This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
আজকের এই মহাসমাবেশ প্যালেস্টাইনের প্রতি বাংলাদেশের ভালোবাসার বহিপ্রকাশ💝
❤40
উম্মতে মুহাম্মাদী...❤️
বাংলাদেশ থেকে!
ইনশাআল্লাহ, আল কুদসের বিজয়ের দিনে শাহজালালের এই জমিন থেকে শরিক থাকবে অজস্র গা*জী-শহীদ!
বাংলাদেশ থেকে!
ইনশাআল্লাহ, আল কুদসের বিজয়ের দিনে শাহজালালের এই জমিন থেকে শরিক থাকবে অজস্র গা*জী-শহীদ!
❤34
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
"আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযুবিকা মিনাল ফিতনাতিন নিসা"
হে আল্লাহ! আমি আপনার আশ্রয় চাই নারীর ফিতনা থেকে।
হে আল্লাহ! আমি আপনার আশ্রয় চাই নারীর ফিতনা থেকে।
❤22😢1
আপনার গুনাহে জড়িত হওয়ার সুযোগ ছিল।আপনি বেঁচে রইলেন। এটা কেবল আপনার সফলতা না; আপনার প্রতি মহান রব'এর মায়ার বিশালতা।
❤22
Palestine_Solidarity_Movement_Bangladesh_Proclamation_12_Apr_2025.pdf
175.2 KB
ঘোষণাপত্র ও অঙ্গীকারনামা
'মার্চ ফর গাজা' | ঢাকা | ২০২৫
👆
বাংলায় কমেন্টে
👇
'মার্চ ফর গাজা' | ঢাকা | ২০২৫
👆
বাংলায় কমেন্টে
👇
👍7
প্রধান উপদেষ্টা সাফ জানিয়েছেন ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার।
এই স্টেটমেন্ট দেয়ার পর প্রধান উপদেষ্টার ফেসবুক পেজে শত শত স্যাড রিঅ্যাক্ট আসতে দেখা যায়। সত্যি বলতে মানুষের এই ধরণের প্রতিক্রিয়ায় আমিও কিছুটা আবেগাপ্লুত হলাম।
এই সরকার গঠন হয়েছিল তিনটি বিষয়ের উপর। সংস্কার, বিচার ও নির্বাচন। রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনের ব্যাপারে যতটা কথা বলেছে অন্য দুইটা বিষয় নিয়ে তেমন কোন আগ্রহই দেখায়নি তারা। কেউ কেউ তো সংস্কারকে চলমান প্রক্রিয়া বলে অন্তত বিষয়টাকে ওউন করেছে। কিন্তু বিচারের ব্যাপারে নূন্যতম কোন আগ্রহই দেখায়নি রাজনৈতিক দল। বরং নির্বাচনের পর জুলাই গণহত্যার বিচার আদৌ চলমান থাকবে কিনা আমার মনের কোনে মাঝে মাঝে সেই সন্দেহ উদ্রেক করে।
কিন্তু আবেগাপ্লুত হতে গিয়ে মনে পড়ে গেল অভ্যুত্থান পরবর্তী সরকার গঠনের কথা। ৫ আগস্ট থেকে ৮ আগস্ট সন্ধ্যা। সরকারবিহীন একটা দেশ, আমরা কী মুক্তভাবেই না যাপন করেছিলাম। রাতের বেলা মোড়ে মোড়ে ছেলেরা বেরিয়ে এসেছিল পাহাড়া দিতে।
যেদিন শপথ অনুষ্ঠান হলো, পুরো দেশ মনে হয় এর আগে শপথ অনুষ্ঠান এত আগ্রহ নিয়ে দেখেনি। ছাত্রদের পক্ষ থেকে দু'জন শপথ নিলেন। মনে হলো, আমরা সবাই সরকারের অংশ হয়ে গেছি।
তার কয়েকদিনের মধ্যেই সচিবালয়ে উপদেষ্টাদের অবরুদ্ধ করে আনসার সদস্যরা অবস্থান নিল। সেই সন্ধ্যাতে ছাত্র-জনতা নিজে গিয়ে সচিবালয় এলাকা দখলে নিয়ে উদ্ধার করল সরকারের উপদেষ্টাদের। কারও হুকুম নেই, কোন আকাঙ্খা নেই, জাস্ট দেশটা আমার।
সেদিন সচিবালয় থেকে বেরিয়ে সেনাবাহিনীর একজনের কাধের উপর চড়ে প্রেস ব্রিফিং করেছিল তৎকালীন তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম। এই দৃশ্য আমি কোনদিন ভুলব না। কোন মঞ্চ নেই, কোন মাইক নেই, কোন উঁচু জায়গা নেই। তাই নাহিদ ইসলামকে একজন আর্মি তুলে নিলেন কাধে। নাহিদ ইসলাম সেখান থেকে সবাইকে শান্ত হতে বললেন।
আমার মনে পড়ে বিমানবন্দরে ড. ইউনূস এলেন মনোনীত প্রধান উপদেষ্টা হয়ে। তিনি এসে বললেন, আমার কথা না শুনলে আমি কিন্তু কাজ করব না। আমাকে বিদায় দেয়, আমি চলে যাই। একটু পর আবু সাঈদের কথা বলতে গিয়ে কথা আটকে গেল তার।
কতদিন চলে গেল। তাও এখন আমাদের পুলিশ বা আর্মি দেখলে ভয় লাগে না। বিশেষ করে আমাদের, আমরা যারা মিথ্যার চর্চায় কখনও পার্টিসিপ্যান্ট করিনি।
এতদিন পরেও এই ঈদের দিন নাহিদ ইসলাম যখন একটি শহিদ পরিবারে গেলেন, শহিদ জননী তার মুখে আদর করে দিতে দিতে কেঁদে ফেলেন। এই দৃশ্য এত শক্তিশালী এত শক্তিশালী!
অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ শেষ হবে। এরকম সরকার আর কোনদিন আসবে কিনা জানি না। যেখানে ভয় দিয়ে নয়, মন জয় করে ক্ষমতায় থেকেছিল সরকার। যেখানে মসজিদের দানবাক্সে চিরকুট লিখে মানুষ দুয়া করেছিল এই সরকার আরও কিছুদিন থাকুক।
আমরা এই সুন্দর সময়ের স্বাক্ষী হয়েছি, এই বা কম কিসে!
Md.Zubayer Ibn Kamal
এই স্টেটমেন্ট দেয়ার পর প্রধান উপদেষ্টার ফেসবুক পেজে শত শত স্যাড রিঅ্যাক্ট আসতে দেখা যায়। সত্যি বলতে মানুষের এই ধরণের প্রতিক্রিয়ায় আমিও কিছুটা আবেগাপ্লুত হলাম।
এই সরকার গঠন হয়েছিল তিনটি বিষয়ের উপর। সংস্কার, বিচার ও নির্বাচন। রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনের ব্যাপারে যতটা কথা বলেছে অন্য দুইটা বিষয় নিয়ে তেমন কোন আগ্রহই দেখায়নি তারা। কেউ কেউ তো সংস্কারকে চলমান প্রক্রিয়া বলে অন্তত বিষয়টাকে ওউন করেছে। কিন্তু বিচারের ব্যাপারে নূন্যতম কোন আগ্রহই দেখায়নি রাজনৈতিক দল। বরং নির্বাচনের পর জুলাই গণহত্যার বিচার আদৌ চলমান থাকবে কিনা আমার মনের কোনে মাঝে মাঝে সেই সন্দেহ উদ্রেক করে।
কিন্তু আবেগাপ্লুত হতে গিয়ে মনে পড়ে গেল অভ্যুত্থান পরবর্তী সরকার গঠনের কথা। ৫ আগস্ট থেকে ৮ আগস্ট সন্ধ্যা। সরকারবিহীন একটা দেশ, আমরা কী মুক্তভাবেই না যাপন করেছিলাম। রাতের বেলা মোড়ে মোড়ে ছেলেরা বেরিয়ে এসেছিল পাহাড়া দিতে।
যেদিন শপথ অনুষ্ঠান হলো, পুরো দেশ মনে হয় এর আগে শপথ অনুষ্ঠান এত আগ্রহ নিয়ে দেখেনি। ছাত্রদের পক্ষ থেকে দু'জন শপথ নিলেন। মনে হলো, আমরা সবাই সরকারের অংশ হয়ে গেছি।
তার কয়েকদিনের মধ্যেই সচিবালয়ে উপদেষ্টাদের অবরুদ্ধ করে আনসার সদস্যরা অবস্থান নিল। সেই সন্ধ্যাতে ছাত্র-জনতা নিজে গিয়ে সচিবালয় এলাকা দখলে নিয়ে উদ্ধার করল সরকারের উপদেষ্টাদের। কারও হুকুম নেই, কোন আকাঙ্খা নেই, জাস্ট দেশটা আমার।
সেদিন সচিবালয় থেকে বেরিয়ে সেনাবাহিনীর একজনের কাধের উপর চড়ে প্রেস ব্রিফিং করেছিল তৎকালীন তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম। এই দৃশ্য আমি কোনদিন ভুলব না। কোন মঞ্চ নেই, কোন মাইক নেই, কোন উঁচু জায়গা নেই। তাই নাহিদ ইসলামকে একজন আর্মি তুলে নিলেন কাধে। নাহিদ ইসলাম সেখান থেকে সবাইকে শান্ত হতে বললেন।
আমার মনে পড়ে বিমানবন্দরে ড. ইউনূস এলেন মনোনীত প্রধান উপদেষ্টা হয়ে। তিনি এসে বললেন, আমার কথা না শুনলে আমি কিন্তু কাজ করব না। আমাকে বিদায় দেয়, আমি চলে যাই। একটু পর আবু সাঈদের কথা বলতে গিয়ে কথা আটকে গেল তার।
কতদিন চলে গেল। তাও এখন আমাদের পুলিশ বা আর্মি দেখলে ভয় লাগে না। বিশেষ করে আমাদের, আমরা যারা মিথ্যার চর্চায় কখনও পার্টিসিপ্যান্ট করিনি।
এতদিন পরেও এই ঈদের দিন নাহিদ ইসলাম যখন একটি শহিদ পরিবারে গেলেন, শহিদ জননী তার মুখে আদর করে দিতে দিতে কেঁদে ফেলেন। এই দৃশ্য এত শক্তিশালী এত শক্তিশালী!
অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ শেষ হবে। এরকম সরকার আর কোনদিন আসবে কিনা জানি না। যেখানে ভয় দিয়ে নয়, মন জয় করে ক্ষমতায় থেকেছিল সরকার। যেখানে মসজিদের দানবাক্সে চিরকুট লিখে মানুষ দুয়া করেছিল এই সরকার আরও কিছুদিন থাকুক।
আমরা এই সুন্দর সময়ের স্বাক্ষী হয়েছি, এই বা কম কিসে!
Md.Zubayer Ibn Kamal
😢12👍2
মুফতি আব্দুল মালিক হাফিঃ কেমন!
খতিব আব্দুল মালিক হাফিঃ প্রোগ্রাম শেষ হবার পর স্টেজে বসে আছেন। গেস্ট সবাই চলে গেছেন একা উনিই বসা শরীর অনেকটা অসুস্থ। সর্বশেষ উনাকে নিয়ে মন্দির গেইটে যাওয়া হয় পায়ে হেঁটে সেখান থেকে কাকরাইল যাবেন কিন্তু একটা গাড়ি নেই রিক্সা ও পাওয়া যাচ্ছেনা।
অনেক কষ্টের পর একটা ছোট ভ্যান পাওয়া যায় মুফতি আব্দুল মালিক হাফিঃ চালকের কাছে গিয়ে বলতেছেন ভাই কষ্ট হবে, যেতে পারবেন?!
অবশেষে হুজুর সাধারণ মানুষের মতো ভ্যানে বসে কাকরইল গেইটে আসেন আমাদের আস সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবকরা দৌড়ে হুজুরের সাথে কাকরাইল গেইটে আসেন। হুজুর ভ্যান থেকে নামলেন পকেট থেকে একটা টাকার খাম বের করে ভ্যান চালকের হাতি দিয়ে আস্তে করে বললেন ভাই এগুলো আমাদের পক্ষ থেকে আপনাকে হাদিয়া!
সম্ভবত টাকাগুলো সভাপতি হিসেবে আজকে দেওয়া হয়েছে কিন্তু হুজুর খাম খোলেও দেখেননি!
কতটা দুনিয়া বিমুখ একটু চিন্তা করুন!
বারাকাল্লাহু ফি হায়াতিহ।
©
খতিব আব্দুল মালিক হাফিঃ প্রোগ্রাম শেষ হবার পর স্টেজে বসে আছেন। গেস্ট সবাই চলে গেছেন একা উনিই বসা শরীর অনেকটা অসুস্থ। সর্বশেষ উনাকে নিয়ে মন্দির গেইটে যাওয়া হয় পায়ে হেঁটে সেখান থেকে কাকরাইল যাবেন কিন্তু একটা গাড়ি নেই রিক্সা ও পাওয়া যাচ্ছেনা।
অনেক কষ্টের পর একটা ছোট ভ্যান পাওয়া যায় মুফতি আব্দুল মালিক হাফিঃ চালকের কাছে গিয়ে বলতেছেন ভাই কষ্ট হবে, যেতে পারবেন?!
অবশেষে হুজুর সাধারণ মানুষের মতো ভ্যানে বসে কাকরইল গেইটে আসেন আমাদের আস সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবকরা দৌড়ে হুজুরের সাথে কাকরাইল গেইটে আসেন। হুজুর ভ্যান থেকে নামলেন পকেট থেকে একটা টাকার খাম বের করে ভ্যান চালকের হাতি দিয়ে আস্তে করে বললেন ভাই এগুলো আমাদের পক্ষ থেকে আপনাকে হাদিয়া!
সম্ভবত টাকাগুলো সভাপতি হিসেবে আজকে দেওয়া হয়েছে কিন্তু হুজুর খাম খোলেও দেখেননি!
কতটা দুনিয়া বিমুখ একটু চিন্তা করুন!
বারাকাল্লাহু ফি হায়াতিহ।
©
❤29👍1
Forwarded from Pearls of Islam
আজ যদি তুমি থাকতে...
আজ যদি তুমি থাকতে তবে তোমাকে বাম হাতে আগলে নিয়ে আমি মার্চে যেতাম। আমার বাম হাতে থাকতো তোমার হাত আর ডান হাতে পতাকার ঝান্ডা।
আজ যদি তুমি থাকতে তবে তোমার মাথায় ফিলিস্তিনের পতাকা দিয়ে নেকাব বেঁধে দিতাম। মেহেদী দিয়ে হাতের তালুতে লিখে দিতাম "ফ্রি ফ্রি প্যালেস্টাইন"।
আজ যদি তুমি থাকতে তবে তোমার কোল জুড়ে থাকা আমার বীর সন্তানের গালে এঁকে দিতাম "সেভ গাজা"। ওর নরম কাঁধে ঝুলিয়ে দিতাম আল আকসার মালা।
আজ যদি তুমি থাকতে তবে আমি শ্লোগানে শ্লোগানে আরশের মালিককে দেখাতাম আমি ইউসুফের বংশধর, ইসমাঈলের পিতা। আর তুমি হতে ধৈর্যশীলা হাযেরা।
আজ যদি তুমি থাকতে তবে আমি যুদ্ধে যেতাম, শহীদ হতাম। তুমি হন্য হয়ে খুঁজে পেতে না আমার লাশ। আমি হতাম হানযালার মতো জান্নাতী এক সুবাস।
@pearlsOfIslam01
আজ যদি তুমি থাকতে তবে তোমাকে বাম হাতে আগলে নিয়ে আমি মার্চে যেতাম। আমার বাম হাতে থাকতো তোমার হাত আর ডান হাতে পতাকার ঝান্ডা।
আজ যদি তুমি থাকতে তবে তোমার মাথায় ফিলিস্তিনের পতাকা দিয়ে নেকাব বেঁধে দিতাম। মেহেদী দিয়ে হাতের তালুতে লিখে দিতাম "ফ্রি ফ্রি প্যালেস্টাইন"।
আজ যদি তুমি থাকতে তবে তোমার কোল জুড়ে থাকা আমার বীর সন্তানের গালে এঁকে দিতাম "সেভ গাজা"। ওর নরম কাঁধে ঝুলিয়ে দিতাম আল আকসার মালা।
আজ যদি তুমি থাকতে তবে আমি শ্লোগানে শ্লোগানে আরশের মালিককে দেখাতাম আমি ইউসুফের বংশধর, ইসমাঈলের পিতা। আর তুমি হতে ধৈর্যশীলা হাযেরা।
আজ যদি তুমি থাকতে তবে আমি যুদ্ধে যেতাম, শহীদ হতাম। তুমি হন্য হয়ে খুঁজে পেতে না আমার লাশ। আমি হতাম হানযালার মতো জান্নাতী এক সুবাস।
@pearlsOfIslam01
❤15