This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
সকল অবিবাহিত যুবক-যুবতীরা আমিন বলুন!©️
❤43🔥2😁1
সংক্ষিপ্ত রিমাইন্ডার
১৫ দিন তো চলে গেল প্রায়..
- জ্বী ভাই.. চোখের পলক ফেলতে না ফেলতেই সময় গুলো চলে গেল।
ইমানের হালত কি ভাই?
- আলহামদুলিল্লাহ ভালোই।
শেষ কবে রবের সামনে দাড়িয়ে চোখের পানি পড়েছে?
- ( ..... )©️
১৫ দিন তো চলে গেল প্রায়..
- জ্বী ভাই.. চোখের পলক ফেলতে না ফেলতেই সময় গুলো চলে গেল।
ইমানের হালত কি ভাই?
- আলহামদুলিল্লাহ ভালোই।
শেষ কবে রবের সামনে দাড়িয়ে চোখের পানি পড়েছে?
- ( ..... )©️
😢47
এক বৃদ্ধা মহিলাকে দেখলাম আজানের কিছুক্ষণ আগেই ওজু করছেন। জিজ্ঞেস করলাম, আজান দিয়েছে? বৃদ্ধা বললেন,
- আমাকে ডাকার আগেই রবের কাছে হাজির হয়ে যাচ্ছি।
বৃদ্ধার কথা শুনে বুঝতে পারলাম, আমি এখনো ভালো বান্দা হয়ে উঠতে পারিনি।
- আল্লামা ইবনুল জাওযী (রহ.)
- আমাকে ডাকার আগেই রবের কাছে হাজির হয়ে যাচ্ছি।
বৃদ্ধার কথা শুনে বুঝতে পারলাম, আমি এখনো ভালো বান্দা হয়ে উঠতে পারিনি।
- আল্লামা ইবনুল জাওযী (রহ.)
😢42❤8
আলোর পথ
Photo
ছাত্ররা যখন ক্যাম্পাস ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে, মেসগুলোতে নিয়মিত তল্লাশিতে শিক্ষার্থীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে, আন্দোলনের স্থবির অবস্থা। ঠিক তখনই বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতির মঞ্জুরুল ইসলাম ভাইয়ের নির্দেশনায় সেক্রেটারি জেনারেল জাহিদুল ইসলাম ভাই সারাদেশের আন্দোলন বেগবান রাখার জন্য সারাদেশকে কয়েক ভাগে ভাগ করেন। নিরাপত্তার স্বার্থে গ্রুপের নাম দেওয়া হয় "Business Club"। আমরা যারা বিভাগভিত্তিক দায়িত্বপ্রাপ্ত হলাম তাদের নাম দেওয়া হলো ডিভিশনাল ইনচার্জ।
👉ঢাকা বিভাগ: সিবগাতুল্লাহ ভাই (কেন্দ্রীয় সাহিত্য সম্পাদক), আজিজুর রহমান আজাদ ভাই (কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক), সাদেক আব্দুল্লাহ ভাই (কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক)
👉কুমিল্লা জোন: শাফিউল্লাহ ভাই (কেন্দ্রীয় কলেজ কার্যক্রম সম্পাদক)
👉রাজশাহী বিভাগ: আব্দুর রহিম (কেন্দ্রীয় এইচআরডি সম্পাদক)
👉চট্টগ্রাম বিভাগ: সাইদুল ইসলাম ভাই (কেন্দ্রীয় এইচআরএম সম্পাদক)
👉খুলনা বিভাগ: মিকদাদ হুসাইন-সুহাইল ভাই (কেন্দ্রীয় শিক্ষা সম্পাদক)
👉ময়মনসিংহ বিভাগ: আব্দুস সালাম ভাই (কেন্দ্রীয় শিল্প ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক)
👉সিলেট বিভাগ: সিদ্দিক আহমেদ ভাই (কেন্দ্রীয় স্কুল কার্যক্রম সম্পাদক)
👉রংপুর বিভাগ: মিসবাহুল করিম ভাই(কেন্দ্রীয় বিতর্ক সম্পাদক)
👉বরিশাল বিভাগ: আব্দুর রহিম ভাই (গালিব আব্দুল্লাহ)।(কেন্দ্রীয় তথ্য সম্পাদক)
👉আন্দোলনের মূল কেন্দ্রবিন্দু যেহেতু ঢাকা, আবার ঢাকায় প্লেসও বেশি, সেজন্য কেন্দ্রের অন্য সেক্রেটারিয়েট ভাইদের পাশাপাশি ডিভিশনাল ইনচার্জদেরও বিভিন্ন স্থানেও প্রধান সমন্বয়ক হিসাবে ছাত্র,জামায়াত কর্মী, সাধারণ জনগনের সমন্বয়ে নির্ধারিত স্পটের সকলের নিরাপত্তা, খাবার, আন্দোলনের সরঞ্জাম সরবরাহ সহ সামগ্রিক দেখভাল করার দায়িত্ব দেওয়া হয়।
ডিভিশনাল ইনচার্জ হিসাবে জাহিদুল ইসলাম ভাই আমাদের প্রথম কাজ দিলেন জেলা ইনচার্জ, সহকারী নির্ধারণ করা। তাদের সাথে সমন্বয় করে দ্রুত জেলা, উপজেলা এবং ইউনিয়ন পর্যন্ত আন্দোলন বিস্তৃত করার জন্য সমন্বয়ক টিম গঠন করা।
পরিবেশ এতটাই কঠিন! জেলা শহরগুলো ছোট হওয়ায় আন্দোলনে যখন কেউ দাঁড়াতে পারছে না, সেখানে সমন্বয় করা মানে তাকে নিশ্চিত বিপদে ফেলে দেওয়া। তখন বারবার বসে আমাদের সংশ্লিষ্ট শাখা দায়িত্বশীলদের মাধ্যমে সাধারণ শিক্ষার্থী এবং ছাত্রশিবিরের নন-ফেস জনশক্তিদের সমন্বয়ে সমন্বয়ক প্যানেল গঠন করা হয়।
আন্দোলন যেন প্রশ্নবিদ্ধ নাহয় সেজন্য দায়িত্বশীলদের মধ্যে আমরা যারা ছাত্রশিবির হিসাবে চিহ্নিত ছিলাম, তারা অধিকাংশ সময় মাস্ক পরিহিত অবস্থায় আন্দোলনে থেকেছি।
আব্দুর রহিম
Md Abdur Rahim
সাবেক, কেন্দ্রীয় এইচআরডি সম্পাদক ও রাজশাহী ডিভিশনাল ইনচার্জ।
Md. Abdur Rahim
👉ঢাকা বিভাগ: সিবগাতুল্লাহ ভাই (কেন্দ্রীয় সাহিত্য সম্পাদক), আজিজুর রহমান আজাদ ভাই (কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক), সাদেক আব্দুল্লাহ ভাই (কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক)
👉কুমিল্লা জোন: শাফিউল্লাহ ভাই (কেন্দ্রীয় কলেজ কার্যক্রম সম্পাদক)
👉রাজশাহী বিভাগ: আব্দুর রহিম (কেন্দ্রীয় এইচআরডি সম্পাদক)
👉চট্টগ্রাম বিভাগ: সাইদুল ইসলাম ভাই (কেন্দ্রীয় এইচআরএম সম্পাদক)
👉খুলনা বিভাগ: মিকদাদ হুসাইন-সুহাইল ভাই (কেন্দ্রীয় শিক্ষা সম্পাদক)
👉ময়মনসিংহ বিভাগ: আব্দুস সালাম ভাই (কেন্দ্রীয় শিল্প ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক)
👉সিলেট বিভাগ: সিদ্দিক আহমেদ ভাই (কেন্দ্রীয় স্কুল কার্যক্রম সম্পাদক)
👉রংপুর বিভাগ: মিসবাহুল করিম ভাই(কেন্দ্রীয় বিতর্ক সম্পাদক)
👉বরিশাল বিভাগ: আব্দুর রহিম ভাই (গালিব আব্দুল্লাহ)।(কেন্দ্রীয় তথ্য সম্পাদক)
👉আন্দোলনের মূল কেন্দ্রবিন্দু যেহেতু ঢাকা, আবার ঢাকায় প্লেসও বেশি, সেজন্য কেন্দ্রের অন্য সেক্রেটারিয়েট ভাইদের পাশাপাশি ডিভিশনাল ইনচার্জদেরও বিভিন্ন স্থানেও প্রধান সমন্বয়ক হিসাবে ছাত্র,জামায়াত কর্মী, সাধারণ জনগনের সমন্বয়ে নির্ধারিত স্পটের সকলের নিরাপত্তা, খাবার, আন্দোলনের সরঞ্জাম সরবরাহ সহ সামগ্রিক দেখভাল করার দায়িত্ব দেওয়া হয়।
ডিভিশনাল ইনচার্জ হিসাবে জাহিদুল ইসলাম ভাই আমাদের প্রথম কাজ দিলেন জেলা ইনচার্জ, সহকারী নির্ধারণ করা। তাদের সাথে সমন্বয় করে দ্রুত জেলা, উপজেলা এবং ইউনিয়ন পর্যন্ত আন্দোলন বিস্তৃত করার জন্য সমন্বয়ক টিম গঠন করা।
পরিবেশ এতটাই কঠিন! জেলা শহরগুলো ছোট হওয়ায় আন্দোলনে যখন কেউ দাঁড়াতে পারছে না, সেখানে সমন্বয় করা মানে তাকে নিশ্চিত বিপদে ফেলে দেওয়া। তখন বারবার বসে আমাদের সংশ্লিষ্ট শাখা দায়িত্বশীলদের মাধ্যমে সাধারণ শিক্ষার্থী এবং ছাত্রশিবিরের নন-ফেস জনশক্তিদের সমন্বয়ে সমন্বয়ক প্যানেল গঠন করা হয়।
আন্দোলন যেন প্রশ্নবিদ্ধ নাহয় সেজন্য দায়িত্বশীলদের মধ্যে আমরা যারা ছাত্রশিবির হিসাবে চিহ্নিত ছিলাম, তারা অধিকাংশ সময় মাস্ক পরিহিত অবস্থায় আন্দোলনে থেকেছি।
আব্দুর রহিম
Md Abdur Rahim
সাবেক, কেন্দ্রীয় এইচআরডি সম্পাদক ও রাজশাহী ডিভিশনাল ইনচার্জ।
Md. Abdur Rahim
❤12👍4
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
জুলাই বিপ্লবের অন্যতম নায়ক সালমান ওরফে সাদিক কায়েমের সাক্ষাৎকার-
ভাবছি আরো বৃহৎ পরিসরে গল্পগুলো নিতে হবে।
জাস্টিস ফর জুলাই ইউকে-র জন্য একটি ডকুমেন্টারী করতে গিয়ে এ সাক্ষাৎকার নিয়েছিলাম।
ভিডিও : ধানশালিক স্টুডিও
ভাবছি আরো বৃহৎ পরিসরে গল্পগুলো নিতে হবে।
জাস্টিস ফর জুলাই ইউকে-র জন্য একটি ডকুমেন্টারী করতে গিয়ে এ সাক্ষাৎকার নিয়েছিলাম।
ভিডিও : ধানশালিক স্টুডিও
❤26👍1
রামাদান চলে যাচ্ছে, অথচ যে অন্তর এখনও রবের ক্ষমা লাভের তাড়নায় তড়পড়াচ্ছে না, সেটা মৃত অন্তর।
রামাদান ফুরিয়ে যাচ্ছে, অথচ যে ঘরে এখনও আমলের তোড়জোড় নেই, সেই ঘর খাঁ খাঁ করা রুক্ষ যমিনের মতো—অনুর্বর।
রামাদানের অর্ধেক শেষ হয়ে এলো, কিন্তু যে ব্যক্তি এখনও তার গতানুগতিক উদাসীন জীবনের ধারা থেকে বের হতে পারেনি, কতই না হতভাগা সেই ব্যক্তি!
👉আরিফ আজাদ
রামাদান ফুরিয়ে যাচ্ছে, অথচ যে ঘরে এখনও আমলের তোড়জোড় নেই, সেই ঘর খাঁ খাঁ করা রুক্ষ যমিনের মতো—অনুর্বর।
রামাদানের অর্ধেক শেষ হয়ে এলো, কিন্তু যে ব্যক্তি এখনও তার গতানুগতিক উদাসীন জীবনের ধারা থেকে বের হতে পারেনি, কতই না হতভাগা সেই ব্যক্তি!
👉আরিফ আজাদ
😢36👍3
Forwarded from আলোর পথ
বদরের যু*দ্ধ!
এটি শুধু একটি যু*দ্ধই নয়, বরং এটি হচ্ছে মুসলিমদের এক যুগান্তকারী ইতিহাস! যে যু*দ্ধে মহান আল্লাহ তা'আলা স্বয়ং নিজেই তার কুদরত দ্বারা মুসলিমদের বিজয় এনে দিয়েছিলেন!
বদরের যু*দ্ধ ছিল মুসলমান ও কুরাইশদের মধ্যে প্রথম সামরিক যু*দ্ধ। এ যু*দ্ধ রাসূলুল্লাহ সা: নিজে পরিচালনা করেন। এ যু*দ্ধের ফলে ইসলামে যুগান্তকারী পরিবর্তন আসে। পবিত্র আল-কুরআনের সূরা আল ইমরান ও সূরা আনফালেও বদর যু*দ্ধের বর্ণনা এসেছে।
আল্লাহ তায়ালা বলেন,
‘স্মরণ করো! যখন আল্লাহ তোমাকে স্বপ্নে দেখিয়েছিলেন, তারা সংখ্যায় অল্প। যদি তিনি তাদের সংখ্যায় বেশি দেখাতেন তবে তোমরা সাহস হারাতে এবং যু*দ্ধের ব্যাপারে নিজেদের মধ্যে মতবিরোধ তৈরি করতে। কিন্তু আল্লাহ রক্ষা করেছেন। নিশ্চয় তিনি অন্তরের খবর জানেন।’
(সূরা আনফাল : ৪৩)
❤29👍2
Forwarded from আলোর পথ
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
বদর আমাদের চেতনার, বদর আমাদের প্রেরণার।⚔️🇸🇦⚔️
ড. রেজাউল করিম 🤍🤎
সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি
- বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির🇧🇩🤍⚔️
ড. রেজাউল করিম 🤍🤎
সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি
- বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির🇧🇩🤍⚔️
❤22
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
আলহামদুলিল্লাহ।
ছোটো একটি সাক্ষাৎকার যেখানে হামাস সেনা ইহুদীদের ধ্বংস নিয়ে আল্লাহর বাণী শুনাচ্ছেন।
শুধু ফিলিস্তিন না, এই উপমহাদেশ আমরা আবার শাসন করবো,
ইং শা আল্লাহ।
ছোটো একটি সাক্ষাৎকার যেখানে হামাস সেনা ইহুদীদের ধ্বংস নিয়ে আল্লাহর বাণী শুনাচ্ছেন।
শুধু ফিলিস্তিন না, এই উপমহাদেশ আমরা আবার শাসন করবো,
ইং শা আল্লাহ।
❤61
Forwarded from আলোর পথ
ইয়া আল্লাহ আজ থেকে দেড় হাজার বছর পূর্বে ১৭ রামাদানে বদরের প্রান্তে মুহাম্মদ ﷺ এর সেই ৩১৩ জন অবলা বাহিনী কে কুফফারদের উপর আপনি বিজয় দান করেছিলেন।
ইয়া আল্লাহ আপনি তো সে রব এখনো আছেন, আপনি এই রামাদানে অভিশপ্ত ইয়াহুদিদের উপর নির্যাতিত ফিলিস্তিনি মুসলমানদের কে বিজয় দান করেন আমিন।
ইয়া আল্লাহ আপনি তো সে রব এখনো আছেন, আপনি এই রামাদানে অভিশপ্ত ইয়াহুদিদের উপর নির্যাতিত ফিলিস্তিনি মুসলমানদের কে বিজয় দান করেন আমিন।
❤25👍1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
নিশ্চয়ই তারাই অশান্তি সৃষ্টিকারী!
©️
©️
😢16👍4😁1
ঘুম পেয়েছে জাদুর চোখে, হট্টগোলের নেই সময়,
ছোট্ট ছানা যায় চলে যায়, এই পৃথিবীর অনেক ভয়।
রাক্ষসেরা নেয় কেড়ে সব রঙ-ফড়িংয়ের খেলনা,
অবুঝ ছানার রক্তে সাজে দোল দুলুনির দোলনা।
পুতুল জামা, পুতুল জুতো রইলো পড়ে কার্নিশে,
ছোট্টখানি পেটের ক্ষুধা, তাও মেটেনি কার দোষে!
ঘুম পেয়েছে সোনার চোখে, ফুলচাদরে মুড়িয়ে নাও,
শীতলপাটি হারিয়ে গেছে, মাটির আদর জড়িয়ে দাও।
পুতুল শোকে মায়ের কন্ঠে বিড়বিড় ওঠে আনমনে,
জাদুর পাখি, সবুজ পাখি, উড়ছো নাকি আসমানে?
কার আসে যায়? বিশ্বজুড়ে বাজছে ঠিকই আনন্দ!
পুতুল সোনা হাসবে যেদিন, উল্টে যাবে বসন্ত।
ঘুম ভুলেছে মায়ের দু'চোখ, ভাল্লাগে না সূর্যোদয়,
অবোধ ছানা যায় বলে যায়, এই পৃথিবী আমার নয়।
_
এই পৃথিবী আমার নয়
ছোট্ট ছানা যায় চলে যায়, এই পৃথিবীর অনেক ভয়।
রাক্ষসেরা নেয় কেড়ে সব রঙ-ফড়িংয়ের খেলনা,
অবুঝ ছানার রক্তে সাজে দোল দুলুনির দোলনা।
পুতুল জামা, পুতুল জুতো রইলো পড়ে কার্নিশে,
ছোট্টখানি পেটের ক্ষুধা, তাও মেটেনি কার দোষে!
ঘুম পেয়েছে সোনার চোখে, ফুলচাদরে মুড়িয়ে নাও,
শীতলপাটি হারিয়ে গেছে, মাটির আদর জড়িয়ে দাও।
পুতুল শোকে মায়ের কন্ঠে বিড়বিড় ওঠে আনমনে,
জাদুর পাখি, সবুজ পাখি, উড়ছো নাকি আসমানে?
কার আসে যায়? বিশ্বজুড়ে বাজছে ঠিকই আনন্দ!
পুতুল সোনা হাসবে যেদিন, উল্টে যাবে বসন্ত।
ঘুম ভুলেছে মায়ের দু'চোখ, ভাল্লাগে না সূর্যোদয়,
অবোধ ছানা যায় বলে যায়, এই পৃথিবী আমার নয়।
_
এই পৃথিবী আমার নয়
😢33👍4
আমি যদি আমার রবের অবাধ্য হই তাহলে আমি ভয় করি মহা দিনের শাস্তির।
.
সূরা যুমার, আয়াত ১৩
.
সূরা যুমার, আয়াত ১৩
😢22👍1