একজন সাহাবীকে কবর দেবার ৩০ বছর পর তাঁর কবর পানিতে তলিয়ে যায়। বৃষ্টি হলে কবর ডুবে যায়।
একদিন একজন তাকে স্বপ্নে দেখেন। স্বপ্নে তিনি ঐ লোককে বলেন, "আমার কবরের পানি আমাকে কষ্ট দেয়। আমার মেয়ে আয়িশাকে বলো আমাকে এখান থেকে সরিয়ে নিতে।"
সেই লোক সাহাবীর মেয়ের কাছে খবর পাঠায়।
আয়িশা রাহিমাহাল্লাহ বাবার ইচ্ছেপূরণ করেন।
তিনি বাবার কবর স্থানান্তরের উদ্যোগ নেন।
কবর খুড়ে তাঁর লাশ অন্যত্র দাফন করা হয়। কবর দেবার ৩০ বছর পর দেখা যায় তাঁর শরীর অবিকৃত। দাড়ি বা মাথার একপাশ ছাড়া পুরো শরীর আগের মতোই আছে।
ত্রিশ বছর আগে তাঁকে যারা দেখেছিলেন, তাঁরা চিনতে পারেন।
সেই সাহাবীর নাম তালহা ইবনে উবাইদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু; জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত সাহাবী। যার উপাধি ছিলো 'জীবন্ত শহীদ'।
তথ্যসূত্র:
ড. আলি মুহাম্মাদ সাল্লাবি, আলী ইবনে আবি তালিব: ২/২৭২।
একদিন একজন তাকে স্বপ্নে দেখেন। স্বপ্নে তিনি ঐ লোককে বলেন, "আমার কবরের পানি আমাকে কষ্ট দেয়। আমার মেয়ে আয়িশাকে বলো আমাকে এখান থেকে সরিয়ে নিতে।"
সেই লোক সাহাবীর মেয়ের কাছে খবর পাঠায়।
আয়িশা রাহিমাহাল্লাহ বাবার ইচ্ছেপূরণ করেন।
তিনি বাবার কবর স্থানান্তরের উদ্যোগ নেন।
কবর খুড়ে তাঁর লাশ অন্যত্র দাফন করা হয়। কবর দেবার ৩০ বছর পর দেখা যায় তাঁর শরীর অবিকৃত। দাড়ি বা মাথার একপাশ ছাড়া পুরো শরীর আগের মতোই আছে।
ত্রিশ বছর আগে তাঁকে যারা দেখেছিলেন, তাঁরা চিনতে পারেন।
সেই সাহাবীর নাম তালহা ইবনে উবাইদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু; জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত সাহাবী। যার উপাধি ছিলো 'জীবন্ত শহীদ'।
তথ্যসূত্র:
ড. আলি মুহাম্মাদ সাল্লাবি, আলী ইবনে আবি তালিব: ২/২৭২।
❤6
আজ দেশের জনগণ সন্ত্রাসী সংগঠন আওয়ামী লীগকে বয়কট করেছে।
*১নং ছবিটি চট্টগ্রামে অবৈধ প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য চলাকালে আওয়ামী লীগের ফেইসবুক পেইজের দর্শক সংখ্যা ছিলো ১৮০০ জন।
* ২নং ছবিটি নয়াপল্টনে বিএনপি’র মহাসমাবেশে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি’র আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম এর বক্তব্য চলাকালে বিএনপি’র ফেইসবুক পেইজের দর্শক সংখ্যা ছিলো ৫৮০০০ জন।
*১নং ছবিটি চট্টগ্রামে অবৈধ প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য চলাকালে আওয়ামী লীগের ফেইসবুক পেইজের দর্শক সংখ্যা ছিলো ১৮০০ জন।
* ২নং ছবিটি নয়াপল্টনে বিএনপি’র মহাসমাবেশে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি’র আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম এর বক্তব্য চলাকালে বিএনপি’র ফেইসবুক পেইজের দর্শক সংখ্যা ছিলো ৫৮০০০ জন।
❤7
নাম- আসাদুল্লাহ খান শাকিল
পিতার নাম- মৃত হাবিবুল্লাহ খান
মাতার নাম- ফরিদা বা বিবি জয়নব
চাকরির ঠিকানা- মিরপুর সাড়ে এগারো
নিজ জেলা- ভোলা!
সর্বশেষ কথা- আসরের পরে
মোবাইল- 01675391210 01728252628
খোজ পেলে এই নাম্বারে যোগাযোগের অনুরোধ রইলো- 01873408383
বিবাহিত, ২টা ছোট বাচ্ছা আছে!
এই ভাইটি ঢাকা থেকেই আজ জামায়াতে সমাবেশে গিয়েছিলো। কিন্তু এখন খোজ পাওয়া যাচ্ছে না।
দয়াকরে দায়িত্বশীলগন একটু সহযোগীতা করুন, যাতে আমরা পরিবারের কাছে খোজ জানাতে পারি।
বিঃদ্রঃ- মহিলা জামায়াতের এক দায়িত্বশীলার ছেলে।
(সংগৃহীত)
পিতার নাম- মৃত হাবিবুল্লাহ খান
মাতার নাম- ফরিদা বা বিবি জয়নব
চাকরির ঠিকানা- মিরপুর সাড়ে এগারো
নিজ জেলা- ভোলা!
সর্বশেষ কথা- আসরের পরে
মোবাইল- 01675391210 01728252628
খোজ পেলে এই নাম্বারে যোগাযোগের অনুরোধ রইলো- 01873408383
বিবাহিত, ২টা ছোট বাচ্ছা আছে!
এই ভাইটি ঢাকা থেকেই আজ জামায়াতে সমাবেশে গিয়েছিলো। কিন্তু এখন খোজ পাওয়া যাচ্ছে না।
দয়াকরে দায়িত্বশীলগন একটু সহযোগীতা করুন, যাতে আমরা পরিবারের কাছে খোজ জানাতে পারি।
বিঃদ্রঃ- মহিলা জামায়াতের এক দায়িত্বশীলার ছেলে।
(সংগৃহীত)
😢4
তেল আবিবে বিক্ষোভ করতেছে জনতা।
নেতানিয়াহুর পদত্যাগ চাই। সে আমাদের শন্তানদের ফিরিয়ে দিচ্ছে না যাদেরকে হামাস বন্দী করে নিয়ে গেছে 😁
নেতানিয়াহুর পদত্যাগ চাই। সে আমাদের শন্তানদের ফিরিয়ে দিচ্ছে না যাদেরকে হামাস বন্দী করে নিয়ে গেছে 😁
😁4
হরতালে সচেতন থাকবেন, বাসে আগুন দিচ্ছে পুলিশ-ছাত্রলীগ-যুবলীগ মিলে।
ধরতে পারলে উপযুক্ত বিচার করে দিবেন জায়গাতেই।
ধরতে পারলে উপযুক্ত বিচার করে দিবেন জায়গাতেই।
❤5🔥1
হামা'সের মুখপাত্র আবু উ'বাইদা
আমরা সরাসরি আল্লাহর সাহায্য দেখেছি একজন মুজাহিদ তিনটিতে একদম ধ্বংস করেছে, আর শত্রু সেনারা পালিয়ে গিয়েছে।
শত্রুরা প্রতিদিন আমাদেরকে স্থল হামলার ভয় দেখায়, আমরা তাদেরকে বলছি তোমরা আসো আমরা সার্বক্ষণিক তোমাদের অপেক্ষায় আছি।
আমরা শত্রুদেরকে এমন পরাজয় ভোগ করাবো যা তাদের কল্পনার বাইরে।
জায়নাবাদীদের ভাঙ্গন শুরু হয়ে গেছে।
আমরা সরাসরি আল্লাহর সাহায্য দেখেছি একজন মুজাহিদ তিনটিতে একদম ধ্বংস করেছে, আর শত্রু সেনারা পালিয়ে গিয়েছে।
শত্রুরা প্রতিদিন আমাদেরকে স্থল হামলার ভয় দেখায়, আমরা তাদেরকে বলছি তোমরা আসো আমরা সার্বক্ষণিক তোমাদের অপেক্ষায় আছি।
আমরা শত্রুদেরকে এমন পরাজয় ভোগ করাবো যা তাদের কল্পনার বাইরে।
জায়নাবাদীদের ভাঙ্গন শুরু হয়ে গেছে।
❤8
আ'লীগের অতীত ইতিহাস বলছে, নিজেদের নেতা কর্মী হত্যা করে হলেও ওরা ক্ষমতার জন্য যুদ্ধ করবে।
মুজিবকোটধারীরা সাবধান!
মুজিবকোটধারীরা সাবধান!
😁8
অনলাইনে যাদেরকে আমরা একসময় বাম আদর্শের বলে জানতাম তারা এখন "বসন্তের কোকিল" হিসেবে বিএনপির শুভাকাঙ্খী বনে গেছে। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকজন হলো, ইসলামকে মনগড়াভাবে কমিউনিজম দিয়ে ইন্টারপ্রেট করা পারভেজ আলম, বাকি বিল্লাহ, মাহবুব মোর্শেদ, মারুফ মল্লিক, সালাউদ্দিন শুভ্র। এরা আগে ছিল বাম আদর্শের লোক এরমধ্যে বাকি বিল্লাহ এখনো সিপিবি'র সাথে জড়িত। আর বাকিরাও ছাত্রজীবনে সবাই বাম রাজনীতি করে আসছে। এদের প্রত্যেকেরই একটা কমন রোগ আছে সেটা হলো সবকিছুতেই এদেশের ইসলামপন্থী সংগঠন জামায়াত কে নেতিবাচক ভাবে উপস্থাপন করা।
যেমন ধরেন, আজকে বিএনপির উপর পুলিশ এভাবে হামলে পড়লো তারা এই পুলিশি হামলার প্রতিবাদ না করে সুকৌশলে পুরো বিষয়টিকে জামায়াতের প্রলেপ দিয়ে ঢেকে দিতে চায়ছে। তাদের ভাষ্য হলো, জামায়াত নাকি আ.লীগের সাথে আতাঁত করছে। তাই তারা কোনপ্রকার বাঁধার সম্মুখীন হয়নি। অথচ সব মিডিয়ায় গত কয়েকদিন ধরেই আমরা দেখে আসছি কিভাবে পুলিশ কর্মকর্তারা জামায়াত নিয়ে আক্রমণাত্মক বক্তব্য দিয়েছে। এছাড়াও জামায়াতের অনেকেই গ্রেপ্তার ও হামলার শিকার হয়েছে আজকে। আবার কাল বিএনপির সাথে মিলিয়ে একইদিনে হরতালের ডাকও দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। গত ১৪ বছর ধরেই এভাবে আন্দোলন সংগ্রাম করতে গিয়ে জামায়াত-শিবিরের শত শত নেতাকর্মী শহীদ হয়েছে, আহত হয়েছে, আটক হয়েছে। তাও নাকি এখনো এরা আতাঁতের গন্ধ খোঁজে!
অবশ্য গত দিনগুলোতে জামায়াতের এই সীমাহীন ত্যাগগুলো তাদের চোখে পরবেনা। এদের মূল উদ্দেশ্য নিয়ে আসলে সবাই সন্দিহান। এরা কি আসলেই বিএনপির শুভাকাঙ্খী নাকি সরকারের এজেন্ট হিসেবে কাজ করছে বিরোধী দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক দুরত্ব সৃষ্টি করতে? ও হ্যাঁ, এটাও সত্য এরা আবার প্রচণ্ড সরকার বিরোধী হওয়ার ভান ধরে। কিন্তু আজপর্যন্ত এত লেখক-এক্টিভিস্ট এই স্বৈরাচারের রোষানলে পড়লেও এদেরকে কখনো কোনসময়ই এই স্বৈরাচার আওয়ামী সরকারের রোষানলে পড়তে দেখা যায়নি।
যেমন ধরেন, আজকে বিএনপির উপর পুলিশ এভাবে হামলে পড়লো তারা এই পুলিশি হামলার প্রতিবাদ না করে সুকৌশলে পুরো বিষয়টিকে জামায়াতের প্রলেপ দিয়ে ঢেকে দিতে চায়ছে। তাদের ভাষ্য হলো, জামায়াত নাকি আ.লীগের সাথে আতাঁত করছে। তাই তারা কোনপ্রকার বাঁধার সম্মুখীন হয়নি। অথচ সব মিডিয়ায় গত কয়েকদিন ধরেই আমরা দেখে আসছি কিভাবে পুলিশ কর্মকর্তারা জামায়াত নিয়ে আক্রমণাত্মক বক্তব্য দিয়েছে। এছাড়াও জামায়াতের অনেকেই গ্রেপ্তার ও হামলার শিকার হয়েছে আজকে। আবার কাল বিএনপির সাথে মিলিয়ে একইদিনে হরতালের ডাকও দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। গত ১৪ বছর ধরেই এভাবে আন্দোলন সংগ্রাম করতে গিয়ে জামায়াত-শিবিরের শত শত নেতাকর্মী শহীদ হয়েছে, আহত হয়েছে, আটক হয়েছে। তাও নাকি এখনো এরা আতাঁতের গন্ধ খোঁজে!
অবশ্য গত দিনগুলোতে জামায়াতের এই সীমাহীন ত্যাগগুলো তাদের চোখে পরবেনা। এদের মূল উদ্দেশ্য নিয়ে আসলে সবাই সন্দিহান। এরা কি আসলেই বিএনপির শুভাকাঙ্খী নাকি সরকারের এজেন্ট হিসেবে কাজ করছে বিরোধী দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক দুরত্ব সৃষ্টি করতে? ও হ্যাঁ, এটাও সত্য এরা আবার প্রচণ্ড সরকার বিরোধী হওয়ার ভান ধরে। কিন্তু আজপর্যন্ত এত লেখক-এক্টিভিস্ট এই স্বৈরাচারের রোষানলে পড়লেও এদেরকে কখনো কোনসময়ই এই স্বৈরাচার আওয়ামী সরকারের রোষানলে পড়তে দেখা যায়নি।
👍9❤1
মানুষ কি মনে করে যে, ‘আমরা বিশ্বাস করি’ এ কথা বললেই ওদেরকে পরীক্ষা না করে ছেড়ে দেওয়া হবে? [আমি অবশ্যই এদের পূর্ববর্তীদেরকেও পরীক্ষা করেছিলাম; সুতরাং আল্লাহ অবশ্যই জেনে নেবেন, কারা সত্যবাদী ও কারা মিথ্যাবাদী।
সূরা আনকাবুত-(২-৩)
সূরা আনকাবুত-(২-৩)
❤12
সূরা আল কাহাফ কেনো নাযিল হয়েছিলো জানেন?
রাসূলুল্লাহ সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নবুয়তকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে মুশরিকরা আহলে কিতাবদের কাছ থেকে তিনটা প্রশ্ন ধার করে আনে। আহলে কিতাবরা বলে দিয়েছিলো—সত্যিকার নবি না হলে এই প্রশ্নগুলোর উত্তর দেওয়া কখনোই সম্ভব হবে না।
মুশরিকরা নবিজী সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কখনোই সত্য নবি মনে করতো না৷ তাদের ধারণা ছিলো এই প্রশ্নগুলোর উত্তর মুহাম্মাদ সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনোই দিতে পারবেন না এবং তিনি যে আল্লাহর নবি নন, সেটা সকলের সামনে প্রমাণ হয়ে যাবে।
প্রশ্ন তিনটা ছিলো—
১. গুহার সেই বালকদের ঘটনাটা কী? কী ঘটেছিলো তাদের ভাগ্যে?
২. সেই ধর্ম অন্তপ্রাণ রাজা কে যাকে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা পূর্ব এবং পশ্চিমের গোটা রাজত্ব দান করেছিলেন?
৩. রুহ কী?
আমরা জানি—মুশরিকদের উত্থাপিত এই প্রশ্নগুলোর জবাব দিয়ে সূরা আল কাহাফ সহ আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা জিবরাইল আলাইহিস সালামকে নবিজী সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে পাঠান।
এখানে আমার চিন্তাটা একটু অন্য জায়গায়৷ যদিও ষড়যন্ত্র আর কূটচালের অংশ, তবুও মুশরিকরা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার কাছে জানতে চেয়েছিলো কেবল তিনটা ঘটনা৷ কিন্তু সূরা আল কাহাফে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা কি শুধু তিনটা ঘটনাই জানিয়েছেন?
মুশরিকদের উত্থাপিত তিনটা প্রশ্নের জবাব তো দিয়েছেনই, সাথে বাড়তি করে সূরা আল কাহাফে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা আমাদেরকে আরো দুটো বাড়তি ঘটনা জানিয়েছেন।
১. সেই দুই বাগানের মালিকের ঘটনা যে অঢেল সম্পদের মালিক হওয়ার পর আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলাকে ভুলে গেলো এবং ধ্বংস হলো।
২. মুসা আলাইহিস সালাম এবং খিযির আলাইহিস সালামের ঘটনা।
এই বাড়তি দুই ঘটনার কথা কিন্তু মুশরিকরা জানতে চায়নি, তথাপি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা অনুগ্রহ করে জানিয়েছেন আমাদের।
হোক না তারা আল্লাহর দ্বীনের অকল্যাণ কামনা করেই প্রশ্নগুলোর জবাব চেয়েছে, কিন্তু উত্তর দানের বেলায় আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা কিন্তু তাঁর স্বভাবসুলভ বদান্যতা ঠিক ঠিক ধরে রেখেছেন৷ তারা জানতে চাইলো তিনটে ঘটনা, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা জানালেন পাঁচটা।
মুশরিকদের চাওয়ার বিপরীতেই যদি আপনার রব বাড়তি দিতে পারেন, বাড়তি জানাতে পারেন, হাজার গুনাহ করলেও আমরা তো তাঁরই গুনাহগার বান্দা, আমরা তো তাঁকেই দিনশেষে সিজদাহ করি। আমরা যদি তাঁর কাছে কোনোকিছু চাই, তিনি কতোগুণ বেশি করে আমাদের দিতে পারেন ভাবুন তো...
রাসূলুল্লাহ সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নবুয়তকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে মুশরিকরা আহলে কিতাবদের কাছ থেকে তিনটা প্রশ্ন ধার করে আনে। আহলে কিতাবরা বলে দিয়েছিলো—সত্যিকার নবি না হলে এই প্রশ্নগুলোর উত্তর দেওয়া কখনোই সম্ভব হবে না।
মুশরিকরা নবিজী সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কখনোই সত্য নবি মনে করতো না৷ তাদের ধারণা ছিলো এই প্রশ্নগুলোর উত্তর মুহাম্মাদ সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনোই দিতে পারবেন না এবং তিনি যে আল্লাহর নবি নন, সেটা সকলের সামনে প্রমাণ হয়ে যাবে।
প্রশ্ন তিনটা ছিলো—
১. গুহার সেই বালকদের ঘটনাটা কী? কী ঘটেছিলো তাদের ভাগ্যে?
২. সেই ধর্ম অন্তপ্রাণ রাজা কে যাকে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা পূর্ব এবং পশ্চিমের গোটা রাজত্ব দান করেছিলেন?
৩. রুহ কী?
আমরা জানি—মুশরিকদের উত্থাপিত এই প্রশ্নগুলোর জবাব দিয়ে সূরা আল কাহাফ সহ আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা জিবরাইল আলাইহিস সালামকে নবিজী সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে পাঠান।
এখানে আমার চিন্তাটা একটু অন্য জায়গায়৷ যদিও ষড়যন্ত্র আর কূটচালের অংশ, তবুও মুশরিকরা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার কাছে জানতে চেয়েছিলো কেবল তিনটা ঘটনা৷ কিন্তু সূরা আল কাহাফে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা কি শুধু তিনটা ঘটনাই জানিয়েছেন?
মুশরিকদের উত্থাপিত তিনটা প্রশ্নের জবাব তো দিয়েছেনই, সাথে বাড়তি করে সূরা আল কাহাফে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা আমাদেরকে আরো দুটো বাড়তি ঘটনা জানিয়েছেন।
১. সেই দুই বাগানের মালিকের ঘটনা যে অঢেল সম্পদের মালিক হওয়ার পর আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলাকে ভুলে গেলো এবং ধ্বংস হলো।
২. মুসা আলাইহিস সালাম এবং খিযির আলাইহিস সালামের ঘটনা।
এই বাড়তি দুই ঘটনার কথা কিন্তু মুশরিকরা জানতে চায়নি, তথাপি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা অনুগ্রহ করে জানিয়েছেন আমাদের।
হোক না তারা আল্লাহর দ্বীনের অকল্যাণ কামনা করেই প্রশ্নগুলোর জবাব চেয়েছে, কিন্তু উত্তর দানের বেলায় আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা কিন্তু তাঁর স্বভাবসুলভ বদান্যতা ঠিক ঠিক ধরে রেখেছেন৷ তারা জানতে চাইলো তিনটে ঘটনা, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা জানালেন পাঁচটা।
মুশরিকদের চাওয়ার বিপরীতেই যদি আপনার রব বাড়তি দিতে পারেন, বাড়তি জানাতে পারেন, হাজার গুনাহ করলেও আমরা তো তাঁরই গুনাহগার বান্দা, আমরা তো তাঁকেই দিনশেষে সিজদাহ করি। আমরা যদি তাঁর কাছে কোনোকিছু চাই, তিনি কতোগুণ বেশি করে আমাদের দিতে পারেন ভাবুন তো...
❤7