আলোর পথ
10.1K subscribers
2.59K photos
716 videos
35 files
291 links
আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল (সা.) প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পূর্ণ বিন্যাস করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।
Download Telegram
অযুর শেষে করতে পারেন

ইন শা আল্লাহ 💔
24🥰2👍1
- Assalamu'alaikum! Are you online? I hope U reply my Salam! 🤍
19
Assalamu Alaikum wa Rahmatullahi wa Barakatuh,

Good night 🌙 Don’t forget to pray and seek Allah’s forgiveness—He is the Most Merciful 🤍 Let go of worries, trust His plan, and rest with a peaceful heart.

Before you sleep:
Dhikr – SubhanAllah, Alhamdulillah, Allahu Akbar
Astaghfirullah – Purify your soul
Ayatul Kursi – For protection
Surah Al-Mulk – A shield in the grave

May Allah grant you peace, protection, and a restful night 🤍

@alolpath
🥰94
লোকটার ঘটনা ইতোমধ্যেই অনেকেই হয়তো জানেন।

৮ মাস আগে বৃদ্ধার বউ মারা যায়। দুইটা ছেলে। ছেলেরা তাকে ঘর থেকে বের করে দেয়। এতে করে এক রাত ঘরের বাহিরে (উঠানে) রাত কাটিয়েছে। কোনোভাবেই ঘরে ঢুকতে দেয়নি অভিশপ্ত সন্তানেরা।

মরার আগের বৃদ্ধার ব্যবহার করা মালামাল-সহ তাকে ঘরের বাহিরে নিক্ষেপ করে।

দুঃখ-কষ্ট সহ্য করতে না পেরে ট্রেনের নিচে নিজেকে বিলিয়ে জীবনটাই দিয়ে দিলো।

অমানুষ লালন-পালন না করে তার বদলে গরু-ছাগল পাললেও হয়তো এমন ঘটনা হতো না।

আল্লাহ তার জীবনের সমস্ত গুনাহ মাফ করে দিক। আ-মী-ন।
😢49👍2
তিন তালাক দিছে। মাগরীবের পর থেকে প্রায় এক ঘন্টা যাবত হু হু করে কান্না করেই যাচ্ছে। ইয়াং ছেলে। ইঞ্জিনিয়ার। বৌ নাকি খুব সুন্দরী৷ খুবই ধৈর্যশীলা। বার বার রিকুয়েষ্ট করে যাচ্ছে একটা উপায় করে দেওয়ার। কিন্তু কিভাবে করব? কি যে অসহায় লাগছে নিজেকে!

সত্যি বলতে, শরীয়ত আলেমদের হাতে না। আলেম কেবল আল্লাহর ফায়সালা মানুষকে জানায়। আল্লাহর কসম, যদি শরীয়ত আলেমদের হাতে থাকত, আল্লাহ যদি ব্যাপারটা আলেমদের ইচ্ছার উপর ছেড়ে দিতেন, তাহলে রাগের বশে দেয়া তালাক কার্যকর না হওয়ার মাস'আলা দিতাম। তবু যেন সংসারটা না ভাঙে।
.
– মাসুদ আলিমী (হাফি.)
32😢12👍2
যুদ্ধ মানেই যারা J*ঙ্গি বিবান, মিসাইল, ড্রোন বা পারমানবিক পাওয়ার বুঝেন তারা চিন্তা ভাবনা আরো আপডেট করেন। এতোদিন পারমানবিক বোমার পাওয়ার দেখা হতো। সামনের দিনে এটাও হয়তো শুধু নামে থাকবে। এখনি আসলে নামে আছে।

যেমন ধরেন বর্তমানে বিমান থেকেও বেশি জনপ্রিয় ড্রোন, পাইকারী দরে বিমান হাMলার থেকেও জনপ্রিয় টার্গেট কি- লিং। AI দিয়ে ট্রেক করে স্পেসিফিক যায়গায় বো*মবিং।

কিছুদিন আগে মৌমাছির মত মাইক্রো ওয়েপন আবিষ্কার হইছে যেইটা আপনার বেডরুমে এসে মেরে রেখে যাবে কোন প্রমান থাকবে না।

কিছুদিন আগে লেবাননে ওয়াটকি থেকে বি-স্ফোরণের কথা মনে আছে না? আমাদের প্রত্যেকের হাতে হাতে এন্ডরয়েড ফোন আছে, স্মার্ট ওয়াচ আছে, অলরেডি মাইক্রোচিপ লাগানো শুরু হয়ে গেছে। সিনারিওটা একবার ডিপলি চিন্তা করেন।

মিলিটারি জগতে আরো এমন অনেক কিছু তারা তৈরি করে রাখছে যেইটার খবর আমরা মৃত্যু পর্যন্ত জানতেও পারবো না।

যেমন আমরা জানি ইন্টারনেট প্রথম চালু হইছে ১৯৬৯ সালে। কিন্তু এইটা যে ইউএস নেভি সামরিক স্বার্থে ৫০ এর আগেই তৈরি করে নিজেরা সব কিছু পরিক্ষার নিরীক্ষা চালায়া বেনিফিটের জন্য মার্কেটে ছাড়ছে ৬৯ এ সেইটা কয়জনে জানি?

আজকে চারদিকে Ai এর জয়জয়কার। কিন্তু এগুলা কি এই কয় বছর ধরেই আছে নাকি আরো আগে থেকেই তাদের কাছে ছিলো? আমরা কি জানতে পারবো কখনো?

সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে ইন্টারনেট এইটাও একটা সামরিক প্রজেক্ট, এখন ইলন মাস্ক স্যাটেলাইটের মাধ্যমে যেই নেট দিচ্ছে সেটা সামরিক বা গোপন কোণ এজেন্ডা না এইটার শিউরিটি কি?

মুসলিম দেশ গুলার যেসব অ-স্ত্র তার প্রায় সবই তো অন্যদের তৈরি। যু-দ্ধে ব্যবহৃত সিক্রেট জিনিস কখনো একটা দেশ আরেকটা দেশের কাছে নরমালি বিক্রি করে? যদি নিজের জন্য নূনতম থ্রেটও থাকে বা সেগুলার থেকে বহু আপডেট ওয়েপন তাদের কাছে না থাকে তাইলে কি তারা সেটা অন্য কারো কাছে বিক্রি করবে? 

সম মিলিয়ে সামরিক পাওয়ার বলতে আমরা যা বুঝি এইগুলা যে আইওয়াশ না সেইটার কি কোন নিশ্চয়তা আছে?
---

তাই মুসলিমরা শুধু পড়ালেখায় বড় হয়ে কিছু করে ফেলবে আমি এই থিওরিতে বিশ্বাসী না। কারন পুরা সেটাপ এমনভাবে দেওয়া আছে যেইটা থেকে বের হতে মহা প্লাবন লাগবে আর সেইটা একমাত্র যুদ্ধ/জি*হাদ দিয়ে পসিবল।

এইযে মুসলিম ছেলে মেয়েদের চরিত্র দিন দিন অধপতন হচ্ছে, নামে আমরা মুসলিম হয়ে আছি, ঈমানের লেভেল মাপা গেলে নিজেরাই লজ্জায় মরে যেতাম- এগুলা কি এমনি এমনি হচ্ছে বলে মনে করেন??

ট্রিলিয়ন অক্ট্রালিয়ন ডলার খরচ হচ্ছে এসবের জন্য, সামনে আরো বেশি হবে। লক্ষ একটাই এরা যেন নিজেদের অতীতের মত বীর যো-দ্ধা হতে না পারে।

এক সময় মুসলিম মেয়েরাও যুদ্ধ যেতো, সেই এবেলিটি তাদের ছিলো কিন্তু এখন ফতোয়াই দেওয়া হয় মেয়েরা যেন ঘর থেকে বের না হয়। পুরুষরা যেন শুধু মসজিদ খানকায় ইসলাম পালন করে। এজন্য দেখবেন অনেকেই রাজনীতি থেকে ইসলামকে দূরে রাখতে চায়। 
----

শাসকের বিরুদ্ধে কথা বলা যাবে না, আগে ঈমান ঠিক করো, নামাজ না পড়ে কেমনে Fiলি-স্থিন মুক্ত করবা, শুধু সৌদির দোষ নাকি? আর কাউরে চোখে দেখো না? Haমাস হটকারী স্বীদ্ধান্ত না নিলে আজকে এরকম হতো না ব্লা ব্লা যত কিছু দেখেন এইসব ওয়েল প্লান করা জিনিস। ইভেন দেশে বিদেশে যারা এগুলার প্রচারক তারা নিজেরাও হয়তো জানেনা কাদের হয়ে কি এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে। 

তাই নামের সাথে শায়খ, পীর, আল্লামা, হযরত, মাওলানা, মুফতি, মুফাসসের, ফকিহ ইত্যাদি থাকলেই যারে তারে সত্য মনে করা শুরু কইরেন না।

শেষ কথা হলো, চিন্তা শক্তি বাড়ান, জ্ঞানী হইলে এমন জ্ঞানী হন যেইটা পাহারের উপর দিয়া জাহাজ নিয়ে যাওয়ার মত হয় যেন স্বপ্নেও কেউ কল্পনা না করতে পারে। তাইলে জ্ঞান দিয়া কিছু সম্ভব কিন্তু প্রচলিত জ্ঞান দিয়া, বড় বড় ডিগ্রী দিয়া খুব বেশি কিছু করা কঠিন।

#collected
@alolpath
😢131👍1
আল্লাহুম্মাগফিরলি💔
😢30💔6
‘লোকদের যেসব কাজ করতে দেখলে অপছন্দ করবে, একাকী অবস্থায় তুমি নিজে সেই কাজে ডুবে যেও না’।

— মুহাম্মাদ সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। সিলসিলাহ আহাদিস সহীহাহ, ৩/৪৩
34
ইন শা আল্লাহ 🌸
40
রেকর্ডসংখ্যক ১৮০ জন ইহুদি উপাসককে আল-আকসা মসজিদ চত্বরে প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে সন্ত্রাসী ইজরায়েল। এটিই এখন পর্যন্ত এই চত্বরে ইহুদি প্রবেশের সর্বোচ্চ নজির।

এর পূর্বে সর্বোচ্চ ৩০ জন ইহুদি একসঙ্গে মসজিদ আল আক্বসায় প্রবেশ করতে পারতো। এবার এর সংখ্যা বাড়িয়েছে প্রায় ৬ গুণ।

সূত্র : মিডল ইস্ট আই
😢27💔2🤬1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
ক্ষমতায় ইউনুসকে বসিয়ে পেছনে নির্বাচন নিয়ে মারামারি করে কারা?
এত বড় ধাক্কার পরেও চুপ্পু টিকে গেল ক্যামনে?
😁34
Tahajjud is so powerful Alhamdulillah.
We can’t say we have tried our best until
we pray tahajjud and talk to Allah about it.
❤‍🔥131
The distance between dreams and reality is called "Tahajjud".

#Tahajjud
33🥰2
জুমাবারে করণীয় দশটি আমল/করণীয়:-
১. নখ কাটা
২. সুরা কাহাফ তিলাওয়াত করা
৩. দুয়া করা
৪. গোসল করা
৫. পরিচ্ছন্ন ও উত্তম কাপড় পরা, মিসওয়াক করা এবং সুগন্ধি ব্যবহার করা।
৬. আগে আগে মসজিদে যাওয়া
৭. জুমার সালাত আদায় করা
৮. রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ওপর দরুদ পড়া
৯. মসজিদে হেঁটে যাওয়া
১০. মনোযোগসহ জুমার খুতবা শোনা

**সবাই সূরা কাহাফ তিলাওয়াত করিয়েন।

#JUMMAMUBARAK
24👍1
বেশি বেশি দুরুদ পড়ুন।
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
37❤‍🔥5🥰1
সমাজ গঠিত হয় মানুষকে নিয়ে। মানুষগুলো সত্যিকারের 'মানুষ' হলে সমাজটাও সত্যিকারের সমাজ হবে, হবে শান্তি আর সুখের ঠিকানা।

সত্যিকারের মানুষ পেতে হলে, মানুষকে ইসলামের আলোকেই গড়তে হবে। আমরা যারা শান্তির সমাজ বিনির্মাণে বদ্ধ পরিকর, তাদের অন্যতম দায়িত্বটি হল নিজে ইসলাম মেনে চলা আর অপরকে ইসলামের আহ্বান পৌঁছে দেয়া। রাসূল (সঃ) সেই যে "বাল্লিগু আ'ন্নী ওয়ালাও আ-ইয়াহ" বলে নির্দেশ দিয়েছিলেন, যুগে যুগে সে নির্দেশ পালিত হওয়ার কারণেই তো আমরা দ্বীনের দিশা পেয়েছি। দ্বীনের দাওয়াত পৌঁছানোর সে ধারা অব্যাহত রাখার ঈমানী দায়িত্ব আজ আমাদের উপর এসেছে। তৎপর তাই হতেই হবে; বসে থাকার সুযোগ কোথায়!

"নহে সমাপ্ত কর্ম মোদের, অবসর কোথা বিশ্রামের?"


লিখা : সংগৃহীত
22👍2🥰2🔥1
একটি শিক্ষণীয় গল্প এক মিনিট সময় নিয়ে হলেও সবাই পড়বেন উপকৃত হবেন!!

একবার এক রাজা তার তিন মন্ত্রীকে ডেকে বললেন,এই নাও তোমাদের একটা করে খালি বস্তা দিলাম। তোমাদের কাজ হবে বনে গিয়ে বিভিন্ন ফল কুড়িয়ে এই বস্তা ভরে নিয়ে আসবে, দেখি কে কত তাড়াতাড়ি বস্তা পূর্ণ করে নিয়ে আসতে পার। তিন জন চলে গেল জঙ্গলে।
🔶১ম মন্ত্রী চিন্তা করলো, রাজা বলেছেন তাই ভালো ভালো ফল কুড়িয়ে বস্তা পূর্ণ করি এবং সেই মত জঙ্গলের ভালো ফল কুড়িয়ে বস্তা ভরে ফিরে আসল।

🔶২য় মন্ত্রী চিন্তা করলো, রাজা তো সব ফল দেখবেন না তাই হাবিজাবি পচা ফল দিয়ে সে নীচের দিকে পূর্ণ করে, উপরের দিকে শুধু কিছু ভালো ফল দিয়ে বস্তা পূর্ণ করলো এবং ফিরে আসল।

🔶৩য় মন্ত্রী চিন্তা করলো, রাজার এত সময় কোথায় বস্তা খুলে খুলে দেখবে, সে শুধু দেখবে বস্তা পূর্ণ হয়েছে কিনা। জঙ্গলে মরা পাতা, ঘাস,কাঠ দিয়ে বস্তা পূর্ণ করে নিয়ে এলো।

তিন মন্ত্রী রাজার দরবারে হাজির, রাজা সবার বস্তা পূর্ণ দেখে খুশী হলেন।তিনি বস্তাগুলো খুলেও দেখলেন না।৩য় মন্ত্রী নিজের বুদ্ধির কথা চিন্তা করে নিজেকে বেশ বুদ্ধিমান মনে করতে লাগলো। রাজা একটু সময় নিয়ে তার মসনদে বসলেন এবং ঘোষণা করলেন, এই তিন মন্ত্রীদের তাদের বস্তা সহ ৭ দিনের জন্য কারাগারে পাঠানো হোক এবং প্রত্যেককে তিনটা আলাদা আলাদা কক্ষে রাখা হোক। এই ৭ দিন তাদের কোন প্রকার খাবার দেওয়া হবে না।

যেই কথা সেই কাজ, তিনজনকেই কারাগারে পাঠানো হলো। ১ম মন্ত্রী এই ৭ দিন তার বস্তার ফলগুলো খেয়ে কাটিয়ে দিলেন।

দ্বিতীয় মন্ত্রী তার যত ভালো ফল ছিল ২ দিন খেতে পারলো, বাকী দিন পচা ফল খেয়ে কাটানোর চেষ্টা করলো কিন্তু তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লেন।

৩য় মন্ত্রীর বস্তায় কোন ফল ছিলোনা তাই তিনি না খেতে পেরে কারাগারেই মারা গেলেন।

🌸এই গল্পের শিক্ষণীয় বিষয় হলো:-
যদি আমরা ফাঁকি না দিয়ে সঠিকভাবে শিখে, পড়ালেখা বা কাজ করে বড় হই তবে এর ফল আমরা একদিন পাবো।

আর ফাঁকি দিলে ধরা একদিন খাবোই।

- সংগৃহীত
30👍2
46🥰5
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
সবাইকে খুশি করতে নিজের বিশ্বাস হারানো উচিত নয়!💝
24👍1