আলোর পথ
10.1K subscribers
2.59K photos
716 videos
35 files
291 links
আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল (সা.) প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পূর্ণ বিন্যাস করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।
Download Telegram
#আল্লাহুম্মাগফিরলি
😢41👍1
★জীবন চলার পথে কথা গুলো কাজে লাগবে---

১. কখনো বাসে জানালার পাশে বসে মোবাইল টিপবেন না। কখন নিয়ে যাবে,
টের পাবেন না।
-
২. রিকশাতে বসে কোলে ব্যাগ রাখবেন না। পাশ থেকে মটরসাইকেল কিংবা গাড়িতে করে এসে হ্যাচকা টান দেবে।
-
৩. রাস্তায় কিছু খাবেন না, কিছুই না। দূরপাল্লার যাত্রা হলে বাড়ি থেকে খাবার নিয়ে আসুন অথবা প্যাকেটজাত কিছু খান।
পাশের যাত্রী কিছু দিলে খান না, তাতে কি?
হয়তো যে পানি বা ডাব কিনলেন, বা
অন্যকিছু তাতেই থাকতে পারে ঔষধ।
-
৪. ট্রেন জার্নিতে দরজার পাশে, দুই বগির পাশে দাড়াবেন না। কিংবা যতোই ভালো লাগুক দরজায় দাঁড়িয়ে সিগারেট খাবেন না। ট্রেনের ছাদে চলাচল যতোই রোমান্টিক লাগুক, যে গ্যাং গুলো ছিনতাই করে, তারা খুবই নির্দয় এবং বেপরোয়া। অনেক
যাত্রীর লাশ পাওয়া যায় সারাদেশের ট্রেন লাইনের আশেপাশে। বেশিরভাগই বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন
করে ফেলা হয়।
-
৫. কপাল খারাপ হলে ছিনত্যাইয়ের শিকার হবেন। ধরা যাক হলেন। কি করবেন ? ছিনতাইকারী বেশ কয়েকজন। আপনি একা, চারপাশে কেউ নেই। আপনাকে ঘেরাও করে রেখেছে। আপনার পকেটে দামী ফোন। এসবক্ষেত্রে ভালো হয় ফোনের মায়া ত্যাগ করা। কারণ যারা ছিনতাইকারী তাদের বেশিরভাগই নেশাগ্রস্থ।
আপনার জীবনের দাম পৃথিবীর যেকোনো দামী ফোনের চেয়েও অনেক বেশি।
-
৬. বান্ধবী বা মেয়ে বন্ধুর সাথে রেস্টুরেন্ট বা পার্কে যাচ্ছেন। হঠাৎ দেখবেন আপনার চারপাশে একদল ছেলের আবির্ভাব। এরা কিন্তু একটা গ্যাং।
দেখবেন আপনাদের নিয়ে নানান রকম আজে বাজে কথা বলছে, বাজে ইঙ্গিত দিচ্ছে। আসলে ওরা চাইছেই আপনাকে উত্তেজিত করে একটা
ঝামেলায় বাধাতে।
এতে ওদের লাভ, সেটা
কিরকম ?
ধরাযাক আপনি মাথা গরম করে ঝামেলায় জড়ালেন। ওরা আপনাকে অপমান করেছে বলে আপনি পাল্টা কিছু বললেন বা করলেন। এই পেয়ে
গেলো সুযোগ। ওরা তখন বাইরে থেকে নেতা গোছের কাউকে ধরে আনবে। যিনি এসেই আপনাকে আপনার বান্ধবীর সামনেই নানান
রকমভাবে জেরা করবে। তারপর বিচারে আপনাকেই দোষী বানিয়ে দেবে।
অত:পর মিটমাট করার নাম করে আপনার কাছ থেকে জরিমানা
বাবদ টাকা পয়সা কিংবা দামী ঘড়ি, ফোন অথবা ল্যাপটপটা রেখে দেবে। তাই এসব জায়গায় কথা বাড়ানো
মানেই ঝামেলা ডেকে আনা। আর নির্জন জায়গা হলে এদের দেখা মাত্রই সরে পড়ুন।
-
৭. ভোররাতে ঢাকা এসে পৌঁছেছেন। সাহস দেখিয়ে রাস্তায় নেমে পড়তে যাবেন না। বাসস্টপে বা ট্রেন স্টেশনেই অপেক্ষা করুন। সকালে যখন রাস্তায় যথেস্ট মানুষ থাকবে তখন বের হন।
-
৮. ট্রেন স্টেশনে বা সদরঘাটে নিজে নিজে বয়ে নিয়ে যেতে পারেন না এমন বোঝা নিয়ে এসেছেন তো মরেছেন। মাথায় করে পৌঁছেব দেয়ার নামে আপনার কাছ থেকে চাদার মতো
৪০০-৫০০ টাকা খসিয়ে ছাড়বে কুলিরা। তাই সাবধানে থাকুন,
দরদাম করে তারপর কুলি ঠিক করুন।
-
৯. নিউমার্কেট বা নীলক্ষেতের মত জায়গায় কেনা কাটা করতে গেলে খুবই সাবধান। কৌতুহলের
বশে কোনো কিছুর দাম জিজ্ঞেস করলেও
এখানে আপনাকে পাল্টা দাম বলার জন্য জোরাজুরি করবে। মনে রাখবেন এখানে মেজাজ দেখিয়ে লাভ নাই, এখানকার দোকানীরা সংঘবদ্ধ হয়ে কাজ করে।
-
১০. বাসে উঠলে প্যান্টের পিছনের পকেটে মোবাইল, মানিব্যাগ এসব কিছু রাখা নিরাপদ না।
দেখবেন ভিড়ের মাঝে বাসে ওঠতেছেন যে কেউ টান মেরে নিয়ে যেতে পারে টের ও পাবেন না। তাই সামনের পকেটে এসব জিনিস রাখুন।
-
১১. বাণিজ্যমেলা, চিড়িয়াখানা, চন্দ্রিমা উদ্যান কিংবা শিশুপার্কে গিয়ে দাম খুব ভালো করে না জেনে কিচ্ছু খাবেন না। দেখা যাবে একটা সিংগাড়া কিংবা আধা প্লেট বিরিয়ানি খাইয়ে ৪০০-৫০০টাকার বিল ধরিয়ে
দেবে আপনাকে।
-
১২. রাতে ঘোরাঘুরি না করাই ভালো। ছিনত্যাইকারী ধরলেতো কথাই নেই। এমনকি ‌( কিছু বিপদগামী)পুলিশ ( সক‌লেই নয় )ধরলেও বিপদ। যতই নির্দোষ হন, পুলিশ যদি বুঝতে না চায়
আর আপনাকে আটকে রাখার নিয়ত যদি থাকে, তাহলে আপনার কিছুই করার থাকবে না।
-
১৩. বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে আছেন, হঠাৎ একটা মাইক্রোবাস এসে থামলো আপনার সামনে। সেটা প্রাইভেট গাড়িও হতে পারে। আপনাকে চালক
বলবে সে গ্যারেজে ফেরার পথে বাড়তি কিছু ‘ট্রিপ’ নিচ্ছে। খুব অল্প ভাড়ায় আপনাকে পৌছে দেবার কথা বলবে। আপনি উঠবেন না। মেয়ে
হলেতো আরো আগে না।
-
১৪. রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছেন। হঠাৎ ভদ্রবেশি কেউ এসে, সে হতে পারে ছেলে বা মেয়ে বা বয়ষ্ক পুরুষ কিংবা মহিলা, আপনার ফোন চাইলো।
বললো, উনার কোন একটা সমস্যার কথা, এক্ষুনি একটা ফোন দিতে হবে কাউকে। আপনি বিশ্বাস করে ফোনটা দিলেন, দেখবেন পরক্ষণেই হুট
করে বাইকে উঠে হাওয়া।
-
১৫. সাথে সবসময় আইডি কার্ডের ফটোকপি সাথে রাখুন। বিপদে পড়লে খুব কাজে দেয়। হয়তো কোনো দূর্ঘটনা ঘটেছে, অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছেন, তখন যারা
উদ্ধার কাজে আসবে তারা আপনার পরিবার পরিজনকে জানাতে পারবে।
-
১৬. নতুন বিবাহিত হলে এবং স্ত্রীকে সাথে নিয়ে ঘুরতে এলে কাবিননামার ছবি মোবাইলে তুলে রাখুন। কখন কোন কাজে লেগে যাবে বুঝতেও
পারবেন না।
সবচেয়ে বড় কথা, সবসময় সতর্ক
থাকুন, চোখ কান খোলা রাখুন।
মনে রাখবেন, দোয়া পড়ে বাহির হবেন।
19👍9
আপনার নিরাপত্তা আপনারই হাতে।
এই বিষয়ে আপনারা সতর্ক থাকবেন।

নিজে সতর্ক ও সচেতন থাকুন এবং অন্যকেও সতর্ক ও সচেতন করুন।

– শিক্ষা ও তথ্য কেন্দ্র

#সংগৃহীত
14👍1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
মৃ''ত্যু কি তোমাকে ডাকেনি?
26🥰1
জাস্ট ইমাজিন!

আপনি আপনার বন্ধুদের সাথে হাসাহাসি করছেন তখন পাশ দিয়ে যাওয়া তথাকথিত মর্ডান মেয়ে (শাহ-বাগী) ভেবে বসলো আপনি তার দিকে তাকিয়ে হাসছেন! এই হাসার বিনিময়ে আপনার জান গেলো!

রাসূল (সা.) বলেন:

“আমি আমার পরে পুরুষদের জন্য,
নারীদের চেয়ে বড় কোনো ফিতনা রেখে যাচ্ছি না।”

(বুখারী: ৫০৯৬, মুসলিম: ২৭৪০)
😢43👍21
‘মা-শা আল্লাহ’ কখন ও কেন বলবেন?

বহুল প্রচলিত একটি বাক্য- ‘মা শা আল্লাহ’। আরবি- مَا شَاءَ الله ‘মা শা আল্লাহ’- শব্দটির অর্থ হলো- ‘আল্লাহ তাআলা যেমন চেয়েছেন’। কিন্তু ব্যাপক প্রচলিত এ কথাটি কখন এবং কেন বলতে হয়। এটি বলার উপকারিতাই বা কী?

প্রশংসার বহিঃপ্রকাশ কিংবা ভালো যে কোনো কিছু দেখলে বলা-
مَا شَاءَ الله
উচ্চারণ : ‘মা শা আল্লাহ’
অর্থ : ‘আল্লাহ তাআলা যেমনটি চেয়েছেন’ (মুসলিম)


‘মা শা আল্লাহ’ কখন বলবেন?
সুন্দর কিছু দেখলে- ‘মা শা আল্লাহ’ বলতে হয়।

তবে ইসলামিক স্কলাররা মা শা আল্লাহ বলার তিনটি অবস্থা নির্ধারণ করেছেন। তাহলো-
১. যখন কারও সফলতা দেখবেন; তখন- ‘মা শা আল্লাহ’ বলা।
২. যখন কাউকে ভালো কিছু করতে দেখবেন; তখন- ‘মা শা আল্লাহ’ বলা।
৩. যখন কারো কোনো সুন্দর জিনিস দেখবেন; তখন- ‘মা শা আল্লাহ’ বলা।
‘মা শা আল্লাহ’ কেন বলবেন?
কারো সফলতা, ভালো কাজ ও সুন্দর জিনিস দেখে ‘মা শা আল্লাহ’ বলায় কোন বদ নজর লাগে না। বরং মাশা আল্লাহ বলায় রয়েছে বিশেষ উপকার। যে নিজিস বা যে কাজ দেখে ‘মা শা আল্লাহ’ বলা হয়; সে জিনিস বা কাজ থেকে শয়তানের প্রভাব চলে যায়। শয়তান তাতে আর প্রভাব ফেলতে পারে না। 

#AlolPath
15👍1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত।
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ

ঐ সত্তার শপথ যার হাতে আমার জীবন, মানুষের কাছে এমন এক সময় আগমন করবে, যখন হ'ত্যা-কারী জানবে না যে, কি দোষে সে হ'ত্যা করলো এবং নি'হত লোকও জানবে না যে, কি দোষে সে নিহ'ত হলো। [সহিহ মুসলিম -২৯০৮]
😢30
Dunya is full of Fitna,
Don't forget to say Astagfirullah.🕊️🤍
18
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
কঠিন হৃদয় নরম করার উপায়💔
25👍2
বিস্তারিত কমেন্ট বক্সে...
12👍2
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
ইয়া রাসুলুল্লাহ সাঃ
29👍1
দিন শেষে আপনি আমি আমরা মুলত একা!💔
💔19😢7👍1
Forwarded from Pearls of Islam
দাজ্জাল আসার পূর্বে মন্দা যাবে দুর্ভিক্ষ যাবে। মানুষের ঘরে খাবার থাকবে না। সাহাবীগণ (রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম) প্রশ্ন করলে রসুলল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উত্তর ছিলো তখন জিকির এর মাধ্যমে রিজিক পূরণ হবে। জিকিরটাই খাদ্য।

এমন ক্রান্তিলগ্নে দাজ্জাল আসবে। অনাহারে দুর্ভিক্ষে থাকা মামুষের সামনে সে রুটির পাহাড় নিয়ে আসবে।

দাজ্জালের কপালে কাফির লেখা থাকবে। তার এক চোখ অন্ধ হবে। দাজ্জাল নিয়ে এত এত হাদিস থাকা সত্বেও মানুষ সেদিন রুটির কারণে দাজ্জালের কাছে আত্নসমর্পণ করবে। দাজ্জালের ফিতনায় নিপতিত হবে। ঈমান পরিত্যাগ করবে।

হ্যা
শুধু রুটির জন্য।

এখনও অবস্থা একই। মানুষ দুইবেলা পেট ভরে খেতে পারলে আর আর্থিক ভাবে সুখে থাকলে তাতেই সে খুশি। ঈমানের মূল্য কজনের আছে? তাওহীদ আজকে গৌণ। দুই বেলা খেতে পারা, একটু ভালো থাকা- এটার মূল্য আজ ঈমানের থেকে বেশি, তাওহীদের থেকে বেশি

- Murtoza Shahriar
😢325👍2💔1
🤍🤍
31🥰2🔥1
একজন মানুষ যদি জানতো তার মৃ*ত্যুর পর কত দ্রুত সবাই তাকে ভুলে যাবে, কারো সন্তুষ্টি অর্জন, দৃষ্টি আকর্ষণ কিংবা নৈকট্য অর্জনে সে এভাবে উঠে পড়ে লাগতো না। কারো দূরে সরে যাওয়াতেও সে এত কষ্ট পেতো না।

সে কেবল তাঁর ভালোবাসা, ক্ষমা ও সন্তুষ্টি লাভের চেষ্টাতেই থাকতো, যিনি তাকে পেলেছেন সেই মায়ের পেটে, যেখানে তার কোনই বন্ধু ছিল না। সেই পোকামাকড়ের ঘরে, সেই অন্ধকার গর্তে, সেই নিস্তব্ধ ভয়ার্ত পরিবেশেও যদি তার একাকিত্বের সঙ্গী কেউ হয়, তাহলে হবে একমাত্র সেই মহান রবেরই রহমত ও দয়া।

অসহায় সে নয়, যার কোন বন্ধু নেই। চরম অসহায় তো সে, যে এমন কাউকে বন্ধু বানায় যে আদৌ তার কেউ নয়।

Join Our Channel: @alolpath
31👍3
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার এক নাম হলো—আল ক্বারিব।
আল ক্বারিব নামের অর্থ হলো—অধিকতর নিকটবর্তী।


কুরআনে আল্লাহ বলেছেন যে—ঘাঁড়ের শাহী রগ, যে রগটা মস্তিষ্কের সাথে পুরো শরীরের সংযোগ মাধ্যম হিশেবে কাজ করে, সেই রগের চাইতেও আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা বান্দার নিকটে থাকেন।


আমাদের রব আমাদের এতো নিকটবর্তী, কিন্তু আমাদের জীবনপদ্ধতি দেখলে কে বলবে যে—রবের এই নিকটবর্তী থাকাটাকে আদৌ আমরা উপলব্ধি করি?
15👍1
দাহহাক রাহ. বলেছেন,
'এমন এক যুগ আসবে যখন মানুষের মধ্যে অহেতুক আলোচনা ও কথাবার্তা বেড়ে যাবে। এমনকি (তিলাওয়াত না করার দরুন) কুরআন মাজিদের ওপর ধুলো জমে যাবে, কিন্তু কেউ তার দিকে ফিরেও তাকাবে না।'
.
[কিতাবুয যুহদ, ইমাম আহমদ: ১৯৪]
😢24
যাকেই আমি চিনি, যাকেই আমার ভালো লাগে, যে-ই আমার কাছের হয়ে যায়, তাকে আমি প্রায়ই লাশ হিসেবে কল্পনা করি।

নিজেকে মনে করায়ে দিই, ওর সাথেও আমার চরম বিচ্ছেদ হবে। আলাদা হয়ে যেতে হবে। হবেই। হয় ও আগে যাবে, নয় আমি!

চোখ ফেটে পানি আসে। দুয়া করি তখন মানুষটার জন্য।

#collected
😢24👍2
জীবন হোক কর্মময়, নিরন্তর পূন্যতায় ছুটে চলা। চিরকাল বিশ্রাম নেয়ার জন্য তো কবর পড়েই আছে
(হযরত আলী রা.)।
29🔥2
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
তাদের কেমন করে বোঝাবো?
ইয়া রাসূল আল্লাহ (ﷺ) আপনাকে কেন এত ভালোবাসি.

.
স়াল্লাল্লাহু ʿআলাইহি ওয়া-ʾআলিহি ওয়া-সাল্লাম 💚



সম্পূর্ণটা শুনুন
13