Forwarded from Pearls of Islam
দাজ্জাল আসার পূর্বে মন্দা যাবে দুর্ভিক্ষ যাবে। মানুষের ঘরে খাবার থাকবে না। সাহাবীগণ (রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম) প্রশ্ন করলে রসুলল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উত্তর ছিলো তখন জিকির এর মাধ্যমে রিজিক পূরণ হবে। জিকিরটাই খাদ্য।
এমন ক্রান্তিলগ্নে দাজ্জাল আসবে। অনাহারে দুর্ভিক্ষে থাকা মামুষের সামনে সে রুটির পাহাড় নিয়ে আসবে।
দাজ্জালের কপালে কাফির লেখা থাকবে। তার এক চোখ অন্ধ হবে। দাজ্জাল নিয়ে এত এত হাদিস থাকা সত্বেও মানুষ সেদিন রুটির কারণে দাজ্জালের কাছে আত্নসমর্পণ করবে। দাজ্জালের ফিতনায় নিপতিত হবে। ঈমান পরিত্যাগ করবে।
হ্যা
শুধু রুটির জন্য।
এখনও অবস্থা একই। মানুষ দুইবেলা পেট ভরে খেতে পারলে আর আর্থিক ভাবে সুখে থাকলে তাতেই সে খুশি। ঈমানের মূল্য কজনের আছে? তাওহীদ আজকে গৌণ। দুই বেলা খেতে পারা, একটু ভালো থাকা- এটার মূল্য আজ ঈমানের থেকে বেশি, তাওহীদের থেকে বেশি
- Murtoza Shahriar
এমন ক্রান্তিলগ্নে দাজ্জাল আসবে। অনাহারে দুর্ভিক্ষে থাকা মামুষের সামনে সে রুটির পাহাড় নিয়ে আসবে।
দাজ্জালের কপালে কাফির লেখা থাকবে। তার এক চোখ অন্ধ হবে। দাজ্জাল নিয়ে এত এত হাদিস থাকা সত্বেও মানুষ সেদিন রুটির কারণে দাজ্জালের কাছে আত্নসমর্পণ করবে। দাজ্জালের ফিতনায় নিপতিত হবে। ঈমান পরিত্যাগ করবে।
হ্যা
শুধু রুটির জন্য।
এখনও অবস্থা একই। মানুষ দুইবেলা পেট ভরে খেতে পারলে আর আর্থিক ভাবে সুখে থাকলে তাতেই সে খুশি। ঈমানের মূল্য কজনের আছে? তাওহীদ আজকে গৌণ। দুই বেলা খেতে পারা, একটু ভালো থাকা- এটার মূল্য আজ ঈমানের থেকে বেশি, তাওহীদের থেকে বেশি
- Murtoza Shahriar
😢32❤5👍2💔1
একজন মানুষ যদি জানতো তার মৃ*ত্যুর পর কত দ্রুত সবাই তাকে ভুলে যাবে, কারো সন্তুষ্টি অর্জন, দৃষ্টি আকর্ষণ কিংবা নৈকট্য অর্জনে সে এভাবে উঠে পড়ে লাগতো না। কারো দূরে সরে যাওয়াতেও সে এত কষ্ট পেতো না।
সে কেবল তাঁর ভালোবাসা, ক্ষমা ও সন্তুষ্টি লাভের চেষ্টাতেই থাকতো, যিনি তাকে পেলেছেন সেই মায়ের পেটে, যেখানে তার কোনই বন্ধু ছিল না। সেই পোকামাকড়ের ঘরে, সেই অন্ধকার গর্তে, সেই নিস্তব্ধ ভয়ার্ত পরিবেশেও যদি তার একাকিত্বের সঙ্গী কেউ হয়, তাহলে হবে একমাত্র সেই মহান রবেরই রহমত ও দয়া।
অসহায় সে নয়, যার কোন বন্ধু নেই। চরম অসহায় তো সে, যে এমন কাউকে বন্ধু বানায় যে আদৌ তার কেউ নয়।
Join Our Channel: @alolpath
সে কেবল তাঁর ভালোবাসা, ক্ষমা ও সন্তুষ্টি লাভের চেষ্টাতেই থাকতো, যিনি তাকে পেলেছেন সেই মায়ের পেটে, যেখানে তার কোনই বন্ধু ছিল না। সেই পোকামাকড়ের ঘরে, সেই অন্ধকার গর্তে, সেই নিস্তব্ধ ভয়ার্ত পরিবেশেও যদি তার একাকিত্বের সঙ্গী কেউ হয়, তাহলে হবে একমাত্র সেই মহান রবেরই রহমত ও দয়া।
অসহায় সে নয়, যার কোন বন্ধু নেই। চরম অসহায় তো সে, যে এমন কাউকে বন্ধু বানায় যে আদৌ তার কেউ নয়।
Join Our Channel: @alolpath
❤31👍3
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার এক নাম হলো—আল ক্বারিব।
কুরআনে আল্লাহ বলেছেন যে—ঘাঁড়ের শাহী রগ, যে রগটা মস্তিষ্কের সাথে পুরো শরীরের সংযোগ মাধ্যম হিশেবে কাজ করে, সেই রগের চাইতেও আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা বান্দার নিকটে থাকেন।
আমাদের রব আমাদের এতো নিকটবর্তী, কিন্তু আমাদের জীবনপদ্ধতি দেখলে কে বলবে যে—রবের এই নিকটবর্তী থাকাটাকে আদৌ আমরা উপলব্ধি করি?
আল ক্বারিব নামের অর্থ হলো—অধিকতর নিকটবর্তী।
কুরআনে আল্লাহ বলেছেন যে—ঘাঁড়ের শাহী রগ, যে রগটা মস্তিষ্কের সাথে পুরো শরীরের সংযোগ মাধ্যম হিশেবে কাজ করে, সেই রগের চাইতেও আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা বান্দার নিকটে থাকেন।
আমাদের রব আমাদের এতো নিকটবর্তী, কিন্তু আমাদের জীবনপদ্ধতি দেখলে কে বলবে যে—রবের এই নিকটবর্তী থাকাটাকে আদৌ আমরা উপলব্ধি করি?
❤15👍1
দাহহাক রাহ. বলেছেন,
'এমন এক যুগ আসবে যখন মানুষের মধ্যে অহেতুক আলোচনা ও কথাবার্তা বেড়ে যাবে। এমনকি (তিলাওয়াত না করার দরুন) কুরআন মাজিদের ওপর ধুলো জমে যাবে, কিন্তু কেউ তার দিকে ফিরেও তাকাবে না।'
.
[কিতাবুয যুহদ, ইমাম আহমদ: ১৯৪]
'এমন এক যুগ আসবে যখন মানুষের মধ্যে অহেতুক আলোচনা ও কথাবার্তা বেড়ে যাবে। এমনকি (তিলাওয়াত না করার দরুন) কুরআন মাজিদের ওপর ধুলো জমে যাবে, কিন্তু কেউ তার দিকে ফিরেও তাকাবে না।'
.
[কিতাবুয যুহদ, ইমাম আহমদ: ১৯৪]
😢24
যাকেই আমি চিনি, যাকেই আমার ভালো লাগে, যে-ই আমার কাছের হয়ে যায়, তাকে আমি প্রায়ই লাশ হিসেবে কল্পনা করি।
নিজেকে মনে করায়ে দিই, ওর সাথেও আমার চরম বিচ্ছেদ হবে। আলাদা হয়ে যেতে হবে। হবেই। হয় ও আগে যাবে, নয় আমি!
চোখ ফেটে পানি আসে। দুয়া করি তখন মানুষটার জন্য।
#collected
নিজেকে মনে করায়ে দিই, ওর সাথেও আমার চরম বিচ্ছেদ হবে। আলাদা হয়ে যেতে হবে। হবেই। হয় ও আগে যাবে, নয় আমি!
চোখ ফেটে পানি আসে। দুয়া করি তখন মানুষটার জন্য।
#collected
😢24👍2
জীবন হোক কর্মময়, নিরন্তর পূন্যতায় ছুটে চলা। চিরকাল বিশ্রাম নেয়ার জন্য তো কবর পড়েই আছে
(হযরত আলী রা.)। ✨✨
(হযরত আলী রা.)। ✨✨
❤29🔥2
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
তাদের কেমন করে বোঝাবো?
ইয়া রাসূল আল্লাহ (ﷺ) আপনাকে কেন এত ভালোবাসি.
.
সম্পূর্ণটা শুনুন
ইয়া রাসূল আল্লাহ (ﷺ) আপনাকে কেন এত ভালোবাসি.
.
স়াল্লাল্লাহু ʿআলাইহি ওয়া-ʾআলিহি ওয়া-সাল্লাম 💚
সম্পূর্ণটা শুনুন
❤13
ইদানীং গরম পড়ছে বেশ।
হাসিনার আমলের একটা ঘটনা মনে পড়ছে—
গতবছর এমন দিনেও প্রচন্ড গরম পড়ছিলো, বিভিন্ন জায়গায় মানুষজন বৃষ্টির আশায় সালাতুল ইসতিসকা আদায় করছিলেন। আমরাও চেয়েছিলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটা সালাতুল ইসতিশকা আদায়ের ব্যবস্থা করতে। আয়োজনও করেছিলাম। ইমামতি করার জন্য দাওয়াত দিয়েছিলাম প্রফেসর মুখতার আহমেদ স্যারকে৷ সবকিছু ঠিকঠাক। হঠাৎ আগের দিন রাত ১২ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন থেকে তলব পড়ে আমার।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ইমাউল হক টিটু ফোন দিয়েছেন। "তোমাকে ক্যাম্পাসে আসতে হবে এখন"। বললাম স্যার আমি তো হলে থাকি না। এতো রাতে কিভাবে আসবো? বললেন "যেখানেই থাকো, ক্যাম্পাসে আসো। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাবে তোমার সাথে কথা বলবো আমি"। কি আর করার! বন্ধু আবদুর রহমান, মাহমুদ, শেখ তাওহীদ সহ কয়েকজনকে নিয়ে গেলাম ক্লাবে৷ গিয়ে দেখি তিনি সহ আরো ৬-৭ জন বসে আছেন আমাদের অপেক্ষায়। সবাইই সহকারী প্রক্টর বিভিন্ন জোনের৷
যেতেই জেরা শুরু করলো। আমি কোন সংগঠনের? কার কথায় এসব করছি, কে আমাদের দিয়ে করাচ্ছে এইসব প্রশ্ন। বললাম স্যার আমরা ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থীরাই আয়োজন করছি। কোনো সংগঠন থেকে না। আর কেউ করাচ্ছেও না আমাদের দিয়ে।
আমার সামনেই আমার ডিপার্ট্মেন্টের চেয়ারম্যান স্যারকে ফোন দিলেন৷ "আপনার স্টুডেন্ট এসব করছে আপনি জানেন?" স্যারকেও রীতিমতো ধমক দিচ্ছিলেন! "নিন, ওর সাথে কথা বলেন। এসব বন্ধ করতে বলেন এক্ষুনি"। স্যার বাধ্য হয়ে আমাকে বললেন, "আমার কিছু করার নেই যুবায়ের। বন্ধ করতে হবে বাবা!"
ফোন রেখে দিলো। তাদেরকে রিকোয়েস্ট করলাম স্যার, সবকিছু আয়োজন করে ফেলেছি। সবাইকে দাওয়াতও দিয়ে দিয়েছি। এখন হঠাৎ বাদ দেই কিভাবে?
বললো, "ঠিক আছে তাহলে কোনো একটা মসজিদে গিয়ে কর। পাবলিক প্লেসে খোলা জায়গায় করতে পারবা না। অল্প কয়েকজন নিয়ে মসজিদে গিয়ে পড়ে আসো"। বললাম স্যার এই নামাজ তো খোলা জায়গায়-ই আদায় করতে হয়, এটাই নিয়ম। "না, বাইরে অনেক রোদ, অনেক গরম। এর মধ্যে নামাজ পড়লে শিক্ষার্থীরা হিটস্ট্রোক করবে।" বললাম স্যার এই নামাজটা পড়াই হয় গরম থেকে বাঁচতে। যাতে আল্লাহ রহমতের বৃষ্টি দান করেন।
"তুমি তো বেয়াদব আছো বেশ! তুমি বুঝো এটা নিয়ে কত ঝামেলা হচ্ছে?
থেকে চাপ আসছে তোমাদের এই পাগলামির জন্য! ঢাবিকে তোমরা মৌলবাদী বানায়ে ফেলতেছো দিন দিন! এর আগেও তোমরা বটতলায় কোরআন তেলাওয়াত করছো। ওইটা নিয়ে অনেক ঝামেলা পোহাতে হয়েছে আমাদেরকে। এতো দুঃসাহস কেন তোমার? তোমার জন্য এসব চাপ আমরা নিতে পারবো না। ভালোয় ভালোয় পড়াশোনা শেষ করে ভার্সিটি লাইফ শেষ কর। বহিষ্কার করে দিলে কিন্তু কিছু বলতে পারবা না! না মানে না। এটাই আমার শেষ কথা। এরপরও যদি কিছু করতে চাও আমি পুলিশ ডেকে পে'টাবো তোমাকে। দেখি তুমি কী করতে পারো! কর তোমার যা খুশি"
এরপর আমাদের সবার আইডি কার্ডের ছবি তুলে রাখলেন। বাড়ির ঠিকানা, পিতামাতার তথ্য সহ সবকিছু লিখে রাখলেন। আমরা বের হয়ে আসি।
পকেট থেকে ফোন বের করে দেখি এক সিনিয়র ভাই ফোন দিয়েছেন কয়েকবার। উনি ছাত্রলীগের পোস্টেড নেতা ছিলেন। কিন্তু কোন এক কারণে আমার সাথে ভালো সম্পর্ক ছিলো। স্নেহ করতেন আমাকে। ফোন ব্যাক করলাম।
"যুবায়ের কই তুই?" ক্যাম্পাসে আছি ভাই। "তুই এক্ষুনি ক্যাম্পাস ছাড়। কয়েকদিন এদিকে আসিস না আর। ঝামেলা হইসে।"
বললাম কী ঝামেলা ভাই?
"ইনান (ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক) ভাই তোরে খুঁজতেছে। কয়েকজনের কাছে খোঁজ করছে তোর ব্যাপারে৷ তুই নাকি কিসের নামাজ আদায়ের আয়োজন করতেছোস? তোর হলে, ডিপার্ট্মেন্টে লোক পাঠাইসে। সরে যা কোথাও। দূরে থাক কয়েকদিন।"
ওনার কথামতো চলে গেলাম ক্যাম্পাস ছেড়ে। যেই বাসায় থাকতাম সেখানে না, আরেক বন্ধুর বাসায়। ক্যাম্পাসে আর ঢুকতে পারিনি কয়েকদিন। ইনানও আর পায়নি। পেলে হয়তো খারাপ কিছু হতে পারতো৷ যাইহোক, আল্লাহ সেফ করেছেন। তবে সালাতুল ইসতিশকা আর আদায় করতে পারলাম না।
কেমন সব দিন ছিলো আমাদের!!
- AB Zubair
Check comment box....
হাসিনার আমলের একটা ঘটনা মনে পড়ছে—
গতবছর এমন দিনেও প্রচন্ড গরম পড়ছিলো, বিভিন্ন জায়গায় মানুষজন বৃষ্টির আশায় সালাতুল ইসতিসকা আদায় করছিলেন। আমরাও চেয়েছিলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটা সালাতুল ইসতিশকা আদায়ের ব্যবস্থা করতে। আয়োজনও করেছিলাম। ইমামতি করার জন্য দাওয়াত দিয়েছিলাম প্রফেসর মুখতার আহমেদ স্যারকে৷ সবকিছু ঠিকঠাক। হঠাৎ আগের দিন রাত ১২ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন থেকে তলব পড়ে আমার।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ইমাউল হক টিটু ফোন দিয়েছেন। "তোমাকে ক্যাম্পাসে আসতে হবে এখন"। বললাম স্যার আমি তো হলে থাকি না। এতো রাতে কিভাবে আসবো? বললেন "যেখানেই থাকো, ক্যাম্পাসে আসো। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাবে তোমার সাথে কথা বলবো আমি"। কি আর করার! বন্ধু আবদুর রহমান, মাহমুদ, শেখ তাওহীদ সহ কয়েকজনকে নিয়ে গেলাম ক্লাবে৷ গিয়ে দেখি তিনি সহ আরো ৬-৭ জন বসে আছেন আমাদের অপেক্ষায়। সবাইই সহকারী প্রক্টর বিভিন্ন জোনের৷
যেতেই জেরা শুরু করলো। আমি কোন সংগঠনের? কার কথায় এসব করছি, কে আমাদের দিয়ে করাচ্ছে এইসব প্রশ্ন। বললাম স্যার আমরা ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থীরাই আয়োজন করছি। কোনো সংগঠন থেকে না। আর কেউ করাচ্ছেও না আমাদের দিয়ে।
আমার সামনেই আমার ডিপার্ট্মেন্টের চেয়ারম্যান স্যারকে ফোন দিলেন৷ "আপনার স্টুডেন্ট এসব করছে আপনি জানেন?" স্যারকেও রীতিমতো ধমক দিচ্ছিলেন! "নিন, ওর সাথে কথা বলেন। এসব বন্ধ করতে বলেন এক্ষুনি"। স্যার বাধ্য হয়ে আমাকে বললেন, "আমার কিছু করার নেই যুবায়ের। বন্ধ করতে হবে বাবা!"
ফোন রেখে দিলো। তাদেরকে রিকোয়েস্ট করলাম স্যার, সবকিছু আয়োজন করে ফেলেছি। সবাইকে দাওয়াতও দিয়ে দিয়েছি। এখন হঠাৎ বাদ দেই কিভাবে?
বললো, "ঠিক আছে তাহলে কোনো একটা মসজিদে গিয়ে কর। পাবলিক প্লেসে খোলা জায়গায় করতে পারবা না। অল্প কয়েকজন নিয়ে মসজিদে গিয়ে পড়ে আসো"। বললাম স্যার এই নামাজ তো খোলা জায়গায়-ই আদায় করতে হয়, এটাই নিয়ম। "না, বাইরে অনেক রোদ, অনেক গরম। এর মধ্যে নামাজ পড়লে শিক্ষার্থীরা হিটস্ট্রোক করবে।" বললাম স্যার এই নামাজটা পড়াই হয় গরম থেকে বাঁচতে। যাতে আল্লাহ রহমতের বৃষ্টি দান করেন।
"তুমি তো বেয়াদব আছো বেশ! তুমি বুঝো এটা নিয়ে কত ঝামেলা হচ্ছে?
ভারত
থেকে চাপ আসছে তোমাদের এই পাগলামির জন্য! ঢাবিকে তোমরা মৌলবাদী বানায়ে ফেলতেছো দিন দিন! এর আগেও তোমরা বটতলায় কোরআন তেলাওয়াত করছো। ওইটা নিয়ে অনেক ঝামেলা পোহাতে হয়েছে আমাদেরকে। এতো দুঃসাহস কেন তোমার? তোমার জন্য এসব চাপ আমরা নিতে পারবো না। ভালোয় ভালোয় পড়াশোনা শেষ করে ভার্সিটি লাইফ শেষ কর। বহিষ্কার করে দিলে কিন্তু কিছু বলতে পারবা না! না মানে না। এটাই আমার শেষ কথা। এরপরও যদি কিছু করতে চাও আমি পুলিশ ডেকে পে'টাবো তোমাকে। দেখি তুমি কী করতে পারো! কর তোমার যা খুশি"
এরপর আমাদের সবার আইডি কার্ডের ছবি তুলে রাখলেন। বাড়ির ঠিকানা, পিতামাতার তথ্য সহ সবকিছু লিখে রাখলেন। আমরা বের হয়ে আসি।
পকেট থেকে ফোন বের করে দেখি এক সিনিয়র ভাই ফোন দিয়েছেন কয়েকবার। উনি ছাত্রলীগের পোস্টেড নেতা ছিলেন। কিন্তু কোন এক কারণে আমার সাথে ভালো সম্পর্ক ছিলো। স্নেহ করতেন আমাকে। ফোন ব্যাক করলাম।
"যুবায়ের কই তুই?" ক্যাম্পাসে আছি ভাই। "তুই এক্ষুনি ক্যাম্পাস ছাড়। কয়েকদিন এদিকে আসিস না আর। ঝামেলা হইসে।"
বললাম কী ঝামেলা ভাই?
"ইনান (ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক) ভাই তোরে খুঁজতেছে। কয়েকজনের কাছে খোঁজ করছে তোর ব্যাপারে৷ তুই নাকি কিসের নামাজ আদায়ের আয়োজন করতেছোস? তোর হলে, ডিপার্ট্মেন্টে লোক পাঠাইসে। সরে যা কোথাও। দূরে থাক কয়েকদিন।"
ওনার কথামতো চলে গেলাম ক্যাম্পাস ছেড়ে। যেই বাসায় থাকতাম সেখানে না, আরেক বন্ধুর বাসায়। ক্যাম্পাসে আর ঢুকতে পারিনি কয়েকদিন। ইনানও আর পায়নি। পেলে হয়তো খারাপ কিছু হতে পারতো৷ যাইহোক, আল্লাহ সেফ করেছেন। তবে সালাতুল ইসতিশকা আর আদায় করতে পারলাম না।
কেমন সব দিন ছিলো আমাদের!!
- AB Zubair
Check comment box....
😢24👍4❤2
Forwarded from আলোর পথ
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
“আল্ল-হুম্মা সল্লি ওয়া সাল্লিম ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ💖
(সল্লল্ল-হু আ'লাইহি ওয়াসাল্লাম)”
(সল্লল্ল-হু আ'লাইহি ওয়াসাল্লাম)”
❤19