে কিতাবদের কাছ থেকে তিনটা প্রশ্ন ধার করে আনে। আহলে কিতাবরা বলে দিয়েছিলো—সত্যিকার নবি না হলে এই প্রশ্নগুলোর উত্তর দেওয়া কখনোই সম্ভব হবে না।
মুশরিকরা নবিজী সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কখনোই সত্য নবি মনে করতো না৷ তাদের ধারণা ছিলো এই প্রশ্নগুলোর উত্তর মুহাম্মাদ সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনোই দিতে পারবেন না এবং তিনি যে আল্লাহর নবি নন, সেটা সকলের সামনে প্রমাণ হয়ে যাবে।
প্রশ্ন তিনটা ছিলো—
১. গুহার সেই বালকদের ঘটনাটা কী? কী ঘটেছিলো তাদের ভাগ্যে?
২. সেই ধর্ম অন্তপ্রাণ রাজা কে যাকে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা পূর্ব এবং পশ্চিমের গোটা রাজত্ব দান করেছিলেন?
৩. রুহ কী?
আমরা জানি—মুশরিকদের উত্থাপিত এই প্রশ্নগুলোর জবাব দিয়ে সূরা আল কাহাফ সহ আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা জিবরাইল আলাইহিস সালামকে নবিজী সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে পাঠান।
এখানে আমার চিন্তাটা একটু অন্য জায়গায়৷ যদিও ষড়যন্ত্র আর কূটচালের অংশ, তবুও মুশরিকরা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার কাছে জানতে চেয়েছিলো কেবল তিনটা ঘটনা৷ কিন্তু সূরা আল কাহাফে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা কি শুধু তিনটা ঘটনাই জানিয়েছেন?
মুশরিকদের উত্থাপিত তিনটা প্রশ্নের জবাব তো দিয়েছেনই, সাথে বাড়তি করে সূরা আল কাহাফে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা আমাদেরকে আরো দুটো বাড়তি ঘটনা জানিয়েছেন।
১. সেই দুই বাগানের মালিকের ঘটনা যে অঢেল সম্পদের মালিক হওয়ার পর আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলাকে ভুলে গেলো এবং ধ্বংস হলো।
২. মুসা আলাইহিস সালাম এবং খিযির আলাইহিস সালামের ঘটনা।
এই বাড়তি দুই ঘটনার কথা কিন্তু মুশরিকরা জানতে চায়নি, তথাপি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা অনুগ্রহ করে জানিয়েছেন আমাদের।
হোক না তারা আল্লাহর দ্বীনের অকল্যাণ কামনা করেই প্রশ্নগুলোর জবাব চেয়েছে, কিন্তু উত্তর দানের বেলায় আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা কিন্তু তাঁর স্বভাবসুলভ বদান্যতা ঠিক ঠিক ধরে রেখেছেন৷ তারা জানতে চাইলো তিনটে ঘটনা, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা জানালেন পাঁচটা।
মুশরিকদের চাওয়ার বিপরীতেই যদি আপনার রব বাড়তি দিতে পারেন, বাড়তি জানাতে পারেন, হাজার গুনাহ করলেও আমরা তো তাঁরই গুনাহগার বান্দা, আমরা তো তাঁকেই দিনশেষে সিজদাহ করি। আমরা যদি তাঁর কাছে কোনোকিছু চাই, তিনি কতোগুণ বেশি করে আমাদের দিতে পারেন ভাবুন তো...
❤7
আলোর পথ
নাম- আসাদুল্লাহ খান শাকিল পিতার নাম- মৃত হাবিবুল্লাহ খান মাতার নাম- ফরিদা বা বিবি জয়নব চাকরির ঠিকানা- মিরপুর সাড়ে এগারো নিজ জেলা- ভোলা! সর্বশেষ কথা- আসরের পরে মোবাইল- 01675391210 01728252628 খোজ পেলে এই নাম্বারে যোগাযোগের অনুরোধ রইলো- 01873408383 বিবাহিত…
আলহামদুলিল্লাহ
ঐ ভাইটিকে পল্লবি থানায় পাওয়া গেছে। পরিবারের তথ্য থেকে জানতে পেরেছি।
ঐ ভাইটিকে পল্লবি থানায় পাওয়া গেছে। পরিবারের তথ্য থেকে জানতে পেরেছি।
❤12
”আওয়ামীলীগ সরকার বিগত পনের বছরে ইসলামী ছাত্রশিবিরের ওপর অবর্ণনীয় নির্যাতন চালিয়ে ইসলামী ছাত্রশিবিরকে নিশ্চিহ্ন করার প্রয়াস চালিয়েছে। ফ্যাসিবাদীরা তাকিয়ে দেখ ইসলামী আন্দোলনকে নিশ্চিহ্ন করা যায়না, ইসলামী ছাত্রশিবিরকে নিশ্চিহ্ন করার শক্তি তোমাদের নেই।”
রাজিবুর রহমান
কেন্দীয় সভাপতি,
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির
রাজিবুর রহমান
কেন্দীয় সভাপতি,
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির
❤14👍1
ফিলিস্তিনিদের সাথে সংহতি এবং গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের নিন্দা জানিয়ে ইস্তাম্বুলে একটি বিক্ষোভের সময় তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগানের একটি বক্তৃতাঃ
· আমরা গাজা নিয়ে দুঃখিত এবং গাজার জন্য আমরা এখন যা করছি এবং এমন কিছু লোক আছে যারা হামাসকে ইসরায়েলের সাথে সমান করে!
· হামাস সন্ত্রাসী আন্দোলন নয় বলে আমার বক্তব্যে ইসরায়েল বিরক্ত হয়েছে!
· গাজায় যা ঘটছে তার নিন্দা করে আমরা সন্তুষ্ট হব না!
· আমি আবারও নিশ্চিত করছি যে হামাস কোনো সন্ত্রাসী আন্দোলন নয় এবং গাজায় যা ঘটছে তার নিন্দা করে আমরা সন্তুষ্ট হব না!
· গাজায় যা ঘটছে তা নিয়ে ইউক্রেনের জন্য যে বিশ্ব কান্নাকাটি করেছে তা উপস্থিত নেই!
· মধ্যপ্রাচ্যে আমাদের অবস্থান লিবিয়ায় এবং কারাবাখের মতোই!
· গাজায় যে ধ্বংসযজ্ঞ চলছে তা পশ্চিমাদের কর্মকাণ্ডের ফল!
· পশ্চিমারা তার হাত নোংরা না করে যা চায় তাই করে, আর ইসরাইল তার হাতের মোহরা!
· পশ্চিমা দেশগুলোর সমর্থন ছাড়া ইসরায়েল তিন দিনও টিকবে না!
· বিশ্বের সামনে ইসরায়েলকে যুদ্ধাপরাধী ঘোষণা করার জন্য আমরা প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিচ্ছি!
· ইসরায়েল অন্ধকারে গাজায় গণহত্যা চালায়, এই ভেবে যে বিশ্ব তা জানবে না!
· আমরা গাজা নিয়ে দুঃখিত এবং গাজার জন্য আমরা এখন যা করছি এবং এমন কিছু লোক আছে যারা হামাসকে ইসরায়েলের সাথে সমান করে!
· হামাস সন্ত্রাসী আন্দোলন নয় বলে আমার বক্তব্যে ইসরায়েল বিরক্ত হয়েছে!
· গাজায় যা ঘটছে তার নিন্দা করে আমরা সন্তুষ্ট হব না!
· আমি আবারও নিশ্চিত করছি যে হামাস কোনো সন্ত্রাসী আন্দোলন নয় এবং গাজায় যা ঘটছে তার নিন্দা করে আমরা সন্তুষ্ট হব না!
· গাজায় যা ঘটছে তা নিয়ে ইউক্রেনের জন্য যে বিশ্ব কান্নাকাটি করেছে তা উপস্থিত নেই!
· মধ্যপ্রাচ্যে আমাদের অবস্থান লিবিয়ায় এবং কারাবাখের মতোই!
· গাজায় যে ধ্বংসযজ্ঞ চলছে তা পশ্চিমাদের কর্মকাণ্ডের ফল!
· পশ্চিমারা তার হাত নোংরা না করে যা চায় তাই করে, আর ইসরাইল তার হাতের মোহরা!
· পশ্চিমা দেশগুলোর সমর্থন ছাড়া ইসরায়েল তিন দিনও টিকবে না!
· বিশ্বের সামনে ইসরায়েলকে যুদ্ধাপরাধী ঘোষণা করার জন্য আমরা প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিচ্ছি!
· ইসরায়েল অন্ধকারে গাজায় গণহত্যা চালায়, এই ভেবে যে বিশ্ব তা জানবে না!
❤10👍2
গতকাল শনিবার রাজনৈতিক দলগুলোর কর্মসূচি এবং বিভিন্ন ঘটনাবলি নিয়ে প্রশ্ন রেখেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল।
১. তিনি প্রশ্ন রাখেন— কারা একজন পুলিশকে হত্যা করল? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন জনৈক ছাত্রদল নেতা তাকে মাথায় চাপাতি দিয়ে আঘাত করতে করতে হত্যা করেছে। এর কোনো ছবি বা ফুটেজ আছে কি? অন্য পুলিশরা তখন কি করছিলেন? নিহত পুলিশ ভাইটি কি হেলমেট পরা ছিলেন না তখন?
২. যুবদল নেতাকে কে হত্যা করেছে, কীভাবে তিনি মারা গেছেন?
৩. কারা সংঘর্ষ শুরু করেছে? কারও ইন্ধন ছিল কি?
৪. প্রধান বিচারপতির বাসার ফটক আক্রমণকালে পুলিশ কোথায় ছিল? এমনিতেই তো সেখানে অনেক পুলিশ থাকার কথা। প্রথমেই তারা কি আক্রমণকারীদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেছেন? উনার বাসভবনের ভেতর কেউ আগেই অনুপ্রবেশ করেছিল কি?
৫. হেফাজতের ওপর আক্রমণের বহু বছর পর সম্ভবত আজই প্রথম বিএনপির সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার জন্য বিকট শব্দের সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করেছে পুলিশ। এর কি কোনো প্রয়োজন ছিল? এটা কি সমানুপাতিক বল প্রয়োগের নীতির সঙ্গে সংগতিপূর্ণ?
৬. লাঠি আর বৈঠা বহনকারী যুবকদের গ্রেফতারের কোনো চেষ্টা করেছে কি পুলিশ? এগুলো বহনে নিষেধাজ্ঞা ছিল। সেটা কি বলবৎ করার চেষ্টা করা হয়েছিল?
৭. বাসে আগুন কারা দিল? এক পক্ষ, নাকি দুপক্ষই? কারা সেই পক্ষ? পুলিশের ভেস্ট পরা লোকেরা বাসে আগুন দিয়েছে বলা হয়েছে। এরা কারা?
৮. শাপলা চত্বরের মতো ঘটনা ঘটানোর হুমকি দিয়েছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। শাপলা চত্বরের মতোই বিএনপির সমাবেশস্থলে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল, সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করা হয়েছিল এবং আকস্মিক পুলিশি হামলা করে সমাবেশস্থল খালি করে দেওয়া হয়েছিল। পুলিশ কি এখানে রাষ্ট্রীয় বাহিনীর মতো কাজ করেছে, নাকি সরকারদলীয় ইচ্ছার বাস্তবায়ন করেছে?
আমি সব ধরনের সংঘাতের নিন্দা জানাই। জানতে চাই ঠিক কী ঘটেছিল। সাংবাদিক ভাইরা আপনাদের কাছে অনুরোধ নিরপেক্ষভাবে সত্যকে তুলে ধরুন। যারা মানুষের ভোটাধিকারে বিশ্বাস করেন এটা তাদের পবিত্র দায়িত্ব।
#StepDownHasina
১. তিনি প্রশ্ন রাখেন— কারা একজন পুলিশকে হত্যা করল? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন জনৈক ছাত্রদল নেতা তাকে মাথায় চাপাতি দিয়ে আঘাত করতে করতে হত্যা করেছে। এর কোনো ছবি বা ফুটেজ আছে কি? অন্য পুলিশরা তখন কি করছিলেন? নিহত পুলিশ ভাইটি কি হেলমেট পরা ছিলেন না তখন?
২. যুবদল নেতাকে কে হত্যা করেছে, কীভাবে তিনি মারা গেছেন?
৩. কারা সংঘর্ষ শুরু করেছে? কারও ইন্ধন ছিল কি?
৪. প্রধান বিচারপতির বাসার ফটক আক্রমণকালে পুলিশ কোথায় ছিল? এমনিতেই তো সেখানে অনেক পুলিশ থাকার কথা। প্রথমেই তারা কি আক্রমণকারীদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেছেন? উনার বাসভবনের ভেতর কেউ আগেই অনুপ্রবেশ করেছিল কি?
৫. হেফাজতের ওপর আক্রমণের বহু বছর পর সম্ভবত আজই প্রথম বিএনপির সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার জন্য বিকট শব্দের সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করেছে পুলিশ। এর কি কোনো প্রয়োজন ছিল? এটা কি সমানুপাতিক বল প্রয়োগের নীতির সঙ্গে সংগতিপূর্ণ?
৬. লাঠি আর বৈঠা বহনকারী যুবকদের গ্রেফতারের কোনো চেষ্টা করেছে কি পুলিশ? এগুলো বহনে নিষেধাজ্ঞা ছিল। সেটা কি বলবৎ করার চেষ্টা করা হয়েছিল?
৭. বাসে আগুন কারা দিল? এক পক্ষ, নাকি দুপক্ষই? কারা সেই পক্ষ? পুলিশের ভেস্ট পরা লোকেরা বাসে আগুন দিয়েছে বলা হয়েছে। এরা কারা?
৮. শাপলা চত্বরের মতো ঘটনা ঘটানোর হুমকি দিয়েছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। শাপলা চত্বরের মতোই বিএনপির সমাবেশস্থলে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল, সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করা হয়েছিল এবং আকস্মিক পুলিশি হামলা করে সমাবেশস্থল খালি করে দেওয়া হয়েছিল। পুলিশ কি এখানে রাষ্ট্রীয় বাহিনীর মতো কাজ করেছে, নাকি সরকারদলীয় ইচ্ছার বাস্তবায়ন করেছে?
আমি সব ধরনের সংঘাতের নিন্দা জানাই। জানতে চাই ঠিক কী ঘটেছিল। সাংবাদিক ভাইরা আপনাদের কাছে অনুরোধ নিরপেক্ষভাবে সত্যকে তুলে ধরুন। যারা মানুষের ভোটাধিকারে বিশ্বাস করেন এটা তাদের পবিত্র দায়িত্ব।
#StepDownHasina
❤9
IMG_20231029_131606_769.jpg
362.9 KB
সারাদেশে সকাল-সন্ধ্যা শান্তিপূর্ণ হরতালের সমর্থনে সিলেট নগরীতে বিক্ষোভ মিছিল করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সিলেট মহানগরী।
#RestoreCaretakerGovt
#StepDownHasina
#Hortal
#RestoreCaretakerGovt
#StepDownHasina
#Hortal
❤10