জাস্ট ইমাজিন!
আপনি আপনার বন্ধুদের সাথে হাসাহাসি করছেন তখন পাশ দিয়ে যাওয়া তথাকথিত মর্ডান মেয়ে (শাহ-বাগী) ভেবে বসলো আপনি তার দিকে তাকিয়ে হাসছেন! এই হাসার বিনিময়ে আপনার জান গেলো!
রাসূল (সা.) বলেন:
“আমি আমার পরে পুরুষদের জন্য,
নারীদের চেয়ে বড় কোনো ফিতনা রেখে যাচ্ছি না।”
(বুখারী: ৫০৯৬, মুসলিম: ২৭৪০)
আপনি আপনার বন্ধুদের সাথে হাসাহাসি করছেন তখন পাশ দিয়ে যাওয়া তথাকথিত মর্ডান মেয়ে (শাহ-বাগী) ভেবে বসলো আপনি তার দিকে তাকিয়ে হাসছেন! এই হাসার বিনিময়ে আপনার জান গেলো!
রাসূল (সা.) বলেন:
“আমি আমার পরে পুরুষদের জন্য,
নারীদের চেয়ে বড় কোনো ফিতনা রেখে যাচ্ছি না।”
(বুখারী: ৫০৯৬, মুসলিম: ২৭৪০)
😢43👍2❤1
‘মা-শা আল্লাহ’ কখন ও কেন বলবেন?
বহুল প্রচলিত একটি বাক্য- ‘মা শা আল্লাহ’। আরবি- مَا شَاءَ الله ‘মা শা আল্লাহ’- শব্দটির অর্থ হলো- ‘আল্লাহ তাআলা যেমন চেয়েছেন’। কিন্তু ব্যাপক প্রচলিত এ কথাটি কখন এবং কেন বলতে হয়। এটি বলার উপকারিতাই বা কী?
প্রশংসার বহিঃপ্রকাশ কিংবা ভালো যে কোনো কিছু দেখলে বলা-
مَا شَاءَ الله
উচ্চারণ : ‘মা শা আল্লাহ’
অর্থ : ‘আল্লাহ তাআলা যেমনটি চেয়েছেন’ (মুসলিম)
‘মা শা আল্লাহ’ কখন বলবেন?
সুন্দর কিছু দেখলে- ‘মা শা আল্লাহ’ বলতে হয়।
তবে ইসলামিক স্কলাররা মা শা আল্লাহ বলার তিনটি অবস্থা নির্ধারণ করেছেন। তাহলো-
১. যখন কারও সফলতা দেখবেন; তখন- ‘মা শা আল্লাহ’ বলা।
২. যখন কাউকে ভালো কিছু করতে দেখবেন; তখন- ‘মা শা আল্লাহ’ বলা।
৩. যখন কারো কোনো সুন্দর জিনিস দেখবেন; তখন- ‘মা শা আল্লাহ’ বলা।
‘মা শা আল্লাহ’ কেন বলবেন?
কারো সফলতা, ভালো কাজ ও সুন্দর জিনিস দেখে ‘মা শা আল্লাহ’ বলায় কোন বদ নজর লাগে না। বরং মাশা আল্লাহ বলায় রয়েছে বিশেষ উপকার। যে নিজিস বা যে কাজ দেখে ‘মা শা আল্লাহ’ বলা হয়; সে জিনিস বা কাজ থেকে শয়তানের প্রভাব চলে যায়। শয়তান তাতে আর প্রভাব ফেলতে পারে না।
#AlolPath
বহুল প্রচলিত একটি বাক্য- ‘মা শা আল্লাহ’। আরবি- مَا شَاءَ الله ‘মা শা আল্লাহ’- শব্দটির অর্থ হলো- ‘আল্লাহ তাআলা যেমন চেয়েছেন’। কিন্তু ব্যাপক প্রচলিত এ কথাটি কখন এবং কেন বলতে হয়। এটি বলার উপকারিতাই বা কী?
প্রশংসার বহিঃপ্রকাশ কিংবা ভালো যে কোনো কিছু দেখলে বলা-
مَا شَاءَ الله
উচ্চারণ : ‘মা শা আল্লাহ’
অর্থ : ‘আল্লাহ তাআলা যেমনটি চেয়েছেন’ (মুসলিম)
‘মা শা আল্লাহ’ কখন বলবেন?
সুন্দর কিছু দেখলে- ‘মা শা আল্লাহ’ বলতে হয়।
তবে ইসলামিক স্কলাররা মা শা আল্লাহ বলার তিনটি অবস্থা নির্ধারণ করেছেন। তাহলো-
১. যখন কারও সফলতা দেখবেন; তখন- ‘মা শা আল্লাহ’ বলা।
২. যখন কাউকে ভালো কিছু করতে দেখবেন; তখন- ‘মা শা আল্লাহ’ বলা।
৩. যখন কারো কোনো সুন্দর জিনিস দেখবেন; তখন- ‘মা শা আল্লাহ’ বলা।
‘মা শা আল্লাহ’ কেন বলবেন?
কারো সফলতা, ভালো কাজ ও সুন্দর জিনিস দেখে ‘মা শা আল্লাহ’ বলায় কোন বদ নজর লাগে না। বরং মাশা আল্লাহ বলায় রয়েছে বিশেষ উপকার। যে নিজিস বা যে কাজ দেখে ‘মা শা আল্লাহ’ বলা হয়; সে জিনিস বা কাজ থেকে শয়তানের প্রভাব চলে যায়। শয়তান তাতে আর প্রভাব ফেলতে পারে না।
#AlolPath
❤15👍1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত।
ঐ সত্তার শপথ যার হাতে আমার জীবন, মানুষের কাছে এমন এক সময় আগমন করবে, যখন হ'ত্যা-কারী জানবে না যে, কি দোষে সে হ'ত্যা করলো এবং নি'হত লোকও জানবে না যে, কি দোষে সে নিহ'ত হলো। [সহিহ মুসলিম -২৯০৮]
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ
ঐ সত্তার শপথ যার হাতে আমার জীবন, মানুষের কাছে এমন এক সময় আগমন করবে, যখন হ'ত্যা-কারী জানবে না যে, কি দোষে সে হ'ত্যা করলো এবং নি'হত লোকও জানবে না যে, কি দোষে সে নিহ'ত হলো। [সহিহ মুসলিম -২৯০৮]
😢30
Forwarded from Pearls of Islam
দাজ্জাল আসার পূর্বে মন্দা যাবে দুর্ভিক্ষ যাবে। মানুষের ঘরে খাবার থাকবে না। সাহাবীগণ (রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম) প্রশ্ন করলে রসুলল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উত্তর ছিলো তখন জিকির এর মাধ্যমে রিজিক পূরণ হবে। জিকিরটাই খাদ্য।
এমন ক্রান্তিলগ্নে দাজ্জাল আসবে। অনাহারে দুর্ভিক্ষে থাকা মামুষের সামনে সে রুটির পাহাড় নিয়ে আসবে।
দাজ্জালের কপালে কাফির লেখা থাকবে। তার এক চোখ অন্ধ হবে। দাজ্জাল নিয়ে এত এত হাদিস থাকা সত্বেও মানুষ সেদিন রুটির কারণে দাজ্জালের কাছে আত্নসমর্পণ করবে। দাজ্জালের ফিতনায় নিপতিত হবে। ঈমান পরিত্যাগ করবে।
হ্যা
শুধু রুটির জন্য।
এখনও অবস্থা একই। মানুষ দুইবেলা পেট ভরে খেতে পারলে আর আর্থিক ভাবে সুখে থাকলে তাতেই সে খুশি। ঈমানের মূল্য কজনের আছে? তাওহীদ আজকে গৌণ। দুই বেলা খেতে পারা, একটু ভালো থাকা- এটার মূল্য আজ ঈমানের থেকে বেশি, তাওহীদের থেকে বেশি
- Murtoza Shahriar
এমন ক্রান্তিলগ্নে দাজ্জাল আসবে। অনাহারে দুর্ভিক্ষে থাকা মামুষের সামনে সে রুটির পাহাড় নিয়ে আসবে।
দাজ্জালের কপালে কাফির লেখা থাকবে। তার এক চোখ অন্ধ হবে। দাজ্জাল নিয়ে এত এত হাদিস থাকা সত্বেও মানুষ সেদিন রুটির কারণে দাজ্জালের কাছে আত্নসমর্পণ করবে। দাজ্জালের ফিতনায় নিপতিত হবে। ঈমান পরিত্যাগ করবে।
হ্যা
শুধু রুটির জন্য।
এখনও অবস্থা একই। মানুষ দুইবেলা পেট ভরে খেতে পারলে আর আর্থিক ভাবে সুখে থাকলে তাতেই সে খুশি। ঈমানের মূল্য কজনের আছে? তাওহীদ আজকে গৌণ। দুই বেলা খেতে পারা, একটু ভালো থাকা- এটার মূল্য আজ ঈমানের থেকে বেশি, তাওহীদের থেকে বেশি
- Murtoza Shahriar
😢32❤5👍2💔1
একজন মানুষ যদি জানতো তার মৃ*ত্যুর পর কত দ্রুত সবাই তাকে ভুলে যাবে, কারো সন্তুষ্টি অর্জন, দৃষ্টি আকর্ষণ কিংবা নৈকট্য অর্জনে সে এভাবে উঠে পড়ে লাগতো না। কারো দূরে সরে যাওয়াতেও সে এত কষ্ট পেতো না।
সে কেবল তাঁর ভালোবাসা, ক্ষমা ও সন্তুষ্টি লাভের চেষ্টাতেই থাকতো, যিনি তাকে পেলেছেন সেই মায়ের পেটে, যেখানে তার কোনই বন্ধু ছিল না। সেই পোকামাকড়ের ঘরে, সেই অন্ধকার গর্তে, সেই নিস্তব্ধ ভয়ার্ত পরিবেশেও যদি তার একাকিত্বের সঙ্গী কেউ হয়, তাহলে হবে একমাত্র সেই মহান রবেরই রহমত ও দয়া।
অসহায় সে নয়, যার কোন বন্ধু নেই। চরম অসহায় তো সে, যে এমন কাউকে বন্ধু বানায় যে আদৌ তার কেউ নয়।
Join Our Channel: @alolpath
সে কেবল তাঁর ভালোবাসা, ক্ষমা ও সন্তুষ্টি লাভের চেষ্টাতেই থাকতো, যিনি তাকে পেলেছেন সেই মায়ের পেটে, যেখানে তার কোনই বন্ধু ছিল না। সেই পোকামাকড়ের ঘরে, সেই অন্ধকার গর্তে, সেই নিস্তব্ধ ভয়ার্ত পরিবেশেও যদি তার একাকিত্বের সঙ্গী কেউ হয়, তাহলে হবে একমাত্র সেই মহান রবেরই রহমত ও দয়া।
অসহায় সে নয়, যার কোন বন্ধু নেই। চরম অসহায় তো সে, যে এমন কাউকে বন্ধু বানায় যে আদৌ তার কেউ নয়।
Join Our Channel: @alolpath
❤31👍3
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার এক নাম হলো—আল ক্বারিব।
কুরআনে আল্লাহ বলেছেন যে—ঘাঁড়ের শাহী রগ, যে রগটা মস্তিষ্কের সাথে পুরো শরীরের সংযোগ মাধ্যম হিশেবে কাজ করে, সেই রগের চাইতেও আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা বান্দার নিকটে থাকেন।
আমাদের রব আমাদের এতো নিকটবর্তী, কিন্তু আমাদের জীবনপদ্ধতি দেখলে কে বলবে যে—রবের এই নিকটবর্তী থাকাটাকে আদৌ আমরা উপলব্ধি করি?
আল ক্বারিব নামের অর্থ হলো—অধিকতর নিকটবর্তী।
কুরআনে আল্লাহ বলেছেন যে—ঘাঁড়ের শাহী রগ, যে রগটা মস্তিষ্কের সাথে পুরো শরীরের সংযোগ মাধ্যম হিশেবে কাজ করে, সেই রগের চাইতেও আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা বান্দার নিকটে থাকেন।
আমাদের রব আমাদের এতো নিকটবর্তী, কিন্তু আমাদের জীবনপদ্ধতি দেখলে কে বলবে যে—রবের এই নিকটবর্তী থাকাটাকে আদৌ আমরা উপলব্ধি করি?
❤15👍1
দাহহাক রাহ. বলেছেন,
'এমন এক যুগ আসবে যখন মানুষের মধ্যে অহেতুক আলোচনা ও কথাবার্তা বেড়ে যাবে। এমনকি (তিলাওয়াত না করার দরুন) কুরআন মাজিদের ওপর ধুলো জমে যাবে, কিন্তু কেউ তার দিকে ফিরেও তাকাবে না।'
.
[কিতাবুয যুহদ, ইমাম আহমদ: ১৯৪]
'এমন এক যুগ আসবে যখন মানুষের মধ্যে অহেতুক আলোচনা ও কথাবার্তা বেড়ে যাবে। এমনকি (তিলাওয়াত না করার দরুন) কুরআন মাজিদের ওপর ধুলো জমে যাবে, কিন্তু কেউ তার দিকে ফিরেও তাকাবে না।'
.
[কিতাবুয যুহদ, ইমাম আহমদ: ১৯৪]
😢24
যাকেই আমি চিনি, যাকেই আমার ভালো লাগে, যে-ই আমার কাছের হয়ে যায়, তাকে আমি প্রায়ই লাশ হিসেবে কল্পনা করি।
নিজেকে মনে করায়ে দিই, ওর সাথেও আমার চরম বিচ্ছেদ হবে। আলাদা হয়ে যেতে হবে। হবেই। হয় ও আগে যাবে, নয় আমি!
চোখ ফেটে পানি আসে। দুয়া করি তখন মানুষটার জন্য।
#collected
নিজেকে মনে করায়ে দিই, ওর সাথেও আমার চরম বিচ্ছেদ হবে। আলাদা হয়ে যেতে হবে। হবেই। হয় ও আগে যাবে, নয় আমি!
চোখ ফেটে পানি আসে। দুয়া করি তখন মানুষটার জন্য।
#collected
😢24👍2
জীবন হোক কর্মময়, নিরন্তর পূন্যতায় ছুটে চলা। চিরকাল বিশ্রাম নেয়ার জন্য তো কবর পড়েই আছে
(হযরত আলী রা.)। ✨✨
(হযরত আলী রা.)। ✨✨
❤29🔥2
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
তাদের কেমন করে বোঝাবো?
ইয়া রাসূল আল্লাহ (ﷺ) আপনাকে কেন এত ভালোবাসি.
.
সম্পূর্ণটা শুনুন
ইয়া রাসূল আল্লাহ (ﷺ) আপনাকে কেন এত ভালোবাসি.
.
স়াল্লাল্লাহু ʿআলাইহি ওয়া-ʾআলিহি ওয়া-সাল্লাম 💚
সম্পূর্ণটা শুনুন
❤13